বিশ্লেষণ: বাংলা ওয়েবসিরিজও কিন্তু ‘সেমি পানু’র চেয়ে কম নয়

Bangla webseries

বায়োস্কোপ ডেস্ক: দিন বদলেছে! তাই কি ঘটনা বা চিত্রনাট্যে দেখানো কনটেন্টের এহেন পতন কিংবা উন্নয়ন? এই প্রশ্নই বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে দানা বাঁধছে বাংলা চলচ্চিত্র তথা ওয়েবপ্রেমি মানুষদের মধ্যে। অনেকেরই মতে বাংলা ওয়েব সিরিজ সাহসিকতার নাম করে এমন কিছু দৃশ্য দেখাচ্ছে যা চিত্রনাট্যে তাগিদে নয় নিছক দর্শক টানার তাগিদেই ব্যবহার করা হচ্ছে। উন্মুক্ত বক্ষ বিভাজন কিংবা শরীরের অন্যান্য কোন অংশে বস্ত্রের কোন চিহ্ন না দেখলেই কী তাহলে সেই ঝাঁপিয়ে পড়ে বাংলার দর্শক?

প্রশ্ন থেকেই যায়, কারণ পশ্চিমবঙ্গের বহু মানুষ ‘সো কল্ড বোল্ড’ কনটেন্ট এর ব্যাখ্যা করেছেন দ্বিচারিতার সঙ্গে। যারা নেটফ্লিক্স বা অ্যামাজনে দুর্ধর্ষ কিছু ইংরেজি কিংবা হিন্দি ওয়েব সিরিজ বা ছবি দেখে প্রশংসায় মুগ্ধ, তারাই হঠাৎ করে সমালোচনায় সোচ্চার হয়েছেন বাংলা ওয়েব সিরিজে ‘এতটা উন্মুক্ত দৃশ্য দেখানো উচিত ছিল না’ বলে।

তাহলে সমস্যাটা কি ‘বাংলা’ ওয়েব সিরিজ চলচিত্র নাকি বাংলা ওয়েব সিরিজ বাঁচানোর চিত্রে দেখানো বর্তমান প্রজন্মের পরিচালকদের গুণগতমানের যথেষ্ট দোষ আছে?

হইচই-এ দেখানো এবং নিঃসন্দেহে তুমুল জনপ্রিয় বেশ কিছু ওয়েব সিরিজ যেখানে আরবান সোসাইটির কাছে যেখানে ‘সাহসী পদক্ষেপ বাংলা চলচ্চিত্র এবার আন্তর্জাতিকমানের যাত্রা শুরু করেছে’, সেখানে দাঁড়িয়ে এই বেশ কিছু মানুষের বক্তব্য বাংলা ওয়েব সিরিজ, সত্যি দেখানোর নামে আদতে যৌনতাকে হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করছে।

পাড়ার আসা দুর্ধর্ষ লাস্যময়ী বৌদিকে নিয়ে ছেলেছোকরাদের মজা ঠাট্টা আমাদের প্রায়শই চোখে পড়লেও তাহলে তা কি বাস্তবতার অঙ্গ নয়? প্রশ্ন তুলেছিল হইচইয়ের জনপ্রিয় ওয়েব সিরিজ ‘দুপুর ঠাকুরপো’৷ যার প্রথম ভাগে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়৷ আবার প্রায় সমসাময়িক হইচইয়ের আরেক ওয়েব সিরিজ ‘ হোলি ফাক’ মজার ছলে বর্ণনা করেছিল বর্তমান সমাজের তরুণ প্রজন্মের সম্পর্ককে নিয়ে কনফিউশন এর ব্যাখ্যা। এছাড়া,’ ধানবাদ ব্লুজ’।

এছাড়া আড্ডা টাইম-এ ‘ওহ্ ওয়ান নাইট স্ট্যান্ড ‘, হইচইয়ের ‘চরিত্রহীন’, ‘জাপানি টয়’,’ বন্য প্রেমের গল্প’ তো রয়েছেই৷ যেখানে উষ্ণতার সুড়সুড়ি থাকলেও তা চিত্রনাট্যে তাগিদে।

সেই পুজোটা আজ হারিয়ে গিয়েছে: মনোজ মিত্র

Manoj Mitra

বিশেষ প্রতিবেদন: আমার ছেলেবেলা কেটেছে খুলনায়। আমরা পূর্ববঙ্গের মানুষ। দেশভাগের পর এপারে চলে আসি। তখন আমার ৯ বছর বয়স। ওই ৯ বছর বয়স অব্দি পুজোটাকে বেশ ভাল ভাবে উপভোগ করেছি। আজকের পুজোর তুলনায় সেগুলো অনেক ছোট ছিল। তবে সেই পুজো ঘিরে আনন্দ ছিল দারুণ। আমাদের বাড়ির সামনে পুজোর বাজার বসত। দূরদূরান্তের গ্রাম থেকে সেখানে কেনাকাটা করতে আসত লোকজন। পাঁপরভাজা হত, জামাকাপড়-খেলনাপাতির দোকানপাট বসত।

অন্যরকম পুজো ছিল সেটা! পারিবারের সবাই যোগ দিতাম। বেশ একটা উৎসবের মেজাজ ছিল। এখানে এসে ঘটনাচক্রে সেই পুজোটা আর পাইনি। সেই পুজোটা হারিয়ে যাওয়ায় আমাদের বাড়িতে আর পুজোর কথাও ওঠে না আজকাল। এই কারণেই কলকাতার পুজো আমি কোনও দিন দেখতে যাইনি। কোনও দিন কোনও ঠাকুর দেখিনি এখানে এসে। এ কথা আমি আগেও নানা জায়গায় বলেছি।

তখনকার পুজো ঘিরে একটা পারিবারিক চিত্র গড়ে উঠত ছোটবেলায়। সেই পারিবারিক চিত্রের সঙ্গে আজকের পুজোকে মেলাতে পারি না। ফলে, আমাদের কেউই এখন আর সেইভাবে পুজো দেখতে উৎসাহী নয়। আমার ঠাকুমা যতদিন বেঁচে ছিলেন, তিনি দুর্গার মুখই দেখতেন না। তাঁর এত অভিমান ছিল মা দুর্গার ওপর। দেশহারা হতে হয়েছিল তো! দেশভাগের পর আমরা খুলনা থেকে এখানে এসেছিলাম।

দুর্গা পুজোর সঙ্গে আমার জড়িয়ে থাকা বলতে শারদীয়া সংখ্যার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা। পুজোর সময় কিছু পত্রপত্রিকার বিশেষ সংখ্যায় আমার লেখা প্রকাশিত হয়। আগে বেশি লিখতে পারতাম। এখন অবশ্য লেখাও কমিয়ে দিয়েছি। পুজোর ঘিরে আমার নানা লেখা প্রকাশিত হয়। খুব ব্যক্তিগত কথা কখনও লেখার সুযোগ হয়নি।
কয়েকবার পুজোর সময় বিদেশে থেকেছি। ২০১৮ সালে পুজোর সময় লন্ডনে ছিলাম। আমার সঙ্গে আমার মেয়েও গিয়েছিল। লন্ডনের পুজো অনেকটা আমাদের দেশীয় পুজোর মতো। পুজো ঘিরে সেখানকার মানুষের উন্মাদনা-ভালবাসা দেখে আমার খুব ভাল লেগেছিল। সেখানে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় পুজো দেখতে যাওয়ার হিড়িক নেই! পুজোর সঙ্গে অঙ্গাঙ্গী ভাবে জড়িয়ে থাকাই সেখানকার মানুষের মূল উদ্দেশ্য।

আমার মনে হয়েছে মেজাজের দিক থেকে লন্ডনের পুজো অনেকটা খুলনার পুজোর মতো। সাদা চোখে দেখতে গেলে হয়তো মিল পাওয়া যাবে না। কিন্তু, মেজাজের দিক থেকে অবশ্যই ওই দুই পুজোর মধ্যে মিল রয়েছে। তাই গতবার পুজোর সময় লন্ডনে গিয়ে আমি আমার শৈশবের পুজোয় মিশে গিয়েছিলাম।

