কিষেনজির মতো মুখ ঢেকে নয়, খোলাখুলি রক্তগঙ্গার হুঁশিয়ারি জীবন সিংহের

নিউজ ডেস্ক: কোথায় লুকিয়ে জঙ্গি নেতা জীবন সিংহ? এই প্রশ্নে তোলপাড় গোয়েন্দা বিভাগ। যেভাবে ভিডিও প্রকাশ করে নির্বাচনের পর থেকে হুমকি দিচ্ছে কামতাপুর লিবারেশন অর্গানাইজেশন (কেএলও) প্রধান তাতে চিন্তিত রাজ্য সরকার।

গোয়েন্দাদের কাছে জীবন সিংহের এটাই সাম্প্রতিক চেহারা। আশ্চর্যের বিষয়, কোনওভাবেই নিজেকে আড়াল করতে চায়নি জীবন সিংহ। ২০১১ সালে বাম জমানা পতনের আগে পশ্চিম মেদিনীপুর ভিত্তিক মাওবাদীদের তৈরি করা রক্তাক্ত সময়ে সংগঠনটির তৎকালীন মিলিটারি কমিশন প্রধান কিষেনজি(কোটেশ্বর রাও) বহুবার মুখ ঢেকে ক্যামেরার দিকে পিছন ফিরে নিজের বক্তব্য দিয়েছিলেন। আর কেএলও প্রধান জীবন সিংহ দিচ্ছে মুখ খোলা অবস্থায় রক্তাক্ত পরিস্থিতির হুঁশিয়ারি।

বিধানসভা ভোটের পরেই জীবন সিংহের একটার পর একটা ভিডিও এসেছে। প্রতিবারই এই জঙ্গি নেতা খোলা মুখে ক্যামেরার সামনে এসে রক্তাক্ত হুঁশিয়ারি দিচ্ছে। তার দাবি, কামতাপুর স্বশাসিত এলাকা।

উত্তরবঙ্গে নাশকতার হুঁশিয়ারি দেওয়া কেএলও প্রধান জীবন সিংহ (তামির দাস) কোথায়?সে কি ভুটানের জঙ্গলে ফের ডেরা বেঁধেছে? প্রশ্ন উঠছে গোয়েন্দাদের মধ্যে। পশ্চিমবঙ্গের সংলগ্ন দক্ষিণ ও পূর্ব ভুটানের জঙ্গলাকীর্ণ অঞ্চলগুলিতে দীর্ঘ সময় কেএলও, আলফা সহ সাতটি ভারত বিরোধী বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের ঘাঁটি ছিল। ২০০৩ সালে “অপারেশন অলক্লিয়ার” অভিযানে ভুটান সরকার এই ঘাঁটিগুলো ধংস করে। সেই অভিযানের পর থেকে নিখোঁজ জীবন সিংহ।

গোয়েন্দা বিভাগের কাছে বারবার জীবন সিংহের মৃত্যুর সংবাদ এসেছে। কখনও জানা গিয়েছিল আলিপুরদুয়ারের কুমারগ্রামের একদা বাসিন্দা এই মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতা সেনা অভিযানে মায়ানমারে মারা গিয়েছে। কখনও খবর আসে জীবন সিংহ নেপালের সীমান্তে আত্মগোপন করে আছে। পরে সেসব তথ্য ভুয়ো বলে জানা যায়।

বাংলাদেশের পার্বত্য চট্টগ্রাম থেকে জঙ্গি শিবির পরিচালনা করছে কেএলও। বিভিন্ন সময়ে ধরা পড়া জঙ্গি সংগঠনটির লিংকম্যানদের দেওয়া তথ্য থেকে গোয়েন্দা বিভাগ নিশ্চিত হয় জীবন সিংহ বেঁচে আছে।

ভুটান সরকারের জঙ্গি বিরোধী সামরিক অভিযানের পর থেকে কেএলও জঙ্গিদের একাধিক চাঁই ধরা পড়ে। বিশেষ করে ২০০২ সালে জলপাইগুড়ি জেলার ধূপগুড়িতে স্থানীয় সিপিআইএম দফতরে ঢুকে ৫ জনকে গুলি করে খুনের মামলায় ধৃতরা পরে তৃণমূল সরকারের আমলে জামিন পায়। তাদের অনেকেই নিখোঁজ এখন। গোয়েন্দা বিভাগের ধারণা, পুরনো চাঁইদের নিয়ে নতুন করে আগ্রাসী সংগঠন তৈরি করতে চলেছে প্রায় নিষ্ক্রিয় কেএলও প্রধান জীবন সিংহ।

ভারত? ভুটান ? নেপাল ? মায়ানমার ? বাংলাদেশ ? কোন দেশের জঙ্গলে রেকর্ড করা হয়েছে জীবন সিংহের ভিডিও, কোনও সূত্র এখনও নেই।উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং, কোচবিহার, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, কালিম্পং, উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর জেলা প্রশাসনকে সতর্ক থাকার নির্দেশ গিয়েছে নবান্ন থেকে।

পুরাণ কথা: জগন্নাথ ও রথযাত্রার ইতিহাস-দ্বিতীয় পর্ব

সোমবার, ২৭ আষাঢ় অর্থাৎ ইংরাজির ১২ জুলাই শুভ রথযাত্রা৷ প্রথম পর্বে জগন্নাথ মূর্তি ও মন্দিরের প্রতিষ্ঠা সম্পর্কে আমরা জেনেছি৷ দ্বিতীয় পর্বে আমরা জানবো রথযাত্রা কী এবং কেন হয়? যা নিয়ে লিখলেন টিঙ্কু মণ্ডল

রথযাত্রা হল হিন্দু ধর্মের অন্যতম প্রধান ধর্মীয় উৎসব এবং বাঙালির সংস্কৃতি ও সাহিত্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ৷ এই উৎসবটি কাঠের তৈরি রথে করে কাঠের তৈরি বিগ্রহকে পরিভ্রমণ করানো হয়৷ কথিত আছে, দীর্ঘ বিচ্ছেদের পর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ দাদা বলরাম এবং বোন সুভদ্রাকে নিয়ে রথে করেই বৃন্দাবনে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন৷ সেই স্মৃতি মাথায় রেখেই আজও এই উৎসব পালিত হয়৷ প্রকৃত অর্থে রথ উৎসব শুরু হয় জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা দিয়ে৷ এখন জেনে নেওয়া যাক, কী এই স্নানযাত্রা?

প্রতি বছর জৈষ্ঠ্য মাসের পূর্ণিমা তিথিতে পুরীতে জগন্নাথ দেবের স্নানযাত্রা আয়োজিত হয়৷ এদিন মন্দিরের গর্ভগৃহ থেকে মূর্তি তুলে এনে স্নান মন্ডপে তা স্থাপন করা হয়৷ তারপর সুগন্ধি জল দিয়ে জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রাকে স্নান করানো হয়৷ স্নানের পর শুরু হয় মূর্তির সাজসজ্জা৷ কথিত আছে, ১০৮ ঘড়া জলে স্নানের পর জ্বরে কাবু হয়ে পড়েন জগন্নাথ দেব৷ তাই এই সময় তাঁকে গৃহবন্দি অবস্থায় কাটাতে হয়৷ রথ পর্যন্ত বিশ্রাম নেন তিনি৷ ফলে সেই সময় ভক্তদের দর্শন দেন না জগন্নাথ দেব৷ এমনকী এই ক’দিন জগন্নাথের পুজোও বন্ধ থাকে৷ তারপর জ্বর থেকে উঠে রথে চেপে মাসির বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা দেন জগন্নাথ দেব৷ জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা রথ চড়ে ‘গুন্ডিচার’ বাড়ি যান৷ যা জগন্নাথ দেবের ‘মাসির বাড়ি’ নামে পরিচিত৷ জগন্নাথ দেবের ‘মাসির বাড়ি’ পর্যন্ত রথ চড়ে যাওয়াকে বলে ‘সোজা রথ’৷ এরপর সাতদিন মাসির বাড়িতে থাকার পর সেই রথে চড়েই পুনরায় নিজের মন্দিরে ফেরেন জগন্নাথ, বলরাম ও সুভদ্রা৷ তাঁর মাসির বাড়ি থেকে মন্দিরে ফিরে আসার এই যাত্রা ‘উল্টো রথ’ নামে প্রসিদ্ধ৷

রথযাত্রায় তিনটি বিগ্রহ তিনটি আলদা আলাদা রথে থাকে৷ এই রথ গুলির বিশিষ্ট্যও আলাদা৷ সবার প্রথমে থাকে বড় ভাই বলরামের রথ৷ এই রথের নাম তালধ্বজ৷ ১৪টি চাকা বিশিষ্ট এই রথটির উচ্চতা ৪৪ ফুট৷ আর রথের আবরণ নীল রঙের হয়৷ তারপর থাকে সুভদ্রার রথ৷ যার নাম দর্পদলন৷ এই রথটি ১২টি চাকা-সহ ৪৩ ফুট উচ্চতার অধিকারী৷ এই রথের মাথায় একটি পতাকা থাকে৷ যার মধ্যে একটি পদ্মচিহ্ন আঁকা আছে৷ তাই এই রথটিকে পদ্মধ্বজও বলা হয়৷ এই রথটি আবরণ লাল রঙের হয়৷

সর্বশেষে থাকে জগন্নাথ দেবের রথ৷ এই রথটির উচ্চতা ৪৫ ফুট৷ আর এই রথে থাকে ১৮টি চাকা৷ এই রথটির নাম নন্দীঘোষ৷ এই রথের মাথায় যে পতাকা থাকে, তাতে কপিরাজ হনুমানের মূর্তি আঁকা থাকে৷ তাই এই রথের আর এক নাম কপিধ্বজ৷ জগন্নাথ দেবের রথটি সম্পূর্ণ লাল ও হলুদ কাপড় দিয়ে মোড়া থাকে৷ রথের দিন প্রতিটি রথকে ৫০ গজ দঁড়িতে বেঁধে আলাদা আলাদা করে টেনে নিয়ে যাওয়া হয় মাসির বাড়ির দিকে৷ এই রথকে আমাদের দেহ এবং বিগ্রহগুলিকে আমাদের আত্মার সঙ্গে তুলনা করা হয়ে থাকে৷

