দয়া করে আমাকে কাজ দিন, করুন আর্তি সলমন-আমিতাভের সহ-অভিনেতার

bollywood

এক দশকেরও বেশি সময় ধরে কাজ করছেন বলিউডে। সলমন খান এবং অমিতাভ বচ্ছনের সঙ্গে অনেক ছবিতে কাজ করেছেন বাবা খান। কিন্তু করোনা অতিমারিতে বদলে গিয়েছে সব কিছু। লকডাউনে সবকিছু খুয়িয়ে সর্বস্বান্ত বাবা। এক সময় বিগ বস-এর জল্লাদ হিসেবে বেশ নামডাক হয়েছিলো তাঁর। খবরের শিরনামেও এসেছিলেন এই অভিনেতা। তবে বলিউডের একাধিক প্রতিভাদের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেশি দূর পারি দিতে পারেনি।

এক সময় বডিগার্ড, ওয়ান্টেড, বীর, জানেমন-এর মতো ছবিতে সলমনের সঙ্গে অভিনয় করেছিলেন বাবা। অমিতাভ বচ্ছনের ডিপার্টমেন্ট ছবিতেও তাকে একটি ছোট চরিত্রে অভিনয় করতে দেখা যায়। তবে বর্তমান পরিস্থিতি অন্য কথা বলছে। এতো বছর ধরে একাধিক ছবিতে কাজ করেও বর্তমানে কর্মহীন বাবা খান। চারিদিকে পাগলের মতো কাজ খুঁজে বেরাছেন। কিন্তু মিলছে না কোনও সুরাহা।

bollywood

মুম্বাইয়ের এক সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘এক সময় প্রচুর কাজ করেছিলাম। কিন্তু লকডাউনের পর থেকে আর কাজ পাচ্ছি না। প্রতিদিনই কাজ খুঁজতে বেরছি, তবে প্রতিবারই আমাকে ফিরিয়ে দেওয়া হচ্ছে’। পেশাগত জীবনের শুরু থেকে বরাবরই নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় করে এসেছেন তিনি। এর ফলেই হয়তো অন্য কোনও চরিত্রে সুযোগ পাচ্ছেন না, এমনই মত বাবার। তিনি আরও বলেন ‘সব পরিচালক, প্রযোজক, কাস্টিং পরিচালকদের আমি অনুরোধ করছি, তারা যাতে আমাকে কাজ দেন। যে কোনও চরিত্র হলেই চলবে। আমার আর কিছু চাই না’। একাধিক বার সংবাদমাধ্যমের কাছে এই করুন আর্তি করে চলেছেন বাবা খান।

দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে প্রায় ৫৮৩০ টি শূন্যপদে কর্মী নিয়োগ করা হবে

bank

দেশের বিভিন্ন ব্যাংকে ক্লার্ক পদে ৫৮৩০ টি শূন্যপদে কর্মী নিয়োগ করা হবে। এই বিষয়ে ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে ইনস্টিটিউট অফ ব্যাংকিং পার্সোনাল সিলেকশন(ibps)। যে কোনও ভারতীয় নাগরিক এই পরীক্ষায় বসতে পারবেন। ইতিমধ্যেই আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে।

১) কোন কোন ব্যাংকে কর্মী নিয়োগ করা হবে

ব্যাঙ্ক অফ বরোদা, ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া,ব্যাংক অফ মহারাষ্ট্র, কানারা ব্যাঙ্ক, সেন্ট্রাল ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া, ইন্ডিয়ান ব্যাঙ্ক, ইন্ডিয়ান ওভারসিজ ব্যাঙ্ক, পাঞ্জাব ন্যাশনাল ব্যাংক, পাঞ্জাব এন্ড সিন্ড ব্যাঙ্ক, ইউকো ব্যাংক,ইউনিয়ন ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।

২) প্রার্থীদের বয়সগত যোগ্যতা

পরীক্ষায় বসার জন্য প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ২০ থেকে ২৮ বছরের মধ্যে। এর পাশাপাশি সংরক্ষিত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়সের ঊর্ধ্বসীমায় ছাড় দেওয়া হবে।

৩) প্রার্থীদের শিক্ষাগত যোগ্যতা

ভারত সরকার অনুমোদিত যে কোনও বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হতে হবে। কম্পিউটারে কোনও সার্টিফিকেট বা ডিপ্লোমা ডিগ্রি থাকতে হবে।

৪) অনলাইন পরীক্ষার পদ্ধতি

১. প্রিলিমিনারি পরীক্ষা – মোট ১০০ নম্বরে পরীক্ষা হবে। তাঁর মধ্যে ইংরেজিতে ৩০ নম্বর, নিউমেরিক্যাল এবিলিটিতে ৩৫ নম্বর এবং রিজনিং এবিলিটিতে ৩৫ নম্বর।

২. মেন পরীক্ষা – মোট ২০০ নম্বরে পরীক্ষা হবে। তাঁর মধ্যে জেনারেল/ফিনান্সিয়াল অ্যাওয়ারনেস ৫০ নম্বর, জেনারেল ইংলিশে ৪০ নম্বর, রিজনিং এবিলিটি ও কম্পিউটার aptitude ৬০ নম্বর এবং কোয়ান্টিটেটিভে aptitude ৫০ নম্বর।

৫) আবেদন ফি
অসংরক্ষিত প্রার্থীদের আবেদন করার জন্য ৮৫০ টাকা দিতে হবে। অন্যদিকে সংরক্ষিত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ১৭৫ টাকা ধার্য করা হয়েছে।

৬) আবেদন পদ্ধতি
আবেদন করার আগে প্রার্থীর স্ক্যান করা ছবি, সই এবং বাম হাতের বুড়ো আঙ্গুলের ছাপ সঙ্গে রাখতে হবে। এবারে IBPS এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে হোমপেজে লিখিত পরীক্ষার (CRP Clerks- XI) লিংকটিতে ক্লিক করুন। সেখানে আবেদনপত্রটি যথাযথভাবে পূরণ করে, স্ক্যান করা ফটো, সই এবং বাম হাতের বুড়ো আঙ্গুলের ছাপ আপলোড করতে হবে। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১ আগস্ট ২০২১। বিস্তারিত জানার জন্য www.ibps.in লিঙ্কে ক্লিক করুন।

হয়তো একেই বলে ম্যাজিক, পান্তা ভাত আর আলু সেদ্ধর ম্যাজিক মাস্টারসেফে

master chief

বাঙালিদের কাছে পান্তা ভাত এবং আলু সেদ্ধ খুবই চেনা খারাব। তবে এই খাবার যে মাস্টারসেফ অস্ট্রেলিয়ার বিচারকদের মনমুগ্ধ করবে তা কে ভাবতে পেরেছিল। সম্প্রতি মাস্টারসেফ অস্ট্রেলিয়ার সেমিফাইনাল রাউন্ডে এই পদ রান্না করে বিচারকদের মন জয় করে নিয়েছেন বাংলাদেশের বংশদূত কিশোর চৌধুরী।

কিশোরের কথায় ‘এটি এমন খাবার যা কোনও রেস্টুরেন্টে পাবেন না’। এর আগে খিচুড়ি এবং বেগুন ভর্তা দিয়ে মন জয় করেছিলেন বিচারকদের। তারপর পান্তা ভাত দিয়ে ফাইনালে প্রবেশ করলেন কিশোর। তিন বিচারক কিশোরের রান্নার সুনামে পঞ্চমুখ। সেমিফাইনাল রাউন্ডে দুই জন প্রতিদ্বন্দ্বীর সঙ্গে লড়াই করে টপ থ্রি-তে পাকাপাকি ভাবে নিজের জায়গা করে নেন ৩৮ বছরের এই প্রিন্ট বিজনেস ওম্যান। শুধু কী পান্তা ভাত! ফুচকা, চটপটি, মাছের ঝোল এর মতো একের পর এক বাঙালি রান্নায় সবার মন জয় করে নেন কিশোর। বিশেষ করে তাঁর মাছের ঝোল ডিসটি সাড়া বিশ্বের দরবারে প্রশংসা কুড়োয়।

recipe

বিশ্ববিখ্যাত শো মাস্টারসেফ অস্ট্রেলিয়ার অন্যতম লড়াকু প্রতিযোগী কিশোর। তবে তাঁর জন্ম এবং বেড়ে উঠা সবই অস্ট্রেলিয়ায়। হাই স্কুলে প্রেম করে সাতপাকে বাধা পরেন কিশোর। বর্তমানে তাঁর ১১ বছরের একটি ছেলে এবং ৪ বছরের একটি কন্যা সন্তান রয়েছে। মাস্টারসেফ অস্ট্রেলিয়ার সিজন ১১-এ অংশগ্রহণ করেছেন কিশোর। সব মিলিয়ে একের পর এক বাঙালি রান্নার মাধ্যমে, বলে বলে ছকা হাঁকছেন এই বাংলাদেশি তনয়া। 

মার্কিন-আফগানিস্তান যুদ্ধে মৃত্যু এবং খরচ হল কত?

afgan-war-us-army

নিউজ ডেস্ক: অবশেষে গত প্রায় ২০ বছর পর আফগানিস্তানে যুদ্ধ শেষ হতে যাচ্ছে৷ এই সময়ে কোন পক্ষের কতজন প্রাণ হারিয়েছেন, খরচ কত হয়েছে তার হিসেব দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড ও ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়৷

যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের কেনেডি স্কুলের অধ্যাপক লিন্ডা বিলমেস ও ব্রাউন বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘কস্টস অফ ওয়ার প্রজেক্টের’ তথ্য ব্যবহার করে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে মার্কিন সংবাদ সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস বা এপি৷ ২০০৩ থেকে ২০১১ পর্যন্ত আফগানিস্তানের পাশাপাশি ইরাকেও যুদ্ধ করেছে যুক্তরাষ্ট্র৷ এই সময়ে অনেক মার্কিন সেনা দুই দেশেই যুদ্ধ করেছেন৷ ফলে এপির দেওয়া কিছু তথ্যে দু’টি যুদ্ধেরই পরিসংখ্যান আছে৷
২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের টুইন টাওয়ারে হামলার এক সপ্তাহ পর ১৮ সেপ্টেম্বর মার্কিন কংগ্রেস হামলাকারীদের বিরুদ্ধে লড়তে মার্কিন বাহিনীকে অনুমতি দিয়েছিল৷ প্রায় ২০ বছর পর আগামী ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সব মার্কিন সেনা সরিয়ে নেওয়ার ঘোষণা করেছে মার্কিন সরকার৷

The U.S. War in Afghanistan

প্রায় দুই দশক আগে শুরু হওয়া আফগান যুদ্ধ শুরুর পর থেকে এ বছরের এপ্রিল পর্যন্ত মারা গিয়েছে এক লক্ষ ৭২ হাজার ৩৯০ জন৷ যুদ্ধে মারা যাওয়া মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্যের সংখ্যা দুই হাজার ৪৪৮ জন৷ এছাড়া মার্কিন কন্ট্রাক্টর মারা গিয়েছে তিন হাজার ৮৪৬ জন৷ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়া আফগানিস্তানে যুদ্ধ করা ন্যাটো ও অন্যান্য দেশের এক হাজার ১৪৪ জন ব্যক্তিও মারা গিয়েছে৷

যুদ্ধে আফগানিস্তানের সামরিক ও পুলিশ বাহিনীর প্রায় ৬৬ হাজার সদস্য প্রাণ হারিয়েছেন৷ সাধারণ নাগরিক মারা গিয়েছে ৪৭ হাজার ২৪৫ জন৷ তালিবান ও অন্যান্য বিরোধী যোদ্ধা মারা গিয়েছেন ৫১ হাজার ১৯১ জন৷ আফগান যুদ্ধে ৪৪৪ জন ত্রাণকর্মী ও ৭২ জন সাংবাদিকেরও মৃত্যু হয়েছে৷

২০২০ সাল পর্যন্ত আফগানিস্তান ও ইরাকে যুদ্ধ করতে যুক্তরাষ্ট্র আনুমানিক প্রায় দুই ট্রিলিয়ন ডলার খরচ করেছে৷ যুদ্ধে খরচের জন্য দুই ট্রিলিয়ন ডলার জোগাড় করতে যে ঋণ নেওয়া হয়েছে৷ তার সুদ হিসেবে এখনও পর্যন্ত আনুমানিক ৯২৫ বিলিয়ন ডলার দেওয়া হয়েছে৷ ২০৩০ সালে সুদের পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াবে দুই ট্রিলিয়ন ডলারে, যা যুদ্ধে খরচের সমপরিমাণ৷ খরচ সেখানেই থামবে না৷ ২০৫০ সাল নাগাদ সুদের পরিমাণ হতে পারে সাড়ে ছয় ট্রিলিয়ন ডলার৷

যুদ্ধ শেষ হলেও খরচ শেষ হচ্ছে না, হবে না৷ আফগানিস্তান ও ইরাক যুদ্ধে অংশ নেওয়া প্রায় ৪০ লক্ষ সেনাকে আজীবন দেখভাল করতে হবে৷ এতে প্রায় ১.৬ থেকে ১.৮ ট্রিলিয়ন ডলার খরচ হতে পারে বলে জানিয়েছেন হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক লিন্ডা বিলমেস৷

যুক্তরাষ্ট্রের ‘সিনেট অ্যাপ্রোপ্রিয়েশন্স ডিফেন্স সাবকমিটি’ ভিয়েতনাম যুদ্ধের সময় তার খরচ নিয়ে ৪২ বার আলোচনা করেছে৷ একই কমিটি আফগানিস্তান ও ইরাক যুদ্ধের খরচ নিয়ে আলোচনা করেছে মাত্র পাঁচবার৷ আর সিনেটের ফাইন্যান্স কমিটি আলোচনা করেছে মাত্র একবার৷

বাংলা দৈনিকের জেলা সাংবাদিক টাকা চেয়েছিলেন, দিইনি তাই তিনি রেগে আছেন: বিস্ফোরক অনির্বাণ

dr. anirban ganguly

নিউজ ডেস্ক: বোলপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তিনি হেরে গেলেও মানুষের পাশে থেকেছেন পুরো লকডাউন জুড়ে। ভোট পরবর্তী হিংসায় আক্রান্তদের প্রয়োজনে রাজ্যের বিভিন্নপ্রান্তে ছুটেছেন অনিবার্ণ৷ তারপরও তাঁর বোলপুরে ছেড়ে রাজ্যের অন্যপ্রান্তের সাধারণ মানুষ এবং বিজেপি কর্মীদের পাশে দাঁড়ানো নিয়ে ভ্রান্তি তৈরি চেষ্টা চলছে। কিন্তু কেন বা কারা এই চেষ্টা চালাচ্ছে?

উত্তর দিলেন বোলপুরের বিজেপি প্রার্থী ডঃ অনির্বাণ গাঙ্গুলি, তিনি বলেন, ‘বিধানসভা নির্বাচনের সময় বোলপুরে একটি বাংলা দৈণিকের সাংবাদিক আমার কাছে অর্থ চান৷ আমি তখন প্রচারের কাছে বোলপুর বিধানসভায় ঘুরছি৷ স্বাভাবিকভাবেই আমি ওঁকে কোনওরকম অর্থ দেওয়ার পক্ষপাতী ছিলাম না৷ তৎক্ষনাৎ সেই কথা জানিয়েও দিয়েছিলাম ওই সাংবাদিককে৷ তারপর প্রতিদান দিচ্ছেন ওই ভদ্রলোক, একের পর এক বিভ্রান্তি তৈরি করা খবর করছেন। আমি দলের কাজে দিল্লি গেলে লিখছেন ‘বোলপুর ছেড়ে চলে গেলেন অনির্বাণ’। বোলপুরে ফিরে এলে লিখছেন, ‘আমি বিজেপি নেতাদের সঙ্গে দেখা করিনি’।  অথচ পুরো বিধানসভায় যারা আমাকে জেতানোর জন্য লড়াই করেছেন তাঁদের সঙ্গে আমার ২৪ ঘন্টা যোগাযোগ রয়েছে৷ ‘

এরপর মজার ছলে অনির্বাণবাবু বলেন, ‘শুনলাম ভোটের পর অনুব্রত একটি সভা থেকে নাম করে কড়কে দিয়েছিল ওঁকে, তৃণমূলের থেকে টাকা নিয়ে বিজেপির বিরুদ্ধে ঠিকমতো মিথ্যে না লিখতে পারার জন্য। হয়ত ওই কড়কানির পর উনি কাজে উঠেপড়ে লেগেছেন। ভদ্রলোক আমার কাছেও আক্ষেপ করছিলেন, ‘ফটোগ্রাফি করে আর পেট চলে না, বুঝতেই তো পারছেন।’ মিডিয়া হাউসটির উচিৎ ওঁর স্যালারি বাড়ানো৷ যাই হোক ওই সাংবাদিক ভদ্রলোককে বলব কলম আর মেরুদন্ড বিক্রি করবেন না।’

অনির্বাণ আরও যোগ করেন, ‘আপনি দেখুন বোলপুরে ভোটের পর বিজেপি সহ রাজ্যের শাসসক দলের বিরোধী মতাদর্শের  কর্মীরদের উপর হামলা হয়েছে৷ কিন্তু এই সাংবাদিক ভদ্রলোক সেগুলো নিয়ে এক লাইনও লেখার প্রয়োজন মনে করেননি৷’

পান্তাভাত খাইয়ে মাস্টারসেফ প্রতিযোগিতায় প্রথম তিনে বাঙালি রাধুঁনী

MasterChef Australia Kishwar Chowdhury

নিউজ ডেস্ক: অনেক বাঙালিই পান্তা ভাতে অরুচি রয়েছে৷ তবে, সেই পান্তা ভাতই ভিনদেশিদের মন জয় করে নিয়েছে৷ তাও এক এক বাঙালির রাঁধুনির তৈরি করা পান্তা ভাত আর আলু ভর্তাতে৷ অস্ট্রেলিয়ায় রান্না সংক্রান্ত একটি জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো মাস্টারশেফে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত কিশোয়ার চৌধুরী। আর এই প্রতিযোগিতায় প্রথম হয়েছেন জাস্টিন। টানা দুই দিন ধরে চূড়ান্ত পর্ব হয় জাস্টিন, পিট ও কিশোয়ার, এই তিন ফাইনালিস্টকে নিয়ে।