এখানে থাকলে আমি পুজোর সময় মণ্ডপে ঠাকুর দেখতে না গিয়ে বন্ধুবান্ধবের বাড়িতে আড্ডা দিতে যাই। সে রকম একটা ঘটনার কথা মনে পড়ছে। এবার অষ্টমীর বিকেলে সুরকার দেবাশিস দাশগুপ্তর সঙ্গে প্রচুর আড্ডা হয় বিভাসদার বাড়িতে। বিভাসদা মানে বিশিষ্ট নাট্যব্যক্তিত্ব বিভাস চক্রবর্তী। বিভাসদাও খুব আড্ডাপ্রিয় মানুষ। আমাদের তিনজনের আড্ডা বিকেল গড়িয়ে রাতের দিকে পৌঁছে যায়। অনেক খাওয়াদাওয়া হয়। এইসব আড্ডাই আসলে স্মৃতি।

আগে যখন বেলগাছিয়ায় থাকতাম, সেখানে আরেক ধরনের বন্ধুরা ছিল। তাঁরাও থিয়েটারের সঙ্গে যুক্ত। পুজোর সময় বন্ধুরা মিলে আড্ডা দিতাম। আমার ভাই অমর মিত্র একজন পরিচিত লেখক। লেখার জন্য সে সাহিত্য আকাদেমি পুরস্কার পেয়েছে। আমাদের দুই ভাইয়ের লেখাই নানা পত্রিকার শারদ সংখ্যায় প্রকাশিত হয়। পুজোর অনুষ্ঠানে অংশ নিতে রেডিও সেন্টারেও গিয়েছি। পুজোর সময় নিজেদের লেখালিখি ছাড়াও অনেকের নতুন লেখা পড়ার জন্য আমি ছোটবেলা থেকেই অপেক্ষা করে থাকি। আমাদের ছোটবেলায় যুগান্তর পত্রিকার দারুণ শারদীয়া সংখ্যা প্রকাশিত হত।

একটা মজার ঘটনা বলি। পুজোর সময়ও তো আমরা নাটক নিয়েই থাকতাম। দুপুরবেলায় পাবলিক স্টেজে থিয়েটার শুরু হত। ‘দম্পতি’ বলে একটা নাটক করতাম। আমি তাতে অভিনয় করতাম। ঠাকুর তো দেখতাম না। অভিনেত্রীরা দুটো-আড়াইটের সময় সেজেগুজে আসত। এসে থিয়েটারের জন্য মেকআপ নিত। তারপর নাটক শেষ হলে ফেরার সময় আবার নতুন শাড়ি পরে ঠাকুর দেখতে বেরতেন। সেটা এক ধরণের হাসির খোরাক ছিল আমাদের।

শরৎকালে দলের থিয়েটার করতে বাংলার নানা জেলায় যেতে হত। তবে বাইরে গিয়ে থিয়েটার করার পর ক্লান্ত হয়ে আর ঠাকুর দেখতে বেরতে ইচ্ছে করত না। নিজেদের থিয়েটার করাই আমাদের কাছে মুখ্য হয়ে উঠত। কয়েকবার পুজো উদ্বোধনের জন্য আমন্ত্রণ পেয়েছিলাম। কিন্তু, ফর্মাল উদ্বোধন করতে আমার ভাল লাগে না। তবে একেবারে অল্পবয়সী বন্ধুদের অনুরোধে দু-একবার কলকাতার পুজো উদ্বোধন করতে হয়েছে। ওই উদ্বোধনটুকু করেই আমি বাড়িতে চলে আসি। না, পুজো ঘিরে আমি কোনও দিন আলাদা করে প্রেমে পরিনি।

কাবুল: প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বাড়ির সামনে আত্মঘাতী জঙ্গিহানা

Kabul - Sources said that this evening's car bomb attack

কাবুল: আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুলে আবারও আত্মঘাতী হামলার ঘটনা ঘটল। রাজধানী কাবুলে আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বিসমিল্লাহ মহাম্মাদির বাড়ির সামনে এই আত্মঘাতী হামলা হয়েছে। বিস্ফোরণের বিকট শব্দ বহুদূর পর্যন্ত শোনা গিয়েছে৷ বিস্ফোরণের ফলে উৎপন্ন ধোঁয়া উঁচু আকাশে অনেক দূর পর্যন্ত দেখা যায়। টলো নিউজ জানায়, বিস্ফোরণের পর গুলির শব্দও শোনা গিয়েছে।

সংবাদ প্রতিবেদনে বলা হয়, বিস্ফোরণটি ঘটে কাবুলের শিরপুর এলাকায়। এটি আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বিসমিল্লাহ মহাম্মাদীর বাড়ি। বিস্ফোরণের পর প্রতিরক্ষামন্ত্রীর পক্ষ থেকে বলা হয়, গাড়িতে রাখা বোমার মাধ্যমে বিস্ফোরণটি করা হয়েছে। দেশবাসীকে তথ্য দিয়ে জানিয়েছেন, তিনি সম্পূর্ণ নিরাপদ রয়েছেন। একইসঙ্গে কোনও সংগঠন এখনও পর্যন্ত এই হামলার দায় স্বীকার করেনি৷

টলো নিউজ আরও জানায়, প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বাড়ির সামনে রাখা গাড়িটি প্রথমে বিস্ফোরিত হয় এবং তারপর গুলি ছোড়া হয়। বন্দুকধারী হামলাকারী প্রতিরক্ষামন্ত্রীর বাড়িতে ঢোকার চেষ্টা শুরু করে। তবে হামলার সময় প্রতিরক্ষামন্ত্রী তাঁর বাসভবনে উপস্থিত ছিলেন না। যে জায়গাটিতে এই হামলা হয়েছে সেটি হাই প্রোফাইল এলাকা৷ যেখানে অনেক কূটনীতিক বসবাস করে৷ এই এলাকায় অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভবন রয়েছে এবং রাষ্ট্রপতি প্রাসাদও রয়েছে।

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ পেন্টাগনের কাছে গোলাগুলি

headquarters of the US military

নিউজ ডেস্ক: মার্কিন প্রতিরক্ষা দপ্তরের সদর কার্যালয় পেন্টাগনের কাছে একটি মেট্রো স্টেশনের কাছে একটি গুলির খবর পাওয়া গিয়েছে৷ এর পরে পেন্টাগন চত্ত্বর লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছিল৷ যদিও, এখন লকডাউন তুলে নেওয়া হয়েছে। ভবনে যান চলাচলও শুরু হয়েছে। মার্কিন সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, ট্রানজিট সেন্টারের কাছে কয়েকবার গুলির শব্দ শোনা গিয়ছে। পেন্টাগন আশেপাশের এলাকা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে৷

Pentagon

পেন্টাগন ফোর্স প্রোটেকশন এজেন্সি জানিয়েছিল, ট্রানজিট সেন্টারে একটি ঘটনার কারণে পেন্টাগনকে লকডাউনের মধ্যে রাখা হয়েছে। তবে ঘটনাস্থল এখন সুরক্ষিত রয়েছে৷ পেন্টাগনে সিটিতে পরিবহণ ব্যবস্থার পরিবর্তন করা হয়েছে। সংবাদমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, রিপোর্ট অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর গুলিতে একজন বন্দুকবাজের মৃত্যু হয়েছে। এছাড়াও এই ঘটনায় অফিসারসহ অনেকে আহত হয়েছেন।