প্রতি বছর পুরীর রথযাত্রার উদ্বোধন করেন এখানকার রাজা৷ রাজত্ব না-থাকলেও বংশপরম্পরায় পুরীর রাজপরিবার আজও আছে এবং সেই নিয়মানুসারে যিনি রাজা উপাধি পান তিনি পরপর তিনটি রথের সামনের অংশ সোনার ঝাড়ু এবং সুগন্ধি জল দিয়ে ঝাঁট দেন৷ তারপর পুষ্পাঞ্জলি প্রদান করেন এবং রথের দঁড়িতে টান পড়ে৷

কথিত আছে, যে ব্যক্তি রথে চড়ে জগন্নাথ দেবকে বিশ্বব্রহ্মাণ্ড দর্শন করাবেন ভগবান তাঁদের প্রতি অশেষ কৃপা বর্ষণ করবেন৷ ‘বৃহন্নারদীয়’ পুরাণে ভগবান নারায়ণ স্বয়ং লক্ষ্মী দেবীকে বলেছেন, ‘‘পুরুষোত্তম ক্ষেত্র নামক ধামে আমার কেশব মূর্তি বিরাজওমান৷ মানুষ যদি কেবল সেই শ্রী বিগ্রহ দর্শন করেন, তবে খুব সহজেই আমার ধামে আমার কাছে ফিরে আসতে পারবে৷’’

আজ আমরা জানলাম, ভারতের সব থেকে প্রসিদ্ধ তীর্থস্থান গুলোর মধ্যে ওডিশার পুরী অন্যতম বিশেষ তীর্থস্থান রূপে প্রতিষ্ঠিত৷ পুরীর রথযাত্রার মাহাত্ম্যও প্রচুর৷ তবে কালক্রমে শুধু পুরীতেই নয়, এই উৎসবের প্রচলন ঘটেছে পশ্চিমবঙ্গের বিভ্ন্ন অঞ্চলে৷ এর মধ্যে হুগলির শ্রীরামপুরে মাহেশের রথযাত্রা, পুর্বমেদিনীপুরের মহিষাদলের রথযাত্রা, মায়াপুরের ইস্কন মন্দিরের রথযাত্রা খুবই প্রসিদ্ধ৷ এমনকী বাংলাদেশের ধামরাই জগন্নাথের রথ বিশেষ প্রসিদ্ধ৷ তৃতীয় অর্থাৎ শেষ পর্বে আমরা এই অঞ্চলের রথ উৎসব সম্পর্কে জানবো৷
‘জয় জগন্নাথ’

করিশ্মার ঠোঁটে ঠোঁট রেখে টানা তিনদিন চুমু আমিরের

করিশ্মা কাপুর, একসময় বলিউড যিনি দাপিয়ে বেড়িয়েছেন, সেই হট কুইনের স্মৃতিতেই পরতে পরতে জড়িয়ে রয়েছে নানা ওঠা পড়ার গল্প। সম্পর্কের জালে বহুবার জড়িয়েছেন করিশ্মা কাপুর। তবে বেশ কিছু গল্প তাঁর জীবনে এমনও গজিয়ে উঠেছিল, যার জের আজও তাঁর স্মৃতিতে তরতাজা। 

সালটা ১৯৯৬। তখন দর্শকমহলের ছবির থেকে চাহিদা ছিল ভিন্ন। ঘরোয়া, রোম্যান্টি, কিংবা পারিবারিক মেলোড্রামা, এমন ছবিতেই সহজ ছিল তাঁরা। এমনই সময় মুক্তি পেয়েছিল রাজা হিন্দুস্তানি ছবিটি। যা সকলে নাড়া দিয়ে গিয়েছিল। আমির খান ও করিশ্মা কপুরে এক বৃষ্টি ভেজা দিনে চুম্বনের দৃশ্য। মুহূর্তে তা ছড়িয়ে পড়েছিল সকলের মুখে মুখে। সৃষ্টি করেছিল বিতর্ক। 

karishma

কেমন ছিল সেই চুম্বনের অভিজ্ঞতা! এবার প্রকাশ্যে সেই কথা জানালেন খোদ করিশ্মা কাপুর। টানা তিন দিন ধরে শ্যুটিং চলেছিল এই পর্বের। একের পর এক টেক, শট কিছুতেই মনের মত হচ্ছিল পরিচালকের। সেই দৃশ্যে শ্যুট করা ছিল বিস্তর কষ্টের। উটিতে টানা তিনদিন ধরে চলতে থাকে এই শ্যুটিং। মাসটা ছিল ফেব্রুয়ারি। গায়ের মধ্যে জল পাশাপাশি সামনে থেকে আসা ঠাণ্ডা পাখার হাওয়া। শীতে জমে গিয়েছিলেন তাঁরা দুজনে। 

অনলাইন ক্লাস করছে আপনার সন্তান, এই বিষয়গুলো নজরে রাখা জরুরি

class

কারোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায়  এখন ঘরে বসে অনলাইনে ক্লাস করছে শিক্ষার্থীরা। অনলাইনের ক্লাসের এই নতুন অভিজ্ঞতার কারণে শিশুদের মধ্যে অনেক পরিবর্তন দেখা দিতে পারে। এ সময় তাদের দিকে অভিভাবকদের বিশেষ খেয়াল রাখতে হবে। স্কুলের পড়াশোনা যখন বাড়িতে, তখন অবসাদ ও হতাশা দেখা দেওয়াই স্বাভাবিক। তাই খেয়াল রাখতে হবে সেদিকেও।

যা করবেন:
আলাদা বসার জায়গা:
ঘরেই আলাদা বসার জায়গা করে দিন সন্তানকে। অনলাইন ক্লাসে মনোযোগের জন্য সুন্দর পরিবেশও দরকার। 
বাড়িতে জায়গা কম থাকলেও অন্ততপক্ষে একটা চেয়ার টেবিল দিয়ে সন্তানের পড়ার জায়গা করে দিন।

ল্যাপটপে ক্লাস:
ল্যাপটপে ক্লাস করতে পারলে ভালো হয়। এতে দেখতে ও পড়তে সুবিধা হয়। আর ফোনে ক্লাস করার সময়ে চোখে চাপ পড়ে বেশি।

সময় ভাগ করে নিন:
বাড়িতে একটা ল্যাপটপ থাকার কারণে সমস্যা হতে পারে। তাই একাধিক জন একটি ল্যাপটপ ব্যবহার করলে সময় ভাগ করে নিতে হবে।

নজর রাখুন:
সন্তানের অনলাইন ক্লাস করার সময় সন্তানের পাশেই বসে থাকুন। এতে সন্তানের মানসিক সাহস বাড়বে।

ভার্চুয়ালটাই সব নয়:
সারাদিন স্কুলে শিক্ষকদের সান্নিধ্যে, বন্ধুদের মাঝে হেসে-খেলে শেখা আর ভার্চুয়াল জগতে শেখার মধ্যে পার্থক্য রয়েছে অনেক। আর পড়া ও খেলার সময় সন্তানকে সময় দেওয়াটা অবশ্যই জরুরী।

ভার্চুয়াল জগতের হাতছানি:
অনলাইন ক্লাসের সঙ্গেই ভার্চুয়াল জগতের হাতছানি রয়েছে। তাই সাবধানতাও জরুরি। অনেকেই ক্লাসের ফাঁকে বা অনলাইন ক্লাস না হলেও ল্যাপটপে নেট সার্ফ করে। সন্তানের জন্য ক্ষতিকারক, এমন কিছুতে নজর দিচ্ছে কিনা সে বিষয়ে খেয়াল রাখুন।

আলোচনা প্রয়োজন:
নতুন  এই পদ্ধতির পড়াশোনা নিয়ে সন্তানের সঙ্গে আলোচনা করুন। শিক্ষকরা যেমন নিজেদের আপডেট করছেন, অভিভাবককেও সে বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে। সমস্যা হলে স্কুলের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনা করুন।

যদিও এখন এই পর্ব প্রায় শেষের পথে। ধীরে ধীরে স্কুল খোলার মুখে চলে এসেছে। তবুও এখনও অনেকেই এই বিষয় সড়গড় হতে পারেননি। তাই এই বিষয়ে যতটা সম্ভব হাত পাকিয়ে রাখাই শ্রেয়। কারণ ভার্চুয়াল ওয়ার্ল্ডই ভবিষ্যৎ।

কম দামে এবার পকেটে নয়া লুকে নোকিয়া G20

Phone

নিজেকে সম্পূর্ণ নতুনভাবে সাজিয়ে ভারতের বাজারে এলো নোকিয়ার নতুন এই স্মার্ট ফোন। আপাতত ২টি রঙে এবং একটিই র‍্যাম ও স্টোরেজের কনফিগারেশনে লঞ্চ হয়েছে নোকিয়া জি২০। একবার চার্জ দিলে নোকিয়ার এই ফোন টানা তিন দিন চলতে পারে বলে দাবী এই সংস্থার। খুব সুন্দর লুক এর পাশাপাশি ফোনটি বাজেট ফ্রেন্ডলি।

নোকিয়া জি২০ ফোনের ফিচার

১. ফোনটিতে রয়েছে ৬.৪ ইঞ্চির এইচডি প্লাস ডিসপ্লে। এখানে রয়েছে একটি নচ ডিজাইন যার মধ্যে রয়েছে সেলফি ক্যামেরা।

২. নোকিয়া জি২০ তে রয়েছে octa – core Media Tek Helio G35 প্রসেসর।

৩. ২টি ন্যানো সিম এর সঙ্গে এই ফোনটি অ্যান্ড্রয়েড ১১ সফটওয়ারের সাহায্যে পরিচালিত হবে।

