করিনা-প্রিয়াঙ্কা থেকে শ্রীদেবী-মাধুরীদের মধ্যে বলিউডে কে কার প্রতিদ্বন্দ্বী?

deepika-madhuri-aash

বায়োস্কোপ ডেস্ক: বলিউড তারকাদের ব্যক্তিগত জীবনের প্রতিটা দিক কার্যত আতস কাচের তলায় রেখে বহু ধরনের দিক থেকে তার বিশ্লেষণ চলে কৌতূহলী মহলে। এক্ষেত্রে তারকা অভিনেতা বা অভিনেত্রীদের প্রেম জীবন থেকে শুরু করে বিয়ে, কেচ্ছা, বিবাহ বিচ্ছেদ, তাঁদের পেশাগত জীবনে নানা ধরনের ঘটনা বারবার বলিউডে জল্পনার মায়াজাল তৈরি করে। সাধারণ মানুষের যা নিয়ে বিশেষ আগ্রহ থাকে। একনজরে দেখা যাক বলিউডের একাধিক জল্পনা যা স্টারদের মধ্যে একে এপরের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে ঘিরে তৈরি হয়।

রানি-অ্যাশ
বলিউডের বুকে তারকাদের ব্যক্তিগত জীবনের প্রতিটা দিক কার্যত আতস কাচের তলায় রেখে বহু ধরনেরদিক থেকে তার বিশ্লেষণ চলে কৌতূহলী মহলে। এক্ষেত্রে স্টারদের প্রেম জীবন থেকে শুরু করে তাঁদের পেশাগত জীবনে নানান ধরনের ঘটনা বারবার বলিউডের নানান জল্পনাকে বাড়িয়ে দেয়। একনজরে দেখা যাক বলিউডের একাধিক জল্পনা তা স্টারদের মধ্যে একে এপরের প্রতিদ্বন্দ্বিতাকে ঘিরে তৈরি হয়।

সুস্মিতা -ঐশ্বর্য
বিশ্বসুন্দরীর তকমা জেতার পর কিছু ফটোশ্যুট । তারপর থেকে আর কোনও দিনই একসঙ্গে এক ফ্রেমে অ্যাশ ও সুস্মিতাকে দেখা যায়নি। দুজনে বিশ্বসুন্দরীর তকমা জেতার পরও কোনও মতেই এক ফ্রেমে ধরা দেননি।

মাধুরী- শ্রীদেবী
প্রয়াত সুপারস্টার অভিনেত্রী শ্রীদেবীর সঙ্গে নয়ের দশকের একটা সময় রীতিমতো প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল মাধুরীর। শোনা যায়, তখন দুই সন্তানের মা হয়ে গিয়েছেন শ্রীদেবী, এদিকে নয়ের দশকে উঠতি অভিনেত্রী তখন শ্রীদেবী। এই পরিস্থিতিতে বলিউডে নৃত্য পটিয়সি অভিনেত্রীদের মধ্যে শ্রীদেবী অন্যতম ছিলেন। তাঁকে কিছুটা অংশ জনপ্রিয়তার ক্ষেত্রে তখন টেক্কা দিতে শুরু করেন মাধুরী। ফলে প্রতিযগিতা বাড়ে।

অভিষেক-হৃতিক
শোনা যায়, হৃতিক ও অভিষেক ছোবেলার বন্ধু। তবে বলিউডে একই প্রজন্মের দুই নায়ক পা রেখে অবাক করেন অনেককেই। হৃতিক বলিউডে পা রাখতেই আকাশ ছোঁয়া সাফল্য পান, সেখানে মেগাস্টার অমিতাভ পুত্র বলিউডে পা রেখে তেমন সাফল্য পাননি। সেই জায়গা থেকে দুই স্টারকিডের মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বাড়তে থাকে। এমনই খবর বহু জল্পনা -গুঞ্জনে উঠে আসে।

শ্রদ্ধা-আলিয়া
এদিকে, শোনা যায়, বলিউডে পা রেখেই দুই স্টারকিড শ্রদ্ধা কাপুর ও আলিয়া ভাট দুজনে একে অপরের প্রতিযোগী হয়ে ওঠেন।

দীপিকা-ক্যাটরিনা
একটা সময় রণবীর কাপুরকে কেন্দ্র করে পেশাগত জীবনে কার্যত রেষারেষির পর্যায়ে পৌঁছে যান দীপিকা পাড়ুকোন ও ক্যাটরিনা কাইফ। বলিউডের গুঞ্জন বলছে, একটা সময় ক্যাটরিনার সঙ্গে রণবীরকে নাকি হাতেনাতে ধরে ফেলেন দীপিকা। এরপর থেকেই দুই অভিনেত্রীর রেষারেষি চিল বলে শোনা যায়।

জয়া প্রদা-শ্রীদেবী
বহু সময়ই শোনা যায় যে একই সঙ্গে বলিউডে পা রাখা দুই দক্ষিণী স্টার জয়াপ্রদা ও শ্রীদেবী রীতিমতো একে অপরের বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বী হয়ে ওঠেন। দক্ষিণী ছবি ঘিরে তাঁদের এই প্রতিযোগিতা শুরু হলেও, তা চলতে থাকে বলিউডে।

মর্মান্তিক! শ্যুটিং চলাকালীন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু যুবকের

Raju mandol baruipur

নিউজ ডেস্ক: শুটিং চলাকালীন বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হল এক যুবকের। ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে।

জানা গিয়েছে, বারুইপুরে গত ১৯ তারিখ থেকে একটি ওয়েব সিরিজের শুটিং শুরু হয়েছিল। বারুইপুর রবীন্দ্র ভবনের কাছে পুরনো রাজবাড়িতে শুক্রবার সন্ধ্যায় শুটিংয়ের কাজ চলছিলো। সেই সময় একটি লাইট স্ট্যান্ডে হাত দিতেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন প্রোডাকশনের কর্মী রাজু মন্ডল। রাজু মন্ডল নামে ওই যুবকের বাড়ি কলকাতার বাবুরাম ঘোষ রোডে। একদিনের জন্য প্রোডাকশনের কাজ করতে বারুইপুরে এসেছিলেন রাজু মন্ডল ও তার ভাই রাজা মন্ডল।

মৃতের ভাই রাজা মন্ডলের দাবি, তিনি লাইটের কেয়ারটেকারকে জানিয়েছিলেন যে একটি লাইট স্ট্যান্ড বডি হয়ে গিয়েছে। তার অভিযোগ, ওই লাইট কেয়ারটেকার জোর করে তার দাদাকে লাইট স্ট্যান্ড ধরতে বাধ্য করেন। লাইট স্ট্যান্ডে হাত দিতেই বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হন রাজু মন্ডল। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাকে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসকরা মৃত ঘোষণা করেন। রাতে বারুইপুর থানার পুলিশ শুটিং স্থলে যায়। এছাড়াও হাসপাতালে এসে শুটিংয়ে উপস্থিত থাকা প্রত্যক্ষদর্শী শিল্পী, টেকনিশিয়ান ও প্রোডিউসারদের জিজ্ঞাসাবাদ করে পুলিশ।

যদিও দুর্ঘটনার সাথে সাথে অভিযুক্ত লাইট কেয়ারটেকার সেখান থেকে পালিয়ে যান। মৃত রাজু মন্ডল তিন মাস আগে বিয়ে করেছিলেন।যুবকের মর্মান্তিক এই পরিণতিতে শোকে দিশেহারা পরিবার।

কোন পথে করোনা মুক্তি? উত্তর দিলেন বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান

Addressing a virtual community, Dr Tedros

নিউজ ডেস্ক, জেনেভা: মারণ ভাইরাস করোনার হাত থেকে মুক্তি মিলবে কবে? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান টেড্রোস আধানম ঘেব্রিয়েসুস জানিয়েছেন, বিশ্ববাসীর হাতেই রয়েছে করোনা-মুক্তির চাবিকাঠি। বিশ্বের সমস্ত দেশের নাগরিকরা যখন চাইবেন, তখনই শেষ হবে করোনার এই করাল কাল।