Gunshots were fired Tuesday morning near the entrance of the Pentagon

গুলির ঘটনার পর পেন্টাগনের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেল থেকে টুইট করা হয় যে, ‘পেন্টাগন ট্রানজিট সেন্টারে একটি ঘটনার পর পেন্টাগনে লকডাউন জারি করা হয়েছে। আমরা জনগণকে এই এলাকা এড়িয়ে চলার জন্য অনুরোধ করছি। এই সংক্রান্ত আরও তথ্য শিগগির শেয়ার করা হবে। এর পরে পেন্টাগন থেকে প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্য অনুসারে, লকডাউন প্রত্যাহার করা হয়েছে।
লকডাউন তুলে নেওয়ার আগে পেন্টাগন ফোর্স প্রোটেকশন এজেন্সির মুখপাত্র ক্রিস লেহম্যান বলেন, এলাকাটি নিরাপদ নয়। তাই জনগণকে এই এলাকা থেকে দূরে থাকার জন্য একটি আবেদনও করা হয়েছে। পেন্টাগন সিটির মধ্যে যান চলাচলের রুট পরিবর্তন করা হয়েছে। সংস্থাটি আরও জানিয়েছে, পেন্টাগন থেকে লকডাউন তুলে নেওয়া হয়েছে এবং এলাকাটি এখন খুলে দেওয়া হয়েছে। করিডর 2 এবং মেট্রো প্রবেশদ্বার আপাতত বন্ধ থাকবে। করিডর 3 পথচারীদের জন্য খুলে দেওয়া হয়েছে।

শান্তি প্রতীক যীশু, ত্রিপুরায় BSF জওয়ান খুন করা NLFT জঙ্গিদের গলায় ক্রুশ লকেট থাকে

NLFT militant

বিশেষ প্রতিবেদন: উত্তর পূর্বাঞ্চলের বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র সংগঠনগুলির মধ্যে সর্বাপেক্ষা ভয়ঙ্কর নাগাল্যান্ডের এনএসসিএন (খাপলাং) গোষ্ঠী। এদের হামলায় বারবার রক্তাক্ত হয়েছে উত্তর পূর্ব ভারত। নাগা জঙ্গিদের মতো ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট অফ ত্রিপুরা বা NLFT গোষ্ঠীর সদস্যদের গলায় ক্রুশবিদ্ধ যীশুর লকেট ঝোলে। যিনি বিশ্বশান্তির চিরন্তন যুগপুরুষ।

মঙ্গলবার দীর্ঘ কয়েক দশক পর ফের ত্রিপুরায় গর্জে উঠেছে ‘স্বাধীন ত্রিপুরা’ দাবিতে বিচ্ছিন্নতাবাদী সশস্ত্র পথ নেওয়া এনএলএফটির আগ্নেয়াস্ত্র। সংগঠনটির নব্বই শতাংশ সদস্য উপজাতি ও খ্রিষ্টান। এমনই জানাচ্ছে, বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলোকে নিয়ে তথ্য পরিবেশনকারী সংস্থা সাউথ এশিয়ান টেরোরিজম পোর্টাল। এই গবেষণা সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা কে পি এস গিল।

মঙ্গলবার ফের ত্রিপুরার মাটিতে ফের শোনা গেল এনএলএফটি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বন্দুক গর্জন। বাংলাদেশের চট্টগ্রাম বিভাগের খাগড়াছড়ি জেলার লাগোয়া ত্রিপুরান ধলাই জেলার সীমান্তে এনএলএফটি জঙ্গিদের সঙ্গে টহলদারি করা বিএসএফ জওয়ানদের গুলি বিনিময় হয়। জঙ্গিদের গুলিতে দুই জওয়ানের মৃত্যু হয় ঘটনাস্থলেই।
বাংলাদেশ সীমান্তের একেবারে গা ঘেঁষে দুই জওয়ানের রক্তাক্ত দেহের ছবি প্রকাশ করেছে ত্রিপুরার সংবাদমাধ্যম। বিএসএফ জানিয়েছে জঙ্গি হামলায় দুই জওয়ান এসআই ভুরু সিং এবং কনস্টেবল রাজ কুমার গুলিবিদ্ধ ঘটনাস্থলেই মারা যান। এই ঘটনার কেন্দ্র ধলাই জেলার ছামনু থানার অধীন বিএসএফ-এর ৬৪ নম্বর ব্যাটালিয়নের আরসি নাথ বিওপি।

হামলাকারীরা বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন এনএলএফটি গত বিধানসভা ভোটে বাম জমানার পতনের পর ফের সক্রিয়। যদিও ত্রিপুরার অপর বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন এটিটিএফ এখনও নিষ্ক্রিয়। ১৯৮৯ সালে জন্ম নেওয়া এনএলএফটি সংগঠনটির বেশকিছু সদস্য ধরা পড়েছে। তাদের জেরা করেই জানা গিয়েছে, বাংলাদেশের জমিতে গোপন ঘাঁটির কথা।

Two BSF killed in militant ambush in Tripura

এক নজরে ত্রিপুরার বিচ্ছিন্নতাবাদ:
রাজন্য ত্রিপুরা অর্থাত ব্রিটিশ করদ রাজ্য ত্রিপুরার ভারত অন্তর্ভুক্তি হয়েছিল ১৯৪৯ সালে। আর ১৯৭২ সালে ত্রিপুরা পৃথক রাজ্য হিসেবে আত্মপ্রকাশ করে ১৯৭২ সালে। এর পর থেকে ত্রিপুরার আদি বসবাসকারী উপজাতিদের মধ্যে আত্মসংকট বড় করে দেখা দেয়। শুরু হয় উপজাতি বনাম বাঙালি বিবাদ। উপজাতি আবেগ পুঁজি করে তৈরি হয় বিভিন্ন সংগঠন টিএনভি। যার দুই উত্তরসূরী এনএলএফটি ও এটিটিএফ।

তাৎপর্যপূর্ণ, দুটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন সশস্ত্র পথে ‘স্বাধীন ত্রিপুরা’ গঠনের ডাক দিয়ে সরকার ও বাঙালি বিদ্বেষী আগ্রাসী ভূমিকা নিয়েছিল। আবার দুই সংগঠন পরস্পরের বিরুদ্ধে হামলাও চালিয়েছে বারবারে। উপজাতি ভাবাবেগের রক্তাক্ত এই সময়ে ত্রিপুরায় ঘটে যায় গণহত্যার কয়েকটা ঘটনা।

অশান্ত সেই ত্রিপুরায় শান্ত পরিস্থিতি কায়েম হয় সে রাজ্যে দ্বিতীয় দফার বামফ্রন্ট শাসনে। মুখ্যমন্ত্রী দশরথ দেব ও মানিক সরকারের টানা ২৫ বছরের কড়া প্রশাসন উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদ কে ঠাণ্ডা করেছিল।

তবে গত বিধানসভা নির্বাচনে বাম জমানার পতনের পর থেকে ফের সক্রিয় হয়েছে এনএলএফটি। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সন্ত্রাসবাদ রুখতে জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছেন। বিশেষ সতর্ক থাকে দেশটির সীমান্তরক্ষী বিজিবি। তবে গোপনে ত্রিপুরার বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলি ফের সক্রিয় বাংলাদেশের খাগড়াছড়ির দুর্গম বনাঞ্চলে। সীমান্তের কাছে তাদের হামলা এরই প্রমাণ।

ক্লিভেজ নয়, যৌন আবেদন বাড়াচ্ছে খোলা পিঠ

open-backs indian

কলকাতা: শুধুমাত্র যৌনাঙ্গ নয়। শরীরের বিভিন্ন অংশের সঙ্গেই জড়িয়ে রয়েছে যৌনতা। যৌন আবেদন বাড়িয়ে তুলতে যা বিশেষ গুরুত্ব পেয়ে এসেছে বিভিন্ন সময়ে। চোখ বা ঠোঁট বাদ দিলে যার অন্যতম হল ক্লিভেজ। ছোট্ট ক্লিভেজ ছিল যৌন আবেদনের প্রধান উপকরণ। কিন্তু সেই ক্লিভেজকে বর্তমানে ছাপিয়ে যাচ্ছে খোলা পিঠ।

আরও পড়ুন মানসিক অবসাদ কাটাতে অবাধ সহবাসের দাওয়াই দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা

