চিরশত্রু ব্রাজিলকে হারিয়ে ট্রফি জয়ের শাপমুক্তি মেসির

Lionel-Messi

রিও ডি জেনেইরো: ক্লাব ফুটবলে প্রতিটি ট্রফি জিতেছেন৷ বার্সেলোনার হয়ে জেতা ট্রফিতে ড্রয়িংরুম উপচে পড়ছে লিওনেল মেসির। তবে দেশের জার্সিতে ট্রফি জিততে না-পারার আক্ষেপ অবশেষে মিটল আর্জেন্তাইন সুপারস্টারের৷ রবিবাসরীয় সকালে মেসির হাত ধরেই আর্জেন্তিনা ফুটবলের নতুন সূর্যোদয় দেখলেন ফুটবলপ্রেমীরা৷ মারাকানায় ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়ে কোপা আমেরিকা চ্যাম্পিয়ন হল আর্জেন্তিনা। সেই সঙ্গে প্রথমবার দেশকে খেতাব এনে দিয়ে শাপমুক্তি হল মেসি’র৷

২৮ বছর পর প্রথম কোনও বড় টুর্নামেন্টে খেতাব জিতল আর্জেন্তিনা। সেই সঙ্গে দেশের জার্সিতে প্রথম ট্রফি জয়ের স্বাদ পেলেন মেসি৷ শেষবার ১৯৯৩ সালে কোপা আমেরিকা খেতাব জিতেছিল আর্জেন্তিনা। এবার জিতে স্পর্শ করল কোপা আমেরিকায় সর্বাধিক ১৫ বার খেতাব জয়ের রেকর্ডধারী উরুগুয়েকে ছুঁল তারা৷ এর আগে দেশের হয়ে একটি বিশ্বকাপ ও তিনটি কোপা আমেরিকার ফাইনালে খেলেছিলেন মেসি। প্রতিবারই ফিরেছিলেন শূন্য হাতে। তবে এবার আর খালি হাতে নয়, সাফল্যের ঝুলি ভরে দেশে ফিরছেন মেসি৷ দেশকে চ্যাম্পিয়ন করার পাশাপাশি ব্যক্তিগত সাফল্যে জিতেছেন গোল্ডেন বুট৷

ফাইনালের আগেই মেসি ও নেইমারকে যৌথভাবে টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড় ঘোষণা করে কোপা আমেরিকার আয়োজক কনমেবল। ৪ গোলের সঙ্গে ৫ অ্যাসিস্টের জন্য মেসি জিতেছেন টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার। সময়ের সেরা ছাপিয়ে অনেকে মেসিকে সর্বকালের সেরার তালিকায় রাখেন। ফুটবল কিংবদন্তি পেলে ও মারাদোনার চেয়েও তাঁকে বড় করে দেখেন অনেক বিশেষজ্ঞ। কিন্তু এতদিন দেশের হয়ে কোনও ট্রফি না-থাকায় মেসিকে শুনতে হয়েছিলও অনেক সমালোচনাও৷

কোপা আমেরিকা খেতাব জয়ে আর্জেন্তিনার ২৮ বছরের ট্রফি জয়ের খরা কাটিয়ে মেসি যে বিশ্বজয়ী পেলে, মারাদোনাকে ছাপিয়ে গিয়েছেন এমন নয়। তবে সর্বকালের সেরার আলোচনায় মেসির উপস্থিতি থাকবে এমনটা বলাবাহুল্য। ছ’ ব্যালন ডি’অর জয়ের রেকর্ড আগে থেকেই ছিল মেসির। কোপা আমেরিকার মুকুট মাথায় ওঠার পর সম্ভবত সপ্তমটিও আসতে আর্জেন্তাইন সুপারস্টারের দখলে।

২০১৪ সালে এই মারাকানাতে জার্মানির বিরুদ্ধে হেরে বিশ্বকাপ জয়ের স্বপ্নভঙ্গ হয় মেসি৷ সেই মাঠেই কোপা জিতে বিশ্বকাপ হাতছাড়া হওয়ার ক্ষতে কিছুটা হলেও প্রলেপ লাগালেন মেসি৷ ব্রাজিল বিশ্বকাপে সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার হিসেবে গোল্ডেন বল জিতেছিলেন মেসি। কিন্তু ট্রফি জিততে না-পারায় হতাশায় সেদিন সেলিব্রেশন করেননি আর্জেন্তাইন ফুটবলের রাজপুত্র৷

এদিন কোপা আমেরিকা ট্রফি জেতার পাশাপাশি টুর্নামেন্টের সেরা খেলোয়াড়ের পুরস্কার জেতায় মেসিকে আনন্দে উদ্বেলিত সতীর্থরা৷ ট্রফি জয়ের পরেই মেসিকে নিয়ে মারাকানায় সেলিব্রেশনে মেতে ওঠে টিম আর্জেন্তিনা। মেসিকে কাঁধে নিয়ে তারপর শূন্যে ছুঁড়ে আবেগের বিস্ফোরণ ঘটান সতীর্থরা৷ ম্যাচ জিতেই মাঠের মধ্যে মেসিকে ঘিরে চলে মার্টিনেজ, আগুয়েরোদের উচ্ছাস। গ্রুপ ও নক-আউট পর্ব মিলিয়ে ছ’ ম্যাচের সবকটিতেই খেলেছেন আর্জেন্তিনা অধিনায়ক। এই ছয় ম্যাচের চারটিতেই ম্যাচ সেরা হয়েছেন মেসি। তাঁর চোখে এদিন আনন্দের বিস্ফোরণ হলেও একসময়ে বার্সেলোনায় ব্রাজিলীয় সতীর্থ নেইমারের চোখে জল দেখে স্থির থাকতে পারেন আর্জেন্তাইন তারকা৷ নেইমারকে বুকে জড়িয়ে সান্ত্বনা দিতে দেখা গিয়েছে মেসিকে৷

বিপর্যস্ত বাংলার প্রতিবেশি দেশে করোনায় মৃত মাত্র এক

bhutan corona

নিউজ ডেস্ক: সন্ত্রাসবাদ রুখতে একদিন কুয়াশা ঢেকে থাকা অরণ্যের মাঝে গুলির ঝড় তুলেছিল রয়াল ভুটান আর্মি। ভারত বিরোধী জঙ্গি সংগঠনগুলির তখন ছেড়ে দে কেঁদে বাঁচি অবস্থা। এমনই ভুটান কিন্তু অদৃশ্য ঘাতক করোনাভাইরাসের বিরুদ্ধে সরাসরি যুদ্ধ চালাচ্ছে। ফলাফল চমকে দেওয়ার মতো। গত ১ বছর চার মাসের মধ্যে মৃত ১ জন!

পশ্চিমবঙ্গের পাশের এই দেশ আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং ও জলপাইগুড়ি জেলার সীমান্ত দিয়ে ঘেরা প্রতিবেশি ভুটান (ড্রাগনভূমি)। উত্তরবঙ্গ যখন করোনা সংক্রমণে জর্জরিত তখন এই এলাকা লাগোয়া বিদেশে চলছে করোনা বিরোধী মারাত্মক লড়াই।

রাজ্যের তিনটি জেলার লাগোয়া দক্ষিণ ভুটানের অন্তত ছটি জেলায় যখনই সংক্রমণ বেশি ছড়িয়েছে তখনই দেশটির সরকার জারি করেছে এলাকাভিত্তিক লকডাউন। ভুটান স্বাস্থ্যমন্ত্রকের সর্বশেষ রিপোর্ট (৯.৭.২১) বলছে ২ হাজারের বেশি করোনা আক্রান্ত, ১,৯০০ জনের বেশি সুস্থ হয়েছেন। মৃত ১ জন।

আসছে করোনার তৃতীয় ঢেউ। সতর্ক সব দেশ। বিশেষ করে দক্ষিণ এশিয়ার ভারত ও বাংলাদেশের পরিস্থিতি নিয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) আশঙ্কিত। পশ্চিমবঙ্গের আগামী করোনা পরিস্থিতি কী হবে তাও চিন্তার। আর একের পর এক সব সীমান্ত ফটক বন্ধ করে বিশ্ব থেকে প্রায় বিচ্ছিন্ন হয়ে ভুটান অসম এক লড়াইয়ে মত্ত।

ড্রাগন ফটকগুলি বন্ধ হলেও দেশটির সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের ১৮৩ কিলোমিটারের সীমান্তের বেশিরভাগই খোলা। ১৯৪৯ সালে জওহরলাল নেহরুর অবিস্মরণীয় ভুটান সফরের পর ভারতের সঙ্গে ‘মৈত্রী চুক্তি’ স্বাক্ষর করেছিল ভুটান। সেই চুক্তির বলে দুই দেশের জনগণ ভিসা ছাড়া যাতায়াত করতে পারেন। জঙ্গল ও পাহাড় ঘেরা এই সীমান্ত সংলগ্ন দুই দেশের গ্রামগুলিতে কড়া নজর রেখে চলেছে ভুটান সরকার। শ’য়ে শ’য়ে স্বেচ্ছাসেবকদের মোতায়েন করা হয়েছে।