করোনার গ্রাসে গোটা বিশ্ব। দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে বিশ্বজুড়ে তাণ্ডব চালাচ্ছে মারণ ভাইরাস। এখনও একাধিক দেশে করোনার সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। করোনায় মৃত্যু মিছিল দেখছে একের পর এক দেশ। মারণ এই সংক্রমণ থেকে মুক্তি মিলবে কবে?বিশ্বজুড়ে এই একটি প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে গত দেড় বছরেরও বেশি সময় ধরে।

গোদের ওপর বিষফোঁড়ার মত আতঙ্ক বাড়াচ্ছে করোনার ডেল্টা স্ট্রেন। ভাইরাসের এই ধরনই এখন মাথাব্যথা বিশ্ববাসীর কাছে। অত্যন্ত সংক্রামক এই ডেল্টা স্ট্রেন। দ্রুত একজনের শরীর থেকে অন্যজনের শরীরে ঢুকে পড়তে পারে এই স্ট্রেন। এমনকী মানবদেহে তৈরি টিকার প্রাচীরও সহজেই ভেঙে ফেলতে সক্ষম করোনার এই নয়া ধরন।

বিশ্বের কমপক্ষে ১৩২ টি দেশে ছড়িয়ে পড়েছে করোনার ডেল্টা স্ট্রেন। একের পর এক দেশ সংক্রমণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় ফের লকডাউনের পথে হাঁটতে শুরু করেছে।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন কিছুদিন আগে জানিয়েছিলেন, করোনার টিকার সম্পূর্ণ ডোজ নেওয়া থাকলে মাস্ক পরার দরকার নেই। কিন্তু করোনার ডেল্টা স্ট্রেনের আতঙ্কে তিনিও অবস্থান বদলেছেন। দেশবাসীকে আবারও মাস্ক পরতে জোর দিতে বলছেন মার্কিন প্রশাসন।

এদিকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধানের মতে, সংক্রমণ রুখতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলাই একমাত্র কর্তব্য। করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে স্বাস্থ্যবিধি মানতেই হবে। এছাড়াও দ্রুতগতিতে টিকাকরণ, সংক্রমিতকে চিহ্নিত করে দ্রুত তার চিকিৎসার ব্যবস্থা করা এবং সংক্রমিতের সংস্পর্শে আসা প্রত্যেককে চিহ্নিত করে কোয়ারেন্টাইনের ব্যবস্থা করা। করোনার সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া রুখতে এই বিষয়গুলোর ওপর জোর দিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা।

করোনা সংক্রমণের বিদ্যুৎ গতি ঘুম কেড়েছে কেরলের

Kerala Rise in Covid Cases

নিউজ ডেস্ক, তিরুঅনন্তপুরম: সংক্রমণের বিদ্যুৎ গতি কেরলে। দক্ষিণের এই রাজ্যে আবারও দৈনিক সংক্রমণ প্রায় ২১ হাজারের কাছাকাছি। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে কেরলে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২০ হাজার ৭৭২ জন। পিনারাই বিজয়নের রাজ্যে একদিনে করোনার বলি ১১৬। সংক্রমণ পরিস্থিতি মোকাবিলায় দিশেহারা দশা কেরল সরকারের। সংক্রমণে লাগাম টানতে আরও কী কী ব্যবস্থা নেওয়া যায় সে ব্যাপারে কেরল সরকারের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখছে স্বাস্থ্যমন্ত্রক।

দেশে করোনার প্রথম ঢেউ দারুণভাবে সামাল দিয়েছিল কেরল। গোটা দেশে কেরল একটি মডেল হয়ে উঠেছিল। সংক্রমণ মোকাবিলায় একের পর এক পদক্ষেপ কেরলকে বিশ্বের দরবারেও প্রশংসা এনে দিয়েছিল। তবে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তেই ভয়ঙ্কর পরিস্থিতি দক্ষিণের এই রাজ্যে। প্রতিদিন হাজার-হাজার মানুষ নতুন করে কেরলজুড়ে করোনায় সংক্রমিত হচ্ছেন। গত চারদিন কেরলের দৈনিক সংক্রমণ কুড়ি হাজারের উপরে রইল। বর্তমানে কেরলে সংক্রমণের হার ১৩.৬১ শতাংশ।

কেরালের মালাপ্পুরামে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণ ছড়িয়েছে। এই জেলায় আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৩৬৭০। একইভাবে সংক্রমণ বাড়ছে কোঝিকোড, এরনাকুলাম,আলাপুঝা-সহ একাধিক জেলায়।

এদিকে গোটা দেশেও করোনা উদ্বেগ জারি। ফের দৈনিক সংক্রমণ পেরিয়েছে ৪০ হাজারের গণ্ডি।একটানা চার দিন দেশে করোনার দৈনিক সংক্রমণ ৪০ হাজারের ওপর। অস্বস্তি বাড়িয়ে বাড়ছে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা।

শনিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের , দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে ৪১ হাজার ৬৪৯ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।একদিনে দেশে করোনার বলি ৫৯৩ । সব মিলিয়ে শনিবার সকাল পর্যন্ত দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে তিন কোটি ১৫ লক্ষ ১৩ হাজার ৯৯৩ জন। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪ লক্ষ ২৩ হাজার ৮১০ জনের।

দুর্যোগ কমলেও শনিবারও বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি রাজ্য জুড়ে

Heavy rains lash Kolkata, waterlogging in several areas

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে শনিবারও। কলকাতা সহ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে, শনিবার বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সঙ্গে জারি থাকবে অস্বস্তি। রাজ্যের পশ্চিমাঞ্চলের জেলাগুলিতেও শনিবার ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে আলিপুর হাওয়া দপ্তর।

গত কয়েকদিনের এক টানা বৃষ্টিতে দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় জলমগ্ন পরিস্থিতি। কলকাতা , দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, হুগলি, বর্ধমান-সহ একাধিক জেলায় গত ৪৮ ঘণ্টায় ব্যাপক বৃষ্টি হয়েছে। নিচু এলাকাগুলো জলমগ্ন। কোথাও হাঁটুসমান কোথাও কোমর সমান জল পেরিয়ে যাতায়াত। তবে দুর্যোগ খানিকটা কমলেও আজ শনিবার আবহাওয়ার বিশেষ বদল হবে না বলে জানিয়েছে আলিপুর আওয়া দপ্তর।

শনিবার কলকাতায় দিনভর থাকবে অস্বস্তিকর আবহাওয়া। এরই পাশাপাশি কলকাতা-সহ বাংলাদেশ লাগোয়া জেলাগুলিতে বৃষ্টি চলবে। ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস রয়েছে পশ্চিম মেদিনীপুর, বর্ধমান, পুরুলিয়ায়। দক্ষিণবঙ্গের পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার, কোচবিহার, জলপাইগুড়িতে শনিবার অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

তবে এরই মধ্যে স্বস্তির বাণীও শুনিয়েছে আবহাওয়া দপ্তর। বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ পশ্চিমবঙ্গের সীমা ছাড়িয়ে বিহারের দক্ষিণাংশের দিকে যেতে শুরু করেছে। যার জেরে রবিবার থেকে আবহাওয়ার উন্নতি হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

করোনা: আতঙ্ক বাড়িয়ে ফের দৈনিক সংক্রমণ ৪০ হাজারের বেশি

Coronavirus: Is the pandemic slowing down in India

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: একটানা চার দিন দেশে করোনার দৈনিক সংক্রমণ ৪০ হাজারের ওপর। অস্বস্তি বাড়িয়ে বাড়ছে অ্যাক্টিভ কেসের সংখ্যা। দেশের করোনা পরিস্থিতি কিছুতেই স্বস্তি দিচ্ছে না। এই আবহে আশঙ্কা বাড়াচ্ছে সংক্রমণের তৃতীয় ধাক্কা।