গত এক দশক ধরে শাড়ি এবং ডিপ কাট ব্লাউজ বা সালোয়ারে খোলা পিঠের বিষয়টি বিশেষ গুরুত্ব পেতে শুরু করেছে ভারতীয় মহিলাদের মধ্যে। ফলে যৌন আবেদন জানাতে বা পুরুষকে আকৃষ্ট করতে খোলা পিঠের জুরি নেই। অন্যদিকে প্রায় সকল পুজো বা অনুষ্ঠানে এখন শাড়ি পড়তে শুরু করেছেন মহিলারা। অনেক কম বয়সীদের মধ্যেও শাড়ির চল বেড়ে গিয়েছে। সেই সঙ্গে পাল্লা দিয়েছে বেড়েছে ডিপ কাট ব্লাউজের ব্যবহারও।

গত দেড় দশকের কিছুটা বেশি সময় ধরে মহিলাদের মধ্যে বেড়েছে শাড়ির ব্যবহার। এবং এই সময়ের সঙ্গে পাল্লা দিয়েই বদলে গিয়েছে শাড়ি পড়ার ধরণ। তার সঙ্গেই নিজের আঙ্গিক বদল করেছে ব্লাউজ। ব্লাউজ এমন ভাবে তৈরি করা হচ্ছে যেখানে অনেকটা উন্মুক্ত রাখা যায় পিঠ। সিনেমা থেকে শুরু করে বাস্তবের দুনিয়া। কম বয়সী মহিলাদের পাশাপাশি মধ্যবয়স্কারাও একই ধারা অনুসরণ করতে শুরু করে দিয়েছেন।

DOWNLOAD: Bong Crush Bengali Beauty Hot Saree Pose Saree O Naree Part34  .Mp4 & MP3, 3gp | NaijaGreenMovies, Fzmovies, NetNaija

এই ফ্যাশন লক্ষ করা যাচ্ছে বাঙালিদের ক্ষেত্রেও। বছর খানেক আগে থেকেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হচ্ছিল কিছু যৌন আবেদনময়ী মেয়ের ছবি। নেটিজেনরা যাদের বলছিলেন ‘বং ক্রাশ’। যৌন আবেদনময়ী সেই ছবিগুলিতেও খোলা পিঠই গুরুত্ব পেয়েছিল, ক্লিভেজ নয়।

দেশের দৈনিক সংক্রমণ নিম্নমুখী, চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনার নয়া স্ট্রেন

corona-india

নয়াদিল্লি: আবারও দেশের দৈনিক সংক্রমণ নিম্নমুখী।স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার ৫৪৯ জন। একদিন দেশে করোনার বলি ৪২২।

দেশজুড়ে করোনা হানা অব্যাহত। প্রতিদিন ওঠানামা করছে দৈনিক সংক্রমণ। সোমবার ৪০ হাজারের বেশি সংক্রমণ ছিল। মঙ্গলবার সেই পরিসংখ্যান বেশ খানিকটা কমেছে। নতুন করে দেশে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩০ হাজার ৫৪৯ জন। ।

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এই মুহূর্তে দেশে করোনা অ্যাক্টিভ কেস চার লক্ষ চার হাজার ৯৫৮। এখনও পর্যন্ত দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে চার লক্ষ ২৫ হাজার ১৯৫ জনের। এখনও পর্যন্ত দেশের ৪৭ কোটি ৮৫ লক্ষ ৪৪ হাজার ১১৪ জন করোনা টিকা পেয়েছেন।

এই আবহে চিন্তা বাড়াচ্ছে করোনার ডেল্টা প্লাস ভেরিয়েন্ট। ইতিমধ্যেই মারণ ভাইরাসের নয়া এই ধরন তাণ্ডব চালাচ্ছে বিশ্বের একাধিক দেশে। এদেশেও করিনার ডেল্টা প্লাস ভেরিয়েন্টের খোঁজ মিলেছে। অত্যন্ত সংক্রামক এই ভাইরাস দ্রুত একজনের দেহ থেকে অন্য জনের দেহে ছড়িয়ে পড়তে পারে। দেশে করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা বিপদজনক হওয়ার পিছনে প্রধান ভূমিকা রয়েছে করোনার ডেল্টা স্ট্রেনের, এমনই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

Special Olympics-এ ভারতের মুখ সোনু সুদ

Sonu sood

গত বছরের তৃতীয় মাস থেকেই ভারতবর্ষে ভয়াবহ আকার নিয়েছে অতিমারী। ফলে সেই মাসেই মাত্র ৪ ঘণ্টার নোটিশে দেশজুড়ে লকডাউন ডাকে কেন্দ্রীয় সরকার। তাতে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়েছিলেন বিভিন্ন রাজ্যে কাজের সূত্রে যাওয়া পরিযায়ী শ্রমিকরা। ঠিক সেময়েই হিরোর মতো তাদের পাশে এসে দাঁড়ান সোনু সুদ।

আরও পড়ুন বিজয়ীর মেডেল হিসাবে সোনা নয়, মানুষের মাথা দিত এই আদিবাসী গোষ্ঠী

করোনাকালে যেভাবে পরিযায়ী শ্রমিকদের পাশে দাঁড়িয়ে ছিলেন তিনি, তাতে কার্যত অভিভূত হয়ে গিয়েছিল গোটা দেশ। শুধু পরিযায়ী শ্রমিকই নয়, সাধারণ মানুষের যে কোনও সাহায্যে এগিয়ে এসেছিলেন তিনি। বলিউডের নামকরা ভিলেন থেকে হয়ে উঠেছিলেন বাস্তবের হিরো। এবার তাকে জানানো হল বিরল সম্মান। রাশিয়ায় আয়োজিত Special Olympics-এ তাকে ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর ঘোষণা করা হল তাকে।

Sonu Sood to accompany India's contingent to 2022 Special Olympics World  Winter Games

২০২২ সালের জানুয়ারি মাসে রাশিয়াতে অনুষ্ঠিত হবে স্পেশাল অলিম্পিকস ওয়ার্ল্ড উইন্টার গেমস। ১৯৬৮ সাল থেকে প্রতি দু’বছর অন্তর অনুষ্ঠিত হয় স্পেশাল অলিম্পিকস ওয়ার্ল্ড উইন্টার গেমস। বিশেষভাবে সক্ষম মানুষেরা অংশ নিতে পারেন এই অলিম্পিকে। সেই গেমসেই ভারতের মুখ হলেন তিনি।

এই সুযোগ পেয়ে আপ্লুত অভিনেতার ফ্যানেরা। ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তাদের হিরোকে। সোনুও সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, ‘এরকম একটা সুযোগ পেয়ে সত্যিই গর্ব হচ্ছে। বিদেশের মাটিতে নিজের ট্যালেন্টকে
প্রমাণ করার এটাই সবচেয়ে বড় সুযোগ। আশা করি, দেশের খেলোয়াড়েরা রাশিয়ার মাটিতে দেশের মুখ উজ্জ্বল করবেন।’

অনু মালিকের চুরি করা গান ধরা পড়ল ভারত বন্ধু দেশের জাতীয় সংগীতে

Anu-Malik

টোকিও অলিম্পিকে আর্টিস্টিক জিমন্যাটিক্সে সোনা জিতেছিলেন ইজরায়েলের জিমন্যাস্ট আরতেম দোলপিয়াত। পোডিয়ামে তার সোনা পাওয়ার সময় বেজে উঠেছিল সে দেশের জাতীয় সংগীত। তা শুনেই হতবাক ভারতীয় নেটিজেনরা। কারণ এই সুর যে তাদের চেনা।

