উত্তম-সৌমিত্রর মতান্তর এবং অভিনেত্রী সঙ্ঘ ভেঙে শিল্পী সংসদ

Special report on Uttam Kumar's death day

বিশেষ প্রতিবেদন: বঙ্গ জীবনে এমন কতগুলি শব্দযুগল জড়িয়ে রয়েছে যা নিয়ে ঘন্টার পর ঘন্টা বাঙালিদের মধ্যে তর্ক-ঝগড়া চলে৷ মোহনবাগান না ইস্টবেঙ্গল, হেমন্ত না মান্না, সত্যজিৎ না ঋত্বিক, উত্তম না সৌমিত্র।

এটা ঘটনা উত্তমকুমার এবং সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের ফ্যানেরা এই দুই তারকাকে নিয়ে যতোই তর্ক-বিতর্ক করুক না কেন, আর পেশাগত দিক দিয়ে রেষারেষি যাই থাকুক না কেন ব্যক্তিগত জীবনে দুজনের মধ্যে সম্পর্ক ছিল খুবই ভাল৷ তবে ষাটের দশকের শেষ দিকে উত্তম- সৌমিত্রের মধ্যকার ব্যক্তিগত সংঘাত হয়েছিল যার জন্য দুই ব্যক্তিত্বের মধ্যে কিছুটা দূরত্ব তৈরি হয়। যদিও কিছুদিন পরেই তা আবার ঠিক হয়ে যায়। তবে তাদের দূরত্বের পাশাপাশি ওই সময় ভাঙন ধরেছিল অভিনেতা কলাকুশলীদের সংগঠনেও।

৬০-এর দশকের শেষ দিকে উপযুক্ত পারিশ্রমিক পাচ্ছে না বলে ক্ষোভ দেখা গিয়েছিল সিনেমার নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত কলাকুশলীদেরও মধ্যে। যারফলে বেশ কিছু দাবিতে ধর্মঘটের ডাক দেয় ‘‌সিনে টেকনিশিয়ানস ওয়াকার্স ইউনিয়ন’‌।

১৯৬৮ সালে যখন এই ধর্মঘট শুরু হয় তখন ‘‌অভিনেতৃ সঙ্ঘ’ তা নৈতিক সমর্থন করে। তখন ‘অভিনেতৃ সঙ্ঘ’‌–এর সভাপতি হলেন উত্তমকুমার এবং সম্পাদক সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। এদিকে রাজ্যে যুক্তফ্রন্ট সরকার থাকায় কর্মচারি ও শ্রমিক ইউনিয়নগুলিরও তখন বেশ জঙ্গি মনোভাব। সেই সময় আবার গঠিত হয় ‘‌পশ্চিমবঙ্গ চলচ্চিত্র সংরক্ষণ সমিতি’‌ এবং এই সংগঠনে পুরোভাগে ছিলেন উত্তমকুমারের ঘনিষ্ঠ কয়েকজন প্রযোজক।

ওই সময় অভিনেতৃ সঙ্ঘের একাংশ সঙ্ঘের তহবিল থেকে দশ হাজার টাকা ধর্মঘটীদের দিতে চায়। কিন্তু তা নিয়ে মতভেদ দেখা যায় ৷ সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়, ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়, অনুপকুমাররা ছিলেন টাকা দেওয়ার পক্ষে কিন্তু বিকাশ রায় জহর গাঙ্গুলীরা তার বিরোধিতা করেন৷ এদিকে উত্তমকুমার প্রযোজকদের প্রতিনিধি হয়ে পড়েছেন বলে তখন অভিযোগ ওঠে। তা নিয়ে পরিস্থিতি এতটাই জটিল হয় যে উত্তমকুমার সৌমিত্র এবং ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপর বেশ ক্ষুব্ধ হন৷ ফলে পরিস্থিতি এমনই পর্যায়ে দাঁড়ায় যে সদস্যদের মধ্যে ভোটাভুটি করতে হয়৷ আর সেই ভোটে জিতে অভিনেত্রী সঙ্ঘের সভাপতি হন সৌমিত্র৷ এর পর যথারীতি সঙ্ঘ ধর্মঘটীদের ১০,০০০টাকা দেয়৷

অন্যদিকে উত্তমকুমার ক্ষুব্ধ হয়ে সঙ্ঘ ছেড়ে বেরিয়ে এসে তৈরি করেন শিল্পী সংসদ৷ উত্তমের সঙ্গে শিল্পী সংসদে তখন বিকাশ রায় জহর রায়েরা ৷ অন্যদিকে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় এবং ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়েরা অভিনেত্রী সংঘে৷ আপাতদৃষ্টিতে মনে করা হয়ে থাকে বামপন্থীরা তখন ‘‌অভিনেতৃ সঙ্ঘ’‌–এ এবং কংগ্রেসী সমর্থকরা যোগ দিয়েছেন ‘‌শিল্পী সংসদ’‌–এ। তবে অতটা সরল বিভাজন তখন সেটা ছিল না কারণ বিপরীত মতাদর্শের লোক হলেও অনিল চট্টোপাধ্যায়, নির্মল ঘোষেরা কিন্তু শিল্পী সংসদে যোগ দেন ৷ মতাদর্শের পাশাপাশি বাংলা রুপালি পর্দার দুই নায়কের ব্যক্তিগত সংঘাতও সেই সময় কাজ করেছিল সংগঠনের ক্ষেত্রে বলে মনে করেন অনেকে ৷

তবে এটাও ঘটনা এর কিছু দিন বাদে বসুশ্রী সিনেমা হলে এক অনুষ্ঠানে মঞ্চে অন্যান্য শিল্পীদের সঙ্গে হাজির ছিলেন উত্তম সৌমিত্র এবং ভানু বন্দ্যোপাধ্যায় ৷ সেখানে সৌমিত্র ভানুকে পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করলেও উত্তমকুমারকে হাতজোড় করে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন৷ তখন উত্তমকুমার সৌমিত্রের কাছে জানতে চান, এতদিন সৌমিত্র উত্তমকে বড় ভাইয়ের মতো ভেবে পায়ে হাত দিয়ে তাকে প্রণাম করে এসেছেন কিন্তু এখন তাদের সংগঠন আলাদা হয়ে গিয়েছে বলেই এমন আচরণ করা হল? তখন অবশ্য সৌমিত্র পায়ে হাত দিতে প্রণাম করে ক্ষমা চেয়ে নেন এবং উত্তমও তাঁকে জড়িয়ে ধরেন৷ আর দুজনের সম্পর্কের বরফ গলে আগের মতো হয়ে যায়৷

লকডাউন শিথিল হতেই কাজের চাপ, এই পরিস্থিতিতে কবীরকে কীভাবে সামলাচ্ছেন কোয়েল

koel

বায়োস্কোপ ডেস্ক: এতদিন লকডাউন থাকায় তেমন কর্মব্যস্ততা ছিল না । তবে লকডাউন বেশ কিছুটা শিথিল হতেই টলিপাড়ায় ব্যস্ততা তুঙ্গে। প্রায় প্রত্যেক কলাকুশলীরাই নতুন করে কাজে মন দিয়েছেন। এই তালিকায় বাদ পরেনি কোয়েল মল্লিকের নামও। লকডাউন পরিস্থিতি বেশ কিছুটা স্বাভাবিক হতেই কাজে ঝাঁপিয়ে পরেছেন অভিনেত্রী। তবে সমস্যা একটাই তাঁর পুত্র সন্তান কবীর। এখন কবীরের বয়স মাত্র দের বছর। এই পরিস্থিতিতে কোয়েলকে ছায়াসঙ্গীর মতো পাসে থাকতে হয় কবীরের। কাজের চাপ এবং ছেলেকে সামলানো এই দুয়ের মধ্যে কীভাবে মেলবন্ধন ঘটাছেন কোয়েল?

একটি সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে কোয়েল জানান, ছোটবেলা থেকে তাঁর বাবা-মা তাঁকে একটাই কথা বলত মা হলে তাঁকে বেশকিছু জিনিস মাথায় রাখতে হবে। আজ কোয়েলের মা-বাবার বলা সেই কথা মনে পরে যাচ্ছে। কোয়েলের কথায় যতই তিনি কাজ ব্যস্ত থাকুক না কেন তাঁর মাথায় সব সময় কবীরের কথাই ঘুরছে। বারবারই তাঁর মনে হচ্ছে, কবীরের খিদে পায়নি তো, তাঁর পোশাক বদলাতে হবে না তো, এই ধরনের নানা চিন্তা ঘুরছে কোয়েলের মাথার ভিতর।

কোয়েল আরও বলেন, ‘আমার জীবন, আমার চিন্তাভাবনা সবকিছুই পালটে দিয়েছে কবীর’। এর পাশাপাশি করোনা আবহে বহুদিন ধরে হল বন্ধ থাকার বিষয়ে কোয়েলের থেকে জানতে চাওয়া হলে তিনি জানান, দর্শকরা আবারও হলে গিয়ে সিনেমা দেখবেন বলে তিনি আশাবাদী। ধীরে ধীরে পরিস্থিতি ঠিকঠাক হয়ে যাবে। তখন আবারও হলে আগের মতো দর্শকদের ভিড় লক্ষ্য করা যাবে।

কুন্দ্রার কীর্তি: বেটিং থেকে বিটকয়েন কেলেঙ্কারির নায়ক রাজ

Raj Kundra is involved in bitcoin scandal from betting

নিউজ ডেস্ক: শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজ কুন্দ্রা এখন খবরের শিরোনামে। বিশ্বজুড়ে এখন শোরগোল এই দম্পতিকে নিয়ে। যেভাবে নীল ছবি তৈরির ব্যবসায় জড়িয়ে থাকার অভিযোগ উঠেছে রাজের বিরুদ্ধে, তার জেরে সকলেই চমকে উঠেছেন। তবে রাজ কুন্দ্রার সঙ্গে বিতর্কের একটি গভীর সম্পর্ক রয়েছে। জীবনে সবসময় বিতর্ক ঘিরে থাকে রাজ কুন্দ্রাকে।এ ক নজরে দেখা যাক ‘কীর্তিমান কুন্দ্রার কীর্তি’।