ভুটানের এই করোনা যোদ্ধাদের নাম অরেঞ্জ ফাইটার্স। ভুটানে পরিচিত ডি সুং (ডি সুপ) নামে। মূলত বিপর্যয় মোকাবিলার জন্য সীমিত পরিকাঠামো দিয়ে অতি আধুনিক মানের এই বাহিনির (কমলা যোদ্ধা) কর্মকুশলতায় চমকে গিয়েছে হু। দুর্গম এলাকার কোনও অংশই বাকি নেই তাদের নজরদারি থেকে। এলাকাভিত্তিক গণস্বাস্থ্য কর্মসূচির বিরাট প্রয়োগ করছে অনুন্নত দেশের তালিকায় থাকা ভুটান।

ফল মিলছে হাতে হাতে। কড়া বাঁধুনিতে মোড়া দেশটি এখন করোনা বিরোধী লড়াইয়ে বিশ্বের কাছে চমক। এই চমকের আরও বাকি আছে। ভুটানের লড়াইকে স্বীকৃতি দিয়ে ভুটানকে সভাপতির পদে বসিয়েছে ওয়ার্ল্ড হেল্থ অ্যাসেম্বলি (WHA)। এর মাধ্যমে পরিচালিত হয় হু। সদস্য দেশগুলি একযোগে সমর্থন করেছে। তাৎপর্যপূর্ণ ভুল উচ্চারণে ব্যাঙ্গ করে ‘বাটন’ বা বোতামের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন পূর্বতন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সেই ভুটানকে WHA সভাপতি পদে মেনে নিতে হয়েছে খোদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকেই।

নিষিদ্ধ দেশ ঠিক নয়। তবে নিজেকে রহস্যের ঘেরাটোপে রেখে চমকে দেওয়া ভুটান কিন্তু এমনই। পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবেশি দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডা লোটে শেরিং বাংলা ভালোই বোঝেন ও বলেন। তাঁর সূক্ষ্ণ বৈজ্ঞানিক নজরে থাকছে এই রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি। তাঁর নির্দেশে রোজকার তথ্য বিশ্লেষণে হচ্ছে পরের দিনের পরিকল্পনা। করোনা বিরোধী লড়াইয়ে রোজই দুর্গ রক্ষায় কোমরবেঁধে নেমে পড়ছেন ভুটানিরা।

তিন দশকের অপেক্ষার অবসান, কোপা চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্তিনা

copa-argentina

রিও ডি জেনেইরো: ২৮ বছরের অপেক্ষার অবসান। ১৯৯৩ সালের পর প্রথমবার ব্রাজিলকে হারিয়ে কোপা আমেরিকায় খেতাব জয় আর্জেন্তিনার। অতীতের গ্লানি, হতাশাকে এক লহমায় বদলে দিলেন অ্যাঞ্জেল ডি’ মারিয়া৷ তাঁর একমাত্র গোলেই স্বপ্ন সফল লিওনেল মেসির৷ রবিবার সকালে মারাকান স্টেডিয়ামে হলুদ ঝড় থামিয়ে কোপা চ্যাম্পিয়ন হল আর্জেন্তিনা৷

২৮ বছর পর প্রথম কোনও বড় টুর্নামেন্টে খেতাব জিতল আর্জেন্তিনা। সেই সঙ্গে দেশের জার্সিতে প্রথম ট্রফি জয়ের অনন্য স্বাদ পেলেন মেসি৷ আর্জেন্তিনা শেষবার ১৯৯৩ সালে কোপা আমেরিকা খেতাব জিতেছিল। এবার জিতে স্পর্শ করল কোপা আমেরিকায় সর্বাধিক ১৫ বার খেতাব জয়ের রেকর্ডধারী উরুগুয়েকে ছুঁল আর্জেন্তিনা৷ ব্রাজিলের মাটিতে সেলেকাওদের হারানোর কঠিন চ্যালেঞ্জ জিতল মেসি অ্যান্ড কোং৷ ডি’ মারিয়ার গোলে কোপা আমেরিকায় খেতাব জিতল লিওনেল স্কালোনির দল। ফাইনালে ব্রাজিলকে ১-০ গোলে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্তিনা।

১৯৩৭ সালের পর কোপা আমেরিকার ফাইনালে ব্রাজিলকে হারানোর স্বপ্ন সফল হল আর্জেন্তিনার।
পরপর দু’বার ফাইনালের চিলির কাছে হেরে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল মেসির৷ অবশেষে আর্জেন্তিনার জার্সি গায়ে প্রথম খেতাব জয়ের স্বাদ পেলেন এমএল১০৷ সেমিফাইনালের পর ফাইনালেও আসল সময়ে জ্বলে ওঠেন আর্জেন্তাইন গোলরক্ষক মার্টিনেজ। ৮৭ মিনিটে গ্র্যাবিয়েল বারবোসার গোলমুখী শট পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক থেকে সেভ করে ফের নিজের জাত চেনালেন তিনি। আর আগের কয়েক ম্যাচে বদলি নেমে আলো ছড়ানো ডি’ মারিয়া ফাইনালে প্রথম একাদশে সুযোগ পেয়েই নায়ক হলেন। তাঁর একমাত্র গোলেই খেতাব জয় আর্জেন্তিনা৷ ২১ মিনিটে নিজেদের প্রথম সুযোগেই সাম্বা ঝড় থামিয়ে দেন ডি’মারিয়া। নিজেদের অর্ধ থেকে রদ্রিগো দে পলের পাস রিসিভ করে গোলরক্ষকের মাথার ওপর দিয়ে জালে পাঠান আর্জেন্তাইন মিডফিল্ডার।

গত বিশ্বকাপের পর এই প্রথম আর্জেন্তিনার হয়ে গোল পেলেন ডি’ মারিয়া। ২০০৫ কনফেডারেশন্স কাপের ফাইনালের পর এই প্রথম কোনও ফাইনালে গোল পেল দু’বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়নরা। প্রথমবার দেশের মাটিতে কোপা আমেরিকা খেতাব জিততে ব্যর্থ হল ব্রাজিল৷ আগের পাঁচবারই ট্রফি জিতেছিল তারা। লাতিন আমেরিকার সেরা টুর্নামেন্টে দেশের মাটিতে ১৯৭৫ সালের পর এই প্রথমবার খেতাব হাতছাড়া হল ব্রাজিলের।

আবারও আইনি জটে ভাইজান, সমন পাঠিয়ে মঙ্গলবারের মধ্যে জবাব চাইল পুলিশ

salman khan

 

বড়সড় জালিয়াতির অভিযোগ উঠল সলমন খান ও তার বোন আলভিরা খানের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই জালিয়াতির অভিযোগে আট জনকে সমন পাঠাল পুলিশ। আগামী ১৩ জুলাই মঙ্গলবার তাদের কাছে জবাব চাওয়া হয়েছে। অভিযুক্তরা সকলেই বিং হিউম্যান ফাউন্ডেশনের সঙ্গে যুক্ত আছেন। অরুণ গুপ্ত নামে এক ব্যবসায়ী তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন।

অভিযোগে জানিয়েছেন বিং হিউম্যান জুয়েলারি ব্র্যান্ডের জন্য সম্প্রতি তিন কোটি টাকা দিয়ে একটি শোরুম খোলেন। এই শোরুমের যাবতীয় সামগ্রী পাঠানোর কথা ছিল বিং হিউম্যানের। কিন্তু সময় পেরিয়ে গেলে এখনও কোনও সামগ্রী পাঠানো হয়নি।

চন্ডিগড় থানার এসপি সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছে, আগামী ১৩ জুলাই পর্যন্ত তাদের সময় দেওয়া হয়েছে। অপরাধ করে থাকলে উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ব্যবসায়ী অরুণ গুপ্তা আরও জানিয়েছেন প্রায় দেড় বছর আগে শোরুমটি খুলেছিলেন তিনি। কিন্তু বিং হিউম্যানের পক্ষ থেকে কোনও রকম সাহায্য না পাওয়ায় অবশেষে তিনি আইনি ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছেন।

জানেন কি ফিট থাকতে নো-ডিনার, ক্রিকেট দুনিয়ার ফার্স্ট লেডি অনুষ্কার

anushka sharma

অনুষ্কা শর্মা, এক কথায় বলতে গেলে যাঁর ফিটনেস নিয়ে কোনও তুলনাই হয় না। সন্তানের জন্ম দেওয়ার পর কয়েকদিনের মাথায় আবারও তিনি ফিট ফিগারে ধরা দিয়েছেন। সেই স্টানিং লুকের রহস্য লুকিয়ে কোথায় জানেন! অনুষ্কার অদ্ভুত ডায়েট প্ল্যানিং। রাত্রে না কি তিনি তেমন কিছু খানই না। এও কি সম্ভব! এভাবেই কিন্তু নিজের বডিকে সকলের সামনে পার্ফেক্ট লুক দিয়েছেন অনুষ্কা। চলুন জেনে নেওয়া যাক কী কী থাকে দিনভর অনুষ্কার পাতে-

 সকালে উঠে অনুষ্কা খান দুটো ডিমের সাদা অংশ, এক গ্লাস ফলের রস এরপর বেশ খানিকটা বিরতি। দুপুরে অনুষ্কার চাই সব্জি তরকারি, ডাল, দুটো রুটি ও স্যালাড। এরপর বিকেলে তাঁর পাতে থাকে প্রোটিন বার বা ঋতু ভিত্তিক ফল। তবে চমক হল রাতের বেলায়। অনুষ্কা টিফিনের পর তেমন কিছুই খান না আর। রাতে শোওয়ার আগে একগ্লাস দুধ হলেই যথেষ্ট। 

এতেই ইতি। অনুষ্কার নেই কোন চিট ডে। এক কথায় বলতে গেলে অনুষ্কা যখনই কিছু খান তখনই চেষ্টা করেন তা যেন বাড়িতে তৈরি হয়ে থাকে। ফলে শ্যুটিং ফ্লোরেও তিনি খাবার নিজেই নিয়ে যান। পাশাপাশি ফলের রস জল পান করে থাকেন ঘড়ি ধরে। বাইরে পার্টি হোক কিংবা আচার অনুষ্ঠান। সামান্য কনটিনেন্টালেই খুশি থারেন তিনি।

চমকে উঠল ভক্তমহল, আবার প্রেগনেন্সির খবর দিলেন করিনা!

