পরমব্রতই ছিল আমার প্রথম ক্রাশ, অকপটে স্বীকার করলেন অভিনেত্রী মানালি

param

ছোট পর্দার পাশাপাশি বড় বড়দাতেও এখন বেশ পরিচিত মুখ মানালি দে। ছোট পর্দা দিয়ে কেরিয়ার শুরু করেছিলেন তিনি। এখন টলিউডে প্রথম সারির অভিনেত্রীদের মধ্যে তিনি একজন। বর্তমানে ‘ধুলোকণা’ ধারাবাহিকে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি। সেই মানালি অকপটে স্বীকার করে নিলেন তাঁর জীবনের প্রথম ক্রাশ ছিলেন অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় বাংলা রিয়্যালিটি শো ‘দাদাগিরি’-র একটি বিশেষ পর্ব প্রকাশ্যে এসেছে। এই বিশেষ পর্বের এপিসোডে হাজির ছিলেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়, সব্যসাচী চক্রবর্তী, গৌরব চক্রবর্তী, মানালি দে, ঋদ্ধিমা ঘোষ। যেখানে তারকাদের সঙ্গে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের কখোপকথনে উঠে এসেছে, তারকাদের ছোটবেলার ব্ল্যাংক কল এর প্রসঙ্গ। তখনই প্রকশ্যে মানালি স্বীকার করেন, তিনিও ছোটবেলায় ব্ল্যাংক কল করতেন। ব্ল্যাংক কলটি যেত অভিনেতা পরমব্রতর কাছে। কারণ পরমই ছিলেন মানালির প্রথম ক্রাশ।

মানালির কথায়, সেই সময় তিনি ক্লাস ৩-৪ এ পড়তেন। পরমব্রতকে মানালি ফোন করে বলতেন, ‘পরমদা বলছেন’? ফোনের ওপর দিক থেকে উত্তর আসতো, ‘হ্যা কে’? তখন মানালি বলতেন, দাদা আমি না আপনাকে খুব পছন্দ করি। উত্তরে পরমব্রত বলতেন, ‘আমি ব্যস্ত আছি’- বলে ফোন রেখে দিতেন। মানালির মুখে এই কথা শুনে বেশ অপ্রস্তুত হয়ে পরেন পরম। তবে শুধু মানালি নয় সঞ্চালক সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ও স্বীকার করে নেন, ছোটবেলায় তিনিও ব্ল্যাংক কল করতেন। তবে কাকে কল করতেন সেই বিষয়ে মুখ খোলেননি দাদা।

‘অভিনয়টা মন দিয়ে শেখো, নইলে এর ফল পরে টের পাবে’, কাজলের উদ্দেশ্যে কিং খান

SRK

বলিউডের অন্যতম সেরা জুটির তালাকায় একেবারে প্রথমের দিকেই আছেন কাজল এবং শাহারুখ। বড় পর্দায় তাঁদের জুটি ম্যাজিকের মতো কাজ করে। সেই উনিশের দশক থেকে শুরু করে আজও তাঁদের জুটি হিট। অন স্ক্রিনে শাহারখ এবং কাজলের রোমান্স দেখার জন্য পাগল আট থেকে আশি। ক্যামেরার পিছনেও তাঁরা খুবই ভালো বন্ধু। তবে কাজলকে একবার শুটিং চলাকালিন ‘একেবারে গাধা তুমি’ বলে মন্তব্য করে বসেন কিং খান। এর পাশাপাশি কাজলকে মন দিয়ে অভিনয় শেখার পরামর্শও দেন শাহরুখ।

এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কাজলের মুখে এই কথা শোনা যায়। কাজল জানান, ‘বাজিগর’ ছবির শুটিং-এর সময় তাঁকে ‘গাধা, উজবুক’ বলার পাশাপাশি তাঁকে নিয়ে বেশ বিরক্ত হন শাহরুখ। সেই সময় কাজলের উদ্দেশ্যে কিং খান বলেন, ‘তুমি একেবারেই বোকা। অভিনয়ের কিছুই বোঝো না তুমি। ক্যামেরার সামনে কী করছ সেই বিষয়ে কোনও ধারনাই নেই তোমার। খালি সুযোগ পেলেই এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াচ্ছ’।

সেই সময় বলি-পাড়ায় অভিনেত্রী হিসেবে একেবারে নবাগতা ছিলেন কাজল। খুব ভালো অভিনয় করতে পারতেন না তিনি। এই পেশার প্রতি খুব একটা সিরিয়াসও ছিলেন না তিনি। কাজল সাক্ষাৎকারে আরও জানান, সেই সময় শাহরুখ তাঁকে পরামর্শ দিয়েছিলেন অভিনয়টা মন দিয়ে শেখার জন্য। নইলে কাজলকে পরবর্তীকালে সমস্যায় পড়তে হবে বলে জানান কিং খান। তখন শাহরুখ-এর কথায় তেমন আমল দেননি অভিনেত্রী। কিন্তু পরবর্তীতে সত্যি কা

তবে কী সত্যি সম্পর্কের অন্তিম সময় উপস্থিত, এবারে বরখার পথেই হাঁটলেন ইন্দ্রনীল

bollywood News

বেশ কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল বরখা বিশত এবং ইন্দ্রনীল সেনগুপ্তের বিবাহ বিচ্ছেদ হতে চলেছে। এর আগেই নিজের ইনস্টাগ্রাম থেকে স্বামী ইন্দ্রনীলকে আনফলো করেছিলেন বরখা। তখন থেকেই নেটিজেনদের মনে প্রশ্ন জাগে তবে কী সত্যি বিবাহ বিচ্ছেদের পথে হাঁটতে চলেছেন এই তারকা দম্পতি? এবারে আরও এক ধাপ এগিয়ে বরখার দেখানো পথেই হাঁটলেন ইন্দ্রনীল। সম্প্রতি বরখাকেও নিজের ইনস্টাগ্রাম থেকে আনফলো করলেন ইন্দ্রনীল।

কয়েকমাস ধরেই টলি এবং বলি ইন্ডাস্ট্রিতে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছিল ইন্দ্রনীল এবং বরখার দীর্ঘ ১৩ বছরের সম্পর্কে দাড়ি পড়তে চলেছে। তাঁরা আর এক ছাদের তলায় থাকবেন না। তবে শুধু সোশ্যাল মিডিয়ায় একে অপরের থেকে দূরে সরে যাওয়ার বিষয়ই একমাত্র কারণ তা নয়। অভিনেত্রী ইশা সাহার সঙ্গে নাম জড়িয়ে পড়ে ইন্দ্রনীলের। ‘তরুলতার ভূত’ ছবিতে কাজ করার সময় থেকেই তাঁদের মধ্যে বন্ধুত্ব তৈরি হয়। এরপর সেই বন্ধুত্ব প্রেমে পরিণত হয় বলে শোনা যায়।

বেশ কিছুদিন ধরেই বরখার প্রফাইলে ইন্দ্রনীলকে নিয় কোনও পোস্ট করেননি অভিনেত্রী। এখন বরখার ওয়াল জুড়ে কেবল তাঁর বন্ধুবান্ধব এবং কন্যার ছবি এবং ভিডিও। এর পাশাপাশি কয়েকদিন আগেই তিনি একটি পোস্ট শেয়ার করেছিলেন, যেখানে লেখা ছিল ‘বেশি ভালবাসলে বেশি কষ্ট পেতে হয়, কম ভালবাসলে কম কষ্ট পেতে হয়। তুমি কোনটা বেছে নেবে? আমার মনে হয় এখন এটাই একমাত্র বাস্তব প্রশ্ন’। তবে কী বরখা ওই পোস্টের মাধ্যমেই ইন্দ্রনীলের সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের কথা বোঝাতে চেয়েছিলেন? উত্তর কেবল সময়ের অপেক্ষা।

শুটিং ফ্লোরে কেঁদে ভাসালেন আলিয়া, হঠাৎ কেন আবেগপ্রবণ আলিয়া

alia

এর আগেই শোনা যাচ্ছিল অভিনয়ের পাশাপাশি প্রযোজনার কাজেও হাত দিয়েছেন আলিয়া। ‘রেড চিলির’ ব্যনারে মুক্তি পেতে চলেছে ‘ডার্লিংস’। গতমাসেই আলিয়া তাঁর প্রথম প্রযোজনায় শুটিং শুরু করেছিলেন। এবারে শুটের শেষ মুহূর্তে আবেগপ্রবণ হয়ে পরেন অভিনেত্রী। শুটিং-এর শেষ দিনে শেফালি শাহকে জড়িয়ে ধরে হাউহাউ করে কেঁদে ফেলেন আলিয়া।

গতকালই এই ছবির শুটিং-এর শেষ দিন ছিল। শেফালি যখন ছবি তুলতে শুরু করেন তখনই অভিনেত্রীকে কান্নায় ভেঙে পড়তে দেখা যায়। শেফালিকে আর শুটিং ফ্লোরে দেখতে না পাওয়ার আক্ষেপে, সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি বিচ্ছেদ নোটও শেয়ার করেন আলিয়া। শেফালির তোলা ছবি পোস্ট করে আলিয়া এও জানিয়ে দেন রোশন ম্যাথুর-এর সঙ্গে কাজ করে তিনি আপ্লুত। অন্যদিকে শেফালি শাহও সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁর আবেগতাড়িত মন্তব্য করেছেন। ‘ডার্লিংস’ সিনেমার সঙ্গে যুক্ত সকলকেই তিনি সবিশেষ ধন্যবাদ জানিয়েছেন।

আলিয়ার প্রথম প্রযোজিত সিনেমা ‘ডার্লিংস’ ইন্টারনাল সানশাইন প্রোডাকশনের ব্যানারে মুক্তি পেতে চলেছে। তবে আলিয়া একা নন, তাঁর সঙ্গে এই ছবিতে যৌথভাবে প্রযোজকের আসনে বসেছেন শাহরুখ খান। একেবারে অন্য স্বাদে ডার্ক কমেডির প্রেক্ষাপটে ছবিটি তৈরি হয়েছে। ছবি পরিচালনার দায়িত্ব সামলেছেন জসমিত কে রীন। অন্যদিকে আলিয়ার পাশাপাশি ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন শেফালি। তাঁদের বিপরীতে ছবিতে অভিনয় করতে দেখা যাবে রোশন এবং বিজয়কে।

বিগ বি সঞ্চালনায় নতুন সাজে আসছে “KBC 13”

Amitabh Bachchan

বায়োস্কোপ ডেস্ক: টেলিভিশনের পর্দায় ফের স্বমহিমায় ফিরছেন বলিউডের শাহেনশা। খুব শীঘ্রই আসছে কৌন বানেগা কৌড়পতি পার্ট ১৩ (KBC 13)। কেবিসি টিভির পর্দায় আসার আগেই শো-কর্তৃপক্ষ একটি স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি রিলিজ করেছে। কেবিসি ১৩-এর প্রিমিয়ারের আগে এই শর্ট ফিল্মের মাধ্যমেই ফের অমিতাভ বচ্চনের প্রত্যাবর্তনের কথা ঘোষণা করা হয়েছে।

