তৃণমূলের মাটি শক্তিশালী করতে আজ ত্রিপুরায় অভিষেক

Abhishek Banerjee

আগরতলা: তৃণমূলের নজরে ত্রিপুরা। পড়শি রাজ্য ত্রিপুরায় সংগঠন মজবুত করতে তৎপর তৃণমূল। গত শনিবার কের পুজো উপলক্ষে টুইট করে ত্রিপুরাবাসীর মন ছোঁয়ার চেষ্টা করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আজ ত্রিপুরায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বেলা বারোটা নাগাদ ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে পুজো দেবেন ডায়মন্ডহারবারের তৃণমূল সাংসদ অভিষেক।

এবার নজর ত্রিপুরায়। শনিবারই ত্রিপুরা পৌঁছেছেন তৃণমূল যুব কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক ভট্টাচার্য, তৃণমূল নেত্রী জয়া দত্তরা। দিন কয়েক আগে ত্রিপুরায় গিয়ে বেজায় অস্বস্তিতে পড়েন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোরের ‘আইপ্যাক’ টিমের সদস্যরা। করোনা বিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ ওঠে তাদের বিরুদ্ধে। কার্যত হোটেল বন্দি করে রাখা হয় আইপ্যাকের টিমের সদস্যদের। আগরতলার ধর্মনগরে তৃণমূলের মিছিলে বাধা দেয় প্রশাসন। বিষয়টি নিয়ে ত্রিপুরার বিপ্লব দেবের সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভে ফুঁসছে তৃণমূল। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরা সরকারের এই ভূমিকার বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন।

এদিকে ত্রিপুরায় দলীয় কর্মীদের ওপর অত্যাচারের অভিযোগ তুলে বাংলা থেকে পৌঁছে যান দলের সাংসদ, নেতারা। ডেরেক ও’ব্রায়েন, মলয় ঘটক, ব্রাত্য বসুরাও ত্রিপুরা সরকারের বিরুদ্ধে ব্যাপক ক্ষোভ উগরে দেন।
এরই মধ্যে ত্রিপুরাতে ‘খেলা হবে’ দিবস পালন করা হবে বলে ঘোষণা করেছে তৃণমূল। তার আগে রাজ্যে সংগঠনকে মজবুত করার মরিয়া চেষ্টা বাংলার শাসক দলের। সেই লক্ষ্যেই সোমবার ত্রিপুরায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

সোমবার দুপুরে পৌঁছে বেলা বারোটা নাগাদ ত্রিপুরেশ্বরী মন্দিরে পুজো দেবেন অভিষেক। পরে দলের রাজ্য নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করবেন তিনি। অভিষেকের উপস্থিতিতে ত্রিপুরায় সোমবার বেশ কয়েকজন রাজনীতিবিদ তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন বলে জানা গিয়েছে।

বড়পর্দায় আসছে রুপোর মেয়ে চানুর বায়োপিক

Olympic silver medallist Mirabai Chanu

নিউজ ডেস্ক: মীরাবাঈ সাইখোম চানুর হাত ধরেই চলতি টোকিও অলিম্পিক্সের মঞ্চ থেকে এসেছে প্রথম পদক। ২১ বছরের খরা কাটিয়ে ভারোত্তোলনে দেশকে অলিম্পিক্স পদক এনে দিয়েছেন তিনি। ৪৯ কেজি বিভাগে রূপো জয় করেছেন চানু। পাঁচ বছর আগে রিও অলিম্পিক থেকে খালি হাতে ফিরতে হলেও টোকিওতে ভারতকে প্রথম পদক দিয়েছেন তিনি।

এবার সেই মীরাবাঈ সাইখোম চানুর আত্মজীবনী ফুটে উঠবে বড় পর্দায়। মেরি কম, সাইনা নেহওয়ালদের পর এবার বায়োপিকের তালিকায় জুড়ে গেল মীরাবাঈয়ের নামও। মণিপুরের প্রত্যন্ত গ্রাম থেকে উঠে এসে কীভাবে বিশ্বমঞ্চে দেশের প্রতিনিধিত্ব করলেন, কীভাবে দারিদ্রকে হারিয়ে লক্ষ্যে অবিচল থাকলেন, কীভাবে কঠোর পরিশ্রমের পর রুপো এনে দিলেন দেশকে, চানুর জীবনের এসব কাহিনিই এবার ভেসে উঠবে রুপোলি পর্দায়।

সদ্য রূপোর পদক নিয়ে বাড়িতে ফিরেছেন চানু। ২ বছর পর বাড়ির খাবার খেয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে বাড়ি ফিরে মাটিতে বসে তার সেই খাওয়ার ছবি। যা দেখে বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছেন অভিনেতা আর.মাধবণ। চানুর জন্য পুরস্কার ঘোষণা করেছে ভারত সরকার। তার সঙ্গে দেখা করেছেন ক্রীড়ামন্ত্রী কিরণ রিজিজু। মণিপুরের সরকার তাঁর জন্য এক কোটি টাকা পুরস্কার অর্থ ঘোষণা করেছে। চানুকে সম্মান জানিয়ে পুলিশের এএসপি পদে নিযুক্ত করা হয়েছে। চানুর অতি সাধারণ জীবন যাপন,পরিশ্রম ও সংগ্রাম নিয়ে এখনও নেটিজেনরা সোশ্যাল মিডিয়ায় আলোচনা করেন। এবার মণিপুরী ছবিতে অলিম্পিক্স পদকজয়ীর এই সাধারণ জীবনযাপনই ফুটে উঠবে।

ইতিমধ্যেই এ নিয়ে ইম্ফলের সেউতি ফিল্মস প্রযোজনা সংস্থার সঙ্গে কথাবার্তাও নাকি হয়ে গিয়েছে চানুর। শুধু মণিপুরী ভাষাই নয়, পাশাপাশি ইংরাজি ও অন্যান্য কিছু ভাষাতেও মুক্তি পাবে। প্রাথমিক চুক্তিপত্রে সইও সেরে ফেলেছেন চানু। এবার প্রশ্ন হল, চানুর চরিত্রে কাকে দেখা যাবে? এর আগে মেরি কমের চরিত্রে দুর্দান্ত অভিনয় করেছিলেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া, সাইনা এখনও মুক্তি না পেলেও শুটিঙয়ে নিজেকে নিংড়ে দিচ্ছেন প্রিয়ঙ্কার বোন পরিণীতিও। সেরকমই চানুর চরিত্রের জন্যও প্রয়োজন একজন বলিষ্ঠ অভিনেত্রীর।

প্রযোজনা সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, ‘‌মীরাবাঈ চানু হিসেবে মানাবে, এমন একজনকে আমরা খুঁজছি। বয়স, উচ্চতা, শরীরের গঠন- সবদিক থেকেই চানুর সঙ্গে মানানসই হওয়া প্রয়োজন। তারপর তাঁকে চানুর মতো করে ট্রেনিং দেওয়া হবে। চানুর মতোই কঠিন ট্রেনিং করতে হবে অভিনেত্রীকে। সব মিলিয়ে শুটিং শুরু হতে এখনও মাস ছয়েক দেরি।’‌ যদিও, বলিউডে চানুর বায়োপিক নিয়ে ভাবনাচিন্তা শুরু হয়েছে কিনা তা জানতেই এখন উৎসুক প্রত্যেকে।

রক্ষণাবেক্ষণের অভাবে নষ্ট হচ্ছে কলকাতার ঐতিহ্যবাহী প্রাচীন কলেজের ইতিহাস

kolkata Duff College

অনুভব খাসনবীশ, কলকাতা: হিন্দু কলেজ, বেথুন কলেজ, শ্রীরামপুর কলেজ কিংবা সিটি কলেজ। পশ্চিমবঙ্গ বা কলকাতার পুরনো কলেজ বললে একধাক্কায় মাথায় আসে এই নামগুলো। কিন্তু ডাফ কলেজ? নামটা খানিক অচেনা হলেও কলকাতার অন্যতম পুরনো কলেজ এটি। যদিও, বর্তমানে এই ডাফ কলেজকেই আমরা চিনি অন্য নামে।

রেভারেন্ড আলেকজান্ডার ডাফ, স্কটল্যান্ড থেকে ভারতে এসেছিলেন নিছক ধর্মপ্রচারের উদ্দেশ্যে। সালটা ১৯৩০। চার্চ অফ স্কটল্যান্ডের অধীনে থেকে কয়েকমাস ধর্ম প্রচারের পর তিনি বুঝতে পারেন, এদেশে প্রয়োজন ইংরেজি শিক্ষার। তাই ধর্মপ্রচারের সঙ্গে সঙ্গে কলকাতার বুকে ইংরাজি শিক্ষার প্রসার এবং সমাজ সংস্কারে উদ্যোগী হলেন তিনি৷ ভারতবর্ষে ইংরেজি শিক্ষার অভাব দেখে সেই সময়েই রাজা রামমোহন রায় এবং তৎকালীন গভর্নর জেনারেল লর্ড উইলিয়াম বেন্টিংয়ের সহায়তায় তিনি ৫১ নম্বর আপার চিৎপুর রোডে ফিরিঙ্গি কমল বসুর বাড়িতে দুটি ঘর ভাড়া নিয়ে ওই বছরেরই ১৩ জুলাই স্কুল খোলেন৷ নাম দেন জেনারেল এসেম্বলিজ ইনস্টিটিউশন। কিছুদিন পরে, সেখান থেকে গোঁরাচাঁদ বসাকের বাড়িতে তুলে নিয়ে যাওয়া হল এই স্কুল (প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, এখনকার রবীন্দ্রসরণির সেই বাড়িতে রয়েছে ওরিয়েন্টাল সেমিনারি স্কুল)৷ তার ঠিক চোদ্দবছর পর প্রতিষ্ঠা করেন ‘ফ্রি চার্চ ইনস্টিটিউশন, কলকাতার নতুন একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