ম্যাচ ফিক্সিংয়ের অভিযোগ
রাজ কুন্দ্রা জড়িৎ সব থেকে বড় বিতর্ক ছিল আইপিএলে ম্যাচ ফিক্সিং-এর। শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজ কুন্দ্রা রাজস্থান রয়েলস দলটির সহ মালিক ছিলেন। বিশ্ব বিখ্যাত এই ব্যবসায়ী আইপিএল ম্যাচ ফিক্সিং এর জন্য দীর্ঘদিন সন্দেহের তালিকায় ছিলেন। লোধা কমিশন তাকেও অভিযুক্ত পেয়েছিল।রাজ ক্রিকেটের কোন বিষয়বস্তুর সঙ্গে জড়িত থাকতে পারবেন না বলেও নির্দেশ দেওয়া হয়। রাজস্থান রয়েলস টিম কে দু’বছরের জন্য ব্যান করা হয়েছিল।

Raj kundtra with samita

বিটকয়েন স্ক্যামে জড়িৎ রাজের নাম
রাজ কুন্দ্রার নাম বিটকয়েন দুর্নীতির সঙ্গেও জড়িয়ে ছিল। পুনে পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ এবং ই ডি-র তদন্তে বলিউডের একাধিক ব্যক্তিত্বদের পাশাপাশি রাজ কুন্দ্রার নামও উঠে এসেছিল। ওয়েবসাইট তৈরি করে বহু মানুষকে প্রতারণা করা হয়েছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন তদন্তকারীরা। এই ঘটনায় অনেকেই জড়িত ছিলেন বলে অনুমান করেছিলেন পুলিশ আধিকারিকরা। তার মধ্যে অন্যতম নাম ছিল রাজ কুন্দ্রা।

২৪ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ
২০১৭ সালে মহারাষ্ট্র পুলিশ একটি কাপড়ের কোম্পানির অভিযোগের ভিত্তিতে রাজকুন্দ্রা এবং শিল্পা শেট্টির বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ দায়ের করেছিল। এই কাপরের কোম্পানির মালিক অভিযোগ করেছিলেন যে তাদের নাম ভাঙ্গিয়ে শিল্পা এবং রাজ টাকা তুলেছেন।এই টাকার তারা কোন ভাগ দেননি এই কোম্পানিকে বলেও অভিযোগ করেছিলেন এই ব্যবসায়ী। এই দম্পতির বিরুদ্ধে অভিযোগকারী ২৪ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ এনেছিলেন।

Raj Kundra Son of a bus conductor and now a business baron

রাজ কুন্দ্রার বিরুদ্ধে অভিনেত্রী পুনম পান্ডের অভিযোগ
মডেল-অভিনেত্রী পুনাম পান্ডে রাজকুন্দ্রা এবং তার সহযোগীর বিরুদ্ধে বোম্বে হাই কোর্টে অভিযোগ জানিয়ে ছিলেন। তিনি অভিযোগ করেছিলেন রাজ কুন্দ্রা এবং তার কোম্পানি পুনম পান্ডের ছবি ভুল কাজের জন্য ব্যবহার করেছে। তবে রাজ এই অভিযোগগুলো অস্বীকার করে বলেছিলেন এই বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না ।এই ঘটনার সঙ্গে তিনি জড়িৎ নন বলেও দাবি করেছিলেন কুন্দ্রা।

Mumbai police arrest Raj Kundra in a pornography case

প্রাক্তন স্ত্রীকে নিয়েও যথেষ্ট চর্চায় ছিলেন রাজ
কয়েকদিন আগে রাজ কুন্দ্রা নিজের প্রাক্তন স্ত্রী কবিতার বিরুদ্ধে অভিযোগ এনেছিল যে কবিতার সঙ্গে তার বোনের স্বামীর অবৈধ সম্পর্ক ছিল। এই অবৈধ সম্পর্কের জেরে তাদের বিয়ে ভেঙে যায়। এই ঘটনার পর থেকে রাজ কুন্দ্রা শিল্পা শেট্টি এবং রাজ্যের প্রাক্তন স্ত্রী কবিতাকে নিয়ে সমালোচনা শুরু হয়।
এখন পুলিশের জালে রাজ কুন্দ্রা। এবার দেখার তার বিরুদ্ধে যে নীল ছবি তৈরি করা এবং অ্যাপের মাধ্যমে ছবি গুলোকে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে সেই অভিযোগ ধুয়ে মুছে নিজের ছবি পরিষ্কার রাখতে পারেন নাকি আইনের ফাঁদে আগামী দিনেও দিন কাটাতে হয় রাজ কুন্দ্রাকে।

বিবর্তনে পর্নোগ্রাফি: দেশি চটি বই থেকে বিদেশি ‘প্লেবয়’ এবং রাজ কুন্দ্রা

Young Woman Watching Movie

নিউজ ডেস্ক: একটা সময় পর্যন্ত কলকাতার অলিগলিতে তো বটেই, বাংলার প্রায় সব মফঃস্বল শহরেও গোপনে বিক্রি হত ‘চটি বই’৷ আদি রসাত্মক গল্পের সেই বইগুলো লেখা হত ছদ্মনামে৷ চটি বইয়ের বাইরে ‘অপরাধ’, সত্যকাহিনি’, ‘দফা ৩০২’ -এর মতো নিরীহ নামের কিছু ‘পিনআপ’ ম্যাগাজিনও ছিল, যেগুলো প্রকাশের উদ্দেশ্যই ছিল নারীদেহ এবং যৌনকর্মের পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা দিয়ে পাঠক মনে যৌন উদ্দীপনা জাগানো৷ এছাড়া বড় শহরগুলোয় ‘প্লেবয়’ ম্যাগাজিনও পাওয়া যেত৷

ভিডিও ক্যাসেট রেকর্ডার, অর্থাৎ ভিসিআরের এখন আর কোন চিহ্নই থাকবে না৷ ২০১৮ সালের জুন মাসে জাপানে তৈরি হয় বিশ্বের সর্বশেষ ভিসিআর৷ মানে বিশ্বের কোথাও আর কখনও ভিসিআর তৈরি হবে না ও হচ্ছে না৷ বাংলায় পর্নোগ্রাফির বিস্তারে এই ভিসিআর একসময় খুব বড় ভূমিকা রেখেছে৷ সিনেমা হলে না গিয়ে ঘরে বসে হিন্দি, ইংরেজি ছবি দেখা শুরু হয়েছিল ভিসিআর দিয়ে৷ একটি চক্র তখন নানা জায়গায় গোপনে ‘ব্লু ফিল্ম’-ও দেখাতে শুরু করে৷

দেশের কিছু প্রেক্ষাগৃহে হলিউডের মুভি দেখানো হত৷ এক সময় ঘোষিত মুভির ফাঁকে ফাঁকে দেখানো শুরু হয় ‘ব্লু ফিল্ম’৷ এই প্রবণতা অন্য হলগুলোতেও ছড়িয়ে পড়ে৷ বাংলা ছবির ফাঁকে ফাঁকে দেখানো শুরু হয় ‘কাট পিস’, অর্থাৎ নীল ছবির অংশ বিশেষ৷

কম্পিউটারের আসার পর থেকে অল্প অল্প করে কমপ্যাক্ট ডিস্ক, অর্থাৎ সিডিতেও ঢুকে পড়ে নীল ছবি৷ সেই ছবি পৌঁছে যায় ঘরে ঘরে৷ সিডির পর এল ডিজিটাল ভার্সেটাইল ডিস্ক, অর্থাৎ ডিভিডি৷ ভার্সেটাইল ডিস্ক দেশে জ্ঞান এবং সংস্কৃতির চর্চা ও বিকাশে নিঃসন্দেহে ‘ভার্সেটাইল’ ভূমিকাই রাখছে, তবে পাশাপাশি যে পর্নোগ্রাফির ধারক, বাহক হিসেবেও এর একটা পরিচিতি গড়ে উঠেছে তা-ও অস্কীকার করা যাবে না৷

Adult movies

গত কয়েক বছরে দেশে ইন্টারনেট ও তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবহার বিষ্ময়কর হারে বেড়েছে৷ সর্বশেষ হিসেব অনুযায়ী, ১৯৯৫ সালে এক এমবি-র ছবি ডাউনলোড করতে সময় লাগত প্রায় সাত মিনিট। ২০০০ সালে ভারতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ৫৫ লাখ। আর এখন সেটা ৭০ কোটি। ২০১২-১৩ সালেও ৩০ এমবি থ্রিজি ইন্টারনেট পাওয়ার জন্য ১০ থেকে ১২ টাকা দিতে হত। কিন্তু ২০১৬ সালে জিও আসার পর দেশে ইন্টারনেট পরিষেবার ছবিটাই বদলে গেল। শুরুর দিকে দেশবাসীকে বিনামূল্যে ইন্টারনেট পরিষেবা দিয়েছিল জিও।

ইন্টারনেটের অপব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে৷ পর্নোসাইটের দৌরাত্ম এত ভয়াবহভাবে যে, সম্প্রতি পর্নোগ্রাফি ও আপত্তিকর কন্টেন্ট প্রকাশ বন্ধের উদ্যোগ হিসেবে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বহু পর্নোসাইট বন্ধ করেছে৷

ইন্টারনেট অ্যান্ড মোবাইল ডেটার তথ্যে গিয়েছে, ভারতের শহরের থেকে গ্রামীণ এলাকায় ১০ শতাংশ সার্চ হয়েছে। শহরাঞ্চলের ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা যেখানে ২০.৫ কোটি, সেখানে গ্রামীণ এলাকার ২২.৭ কোটি বলে সংস্থার সমীক্ষায় দেখা গিয়েছে৷ ২০২০ সালের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, বর্তমানে ভারতে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ৫০.৪ কোটি, চিনের কাছে তা দ্বিতীয়। চিনে রয়েছে সবচেয়ে বেশি ইন্টারনেট ব্যবহারকারী, যার সংখ্যা ৮৫০ কোটি৷ ফলে মোবাইলই হয়ে উঠেছে পর্নোগ্রাফির সবচেয়ে বড় উৎস৷ এখন হাতে হাতে মোবাইল৷ তাই পর্নোগ্রাফি ও আপত্তিকর কন্টেন্টও হয়ে উঠেছে সহজলভ্য৷