শনিবার সকালে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রকের , দেওয়া পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে ৪১ হাজার ৬৪৯ জন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।একদিনে দেশে করোনার বলি ৫৯৩ । সব মিলিয়ে শনিবার সকাল পর্যন্ত দেশে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে তিন কোটি ১৫ লক্ষ ১৩ হাজার ৯৯৩ জন। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত দেশে করোনা আক্রান্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৪ লক্ষ ২৩ হাজার ৮১০ জনের।

এই আবহে আশঙ্কা বাড়াচ্ছে সংক্রমণের তৃতীয় ধাক্কা। বিশেষজ্ঞদের একটি অংশের মতে সেপ্টেম্বর-অক্টোবরের মাঝে কোনও সময়ে দেশে নেমে আসতে পারে করোনার তৃতীয় ধাক্কা। তবে অন্য একটি অংশের মতে, আগস্ট মাসে দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। দ্রুত গতিতে টিকাকরণের সওয়াল করে চলেছেন বিশেষজ্ঞরা। কেন্দ্রীয় সরকারও দেশজুড়ে টিকাকরণ কর্মসূচিতে গতি বাড়াতে তৎপরতা নিচ্ছে।

যদিও এখনো টিকা নিয়ে একাধিক রাজ্যের বিস্তর অভিযোগ। বিপুল চাহিদার নিরিখে অত্যন্ত কম পরিমাণ টিকার ডোজ পাঠাচ্ছে কেন্দ্র, এমনই অভিযোগে সরব বাংলা সহ একাধিক রাজ্য।

বাংলার ভাঁড়ার ‘গড়ের মাঠ’ হলেও পর্যাপ্ত করোনা টিকা পাচ্ছে গুজরাত, উত্তরপ্রদেশ

Covid vaccination

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: দেশজুড়ে করোনার টিকাকরণ কর্মসূচিতে গতি আনতে চাইছে কেন্দ্রীয় সরকার। রাজ্যে-রাজ্যে টিকাকরণ কর্মসূচি আরও জোরদার করার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। তবে বাংলায় এখনও টিকার জোগান কম। অন্যান্য বেশ কয়েকটি রাজ্যে বাংলার চেয়েও বেশি পরিমাণ টিকা পাঠানো হয়েছে। সংসদে খোদ এই তথ্য দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী। বাংলার চেয়েও বেশি টিকা পাঠানো হয়েছে গুজরাত, কর্ণাটক, উত্তর প্রদেশ-সহ পাঁচটি রাজ্যে।

পর্যাপ্ত টিকা পাঠানো হচ্ছে না বাংলায়। বারবার এই অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কেন্দ্র টিকা দিচ্ছে না বলেই রাজ্যের টিকাকরণ কর্মসূচি বাধাপ্রাপ্ত হচ্ছে বলেও অভিযোগ সরকারের। প্রকাশ্যে টিকা নিয়ে বহু বার কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিমাতৃসুলভ আচরণের অভিযোগ এনেছেন মুখ্যমন্ত্রী। এমনকি টিকা চেয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে চিঠিও পাঠিয়েছেন তিনি।

এরপরেও পর্যাপ্ত টিকা পাঠানো হচ্ছে না বাংলায়। তবে বাংলা না পেলেও গুজরাত, কর্ণাটক উত্তরপ্রদেশ সহ পাঁচটি রাজ্যে পর্যাপ্ত পরিমাণে টিকা পাঠিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। তৃণমূল সাংসদ মালা রায় সংসদে জানতে চেয়েছিলেন,৩০ জুন পর্যন্ত রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলোতে কেন্দ্র কত টিকা পাঠিয়েছে?সেই প্রশ্নের উত্তর দিতে গিয়েই কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী টিকার বন্টন নিয়ে এই তথ্য তুলে ধরেছেন। স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, ৩০ জুন পর্যন্ত পশ্চিমবঙ্গকে ২ কোটি ২৮ লক্ষ ৫৮ হাজার ৭৬০ টিকার ডোজ পাঠানো হয়েছে।

সীমান্ত সংঘর্ষের জেরে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার মামলা

FIR Against Assam CM Himanta Biswa Sarma By Mizoram Police

নিউজ ডেস্ক: অসম- মিজোরামের সীমানা সংঘর্ষের জেরে এবার আরও উত্তপ্ত আবহ। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছে মিজোরাম পুলিশ। তার বিরুদ্ধে খুনের চেষ্টার মামলা রুজু করা হয়েছে।

অসম-মিজোরামের সীমানা নিয়ে দ্বন্দ্ব চরমে। দুই রাজ্যের সীমানা নিয়ে সংঘর্ষের জেরে বেশ কয়েকজন পুলিশ কর্মী নিহত হয়েছেন। পরিস্থিতি এবার আরও ঘোরালো হয়ে উঠেছে। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার দাবি ছিল, মিজোরামের নাগরিকরা নিজেদের হাতে অস্ত্র তুলে নিয়েছিলেন। সেই কারণেই পরিস্থিতি ঘোরালো হয়ে ওঠে।

এদিকে অসমের এই অভিযোগ উড়িয়ে পাল্টা মিজোরাম সরকারের অভিযোগ, অসম পুলিশের ২০০ জনের সশস্ত্র দল তাদের রাজ্যের সীমানায় ঢুকে পুলিশ ক্যাম্প দখল করতে এসেছিল। অসমের ওই বাহিনীকে বাধা দিতে গেলে সংঘর্ষের পরিস্থিতি তৈরি হয়। সম্পূর্ণ ইচ্ছাকৃতভাবে পরিস্থিতি জটিল করছে অসম। এমনই অভিযোগ মিজোরাম প্রশাসনের।

তবে অসম পুলিশের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ উড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা।এদিকে উত্তর-পূর্বের এই দুই রাজ্যের সীমানা দ্বন্দ্ব মেটানোর চেষ্টায় কেন্দ্রীয় সরকার। কেন্দ্রের তরফে দু’পক্ষের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাওয়া হচ্ছে। পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে চলে না যায় সে ব্যাপারে তৎপরতা নিচ্ছেন অসমের এবং মিজোরামের মুখ্যমন্ত্রীরাও।

পাকিস্তানে ইমরান জমানার অবসান হতে চলছে

Pakistan's PM Khan

নিউজ ডেস্ক, ইসলামাবাদ: পাকিস্তানে ইমরান-সরকারের দিন ফুরিয়ে আসতে চলেছে৷ দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি এমনটাই আভাস দিচ্ছে৷ প্রকৃতপক্ষে পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) নেতা বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি তাঁর কর্মীদের সাধারণ নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত থাকতে বলেছেন৷ তাঁর এই নির্দেশের পরেই মনে করা হচ্ছে দেশের রাজনীতিতে বড় কিছু ঘটতে যাচ্ছে। জেনে রাখা ভালো, ইমরান খান সরকার প্রায় সব ক্ষেত্রেই ব্যর্থ প্রমাণিত হয়েছে। এই কারণে বিরোধীদের পাশাপাশি দেশের জনমনেও ইমরানের ভুমিকায় বেশ ক্ষুব্ধ।

পাকিস্তানের ‘দুনিয়া নিউজ’-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারি দলীয় কর্মীদের বলেছেন পাকিস্তানে যে কোনও সময় সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে পারে৷ তাই এর জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে। বিলাওয়াল কর্মীদের আরও বলেছেন, ‘প্রত্যেকের উচিত নিজেদের মধ্যে বসে সমস্ত বিভেদ দূর করে নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করা৷ কারণ যে কোনও সময় দেশে সাধারণ নির্বাচন হতে পারে’।