৪. 4 জিবি র‍্যাম 64 জিবি স্টোরেজ কনফিগারেশনে পাওয়া যাবে এই ফোনটি। মাইক্রোএসডি কার্ডের সাহায্যে ৫১২ জিবি পর্যন্ত স্টোরেজ বাড়ানো যাবে।

৫. এই ফোনটিতে রয়েছে মোট ৪ টে ক্যামেরা। একটি ৪৮ মেগা পিক্সেলের প্রাইমারি সেনসর, একটি 5 মেগাপিক্সেল এর আল্ট্রা ওয়াইড অ্যাঙ্গেল লেন্স, একটি ২ মেগাপিক্সেলের এর ম্যাক্রো শুটার, এবং একটি ২ মেগাপিক্সেলের সেনসর । এর পাশাপাশি ফ্রন্টে রয়েছে ৮ মেগাপিক্সেল এর একটি সেলফি শুটার।

৬. এই ফোনের ব্যাটারি ৫০৫০ MAH। তার সঙ্গে রয়েছে ১০ ওয়াটের চার্জিং সাপোর্ট ও type-c চার্জার।

৭. নোকিয়ার এই ফোনের ওজন ১৯৭ গ্রাম। এছাড়াও এই ফোনে রয়েছে একটি IPX2 build।

৮. নোকিয়া G২০ ফোনের দাম

নোকিয়া জি২০ ফোন ভারতের বাজারে ৪ জিবি র‍্যাম ৬৪ জিবি স্টোরেজ কনফিগারেশনে লঞ্চ হয়েছে। এই স্টোরেজ কনফিগারেশনের মডেলের দাম ১২,৯৯৯ টাকা।

আগামী ১৫ ই জুলাই থেকে এই ফোন কেনা যাবে। এর পাশাপাশি নোকিয়া জি২০ ফোনের প্রি-বুকিং শুরু হবে ৭ ই জুলাই থেকে। অ্যামাজন এবং নোকিয়ার অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে বুকিং করা যাবে।

রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি

রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় স্বাস্থ্য কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে। রাজ্য সরকারের হেলথ ডিপার্টমেন্ট এর অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে এই বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। শিক্ষাগত যোগ্যতা, আবেদন জমা দেওয়ার শেষ দিন, এবং কোন বয়সের প্রার্থীরা আবেদন করতে পারবেন তার উল্লেখ রয়েছে এই বিজ্ঞপ্তিতে। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী প্রতি মাসে ৩২ হাজার টাকা বেতন দেওয়া হবে।
https://www.wbhealth.gov.in ওয়েবসাইটে অনলাইনে আবেদন করা যাবে।

১. শূন্যপদের বিবরণ

রাজ্য সরকারের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী মোট ১৩ টি শূন্য পদে জেলা স্বাস্থ্য প্রোগ্রাম কো-অর্ডিনেটর নিয়োগ করা হবে।

২. আবেদনের বয়সগত যোগ্যতা

সাধারণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়স হতে হবে ২২ থেকে ৪০ বছরের মধ্যে। ওবিসি প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়স সীমা ২২ থেকে ৪৩ বছর। এসসি – এসটি প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়স সীমা রাখা হয়েছে ২২ থেকে ৪৫ বছর।

৩. আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা

১. সরকার স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সোশ্যাল সাইন্স বা MSW তে পোস্ট গ্যাজুয়েট হতে হবে।
২. স্বীকৃত কোন প্রতিষ্ঠান থেকে অ্যাডভান্স কম্পিউটার কোর্স থাকা প্রয়োজন।
৩. যেকোনো স্বাস্থ্য ক্ষেত্রে অন্তত তিন বছরের কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।

৪. আবেদনের ফি

সাধারণ ক্যান্ডিডেটদের জন্য ১০০ টাকা। অন্যদিকে এস টি, এস সি, এবং ওবিসিদের জন্য ৫০ টাকা।

৫. প্রার্থী নির্বাচন পদ্ধতি

১. লিখিত পরীক্ষা হবে ৭০ নম্বরে।
২. একাডেমিক স্কোর-এর জন্য থাকবে ১৫ নম্বর।
৩. অভিজ্ঞতার জন্য ৫ নম্বর।
৪. ইন্টারভিউ হবে ১০ নম্বরে।

৬. আবেদনের সময়সীমা

রেজিস্ট্রেশন ও আবেদন জমা দেওয়া শুরু হয়েছে ১ জুলাই ২০২১ থেকে। আবেদন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৫ ই জুলাই ২০২১। তবে রেজিস্ট্রেশন ১০ ই জুলাই এর মধ্যে করিয়ে নিতে হবে।

স্পেনকে হারিয়ে ইউরো ফাইনালে অপ্রতিরোধ্য ইতালি

লন্ডন: রবার্তো মানচিনির হাত ধরে অন্য ইতালিকে দেখছে ফুটবলবিশ্ব৷ ওয়েম্বলিতে ফুটবলীয় রোমাঞ্চে শেষ হাসি হাসল ইতালি৷। টাই-ব্রেকারে স্পেনকে হারিয়ে ইউরো কাপের ফাইনালে উঠল মানচিনির দল। নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ ১-১ গোলে শেষ হয়৷ প্রথমার্থ গোলশূন্য থাকার পর ৬০ মিনিটে ফেডেরিকো কিয়েসার গোলে এগিয়ে গিয়েছিল ইতালি৷ কিন্তু স্পেনের হয়ে ৮০ মিনিটে গোল শোধ করেন আলভারো মোরাতা। ফলে ম্যাচ গড়ায় টাই-ব্রেকারে৷ পেনাল্টি শুট-আউটে বাজিমাত করে ইতালি৷

টানা ৩৩ ম্যাচে অপরাজিত থেকে ইউরো কাপের ফাইনালে নামবে মানচিনির দল৷ লন্ডনের ওয়েম্বলি স্টেডিয়ামে মঙ্গলবার রাতে ইউরোর প্রথম সেমিফাইনালে টাইব্রেকারে ৪-২ গোলে জেতে ইতালি। আজুরিদের সামনে ভেঙে পড়ে স্প্যানিশ আর্মার্ডা৷ জয়োল্লাসে ফেটে পড়ে ইতালি, ইউরোপিয়ান চ্যাম্পিয়নশিপের ফাইনালে ওঠার আনন্দে আত্মহারা আজুরিরা৷

টাই-ব্রেকারে লোকাতেল্লির নেওয়া ইতালির প্রথম শট ঠেকিয়ে দেন উনাই সিমোন। কিন্তু নিজেদের প্রথম শট উড়িয়ে মেরে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ হাতছাড়া করেন দানি ওলমো। তারপর আর পিছন ফিরে তাকায়নি মানচিনির ছেলেরা৷ পরের তিন শটে একে একে বল জালে পাঠান বেলোত্তি, বোনুচ্চি, বের্নারদেস্কি। স্পেনের দুই ও তিন নম্বর শটে জেরার্দ মোরেনো ও থিয়াগো আলকান্তারা গোল করেন। কিন্তু মোরাতার শট আটকে দেন জানলুইজি দোন্নারুমা। এরপর জর্জিনিও ঠাণ্ডা মাথায় বল জালে জড়াতেই সেলিব্রেশন শুরু হয়ে যায় আজুরিদের৷

টানা ৩৩ ম্যাচ অপরাজিত থেকে ইউরোর ফাইনালে ইতালি। ইউরোপের দুই বিশ্বজয়ী ফুটবল শক্তির এই সেমিফাইনাল ম্যাচটা নিয়ে আমার আগ্রহ ছিল প্রবল। এই দুই দেশই আকর্ষণীয় ফুটবল খেলে শেষ চারে উঠে এসেছিল। ম্যাচের শুরু থেকে দেখা মেলে স্পেনের চিরপরিচিত ফুটবল। প্রথম ১৫ মিনিটে ৭৫ শতাংশের বেশি সময় বল দখলে রাখলেও সুযোগ কাজে লাগাতে পারেনি৷ ধীরে ধীরে গুছিয়ে নিতে থাকে ইতালি। প্রতি আক্রমণ থেকেই দুর্দান্ত এক ডান পায়ের বাঁকানো শটে ৬০ মিনিটে দলকে এগিয়ে দেন জুভেন্তাসের উইঙ্গার কিয়েসা।

গোল খেয়ে স্পেন আরও বেশি চেপে ধরে ইতালিকে। এর মধ্যে অবশ্য ফেরান তোরেস ও মিকেল ওইয়ারসাবালের জায়গায় জেরার্দ মোরেনো ও আলভারো মোরাতাকে মাঠে নামায় লুই হেনরিকে। অলমোর পাসে ৮০ মিনিটে দুর্দান্ত এক গোল করে স্পেনকে সমতায় ফেরান মোতেরা। ইউরোর ইতিহাসে স্পেনের হয়ে ছ’টি গোল করে সর্বোচ্চ গোলদাতা হলেন তিনি। পেছনে ফেললেন ফার্নান্দো তোরেসকে। মোতেরার গোল হেনরিকের মুখে হাসি ফোটালেও টাই-ব্রেকারে বাজিমাত করেন মানচিনির ছেলেরা৷

৯ বছর আগের ফাইনালে এই স্পেনের বিরুদ্ধে ভরাডুবি হয়েছিল ইতালির। এবার সেই স্পেনকে হারিয়েই ফাইনালে উঠল আজুরিরা। টানা ৩৩ ম্যাচে অপরাজিত আগামী রবিবার এই ওয়েম্বলিতে ইউরোপ সেরা হওয়ার লড়াইয়ে নামবে ইতালি৷ প্রতিপক্ষ ইংল্যান্ড কিংবা ডেনমার্ক।