একটি হিসেব বলছে, দেশে প্রতি ১২ সেকেন্ডে অন্তত একটি করে নতুন ফেসবুক অ্যাকাউন্ট খোলা হচ্ছে৷ নতুন অ্যাকাউন্টগুলোর উল্লেখযোগ্য একটি অংশই ‘ভুয়ো’৷ এভাবে কিছু লোক ফেসবুক, টুইটারেও নানা ধরণের অপতৎপরতা চালাচ্ছে৷ এর ফলে সোস্যাল সাইটের মাধ্যমেও পর্নোগ্রাফির বিস্তার বাড়ছে হু হু করে৷ এই অবাধ ব্যবহারের ফলে বাড়ছে নীল ছবি তৈরি৷ এক সময় দক্ষিণের বি-গ্রেড ছবিতে অল্প বিস্তর খোলামেলা দৃশ্য থাকত৷ ইংরেজি নীলছবির মতো খোলামেলা হত না৷

কিন্তু, এই মোবাইল ব্যবহারীর সংখ্যা বেড়ে যাওয়া এবং স্বল্পমূল্যে ইন্টারনেট করার সুবিধার কারণে এখন বাংলা, হিন্দিতে চলছে নীলছবি তৈরি৷ ওটিটি প্ল্যাটফর্ম এবং ওয়েব সিরিজের দৌলতে নীল ছবির বাড়-বাড়ন্ত৷ আর তাকে কাজে লাগাচ্ছেন রাজ কুন্দ্রার মতো নীল ছবি নির্মাতারা৷

রূপকথা: বাস কন্ডাক্টরের সন্তান থেকে বিজনেস ব্যারন ‘নীলছবি নির্মাতা’ রাজ কুন্দ্রা

Raj Kundra Son of a bus conductor and now a business baron

নিউজ ডেস্ক: পর্নোগ্রাফিকাণ্ডে শিল্পা শেট্টির স্বামী রাজ কুন্দ্রাকে গ্রেপ্তার করে মুম্বাই পুলিশ ক্রাইম ব্রাঞ্চ। তার বিরুদ্ধে পর্নোগ্রাফি বানানো ও তা অ্যাপের মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ এনেছে পুলিশ।

অতি দরিদ্র ঘরের ছেলের থেকে বিজনেস ব্যারন হয়ে ওঠা রাজের জীবনের গল্প যেন রূপকথার মতো। তাই ৪৫ বছর আগে রাজ কুন্দ্রার বাবা লুধিয়ানা থেকে লন্ডনে পাড়ি দেন। সেখানে গিয়ে বসবাস শুরু করেন তিনি ও তাঁর পরিবার। বাবা ছিলেন বাস কন্ডাক্টর, মা ছিলেন কারখানার শ্রমিক। দারিদ্রকে দেখেছেন অনেক কাছ থেকে। দারিদ্রকে মনেপ্রাণে ঘৃণা করতেন রাজ। পড়াশোনায় অমনোযোগী রাজ মাত্র ১৮ বছর বয়সে পড়াশোনা ছেড়ে। কলেজে পড়াশোনার সুবাদে দুনিয়া দেখতে শুরু করেন।  নিজের জীবনকে নতুন রূপে পেতে গিয়েই ধনী হওয়ার লক্ষ্যে অবিচল হন তিনি। 

বাস কন্টাকটারি করে কিছু টাকা অর্জন করে রাজের বাবা একটি দোকানের ব্যবস্থা করেন। তিনি রাজকে ছয় মাসের সময় দিয়ে বলেন তাকে কিছু করে দেখাতে হবে। অথবা তাদের সঙ্গে এই কাজে যোগ দিতে হবে।এই ছয় মাসের সময়কে চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিয়ে মাত্র ২০০০ ইউরো সঙ্গে করে নিয়ে দুবাই পাড়ি দেন রাজ কুন্দ্রা। সেখানে গিয়ে কয়েকজন ব্যবসায়ীর সঙ্গে কথা বললেও খুব একটা সুবিধা করতে পারেননি। তারপরেই দুবাই থেকে নেপাল চলে যান তিনি। নেপালে গিয়ে খুব কম দামে পাশমিনা শাল কেনেন রাজ। ১০০টি শাল কিনে লন্ডন ফিরে সেগুলো অনেক বেশি দামে বিক্রি করতে শুরু করেন।

এমনকি পরবর্তী সময়ে ইংল্যান্ডের বড় বড় ব্র্যান্ডগুলোর সঙ্গে কথা বলতে শুরু করেন রাজ ।এই ভাবেই পাশমিনা সালের ব্যবসার মাধ্যমে তার বছরের টার্নওভার হয়ে ওঠে ২০ মিলিয়ন ইউরো। তারপরে আর ফিরে তাকাননি রাজ কুন্দ্রা কিছুদিনের মধ্যেই আবার দুবাই ফেরত যান, হীরে সংক্রান্ত একটি কোর্সও করেন। কারণ প্রথম থেকেই এই ব্যবসা করার লক্ষ্যে এগিয়েছিলেন তিনি। লক্ষ্য পূরণের উদ্দেশ্যে এগোতে থাকেন তিনি। ২০০৪ সালে Success Magazine রাজ কুন্দ্রাকে ১৯৮ তম ধনী ব্রিটিশ এশিয়ানের খেতাব দেয়।

২০০৭ সালে রাজ কুন্দ্রা ফের দুবাইয়ের উদ্দেশ্যে উড়ে যান। সেখানে গিয়ে তিনি একটি কোম্পানি তৈরি করেন। সেই কোম্পানি বিভিন্ন ধরনের কনস্ট্রাকশন ,মাইনিং সহ একাধিক প্রজেক্ট শুরু করে। তার পরবর্তী সময়ে আইপিএল- এর রাজস্থান রয়্যালস দলটির মালিকানা নেন রাজ কুন্দ্রা। ঠিক এই ভাবেই নিজের লক্ষ্য পূরণে এগোতে থাকেন রাজ কুন্দ্রা। বিশ্বজুড়ে তার সম্পত্তি রয়েছে এখন।

প্রথম স্ত্রীস্ত্রী ছিলেন কবিতা। তাঁর সঙ্গে সম্পর্কে জটিলতা তৈরি হয়। রাজের অভিযোগ তাঁর বোনের স্বামীর সঙ্গে সম্পর্ক ছিল কবিতা কুন্দ্রার। কবিতার মতে তাঁদের বিয়ে ভাঙার জন্য দায়ি শিল্পা শেট্টি। ২০০৮ এ শিল্পাকে বিয়ে করেন রাজ কুন্দ্রা।  বিশ্বজুড়ে ‘আইডিয়াল কাপল’ হিসাবেই নিজেদেরকে সমাজে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন এই দম্পতি। তবে গত ১৯ জুলাই সব স্বপ্নই চুরমার হয়ে গেল যখন মুম্বই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ এর জালে ধরা পড়লেন রাজ কুন্দ্রা।

প্রায় ২,৫২৭১ টি শূন্যপদে কনস্টেবেল নিয়োগ, বেতন শুরু ২১,৭০০ টাকা থেকে

job

ভারতের বিভিন্ন রাজ্য থেকে প্রায় ২,৫২৭১ টি শূন্যপদে কনস্টেবেল নিয়োগ করা হবে। ভারত সরকার অনুমোদিত এসএসসি পরীক্ষার মাধ্যমে শূন্যপদের জন্য প্রার্থী নির্বাচন করা হবে। ইতিমধ্যেই ভারত সরকারের তরফ থেকে এই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ কারা হয়েছে। প্রতিমাসের বেতন হিসেবে দেওয়া হবে ২১,৭০০ টাকা থেকে ৬৯,১০০ টাকা।

শূন্যপদের বিবরণ

১. বিএসএফ – পরুষ প্রার্থী ৬৪১৩ জন এবং মহিলা প্রার্থী ১১৩২ জন।
২. সিআইএসএফ – পরুষ প্রার্থী ৭৬১০ জন এবং মহিলা প্রার্থী ৮৫৪ জন।
৩. এসএসবি – পরুষ প্রার্থী ৩৮০৬ জন।
৪. আইটিবিপি – পরুষ প্রার্থী ১২১৬ জন এবং মহিলা প্রার্থী ২১৫ জন।
৫. এসএসএফ – পরুষ প্রার্থী ১৯৪ জন এবং মহিলা প্রার্থী ৪৬ জন।
৬. এআর – পরুষ প্রার্থী ৩১৮৫ জন রবং মহিলা প্রার্থী ৬০০ জন।

আবেদনের শিক্ষাগত এবং অন্যান্য যোগ্যতা

আবেদনের জন্য প্রার্থীদের যে কোনও স্বীকৃত বোর্ড থেকে মাধ্যমিক পাশের সার্টিফিকেট থাকতে হবে। এছাড়াও পরুষদের ক্ষেত্রে উচ্চতা হতে হবে ১৭০ সেমি। অন্যদিকে মহিলাদের ক্ষেত্রে উচ্চতা হতে হবে ১৫৭ সেমি।

আবেদন ফি

পরুষ এবং অসংরক্ষিত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে আবেদন ফি বাবদ ১০০ টাকা দিতে হবে। অন্যদিকে এবং মহিলা প্রার্থীদের কোনও আবেদন ফি লাগবে না।

আবেদনের বয়সগত যোগ্যতা

আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ২৩ বছরের মধ্যে। সংরক্ষিত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়সের ঊর্ধ্বসীমায় ছাড় দেওয়া হবে।

নির্বাচন পদ্ধতি

মোট ১০০ নম্বরে অনলাইনে পরীক্ষা হবে। তার মধ্যে জেনারেল ইন্টালিজেন্স-এর উপর থাকবে ২৫ নম্বর, জেনারেল নলেজ এবং জেনারেল অ্যাওয়ারনেসের উপর থাকবে ২৫ নম্বর, এলিমেন্টারি ম্যাথামেটিক্স-এর উপর থাকবে ২৫ নম্বর এবং ইংরেজির জন্য থাকবে ২৫ নম্বর।