Kareena

সদ্য দ্বিতীয়বার মা হয়েছেন করিনা কাপুর খান। কেরিয়ার নিয়ে কোনও দিনও কম্প্রোমাইস না করা কাপুর পরিবারের এই কন্যা বলিউডে বরাবরই হিট। অথচ ছক ভেঙে তিনি বিয়ে করেছেন ডিভোর্স সইফকে। পরিবার থেকে না বলে দিয়েছিলেন প্রায় সকলেই। বলা হয়েছিল কেরিয়ার শেষও হয়ে যেতে পারে। কিন্তু তা যে কতটা ভুল প্রমাণ করেছেন তিনি।

এখানেই শেষ নয়, কাজ করতে করতে প্রথম সন্তানের জন্মদেওয়া। সেখানেও বিন্দু মাত্র খামতি রাখেননি করিনা কাপুর। সন্তানের প্রতি নজর দেওয়া, পরিবারের সকলকে নিয়ে থাকা, সবটাই পাকা হাতে সামলেছেন তিনি। এর কিছু দিনের মধ্যেই আবারও দ্বিতীয় সন্তান. তখন রীতিমত কাজ করছেন করিনা কাপুর খান।

Kareena

ফেব্রুয়ারি মাসেই তিনি দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। এর ছয় মাস কাটতে না কাটতেই আবারও সন্তানের খবর নিয়ে হাজির হলেন বলিউড বেবো। প্রসঙ্গ এবার প্রেগনেন্সি। বিষয়টা হয়, তিনি এবার তাঁর প্রেগনেন্সির জার্নিটা সকলের সামনে তুলে ধরতে চলেছেন, এই প্রেগনেন্সি তৃতীয় সন্তান নয়, এটি করিনার লেখা বই। অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় ঠিক কী কী পরিস্থিতির সন্মুখীন হয়েছেন তিনি, তারই নানা তথ্য তিনি তুলে ধরেছেন ভক্তদের জন্য। সেই খবরই এখন ভাইরাল নেট পাড়ায়।

দ্রাবিড়ে মশগুল শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেটার

কলম্বো: রাহুল দ্রাবিড়ের নামটা শুধু ভারতীয় ক্রিকেটে নয়, বিশ্বক্রিকেটেও সমাদৃত! তিনি রাজি থাকলেই দ্বীপরাষ্ট্র সফরে ভারতের ‘বি’ দলের নয়, অনেক আগেই বিরাট কোহলিদের ‘হেডস্যর’ হতে পারতেন৷ তবে শ্রীলঙ্কা সফরে শিখর ধওয়ানদের কোচ হতে রাজি হয়ে শুধু সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের নয়, শ্রীলঙ্কার বিশ্বকাপজয়ী দলের অন্যতম সদস্য অরবিন্দ ডি’ সিলভা’র প্রশংসা আদায় করে নিল ‘দ্য ওয়াল’৷

১৩ জুলাই থেকে শ্রীলঙ্কায় সীমিত ওভারের সিরিজ খেলতে নামছে ভারত। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মারা এই মুহূর্তে ইংল্যান্ডে থাকায় এই সীমিত ওভারের সিরিজে ভারতীয় দলকে নেতৃত্ব দেবেন ধাওয়ান৷ আর এই দলের প্রধান কোচের ভূমিকায় দেখা যাবে দ্রাবিড়কে৷ অতীতে ভারতীয় অনূর্ধ্ব-১৯ এবং ভারত-এ দলের কোচিং করালেও প্রথমবার জাতীয় সিনিয়র দলের কোচের ভূমিকা পালন করতে দেখা ‘মিস্টার জেন্টেলম্যান’-কে৷ তবে দ্বীপরাষ্ট্রে ভারত তাদের দ্বিতীয় সারির দল পাঠিয়ে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেটকে অপমান করেছে বলে সম্প্রতি প্রশ্ন তুলেছিলেন দ্বীপরাষ্ট্রের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক অর্জুনা রণতুঙ্গা৷

তবে প্রাক্তন অধিনায়কের পাশে দাঁড়ালেন না ১৯৯৬ বিশ্বকাপজয়ী শ্রীলঙ্কা দলের অন্যতম সদস্য ডি’সিলভা। সিরিজ শুরুর আগেই ধাওয়নদের ‘দ্বিতীয় সারির’ দল বলে বিতর্কি উসকে দিয়েছেন রণতুঙ্গা। আপনি কি প্রাক্তন অধিনায়কের সঙ্গে একমত? এই প্রশ্নের উত্তরে ডি’সিলভা বলেন, ‘বর্তমান পরিস্থিতিতে এইভাবেই ভেঙে ভেঙে দল পাঠানো ভবিষ্যতের রীতি হতে চলেছে। আর ভারতের রিজার্ভ বেঞ্চের শক্তি কতটা সবাই জানে।’

শুধু তাই নয়, ভারতীয় দলের এই শক্তির জন্য দ্রাবিড়কেই কৃতিত্ব দিলেন ডি’ সিলভা। তিনি বলেন, ‘সবার আগে রাহুল দ্রাবিড়কে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কোচ করে সব চেয়ে ভালো সিদ্ধান্ত নিয়েছিল ভারতীয় বোর্ড।ক্রিকেটারদের গড়ে তোলার জন্য দ্রাবিড় এত দিন ধরে করেছে তার ফল এখন ভারতীয় দল পাচ্ছে।’ তবে শ্রীলঙ্কাও তাদের দলকে শক্তিশালী করতে পারত৷ এ প্রসঙ্গে মাহেলা জয়বর্ধনের প্রসঙ্গ তুলে ডি’ সিলভা বলেন, ‘দ্রাবিড়ের মতো আমরাও এক প্রাক্তন ক্রিকেটারকে পেয়েছিলাম, যার হাত ধরে শ্রীলঙ্কা দলও অনেক উন্নতি হতে পারত। জয়বর্ধনেকে অনেক অনুরোধ করা হয়েছিল শ্রীলঙ্কার অনূর্ধ্ব-১৯ দলটার দায়িত্ব নিতে। কিন্তু মাহেলাকে আমি কিছুতেই রাজি করাতে পারিনি।’

ডি’সিলভা মনে করেন দ্রাবিড়কে প্রথমে অনূর্ধ্ব-১৯ দলের কোচ করে মাস্টারস্ট্রোক খেলেছিল ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। যার ফল এখন পাচ্ছে ভারত। দ্রাবিড়কে ভবিষ্যতে ভারতের দলের কোচ হিসেবে দেখতে চান লঙ্কার এই প্রাক্তন ব্যাটসম্যান৷ দ্রাবিড়ের কোচিংয়ে শ্রীলঙ্কার বিরুদ্ধে তিন ম্যাচের ওয়ান ডে এবং তিন ম্যাচের টি-২০ সিরিজ খেলবে ভারত৷ মঙ্গলবার সিরিজের প্রথম ম্যাচ৷

পুরাণ কথা: জগন্নাথ ও রথযাত্রার ইতিহাস-অন্তিম পর্ব

সোমবার, ২৭ আষাঢ় অর্থাৎ ইংরাজির ১২ জুলাই শুভ রথযাত্রা৷ প্রথম পর্বে জগন্নাথ মূর্তি ও মন্দিরের প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে আমরা জেনেছি৷ দ্বিতীয় পর্বে আমরা জানবো রথযাত্রা কী এবং কেন হয়? যা নিয়ে লিখলেন টিঙ্কু মণ্ডল