ফাইনালে আর্জেন্তিনা, মার্টিনেজে মুগ্ধ মেসি

ব্রাসিলিয়া: দেশকে প্রথমবার খেতাব জেতার লক্ষ্যে সাম্বার দেশে পা-রেখেছেন লিওনেল মেসি৷ ফাইনালে আর্জেন্তিনার খেতাব জয়ের সামনে সেই ব্রাজিল৷ গতবার ফাইনালে নেইমারদের কাছে স্বপ্নভঙ্গ হয়েছিল মেসির৷ তবে আর্জেন্তিনার ফাইনালে ওঠার নায়ক মেসি নন, নায়ক হলেন এমিলিয়ানো মার্টিনেজ। পেনাল্টি শুট-আউটে তিনটি সেভ আর্জেন্তিনাকে ফাইনালে তুললেন তিনি। নির্ধারিত ৯০ মিনিটে খেলা ১-১ গোলে শেষ হওয়ার পর টাই-ব্রেকারে গড়ায় ম্যাচ। এই পর্বে মার্টিনেজের বীরত্বে ফাইনালে ওঠে আর্জেন্তিনা। ব্রাসিলিয়ার মানে গারিঞ্চা স্টেডিয়ামে বুধবার সকালে নির্ধারিত সময়ে ম্যাচ ড্র হওয়ার পর টাই-ব্রেকারে ৩-২ ব্যবধানে জেতে মেসি অ্যান্ড কোং৷

টাই-ব্রেকার এড়াতে চেয়েছিলেন আর্জেন্তাইন কোচ লিওনেল স্কালোনি। কিন্তু সেমিফাইনালে সেই ভাগ্য পরীক্ষার মধ্য দিয়েই যেতে হল মেসিদের৷ যাতে ব্যবধান গড়ে দিলেন মার্টিনেস। কলম্বিয়ার তিনটি শট ঠেকিয়ে দলকে কোপা আমেরিকার ফাইনালে তোলার নায়ক এই গোলরক্ষক। আগামী রবিবার রিও ডি জেনেইরোর মারাকানা স্টেডিয়ামে খেতাব নির্ণায়ক ম্যাচে ব্রাজিলের মুখোমুখি হবে আর্জেন্তিনা।

কোয়ার্টার ফাইনালে টাই-ব্রেকারে উরুগুয়েকে হারিয়ে সেমিফাইনালে উঠেছিল কলম্বিয়া। হুয়ান কুয়াদরাদোর প্রথম শট গোল হলেও। দাভিনসন সানচেস ও ইয়েরি মিনার পরের দু’টি শট বাঁদিকে ঝাঁপিয়ে রুখে দেন মার্টিনেজ। মিগুয়েল বোরহার বুলেট গতির শট আটকাতে না-পারলেও কারদোনার শট বাঁ-দিকে ঝাঁপিয়ে আটকে দেন মার্টিনেজ। সেই সঙ্গে ফাইনালে ওঠার উচ্ছ্বাসে মাতেন আর্জেন্তাইন ফুটবলাররা৷

ম্যাচের পর দলের গোলরক্ষকের মার্টিনেজের প্রশংসায় পঞ্চমুখ মেসি বলেন, ‘আমাদের দলে এমি রয়েছে, যে একটা ফেনোমেনন। আমরা ওর ওপর আস্থা রেখেছিলাম। ফাইনালে পৌছনোর পাশপাশি টুর্নামেন্টের সবক’টি ম্যাচ খেলার আমাদের লক্ষ্যও পূর্ণ হল।’ ‘ফেনোমেনন’, শব্দটা শুনলেই ব্রাজিলের ৯ নম্বর জার্সি গায়ে প্রতিপক্ষের রক্ষণে তছনছ করে দেওয়া রোনাল্ডোর কথা মনে পড়ে। তবে কোপা সেমিফাইনালের রাতে কলম্বিয়ার বিরুদ্ধে আর্জেন্তিনাও নিজেদের ‘ফেনোমেনন’-কে পেল আর্জেন্তিনা৷

আক্রমণাত্মক শুরু করা আর্জেন্তিনা এগিয়ে যেতে পারত ম্যাচের চতুর্থ মিনিটে। বল পায়ে তিন ডিফেন্ডারকে কাটিয়ে কলম্বিয়ার ডি-বক্সে ঢুকে পড়েন মেসি। খুঁজে নেন পেনাল্টি স্পটের কাছে থাকা গনসালেসকে। কিন্তু তাঁর হেড অল্পের জন্য লক্ষভ্রষ্ট হয়। তবে গোলের জন্য বেশিক্ষণ অপেক্ষা করতে হয়নি আর্জেন্তিনাকে। সোলসোর কাছ থেকে ডি-বক্সে বল পেয়ে যান মেসি। কলম্বিয়ান এক ডিফেন্ডার বলে পা-ছোঁয়ালেও দ্রুতই নিয়ন্ত্রণে নিয়ে মেসি পাস বাড়ান মার্টিনেজকে। সুযোগ হাতছাড়া করেননি তিনি৷ ফলে ম্যাচের সপ্তম মিনিটে এগিয়ে যায় দু’বারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা।

চলতি টুর্নামেন্টে এটি মেসির পঞ্চম অ্যাসিস্ট৷ কোপা আমেরিকার ইতিহাসেই যা সর্বোচ্চ। এ নিয়ে কোপায় আর্জেন্টিনার শেষ ১১ গোলের নয়টাতেই থাকল মেসির অবদান। পরের মিনিটেই সমতা ফেরানোর দারুণ সুযোগ ছিল কলম্বিয়ার সামনে। বাঁ-দিক থেকে ক্রস ডি-বক্সে পেয়ে যান কুয়াদরাদো। কিন্তু তাঁর রুখে দেন আর্জেন্তাইন গোলরক্ষক। প্রথমার্ধে আর্জেন্তিনা এগিয়ে থেকে মাঠ ছাড়লেও দ্বিতীয়ার্ধের শুরুতে কলম্বিয়াকে সমতায় ফেরান লুইজ দিয়াজ৷ ম্যাচের শেষ তিরিশ মিনিট কোনও দলই গোল করতে পারেনি৷ ফলে ম্যাচ গড়ায় টাই-ব্রেকারে৷ আর এতে বাজিমাত করে আর্জেন্তিনা৷

অস্থির সময়ে দিলীপকুমারের ‘সাগিনা মাহাতো’ মুক্তি পেয়েছিল

নিউজ ডেস্ক: পাঁচ দশক আগে গৌর কিশোর ঘোষের ছোটগল্প নিয়ে ‘সাগিনা মাহাতো’ছবি করেছিলেন তপন সিংহ । আর আর সেই ছবিতে নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছিলেন দিলীপ কুমার৷ শ্রমিক আন্দোলনের নামে এক চক্রান্তের কাহিনি উঠে আসে ছবিতে৷

ওই গল্পের সময়কাল স্বাধীনতার ঠিক আগে ১৯৪৪-৪৫।কাহিনির পটভূমি কার্শিয়াঙে তিনধারিয়া এলাকায় রেল শ্রমিকদের কথা। কেমন ভাবে অত্যাচারিত হত দীনহীন এই মানুষগুলো৷ এই পরিস্থিতিতে অদ্ভূত চরিত্রের শ্রমিক সাগিনার উত্থান, সে ক্রমশ হয়ে ওঠে স্থানীয় শ্রমিকদের নেতা৷ কারণ সাগিনা চালু করে লাথিঝাঁটার খাওয়ার বদলা স্বরূপ উল্টে বাবুদের ধোলাই পিটাই।তখনই আবার কলকাতার বামপন্থী ট্রেড ইউনিয়ন ওই স্থানীয় রেল শ্রমিকদের নিজেদের দখলে আনতে চাইল।মধ্যবিত্তদের হাতে শ্রমিক আন্দোলনের লাগাম রাখতে স্থানীয় উঠে আসা শ্রমিক নেতার বিরুদ্ধে এক চক্রান্তের কাহিনি এটি৷ তখন গোরা রেল কোম্পানির যোগসাজশে সাগিনাকে লেবার ওয়েলফেয়ার অফিসার করে দেওয়া হল। একই ভাবে পার্টির বড় নেতা বানিয়ে সাগিনাকে বোম্বাই, মাদ্রাজের শ্রমিকদের ওয়েলফেয়ার দেখতে পাঠান হল।সাগিনার উত্থানে শ্রমিকদের অধিকার যে ভাবে বাড়ছিল তাতে ভাটা পড়ল৷ এরফলে ফের শ্রমিকদের দুর্দশা বাড়ায় সাগিনার বিরুদ্ধে উল্টে শ্রমিকদের ক্ষোভ দানা বাধল৷ চক্রান্ত করেই ওই ভাবেই স্থানীয় শ্রমিকদের চোখের মণি সাগিনাকে শ্রমিকদের থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেওয়া হচ্ছিল।

সাগিনা মাহাতো গল্পটা ভাল লেগেছিল তপন সিংহের, ভেবে ছিলেন এই গল্প নিযে ছবি করবেন। অবশেষে প্রযোজক জুটল।পরিচালক চাইলেন সাগিনা চরিত্রের জন্য দিলীপকুমারকে। বলিউডের এই অভিনেতা আগে তপন সিংহকে জানিয়েছিলেন, বাংলা ছবিতে অভিনয় করতে চান। সেই সময় দিলীপকুমার-সায়রাবানু মাদ্রাজে শুটিং এ ব্যস্ত। যোগাযোগ করা হল এবং তপন সিংহ পরিচালক শুনে দিলীপ আগ্রহ প্রকাশ করলেন ৷ এই বিষয়ে কথা বলার জন্য মাদ্রাজে আসতে বলেন তিনি।সেই সময় নাকি এক মজার ঘটনা ঘটেছিল৷ প্রযোজককে নিয়ে পরিচালক মাদ্রাজে গিয়ে জানাতে পারেন দিলীপকুমার সায়রাবানু বোম্বে চলে গেছেন৷ ফলে খুব বিরক্ত হয়েছিলেন এবং ছবির প্রযোজক ও পরিচালক ঠিক করেন এই রকম স্বামী-স্ত্রী জুটি নিয়ে কাজ করবেন না৷ এমন কথা যখন ভাবছেন তারা তখন তাদের হোটেলের দরজার টোকা মারেন কেউ এবং দরজা খুলে দেখেন দিলীপকুমার হাজির৷

পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক অস্থির সময়ে এই ছবিটি হয়েছিল। অকগ্রেসি যুক্তফ্রন্ট সরকার গড়লেও তা ভেঙে যায়। নকশাল আন্দোলন ছড়িয়ে পড়ছে। পাড়ায় পাড়ায় এলাকা দখল নিয়ে সিপিএম, নকশাল ও নব কংগ্রেসিদের মধ্যে নিত্য বোমা গুলি খুনোখুনি। চলছে বাস-ট্রাম পোড়ানো। তার উপর বাংলাদেশে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হওয়ার বাংলায় শরণার্থীদের ভিড়। শুটিং চলাকালীনই নানা রকম রাজনৈতিক হুমকির মুখে পড়তে হয়েছিল তপন সিংহকে৷ তাছাড়া শ্রমিক আন্দোলনের মুখোশ খুলে দেওয়ায় এই ছবির মুক্তি নিয়ে বাধা আসে। সেন্সর সার্টিফিকেট পেলেও ছবি রিলিজ না করতে দেওয়ার হুমকি আসে৷তখন শুধু রাজনৈতিক দলের নেতা-কর্মীদের জন্য বিশেষ শো-এর ব্যবস্থা করা হয় এবং তারপর ছবি মুক্তি পায়৷ পাঁচ দশক আগে ১৯৭০ সালের ২১ অগস্ট মুক্তি পেয়েছিল ‘সাগিনা মাহাতো’। দিলীপকুমারের এই ছবি এত ভাল লেগেছিল যে তাঁর অনুরোধে হিন্দিতে রিমেক করা হয় ‘সাগিনা’নামে। সেটা অবশ্য ১৯৭৪ সালে মুক্তি পায়৷ বাংলা‘সাগিনা মাহাতো’ হিট হলেও হিন্দি ‘সাগিনা’অবশ্য চলেনি। কারণ সম্ভবত কলকাতার মানুষের কাছে রাজনৈতিক প্রভাব থাকলেও বম্বেতে সেটা ততটা ছিল না।

নিজের মৃত্যু সংবাদ নিজেই দিলেন দিলীপ কুমার, মুহূর্তে ভাইরাল পোস্ট

বুধবার ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের এক শোকবিজরিত দিন। এদিন সকালেই উঠে আসে দিলীপ কুমারের মৃত্যু সংবাদ। শোকে ভাসে গোটা দেশ। কিন্তু দিলীপ কুমারের মৃত্যু সংবাদ সবার আগে সামনে আসে কীভাবে! আজব কাণ্ড, খোদ দিলীপ কুমারই দিলেন দিলীপ কুমারের মৃত্যু সংবাদ! মুহূর্তে ভাইরাল পোস্ট।

বিষয়টা ঠিক কেমন, দিলীপ কুমারের সোশ্যাল পাতায় ভক্তেদর সংখ্যা বিপুল। বেশ কিছুদিন ধরে শরীরস্বাস্থ্য ভালো ছিল না অভিনেতার। তাই সব আপডেট খবর পেতে সকলেই চোখ রেখে চলেছিল প্রবীণ স্টারের সোশ্যাল পাতায়। তবে বুধবার সকালে হঠাৎই চকমে ওঠা। দিলীপ কুমারের প্রোফাইলেই শেয়ার হল মৃত্যু সংবাদ! না, এই পোস্ট অভিনেতা প্রয়াণের বেশ কিছুটা সময় পর করা। খবর চটজলদি যাতে সকলের কাছে পৌঁছে যায় তাই পরিবারের তরফ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

dilip kumar

ফইজল ফারুক এদিন সকাল আটটা নাগাদ লেখেন, দুঃখের সঙ্গে জানানো হচ্ছে প্রবীণ অভিনেতা দিলীপ কুমার আমাদের মধ্যে আর নেই। কয়েক মিনিট আগেই তিনি চিরনিদ্রায় মগ্ন হয়েছেন। এই পোস্ট মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে ওঠে নেট দুনিয়ায়।

বিনামূল্যে দু’টি অনলাইন কোর্স করাচ্ছে ISRO

বেঙ্গালুরু: ভারতীয় স্পেস রিসার্চ অর্গানাইজেশন (ISRO) দুটি অনলাইন কোর্সের জন্য শিক্ষার্থী এবং পেশাদারদের কাছ থেকে আবেদনগুলি আমন্ত্রণ করছে। ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ রিমোট সেন্সিং (আইআইআরএস) কেন্দ্রের মাধ্যমে জলবিদ্যুৎ পরিচালনার জন্য জিওপ্যাটিয়াল মডেলিং এবং হাইড্রোলজিকাল মডেলিংয়ের জিওপ্যাটিয়াল টেকনোলজির একটি কোর্সের ব্যবস্থা করেছে। এই দু’টি কোর্সই জন্য কোন অর্থ দিতে হবে না৷ প্রশিক্ষণ শেষে প্রত্যেককে একটি শংসাপত্র দেবে ইসরো৷

ওয়াটারশেড ম্যানেজমেন্টের জন্য জিওপ্যাটিয়াল মডেলিং:
কোর্সের তারিখ: 2 আগস্ট 2021 – 6 আগস্ট 2021

জ্ঞাতব্য বিষয়গুলি হল,
কোর্সটি ওয়াটারশেড ম্যানেজমেন্টের নীতিসমূহ এবং জলাশয় পরিচালনার জন্য ভূ-স্থানিক প্রযুক্তি ব্যবহারের একটি সংক্ষিপ্তসার সরবরাহ করবে।
এই কোর্সের জন্য অধ্যয়নের উপাদানগুলির মধ্যে ভিডিও রেকর্ড করা বক্তৃতা, ওপেন সোর্স সফ্টওয়্যার এবং ব্যবহারিক বিক্ষোভ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
সমস্ত অধ্যয়নের উপাদান ই-ক্লাস প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে উপলব্ধ করা হবে।
লাইভ ওয়ার্কশপগুলি আইআইআরএসের ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে পরিচালিত হবে।
কোর্সে মাটি ও জল সংরক্ষণের আগ্রহের সঙ্গে শিক্ষার্থী এবং পেশাদার উভয়ই অংশ নিতে পারে।
আপনি যদি কোনও লাইভ প্রোগ্রাম মিস করেন তবে ,একটি রেকর্ড করা সংস্করণ ই-ক্লাস প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করা যাবে। পাঠ্যক্রমের জন্য 70% উপস্থিতিযুক্ত প্রার্থীদের একটি শংসাপত্র প্রদান করা হবে।

কীভাবে আবেদন করতে হবে?
পদক্ষেপ 1: আইআইআরএস ওয়েবসাইটটি দেখুন।
পদক্ষেপ 2: জলাশয় পরিচালনার জন্য জিওপ্যাটিয়াল মডেলিংয়ের নিবন্ধকরণ ফর্মটি অ্যাক্সেস করুন।
পদক্ষেপ 3: প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করুন এবং নিজেকে নিবন্ধিত করুন।
প্রোগ্রামের জন্য সীমিত আসন রয়েছে এবং প্রার্থীরা প্রথম-প্রথম-আসার ভিত্তিতে ভর্তি হবে।

হাইড্রোলজিকাল মডেলিংয়ের জন্য জিওপ্যাসিটাল প্রযুক্তি
কোর্সের তারিখ: 19 জুলাই 2021 – 30 জুলাই 2021

জ্ঞাতব্য বিষয়গুলি হল,
এই কোর্সে বিভিন্ন উপগ্রহ-ভিত্তিক হাইড্রোলজিকাল পরামিতিগুলির সংক্ষিপ্ত বিবরণ এবং উত্সসমূহ, জলবিদ্যুৎ মডেলগুলির ভূ-তাত্ত্বিক তথ্যের সংহতকরণ, এবং বহুল ব্যবহৃত জলবিদ্যুৎ মডেলগুলির ব্যবহারিক প্রয়োগের বিষয়ে বিস্তারিত বক্তৃতাগুলি রয়েছে covers৷ এই কোর্সটি পেশাদারদের, শিক্ষার্থীদের এবং জলসম্পদ পরিচালনায় নিযুক্ত গবেষকদের জন্য তৈরি করা হয়েছে।
এই কোর্সের জন্য অধ্যয়নের উপাদানগুলির মধ্যে ভিডিও-রেকর্ড করা বক্তৃতা, ওপেন-সোর্স সফ্টওয়্যার এবং ব্যবহারিক বিক্ষোভ রয়েছে যা ই-ক্লাস প্ল্যাটফর্ম এবং আইআইআরএসের ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করা যায়।
আপনি যদি কোনও লাইভ প্রোগ্রাম মিস করেন তবে একটি রেকর্ড করা সংস্করণ ই-ক্লাস প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে অ্যাক্সেস করা যায়।
পাঠ্যক্রমের জন্য 70% উপস্থিতিযুক্ত প্রার্থীদের একটি শংসাপত্র প্রদান করা হবে।

কিভাবে আবেদন করতে হবে?
পদক্ষেপ 1: আইআইআরএস পৃষ্ঠাটি দেখুন
পদক্ষেপ 2: হাইড্রোলজিকাল মডেলিংয়ের জন্য জিওপ্যাটিয়াল প্রযুক্তির নিবন্ধকরণ ফর্মটি অ্যাক্সেস করুন
পদক্ষেপ 3: প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করুন এবং নিবন্ধ করুন।

প্রার্থীরা আগে এলে আগে সু়যোগ পাবেন ভিত্তিতে ভর্তি নেওয়া হবে।

ভারতীয় চলচ্চিত্র জগতের বড় ক্ষতি, দিলীপ কুমারের মৃত্যুতে শোকস্তব্ধ বি-টাউন

Dilip Kumar

বুধবার সকালেই নেমে আসে শোকের ছায়া। প্রয়াত বলিউডের সুপারস্টার, কিংবদন্তি অভিনেতা দিলীপ কুমার। কয়েকদিন আগেই শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিয়ে তিনি হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন। লড়াই করেছিলেন মৃত্যুর সঙ্গে। গত কয়েকবছরে বেশ কয়েকবার অসুস্থ হয়ে পড়েন প্রবীণ অভিনেতা দিলীপ কুমার। তবে চিকিৎসায় সাড়া দিচ্ছিলেন তিনি।