Bilawal tells party workers to be ready for general elections

বিলাওয়ালের এই বক্তব্যটিও গুরুত্বপূর্ণ৷ কারণ পাকিস্তান সেনাবাহিনীর সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক আরও দৃঢ় হয়ে উঠছে বলে মনে হচ্ছে। তার একটি উদাহরণ কিছুদিন আগে দেখা যায়৷ যখন সেনাপ্রধান জেনারেল কামার জাভেদ বাজওয়াত পিপিপি নেতাকে তাঁর বাড়িতে আমন্ত্রণ জানান। ‘ জিও টিভি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাজওয়াত অতীতে বিলাওয়াল ভুট্টোকে তাঁর ছেলের ভালিমায় আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। পাকিস্তানের রাজনীতিতে সেনাবাহিনীর ভূমিকা কারও কাছে গোপন নয়। অতএব, বিলাওয়ালের বক্তব্যের ফলে জল্পনার বাজার গরম হয়ে উঠেছে।

যারা পাকিস্তানের রাজনীতি সম্পর্কে অবগত, তার মনে করেন, বিলাওয়াল যদি সেনাবাহিনীকে সঙ্গে নিয়ে ইমরান খানকে ক্ষমতা থেকে উৎখাত করে, তাহলে অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না। একই সঙ্গে পিপিপি নেতার এই বক্তব্যের পর ইমরান খান টেনশনে পড়ে গিয়েছেন৷ ইমরান যদিও এখনও পর্যন্ত সেনাবাহিনীর সঙ্গে সুসম্পর্ক থাকার দাবি করেছেন৷ কিন্তু এখন তার সম্পর্ক দুর্বল হয়ে যাচ্ছে এবং তাতে বিলাওয়াল ভুট্টো উপকৃত হতে পারেন।

Jinping Plan: পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্রের কাছে নতুন টানেল খুঁড়ছে চিন

new-tunnel-spotted-at-a-chinese-nuclear-test-site

নিউজ ডেস্ক: ভারতের সঙ্গে উত্তেজনার মধ্যে চিন পশ্চিম মরুভূমিতে তার পারমাণবিক পরীক্ষা কেন্দ্রকে দ্রুত সম্প্রসারণ করছে। স্যাটেলাইটে ধরা পড়া একটি নতুন ছবিতে তা স্পষ্ট হয়েছে৷ সেই ছবিতে দাবি করা হয়েছে, চিন তার পারমাণবিক পরীক্ষা স্থানের কাছে একটি নতুন টানেল খনন করছে। শুধু তাই নয়, এই সাইটটি নতুন রাস্তার সঙ্গেও যুক্ত হচ্ছে। ১৯৬৪ সালের ১৬ অক্টোবর চিন এই স্থান থেকে প্রথম 22 কিলোটনের পারমাণবিক বোমা পরীক্ষা করে। তারপর থেকে চিন এখন ওপর্যন্ত এই স্থানেই মোট ৪৫ টি পারমাণবিক পরীক্ষা চালিয়েছে।

বড় প্রশ্ন – চিন কীভাবে এই টানেল ব্যবহার করবে?
প্রাইভেট জিওস্পেশিয়াল অ্যানালাইসিস ফার্ম অলসোর্স অ্যানালাইসিস প্রথম স্যাটেলাইট ইমেজ বিশ্লেষণ করে এই টানেলটি সন্ধান পায়। পরে মার্কিন এনজিও মিডিয়া এনপিআর -এর সঙ্গে কথা বলে অ্যালসোর্স অ্যানালাইসিসের বিশ্লেষণ ও অপারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট রিনি বাবিয়ার্জ বলেন, এটি এমন একটি নতুন নির্মাণ যেখানে এমন এলাকা আছে যেখানে অতীতে পারমাণবিক পরীক্ষা চালানো হয়েছে। তিনি আরও বলেছেন, এই টানেলগুলি কীভাবে ব্যবহার করা হবে তা এখনও স্পষ্ট নয়।

১৯৯৬ সালের পর চিন পুরোপুরি পারমাণবিক পরীক্ষা চালায়নি। এই সময়ে বিশ্বের অনেক বড় পরমাণু শক্তিচালিত দেশ নিজেরাই তাদের নতুন পরীক্ষা নিষিদ্ধ করেছিল। তবে এরপরেও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, চিন ও রাশিয়া সময়ে সময়ে পরমাণু অস্ত্রের অ-পারমাণবিক অংশ পরীক্ষা করে চলেছে। অনেক সময় এই পরীক্ষাগুলি ভূগর্ভে পরিচালিত হয়েছে৷ যাতে বিশ্বের অন্যান্য কেউ জানতে না পারে।

এই টানেল সম্পর্কে এনপিআরে প্রশ্ন তোলায় ওয়াশিংটনে চিনা দূতাবাসের মুখপাত্র লিউ পেঙ্গিউ কোন মন্তব্য করতে রাজি হননি। তিনি বলেছেন যে, চিন পারমাণবিক পরীক্ষা স্থগিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি মার্কিন অভিযোগের বিরুদ্ধেও আপত্তি তুলেছেন৷ তার বক্তব্য, চিন সরকারকে যেকোনও উপায়ে কমপ্রিহেনসিভ টেস্ট নিষিদ্ধ চুক্তিকে ক্ষুণ্ন করার চেষ্টা করা হচ্ছে৷।

নতুন টানেলের খবরটি চিনের দুটি পৃথক অংশে পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রের ঘাঁটি নির্মাণের মাঝে এসেছে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চিন জিনজিয়াং প্রদেশের হামি শহরের কাছে মরুভূমিতে ১১০ টি পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো তৈরি করছে। সবচেয়ে বিপজ্জনক বিষয় হ’ল হত্যাকারী ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো ভারত থেকে মাত্র ২০০০ কিলোমিটার দূরে। চিনের এমন অনেক ক্ষেপণাস্ত্র রয়েছে যার পরিসরে পুরো ভারত চলে আসে। একটি সাইলো হ’ল এক ধরণের স্টোরেজ ধারক যার ভিতরে দীর্ঘ দূরত্বের ক্ষেপণাস্ত্র রাখা হয়।

এর আগে চিনের উত্তর-পশ্চিম শহর ইউমানের কাছে মরুভূমিতে আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের জন্য ১০০টি নতুন সাইলো তৈরির বিষয়টি প্রকাশ্যে এসেছিল। ফেডারেশন অফ আমেরিকান সায়েন্টিস্টস সর্বশেষ চিত্রের ভিত্তিতে বলেছে যে, চিন আরেকটি ক্ষেপণাস্ত্র সাইলো খুঁড়তে শুরু করেছে। আমেরিকান বিজ্ঞানীরা বলেছেন, এই সম্প্রসারণ চিনের পারমাণবিক আক্রমণ শক্তি অনেক বাড়িয়ে দেবে। হামি এবং ইউমান উভয়ই চিনের এমন জায়গা, যেখানে আমেরিকা তার প্রচলিত ক্রুজ মিসাইল দিয়ে আক্রমণ করতে পারে না। এমন পরিস্থিতিতে আমেরিকা তাদের ধ্বংস করতে একচেটিয়াভাবে তার পারমাণবিক ক্ষেপণাস্ত্রগুলি ব্যবহার করতে হবে।

বিজ্ঞানীরা বলেছেন, ৪০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকায় রাস্তার একটি নেটওয়ার্ক স্থাপন করা হয়েছে। এই বছর মিসাইল সাইলো নির্মাণ শুরু হয়েছে। বহু বছর চুপ থাকার পরে চিন এখন বিশ্বকে তার শক্তি প্রদর্শন করতে শুরু করেছে৷