মাহেশের রথযাত্রা: ১৩৯৬ খ্রীষ্ঠাব্দ থেকে পশ্চিমবঙ্গের শ্রীরামপুরে মাহেশের রথ অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে৷ এবার ৬২৫ বছরে পর্দাপণ করল এই রথযাত্রা৷ প্রথা অনুযায়ী স্নান পিঁড়িতে জগন্নাথের সঙ্গে স্নান করেন বলরাম ও সুভদ্রা৷ এখনও স্নান যাত্রার দিনে ২৮ ঘড়া গঙ্গাজল ও ২ মন দুধ দিয়ে স্নান করানো হয় এই বিগ্রহকে৷ তারপর তিনটি বিগ্রহকে কম্বলে মুড়িয়ে মন্দিরের গর্ভগৃহে রাখা হয়৷ এরপর রথের আগের দিন জগন্নাথকে রাজবেশ পড়ানো হয় এবং তাঁর এই রূপকে নবযৌবন বলা হয়৷ তারপর তিন বিগ্রহকে রথের দিন মাসির বাড়ি নিয়ে যাওয়া হয়৷ মাহেশের এই রথটি পুরীর মতো কাঠের তৈরি নয়৷ এটি সম্পূর্ণ লোহার তৈরি, যা ১৩৬ বছরের পুরনো৷ এর উচ্চতা ৫০ ফুট৷ এই রথের সামনে রয়েছে দু’টি তামার ঘোড়া৷ একটি রথে তিন বিগ্রহকে নিয়ে পরিভ্রমণ করা হয়৷
চতুর্দশ শতকে ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারী নামে এক বাঙালি সাধু পুরীতে তীর্থ করতে গিয়েছিলেন৷ তাঁর মনে সাধ জেগেছিল, জগন্নাথ দেবকে নিজের হাতে ভোগ রেঁধে খাওয়ানোর৷ কিন্তু পুরীর মন্দিরের পাণ্ডারা বাধা দেওয়ায়, তিনি তা করতে পারেননি৷ মনের দু:খে তিনি তখন আমরণ অনশনে বসেন৷ এর ঠিক তিন দিন পর জগন্নাথ দেব স্বয়ং তাঁকে স্বপ্নে দর্শন দিয়ে বলেন, তিনি যেন বঙ্গদেশে ফিরে যান এবং ভাগীরথীর তীরে মাহেশ নামক যে গ্রাম রয়েছে, সেখানে মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন৷ তিনি আরও বলেন, সঠিক সময়ে সেই নদীতে একটি বিরাট দারুব্রহ্ম কাঠ ভেসে আসবে৷ সেই কাঠ দিয়েই জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার মূর্তি গড়ে পুজো করতে হবে৷ তারপরই ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারীর হাতে ভোগ খাবেন শ্রী জগন্নাথ৷ এই স্বপ্নাদেশের পরই ধ্রুবানন্দ ব্রহ্মচারী মাহেশে এসে ভগবানের আরাধনা শুরু করেন৷ তারপর এক বর্ষার দিন মাহেশের ঘাটে একটি নিম কাঠ ভেসে আসে৷ তিনি সেই কাঠ দিয়ে মূর্তি তৈরি করে মন্দির প্রতিষ্ঠা করেন এবং নিজের হাতে জগন্নাথ দেবকে ভোগ নিবেদন করেন৷

১৭৫৫ সালে কলকাতার নয়নচাঁদ মল্লিক মাহেশের মন্দির নির্মাণ করেন৷ যা আজও বর্তমান৷ সেই সময় ২০ হাজার টাকা দিয়ে শ্যামবাজারের বসু পরিবারের সদস্য কৃষ্ণচন্দ্র বসু এই লোহার রথটি নির্মাণ করেন যা ‘নবরত্ন’ নামে পরিচিতি৷ মাহেশের এই রথ ‘নীলাচল’ নামেও প্রসিদ্ধ৷ কথিত আছে, জগন্নাথ দেবের ভক্ত শ্রী চৈতন্য মহাপ্রভু একবার এই রথ যাত্রায় অংশ নিয়েছিলেন এবং এখানে তিনি অচৈতন্য হয়ে পড়েন ও গভীর সমাধিতে চলে যান৷ তারপর থেকে মাহেশের এই রথ ‘নব নীলাচল’ নামে পরিচিতি লাভ করে৷ এই ঐতিহ্যবাহী রথযাত্রায় অংশগ্রহণ করেছিলেন ঠাকুর শ্রীরামকৃষ্ণ পরমহংস দেব এবং তাঁর স্ত্রী মা সারদাদেবী৷ এমনকী সাহিত্যসম্রাট বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়, নাট্যকার গিরীশচন্দ্র ঘোষ প্রমুখ মানুষেরা এই রথের বিখ্যাত মেলা দেখতে এসেছিলেন৷ রথযাত্রায় এখানে ভোগ হিসেবে পোলাও, খিচুড়ি, আলুরদম, ধোঁকার ডালনা, পনীর, পায়েস ইত্যাদি নিবেদন করা হয়৷

মায়াপুরের ইসকন রথযাত্রা: পুরী ও মাহেশের মতো মায়াপুরে ইসকনের রথযাত্রাও বিখ্যাত৷ গ্রামের প্রশান্তপল্লীতে আয়োজিত এই রথযাত্রা উৎসবে সামিল হন সকল গ্রামবাসীরা৷ এমনকী বাইরে থেকে আসা অনেক তীর্থযাত্রীও এই রথযাত্রার আনন্দ উপভোগ করেন৷ রথযাত্রার দিন পাঁচ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করে রথ পৌঁছয় মায়াপুর ইসকনের চন্দ্রদয় মন্দিরে৷ যা ঐ অঞ্চলে জগন্নাথের মাসির বাড়ি নামে খ্যাত৷ সাতদিন পর অর্থাৎ উলটো রথে জগন্নাথ দেব ফিরে যান ইসকনের মূল মন্দিরে৷ এই সাত দিন এখানে ৫৬ ভোগ, দীপ দান, জগন্নাথ অষ্ঠকম পাঠ ইত্যাদি চলতে থাকে৷ এছাড়াও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এবং প্রসাদ বিতরণ করা হয়৷ প্রভুপাদ ঘাটে বসে রথের মেলা৷ শোনা যায়, প্রশান্তপল্লী-রাজাপুর জগন্নাথ দেবের কৃপায় বর্তমানে রথযাত্রা উপলক্ষ্যে এক আন্তর্জাতিক রূপ পেয়েছে৷ জয় জগন্নাথ ধ্বনিতে ওই দিন সমগ্র আকাশ-বাতাস মুখরিত হয়ে ওঠে৷ জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রার জন্য তিনটি আলাদা আলাদা রথের ব্যবস্থা থাকে৷ এছাড়াও এই শোভাযাত্রায় ঘোড়া ও পালকির ব্যবস্থাও থাকে৷

মহিষাদলের রথযাত্রা: ষষ্ঠদশ শতকে মুঘল সেনাবাহিনী প্রধান উচ্চপদস্থ কর্মচারী জনার্দন উপাধ্যায় ব্যবসার কাজে নদী পথে এসেছিলেন মহিষাদলের সন্নিকটে গেঁওখালিতে৷ বাংলার প্রাকৃতিক শোভায় মুগ্ধ হয়ে মহিষাদলে তৎকালীন রাজা কল্যাণ রায়চৌধুরীর কাজ থেকে নিলামী জমিদারী কিনে নেন৷ এখান থেকেই সুত্রপাত ঘঠে মহিষাদলের রাজপরিবারের৷ জনার্দন উপাধ্যায়ের পুত্র ছিলেন রাজা আনন্দলাল উপাধ্যায় ও রানি জানকি উপাধ্যায়৷ তাঁদের কোনও পুত্র সন্তান না-থাকায় আনন্দলালের মৃত্যুর পর জানকি দেবী রাজত্বের দায়িত্ব নেন৷ তিনি একদিন স্বপ্নাদেশ পান যে, নদীর জলে শালগ্রাম শীলা ভেসে আসছে এবং এই শীলাকে রাজবাড়ীর কুলদেবতা হিসেবে বরণ করতে হবে৷ তারপর ১৭৭৪ খ্রীষ্টাব্দে রাজবাড়ির সামনে একশো ফুট উঁচু মন্দির তৈরি করে কুলদেবতাকে প্রতিষ্ঠা করা হয়৷ একদিন রানি জানকি দেবীর কাছে প্রজারা আবেদন জানায়, পুরীর মতো এখানও রথযাত্রা উৎসব পালন করতে হবে৷ তারপর ১৭৭৬ সালে মহিষাদলের রথযাত্রা শুরু করেন জানকি দেবী৷ প্রথমে এই রথে ২০টি চাকা ছিল৷ তারপর ১৮৬০ খ্রীষ্টাব্দে তাঁর জামাতার পুত্র গুরপ্রসাদ গর্গ রথের সংস্করণ করিয়ে ১৭টি থেকে কমিয়ে ১৩টি চূড়া এবং ২০ থেকে বাড়িয়ে ৩৪টি চাকা নির্মাণ করেন৷ পাঁচতলা বিশিষ্ট এই রথের প্রত্যেক তলাতে রয়েছে বারান্দা এবং চার কোণে বসানো রয়েছে চার ঋষির মূর্তি৷ অনান্য রথের মতো এই রথে জগন্নাথ দেবের বিগ্রহ থাকে না৷ থাকে রাজপরিবারের কুলদেবতা গোপাল জিউ ও রাজরাজেশ্বরী শিলা৷ রথযাত্রার আগের দিন এখানে ‘নেত্র উৎসব’ পালিত হয়৷ এই উৎসবে রাজপরিবারের সদস্য রথের চারটি রশি বেঁধে রথযাত্রার উদ্বোধন করেন৷ এক সময় রাজবাড়ীর নিজস্ব হাতি ছিল, যার পিঠে বসেই মাহুত লাল নিশান দেখাতেন এবং তারপর রাজবাড়ি থেকে পালকি চড়ে আসতেন রাজবাড়ির সদস্যরা৷ তারপর কামান দেগে শুরু হত রথযাত্রার৷ আজও এই প্রথা মেনে রথ উৎসব পালন করেন রাজপরিবারের সদস্য৷

করোনার চাপে ক্লান্ত, ঘুরতে যাওয়ার প্লানিং করলে মাথায় রাখুন কয়েকটি টিপস

বাঙালী ভ্রমণপ্রিয় জাতি। বছরে একবার-দুবার ঘুরতে না গেলে বছর সম্পূর্ণ হয় না। কিন্তু ২০২০ সালের শুরু থেকে মারণ ভাইরাসের ভয়ে ঘুরতে যাওয়ার বন্ধ। করোনার চোখরাঙানী এড়িয়ে ভ্রমণ? রইল কিছু টিপস.