ডাক্তার ও হাসপাতালের পক্ষ থেকে জানানো হয়, কয়েকদিনের মধ্যে দিলীপ কুমারকে ছেড়ে দেওয়া হবে। তিনি ভালো আছেন। কিন্তু শেষ রক্ষা হল না। সব চেষ্টা ব্যর্থ করে মৃত্যুর কোলে ঢোলে পড়লেন প্রবীন সুপারস্টার।

dilip kumar

মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ৯৮ বছর। খবর ছড়িয়ে পড়া মাত্রই শোকের ছায়া নেমে আসে গোটা দেশ জুড়ে।
প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সিনেদুনিয়ায় বলিউড থেকে টলিউড, সকলেই একযোগে শোকবার্তা শেয়ার করে সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায়। পরিবারের তরফ থেকেও জারি করা হয়েছে স্টেটমেন্ট। দিলীপ কুমারের প্রোফাইল থেকে হওয়া শেষ টুইট।

রূপ থেকে স্বাস্থ্য, অ্যালোভেরার ম্যাজিকে পার্ফেক্ট ফ্রেম

aloe vera

রূপচর্চায় বা ত্বকের যত্ন নিতে অ্যালোভেরার জুরি মেলা ভার। রূপচর্চায় জাদুকাঠি। জেনে নিন অ্যালোভেরার গুণাগুণ। স্কিনের ছোটো-বড় যেকোনো ক্ষত সারিয়ে ফেলতে ব্যবহার করুন অ্যালোভেরা জেল।

জেনে নিন অ্যালোভেরার গুণাগুণ-

  • অ্যালোভেরা জেল পাওয়া যায় এই গাছের পাতা থেকে। গাছের পাতা কেটে ভিতরের জেল মুখে মাখুন। এতে আপনার ত্বক হবে মসৃণ ও উজ্জ্বল।
  • অ্যালোভেরা জেল অ্যান্টিঅক্সিডেন্টযুক্ত যা ত্বককে সতেজ রাখে।
  • অ্যান্টিসেপটিক, অ্যান্টিভাইরাল এই বৈশিষ্ঠ্যগুলি থাকায় রোদ, ধুলো, দূষণে ক্ষতিগ্রস্ত স্কিন সারিয়ে তুলতে সাহায্য করে।
  • কাটা দাগ, ক্ষতচিহ্ন, ব্রণর দাগ কমিয়ে আপনাকে দেয় উজ্জ্বল ত্বক।
  • রোদে পুরে যাওয়া চামড়া, চর্ম রোগ সারাতে অধিকাংশ ডাক্তার অ্যালোভেরা জেল লাগানোর পরামর্শ দেন।
  • আগুনে পুরে যাওয়া ক্ষতের দাগ কমিয়ে আপনার যন্ত্রণা উপশম করে।
  • বেশিক্ষণ রোদে থাকার ফলে ত্বকে জ্বালার অনুভূতি হয়। মুখ ভালো করে ধুয়ে অ্যালোভেরা জেল লাগিয়ে নিন। জ্বালার অনুভূতি আর হবে না।
  • দাঁতের সমস্যা, দাঁত হলদে হয়ে গেলে অ্যালোভেরা জুস দিয়ে মুখ ধুন। মাত্র ৪ দিনের ব্যবহারে আপনার দাঁতের সমস্যা নিরাময় হয়ে যাবে।
  • অ্যালোভেরা রুক্ষ ত্বক হাইড্রেট ও ময়েশ্চারাইজ করে।

অজয় নয়, রেইন কোর্ট নিয়ে এবার হাজির কাজল

kajol

অজয় দেবগণ ও ঐশ্বর্য্য রাই অভিনীত ছবি রেইন কোর্ট। এক কথায় বলতে গেলে এই ছবি ঝড় তুলেছিল সিনে দুনিয়ায়। তবে এবার অজয় নয়, কাজলের হাতে রেইন কোর্ট। না, কোনও ছবির কথা হচ্ছে না এবার। সত্যিই রেইন কোর্ট নিয়ে হাজির এবার কাজল। বর্তমানে যা পরিস্থিতি তাতে কর্পোরেশনের কর্মীদের দিন রাত্রী খেটে কাজ করতে হচ্ছে।

বর্ষার বৃষ্টি হোক, বা হাড় কাঁপুনি শীত, এক কথায় বলতে গেলে যে পরিস্থিতি দিয়ে যাচ্ছে এখন সমাজ তাতে সবসময় তৎপর থাকতে হচ্ছে সকলকে। রাস্তায় নেমে কর্মীদের কাজে নেই বিরাম-বিশ্রাম। তাই এবার ১০০ কর্মীর হাতে কাজল তুলে দিলেন রেইন কোর্ট।

kajol

মুম্বইয়ের বিএমসি কর্মীদের পাশে কাজল। এই খবর ছড়িয়ে পড়া মাত্রই তা সকলের নজরে আসে। ঝড়ের বেগে ভাইরাল হয় সংবাদ। গত দেড় বছরে তারকাদের নানা ভাবে সাধারণ মানুষ তথা সরকারের পাশে দাঁড়িয়েছে। কোথাও অর্থ সাহায্য, কেউ আবার নিজে মাঠে নেমে সাহায্য করেছে করোনা পরিস্থিতি। অজয় দেবগণও করোনা পরিস্থিতি সামাল দিতে অর্থ সাহায্য করেছিলেন, যা দিয়ে তৈরি করা হয়েছিল কোভিড হাসপাতালও।

এর ছবি কে দেখবে, রণবীরের প্রথম পোস্টার দেখে করণের ব্যঙ্গ

ranveer singh

নেপোটিজম নিয়ে একাধিকবার বিতর্কের তুঙ্গে উঠে এসেছে করণ জোহারের নাম। একের পর এক সেলেবকে তোপ দাগা তাঁর এক কথায় অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে বলাই চলে, কফি উইফ করণ নিয়ে এমনই জল্পনা নেট মহলে। বহু সেলেব এই তীব্র সমালোচনা করে জানিয়েছিলেন, সেখানে কেবলই বিভিন্ন সেলেবদের হাঁড়ির খবর নিয়ে গসিপ করা হয়।

যদিও তা মানতে নারাজ করণ। তিনি সাফ কথা বলতে কখনও পিছু পা হন না। ভালো মানে ভালো, করণের না পোশালেই সে খারাপ। এটাই সম্পর্কের ভিত। মানুষকে এক ঝলক দেখেই করণ মন্তব্য করে বসেন। যদিও বেশ কিছু ক্ষেত্রে তাঁকে পস্তাতেই দেখা গিয়েছে।

karan

করণ জোহার প্রতিটা মুহূর্তে সেলেব স্টার কিডদের লঞ্চ করে চলেছেন। তবে ইন্ডাস্ট্রির বাইরে থেকে আসা মানুষদের কতটা সুযোগ দিয়ে থাকেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কঙ্গনা রানাওয়াতও। তবে এবার করণের হার চোখের সামনে। তাঁর আমাগী ছবিতে অভিনয় করতে চলেছেন রণবীর সিং। বিপরীতে আলিয়া ভাট। এক সময় এই রণবীরই ব্যান্ড বাজা বারাতের পোস্টার দেখে বলেছিলেন, কে দেখবে এই ছবি! আর আজ সেই স্টারের সঙ্গে বাঁধলেন জুটি।

শারীরিক চাহিদা মেটাতে সম্পর্ক, রণবীরকে তীব্র আক্রমণ দীপিকার

deepika

রণবীর কাপুর, জীবনে যার একাধিক নায়িকার আনাাগোনা। একের পর এক সেলেবদের মন ভেঙেছেন কেবলই প্রেম প্রেম খেলা খেলে। তা দিয়ে আর যাই হোক, অন্তত ভালোবাসা যায় না। আর সেই সহজ বিষয়টাই বুঝতে বেশ কিছুটা সময় লেগে গিয়েছিল বলিউল ডিভা দীপিকা পাদুকরের। আর তাই দু-দুবার একি ভুল করে বসেছিলেন তিনি। 

মন দিয়েছিলেন কাপুরপুত্র রণবীরকে। ভালোবাসার সম্পর্কে ছিল সবকিছুই। সঙ্গমে মত্ত এই কপিলের সময় কাটছিল বেশ ভালো। তবে কবে যেন সবটা শেষে হয়ে যেতে বসে, আঁচও পাননি দীপিকা। মন ভাঙল, সম্পর্ক ভাঙায় অবসাদও গ্রাস করল, তখন রণবীরের জীবনে নতুনদের আনা গোনা। এরই মাঝে আবারও ফিরল পুরাতন স্বাদ। 

deepika

আবারও দীপিকার কাছে ফিরতে চেয়ে আবেদন রণবীরের। তবে এবার কারণটা ছিল শুরুই শারীরিক সম্পর্ক। বিশ্বাস করে ঠকতে হয়েছিল। এক সাক্ষাৎকারে ব্রেকআপ নিয়ে স্পষ্ট এমনটাই জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন রণবীরের এই বারে বারে ফিরে আসাটা ছিল শুধুই যৌন আকর্ষণ। ভালো সে কোনও দিনই বাসেনি। চোখে জল নিয়ে অনঢ়গল কথাগুলো বলেছিলেন দীপিকা। যদিওও এখন তা অতীত। রণবীরের সঙ্গে এখন সম্পর্ক ভালোই। তবুও বিরহের সেই দিন আজও ফিরে ফিরে আসে দীপিকার স্মৃতিতে। টিনি একাই নন, ক্যাটরিনার ক্ষেত্রেও রণবীরের এই একই প্রতিক্রিয়া ছিল। 

পুরাণ কথা: জগন্নাথ ও রথযাত্রার ইতিহাস

প্রথম পর্ব: আগামী সোমবার, ২৭ আষাঢ় অর্থাৎ ইংরাজির ১২ জুলাই শুভ রথযাত্রা৷ তার আগে রথযাত্রা নিয়ে ধারাবাহিক লিখছেন  টিঙ্কু মণ্ডল৷

কথায় আছে, ‘বাঙালির বারো মাসে তেরো পার্বন’! আর সেই তেরো পার্বনের একটি হল রথযাত্রা৷ এই রথযাত্রার উদ্ভব পুরীর জগন্নাথ মন্দির থেকে৷ আজ আমরা জানবো জগন্নাথ মন্দিরের সেই কাহিনী৷ তবে তার আগে আমাদের জানতে হবে জগন্নাথ মন্দিরের ইতিহাস৷ কীভাবে তৈরি হয়েছিল জগন্নাথ মন্দির? কী-ইবা তার উৎস্য? সেই মূর্তির রহস্যই বা কী?