সরকারি-বেসকারি কর্মীদের ন্যূনতম বেতন হতে চলেছে ২১,০০০ টাকা

private-employees-basic-salary-hike

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: ১ অক্টোবর থেকে বেসরকারি ও সরকারি কর্মচারীদের জন্য বড় সুখবর আসতে চলেছে। সংবাদমাধ্যম সুত্রে খবর অনুযায়ী, মোদী সরকার ১ জুলাই থেকে শ্রম কোড বিধি বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিল৷ কিন্তু রাজ্য সরকারগুলির প্রস্তুত না থাকার কারণে ১ অক্টোবর থেকে তা বাস্তবায়নের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যদি লেবার কোডের নিয়মগুলি ১ অক্টোবর থেকে কার্যকর করা হয়, তাহলে সরকারি এবং বেসরকারি কর্মীদের মূল বেতন ১৫,০০০ থেকে ২১,০০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তে পারে।

নতুন খসড়া নিয়ম অনুযায়ী, মূল বেতন মোট বেতনের ৫০% বা তার বেশি হওয়া উচিত। এটি বেশিরভাগ কর্মীদের বেতন কাঠামো পরিবর্তন করবে। বেসিক বেতন বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে পিএফ এবং গ্র্যাচুয়টির জন্য কেটে নেওয়া পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে৷

যদি এটি হয়, তাহলে কর্মীদের হাতে আসা বেতন কমে যাবে৷ তবে, অবসর নেওয়ার সময় পিএফ এবং গ্র্যাচুইটির টাকা বাড়বে। শ্রমিক ইউনিয়নের দাবি ছিল ন্যূনতম বেসিক বেতন ২১,০০০ টাকা করা উচিত৷ যাতে পিএফ এবং গ্র্যাচুয়িটিতে অর্থ কেটে নেওয়ার পরেও বেতন কমবে না।

গ্র্যাচুয়িটি এবং পিএফ-তে অবদান বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে অবসর গ্রহণের পরে প্রাপ্ত পরিমাণ বাড়বে। পিএফ এবং গ্র্যাচুয়িটি বৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে সংস্থাগুলির ব্যয়ও বাড়বে। কারণ, তাদেরও কর্মচারীদের জন্য পিএফ-এ আরও অবদান রাখতে হবে। এই বিষয়গুলি কোম্পানির ব্যালেন্স শিটকেও প্রভাবিত করবে।

কেন্দ্রীয় সরকার ২০২১ সালের ১ এপ্রিল থেকে নতুন শ্রম বিধি বাস্তবায়ন করতে চেয়েছিল৷ তবে রাজ্যগুলির প্রস্তুতি না থাকায় এবং এইচআর নীতি পরিবর্তনের জন্য সংস্থাগুলিকে আরও সময় দেওয়ার কারণে তা স্থগিত করা হয়েছিল। শ্রম মন্ত্রকের মতে, সরকার ১ জুলাই থেকে শ্রমবিধির নিয়মগুলি অবহিত করতে চেয়েছিল, কিন্তু রাজ্যগুলি এই নিয়মগুলি বাস্তবায়নের জন্য আরও সময় চেয়েছিল, যার কারণে তা ১ অক্টোবর পর্যন্ত স্থগিত করা হয়েছে৷ আশাকরা হচ্ছে, উৎসব মরসুমে কেন্দ্রীয় সরকার নতুন বেতন কাঠামো চালু করতে পারবে৷

KOEL: নিজের নামের সিক্রেট মানে প্রকাশ্যে আনলেন কোয়েল

Bengali actress Koel Mallick

বায়োস্কোপ ডেস্ক: টলিউডের সুপার কুল অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক (KOEL MALLIK)। নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে কথা বলতে খুব একটা পছন্দ করেন না তিনি। তবে ইদানিং সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ অ্যাক্টিভ কোয়েল। সম্প্রতি পুত্র সন্তানের জননী হয়েছেন তিনি। করোনা পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হওয়াতে কাজেও ফিরেছেন। এখন মাঝে মধ্যেই ইনস্টাগ্রামে কোনও না কোনও পোস্ট করেন অভিনেত্রী। সম্প্রতি নিজের নামের সিক্রেট অর্থ প্রকাশ করেলেন কোয়েল।

ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করে এই বার্তা দিলেন কোয়েল। ইংরেজিতে বানান করলে ‘কোয়েল’ নামের চারটি অক্ষর পাওয়া যায়। K O E L- এর প্রত্যেকটি অক্ষরের একটি করে মানে বের করলেন নিসপাল ঘরণী। কোয়েলের কাছে K-এর অর্থ হল তাঁর পুত্র কবীরের নাম। O- এর অর্থ অপটিমিস্টিক। E হল তাঁর কাছে এনথুসিয়াস্টিক এবং L-এর অর্থ লাভ। ইতিমধ্যেই ভিডিওটি নেটদুনিয়ায় বেশ ভাইরাল হয়েছে।

কিছুদিন ধরেই কোয়েল নিজের জীবনের বিভিন্ন ঘটনা ‘কোয়েল কথা’ হ্যাশট্যাগ দিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করছেন। এর আগে মল্লিক বাড়ির দুর্গা পুজোর স্মৃতি ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেন কোয়েল। এবারে অনুরাগীদের জন্য অভিনেত্রীর উপহার তাঁর নামের সিক্রেট মানে। যা নেটিজেনদের কাছ থেকে খুব ভালো রেসপন্স পাচ্ছে। পোস্টে ভালো ভালো কমেন্টও লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে বর্তমানে কোয়েলের কাছে তাঁর পুত্র কবীর সবার আগে বলে জানিয়ে দেন অভিনেত্রী। এই পরিস্থিতিতে ছেলেকে সামলে অনেক ভেবেচিন্তে কাজ করছেন কোয়েল।

মাত্র ১০,০০০ টাকায় একাধিক ফিচারে ৩ স্মার্টফোন

low cost smartphone

টেক ডেস্ক: নতুন ফোন কিনতে চাইছেন? তবে বাজেট ১০ হাজার টাকা! কোনও চিন্তা নেই। আপনার জন্য রইল ১০ হাজার টাকার মধ্যে দুর্দান্ত ৩ টি স্মার্টফোন। ফিচারের দিক দিয়েও কিছু কম নয় এই ফোনগুলি। ৬০০০mAh ব্যাটারি সহ রয়েছে একাধিক ফিচার। ভারতের বাজারে ১০ হাজার টাকার মধ্যে অনেক ভালো ভালো স্মার্টফোন রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে অতিরিক্ত টাকা খরচ না করে বেছে নিতে পারেন এই ৩ টি স্মার্টফোন।

XIAOMI REDMI 9

XIAOMI REDMI 9
এই ফোনটিতে রয়েছে ৬.৫৩ ইঞ্চির এইচডি প্লাস ডিসপ্লে। ফোনের প্রসেসরে ব্যবহার করা হয়েছে অক্টাকোর মিডিয়াটেক হেলিও জি৩৫। ফোনটি ৪ জিবি র‍্যাম এবং ১২৮ জিবি স্টোরেজ ভ্যারিয়েন্টে ভারতের বাজারে পাওয়া যাচ্ছে। ফোনটির পিছনে রয়েছে মোট ২ টি ক্যামেরা। তার মধ্যে একটি ১৩ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি সেনসর এবং একটি ২ মেগাপিক্সেলের ডেপথ সেনসর। এছাড়াও ফ্রন্টে রয়েছে ৫ মেগাপিক্সেলের একটি সেলফি শুটার। ফোনের ব্যাটারি ৫০০০mAh। ভারতের বাজারে ফোনটির দাম করা হয়েছে ৮,৯৯৯ টাকা।