আবেদন পদ্ধতি

অনলাইনে ssc.nic.in এই ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে। ইতিমধ্যেই আবেদন পদ্ধতি শুরু হয়ে গেছে। আবেদন করার শেষ দিন হলো ৩১ অগাস্ট ২০২১।

শেষ পর্যন্ত কড়া বিধিনিষেধের কাছে হার মানল দিঘার পর্যটন শিল্প

Travel

করোনার তৃতীয় ঢেউকে হারাতে আগে থেকেই প্রস্তুতি চলছে সর্বত্র। দিঘা, মন্দারমনি সহ বেশ কিছু পর্যটনকেন্দ্রে কড়া বিধিনিষেধ জারি করেছে প্রশাসন। বিশেষ করে লকডাউন কিছুটা হালকা হতেই ভিড় উপচে পড়ছিল দিঘাতে। কার্যত সেই ভিড়কে সামলাতে পথে নামে কাঁথি প্রশাসন।

প্রশাসনের তরফ থেকে জানান হয়, এবার থেকে দিঘায় আসতে হলে পর্যটকদের করোনা টিকার দুটি ডোজের প্রমাণপত্র অথবা ৪৮ ঘণ্টা আগের করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট লাগবে। এরপর থেকেই কমছিল পর্যটকের সংখ্যা। তবে পরবর্তীতে হোটেল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে পর্যটকদের জন্য করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়। তাতে কিছুটা হলেও স্বস্তি পেয়েছিলেন পর্যটকরা।

তবে প্রশাসনের সক্রিয়তায় বেশ কিছু হোটেলে অসংগতি ধরা পরে। হোটেলের অতিথিদের সঠিক নথি দেখাতে না পারায়, বেশ কিছু হোটেলকে সিল করে দেওয়া হয়। এরপর থেকেই কমেছে পর্যটকদের সংখ্যা। তাই হোটেল মালিকরা সিদ্ধান্ত নেন তাঁরা হোটেল বন্ধ করে দেবেন। দিঘা-শঙ্করপুর হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশনের সম্পাদক সুশান্ত পাত্র জানান, ‘পর্যটক প্রায় নেই বললেই চলে। এই পরিস্থিতিতে হোটেল খুলে রেখে ভারী লোকসানের মুখে পড়তে হচ্ছে। বিদ্যুতের বিল দিতে পারছি না, স্টাফদের ঠিক মতো মাইনে দিতে পারছি না। তাই হোটেল বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বিষয়ে মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে’। সব মিলিয়ে কিছুদিন আগের দিঘার ছবির সঙ্গে বর্তমানের দিঘার কোনও মিল নেই। এখনকার দিঘার ছবি আবারও মনে করিয়ে দিচ্ছে এখনও করোনাকে হারানো যায়নি।

আমির খানের ছবি থেকে বাদ ঐশ্বর্য, মুহূর্তে ক্ষমা চাইতে হল কাকে

aiswariya

বলিউডের অন্যতম সেরা অভিনেত্রীদের তালিকায় এখনও ঐশ্বর্য বিরাজমান। তাঁর সৌন্দর্য এবং অভিনয় দক্ষতা বরাবরই দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে। দক্ষ অভিনেত্রীর পাশাপাশি ঐশ্বর্য একজন সুদৃঢ় ব্যক্তিত্বেরও অধিকারী। বরাবরই সাংবাদিকদের করা কঠিন প্রশ্নকে ফ্রন্টফুটে খেলেছেন তিনি। শোনা যায় ২০০৫ সালে মুক্তি পাওয়া আমির খানের ‘মঙ্গল পাণ্ডে’ সিনেমাতে ঐশ্বর্যকে সরিয়ে দেন ওই ছবির প্রযোজক। এই বিষয়ে ২০০৪ সালে এক সাংবাদিক তাঁকে প্রশ্ন করলে ঐশ্বর্য সহজভাবেই, কড়া গলায় জবাব দিয়েছিলেন।

সেই সময় ওই সাংবাদিক ঐশ্বর্যকে প্রশ্ন করেন, ‘শোনা যাচ্ছে মঙ্গল পাণ্ডে সিনেমায় আপনাকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে’। সাংবাদিকের এই প্রশ্নে একটুও বিচলিত না হয়ে ঐশ্বর্য বলে উঠেন, এক্ষেত্রে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে এই কথাটি মোটেও প্রযোজ্য নয়। ঘটনাটা সম্পূর্ণ আলাদা। ওই সিনেমার প্রযোজক ঐশ্বর্য-এর কাছে ক্ষমা চেয়েছিলেন, কারণ ওই প্রযোজক দাবি করেছিলেন ঐশ্বর্যকে সিনেমা থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়। আসলে বিষয়টা একেবারেই ভিন্ন।

ঐশ্বর্যের কথায় তাঁকে ওই সিনেমার জন্য অফার দেওয়া হয়। কথাবাত্রাও অনেকদূর এগিয়ে ছিল। তবে কোনও কারণ বশত শেষপর্যন্ত নির্মাতা সংস্থার সঙ্গে ঐশ্বর্যের এজেন্ট টিমের মতবিরোধ ঘটে। তখনই ঐশ্বর্য নিজেই ওই প্রোজেক্ট থেকে হাত গুটিয়ে নেন। এরপর ওই ছবির জন্য আমিশা প্যাটেলকে প্রস্তাব দেওয়া হয়। এক প্রথম সারীর সংবাদমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আমিশা বলেন, ‘এতবড় ব্যানারের ছবিতে কাজ করার সুযোগ পেয়ে তিনি খুবই উচ্ছ্বসিত’। এর পাশাপাশি আমিশা জোর গলায় দাবিও করেছিলেন, তিনি এই সিনেমাতে সুযোগ পেয়েছেন সম্পূর্ণ তাঁর অভিনয় দক্ষতায়। কোনও চালাকির আশ্রয় নিতে হয়নি তাঁকে’।

ডিজিটাল স্টার্ট আপই ভারতের ভবিষ্যৎ

Tech Start ups in India: A Bright Future

নিউজ ডেস্ক: প্রায় সাড়ে ৪ ঘণ্টায় ২২৪ কিলোমিটার৷ আর তাতেই বদলে দিতে পারে মানসিকতা৷ বদলে দিতে পারে জীবনের চালচিত্র৷ এটা বেঙ্গালুরুর অঙ্কিত ভাটির চেয়ে ভালও আর কে-ই বা জানে সে কথা৷

২০১০ সালের গোড়ার দিকে বেঙ্গালুরু থেকে বন্দিপুর যাচ্ছিলেন অঙ্কিত৷ পাড়ার ট্র্যাভেল এজেন্সি থেকে ভাড়া করেছিলেন একটি গাড়ি৷ কিন্তু মাঝ রাস্তায় পৌঁছে ড্রাইভার অতিরিক্ত টাকা দাবি করেন৷ অঙ্কিত স্বভাবতই তা দিতে রাজি হননি৷ অগত্যা মাঝরাস্তায় গাড়ি দাঁড় করিয়ে দেন ওই চালক৷ অঙ্কিত জড়িয়ে পড়েন তর্ক-বিতর্কে৷ কলকাতাসহ ভারতে এমন ঘটনার মুখোমুখি হয়েছেন অনেকেই৷ কিন্তু মুম্বই আইআইটি’র ছাত্র অঙ্কিত সেই ঘটনাটিকেই জীবনের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে গ্রহণ করে নিলেন৷

অঙ্কিত অবশ্য চ্যালেঞ্জ নিয়েছিলেন অনেক আগেই৷ ভালো বেতনের চাকরির মোহ ছেড়ে ডিজিটাল স্টার্ট আপের পরিকল্পনা আগেই ছিল তাঁর৷ সেই মতো সেট আপও তৈরি করছিলেন৷ কিন্তু বেঙ্গালুরুর ঘটনার পর তিনি ঠিক করে ফেলেন, পরিবহন ক্ষেত্রেই স্টার্ট আপ তৈরি করবেন৷ আরও পাঁচটা মধ্যবিত্ত পরিবারের মতো অঙ্কিতের পরিবারও এই ভাবনায় খুশি হয়নি৷ আইআইটি পাশ ছেলে শেষ পর্যন্ত ‘ট্র্যাভেল এজেন্ট’? কিন্তু নিজের লক্ষ্য থেকে সরেননি অঙ্কিত৷ পুরনো স্টার্ট আপের সেট আপেই ট্যাক্সি অ্যাপ তৈরির কাজ শুরু করেন৷ সঙ্গে পেয়ে যান বন্ধু ভবিশ আগরওয়ালকে৷ পরিবহনের ব্যবসায় নিজেদের গাড়ি না-কিনে অঙ্কিত এবং ভবিশ একটি অ্যাপ তৈরির কাজ শুরু করেন৷ অনেকটা পশ্চিমের দেশে প্রচলিত ‘উবার’এর মতো৷ কিছুদিনের মধ্যেই দু’জন বিনিয়োগকারীও পেয়ে যান তাঁরা৷ ফলাফল, ভারত জুড়ে ‘ওলা ক্যাব’, এই মুহূর্তে যার বার্ষিক টার্ন ওভার প্রায় ৫ বিলিয়ন ডলার৷ শুধু তাই নয়, ভারত জুড়ে ১১০টি শহরে ৬ লক্ষের বেশি গাড়ি এখন ওলার দখলে৷ ট্যাক্সি থেকে শুরু করে অটো পর্যন্ত নানা ধরনের গাড়ির স্টিকারে এখন ‘ওলা’৷