সরকার বাহাদুরের ঘোষণায় দীর্ঘ লকডাউনে ঘরে বন্দীদশায় কাটাতে হয়েছে। এখন পরিস্থিতি সামলে নিউ নর্মাল লাইফ স্টাইলে খাপখাইয়ে নিতে হচ্ছে।

স্বাস্থ্যবিধি মেনে খুলেছে টুরিস্ট ডেসটিনেশনগুলি।

কাছে পিঠে ঘুরতে যান এখন বেশি দূরে যাওয়ার প্ল্যানগুলো পরের বছরের জন্য তুলে রাখুন।

ট্রেনে বুকিং করা থাকলে করোনা আবহে রেল কতৃপক্ষ থেকে যা যা স্বাস্থ্যবিধি জারী করা হয়েছে তা মেনে চলুন।

প্রয়োজনে আইআরসিটিসি-র ওয়েবসাইট থেকে তাদের জারী করা বিজ্ঞপ্তি ভালো করে পড়ে নিন ও পরিবারের অন্য সদস্যদেরও বুঝিয়ে দিন।

দূরপাল্লা ট্রেনের টিকিটের পিএনআর চেক করে নিন। যাত্রার সময় ও তারিখ ভালো করে দেখে নিন।

ট্রেনে বাতিল হওয়া বা সিটের নম্বর দেখে নিন। অনলাইনে টিকিট বুক করলে তার প্রিন্ট কপি নিজের সঙ্গে রাখবেন ভ্রমণ করার আগে।

ফোনে অ্যাপের মাধ্যমে টিকিট বুক করলে ফোনে আসা অনুমোদন মেসেজ বা ওই সম্বন্ধীয় অন্য মেসেজ ডিলিট করবেন না।

গাড়ি বুকিং করুন বিশ্বস্ত কোনো এজেন্সির মাধ্যমে, তাদের গাড়ি স্যানিটাইজিং সংক্রান্ত যাবতীয় তথ্য যাচাই করে নিন।

অনলাইনে হোটেল বুক করার আগে রিভিউ ও রেটিং চেক করে নিন। প্রয়োজনে উক্ত নম্বরে ফোন করে খোঁজ নিন।

বিশ্বস্ত কোনো ট্যুর এজেন্সির মাধ্যমেও হোটেল বুক করাতে পারেন এই অতিমারির আবহে।

যাওয়ার আগে হোটেলে ফোন করে কনফার্ম হয়ে নিন।

ভ্রমণ করার আগে আপনার ও আপনার পরিবারের সদস্যদের আই ডি নিতে ভুলবেন না। আধার কার্ড বা ভোটার কার্ড সঙ্গে অবশ্যই নেবেন।

সঙ্গে ছোটো বাচ্চা থাকলে তার বার্থ সার্টিফিকেট নিন। আই ডি র জেরক্স কপি রাখুন আপনার সঙ্গে।

ট্রেনে বা ফ্লাইটে বুকিং থাকলে সময়ের অন্তত ২ ঘণ্টা আগে সেখানে পৌঁছান।

গাড়ি বুক করা থাকলে ড্রাইভারের ফোন নাম্বার, গাড়ীর নাম্বার নিতে ভুলবেন না।

গাড়িতে ও ঘোরার জায়গায় স্বাস্থ্যবিধি ও দূরত্ববিধি মেনে চলুন। বেশি ভিড় জায়গা হলে এড়িয়ে চলুন।

যেখানে বেড়াতে যাচ্ছেন সেই জায়গার সম্বন্ধে আগে ভাগে একটু জেনে নিন, রাস্তার পরিস্থিতি, কাছে পিঠের হোটেল এগুলি নিয়ে একটু গুগল করে নিন। কবে কোন জায়গা দেখবেন সেই নিয়ে একটা প্ল্যান করে ফেলুন।

প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্যবিধি মেনে করোনা ভাইরাসের ভয় কাটিয়ে মন খুলে ঘোরার আনন্দ নিন।

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় কলেজে নন টিচিং স্টাফ নিয়োগ, জেনে নিন বিস্তারিত

Job

শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় কলেজে নন টিচিং স্টাফ কর্মী বিভাগে বেশ কিছু শূন্যপদে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। মোট কটি পদের জন্য কবে থেকে কবের মধ্যে আবেদন করা যাবে, তা এই বিজ্ঞপ্তিতে বলে দেওয়া হয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা এবং কোন বয়সের প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন তাও বলে দেওয়া হয়েছে।

১) শূন্যপদের বিবরণ
মোট ১৯ টি শূন্যপদে কর্মী নিয়োগ করা হবে।
১. এডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার
২. সিনিয়র পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট
৩. সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট
৪. তবলা অ্যাকমপ্যানিস্ট
৫. কম্পিউটার ল্যাবরেটরি অ্যাসিস্ট্যান্ট
৬. জুনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট
৭. ল্যাবরেটরি অ্যাসিস্ট্যান্ট
৮. লাইব্রেরি অ্যাটেন্ডেন্ট

২) আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা
১. এডমিনিস্ট্রেটিভ অফিসার – অন্তত ৫৫ শতাংশ নাম্বার নিয়ে মাস্টার ডিগ্রি থাকা প্রয়োজন। এছাড়াও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে ৩ বছরের।
২. সিনিয়র পার্সোনাল অ্যাসিস্ট্যান্ট – যে কোনও ব্যাচেলর ডিগ্রি এবং ৩ বছরের অভিজ্ঞতা।
৩. সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট – যে কোনও বিভাগে স্নাতক এবং তার সঙ্গে কম্পিউটার জ্ঞান থাকা প্রয়োজন।
৪. কম্পিউটার ল্যাবরেটরি অ্যাসিস্ট্যান্ট – এই ক্ষেত্রে সেকেন্ডারি পরীক্ষায় পাস থাকলেই হবে।
৫. তবলা অ্যাকমপ্যানিস্ট – তবলা বা পাওয়ারেজে ডিগ্রি থাকতে হবে।
৬. জুনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট – যে কোনও বিষয়ে স্নাতক এবং ইংরেজি ও হিন্দিতে যথাক্রমে মিনিতে ৩৫ ও ৩০ শব্দ টাইপ করার স্কিল।
৭. ল্যাবরেটরি অ্যাসিস্ট্যান্ট – বিজ্ঞান বিষয়ে দশম শ্রেণি পাস থাকতে হবে।
৮. লাইব্রেরি অ্যাটেন্ডেন্ট – নুনতম দশম শ্রেণি পাস থাকতে হবে। সঙ্গে লাইব্রেরি সায়েন্সে ডিগ্রি থাকতে হবে।

৩) আবেদনের ফি
অসংরক্ষিত প্রার্থীদের আবেদন ফি হিসেবে ৭০০ টাকা দিতে হবে। এছারা ওবিসি/ইউব্লুএস/মহিলাদের ক্ষেত্রে ৫০০ টাকা দিতে হবে। অন্যদিকে এসসি ও এসটি প্রার্থীদের ক্ষেত্রে ৪০০ টাকা দিতে হবে।

৪) আবেদন করার পদ্ধতি
অফলাইনে আবেদন করতে হবে। প্রথমে http://spm.du.ac.in/index.php?lang=en অথবা http://www.du.ac.in ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদনপত্র ডাউনলোড করতে হবে। এবারে সমস্ত প্রতিলিপি ও আবেদনপত্র পাঠাতে হবে এই ঠিকানায় – The Principal, Shayama Prasad Mukherjee college (for women), Punjabi Bagh (west). আগামী ১৬ জুলাইয়ের মধ্যে আবেদন পাঠাতে হবে। বিস্তারিত জানতে http://spm.du.ac.in/images/SPMC_Non_Teachin লিঙ্কে ক্লিক করুন।

লঞ্চ করছে OnePlus Nord 2 5G, দাম থেকে ফিচার, রইল সব তথ্য

Phone

বহু প্রতীক্ষার পর অবশেষে ভারতের বাজারে আসছে ওয়ানপ্লাস নর্ড ২ ৫জি স্মার্টফোন। আগামী ২২ সে জুলাই থেকে এই ফোন ই-কমার্স সংস্থা অ্যামাজনে পাওয়া যাবে। ওয়ানপ্লাস সংস্থার দাবি তাঁদের নতুন এই স্মার্টফোনে থাকবে শক্তিশালী Media Tek প্রসেসর। ২০২০ তে ওয়ানপ্লাস-এর নর্ড ফোন বাজারে আসে। তখন থেকেই প্রায় সবাই অপেক্ষায় ছিল কবে নর্ড ২ ভারতে লঞ্চ করেব! নর্ড-এর মডেলের সফলতার পরই নর্ড ২ ৫জি লঞ্চ করলো ওয়ানপ্লাস। আগামী ২৬ এবং ২৭ জুলাই অ্যামাজনে ইন্ডিয়ার প্রাইম ডে সেল শুরু হচ্ছে। সম্ভবত সেখানেই ওয়ানপ্লাস নর্ড ২ ৫জি কেনার সুযোগ পাবেন ক্রেতারা।