INFINIX HOT 10S

INFINIX HOT 10S
এই ফোনটিতে রয়েছে ৬.৮২ ইঞ্চির এইচডি প্লাস IPS ডিসপ্লে। ফোনটি একটি অক্টাকোর মিডিয়াটেক হেলিও জি৮৫ প্রসেসরের সঙ্গে পাওয়া যাচ্ছে। ফোনটির পিছনে রয়েছে মোট ৩ টি ক্যামেরা। তার মধ্যে একটি ৪৮ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি সেনসর, একটি ২ মেগাপিক্সেলের ডেপথ সেনসর এবং একটি AI ভিত্তিক লেন্স। এছাড়াও ফ্রন্টে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের একটি সেলফি শুটার। ফোনটির ব্যাটারি ৬০০০mAh। ভারতের বাজারে এই ফোনের দাম করা হয়েছে ৯,৯৯৯ টাকা।

REALME C25

REALME C25
এই ফোনটিতে রয়েছে ৬.৫ ইঞ্চির এইচডি প্লাস ডিসপ্লে। এই ফোনে অক্টাকোর মিডিয়াটেক হেলিও জি৭০ প্রসেসরের ব্যবহার করা হয়েছে। ফোনটির পিছনে রয়েছে মোট ৩ টি ক্যামেরা। তার মধ্যে একটি ৪৮ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি সেনসর একটি ২ মেগাপিক্সেলের মনোক্রোম সেনসর এবং একটি ২ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো সেনসর। এছাড়াও সেলফি তোলার জন্য ফ্রন্টে রয়েছে একটি ৮ মেগাপিক্সেল ক্যামেরা। ফনের ব্যাটারি ৬০০০mAh। যা ১৮W ফাস্ট-চার্জিং সাপোর্ট করে। এই ফোনের দাম করা হয়েছে ৯,৯৯৯ টাকা।

লালটিপের সঙ্গে সিঁথিতে মোটা গাঢ় সিঁদুরে নতুন লুকে পিঙ্কি

Kanchan Mallick's wife Pinky

বায়োস্কোপ ডেস্ক: একাবারে অন্য লুকে ধরা দিলেন কমেডিয়ান কাঞ্চন-জায়া পিঙ্কি। কপালে লাল টিপ, সিঁথিতে গাঢ় সিঁদুর৷ তার সঙ্গে লাল পাড় সাদা শাড়ি। হঠাৎ করে কেন এতো বদলে গেলেন পিঙ্কি? তবে কি স্বামী কাঞ্চন মল্লিকের সঙ্গে সব মিটমাট করে একেবারে ঘরোয়া বধূ হয়ে উঠেছেন পিঙ্কি? উত্তর দিলেন অভিনেত্রী নিজেই।

সম্প্রতি এক প্রথমসারির সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পিঙ্কি জানান, খুব তাড়াতাড়ি তাঁকে এই রূপে নতুন ধারাবাহিকে দেখা যাবে। নতুন ধারাবাহিকের খাতিরেই তাঁর এই সাঁজ। ধারাবাহিকে তাঁর চরিত্রের স্বার্থে তাঁকে রীতিমতো সনাতনী ঐতিহ্য এবং ধর্ম-সংস্কৃতি নিয়ে লেখাপড়া করতে হচ্ছে। যদিও কোন ধারাবাহিকে তাঁকে দেখা যাবে, সেই নিয়ে মুখ খোলেননি পিঙ্কি। তবে সূত্রের খবর অনুযায়ী, আকাশ আট চ্যানেলের পরবর্তী ধারাবাহিক ‘মেয়েদের ব্রতকথা’তে তাঁকে এই লুকে দেখা যাবে।

নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে পিঙ্কি জানান, অতীতকে ভুলে গিয়ে এখন তিনি শান্তিতে আছেন। পুরনো কোনও ঘটনা নিয়ে কোনও রকম মন্তব্য করতে চাননি পিঙ্কি। তবে, এই মুহূর্তে অভিনেত্রীর মা বেশ অসুস্থ। কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন আছেন। এখন আপাতত পিঙ্কি কাজে মন দিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। এর পাশাপাশি তাঁর একমাত্র সন্তান এবং মায়ের দেখভাল করতেই ব্যস্ত পিঙ্কি।

পর্যটক টানতে দিঘার হোটেল ভাড়া এখন জলের দামে

Digha sea beach in Digha town

নিউজ ডেস্ক: ঘুরতে ভালোবাসে না এমন বাঙালি খুঁজে পাওয়া মুশকিল। কয়েক বছর ধরে বাঙালি তথা রাজ্যের বেশিরভাগ ভ্রমণপ্রিয় মানুষের দু’দিনের ছুটি কাটানোর জায়গায় তালিকায় প্রথমে রয়েছে দিঘা। তবে করোনা পরিস্থিতি সবকিছু ওলটপালট করে দিয়েছে।

করোনার তৃতীয় ঢেউ যাতে থাবা বসাতে না পারে তার জন্য করা পদক্ষেপ নিয়েছে কাঁথি প্রশাসন। এবার থেকে দিঘায় আসতে গেলে শুধু ২ দিনের ছুটি যথেষ্ট নয়। এর পাশাপাশি পর্যটকদের কাছে থাকতে হবে কোভিড টিকার দুটি ডোজের সার্টিফিকেট অথবা ৪৮ ঘণ্টা আগে করা করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট। এরপর থেকেই পর্যটকদের সংখ্যা কমতে থাকে। যার জেরে ব্যাপক ক্ষতির মুখে পড়েছে হোটেল ব্যবসায়ীরা।

নতুন করে পর্যটকদের দিঘামুখি করে তোলার জন্য এবারে উদ্যোগ নিল দিঘা-শংকরপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন। এবার থেকে দিঘা এবং শংকরপুরে হোটেল ভাড়ার ক্ষেত্রে থাকছে স্পেশাল অফার। দিঘা-শংকরপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনে যুগ্ম সম্পাদক বিপ্রসাদ চক্রবর্তী জানান, যে হোটেলের ভাড়া আগে ২০০০ টাকা ছিল, তা এখন কমিয়ে করা হয়েছে ১৫০০ টাকা। ১৫০০ টাকার হোটেলের ভাড়া করা হয়েছে ১০০০ টাকা। এর পাশাপাশি ১০০০ টাকার নিচের হোটেলের ভাড়াতেও থাকছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকার ছাড়। অনলাইন এবং স্পট বুকিং দু-ক্ষেত্রেই পাওয়া যাবে এই সুবিধা।

অনেকেই মনে করছেন, এতে হয়তো কিছুটা হলেই পর্যটকদের দিঘামুখি করা যাবে। এছাড়াও যারা কোনও শংসাপত্র ছাড়াই দিঘাতে উপস্থিত হবেন, তাঁদের জন্য থাকছে তৎক্ষণাৎ করোনা পরীক্ষার সুযোগ। রিপোর্ট নেগেটিভ হলেই মিলবে হোটেলে ঢোকার ছাড়পত্র। তবে তার জন্য পর্যটকদের ২৪০ টাকা খরচ করতে হবে।

মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে ‘রাক্ষসী’ বলে কটাক্ষ বিজেপি বিধায়কের

Surendra Singh

নিউজ ডেস্ক: বিধানসভায় হ্যাট্রিকের পরে লোকসভার লক্ষ্যে আসরে নেমেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা। দিল্লি সফরে গিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। বাংলার মেয়ের নেতৃত্বেই একজোট হচ্ছেন বিরোধীরা। আর সেই সময়েই মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে কটাক্ষ করলেন বিজেপির বিধায়ক সুরেন্দ্র সিং।

যোগী আদিত্যনাথের রাজ্য উত্তরপ্রদেশের বালিয়া জেলার বাইরিয়া কেন্দ্রের বিধায়ক এই সুরেন্দ্র। বিভিন্ন সময়ের বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে শিরোনামে উঠে এসেছেন তিনি। সেই ব্যক্তির মুখেই শোনা গেল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য। সরাসরি তৃণমূল সুপ্রিমোকে ‘রাক্ষসী’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

