Kolkata: সোমবার থেকে শহরের স্কুলে স্কুলে টিকাকরণ কর্মসূচি

kolkata school

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: নতুন বছরের ৩ জানুয়ারি থেকে ভারতে ১৫-১৮ বছর বয়সীদের টিকাকরণ শুরু হতে চলেছে। টিকাকরণ হবে এ রাজ্যেও। ১৫-১৮ বছর বয়সীদের টিকাকরণ নিয়ে এদিন গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা করলেন কলকাতা পুরসভার মেয়র ফিরহাদ হাকিম। শহরের বিভিন্ন স্কুলে টিকাকরণ কর্মসূচি শুরু করা হবে।

ফিরহাদ হাকিম জানান, আগামী মঙ্গলবার অর্থাৎ ৪ জানুয়ারি থেকে কলকাতার ৫০ টি বিদ্যালয়ে ১৫ বছর থেকে টিকা দেওয়া হবে। সেখানে বহিরাগতরাও টিকা নিতে পারবেন।

প্রসঙ্গত, রাজ্যে ওমিক্রন সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে ফের কড়া বিধিনিষেধ জারি হতে পারে বলে জানিয়েছেন। বন্ধ হতে পারে স্কুল কলেজ, কমানো হবে লোকাল ট্রেন এবং ওয়ার্ক ফ্রম হোমে জোর দেওয়া হবে।

Cyclone Jawad Updates:ঝড় নেই নিম্নচাপের বিপুল বৃষ্টিতে কাবু শহর কলকাতা

Heavy rains with low pressure in the city of Kolkata

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: জাওয়াদ (Jawad) শক্তি ক্ষয় করেছে আগেই , সে আর ঝড় নেই। পরিণত হচ্ছে নিম্নচাপে। সেই হিসাবেই বাংলায় পৌঁছাবে। আর তাঁর প্রভাবেই নাগাড়ে বৃষ্টি শুরু হয়েছে সর্বত্র। বৃষ্টি কখনও বাড়ছে, কখনও কমছে কিন্তু থামার লক্ষন নেই। পূর্বাভাস মেনেই হচ্ছে বৃষ্টি।

রবিবার দুপুরে পুরীর কাছ দিয়ে যাবে ঘূর্ণিঝড় জওয়াদ। পশ্চিমবঙ্গ এবং পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা নেই। আজ ভোর ৪টে থেকে উপকূলবর্তী এলাকায় ঝোড়ো হাওয়া বইবে। পশ্চিমবঙ্গ উপকূলে হাওয়ার গতি হবে ঘণ্টায় ৪৫-৫৫ কিমি। পূর্ব মেদিনীপুর, দক্ষিণ ২৪ পরগনায় ভারী বৃষ্টি। আজ দুই মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনা, হাওড়া, পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টি। ৬ ডিসেম্বর নদিয়া, মালদা, মুর্শিদাবাদে ভারী বৃষ্টি হবে।

ঘূর্ণিঝড় জওয়াদের সঙ্গী অমাবস্যার ভরা কটাল। দুইয়ের জেরে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে প্রবল জলোচ্ছ্বাসের আশঙ্কা। বাঁধ উপচে ঢুকতে পারে জল। এদিকে, ক্রমশ এগোচ্ছে ঘূর্ণিঝড় জওয়াদ। আজই উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওড়িশা উপকূলের কাছাকাছি পৌঁছে যেতে পারে। তারপর আরও কিছুটা উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে ওড়িশা উপকূল বরাবর সরে আগামীকাল দুপুর নাগাদ পুরী উপকূলের কাছে পৌঁছবে।

আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, এরপর ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ বাংলার দিকে হলেও, আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, জওয়াদের স্থলভাগে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা নেই। পুরীর কাছে পৌঁছেই শক্তি হারাবে ঘূর্ণিঝড়। বাংলায় ঢোকার আগে তা পরিণত হবে নিম্নচাপে। সেই নিম্নচাপ সুন্দরবনের উপর দিয়ে বাংলাদেশে চলে যাবে। তবে এর প্রভাবে কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় সকাল থেকে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। আজ ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে দুই মেদিনীপুর, দুই ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া ও হুগলিতে। আগামীকাল কলকাতাতেও ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। সমুদ্র উত্তাল থাকায় মত্স্যজীবীদের জন্য জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

Discovery is the Rickshaw:পঙ্গু স্ত্রীকে শহর দেখাবেন, আবিষ্কার হল রিকশা

rickshaw

বিশেষ প্রতিবেদন: রিকশা (Rickshaw) জাপানে উদ্ভাবিত হলেও সেটির নকশা করেছিলেন জোনাথন স্কোবি বা জোনাথন গোবলে নামের একজন মার্কিন খ্রিস্টান মিশনারী । পারকার এফ ক্যালভিনের লেখা জোনাথন গোবলে ইন জাপান বইয়ে এমনটাই দাবি করা হচ্ছে। 

মি. জোনাথন ধর্ম প্রচারের কাজে জাপানের ইয়োকোহামা শহরে থাকতেন। তার স্ত্রী এলিজা গোবলে হাঁটতে চলতে পারতেন না। স্ত্রীকে ইয়োকোহামা শহর ঘুরিয়ে দেখাতে মি. স্কোবি ১৮৬৯ সালে দুই চাকার সামনে হাতল বিশিষ্ট বাহনের নকশা আঁকেন এবং কাঠ দিয়ে তৈরি করেন। সেই বাহনের নাম তিনি দেন জিনরিকশা।যা কালের বিবর্তনে রিকশা নামেই পরিচিতি পায়।

দুই চাকার এই হাতে টানা বাহনটি রিকশার প্রাথমিক সংস্করণ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্রের পেটেন্ট নিবন্ধন পায়। তারপর সেটির অনুকরণে জাপানে এই বাহনটি নির্মাণ শুরু হয়। তবে এটি কোন মানুষ পরিবহনে নয় বরং ব্যবহৃত হতো মালপত্র পরিবহনের জন্য। আবার এমনটাও বলা হয় যে, ১৮৮৮ সালে একজন মার্কিন ব্যাপ্টিস্ট রিকশা আবিষ্কার করেছেন।

উইলিয়াম ই লুইসের থ্রু দ্য হার্টল্যান্ড অন ইউএস বইয়ে বলা হয়েছে, রিকশা আবিষ্কার হয়েছিল ১৮৪৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ম্যাসাচুসেটসের ওরচেস্টারে। সেখানকার এক কামার অ্যালবার্ট টোলম্যান দক্ষিণ আমেরিকান মিশনারীর চলাচলে সুবিধার জন্য রিকশাটি আবিষ্কার করেছিলেন বলে জানা যায়।

আবার বার্লিংটন কাউন্টি হিস্ট্রিকাল সোসাইটির গবেষণায় বলা হয়েছে, মার্কিন গাড়ি নির্মাতা জেমস বার্চের জাদুঘরে এ ধরণের একটি রিকশার মডেল প্রথম প্রদর্শন করতে দেখা যায়। সেটাও ১৮৬৭ সালের দিকে। মি. বার্চ দাবি করেছিলেন, এটি তার ডিজাইন করা বাহন।

Weather Update : মেঘ সরতেই হিমেল হাওয়ার প্রবেশ, নামল পারদ

Kolkata Winter

#Weather Update নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: আকাশ পরিস্কার হতেই নামল পারদ। অল্প তবে তা মন্দের ভালো। এমনটাই জানাল হাওয়া অফিসের পারদ মাপক যন্ত্র। জেলার মতো কলকাতায় লাফিয়ে তিন ডিগ্রি নেমেছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। কমেছে সর্বোচ্চ তাপমাত্রাও।