Reverend Alexander Duff

মথুরমোহন সেন। সেই সময়ের কলকাতায় আমদানী হওয়া বাবু কালচারের অন্যতম ধারক এবং বাহক। কলকাতার অন্যতম ধনী ব্যক্তি মথুরমোহনের নিমতলা স্ট্রিটে ছিল বিশাল বাগানবাড়ি। ঠিক তারপাশেই ছিল উমিচাঁদের বাগানবাড়ি। পাশাপাশি দুটি বাগানবাড়ি থাকায় জায়গাটির নাম হয় জোড়াবাগান। যদিও, অনেকে বাগানবাড়িটি মথুরমোহনের বদলে গোবিন্দরাম মিত্তিরের ছিল বলেও দাবি করেন।

সেই মথুরমোহনের বিল্ডিংয়েই প্রথম ক্লাস শুরু করেন আলেকজান্ডার ডাফ। তারপরে ১৮৫৭ সালের মার্চ মাসে ১৮ হাজার টাকায় জমি কেনেন ৭৪ নম্বর নিমতলা ঘাট স্ট্রিটে। তৈরি হয় ‘ডাফ কলেজ। আর্থিক অনুদান পাঠিয়েছিলেন বহু ইংরেজ। স্কটল্যান্ড থেকে বাড়িটির নকশা তৈরি করে পাঠিয়েছিলেন বিখ্যাত বাস্তকার উডকাট সাহেব৷ ‘দ্য ফ্রি চার্চ অফ স্কটল্যান্ড’ এর পক্ষ থেকে এসেছিল প্রায় ৫০ হাজার পাউন্ড। মোট ২৮টি বিশালাকার ঘরে বসার ব্যবস্থা ছিল প্রায় ১০০০ – ১২০০ ছাত্রছাত্রীর। এছাড়াও ছিল তিনটি হলঘর, দুটি গ্যালারি, লাইব্রেরি, ল্যাবরেটরি, খেলার মাঠ।

kolkata old Duff College
এই ডাফ কলেজেরই অন্যতম কৃতী ছাত্র হলেন রাষ্ট্রগুরু সুরেন্দ্রনাথ ব্যানার্জি, ধর্মযাজক কালীচরণ ব্যানার্জি, শেক্সপেরিয়ান স্কলার জে. সি. স্ক্রিমজেওর প্রমুখ। ১৮৪৩-৪৪ সাল নাগাদ স্কটল্যান্ডে চার্চের মধ্যে বিরোধ শুরু হলে ডাফ সাহেব ‘জেনারেল অ্যাসেম্ব্লিজ ইন্সটিটিউশন ছেড়ে বেড়িয়ে আসেন। সহযোগীদের সহায়তায় এই আধুনিক কলেজটি বানান।

এই ঘটনার বর্ণনা পাওয়া যায় ফ্রি চার্চ অফ স্কটল্যান্ডের মিশনারী, রেভারেন্ড লালবিহারী দে’র লেখায়। তিনি লিখেছেন, “Just one week after the close of the session of 1843, the missionaries heard that the established Church of Scotland had refused to give them the use of the buildings in Cornwallis Square. Duff was naturally incensed at this decision…as it was chiefly through his own personal exertions that the money for the buildings had been raised.”

পরে অবশ্য স্কটিশদের বিরোধ মিটে গেলে ডাফ সাহেব হেদুয়ার পাশে জেনারেল অ্যাসেম্বলিজ ইনস্টিউটের বাড়িতে চলে যান। ফলে ১৯০৮ সালে হেদুয়ার পাশে চলে আসে ‘ডাফ কলেজ’। আলেকজান্ডার ডাফেরই প্রতিষ্ঠা করা ‘জেনারেল অ্যাসেম্ব্লিজ ইন্সটিটিউশনের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এর নামকরণ হয় ‘Scottish Churches College’। যা ১৯৩০ সালে ‘স্কটিশ চার্চ কলেজ’ (Scottish Church College) নামে আত্মপ্রকাশ করে।

১৯২০ সালে ওই বিল্ডিংয়ের চালু হয় জোড়াবাগান থানা। সেসময় ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলন তার চরম সীমায়। তাতে সবচেয়ে বেশি অংশগ্রহন করেছিল বাংলা এবং বাঙালিরা। কুখ্যাত ব্রিটিশ পুলিশ অফিসার চার্লস টেগার্ট ছিলেন তৎকালীন জোরাবাগান থানার প্রধান। এই ডাফ কলেজে বিল্ডিংয়ের একটি অংশেই শুরু করেছিলেন স্বাধীনতা সংগ্রামীদের ওপর অত্যাচার করা। ১৯৭০ সালের নকশাল আন্দোলন দমনেও তৎপর হয়ে ওঠে কলকাতা পুলিশ, আন্দোলনকারীদের নিয়ে আসা হত এই বিল্ডিংয়েই, টেগার্টের ঠিক করা অংশেই তাদের ওপর চলত অকথ্য অত্যাচার।

১৯৭১-৭২ সাল নাগাদ কালীপুজোর সময় এই থানা খবর পায়, গোপনে অস্ত্র পাচার করা হচ্ছে কলকাতায়। তল্লাশি চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় বেশ কয়েকজনকে, বাজেয়াপ্ত করা হয় দু’বাক্স বিস্ফোরক। থানার একটি ঘরেই রাখা ছিল সেই বাক্সদুটি। ঠিকমতো না রাখায় দিনকয়েকের মধ্যেই ঘটে বিরাট বিস্ফোরন। ছিন্নভিন্ন হয়ে যান ঘরে থাকা পুলিশকর্মীরা, উড়ে যায় ঘরের ছাদ। ১৯৮৮ সালে ‘অনিরাপদ’ বলে ঘোষণা করা হয় এই বিল্ডিংকে। থানা সরে যায় পাশের একটি বিল্ডিংয়ে। বর্তমানে কলকাতা কর্পোরেশনের ‘হেরিটেজ কনজারভেশন কমিটি’র পক্ষ থেকে ‘গ্রেড ওয়ান হেরিটেজের’ তালিকায় রাখা হয়েছে ডাফ কলেজের বিল্ডিংকে।

বাঙালির অধিকারের স্বার্থে বাংলা পক্ষের সাংগঠনিক সন্মেলন

babgla-pakkha

নিউজ ডেস্ক: বাঙালির অধিকারের স্বার্থে বাংলা পক্ষ বাংলার প্রতিটা জেলায় লড়ছে। ভাটপাড়া, শ্যামনগর, কাঁকিনাড়া, বীজপুর, নৈহাটী, টিটাগর, জগদ্দল সহ পুরো ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলে বাঙালি কোনঠাসা হয়ে গিয়েছে। বাঙালি ভয়ে কুঁকড়ে থাকে। চাকরি, বাজার, পুঁজি, এলাকা সব দখল হয়ে গিয়েছে। দেওয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়া বাঙালির হয়ে বাংলা পক্ষর নেতৃত্বে ঘুরে দাঁড়াচ্ছে।

উত্তর চব্বিশ পরগনা শিল্পাঞ্চল সাংগঠনিক জেলার শ্যামনগরে বাংলা পক্ষর সাংগঠনিক কর্মসূচী হল আজ রবিবার। উপস্থিত ছিলেন বাংলা পক্ষর সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক গর্গ চট্টোপাধ্যায়, শিল্পাঞ্চল সাংগঠনিক জেলার পর্যবেক্ষক তথা বাংলা পক্ষর শীর্ষ পরিষদের সদস্য কৌশিক মাইতি, শীর্ষ পরিষদের অন্যতম সদস্য বিখ্যাত চিকিৎসক ডাঃ অরিন্দম বিশ্বাস, শিল্পাঞ্চলের সম্পাদক ইমতিয়াজ আহমেদ সহ জেলা নেতৃত্ব।

বাঙালি অধিকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নানা সাংগঠনিক কৌশল তৈরি ও সাংগঠনিক বিস্তারের লক্ষেই আজকের এই মিটিং হয়। কৌশিক মাইতি জানান, “আজ আমরা অর্জুন সিং এর বাড়ির সামনেই বাঙালিরা জড়ো হয়েছি। আমরা পাড়ায় পাড়ায় সংগঠন গড়ছি। বাঙালিরা জাগছে। চাকরি, বাজার, পুঁজি, এলাকা প্রতিটা ক্ষেত্রেই বাঙালির অধিকার ফিরয়ে আনবো। বহিরাগত দৌরাত্ম্য আগামীতে কমিয়ে দেওয়া হবে জয় বাংলা ওষুধ দিয়ে।”

অরিন্দম বিশ্বাস বলেন, “আমি ডাক্তার, আমি রাস্তায় নামছি কারণ বাঙালি সর্বত্র বঞ্চিত হচ্ছে।” তাই সমাজের সর্বস্তরের বাঙালিকে তিনি লড়াইয়ে নামার আবেদন জানান।” গর্গ চট্টোপাধ্যায় জানান, “বাংলা পক্ষ ভারতে বাঙালির অধিকার আদায়ের জাতীয় সংগঠন। আমাদের ঘিরে বাঙালি স্বপ্ন দেখছে। আমাদের সেই স্বপ্ন পূরণ করতে হবে। বাংলা পক্ষর বাঘছাপ পতাকা ঘরে ঘরে ওড়াতে হবে। বাঙালি ছেলেমেয়েদের চাকরি চাই, কাজ চাই, ব্যবসা চাই। আমরা ভোটের লড়াইয়ে নেই।” ইমতিয়াজ আহমেদ শিল্পাঞ্চলের বাঙালিকে সাহস করে এগিয়ে আসতে অনুরোধ করেন।

‘চলেন আফগান যাই’- বাংলাদেশে অনলাইন তালিবান আমন্ত্রণে চাঞ্চল্য

Taliban invitation in Bangladesh

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে হু হু করে ছড়াচ্ছে তালিবান জঙ্গি বার্তা। করোনাভাইরাসের গতিতে ছড়িয়ে পড়া এই বার্তায় সরাসরি আফগানিস্তানে যাওয়ার আহ্বান বিশ্লেষণ করে চমকে যাচ্ছেন বাংলাদেশের সন্ত্রাসবাদ দমন বিভাগের কর্মকর্তারা।

