বলিউডের খিলাড়ি অক্ষয় কুমারের না জানা কিছু ইতিহাস, জানলে আপনিও অবাক হবেন

akshay kumar

খিলাড়ি, খিলাড়ি বটে। বলিউডের প্রথম সারির সুপারস্টারদের মধ্যে তিনি অন্যতম। কখনও রোম্যান্টিক হিরো, কখনও অ্যাকশান আবার কখনো কমেডি সব অবতারেই দর্শকদেরকে মাতিয়ে রেখেছেন তিনি। অক্ষয় তাঁর ৩০ বছরের বলিউড সফরে একশোরও বেশি সিনেমায় কাজ করেছেন। তবে সুপারস্টার হয়ে ওঠার পিছনে ছিল অনেক বড় সংগ্রাম। অক্ষয় সিনেমায় কাজ করার আগে এমন অনেক কাজ করেছেন যা শুনলে আপনারা অবাক হবেন।

akshay kumar

চলুন জেনে নেওয়া যাক খিলাড়ি অক্ষয়ের জীবনের অজানা কিছু ইতিহাস।

১) অনেকেই হয়তো জানেন না অক্ষয় কুমারের আসল নাম রাজিব হারিওম ভাটিয়ার। তবে ইন্ডাস্ট্রিতে কাজ করতে আসার আগে তিনি নাম বদলে অক্ষয় কুমার করুন।

২) অক্ষয় তাঁর পোর্ট ফলিও বানানোর জন্য নাম করা ফটোগ্রাফার জায়েত সেতের কাছে যান। তবে তাঁর কাছে পোর্ট ফলিও বানানোর মতো টাকা ছিল না। তাই অক্ষয় সেই ফটোগ্রাফারের সঙ্গে প্রায় দের বছর বিনা পারিশ্রমিকে কাজ করেন এবং তাঁর পর নিজের পোর্ট ফলিও বানান।

৩) সবাই জানেন যে অক্ষয়ের প্রথম সিনেমা সগাদ। তবে এর আগে মহেস ভাটের আজ সিনেমাতে অক্ষয় ১০ সেকেন্ডের একটি চরিত্রে অভিনয় করেন।

৪) ১৯৯৪ সালে অক্ষয়ের ১১ টি সিনেমা রিলিজ করে। যা রেকর্ড তৈরি করে। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই ছিল বাস্তব। তবে ওই ১১ টি সিনেমার মধ্যে ৯ টি সিনেমাই ফ্লপ হয়।

৫) অভিনয় কেরিয়ারে একাধিক সিনেমা ফ্লপ হওয়ার কারণে ২০১১ সালে অক্ষয় ঠিক করেন অভিনয় ছেড়ে দিয়ে তিনি কানাডায় চলে যাবেন। যার জন্য অক্ষয় কানাডার নাগরিকত্বও নিয়েছিলেন।

৬) অক্ষয় তাঁর স্কুলের লেখাপড়া শেষ করে, মার্শালআর্ট শেখার জন্য থাইল্যান্ড যান। সেখানে নিজের হাত খরচ চালানোর জন্য তিনি একটি রেস্টুরেন্টে কাজ করতেন।

৭) একটা সময় অক্ষয় বাংলাদেশের একটি রেস্টুরেন্টে রান্নার কাজও করতেন। থাইল্যান্ডে থাকা কালীন তিনি যে রেস্টুরেন্টে কাজ করতেন সেখান থেকেই অক্ষয় রান্না শেখেন।

৮) অক্ষয়কে তাঁর একজন মার্শালআর্ট স্টুডেন্টের বাবা প্রথম একটি ফার্নিচারের বিজ্ঞাপনে মডেলিং-এর সুযোগ করে দেন। সেই বিজ্ঞাপন থেকে অক্ষয় ৫০০০ টাকা পারিশ্রমিক পান।

হবু জামাইয়ের চরিত্রে দাগ, আকারে ইঙ্গিতে এ কি বললেন আলিয়ার বাবা

ranbir kapoor

মহেশ ভাটের কন্যা আলিয়া, বলিউডে পা রাখার পর থেকেই ভাইরাল। প্রথম থেকেই বেশ রঙিন আলিয়ার বলিউড সফর। একের পর এক হিট ছবি দর্শকদের উপহার দিয়ে এখন তিনি সুপারস্টার। বলিউডে প্রথম থেকেই তাঁর প্রিয় ছিলেন রণবীর কাপুর। একের পর এক ছবি দেখা, আর স্বপ্নের পুরুষ হিসেবে তাঁকেই কল্পনা করা। কিন্তু তা যে একদিন বাস্তব হবে ভাবতে পারেননি আলিয়া।