প্রথম দিন ফাইনাল ডিশে কিশোয়ার রান্না করেন ‘স্মোকড ওয়াটার রাইস, আলু ভর্তা ও সার্ডিন’। মানে ভেতো বাঙালির কাছে চিরচেনা পান্তা-ভাত, আলু ভর্তা আর সার্ডিন মাছ ভাজি। ফাইনাল ডিশ রান্না নিয়ে কিশোয়ার বিচারকদের বলেন, “প্রতিযোগিতায় এমন রান্না সত্যিই চ্যালেঞ্জের। সাধারণ রেস্টুরেন্টে এমন রান্না হয় না। কিন্তু বাঙালির কাছে এটা পরিচিত রান্না।” আর ফাইনাল ডিশ হিসেবে এটা রেঁধে নিজের তৃপ্তির কথাও জানান কিশোয়ার। তাঁর এই রান্না দেখে এবং খেয়ে বিচারকেরা রীতিমতো অভিভূত হয়ে পড়েন। তিনজন বিচারকই দশে দশ দেন কিশোয়ারকে৷

তবে চূড়ান্ত পর্বের শুরুটা কিন্তু বেশ চ্যালেঞ্জের ছিল কিশোয়ারের জন্য। তিনি হাঁসের একটি পদ রান্না করা শুরু করেছিলেন। বিচারকেরা যখন তাঁর রান্না দেখতে এলেন সবকিছু দেখে জিজ্ঞেস করেছিলেন “এখানে কিশোয়ার কোথায়?” তারপরেই তিনি তার মেন্যু চেঞ্জ করার চিন্তা করেন৷ আর ফাইনাল ডিশ হিসেবে পরিবেশন করেন বাঙালির চির পরিচিত আলু ভর্তা, পান্তা ভাত আর সার্ডিন মাছ৷ এই মাছের স্বাদ অনেকটা ইলিশ মাছের মতোই৷ চূড়ান্ত পর্বে ফাইনাল ডিশ রেঁধে ৫১ নাম্বার নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে ছিলেন, প্রথম স্থানে ছিলেন পিট ৫৩ নাম্বার নিয়ে। তবে মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়া’র ফাইনাল রেজাল্টের আগেই লাখ লাখ বাঙালির মন জয় করে নিয়েছেন তিনি।

সম্প্রতি ফেসবুক-টুইটার-ইনস্টাগ্রামসহ সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়ে বহুল প্রচলিত এবং একই সঙ্গে প্রচণ্ড জনপ্রিয় কয়েক পদের রান্নার ভিডিও৷ আর সঙ্গে পরিচিতি পেয়ে যান এসবের রাঁধুনি। লাউ চিংড়ি, বেগুন ভর্তা, খিচুড়ি, মাছ ভাজা, আমের টক, খাসির রেজালা৷ মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ার মতো আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় একের পর এক এমন মুখরোচক খাবার রান্না করে বিচারকসহ বিভিন্ন ভাষাভাষীর দর্শকের নজর কাড়েন এই শেফ। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে বাংলার প্রচলিত নানা ধরনের খাবারকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করার কারণেই ৩৮ বছর বয়সী এই শেফকে অন্যসব প্রতিযোগী থেকে আলাদা করেছে।

কিশোয়ার চৌধুরী একজন বিজনেস ডেভেলপার, পারিবারিক প্রিন্টিং ব্যবসার সঙ্গে জড়িত আছেন তিনি। জন্ম ও বেড়ে ওঠা অস্ট্রেলিয়ায় হলেও, পারিবারিক আবহটা সবসময়ই ছিল বাঙালিয়ানা। তিনি জানালেন, তাঁর বাবার বাড়ি ঢাকার বিক্রমপুরের আর মা কলকাতার বর্ধমানের। তাঁরা দুজনে প্রায় ৫০ বছর আগে অস্ট্রেলিয়ায় পাড়ি জমান। তবে বিদেশে বসবাস করলেও নিজের দেশের ভাষা, সংস্কৃতি চর্চা সবকিছুই বজায় রেখেছেন কিশোয়ারের বাবা-মা, আর সেটা তারা নিজের সন্তানদেরও ধারণ করতে উৎসাহিত করেছেন।

মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ায় যাত্রা প্রসঙ্গে তিনি জানিয়েছেন, চিন্তাটা দুই সন্তানের মা কিশোয়ারের মাথায় আসে৷ ২০২০ সালে সারা দুনিয়ার মতো অস্ট্রেলিয়াতেও করোনাভাইরাস পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পর। তিনি বলেন, “গত বছরেই একটা বিষয় বারবার মনে হচ্ছিল যে আমার বাবা-মা যে রকম করে তাদের সংস্কৃতি, খাবার-দাবার সবকিছু আমাদের মধ্যে ইনস্টল করেছেন, আমি সেটা সন্তানদের মধ্যে করে দিতে পারব কি না। এটা শুধু আমার না, আমার মনে হয় দেশের বাইরে যেসব বাবা-মায়েরা থাকেন, সবার মধ্যেই এই চিন্তাটা থাকে”।

আর এমন চিন্তা থেকে পরবর্তী প্রজন্মের জন্য একটা বই লেখার পরিকল্পনা করেন কিশোয়ার। তিনি বলেন, “আমার ছেলের বয়স এখন ১২ বছর৷ এ রকম একটা বয়সে নিজের সংস্কৃতি, পূর্ব-পুরুষ এই বিষয়গুলো গুরুত্বপূর্ণ হয়ে দাঁড়ায়। আমি সবসময় ভাবতাম ওদের জন্য কী রেখে যাওয়া যায়।”

তবে মাস্টারশেফ অস্ট্রেলিয়ায় আবেদন করার কোন ইচ্ছাই কখনও ছিল না কিশোয়ারের। তাঁর কথায়, “এটা আমার ছেলের স্বপ্ন ছিল। সে আমাকে প্রায়ই বলত মা তুমি এটা পারবে। তুমি অ্যাপ্লাই কর না কেন। আমার ছেলেকে আমি জুনিয়র মাস্টারশেফের জন্য চেষ্টা করতে বলছিলাম, কারণ সেও ভালো রান্না পারে। তারপর সে যখন বলছিল আমাকে আবেদন করতে, তখন ভাবলাম তাদের কাছে এক্সামপাল সেট করতে – একটা চেষ্টা করে আমি দেখতেই পারি।”

চার বছর বয়সী শিশুকন্যা সেরাফিনা ও বারো বছর বয়সী পুত্র মিকাইলের কথা ভেবে কিশোয়ারের এই চেষ্টায় যেন আরও গতি আসে। আর পাশে সবসময় ছিলেন তাঁর পরিবার ও জীবনসঙ্গী এহতেশাম নেওয়াজ। তার পরই পান্তাভাতক সামনে রেখেই বিদেশ জয় করছেন কিশোয়ার৷

বর্ষার সময় পায়ের সঠিক পরিচর্যা, ঘরোয়া টিপসেই দেখুন ম্যাজিক

foot

শরীর যতই বড় হোক না কেন তার সম্পুর্ণ ভার বহন করে আমদের দুটি পা। মস্তিষ্কের সাথে আমদের পায়ের একটি সম্পর্ক আছে, তা আমরা জানি। তার জন্য আমদের সবসময় পায়ের যত্ন নেওয়াটা অত্যন্ত জরুরী। কারণ সারাদিন অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ থেকে অনেক বেশি ধকল সহ্য করে আমদের দুটি পা। আরও ভালো করে বলতে গেলে আমাদের দুটি পায়ের পাতা।

আসুন জেনে নেওয়া যাক কীভাবে যত্ন নেবেন আপনার দুটি পায়েরঃ-

  • শুকনো রাখুন- এই স্যাঁতস্যাঁতে বর্ষায় পায়ের পাতা যত সম্ভব শুকনো রাখার চেষ্টা করুন। তাতে আঙ্গুলের মাঝে হাজা বা দাদ জাতীয় রোগ হবে না।
  • বৃষ্টির জল ধুয়ে ফেলুন- বর্ষায় বাইরে ছাতা নিয়ে বেরোলে মাথা হয়তো বাঁচে তবে যাবতীয় নোংরা জলের থেকে কিন্তু পায়ের পাতাকে কেউ বাঁচাতে পারে না। তাই সবার আগে অ্যান্টিসেপ্টিক লিকুইড জলে মিশিয়ে ভালো করে পা দুয়ে ফেলুন। তারপর শুকনো করে মুছে নিন।
  • স্ক্র্যাব করুন- অনেকের সারা বছরই পায়ের চামড়া ফেটে থাকে, তাই কিছুদিন ছাড়াছাড়া পায়ের পাতা স্ক্র্যাব করুন। চামড়ায় এবং আঙ্গুলে ঢুকে থাকে নোংরা বেরিয়ে যাবে এবং ব্যাক্টেরিয়ারা পায়ে জমার সুযোগ পাবে না।
  • ময়েশ্চরাইজার- স্ক্র্যাব হয়ে গেলে ভালো করে পুরো পায়ে ময়েশ্চরাইজার লাগান। না হলে চামড়া ফেটে যাওয়ার প্রবণতা বেড়ে যাবে।
  • বাড়িতে থাকুন- যদি বর্ষাকালে পায়ের পাতায় কোনও দাদ-হাজার সমস্যা দেখেন তাহলে বাড়িতে থাকার চেষ্টা করুন। নাহলে বৃষ্টির জল ও রাস্তার নোংরা জলে আরও রোগ বাড়বে।
  • পা পরিষ্কার রাখুন- সময় মত নখ কেটে, পায়ে ম্যানিকিওর করে পা পরিষ্কার রাখুন।