বাংলাদেশ কাউন্টার টেরেরিজম অ্যান্ড ট্রান্সন্যাশনাল ক্রাইম ইউনিটের সাইবার বিভাগ খতিয়ে দেখছে তালিবানি বার্তা। আফগানিস্তানে তালিবানদের সঙ্গে হাত মিলিয়ে বাংলাদেশ ভিত্তিক জঙ্গি সংগঠনগুলি সিক্রেট গ্রুপ থেকে ছড়িয়ে যাচ্ছে ‘মুজাহিদ ভাই, চলেন আফগান যাই’ বিভিন্ন হোয়াটসঅ্যাপ ও মেসেঞ্জার গ্রুপে এই বার্তা ছড়ানোর ফলে চিন্তিত বাংলাদেশ সরকার।

এই ধরণের আহ্বানে এক শ্রেণীর উগ্র ধর্মান্ধ যুবক যুবতী আকৃষ্ট হবেই। তাদের মাধ্যমে জঙ্গি জাল ছড়ানোর চেষ্টা করবে উগ্র সংগঠনগুলি। এমনই আশঙ্কা করছে বাংলাদেশ পুলিশের জঙ্গি দমন বিভাগ।

বাংলাদেশের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আফগানিস্তানে ফের তালিবান উত্থানে খুশি হয়ে অনেকে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছে। জঙ্গি সংগঠন ও জঙ্গিদের অনলাইন ও অফলাইনে সাংগঠনিক গ্রুপগুলো এখন আফগান প্রসঙ্গই বেশি করে।

ঢাকার গুলশনে হোলি আর্টিজান ক্যাফে হামলায় জড়িত ছিল ইসলামিক স্টেট বা আইএস জঙ্গি সংগঠনের সহযোগী নব্য জেএমবি। ভয়াবহ সেই ঘটনার পর থেকে বাংলাদেশ সরকারের একটার পর একটা জঙ্গি ডেরা ধংস অভিযান চলে। সম্প্রতি তিনটি জঙ্গি ডেরা ধংস করা হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, অনলাইনে বোমা হামলা ও বানানোর বিষয়ে জোর দিয়েছে জেএমবি ও নব্য জেএমবি।

আফগানিস্তানে কি ফের তালিবান শাসন কায়েম হবে? আফগান সেনা ও তালিবানদের মধ্যে সংঘর্ষ জারি আছে। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সেনা পুরোপুরি আফগানিস্তান ত্যাগ করলে সরকার পতন হওয়ার প্রবল আশঙ্কায় বহু আফগানি দেশত্যাগ করছেন।

আফগানিস্তানের এই পরিস্থিতি ও ফের তালিবান তৎপরতার কারণে উল্লসিত বিভিন্ন দেশের জঙ্গিরা। আর বাংলাদেশের জঙ্গি সংগঠনগুলি সাম্প্রতিক আনলাইন প্রচারে অংশ নিচ্ছে বেশি।

গোয়েন্দা তদন্তে উঠে এসেছে, বাংলাদেশের জঙ্গিদের বেশ কয়েকজন আফগানিস্তান যাওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আফগানিস্তানে যাওয়ার আমন্ত্রণ ভেসে আসছে। আবার কেউ কেউ আফগানিস্তানে তালিবান এলাকার ভিডিও ও ছবি প্রকাশ করে প্রশংসায় পঞ্চমু়খ।

‘এক ভাঁড় ১৫ লক্ষ টাকা’, মোদীকে ঠুঁকলেন চা-বিক্রেতা মদন

Madan mitra

নিউজ ডেস্ক: মদন মিত্র মানেই আন লিমিটেড বিনোদন! ভোটে জেতার পর প্রথমদিন বিধানসভায় গিয়েছিলেন খোদ দুবাই থেকে আমদানী করা জুতো পা’য়ে দিয়ে। দিনকয়েক আগেই পেট্রোপণ্যের মূল্যবূদ্ধির প্রতিবাদে হাতে টানা রিকশা চালিয়েছিলেন। তারপর পেগাসাস ইস্যুতে পক্ষীরাজের আদলে সাজানো ঘোড়া নিয়ে চোখে কালো কাপড় বেঁধে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে মিছিল করেছেন। চলতি সপ্তাহের রবিবারও তেমনই সবাইকে চমকে দিলেন তিনি।

রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা বর্তমানের তৃণমূল বিধায়ক রবিবাসরীয় দুপুরে নিজের পাড়া ভবানীপুরে চা বিক্রি করলেন। যার এক ভাঁড়ের দাম ১৫ লক্ষ টাকা। চা বানাতে বানাতে দুকলি গানও গাইলেন বাংলার ক্রাশ। তাঁর পিছনে তখন অনুগামীরা সবাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর মুখোশ পরে দাঁড়িয়ে।

২০১৪ সালের লোকসভা ভোটের আগে বিদেশ থেকে কালো টাকা এনে দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন নরেন্দ্র দামোদরদাশ মোদী। আর তা হলে প্রত্যেক দেশবাসীর ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পনেরো লক্ষ টাকা করে দেবেন, এমনটাও জানিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু ক্ষমতায় আসার সাত বছর পরের দেশে ফেরেনি কালো টাকা। উল্টে জ্বালানি-রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধিতে নাভিশ্বাস আমজনতার। বহুদিন আগেই সেঞ্চুরি করে ফেলেছে পেট্রোলের দাম। সেই সমস্ত কিছুর প্রতিবাদেই অভিনব পন্থা নিলেন মমতার বিশ্বস্ত সঙ্গী।

এদিন মদন মিত্রের গলায় স্লোগান ছিল, “এক কাপ চায়ের দাম ১৫ লক্ষ টাকা। এমন চা আমেরিকার রাষ্ট্রপতিও খাওয়াতে পারেননি। যা নরেন্দ্র মোদী আমাদের খাওয়াচ্ছেন।” অন্যদিকে ভোটে জেতার জন্য নিজের চা-বিক্রেতা ইমেজকেও হাতিয়ার করেছেন প্রধানমন্ত্রী। সেই ইমেজকেও ঠুঁকে দিলেন বাংলার এই রসিক রাজনীতিবিদ।

ঝড়ের নাম সিন্ধু: অলিম্পিক্সে জোড়া পদকে প্রথম ভারতীয় মহিলা

PV Sindhu Beats He Bing Jiao To Win Historic Bronze

স্পোর্টস ডেস্ক: রিও-র পর এবার টোকিওতেও ইতিহাস গড়ে ফেললেন পিভি সিন্ধু। চিনের তাই জুর কাছে হেরে টোকিওর সোনা জেতার সুযোগ আগেই হাতছাড়া হয়েছিল। তবে ব্রোঞ্জ জিতে সেই খেদ কিছুটা হলেও মিটিয়ে ফেললেন ভারতের ব্যাডমিন্টন রানি৷ কুস্তিগীর সুশীল কুমারের পর দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে অলিম্পিক্সে ব্যক্তিগত ইভেন্টে জোড়া পদক এখন সিন্ধুর ঝুলিতে।

চলতি সপ্তাহের রবিবার তৃতীয় স্থান নির্ধারক ম্যাচে চিনের হি জিংবিয়াও’কে স্ট্রেট সেটে পরাস্ত করেন ভারতীয় শাটলার। খেলার ফলাফল ২১-১৩, ২১-১৫। সবমিলিয়ে চলতি অলিম্পিকে ভারতের পদক সংখ্যা আনুষ্ঠানিকভাবে দুইয়ে গিয়ে পৌঁছল। ভারোত্তোলনে মীরাবাই চানুর রুপো জয়ের পর, ব্রোঞ্জ এল ভারতের ঝুলিতে। বক্সিংয়ে নিশ্চিত হয়ে রয়েছে লভলিনা বড়গোহাঁইয়ের পদক। এবারের অলিম্পিক্স থেকে তিনটি পদক নিশ্চিত ভারতের। আর কোনও পদক আসে কি না সেই দিকে নজর থাকবে দেশবাসীর।

সেমিফাইনালে হারের পর টোকিও অলিম্পিকের তৃতীয় স্থান নির্ধারক ম্যাচে নিজের সেরাটা উজাড় করে দেন ভারতীয় শাটলার। প্রথম গেমের শুরু থেকেই এগোতে থাকেন পুলেল্লা গোপীচাঁদের প্রাক্তন ছাত্রী। চিনা প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে ৫-২ ফলাফলে এগিয়ে যান পিভি সিন্ধু। তবে দ্বিতীয় গেমে কিছুটা লড়াই করার চেষ্টা করেন বিংজিয়ায়ো। যদিও তা কাজে আসেনি। উচ্চতা কাজে লাগিয়ে কোর্টে নিজে বেশি না দৌড়ে চিনের প্রতিপক্ষকে দৌড় করালেন সিন্ধু।

২০১৬ সালের রিও অলিম্পিকের ফাইনালে পৌঁছেছিলেন পিভি সিন্ধু। যদিও সেই ম্যাচে তাঁকে হারতে হয়েছিল বিশ্বের তৎকালীন এক নম্বর ক্যারোলিনা মারিনের কাছে। ফলে সেবার তাঁকে রূপো জিতে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছিল। চলতি অলিম্পিকেও সেমিফাইনালে হেরে যান ভারতীয় শাটলার। তৃতীয় স্থান নির্ধারক ম্যাচ জিতে ব্রোঞ্জ জিতে ইতিহাস রচনা করলেন পিভি। প্রথম মহিলা অ্যাথলিট হিসেবে অলিম্পিক থেকে দুটি পদক জিতলেন তিনি। দ্বিতীয় ভারতীয় হিসেবে বিশ্বের সেরা ক্রীড়া প্রতিযোগিতার ব্যক্তিগত ইভেন্টে দুইবার পোডিয়ামে ওঠার সুযোগ পেলেন সিন্ধু। তাঁর আগে ভারতীয় কুস্তিগীর সুশীল কুমার অলিম্পিকের ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে দুটি পদক জিতেছিলেন। ২০০৮ সালের বেজিং অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন সুশীল। ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকের কুস্তি ইভেন্ট থেকে রূপো জিতেছিলেন এই ভারতীয়।