আজ বুধবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যদিও তা এখনই স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি। মঙ্গলবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৫ শতাংশ, ন্যূনতম ৫৮ শতাংশ। ফলে পারদ না নামা পর্যন্ত অস্বস্তি থাকবে।

সোমবার দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৩ ডিগ্রি বেশি, বুধবার দিনের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ৫ ডিগ্রি বেশি ছিল। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বাধিক ৯৫ শতাংশ, ন্যূনতম ৪৩ শতাংশ।

Kolkata winter

আসলে শীতের অপেক্ষায় দিন গুনছেন বঙ্গবাসী। মাঝে মাঝে উঁকি দিয়েই তা পালাচ্ছে। সৌজন্যে একের পর এক নিম্নচাপ। পারদ এতটাই বেড়ে যাচ্ছে যে মানুষকে বাধ্য হয়ে পাখা চালাতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতি আগামী দিন দুই তিনেক থাকবে। ধীরে ধীরে রাত এবং সকালের দিকে ফিরবে শীতের আমেজ।

হাওয়া অফিস স্পষ্ট জানিয়েছে সাগর থেকে প্রচুর পরিমাণে আর্দ্র বাতাস ঢুকে পড়ছে রাজ্যে। আর তাতেই শীতল আবহাওয়া হারিয়ে যাচ্ছে। এমনকি বিক্ষিপ্ত বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে। সিস্টেম কাটলে নামবে পারদ। তবে জাঁকিয়ে শীত পড়তে নিয়মমাফিক মাঝ ডিসেম্বর, যা রাজ্যের আবহাওয়া অনুযায়ী স্বাভাবিক।

তবে আপাতত জমিয়ে কনকনে শীতের কোনও পূর্বাভাস দেওয়া হয়নি৷ উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে হাল্কা থেকে মাঝারি কুয়াশা দেখা গিয়েছে।

বিশ্বের দূষিততম শহর দিল্লি, পিছিয়ে নেই কলকাতাও

delhi

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: দিল্লির মুকুটে নতুন পালক। তবে এই পালক আনন্দের নয় বরং অত্যন্ত উদ্বেগের। সাম্প্রতিক এক সমীক্ষায় জানা গিয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর দিল্লি (delhi)।

এই সমীক্ষায় বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত ১০টি শহরের একটি তালিকা তৈরি করা হয়েছে যে তালিকায় রয়েছে ভারতের তিনটি শহরের নাম। এই তিন শহর হল যথাক্রমে দিল্লি, কলকাতা (kolkata) ও মুম্বই (mumbai)। উল্লেখ্য, আইকিউ এয়ার (iqair) নামে সুইজারল্যান্ডের আবহাওয়াবিদদের একটি দল গবেষণা চালিয়ে এই তথ্য প্রকাশ করেছে। এই গবেষণা সংস্থাটি রাষ্ট্রসঙ্ঘের পরিবেশ সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ের সঙ্গে জড়িত।

সমীক্ষা রিপোর্টে জানা গিয়েছে, ভারত তথা গোটা বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহর দিল্লি। বিশ্বের সবচেয়ে দূষিত শহরের এই তালিকায় কলকাতা ও মুম্বই রয়েছে যথাক্রমে চতুর্থ ও ষষ্ঠ স্থানে। এই সমীক্ষার রিপোর্ট থেকে জানা গিয়েছে দিল্লির গড় এয়ার কোয়ালিটি ইন্ডেক্স ৫৫৬। দূষিত শহরগুলির মধ্যে দ্বিতীয় স্থানটি দখল করেছে পাকিস্তানের লাহোর। অপর শহরগুলির মধ্যে বুলগেরিয়ার সোফিয়া (sofia) রয়েছে তৃতীয় স্থানে, ক্রোয়েশিয়ার জাগরেব (gagreb) রয়েছে পঞ্চম এবং সার্বিয়ার বেলগ্রেড (belgrade) সপ্তম স্থানে। চিনের চেংদু (chendu) অষ্টম, নর্থ ম্যাসিডোনার স্কোপেজ (skopja) নবম এবং পোল্যান্ডের ক্রাকো (krako )১০ম স্থানটি দখল করেছে।

