দলিত ভুলে ব্রাহ্মণদের ভোট পেতে মরিয়া মায়াবতী

mayawati targets bramhin voters for next assembly election

নিউজ ডেস্ক: নিজেকে দলিত সমাজের প্রতিনিধি বলে বরাবর দাবি করেন বহজন সমাজবাদী পার্টির নেত্রী মায়াবতী। জাতীয় রাজনীতিতে ‘দলিত কী বেটি’ বা দলিতের মেয়ে বলে তাঁর আলাদা পরিচয় রয়েছে। এই অবস্থায় বিধানসভা ভোটের মুখে বড় চমক দিলেন উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

বিপুল সংখ্যক ব্রাহ্মণদের নিয়ে সম্মেলনের আয়োজন করতে চলেছেন বিএসপি নেত্রী মায়াবতী। চলতি মাসের ২৩ তারিখ থেকে শুরু হবে সেই সম্মেলন। যা চলবে আগামী ২৯ জুলাই পর্যন্ত। উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে এই ব্রাহ্মণ সম্মেলন শুরু হবে রাম জন্মভূমি অযোধ্যা থেকে। ছয়টি জেলায় ব্রাহ্মণদের নিয়ে সম্মেলন অনুষ্ঠিত করা হবে।

জানা গিয়েছে যে ২৩ জুলাই সতীশ্চন্দ্র মিশ্রের মাধ্যমে এই সম্মেলন শুরু হবে। তিনি ব্রাহ্মণদের অযোধ্যার মন্দির দর্শন করাবেন। ইতিমধ্যেই শতাধিক ব্রাহ্মণ রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে রাজধানী লখনউ শহরে এসে উপস্থিত হয়েছেন। আর দলিত বা সংখ্যালঘু নয়, এবার ব্রাহ্মণদের সমর্থন নিয়েই ভোটের বৈতরণী পার করতে চাইছেন মায়াবতী। সেই কারণেই এই উদ্যোগ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

আগামী বছরের শুরুর দিকে উত্তরপ্রদেশে বিধানসভা ভোট রয়েছে। যার উপরে আগামী লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল নির্ভর করছে। সকল রাজনৈতিক দল বিজেপিকে পরাস্ত করতে মরিয়া। তবে সপা, বিএসপি বা কংগ্রেস কেউই জোটের পথে হাঁটবে না বলে জানিয়েছে। এই অবস্থায় মায়াবতীর এই ব্রাহ্মণ সম্মেলন বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ।

ব্রাহ্মণদের একাংশ যোগী সরকারের উপরে সন্তুষ্ট নয়। অন্যদিকে, ব্রাহ্মণ ভোট ব্যাংক ফিরিয়ে আনতে মরিয়া হয়ে উঠেছে কংগ্রেস এবং সপা। সেই একই পথে হাঁটছেন বিএসপি নেত্রী মায়াবতী। যদিও ব্রাহ্মণ বা উচ্চবর্ণের সমর্থন কখনই মায়াবতীর দিকে ছিল না। ২০০৭ সালে বিএসপি ব্রাহ্মণদের কিছু ভোট পেলেও পরে সেই ভোট বাংকে ভাটা পরে। যা ফেরাতে সচেষ্ট হয়েছেন তিনি। তবে ভোট ভাগাভাগিতে বিজেপির সুবিধা হয়ে হয়ে যাওয়ার আশঙ্কাও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।

করোনার তৃতীয় ঢেউ রুখতে আসরে TMCP

tmcp of garulia fight against corona

নিউজ ডেস্ক: প্রথম ঢেউয়ের ধাক্কা সামাল না দিতেই ভারতের মাটিতে আছড়ে পড়েছিল দ্বিতিয় ঢেউ। অনেক চিকিৎসকদের মতে, মানুষের উদাসীনতার কারণেই ছড়িয়েছে দ্বিতীয় ঢেউ। এই অবস্থায় করোনার তৃতীয় ঢেউ রুখতে আসরে নাম রাজ্যের শাসকদলের ছাত্র সংগঠন।

করোনা মোকাবিলায় মাস্ক এবং স্যানিটাইজারের ব্যবহার বাধ্যতামূলক। ভ্যাকসিন নিলেও ওই দুই সামগ্রীর ব্যবহার এবং সামাজিক দূরত্ব বিধি মেনে চললেই করোনা প্রতিরোধ সম্ভব। এই বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে সচেতনতার প্রচার জারি রয়েছে। তথাপি সাধারণ মানুষের মাঝে দেখা যায় উদাসীনতার ছবি।

আর সেই নিয়েই আসরে নামল উত্তর পরগণা জেলার নোয়াপাড়া পুরসভা এলাকার গারুলিয়া শহরের তৃণমূল ছাত্র পরিষদ। গারুলিয়া পুরসভার ১৩ এবং ১৪ নম্বর ওয়ার্ডে লেনিননগর বাজারে মাস্ক এবং স্যানিটাইজার বিলি করল ঘাস ফুল শিবিরের ছাত্র সংগঠন। বাজারে ক্রেতা-বিক্রেতা অনেকের মুখেই মাস্ক ছিল না। সেই সকল ব্যক্তিদের কাছে মাস্ক-স্যানিটাইজার বিলির পাশাপাশি করোনা সম্পর্কে সচেতনতার প্রচার চালানো হয়।

ওই কর্মসূচিতে হাজির ছিলেন ব্যারাকপুর লোকসভা তৃণমূল ছাত্র পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম, গারুলিয়া শহর তৃণমূল ছাত্র পরিষদের সভাপতি প্রতীপ বন্দ্যোপাধ্যায়, গারুলিয়া পুরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বিদায়ী পুরপিতা রবীন দাস এবং অন্যান্য তৃণমূল ছাত্র পরিষদের কর্মী-সমর্থকরা।

ওই কর্মসূচির বিষয়ে নাজমুল ইসলাম বলেছেন, “অতিমারির শুরু থেকেই আমরা মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি। এখন পরিস্থিতি অনেকটা ভালো হয়েছে, মানুষ ভালো আছেন। কিন্তু যাতে আবার পরিস্থিতি খারাপ না হয়ে যায় সেই বিষয়ে মানুষকে সতর্ক এবং সচেতন করতেই আমাদের এই প্রয়াস।” প্রতীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, “সংক্রমণের হার কমলেও করোনা এখনও শেষ হয়ে যায়নি। তাই আমরা মানুষকে সচেতন করতে পথে নেমেছি। গারুলিয়ার ১৩ এবং ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের মাধ্যমে আমাদের অভিযান শুরু হল। অন্যান্য জায়গাতেও আমাদের কর্মসূচি জারি থাকবে।”

পরিবহণ ক্ষেত্রে বিপ্লব আনতে পারে হাইড্রোজেন জ্বালানি

Hyundai Junks Plan To Launch Hydrogen Car In India

মুম্বই: প্রতিনিয়ত পেট্রল-ডিজেলের দাম বাড়ছে৷ গত কয়েকদিনে ভারতের কোন কোন শহরে পেট্রলের দাম সেঞ্চুরি সমান হয়েছে৷ এখন গাড়ি কেনা আর হাতি পোষার সমান হয়ে গিয়েছে৷ ফলে সকলেই চাইছে একটা বিকল্প ব্যবস্থা৷ জ্বালানি তেলের বিকল্প হিসেবে ব্যাটারিচালিত যান বাজারে এসেছে৷ তবে সেই অর্থে এখনও বাজার ধরতে পারেনি ইলেকট্রিক কার৷ কারণ, দীর্ঘ সময় ধরে চার্জিংয়ের কারণে ব্যাটারিচালিত গাড়ি ক্রেতাদের মন জয় করতে পারেনি৷

যদিও, ভবিষ্যতে পরিবহণের ক্ষেত্রে হাইড্রোজেন-ভিত্তিক ফুয়েল সেল আরও বিকল্প হয়ে উঠতে পারে বলেই মনে করছে বিশেষজ্ঞরা ৷ ব্যাটারিচালিত গাড়ি ব্যবহার করা উচিত বলেই তো এতকাল মনে করা হত৷ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে ইতিমধ্যে এমন গাড়ি ভাড়া নেওয়া বেশ সহজ হয়ে উঠেছে৷ কিন্তু এখন হাইড্রোজেন গাড়ি নিয়ে চর্চা বেড়ে চলেছে৷ প্রায় ২০ বছর আগে এমন গাড়ি তুলে ধরা হয়েছিল, তবে সেই জ্বালানি দিয়ে সে সময়কার প্রচলিত ইঞ্জিন চালান হত৷ প্রশ্ন হল, এখনও পর্যন্ত হাইড্রোজেন ইঞ্জিনের প্রচলন কেন বাড়েনি?