অন্যদিকে, বিশ্বের চতুর্থ অ্যাথলিট হিসেবে পরপর দুটি অলিম্পিকের ব্যাডমিন্টনের ব্যক্তিগত ইভেন্ট থেকে পদক জিতলেন পিভি সিন্ধু। দক্ষিণ কোরিয়ার বাং সু-হিয়ুন ১৯৯২ সালের বার্সেলোনা অলিম্পিকে রূপো জিতেছিলেন। পরের বার আটলান্টা অলিম্পিকে জেতেন সোনা। ২০০৪ সালের এথেন্স অলিম্পিকে সোনা জেতা চিনা শাটলার জাং নিং ২০০৮ সালের বেজিং অলিম্পিকে দ্বিতীয় হয়েছিলেন। ১৯৯২ সালের অলিম্পিকে সোনা জেতা ইন্দোনেশিয়ার সুসি সুসান্তি চার বছর পর ব্রোঞ্জ জিতেছিলেন। এবার চতুর্থ শাটলার হিসেবে পরপর দুটি পদক নিয়ে ইতিহাসে নাম লেখালেন সিন্ধু।

যোধা আকবর-এর সময় থেকেই ঐশ্বর্যের সঙ্গে সোনুর আলাদা সম্পর্ক তৈরি হয়, প্রকাশ্যে গোপন রহস্য

bollywood

বর্তমানে সোনু সুদকে চেনেন না এমন মানুষ নেই বললেই চলে। করোনা আবহে যেভাবে তিনি সাধারণ মানুষের পাসে দাঁড়িয়েছেন তা সত্যি অবিশ্বাস্য। অভিনয়ের পাশাপাশি তাঁর বড় মনের পরিচয় পান সকলেই। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে সোনু জানান যোধা আকবর-এর সময় থেকেই ঐশ্বর্যের সঙ্গে তাঁর আলাদা সম্পর্ক তৈরি হয়। কী সেই সম্পর্ক? প্রশ্নের উত্তর দিলেন অভিনেতা নিজেই।

বচ্চন পরিবারের প্রায় সকলের সঙ্গেই কাজ করেছেন সোনু। ‘বুঢঢা হোগা তেরা বাপ’ ছিবতে অমিতাভ বচ্চন এবং অভিষেক বচ্চন দুজনের সঙ্গেই অভিনয় করেন সোনু। এক সাক্ষাৎকারে সোনু বলেন, অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে কাজ করতে পেরে খুবই ভালো লাগছে। ওই ছবিতে সোনু বিগ-বির ছেলের চরিত্রে অভিনয় করেন। তিনি আরও বলেন, অমিতাভ জির সঙ্গে সোনুর প্রথম সিন ছিল তাঁকে ধাক্কা মারা। সেই সময় সোনু পরিচালকে বলেন যাকে দেখে বড় হয়েছি, তাঁকে কীভাবে ধাক্কা দেব। অন্যদিকে যোধা আকবর সিনেমায় ঐশ্বর্যের সঙ্গে অভিনয় করতে দেখা যায় সোনুকে। সেই সময় থেকেই নাকি তাঁদের মধ্যে অন্য সম্পর্ক তৈরি হয়।

যোধা আকবর সিনেমায় সোনুকে ঐশ্বর্যের ভাইয়ের ভূমিকায় অভিনয় করতে দেখা যায়। এক প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সোনু জানান, ছবিতে একটি সিনে অভিনয় করার সময় ঐশ্বর্য সোনুকে জানান, ‘তুমি আমাকে আমার ভাইয়ের কথা মনে করিয়ে দাও’। তারপর থেকেই ঐশ্বর্য সোনুকে ‘ভাই সাহাব’ বলে ডাকেন। এছাড়াও ওই সাক্ষাৎকারে সোনু ঐশ্বর্য সম্বন্ধে আরও জানান, ঐশ্বর্য প্রথমে খুবই মার্জিত ব্যবহার করেন। জানাশোনা বেড়ে গেলে তারপর মিশতে শুরু করেন। যোধা আকবরের সেট থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত ঐশ্বর্য আমাকে দেখলে ‘ভাই সাহাব’ বলেন ডাকেন।

রোম্যান্সে ‘বড়’ ঝড় তুলতে আসছেন যশ-মধুমিতা

madhumita

বায়োস্কোপ ডেস্ক: বড় পর্দায় জুটি বাঁধতে চলেছেন যশ এবং মধুমিতা। ২০১৩ সালের ব্লকব্লাস্টার ধারাবাহিক ‘বোঝে না সে বোঝে না’-তে জুটি বাঁধতে দেখা গেছিলো যশ এবং মধুমিতাকে। সেই সময় ধারাবাহিকটি ব্যপক জনপ্রিয়তা পেয়েছিল। যশ এবং মধুমিতার জুটি বহু দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছিল। ২০১৩ থেকে ২০১৬ পর্যন্ত টানা ৩ বছর সফলভাবে স্টার জলসায় সম্পচারিত হয়েছিলো এই ধারাবাহিক। এরপর কেটে গেছে প্রায় ৫ বছর।

বহুদিন ধরেই অনুরাগীরা অপেক্ষা করছিলেন কবে আবারও ছোটপর্দার সেই সুপারহিট জুটিকে একসঙ্গে দেখা যাবে। এবারে তাঁদের অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। সূত্রের খবর অনুযায়ী এসভিএফ এর ব্যানারে বড় পর্দায় জুটি বাঁধতে চলেছেন ধারাবাহিকের অরণ্য সিংহ রায় এবং পাখি ঘোষ দস্তিদার। এক প্রথম সারির সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে যশ জানান, খবরটি সত্যি। তবে ছবির পরিচালক কে হবেন বা ছবির নাম কী হবে, এই বিষয়ে মুখ খোলেননি যশ।

madhumita

তবে টলি-পাড়ায় কান পাতলে শোনা যাচ্ছে বাবা যাদবের পরিচালনায় বড় পর্দায় দেখা মিলবে মধুমিতা এবং যশের। ইতিমধ্যেই মধুমিতার ফ্যান পেজে একটি ছবি পোস্ট করা হয়েছে। ছবিতে মধুমিতা এবং যশকে একসঙ্গে এসভিএফ-এর অফিসে দেখা যাচ্ছে। এই ছিবিতে মধুমিতাকে দেখা গেলো ছেঁড়া ডেনিম এবং একটি স্লিভলেস ছোট টপে। অন্যদিকে যশের পরনে ছিল ছেঁড়া ডেনিম এবং একটি গোল গোলা টি-শার্ট। অনেকদিন ধরেই যশের প্রত্যাবর্তন নিয়ে জল্পনা চলছিলো। অন্যদিকে মধুমিতা এতদিন একটি বিজ্ঞাপনীর শুটে ব্যস্ত ছিলেন। সবমিলিয়ে আবারও ছোট পর্দার সেই সুপারহিট জুটিকে বড় পর্দায় দেখার জন্য মুখীয়ে রয়েছেন বিনোদনপ্রেমীরা।

শ্রীমার পোস্ট একবাক্যে মেনে নিল নেট দুনিয়ায়, পেট্রোল প্রসঙ্গে ভাইরাল অভিনেত্রী

বায়োস্কোপ ডেস্ক: বিগত কয়েক মাস ধরে পেট্রোলের আকাশছোঁয়া দাম চিন্তায় ফেলেছে সকলকেই। অভিনেত্রী শ্রীমা দিন কয়েক আগে এই সংক্রান্ত একটি পোস্ট করলে তা নজর কাড়ে নেটিজেনদের। আবারও অভিনেত্রীর এক ইনস্টাগ্রাম পোস্ট নজর কেড়েছে সকলের। রীতিমত প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছেন তিনি। জানুন কি এমন পোস্ট করছিলেন তিনি।

পেট্রোল এখন লিটার প্রতি ১০২ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। মধ্যবিত্তের মুখের হাসি কেড়েছে এই চড়া দাম। জায়গায় জায়গায় চলছে বিক্ষোভ- প্রতিবাদ। এই সময়ে ট্যাক্সি চালকরাও দাম হাকাচ্ছেন মিটারের থেকে ১০০ টাকা বেশি। বারবার অভিযোগ করলেও হতাশা ছাড়া মিলছে না কিছুই আমজনতাদের। চরম ভোগান্তিতে রাজ্যবাসী।

sreema

এমন সময় ইনস্টাগ্রাম এ ভিডিও পোস্ট করেছেন শ্রীমা। মেঘলা দিনে খোলা চুলে শহরের রাস্তায় সাইকেল চালাচ্ছেন অভিনেত্রী। হলুদ রঙের একটি ব্যাগও রয়েছে পিঠে। এর আগেও পেট্রোলের দাম বেড়ে যাওয়া নিয়ে বহু পোস্ট দেখা গেছে নানা সেলিব্রিটিদের একাউন্ট এ। এবার সেই তালিকায় যোগ দিলেন অভিনেত্রী শ্রীমা। জানালেন এই পরিস্থিতি থেকে মুক্তি পাওয়ার সহজ উপায়।

শ্রীমা পোস্টের ক্যাপশনে লিখেছেন,’ যখন পেট্রোলের দাম ১০২ টাকা… সাইকেল চালকদের বলতে ইচ্ছে করে, কী মজা আসছে তো?’ অভিনেত্রীর এই পোস্টের সঙ্গে সহমত নেটিজেনরাও। কমেন্ট বক্সে অনেকেরই বক্তব্য শ্রীমা একবারে সঠিক কথা বলেছেন। অভিনেত্রী শ্রীমার এক ভক্তের মতে, ‘ সাইকেলই এখন বিএমডাব্লিউ’।

অভিনেত্রী না হলে কোন পেশায় যেতেন শ্রীলেখা, দিলেন সাফ উত্তর

srilekha

বায়োস্কোপ ডেস্ক: বিতর্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়ছে না শ্রীলেখা মিত্রের জীবনে। কখনও ব্রা-এর স্ট্র্যাপ দেখিয়ে ভিডিও বানাতে গিয়ে, আবার কখনও তাঁর শরীরের গঠন নিয়ে ট্রোলের সম্মুখীন হচ্ছেন অভিনেত্রী। তবে ইন্ডাস্ট্রির অপ্রিয় সত্যি হোক কিংবা নেটিজেনদের করা কুটুক্তি, সবেতেই একেবারে প্রথমসারিতে থেকে গলা ফাটাতে ভোলেন না শ্রীলেখা। ভালো অভিনেত্রীর পাশাপাশি শ্রীলেখা একজন স্পট বক্তা। বরাবরই সত্যি কথা ভয় না পেয়ে সহজভাবে বলতে ভালোবাসেন তিনি। সোশ্যাল মিডিয়ায়তেও বেশ অ্যাক্টিভ তিনি। জীবনের প্রতিটা মুহূর্তকে ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করতে পছন্দ করেন শ্রীলেখা। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করে অনুরাগীদের করা প্রশ্নের উত্তর দিলেন অভিনেত্রী।