ঠিক একইভাবে ভাবতে পারেননি মহেশ ভাটও। চার বছর আগে দেওয়া এক সাক্ষাৎকার। সেলেবদের নিয়ে এক বাক্যে কিছু বলতে বলা হলে, মহেশ ভাট রণবীরকে নিয়ে একটাই মন্তব্য করেছিলেন লেডিস ম্যান। এক কথায় বলতে গেলে ক্যাসিনোভা। তখন আলিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক কোথায়! এর কিছু দিনের মধ্যেই আলিয়া ও রণবীরের মধ্যে একটা সম্পর্ক তৈরি হয়।

ranbir kapoor

এরপরই ভাইরাল হয়ে যায় মহেশ ভাটের সেই উক্তি। রণবীর কাপুরের অতীত দেখলে বোঝাই যায় কত মহিলার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল। দীপিকা, ক্যাটরিনা কারুর মন ভাঙতেই তাঁর হাত কাঁপেনি। যদিও আলিয়ার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের সমীকরণ অনেকটাই আলাদা। ফলে এই সম্পর্ক যে বিয়ে পর্যন্ত গড়াবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন শুধু সুখবরের অপেক্ষায় দিনগুণছে ভকক্তমহল।

চমকে উঠল ভক্তমহল, আবার প্রেগনেন্সির খবর দিলেন করিনা!

Kareena

সদ্য দ্বিতীয়বার মা হয়েছেন করিনা কাপুর খান। কেরিয়ার নিয়ে কোনও দিনও কম্প্রোমাইস না করা কাপুর পরিবারের এই কন্যা বলিউডে বরাবরই হিট। অথচ ছক ভেঙে তিনি বিয়ে করেছেন ডিভোর্স সইফকে। পরিবার থেকে না বলে দিয়েছিলেন প্রায় সকলেই। বলা হয়েছিল কেরিয়ার শেষও হয়ে যেতে পারে। কিন্তু তা যে কতটা ভুল প্রমাণ করেছেন তিনি।

এখানেই শেষ নয়, কাজ করতে করতে প্রথম সন্তানের জন্মদেওয়া। সেখানেও বিন্দু মাত্র খামতি রাখেননি করিনা কাপুর। সন্তানের প্রতি নজর দেওয়া, পরিবারের সকলকে নিয়ে থাকা, সবটাই পাকা হাতে সামলেছেন তিনি। এর কিছু দিনের মধ্যেই আবারও দ্বিতীয় সন্তান. তখন রীতিমত কাজ করছেন করিনা কাপুর খান।

Kareena

ফেব্রুয়ারি মাসেই তিনি দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিয়েছেন। এর ছয় মাস কাটতে না কাটতেই আবারও সন্তানের খবর নিয়ে হাজির হলেন বলিউড বেবো। প্রসঙ্গ এবার প্রেগনেন্সি। বিষয়টা হয়, তিনি এবার তাঁর প্রেগনেন্সির জার্নিটা সকলের সামনে তুলে ধরতে চলেছেন, এই প্রেগনেন্সি তৃতীয় সন্তান নয়, এটি করিনার লেখা বই। অন্তঃসত্ত্বা থাকা অবস্থায় ঠিক কী কী পরিস্থিতির সন্মুখীন হয়েছেন তিনি, তারই নানা তথ্য তিনি তুলে ধরেছেন ভক্তদের জন্য। সেই খবরই এখন ভাইরাল নেট পাড়ায়।

প্রতিদিন ২০ টা সিগারেট খেতে বাধ্য হয়েছিলেন শাহিদ, কেন জানেন

shahid kapoor

সেলেব মানেই শরীর নিয়ে সচেতনতা তুঙ্গে। এক কথায় বলতে গেলে হিট ও ফিট বডি ধরে রাখার জন্য সেলেব মহল, যে কোনও মাত্রায় কড়া ডায়েট ফলো করতে প্রস্তুত। পর্দায় তাঁদের উপস্থাপনাতে যেন কোনও খামতি না থাকে, আইক্যুন হিসেবে পরিচিত ফিগার নিয়ে যাতে দীর্ঘদিন ব্যাটিং করতে পারেন, সেই দিকে নজর থাকে সারাক্ষণ।