Hyundai Junks Plan To Launch Hydrogen Car In India

হাইড্রোজেন জ্বালানি সংগঠন ও সংগঠনের শীর্ষ প্রতিনিধিরা অবশ্য অনেক কাল ধরেই এমন গাড়ি চালাচ্ছেন৷ প্রশ্ন হল, ব্যাটারিচালিত গাড়ির তুলনায় এমন গাড়ির সুবিধা কী? হাইড্রোজেন জ্বালানি সংগঠন বলছে, ব্যাটারিচালিত ইলেকট্রিক গাড়ির ক্ষেত্রে রেঞ্জ একটা বড় সমস্যা৷ আগের তুলনায় রেঞ্জ বাড়লেও তারপর দুই থেকে চার ঘণ্টা ধরে চার্জ করতে হয়৷ ছুটি কাটাতে বেরিয়ে আড়াইশ’ কিলোমিটার পর পর চার ঘণ্টা ধরে বিরতি নিতে হলে কেমন লাগে? তাদের মতে, এটা মোটেই কোনও সমাধানসূত্র হতে পারে না৷
হাইড্রোজেন-গাড়ি কীভাবে চলে? এমন গাড়িকে ‘ফুয়েল সেল কার’ বলা হয়৷ বাইরের বাতাস অক্সিজেন ট্যাংকের ফুয়েল সেলের মধ্যে রাখা হাইড্রোজেনের সংস্পর্শে আসে৷ এর ফলে বিদ্যুৎ সৃষ্টি হয়, যা দিয়ে ইলেকট্রিক ইঞ্জিন চলে৷ গাড়ির পিছনের এক্সট পাইপ থেকে জলের বিন্দু পড়ে৷ প্রচলিত পেট্রল বা ডিজেল ইঞ্জিনের মতো ধোঁয়া বের হয় না৷
অর্থাৎ, হাইড্রোজেনের আরও ব্যাপক প্রয়োগ করতে হলে বিদ্যুৎ উৎপাদন কমপক্ষে দুই গুণ বাড়াতে হবে৷ সেই লক্ষ্য পূরণ করতে হলে বায়ু ও সৌরশক্তি থেকে জ্বালানি উৎপাদন ব্যাপক হারে বাড়াতে হবে৷ তবেই পরিবহণের ক্ষেত্রে হাইড্রোজেন এবং মানুষের জন্য যথেষ্ট বিদ্যুৎ সরবরাহ করা সম্ভব হবে৷ এই সংক্রান্ত বিশেষজ্ঞ ভ্যার্নার ডিভাল্ড মনে করেন, ‘‘পরিবহণের ক্ষেত্রে হাইড্রোজেন ব্যবহার করতে হলে শুধু পুনর্বব্যহারযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করে সেই হাইড্রোজেন উৎপাদন করতে হবে৷ এমন সব রাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সহায়তার পথে যেতে হবে, যেখানে বিশাল পরিমাণ খালি জমি এবং যথেষ্ট সূর্যের আলো ও বাতাস রয়েছে৷

Hyundai Junks Plan To Launch Hydrogen Car In India
পুনর্ব্যবহারযোগ্য জ্বালানির সরবরাহ ব্যাপক আকারে বাড়িয়ে হাইড্রোজেন উৎপাদন না হয় সম্ভব হল৷ কিন্তু সেই জ্বালানী উপভোক্তার কাছে পৌঁছে দিতে ফুয়েল স্টেশনের মতো প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোর অভাবও তো বড় এক সমস্যা৷ দেখা গিয়েছে, বার্লিন শহরে মাত্র পাঁচটি হাইড্রোজেন স্টেশন রয়েছে৷ গোটা জার্মানিতে সব মিলিয়ে সংখ্যাটি প্রায় নব্বই৷ গাড়িতে জ্বালানি ভরতে তিন মিনিটের মতো সময় লাগে৷ তারপর গাড়ি প্রায় ৫০০ কিলোমিটার পর্যন্ত চলতে পারে৷ ডিভাল্ড বলেন, ১০০ কিলোমিটার চালানোর খরচ ডিজেল গাড়ির মতো৷ অর্থাৎ, মালিকের এর বেশি ব্যয় হয় না৷ শিল্পজগতের সঙ্গে রফা অনুযায়ী প্রায় ৪০০ ফুয়েল স্টেশন গড়ে তোলা হবে৷ তবে এমন গাড়ির সংখ্যা সম্পর্কে কোনও ধারণা নেই৷”

রাজনীতি জগত পুনর্ব্যবহারযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে যথেষ্ট সহায়তা করছে৷ হাইড্রোজেন উৎপাদনও বাড়ছে৷ ডিসেম্বর মাসে জার্মান সরকার চিলিতে এক পরীক্ষামূলক প্রকল্প শুরু করেছে৷ সেখানে সিমেন্স কোম্পানি ভবিষ্যতে হাইড্রোজেনের সাহায্যে কৃত্রিম পেট্রোলিয়াম তৈরি করবে৷ সেই কারণেও বিশেষজ্ঞরা জ্বালানি হিসেবে হাইড্রোজেনের সম্ভাবনা সম্পর্কে নিশ্চিত৷ ভ্যার্নার ডিভাল্ড বলেন, ‘‘প্রায় দশ বছর আগে শুধু কয়েকজন ইঞ্জিনিয়ারের মনে এমন ‘স্মার্ট’ প্রযুক্তির স্বপ্ন ছিল৷ আজ জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলায় ‘গ্রিন ডিল’-এর আওতায় বাধ্যতামূলক লক্ষ্যমাত্রা স্থির করা হয়েছে৷ পেট্রল বা ডিজেল ইঞ্জিন চালু রেখে যে সেটা আর সম্ভব নয়, তা স্পষ্ট হয়ে গিয়্ছে৷ আমাদের অন্য প্রযুক্তির প্রয়োজন৷”

হাইড্রোজেনের আন্তর্জাতিক বাজার এবং সেটি কাজে লাগিয়ে কৃত্রিম পণ্য উৎপাদনও বেড়ে চলেছে৷ এর ফলে হাইড্রোজেন প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠছে৷

Mission Parliament: ‘মা’ হলেন বাংলার মেয়ে মমতা

mother' is Mamata, the daughter of Bengal

নিউজ ডেস্ক: রাজনৈতিক মহলে ‘মা’ বা ‘আম্মা’ নামে শুধুমাত্র জনপ্রিয় ছিলেন জয়ললিতা। কিন্তু এবার থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামের সাথেও যুক্ত হল ‘মা’ শব্দটি। রবিবার উত্তর কলকাতা শোভাবাজার অঞ্চলে যুব তৃণমূল কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দেওয়াল লেখনের কর্মসুচীর আয়োজন করা হয়। এই কর্মসূচিতে দেওয়ালে ভারতের মানচিত্র আঁকেন যুব তৃণমূল কংগ্রেসের কর্মীরা ।আর সেই মানচিত্রে বিভিন্ন রাজ্যের বিভিন্ন ভাষায় লেখা হল ‘মা মমতা’।

যুব তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যরা বললেন যেভাবে মায়ের রূপে বাংলাকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আকড়ে ধরে রেখেছেন ঠিক একইভাবে তারা চান যেন গোটা ভারতবর্ষকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ধরে রাখেন। তারা আরও বলেন মোদির বিকল্প হিসেবে একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আছেন যিনি সারা ভারতবর্ষে ভালো রাখতে পারবেন ।তাই তারা ভারতবর্ষের মানচিত্রে প্রতিটি রাজ্যের ভিন্ন ভিন্ন ভাষায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘মা মমতা’ সম্বোধন করে লিখলেন।

mamata-banerjee

তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে পাখির চোখ এখন দিল্লী ।সেই লক্ষ্যে পৌঁছাতে দলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন ধরনের অভিনব কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। একদিকে যেখানে মূল্যবৃদ্ধিকে হাতিয়ার করে কেন্দ্র সরকারের বিরুদ্ধে সুর চড়াচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।ঠিক তার পাশাপাশি একুশে জুলাইকে সামনে রেখে গোটা ভারতবর্ষে ভার্চুয়ালি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তৃতা পৌঁছে দেওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে দল। মোদি ঝড়কে রুখে তৃতীয় বার মমতার সরকার রাজ্যে ক্ষমতায় ফিরে আসার পর সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের নব সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আগেই জানিয়েছেন এ এবার তৃণমূল কংগ্রেসকে গোটা ভারতবর্ষের প্লাটফর্মে তুলে ধরা হবে । সেই বিষয়টিকে মাথায় রেখেই বিভিন্ন অভিনব কর্মসূচীর মাধ্যমে সেই চেষ্টাই চালিয়ে যাচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস।

ইন্দ্রজাল! শত্রুপক্ষের উপর শঙ্খচিলের মতো হামলা করতেন ইন্দ্রলাল

Indralal used to attack the enemy like a seagull

নিউজ ডেস্ক: আকাশে লিখে গিয়েছেন আরও এক ‘মেঘনাদবধ কাব্য’ -অবশ্যই বিমানের কেরামতিতে। মেঘের আড়াল থেকে নেমে আসত তাঁর বিমান। শত্রুপক্ষের উপর হামলা করেই অদৃশ্য হতো নিমেষে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের সময়ের ঘটনা। ভারতীয় বাঙালি যুদ্ধবিমান চালক ইন্দ্রলাল আকাশে ইন্দ্রজাল ছড়িয়েছিলেন।

ইন্দ্রলাল রায় এই নাম বিশ্ব আকাশ যুদ্ধের অনবদ্য সৈনিকদের তালিকায় জ্বললজ্বল করছে। তিনি সেই বিরলতম ভারতীয় যুদ্ধ বিমান চালক যাঁর নামটি প্রথম বিশ্বযুদ্ধে জার্মানি ও তাদের সহযোগী শক্তির কাছে আতঙ্কের কারণ।