কিছুদিন আগেই শ্রীলেখার অনুরাগীরা তাঁর থেকে কিছু বিষয়ে প্রশ্ন করেন। ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করে সেই সব প্রশ্নের উত্তর দেন শ্রিলেখা। এক অনুরাগী শ্রীলেখাকে প্রশ্ন করেন অভিনেত্রী না হলে তিনি কোন পেশা বেছে নিতেন। এই প্রশ্নের উত্তরে শ্রিলেখা জানান, বিজ্ঞাপন এবং জনসংযোগে তাঁর ফার্স্ট ক্লাস ডিগ্রি রয়েছে। ফলত অভিনেত্রী না হলে তিনি বিজ্ঞাপন সংস্থার কপি রাইটার হিসেবে কাজ করতেন। এর পাশাপাশি তাঁর আরেকজন অনুরাগী তাঁকে প্রশ্ন করেন, তাঁর জীবনের সব থেকে বড় আক্ষেপ কী? এই প্রশ্নের উত্তরে অভিনেত্রী জানান, তাঁর প্রিয় বন্ধুর মৃত্যুটা যদি তিনি আটকাতে পারতেন এবং তাঁর মায়ের মৃত্যুর সময় তিনি পাসে থাকতে পারেননি। এই দুটি ছিল শ্রিলেখা মিত্রের জীবনের সব থেকে বড় আক্ষেপ।

srilekha mitra

বর্তমানে শ্রীলেখা অভিনয়ের পাশাপাশি পরিচালনার কাজে ব্যস্ত। এছাড়াও সমাজসেবামূলক কাজেও তিনি সময় দিচ্ছেন। এর আগেও অভিনেত্রীকে বিভিন্ন সমাজসেবামূলক কাজে এগিয়ে আসতে দেখা গেছিলো। ইতিমধ্যেই শ্রীলেখার অভিনীত ‘ওয়ান্স আপঅন আ টাইম’ সিনেমাটি ভেনিস চলচ্চিত্র উৎসবে জায়গা করে নিয়েছে। সিনেমায় শ্রীলেখার অভিনয়ের প্রশংসা করেছেন অনেকেই। সব মিলিয়ে ট্রোলারদের নিজের জীবন থেকে দূরে সরিয়ে রেখে নিজের অভিনয় কেরিয়ারে মনোনিবেশ করেছেন শ্রীলেখা।

কাঁপছে পাকিস্তান: ভারতের নিয়ন্ত্রণে রাষ্ট্রসঙ্ঘের নিরাপত্তা পরিষদ

Modi in UNA

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: আজ থেকে পুরো অগস্ট ভারত হতে চলেছে বিশ্বের সব থেকে শক্তিশালী দেশ৷ স্বাধীনতার এই একমাস বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী সংস্থা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের কমান্ড ভারতের হাতে চলে এসেছে। আজ পয়লা অগস্ট থেকে ভারত জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেছে৷

এই এক মাসে সমুদ্র নিরাপত্তা, শান্তিরক্ষী মহড়া এবং সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে একটি শক্তিশালী আক্রমণ গ্রহণের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে মোদী হাতে থাকা ভারত। তবে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের প্রেসিডেন্ট হিসেবে ভারতের হাতে আসতেই বেশ চিন্তায় পড়েছে পাকিস্তান৷ কারণ, সন্ত্রাসবাদকে কঠোরভাবে আঘাত করার ক্ষেত্রে ভারতের দৃঢ় সংকল্পে ভীত পাকিস্তান৷ তাদের শঙ্কা ভারত তার শাসনকালে নিরপেক্ষভাবে কাজ করলে সব থেকে বেশি সমস্যায় পড়বে পাকিস্তান৷

পাকিস্তানি ওয়েবসাইট ডন রিপোর্ট অনুসারে, শনিবার পাকিস্তান বিদেশ মন্ত্রক আশা প্রকাশ করেছে, ভারত জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের (ইউএনএসসি) প্রেসিডেন্ট হিসেবে তার মাসব্যাপী মেয়াদকালে নিরপেক্ষভাবে কাজ করবে। বিদেশ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জাহিদ হাফিজ চৌধুরী ডনের এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, পাকিস্তান মনে করে ভারত তার মেয়াদকালে নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতির আচরণ পরিচালনার জন্য প্রাসঙ্গিক নিয়ম মেনে চলবে।

কাশ্মীরের ক্ষোভ ফের তুলে ধরে পাকিস্তানি বিদেশ মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র আরও বলেন, যেহেতু ভারত চেয়ারম্যানের এই পদটি দখল করেছে, আমরা তাকে আবারও স্মরণ করিয়ে দিতে চাই যে, তারা জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের জম্মু ও কাশ্মীরের উপর বাস্তবায়ন করছেন। প্রস্তাবগুলি পাকিস্তানের এই ভীতির কারণ,

ভারত যখন একমাস সভাপতিত্বের পদে থাকবে, তখন কাশ্মীর নিয়ে তারা আর প্রচার কাজ করতে পারবে না। এছাড়াও পাকিস্তানের ভয়ের একটি কারণ হল, আফগানিস্তানে তালিবানদের সমর্থন করে পাকিস্তান৷ যেখানে ভারত সবসময় সেখানে রাজনৈতিক সমাধান খোঁজার কথা বলেছে এবং শান্তির পক্ষে ছিল। এই পরিস্থিতিতে পাকিস্তান আশঙ্কা করছে, ভারত তার শাসনাকালে আফগানিস্তানে তার ঘৃণ্য প্রচেষ্টা সম্পন্ন করতে দেবে না।

প্রসঙ্গত, জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতি হিসেবে ভারতের প্রথম কর্মদিবস সোমবার অর্থাৎ 2 আগস্ট হবে। তিরুমূর্তি জাতিসংঘ সদর দফতরে কাউন্সিলের মাসব্যাপী কর্মসূচির বিষয়ে একটি যৌথ সংবাদ সম্মেলন করবে৷ সেখানে বেশ কিছু লোক সেখানে উপস্থিত থাকবে এবং অন্যরা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সংযোগ করতে পারবে। জাতিসংঘ কর্তৃক প্রকাশিত কর্মসূচী অনুযায়ী, তিরুমূর্তি জাতিসংঘের সদস্য দেশগুলিকেও কাউন্সিলের সদস্য নয় এমন কাজের বিবরণ প্রদান করবে।

নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে ভারতের দুই বছরের মেয়াদ ২০২১ সালের ১ জানুয়ারি শুরু হয়েছিল। ২০২১-২২ মেয়াদে নিরাপত্তা পরিষদের অস্থায়ী সদস্য হিসেবে এটিই ভারতের প্রথম সভাপতিত্বের পদ। আগামী বছরের ডিসেম্বরে ভারত আবার নিরাপত্তা পরিষদের সভাপতিত্ব করবে।

জাতিসঙ্ঘের সভাপতিত্বের সময় ভারত সামুদ্রিক নিরাপত্তা, শান্তিরক্ষা এবং সন্ত্রাস দমনের মতো বিষয়গুলিতে মনোনিবেশ করবে৷ এই বিষয়গুলিতে উচ্চ-স্তরের কর্মসূচির সভাপতিত্ব করবে এবং একটি কংক্রিট কৌশল তৈরির উপর জোর দেবে। তিরুমূর্তি বলেন, কাউন্সিলের অভ্যন্তরে এবং বাইরে ভারত সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই করার ওপর জোর দিচ্ছে।

লক্ষ্মী সেহগাল: স্বাধীনতার ইতিহাসে রামায়ণের উর্মিলা

Lakshmi Sehgal

অনুভব খাসনবীশ, কলকাতা: নেতাজী সুভাষ বসুর ডাকে লক্ষ্মী সেহগাল আজাদ হিন্দ ফৌজের নারী ব্রিগেড “ঝাঁসীর রানী”র দায়িত্বভার গ্রহণ করেন। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধে দেশ থেকে বিতাড়িত মানুষের পাশে দাঁড়াতে অসামান্য ভূমিকা পালন করেছেন। উদ্বাস্তু শিবির পরিচালনাসহ কলকাতায় বাংলাদেশী শরণার্থীদের চিকিৎসা, সবেতেই সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন তিনি। যদিও তাঁকে স্বচ্ছন্দে তুলনা করা যায় রামায়ণের উর্মিলার সঙ্গে।

উর্মিলা! রামের অনুজ লক্ষ্মণের স্ত্রী। রাম-সীতা-লক্ষ্মণের বনবাসকালে অযোধ্যায় একাকী কাটিয়েছেন৷ অপেক্ষা করেছেন তাদের জন্য। সরাসরি যুদ্ধে অংশ না-নিলেও মহাকাব্যে তাঁর ভূমিকাও অপরিসীম। অথচ সীতাকে নিয়ে রামায়ণে যে বন্দনা, তার সিকিভাগও জোটেনি তাঁর কপালে। গোটা রামায়ণেই তিনি উপেক্ষিতা। ভারতের স্বাধীনতা ইতিহাসে এই মহীয়সী নারীও অনেকটা সেরকম। যদিও উর্মিলার মত তিনি নতুন ভোরের অপেক্ষাই শুধু করেননি, নেতৃত্ব দিয়েছেন রাতের যুদ্ধেও।