১) ওয়ানপ্লাস নর্ড ২ ৫জি স্মার্টফোনের সম্ভাব্য ফিচার
১. এই ফোন থাকতে পারে ৬.৪৩ ইঞ্চির ফুল এইচডি প্লাস AMOLED ডিসপ্লে। এর রিফ্রেশ রেট হতে পারে ৯০Hz।
২. এই ফোন মোট ৩ টি ক্যামেরা থাকতে পারে। তার মধ্যে একটি ৫০ মেগাপিক্সেলের প্রাইমারি সেন্সর থাকার সম্ভাবনা প্রবল। এছাড়াও থাকতে পারে ৩২ মেগাপিক্সেলের একটি সেলফি শুটার।
৩. সম্ভবত ৮ জিবি র‍্যাম-১২৮ জিবি স্টোরেজ এবং ১২ জিবি র‍্যাম-২৫৬ জিবি স্টোরেজ, এই দুই কনফিগারেশনে ভারতের বাজারে লঞ্চ করতে পারে ওয়ানপ্লাস নর্ড ২ ৫জি।
৪. ইন ডিসপ্লে ফিঙ্গারপ্রিন্ট স্ক্যানার সহ ৪৫০০mah ব্যাটারি থাকতে পারে এই ফোনে।

২) ওয়ানপ্লাস নর্ড ২ ৫জি স্মার্টফোনের সম্ভাব্য দাম
এই ফোনের দাম কতো হতে পারে, সে বিষয়ে ওয়ানপ্লাস সংস্থা এখনও কিছু জানাননি। তবে চিনে ওয়ানপ্লাস নর্ড ২ ৫জি লঞ্চ করেছে। সেখানে ফোনের দাম ভারতীয় মুদ্রায় ২৩০০০ টাকা। তাই অনুমান করা যায় ভারতের বাজারে এই ফোনের দাম এর আশেপাশেই থাকবে। এর আগে ওয়ানপ্লাস নর্ড এর দাম শুরু হয়েছিলো ২৪৯৯৯ টাকা থেকে।

প্রতিদিন ২০ টা সিগারেট খেতে বাধ্য হয়েছিলেন শাহিদ, কেন জানেন

shahid kapoor

সেলেব মানেই শরীর নিয়ে সচেতনতা তুঙ্গে। এক কথায় বলতে গেলে হিট ও ফিট বডি ধরে রাখার জন্য সেলেব মহল, যে কোনও মাত্রায় কড়া ডায়েট ফলো করতে প্রস্তুত। পর্দায় তাঁদের উপস্থাপনাতে যেন কোনও খামতি না থাকে, আইক্যুন হিসেবে পরিচিত ফিগার নিয়ে যাতে দীর্ঘদিন ব্যাটিং করতে পারেন, সেই দিকে নজর থাকে সারাক্ষণ।

তবে সেই ছক ভেঙে দিনে ২০ টা সিগারেট খেতেন শাহিদ কাপুর! কেন! এমন কি সখ করেও নয়, একপ্রকার বাধ্য হয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া, এর পেছনে থাকা রহস্যটা কি জানেন! তা হল ছবির শ্যুটিং। কবীর সিং, শাহিদের জীবনে এক বড় অধ্যায়। সেই ছবির শ্যুটিং-এর জন্যই শাহিদকে প্রতিদিন খেতে হত ২০ টা করে সিগারেট। কবীর সিং-এর চরিত্রটাই ছিল এমন, যাঁর ঠোঁটের গোড়ায় প্রতিটা মুহূর্তে ছিল সিগারেট, হাতে ছিল মদ, আর তা ফুঁটিয়ে তুলতেই এই পরিস্থিতি। 

shahid

তখন শাহিদ রীতিমত নিজেকে নিয়ে ছিলেন সতর্ক। তাই বাড়ি ফিরে বাচ্চার কাছে যাওয়ার আগে তিনি টানা ২ ঘন্টা ধরে স্নান করতেন। তবে সেই কষ্ট তাঁর সার্থক। ঝুঁকি যেমন নিয়েছিলেন, তেমনই ঝুঁকি সামলে হয়ে উঠেছিলেন ব্লকবাস্টার সুপারস্টার। ভাগ্য ফিরিয়েছিল এই ছবিই। যা এখনও ভক্তদের মনে তরতাজা। 

দিল্লি থেকে নয়, বঙ্গেই মানুষের মাঝে ভরসা যোগাচ্ছেন অনির্বাণ গাঙ্গুলি

ডেস্ক: বঙ্গ বিজেপির নীতি নির্ধারণ কমিটির সদস্য তিনি, হামেশাই যাতায়াত লেগে থাকে দিল্লিতে৷ ভোটের ফলপ্রকাশের পর আচমকা দিল্লি যাওয়া নিয়েও দলের অন্দরে কম সমালোচনা হয়নি। তবে এবার আর দিল্লি নয়, সশরীরে পশ্চিমবঙ্গে এসে মানুষের পাশে দাঁড়ালেন ডঃ অনির্বাণ গাঙ্গুলি। আজ কুলতলি সংলগ্ন এলাকায় ভোট পরবর্তী হিংসা এবং ইয়াসে ক্ষতিগ্রস্ত অভাবী মানুষদের দিকে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলেন তিনি।

ভোটের ফলপ্রকাশের পর থেকেই শাসকদলের বিরুদ্ধে হিংসা ছড়ানোর অভিযোগ করেছে বিজেপি। রাজ্যের দিকে দিকে বিজেপি কর্মী সমর্থকদের ওপর অত্যাচার, তাদের বাড়ি ভাঙচুর করার খবরও পাওয়া গিয়েছে। এমন টালমাটাল পরিস্থিতিতেই বোলপুরের বিজেপি প্রার্থী অনির্বাণ গাঙ্গুলির বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছিল, আক্রান্ত কর্মীদের পাশে না দাঁড়িয়ে সটান দিল্লি চলে গিয়েছেন তিনি। এই প্রসঙ্গে হাজারো সমালোচনার মাঝেও কোনও মন্তব্য করেননি অনির্বাণ। তবে, পরে জানা গিয়েছিল, দিল্লিতে বসেই অনির্বাণ সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিয়েছিলেন আক্রান্ত কর্মীদের দিকে। নিজের বিধানসভা আসন বোলপুরেও দলীয় কর্মীদের সাহায্য করেছেন তিনি।

তবে এবার আর দেশের রাজধানীতে থেকে নয়, সশরীরে উপস্থিত হলেন বঙ্গে। কুলতলি ও তার সংলগ্ন এলাকায় আক্রান্ত কর্মী ও ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষদের পাশে দাঁড়ালেন তিনি। সাধারণ মানুষের ভিড়ে মিশে ভ্যানে চড়ে পৌঁছোলেন প্রত্যন্ত এলাকায়, কাঁচা রাস্তা দিয়েই হেঁটে দেখলেন গোটা এলাকা। অভাবী মানুষদের হাতে ত্রাণ তুলে দিতেও দেখা গেল তাঁকে।

বিয়ের আগেই অন্তঃসত্ত্বা! সত্যি কি মা হতে চলেছেন কৃতি

kriti

বিয়ের আগেই অন্তঃসত্ত্বা, সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেই সেই ছবি শেয়ার করলেন বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। স্পষ্টত সেখানে বেবি বাম্পের ছবি। সোশ্যাল মিডিয়ায় গুঞ্জন তুঙ্গে। সত্যি কি মা হতে চলেছেন কৃতি শ্যানন। অভিনেত্রী কার সঙ্গে ডেট করছে বিয়ে কবে এই নিয়েই প্রশ্ন এখন ভক্ত মহলে। তার আগেই এ কোন সংবাদ শোনালেন কৃতি।

বিষয়টা একটু খোলসা করে বলা যাক। কৃতি শ্যানন-এর পরবর্তী ছবির পোস্টটা শেয়ার হতেই ভাইরাল খবর। সেখানেই ধরা পড়ে বেবি বাম্প। ছবির নাম মিমি। এই ছবির জন্য রীতিমতো কষ্ট করেছেন তিনি। সেই ছবির খবর ঘিরেই ছড়িয়ে পড়ে কৃতির অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার খবর। ভাইরাল পোস্টার দেখা মাত্রই অবাক ভক্ত মহল। কৃতির সেই বোল্ড লুক কোথায়!

kriti

হিট স্লিম ফিট ফিগারের কৃতি বাড়িয়েছে ১৫ কেজি ওজন। আর সেই লুক প্রকাশ্যে আসতেই ভাইরাল ছবি। বেবি বাবলুকে কেমন লাগছে কৃতিকে। দেখতে ভিড় জমেছে নেট পাড়ায়। কৃতির কোথায় এই চরিত্রটি তার কাছে একটা চ্যালেঞ্জ এর মত। খুব কম সময়ে ওজন বাড়াতে হয়েছে। যার ফলে শরীর নিয়েও যথেষ্ট সচেতন এখন কৃতি। ছবির কাজ শেষ করে দ্রুত আগে ফিরতে মরিয়া অভিনেত্রী।

এ কী কাণ্ড সলমনের সামনেই ক্যাটকে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন ভিকি

salman khan

প্রেমিকাদের নিয়ে সলমন বরাবরই পজেসিভ। এক সময় ঐশ্বর্য-এর জন্য বিবেক ওবেরয়ের কেরিয়ারে জল ঢেলে দিয়েছিলেন তিনি। এবারে সলমনের সামনেই ক্যাটরিনাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন ভিকি কৌশল। তবে কী কেরিয়ারের শুরুতেই ভুল করে বসলেন এই অভিনেতা?