শত্রুপক্ষ কি কম শক্তিশালী? তারাও তৈরি ছিল। ব্রিটিশ শাসিত ভারতীয় নাগরিক হিসেবে ইন্দ্রলাল রায় ফরাসি বিমান বহরে যোগ দেন। তাঁর উড়ান কৌশলে চমকে গিয়েছিলেন বিশ্বে প্রথম আকাশ যুদ্ধের অন্যান্য সেনাপতিরা। ঠিক যেন শঙ্খচিল। উপর থেকে হামলা করে শত্রুকে খতম করছে ইন্দ্রলালের যুদ্ধ বিমান।  অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র ইন্দ্রলাল রায় রোমাঞ্চপ্রিয়। সেই কারণে বেছে নিয়েছিলেন এয়ারফোর্স। ১৮৯৮ সালে কলকাতায় জন্ম হয় তাঁর।

১৯১৭ সালে তিনি রয়েল ফ্লাইং কর্পসে যোগ দেন।  সেকেন্ড লেফট্যানেন্ট হন। প্রথম বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেল।
মেঘের আড়ালে ইন্দ্রজাল ছড়ালেন ইন্দ্রলাল

প্রথম বিশ্বযুদ্ধ। কামান দাগা গোলন্দাজ ও স্থলসেনার শক্তির পাশাপাশি নৌ সৈনিকদের রমরমা। আর এই যুদ্ধেই বিশ্ব প্রত্যক্ষ করছিল আকাশ দখলের ভিন্ন লড়াই। বলা যায় সেই শুরু রণকৌশলে এয়ারফোর্সের ভূমিকা।

১৯১৭ সালের ডিসেম্বর মাসে ইন্দ্রলাল রায় ফ্রান্সের পক্ষে সামরিক বিমান অভিযানে অংশ নেন। এই অভিযানে তাঁর বিমান ভেঙে পড়েছিল জার্মানির এয়ারফোর্সের হামলায়। জখম ইন্দ্রলাল রায় কে উদ্ধার করা হয়।কয়েকদিন পর সুস্থ হয়ে ফের তিনি আকাশ দখলে বিমান উড়িয়ে দিলেন।

১৯১৮ সালে ৬ জুলাই প্রথম বিশ্বযুদ্ধের অন্যতম দিন। দিনটি ইন্দ্রনাথ রায়ের কারণে বিখ্যাত। এই দিন তিনি ফের হামলা চালালেন জার্মানির সেনার উপরে। শুরু হলো মেঘের আড়ালে ইন্দ্রলালের নতুন ‘মেঘনাধ বধ’ কাব্য লেখার পালা। অভূতপূর্ব সেই আকাশযুদ্ধ বিশ্ব সমর ইতিহাসে লেখা রয়েছে। একা ইন্দ্রলাল রায় ধংস করেন ৯টি জার্মান যুদ্ধ বিমান। বিশ্বজুড়ে শোরগোল পড়ে গেল এই ঘটনায়।

মেঘনাধ কে বধ হতেই হবে। এই যেন ভবিতব্য।
প্রথম বিশ্বযুদ্ধের আরও এক ঐতিহাসিক দিন ১৮ জুলাই। আকাশ যুদ্ধের সৈনিক ইন্দ্রলালের বিমান শত্রুপক্ষের ব্যুহে পড়ে যায়। আর বেরিয়ে আসতে পারেননি তিনি। জার্মান হামলায় ভেঙে পড়ে তাঁর বিমান। ডানা ভাঙা শঙ্খচিলের মতো রক্তাক্ত ইন্দ্রলাল রায়কে যখন উদ্ধার করা হয়, তখন তিনি মৃত। অবশ্য তার আগে তিনিই তৈরি করে দিয়েছেন পরবর্তী ভারতীয় বায়ু সৈনিকদের পথ।

সাইকেল চড়ে টহল দিলেন কলকাতার নগরপাল

kolkata police commissionar ing bicycle

নিউজ ডেস্ক: রবিবার সাতসকালে ময়দান , বাবুঘাট চত্বরে সাইকেল চড়ে ঘুরতে দেখা গেল কলকাতার পুলিশ কমিশনার সৌমেন মিত্রকে। সঙ্গে ছিলেন জয়েন্ট কমিশনার ক্রাইম মুরলীধর শর্মা। অভিনব কায়দায় নগরপাল নিজেই শহরের প্রাতঃভ্রমণ কারীর সুরক্ষা ব্যবস্থা সরেজমিনে দেখলেন। ভোর পাঁচটা নাগাদ নগরপাল বাহিনী নিয়ে শহরের এই এলাকাগুলি টহল দিলেন।

সাইকেল চালিয়ে এই জায়গাগুলো ঘুরে দেখলেন যেখানে প্রাতঃভ্রমণকারিরা সবথেকে বেশি এসে থাকেন। সাধারণমানুষ বলেছেন নগরপালের এই পদক্ষেপে একদিকে যেখানে দুষ্কৃতীদের তান্ডব কমাবে ঠিক সেখানেই প্রাতঃভ্রমণকারীদের সাহস জোগাবে। ফের স্বাভাবিকভাবে প্রাতঃভ্রমণ করতে শহরবাসীরা বাড়ির বাইরে বেরোবেন ।তার কারণ চলতি বছরে ফের প্রাতঃভ্রমণ কারীদের যেভাবে দুষ্কৃতীরা টার্গেট করছেন তাতে যথেষ্ট আতঙ্কিত শহরবাসী।

বুধবার ময়দান এলাকায় প্রাতর্ভ্রমণকারীকে কোপ মেরে দামী মোবাইল ফোন ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটে। এরপর থেকেই ময়দান এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আঁটোসাঁটো করেছে কলকাতা পুলিশ। নিরাপত্তা সরেজমিনে খতিয়ে দেখতে রবিবার সকালে ময়দান চত্বর, ফোর্ট উইলিয়ামের আশেপাশের এলাকা, বাবুঘাট, প্রিন্সেপ ঘাট চত্বরে সাদা পোশাকে সাইকেল চড়ে ঘুরে বেড়ান পুলিশ কমিশনার নিজেই।

হাতের নাগালে সস্তার পেট্রোল-ডিজেল ভুটানে, হাত কামড়াচ্ছেন বাংলার চালকরা

Bharat Petroleum on Twitter

থিম্পু ও জয়গাঁ(আলিপুরদুয়ার): বন্ধ ড্রাগন ফটক-ভুটান গেট। লাল চোখ করে রয়াল ভুটানি পুলিশ পাহারা দিচ্ছে। কোনওভাবেই প্রতিবেশি দেশে ঢুকে আর পেট্রোল ডিজেল কেনার উপায় নেই সীমান্তবর্তী আলিপুরদুয়ারের জয়গাঁবাসীর। অগত্যা সেঞ্চুরি হাঁকানো পেট্রোল কিনে পকেটের গচ্চা দিতে হচ্ছে।

এক লিটার পেট্রোলের দাম ভুটানের মূল্যে ৬৮ টাকার মতো। আর ডিজেল মূল্য ৬৬. ৪১ টাকা। হিমালয় বেষ্টিত ভূখণ্ড ও আর্থিকভাবে দূর্বল হওয়ায় জ্বালানি তেলের মূল্যে আন্তর্জাতিক ভর্তুকি পায় ভুটান সরকার।

ভুটানের টাকা (নিউলট্রম) ও ভারতীয় টাকার মূল্যমান সমান। ভুটানে সর্বত্র ভারতের টাকা চলে। আর সীমান্ত এলাকায় ভুটানের টাকা দেদার চলে ভারতে। দুই দেশের টাকার মূল্যমান সমান হওয়ার কারণে যে কোনও সীমান্তবাসী ভারতীয় ভুটান ঢুকে সস্তার জ্বালানি ভরতেন। ফলে রমরমিয়ে চলত ভুটানের পেট্রোল পাম্পগুলি। করোনার কারণে সীমান্ত বন্ধ থাকায় আর এই সস্তার পেট্রোল, ডিজেল কেনা যাচ্ছে না।

হাত কামড়াচ্ছেন ভুটান সীমান্তের লাগোয়া পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম, অরুণাচল প্রদেশ ও অসমের বিভিন্ন জনপদের বাসিন্দারা। আগে যেভাবে হুট করে ভুটানে ঢুকে জ্বালানি তেল গাড়ির ট্যাংকে ভরে চলে আসা যেত, সেটি হচ্ছে না ড্রাগন রাজার ফরমানে।

করোনাভাইরাস রুখতে ভুটান সরকার ভারত সংলগ্ন সব সীমান্ত বন্ধ রেখেছে। দেশটির দক্ষিণ ও পূর্ব অংশে ভারত সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতে সংক্রমণ বাড়ছে। বিভিন্ন জেলা শহর ও মফস্বলগুলিতে প্রায়ই লকডাউন চালানো হচ্ছে। ভুটান স্বাস্থ্যমন্ত্রক জানিয়েছে, কোনও অবস্থায় করোনা বিধিনিষেধ লঙ্ঘন করা যাবে না।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার রিপোর্ট, গত এক বছরের বেশি সময় ধরে ভুটান করোনা মোকাবিলায় অভূতপূর্ব সফলতা দেখিয়েছে। গত এক বছরে মৃত মাত্র একজন। করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বাড়লেও গণস্বাস্থ্য কর্মসূচির বিরাট প্রয়োগ ঘটিয়ে ভুটান নজির গড়েছে। সাফল্যের এই খতিয়ানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার চালিকাশক্তি ওয়ার্ল্ড হেল্থ অ্যাসেম্বলির সভাপতি এখন ভুটান।