উল্লেখ্য, কয়েক বছর ধরেই দিল্লিতে দূষণ মাত্রা ছাড়া হয়েছে। এরই মধ্যে দীপাবলির পর দিল্লির দূষণ আরও বেড়েছে। পাশাপাশি নভেম্বরের প্রথম থেকেই দিল্লি ও সংলগ্ন হরিয়ানা (hariyana) ও পাঞ্জাবে (punjab) চাষিরা ফসলের গোড়া পুড়িয়ে থাকেন। নাড়া পোড়ানোর ফলে দূষণ একেবারে মাত্রাছাড়া হয়েছে বলে ওই রিপোর্টে দাবি করা হয়েছে।

পরিবেশবিদরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, দিল্লির বাতাস দূষিত হওয়ার অন্যতম বড় কারণ হল ফসলের গোড়া পোড়ানো। মূলত পাঞ্জাব ও হরিয়ানা কৃষকদের এই কর্মকাণ্ডের ফলে রাজধানী দিল্লির বাতাস ক্রমশই বিষাক্ত হয়ে উঠছে।

শুধু দিল্লি নয়, ফসলের গোড়া পোড়ানোর ঘন কালো ধোঁয়ায় রাজধানী সংলগ্ন গ্রেটার নয়ডা, নয়ডা, গুরুগ্রাম, গাজিয়াবাদের আকাশও কালো ধোঁয়ায় মুখ ঢেকেছে। এর সঙ্গে যুক্ত হয়েছে বিভিন্ন কলকারখানা ও যানবাহন থেকে নির্গত কার্বন ডাই অক্সাইড। এই মুহূর্তে দিল্লিতে বাতাসে ভাসমান ধূলিকণা পরিমাণ স্বাভাবিকের থেকে প্রায় তিন গুণ বেশি। আসন্ন শীতে বাতাসে এই ধূলিকণার পরিমাণ চারগুণ ছাড়িয়ে যাবে বলে আশঙ্কা।

পরিবেশবিদরা আরও জানিয়েছেন, এই মুহূর্তে দিল্লির বাতাসে যেভাবে দূষণের পরিমাণ বাড়েছে তাকে অবিলম্বে নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে পরিস্থিতি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠবে। ইতিমধ্যেই দিল্লির বহু মানুষ শ্বাসকষ্ট, কাশি ও নাক-জ্বালার সমস্যায় ভুগছেন। বাতাসের দূষণ অবিলম্বে কমানোর জন্য যাতে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া যায় সেজন্য সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ জানিয়ে আবেদন করেছেন কয়েকজন পরিবেশবিদ।

Weather Updates: কমে প্রায় আঠেরোর কাছে শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা

kolkata-winter

News Desk, Kolkata: আরও কমল শহরের তাপমাত্রা। কুড়ির নীচে আগেই নেমেছিল পারদ। এবার কলকাতার তাপমাত্রা প্রায় ১৮র কাছাকাছি নেমে গেল । এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর অবহাওয়া দফতর।

আজ শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। গতকাল শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩০ ডিগ্রির আশেপাশে। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৪ সর্বনিম্ন ৪৪ শতাংশ।

চলতি সপ্তাহে মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস । যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৪৪ থেকে ৯০ শতাংশ। কলকাতায় সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস । যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৪২ থেকে ৯০ শতাংশ।

গত রবিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস । যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৪৮ থেকে ৮৮ শতাংশ। বৃষ্টি

পূর্বাভাস বলছে, দ্রুতই রাজ্যে উত্তুরে হাওয়া জাঁকিয়ে বসবে। ভোরের দিকে কোথাও কোথাও সামান্য কুয়াশা। রাতে ও সকালের দিকে বাড়বে শীতের আমেজ। পশ্চিমের জেলা গুলিতে শীতের আমেজ বেশি অনুভূত হবে। গত তিন দিনে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের তাপমাত্রা প্রায় ৪ ডিগ্রি নেমেছে। সকালের শীতের আমেজ আরও একটু বাড়ল। এরকম পরিস্থিতি থাকবে আগামী এক সপ্তাহ।