New startup body to confront Big Tech policies

ইউরোপ এবং আমেরিকায় স্টার্ট আপের রমরমা শুরু হয়েছিল একুশ শতকের গোড়ার দিকেই৷ ‘অরকুট’ ‘ফেসবুক’এর মতো বহু সংস্থাই কাজ শুরু করেছিল স্টার্ট আপ হিসেবে৷ ‘ফেসবুক’ পরবর্তী ভারতেও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ডিজিটাল স্টার্ট আপ তৈরির উৎসাহ এখন চোখে পড়ার মতো৷ পরিসংখ্যান বলছে, ২০১৭ সাল পর্যন্ত পৃথিবীর সবচেয়ে বেশি ডিজিটাল স্টার্ট আপ তৈরির নিরিখে ভারতের স্থান তিন নম্বরে৷ আমেরিকা এবং ব্রিটেনের পরেই৷

বিশেষজ্ঞরা অবশ্য বলছেন, ভারতে স্টার্ট আপ ভাবনা আগে থেকেই ছিল৷ যদিও ‘স্টার্ট আপ’ শব্দটির অস্তিত্ব ছিল না তখন৷ স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে কো-অপারেটিভ মুভমেন্টকে অনেকেই স্টার্ট আপের পূর্বসুরী বলে মনে করেন৷ ‘আমুল’ যেভাবে শুরু হয়েছিল, অনেকেই তাকে স্টার্ট আপ বলতে চাইছেন ইদানীংকালে৷ বস্তুত, মধ্য প্রাচ্য থেকে ফিরে এসে অতি সামান্য অর্থ নিয়ে ধীরুভাই আম্বানি যেভাবে রিল্যায়েন্স প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তাকেও একপ্রকার স্টার্ট আপই বলা যায়৷ তবে ডিজিটাল স্টার্ট আপ শুরু হয়েছে ফেসবুক পরবর্তী সময়েই৷ ‘ওলা’, ‘ফ্লিপ কার্ট’, ‘বিগ বাস্কেট’কে যার পথিকৃৎ বলা চলে৷

বর্তমান ভারতে স্টার্ট আপ একটি ইন্ডাস্ট্রি৷ কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলিও স্টার্ট আপে আরও বেশি বিনিয়োগের সুযোগ করে দিচ্ছে৷ সংখ্যাতত্ত্বের হিসেবও খানিক সেরকমই৷ ২০১৫ সালে সারা ভারতে স্টার্ট আপে বিনিয়োগ হয়েছিল ৪ দশমিক ০৬ বিলিয়ন ডলার৷ ২০১৬ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলার৷ ২০১৭ সালে অঙ্কটি এক লাফে গিয়ে পৌঁছেছে ১৩ দশমিক ৭ বিলিয়ান ডলারে৷ তবে সংখ্যাতত্ত্ব বলছে, ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে অনেক বেশি স্টার্ট আপ কোম্পানি ফান্ড পেয়েছিল৷ ২০১৬ সালে পেয়েছিল ১,০৩৪টি কোম্পানি৷ ২০১৫ সালে পেয়েছিল ৯১৩টি কোম্পানি৷ ২০১৭ সালে সেই সংখ্যাটি কমে দাঁড়িয়েছে ৮২০৷ বিশেষজ্ঞদের মতে, নতুন স্টার্ট আপের চেয়ে প্রতিষ্ঠিত স্টার্ট আপগুলিতেই বিনিয়োগকারীরা টাকা ঢেলেছেন বেশি৷ তাঁরা বলছেন, মোট বিনিয়োগের ৭০ শতাংশ গিয়েছে মাত্র ১০টি কোম্পানির কাছে৷

ফ্লিপ কার্ট, ওলা কিংবা পেটিএমের মতো কোম্পানিগুলিতে বিনিয়োগকারীরা আরও টাকা ঢালতে আগ্রহী৷ যদিও তাঁদের মতে, এই কোম্পানিগুলিকে আর স্টার্ট আপ বলা যায় না৷ কারণ বিপুল পরিমাণ ব্যবসার মুখ ইতিমধ্যেই কোম্পানিগুলি দেখে ফেলেছে৷

তবে একই সঙ্গে বিশেষজ্ঞদের বক্তব্য, ২০১৯ এবং ২০২০ সালে ভারতে ডিজিটাল স্টার্ট আপের সংখ্যা কয়েক গুণ বেড়েছে৷ কারণ, কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলি স্টার্ট আপ তৈরিতে উৎসাহ দিচ্ছে৷ দু’টি বিষয় সরকারের কাছে স্পষ্ট৷ আগামী কয়েকবছরের মধ্যে দেশের মোট জনসংখ্যার একটা বড় শতাংশ হবে তরুণ প্রজন্ম৷ বিশ থেকে ত্রিশের কোঠায় যাঁদের বয়স৷ তাঁদের জন্য কর্মসংস্থান করতে হলে নতুন নতুন কোম্পানি দরকার৷ স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে কেবলমাত্র বড় কারখানা এবং শিল্পেই গুরুত্ব দিয়েছিল তৎকালীন সরকার৷ কিন্তু বিশ্ব পরিস্থিতি দেখে বর্তমান সরকার বুঝে গেছে যে, স্টার্ট আপই ভবিষ্যৎ৷ শুধু তাই নয়, দেশে আইটি প্রফেশনালের সংখ্যা ক্রমাগত বৃদ্ধি পাচ্ছে৷ তাঁদের যদি দেশে রাখতে হয়, তাহলে স্টার্ট আপ তৈরির পরিবেশ তৈরি করতে হবে দেশ জুড়ে৷ গড়ে দিতে হবে কাজের পরিসর৷

পিছিয়ে নেই পশ্চিমবঙ্গও৷ বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ অভিরূপ সরকারের মতে, রাজ্য সরকার স্টার্ট আপ তৈরির জন্য বেশ কিছু উদ্যোগ গ্রহণ করেছে৷ সম্প্রতি স্টার্ট আপের জন্য একটি বড় ফান্ডও তৈরি করা হয়েছে৷ নতুন নতুন কোম্পানি নির্দিষ্ট নিয়ম মেনে এই ফান্ডের জন্য দরখাস্ত করতে পারে৷

ব্রিটেনের কার্ডিফ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক ও অধ্যাপক ইন্দ্রজিৎ রায় ভারতের স্টার্ট আপ নিয়ে সম্প্রতি গবেষণা করেছেন৷ তাঁর মতে, দেশের মানসিকতার মধ্যেই এখন ডিজিটাল হাওয়া৷ বিষয়টিকে তিনি দু’দিক থেকে দেখতে চাইছেন৷ ছোট ছোট এলাকাতেও যুবকেরা ছোট ছোট ব্যবসা তৈরির পরিকল্পনা করছেন৷ এই চেষ্টা আগেও ছিল৷ কিন্তু এখন আর সাধারণ একটি ট্র্যাভেল এজেন্সি খুলে খরিদ্দারের অপেক্ষায় কেউ বসে থাকছেন না৷ বাড়িতে বসে ট্র্যাভেল এজেন্সি খুলে কোনও ডিজিটাল স্টার্ট আপকে সেই এজেন্সির ডিজিটাল পোর্টাল তৈরির দায়িত্ব দেওয়া হচ্ছে, যাতে বাড়িতে বসেই অনেক বড় পরিসরে ব্যবসা চালানো যায়৷ ইন্দ্রজিত রায়ের মতে, এর ফলে দু’দিক থেকে স্টার্ট আপের রমরমা বাড়ছে৷ ডিজিটাল স্টার্ট আপ নিয়ে কথা বলতে হলে তাই অন্যান্য ক্ষেত্রের স্টার্ট আপগুলিকেও মাথায় রাখতে হবে৷ তাঁর বিশ্বাস, এভাবে চললে আগামী ১০ বছরের মধ্যে স্টার্ট আপ ইন্ডাস্ট্রিতে ভারত বিশ্বের দরবারে আরও বড় জায়গা করে নেবে৷ তিনি মনে করেন, কেন্দ্র এবং রাজ্য সরকারগুলি ইতিমধ্যেই স্টার্ট আপ তৈরির জন্য সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছে৷ প্রয়োজন সরকারের সেই সুযোগ সুবিধাগুলি সকলের কাছে পৌঁছানো৷ অনেকেই সেই বিষয়ে এখনও অবগত নন৷ যদিও, অঙ্কিত-আম্বানিরা পারলে, বাঙালি যুবকরাও চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত৷

যশের ছেলেকে আদরে ভরিয়ে দিলেন নুসরত!

As Nusrat Jahan confirms her separation, here are 7 pics of the Bengali actress with her rumoured flame Yash

বায়োস্কোপ ডেস্ক: এই মুহূর্তে পেজ থ্রিতে হটকেক হলেন অভিনেত্রী নুসরত জাহান। অভিনেত্রীর অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর নিয়ে সরগরম নেটদুনিয়া। গত জুন মাসে অভিনেত্রীর অন্তঃসত্ত্বার খবর সামনে আসে। অভিনেত্রীর বেবি বাম্পের ছবি বেশ ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়াতে। চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে অভিনেত্রীর কোল আলো করে আসতে চলেছে তার হবু সন্তান। এখন শুধু প্রহর গোনার পালা। আর তাই দিন দিন বেড়ে চলেছে অভিনেত্রীর মাতৃত্বকালীন জেল্লা। তবে একটাই প্রশ্ন আছে অভিনেত্রীর আগত শিশুর পিতৃপরিচয় কী? যশ না নিখিল কে এই শিশুর বাবা? নিখিল নিজেই এই আগত শিশুর বাবা নন তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানান।

টলিপাড়াতে নতুন গুঞ্জন, অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর থেকে একই ছাদের তলায় থাকতে শুরু করেছেন যশরত। নিজেদের মুখে সেই বিষয়ে কেউ কোনো কথা না বললেও সেই ইঙ্গি পাওয়া যাচ্ছে তাঁদের ইন্সটাগ্রাম খুললে৷ না দুজনেই নিজেদের কোনো ছবি একসাথে দেয়নি। যশের সাথে নুসরতের নেট মাধ্যমে ছবি না পাওয়া গেলেও সম্প্রতি যশের চারপেয়ে সারমেয়র সাথে হামেশাই নতুন নতুন ছবি পোস্ট করতে দেখা যাচ্ছে নুসরতকে।