তবে সেই ছক ভেঙে দিনে ২০ টা সিগারেট খেতেন শাহিদ কাপুর! কেন! এমন কি সখ করেও নয়, একপ্রকার বাধ্য হয়েই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া, এর পেছনে থাকা রহস্যটা কি জানেন! তা হল ছবির শ্যুটিং। কবীর সিং, শাহিদের জীবনে এক বড় অধ্যায়। সেই ছবির শ্যুটিং-এর জন্যই শাহিদকে প্রতিদিন খেতে হত ২০ টা করে সিগারেট। কবীর সিং-এর চরিত্রটাই ছিল এমন, যাঁর ঠোঁটের গোড়ায় প্রতিটা মুহূর্তে ছিল সিগারেট, হাতে ছিল মদ, আর তা ফুঁটিয়ে তুলতেই এই পরিস্থিতি। 

shahid

তখন শাহিদ রীতিমত নিজেকে নিয়ে ছিলেন সতর্ক। তাই বাড়ি ফিরে বাচ্চার কাছে যাওয়ার আগে তিনি টানা ২ ঘন্টা ধরে স্নান করতেন। তবে সেই কষ্ট তাঁর সার্থক। ঝুঁকি যেমন নিয়েছিলেন, তেমনই ঝুঁকি সামলে হয়ে উঠেছিলেন ব্লকবাস্টার সুপারস্টার। ভাগ্য ফিরিয়েছিল এই ছবিই। যা এখনও ভক্তদের মনে তরতাজা। 

এ কী কাণ্ড সলমনের সামনেই ক্যাটকে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন ভিকি

salman khan

প্রেমিকাদের নিয়ে সলমন বরাবরই পজেসিভ। এক সময় ঐশ্বর্য-এর জন্য বিবেক ওবেরয়ের কেরিয়ারে জল ঢেলে দিয়েছিলেন তিনি। এবারে সলমনের সামনেই ক্যাটরিনাকে বিয়ের প্রস্তাব দিলেন ভিকি কৌশল। তবে কী কেরিয়ারের শুরুতেই ভুল করে বসলেন এই অভিনেতা?

বেশ কিছুদিন ধরেই ভিকি এবং ক্যাটরিনার সম্পর্কের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল চারিদিকে। একে অপরের ছবি ও ভিডিও পছন্দ করা, একই রঙের ড্রেস পরে ছবি দেওয়া, এক সঙ্গে সময় কাটানো এ সব কিছুই নেটিজেনদের সন্দেহকে উস্কে দিচ্ছিল। এছাড়াও পরিচালক করণ জোহর তাঁদের দুজনকে নিয়ে সর্বসমক্ষে খুনসুটিও করেছেন। তবে ভিকি বা ক্যাটরিনা কেউই তাঁদের সম্পর্ক নিয়ে মুখ খোলেননি।

সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পুরোনো ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানের সঞ্চালনার দায়িত্বে রয়েছেন ভিকি। সলমনও উপস্থিত ছিলেন সেই অনুষ্ঠানে। এক সময় ক্যাটরিনাকে ভিকি বলে বসেন “তোমার ভিকির মতো কোনও ছেলেকে খুঁজে বিয়ে করে নেওয়া উচিৎ”। ঠিক সেই সময় আলো গিয়ে পড়ে ক্যাটরিনার প্রাক্তন প্রেমিক সলমনের উপর। এখানেই শেষ নয় ভিকি আরও বলেন ‘বিয়ের মরসুম চলছে, তাই ভাবলাম তুমিও বিয়ের কথা ভাবছো’। কথা বলার সময় রীতিমতো লজ্জা পাচ্ছিলেন ভিকি।