Weather Updates: আরও একটু নামল কলকাতা তাপমাত্রা

kolkata-winter

News Desk, Kolkata: অল্প হলেও আরও একটু নামল কলকাতার তাপমাত্রা। এমনটাই বলছে পারদমাপক যন্ত্র। তবে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রয়েছে স্বাভাবিক। এমনটাই জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।

মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস । যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৪৪ থেকে ৯০ শতাংশ।

কলকাতায় সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস । যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৪২ থেকে ৯০ শতাংশ।

রবিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস । যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৪৮ থেকে ৮৮ শতাংশ। বৃষ্টি

পূর্বাভাস বলছে, আগামী পাঁচ দিন ধরে রাজ্যে উত্তুরে হাওয়া প্রবেশের প্রক্রিয়া চলবে। যার জেরে কালীপুজো, দীপাবলি পর্যন্ত শীতের আমেজ বজায় থাকবে কলকাতা-সহ অন্যান্য জেলায়। আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, উত্তরবঙ্গের দার্জিলিং ও কালিম্পঙে হালকা বৃষ্টি হলেও হতে পারে। তবে আবহাওয়া মূলত শুষ্কই থাকবে। ভোরের দিকে থাকবে কুয়াশা ও শীতের আমেজ। উত্তরবঙ্গের মতো দক্ষিণবঙ্গেও শীতের আমেজ থাকবে। তবে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে আগামী কয়েক দিন বৃষ্টির কোনও সম্ভাবনা নেই।

ভোরের দিকে কোথাও কোথাও সামান্য কুয়াশা। রাতে ও সকালের দিকে হালকা শীতের আমেজ। পশ্চিমের জেলা গুলিতে শীতের আমেজ বেশি অনুভূত হবে। গত তিন দিনে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের তাপমাত্রা প্রায় ৪ ডিগ্রি নেমে গেল। সকালের শীতের আমেজ আরও একটু বাড়ল। এরকম পরিস্থিতি থাকবে আগামী এক সপ্তাহ।

Weather in Kolkata: স্বাভাবিকের আরও নীচে শহরের পারদ

weather in Kolkata

News Desk, Kolkata: স্বাভাবিকের চেয়ে দুই ডিগ্রি নামল শহরের তাপমাত্রা। এমনটাই দেখা গেল পারদ মাপক যন্ত্রে। ২৫ থেকে কমতে কমতে ২০ তে নেমে গেল কলকাতার তাপমাত্রা। যা এখন।স্বাভাবিকের নীচে। দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও অনেকটা নেমেছে পারদ।

বাংলা জুড়ে সকালে শীতের আমেজ। পশ্চিমের জেলায় শীতের আমেজ একটু বেশি। কালীপুজো থেকে ভাইফোঁটা মনোরম পরিবেশে কাটবে বলে আশ্বাস দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। সকালে আংশিক কুয়াশা বিভিন্ন জেলায়। সোম-মঙ্গলবার নাগাদ দার্জিলিং সিকিমে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা।

আগামী কয়েকদিন একই রকম আবহাওয়া থাকবে বলে জানানো হয়েছে। হেমন্তের পরিবেশ সারা বাংলা জুড়ে। রাতের তাপমাত্রা স্বাভাবিক বা তার নিচে থাকায় হালকা শীতের আমেজ। ভোরের দিকে কোথাও কোথাও সামান্য কুয়াশা। রাতে ও সকালের দিকে হালকা শীতের আমেজ। পশ্চিমের জেলা গুলিতে শীতের আমেজ বেশি অনুভূত হবে। গত তিন দিনে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের তাপমাত্রা প্রায় ৪ ডিগ্রি নেমে গেল। সকালের শীতের আমেজ আরও একটু বাড়ল। এরকম পরিস্থিতি থাকবে আগামী এক সপ্তাহ।