শুক্রবার সকালের দিকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন বিধায়ক সুরেন্দ্র সিং। সেই সময়ে মমতার দিল্লি সফর এবং বিজেপি বিরোধীদের নিয়ে জোটের প্রসঙ্গ ওঠে। যার পরিপ্রেক্ষিতে বাইরিয়ার বিধায়ক বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন লঙ্কিনি।” রামায়ন অনুসারে লঙ্কার এক রাক্ষসী এই লঙ্কিনি। যাকে লঙ্কার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।

বিধানসভা ভোটের পরে বাংলা জুড়ে হিংসা ছড়িয়েছে তৃণমূল। শাসকদলের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ করে বিজেপি। যদিও মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী দাবি করেছেন যে কোনও হিংসার ঘটনা ঘটেনি। যা হয়েছিল সব ভোটের আগে। কিন্তু জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে হিংসার উল্লেখ করা হয়েছে। কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে রাজ্য সরকারকে। বাংলার ‘আইনের শাসনে’র বদলে ‘শাসকের আইন’ চলছে বলেও উল্লেখ করা হয় রিপোর্টে।

সেই বিষয়টি উল্লেখ করেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘রাক্ষসী’ বলে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি বিধায়ক সুরেন্দ্র সিং। সেই সঙ্গে উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সপা সুপ্রিমো অখিলেশ যাদবকে মোঘল সম্রাট ‘ঔরঙ্গজেব’ বলে দাবি করেছেন তিনি। কারণ বাবা মুলায়মের ছেড়ে যাওয়া সমাজবাদী পার্টির সভাপতির পদ তাঁর কাকা শিবপাল যাদবকে না দিয়ে তা দখল করেন অখিলেশ। সুরেন্দ্র সিং দাবি করেছেন যে ওই একই উপায়ে ক্ষমতা দখল করেছিলেন ঔরঙ্গজেব।

‘মিনি’তে জুটি বাঁধছেন মৈনাক–মিমি

Mimi Chakraborty- Mainak Bhaumik

বায়োস্কোপ ডেস্ক: পরিচালক মৈনাক ভৌমিকের ছবি মানেই অন্য স্বাদের, আলাদা ধরনের গল্প। এবার তাঁর সঙ্গে এই প্রথমবার কাজ করবেন সাংসদ–তারকা মিমি চক্রবর্তী (Mimi Chakraborty)। মৈনাকের এই ছবির নাম ‘‌মিনি’‌। তবে মিমির অভিনয়ের সঙ্গে আরও একটি চমক অপেক্ষা করছে দর্শকদের জন্য। অভিনেত্রী সম্পূর্ণা লাহিড়ি এই ছবির মাধ্যমেই নিজের প্রযোজনা সংস্থায় হাতে খড়ি করবেন।

এখন মিমি বাদল অধিবেশনে যোগ দিতে দিল্লি রয়েছেন। সাংসদের কাজের পাশাপাশি গোটা দিল্লি ঘুরে বেড়াচ্ছেন তিনি। মাঝে একটু অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন তবে ফের চাঙ্গা হয়ে রাজধানীর রাস্তায় দেখা গিয়েছে তাঁকে। সোশ্যাল মিডিয়ায় দিল্লি ভ্রমণের বিভিন্ন ছবি পোস্ট করছেন।

মিমি জানিয়েছেন, ‌লকডাউনের সময়ই তিনি মৈনাকের ‘‌মিনি’‌ চিত্রনাট্য পড়েছেন এবং তাঁর চরিত্রটি পছন্দ হয়েছে। মিমি জানান যে তাঁকে কোনওদিন এমন চরিত্রের প্রস্তাব দেওয়া হয়নি। এই ছবি অন্য এক মাত্রার। পরিচালক মৈনাকের সঙ্গে মিমির প্রথম কাজ হলেও ক্রিসক্রসের সময় মৈনাকের সঙ্গে তিনি কাজ করেছেন। তবে সেই সময় অবশ্য মৈনাক এই ছবির সংলাপ লিখেছিলেন।

অন্যদিকে পরিচালক মৈনাক জানিয়েছেন তাঁর ছবিতে টক-ঝাল, মিষ্টি, রোম্যান্স সব ধরনের অনুভূতি পাওয়া যাবে। তাঁর এই ছবি মূলত এক স্বাধীনচেতা মেয়ের পরিবারের দায়িত্ব নিয়ে তৈরি হয়েছে। তাঁর ছবিতে এই প্রথমবার কাজ করবেন মিমি তাই এটা নিয়ে মৈনাকও বেশ উৎসাহিত। কারণ তিনি সবসময়ই মিমির সঙ্গে কাজ করতে আগ্রহী ছিলেন। এই ছবির শুটিং এ বছরেই শুরু হবে। যদিও এখনও দিনক্ষণ কিছুই ঠিক হয়নি। কারণ মিমি এখন ব্যস্ত রয়েছেন অরিন্দম শীলের ছবি নিয়ে।

ব্রক্ষাস্ত্র: রণবীর কাপুর এবং আলিয়ার গভীর প্রেমের সম্পর্ক ফাঁস

Alia Bhatt Wedding with Ranbir Kapoor

বায়োস্কোপ ডেস্ক: বরাবরই কোনও না কোনও বিষয়কে কেন্দ্র করে খবরের শিরোনামে থাকেন আলিয়া ভাট। তাঁর সঙ্গে রণবীর কাপুরের সম্পর্ক গোটা বলিউডের কাছে, বরাবরই হট নিউজ। সম্প্রতি আলিয়া তাঁর ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি পোস্ট করেছেন। মুহূর্তে ভাইরাল হয়েছে অভিনেত্রীর সেই ছবি। এই ছবির মধ্যে দিয়ে আলিয়া ব্যাপকভাবে মিস করছেন রণবীরকে।

ছবিতে আলিয়াকে দেখা যাচ্ছে একটি কালো টি-শার্ট পরে, খোলা চুলে রণবীরের টুপি মাথায়। টুপিতে লেখা আছে, ‘হাই অ্যাস ইওর এক্সপেকটেশন’। ছবি শেয়ার করে আলিয়া লিখেছেন, ‘যখন আপনি তাঁকে মিস করেন, তখন আপনি তাঁর জিনিসপত্র চুরি করেন। আর অনেক সেলফি তুলুন’। আলিয়ার এই পোস্ট ঝড়ের মতো ভাইরাল হয়েছে নেটদুনিয়ায়। আলিয়া যে রণবীরকে খুবই মিস করছেন, তা এই পোস্টে খুব সহজেই ধরা পড়ছে।

বেশ কিছু বছর ধরেই আলিয়া এবং রণবীর একে অপরকে ডেট করছেন। সম্পর্কের কথা স্বীকার করেছেন দুজনেই। এই অফস্ক্রিন জুটিকে একাধিকবার একসঙ্গে সময় কাটাতে দেখা গিয়েছে। শুধু তাই নয় রণবীর কাপুরের মা নিতু কাপুর আলিয়াকে বেশ পছন্দও করেন। রণবীর বলেছিলেন, করোনা পরিস্থিতি না এলে ২০২০ সালেই তিনি আলিয়াকে বিয়ে করতেন।

সম্প্রতি অয়ন মুখোপাধ্যায় পরিচালিত ছবি ‘ব্রক্ষাস্ত্র’-তে একসঙ্গে জুটি বাঁধতে চলেছেন রণবীর এবং আলিয়া। আপাতত বিয়ে নিয়ে কিছু ভাবতে নারাজ এই জুটি। এখন দুজনেই তাঁদের পরবর্তী প্রজেক্ট ‘ব্রক্ষাস্ত্র’ নিয়ে ব্যস্ত। এছাড়াও এই সিনেমা ছাড়াও আলিয়া এবং রণবীরের শিডিউলে রয়েছে একাধিক সিনেমা। তবে কাজের ব্যস্ততার মধেও প্রেমিক রণবীরকে মিস করতে ভুলছেন না আলিয়া।