এই শর্ট ফিল্মের নাম ‘সম্মান’। ছবিটি তিনটে ভাগে বিভক্ত। গত ১৯ শে জুলাই প্রথম অংশটি নিজের ইন্সটগ্রামে পোস্ট করেছিলেন স্বয়ং অমিতাভ বচ্চন। সম্প্রতি পোস্ট করলেন ছবিটির দ্বিতীয় অংশও। নেট মাধ্যমে যথেষ্ট প্রশংসা কুড়িয়েছে এই স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবি।

ছবিটির পরিচালনা করেছেন নীতেশ তিওয়ারি। মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করেছেন ওমকার দাস মানিকপুরি। মধ্যপ্রদেশের বেরছা নামের একটি গ্রামে শুটিং হয়েছে এই ছবির। ছবিতে দেখা যাচ্ছে যে, একটি গ্রামে স্কুল তৈরির জন্য টাকা জোগাড় করতে কেবিসিতে আসছেন এক ব্যক্তি। সেই নিয়েই গল্প এগোয়। যদিও তিন নম্বর অংশটি এখনো প্রকাশ পায়নি।

যদিও টিভির পর্দায় কবে থেকে দেখা টেলিকাস্ট হবে কেবিসি ১৩ তা এখনো জানা যায়নি। তবু অমিতাভ বচ্চন নিজে সোশ্যাল সাইটে জানিয়েছেন, অপেক্ষার অবসান। শীঘ্রই ফিরছে কেবিসি ১৩।

ঐন্দ্রিলাকে বিয়ের বার্তা দিলেন অঙ্কুশ

Love birds Ankush Hazra and Oindrila Sen

বায়োস্কোপ ডেস্ক: অঙ্কুশের একটি পোস্টে তোলপাড় নেটপাড়া। কারণ, সেই পোস্টের ইঙ্গিত যেদিকে, তার অর্থ বোঝায়- খুব শিগগিরিই তাঁর পরিবারের অংশ হতে চলেছেন ঐন্দ্রিলা। দশ বছরের প্রেম কি তাহলে এবার ছাতনাতলা অবধি গড়াচ্ছে? শেষমেশ সাত পাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা? সেই গুঞ্জন তো অনেক দিন ধরেই শোনা যাচ্ছে। তবে এবার ইনস্টাগ্রামে এক গুগলি পোস্ট করে সেই জল্পনাকে যেন আরও একধাপ উসকে দিলেন অভিনেতা।

অতঃপর সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্নের ঝড় বয়ে গিয়েছে যে- কবে বিয়ে করছেন? কোন মাসের কত তারিখ?… ইত্যাদি ইত্যাদি। কেউ বা আবার আগাম শুভেচ্ছাও জানিয়ে রেখেছেন অঙ্কুশের একটি পোস্টে তোলপাড় নেটপাড়া। কারণ, সেই পোস্টের ইঙ্গিত যেদিকে, তার অর্থ বোঝায়- খুব শিগগিরিই তাঁর পরিবারের অংশ হতে চলেছেন ঐন্দ্রিলা। দশ বছরের প্রেম কি তাহলে এবার ছাতনাতলা অবধি গড়াচ্ছে? শেষমেশ সাত পাকে বাঁধা পড়তে চলেছেন অঙ্কুশ-ঐন্দ্রিলা? সেই গুঞ্জন তো অনেক দিন ধরেই শোনা যাচ্ছে। তবে এবার ইনস্টাগ্রামে এক গুগলি পোস্ট করে সেই জল্পনাকে যেন আরও একধাপ উসকে দিলেন অভিনেতা।

Oindrila Sen

গত নভেম্বরে অনির্বাণ ভট্টাচার্যকে বিয়ের শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েও নিজের বিয়ের ঈঙ্গিত দিয়েছিলেন অঙ্কুশ। এবারও তাই। তা ইনস্টা পোস্টে কী এমন লিখেছেন অঙ্কুশ, যা নিয়ে এত জল্পনা? লিখেছেন, “অবশেষে এত দীর্ঘ অপেক্ষার পর সে আমার পরিবারের সদস্য হতে চলেছে.. স্বপ্ন সত্যি হল।” এই ‘সে’-টি কে? তা নিয়ে অঙ্কুশকে প্রশ্ন করা হলে, এক সংবাদমাধ্যমকে তিনি জানিয়েছেন, “যে যা ভাবছে ভাবুক।” তবে প্রশ্ন শুনে হাসলেও বিয়ের জল্পনা কিন্তু ওড়াননি অভিনেতা। তাঁর কথায়, “কেউ তো একটা হবেই। আর ডিসেম্বরে যখন বিয়ের কথা ছিল, তখন তা তো হতেই পারে।” অতঃপর অঙ্কুশ ঠিক খোলসা করে বলেননি যে, কে তাঁর পরিবারের সদস্য হতে চলেছে এত অপেক্ষার পর। তবে নেটিজেনরা দুয়ে দুয়ে চার করে প্রেমিকা ঐন্দ্রিলা সেনের কথাই ধরে নিয়েছেন।

মার্কিন পরমাণু বোমা হামলার বার্ষিকী পালন করল হিরোসিমা

Hiroshima marks 76th anniversary of US atomic bombing

নিউজ ডেস্ক: আজ শুক্রবার ৬ অগস্ট। মানব সভ্যতার ইতিহাসে এই দিনেই আমেরিকা প্রথম পারমাণবিক বোমার হামলা করেছিল৷ এই ঘটনা জাপানের এক লক্ষ ৪০ হাজার মানুষ নিহত হয়েছিলেন। এ ঘটনাকে পর্যবেক্ষকরা বিশ্বের জন্য কলঙ্কজনক অধ্যায় বলে উল্লেখ করে থাকেন। সেই কলঙ্কিত দিনে শুক্রবার জাপানের হিরোসিমা শহরের মানুষ মার্কিন অ্যাটম বোমা হামলার ৭৬তম বার্ষিকী পালন করেছেন।

Hiroshima marks 76th anniversary of US atomic bombing

হিরোশিমা দিবস উপলক্ষে শহরটির মেয়র পরমাণু অস্ত্র ধ্বংস করার প্রচেষ্টায় বিশ্ব নেতাদের যুক্ত হওয়ার আহ্বান জানান। মেয়র কাক্সুমি মাতসুই এদিন বলেন, “যুদ্ধে জয়লাভের জন্য পরমাণু অস্ত্র তৈরির ঘটনা মানব সভ্যতাকে সম্পূর্ণ বিনাশের একটি হুমকি৷ তবে যদি সব দেশ একসঙ্গে কাজ করে তাহলে আমরা অবশ্যম্ভাবীভাবে এই হুমকির অবসান ঘটাতে পারি।” নির্বিচারে গণহত্যা চালানোর জন্য এই জঘন্য অস্ত্র হাতে রেখে কোনও টেকসই সমাজ সম্ভব নয় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

Hiroshima marks 76th anniversary of US atomic bombing

মেয়র মাতসুই জোর দিয়ে বলেন, আমেরিকা যে গণহত্যা ও ধ্বংসযজ্ঞ চালিয়েছিল, তার তথ্য ও দলিল-দস্তাবেজ সংরক্ষণের প্রচেষ্টা থেকে কখনও হিরোশিমা সরে যাবে না, পাশাপাশি বিশ্বব্যাপী শান্তির সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার প্রচেষ্টাও অব্যাহত রাখবে।

১৯৪৫ সালের ৬ অগস্ট সকাল ৮টা ১৫ মিনিটের সময় মার্কিন সামরিক বাহিনী হিরোশিমা শহরের ওপর ‘লিটল বয়’ নামে একটি অ্যাটম বোমাবর্ষণ করে। মুহূর্তের মধ্যে শহরটি মাটির সঙ্গে মিশে যায় এবং সেখানে এক লক্ষ ৪০ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়৷ এরপর ৯ অগস্ট জাপানের নাগাসাকি শহরে অ্যাটম ফের বোমা হামলা চালায় আমেরিকা৷ এই ঘটনায় নিহত হন ওই শহরের ৭০ হাজার মানুষ৷

দেশে ফিরে এয়ারপোর্টেই বিয়ের প্রস্তাব পেলেন অলিম্পিকে পদকজয়ী

Jeffer-Abel

অলিম্পিকে দেশের হয়ে অংশ নিতে যাওয়া প্রত্যেকেরই লক্ষ থাকে গায়ে দেশের পতাকা জড়িয়ে পোডিয়ামে ওঠা। পদক পেলে খুশির অন্ত থাকে না দেশবাসীরও। ফলে পদক নিয়ে দেশে ফিরতেই আদরের বন্যায় ভেসে যান পদকজয়ীরা। আদর-অভ্যর্থনা শুরু হয়ে যায় এয়ারপোর্ট থেকেই। কিন্তু, টোকিও অলিম্পিকের পদকজয়ী দেশে ফিরে এয়ারপোর্টে শুধু অভিনন্দনই নয়, পেলেন আরেকটি গুরুত্বপূর্ন উপহারও।

আরও পড়ুন নাম বদলে রাজীব গান্ধী খেলরত্ন এবার মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার

অলিম্পিকে রুপোর পদক পেয়ে কানাডিয়ান ডাইভার জেনিফার আবেল তিন মিটার সিঙ্ক্রোনাইজড স্প্রিং বোর্ড ইভেন্টে দেশকে গর্বের আসনে বসিয়েছেন। মনের আনন্দে দেশে ফিরছিলেন তিনি। তবে এয়ারপোর্টেই যে আরেক চমক অপেক্ষা করছিল তা আন্দাজও করতে পারেননি তিনি।

Silver for Jennifer Abel in synchronized diving at the Tokyo Olympics after  disappointment five years ago - The Globe and Mail

বিমানবন্দরেই তাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন এক ব্যক্তি। খালি হাতে নয়, ডায়মন্ড রিং হাতে হাঁটু গেড়ে বসে নিজের মনের কথা জানান ওই ব্যক্তি। আর তাতেই আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন ২৯ বছর বয়সী জেনিফার। কারণ ওই ব্যক্তি তার বয়ফ্রেন্ড ডেভিড লেমিইউক্স।

ডেভিড নিজে একজন বক্সার এবং তিনি নিজেও যথেষ্ট খুশি জেনিফারের এই সাফল্যে। সঙ্গীনির জীবনের এই সাফল্য উদযাপন করতেই ডেভিডের এমন বহিঃপ্রকাশ তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। বিমানবন্দরে উপস্থিত সকলেই তাঁদের প্রেমের উদযাপনে অংশগ্রহণ করেন।

Watch: Canadian Olympic medallist gets surprise marriage proposal from  boyfriend at airport | Lifestyle News,The Indian Express

পরে জেনিফার সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “আই সেড ইয়েস টু মাই সোলমেট।” অর্থাৎ জাপানে রুপো প্রাপ্তির পর এবার দেশে ফিরেও আরেক উফার পেলেন তিনি। টিম কানাডার টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে ঘটনার ভিডিও পোস্ট করা হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

নাম বদলে রাজীব গান্ধী খেলরত্ন এবার মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার

modi rajib gandhi

নিউজ ডেস্ক: এতদিন দেশের ক্রীড়া জগতের সর্বোচ্চ সম্মান ছিল রাজীব গান্ধী খেলরত্ন পুরস্কার। দেশের ক্রীড়া জগতে অবদানের জন্য যা পেয়েছেন তাবড় তাবড় ক্রীড়াব্যক্তিত্বরা। এবার নাম বদলে গেল সেই পুরস্কারের। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ঘোষণা করলেন, যে রাজীব গান্ধী খেলরত্ন পুরস্কার এবার থেকে “মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার” নামে পরিচিত হবে।

তিনি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, “আমি মেজর ধ্যানচাঁদের নামে খেলরত্ন পুরস্কারের নাম রাখার জন্য দেশের নাগরিকদের কাছ থেকে অনেক অনুরোধ পেয়েছি। তাদের মতামতের জন্য তাদের ধন্যবাদ জানাই। তাদের অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধা রেখে খেলরত্ন পুরস্কারকে মেজর ধ্যানচাঁদ খেলরত্ন পুরস্কার বলা হবে! জয় হিন্দ!”