আরও পড়ুন সৌরভ শুধুই সহবাস সঙ্গী: বিস্ফোরক অভিনেত্রী অনিন্দিতা

নয়ের দশকে বলিউডে মুক্তি পেয়েছিল হ্যারি বাওয়েজা পরিচালিত ‘দিলজ্বলে’। মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন অজয় দেবগন, সোনালি বেন্দ্রে। সেই সিনেমার একটি গানের সঙ্গেই পড়শি দেশের জাতীয় জাতীয় সংগীতের মিল পেয়েছেন নেটিজেনরা। সিনেমার ‘মেরা মুল্ক মেরা দেশ’ গানটি যেন তার ফটোকপি।

https://youtu.be/oA3jor52HDE

১৯৯৬ সালে মুক্তি পাওয়া ওই সিনেমার আটটি গানেই সুর দিয়েছিলেন বলিউডের জনপ্রিয় সুরকার অনু মালিক। ‘মেরা মুলক মেরা দেশ’ গানের দু’টি ভার্সান তৈরি হয়েছিল। একটি গেয়েছিলেন কুমার শানু ও আদিত্য নারায়ণ। আরেকটি ভার্সান গেয়েছিলেন কবিতা কৃষ্ণমূর্তি। আর তা নিয়েই প্রায় আড়াই দশক পরে বেজায় ট্রোলড হলেন অনু মালিক, সুর চুরির অভিযোগ উঠল তাঁর বিরুদ্ধে।

ইজরায়ের জাতীয় সংগীতের সঙ্গে বলিউড সুরকারের গানের মিল খুঁজে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ট্রোলে ভরে গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়া। এমনিতেই বিতর্ক অনু মালিকের ছায়াসঙ্গী। নেটনাগরিকদের একাংশ কটাক্ষ করে লিখেছেন, “ইজরায়েলের জাতীয় সংগীতকেও বাদ দেননি অনু মালিক। তা দিয়ে তাঁর সিনেমার গানও বানিয়ে ফেলেছিলেন। নেটদুনিয়াটা ছিল বলেই জানতে পারলাম ওর চুরির কথা।”

সৌরভ শুধুই সহবাস সঙ্গী: বিস্ফোরক অভিনেত্রী অনিন্দিতা

Anindita Bose: Movies, TV, and Bio

বায়োস্কোপ ডেস্ক: বেশ কিছুদিন ধরেই টলি-পাড়ায় সৌরভ দাস এবং অনিন্দিতা বোসের সম্পর্ক ভাঙা নিয়ে জল্পনা চলছে। তাঁদের সম্পর্কের মাঝে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়েছেন মধুমিতা, তেমনই রটনা। একাধিকবার মধুমিতা এবং সৌরভকে একসঙ্গে দেখা যাচ্ছে। কখনও পার্টি করতে আবার কখনও পাহাড়ে বেড়াতে। তবে সম্পর্কের ভাঙনের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সৌরভ বরাবরই জানিয়েছেন এই সবকিছুই গুজব। অন্যদিকে মধুমিতাকে সৌরভ দাসের সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে তিনিও এই জল্পনাকে ভিত্তিহীন রটনা বলে উরিয়ে দিয়েছে। তবে এবারে সৌরভের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী অনিন্দিতা বোস।

সম্প্রতি বেশ কিছুদিন ধরে অনিন্দিতা কাজের সূত্রে মুম্বই থাকছেন। তবে সৌরভ ও অনিন্দিতার এই দূরত্বই কী তাঁদের সম্পর্কের উপর প্রভাব ফেলছে? সৌরভের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে এবারে মুখ খুললেন অনিন্দিতা। এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অনিন্দিতা জানান, সম্পর্কে তাঁরা সবসময় বন্ধুত্বটাকেই বেশি প্রাধান্য দিয়েছেন। বন্ধুত্ব আছে বলেই এতদিন একসঙ্গে এক ছাদের তলায় থাকতে পাড়ছেন তাঁরা। অনিন্দিতা আরও জানান, এই বন্ধুত্বের কারনেই তাঁরা একটি বাড়িও বানাতে পেড়েছেন।

সৌরভ এবং মধুমিতার বিষয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে অনিন্দিতা সাফ জানিয়ে দেন, যতই গুজব রটুক না কেন তাঁদের সম্পর্কে চিড় ধরানো সহজ নয়। তাঁরা একে অপরের প্রতি খুবই বিশ্বস্ত, যা তাঁদের গভীর বন্ধুত্বের জন্যই সম্ভব হয়েছে। ২০১৭ সাল থেকে অনিন্দিতা এবং সৌরভ লিভ-ইন সম্পর্কে রয়েছে। এক্ষুনি বিয়ে করার কথা ভাবতে নারাজ অনিন্দিতা। এর আগেও দুবার বিয়ে ভাঙার যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়েছে অভিনেত্রীকে। প্রথমে অভিমন্যু মুখোপাধ্যায় এবং পরে গৌরব চট্টোপাধ্যায়। আপাতত নিজের কেরিয়ারে ফোকাস করেছেন অনিন্দিতা।

দুর্দান্ত ফিচার নিয়ে ভারতের বাজারে লঞ্চ করল Infinix Smart 5A স্মার্টফোন

Infinix Smart 5A Unboxing

টেক ডেস্ক: ভারতের বাজারে লঞ্চ করল Infinix Smart 5A স্মার্টফোন। পকেট ফ্রেন্ডলি এই ফোনে রয়েছে বেশ কিছু অত্যাধুনিক ফিচার। বাজেটেও বেশ সস্তা এই স্মার্টফোন। আগামী ৯ অগাস্ট থেকে ই-কমার্স সংস্থা ফ্লিপকার্টে এই ফোনের সেল শুরু হবে। লঞ্চ অফারে সেলের প্রথম দিন থাকছে ৫০০ টাকার ছাড়। আপাতত ভারতের বাজারে এই ফোন তিনটি রং-এ লঞ্চ করা হয়েছে। একটি কালো, একটি সায়ান এবং একটি ওশেন ওয়েভ।

Infinix Smart 5A স্মার্টফোনের ফিচার
১. এই ফোনে রয়েছে ৬.৫৬ ইঞ্চির HD + LCD IPS ইন-সেল ডিসপ্লে। প্রসেসর হিসেবে এই ফোনে রয়েছে ১.৮ GHz অক্টাকোর মিডিয়াটেক হেলিও এ২০।
২. এই ফোনে ৮ মেগাপিক্সেলের ডুয়াল এআই এবং ডেপথ সেনসর রয়েছে। সেলফি তোলার জন্য ফ্রন্টে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের একটি সেলফি শুটার।
৩. Infinix Smart 5A স্মার্টফোনে ব্যাটারি দেওয়া হয়েছে ৫০০০mAh। ফোনে কানেক্টিভিটির জন্য 4G VoLTE, Wi-Fi 802.11, GPS, GPRS- এর মতো ফিচার দেওয়া হয়েছে।
৪. ফোনটিতে থাকছে একটি ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেন্সর, একটি অ্যাম্বিয়েন্ট লাইট সেন্সর, এবং একটি জি-সেন্সর। এই ফোনের ওজন করা হয়েছে ১৮৩ গ্রাম।

Infinix Smart 5A স্মার্টফোনের দাম
আপাতত এই ফোন ভারতের বাজারে ২ জিবি র‍্যাম এবং ৩২ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে লঞ্চ করেছে। ফোনের দাম করা হয়েছে ৬,৯৯৯ টাকা। তবে লঞ্চ অফারে ফ্লিপকার্টে ৫০০ টাকার ছাড় পাওয়া যাবে।

‘আবেদনময়ী’ পোস্টে ট্রোলের শিকার বিজেপি নেত্রী পায়েল

payel-sarkar-2

বায়োস্কোপ ডেস্ক: ২০২১ বিধানসভা ভোটের আগে পায়েল সরকারকে দেখা যায় গেরুয়া শিবিরে নাম লেখাতে। ভোটে প্রার্থীও করা হয় তাঁকে। তবে ভোটের লড়াইয়ে হার হয়েছে অভিনেত্রীর। তারপর থেকে সক্রিয় রাজনীতি থেকে নিজেকে বেশ কিছুটা গুটিয়ে নিয়েছেন তিনি। তবে এবারে তাঁর ইনস্টাগ্রামে করা একটি পোস্টে সমালোচনার ঝড় ওঠে। ব্যাপক ট্রোলের শিকার হন পায়েল।

সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে নিজের একটি ছবি পোস্ট করেন পায়েল। ওই ছবিতে অভিনেত্রীকে দেখা যায় চুল খোলা অবস্থায় একটি পুলের ধারে বসে থাকতে। তাঁর পরনে ছিল একটি সিকুইন্সের হাই থাই স্লিট গাউন। ছবিটিতে যে উষ্ণতার ছোঁয়া রয়েছে তা কোনও ভাবেই অস্বীকার করা যায় না। ছবিটি পোস্ট করে বিজেপি নেত্রী লিখেছেন ‘সানডে মুড’। পায়েলের এই পোস্ট ঘিরেই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। ব্যাপক ট্রোলের শিকার হতে হচ্ছে তাঁকে।

payel sarkar

ইতিমধ্যেই ছবিটি নেটদুনিয়ায় ঝরের মতো ভাইরাল হয়। অভিনেত্রীর এই হট লুক দেখে কমেন্টের বন্যা বয়ে যায়। একাধিক কুরুচিকর কমেন্ট চোখে পরে। ‘দিলীপদা রাগ করবে’, ‘দিলীপদা রগড়ে দেবে’, ‘আসুন আমার বিছানায়’, ‘পরবর্তী নির্বাচন জিততে গেলে আরও খোলামেলা হতে হবে’ –এর মতো একাধিক নোংরা কমেন্টে ভরে যায় ছবিটি। তবে এর পাশাপাশি পায়েলের এই লুকের প্রশংসাও করেছেন অনেকে। একাধিক লাভ এবং ফায়ার ইমোজিও লক্ষ্য করা যায় কমেন্টে। এখন দেখার বিষয় কীভাবে টলিউডের এই অভিনেত্রী ট্রোলারদের করা নোংরা কমেন্টের জবাব দেন।

পর্ণ কাণ্ড: শিল্পা শেট্টির পাশে দাঁড়ালেন অভিনেত্রী রিচা চাড্ডা

Shilpa shetty

বায়োস্কাপ ডেস্ক: পর্ণ কাণ্ডে রাজ কুন্দ্রার গ্রেফতারির পর থেকেই কোণঠাসা হয়েছেন শিল্পা শেট্টি ( Shilpa shetty)। চারিদিক থেকে নানা রকম কুরুচিকর মন্তব্য এবং সমালোচনার শিকার হচ্ছেন রাজ কুন্দ্রার (raj kundra) স্ত্রী শিল্পা শেট্টি।

স্বামীর করা অপরাধের শাস্তি পেতে হচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকেই। আবার অনেকে বলছেন এই বিষয়ে সবকিছুই জানতেন শিল্পা। কয়েকদিন আগেই এই বিষয়ে ইন্ডাস্ট্রির চুপ করে থাকা নিয়ে ট্যুইট করেন পরিচালক হনসল মেহতা। এবারে সেই প্রসঙ্গ টেনে এনে শিল্পা শেট্টির পাশে দাঁড়ালেন অভিনেত্রী রিচা চাড্ডা (Richa Chadda)।

পরিচালক হনসল মেহতার করা ট্যুইট টেনে এনে রিচা আরও একটি ট্যুইট করেন। ট্যুইটে তিনি লেখেন, ‘পুরুষরা দোষ করলে তা নারীর ঘাড়ে চাপানোটা জাতীয় খেলা হয়ে গেছে। আমি খুশি ও লড়াই করছে’। রিচার করা এই পোস্টের পর থেকে অনেকেই শিল্পার পাশে দাঁড়িয়েছেন। তবে অনেকে আবার এই পোস্টের বিরোধিতা করেন।

তাঁদের মতে, কেন স্বামীর আয়ের উৎস জানার পরও কেন কোনও প্রতীবাদ করেননি শিল্পা? অনেকে এও বলেন কেন ভিয়ান ইন্ডাস্ট্রিজের জিএম পদ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন শিল্পা? তবে কী স্বামীর ব্যাপারে নিজে সবকিছুই জানতেন তিনি? এরকম নানা প্রশ্ন উঠে আসে। তবে এই সব প্রশ্নের কোনও উত্তর পাওয়া যায়নি রিচার থেকে।

রিচার আগে শিল্পার পাশে দাঁড়িয়েছিলেন পরিচালক হনসল মেহতা। তিনি ইন্ডাস্ট্রির অঙ্গুল তোলেন। তাঁর করা ট্যইটে, শিল্পাকে এই সময় একা থাকতে দেওয়ার কথা উঠে আসে। এছাড়াও তিনি আরও বলেন, ভালো সময়ে সবাই একসঙ্গে পার্টি করেন, তবে এখন খারাপ সময়ে সবাই চুপ করে রয়েছেন।

গণতন্ত্রকামী ‘বিদ্রোহী’ গায়ককে গ্রেফতার করল চিন

Anthony-Wong

হংকং: হংকংয়ে অব্যাহত চীনা দমনপীড়ন। গণতন্ত্ররোধে কার্যত মরিয়া ভাব দেখাচ্ছে এশিয়ার এই কমিউনিস্ট দেশ। এর আগে চীনের বিখ্যাত বিজনেস টাইকুন, আলিবাবার প্রতিষ্ঠাতা জ্যাক মা’র অন্তর্ধানের সময়েও শোনা গিয়েছিল যে সরকার বিরোধী মনোভাবের জন্যই তাকে উধাও করেছে দেশের সরকার। একই কথা শোনা গিয়েছিল আরেক ব্যবসায়ী রেন জিকিয়াংয়ের ক্ষেত্রেও।

এবার স্বশাসিত প্রদেশ হংকংয়ের গণতন্ত্রকামী ও ‘বিদ্রোহী গায়ক’ হিসেবে পরিচিত অ্যান্থনি ওয়ংকে (anthony wong) গ্রেফতার করল পুলিশ। সংবাদ সংস্থা রয়টার্স সূত্রে খবর, অ্যান্থনি ওয়ংয়ের বিরুদ্ধে হংকংয়ের আইন পরিষদের নির্বাচনে গণতন্ত্রকামী প্রার্থীর হয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করার অভিযোগ এনেছে প্রশাসন। সরকারের দুর্নীতি দমন কমিশন তাদের প্রকাশিত একটি রিপোর্টে জানিয়েছে, তিন বছর আগে আইন পরিষদের নির্বাচনে গণতন্ত্রপন্থী রাজনীতিবিদ আউ হিনের হয়ে ক্যাম্পেন চালিয়ে ভোটারদের প্রভাবিত করেছেন গায়ক অ্যান্থনি ওয়ং।

Wong was arrested Monday, Aug. 2, 2021, by the city's anti-corruption watchdog, over accusations of corrupt conduct during a 2018 election, the latest move by authorities amid a crackdown on political dissent in the city.