সকলেই জানেন যশ একজন পশুপ্রেমী। তার কাছে এক সন্তান সম সারমেয়। নাম তার হ্যাপি। আর এই হ্যাপির সাথে বেশ হ্যাপি নুসরত। এই সারমেয়র প্রতি ভালোবাসা জাহির করতে দেখা যাচ্ছে নুসরতকে। গত সপ্তাহে হ্যাপির সাথে একটি ছবি পোস্ট করতে দেখা গিয়েছিল নুসরতকে, আর আবার আরো একবার হ্যাপির সাথে ছবি পোস্ট করলেন নায়িকা। যশের সারমেয়র সাথে একটি মিষ্টি ছবি শেয়ার করে নুসরত ক্যাপশনে লিখেছেন, মিষ্টি। সত্যি এই ছবিটা বেশ মিষ্টি।

এই ছবিটিতে দেখা গেল যশের সারমেয় হ্যাপ আদুরে দৃষ্টিতে তাকিয়ে আছে নুসরতের দিকে। অন্যদিকে নুসরতের চোখ বন্ধ, সে নিজের থুতনি ঠেকিয়ে আছে হ্যাপির মুখে। ভালোবাসামাখা এই মিষ্টি ছবিটি নিজের ইনস্টাগ্রামের করেছেন নুসরত। শোনা যায় গর্ভবতীদের প্রতি একটু বেশি অনুভূতিশীল হয় সারমেয়রা। আর তাই যেন হ্যাপিকে কাছে পেয়ে খুশি অভিনেত্রী। আরো বেশি করে নুসরতকে ভালোবাসায় ভরিয়ে তুলছে।

এবারে রান্নার মসলায় কমবে ওজন, প্রতিদিন রান্নায় ব্যবহার করুন এই ৬ টি মশলা

Lifestyle

ওজন কমানোর জন্য আমরা কতো কিছুই না করি। তবে আশারূপ ফল পাই না। প্রতিবারই হতাশ হতে হয়। তবে চিন্তার কোন কারণ নেই। সমাধান আপনার হাতের মুঠোয়। প্রত্যেকের রান্না ঘরেই এমন কিছু মশলা আছে যা সহজেই শরীরের ওজন কমাতে সক্ষম। নিয়মিত শরীরচর্চার পাশাপাশি কিছু স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাসই আপনার শরীরের অতিরিক্ত ওজনকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। তাই আজ থেকেই রান্নায় ব্যবহার করুন এই ৬ টি মশলা। নিজের শরীরের পরিবর্তন দেখে আপনি নিজেই অবাক হবেন।

১) দারচিনি
ওজন কমাতে দারচিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। দারচিনি শরীরে জমে থাকা মেদ গলাতে সাহায্য করে। এর পাশাপাশি এটি শরীরের সুগার লেভেলকেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। তাই নিয়মিত দারচিনি খেলে সহজেই কমবে শরীরের অতিরক্ত ওজন। এছাড়াও দারচিনি টাইফয়েড, টিবি, পেটের নানা সমস্যার সমাধানে সক্ষম।

২) আদা
শুধু সর্দি-কাশি নয় আদার রয়েছে বেশ কিছু গুনাগুণ। এটি পাচনতন্ত্রে জমে থাকা খাবারকে খুব সহজেই পরিষ্কার করে দেয়। এতে শরীরে মেদ জমতে পারে না। এর পাশাপাশি আদা পেট পরিষ্কার করার খেত্রেও খুবই কার্যকরী। তাই এখন থেকেই আদা খাওয়ার অভ্যাস করুন। উপকার পাবেন।

৩) কাঁচালঙ্কা
গবেষণায় দেখা গেছে কাঁচালঙ্কা শরীরের মেটাবলিজম বাড়িয়ে অতিরিক্ত ক্যালরিকে বার্ন করতে সহায়তা করে। এতে ওজন নিয়ন্ত্রণে থাকে। এছাড়াও কাঁচালঙ্কাতে ভিটামিন সি সহ বেশকিছু অ্যাসিড রয়েছে যা শরীরের মেদ ঝরাতে খুবই কার্যকরী।

৪) জিরে
১ চামচ জিরে সারা রাত জলে ভিজিয়ে রাখুন। এবারে সকালে ওই জল ভাল করে ফুটিয়ে ছেঁকে নিয়ে খালি পেতে খান। নিয়মিত খেলে ভালো ফল পাবেন।

৫) রসুন
রসুনের গুনাগুণ অপরিসীম। ওজন কমাতে চাইলে এখন থেকে রসুনকে আপন করে নিন। এটি শরীরের বিপাক হার বাড়ানোর পাশাপাশি মেদ ঝরাতেও সাহায্য করে। এছাড়াও রসুন ঘন ঘন খিদে পাওয়ার অভ্যাসকেও নিয়ন্ত্রণ করে।

৬) মৌরি
মৌরি শরীরের পাচনতন্ত্রের জন্য খুবই উপকারী। এটি খিদে কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। প্রিতিদিন মৌরি ভিজানো জল খেলে সহজেই শরীরের ওজনকে নিয়ন্ত্রণে রাখা যায়। এছাড়াও মুখের দুর্গন্ধ দূর করতেও মৌরির জুড়ি মেলা ভার।

ভারতের বাজারে এল পোকো এম৩, বাজেট ফ্রেন্ডলি এই ফোনটির লুক

phone

ভারতের বাজারে লঞ্চ করলো পোকো এম৩ স্মার্টফোন। বাজেট ফ্রেন্ডলি এই ফোনের লুক ইতিমধ্যেই বেশ সাড়া ফেলেছে। ৪ জিবি র‍্যাম এবং ৬৪ জিবি স্টোরেজ সহ আরও দুটি ভ্যারিয়েন্টে ভারতের বাজারে লঞ্চ করেছে পোকো এম৩ স্মার্টফোন। এর পাশাপাশি এই ফোনটিতে রয়েছে দুর্দান্ত কিছু ফিচার। এই ফোনের বাজেটও বেশ সাধ্যের মধ্যে।

পোকো এম৩ স্মার্টফোনের ফিচার
১. এই ফোনে রয়েছে একটি ৬.৫৩ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস ডিসপ্লে।
২. ডুয়াল ন্যানো সিম সহ অ্যানড্রয়েড ১০ দ্বারা ফোনটি চালিত হবে।
৩. ফোনটির পিছনে রয়েছে ট্রিপল রেয়ার ক্যামেরা। তার মধ্যে একটি ৪৮ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি সেনসর, একটি ২ মেগাপিক্সেলের ম্যাক্রো শুটার এবং একটি ২ মেগাপিক্সেলের ডেপথ সেনসর। এছাড়াও ফ্রন্টে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেলের একটি সেলফি শুটার।
৪. সাইড মাউন্টেড ফিঙ্গারপ্রিন্ট সেনসর সহ এই ফোনের ব্যাটারি ৬০০০ ।
৫. পোকো এম৩ স্মার্টফোনে থাকছে একটি এবং ১৮ ওয়াটের চার্জিং সাপোর্ট।

পোকো এম৩ স্মার্টফোনের দাম

৪ জিবি র‍্যাম এবং ৬৪ জিবি স্টোরেজের এই ফোনের দাম করা হয়েছে ১০,৪৯৯ টাকা। এর পাশাপাশি ৬ জিবি র‍্যাম ও ৬৪ জিবি স্টোরেজের ভ্যারিয়েন্টে এই ফোনের দাম ১১,৪৯৯ টাকা। অন্যদিকে ৬ জিবি র‍্যাম এবং ১২৮ জিবি স্টোরেজের ভ্যারিয়েন্টেও এই ফোন পাওয়া যাবে। যার দাম করা হয়েছে ১২,৪৯৯ টাকা।

পোকো এম৩ স্মার্টফোনের রং

আপাতত কুল ব্লু, পাওয়ার ব্ল্যাক এবং ইয়েলো এই তিনটি রং-এ ভারতের বাজের পাওয়া যাচ্ছে এই স্মার্টফোন। পোকোর অফিশিয়াল ওয়েবসাইট এবং ই-কমার্স সংস্থা ফ্লিপকার্টের মধ্যমে এই ফোন কিনতে পারবেন ক্রেতারা।

রাজ্যের পোস্ট অফিসে প্রায় ২৩৫৭ টি শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে, জেনে নিন বিস্তারিত

job

রাজ্যের বিভিন্ন পোস্ট অফিসগুলিতে প্রায় ২৩৫৭ টি শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে। ইতিমধ্যেই এই বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে ভারতীয় পোস্ট বিভাগ। আগামী ১৯ অগাস্ট ২০২১ এর মধ্যে প্রার্থীদের আবেদন করতে হবে। ভারতীয় পোস্ট অফিসের BPN/ABPM/Dak সেবক পদে প্রার্থী নিয়োগ করা হবে। প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং কোন বয়েসের প্রার্থীরা আবেদন করেতে পারবেন তা এই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

১) আবেদনের বয়সগত যোগ্যতা
ডাক সেবক পদে আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। অন্যদিকে সংরক্ষিত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়সের ঊর্ধ্ব সীমায় ছাড় দেওয়া হবে।

২) আবেদনের সময়সীমা

ইতিমধ্যেই ২০ জুলাই থেকে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। আগামী ১৯ অগাস্ট ২০২১ পর্যন্ত প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন।

৩) আবেদনের শিক্ষাগত যোগ্যতা

এই পোস্টে আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের ন্যূনতম দশম শ্রেণি উত্তীর্ণ অথবা সেকেন্ডারি পাশ হতে হবে। এছাড়াও কোনও স্বীকৃত বোর্ড থেকে অঙ্ক, ইংরেজি এবং স্থানীয় ভাষায় পাশ নম্বর থাকতে হবে।

৪) আবেদনের ফি

OBC/OC/EWS Male/trans-man দের আবেদনের জন্য ১০০ টাকা দিতে হবে। অন্যদিকে মহিলা ও ট্রান্সওম্যান-দের ক্ষেত্রে আবেদনের জন্য কোনও টাকা লাগবে না।

৫) আবেদনের পদ্ধতি

আবেদনকারীদের appost.in সাইটে গিয়ে অনলাইনে আবেদন করতে হবে। আগামী ১৯ অগাস্ট-এর মধ্যে আবেদন করতে হবে। আবেদন হয়ে গেলে তার রসিদ নিজের কাছে প্রমাণ হিসেবে রেখে দিতে হবে। আরও বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন @indiapost.gov.in .