১৯৯১-১৯৯২ সালে প্রথম দেওয়া হয় রাজীব গান্ধী খেলরত্ন পুরস্কার। প্রথমবার এই পুরস্কার পেয়েছিলেন দাবা কিংবদন্তি বিশ্বনাথন আনন্দ। এছাড়াও লিয়েন্ডার পেজ, শচীন টেন্ডুলকার, ধনরাজ পিল্লাই, পুল্লেলা গোপীচাঁদ, অভিনব বিন্দ্রা, অঞ্জু ববি জর্জ, মেরি কম এবং রানী রামপাল এই পুরস্কার পেয়েছেন।

ধ্যানচাঁদ ও হকি এই শব্দ দুটি সমার্থক। ধ্যানচাঁদের সতীর্থ এবং পাকিস্তান হকির অন্যতম রূপকার আলি ইক্তিদার শাহ্দারা বলে গেছেন- Cricket may affectionately recall its Grace, Hobbs and Bradman, and soccer its Matthews and Puskas, but hockey has one and only one Dhyan Chand, incomparable and unique.

ধ্যানচাঁদের জন্মদিন ভারতে পালিত হয় জাতীয় ক্রীড়া দিবস হিসাবে। কিন্তু ভারতের এই সর্বকালের শ্রেষ্ঠ ক্রীড়াবিদ প্রায় উপেক্ষিতই থেকেছেন চিরকাল। ২০১৩ সালে ভারতরত্নের জন্য ক্রীড়া দপ্তর তার নাম সুপারিশ করলেও তৎকালীন ইউপিএ সরকার শচীন তেণ্ডুলকারকে বেছে নেন। ধ্যানচাঁদ নিজেও জানতেন এই উপেক্ষার কথা। তাই মৃত্যুশয্যায় শুয়ে তিনি বলেছিলেন- When I die, the world will cry, but India’s people will not shed a tear for me, I know them.” তাকেই এবার সম্মান জানালো কেন্দ্রীয় সরকার।

যদিও খেলাধুলায় আজীবন কৃতিত্বের জন্য দেশের সর্বোচ্চ পুরস্কার ধ্যানচাঁদ পুরস্কার নামে পরিচিত। এছাড়াও ২০০২ সালে নয়াদিল্লির জাতীয় স্টেডিয়ামের নামকরণ হয় ধ্যানচাঁদ জাতীয় স্টেডিয়াম।

স্পাইওয়্যার কেনার অভিযোগের আধিকারিকদের ইজরায়েল যাত্রা নিয়ে রাজ্য সরকারকে নোটিশ

10 questions MPs can raise in Parliament on Israeli spyware Pegasus and surveillance

নিউজ ডেস্ক: বোম্বে হাইকোর্ট মহারাষ্ট্রের সূচনা এবং যৌন সম্পর্ক বিভাগের আধিকারিকদের ২০১৯- এর ইসরায়েল যাত্রা নিয়ে রাজ্য সরকারকে নোটিশ জারি করল। এই ঘটনা নিয়ে জনস্বার্থের মামলাকারীর আইনজীবী দাবি করে বলেছেন ইসরায়েলের এই যাত্রা পেগাসাসের মত স্পাইওয়ের কেনার জন্য করা হয়েছিল।

লক্ষণ বুড়া এবং দিগম্বরা যারা এই জনস্বার্থ মামলাটি করেছেন৷ তার সঙ্গে ফোন ট্যাপিং মামলা এবং আধিকারিকদের ইজরায়েল যাত্রার মধ্যে সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। জনস্বার্থ মামলায় এই অভিযোগ করা হয়েছে যে, এই ধরনের বিদেশযাত্রার অনুমতি দেওয়ার ক্ষেত্রে অনেক ধরনের নিয়মের উলঙ্ঘন করা হয়েছে।

এই মামলার আইনজীবী তেজেস দান্ডে আদালতে বলেছেন, ইসরায়েলের কাছে ওয়েব মিডিয়ার পড়াশুনার এমন কোন বিশেষতা নেই৷ যার মাধ্যমে রাজ্য সরকারের আধিকারিকদের লাভ হবে। তিনি বলেন ইজরায়েল যাত্রার মূল উদ্দেশ্য ছিল পেগাসাসের মত স্পাই সফটওয়্যার কেনার।

পাকিস্তান: গাঁজা ‘খেয়ে’ সরকার বাঁচাতে চায় ইমরান খান

Pakistan sees a future in cannabis cultivation

নিউজ ডেস্ক: গত কয়েক বছর ধরেই চরম আর্থিক সংকটে ভুগছে পাকিস্তানের ইমরান খান-সরকার৷ সংকট কাটাতে ইতিমধ্যেই প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন ভাড়া দেওয়ার পরিকল্পনাও গ্রহণ করা হয়েছে৷ কিন্তু তাতেও সরকারকে দেউলিয়াপনা থেকে উদ্ধার করতে পারছে না ইমরান খান৷ তাই এবার গাঁজা চাষে মন দিয়েছেন তিনি ও তাঁর সরকার৷

পাকিস্তান সংবাদমাধ্যম সূত্রে খবর, শিল্পের জন্য বৃহদাকারে গাঁজা চাষের অনুমতি দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে পাকিস্তান সরকার৷ এর মাধ্যমে আগামী তিন বছরে ১০০ কোটি ডলার আয়ের সম্ভাবনা দেখছে ইমরান খানের সরকার৷

অনেকের কাছে মাদক হিসেবে পরিচিত হলেও, চিকিৎসায় গাঁজা ব্যবহার হচ্ছে যুগ-যুগান্ত ধরে৷ ওষুধ শিল্পে কাঁচামাল হিসেবে রয়েছে গাঁজার ব্যাপক চাহিদা৷ বাজার গবেষণা প্রতিষ্ঠান গ্লোবাল মার্কেট ইনসাইটের গবেষণা অনুযায়ী, ২০২৫ সাল নাগাদ বিশ্বে গাঁজার বৈধ বাজারের আকার ৫৯ হাজার কোটি ডলার ছাড়াবে৷

Pakistan sees a future in cannabis cultivation

সম্প্রতি সদস্য দেশগুলোর এক ভোটাভুটির মাধ্যম গাঁজাকে চরম মাদকের তালিকা থেকে সরিয়ে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাষ্ট্রসংঘ৷ চিকিৎসা বিজ্ঞানের গবেষণায় গাঁজার প্রয়োজনীয়তার কথা মাথায় রেখেই নেওয়া হয় এই সিদ্ধান্ত৷ এর আগে ২০১৯ সালে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডাব্লিউএইচও) এই বিষয়ে রাষ্ট্রসংঘকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছিল৷

গত কয়েক বছর ধরেই মোটেই ভালো যাচ্ছে না পাকিস্তানের অর্থনীতি৷ দেশের কৃষি শিল্প পড়তির দিকে৷ রপ্তানির ৬৪ ভাগ যে তুলা থেকে আসে, ২০১৯ সালে তার উৎপাদন ২০ ভাগ কমে গিয়েছে৷ এই কারণে লোকসানে পড়ছেন কৃষকরা৷ সেই জায়গায় গাঁজা চাষ একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলে মনে করছে ইমরান খান সরকার৷

শিল্পে ব্যবহারের জন্য গাঁজা চাষের অনুমতি দেবে পাকিস্তান৷ গত সেপ্টেম্বরে এমন ঘোষণা করা হয়েছিল সরকারের পক্ষ থেকে৷ দেশের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিমন্ত্রী ফাওয়াদ চৌধুরী বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারের একটি অংশ ধরতে পারলে তিন বছরে এই খাত থেকে পাকিস্তানের আয় দাঁড়াবে ১০০ কোটি ডলার৷ যেখানে গোটা আন্তর্জাতিক বাজারের আকার এখন ২৫ হাজার কোটি ডলার৷

পাকিস্তানে বসবাসরত জার্মান পরিবেশবিদ হেলগা আহমেদ একটি জার্মান সংবাদমাধ্যমকে বলেন, গাঁজা এমনকি খারাপ আবহাওয়াতেও সহজে চাষ করা সম্ভব৷ এর উৎপাদনে কোনও কীটনাশকের প্রয়োজন নেই৷ যার কারণে এটি পরিবেশবান্ধব ও নিরাপদ৷ এমনকি অল্প জমিতেও এটি যথেষ্ট জন্মে এবং তুলার চাষের চেয়ে কম জলের প্রয়োজন হয়৷

অ্যালকোহলের বিষয়ে রক্ষণশীল হলেও, পাকিস্তানের বিভিন্ন অঞ্চলে ক্যানাবিস বা গাঁজা উন্মুক্তভাবেই চাষ এবং বেচাকেনা হয়ে আসছে৷ বিশেষ করে আফগানিস্তানের কাছে সীমান্তবর্তী এলাকায় বসবাসরত বিভিন্ন নৃ-গোষ্ঠী অনেক আগে থেকেই গাঁজা চাষ করছে৷ সেসব ওষুধ শিল্পের কাঁচামাল হিসেবেও কার্যকর৷

মাদকাসক্ত-বধু নির্যাতনসহ নানা বিতর্কে ‘ইয়ো ইয়ো’ হানি সিং

Yo Yo Honey Singh

নিউজ ডেস্ক: হানি সিং এমন একজন রাপ্যার, যে মিউজিক জগতে যথেষ্ট নাম অর্জন করেছে৷ যুব সমাজের কাছে তার গান খুবই পছন্দের৷ একটা সময় এমন এসেছিল, যখন বলিউডের বাদশা শাহরুখ খানের ছবি থেকে শুরু করে তাবর তাবর বলিউডের তারকাদের ছবিতে হানি সিংয়ের গান শোনা যেত। হানি সিং-এর ‘লুঙ্গি ডান্স’ গানের মাধ্যমে খ্যাতির শীর্ষে পৌঁছে গিয়েছিলেন। এই গানের মাধ্যমে বলিউডে নিজের মাটি অনেকটাই শক্ত করতে সফল হয়েছিলেন হানি সিং।

একসময় বলিউডের শীর্ষ পৌঁছালেও, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে হানি সিং-এর মাটি নরম হতে থাকে৷ তার অন্যতম কারণ হচ্ছে, হানি সিং’কে ঘিরে সবসময় বিতর্ক দেখা যায়। গানের লিরিক্স থেকে শুরু করে নিজের ব্যক্তিগত জীবন সব কিছুর সঙ্গেই হানি সিং-এর বিতর্ক তার পিছু ছাড়ে না। দেখা যাক হানি সিং’কে ঘিরে কি বিতর্ক রয়েছে।