উত্তরবঙ্গে দার্জিলিং কালিম্পং এর হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা। বাকি জেলাতে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। বৃষ্টির পর বুধবার থেকে দার্জিলিং এর তাপমাত্রা ৮ ডিগ্রি নিচে নেমে যাওয়ার সম্ভাবনা। শুষ্ক ও শীতল আবহাওয়া থাকবে। আগামী কয়েকদিনে রাতের তাপমাত্রা কিছুটা কমবে। শীতের আমেজ কিছুটা বাড়বে সঙ্গে সকালের দিকে কুয়াশার দাপটও বাড়বে।

কলকাতায় সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস । যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৪২ থেকে ৯০ শতাংশ।

New Delhi: বড়সড় নাশকতার ছক ভেস্তে দিল পুলিশ, গ্রেফতার দুই পাক জঙ্গি

suspected terrorists being taken to the Anti-Terror Cell

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: গোয়েন্দারা আগেই সতর্ক বার্তা দিয়েছিলেন যে, উৎসবের সময় দিল্লিতে জঙ্গি হামলা হতে পারে। গোয়েন্দাদের সতর্কবার্তায় সতর্ক ছিল দিল্লি পুলিশ। গোপন সূত্রে খবর পেয়ে সোমবার রাতে দিল্লি পুলিশের বিশেষ সেল রাজধানীজুড়ে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। এই তল্লাশি অভিযানে সোমবার রাতে দিল্লির রমেশ পার্ক ও লক্ষ্মীনগর এলাকা থেকে দুই সন্দেহভাজন পাক জঙ্গিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার হয়েছে।

পুলিশ জানিয়েছে রমেশ পার্ক এলাকা থেকে ধৃত মহম্মদ আশরাফের জন্ম পাকিস্তানে। ভুয়ো পরিচয় পত্র নিয়ে সে দিল্লিতে বাস করছিল। লক্ষ্মীনগর এলাকা থেকে ওমরউদ্দিন নামে আরও একজনকে ধরা হয়েছে। ওমরের কাছ থেকেও পাকিস্তানের পরিচয় পত্র মিলেছে। ধৃতদের কাছ থেকে একে-৪৭ অ্যাসল্ট রাইফেল, হ্যান্ড গ্রেনেড, পিস্তল ও ৬০ রাউন্ড গুলি মিলেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, মহম্মদ আশরাফ আদতে পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশের বাসিন্দা। সে কবে ভারতে ঢুকেছিল তা জানার চেষ্টা চলছে। আশরফ আইএসআইয়ের মত পাক গুপ্তচর সংস্থার কাছে অস্ত্র প্রশিক্ষণ নিয়েছে। জানা গিয়েছে, শুধু তাই নয় আশরফের বিস্ফোরক তৈরির প্রশিক্ষণও আছে। পুলিশের অনুমান, রাজধানী ও সংলগ্ন এলাকায় বিস্ফোরণ ঘটানোর জন্য আশরফকে ভারতে পাঠানো হয়েছিল। ধৃত দুই জঙ্গি কোথা থেকে এই বিপুল পরিমাণ অস্ত্রশস্ত্র সংগ্রহ করল তা জানার চেষ্টা চলছে।

সম্প্রতি আফগানিস্তান তালিবানের দখলে যাওয়ার পর ভারতে জঙ্গি হামলার প্রবণতা বেশ কিছুটা বেড়েছে। বিশেষত কাশ্মীরে। এরই মধ্যে পাক মদতপুষ্ট জঙ্গিরা ভারতের যেকোনও জায়গাতেই নাশকতা চালাতে পারে বলে গোয়েন্দা রিপোর্টে জানানো হয়েছিল। কার্যত গোয়েন্দাদের সেই সতর্কবার্তাই মিলে গেল সোমবার রাতের ঘটনায়। গোয়েন্দা সতর্কবার্তার কারণে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক নিরাপত্তাবাহিনীকে গোটা দেশজুড়ে আরও সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে।