পশ্চিমবঙ্গের তিনটি জেলা কালিম্পং, আলিপুরদুয়ার ও জলপাইগুড়ির সংলগ্ন ভুটানের সীমান্তে কড়া নজরদারি করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ডা লোটে শেরিং। সীমান্ত এলাকার মাইলের পর মাইল ঘুরে নিয়মিত করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছেন রাজা জিগমে খেসর নামগিয়াল ওয়াংচুক।

ভারতীয় নৌবাহিনীতে একাধিক শূন্যপদে নিয়োগ, রইল বিস্তারিত তথ্য

Recruitment , vacancies , Indian Navy

ভারতীয় নৌবাহিনীতে একাধিক শূন্যপদে কর্মী নিয়োগ করা হবে। ইতিমধ্যেই ভারতীয় নৌবাহিনীর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। ভারতীয় নৌবাহিনীর ইলেক্ট্রিক্যাল শাখায় নিয়োগ করা হবে। কবে থেকে কবের মধ্যে এবং কীভাবে আবেদন করতে হবে তা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং কোন বয়েসের প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন তাও বলে দেওয়া হয়েছে এই বিজ্ঞপ্তিতে।

১) নিয়োগের পদ্ধতি
ভারতীয় নৌবাহিনীতে শর্ট সার্ভিস কমিশনের মাধ্যমে কর্মী নিয়োগ করা হবে। শুধুমাত্র অবিবাহিত পুরুষ প্রার্থীরাই আবেদন করতে পারবেন। মোট ৪০ টি শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে।

২) প্রার্থীদের বয়সগত যোগ্যতা
বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ২৪ বছরের মধ্যে। এই ক্ষেত্রে জন্মতারিখ ১৯৯৭ সালের ২ জানুয়ারি থেকে ২০০২ সালের ১ জুলাইয়ের মধ্যে গণ্য করা হবে।

৩) আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা

প্রার্থীদের বি-টেক ডিগ্রি বাধ্যতামূলক। এর মধ্যে থাকবে ইলেক্ট্রিক্যাল/ইলেক্ট্রনিক্স/টেলি কমিউনিকেশন/ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন/পাওয়ার ইঞ্জিনিয়ারিং/পাওয়ার ইলেক্ট্রনিক্স/ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড ইনস্ট্রুমেন্টেশন/অ্যাপ্লায়েড ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড ইনস্ট্রুমেন্টেশন/ইনস্ট্রুমেন্টেশন অ্যান্ড কন্ট্রোল/ইনস্ট্রুমেন্টেশন/অ্যাপ্লায়েড ইলেক্ট্রনিক্স অ্যান্ড কমিউনিকেশন/ইলেক্ট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেক্ট্রনিক্স। এছাড়াও এই সব শাখায় প্রার্থীদের ন্যূনতম ৬০ শতাংশ নম্বর থাকতে হবে।

৪) আবেদনের পদ্ধতি
প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। www.joinindiannavy.gov.in ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে। এ ক্ষেত্রে প্রার্থীদের বৈধ ইমেল এবং ফোন নাম্বার থাকতে হবে। ১৬ ই জুলাই থেকে আবেদন করা যাবে। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩০ জুলাই ২০২১। বিস্তারিত জানতে http://www.davp.nic.in/WriteReadData/ADS/eng_10701_6_2122b.pdf লিঙ্কে ক্লিক করুন।

তবে কি মা হতে চলেছেন সোনম কাপুর, নেট-নাগরিকদের গুঞ্জণ তুঙ্গে

Sonam Kapoor is going to be a mother

প্রায় অনেক দিন ধরেই দেশের বাইরে আটকে পড়েছিলেন সোনম। কিছুদিন আগে মঙ্গলবার লন্ডন থেকে দেশে ফেরেন তিনি। অনেকদিন পড়ে বাড়ি ফিরে কাছের মানুষদের সঙ্গে সময় কাটাতে পেরে খুশি সোনম। সম্প্রতি তিনি ‘ব্লাইন্ড’ ছবির শুটিং শেষ করেছেন। বহুদিন পর বাবা অনিল কপূরকে দেখে আবেগপ্রবণ হয়ে পরেন অভিনেত্রী। সবার সামনেই বাবাকে জড়িয়ে ধরে কেঁদে ফেলেন সোনম। সেই ছবি এবং ভিডিও নেট মাধ্যমে ভাইরাল হতে খুব বেশি সময় লাগেনি।

স্বভাবতই সেই ভিডিও দেখেই নেটাগরিকদের মনে প্রশ্ন উঠেছে, সোনম কী অন্তঃসত্ত্বা? কী এমন ছিল ওই ভিডিওতে, যা দেখে এমন দাবি করছেন নেটিজেনরা! আসলে ওই ভিডিওতে সোনমকে একেবারে ঢিলেঢালা পোশাকে দেখা যায়। একটি ঢিলেঢালা জামার ওপর পড়েছিলেন গাঢ় নীল রঙের ব্লেজার। আর এতেই নেটাগরিকদের একাংশের মনে প্রশ্ন কেন এই ধরনের পোশাক পরেছেন অনিল কন্যা? তবে কী মা হতে চলেছেন সোনম?

অনেকে মনে করছে নিজের বেবি বাম্প লোকানোর জন্যই সোনম এই ধরনের পোশাক বেছে নিয়েছিলেন। ওই ভিডিওতে রীতিমতো কমেন্টের ঝড় ওঠে। কেউ লেখেন ‘সোনম কী গর্ভবতী?’ আবার কেউ কেউ লেখেন ‘সোনমকে দেখেই মনে হচ্ছে মা হতে চলেছেন তিনি’। তবে এই বিষয়ে অভিনেত্রীর কাছ থেকে কিছু জানা যায়নি। সোনম সত্যি গর্ভবতী কী না, তা নিয়ে এখন নেটাগরিকদের মনে জল্পনা তুঙ্গে। ফ্যাশনিস্তা সোনামের পোশাক ঘিরে যেখানে প্রতিটা মুহূর্তে থাকে টান টান উত্তেজনা, সেই অভিনেত্রীর লুক নিয়ে এবার সপাট প্রশ্ন ওঠায় বাড়ছে গুঞ্জন।

কোনটা মুখ আর মুখোশ বোঝা বড় মুশকিল, কী রয়েছে দেবাঞ্জনদের মনস্তত্ত্বের গভীরে?

debanjan deb-sanatan ray chowdhary

সোয়েতা ভট্টাচার্য: কখনও দেবাঞ্জন দেব, কখনও সনাতন রায়চৌধুরী কখনও আবার শুভদীপ ব্যানার্জি। নাম আলাদা, ব্যক্তি আলাদা৷ তবে এক হল ,তাদের অপরাধের ধরন। এ যেন অপরাধ নিজেই নিজের মুখোশ বারবার বদলেছে। গত এক মাসের মধ্যে এই তিন ব্যক্তি ধরা পড়েছে পুলিশের জালে। অভিযোগ সরকারি অফিসার সেজে প্রতারণার। এখানেই থেমে থাকেনি অভিযুক্তরা। রীতিমতো ঘটা করে সরকারি আমলাদের মতো বা অফিসারদের মতো নীল বাতি গাড়িও ব্যবহার করত এই অভিযুক্তরা।

বিধায়ক মিমি চক্রবর্তীকে ভুয়ো টিকা দেওয়ার পর দেবাঞ্জন দেবের একের পর এক কির্তি প্রকাশ্যে আসে। দীর্ঘদিন ধরে নিজেকে সরকারি আমলা পরিচয় দিয়ে প্রতারণা করে চলেছিল সে। নীল বাতি গাড়িও ব্যবহার করত সে। দেবাঞ্জন দেবের ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই রাজনৈতিক খেলা শুরু হয়ে যায় ।দেবাঞ্জন দেবকে নিয়ে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগের পালা রাজ্য সরকার এবং বিরোধীদের মধ্যে এখনও অব্যাহত৷

দেবাঞ্জনকাণ্ডের রেশ কাটার আগেই কলকাতায় ফের নীল বাতি লাগানো গাড়ি বাজেয়াপ্ত হয়। গাড়িতে সিবিআই স্টিকার। গ্রেফতার করা হয় অভিযুক্তকে। পুলিশ জানায় বরানগরের বাসিন্দা সনাতন রায়চৌধুরী কলকাতা হাইকোর্টের আইনজীবী। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ রাজ্য সরকারের স্ট্যান্ডিং কাউন্সিল ও সিবিআইয়ের কৌঁসুলি পরিচয়ে গড়িয়াহাট থানা এলাকায় ১০ কোটি টাকার সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টা করেন ওই আইনজীবী। নীল বাতি লাগানো গাড়িতে সিবিআই স্টিকার দেখে সন্দেহ হয় পুলিশের। বয়ানে অসঙ্গতি মেলায় সিঁথি এলাকা থেকে অভিযুক্তকে গ্রেফতার করে গড়িয়াহাট থানার পুলিশ। 