Yo Yo Honey Singh

রিহ্যাবে থেকে এসেছেন হানি সিং
অনেক লম্বা সময় ধরে মিউজিক ইন্ডাস্ট্রি থেকে উধাও ছিলেন হানি সিং। তখন খবর ছিল মাদক আসক্ত হয়ে পড়েছেন হানি সিং ।যার কারণে তাকে রিহ্যাব সেন্টারে গিয়ে থাকতে হচ্ছে ।যদিও তার রিহ্যাব সেন্টারে থাকার বিষয়ে মানুষ শুধুমাত্র অনুমান করেছিলেন। তবে গায়ক জাসবির জাস্সি হানি সিং কে নিয়ে একটি বয়ানে স্পষ্ট করে দেয় যে হানি সিং চণ্ডীগড়ের একটি রিহ্যাব সেন্টারে ছিলেন।

লিরিকস নিয়ে হানি সিং এর বিতর্ক
হানি সিং একাধিকবার নিজের গানের লিরিক্স নিয়ে বিতর্কে জড়িয়েছেন। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল যে তিনি নিজের গান গুলির মাধ্যমে ডবল মিনিং ব্যবহার করে থাকেন। অনেকের অভিযোগ ছিল যে নিজের গানে মহিলাদের একটা বস্তুর মতো দেখান হানি সিং। এমনকি এই অভিযোগ নিয়ে হানি সিংয়ের বিরুদ্ধে একাধিক এনজিও সরব হয়েছিল ।তার বিরুদ্ধে অশ্লীল গান তৈরি করারও অভিযোগ উঠেছিল ।তবে সেই অভিযোগ খারিজ করেছিলেন’ হানি সিং ।তবে তার কথায় কেউ বিশ্বাস করেনি এবং এই মামলা আদালত পর্যন্ত গড়িয়েছিল।

বাদশাহ এবং হানি সিং এর মধ্যে ঝগড়া কে কেন্দ্র করে বিতর্ক
হানি সিং বাদশাহকে ‘ন্যানো কার’ বলে দিয়েছিলেন। যার ফলে এই দুই গায়কের মধ্যে ঝামেলা শুরু হয় ।এই দুজন মিলে একাধিক সুপারহিট গান একসঙ্গে তৈরি করেছিলেন। কিন্তু কিছু সময় পরে এই দুজনের মধ্যে সম্পর্কের চিড় ধরে এবং একে অপরের বিরুদ্ধে একাধিক দোষারোপের পালা শুরু হয় ।তাদের মধ্যে মৌখিক ঝগড়া শারীরিক মারামারিতে বদলে যায়। দিল্লির এক পার্টিতে এই দুজনের মধ্যে মারামারি হয় ।এই ঘটনার পরেও যথেষ্ট বিতর্ক ছিলেন হানি সিং।

হানি সিং এবং রাফতারকে ঘিরে বিতর্ক
একটা সময় ছিল যখন হানি সিং এবং রাফতার দুজনে খুব ভালো বন্ধু ছিলেন। কিন্তু এই বন্ধুত্বের সম্পর্কে চিড় ধরে যায় যখন সুপার হিট গান ‘মাফিয়া মন্দিরের’ সম্পূর্ণভাবে হানি সিং নিজেকেই ক্রেডিট দেয়। হানি সিং এই গানের জন্য কোন ক্রেডিট রাফতার বা দলের অন্য কাউকে দেয়নি। এরপর হানি সিং এর বিরুদ্ধে রাফতার ক্ষোভে ফেটে পড়েন।

বধু নিগ্রহ অভিযোগ হানি সিংয়ের বিরুদ্ধে
২০ বছর বন্ধুত্বের সম্পর্কের পর শালিনী তলোয়ারকে বিয়ে করেছিলেন হানি সিং ।এখন স্ত্রীকে নির্যাতনের অভিযোগের বিতর্কে ঘিরে রয়েছেন হানি সিং। শ্রী তার বিরুদ্ধে মানসিক এবং শারীরিক অত্যাচারের অভিযোগ দায়ের করেছেন। হানি সিং এর পাশাপাশি তার পরিবারের বিরুদ্ধেও একাধিক গুরুতর অভিযোগ এনেছেন স্ত্রী শালিনী তলোয়ার।

অলিম্পিক্স হকিতে এক ডজন পদক, সর্বকালের সেরা ভারতই

Hockey team india

শেষবার ১৯৮০’র অলিম্পিকে সোনা জিতেছিল ভারত। বিশ্ব মঞ্চে সেটাই ছিল ভারতের শেষ বড় সাফল্য। তারপর দীর্ঘ ৪১ বছর সেভাবে বিশ্ব মঞ্চে সাফল্যের মুখ দেখেনি ভারতীয় হকি টিম। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটল শ্রীজেশদের হাত ধরে। ৪১ বছর পর অলিম্পিক হকিতে পদক জিতল ভারত। ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে ৫-৪ গোলে জার্মানিকে হারাল ভারত। জোড়া গোল করে ম্যাচের নায়ক সিমরণজিৎ।

সেই সঙ্গে অলিম্পিক্সে হকি থেকে এক ডজন পদক হয়ে গেল ভারতের। মাঝের সময়টায় পদকের খরা থাকলেও সব মিলিয়ে অলিম্পিক্স হকিতে মোট পদক জয়ে ভারতই বিশ্বের সেরা। অলিম্পিক্স হকিতে মোট ৮টি সোনা জিতেছে ভারত। ১৯২৮, ১৯৩২, ১৯৩৬, ১৯৪৮, ১৯৫২, ১৯৫৬, ১৯৬৪, ১৯৮০ সালে। রুপো জয় এক বার, ১৯৬০ সালে। ব্রোঞ্জ এসেছে এই নিয়ে তিন বার। আগের দু’ বার, ১৯৬৮ ও ১৯৭২ সালে। ভারতের মোট পদক সংখ্যা ১২।

Hat-trick For India Under Dhyan Chand In 1936 Olympics - ...और इस तरह  ध्यानचंद ने 1936 ओलंपिक में पूरी की गोल्ड मेडल की हैट्रिक - Amar Ujala  Hindi News Live

হকিতে সোনা জয়ে ভারতের পরে এই তালিকায় রয়েছে জার্মানি। তারা চার বার সোনা জিতেছে। ১৯৭২, ১৯৯২, ২০০৮ এবং ২০১২ সালে। মোট পদক সংখ্যাতেও ভারতের থেকে পিছিয়ে তারা, তাদের মোট পদক সংখ্যা ১১। চারবার সোনা তিন বার রুপো (১৯৩৬, ১৯৮৪, ১৯৮৮) এবং চার বার ব্রোঞ্জ (১৯২৮, ১৯৫৬, ২০০৪, ২০১৬) জিতেছে। সোনা জয়ে ভারত আর জার্মানির পরে রয়েছে পাকিস্তান ও গ্রেট ব্রিটেন। তিনটি করে সোনা পেয়েছে দুটি দলই। এরপর রয়েছে নেদারল্যান্ডস। তারা দু’বার অলিম্পিক্স হকিতে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে। অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড ও আর্জেন্টিনা এক বার করে চ্যাম্পিয়ন হয়েছে।

শুরুতে ৩-১ গোলে পিছিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত জয় ছিনিয়ে নিল হকি টিম। টোকিও অলিম্পিক্সে প্রথম থেকেই ভারতীয় পুরুষ দলের পারফরম্যান্স খারাপ ছিল না। টানা চার ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালের লড়াই ছিল। যদিও তৃতীয় স্থান নির্ণায়ক ম্যাচে জার্মানির বিরুদ্ধে ভারতের লড়াইটা একেবারেই সহজ ছিল না। খেলতে নেমে প্রথম ২ মিনিটেই ধাক্কা পেয়েছিল মনপ্রীতরা। শুরুতেই গোল করে ভারতকে চাপের মুখে রেখেছিল জার্মানি। ১৭ মিনিটে গোল শোধ করে সমতা ফেরান সিমরনজিত সিং। এরপর ২৪ এবং ২৫ মিনিটে পরপর দু’গোল করে ৩-১ গোলে এগিয়ে যায় জার্মানরা।

২৭ এবং ২৯ মিনিটে পরপর দুগোল করে সমতা ফেরায় টিম ইন্ডিয়া। ম্যাচের তৃতীয় কোয়ার্টারের শুরুতেই এগিয়ে যায় টিম ইন্ডিয়া। এবারে পেনাল্টি কর্নার থেকে দুর্দান্ত গোল করেন রুপিন্দর পাল সিং। টিম ইন্ডিয়া এগিয়ে যায় ৫-৩ গোলে। ম্যাচের চতুর্থ কোয়ার্টারে এসে আরও এক গোল শোধ করে জার্মানরা।

টোকিও অলিম্পিকে এটা ভারতের পঞ্চম পদক। ভারতীয় হকি দলের এই সাফল্যকে ঐতিহাসিক বলে বর্ণনা করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, ”ঐতিহাসিক! আজকের দিন সকল ভারতীয়র মনে থাকবে।” প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি ভারতীয় হকি দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দও। টুইট করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাহুল গান্ধী, জগদীপ ধনখড়ও।

কালের গর্ভে তলিয়ে যাচ্ছে ইতিহাস

Essay on Ishwar Chandra Vidyasagar

অনুভব খাসনবীশ: উনবিংশ শতাব্দীর বাংলাদেশ। গ্রাম বাংলার ঘরে ঘরে সাদা থান পরা বাল্য বিধবার ছড়াছড়ি। ওই সময়কার সাহিত্যিকদের লেখা বিভিন্ন গল্প ও উপন্যাসে আমরা বারবার পড়েছি এদের দুঃখের কাহিনী। ধর্মের নামে, আচারের নামে, শাস্ত্রের নামে সেই সময়কার ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের আদেশে এবং নির্দেশে বাল্যবিধবাদের উপর অত্যাচার করত সমাজ।

সেই অত্যাচার থেকে তাদের বাঁচানোর লক্ষ্যেই বিধবা বিবাহের প্রচলন করেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। যদিও বিদ্যাসাগরই যে বিধবা বিবাহ প্রচলনের আন্দোলন প্রথম উত্থাপিত করেছিলেন, এমন নয়। কলকাতায় ‘আত্মীয় সভা’ প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ১৮১৫ সালে। রামমোহন রায় প্রতিষ্ঠিত ‘আত্মীয় সভা’র বৈঠকেই বিধবা বিবাহ প্রচলন নিয়ে সর্বপ্রথম আলোচনার সূত্রপাত হয়।

রামমোহন লক্ষ্য করে দেখেছিলেন, ব্রিটিশ আমলে হিন্দু দায়ভাগ উত্তরাধিকার আইনের ব্যাখ্যা অনুযায়ী পুরুষের মৃত্যুর পর তার বিধবা পত্নীদের বিষয় সম্পত্তিতে কোনও স্বত্বাধিকারী স্বীকৃত হয় না। হিন্দু বিধবাদের এই শোচনীয় অবস্থার বিস্তারিত বিবরণ দিয়ে ‘ব্রিফ রিমার্কস রিগার্ডিং মর্ডান এনক্রোচমেন্টস অন দ্য এ্যানসিয়েন্ট রাইটস অফ ফিমেলস’ প্রবন্ধে রামমোহন জানিয়েছিলেন, সতীদাহ ও বিধবা আত্মহত্যার সংখ্যা যে বেড়ে যাচ্ছে তার অন্যতম প্রধান কারণ হিন্দু নারীর এই অসহায় অবস্থা, যার জন্য শুধু ধর্মীয় কুসংস্কারই দায়ী নয়।

রামমোহন সেখানে লেখেন, “It is not from religious prejudices and early impressions only, that Hindu widows burn themselves on the piles of their deceased husbands, but also from their witnessing the distress in which widows of the same rank in life are involved, and the insults and slights to which they are daily subjected, that they become in a great measure regardless of their existance after the death of their husbands ; and this indifference, accompanied with the future reward held out of them, leads them to the horrible act of suicide.