কয়েকটি ঘরোয়া পদ্ধতি পায়ের যত্ন নেওয়ার জন্যঃ-

  • লেবু ও গুঁড়ো চা পাতা- উষ্ণ গরম জলে অর্ধেক পাতিলেবুর রস ও গুঁড়ো চা পাতা মিশিয়ে নিয়ে ২০-২৫ মিনিট পা ডুবিয়ে রাখুন, তাতে পায়ে রক্তচলাচল সঠিকভাবে হবে, সুস্থ বোধ করবেন।
  • নুন ও বেকিং সোডা- তিন চামচ বেকিং সোডার মধ্যে একটু নুন নিয়ে উষ্ণ গরম জল ও পারলে একটু গোলাপ জল ও নারকেল তেল মিশিয়ে নিয়ে একটি পেস্ট তৈরি করুন। তারপর সেটিকে স্ক্র্যাবার হিসাবে পায়ের পাতায় ব্যবহার করুন তাতে পায়ের সুস্বাস্থ্য বজায় থাকবে।
  • টকদই ও পাকা আনারস- টকদই ও পাকা আনারস নিয়ে তার সাথে একটু চিনি মিশিয়ে পায়ে ম্যাসাজ করুন। তাতে পা কোমল ও স্বাস্থ্যকর হবে।

এই কিছু ঘরোয়া পদ্ধতির মাধ্যমে বর্ষাকালে নিজের ও পরিবারের সকলের পায়ের যত্ন নিন।

আপনার সন্তানের কী স্মৃতি নষ্ট হতে বসেছে, তবে অবশ্যই ডায়েট পাল্টে ফেলুন

mental health

স্মৃতিশক্তি আমাদের জন্য কতটা প্রয়োজন তা বলার অবকাশ থাকে না। ভুলে যাওয়া খুবই সাধারণ প্রক্রিয়া। সম্প্রতি বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বিশ্বজুড়ে ডিমেনশিয়া বা স্মৃতিভ্রংশ বৃদ্ধি সম্পর্কে এক ভয়ংঙ্কর তথ্য প্রদান করেছে। তাদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বিশ্বে স্মৃতি শক্তি সমস্যাজনিত রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ কোটি ৭৫ লক্ষ। প্রতিবছর এই দলে যুক্ত হচ্ছে আরও ৭০ লক্ষ ৭০ হাজার মানুষ। মস্তিষ্কে থাকা বিভিন্ন উপাদানের কর্ম ক্ষমতা ধরে রাখতে কিছু বিশেষ খাদ্য আছে, তা যদি আমাদের রোজদিনের খাদ্যতালিকায় থাকে তাহলে স্মৃতিভ্রংশ হওয়ার হাত থেকে রক্ষা পাওয়া সম্ভব।

সেই খাদ্যগুলি সম্পর্কে জানব-

মাছ

তৈলাক্ত মাছ স্মৃতি শক্তি বাড়াতে উপকারী, যেমন- স্যামন, সার্ডিন, টুনা, ম্যাকারেল ইত্যাদি মাছ নিয়মিত খাওয়া উচিত। মাছের চর্বি মাছের চর্বিতে ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড আছে, যা মস্তিষ্কের গঠন ও কার্যক্ষমতা বৃদ্ধিতে খুবই সহায়তা করে। অনাগত সন্তানের সুস্বাস্থ্যের এবং মস্তিষ্কের গঠনের জন্য সপ্তাহে দু তিন দিন মাছ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

টমেটো

টমেটো স্মৃতিশক্তি বাড়াতে সহায়তা করে। টমেটোতে রয়েছে লাইকোপেন। যা খুবই শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। নিয়মিত স্যালাডের সাথে টমেটো খেলে তা মস্তিষ্কের জন্য বিশেষ উপকারী।

ভিটামিন ‘বিসমৃদ্ধ খাবার

ভিটামিন বি, বি-৬, বি-১২ সমৃদ্ধ খাবার বেশি করে খাওয়া প্রয়োজন। মাছ, মাংস, ডিম এবং শাক-সব্জিতে এগুলি প্রচুর মাত্রায় থাকে।

শষ্য জাতীয় খাবার

শষ্য জাতীয় খাবার যেমন- কাঠবাদাম, ব্রকোলি, কুমড়োর দানা মস্তিষ্কের বিকাশের জন্য বিশেষ উপকারী। তাই রোজ একটু করে খাওয়া ভালো।

মধু ও দারুচিনি

মধু ও দারুচিনি স্নায়ুকে শিথিল করে এবং স্মৃতিশক্তি বাড়ায়। গবেষণায় দেখা গেছে কিছু পরিমাণ দারুচিনি নাকে নিয়ে শুকলেও স্মৃতিশক্তি বাড়ে এবং রাতে ঘুমানোর আগে শুঁকলে মানসিক চাপ কমে, ঘুম ভালো হয়।

সূর্যমূখীর বীজ

এই বীজে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন-ই থাকে যা মস্তিষ্কের কার্যাবলীকে মসৃণ গতিতে পরিচালিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

বেরি

স্ট্রবেরি, ব্ল্যাকবেরি, ব্লুবেরিতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট থাকে যা মস্তিষ্কে সংকেত পাঠানোর পথকে শক্তিশালী করে।

বিটমূল

এর মধ্যে নাইট্রেটের পরিমাণ বেশি থাকায় এটি মস্তিষ্কে রক্ত সরবরাহ করতে সাহায্য করে। ডিমেনশিয়া আক্রান্তদের মস্তিষ্কে রক্ত প্রবাহ স্বাভাবিক করে।

কালো চকলেট

এর মধ্যে প্রাকৃতিক উদ্দীপনা সৃষ্টিকারী উপাদান এবং অ্যান্টি অক্সিডেন্ট রয়েছে। এছাড়াও এর মধ্যে থাকা ক্যাফেইন মস্তিষ্ক এবং মেজাজ ঠিক রাখে। এই খাবারগুলি অবশ্যই রোজদিনের খাদ্য তালিকায় রাখা উচিত, শুধু মস্তিষ্কের সুস্থতার জন্যই নয়, সুস্বাস্থ্যের জন্যও। আর এর সাথে বিভিন্ন ধরণের ব্যায়াম এবং প্রাতঃভ্রমণ মস্তিষ্কের জন্য ভালো। আর যারা ঘরে থাকেন তারা যেকোনো ধারাবাহিক সিরিয়াল কম দেখুন।

বলিউডের খিলাড়ি অক্ষয় কুমারের না জানা কিছু ইতিহাস, জানলে আপনিও অবাক হবেন

akshay kumar

খিলাড়ি, খিলাড়ি বটে। বলিউডের প্রথম সারির সুপারস্টারদের মধ্যে তিনি অন্যতম। কখনও রোম্যান্টিক হিরো, কখনও অ্যাকশান আবার কখনো কমেডি সব অবতারেই দর্শকদেরকে মাতিয়ে রেখেছেন তিনি। অক্ষয় তাঁর ৩০ বছরের বলিউড সফরে একশোরও বেশি সিনেমায় কাজ করেছেন। তবে সুপারস্টার হয়ে ওঠার পিছনে ছিল অনেক বড় সংগ্রাম। অক্ষয় সিনেমায় কাজ করার আগে এমন অনেক কাজ করেছেন যা শুনলে আপনারা অবাক হবেন।

akshay kumar

চলুন জেনে নেওয়া যাক খিলাড়ি অক্ষয়ের জীবনের অজানা কিছু ইতিহাস।

১) অনেকেই হয়তো জানেন না অক্ষয় কুমারের আসল নাম রাজিব হারিওম ভাটিয়ার। তবে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে আসার আগে তিনি নাম বদলে অক্ষয় কুমার করুন।

২) অক্ষয় তাঁর পোর্ট ফলিও বানানোর জন্য নাম করা ফটোগ্রাফার জায়েত সেতের কাছে যান। তবে তাঁর কাছে পোর্ট ফলিও বানানোর মতো টাকা ছিল না। তাই অক্ষয় সেই ফটোগ্রাফারের সঙ্গে প্রায় দের বছর বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করেন এবং তাঁর পর নিজের পোর্ট ফলিও বানান।

৩) সবাই জানেন যে অক্ষয়ের প্রথম সিনেমা সগাদ। তবে এর আগে মহেস ভাটের আজ সিনেমাতে অক্ষয় ১০ সেকেন্ডের একটি চরিত্রে অভিনয় করেন।

৪) ১৯৯৪ সালে অক্ষয়ের ১১ টি সিনেমা রিলিজ করে। যা রেকর্ড তৈরি করে। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই ছিল বাস্তব। তবে ওই ১১ টি সিনেমার মধ্যে ৯ টি সিনেমাই ফ্লপ হয়।