ওই রিপোর্টে কমিশন জানিয়েছে, যে ওই নির্বাচনী মিছিলে দু’টি গান গেয়েছিলেন ওয়ং। কিন্তু তারপর আউ হিনের হয়ে ভোটারদের ভোট দেওয়ার আরজি জানান তিনি। যা নির্বাচনী বিধি ভঙ্গ করার অধীনে পরছে। ২০১৮ সালের আইন পরিষদের ওই নির্বাচনে জয়ী হয়েছিলেন আউ নক-হিন। হংকংয়ের আইনসভায় গণতন্ত্রকামী সদস্যদের কোণঠাসা করতেই চীনের এই পদক্ষেপ বলে দাবী করছে বিভিন্ন মহল।

নির্বাচনী বিধিভঙ্গের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হলে সাত বছরের জেল হতে পারে অ্যান্থনি ওয়ংয়ের। শুধু তাই নয়, এর পাশাপাশি ৬৪ হাজার মার্কিন ডলারের জরিমানাও করা হতে পারে। হংকংয়ের ওপর জিংপিং সরকারের কন্ঠরোধ করার চেষ্টা এই প্রথম নয়। গত জুন মাসে বন্ধ করে দেওয়া হয় হংকংয়ের শেষ স্বাধীন সংবাদপত্র ‘Apple Daily’। সংবাদপত্রটির কর্ণধার জিমি লাই বর্তমানে জেলে।

ই-রুপি: নতুন ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মের সূচনা করলেন নরেন্দ্র মোদী

Narendra-Modi

নয়াদিল্লি: ২০১৪ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই ডিজিটাল ইন্ডিয়ার ওপর জোর দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি। সেই উদ্দেশ্যে গত সাত বছরে বিভিন্ন পদক্ষেপও নিতে দেখা গিয়েছে নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বাধীন সরকারকে। এই ডিজিটাল সিস্টেমের অন্যতম অংশ হল ডিজিটাল পেমেন্ট। অতিমারীতে যার প্রয়োজনীয়তা আরও বেশি করে উপলব্ধি করা গিয়েছে।

সেই ডিজিটাল পেমেন্টকে আরও সহজ করতে চলতি সপ্তাহের সোমবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ই-রুপি, একটি ইলেকট্রনিক ভাউচার-ভিত্তিক ডিজিটাল পেমেন্ট সিস্টেম চালু করেছেন। ডিজিটাল পেমেন্টের জন্য ই-রুপি একটি ক্যাশলেস এবং কন্টাক্টলেস ইন্সট্রুমেন্ট। এটি কিউআর কোড বা এসএমএস স্ট্রিং এর মাধ্যমে গ্রাহকদের মোবাইল ফোনে পাঠানো যায়।

এই নতুন এককালীন পেমেন্ট পদ্ধতির ব্যবহারকারীরা পরিষেবা প্রদানকারীর কাছে কার্ড, ডিজিটাল পেমেন্ট অ্যাপ বা ইন্টারনেট ব্যাংকিং অ্যাক্সেস ছাড়াই ভাউচার ভাঙ্গাতে সক্ষম হবেন। ইউনিফাইড পেমেন্ট ইন্টারফেস (UPI) প্ল্যাটফর্মে, আর্থিক পরিষেবা বিভাগ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয় (MoHFW) এবং জাতীয় স্বাস্থ্য কর্তৃপক্ষের সহযোগিতায় এই নতুন ডিজিটাল পেমেন্ট প্ল্যাটফর্মটি তৈরি করেছে ন্যাশনাল পেমেন্টস কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া (NPCI)।

পিএমও থেকে একটি সাম্প্রতিক বিবৃতিতে বলা হয়েছে যে মা ও শিশু কল্যাণ স্কিম, টিবি নির্মূল কর্মসূচি, ওষুধ এবং ডায়াগনস্টিকস যেমন আয়ুষ্মান ভারত, প্রধানমন্ত্রীর জন আরোগ্য যোজনার আওতায় ওষুধ ও পুষ্টি সহায়তা প্রদানের জন্য স্কিমের অধীনে ই-রুপি প্ল্যাটফর্মটি ব্যবহার করা যেতে পারে।

আট বছর পর বাংলা চলচ্চিত্রে পা রাখছেন জিৎ-এর ‘সঙ্গী’ প্রিয়াঙ্কা

Priyanka trivedi

বায়োস্কাপ ডেস্ক: শুধু এই দেশ নয়, বাংলাদেশ জুড়েও রয়েছে তাঁর খ্যাতি। কিন্তু এক সময় পর পর বহু জনপ্রিয় সিনেমা দর্শকদের কাছে তুলে দেওয়া সেই নায়িকার হঠাৎ খোঁজ নেই আট বছর ধরে। তিনি বেশ জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা ত্রিবেদী।

‘হঠাৎ বৃষ্টি’ নামক চলচ্চিত্রের মাধ্যমে সিনেমা জগতে আগমন ঘটেছিল তাঁর। এরপর একে একে ‘যুদ্ধ’, ‘হ্যালো মেমসাহেব’, ‘সঙ্গী’, ‘সাথী’ সহ আরও অনেক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।

তবে তৎকালীন সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে হঠাৎ কেন বন্ধ করতে হয়েছিল সিনেমা? সে বিষয় প্রকাশ্যে না এলেও অবশেষে আট বছর পর ফের বাংলা অভিনয় জগতে পা রাখতে চলেছেন তিনি।

জানা যাচ্ছে, সত্যজিৎ রায়ের উপন্যাস অবলম্বনে ‘মাস্টার অংশুমান’ নামক একটি চলচ্চিত্রে কেন্দ্রীয় নারীর চরিত্রে অভিনয় করবেন প্রিয়াঙ্কা ত্রিবেদী।

এ বিষয়ে সংবাদমাধ্যমকে প্রিয়াঙ্কা ত্রিবেদী জানান, “বিয়ের পর আমি বাঙ্গালোরে থাকা শুরু করি আর তামিল ও কন্নড় ফিল্মে অভিনয় করতাম। সাগ্নিক দা আমাকে এই ফিল্মের অফার দিলে আমি তাৎক্ষণিকভাবে তাতে সায় দিই। এই চিত্রনাট্যটি খুব আকর্ষণীয়। সত্যজিৎ রায়ের জন্ম শতবার্ষিকীতে তাঁর স্মরণে এই ফিল্মটি তৈরী করা হবে।”

এই চলচ্চিত্রে নিজের চরিত্র নিয়ে অভিনেত্রী আরও বলেন, “আমি মাধবী সেন নামে এক অভিনেত্রীর ভূমিকায় অভিনয় করছি, যিনি অনেক বছর পর বড় পর্দায় ফেরেন। কাজেই আমি এই চরিত্রটির সঙ্গে রিলেট করতে পারব সহজেই।”

ত্রিপুরায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোস্টার ছেঁড়ার ঘটনার নিন্দায় তৃণমূল

Abhishek Banerjee in Tripura

কলকাতা: আগরতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পোস্টার ছেঁড়ার প্রতিবাদে সোচ্চার তৃণমূল। লিখিত বিবৃতি দিয়ে ঘটনার নিন্দা তৃণমূলের।

সোমবার ত্রিপুরা পৌঁছেছেন সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অভিষেকের ত্রিপুরা সফরের আগে রাজধানী আগরতলা জুড়ে পোস্টার লাগানো হয় তৃণমূলের উদ্যোগে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া সেই পোস্টার চোখে পড়ে আগরতলার বিভিন্ন প্রান্তে। তবে আগরতলার বিভিন্ন এলাকায় তৃণমূলের পোস্টার ছিঁড়ে ফেলে কেউ বা কারা। এই ঘটনার পিছনে বিজেপির কর্মীরা যুক্ত বলে অভিযোগ তৃণমূলের।তৃণমূলের তরফে লিখিত বিবৃতি দিয়ে ঘটনার নিন্দা করা হয়েছে।

সোমবার ত্রিপুরায় গিয়ে বিক্ষোভের মুখে পড়েছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও। অভিষেকের কনভয়ে ‘হামলা’র অভিযোগ ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। আগরতলার রাস্তায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘গো ব্যাক’ , স্লোগান শোনান বিজেপি কর্মীরা।

পরে এ বিষয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ” ত্রিপুরার মানুষ এর জবাব দেবে। অতিথি দেব ভব- এর উদাহরণ দেখলাম। বিজেপি বলে বাংলায় গণতন্ত্র নেই। ত্রিপুরায় কি অবস্থা।”

আগরতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে ‘হামলা’, কাঠগড়ায় বিজেপি

Abhishek Banerjee in Tripura

আগরতলা: ত্রিপুরায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে ‘হামলা’। অভিষেকের গাড়িতে লাঠির ঘা বিজেপি কর্মীদের। আগরতলার রাস্তায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে গো ব্যাক স্লোগান বিজেপি কর্মীদের।