লক্ষ্মী সেহগালের জন্ম ২৪ অক্টোবর, ১৯১৪ সালে মাদ্রাজে (বর্তমান চেন্নাই)। ১৯৩৮ সালে মাদ্রাজ মেডিক্যাল কলেজ থেকে এমবিবিএস ডিগ্রি লাভ করেন। এক বছর পর গাইনোকোলজি এবং অবস্টেট্রিক্স বিষয়ে ডিপ্লোমাধারী হন। চেন্নাইয়ের ত্রিপলিক্যান এলাকার সরকারি কস্তুর্বা গান্ধী হাসপাতালে ডাক্তার হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। সাবালিকা অবস্থা থেকেই সামনে থেকে দেখেছেন ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলন। বিশেষত প্রাক-স্বাধীনতা আন্দোলন সেই সময় সর্বোচ্চ চূড়ায় পৌঁছে গিয়েছে। ক্রমশ বাড়ছে ইংরেজদের অত্যাচার! পাল্লা দিয়ে শহিদ হচ্ছেন দেশের একের পর এক সন্তান। ফলে, দেশসেবার বীজ তাঁর মনে বপণ হয়েছিল প্রায় শিশুকালেই। যদিও তা বৃক্ষের আকার নিল ভারতবর্ষের মাটিতে নয়, সিঙ্গাপুরে।

Lakshmi Sehgal

১৯৪০ সালে সিঙ্গাপুরে পাড়ি দেন লক্ষ্মী সেহগাল। সেখানেই সাক্ষাৎ হয় নেতাজী সুভাষচন্দ্র বসু’র ভারতীয় জাতীয় সেনাবাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে। সেখানে ভারতবর্ষ থেকে আসা শ্রমিকদের স্বাস্থ্যসেবার লক্ষ্যে একটি ক্লিনিক স্থাপন করেন। শুরু হয় ভারতীয় স্বাধীনতা সংগ্রামে তাঁর প্রত্যক্ষ অংশগ্রহণ। এর তিনবছর পর ১৯৪৩ সালে সিঙ্গাপুর যান স্বয়ং নেতাজি। প্রস্তুতি শুরু করেন ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের অন্যতম অভ্যুত্থানের। শুধু পুরুষরা নন, যাতে অংশ নিয়েছিল বহু মহিলারাও।

এই প্রস্তুতিকালে নারী রেজিমেন্ট গঠনের কথা বলেন সুভাষচন্দ্র বসু। লক্ষ্মী সেহগাল বিষয়টি শোনেন৷ রেজিমেন্টের দায়িত্ব নিতে এগিয়ে আসেন৷ পরিচিত হন ‘ক্যাপ্টেন’ লক্ষ্মী সেহগাল পরিচয়ে। পরে তাঁর এবং নেতাজির এই নারী বাহিনীই পরিচিতি পায় বিখ্যাত ঝাঁসির রাণী বাহিনী নামে। আজাদ হিন্দ ফৌজ জাপান সাম্রাজ্যের সেনাবাহিনীর সঙ্গে বার্মা অভিমুখে ডিসেম্বর, ১৯৪৪ সালে রওনা দেয়। কিন্তু মার্চ, ১৯৪৫ সালে প্রবল যুদ্ধে পিছু হটতে বাধ্য হয়। এর ফলে আইএনএ নেতৃবৃন্দ সিদ্ধান্ত নেয় যে, তাদের বাহিনী ইম্ফলে প্রবেশ করবে। ক্যাপ্টেন লক্ষ্মী সেহগাল, ১৯৪৫ সালে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর হাতে গ্রেফতার হন এবং পরবর্তী একবছর বার্মায় কারাগারে আটক ছিলেন। দিল্লিতে আইএনএ সদস্যদের বিচারপ্রক্রিয়া চলাকালীন তিনি অবিভক্ত ভারতে ফিরে আসেন।

১৯৪৭ সালে তাঁর স্বপ্ন সফল হয়৷ স্বাধীন হয় ভারতবর্ষ। সেই বছরেই লাহোরে কর্ণেল প্রেম সেহগালের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। সেহগাল দম্পতির দু’টি কন্যা সন্তান – সুভাষিণী আলী এবং অনিশা পুরী। বিয়ের পরেই সেবার কাজ থামাননি তিনি৷ কানপুরে গড়ে তোলেন দাতব্য চিকিৎসালয়।

১৯৭১ সালে যোগ সিপিআই (এম)-এ, রাজ্যসভায় দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেন। তার দশবছর পর সিপিআই (এম)-এর অখিল ভারতীয় জনবাদী মহিলা সমিতির নারী শাখার প্রতিষ্ঠাকালীন সদস্য হন। ১৯৮৪ সালের ডিসেম্বরে ভূপালের গ্যাস দূর্ঘটনায় চিকিৎসক দলের নেতৃত্ব দেন। সেই বছরেই শিখবিরোধী দাঙ্গার প্রেক্ষাপটে শান্তি বজায় রাখার স্বার্থে জনসংযোগ করেন।

২০০২ সালে চারটি বামপন্থী দল – বিপ্লবী সমাজতান্ত্রিক দল এবং অল ইন্ডিয়া ফরোয়ার্ড ব্লক, সিপিআই, সিপিআই (এম.এল) লক্ষ্মী সেহগালকে প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হিসেবে মনোনিত করেন৷ যদিও তিনি এপিজে আব্দুল কালামের কাছে পরাজিত হন। ২০১২ সালের ১৯ জুলাই ক্যাপ্টেন লক্ষ্মী সেহগাল হৃদযন্ত্রজনিত রোগে আক্রান্ত হন। চারদিন হাসপাতালে কাটানোর পর প্রয়াণ ঘটে এই মহীয়সী নারীর।

স্বাধীনতার আন্দোলনে শহিদ হওয়া বিভিন্ন বিপ্লবীর কথা আমরা ইতিহাসে পড়ি৷ তাদের বীরগাঁথা স্মরণও করি বিশেষ বিশেষ দিনে। কিন্তু, এক বীরাঙ্গনাকে সামনে পেয়েও সম্মান জানাতে ব্যর্থ দেশ। অনেকের মতে প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে অংশ নিয়েই রাজনৈতিক বিভিন্ন নেতার বিরাগভাজন হয়েছেন তিনি। ফলে সীতা নন, স্বাধীনতার ইতিহাসে উর্মিলা হয়েই রয়ে গিয়েছেন তিনি।

পুলিশের নির্দেশ অমান্য করায় গ্রেফতার বিজেপি সংসদ সদস্য

Rajasthan BJP MP Kirodi Lal Meena arrested in after hoisting flag at amagarh fort

নিউজ ডেস্ক: ভারতীয় জনতা পার্টির সাংসদ কিরোদি লাল মীনাকে রাজস্থানে পুলিশ গ্রেফতার করেছে। পুলিশের আপত্তি সত্ত্বেও ডা: কিরোদি লাল মীনা এবং তাঁর সমর্থকদের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক আমাগড় দুর্গে পতাকা উত্তোলনের অভিযোগ রয়েছে। তিনি নিজেই টুইট করে এই বিষয়ে তথ্য দিয়েছেন।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, অভিযুক্ত সংসদ সদস্যকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। প্রসঙ্গত, কংগ্রেস গেরুয়া পতাকা উত্তোলনের জেরে উত্তেজনার শঙ্কা প্রকাশ করেছিল৷ তার পরে পুলিশও প্রস্তুত ছিল।

প্রকৃতপক্ষে, এমপি ডা: কিরোদি লাল মীনা আমাগড় দুর্গে মীনা সমাজের পতাকা উত্তোলনের পর টুইট করে ভিডিও শেয়ার করেছেন। টুইটের মাধ্যমে তিনি তাঁর গ্রেপ্তারের কথাও জানিয়েছেন৷ তিনি লিখেছেন- ‘আমাগড় দুর্গে আমাকে গ্রেফতার করা হয়েছে।’ গ্রেফতারের পর বিজেপি সংসদ সদস্যকে বিদ্যাধর নগর থানায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় যে ভিডিওগুলি প্রকাশিত হয়েছে, তাতে এমপিসহ তাঁর বহু সমর্থককেও দেখা যাচ্ছে। আজ, রবিবার সকালে তিনি জঙ্গলের মধ্য দিয়ে পাহাড়ে উঠে দুর্গে মীনা সমাজের পতাকা উত্তোলন করেন। খবর পেয়ে পুলিশ তাঁকে আবার গ্রেফতার করে।

তার সমর্থকদের দ্বারা রেকর্ড করা একটি ভিডিওতে তাঁকে বলতে শোনা যায়, “আমি এবং আমার সমর্থকরা মীনা সম্প্রদায়ের পতাকা উত্তোলন করেছি।” মীনা এবং তাঁর সমর্থকরা ঘটনার অনেক ভিডিও এবং ছবি ক্যামেরায় ধারণ করেন৷ পরে মীনার টুইটার হ্যান্ডেল থেকে টুইট এবং রিটুইট করা হয়। আমাগড় দুর্গটি জয়পুরে অবস্থিত।

তবে সাংসদ মীনাকে গ্রেপ্তারের বিষয়ে রাজস্থানের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এবং বিজেপি নেত্রী বসুন্ধরা রাজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন৷ বসুন্ধরা রাজে হুমকি দিয়ে অশোক গেহলট সরকারকে ঘেরাও করে সংসদ সদস্যের মুক্তি দাবি করেছেন। তিনি টুইট করেছেন, ‘আমাগড় দুর্গের ক্ষেত্রে ধর্মের নামে রাজনীতি করে কংগ্রেসকে উপযুক্ত জবাব দেওয়া হবে৷ ডা: কিরোদি লাল মীনা জি’র গ্রেপ্তার নিন্দনীয়। তাঁকে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়া উচিত’।

উন্মুক্ত বক্ষে আলু-পোস্ত রেঁধে রাতারাতি Super Hot রিম্পি

Bengali Outdoor Kitchen

নিউজ ডেস্ক: আলুপোস্ত, বেগুন ভর্তা, টমেটো ভর্তা, ডিম কষা, ডিমের কারি, টমেটোর চাটনি। বাঙালি বাড়িতে রান্না হলে, তাতে সাধারণত এই পদগুলি থাকেই। খোলা আকাশের নীচে বসে এগুলিই রান্না করছেন এক যুবতী। তারপর তা আপলোড করছেন তার ইউটিউব চ্যানেল ‘Unique Village Food’-এ। আর তাতেই মজেছেন নেটিজেনরা৷ আপলোড করার সঙ্গে সঙ্গেই ভাইরাল হয়েছে সেই ভিডিও।