দার্জিলিং ছাড়িয়ে দক্ষিণবঙ্গে নামছে করোনার ভয়াল ডেল্টা হামলা

Delta varient spreading

নিউজ ডেস্ক: সিকিম থেকে দার্জিলিং এরপর কোনদিকে? করোনার ভয়াবহ ডেল্টা ধরণের গতি নিম্নমুখী অর্থাৎ দক্ষিণবঙ্গের দিকে। এমন আশঙ্কা বিশেষজ্ঞদের।পশ্চিমবঙ্গে ক্রমশ ছড়াচ্ছে করোনারভাইরাসের অতি সংক্রামক ডেল্টা ধরণ বা ইন্ডিয়ান ভ্যারিয়েন্ট।

উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজের রিপোর্ট, দার্জিলিং, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়িতে করোনা আক্রান্ত বিভিন্ন রোগীর দেহে মিলেছে ডেল্টা ধরণ। কোচবিহার ও দুই দিনাজপুর থেকে তেমন খবর আসেনি।

করোনার ডেল্টা ধরণটির সংক্রমণ কেমন? গোটা দেশ এর সাক্ষী। তবে পশ্চিমবঙ্গে ডেল্টা তেমন আসেনি। এবার তার টার্গেট এই রাজ্য। পরিস্থিতি যে ফের পশ্চিমবঙ্গে জটিল হবে তা থেকেই আন্দাজ করা যাচ্ছে।

করোনা ভাইরাসের এই তীব্র সংক্রামক ধরণটি নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা শঙ্কিত। তাঁরা মনে করছেন, ডেল্টা ফের বিশ্বকে স্তব্ধ করে দিতে পারে। ডেল্টা হামলায় ইতিমধ্যেই দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ ইন্দোনেশিয়া জুড়ে চলছে হাহাকার। বাংলাদেশে ডেল্টা ধরণটি ছড়িয়েছে। বাংলাদেশ জুড়ে শুরু হয়েছে চিকিৎসা সংকট।

হু জানাচ্ছে, করোনার ডেল্টা বা ইন্ডিয়ান ভ্যারিয়েন্ট সংক্রমণে স্তব্ধ হতে চলেছে পুরো পশ্চিম এশিয়া। এই অঞ্চলের ইরান, ইরাক সহ উত্তর আফ্রিকার কিছু দেশে হু হু করে ছড়িয়েছে ডেল্টা। পশ্চিম এশিয়ায় হু আঞ্চলিক প্রধান আহমদ আল মান্ধারির দাবি, চতুর্থ ঢেউ চলছে।

সিকিম স্তব্ধ। ডেল্টার হানায় কুঁকড়ে গেছে লাল পান্ডার স্বর্গরাজ্য। সেখান থেকে দার্জিলিং ও কালিম্পং দুই পার্বত্য জেলায় সংক্রমণ ছড়াতে থাকায় উত্তরের আকাশে ভয়ের মেঘ। দক্ষিণেও সেই ভয় ছড়াচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন,

টিকা না নেওয়ার গাফিলতিই ডেল্টা সংক্রমণের কারণ। যে ধরনের টিকা মিলছে তা করোনা প্রতিরোধে উপযুক্ত। সংক্রমণ হলেও টিকা গ্রহীতার মৃত্যুর সম্ভাবনা বহু কমে যায়।

Tiger is back: দেশজুড়ে বাঘের সংখ্যা বাড়ল

Tiger numbers are increasing across the countries where the endangered big cat is found, conservationists have said

নিউজ ডেস্ক: ১৯৭২ সালে বন্য জীব সংরক্ষণ আইন তৈরি হয়৷ তার পর থেকে কার্বেট টাইগার রিজার্ভে ১ এপ্রিল ১৯৭৩ তে বাঘ সংরক্ষণ পরিকল্পনা শুরু করা হয়েছিল। সেই সময়ে দেশজুড়ে মাত্র ২৬৮ বাঘ ছিল। বর্তমানে শুধুমাত্র কার্পেট টাইগার রিজার্ভে ২৫০টি বাঘ রয়েছে বলে দাবি করে বনদপ্তর।

এখানে বাঘ সংরক্ষণের জন্য যে রূপরেখা তৈরি করা হয়েছিল, তার মধ্যে সবথেকে কার্যকারী কারণ ছিল এখানকার ঘন জঙ্গল এবং সেখানে উপস্থিত শাকাহারী জন্তু।

কার্বেট টাইগার রিজার্ভের মধ্যে দিয়ে বয়ে যাওয়া রামগঙ্গা নদী এখানকার পশুদের জন্য জীবনদায়ী। এই নদীটি থাকার জন্য বাঘরা কালাগঢ় থেকে ঢিকালা পর্যন্ত পর্যাপ্ত জল পেয়ে যায়। রামগঙ্গা নদী ঘাঁটিতে বাঘেদের আনাগোনা লেগেই থাকে।

কার্পেট টাইগার রিজার্ভে বাঘ সংরক্ষণ শুরু করার ফলে এখানে বাঘের সংখ্যা ক্রমশ বাড়ছে বলেই মনে করছে এখানকার কর্মচারীরা। সংরক্ষণের পদক্ষেপ নেওয়ার পর থেকে বাঘ সংরক্ষণের ক্ষেত্রে গতি এসেছে বলেই মনে করেন তারা। এই এলাকায় বাঘ সংরক্ষণ করা একটা বড়সড় চ্যালেঞ্জ ছিল বলেই মনে করা হয়। এখন এখানে প্রায় ২৫০টি বাঘ আছে বলেই মনে করা হয়। এই এলাকার সুরক্ষা ব্যবস্থা এবং প্রকৃতি বাঘের অনুকূল বলেই মনে করা হচ্ছে। রয়্যাল বেঙ্গল টাইগারদের এই এলাকার প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুবই পছন্দ হয়ে গিয়েছে বলেই মনে করা হয়।

কার্বেটে সব থেকে বেশি বাঘ কালাগড়ের জঙ্গলে আছে। এই এলাকায় বাঘদের সুরক্ষা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করতে বিভিন্ন ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে। এমনকি টেকনোলজির সাহায্য নিয়ে এই এলাকায় বাঘদের সুরক্ষিত রাখতে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জঙ্গলটি ই-সার্ভিলেন্সে রয়েছে। ক্যামেরার মাধ্যমে এই জঙ্গলের আনাচে-কানাচে নজর রাখা হয়। বনক্ষেত্র গুলোর এখনও সংরক্ষণের প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করেন এখানকার এলাকাবাসীরা৷ তবে বিগত কয়েক বছরের মধ্যে কার্পেট টাইগার রিজার্ভে যেভাবে বাঘের সংখ্যা বেড়ে চলেছে সন্তোষজনক বলে মনে করছেন বাঘ বিশেষজ্ঞরা। এই মুহুর্তের দেশে বাঘের সংখ্যা যথেষ্ট ভাল বলেই মনে করা হচ্ছে। এক সময় শিকারের কারণে দিনের-পর-দিন এখানে বাঘের মৃত্যু হয়েছে।

দেশজুড়ে বাঘের সংখ্যা বৃদ্ধি যথেষ্ট ইতিবাচক বলে মনে করছে বন আধিকারিকরা এবং বাঘ বিশেষজ্ঞরা। অনেকে বলছেন প্রকৃতি মানুষকে আরও একটা সুযোগ দিয়েছে৷ বাঘ সংরক্ষণ করার এই সুযোগ মানুষের কখনও হাতছাড়া করা উচিৎ না বলেও মন্তব্য করছেন অনেকে। আগামিদিনে বাঘের এই সংখ্যা দেশজুড়ে বাড়ানোর লক্ষ্য রয়েছে।