অন্যদিকে, ১৮২৮ খ্রীস্টাব্দের পর থেকেই হিন্দু কলেজের তরুণ অধ্যাপক হেনরী লুই ভিভিয়ান ডিরোজিও ও তাঁর ছাত্রদের দ্বারা প্রতিষ্ঠিত ইয়ং বেঙ্গলের উদ্যোগে বিধবা বিবাহের পক্ষে জনমত নেওয়া শুরু হয়। তাদের এই আন্দোলনের ফলেই ১৮৩৭ সালের ৩০শে জুন ইন্ডিয়ান ল কমিশনের সেক্রেটারী জে পি গ্র্যান্ট হিন্দু বিধবাদের পুনর্বিবাহের জন্য আইন পাশের জন্য বিভিন্ন আদালতের বিচারকদের মতামত জানতে চান। কিন্তু প্রায় সকলেই হিন্দু সামাজিক প্রথাকে গুরুতর আঘাত করা হবে এবং এ জাতীয় আইন পাস করা ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানীর পক্ষে বিপজ্জনক হতে পারে বলেই, তা বাতিল করে দেন।”

Iswar Chandra Vidyasagar: The Champion Of Women's Rights | Madras Courier

যদিও এতকিছুর পরে বিদ্যাসাগর প্রাথমিক ভাবে কেন বিধবাবিবাহ নিয়ে এগিয়ে আসেন তা নিয়ে উনিশ শতকে তাঁর দুই জীবনীকার বিহারীলাল সরকার এবং চণ্ডীচরণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেওয়া ভাষ্য আলাদা। তাঁর ছোট ভাই শম্ভুচন্দ্র বিদ্যারত্নের বক্তব্যটিই অনেকে বেশি গ্রহণযোগ্য মনে করেন (‘বিদ্যাসাগর-জীবনচরিত ও ভ্রমনিরাস’)। চণ্ডীচরণের বন্দ্যোপাধ্যায়ের মতে, সংস্কৃত কলেজের অধ্যাপক শম্ভুচন্দ্র বাচস্পতির বালিকাবধূর অকালবৈধব্য বিদ্যাসাগরকে এই ‘মহৎ কর্মে ব্রতী’ হওয়ার জন্য প্রাণিত করে। অন্যদিকে বিহারীলাল লিখেছেন, বীরসিংহে বিদ্যাসাগরের এক বাল্যসহচরী ছিল। সে অকালে বিধবা হয়। এক দিন তিনি শুনলেন একাদশী বলে মেয়েটি সারা দিন খায়নি। আর শুনে তিনি কেঁদেই ফেললেন। এই দুটো ঘটনাই তাঁর ছাত্রজীবনে ঘটা।

আরও পড়ুন নয় দশক পেরিয়েও বঙ্গ জীবনের অঙ্গ; বোরোলিন

অন্যদিকে শম্ভুচন্দ্রের বলা ঘটনা বিদ্যাসাগরের কর্মজীবনের শেষ দিকের। তাঁর কথানুযায়ী, এক দিন বিদ্যাসাগর বাড়ির চণ্ডীমণ্ডপে বসে বাবার সঙ্গে স্থানীয় বিদ্যালয়গুলোর অবস্থা সম্পর্কে যখন আলোচনা করছেন, তখনই তাঁর মা ‘রোদন করিতে করিতে’ সেখানে এসে ‘একটি বালিকার বৈধব্য-সংঘটনের উল্লেখ করত,’ তাঁকে বললেন ‘তুই এত দিন যে শাস্ত্র পড়িলি, তাহাতে বিধবাদের কোনও উপায় আছে কিনা?’ তাঁর বাবাও তখন জানতে চাইলেন, ধর্মশাস্ত্রে বিধবাদের প্রতি শাস্ত্রকারেরা কী কী ব্যবস্থা করেছেন? এর পরই নাকি ‘শাস্ত্র-সমুদ্র মন্থন’ করে তিনি লিখলেন ‘বিধবাবিবাহ প্রচলিত হওয়া উচিত কিনা’ শীর্ষক প্রবন্ধটি, যা ১৮৫৪-র ফেব্রুয়ারিতে ‘তত্ত্ববোধিনী পত্রিকা’-য় প্রকাশিত হয়। এর পরই তৎকালীন সমাজে সৃষ্টি হল প্রবল আলোড়ন।

ঠিক তখনই ১৮৫৫ খ্রীস্টাব্দের জানুয়ারী মাসে তিনি প্রকাশ করলেন বিধবাবিবাহের সমর্থনে তাঁর প্রথম পুস্তিকাটি। নাম ‘বিধবাবিবাহ প্রচলিত হওয়া উচিত কি না এতদ্বিষয়ক প্রস্তাব’। এতেই লেখা আছে সেই বহুখ্যাত শাস্ত্রীয় বচন যা বিদ্যাসাগর খুঁজে পেয়েছিলেন বিদ্যাসাগর ‘পরাশর সংহিতা’র শ্লোকে –
                                          “নষ্টে মৃতে প্রব্রজিতে ক্লীবে চ পতিতে পতৌ।
                                           পঞ্চস্বাপৎসু নারীণাং পতিরন্য বিধিয়তে॥”
এই শ্লোকের অর্থ হল, স্বামী যদি নিরুদ্দেশ হন, মারা যান, প্রব্রজ্যা অবলম্বন করেন, ক্লীব বা পতিত হন, তাহলে এই পাঁচ প্রকার ক্ষেত্রে নারীর অন্য পতি গ্রহণ বিধেয়। পরবর্তীকালে অবশ্য জানা যায়, উদ্ধৃত শ্লোকটি ১৮৪২ সালে ইয়ংবেঙ্গল গোষ্ঠীর মুখপত্র ‘বেঙ্গল স্পেক্টেটর’এ প্রকাশিত একটি প্রবন্ধে প্রথমবার ছাপা হয়েছিল। অবশেষে ১৮৫৬-র ২৬ জুলাই পাশ হল বিধবা বিবাহ আইন।

আরও পড়ুন ‘সুলেখা কালি কলঙ্কের চেয়েও কালো।’, বিজ্ঞাপনে লিখেছিলেন স্বয়ং বিশ্বকবি

এর পরেই ১২, কৈলাস বোস স্ট্রিটে (তখনকার সুকিয়া স্ট্রিট) রাজকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতেই হয় প্রথম বিধবা বিবাহ। তারিখটা ছিল ১৮৫৬-র ৭ ডিসেম্বর। পটলডাঙার লক্ষ্মীমণি দেবীর দশ বছরের বিধবা কন্যা কালীমতির (বর্ধমানের পলাশডাঙার ব্রহ্মানন্দ মুখোপাধ্যায়ের বিধবা কন্যা কালীমতি) সঙ্গে প্রসিদ্ধ কথক রামধন তর্কবাগীশের কনিষ্ঠ পুত্র শ্রীশচন্দ্র বিদ্যারত্নের বিবাহ হয়। ব্রহ্মানন্দ মারা যাওয়ায় কালীমতির সম্প্রদান করেছিলেন তাঁর মা লক্ষ্মীদেবী। ‘সংবাদ প্রভাকর’-এ এই বিবাহ এবং তার পরবর্তী ঘটনাগুলোর বিস্তারিত বিবরণ প্রকাশিত হয়েছিল। ১৫ অগ্রহায়ণ বিয়ের দিন স্থির হলেও শ্রীশচন্দ্র নাকি ‘সময়কালে মাতৃপ্রতিবন্ধকের ছল করিয়া প্রতিজ্ঞাভঙ্গ’ করেন। পত্রিকায় আবার লিখেছে, ‘লোকে কহিতেছে’ পাত্রী বিধবা নয়, ন্যায়রত্ন মহাশয় অনেক টাকা দিয়ে কুমারী মেয়ে কিনে এনেছেন।

সেই সময়ের নিরিখে বিদ্যাসাগর বিপুল খরচ করেছিলেন বিয়েতে। কালীপ্রসন্ন সিংহ, পণ্ডিত প্রেমচন্দ্র তর্কবাগীশের মতো তাবড় শিক্ষাবিদরা উপস্থিত ছিলেন সেই রাতে। রাজকৃষ্ণ বন্দ্যোপাধ্যায় বিদ্যাসাগরের ‘আ-যৌবন সুহৃদ’। তাঁর বাড়িতেই রচিত হয়েছিল সেই অধ্যায়, যা হিন্দু-সমাজকে চালিত করেছিল সম্পূর্ণ ভিন্ন খাতে। বিধবা-বিবাহ আন্দোলনের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, প্রথম বিয়েটি এ বাড়িতেই দিয়েছিলেন ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। যদিও সেই বাড়িটি এখন ভাগ হয়ে গিয়েছে নানা মালিকানায়। গবেষকদের মতে প্রথম বিধবা বিবাহ হওয়ায় ওই বাড়িতে একটি ফলক ছিল। শুধু ফলকই নয়, ছিল আরও বেশ কয়েকটি স্মৃতিচিহ্ন। কিন্তু সে সবের কোনও খোঁজ পাওয়া যায় না এখন।

অন্যদিকে, ১৯৬১-তে শ্রীপান্থ লিখেছেন, সুকিয়া স্ট্রিটের এই অংশের নাম আজ কৈলাস বোস স্ট্রিট। বাড়ির সংখ্যাও আর ‘১২’ নেই। পরবর্তী কালে সুনীল মুন্সি (১৯৭৪) এবং রাধারমণ মিত্রও (১৯৭৭) কৈলাশ বোস স্ট্রিটের ‘৪৮’ নম্বর বাড়িটিকেই অতীতের ১২ নং বলে উল্লেখ করেছেন। যদিও ওই বাড়ির বর্তমান বাসিন্দাদের বক্তব্য, তাঁরা সে সব সম্পর্কে কিছু জানেন না। কান পাতলে শোনা যায়, যদি এ বাড়ি হেরিটেজ ঘোষণার তোড়জোড় শুরু হয়, তা হলে তাঁরা বিপদে পড়বেন। সেই ভয়েই সমাজের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ঐতিহ্যকে কালের গহ্বরে চিরতরে পাঠিয়ে দেওয়ার এই অপচেষ্টা?