৫) অভিনয় কেরিয়ারে একাধিক সিনেমা ফ্লপ হওয়ার কারণে ২০১১ সালে অক্ষয় ঠিক করেন অভিনয় ছেড়ে দিয়ে তিনি কানাডায় চলে যাবেন। যার জন্য অক্ষয় কানাডার নাগরিকত্বও নিয়েছিলেন।

৬) অক্ষয় তাঁর স্কুলের লেখাপড়া শেষ করে, মার্শালআর্ট শেখার জন্য থাইল্যান্ড যান। সেখানে নিজের হাত খরচ চালানোর জন্য তিনি একটি রেস্টুরেন্টে কাজ করতেন।

৭) একটা সময় অক্ষয় বাংলাদেশের একটি রেস্টুরেন্টে রান্নার কাজও করতেন। থাইল্যান্ডে থাকা কালীন তিনি যে রেস্টুরেন্টে কাজ করতেন সেখান থেকেই অক্ষয় রান্না শেখেন।

৮) অক্ষয়কে তাঁর একজন মার্শালআর্ট স্টুডেন্টের বাবা প্রথম একটি ফার্নিচারের বিজ্ঞাপনে মডেলিং-এর সুযোগ করে দেন। সেই বিজ্ঞাপন থেকে অক্ষয় ৫০০০ টাকা পারিশ্রমিক পান।

কোল্ড ড্রিংক খেতে পছন্দ করেন! জানুন লুকিয়ে কী কী ক্ষতি

cold drink

একটু ভালোমন্দ খওয়া হলেই কোল্ড ড্রিংক খেতেই হবে। খুব গরমে ক্লান্ত হয়ে বাড়ি ফিরেই, ফ্রিজ খুলে ঢক ঢক করে কোল্ড ড্রিংক খওয়া অনেকেরই অভ্যাস। এছাড়াও অনেকেই কোল্ড ড্রিংককে নিজেদের রোজকার ডায়েটের অবিছেদ্দ অঙ্গ করে নিয়েছে। যদি আপনিও তাদের মধ্যে একজন হয়ে থাকেন তাহলে সাবধান। কোল্ড ড্রিংক কিন্তু শরীরে বেশ কিছু ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে। এছাড়াও কোল্ড ড্রিংক পান করার কিছুক্ষণের মধ্যে ব্রেন থেকে ডোপামিন নামে একটি হরমোন নির্গত হয়। যার ফলে কোল্ড ড্রিংকের প্রতি মানুষের আসক্তি দেখা দেয়। যার ফলে বার বার কোল্ড ড্রিংক খেতে ইছা করে।
কোল্ড ড্রিংকে সাধারণত কার্বনের ওয়াটার, চিনি, রং এবং কিছু ক্ষতিকর অ্যাসিড থাকে। এই সমস্ত উপাদান আমাদের শরীরে বিভিন্ন ক্ষতির কারন হয়ে দাড়ায়।

১) কোল্ড ড্রিংকে প্রচুর পরিমাণে চিনি ব্যাবহার করা হয়। এই অতিরিক্ত চিনি খেলে শরীরে ফ্যাটি লিভারের সমস্যা দেখা দেয়। জানলে অবাক হবেন যে ৩০০ মিলি কোল্ড ড্রিংকে প্রায় ৪০ গ্রাম চিনি ব্যাবহার করা হয়। অর্থাৎ যখন আপনি ৩০০ মিলি কোল্ড ড্রিংক খাছেন, আপনার শরীরে প্রায় ৮ চামচ চিনি প্রবেশ করছে। যার ফলে আপনার শরীরে ব্যাপক ভাবে গ্লুকোজের মাত্রা বৃদ্ধি পাছে।

২) কোল্ড ড্রিংকে থাকা ফসফরিক এসিডের কারনে শরীরে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, এবং জিংক এর মতো খনিজ পদার্থ কমতে থাকে। এর ফলে হার ও মাংসপেশি দুর্বল হয়ে যায়।

৩) কোল্ড ড্রিংকে একধরণের সোডা থাকে যা খাবার হজম করতে সাহায্য করে। তবে তার পাশাপাশি এটি শরীরে রক্ত চাপ বাড়িয়ে দেয়। যার ফলে অনেক সময় মৃত্যু পর্যন্ত ঘটতে পারে।

৪) প্রতিদিন কোল্ড ড্রিংক পান করলে ডায়াবেটিস, আলসার, এবং হার্টএটাক এর মতো মারাত্মক রোগ হতে পারে।

৫) কোল্ড ড্রিংক খেলে অকাল বার্ধক্যের সম্ভাবনা বেড়ে যায়। শুধু তাই নয় ধীরে ধীরে কোল্ড ড্রিংক মানুষের মনে হিংস্রতার প্রবণতা বাড়ায়।

ভারতের বাজারে লঞ্চ হলো Realme C11 2021

Phone

রিয়েলমি সংস্থা ভারতের বাজারে লঞ্চ করলো তাঁদের সি সিরিজের নতুন স্মার্টফোন রিয়েলমি সি১১ ২০২১। গত বছর রিয়েলমি সি১১ লঞ্চ করেছিল ভারতে। এরপর অবশ্য রিয়েলমি-এর বেশ কিছু স্মার্টফোন লঞ্চ হয়েছে ভারতে। তাঁর মধ্যে রিয়েলমি নারজো ৩০ এবং রিয়েলমি নারজো ৩০ ৫জি ফোন দুটি ভারতের বাজারে ভালো ব্যবসা করেছিল। এছাড়াও রিয়েলমি সি১১ ও সফলতা পেয়েছিল। সেই সফলতার ধারা বজায় রাখতে আবারও রিয়েলমি ভারতের বাজারে নিয়ে এলো তাঁদের বাজেট ফ্রিন্ডলি সি১১ ২০২১ স্মার্টফোন।

১) রিয়েলমি সি১১ ২০২১ ফোনের রঙ
আপাতত কুল ব্লু এবং কুল গ্রে এই দুটি রঙয়েই পাওয়া যাবে সি১১ ২০২১। রিয়েলমির অফিসিয়াল ওয়েবসাইট বা ই-কমার্স সংস্থা ফ্লিপকার্ট এর পাশাপাশি অন্যান্য মেনলাইন রিটেল চ্যানেল থেকেও ফোনটি কেনা যাবে।

২) রিয়েলমি সি১১ ২০২১ স্মার্টফোনের ফিচার

১. রিয়েলমি সি১১ ২০২১ ফোনে রয়েছে octa-core UNISOC SC9863A প্রসেসর। এছাড়াও রয়েছে 1.6gGHz Arm Cortex-A55 প্রসেসর আর্কিটেকচার।
২. ৬.৫ ইঞ্চির ডিসপ্লের সঙ্গে রয়েছে একটি মিনি ড্রপ নচ। এখানেই রয়েছে একটি সেলফি ক্যামেরা।
৩. রিয়েলমি সি১১ ২০২১ ফোনে রয়েছে একটি সিঙ্গল ৮ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি ক্যামেরা। এর পাশাপাশি ফ্রন্টে রয়েছে ৫ মেগাপিক্সেলের একটি সেলফি শুটার।
৪. এই ফোনের ব্যাটারি ৫০০০mAh. প্রধানত ২ জিবি র‍্যাম এবং ৩২ জিবি স্টোরেজের সিঙ্গেল ভ্যারিয়েন্টে লঞ্চ করেছে এই ফোনটি।

৩) রিয়েলমি সি১১ ২০২১ ফোনের দাম
ভারতের বাজারে রিয়েলমি সি১১ ২০২১ স্মার্টফোনের দাম করা হয়েছে ৬,৯৯৯ টাকা।

বড় খবর, ভারতীয় স্টেট ব্যাংকে প্রায় ৬০০০ শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে

sbi

ভারতীয় স্টেট ব্যাঙ্ক তাদের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে ইতিমধ্যেই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী গোটা দেশ জুড়ে প্রায় ৬০০০ শূন্যপদে শিক্ষানবিস নিয়োগ করা হবে। প্রশিক্ষণের সময়সীমা থাকবে এক বছর। প্রশিক্ষণের সময় প্রতিমাসে শিক্ষানবিশ স্টাইপেন হিসেবে ১৫ হাজার টাকা পাবেন। দেশের প্রতিটি জেলা থেকেই এই নিয়োগ কর্মসূচি চলবে। এর মধ্যে পশ্চিমবঙ্গ থেকে সর্বমোট ৭১৫ টি শূন্য পদে নিয়োগ করা হবে।

১. মোট শূন্যপদ – ৬১০০ টি (এসসি – ৯৭৭, এসটি – ৫৬৭, ওবিসি – ১৩৭৫, ডিডাব্লিউএস – ৬০৪, ইউআর – ২৫৭৭)।

২. আবেদনের বয়স কত যোগ্যতা – শিক্ষানবিস পদে আবেদন করার জন্য আবেদনকারীদের বয়স হতে হবে ২০ থেকে ২৮ বছরের মধ্যে। সংরক্ষিত প্রার্থীরা নিয়ম অনুযায়ী সর্বোচ্চ বয়স সীমায় ছাড় পাবে।