এরপর আরও এক ধাপ এগিয়ে ভিকি সলমনের ছবির একটি গান করে বসেন ‘মুঝসে শাদি করোগি’। তবে সলমন বিষয়টি মজার ছলেই নিলেন। প্রথমে হাসছিলেন। তবে ভিকির কণ্ঠে গান শোনার পর আর নিজেকে সামলাতে পারলেন না। পাশে বসে থাকা বোন অর্পিতার কাধে হতাশ হয়ে মাথা রাখলেন। আপনাদের নিশ্চয়ই জানতে ইচ্ছে করছে যে এর পরিপ্রেক্ষিতে ক্যাটরিনা কি বলেছেন? তিনি কেবল ধীরে ধীরে বলেছেন ‘সাহস নেই’। আর ঠিক তখনই সলমন কে দেখা গেলো আবার চনমনে হয়ে সোজা হয়ে বসতে।

দিল্লিতে প্রকাণ্ড বাড়ির মালকিন সোনাম, দাম শুনে চোখ কপালে ভক্তদের

sonam kapoor

সেলেব বাড়ি মানেই তা সুন্দর, সাজানো ও পাশাপাশি দামী হবে। তা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। আর প্রসঙ্গ যখন বিটাউন, তখন তো বলাই বাহুল্য। কত কোটির বাড়িতে কে থাকে, তা নিয়ে নিত্য প্রতিযোগীতা। এ বলে আমায় দেখ, তো আরেকজন বলে আমায় দেখ।

সোনাম কাপুরের জায়গাটাও ঠিক তেমনই। একে অনিল কন্যা, তারপর আহুজা পরিবারের বউ। সম্প্রতি দিল্লির বাংলোতে বেশ কিছুদিন সময় কাটান সোনাম। প্রকান্ড বাড়ির মধ্যে এলাহি ব্যবস্থা রয়েছে ঠিকই তবে বাড়িটির মধ্যে সেলেব্রিটি মার্কা ছাপ একেবারেই নেই। সাধারণভাবেই তৈরি করা হয়েছে বাড়িটি। রঙিন বাড়ির সখ কোনওদিনই ছিল না সোনমের। আনন্দও যেহেতু সোনমের মত ফ্যাশন আইক্যুনের সঙ্গে জড়িত, বাড়িটি রীতিমত ভাবনা চিন্তা করেই তৈরি করেছেন তিনি।

sonam kapoor

গত বছর মার্চ মাসেই লন্ডনের বাড়ি থেকে ফিরেছেন সোনম এবং আনন্দ। তারপর দিল্লির এই বাড়িতে এসে ওঠেন তাঁরা। তাঁদের বেডরুমে উঁচু সাদা রঙের খাট। হোটেলে যে ধরণের উঁচু নরম খাট দেখা যায় তাঁদের বেডরুমের খাটও খানিক তেমনই। দিল্লিতে তিন হাজার স্কোয়্যার ইয়ার্ড জুড়ে আনন্দ তৈরি করা করেছেন বাড়িটি। বাড়িটি তৈরি করার পিছনে খরচার অঙ্ক শুনলে কপালে হাত উঠবে আপনার। ১৭৩ কোটি টাকা লেগেছে বাড়িটি তৈরি করতে। একই প্রপার্টিতে থাকেন আনন্দের মা-বাবা। এই প্রপার্টির মালিকানা এখনও হরিশ আহুজা অর্থাৎ সোনমের শশুড়ের নামে। ২০১৫ সালেই ওম আরোরা নামক এক ব্যক্তির থেকে এই জায়গাটি কিনে নেন হরিশ আহুজা।

বি-টাউনে বিয়ে! এবার পালা কি তবে তাপসী পান্নুর

taapsee

তাপসী পান্নু, বলিউডে বর্তমানে হট ডিভাদের মধ্যে একজন। যাঁর উপস্থিতিতেই এক প্রকার বলা চলে ছবি হিট। নায়ক-নায়িকার তকমা ভেঙে নয়া মোড়কে ছবি সাজিয়ে তোলাতে তিনি উস্তাদ। ছবি একাই টেনে নিয়ে যাওয়ার ক্ষমতা রাখেন তিনি। সেই হট ডিভা এখনও ব্যাচলর। কেন! বিয়ে নিয়ে কি কোনও পরিকল্পনা নেই তাপসীর! পরিবারের সকলেই বা কি বলছেন!