রুপোলি অন্ধকার: সেক্স ব়্যাকেটে অভিযুক্ত পাঁচ অভিনেত্রী

Shweta Basu Prasad

বায়োস্কাপ ডেস্ক: ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি যতটা আকর্ষণীয় এবং ঝলমলে মনে হয়, এই জগতে এমন কিছু রহস্য রয়েছে যা ইন্ডাস্ট্রিকে বহুবার কুখ্যাতির অন্ধকারে ঠেলে দিয়েছে। যেখানে সিনেমা জগতের সঙ্গে যুক্ত অভিনেত্রীরা তাদের চমৎকার অভিনয় দিয়ে ইন্ডাস্ট্রির নাম আকাশের উচ্চতায় নিয়ে এসেছেন, তেমনই কিছু অভিনেত্রী আছেন, যারা ইন্ডাস্ট্রির নাম নষ্ট করেছেন। এমনই ৫ অভিনেত্রী রয়েছেন, যারা দক্ষিণ ভারতীয় ছবিতে কাজ করেছেন এবং সেক্স র‍্যাকেটের জালে জড়িয়ে পড়েছেন।

Sherlyn Chopra

শার্লিন চোপড়া: শার্লিন চোপড়া বরাবরই তাঁর সাহসী স্টাইলের জন্য খবরে থাকেন। তিনি ২০০২ সালে তামিল চলচ্চিত্র ‘ইউনিভার্সিটি’ দিয়ে তার অভিনয় জীবন শুরু করেন। তামিল ছাড়াও অভিনেত্রী তেলেগু এবং হিন্দি ছবিতেও কাজ করেছেন। শার্লিন প্রথম ভারতীয় মহিলা যিনি প্রাপ্তবয়স্ক ম্যাগাজিন প্লেবয়ের জন্য নগ্ন ফটোশুট করেছেন। শার্লিন রিয়েলিটি শোতেও হাজির হয়েছেন। শার্লিন চোপড়া নিজেই তার পুরোনো সাক্ষাৎকারে প্রকাশ করেছেন যে, তিনি টাকার জন্য সেক্স করতেন।

Shweta Basu Prasad

শ্বেতা বসু প্রসাদ: শ্বেতা বসু প্রসাদ বলিউডের পাশাপাশি দক্ষিণ ফিল্মের একজন সুপরিচিত অভিনেত্রী। তিনি শিশুশিল্পী হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। ২০০২ সালে শাবানা আজমীর সঙ্গে মুক্তি পাওয়া তাঁর হিন্দি ছবি ‘মাকরি’ তোলপাড় করেছিল। এই ছবির জন্য তিনি সেরা শিশু অভিনেত্রীর জাতীয় পুরস্কার পেয়েছিলেন। ২০০৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘ইকবাল’ ছবিতে তাঁর অভিনয়ও বেশ ভালো লেগেছিল। ২০১৪ সালে যখন পুলিশ হায়দ্রাবাদের বাঞ্জারা পাহাড়ে অভিযান চালায়, তখন পুলিশ শ্বেতাকে একটি সেক্স ব়্যাকেটে যুক্ত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করে। যদিও, শ্বেতা পরে বলেছিলেন যে তিনি এই মামলায় অভিযুক্ত নন, তাঁকে ফাঁসানো হয়েছিল। শ্বেতাকে দেখা যাবে নেটফ্লিক্সের ‘রে’ ওয়েব সিরিজে।

Aish Ansari

ঐশ আনসারি: পার্শ্ব অভিনেত্রী ঐশ আনসারি শাহরুখ খানের ‘চলতে-চলতে’ এবং বলিউডে ‘ওম শান্তি ওম’ ছবিতে কাজ করেছেন৷ তিনি দক্ষিণী ছবিতেও কাজ করেছেন। ২০১০ সালে পুলিশ যোধপুরের একটি হোটেল থেকে তাকে গ্রেফতার করে। তিনি দেহ ব্যবসার ব্যবসায় জড়িত ছিলেন। এই ব়্যাকেট অনলাইনে পরিচালিত হত।

Bhuvaneswari

ভুবনেশ্বরী: মডেল এবং দক্ষিণ ভারতীয় অভিনেত্রী ভুবনেশ্বরী তামিল এবং তেলেগু ছবিতে অভিনয় করেছেন। ২০০৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘কুরকুরে’ ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল ভুবনেশ্বরীকে। সেক্স ব়্যাকেটেও তার নাম উঠে আসে। একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০০২ সালে একজন নেতার সাথে বিরোধের পর তাণকে পতিতাবৃত্তির ব্যবসা করার জন্য পুলিশ গ্রেফতার করে। ২০০২ সালে যখন তিনি জেল থেকে বেরিয়ে আসেন, তখন তিনি ‘বয়েজ’ ছবিতে পতিতার চরিত্রে অভিনয় করেন।

Caroline Mariya Asan

ক্যারোলিন: ক্যারোলিন মারিয়া আসান একজন তামিল অভিনেত্রী। তিনি তামিল ছবিতে পার্শ্ব চরিত্রে অভিনয় করেছেন। ২০১২ সালে পুলিশ তাকে পুনের বিমান নগরের একটি পাঁচ তারকা হোটেল থেকে গ্রেফতার করে। অভিনেত্রী একটি সেক্স ব়্যাকেট জড়িত ছিলেন।

ইতিহাস ভারতের, ৪১ বছর পর অলিম্পিক পোডিয়ামে হকি টিম

Mens-Hockey tean india

শেষবার ১৯৮০’র অলিম্পিকে সোনা জিতেছিল ভারত। বিশ্ব মঞ্চে সেটাই ছিল ভারতের শেষ বড় সাফল্য। তারপর দীর্ঘ ৪১ বছর সেভাবে বিশ্ব মঞ্চে সাফল্যের মুখ দেখেনি ভারতীয় হকি টিম। সেই অপেক্ষার অবসান ঘটল শ্রীজেশদের হাত ধরে। ৪১ বছর পর অলিম্পিক হকিতে পদক জিতল ভারত। ব্রোঞ্জের লড়াইয়ে ৫-৪ গোলে জার্মানিকে হারাল ভারত। জোড়া গোল করে ম্যাচের নায়ক সিমরণজিৎ।

শুরুতে ৩-১ গোলে পিছিয়ে গেলেও শেষ পর্যন্ত জয় ছিনিয়ে নিল হকি টিম। টোকিও অলিম্পিক্সে প্রথম থেকেই ভারতীয় পুরুষ দলের পারফরম্যান্স খারাপ ছিল না। টানা চার ম্যাচ জিতে সেমিফাইনালের লড়াই ছিল। যদিও তৃতীয় স্থান নির্ণায়ক ম্যাচে জার্মানির বিরুদ্ধে ভারতের লড়াইটা একেবারেই সহজ ছিল না। খেলতে নেমে প্রথম ২ মিনিটেই ধাক্কা পেয়েছিল মনপ্রীতরা। শুরুতেই গোল করে ভারতকে চাপের মুখে রেখেছিল জার্মানি। ১৭ মিনিটে গোল শোধ করে সমতা ফেরান সিমরনজিত সিং। এরপর ২৪ এবং ২৫ মিনিটে পরপর দু’গোল করে ৩-১ গোলে এগিয়ে যায় জার্মানরা।

২৭ এবং ২৯ মিনিটে পরপর দুগোল করে সমতা ফেরায় টিম ইন্ডিয়া। ম্যাচের তৃতীয় কোয়ার্টারের শুরুতেই এগিয়ে যায় টিম ইন্ডিয়া। এবারে পেনাল্টি কর্নার থেকে দুর্দান্ত গোল করেন রুপিন্দর পাল সিং। টিম ইন্ডিয়া এগিয়ে যায় ৫-৩ গোলে। ম্যাচের চতুর্থ কোয়ার্টারে এসে আরও এক গোল শোধ করে জার্মানরা।

টোকিও অলিম্পিকে এটা ভারতের পঞ্চম পদক। ভারতীয় হকি দলের এই সাফল্যকে ঐতিহাসিক বলে বর্ণনা করেছেন খোদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তিনি বলেন, ”ঐতিহাসিক! আজকের দিন সকল ভারতীয়র মনে থাকবে।” প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি ভারতীয় হকি দলকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোভিন্দও। টুইট করে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন রাহুল গান্ধী, জগদীপ ধনখড়ও।

Viral Video: হাতে সাপ জড়িয়ে ঠোঁটে চুমু খেয়ে ভাইরাল তরুণী

girl, snake, shocking video

নিউজ ডেস্ক: কেউ কেউ ছোট পোকামাকড় দেখেও ভয় পায়৷ আবার কেউ বাচ্চাদের মতো সাপ নিয়ে খেলতে থাকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এমন অনেক ভিডিও আছে৷ যাতে দেখা যায়, মানুষকে সাপের সঙ্গে খেলতে৷ এই ভিডিওগুলি দেখার পর সাধারণ মানুষ ঘাবড়ে যায়। সম্প্রতি, একটি মেয়ের এমন অদ্ভুত ভিডিও ভাইরাল (Viral Video) হয়েছে৷ তাতে দেখা যাচ্ছে, সে তার আঙ্গুলে সাপে জড়িয়ে আছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় এই ভিডিও ভাইরাল হচ্ছে৷ যেখানে মেয়েটির হাত সবুজ রঙের একটি সাপ জড়িয়ে আছে৷ মেয়েটি সাপের সঙ্গে বেশ সাবলীল দেখাচ্ছে। দুজনেই খুব মজা করছে। পুরো ভিডিও মেয়েটির মুখ এক মুহূর্তের জন্যও দেখা যায় না।

 

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

 

A post shared by Snakes Mania (@snakes.mania)

এই ভিডিওতে মেয়েটির সাহস দেখে মানুষ অবাক। সাপটি শুধু আঙুলে মোড়ানো নয়, মেয়েটি ঠোঁটে সাপের মুখ চুমু দিয়ে সবাইকে অবাক করে। পুরো ভিডিও জুড়ে মেয়েটি এক সেকেন্ডের জন্যও আতঙ্কিত হয়নি এবং আনন্দের সঙ্গে সাপের সাথে খেলতে থাকে।

এই ভিডিওটি এখনও পর্যন্ত ১০ লক্ষেরও বেশি মানুষ দেখেছে৷ তাতেই ভাইরাল হয়েছে ভিডিওটি। মেয়ে এবং সাপের এমন অসাধারণ বন্ধন দেখে সবাই অবাক। কেউই তাদের চোখকে কেউ বিশ্বাস করতে পারছে না।

নয় দশক পেরিয়েও ‘বঙ্গ জীবনের অঙ্গ’ বোরোলিন

Boroline

বিশেষ প্রতিবদেন: ১৯০৫ সালে লর্ড কার্জনের কুখ্যাত বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে স্বাধীনতা আন্দোলন পরিনত হয় পূর্ণাঙ্গ স্বদেশী আন্দোলনে। এই স্বদেশী আন্দোলন এশিয়ান পেইন্টস, টাটা স্টিল, ল্যাকমের মতো আরও অনেক আইকনিক ব্র্যান্ডের জন্ম দেয়। এই ব্র্যান্ডগুলি কেবল বিদেশী পণ্য বিক্রয়কেই কমিয়ে করে দেয়নি, ঐক্যবদ্ধ করে তুলেছিল বাঙালিদেরও। যার রেশ ছিল কয়েক দশক পর্যন্ত।