সম্প্রতি আলু পোস্ত’র রেসিপি ইউটিউবে আপলোড করে ভাইরাল হয়েছেন রিম্পি। প্রায় পাঁচ মাস আগে থেকেই শুরু করেছিলেন চ্যানেলে নিজের রান্নার ভিডিও আপলোড করা। যদিও মাত্র তিন সপ্তাহ আগে করা তাঁর আলু-পোস্ত এবং টমেটোর চাটনির ভিডিও ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। ইতিমধ্যেই সেই ভিডিওর ভিউয়ার্সের সংখ্যা পেরিয়েছে সাড়ে ৬ লক্ষ। টমেটোর চাটনির রেসিপি দেখেছেন প্রায় ১০ লক্ষ নেটিজেন।

Aloo Posto Recipe by Rimpi

কিন্তু কোন জাদুতে ভাইরাল হচ্ছে এই সাধারণ রেসিপি? উত্তর লুকিয়ে রয়েছে রিম্পির করা ভিডিওতেই। শুধু খোলা জায়গায় বসে রান্নাই করেন না তিনি, তার পোশাকও যথেষ্ট খোলামেলা। প্রায় খোলা ব্লাউজের মধ্যে দিয়ে উপচে পড়ছে যৌবন! আর তাতেই মাত নেটনাগরিকরা। প্রায় প্রতিটি ভিডিওতেই রিম্পির হট অবতার দেখতে হামলে পড়ছেন প্রত্যেকে।

সম্প্রতি ‘ভেগানস অফ বেঙ্গল’- ফেসবুক পেজ থেকেও শেয়ার করা হয়েছে রিম্পির ভিডিওর স্ক্রিনশট। সঙ্গে লেখা হয়েছে, ‘এটা ভাবলেই খারাপ লাগে, বাংলায় আমিশ খাবারের ভিডিয়োই বেশি জনপ্রিয়তা পায়। তবে, সম্প্রতি এই ভেগান ডিশ আলু পোস্ত ভাইরাল হয়েছে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে। এর জন্য সবটুকু প্রশংসা প্রাপ্য সেইসব ভেগানদের, যারা ভেগান রেসিপি ছড়িয়ে দিতে প্রতিনিয়ত চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।’ যা নিয়েও ট্রোল শুরু করেছেন একদল লোক। এরকম ভেগান হতে আমিও রাজি থেকে শুরু করে এ তো স্বর্গ! কোন দিকে তাকাব-র মতো মন্তব্যে উপচে পড়েছে কমেন্টবক্স।

এয়ারটেল ও ভোডাফোন-আইডিয়া ৪০ লক্ষেরও বেশি গ্রাহককে হারাল: TRAI Report

Mobile girl

টেক ডেস্ক: সম্প্রতি TRAI সমস্ত টেলিকম সংস্থার মে মাসের গ্রাহকদের ডেটা রিপোর্ট প্রকাশ করেছে৷ সেই রিপোর্টে দেখা যাচ্ছে, মে মাসে এয়ারটেল এবং ভোডাফোন-আইডিয়া ৪০ লক্ষেরও বেশি গ্রাহককে হারিয়েছে।

অন্যদিকে, রিলায়েন্স জিও তার পোর্টফোলিওতে ৩৫.৪৫ লক্ষেরও বেশি নতুন উপভোক্তাকে তাদের নেটওয়ার্কে যুক্ত করেছে৷ জিও একমাত্র টেলিকম সংস্থা যারা মে মাসে ব্যবহারকারীদর বৃদ্ধি করতে পেরেছে৷ এয়ারটেল এবং ভোডাফোন-আইডিয়াকে (ভিআই) বিপুল সংখ্যক গ্রাহককে হারাতে হয়েছে৷

২০২০ সালের জুনের পর এই প্রথমবারের এয়ারটেল তার গ্রাহকদের হারিয়েছে। এছাড়াও লক্ষ্যনীয় যে, ভোডাফোন-আইডিয়ার চেয়ে বেশি গ্রাহক হারিয়েছে এয়ারটেল। ট্রাইয়ের মে মাসের এই রিপোর্ট অনুযায়ী, এয়ারটেল ৪৩.১৬ লক্ষ গ্রাহক হারিয়েছে৷ আর ভোডাফোন-আইডিয়া ৪২.৮ লক্ষ গ্রাহক হারিয়েছে।

ট্রাইয়ের তথ্য অনুযায়ী, দেশের সমস্ত নেটওয়ার্কের মধ্যে রিলায়েন্স জিও’র ৩৬.৬৪ শতাংশ গ্রাহক ছিল৷ এয়ারটেলের ২৯.৬০ শতাংশ, ভোডাফোন-আইডিয়া ২৩.৫৯ শতাংশ এবং বিএসএনএলে গ্রাহক ছিল ৯.৮৯ শতাংশ ছিল। উল্লেখ, এয়ারটেলের এখনও সর্বোচ্চ ওয়্যারলেস গ্রাহক অনুপাত ৬৯.৯৯ শতাংশ রাখতে সক্ষম হয়েছে৷ অন্যদিকে এমটিএনএলের সর্বনিম্ন ওয়্যারলেস গ্রাহকদের রিপোর্ট করেছে।

সম্প্রতি এয়ারটেল তার এন্ট্রি-লেভেল প্রিপেইড প্ল্যানও বন্ধ করে দিয়েছে৷ যার মূল্য ছিল ৪৯ টাকা এবং এখন সবচেয়ে সস্তা প্ল্যানটি ৭৯ টাকার। তারসঙ্গে এয়ারটেল এবং ভিআই তাদের পোস্টপেইড প্ল্যানগুলিও আপগ্রেড করেছে। বাজারের শেয়ারের দিক থেকে ২০২১ সালের 31 মে পর্যন্ত ব্যক্তিগত অ্যাক্সেস পরিষেবা প্রদানকারীদের ওয়্যারলেস গ্রাহকদের ৮৯.৮৩ শতাংশের বাজার অংশ ছিল৷ যেখানে দুটি পিএসইউ অ্যাক্সেস পরিষেবা প্রদানকারী বিএসএনএল এবং এমটিএনএলের বাজার অংশ ছিল মাত্র ১০.১৭ শতাংশ।

টেলিকম রেগুলেটরি অথরিটি জানিয়েছে, ২০২১ সালের মে মাসে ভারতে মোট ৬২.৭ লক্ষ ব্যবহারকারীকে ভোগান্তিতে পড়তে হয়েছিল। আর এর মধ্যে সবচেয়ে বড় ক্ষতি হয়েছে এয়ারটেলের এবং তারপর ভোডাফোন আইডিয়ার।

সংসদের বাদল অধিবেশনে বিরোধীদের ‘হাঙ্গমায়’ ক্ষতি ১৩০ কোটি টাকা

Opposition Parliament Deadlock

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: সংসদের চলতি বাদল অধিবেশনে প্রায় দেড়শো কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে৷ সংসদের পেগাসাস ইস্যুতে বিরোধীদের হই হট্টগোলের কারণেই এই বিপুল পরিমাণ আর্থিক ক্ষতি হয়েছে৷ একই সঙ্গে ১০৭ ঘণ্টার পরিবর্তে মাত্র ১৮ ঘণ্টা কাজ হয়েছে সংসদে৷

সংসদের বাদল অধিবেশন শুরুর একদিন আগে পেগাসাস সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ্যে আসে৷ তাতে দাবি করা হয়েছিল যে, দেশের নামী বড় সাংবাদিক, রাজনীতিবিদের ফোনে গুপ্তচরবৃত্তি করা হয়েছিল। আর এই নিয়ে সংসদের উভয় কক্ষে ক্রমাগত হৈচৈ চলছে। সাংসদরা প্রায় প্রতিদিন হৈ -হুল্লোড় করে বাইরে চলে যান৷ কিন্তু তাদের কটূক্তির কারণে এখনও পর্যন্ত ১৩০ কোটি টাকারও বেশি ক্ষতি হয়েছে।

সংবাদ সংস্থা এনডিটিভি সরকারি সূত্রকে উল্লেখ করে বলেছে, সংসদে অচলাবস্থা থাকার কারণে লোকসভার সম্ভাব্য ৫৪ ঘণ্টার মধ্যে মাত্র ৭ ঘণ্টা কাজ হয়েছে৷ আর রাজ্যসভার সম্ভাব্য ৫৩ ঘণ্টার মধ্যে ১১ ঘণ্টা কাজ করেছে। চলতি বাদল অধিবেশনে এখন পর্যন্ত পার্লামেন্টে ১০৭ ঘন্টা কাজ করার কথা ছিল৷ কিন্তু মাত্র ১৮ ঘন্টা কাজ হয়েছে৷ এই পরিস্থিতিতে ৮৯ ঘন্টা সময় পুরোপুরি নষ্ট হয়েছে৷ এরফলে করদাতাদের মোট ক্ষতি ১৩০ কোটি টাকারও বেশি।

সম্প্রতি কংগ্রেস এবং বিরোধীদের মধ্যে হৈচৈ নিয়েও প্রধানমন্ত্রী মোদী অসন্তুষ্টি প্রকাশ করেছিলেন। বিজেপি পার্লামেন্টারি পার্টির সভায় তিনি বলেছেন, কংগ্রেস না হাউসকে কাজ করতে দেয়, না আলোচনার অনুমতি দেয়। আমি ১৫ আগস্ট জনসাধারণের উদ্দেশ্যে এই সব কথা বলব।

পেগাসাসের ঘটনা সামনে আসার পর থেকেই বিরোধী দলগুলি এর তদন্তের দাবি জানিয়ে আসছে। কংগ্রেসের মতে, যে সংস্থাটি পেগাসাস তৈরি করেছে, তারা বলেছে তারা শুধু সফটওয়্যারটি সরকারকে দেয়। এমন পরিস্থিতিতে এটা স্পষ্ট যে, ভারত সরকার নিজেই গুপ্তচরবৃত্তি করেছিল। যদি অন্য কেউ গুপ্তচরবৃত্তি করে থাকে, তাহলে এটি আরও উদ্বেগের বিষয়। এই পরিস্থিতিতে যৌথ সংসদীয় কমিটি বা সুপ্রিম কোর্টের তত্ত্বাবধানে এটি তদন্ত করা উচিত। সরকার অবশ্য সব অভিযোগ অস্বীকার করে তদন্ত করতে রাজি হয়নি।