এবার নিজের বিয়ে নিয়ে মুখ খুললেন তাপসী পান্নু। জানালেন, বিয়ে তিনি করবেন, তবে এখনও কিছু স্থির হয়নি। যদি কাউকে ভাবো লাগে, বিশ্বাস করার যোগ্য যদি কেউ হয়ে থাকে, তবে নিঃসন্দেহে তাপসী তাঁর গলায় মালা দেবেন। তবে সেই সম্পর্ক অবশ্যই বিয়ে পর্যন্ত গড়াতে হবে। হঠ্যাৎ প্রেমে বিশ্বাসী নন তাপসী পান্নু। সেই বিষয়টা স্পষ্ট করে জানিয়ে দেন তিনি। 

taapsee

এখানেই শেষ নয়, এর পাশাপাশি তাপসী আরও জানান, তিনি এমন কাউকে বিয়ে করবেন না, যাঁকে বিয়ে করলে বাড়ির সকলের মন খারাপ হয়। তাই তাপসীর কথায় পরিবারের অমতে নয়, পরিবারের আশীর্বাদ নিয়ে যে পাত্রকে সকলের পছন্দ তার গলাতেই মালা দেবেন তিনি। তবে এখনও কিছু স্থির করেননি। যদি প্রেম করেন, তবে বিয়েটাও তিনি করবেন, সেই বিষয় নিশ্চিত করলেন হট ডিভা। 

করিশ্মার ঠোঁটে ঠোঁট রেখে টানা তিনদিন চুমু আমিরের

করিশ্মা কাপুর, একসময় বলিউড যিনি দাপিয়ে বেড়িয়েছেন, সেই হট কুইনের স্মৃতিতেই পরতে পরতে জড়িয়ে রয়েছে নানা ওঠা পড়ার গল্প। সম্পর্কের জালে বহুবার জড়িয়েছেন করিশ্মা কাপুর। তবে বেশ কিছু গল্প তাঁর জীবনে এমনও গজিয়ে উঠেছিল, যার জের আজও তাঁর স্মৃতিতে তরতাজা। 

সালটা ১৯৯৬। তখন দর্শকমহলের ছবির থেকে চাহিদা ছিল ভিন্ন। ঘরোয়া, রোম্যান্টি, কিংবা পারিবারিক মেলোড্রামা, এমন ছবিতেই সহজ ছিল তাঁরা। এমনই সময় মুক্তি পেয়েছিল রাজা হিন্দুস্তানি ছবিটি। যা সকলে নাড়া দিয়ে গিয়েছিল। আমির খান ও করিশ্মা কপুরে এক বৃষ্টি ভেজা দিনে চুম্বনের দৃশ্য। মুহূর্তে তা ছড়িয়ে পড়েছিল সকলের মুখে মুখে। সৃষ্টি করেছিল বিতর্ক। 

karishma

কেমন ছিল সেই চুম্বনের অভিজ্ঞতা! এবার প্রকাশ্যে সেই কথা জানালেন খোদ করিশ্মা কাপুর। টানা তিন দিন ধরে শ্যুটিং চলেছিল এই পর্বের। একের পর এক টেক, শট কিছুতেই মনের মত হচ্ছিল পরিচালকের। সেই দৃশ্যে শ্যুট করা ছিল বিস্তর কষ্টের। উটিতে টানা তিনদিন ধরে চলতে থাকে এই শ্যুটিং। মাসটা ছিল ফেব্রুয়ারি। গায়ের মধ্যে জল পাশাপাশি সামনে থেকে আসা ঠাণ্ডা পাখার হাওয়া। শীতে জমে গিয়েছিলেন তাঁরা দুজনে। 

এর ছবি কে দেখবে, রণবীরের প্রথম পোস্টার দেখে করণের ব্যঙ্গ

ranveer singh

নেপোটিজম নিয়ে একাধিকবার বিতর্কের তুঙ্গে উঠে এসেছে করণ জোহারের নাম। একের পর এক সেলেবকে তোপ দাগা তাঁর এক কথায় অভ্যাস হয়ে দাঁড়িয়েছে বলাই চলে, কফি উইফ করণ নিয়ে এমনই জল্পনা নেট মহলে। বহু সেলেব এই তীব্র সমালোচনা করে জানিয়েছিলেন, সেখানে কেবলই বিভিন্ন সেলেবদের হাঁড়ির খবর নিয়ে গসিপ করা হয়।