৩. আবেদনের শিক্ষাগত যোগ্যতা – আবেদনকারীদের যেকোনো অনুমোদিত বিশ্ববিদ্যালয় অথবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে যেকোনো বিষয়ে গ্রাজুয়েশন পাশ থাকতে হবে। ৩১/১০/২০২১ তারিখের মধ্যেই শিক্ষাগত যোগ্যতা সম্পন্ন হতে হবে।

৪. আবেদন ফি – জেনারেল/ওবিসি/ই ডাবলু এস প্রার্থীদের ক্ষেত্রে আবেদন ফি বাবদ ৩০০ টাকা জমা দিতে হবে। এস সি/এস টি/পি ডব্লিউ ডি প্রার্থীদের ক্ষেত্রে কোনো রকম আবেদন ফি লাগবে না। আবেদন ফি জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ২৬ জুলাই ২০২১।

৫. আবেদন পদ্ধতি – প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। www.bank.sbi/careers অথবা www.sbi.co.in/careers ওয়েবসাইটে গিয়ে সরাসরি আবেদন করতে পারবেন। প্রথমে রেজিস্ট্রেশন করতে হবে। এরপর রেজিস্ট্রেশন নম্বর এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগইন করে আবেদন করতে হবে। আগামী ২৬ শে জুলাই ২০২১ তারিখ পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা যাবে। বিস্তারিত জানতে http://www.bfsissc.com লিংকে ক্লিক করুন।

নতুন নিয়মে কড়াকড়ি সৈকতশহর, দিঘায় যাওয়ার প্ল্যান করার আগে জেনে রাখুন

digha

লকডাউন শিথিল হতেই রাজ্যের বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রগুলিতে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন পর্যটন প্রেমিরা। এর মধ্যে সবচে বেশি ভিড় দিঘার সমুদ্রসৈকতে। কার্যত সেই ভিড়ে লাগাম টানতে সোমবার নির্দেশিকা জারি করলো কাঁথি মহকুমা প্রশাসন। নির্দেশিকা অনুযায়ী এবার থেকে দিঘায় আসতে গেলে পর্যটকদের সঙ্গে রাখতে হবে করোনা টিকার সার্টিফিকেট। তবে করোনা নেগেটিভ রিপোর্ট থাকলেও চলবে।

নয়া নির্দেশিকায় স্পষ্ট বলা হয়েছে, করোনার তৃতীয় ঢেউকে প্রতিহত করতেই এই এই সিরধান্ত নিয়েছে কাঁথি প্রশাসন। কাঁথির মহকুমাশাসক আদিত্যমোহন হিরানি নির্দেশিকা জারি করে বলেন, দিঘায় আসার ৪৮ ঘণ্টা আগে করা করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট মান্যতা পাবে। তবে ৪৮ ঘণ্টার আগে করা করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট কোনও ভাবেই গ্রহণযোগ্য হবে না। এর পাশাপাশি হোটেলে প্রবেশের আগে প্রত্যেক পর্যটকদেরই করোনার দুটি টিকা নেওয়ার সার্টিফিকেট দেখাতে হবে। এই বিষয়ে সমস্ত হোটেলগুলিকে ইতিমধ্যেই অবগত করা হয়েছে। বিধিনিষেধ না মানলে করা ব্যাবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়ে দেন মহকুমাশাসক।

অন্যদিকে সরকারি নির্দেশিকা খতিয়ে দেখতে শনিবার বৈঠকে বসতে চলেছে হোটেল ব্যবসায়ীদের সংগঠন। প্রশাসনের তরফ থেকে সমস্ত হোটেলগুলিকে বলা হয়েছে তারা যেন পর্যটকদের করোনা রিপোর্ট সংক্রান্ত নথি নিজেদের কাছে রেখে দেন। এর পাশাপাশি হোটেলগুলিকে প্রশাসনিক নির্দেশিকা এমন ভাবে রাখতে বলা হয়েছে যাতে তা সকলে দেখতে পান। এই বিষয়ে হোটেল ব্যবসায়ী সংগঠনের যুগ্ম সম্পাদক বিপ্রদাস চট্টোপাধ্যায়-এর কথায়, ‘সরকারি নির্দেশিকা তো মেনে চলতেই হবে, তবে এতো কড়াকড়ি নিয়ম করলে হোটেল ব্যবসা মুখ থুবড়ে পরবে। কীভাবে সমস্ত দিক সামাল দিয়ে ব্যবসা চালানো যায় সেই নিয়েই বৈঠকে আলোচনা হবে’। প্রশাসন সুত্রের খবর পর্যটকদের ভিড় বাড়ায় সৈকত তীরবর্তী এলাকায় জীবাণুনাশক ছড়ানোর কাজ চলছে। দিঘার পাশাপাশি মন্দারমনিতেও এই নিয়ম কার্যকর হবে বলে জানা গিয়েছে।

ভাতের মাড় ফেলে দেন, এখন থেকে ত্বক ও চুলের যত্নে কাজে লাগান

hair

অধিকাংশ ক্ষেত্রেই ভাতের মাড় ফেলা যায়। ভাত ঝরঝরে করতে ভালোভাবে মাড় ঝরিয়ে নেন সকলেই। এছাড়াও ভাতে জমে থাকা মাড় দীর্ঘদিন খেলে, মোটা হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই ভাত থেকে মাড় আলাদা করেই, সেই মাড় ফেলে দেন অনেকেই। কিন্তু জানলে অবাক হবেন ত্বক এবং চুলের যত্নে ভাতের মাড়ের ভূমিকা অপরিসীম। তাই এবার থেকে ভাতের মাড়কে না ফেলে কাজে লাগান। চলুন এক নজরে জেনে নেওয়া যাক ত্বক ও চুলের যত্নে ভাতের মাড়ের ব্যবহার।

১) আপনার ত্বকে র‍্যাশ বা চুলকানির সমস্যা থাকলে, এখন থেকে ভাতের মাড়কে আপন করুন। প্রতিদিন জলের সঙ্গে ভাতের মাড় মিশিয়ে স্নান করুন। এতে চুলকানি ও র‍্যাশ এর পাশাপাশি ত্বকের জ্বালা ভাব থেকেও মুক্তি পাওয়া যাবে।

২) ভাতের মাড় ঠাণ্ডা করে তুলো দিয়ে ত্বকের ব্রণ আক্রান্ত অংশে লাগান। সপ্তাহে প্রতিদিন ৩ বার এইভাবে ত্বকের যত্ন নিন। এতে খুব সহজেই ব্রণ ও ফুসকুড়ির মতো সমস্যা দ্রুত সেরে যাবে।

৩) প্রথমে ভাতের মাড় ঠাণ্ডা করুন। এবারে খানিকটা জল মিশিয়ে পাতলা করে নিন। শ্যাম্পু করার পর চুলে এই মাড় ব্যবহার করুন। ৫ মিনিট রেখে চুল ধুয়ে ফেলুন। চুলের ডগা ফেটে যাওয়ার মতো সমস্যায় এই পদ্ধতি খুবই কার্যকর। এছাড়াও এতে চুল গোড়া থেকে মুজবুত হয়।

৪) অনেকেরই রোদে কাজ করে ত্বকে ট্যান পড়ে। ভাতের মাড় ট্যান পড়া ত্বকের পক্ষে খুবই উপকারী। নিয়মিত ভাতের মাড় ত্বকের ট্যান পড়া স্থানে ব্যবহার করুন। এতে খুব সহজেই ত্বকের ট্যান-এর সমস্যা থেকে মুক্তি পাবেন।

hair

৫) ভাতের মাড় ঠাণ্ডা করে তাতে সামান্য জল মিশিয়ে নিন। এবারে তুলো দিয়ে নিয়মিত এই মাড় ত্বকে ব্যবহার করুন। এতে ত্বকের জেল্লা বাড়বে ও ত্বক সতেজ থাকবে। এর পাশাপাশি ত্বকের হাইপারপিগমেন্টেশন এবং ত্বকে বয়সের ছাপ পড়া ঠেকাতে ভাতের মাড় অত্যন্ত কার্যকরী।

৬) চোখের তলায় ডার্ক সার্কেল থাকলে, ভাতের মাড় খুবই কার্যকরী। দিনে ৪ বার ত্বকের ডার্ক সার্কেলের জায়গায় ভাতের মাড় ব্যবহার করুন। কাজ করবে ম্যাজিকেরমতো। ত্বকের কালচে ভাবও দূর হবে।

মলের পরিবর্তে টয়লেটে মেলে কমলা

নিউজ ডেস্ক: দক্ষিণ কোরিয়ার একটি বিশ্ববিদ্যালয়ের টয়লেট ব্যবহার করলে আয় করা যায় ডিজিটাল মুদ্রা৷ সেই মুদ্রায় শুধু কমলা নয়, অনেক ধরনের ফলের পাশাপাশি কফি এবং আরও প্রচুর কিছু নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যও কেনা যায়৷