দাঁতের হলদে ভাব ও দাগ নিয়ে চিন্তিত, ঘরোয়া পদ্ধতিতে মিলবে প্রতিকার

How to get rid of yellow teeth

নিউজ ডেস্ক: এখন প্রায় অনেকেরই দাঁত হলুদ হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। কিছু কিছু বদভ্যাসের কারনেই আমরা দাঁতের সৌন্দর্যতা হারিয়ে ফেলি। ধূমপান, মদ্যপান, তামাক সেবন, অতিরিক্ত ফাস্ট-ফুড খাওয়া, ঠিকমতো ব্রাস না করা, সহ বিভিন্ন কারণে দাঁতে হলদে ভাব বা দাগ দেখা দেয়।

এতে দাঁতের সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। তাই এখন থেকেই সাবধান হওয়া প্রয়োজন। কারণ দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম না বুঝলে, এর ঝক্কি পোয়াতে হবে সারাজীবন। দাঁতের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে আধুনিক পধুতির সাহায্য নেওয়া যেতেই পারে। তবে কম খরচে দাঁতকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে, এই ঘরোয়া পদ্ধতিগুলিকে কাজে লাগান।

তুলসি পাতা: তুলসি পাতা দাঁতের পক্ষে খুবই উপকারী। বেশি করে তুলসি পাতা রোদে শুকিয়ে নিন। এবারে পাতাগুলি গুঁড়ো করে যে কোনও টুথপেস্ট মিশিয়ে নিয়মিত ব্রাস করুন। এতে সহজেই দাঁতের হলদে ভাব দূর হবে। সেই সঙ্গে দাঁতের অন্যান্য রোগের প্রকোপও হ্রাস পাবে।

কলার খোসা: কলার খোসার সাদা দিকটি নিয়মিত দাঁতে ঘষলে, দাঁতের দাগ ও হলদে ভাব কেটে যায়। তবে কলার খোসা ঘষার পর অবশ্যই হালকা গরম জলে কুলকুচি করে নিতে হবে।

খাবার সোডা: দাঁতের হলদে ভাব কাটাতে খাবার সোডার কোনও বিকল্প হয় না। প্রতিদিন সকালে টুথপেস্টের সঙ্গে সামান্য পরিমাণে খাবার সোডা মিশিয়ে ব্রাস করুন। তারপর উষ্ণ গরম জলে ভালো ভাবে মুখ ধুয়ে নিন। উপকার পাবেন।

নুন: দাঁত পরিষ্কার করতে নুনের জুড়ি মেলা ভার। এখন অনেক টুথপেস্টে নুন ব্যবহার করা হয়। রোজ সকালে চারকোলের (কাঠকয়লা) সঙ্গে নুন মিশিয়ে দাঁত মাজুন। টানা ৩ সপ্তাহ ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন। এছাড়াও নুন দাঁতের পুষ্টির ঘাটতি দূর করে।

কমলালেবুর খোসা: রাতে ঘুমোতে যাওয়ার আগে কমলালেবুর খোসা ভালো করে দাঁতে ঘোষে নিন। ১০ মিনিট পর হালকা গরম জলে কুলকুচি করে নিন। নিয়মিত ব্যবহার করলে সহজেই দাঁতের হলদে ভাব থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

নিমের দাঁতন: দাঁতের যত্নে নিমের দাঁতন খুবই কার্যকর। নিমের ডালে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। যা দাঁতের ক্যাভেটির মতো সমস্যা দূর করার পাশাপাশি মুখের দুর্গন্ধও দূর করে। নিমের ডাল শুকিয়ে পাউডার বানিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজুন। এতে দাঁতের হলদে ভাব ম্যাজিকের মতো ভ্যানিস হয়ে যাবে। কাঁচা নিমের ডাল দিয়েও ব্রাস করতে পারেন।

পাহাড়ে একসঙ্গে ছুটি কাটাচ্ছেন মধুমিতা-সৌরভ

Madhumita

বায়োস্কোপ ডেস্ক: টলিউডে কান পাতলেই শোনা যাচ্ছে মধুমিতা এবং সৌরভের ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের কথা। এই বিষয়ে তাঁদের প্রশ্ন করা হলে কখনও তাঁরা এড়িয়ে গিয়েছেন৷ আবার কখনও বলেছেন এসব নাকি কেবলই গুঞ্জন। সৌরভ চক্রবর্তীর সঙ্গে বিবাহ বিচ্ছেদের পর থেকেই নিজেকে সম্পূর্ণ পালটে ফেলেছেন মধুমিতা। চিনি সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার সুবাদে সৌরভ দাসের সঙ্গে পরিচয় হয় মধুমিতার। এরপর থেকেই শোনা যাচ্ছিল সৌরভ দাসের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েছেন মধুমিতা।

Madhumita and souraav das

কিছুদিন আগেই নিজের বোনকে জড়িয়ে ধরতে গিয়ে কুৎসিত ঝামেলায় জড়িয়ে পড়েছিলেন সৌরভ৷ এরপর থেকেই নিজেকে সোশ্যাল মিডিয়া থেকে দূরে করে দিয়েছেন তিনি। তবে বর্তমানে মধুমিতা সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ অ্যাক্টিভ। প্রায় প্রতিদিনই নতুন নতুন হট লুকে নেটদুনিয়ায় ঝড় তুলছেন অভিনেত্রী। তবে এবারে ফেসবুকে একটি ট্র্যাভেল পেজ থেকে সৌরভ দাস এবং মধুমিতার কিছু ছবি পোস্ট করা হয়। ছবিতে দেখা যাচ্ছে দুজনে নর্থ-বেঙ্গলের কোনও হোম স্টে’তে একসঙ্গে বসে হাসি মুখে খাবার খাচ্ছেন। ওই ট্র্যাভেল সংস্থার পক্ষ থেকে সৌরভ এবং মধুমিতাকে তাঁদের সঙ্গে বেড়াতে আসার জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়েছে।

সোশ্যাল মিডিয়ার এই পোস্ট ঘিরে আবারও সৌরভ এবং মধুমিতার সম্পর্ক নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। এখন প্রায়ই সৌরভ দাসের প্রেমিকা অনিন্দিতাকে কাজের সূত্রে মুম্বই থাকতে হচ্ছে। বেশ কয়েক বছর ধরেই আনিন্দিতার সঙ্গে লিভইন সম্পর্কে রয়েছেন সৌরভ। টলি-পাড়ায় তাঁদের জুটি বাহবাও পেয়েছিল। তবে বর্তমান পরিস্থিতি অন্য কথা বলছে। তবে কী দূরত্বই এই সম্পর্কের অবনতির একমাত্র কারণ? উত্তর কেবল সময়ের অপেক্ষা।

সারোগেসির এক অন্য মানবিক চিত্র দেখাল “পরম সুন্দরী” মিমি

Mimi Movie Review in Bengali

বায়োস্কোপ ডেস্ক: ছিপছিপে কোমর। চোখের চাউনিতে পুরুষের হৃদয়ে ঝড় তুলতে পারে রাজস্থানের ছোট্ট এক গ্রামের মেয়ে মিমি! এলাকাবাসীর কাছে মিমিই পরমসুন্দরী। পাঁচতারা হোটেলের বিনোদনের দায়িত্ব তাঁর হাতেই। নেচে গেয়ে তুফান তোলে মিমি। হিরোইন হতে চায়। বলিউডে যেতে চায়।

দীপিকা, আলিয়া, অনুষ্কাদের এক হাত নিতে চায়। রণবীর সিংয়ের ছবির সামনে দাঁড়িয়ে অনর্গল কথা বলে চলে। বিন্দাস, হাসি মুখের এই মিমির জীবনে যে কখনও ঝড় আসতে পারে, তা আঁচও করতে পারে না কেউ। কিন্তু ঝড় আসে। মাতৃত্ব আসে। আত্মত্যাগ আসে। সংগ্রাম আসে। আর মিমি কখনও হেসে, কখনও চোখের জলে, কখনও লড়াই করে ঝড়ের ঝাপটা সামলেও নেয়।

পরিচালক লক্ষণ উতেকার ‘মিমি’ ছবিতে সারোগেসির গল্প ঠিক এভাবেই সাজিয়েছেন। কমেডি, ড্রামার ধাঁচে মাতৃত্ব, সিঙ্গল মাদারের কনসেপ্টকে খুব সহজে পৌঁছে দিয়েছেন দর্শকদের মধ্যে। যা কিনা এই ছবির আসল ম্যাজিক। খুব সরলভাবে, এক সরল গল্পের মধ্যে দিয়ে এক গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুকে ধরেছেন পরিচালক। কিন্তু, এই ম্যাজিককে যিনি ছাপিয়ে গিয়েছেন, তিনি হলেন কৃতি স্যানন। এই ছবি যেন তাঁর জন্যই তৈরি হয়েছে।

কৃতি স্যানন আগেও প্রমাণ দিয়েছেন তিনি ভাল অভিনেত্রী। ‘বরেলি কি বরফি’ যার সবচেয়ে বড় প্রমাণ। ছোট টাউনের গল্পের ছবিতে কৃতি যেন একেবারে পারফেক্ট। ‘মিমি’ ছবির ক্ষেত্রেও ঠিক তেমনটাই ঘটালেন কৃতি। মিমি চরিত্রকে একেবারে যেন আত্মস্থ করে ফেললেন কৃতি।

পঙ্কজ ত্রিপাঠী কতটা ভাল অভিনেতা। তা নতুন করে বলার দরকার নেই। পঙ্কজের কমেডি টাইমিং যে কত ভাল তা ফের প্রমাণ করলেন তিনি। তবে এই ছবিতে পঙ্কজ, কৃতিকে পুরোটাই সাপোর্ট করে গিয়েছেন। একজন বিচক্ষণ অভিনেতার ঠিক যা করা উচিত, ঠিক সেভাবেই। পঙ্কজ জানতেন, এই ছবি একেবারেই কৃতির। কিন্তু সেই ইগোর লড়াইয়ে না গিয়ে বরং কৃতিকে গ্রুম করেছেন। খোলা মাঠ দিয়েছেন অভিনয় করার জন্য। বহুদৃশ্যেই এর প্রমাণ পাওয়া যায়।