বেশ কিছুদিন ধরেই ভিকি এবং ক্যাটরিনার সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল চারিদিকে। একে অপরের ছবি ও ভিডিও পছন্দ করা, একই রঙের ড্রেস পরে ছবি দেওয়া, এক সঙ্গে সময় কাটানো এ সব কিছুই নেটিজেনদের সন্দেহকে উস্কে দিচ্ছিল। এছাড়াও পরিচালক করণ জোহর তাঁদের দুজনকে নিয়ে সর্বসমক্ষে খুনসুটিও করেছেন। তবে ভিকি বা ক্যাটরিনা কেউই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খোলেননি।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পুরোনো ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্বে রয়েছেন ভিকি। সলমনও উপস্থিত ছিলেন সেই অনুষ্ঠানে। এক সময় ক্যাটরিনাকে ভিকি বলে বসেন “তোমার ভিকির মতো কোনও ছেলেকে খুঁজে বিয়ে করে নেওয়া উচিৎ”। ঠিক সেই সময় আলো গিয়ে পড়ে ক্যাটরিনার প্রাক্তন প্রেমিক সলমনের উপর। এখানেই শেষ নয় ভিকি আরও বলেন ‘বিয়ের মরসুম চলছে, তাই ভাবলাম তুমিও বিয়ের কথা ভাবছো’। কথা বলার সময় রীতিমতো লজ্জা পাচ্ছিলেন ভিকি।

এরপর আরও এক ধাপ এগিয়ে ভিকি সলমনের ছবির একটি গান করে বসেন ‘মুঝসে শাদি করোগি’। তবে সলমন বিষয়টি মজার ছলেই নিলেন। প্রথমে হাসছিলেন। তবে ভিকির কণ্ঠে গান শোনার পর আর নিজেকে সামলাতে পারলেন না। পাশে বসে থাকা বোন অর্পিতার কাধে হতাশ হয়ে মাথা রাখলেন। আপনাদের নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে করছে যে এর পরিপ্রেক্ষিতে ক্যাটরিনা কি বলেছেন? তিনি কেবল ধীরে ধীরে বলেছেন ‘সাহস নেই’। আর ঠিক তখনই সলমন কে দেখা গেলো আবার চনমনে হয়ে সোজা হয়ে বসতে।

গয়না বড়ি বিক্রি সঙ্গে ক্রিকেটও খেলতে আসছে ‘উমা’

কলকাতা: চোখে স্বপ্ন, মনে বল, এক আকাশ আত্মবিশ্বাস আর প্রাণভরা ইচ্ছাশক্তি নিয়ে আসছে ‘উমা’। মধ্যবিত্ত পরিবারের ছাপোষা মেয়ে ‘উমা’, তার স্বপ্ন পূরণের লক্ষ্য নিয়ে পাড়ি দিতে চলেছে আপনার ড্রইংরুমে। উমার ইচ্ছা সে একদিন ক্রিকেট খেলবে। ব্যাট, বল,উইকেট, হাতের গ্লাভস দেখলে উমার চোখ স্বপ্নের আলোয় চিকচিক করে ওঠে। কিন্তু মাঝে আছে অনেক বাধা। তবে একদিন মনের জোরে সব বাধা কাটিয়ে উমা ক্রিকেট খেলবে। উমার এই স্বপ্ন পূরণের পথে সঙ্গী হতে পারেন আপনিও। কারণ জি বাংলায় আসতে চলেছে নতুন ধারাবাহিক উমা।

সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে উমার প্রোমো। যেখানে দেখা যাচ্ছে রেলস্টেশনে উমা দুই ব্যাগ ভর্তি করে গয়না বড়ি নিয়ে পাড়ি দিচ্ছে। তবে তাড়াহুড়োয় ট্রেন ছেড়ে দেওয়াতে উমা, ভি ভি আই পি কম্পার্টমেন্টে উঠে পড়ে। যেখানে একটি মহিলা ক্রিকেট টিম ব্যস্ত নিজেদের আড্ডায়। আপন-মনে হাঁটতে হাঁটতে উমা এক জায়গায় ক্রিকেটের ব্যাট দেখতে পায়। নিজের খেয়ালে ব্যাটটিকে ছুঁয়ে দেখার চেষ্টা করে সে। এই দেখে তার ওপর বেজায় চটে সেই মহিলা ক্রিকেট টিমের একজন প্রবল উদ্ধত সদস্যা। সে বেশ কড়া সুরেই উমাকে বলে,’ ব্যাটে হাত দিচ্ছ কেন? ব্যাগে কী আছে?’। উমা উত্তর দেয়, ‘গয়না বড়ি’। তখন মহিলা ক্রিকেট টিমের সদস্যা বলেন, এই অ্যাপার্টমেন্টটি ভি ভি আই পি অ্যাপার্টমেন্ট তাই এখানে কিছু বিক্রি করতে ওঠা যায় না। এই বলে সে উমার উদ্দেশ্যে কয়েন ভিক্ষা দিতে যায়। কিন্তু উমা এক ডাইভে কয়েনখানা ক্যাচ করে। যা দেখে মহিলা ক্রিকেট টিমের অনেকেই উমাকে বাহবা দিতে থাকে। তখন উমা সেই কয়েন খানা ফেরত দিয়ে বলে, “আমিও ক্রিকেটার হতে চাই তবে লক্ষীকে অসম্মান করে নয়”।

সাফল্য আর ঔদ্ধত্যকে এক করে দেওয়া যে কখনই সমীচীন হতে পারে না তা বুঝিয়ে দেয় এই প্রোমো। এই ধারাবাহিকে মুখ্য চরিত্রে অভিনয় করবেন শিঞ্জিনী চক্রবর্তী ।’বকুল কথা’, ‘জয়ী’-র পর জি বাংলায় আবারও পর্দায় ফিরছে মহিলা খেলোয়াড়ের গল্প নিয়ে।প্রযোজক, পরিচালক, কাহিনিকার সুশান্ত দাস।অগস্টে আসছে ‘উমা’।উমার লড়াই, তার ক্রিকেট দুনিয়ায় পা রাখা স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে ঝুলন গোস্বামীকে।

এই প্রথম কেন্দ্রীয় চরিত্র ছাড়াও ধারাবাহিকের সঙ্গে জড়িত ১৩ জন অভিনেত্রী নিয়মিত মাঠে গিয়ে প্রশিক্ষণ নিচ্ছেন।

দিল্লিতে প্রকাণ্ড বাড়ির মালকিন সোনাম, দাম শুনে চোখ কপালে ভক্তদের

sonam kapoor

সেলেব বাড়ি মানেই তা সুন্দর, সাজানো ও পাশাপাশি দামী হবে। তা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। আর প্রসঙ্গ যখন বিটাউন, তখন তো বলাই বাহুল্য। কত কোটির বাড়িতে কে থাকে, তা নিয়ে নিত্য প্রতিযোগীতা। এ বলে আমায় দেখ, তো আরেকজন বলে আমায় দেখ।

সোনাম কাপুরের জায়গাটাও ঠিক তেমনই। একে অনিল কন্যা, তারপর আহুজা পরিবারের বউ। সম্প্রতি দিল্লির বাংলোতে বেশ কিছুদিন সময় কাটান সোনাম। প্রকান্ড বাড়ির মধ্যে এলাহি ব্যবস্থা রয়েছে ঠিকই তবে বাড়িটির মধ্যে সেলেব্রিটি মার্কা ছাপ একেবারেই নেই। সাধারণভাবেই তৈরি করা হয়েছে বাড়িটি। রঙিন বাড়ির সখ কোনওদিনই ছিল না সোনমের। আনন্দও যেহেতু সোনমের মত ফ্যাশন আইক্যুনের সঙ্গে জড়িত, বাড়িটি রীতিমত ভাবনা চিন্তা করেই তৈরি করেছেন তিনি।

sonam kapoor

গত বছর মার্চ মাসেই লন্ডনের বাড়ি থেকে ফিরেছেন সোনম এবং আনন্দ। তারপর দিল্লির এই বাড়িতে এসে ওঠেন তাঁরা। তাঁদের বেডরুমে উঁচু সাদা রঙের খাট। হোটেলে যে ধরণের উঁচু নরম খাট দেখা যায় তাঁদের বেডরুমের খাটও খানিক তেমনই। দিল্লিতে তিন হাজার স্কোয়্যার ইয়ার্ড জুড়ে আনন্দ তৈরি করা করেছেন বাড়িটি। বাড়িটি তৈরি করার পিছনে খরচার অঙ্ক শুনলে কপালে হাত উঠবে আপনার। ১৭৩ কোটি টাকা লেগেছে বাড়িটি তৈরি করতে। একই প্রপার্টিতে থাকেন আনন্দের মা-বাবা। এই প্রপার্টির মালিকানা এখনও হরিশ আহুজা অর্থাৎ সোনমের শশুড়ের নামে। ২০১৫ সালেই ওম আরোরা নামক এক ব্যক্তির থেকে এই জায়গাটি কিনে নেন হরিশ আহুজা।

বি-টাউনে বিয়ে! এবার পালা কি তবে তাপসী পান্নুর

taapsee

তাপসী পান্নু, বলিউডে বর্তমানে হট ডিভাদের মধ্যে একজন। যাঁর উপস্থিতিতেই এক প্রকার বলা চলে ছবি হিট। নায়ক-নায়িকার তকমা ভেঙে নয়া মোড়কে ছবি সাজিয়ে তোলাতে তিনি উস্তাদ। ছবি একাই টেনে নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখেন তিনি। সেই হট ডিভা এখনও ব্যাচলর। কেন! বিয়ে নিয়ে কি কোনও পরিকল্পনা নেই তাপসীর! পরিবারের সকলেই বা কি বলছেন!