উলসানের ওই টয়লেটটির ডিজাইন করেছেন ন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি (ইউএনআইএসটি)-র আর্বান অ্যান্ড এনভায়র্নমেন্টাল ইঞ্জিনিয়ারিং-এর অধ্যাপক চো জায়-এয়ন৷ পরিবেশবান্ধব ওই শৌচাগারের নাম দিয়েছেন বীভি৷ Bee এবং Vision শব্দ দুটোর প্রথম অংশ নিয়ে তৈরি এই নামেই শুধু নয়, এর কার্যকারিতায়ও দূরদর্শিতার ছাপ রেখেছেন চো জায়-এয়ন৷ নইলে টয়লেট ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উৎপাদনে ভূমিকা রাখা যাবে, সেই বিদ্যুতে আলো জ্বলবে ভবনে, আর তাই মলত্যাগ করেও অর্থ আয় করা যাবে৷ যা এতদিন এমন কথা কে ভাবতে পারেনি

চো শুধু তার পরিকল্পনা ভাবেননি, বাস্তবায়নও করেছেন৷ তাই বীভি-তে রয়েছে মল, অর্থাৎ শৌচালয়কে মাটির নীচের এক ট্যাংকে নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা৷ ভবনের পাশেই রয়েছে ল্যাবরেটরি৷ মাটির নীচে মল থেকে তৈরি হয় মিথেন গ্যাস৷ ল্যাবরেটরিতে রাখা এক যন্ত্রের সহায়তায় সেই মিথেন থেকে তৈরি হয় বিদ্যুৎ৷

একজন ব্যক্তি গড়ে প্রতিদিন ৫০০ গ্রামের মতো মলত্যাগ করে৷ সেই মল দিয়ে তৈরি হয় ০.৫ কিলোওয়াট বিদ্যুৎ৷ যা দিয়ে একটা গাড়ি অনায়াসে ১.২৫ কিলোমিটার পথ চলতে পারে৷

টয়লেটে শুধু বিদ্যুৎ উৎপাদনের ব্যবস্থা করেননি প্রফেসর চো৷ মলের বিনিময়ে অর্থ উপার্জনের ব্যবস্থাও রেখেছেন৷ জিগুল নামের এমন এক ভার্চুয়াল মুদ্রা তৈরি করেছেন৷ যার বিনিময়ে এখন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের দোকান থেকে নিয়মিত বই, নুডলস, বিভিন্ন ধরনের ফল, কফি কিনছেন৷

একবার টয়লেটে গেলে আয় হয় ১০ জিগুল৷ যার যত জিগুল জমবে, তত বেশি পণ্য কিনতে পারবে সে৷ শিক্ষার্থী হেও হুই-জিন তো মহাখুশি৷ তিনি বলছেন, ‘‘এতদিন মনে করতাম মল খুব নোংরা জিনিস৷ এখন সেই জিনিসই আমার কাছে খুব মূল্যবান৷ এখন তো খাওয়ার সময়ও কোনও বই কেনার কথা মাথায় এলে মল নিয়ে কথা বলি!”

ঘরের দরজা বন্ধ হতেই একেবারে পাল্টে গেলেন কোয়েল, দেখে হতবাক ভক্তমহল

Koyel mallik_tollywood

প্রথমে হাত নেড়ে সঙ্গে আসার জন্য ইশারা করলেন কোয়েল। তারপর ধীরে ধীরে একটি ঘরের দিকে এগিয়ে গেলেন। তার চোখে-মুখে যেন আলাদাই এক উচ্ছ্বাস। সেই ঘরে ঢুকেই ঘরের দরজা বন্ধ করে দিলেন অভিনেত্রী। এরপরই সব বদলে গেলো। কোয়েলকে এভাবে দেখে হতবাক তার ফ্যান থেকে সকলেই। দ্রুত নেট দুনিয়ায় ভাইরাল হয়ে পড়লো সেই ভিডিও।

টলিউডের একেবারে প্রথম সারির অভিনেত্রী তিনি। একাধিক বাণিজ্যিক সিনেমাতে অভিনয় করে দর্শকদের ভালোবাসা পেয়েছেন তিনি। জিৎ এবং দেবের সঙ্গে একাধিক হিট ছবি উপহার দিয়েছেন সকলকে। বাণিজ্যিক সিনেমার পাশাপাশি বেশ কিছু অন্য ধারার সিনেমাও করেছেন। গোয়েন্দা মিতিনি মাসি এবং রক্তরহস্যের স্বর্ণজা ছবিতে কোয়েল তার অভিনয় দক্ষতার প্রমাণ দেন। তবে মা হওয়ার পর এখন কাজে কিছুটা বিরতি নিয়েছেন। আপাতত ছেলের সঙ্গেই বেশিরভাগ সময় কাটাচ্ছেন।

koel mallick

সচরাচর নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে জনসমক্ষে খুব একটা কথা বলতে পছন্দ করেন না। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় সক্রিয় কোয়েল। নিয়মিত ছবি পোস্ট করেন তিনি। কখনও কাজের ছবি আবার কখনও বেড়াতে যাওয়ার ছবি। নেটমাধ্যমে পোস্টগুলি ভালো সাড়াও পায়। তবে হঠাৎ এমন একটি ভিডিও পোস্ট করলেন যা নিমেষে ভাইরাল হয়েছে। ঘরের দরজা বন্ধ করার পর সকলেই চরম উৎসাহ নিয়ে অপেক্ষা করছিল এরপর কী হবে তা দেখার জন্য। অভিনেত্রী নিজেই তা প্রকাশ করলেন। ঘরের ভিতরে চলছে তাঁর মেকআপ। এরপরই সম্পূর্ণ বদলে গেলেন কোয়েল। মেকআপ শেষে নতুন ড্রেসে এক কথায় অতুলনীয় সুন্দর লাগছে কোয়েলকে। সেই ছবিও পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী।

আয়কর দপ্তরে ১৫৫ টি শূন্যপদে নিয়োগ চলছে, অনলাইনে আবেদন করা যাবে

job

আয়কর দপ্তরে ১৫৫ টি শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে। সম্প্রতি ভারত সরকারের আয়কর দপ্তরের তরফ থেকে একটি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। সেই বিজ্ঞপ্তি অনুসারে ইন্সপেক্টর থেকে শুরু করে এমটিএস-এর মতো একগুচ্ছ শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে। মোট কটি পদের জন্য কবে থেকে কবের মধ্যে আবেদন করা যাবে, তা এই বিজ্ঞপ্তিতে বলে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং কোন বয়সের প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন তাও বলে দেওয়া হয়েছে।

১) শূন্যপদের বিবরণ
আয়কর দপ্তরের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী মোট ১৫৫ টি শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে। যার মধ্যে ইন্সপেক্টর অফ ইনকাম ট্যাক্স-এর জন্য রয়েছে ৮ টি শূন্যপদ, ৮৩ টি ট্যাক্স অ্যাসিস্ট্যান্ট এবং মালটি টাসকিং স্টাফ পদে ৬৪ জন নিয়োগ হবে।

২) আবেদনের বয়সগত যোগ্যতা
১. ইন্সপেক্টর অফ ইনকাম ট্যাক্স-এর জন্য আবেদনকারীদের বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে।
২. ট্যাক্স অ্যাসিস্ট্যান্ট পদে আবেদন করারা জন্য বয়স ১৮ থেকে ২৭ বছরের মধ্যে হওয়া বাধ্যতামূলক।
৩. মালটি টাসকিং স্টাফ পদের জন্য বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ২৫ বছর।

৩) বেতন
১. ইন্সপেক্টর অফ ইনকাম ট্যাক্স – প্রতি মাসে ৪৪,৯০০ টাকা থেকে ১,৪২,৪০০ টাকা।
২. ট্যাক্স অ্যাসিস্ট্যান্ট – প্রিতি মাসে ২৫,৫০০ টাকা থেকে ৮১,১০০ টাকা।
৩. মালটি টাসকিং স্টাফ – প্রিতি মাসে ১৮,০০০ টাকা থেকে ৫৬,৯০০ টাকা।

৪) আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা
১. ইন্সপেক্টর অফ ইনকাম ট্যাক্স-এই পদের জন্য প্রার্থীদের কোনও স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাশ হতে হবে।
২. ট্যাক্স অ্যাসিস্ট্যান্ট-এই পদে আবেদনের জন্য প্রার্থীদের স্নাতক হওয়ার পাশাপাশি ভালো টাইপিং স্কিল থাকা প্রয়োজন।
৩. মালটি টাসকিং স্টাফ-এই পদের জন্য আবেদনকারীদের মাধ্যমিক পাস হতে হবে।

৫) আবেদনের পদ্ধতি
অনলাইনে আবেদন করা যাবে। ইতিমধ্যেই আবেদন করা শুরু হয়ে গেছে। আবেদন করার শেষ তারিখ ২৫ আগস্ট ২০২১। ভারত সরকারের আয়কর বিভাগের অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করা যাবে। আরও বিস্তারিত জানতে ক্লিক করুন http://www.incometaxmumbai.in.