বর্ষায় ত্বকের সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে চান, এই টিপসগুলি ফলো করুন

বর্ষা কালে ত্বকের সমস্যা খুবই সাধারণ বিষয়। তবে সঠিক পদ্ধতি অবলম্বন না করলে সমস্যা আরও বেড়ে যায়। বর্ষা মানেই স্যাঁতস্যাঁতে ভাব, রোদের দেখা নেই, আদ্রতা, রাস্তায় জল জমে থাকা। এই সময় পেটের রোগের পাশাপাশি নানা রকম ত্বকের সমস্যাও দেখা দেয়। দাদ, অ্যালার্জি, ব্রন, একজিমা, ফুসকুড়ি, ত্বকে র‍্যাসের মতো নানা সমস্যা দেখা দেয়। এই সমস্যাগুলোকে এড়িয়ে যাওয়া কোন ভাবেই ঠিক নয়। কিছু সহজ পধুতি অবলম্বন করলে এই সমস্যাগুলিকে এড়িয়ে চলা যায়।

১) জল ত্বকের পক্ষে খুবই ভালো ওষুধ। প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণ জল খেলে ত্বকের অনেক সমস্যাকেই কাবু করা যায়। তাই প্রতিদিন কমপক্ষে ২ লিটার জল পান করুন, এতে ব্রন এবং ফুসকুড়ির মতো সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়া যায়।

২) অনেকে মনে করেন বৃষ্টির দিনে সানক্রিমের কোন প্রয়োজন নেই। এটি সম্পূর্ণ ভুল ধারণা। রোধ না উঠলেও আপনার ত্বককে সূর্যের রশ্মির হাত থেকে বাঁচাতে অবশ্যই সানচ্রিম ব্যাবহার করুন।

৩) দাম দিয়ে নানা রকম প্রসাধনী না কিনে গালে বরফ ঘষুন। এতে ত্বকের তেলাক্ত ভাব কমে। এর পাশাপাশি বরফ মুখে জমে থাকা ময়লা পরিষ্কার করে। যার ফলে ত্বক সব সময় উজ্জল থাকে।

৪) এই সময় জল বেশি ঘাটলেই মুশকিল। বর্ষায় অতিরিক্ত জল ঘটলে অ্যাকজিমা, ফুসকুড়ি, চুলকানির মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে। জলের কাজ করলে হাতে দস্তানা পড়ে কাজ করুন। কাজ শেষ হলে সঙ্গে সঙ্গে হাত শুকিয়ে নিন।

৫) এই সময় পরিষ্কার পরিছন্ন থাকাটা খুবই জরুরি। অন্যের কাপর, তোয়ালে ব্যাবহার করবেন না। বৃষ্টিতে বা ঘামে জামা কাপর ভিজে গেলে, দ্রুত তা পালটে ফেলুন। এছাড়াও আপনার ত্বকে যদি আগে থেকেই কোন ইনফেকশন হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। অ্যান্টি ফাংগাল পাউডারও ব্যাবহার করতে পারেন।

বিগ-বস সিজেন ১৫ এবার ওটিটি-তে, সঞ্চালনা থেকে কি এবার বাদ সলমন

খুব সিগ্রই ভারতের জনপ্রিয় টিভি শো বিগ-বসের সিজেন ১৫ আসতে চলেছে। শোনা যাচ্ছে এই সিজনে থাকবে নানা ধরণের চমক। এর আগে এই জনপ্রিয় টিভি শো-এর সঞ্চালকের ভূমিকায় ছিলেন সলমন। তবে এবারে প্রযোজকরা নতুন মুখ চাইছেন।

সূত্রের খবর অনুযায়ী এবারে বিগ-বস সিজেন ১৫ প্রথমে আসবে ওটিটিতে। সেখানে প্রাথমিক বাছাই পর্ব চলবে। তারপর সিলেক্ট হওয়া প্রতিযোগীদের নিয়ে টিভিতে সম্পচারিত হবে এই অনুষ্ঠান।

টিভির সঞ্চালনার দায়িত্ব বরাবরের মতো সামলাবেন সলমন। তবে ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য প্রযোজকরা ফারহা খান এবং রোহিত শেট্টির কথা ভাবছেন। এর আগে রোহিতকে খাতরোকে খিলাড়ি টিভি শোতে সঞ্চালকের ভূমিকায় দেখা গেছে।

ইতিমধ্যেই ফারহা এবং রোহিতের কাছে বিগ-বসের প্রযোজকদের কাছ থেকে অফার চলে এসেছে। তবে ডেটের সমস্যার কারনে এখনও কিছু ঠিক হয়নি। সব ঠিকঠাক থাকলে কিছুদিনের মধেই শুরু হয়ে যাবে বিগ-বস সিজেন ১৫ এর শুটিং।

এবার সাংসদ-অভিনেতা দেব নামছেন “কিশমিশ” ব্যবসায়

বায়োস্কোপ ডেস্ক: মালদ্বীপ থেকে ঘুরে এসে কাজে নেমে পড়লেন দেব ও তাঁর টিম। আর অনুষ্ঠিত হলো “কিশমিশ” ছবির শুভ মহরত। সাউথসিটিতে দেবের প্রযোজনা সংস্থা অফিসে এদিন বসেছিল চাঁদের হাট। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন দেব রুক্মিণী সহ ছবির অন্যান্য কলাকুশলীরা। যদিও এই ছবি ভাবনা শুরু হয়েছিল ২০১৯ সালে। ছবি পরিচালনার দায়িত্বে রয়েছেন পরিচালক রাহুল মুখার্জী।

দুই হাজার কুড়ি সালের পুজোতে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল দেব প্রযোজিত এই ছবিটির। এমনকি দেব রুক্মিণী অভিনীত কিডন্যাপ ছবির মুক্তি পরে পরে শুরু হওয়ার কথা ছিল কিশমিশের কাজ। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির জন্য বাধাপ্রাপ্ত হয় এই প্রজেক্ট। ২০২০ তে মুক্তি পেয়েছিল ছবির ফার্স্ট লুক। অ্যানিমেটেড এই লাভ স্টোরি তে ফের একবার জুটি বাঁধতে চলেছেন দেব ও রুক্মিণী। তবে এখানে তাদের প্রেমের থেকেও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠবে কার্টুনিস্ট এর চরিত্রে দেবের ভূমিকা। সঙ্গে থাকছেন খরাজ মুখোপাধ্যায় ও জুন মালিয়া।

সূত্রের খবর দেব ভেনচার’স এর প্রযোজনায় ও পরিচালক রাহুল মুখোপাধ্যায়ের তত্ত্বাবধানে ‘কিশমিশ’ এর শ্যুটিংয়ের কাজ আগামী মাস থেকেই শুর হবে। কলকাতা নাকি উত্তর বঙ্গ কোন জায়গা থেকে ছবির শ্যুটিংয় শুরু হবে সেটা এখন আলোচনার পর্যায় রয়েছে। সব ঠিকঠাক থাকলে খুব শিঘ্রই আবার পর্দায় দেব-রুক্মিণী জুটির রসায়ন দেখতে পাবে দর্শক।

প্রসঙ্গত দেব এর দুটি ছবি ‘টনিক ‘ ও ‘গোলোন্দাজ ‘ পুজোয় একই সময়ে সিনেমা হলে মুক্তি পাবে। দেব ভেঞ্চার্সের বেশ কিছু ছবি করোনার কারণেই আটকে রয়েছে। এর মধ্যে বহুচর্চিত বাংলা ছবি ‘হবুচন্দ্র রাজা গবুচন্দ্র মন্ত্রী’ ও মুক্তি আটকে। ছবির পরিচালক অনিকেত চট্টোপাধ্যায়ের কথা অনুযায়ী এই ছবির পোস্ট প্রোডাকশনের কাজ অনেকটাই বাকি। পরিস্থিতি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত কিছুই বলা যাচ্ছেনা।

তবে মার্চের শেষের দিকে ‘গোলোন্দাজ ‘ এর শ্যুটিংয়ের পর ‘কিশমিশ ‘ ছবির কাজ করবেন দেব। পরিস্থিতি সব ঠিকঠাক থাকলে আগামী আগষ্ট মাসেই এই দুই জুটি আবার একসঙ্গে শ্যুটিং ফ্লোরে ফিরবেন।

নেটিজেনদের কাছে বয়সের খোঁটা শুনলেন অভিনেত্রী পায়েল

বায়োস্কাপ ডেস্ক: নেটিজেনদের সমালোচনায় বিদ্ধ টলিউড নায়িকারা। কখনও নুসরত, কখনও মিমি, কখনও আবার শ্রাবন্তী , তনুশ্রী , শুভশ্রী। সোশ্যাল মিডিয়ায় এই টলি সুন্দরীরা ছবি বা ভিডিও আপলোড করলেই নেটিজেনরা একেবারে ঝাঁপিয়ে পড়ছেন। নায়িকাদের কমেন্ট বক্স জুড়ে নানা মন্তব্য। এবার সেই বিপাকেই পড়লেন টলিউডের আরেক সুন্দরী নায়িকা পায়েল সরকার। পায়েলের এক ভিডিও দেখে নেটিজেনরা একেবারে নাকানি চোবানি খাওয়াতে ব্যস্ত নায়িকাকে।

অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতেও পা দিয়েছেন পায়েল সরকার।বিজেপির হাত ধরে রাজনীতিতে আসার প্রথম দিন থেকেই পায়েলকে নিয়ে নানা মন্তব্য চোখে পড়েছিল সোশ্যাল মিডিয়ায়। নির্বাচনে দাঁড়িয়ে পরাজিত হয়েছেন পায়েল। আর তারপর থেকেই যেন বেশি কটাক্ষ শুনতে হচ্ছে তাঁকে।