হাতে হাত রেখে উৎসব, এক অঙ্গনে ১৬টি দশভূজা

Durga Puja in Kolkata

বিশেষ প্রতিবেদন: একটা পূজো মণ্ডপ আর তার ছত্ৰছায়াতেই তৈরি হল ১৬টি ক্লাবের দুর্গা। যা মহালয়ার আগে পাড়ি দিল মণ্ডপের পথে। এভাবেই একে অপরের পাশে দাঁড়িয়ে উৎসব মহোৎসবে রূপান্তরিত করার উদ্যোগ নিল চোরবাগান সার্বজনীন।। 

আজ থেকে প্রায় ৩ মাস আগে একটা ছোট্ট পরিকল্পনা আজ মহীরুহের রূপ নিয়েছে। শহরের ১৬ টি ক্লাবের মাতৃ মূর্তি গড়ার দায়িত্ব নিয়েছে চোরবাগান। এই বছর চোরবাগানের পুজোর পরিকল্পনা “ছত্রছায়া” এবং চোরবাগান এই করোনা পরিস্থিতিতে সত্যিই ছত্রছায়া হয়ে উঠতে পেরেছে।

Durga Puja in Kolkata

লটারির মাধ্যমে নির্বাচন করা হয় পুজো উদ্যোক্তাদের। চোর বাগানের মণ্ডপ হয়ে ওঠে যেন কুমোরটুলি। নয় নয় করে তেরোটি প্রতিমা তৈরি হয় একই ডিজাইন একই আদল এবং একই জায়গায়। নিজেদের প্রতিমার পাশাপাশি অন্যদেরও। যার পোশাকি নাম দশাঙ্গনে দশভুজা। প্রতিমা তৈরির দায়িত্বে শিল্পী বিমল সামন্ত।

Durga Puja in Kolkata

টাকা না থাকলে পুজোয় সমস্যা যাদের তাদের মধ্যে লটারি করে বেছে নিয়ে তাদের পাশে চোরবাগান সর্বজনীন। ১০১ টাকার বিনিময়ে এক-একটি প্রতিমা দিচ্ছে চোরবাগান সর্বজনীন। এই তালিকায় রয়েছে ফ্রেন্ডস অ্যান্ড অ্যাসোসিয়েশন, ২) সারথী, ৩) বেলেঘাটা নবালয় সংঘ ক্লাব, ৪) আচার্য প্রফুল্লচন্দ্র ক্লাব, ৫) মধ্য কলকাতা বিশ্বকল্যাণ সর্বজনীন, ৬) মা আগমনী সংঘ, ৭) আদি কাম্বুলিটোলা ও শ্যামবাজার স্ট্রিট সর্বজনীন দুর্গৎসব, ৮) ভবানীপুর কিশোর সংঘ, ৯) দুর্গাপুজা বিএল ব্লক কমিটি, ১০) বেলেঘাটা সরকার বাজার বিবেকানন্দ সংঘ। এছাড়াও তিনটি বিশেষ পুজো উদ্যোগকে দেওয়া হচ্ছে প্রতিমা। আরো তিনটে ক্লাবকে আর্থিক সাহায্য। বিশেষভাবে নির্বাচিত পুজোগুলি হল, ১) কলকাতার যৌনপল্লি এলাকার দুর্বারের পুজো, ২) মেদিনীপুরের ক্লাব ভীমেশ্বরী যুব ছাত্র সংঘ, ৩) ২৮ নং পল্লি মহিলাবৃন্দ।

Durga Puja in Kolkata

এছাড়া যে সকল পুজো ১০০০১/- টাকা করে পেয়েছেন, ১) পানশিলা সর্বজনীন দুর্গোৎসব কমিটি, ২) তালবাগান আদিবাসীবৃন্দ, ৩) ২১ নং কালচারাল অ্যাসোসিয়েশনের। উৎসব হোক সবার। সেই বার্তা নিয়েই ছত্রছায়া হয়ে দাঁড়িয়েছে চোরবাগান সর্বজনীন।