ত্বকের কালচেভাব দূর করতে এবার পাতিলেবুর ম্যাজিক

lime

ছোটো হলে কি হবে তার ক্ষমতা আন্দাজ করা সহজ নয়। স্বাদ টক হলেও ‘খাট্টা নিমুরা’ রূপচর্চায় সবার প্রিয়। রোজ পাতিলেবু ব্যবহারে কীভাবে আমরা বাইরে থেকে সুন্দর ও ভেতর থেকে সুস্থ থাকতে পারি তাই জানব।

পাতি লেবুর বাহ্যিক ব্যবহার

  • ত্বকের শুষ্কতা দূর করতে

রাতের বেলা মধুর সাথে পাতি লেবুর রস মিশিয়ে মুখে মাসাজ করুন। তারপর জলের মধ্যে গোলাপ জল মিশিয়ে তা দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। এরপর মুখে কয়েক ফোঁটা গ্লিসারিন লাগিয়ে নিন।

  • খুশকি দূর করতে

খুশকি নিয়ে জর্জরিত। তাই এই সময় হট টাওয়েল পদ্ধতির সাহায্য নিন। প্রথমে চুলের জট ছাড়িয়ে নিন। তারপর একটি পাতি লেবু দু-টুকরো করে কেটে নিন। লেবুটাকে সারা মাথা রাব করুন। তার ফলে লেবুর রস সারা মাথায় ছড়াবে। বিশেষ করে স্ক্যাপে লাগান। এরপর একটা টাওয়েল গরম জলে ভিজিয়ে নিন। সেটিকে নিকড়ে নিয়ে ২০ মিনিট মতো মাথায় জড়িয়ে রাখুন। তারপর ভালো করে শ্যাম্পু করে নিন। মাসে চারবার করলেই অনেক। কিন্তু যাদের একবার বা দু-বার ব্যবহারে খুশকি কমে যাবে তারা অকারনে হট টাওয়েল করবেন না।

  • কালো দাগ দূর করতে

 কনুই চেপে বসা আমাদের জন্মগত অধিকার আর এই কারণেই একটা বয়সের পরে আমাদের কনুই কালো হয়ে যায়। আর সেই কালো দাগ দূর করতে একটি পাতি লেবু দুই টুকরো কেটে কনুইয়ে ভালো করে রাব করুন তারপর ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। এটি তিনদিন অন্তর ব্যবহার করুন, দেখবেন কনুইয়ের কালো ভাব চলে যাবে।

  • আর্মপিঠের সুস্থতা বজায় রাখতে

রোজ দিনের ব্যস্ত জীবনে সবাই নিট অ্যান্ড ক্লিন থাকার চক্করে সবার আগে বলি হয় আমাদের ত্বকে থাকা অবাঞ্চিত লোমগুলো। একদল বিশেজ্ঞদের মতে এই লোম অবাঞ্চিত, অন্যদের মতে এই গুলি দরকারী। তবে ক্রমাগত ওয়াক্স করার পর আমাদের আর্মপিঠ কালো হতে থাকে এবং অনেক রাফ হয়ে যায়। তাই এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে আলুর রসের সাথে কয়েক ফোঁটা লেবুর রস মিশিয়ে ভালো করে রাব করুন, তাতে এই কালো ভাব দূর হবে এবং ত্বকের দুছ মেনটেন হবে, অবাঞ্চিত লোম হওয়া বন্ধ হবে, দুর্গন্ধ দূর হবে। ত্বকের সুস্থতা বজায় থাকবে।

  • দাঁতের হলুদভাব দুর করতে

কয়েকফোটা লেবুর রসের মধ্যে কিছুটা বেকিং সোডা মিশিয়ে নিন। এবার অ্যালুমিনিয়ামের ফয়েলর টুকরো নিয়ে তাতে এই মিশ্রণ লাগিয়ে নিন। এবার দাঁতে এই ফয়েলটিকে চেপে আটকে দিন। এরপর ২০ মিনিট এভাবে রেখে দিন। তারপর ভালো করে মুখ ধুয়ে নিন। এই ভাবে ২ দিন অন্তর ব্যবহার করুন। দাঁতের হলদে ভাব চলে যাবে।

এইবার ভেতর থেকে সুস্থ থাকার টিপস

 এক গ্লাস জলে ১টি লেবুর সম্পূর্ণ রস মিশিয়ে নিন। এরপর সেই জলটির স্বাদ এমনই হবে যে পান করাটা দুস্কর হবে। তবে চেষ্টা করে আধ ঘন্টার মধ্যে ওই জল শেষ করুন। এই জলটি আপনাকে ক্যালোরি বার্ণ করতে, চনমনে থাকতে, মেদ কমাতে এবং ভেতর থেকে সুস্থ রেখে ত্বকের বয়স ধরে রাখতে সাহায্য করবে। ত্বকে রিংকেলস কমাবে, বয়স জনিত ছাপ এবং অবাঞ্চিত দাগ হওয়া ভেতর থেকে আটকাবে। যা আপনাকে সুস্থ ও সতেজ অনুভব করাবে।

মুখোমুখি দেব-জিৎ, এবারে পুজোয় বড় চমক বক্স-অফিসে

jeet

করোনা আবহে অনেক দিন ধরেই বন্ধ হয়ে পড়ে আছে সিনেমা হলগুলি। যার ফলে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে হল মালিক এবং কলাকুশলীদের মাথায়। তবে এরই মাঝে করোনার দাপটকে অনেকাংশে জব্দ করা গেছে। তাই ধারণা করা হচ্ছে পরিস্থিতি আরও কিছুটা স্বাভাবিক হলে আগস্টেই খুলে যেতে পারে সিনেমা হলগুলি। ফলে দর্শকদের আবারও হলমুখী হতে দেখা যাবে। করোনার তৃতীয় ঢেউ যদি বাধা হয়ে না দাঁড়ায় তবে এবারের পুজোয় অনেকগুলি সিনেমা উপহার দিতে চলেছে টলিউড।

ইতিমধ্যেই বেশ কিছু ছবি তৈরি হয়ে আছে। করোনা আবহের জন্য তা হলে মুক্তি করানো যায়নি। এই লিস্টে প্রথমেই রয়েছে দেবের টনিক সিনেমাটি। গত বছর এপ্রিলে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল সিনেমাটির। অন্যদিকে প্রযোজনা সংস্থা এসভিফ আগেই জানিয়ে দিয়েছে এবারে পুজোয় মুক্তি পেতে চলেছে তাঁদের পিরিয়ড ড্রামা গোলন্দাজ। এই ছবিটি প্রথানত ভারতীয় ফুটবলের জনক ‘নাগেন্দ্র প্রসাদ সর্বাধিকারীর’ বায়োপিকের আঙিনায় তৈরি।

bengali movie

অন্যদিকে শোনা যাচ্ছে চলতি বছর পুজোয় মুক্তি পেতে চলেছে জিৎ-এর বাজি। এই ছবিতে প্রথমবার রুপলি পর্দায় জুটি বাঁধতে চলেছেন জিৎ এবং মিমি। ছবিটি পরিচালনা করছেন অংশুমান প্রত্যুষ। ইতিমধ্যেই বাজির একটি গান প্রকাশ্যে এসেছে ‘আয় না কাছে রে’। সবকিছু ঠিক থাকলে এই পুজোয় আবারও একসঙ্গে দুই সুপারস্টার দেব এবং জিৎ-এর সিনেমা দেখতে হলে ভিড় জমাবেন দর্শকরা। তবে সবকিছুই সময়ের অপেক্ষা।

হবু জামাইয়ের চরিত্রে দাগ, আকারে ইঙ্গিতে এ কি বললেন আলিয়ার বাবা

ranbir kapoor

মহেশ ভাটের কন্যা আলিয়া, বলিউডে পা রাখার পর থেকেই ভাইরাল। প্রথম থেকেই বেশ রঙিন আলিয়ার বলিউড সফর। একের পর এক হিট ছবি দর্শকদের উপহার দিয়ে এখন তিনি সুপারস্টার। বলিউডে প্রথম থেকেই তাঁর প্রিয় ছিলেন রণবীর কাপুর। একের পর এক ছবি দেখা, আর স্বপ্নের পুরুষ হিসেবে তাঁকেই কল্পনা করা। কিন্তু তা যে একদিন বাস্তব হবে ভাবতে পারেননি আলিয়া।

ঠিক একইভাবে ভাবতে পারেননি মহেশ ভাটও। চার বছর আগে দেওয়া এক সাক্ষাৎকার। সেলেবদের নিয়ে এক বাক্যে কিছু বলতে বলা হলে, মহেশ ভাট রণবীরকে নিয়ে একটাই মন্তব্য করেছিলেন লেডিস ম্যান। এক কথায় বলতে গেলে ক্যাসিনোভা। তখন আলিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক কোথায়! এর কিছু দিনের মধ্যেই আলিয়া ও রণবীরের মধ্যে একটা সম্পর্ক তৈরি হয়।

ranbir kapoor

এরপরই ভাইরাল হয়ে যায় মহেশ ভাটের সেই উক্তি। রণবীর কাপুরের অতীত দেখলে বোঝাই যায় কত মহিলার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল। দীপিকা, ক্যাটরিনা কারুর মন ভাঙতেই তাঁর হাত কাঁপেনি। যদিও আলিয়ার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের সমীকরণ অনেকটাই আলাদা। ফলে এই সম্পর্ক যে বিয়ে পর্যন্ত গড়াবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন শুধু সুখবরের অপেক্ষায় দিনগুণছে ভকক্তমহল।