এই কাহিনীর উৎস্য দ্বাপর যুগের ভগবান শ্রীকৃষ্ণের মৃত্যুর পর থেকে৷ কৃষ্ণের মৃত্যুর পর যখন অর্জুন দ্বারকাতে আসেন তখন যদু বংশের শেষ হয়েছে৷ অর্জুন কৃষ্ণের দাহ সৎকারের কাজ করার পর দেখেন, দেহ তো সম্পূর্ণরূপে ভষ্মীভুত হয়ে গিয়েছে কিন্তু তাঁর হৃদপিন্ড তখনও নীলরূপে জ্বলছে৷ আর তখন অর্জুন সেই জ্বলন্ত হৃদপিন্ড জলে ভাসিয়ে দ্বারকার শিশু ও মহিলাদের নিয়ে হস্তিনাপুরে চলে যান৷ ভগবান শ্রীকৃষ্ণের জ্বলন্ত হৃদপিন্ড সাগরের নিচে গিয়ে লোহার রডে পরিণত হয়ে যায়৷

অন্যদিকে ভগবান বিষ্ণুর পরম ভক্ত মহারাজ ইন্দ্রদ্যুম্ন স্বপ্নাদেশ পান, নীলমাধব রূপে তাঁর কাছে আসতে চান৷ তারপর তিনি পাগলের মতো চতুর্দিকে শ্রীবিষ্ণুর নীলমাধব মূর্তির সন্ধান করতে থাকেন৷ অবশেষে একদিন সমুদ্রের তীরে তিনি শ্রীবিষ্ণুর নীলমাধব মূর্তি দেখতে পান৷ সেখানেই নীলমাধবের মন্দির স্থাপন করেন৷ এরপর একদিন সমুদ্রের জলে স্নান করার সময় তিনি দেখেন, একটি নরম লোহার টুকরো ভেসে যাচ্ছে৷ তিনি লোহার টুকরোটি হাতে নিতেই এক দৈব্যবাণী শুনতে পান৷ তিনি শোনেন, এই নরম লোহার টুকরোটি ভগবান শ্রীকৃষ্ণের হৃদয় এবং এটি পৃথিবীতে বরাবরের জন্য থাকবে৷ এই টুকরোটি যেন জগন্নাথ দেবের মূর্তির মধ্যেই স্থাপন করা হয়৷ আর এমনভাবে এটি করতে হবে, যাতে তা কোনওদিন কারোর নজরে না-আসে৷

রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন সেই টুকরোটি নিয়ে নীলমাধব মূর্তির মধ্যে রাখেন৷ কিন্তু এরপর থেকে তাঁর চিন্তা আরও বাড়তে থাকে এইভেবে যে, কীভাবে জগন্নাথের মূর্তি তৈরি হবে? এরপর তিনি আবারও একদিন স্বপ্নাদেশ পান যে, সমুদ্রে ভেসে আসা কাঠ দিয়েই জগন্নাথ দেবের মূর্তি তৈরি করতে হবে৷ পরের দিন তিনি দেখেন, সমুদ্রে তিনটি কাঠ ভেসে আসছে৷ তিনি সেই কাঠগুলি সংগ্রহ করেন৷ কিন্তু তাতেও তাঁর চিন্তা দূর হয় না৷ কারণ তিনি ভাবেন, যেকোনও মূর্তি সাধারণত ধাতু এবং কষ্ঠিপাথর দিয়ে তৈরি হয়৷ কাঠ দিয়ে তখনও কোনও দেব-দেবীর মূর্তি তৈরি হয়নি৷ তাহলে তিনি কীভাবে সেই মূর্তি বানাবেন? এমন সময় হঠাৎ করেই এক ব্রাহ্মণ সেখানে উপস্থিত হন৷ তিনি নিজেই কাঠ দিয়ে মূর্তি বানানোর দায়িত্ব রাজার কাছে চেয়ে নেন৷ শুধু একটাই শর্ত তিনি রাজাকে দেন যে, যতদিন তিনি এই মূর্তি বানানোর কাজ করবেন, ততদিন ঘরের দরজা বন্ধ থাকবে৷ কেউ যেন তাঁর ঘরের দরজা না-খোলে৷ যদি দরজা খোলা হয়, তাহলে মূর্তি বানানোর কাজ অসম্পূর্ণ থেকে যাবে৷

ব্রাহ্মণের শর্তে রাজি হয়ে যান রাজা ইন্দ্রদ্যুম্ন৷ ফলে মূর্তি বানানোর কাজ শুরু হয়৷ রাজা প্রতিদিন মূর্তি বানানোর ঘরের কাছে দাঁড়াতেন এবং বাইরে থেকে আওয়াজ শুনতে পেতেন৷ এইভাবে সাতদিন কেটে যাওয়ার পর রাজা একদিন বাইরে দাঁড়িয়ে থাকাকালীন মূর্তি তৈরির আওয়াজ বন্ধ হয়ে যায়৷ ধৈর্য সামলাতে না-পেরে সেই বন্ধ ঘরের দরজা খুলে ভেরতে ঢুকে পড়েন রানি তপসিয়া৷ তখনই তিনি দেখেন যে, সেখানে কাঠমিস্ত্রী নেই এবং মূর্তি নির্মাণের কাজও সম্পন্ন হয়নি৷ মূর্তির হাত গড়ার কাজ তখনও বাকি রয়েছে৷ এতে রাজার চিন্তা আরও বেড়ে যায়৷ তিনি ভাবতে থাকেন, এই অসম্পূর্ণ মূর্তি কীভাবে সম্পন্ন হবে? আর সম্পূর্ণ না-হলে তা পুজো হবে কীভাবে? ঠিক তখনই নারদ মুনির আবির্ভাব হয়৷ তিনি রাজাকে জানান যে, এই রকমই এক অর্ধসমাপ্ত মূর্তি স্বর্গের স্বীকৃতিস্বরূপ৷ তাই সেই মূর্তির পুজো করলে তা মর্ত্যেও স্বীকৃতি পাবে৷ নারদের কথা শুনে রাজা তখন সেই অর্ধসমাপ্ত মূর্তির পুজো শুরু করেন৷ সেই সঙ্গে সমুদ্রে ভেসে আসা নরম লোহার টুকরোটি জগন্নাথ মূর্তির মধ্যে প্রতিষ্ঠা করেন৷ এমনভাবে স্থাপন করেন, যা আজ পর্যন্ত সকলের দৃষ্টির আড়ালে রয়েছে৷

আজও বারো বছর পর পর সমুদ্রে তিনটি কাঠ ভেসে আসে৷ সেই কাঠ দিয়ে একটি জগন্নাথ দেব, একটি বলরাম এবং আর একটি দিয়ে সুভদ্রার মূর্তি তৈরি করা হয়, যা ‘নবকলেবর’ নামে পরিচিত৷ এই নবকলেবরের নিয়মানুযায়ী আজও যে পণ্ডিত স্বপ্নাদেশ পান, সেই পন্ডিতই সমুদ্রে ভেসে আসা কাঠ সংগ্রহ করেন৷ আর সেই পন্ডিতই দায়িত্ব নিয়ে নবেকলেবর তৈরি করেন৷ কোথা থেকে কাঠ ভেসে আসে, আজও তা সবার অজানা৷ শুধু এটুকু জানা যায় যে, যে কাঠগুলি ভেসে আসে তা শুধুমাত্র সেই গাছেরই হবে যেখানে শঙ্খ, চক্র, গদা ও পদ্ম চিহ্নিত থাকবে৷ কিন্তু তা কোথায়, কোন গাছ তার কোনও ঠিকানা মেলেনি৷

আজ আমরা ‘রথযাত্রা’র-প্রথম পর্বে জানলাম জগন্নাথ মন্দির ও জগন্নাথ দেবের মূর্তির আবির্ভাবের কথা৷ পরের অর্থাৎ দ্বিতীয় পর্বে আমরা জানবো রথযাত্রা কী এবং কেন তা পালন করা হয়৷

বর্ষায় মাঝে মধ্যেই কাশির সমস্যা, ওষুধ ছাড়াই সারিয়ে তুলুন

cough

সাধারণ ফ্লু, সর্দি–জ্বর, বায়ুদূষণ, অ্যালার্জি, অ্যাজমার কারণে অনেক সময় আমাদের গলা খুসখুস করে, কাশি হয়। আবার করোনাভাইরাসের সংক্রমণের ক্ষেত্রে দেখা যাচ্ছে, সেরে ওঠার পরও দুই–তিন সপ্তাহ পর্যন্ত কাশি রয়ে যাচ্ছে। অনেক ক্ষেত্রে শুষ্ক আবহাওয়া ও ধূমপানের কারণেও কাশি হয়। কিছু খাদ্যাভ্যাস এ ক্ষেত্রে কাজে আসতে পারে। মাঝে মধ্যেই খুসখুসে কাশি হচ্ছে, ঘরোয়া উপায় কীভাবে সারাবেন। 