যদিও তা মানতে নারাজ করণ। তিনি সাফ কথা বলতে কখনও পিছু পা হন না। ভালো মানে ভালো, করণের না পোশালেই সে খারাপ। এটাই সম্পর্কের ভিত। মানুষকে এক ঝলক দেখেই করণ মন্তব্য করে বসেন। যদিও বেশ কিছু ক্ষেত্রে তাঁকে পস্তাতেই দেখা গিয়েছে।

karan

করণ জোহার প্রতিটা মুহূর্তে সেলেব স্টার কিডদের লঞ্চ করে চলেছেন। তবে ইন্ডাস্ট্রির বাইরে থেকে আসা মানুষদের কতটা সুযোগ দিয়ে থাকেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন কঙ্গনা রানাওয়াতও। তবে এবার করণের হার চোখের সামনে। তাঁর আমাগী ছবিতে অভিনয় করতে চলেছেন রণবীর সিং। বিপরীতে আলিয়া ভাট। এক সময় এই রণবীরই ব্যান্ড বাজা বারাতের পোস্টার দেখে বলেছিলেন, কে দেখবে এই ছবি! আর আজ সেই স্টারের সঙ্গে বাঁধলেন জুটি।

শারীরিক চাহিদা মেটাতে সম্পর্ক, রণবীরকে তীব্র আক্রমণ দীপিকার

deepika

রণবীর কাপুর, জীবনে যার একাধিক নায়িকার আনাাগোনা। একের পর এক সেলেবদের মন ভেঙেছেন কেবলই প্রেম প্রেম খেলা খেলে। তা দিয়ে আর যাই হোক, অন্তত ভালোবাসা যায় না। আর সেই সহজ বিষয়টাই বুঝতে বেশ কিছুটা সময় লেগে গিয়েছিল বলিউল ডিভা দীপিকা পাদুকরের। আর তাই দু-দুবার একি ভুল করে বসেছিলেন তিনি। 

মন দিয়েছিলেন কাপুরপুত্র রণবীরকে। ভালোবাসার সম্পর্কে ছিল সবকিছুই। সঙ্গমে মত্ত এই কপিলের সময় কাটছিল বেশ ভালো। তবে কবে যেন সবটা শেষে হয়ে যেতে বসে, আঁচও পাননি দীপিকা। মন ভাঙল, সম্পর্ক ভাঙায় অবসাদও গ্রাস করল, তখন রণবীরের জীবনে নতুনদের আনা গোনা। এরই মাঝে আবারও ফিরল পুরাতন স্বাদ। 

deepika

আবারও দীপিকার কাছে ফিরতে চেয়ে আবেদন রণবীরের। তবে এবার কারণটা ছিল শুরুই শারীরিক সম্পর্ক। বিশ্বাস করে ঠকতে হয়েছিল। এক সাক্ষাৎকারে ব্রেকআপ নিয়ে স্পষ্ট এমনটাই জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন রণবীরের এই বারে বারে ফিরে আসাটা ছিল শুধুই যৌন আকর্ষণ। ভালো সে কোনও দিনই বাসেনি। চোখে জল নিয়ে অনঢ়গল কথাগুলো বলেছিলেন দীপিকা। যদিওও এখন তা অতীত। রণবীরের সঙ্গে এখন সম্পর্ক ভালোই। তবুও বিরহের সেই দিন আজও ফিরে ফিরে আসে দীপিকার স্মৃতিতে। টিনি একাই নন, ক্যাটরিনার ক্ষেত্রেও রণবীরের এই একই প্রতিক্রিয়া ছিল। 

লন্ডনের স্বপ্ন দেখিয়ে বিয়ে, শাহরুখ কীভাবে ঠকিয়েছিলেন গৌরীকে

মুম্বই: খানেদের মধ্যে সম্পর্কের নিরিখে যদি কাউকে একশো-তে একশো দিতে হয়, তবে তিনি হলেন শাহরুখ খান। বিচ্ছেদের ঝড়ে আমির, সলমন খান স্টিল ব্যচেলার, তবে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে দিব্যি সংসার করছেন শাহরুখ খান। তবে প্রথম থেকেই কি সবটা এতটা সহজ ছিল! না, কখনই নয়।

শাহরুখ খানের ক্ষেত্রেও সমীকরণটা এক। জীবনের প্রতিটা অধ্যায়তেই নতুন নতুন যুদ্ধের মুখোমুখি হওয়াটাই ছিসল শাহরুখ খানের চ্যালেঞ্জ। তারই মাঝে ভালোবাসা-ভালোলাগা, দারিদ্রতা, অনিশ্চয়তা মিলে মিশে একাকার।

বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে গৌরীর দরবারে কিং খান, কথা দেওয়ার পালা, কথা রাখার পালা, অগাধ বিশ্বাস নিয়ে গৌরী শুনেছিলেন শাহরুখ তাঁকে বিয়ের পর দেখাবেন লন্ডন। ভালোবেসে আবেগে বিয়ের পিঁড়িতে গৌরী। এবার হানিমুনের পালা, সব রেডি, তবে লন্ডন যাওয়ার টাকাটা বাদ রেখে। কী হবে উপায়।

বাংলার বুকই তখন বেছে নিয়েছিলেন কিং খান। গৌরীকে কিছু না জানিয়ে লন্ডন বলে সোজা নিয়ে এসেছিলেন দার্জিলিং। পাহাড় কোলে রোম্যান্স কিং-এর সঙ্গে হানিমুনের স্বাদ পেয়ে গৌরী ভুলেছিলেন লন্ডন শোক। যদিও কিং খান তাঁর কথা রেখেছেন, অক্লান্ত পরিশ্রম আর কেরিয়ার গড়ার নেশায় তিনি আজ বলিউড বাদশা। বিদেশ সফর উইকএন্ড ট্রিপের সমান।

বয়স ভুলে প্রেম থেকে সঙ্গমে মত্ত মালাইকা, তবে বিয়ের সানাইয়ে কীসের বাধা

malaika

খান পরিবারের বউ, সলমন খান খ্যাত গ্যালাক্সি ছিল এক সময় মালাইকার স্থায়ী ঠিকানা। কিন্তু খুব বেশিদিন সেই ভিলায় স্থির থাকেননি মালাইকা আরোরা। বলিউডে পা রাখার পর থেকেই তাঁর স্টানিং ফিগারে মুগ্ধ ভক্তমহল। কিন্তু সমস্যা ছিল একটাই, খাল কেটে কুমির আনার মত বাড়ি প্রবেশ অর্জুনের।

অর্জুন কাপুর, দস্তুর মত প্রেম করছিলেন সলমন খানের বোন অর্পিতার সঙ্গে। তবে কখন যে সেই ভালোলাগা মালাইকার দিকে ঝোঁকে তা আন্দাজও করতে পারেননিকেউ। কয়েকদিনের মধ্যেই সম্পর্কের জল্পনা বাস্তবে পরিণত হয়। এরপরের কাহিনিটা কম বেশি সকলেরই জানা। এক প্রকার লিভইন করতে শুরু করেন মালাইকা ও অর্জুন কাপুর।

তবে সমস্যা কোথায়! এক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী এই সম্পর্কে সাফ না জানিয়েছিলেন অর্জুন কাপুরের বাবা বনি কাপুর। সলমন খানের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা বেশ, সেই কারণেই মালাইকাকে মেনে নিতে পারছেন না তিনি। এমন কি অর্জুকে বলেওছিলেন, জাহ্নবীর কথা ভাবার জন্য।

যদিও সেই দিকে নজর দিতে নারাজ অর্জুন। তবে বিয়ে নয়। কেন! উত্তরে খোদ অর্জুন কাপুরই বলেছিলেন, এই সময়টা কেরিয়ারে খুব গুরুত্বপূর্ণ, এই সময়টা বিয়ের পিঁড়িতে বসার নয়। ব্যস তবে থেকেই মালাইকা ভক্তদের মনে প্রশ্ন, তবে কি এই সম্পর্ক লিভইনের থাকবে আটকে, নাকি বিয়ে পর্যন্ত গড়াবে! তার উত্তর এখনই মিলছে না।

বলিউডে এসে যৌন হেনস্তার শিকার, কী কারণে যৌন হাতিছানিতে শার্লিন

বলিউডে পা রেখেই ভাইরাল, যৌন হেনস্তার শিকার হয়েছিলেন শার্লিন। তবে প্রথমে ছিলেন চুপ, ছিল না মিটু-র প্রভাব। তবে সময় পাল্টেছে, সময়ের সঙ্গে সঙ্গে পাল্টেছে শার্লিনের লাইফস্টাইল। চলতি বছরেই প্রায় ১৬ বছর পর নিয়ে মুখ খুলেছিলেন অভিনেত্রী। বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য বেছে নিলেন সমাজ মাধ্যমকেই। একটি টুইটে জানিয়েছিলেন, সমস্যার কথা।