যদিও অনেক দেশীয় প্রতিষ্ঠান তৈরি হলেও বহুদিন বাংলায় ছিল না নিজস্ব কোনো ক্রিম তৈরির কোম্পানি। ফলে পুড়ে গেলে বা ক্ষতে লাগাতে হত বিভিন্ন ভেষজ উপাদান। নয়তো ভরসা বিদেশী দামী অ্যান্টিসেপটিক ক্রিম। ঠিক সেই সময় বাজারে এল বাঙালির নিজের অ্যান্টিসেপটিক ক্রিম, বোরোলিন। সালটা ১৯২৯, জি ডি ফার্মেসির প্রতিষ্ঠাতা গৌরমোহন দত্ত বাঙালিকে উপহার দিলেন তাদের ‘নিজেদের ক্রিম’। কলকাতার আলিপুরে নিজের বাড়িতে শুরু করেন ক্রিমটির উৎপাদন। যা এখন বোরোলিন হাউস নামে পরিচিত।

সেই শুরু, আজ প্রায় ৯০ বছর পরেও বাঙালির ভরসা সেই ‘বোরোলিন’। বিখ্যাত চিত্রপরিচালক ঋতুপর্ণ ঘোষের কথায় বোরোলিন হল ‘বঙ্গ জীবনের অঙ্গ’। যদিও দেশীয় উপাদানে তৈরি হলেও ক্রিমের নামে কিন্তু রয়েছে বিদেশী ছোঁয়া। বোরোলিন নামটি এসেছে দুটি আলাদা শব্দ থেকে, বরিচ পাউডার থেকে “বোরো” এবং “অলিন” ল্যাটিন শব্দ ওলেমের একটি রূপ অর্থাত্ তেল। বোরোলিনের লোগো ‘হাতি’, যা স্থিরতা এবং শক্তির প্রতীক। বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকায় বোরোলিন এখনও “হাতিওয়ালা ক্রিম” হিসাবে পরিচিত।

অবশ্য শুধু বাঙালিরাই নন, বোরোলিন ব্যবহার করতেন স্বাধীন ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরুও, দেশের ক্রিম বলে কথা। যদিও, ব্রিটিশদের রাজত্বে দেশীয় কোম্পানি প্রতিষ্ঠা, দেশীয় পণ্য তৈরি করা এবং ব্যবসা টিকিয়ে রাখা ছিল যথেষ্ঠ কঠিন। সেই কাজটিই জি ডি ফার্মেসিই করে আসছে বহুদিন ধরে। গৌরমোহন দত্তের এই মানসিকতাই এক অন্য মাত্রা যোগ করেছিল দেশের স্বাধীনতা আন্দোলনে। এছাড়াও তিনি ছিলেন কলকাতা ব্যবসায়ী সমিতির সদস্য। কারণ, তিনি মনে করতেন দেশ স্বাধীন করার জন্য বিপ্লব ছাড়াও স্বাধীন ব্যবসায়ী সংগঠন হওয়ার প্রয়োজন রয়েছে। যারা দেশীয় পণ্য তৈরি করবে এবং দেশের আর্থিক বৃদ্ধি ঘটাবে। ১৯৪৭ সালের ১৫ই অগাস্ট, ভারতবর্ষ স্বাধীন হওয়ার খুশিতে তিনি বিনামূল্যে এক লক্ষ বোরোলিন বিতরন করেন।

বর্তমানে আমরা নানারকমের ক্রিমই ব্যবহার করেই থাকি। পরিবর্তিত ঋতু অনুযায়ী আমাদের শরীরের চাহিদারও পরিবর্তন হয়। যেমন ধরুন বর্ষাকালে তো আমাদের ত্বক শুকিয়ে যায় না, কিন্তু, শীতকালে তা হয়। ত্বক শুকিয়ে যায়, ঠোঁট ফেটে যায়। ফলে নানারকমের ক্রিম ব্যবহার করতে হয় প্রত্যেককেই। কিন্তু তাতেও কদর কমেনি বোরোলিনের। প্রায় সব ঋতুতেই বাঙালির ত্বকের সমস্ত সমস্যার একমাত্র সমাধান এই ‘সুরভিত অ্যান্টিসেপ্টিক ক্রিম’।

বোরোলিনের ব্যবহার এবং বাঙালি –

ক্ষত সাড়াতে: শরীরের কোথাও কেটে গেছে? ইনফেকশনের ভয়? না হয়! বাঙালির তাতেও একটাই ভরসা, বোরোলিন। কেটে যাওয়া জায়গাটা ভালো করে ধুয়ে সেখানে বোরোলিন দিয়ে রাখুন। কিছুক্ষণের মধ্যেই রক্ত পড়া বন্ধ, ভয় নেই ইনফেকশনেরও।

বর্ষাকালের যত্নে: বর্ষাকালে বাইরে বেরোলেই রাস্তার জমা জল, কাদা লেগে ফাংগাল ইনফেকশন হতে পারে। তাই বাড়ি এসে ভালো করে পা ধুয়ে রাতে শোবার সময়ে একটু বোরোলিন মাখলে এই সমস্যা হয় না। এভাবেই প্রতিবার বর্ষা পাড় করছে বাঙালি।

শীতের সুরক্ষায়: শীতকালে আমাদের সবার প্রধান সমস্যা হল ঠোঁট ফাটা। এছাড়াও যেহেতু পা সরাসরি মাটির সংস্পর্শে আসে তাই সেখানে রোজ ধুলো, ময়লা ঢুকে ইনফেকশন হতে পারে, গোড়ালি ফেটে যায়। বাঙালি তাই শীতের শুরু থেকেই বোরোলিন ব্যবহার করতে শুরু করে।

রাতের পরিচর্যায়: বোরোলিন খুব ভালো নাইট ক্রিম হিসাবে ব্যবহৃত হয়। এই ক্রিম শুধু ত্বকের শুকিয়ে যাওয়া ভাবটাই কাটায় না, তার সঙ্গে স্কিনকে ভেতর থেকেও মজবুত করে। ত্বকের পি এইচ লেভেল ঠিক রাখে।

অতিমারি আর আংশিক লকডাউন সামলে কীভাবে চলছে বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি

Bengal’s film industry

নন্দিনী চট্টোপাধ্যায়: দীর্ঘ প্রায় দেড় বছর ধরে আমরা অতিমারি পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে চলেছি। এই দীর্ঘ সময় কখনো সংক্রমণের প্রকোপ খুব জোরালো ছিল আবার কখনো কিছুটা কম। সংক্রমণের প্রথম ধাক্কায় মানবজীবন বেশ কিছুকাল থমকে গিয়েছিল, পরবর্তীকালে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ব‍্যাতীত সবক্ষেত্রেরই দ্বার অল্পবিস্তর উন্মোচন হয়েছে। সবাই নিউ নর্মালে অভ‍্যস্ত হয়ে উঠেছে। তবে গত দেড় বছর ধরে করোনাকালে বহু মানুষের জীবনযাত্রা পাল্টে গেছে। বলা যায় সবাই কমবেশি ক্ষতির সম্মুখীন হয়েছেন। বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিও এই করোনার ধাক্কায় যথেষ্ট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এই বিপুল ক্ষতি সামলে নিউ নর্মালে তারা কিভাবে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন তা জানার জন্য মুখোমুখি হওয়া গেল এই রুপোলি পর্দার জগতের সঙ্গে জড়িত কিছু বিশেষ ব‍্যক্তির। কি বলছেন এই পেশার সাথে যুক্ত মানুষেরা,

পরিচালক অভিমন্যু মুখার্জী বলেন, ” কাজ তো চলছেই কাজ আটকে নেই । গত বছর যখন লকডাউন হয়েছিল তারপর তা ওঠার পর যেমন কাজ শুরু হয়েছিল তেমনি এবার লকডাউনের পরও টেলিভিশন ,ফিল্ম ,ওয়েব সিরিজ- প্রত‍্যেক প্ল‍্যাটফর্মেরই কাজ চলছে। সমস্যা একটাই যে এতদিন সিনেমা হল বন্ধ থাকায় যে ছবিগুলো মুক্তির অপেক্ষায় ছিল তারা সমস্যায় পড়েছে। আমারও দুটো ছবি আটকে আছে। সম্প্রতি রাজ‍্যসরকারের নির্দেশিকায় এবার পঞ্চাশ শতাংশ দর্শক নিয়ে হল খুলছে। তাই এবার ভাবনা চিন্তা শুরু হবে।

তবে অতিমারির আগের পরিস্থিতির সঙ্গে তফাৎ তো একটা আছেই , আগে কোভিড বিধি মানার কোন ব‍্যাপার ছিল না। কিন্তু এখন শুটিং করার সময় অনেক নিয়মের মধ্যে দিয়ে যেতে হয়। যেমন – শুটিংয়ের স্থানটি পুরোপুরি স‍্যানিটাইজেশন করে নিতে হয়। অভিনেতা- অভিনেত্রী ছাড়া সবাইকে মাস্ক পড়তে হয়। এছাড়া আরও নানান নিয়মাবলী আছে। এখন রাত ৯ টা থেকে যেহেতু নাইট কার্ফু চালু হয় তাই রাত ৮ টার মধ্যে প‍্যাকআপ করে দিতে হয়। সুতরাং সব মিলিয়ে একটা বদল তো এসেছেই । করোনার প্রথম ঢেউয়ের সময় মানুষ সেই পরিস্থিতির সঙ্গে পরিচিত ছিল না, তাই অনেকেই কর্মসংস্থান হারিয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ে । আমাদের এই ইন্ডাস্ট্রির অনেক মানুষই তখন অন‍্যের কাছে হাত পাততে বাধ্য হয়। আমরা অনেকেই তাদের সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিই। যাতে কাউকে উপোস করে থাকতে না হয়। আমরা সবাই চাই এই করোনাকাল থেকে দ্রুত মুক্তি এবং করোনার তৃতীয় ঢেউ যেটা আসছে তার প্রকোপ আমাদের ওপর যেনো সেভাবে না পড়ে। খারাপ তো হয়েছেই , কিন্তু সেই খারাপের ম‍ধ‍্যেই ভালোকে খুঁজে নেওয়ার প্রয়াস চলছে। ”

সিনেমাটোগ্রাফার সৌরভ ব‍্যানার্জীর কথায় , ” লকডাউনের প্রভাব ভীষণভাবে বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে পড়েছে। দীর্ঘদিন সবাই কর্মহারা হয়েছিল। অনেক ইলেকট্রিশিয়ান ও অন্যান্য বেশ কিছু বন্ধু বাধ্য হয়ে প্রফেশন পাল্টে আলু – পটল বিক্রি করছে আবার কেউ অটো চালাচ্ছে। সবার খুবই করুন অবস্থা। আমাকেও সমস্যায় পড়তে হয়েছে , সব কাজগুলি স্থগিত হয়ে যায়। আর তার থেকেও বড় সমস্যা হয়েছে যে, লকডাউনের পরবর্তীকালে যে কাজগুলো হচ্ছে সেগুলোর বাজেট একেবারে তলানিতে এসে ঠেকেছে। তাই একটা কাজের পেছনে আমাদের যে সময় দিতে হচ্ছে তার উপযুক্ত পারিশ্রমিকের তুলনায় অনেকটাই কম অর্থ মিলছে। এই ভাবে যদি দীর্ঘদিন চলতে থাকে তাহলে তা হবে বাংলা ইন্ডাষ্টির জন্য একটা ভয়ানক ব‍্যাপার। আমার প‍্যানেলেই এখন পাঁচটা ছবি তৈরি হয়ে আছে কিন্তু রিলিজ করা যাচ্ছে না। যে সময় ছবিগুলি তৈরি হয়েছিল তখন তো আমরা জানতাম না এই রকম পরিস্থিতি তৈরি হবে, তাই হলের জন‍্যই তৈরি করা হয়েছে। ছবিগুলি ও.টি.টি – র প্ল‍্যান করে তৈরি হয় নি। তাই প্রডিউসারদের খুবই সমস্যার মধ্যে দিয়ে চলতে হচ্ছে। এক্ষেত্রে সরকারের সাহায্যের খুবই প্রয়োজন।