এরপর পুলিশের জালে ধরা পরে শুভদীপ ব্যানার্জি। গত ১২ই জুলাই দিল্লির এক পাঁচতারা হোটেল থেকে শুভদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে গ্রেফতার করে জগাছা থানার পুলিশ। রাজধানীতে করে অভিযুক্তকে নিয়ে আসা হয় হাওড়ায়। তাঁর বিরুদ্ধে সিবিআই অফিসার পরিচয়ে প্রতারণার অভিযোগ রয়েছে। তাঁর স্ত্রী বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করে স্বামীর পরিচয় ফাঁস করেছেন। এই অভিযুক্ত ঠিক একইভাবে নীল বাতি গাড়ি ব্যবহার করত। গাড়িতে সাঁটানোর থাকতো সিবিআই অফিসারের স্টিকার ।সেই গাড়িটিও উদ্ধার করেছে পুলিশ।

এই তিন অভিযুক্ত একে অপরকে না চিনলেও তাদের মধ্যে এক গভীর সম্পর্ক রয়েছে ।এই তিন জনের অপরাধ করার ধরণটা একরকম ।তিন জনের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে বিগত বেশ কয়েক বছর ধরে তারা এই ভাবেই প্রতারণা করে চলেছেন । ডিজে দেখবো পরিচয় তৈরি করেছে এই অভিযুক্তরা ।এদের মধ্যে যে বিষয়টী লক্ষণীয় তা হল এই অভিযুক্তরা প্রত্যেকেই মিথ্যা বচনে পারদর্শী ।তারা স্পষ্টভাবেই জানতেন যেভাবে তারা নিজেদের সরকারি অফিসারের ভূয়ো পরিচয় দিচ্ছে পুলিশের নজর এড়িয়ে গা ঢাকা দিতে পারবে না বেশিদিন। এইটা জানার পরেও এই ধরনের অপরাধ কেন করে দেবাঞ্জন, সনাতন এবং শুভদীপরা। এখান থেকেই প্রশ্ন ওঠে তাহলেকি তাদের মানসিক অবস্থান ঠিক একই রকম।

এই প্রসঙ্গে বিখ্যাত মনোবিদ রাজ্যশ্রী বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন,” এদের মতো লোকেদের পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার থাকে। সোশিওপ্যাথিক পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার অর্থাৎ এরা হচ্ছে সোশিওপ্যাথ ।যারা সোশিওপ্যাথিক হয় তাদের ব্যক্তিত্ব ত্রুটিপূর্ণ হয়ে থাকে। তারা নিজেদের ভুয়ো পরিচয় তৈরি করে। তারা নিজেদের বিষয়ে মানুষকে একাধিক গল্প বানিয়ে বলে। যে কাজটা কখনও তারা করেনি সেবিষয়ে মানুষকে ভুল তথ্য দেয়। তারা নিজেদের সম্পর্কে এমন কিছু কথা বলে বা এমন কোনও কাজ তারা করেছে বলে দাবি করে যেটা আদৌও জীবনে তারা কোনদিনই করেনি।মানুষকে ঠকানোর জন্য এরা ভুয়ো পরিচয় তৈরি করে। এই ধরনের মানুষ জীবনে ঝুঁকি নিতে ভীষণ পছন্দ করে। তাদের ম্যানুপুলেটিভ চরিত্র থাকে। তবে সবার ক্ষেত্রে তারা ম্যানুপুলেটিভ নাও হতে পারে। তারা নিজের মতো করে টার্গেট বেছে নেয়। আর সেই অনুযায়ী লোক ঠকানোর কাজ করে থাকে। এই ধরনের কাজ করে তারা আত্মতৃপ্তি অনুভব করে।

এবার প্রশ্ন হল যে, এই ধরনের মানুষ কেন এমন কাজ করে থাকে? তার উত্তরে রাজ্যশ্রীদেবী বলেন,” এই ধরনের মানসিক স্থিতির জন্য দায়ী হয় মানুষের বেড়ে ওঠা। ছোট থেকে কোনও জিনিস তারা যখন না পায় এবং অন্যদের সে জিনিস পেতে দেখে সেই সম্পর্কে তাদের যখন স্বপ্ন রয়েছে সেই সব ক্ষেত্রে এই ধরনের পার্সোনালিটি তৈরি হয়। এই ধরনের মানসিক অবস্থার মানুষদের মধ্যেই সব সময়ে সব বিষয় নিয়ে অভিযোগ থাকে। একদিকে যেমন ক্ষমতালোভী হয়, অন্যদিকে বাইরের জগৎকে ক্ষমতা প্রদর্শন করার চেষ্টা করে। এই ধরনের মানুষ নিজেদের আত্মতৃপ্তির জন্যই কাজ করে। যে কাজটা করে না সেগুলো মানুষকে বোঝায় যে করে। এই মানুষগুলির পার্সোনালিটি তৈরি হয়ে থাকে এইভাবেই। অর্থাৎ দেবাঞ্জনের মতো সোশিওপ্যাথিক পার্সোনালিটির মানুষেরা, অন্য কোন মানুষের অনুভূতি বুঝতে পারে না। তারা মিথ্যা কথা বলে। এরা জীবনে জেনেশুনেই এই ঝুঁকিগুলো নিয়ে থাকে এবং একাধিক ভুয়ো পরিচয় তৈরি করতে পছন্দ করে।”

এইরকম নানাবিধ মানসিক জ্বরে জর্জরিত আমাদের সমাজ ।এই ব্যাধি সমূলে উৎপাটিত করতে না পারলে মুখোশের আড়ালে থাকা মুখগুলো বারবার প্রতারিত করে যাবে মানুষকে। সমাজের একটা শ্রেণি বারবার প্রতারণার শিকার হয়েই যাবে।

সঙ্গমের মুহূর্তে কীভাবে অর্জুনকে পেতে চান মালাইকা, প্রকাশ্যে ফাঁস গোপন সিক্রেট

malaika arora

মালাইকা আরোরা, বলিউড হট ডিভার দাপট প্রথম থেকেই সকলের নজর কাড়ে। ছাইয়া ছাইয়া থেকে সফর শুরু। এরপর একাধিক সিনেমা, আইটেম ডান্স মালাইকার কাছে যেন ছিল বাঁ-হাতের খেল। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ফিকে হয়েছে অনেক অভিনেত্রীর যৌলুস। কিন্তু কোথাও গিয়ে যেন মালাইকা আজও তরতাজা ফুরফুরে মেজাজে ধরা দিতে বেশি ভালোবাসেন। শুধু তাই নয় সমাজকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে খুল্লাম খুল্লা প্রেমেও মেতেছেন তিনি।

রীতিমতো লিভ-ইনের রয়েছেন অর্জুন কাপুরের সঙ্গে। বয়সে ফারাককে তুড়ি মেরে উড়িয়ে মালাইকা এখন হট সিজলিং প্রেমিকা। ডিনার ডেট থেকে শুরু করে ট্রিপ প্ল্যান, উইকেন্ড প্লান কোনও কিছুতেই খামতি রাখছেন না তিনি। আর সঙ্গম, তা বলাই বাহুল্য। অর্জুন এর সঙ্গে ঠিক কী ধরনের সঙ্গমে মত্ত হন তিনি তা নিয়ে মুখ খোলেননি মালাইকা।

তবে এক টকশোতে এসে নিজের সেক্স লাইফ নিয়ে কথা বলতে বিন্দুমাত্র পিছুপা হননি মালাইকা। তার থেকে যখন জানতে চাওয়া হয়, কি ধরনের পজিশনে সঙ্গমের আনন্দ তিনি সবথেকে নিয়ে থাকেন, বিন্দুমাত্র ইতঃস্তত বোধ না করে মালাইকা উত্তর দিয়ে দেন- অন টপ।

malaika

এরপরই ভাইরাল হয়ে যায় সেই সাক্ষাৎকার। মালাইকা আরোরা বরাবরই স্পষ্টবাদী। কোনও কিছুতেই খুব একটা রাখঢাক তিনি পছন্দ করেন না। তবে বেডরুমের অন্দরমহলের এই গোপন সিক্রেট তিনি এত সহজে সকলের সামনে ফাঁসি করবেন তা হয়তো আশা করেনি অনেকেই। যার ফলে মুহূর্তে চমকে উঠেছিল ভক্তমহল। আর যথারীতি তারই হাত ধরে আবারও ভাইরাল মালাইকা।

কেবল ডাবের জলেই স্টানিং লুক, প্রিয়ঙ্কার হট ফিগারের রহস্য কোথায়

priyanka

ডায়েট প্ল্যানিং মানেই সারা দিন ব্যালন্স করে বুঝে খাবার খাওয়া। নিজেকে ফিট রাখতে সেলেব মহল প্রতিটা মুহূর্তে নিজের পার্ফেক্ট ডায়েট মেনে চলেন। প্রিয়ঙ্কার ক্ষেত্রে বিষয়টা আরও গুরুতর। কারণ একটাই। পিগি চপস ও নিক জোনাসের সম্পর্কের সমীকরণ। ১০ বছরের ছোট স্বামীর পাশে বেমানান নন তো প্রিয়ঙ্কা! ট্রোলারদের খোরাক হতে নারাজ। তাই নিজের যত্নে কোনও রকমের খামতি রাখেন না প্রিয়ঙ্কা। 