২০০৫ সালে তাঁকে নিজের অফিসে ডেকে যৌন হেনস্থা করেছিলেন সাজিদ। ঘটনাটি যে সময়ের, তার দিন কয়েক আগেই বাবাকে হারিয়েছিলেন অভিনেত্রী। কিন্তু, সাজিদের প্রযোজনা সংস্থার কাছ থেকে ডাক পেয়ে কাজের জন্যই দেখা করতে যান। আর সেখানেই অদ্ভূত অভিজ্ঞতা হয় শার্লিনের। অভিনেত্রী টুইটারে লিখেছেন, ‘আমাকে দেখে পুরুষাঙ্গ প্রদর্শন করেন সাজিদ। বলেন স্পর্শ করে দেখতে।’

sharline

আর্থিক সমস্যাই ছিল শার্লিন চোপড়ার প্রথম দুর্বলতা। নিজেই জানিয়েছিলেন, যৌন জগতের হাতছানিতে সাড়া দেওয়ার এই একটাই কারণ। পরিস্থিতি পরিবার সামলাতে এই পথে পা বাড়ানো। যদিও নিজেকে সংযত করেই শার্লিন প্রতিটা পদক্ষেপ নিয়ে থাকেন বর্তমানে, তবে তাঁর সোশ্যাল পাতায় হট পোজ, ভক্তদের মনে শিহরণ জাগাতে বিন্দুমাত্র পিছু পা হয় না।

রিচলিস্টে প্রিয়ঙ্কা, একটা Paid Post-এর বিনিময় কত কোটি পকেটে!

priyanka chopra

দেশি গার্ল এখন বিদেশেও ভাইরাল। রিচলিস্টে নাম এবার প্রিয়ঙ্কা চোপড়ার। একের পর এক সাফল্য এখন তাঁর ঝুলিতে। বলিউড-হলিউড যাঁর কাছে মিলে মিশে একাকার। ফলে আয়ের অঙ্কটা যে নেহাতই কম নয়, তা আর আলাদা করে বলার অপেক্ষা রাখে না। বাড়ি-গাড়ি এক কথায় বলতে গেলে প্রিয়ঙ্কার লাইফস্টাইলে আমুল পরিবর্তন।

কোথা থেকে আসছে এই টাকা! বিজ্ঞাপন থেকে শুরু করে সিনেমার পারিশ্রমিক, সঞ্চালনা থেকে শুরু করে কোনও অনুষ্ঠানে স্পেশ্যাল অ্যাপিয়ারেন্স, আর! এই আর প্রসঙ্গেই ছক্কা হাঁকাচ্ছেন প্রিয়ঙ্কা। কীভাবে, প্রিয়ঙ্কা চোপড়া বরাবরই সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায় ভিষণ সক্রিয়। মাঝে মধ্যেই নজর কাড়া পোস্টে ঝড় তোলেন নেট দুনিয়ায়।

priyanka chopra

কখনও তর্ক বিতর্ক, কখনও আবার কেবলই প্রশংসা, দুইয়ে মিলিয়ে ভিউ যাকে বলে তুঙ্গে। আর এই ভিউকেই অস্ত্র করে কত কোটি কামাচ্ছেন প্রিয়ঙ্কা জানেন! তিন কোটি।

একটা সোশ্যাল মিডিয়া পোস্ট, যা ইনস্টাগ্রামে করে থাকেন প্রিয়ঙ্কা, সেটা যদি পেইড হয়ে থাকে, তবে তার জন্য প্রিয়ঙ্কার পকেটে ঢোকে তিন কোটি টাকা। ঠিকই শুনেছেন, একটা পোস্ট পিছু প্রিয়ঙ্কা চার্জ করেন তিন কোটি। বর্তমানে সেই অঙ্কের যোগফলই দাঁড়িয়েছে এতটাই বেশি যা প্রিয়ঙ্কাকে রিচলিস্টে ঠাঁই করে দিয়েছে। সেই তালিকায় বিশ্বে ২৭তম স্থানটি দখল করেছেন পিগি চপস। খবর প্রকাশ্যে আসতেই চোখ কপালে ভক্তমহলের।