এবার নিজের বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন তাপসী পান্নু। জানালেন, বিয়ে তিনি করবেন, তবে এখনও কিছু স্থির হয়নি। যদি কাউকে ভাবো লাগে, বিশ্বাস করার যোগ্য যদি কেউ হয়ে থাকে, তবে নিঃসন্দেহে তাপসী তাঁর গলায় মালা দেবেন। তবে সেই সম্পর্ক অবশ্যই বিয়ে পর্যন্ত গড়াতে হবে। হঠ্যাৎ প্রেমে বিশ্বাসী নন তাপসী পান্নু। সেই বিষয়টা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন তিনি। 

taapsee

এখানেই শেষ নয়, এর পাশাপাশি তাপসী আরও জানান, তিনি এমন কাউকে বিয়ে করবেন না, যাঁকে বিয়ে করলে বাড়ির সকলের মন খারাপ হয়। তাই তাপসীর কথায় পরিবারের অমতে নয়, পরিবারের আশীর্বাদ নিয়ে যে পাত্রকে সকলের পছন্দ তার গলাতেই মালা দেবেন তিনি। তবে এখনও কিছু স্থির করেননি। যদি প্রেম করেন, তবে বিয়েটাও তিনি করবেন, সেই বিষয় নিশ্চিত করলেন হট ডিভা। 

বড় সুযোগ NBEMS- এ ৪২ শূন্যপদে নিয়োগ, বিস্তারিত জানুন

NBEMS বা ন্যাশানাল বোর্ড অফ একজামিনেশন ইন সায়েন্সসের নিয়োগ শুরু হতে চলেছে। সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট থেকে জুনিয়র অ্যাকাউন্ট্যান্ট সহ একাধিক পদে নিয়োগ করা হবে। পরীক্ষায় বসার জন্য প্রার্থীদের অনলাইনে আবেদন করতে হবে। সব মিলিয়ে মোট ৪২ টি শূন্যপদের জন্য নিয়োগ করা হবে।

১) শূন্যপদের বিবরণ
ন্যাশানাল বোর্ড অফ একজামিনেশন ইন সায়েন্সসের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী মোট ৪২ টি পদে নিয়োগ করা হবে। যার মধ্যে সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট-এর জন্য রয়েছে ৮ টি শূন্যপদ, ৩০ টি জুনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্টের জন্য এবং জুনিয়র অ্যাকাউন্ট্যান্ট এর জন্য ৪ টি শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে।

২) আবেদনের ফি
অসংরক্ষিত এবং ওবিসি প্রার্থীদের আবেদন ফি হিসেবে ১৫০০ টাকা দিতে হবে। এর সঙ্গে ১৮ শতাংশ জিএসটি আলাদা দিতে হবে। অন্যদিকে এসসি/এসটি দের ক্ষেত্রে কোনও রকম আবেদন ফি লাগবে না।

৩) আবেদনের বয়সগত যোগ্যতা
পরীক্ষায় বসার জন্য প্রার্থীদের বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ২৭ বছরের মধ্যে। সংরক্ষিত প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমায় ছাড় দেওয়া হবে।

৪) আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা
১. সিনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট বিভাগে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য প্রার্থীদের কোনও স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাশ এবং যে কোনও ডিগ্রি কোর্সে পাশ থাকা প্রয়োজন।
২. জুনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্টের ক্ষেত্রে HS পাশ হলেই চলবে।
৩. জুনিয়র অ্যাকাউন্ট্যান্ট বিভাগে পরীক্ষা দেওয়ার জন্য স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক পাশ বাধ্যতামূলক। এছাড়াও কোনও কম্পিউটার কোর্সের অভিজ্ঞতা থাকলে তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

৫) নিয়োগের নির্বাচন প্রক্রিয়া
মোট দুটি ধাপে পরীক্ষা হবে। একটি ধাপে সর্বাধিক ২০০ নম্বরে কম্পিউটার ভিত্তিক পরীক্ষা হবে। দ্বিতীয় ধাপে কম্পিউটার জ্ঞান এবং স্কিল টেস্টের উপর ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। বিস্তারিত জানতে এনইবিএমএস-এর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে http://www.natboard.edu.in দেখুন। আবেদন পদ্ধতি আগামী ১৫ ই জুলাই ২০২১ থেকে শুরু হবে। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ১৪ ই আগস্ট ২০২১।

উড়ান পথেই পরমব্রতর জন্য অপেক্ষা করছিল দারুন সারপ্রাইজ

কলকাতা: অভিনয়ের কথাটা নয় বাদই দিলাম, কিন্তু তার বাইরেও পরিচালনা, গান-গল্প জ্ঞান কিংবা কোনো রাজনৈতিক তরজার মঞ্চ তিনি একাই মাতিয়ে রাখতে পারেন। তার সুদৃঢ় দৃপ্ত চেতনা এবং দৃষ্টিভঙ্গি বারংবার সাড়া জাগিয়েছে সমাজে। এইতো কয়েকদিন আগেই, করোনা আবহে মারণ ভাইরাসের চোখ রাঙানিতে, যখন তটস্থ কলকাতা তথা দেশবাসী তখন তিনি এবং তার সঙ্গে টলিউডের ইয়ং ব্রিগেডে মিলে চালু করেছিল সেফ হোম। আমরা কথা বলছি অভিনেতা এবং পরিচালক পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় (Parambrata Chattopadhyay) এর।

আমরা কথা বলছি অভিনেতা এবং পরিচালক পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় (Parambrata Chattopadhyay) এর। সম্প্রতি কালিম্পং থেকে পরিচালক সপ্তাস্ব বসুর ‘জতুগৃহ’ ছবির শুটিং শেষ করে কলকাতার ফিরছেন তিনি। আর উড়ান পথেই পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় এর জন্য অপেক্ষা করছিল একটি দারুন সারপ্রাইজ। আর এই সারপ্রাইজ তিনি পেলেন ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স এর তরফ থেকে। তিনি এই ফ্লাইটে যাত্রা করছেন শুনে, সেখানকার কেবিন ক্রু-রা পরমব্রতর জন্য চকলেট এবং অন্যান্য নানান গুডিজ দিয়ে তৈরি একটি গিফট প্যাক। তবে তারও আগে হয়তো পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় এর কাছে স্পেশাল হয়ে থাকবে ইন্ডিগোর (Indigo) তরফ থেকে পাওয়া একটি কার্ড। যেখানে শুভেচ্ছা বার্তা তো রয়েছেই সঙ্গে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের দীর্ঘ এই অভিনয় ও পরিচালনা যাত্রার জন্য ভূয়সী প্রশংসা করেছেন তারা।

এই কার্ডে লেখা,” এই যাত্রায় আপনাকে আমাদের মধ্যে পাওয়ায় আমরা গর্বিত। আপনাকে অসংখ্য ধন্যবাদ সবসময়, আপনার অসাধারণ অভিনয় দক্ষতা দিয়ে আমাদের বিনোদন দেওয়ার জন্য। টলিউড থেকে বলিউড চলচ্চিত্র থেকে ওয়েব সিরিজ আপনি সবেতেই অসাধারণ অনবদ্য। খুব ভালো থেকো। আগামী যাত্রার জন্য অনেক অনেক শুভেচ্ছা।”

ইন্ডিগোর কেবিন-ক্রু বর্ণালী, মোনা, চেষ্টা এবং তানিশ্ক এর তরফ থেকে এই মিষ্টি উপহার পেয়ে আপ্লুত পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়।

এই উপহারের ছবি নিজের সোশ্যাল সাইটে শেয়ার করে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় লিখেছেন,” পৃথিবীর ব্যস্ততার ভিড়ে যখন খুব একা লাগে, তখন সকালের ক্লান্তি, দূর হয়ে যায় অজানা মানুষের থেকে এরকম মিষ্টি উপহার পেলে। এমন উপহার সব ক্লান্তিকে দূরে সরিয়ে নিজেকে আবার দৃঢ়, বিনয়ী এবং সম্মানিত করে। দিল্লি থেকে কলকাতা ফ্লাইটের, ফ্লাইট এটেনডেন্টদের এই মিষ্টি উপহারে আমি মুগ্ধ এবং আপ্লুত।”

স্বাভাবিকভাবেই পছন্দের অভিনেতার জন্য এই সম্মান প্রদর্শনের আবেগাপ্লুত তার অনুগামীরা। এমনকি উল্লেখিত এয়ারলাইন্স এর তরফ থেকেও আলাদা করে কমেন্ট বক্সে শুভেচ্ছা জানিয়ে অভিনেতার উদ্দেশ্য তারা লিখেছেন,” আমাদের সহকর্মীরা খুবই উচ্ছ্বসিত আপনার উপস্থিতিতে।”