আর তাই ফিগার ধরে রাখতে পিগি চপসের খাবারে সিক্রেটেই বাজিমাত। সকাল থেকে রাত তাঁর পাতে কী কী পদ থাকে জেনে নিন

priyanka

ব্রেকফাস্টে প্রিয়ঙ্কার চাই এক গ্লাস দুধের সঙ্গে ওট মিল খান। অথবা দুটো ডিম খান। লাঞ্চে খান দুটি রুটি, ডাল ও সবজি। বারোটার মধ্যে প্রিয়ঙ্কা দুপুরে খাবার খেয়ে থাকেন। সন্ধের জলখাবার হিসেবে টার্কি স্যান্ডউইটচ ও স্যালাড খান। শরীরচর্চার পর হালকা খাবার খেয়ে থাকেন তিনি।

ডিনারে সুপ, গ্রিলড চিকেন বা ফিশ খান। রাতে আটটার মধ্যে খাবার খেয়ে থাকেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। এছাড়া প্রতি দু ঘণ্টা অন্তর নারকেলের জলের সঙ্গে বাদাম খান তিনি। এতে শরীর চরতাজা থাকে ও রিফ্রেশ হয়ে যান পিগি চপস। শরীরকে হাইড্রেটেড রাখার জন্য অনেকটা জল খান। এতে ত্বকও ভালো থাকে।

সানবার্ন-ত্বকের স্পট মুহূর্তে হবে দূর, মধুর ম্যাজিকে হয়ে উঠুন বিউটিফুল

skin

মধুর গুণাগুণ সম্পর্কে আমরা অনেকেই ওয়াকিবহাল। তা সে মিষ্টি হিসাবেই হোক বা রূপচর্চার উপাদান হিসাবেই হোক না কেন। রূপচর্চায় প্রয়োগ করুন মধু, মিলবে মসৃণ সুন্দর ত্বক। 

রূপচর্চায় মধুঃ-

সান বার্ন কমায়ঃ– মধু ও অ্যালোভেরা জেলের মিশ্রণ ত্বকের রোদে পোড়া অংশে ১৫ মিনিট লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। সপ্তাহে ৩ বার করে অন্তত ২ মাস ব্যবহার করলে উপকার মিলবে।

ত্বকের দাগ দূর করেঃ– এক চামচ মধু ও এক চামচ অলিভ অয়েল মিশিয়ে ত্বকের ক্ষত জায়গায় লাগান এবং ম্যাসাজ করুন। তারপর গরম জলে তোয়ালে ভিজিয়ে বেশ কিছুক্ষণ ভাপ নিন। ঠান্ডা হয়ে গেলে মুখ ধুয়ে ফেলুন।

honey

চুলের ঔজ্জ্বল্য বজায় রাখেঃ– মধু ও জলের মিশ্রণ সপ্তাহে একবার চুলে লাগিয়ে রেখে পর্যাপ্ত পরিমাণ জল দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। চুলের ঔজ্জ্বল্য বজায় থাকে।

হেয়ার কন্ডিশানার হিসাবেঃ– নারিকেল তেল ও মধুর মিশ্রণ ২০ মিনিট চুলে লাগিয়ে রেখে ধুয়ে ফেলুন। তা অবশ্যই কন্ডিশানার হিসাবে উপকার দেবে।

ত্বকের রুক্ষতা দূর করেঃ– টকদই ও মধুর মিশ্রণ নিয়মিত ব্যবহার করলে ত্বকের রুক্ষতা দূর হয়।

ত্বকের ঔজ্বল্য বজায় রাখেঃ– মুলতানি মাটি ও মধুর মিশ্রণ ত্বকের পক্ষে সব থেকে উপকারি। সপ্তাহে অন্তত ৩ বার এই মিশ্রণ ব্যবহার করলে উপকার মিলবেই।

 

করণ জোহরের ফ্রেমে টোটা রায়চৌধুরীকে, স্ক্রিন শেয়ার করবেন রণবীর-আলিয়ার সঙ্গে

tota

বর্তমানে বাংলা ইন্ডাস্ট্রিতে রোহিত সেন নামেই অধিক পরিচিত টোটা রায়চৌধুরী। বেশ কিছু বাংলা সিনেমায় তার অভিনয় দর্শকদের ভালোবাসা কুড়িয়েছে। তবে এবার পাড়ি বলিউডে। কিন্তু এটাই প্রথম নয়। এর আগেও সুজয় ঘোষ এবং প্রদীপ সরকারের পরিচালনায় বলিউডে কাজ করেছেন টোটা। তবে এবারে বড় প্রযোজনা সংস্থার ব্যানারে করণ জোহরের সিনেমায় অভিনয় করতে দেখা যাবে টোটাকে।

সূত্রের খবর অনুযায়ী করণ জোহরের পরবর্তী সিনেমা ‘রকি আওর রানি কী প্রেম কাহিনি’ তে অভিনয় করতে দেখা যাবে তাকে। এই সিনেমায় মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করছেন রণবীর এবং আলিয়া। সিনেমায় টোটার চরিত্র নেহাতি ছোট নয়, বরং গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করবেন তিনি। ফলত এখন থেকেই বেশ কয়েকবার মুম্বইতে পাড়ি দিয়েছেন ছোট পর্দার রোহিত সেন। আগামী সেপ্টেম্বর থেকেই এই সিনেমার শুটিং শুরু হবে। তাই এখন থেকেই প্রস্তুতি নিতে শুরু করে দিয়েছেন টোটা। এই ছবির কারণে বেশ কিছুদিন টোটাকে মুম্বই থাকতে হবে। তাই এখন আপাতত কোনও বাংলা সিনেমায় হাত দিচ্ছেন না তিনি।

এখন প্রশ্ন হলো কীভাবে টোটা এতো বড় একটা সুযোগ পেলেন। এর প্রধান কারণ হল নেটফ্লিক্স-এ মুক্তি পাওয়া ‘অনকহি’ ছিবিতে টোটার দুর্দান্ত অভিনয়। টোটার এই অভিনয় দেখে করণ জোহর তাকে ‘রকি আওর রানি কী প্রেম কাহিনি’ ছবির অডিশনের জন্য ডেকে পাঠান। অডিশনে টোটার অভিনয় করণ এবং তার টিমের সবাইকে মুগ্ধ করে। এরপরই টোটাকে করণ সিনেমার জন্য সই করিয়ে নেন।

ভারতের বাজারে লঞ্চ করলো ওপ্পো রেনো ৬ সিরিজের দুটি ফোন

oppo reno 6

ভারতের বাজারে লঞ্চ হয়েছে ওপ্পো রেনো ৬ সিরিজের দুটি স্মার্টফোন। তার মধ্যে একটি ওপ্পো রেনো ৬ ৫জি এবং অন্যটি ওপ্পো রেনো ৬ প্রো ৫জি স্মার্টফোন। আপাতত একটিই র‍্যাম কনফিগারেশনে ভারতে লঞ্চ করেছে ওপ্পো রেনো ৬ সিরিজের এই দুটি ফোন। অসাধারণ কিছু ফিচারের সঙ্গে এই ফোন দুটির দামও বেশ নাগালের মধ্যে।

১) ভারতে ওপ্পো রেনো ৬ ৫জি এবং ওপ্পো রেনো ৬ প্রো ৫জি ফোনের দাম

১. ৮ জিবি র‍্যাম এবং ১২৮ জিবি স্টোরেজের কনফিগারেশনে ওপ্পো রেনো ৬ ৫জি ফোনের দাম করা হয়েছে ২৯,৯৯০ টাকা।
২. ওপ্পো রেনো ৬ প্রো ৫জি ফোনের ১২ জিবি র‍্যাম এবং ২৫৬ জিবি স্টোরেজ কনফিগারেশনে দাম ৩৯,৯৯০ টাকা।

২) ভারতে ওপ্পো রেনো ৬ ৫জি এবং ওপ্পো রেনো ৬ প্রো ৫জি ফোনের রং

আপাতত দুটি রং-এ ভারতের বাজারে পাওয়া যাবে ওপ্পো রেনো ৬ সিরিজের দুটি ফোন। তার মধ্যে একটি আরোরা স্টিল এবং অন্যটি স্টেলার ব্ল্যাক। ফ্লিপকার্ট, রিলায়েন্স ডিজিটাল, বিজয় সেলস, ক্রোমা, ওপ্পোর অনলাইন স্টোর এবং অন্যান্য বেশ কিছু জায়গা থেকে এই ফোন কেনা যাবে। এইচডিএফসি ব্যাঙ্কের মাধ্যমে ফোন কেনার ক্ষেত্রে, ট্রানজাকশন করলে ৪০০০ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পাওয়ার সুযোগ থাকবে।