মধু: এক গ্লাস কুসুম গরম পানিতে ২ টেবিল চামচ মধু, অর্ধেকটা লেবুর রস আর সামান্য আদার রসের মিশ্রণ প্রতিদিন এক–দুবার খেতে হবে। এ মিশ্রণ কফ ও গলাব্যথা উপশমে সহায়তা করে।

বাসক পাতা: ঘুম থেকে উঠে বা প্রতিদিন সন্ধ্যায় বাসক পাতার রস খেলে বেশ উপকার পাওয়া যাবে।

তুলসী পাতা: তুলসী পাতা থেঁতো করে এতে কয়েক ফোঁটা মধু মিশিয়ে প্রতিদিন দু–তিনবার খেলে কাশি ভালো হয়।

আদা: আদা ছোট টুকরো করে তার সঙ্গে নুন মিশিয়ে কিছুক্ষণ পরপর খেতে পারেন। এ পদ্ধতি কাশি দূর করতে বেশ কার্যকরী।

লবঙ্গ: লবঙ্গের রস গলায় আরাম দেয়, জীবাণু দূর করে। তাই কাশি থেকেও মেলে রেহাই। 

 

রোনাল্ডোকে ছাপিয়ে নতুন রেকর্ড মেসি’র

Sports News

রিও ডি জেনেইরো: আর্জেন্তিনা তথা জাতীয় দলের জার্সি গায়ে প্রখম খেতাব জয়ে মরিয়া লিওনেল মেসি৷ ক্লাব ফুটবলের ‘বেতাজ বাদশা’ এখনও দেশকে কোনও বড় ট্রফি দিতে পারেননি৷ এবারের কোপা আমেরিকায় ‘বদনাম’ ঘোচানোর দারুণ সুযোগ৷ ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে কোয়ার্টার ফাইনালে অপ্রতিরোধ্য ফর্মে ছিলেন ‘ফুটবলের রাজপুত্র’। ফ্রি-কিক থেকে দুরন্ত গোলের পাশাপাশি দলের অপর দু’টি গোলেও অবদান ছিল মেসির৷ ক্যাপ্টেনের দুরন্ত পারফরম্যান্সে ইকুয়েডরকে ৩-০ হারিয়ে কোপার সেমিফাইনালে উঠেছে আর্জেন্তিনা৷

মেসির বিরুদ্ধে বড় অভিযোগ, আর্জেন্তিনা হয়ে বড় টুর্নামেন্টের নক-আউট পর্বে জ্বলে উঠতে পারেন না তিনি! কিন্তু ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে কোপার কোয়ার্টার ফাইনালে গোল করে ও করিয়ে তা ভুল প্রমাণ করলেন মেসি৷ রদ্রিগো দি পল এবং লাউতারো মার্তিনেসরের গোলে অ্যাসিস্ট করার পাশাপাশি ম্যাচের অতিরিক্ত সময়ে দুর্দান্ত ফ্রি-কিকে গোল করে সমর্থকদের মন কেড়েছেন আর্জেন্তাইন অধিনায়ক৷

আর্জেন্তিনাকে এখনও ট্রফি জেতাতে পারেননি সত্যি। তবে দিয়েগো মারাদোনার পর মেসির ওপরই বেশি ভরসা করেছেন আর্জেন্তাইন সমর্থকরা৷ বিশ্বকাপ কিংবা কোপা আমেরিকার বড় মঞ্চে মেসি আর্জেন্তিনার হয়ে কিছু করতে পারেন না, এটা মেনে নেওয়া কঠিন৷ প্রশ্নটা অবান্তর মনে হবে, রেকর্ডে চোখ বোলালে। বিশ্বকাপ আর মহাদেশীয় চ্যাম্পিয়নশিপ৷ দুই বড় আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে এখন সবচেয়ে বেশি গোলে অবদানের রেকর্ড মেসির দখলে। ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে গোল করে ও করিয়ে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনাল্ডো নাজারিওকে টপকে গিয়েছেন মেসি।

এখন পর্যন্ত চারটি বিশ্বকাপ খেললেও নক-আউট পর্বে ৮ ম্যাচে মাঠে নেমেও কোনও গোল করতে পারেননি মেসি৷ গোল করিয়েছেন শুধু তিনটি। আর এবারের কোপা আমেরিকার কোয়ার্টার ফাইনালে ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে ফ্রি-কিক থেকে চোখধাঁধানো গোল করার পাশাপাশি, দলের বাকি দুই গোলও সহায়তা করেছেন তিনি৷ ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে ম্যাচে নামার আগে ব্রাজিলিয়ান কিংবদন্তি রোনাল্ডোর সঙ্গে বড় টুর্নামেন্টের নক-আউট পর্বে গোলে অবদানের রেকর্ডের শীর্ষস্থানে ভাগ বসিয়েছিলেন মেসি। দু’জনেরই গোলে অবদান ছিল ১৭টি। আর ইকুয়েড-আর্জেন্তিনা ম্যাচের পর নক-আউট পর্বে মেসির গোলে অবদান ২০টি৷ যার মধ্যে তিনি গোল করেছেন ৫টি ও করিয়েছেন ১৫টি। রোনাল্ডো নাজারিও-র ১৭ গোলে অবদানের মধ্যে গোল করেছেন ১৩টি ও করিয়েছেন ৪টি।

এছাড়াও ব্রাজিলের সর্বকালের অন্যতম সেরা ফুটবলার রোনাল্ডোকে ছাপিয়ে গিয়েছেন মেসি। ইকুয়েডরের বিরুদ্ধে নিজে গোল করে ও সতীর্থদের দিয়ে গোল করিয়ে প্রতিযোগিতামূলক টুর্নামেন্টে সর্বাধিক গোলে অবদান রাখা ‘দ্যা ফেনোমেনন’ খ্যাত ব্রাজিলিয়ান রোনাল্ডোর ৪০ গোলের রেকর্ডে টপকে গিয়েছেন ছ’বারের বর্ষসেরা এই ফুটবলার। এতদিন বিশ্বকাপ, কোপা আমেরিকা ও ফিফা কনফাডেরশন্স কাপ মিলিয়ে এতদিন ৩৭ ম্যাচে ৪০ গোল করে এই তালিকায় শীর্ষে ছিলেন রোনাল্ডো৷ দু’টি বিশ্বকাপে গোল্ডেন বল ও গোল্ডেন বুট জয়ী ইতিহাসের অন্যতম সেরা এই স্ট্রাইকার বিশ্বকাপে ১৯ ম্যাচে ১৫ গোল করার পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে আরও ৫টি গোল করেছেন। এছাড়াও লাতিন আমেরিকার শ্রেষ্ঠত্বের আসর কোপা আমেরিকায় ১০টি গোল করার পাশাপাশি অ্যাসিস্ট করেছেন ৪টি। কনফাডেরশন্স কাপে অর্থাৎ বিশ্বকাপের প্রস্তুতিমূলক টুর্নামেন্টে ৫ ম্যাচে ৪টি গোল করে ও সতীর্থদের দিয়ে ২টি গোল করিয়েছেন।

আর ইকুয়েডর ম্যাচের পর মেসি বড় টুর্নামেন্টে ৫১ ম্যাচে ৪২ গোলে অবদান রাখলেন। আর্জেন্তিনার হয়ে ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ ও কোপা আমেরিকায় ১৯ গোলের পাশাপাশি সতীর্থদের দিয়ে ২৩টি গোল করিয়েছেন। আকাশী নীল জার্সি গায়ে বিশ্বকাপে ১৯ ম্যাচে ৬টি গোলের পাশাপাশি ৭টি গোলে অ্যাসিস্ট করেছেন৷ কোপা আমেরিকায় ৩২ ম্যাচে ১৩ গোলের পাশাপাশি আরও ১৬ গোলেও সহায়তা করেছেন আর্জেন্তাইন তারকা ফুটবলার৷

চাকরির খবর- চলতি বছরে অয়েল ইন্ডিয়াতে ১২০ টি পদে নিয়োগ

job

আপনি যদি চাকরির খোঁজ করেন তাহলে আপনার জন্য সুখবর। অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেড (OIL) সম্প্রতি তাদের নিয়োগ সংক্রান্ত এক বিজ্ঞপ্তি পেশ করেছেন। প্রায় ১২০ টি পদে নিয়োগ করা হবে। ইচ্ছুক প্রার্থীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।

১) শূন্যপদ-

অয়েল ইন্ডিয়া লিমিটেডের পক্ষথেকে জানানো হয়, সর্বমোট ১২০ টি শূন্যপদে জুনিয়র অ্যাসিস্ট্যান্ট নিয়োগ করা হবে।

২) আবেদনের সময়সীমা

অনলাইনে আবেদন জমা দেওয়ার প্রক্রিয়া ১ জুলাই ২০২১ থেকে শুরু হয়েছে। ১৫ অগস্ট ২০২১ আবেদন জমা দেওয়ার শেষ দিন।

৩) আবেদনের সর্বোচ্চ বয়স

সাধারণ প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়স হতে হবে ১৮-৩০ বছরের মধ্যে। OBC প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়স হতে হবে ১৮-৩৩ বছর। SC/ST প্রার্থীদের ক্ষেত্রে বয়স হতে হবে ১৮- ৩৫ বছর।

৪) আবেদনের ফি

অসংরক্ষিত এবং OBC প্রার্থীদের ২০০ টাকা দিয়ে হবে। অন্যদিকে SC/ST/EWS প্রাক্তন সার্ভিসম্যানদের ক্ষেত্রে কোনও রকম ফি লাগবে না।

৫) আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা

১. ৪০ শতাংশ নম্বর নিয়ে পাশ করলেই হবে, গ্র্যাজুয়েট হতে হবে প্রার্থীকে। 
২. কম্পিউটার অ্যাপ্লিকেশন নিয়ে ৬ মাসের কোনও কোর্স করা বাধ্যতামূলক।
৩. MS Word, MS Excel, MS PowerPoint- জানতে হতে হবে।

৬) কোথায় আবেদন করবেন

অয়েল ইন্দিয়া লিমিটেডর অফিসিয়াল ওয়েবসাইটে যান- http://www.oilindia.com .