ত্রিপুরায় গিয়ে বেনজির বিক্ষোভের মুখে সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ বিমানবন্দর থেকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয় ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরের দিকে যাচ্ছিল। সেই সময় রাস্তায় একাধিক জায়গায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। তাকে কালো পতাকা দেখান বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। এমনকী রাস্তার একাধিক জায়গায় অভিষেক বন্দোপাধ্যায়কে গো ব্যাক স্লোগান দেওয়া হয়।শুধু তাই নয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গাড়ির কাচে লাঠির ঘা পড়ে।

এদিন আগরতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কনভয়ে হামলার প্রতিবাদে সরব তৃণমূল। তৃণমূল কর্মীদের সঙ্গে তুমুল তর্কাতর্কি বেধে যায় পুলিশের। পরে এ বিষয়ে মুখ খোলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও। তিনি বলেন, ” ত্রিপুরার মানুষ এর জবাব দেবে। অতিথি দেব ভব- এর উদাহরণ দেখলাম। বিজেপি বলে বাংলায় গণতন্ত্র নেই। ত্রিপুরায় কি অবস্থা।”

এদিন বাধা কাটিয়ে ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে পৌঁছে যান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে পূজা দিয়েছেন অভিষেক। ত্রিপুরায় একগুচ্ছ রাজনৈতিক কর্মসূচি রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।

রূপনারায়ণ-দ্বারকেশ্বরের বাঁধ ভেঙে প্লাবিত খানাকুল, উদ্ধারকাজে সেনা

flad army

খানাকুল: গত কয়েকদিনের টানা বৃষ্টির জের। রূপনারায়ণ ও দ্বারকেশ্বর নাদের বেশ কয়েকটি বাঁধ ভেঙে প্লাবিত খানাকুলের বিস্তীর্ণ এলাকা। হাজার হাজার পরিবার জলবন্দি। উদ্ধার কাজে নেমে হিমশিম দশা বিপর্যয় মোকাবিলা দলের সদস্যদের। জলের তোড়ে স্পিডবোটে উদ্ধারকাজ চালাতেও বেগ পেতে হয় তাদের। শেষমেষ উদ্ধারকাজে নামানো হয় , বায়ুসেনাকে। বায়ুসেনার কপ্টারে শতাধিক গ্রামবাসীকে উদ্ধার করা হয়েছে।

কয়েকদিন ধরেই খানাকুলের পরিস্থিতি বিপদজনক হয়ে উঠছে।খানাকুলের বন্দিপুরে দ্বারকেশ্বর ও ঘোড়াদহে রূপনারায়ণের বাঁধ ভেঙে হু-হু করে জল ঢুকতে শুরু করেছে লাগোয়া গ্রামগুলিতে। বেশ কয়েকটি এলাকা বিচ্ছিন্ন। রাস্তার ওপর দিয়ে বইছে জল। দ্বারকেশ্বরের বাঁধ ভেঙে প্লাবিত জাঙ্গিপাড়ার বিস্তীর্ণ এলাকা।খানাকুলের বন্দিপুরে দ্বারকেশ্বর ও ঘোড়াদহে রূপনারায়ণের বাঁধ ভেঙে হু-হু করে জল ঢুকতে শুরু করেছে। বেশ কয়েকটি এলাকা বিচ্ছিন্ন। রাস্তার ওপর দিয়ে বইছে জল। দ্বারকেশ্বরের বাঁধ ভেঙে প্লাবিত জাঙ্গিপাড়ার বিস্তীর্ণ এলাকাও।রাস্তার উপর দিয়ে নদীর স্রোতের মতো জল বইছে।

ইতিমধ্যেই জলের তোড়ে ভেসে গিয়েছে বহু গবাদি পশু।ভেঙে পড়েছে বহু কাঁচা বাড়ি।এলাকায় ত্রাণ শিবির চালু করা হয়েছে।দুর্গতদের উদ্ধার করে ত্রাণ শিবিরগুলোতে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে ঘাটালের পরিস্থিতি ক্রমেই ভয়াবহ হয়ে উঠছে।ফি বর্ষায় ঘাটালের জলছবি অচেনা নয়।এ বারও তার অন্যথা হয়নি।শিলাবতী নদীর জলে প্লাবিত ঘাটালের বিস্তীর্ণ এলাকা। ঘাটালের একাধিক স্কুলে জল ঢুকেছে।জলমগ্ন ঘাটাল মহকুমা হাসপাতাল চত্বর। জল ঢুকে যায় ঘাটাল সংশোধনাগারে। ৬১ জন বন্দিকে অন্যত্র সরানো হয়েছে।

শুধু ঘাটাল নয়। পশ্চিম মেদিনীপুরের চন্দ্রকোনা, দাসপুরেরও পরিস্থিতি ভয়াবহ। ডুবে গিয়েছে চন্দ্রকোনার মনসাতলা চাতাল। যুদ্ধকালীন তৎপরতায় উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে প্রশাসন। দুর্গত এলাকা গুলি থেকে উদ্ধার করা হচ্ছে বাসিন্দাদের।

মমতা-অভিষেকের ছবি দেওয়া পোস্টারে ছেয়েছে আগরতলা

Mamata and Abhishek

আগরতলা: সোমবার ত্রিপুরায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার ‘যুবরাজ’কে স্বাগত জানাতে চেষ্টার কোনও কসুর ছাড়েননি ত্রিপুরার তৃণমূল নেতৃত্ব। রাজধানী আগরতলায় ছেয়ে গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া পোস্টার। যুব তৃণমূল কর্মী কুন্তল ঘোষের উদ্যোগে পোস্টার পড়েছে আগরতলার বিভিন্ন এলাকায়।সেই পোস্টারে লেখা, ” ভারতের যুবরাজ তোমাকে সেলাম। তোমার হাতেই হবে এবার ত্রিপুরাতে জয়ের অভিষেক।”

তৃতীয়বারের জন্য বাংলায় বিপুল জয় তৃণমূলের মনোবল অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে।এর আগেও পড়শি রাজ্য ত্রিপুরায় দলের সংগঠন পোক্ত করার চেষ্টা করেছিল তৃণমূল।সেবার মুকুল রায়ের হাত ধরে ত্রিপুরায় দলের সংগঠন চাঙ্গা করার চেষ্টা করেছিল জোড়াফুল। তবে অচিরেই সেই উদ্যোগ ধাক্কা খায়। পরবর্তী ক্ষেত্রে ত্রিপুরায় তৃণমূল নেতাদের অনেকেই দলবদল করেন।

তবে এবার প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ আলাদা। এই মুহূর্তে সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক তৃণমূল। মোদি বিরোধী জোটের প্রধান মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশের তাবড় রাজনীতিবিদ মোদি বিরোধিতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে চলতে আগ্রহ দেখিয়েছেন। এই মুহূর্তে জাতীয় রাজনীতিতে তৃণমূলকে এড়িয়ে বিজেপি বিরোধী জোটের কথা ভাবা কার্যত দুঃসাধ্য। সম্প্রতি দিল্লি সফরে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও মোদি বিরোধী জোটের সলতে পাকিয়ে এসেছেন। সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী থেকে শুরু করে তৃণমূল সুপ্রিমো দেখা করেছেন বিরোধী দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে। আগামী দিনে বিজেপি বিরোধী জোটের নেতৃত্ব দেওয়ার ব্যাপারেও কথাবার্তা এগিয়েছে অনেকটাই। যদিও মোদি বিরোধী জোটের নেতৃত্বে নয়, জোটের শরিক হতেই বেশি আগ্রহী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এই আবহেই এবার তৃণমূলের নজরে ত্রিপুরা। মিশন ২০২৪- এর আগে ত্রিপুরায় দলের সংগঠন পোক্ত করার মরিয়া বাংলার শাসকদলের। সেই লক্ষ্যেই এবার ত্রিপুরায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরা পৌঁছানোর আগেই রাজধানী আগরতলা ছেয়ে গিয়েছে তৃণমূলের পোস্টারে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া সেই পোস্টার আগরতলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা যাচ্ছে। অভিষেকের হাত ধরে এবার ত্রিপুরায় বদল আনতে চায় তৃণমূল।