৩) ওপ্পো রেনো ৬ ৫জি ফোনের ফিচার

১.এই ফোনটি পরিচালিত হবে Android 11-based ColorOS 11.3 দিয়ে। থাকবে ৬.৪৩ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস ফ্ল্যাট AMOLED ডিসপ্লে। যার রিফ্রেশ রেট ৯০Hz। Media Tek Dimensity ৯০০ প্রসেসরের সঙ্গে থাকছে ৮ জিবি র‍্যাম এবং ১২৮ জিবি স্টোরেজ। এই ফোনের ব্যাটারি ৪৩৩mAh। ফোনটির ওজন ১৮২ গ্রাম।
২. ওপ্পো রেনো ৬ ৫জি স্মার্টফোনের পিছনের দিকে থাকছে মোট ৩ টি ক্যামেরা। তার মধ্যে একটি ৬৪ মেগাপিক্সেলের মেন ক্যামেরা, একটি ৮ মেগাপিক্সেলের আলট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স এবং রয়েছে একটি ২ মেগাপিক্সেলেরএক্স ম্যাক্রো লেন্স। এছাড়াও ফ্রন্টে রয়েছে একটি ৩২ মেগাপিক্সেলের সেলফি শুটার।

৪) ওপ্পো রেনো ৬ প্রো ৫জি ফোনের ফিচার

১. এই ফোনটিতে রয়েছে ৬.৫৫ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস AMOLED ডিসপ্লে। এই ফোনের প্রসেসর Media Tek Dimensity ১২০০। ১২ জিবি র‍্যাম ও ২৫৬ জিবি স্টোরেজের সঙ্গে এই ফোনের ব্যাটারি ৪৫০০mAh । ফোনটির ওজন ১৭৭ গ্রাম।
২. ওপ্পো রেনো ৬ ৫জি ফোনের মতো সব সেনসরই রয়েছে এই ফোন। এছাড়াও 2 মেগাপিক্সেলের একটি অতিরিক্ত মোনো ক্যামেরাও রয়েছে। এর পাশাপাশি ফ্রন্টে রয়েছে ৩২ মেগাপিক্সেলের একটি সেলফি শুটার।

বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন কঙ্গনা-নাওয়াজ, ওটিটি প্ল্যাটফর্মে বাজবে বিয়ের সানাই

kangana ranaut

বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন কঙ্গনা রানাউত এবং নাওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী। তবে বিয়ের আয়োজন করা হবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। আসলে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ‘টিকু ওয়েডস শেরু’ সিনেমার হাত ধরে প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন কঙ্গনা রানাউত। প্রযোজনার পাশাপাশি এই ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ও করতে দেখা যাবে তাকে। অন্যদিকে কঙ্গনার বিপরীতে অভিনয় করবেন নাওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী।

এই প্রথম বার একসঙ্গে জুটি বাঁধতে চলেছেন কঙ্গনা এবং নাওয়াজ। সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রামে নাওয়াজের একটি ছবি পোস্ট করেন কঙ্গনা। তিলি লেখেন “আপনাকে আমাদের টিমে স্বাগত স্যার”। কঙ্গনা এবং নাওয়াজ ছাড়া এই ছবিতে আর কারা অভিনয় করবেন তা নিয়ে মুখ খোলেননি তিনি। কঙ্গনার মতে এই প্রজন্মের সেরা অভিনেতাকে নিজেদের টিমে পেয়ে তিনি খুবই আপ্লুত। কিছু দিনের মধ্যেই ‘টিকু ওয়েডস শেরু’ এর শুটিং শুরু হতে চলেছে।

kangana

সূত্রের খবর অনুযায়ী ছবিটিতে নায়ক নায়িকা অর্থাৎ নাওয়াজ আর কঙ্গনার বিয়ে নিয়েই তৈরি হয়েছে গল্প। এর আগেও বড় পর্দায় প্রযোজনার কাজ করেছেন কঙ্গনা। তাঁর প্রযোজনার ছবি ‘মণিকর্ণিকা’ দর্শকদের থেকে ভালো সাড়া পেয়েছিল। এছাড়াও সিনেমাটি বক্স-অফিসে ভালো ব্যবসাও করেছিল। সেই সাফল্যের সূত্র ধরেই আবারও প্রযোজনা করছেন কঙ্গনা। তবে এবার ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।

মণিকর্ণিকার মতো এই ছবিতেও সাফল্য পাবেন বলে আশাবাদী পর্দার কুইন। অন্যদিকে কঙ্গনার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে নাওয়াজ নিজেও বেশ খুশি। নাওয়াজের কথায় কঙ্গনা খুবই ভালো অভিনেতা। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে ভালো লাগবে। সূত্রের খবর অনুযায়ী প্রথমে এই সিনেমার জন্য প্রয়াত অভিনেতা ইরফান খানকে পছন্দ করা হয়েছিলো। তবে অভিনেতার প্রয়াণের পর নাওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীকে সই করানো হয়। সব মিলিয়ে কঙ্গনা এবং নাওয়াজের জুটি দেখার জন্য দর্শকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।

শরীরি উষ্ণতায় সোশ্যাল মিডিয়া গরম, সাহসী পোশাকে ঝড় ঋতাভরীর

ঋতাভরী চক্রবর্তী। এক কথায় বলতে গেলে যাঁর লুক থেকে ফিগার, হট পোজের ঝড়ে কাবু ভক্তমহল। টলিউড থেকে বলিউড, অভিনয়গুণ তিনি নজর কেড়েছেন সকলের। গানের গলাও যে নেহাতই খারাপ নয়, মিলেছে তাঁর প্রমাণও। সদ্য ভাইরাল হয়েছে ঋতাভরীর গান। করোনার চোখরাঙানিতে রাজ্যে আংশিক লকডাউন, স্বাভাবিকভাবেই ঘরবন্দি মানুষ। ঋতাভরীরও সময় কাটছে চার দেওয়ালের মধ্যে। তবে নেটদুনিয়ায় বিকিনি শর্টে রীতিমতো নেটিজেনদের ঝড় তুলেছেন নায়িকা।

মন ভাল করতে স্মৃতির পাতায় চোখ রাখেন ঋতাভরীয়। এবারও তেমনটাই করেছেন। নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় থ্রো-ব্যাক ভিডিও শেয়ার করেই সাইবারবাসীর ঘুম উড়িয়েছেন বঙ্গতনয়া। হট প্যান্ট- প্রিন্টেড বিকিনিতে বিচ লুকে টলি ফ্যাশনিস্তা যেন বলিউডকেও টেক্কা দিতে প্রস্তুত।

ritabhari chakraborty

ঋতাভরী চক্রবর্তীকে নিয়ে সর্বদাই সরগরম টলিপাড়া। সোশ্যাল মিডিয়ার উত্তাপ বাড়াতে বেশ সিদ্ধহস্ত টলি কুইন। একের পর এক সাহসী ছবিতে ঘায়েল হয়েছে সাইবারবাসী অন্তর্বাসের উপর দিয়ে বেরিয়ে এসেছে ক্লিভেজের খাঁজ। ঝড়ের গতিতে ভাইরাল ঋতাভরীর বোল্ড লুক। ইনস্টাগ্রামে স্লো মোশন ভিডিও দেখেই ঘাম ঝরছে ভক্তদের। ব্যক্তিগত জীবন হোক কিংবা ফ্যাশন সবসময়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকেন ঋতাভরী চক্রবর্তী। টলিপাড়ার বাঙালি অভিনেত্রী ঋতাভরী চক্রবর্তী যেন নেটদুনিয়ার হটকেক।

ভারত ও বাংলাদেশে সন্ত্রাস জাল ছড়ানো JMB প্রধান সালাউদ্দিন বেপাত্তা

Militant leader Salehin yet to be caught

বিশেষ প্রতিবেদন: একেবারে কর্পূরের মতো উবে গিয়েছে যেন। কোনও সূত্রই মিলছে না ভারত ও বাংলাদেশে জঙ্গি জাল ছড়ানো জেএমবি (JMB) প্রধান সালাউদ্দিন সালেহীনের। ভারতে সংগঠনটির নাম জেএমআই (JMI), তাদের একাধিক সদস্য ধরা পড়েছে। সম্প্রতি তিন জঙ্গি ধরা পড়ল কলকাতায়।

সালাউদ্দিন নিখোঁজ ২০১৪ সালের বর্ধমানের খাগড়াগড় বিস্ফোরণ ঘটনার পর থেকে। রাজ্যে টানা সাড়ে তিন দশকের বাম শাসনের অবসান হওয়ার পর তৃণমূল কংগ্রেসের প্রথম দফার শাসনে খাগড়াগড় বিস্ফোরণ (এখন পূর্ব বর্ধমান জেলার অংশ) ছিল তুমুল আলোচিত। পশ্চিমবঙ্গের জমি ব্যবহার করে বাংলাদেশে নাশকতা ঘটানোর পরিকল্পনা করে বাংলাদেশি জঙ্গি কমান্ডার সালাউদ্দিন সালেহীন।

সালাউদ্দিন বাংলাদেশে থাকতেই জামাত উল মুজাহিদিন বাংলাদেশ (জেএমবি) সংগঠনে চিড় ধরেছিল। তৈরি হয় নব্য জেএমবি। এই সংগঠনের নেতৃত্বে আসে তামিম চৌধুরী। বাংলাদেশ শক্তি হারিয়ে সালাউদ্দিনের নেতৃত্বে পুরনো জেএমবি ভারতের মাটি বেছে নেয়। তৈরি হয় জামাত উল মুজাহিদিন ইন্ডিয়া ইন্ডি(জেএমআই)।

বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের বাসিন্দা সালাহউদ্দিন ধরা পড়ে। মামলা চলাকালীন ২০১৪ সালের ২৩ ফেব্রুয়ারি তাকে পুলিশ ভ্যান থেকেই ছিনিয়ে নিয়েছিল জঙ্গিরা। বাংলাদেশ সরকারের তথ্য, ময়মনসিংহে ঘটে যাওয়া সেই ঘটনার পরেই সালাউদ্দিন ভারতে ঢুকে আত্মগোপন করে। পালিয়ে যাওয়ার আটটা মাসের মধ্যে ২ অক্টোবর হয়েছিল খাগড়াগড় বিস্ফোরণ। তদন্তে উঠে এসেছিল পলাতক সালাহউদ্দিনের নাম।

জেএমবি/জেএমআই সংগঠনের প্রধান সালাউদ্দিন সালেহীন সম্পর্কে গেয়েন্দা রিপোর্টে বলা হয়েছে, এই মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতা নেপাল হয়ে পাকিস্তান গিয়েছিল। এরপর আর তার কোনও খোঁজ নেই। গত কয়েক বছরে খাগড়াগড় বিস্ফোরণের প্রায় সব জঙ্গি নেতা ভারত ও বাংলাদেশে ধৃত। তামিম চৌধুরী সহ নব্য জেএমবি সংগঠনের নেতারা অনেকেই খতম। কিন্তু সালাউদ্দিন বেপাত্তা।

পশ্চিমবঙ্গ ও অসমে বারবার জেএমবি জঙ্গিদের নেটওয়ার্ক শক্তিশালী। খাস কলকাতায় জেএমবি জঙ্গিরা ধরা পড়ার পর সবদিক খতিয়ে দেখছেন গোয়েন্দারা। কলকাতায় জেএমবি তথা জেএমআই জঙ্গিরা ধরা পড়ার পাশাপাশি বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জে সংগঠনটির দুটি ডেরা ধংস করেছে সে দেশের জঙ্গি দমন শাখা। দুই দেশে ধরা পড়া জেএমবি জঙ্গিদের কাছে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণে সালাউদ্দিন সালেহীনের বিষয়ে সূত্র খুঁজছেন গোয়েন্দারা।

সমন পেয়েও আদালতের হাজিরা এড়াল শ্রাবন্তী

srabanti chatterjee avoided appearing in court

কলকাতা: অনেক আগে থেকেই এই খবর সবাই জানে যে, অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় এবং রোশন সিং বিবাহবিচ্ছেদের পথেই এগোচ্ছেন দুজন। ভোটের জন্যই নাকি আইনি কার্যকলাপ আটকে ছিল। রোশন ব্যস্ত ছিল তাঁর জিম নিয়ে আর অন্যদিকে শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় ব্যস্ত তার আসন্ন ছবি নিয়ে।

রোশনের নিজস্ব জিম সেন্টার রয়েছে। শ্রাবন্তীও অভিনয় আর নতুন জিম ‘ফিটনেস এম্পায়ার’ নিয়ে দিন কাটাচ্ছিলেন। বর্তমানে ভোটার জন্য প্রচারের কাজে বেশ ব্যস্ত তিনি। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শ্রাবন্তীর তৃতীয় স্বামী রোশন কিছু বিস্ফোরক তথ্য সামনে এনেছেন। বিবাহবিচ্ছেদের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘শ্রাবন্তীকে আমি বিয়ে করেছিলাম ঠিকই তবে এখন রাস্তায় তাকে দেখলে চিনতে পারবো না। ওর মুখ ভুলে গিয়েছি।’

এই সাক্ষাৎকারটিতে রোশন শ্রাবন্তীর নামে কোন কুরুচিকর মন্তব্য বা বিরূপ মন্তব্য করেনি ঠিকই তবে বিবাহ বিচ্ছেদের খবর সামনে আসতেই এবং যে সময় থেকে তাঁরা দুজনে আলাদা থাকতে শুরু করেন, তারপর রোশন তার সোশ্যাল সাইটে বহুবার এমন ইঙ্গিতপূর্ণ কিছু স্ট্যাটাস আপডেট করেছেন যা সরাসরি শ্রাবন্তীর দিকে তীর তোলে।

ইন্ডাস্ট্রি সূত্রে খবর ছিল,শ্রাবন্তী সুপারস্টার আর তার রোজগারের উপরেই রোশন নির্ভরশীল। এ ব্যাপারে রোশন জানান, ২০০৭ সালে তিনি ক্যাবিন সুপারভাইজার হিসাবে এয়ারলাইন্স সংস্থায় কাজ পান। সেই সময় তাঁর মাসে ২৩ হাজার ৫০০ টাকা মাইনে ছিলো। এরপর নিজের জিম খোলেন। বর্তমানে তাঁর দুটি জিম রয়েছে। তিনি যদি ওর ভরসায় থাকতেন তাহলে আলাদা হবার পর হয়তো না খেতে পেয়েই মরে যেতেন।

অন্যদিকে ইন্ডাস্ট্রি সূত্রে শ্রাবন্তীর নতুন প্রেমের খবর সামনে আসছে। শোনা যাচ্ছে নতুন প্রেমে পড়েছেন অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়। যে আবাসনে শ্রাবন্তী থাকেন, ঠিক সেই আবাসন এই থাকেন শ্রাবন্তীর নতুন প্রেমিক । নাম অভিরূপ নাগ চৌধুরী,পেশায় ব্যবসায়ী। তবে এই সম্পর্কের বয়স খুব একমাস মতো। সূত্রের খবর, দু’জনে নাকি সম্পর্কের একমাস উদ্‌যাপন করতে পার্টিও করেন। প্রেমিকের জন্মদিনে শ্রাবন্তী একটি দামি আঙটি উপহার দিয়েছেন। উপস্থিত ছিল শ্রাবন্তীর পরিবারও।

অন্যদিকে রোশন বারংবার জুড়ে নিতে চাইছেন তাদের ভেঙে যাওয়া সম্পর্ক। আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন তিনি। তবে শ্রাবন্তী রোশনের ডাকে সাড়া দেননি। এই মামলায় রোশনের পক্ষ থেকে আদালত সমন পাঠিয়েছিল শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়কে। বলা হয়েছিল, তাঁর বক্তব্য পেশ করার জন্য শ্রাবন্তী যেন ১৪ জুলাই, বুধবার শিয়ালদহ কোর্টে উপস্থিত থাকেন। সেই সমন গ্রহণ করলেও বুধবার উপস্থিত হননি আদালতে। শ্রাবন্তীর আইনজীবী আদালতে উপস্থিত হয়ে জানিয়েছেন, তাঁর মক্কেলকে ভুল সমন পাঠানো হয়েছে। তাই আদালতের নির্ধারিত দিনে সেখানে এসে উপস্থিত হননি তিনি। পাশাপাশি, আদালতের কাছে নতুন একটি সমন পাঠানোর আবেদন করেছেন শ্রাবন্তীর আইনজীবী। তবে মোহ মায়ার এই শহরে সত্যি-মিথ্যে বোঝা বড়ই দায়।

৯০ কোটি দেনার দায় অমিভাভের মাথায়, হাত পাততে বাধ্য বিগ বি

amitabh bachchan

অমিতাভ বচ্চন বলে কথা। যাঁর প্রতিটা পদক্ষেপে বলিউডে ঝড় ওঠে। সেই অভিনেতার আবার টাকার টান! অবিশ্বাস্য। মুম্বই শহরের বুকে তাঁর রয়েছে পাঁচ-পাঁচটি বাংলো। একের পর এক ছবির প্রস্তাব এখনও তাঁর হাতে। সেই মানুষটা টাকার জন্য হাত পাচ্ছে! বিশ্বাস করতে একটু অসুবিধে হলেও তা অবাক কাণ্ড নয়। সত্যিই এই পরিস্থিতি দিয়ে যেতে হয়েছিল বচ্চন পরিবারকে। 

এই পরিস্থিতিতে অভিষেক বচ্চনকেও ছাড়তে হয়েছিল পড়াশুনা। নিজের এক কম্পানি খুলে বসেছিলেন অমিতাভ বচ্চন। নাম দিয়েছিলেন এবিসিএল। এটাই ছবি শাহেনশার মস্ত ভুল। রীতিমত ক্ষতির মুখ দেখতে শুরু করে এই সংস্থার। মানুষের কাছে লক্ষ লক্ষ টাকা বাকি পড়তে থাকে। বাড়িতে নিত্য পাওনাদারদের ভিড়, পরিস্থিতি ক্রমেই বেসামাল হয়ে ওঠে। 

amitabh bachchan

এমনই অবস্থায় অমিতাভ সাহায্যের জন্য দরজায় দরজায় ঘুরতে শুরু করেন। প্রয়োজন অনেক টাকার। তখনই তিনি প্রস্তাব পান কউন বনেগা ক্রোড়পতীর সঞ্চালক হওয়ার। এরপর একের পর এক টাকা ফেরত দিতে শুরু করেন তিনি। হাতে ছিল না সেই সময় তেমন কোনও টাকা। ফলে ছবির জন্য কাকুতি-মিনতি করতে হয় তাঁকে। আর তৈরি হয় মহব্বতে। সেই ছবি থেকে অমিভাব পার্ট ২ সফর শুরু। এরপর আর ফিরে তাকাতে হয়নি অমিতাভ বচ্চনকে।