পরিচালক সমীক রায়চৌধুরী জানালেন, ” ২০২০ সালের মার্চ মাসে আমার ‘বেলাইন’ ছবি শুরুর কথা ছিল, কিন্তু লকডাউন শুরু হওয়ায় সেই ছবির কাজ বন্ধ হয়ে যায়। পরবর্তীকালে ঐ ছবির কাজই করতে হয়েছে অনেক কম বাজেটে। কারন আমাদের মতো প্রডিউসাররাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। আমরা কাজটাকে একটা ভালো পরিনতি দেওয়ার চেষ্টা করছি। তবে কাজটা করতে গিয়ে অনেক অসুবিধার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। যেমন – আগের মতো টেকনিশিয়ান নেওয়া যাচ্ছে না ,আবার রাতের দৃশ্য টেক করার সময়সীমা খুবই কম। কারন রাত ৮ টার মধ্যে প‍্যাকআপ করতে হচ্ছে। একটা সীমাবদ্ধতা থেকে যাচ্ছে। অন‍্যদিকে কোভিডের তৃতীয় ঢেউ আসার আগেই যাতে কাজটা শেষ করা যায় সেদিকেও নজর রেখে একটু তাড়াহুড়ো করেই ছবির কাজ শেষ করতে হবে। তবে আমরা সবাই চেষ্টা করছি ছবিটির গুনগত মান যেন বজায় থাকে। কারন এই ছবিটি ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল ও এন্টারটেইনমেন্ট উভয় ক্ষেত্রের কথা মাথায় রেখে তৈরি হচ্ছে।”

সিনেমাটোগ্রাফার প্রসেনজিৎ কোলে খুব হতাশাগ্রস্ত ভাবে বলেন, ” গত বছর অতিমারি শুরুর সময় আমার একটা বড় কাজের শিডিউল পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। সেটা শুধু আমার ক্ষেত্রে নয় , অন‍্যান‍্য সবাইকেই ভুগতে হয়েছে। আমার নিজের ক্ষেত্রে অন্তত চারটে কাজ বন্ধ হয়। গত বছর ইউ এস এ আমার দুটো শ‍্যুট করতে যাওয়ার ছিল একটা ফিচার ফিল্ম ও একটা শর্ট ফিল্ম। কিন্তু সেটা বাতিল হয়ে যায়। তারপর লকডাউন উঠে যাওয়ার পর পুজোর আগে থেকে অল্প কাজ শুরু হয় , ধীরে ধীরে পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিকও হয়ে গিয়েছিল। কিন্তু মার্চের পর কোভিডের দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়লে সব ডেট পিছিয়ে যায়। এখন কাজ শুরু হয়েছে তবে সামনেই আবার তৃতীয় ঢেউয়ের অপেক্ষা। গতবছর ইউ এস এ যে ছবিটির শুটিংয়ের কথা ছিল তার নতুন শিডিউল হয়েছে সেপ্টেম্বরে , আমার টিকিটও হয়ে গেছে তবে ভিসা পাব কিনা জানি না। বা সে সময়ের পরিস্থিতি কি হবে সেটা ও অজানা। আমরা এক ঘোরতর অনিশ্চয়তার মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। আমাদের এই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে এত মানুষ কাজ করে কিন্তু এটা কারও স্থায়ী কাজ নয়, সবাই ফ্রিল্যান্সার। তাই সবার ক্ষেত্রেই বিষয়টি বড় সমস্যার। এই যে বারে বারে লকডাউন হচ্ছে এরফলে কিছু কাজের আবার নতুন শিডিউল হচ্ছে কিন্তু অনেক কাজই শুরুর আগেই বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। এটা আমাদের ইন্ডাস্ট্রির একটা বড় রকমের ক্ষতি।”

আর্ট ডিরেক্টর তপন কুমার শেঠের মতে, “লকডাউনের আগে আমরা অনেক স্বাচ্ছন্দ্যভাবে কাজ করতে পারতাম কিন্তু এখন সব সময়ই একটা ভয় কাজ করে। এখন কেউ কারো কাছে যাবে না, কেউ কারো সঙ্গে হাত মেলালে হাত স‍্যানিটাইজ করা, আগে যাদের সঙ্গে সেটে দেখা হলে জড়িয়ে ধরতাম এখন জড়িয়ে ধরার তো প্রশ্নই নেই বরং মনে হয় দূরে গেলেই বাঁচি। একটা অশ্পৃশ‍্যর মতো ব‍্যাপার হয়ে গেছে। কিন্তু এরমধ্যে থেকেই কাজ করতে হবে। কারন এমনি মরার থেকে খেয়েই না হয় মরি, তাই আমরা কাজটা করছি। কোন উপায় নেই, না হলে গোটা পরিবার শেষ হয়ে যাবে। এই ইন্ডাস্ট্রিতে প্রায় সাড়ে পাঁচ – ছয় হাজার টেকনিশিয়ান, এই লকডাউনে সবাই প্রায় বসে ছিলাম। আমাদের অন্য কোন রোজগার তো নেই। তাই লকডাউনের সময় অনেকেই সংসার বাঁচানোর তাগিদে মাছের ব‍্যবসা বা সবজির ব‍্যবসা করেছেন। কিন্তু আমরা যারা হাতের কাজ করি আমরা এমন একটা জায়গায় আছি যে ঐ জায়গায় পৌঁছাতে পারবো না। ভাগ্য ভালো এবারের লকডাউনটা অল্পদিনের ছিল। না হলে ব‍্যাঙ্ক ব‍্যালান্স শেষ হয়ে যাচ্ছিল, খুব চিন্তায় ছিলাম যে শেষ অবধি না জিনিস বন্ধক দিতে হয় বা বিক্রি করতে হয়। যদিও ফেডারেশন সব সময় আমাদের পাশে ছিল। দুঃস্থ টৈকনিসিয়নদের অনেকভাবে সাহায্য করেছে।

গতবার লকডাউনের সময় বিগ বাজারের কুপন ও টাকা দেওয়া হয়েছিল। আমরা যারা পেরেছি তারাও ফেডারেশনের পাশে ছিলাম। আমার সঙ্গে যারা কাজ করে তাদেরকেও যতটা সম্ভব সাহায্য করেছি। এই ভাবে আমরা সবাই সবার পাশে ছিলাম , তাই ইন্ডাস্ট্রিটা আজও টিকে আছে। ফেডারেশন থেকে সবাইকে নিরখরচায় ভ‍্যাকসিনও দেওয়া হচ্ছে। এখন কাজ আবার জোড়কদমে চলছে। তবে যাদের কাজের চাহিদা বেশি তারাই কাজটা পাচ্ছেন। এই মুহূর্তে আমি মৈনাক ভৌমিক , রাজ চন্দ্রের ছবির কাজ শেষ করলাম। সমীক রায়চৌধুরীর ছবির কাজ চলছে । তাছাড়া অ্যাডফিল্ম এবং ও.টি.টি প্ল‍্যাটফর্মের কাজ ও রয়েছে। তবে এখন একটা বড় সমস্যা হল এই অতিমারির কারনে ছবির বাজেট অনেক কমে গেছে। আর এই সুযোগটা অনেক প্রডিউসার নিচ্ছেন। যাদের কোন অসুবিধা নেই তারাও কম টাকা দিচ্ছেন। প্রতিযোগিতার বাজারে আমাকে লোকসান জেনেও কাজ নিতে হচ্ছে। কিন্তু এই ব‍্যাপারটা দীর্ঘায়িত হলে আমাদের খুবই সমস্যায় পড়তে হবে। ” জানালেন ছবির আর্ট ডিরেক্টর তপন শেঠ।

আরেকজন আর্ট ডিরেক্টর সাগর দাশগুপ্ত জানালেন, ” অতিমারির আগে যেভাবে সিরিয়াল, সিনেমা এবং ও.টি.টি প্ল‍্যাটফর্মের কাজ চলছিল লকডাউনের পরবর্তীকালে কাজের সেই গতি নষ্ট হয়ে গেছে। সিরিয়ালগুলি পূর্বের ন‍্যায় চালু হলেও সিনেমার শুটিং আর সেভাবে হচ্ছে না। তবে ও.টি.টি প্ল‍্যাটফর্মের কাজও যথেষ্ট হচ্ছে। আমরা যারা সিরিয়ালের কাজ করি না, তারা খুবই সমস্যায় পড়েছি। যারা সিরিয়ালের সঙ্গে জড়িত তারা প্রত‍্যেক মাসে নির্দিষ্ট একটা অর্থ উপার্জন করে। কিন্তু আমাদের কাজ না থাকলে রোজগারের পথও বন্ধ। গতবছর লকডাউনের পর ইউনিটের কারো করোনায় প্রানহানি হলে একটা ইন্সুরেন্স চালু হয়েছিল , মাঝে সেটা বন্ধ হয়ে যায়। কিন্তু এখন পুনরায় চালু হওয়ায় প্রডিউসাররা ২৫ লক্ষ টাকা ইন্সুরেন্স এর ভয়ে সিনেমা তৈরির ক্ষেত্রে অনেকেই পিছিয়ে যাচ্ছেন। তাছাড়া দীর্ঘদিন সিনেমা হল বন্ধ থাকাটাও একটা কারন। এতে কাজের পরিধি আরো সঙ্কুচিত হয়েছে। তাছাড়া আমাদের একটা কাজ পাওয়ার জন্য অনেক প্রতিযোগিতার মধ্যে দিয়ে যেতে হয় , এরপর কাজ করার পর সেই কাজের পারিশ্রমিক পাওয়ার জন্যও একটা ফাইট করতে হয়। কিন্তু এই লকডাউনের জন্য আমাদের সেই ফাইট আরো কঠিন হয়ে গেছে। তাই আমরা একটা সাঙ্ঘাতিক আর্থিক অনটনের মধ্যে দিয়ে চলেছি। ”

অনেক টানাপোড়েনের মধ্যে দিয়ে গিয়েও বাংলা ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি মুখ থুবড়ে পড়ে নি। পারস্পারিক সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে এগিয়ে চলেছে। সম্প্রতি রাজ‍্যসরকার পঞ্চাশ শতাংশ দর্শক নিয়ে সিনেমা হল খোলার নির্দেশ জারি করেছে। তাই আশা করা যাচ্ছে ধীরে ধীরে বাংলা ইন্ডাস্ট্রির সুদিন পুনরায় প্রত‍্যাবর্তন করবে।