এবারও তেমনটিই ঘটল। সোশ্যাল মিডিয়ায় হলুদ পোশাকে এক ফ্যাশন ভিডিও পোস্ট করেন পায়েল। আর তা দেখেই রীতিমতো ক্ষেপে গেলেন নেটিজেনরা। ভিডিওর নিচে একের পর এক কু-মন্তব্য ভরিয়ে দেন তাঁরা।

টিক্কা খানের সেনাকে টেক্কা দেওয়া গণহত্যার রিপোর্টার সাইমন ড্রিং প্রয়াত

British journalist saimon dring dies at 76

নিউজ ডেস্ক:  যেখানেই মুক্তি সংগ্রাম সেখানেই হাজির লন্ডন টেলিগ্রাফের সংবাদদাতা সাইমন ড্রিং। ষাট-সত্তর দশকে কখনো ভিয়েতনাম তো কখনও ঢাকা, পরে হাইতির গণসংগ্রামের রিপোর্টার প্রয়াত হলেন। কিংবদন্তি সাংবাদিকের বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তাঁর পাঠানো বিশ্ববিখ্যাত সংবাদগুলির অন্যতম “ট্যাংকস ক্র্যাশ রিভোল্ট ইন পাকিস্তান “। এই শিরোনামে লন্ডন টেলিগ্রাফ খবর প্রকাশ করতে বিশ্ব কেঁপে গিয়েছিল। স্পষ্ট হয়েছিল ততকালীন পূর্ব পাকিস্তানে ঠিক কী ঘটাচ্ছে পাকিস্তানের সেনা। জেনারেল টিক্কা খানের নির্দেশে শুরু হয়েছিল গণহত্যা ও শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালিরা নেমেছিলেন মুক্তিযুদ্ধে।

লন্ডনের ডেইলি টেলিগ্রাফ সংবাদপত্রের হয়ে ভিয়েতনামে আমেরিকান সেনার বর্বরতা লিখে বিশ্ব কাঁপাচ্ছিলেন সাইমন ড্রিং। সেখান থেকে তাঁকে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের রাজধানী ঢাকার রাজনৈতিক পরিস্থিতির খবর সংগ্রহ করতে পাঠান লন্ডন টেলিগ্রাফ কর্তৃপক্ষ। ১৯৭১ সালের ঢাকা তখন পাকিস্তানি সামরিক শাসনের বিরুদ্ধে তীব্র গণ আন্দোলনের কেন্দ্র।

সাইমন ড্রিং ভিয়েতনাম থেকে ঢাকা আসার পর পূর্ব পাকিস্তানের রাজনীতিঘোরালো হয়। ২৫ মার্চ পাকিস্তান সরকার ঢাকায় গণহত্যা “অপারেশন সার্চলাইট” শুরু করে। বিদেশি সাংবাদিকদের ঢাকা থেকে জোর করে করাচি নিয়ে যায় পাক সেনা। কিন্তু টিক্কা খানের সেনাবাহিনি কে টেক্কা দিলেন ব্রিটিশ সাংবাদিক সাইমন ড্রিং। তিনি আত্মগোপন করেন ঢাকার বিখ্যাত হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের ভিতর। ২৫ মার্চের ভয়াবহ ট্যাংক অভিযান ও গণহত্যার বিবরণ তিনিই হোটেল থেকে দেখে সাংকেতিক আকারে লিখে রাখেন। তাঁর খোঁজে হোটেলে পাক সেনার তল্লাশি চলছিল। সাইমন ড্রিং গুটিকয়েক হোটেল কর্মীর সাহায্যে কখনো জলের ট্যাংকের ভিতরে, চেয়ার টেবিলের আড়ালে, রান্নাঘরে লুকিয়ে ছিলেন।

২৫ মার্চ ঢাকায় গণহত্যা শুরুর পর ২৭ মার্চ সকালে কারফিউ তুলে নেয় পাক সরকার। মৃতদেহে ঢেকে থাকা ঢাকার রাজপথে প্রবল ঝুঁকি নিয়ে ছবি ও বিবরণ সংগ্রহ করেন সাইমন ড্রিং। তারপর লেখেন ‘ট্যাংকস ক্র্যাশ রিভোল্ট ইন পাকিস্তান’ শিরোনামের এক প্রতিবেদন। সেই প্রতিবেদন ৩০ মার্চ প্রকাশ করে লন্ডন টেলিগ্রাফ। আন্তর্জাতিক এক্সক্লুসিভ এই বিবরণ পাকিস্তানের মুখোশ খুলে দেয়। সংবাদ প্রকাশের পরেই আন্তর্জাতিক মহলে তীব্র শেরগোল পড়ে যায়।

আর লুকিয়ে থাকা সম্ভব হয়নি। সাইমন ড্রিংকে বন্দি করে পাক সরকার। প্রবল অত্যাচার করে তাঁকে ঢাকা থেকে করাচি নিয়ে যাওয়া হয়। ব্রিটিশ নাগরিক হওয়ায় তাকে অবশ্য ছাড়তে বাধ্য হয় পাকিস্তান। লন্ডন ফিরে সাইমন ড্রিং ঢাকার বিবরণ পরপর প্রকাশ করতে থাকেন। গণহত্যার সেই বিবরণগুলি বিশ্বজুড়ে আলোড়ন ফেলে দেয়।

মুক্তিযুদ্ধের সংবাদ সংগ্রহের জন্য সাইমন ড্রিং লন্ডন থেকে কলকাতা আসেন। কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গের সীমান্ত এলাকা থেকে ঘুরে এসে প্রতিবেদন লিখতেন। টানা ৯ মাস মুক্তিযুদ্ধের পর পাকিস্তানের থেকে ছিন্ন হয়ে তৈরি হয় বাংলাদেশ। ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর সাইমন ড্রিং নতুন বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকায় আসেন ভারতীয় সেনার সঙ্গে। পরবর্তীতে দীর্ঘ সময় বাংলাদেশের সঙ্গে জড়িয়ে ছিলেন সাইমন ড্রিং।

শুধু বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ নয়, হাইতি দ্বীপের গণসংগ্রামে আমেরিকান সেনার হামলার খবর ঘটনাস্থল থেকে লিখেছেন তিনি। প্রবল বিভিন্ন পড়েছিল ওয়াশিংটন। আর ভিয়েতনামের মুক্তিসংগ্রামের রিপোর্ট লিখে সাইমন ড্রিং তো মার্কিন সরকারের চক্ষুশূল হয়েইছিলেন। অকুতোভয় সাংবাদিক পরে দীর্ঘ সময় বাংলাদেশে ছিলেন। মুক্তিযুদ্ধ কথক সাইমন ড্রিংয়ের প্রয়াণ সংবাদে বাংলাদেশ, হাইতি, ভিয়েতনাম শোকস্তব্ধ।

পর্নোগ্রাফি নির্মাণের অভিযোগে পুলিশ জালে শিল্পা-স্বামী রাজ কুন্দ্রা

Mumbai police arrest Raj Kundra in a pornography case

নিউজ ডেস্ক: ধৃত শিল্পা শেঠির স্বামী ব্যবসায়ী রাজ কুন্দ্রা।পর্নোগ্রাফি ছবি বানিয়ে তা বিভিন্ন অ্যাপে প্রকাশিত করার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে রাজকে।সোমবার রাতে মুম্বই পুলিশের ক্রাইম ব্রাঞ্চ তাকে গ্রেফতার করে।

এই মামলায় ইতিমধ্যে পুলিশ ন’জনকে গ্রেফতার করেছে।গত ফেব্রুয়ারি মাসে পুলিশ অভিযোগ দায়ের করে তদন্ত শুরু করে।এই ঘটনায় রাজ মুল ষডযন্ত্রকারী বলে অনুমান পুলিশের।

মুম্বই পুলিশ বিবৃতিতে দিয়ে বলেছে, ‘পর্নোগ্রাফি সিনেমা তৈরি এবং বিভিন্ন অ্যাপের মাধ্যমে তা প্রকাশ করা নিয়ে গত ফেব্রুয়ারিতে একটি মামলা দায়ের করেছিল ক্রাইম ব্রাঞ্চ। তদন্তের পর আমরা রাজ কুন্দ্রাকে গ্রেফতার করেছি। যিনি এই মামলায় মূল ষড়যন্ত্রকারী বলে মনে করা হচ্ছে। সেই মামলায় আমাদের কাছে পর্যাপ্ত তথ্য আছে।’

মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে সাইকেল চালিয়ে সংসদের সামনে প্রতিবাদ তৃণমূল সাংসদের

Trinamool MPs protest in front of the parliament by cycling

নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে সূর চড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দিল্লিতে সংসদে অধিবেশনের প্রথম দিন তার অন্যথা হল না ।বৃষ্টিভেজা রাজধানীর পথে সোমবার সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন ডেরেক ও ব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, অর্পিতা ঘোষ, নাদিমুল হক, শান্তনু সেনের মতো সাংসদরা।

অস্বাভাবিক পেট্রো পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সোমবার   দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউয়ের সদর দফতর থেকে সংসদ পর্যন্ত সাইকেল মিছিল করেন তৃণমূল সাংসদরা। ‘গ্যাস প্রাইস লুঠ’ প্লাকার্ড গলায় ঝুলিয়ে স্লোগান দিতে দিতে সংসদের বাদল অধিবেশনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন তৃণমূল সাংসদরা। তবে তাদের সংসদে যাওয়ার পথের মাঝে একটি জায়গায় আটকে দেয় পুলিস।

তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় বলেন সংসদের বাইরে এবং সংসদের ভেতরে এই মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে তারা প্রতিবাদ চালিয়ে যাবেন। মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষ কতটা সমস্যায় পড়ছেন সে বিষয়টি মাথায় রেখেই তারা এই আন্দোলনে নেমেছেন বলে জানান তিনি।

তৃণমূলের সংসদীয় দলের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এই প্রতিবাদ সবে শুরু হল। নরেন্দ্র মোদি সরকার পেট্রোল ডিজেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে কী পদক্ষেপ নেয় সেটাই দেখার” ।আগামী দিনেও তাদের এই আন্দোলন চলবে বলেও জানান তিনি।