সিসিডির ভিড়ে শহরে এখনও বহাল তবিয়তে বর্তমান কলকাতার প্রথম কফি হাউসরা

coffee houses

বিশেষ প্রতিবেদন: কলকাতার প্রথম কফি হাউস রয়েছে মানুষের চোখের সামনেই। শুধু নজরে আসে না। এর অবস্থা কিন্তু ভাঙাচোরা নয়। যথেষ্ট সাবলীল কিন্তু ঐতিহ্যের কলেজ স্ট্রিটের কফি হাউসের জনপ্রিয়তায় চাপা পড়ে রয়েছে কলকাতার প্রথম কফি হাউস। 

অষ্টাদশ শতকের কলকাতা। ইংরেজ ছেলে ছোকরাদের আড্ডা আড্ডা দেওয়ার জায়গা নেই। তারা তো বাঙালির মতো রোয়াকে কিংবা রাস্তার মোড়ে অথবা খেলার মাঠে পা বিছিয়ে আড্ডা মারতে অভ্যস্ত নয়। রিল্যাক্সেসনের জন্য একটা জায়গা চাই। কিন্তু কলকাতায় এসব নেই। কী করা যায়?

এসব দেখে শুনে উইলিয়াম পার্কেস নামের এক সাহেব কোম্পানির কর্তাদের কাছে পাঠিয়ে দিলেন একটা লম্বা আর্জি। তাঁর সোজাসাপ্টা আবেদন যে- তিনি নিজে পয়সা খরচ করে একটি বাগানবাড়ি কিনেছেন এবং সেটিকেই একটু অদল বদল করে খানা-পিনা, আমোদ আহ্লাদ আর আড্ডার কেন্দ্র তৈরি করতে চান। কারণ এই দূর প্রবাসে আড্ডার জায়গার বড়ই অভাব। এমন আর্জি শুনে কোম্পানির কর্তারাও খুশি। প্রস্তাবে শিলমোহর পড়ল।

কিছু কলকাতার ইংরেজ বিরোধিতা করলেন। তাঁদের বক্তব্যে ছিল এসব করে কিচ্ছু হবে না। এসব শুধু কবিতা লেখার ছল। কাজ টাজ করবে না ছোকরার দল। আড্ডার নামে লিখবে শুধুই কবিতা। তারপর তা লিখে পাঠিয়ে দেবে জাহাজের খালাসির হাতে। পৌঁছে যাবে ইংল্যান্ডে বসে থাকা তার প্রেয়সীর হাতে। এতে জেবারেশন নষ্ট ছাড়া কিছুই হবে না। কোম্পানির কাজকর্ম সব লাটে উঠবে।

কিন্তু অর্ডার তো হয়ে গিয়েছে। শহরে আইন পাশ হল, সকাল বেলার আপিস টাইমে ওসব আড্ডাখানা বন্ধ রাখতে হবে। আইনে লেখা হল ‘It was not to be open in the morning as the Board were afraid that it would be the means of keeping people from doing their duty.’ আইন মেনে পার্কেস হোটেল বানালেন। আর সেই হোটেলের নাম দিলেন ‘লন্ডন হোটেল’। পার্কেস তাঁর ‘লন্ডন’ নামধারী হোটেলে একটা ‘কফি রুম’ বানালেন বেশ যত্ন করে। আর সেই ‘কফি রুমে’ এক পেয়ালা কফি পানের খরচ মাত্র সিক্কা টাকা। এই টাকায় কফি পান আর কাগজ পড়া দুই-ই হয়ে যায়।

এতে মন ভরেনি ইংলিশ ছোকরাদের। রুম টুম নয় একটা কফি হাউস চাই তাদের। তখনই কলকাতায় তৈরি হল একটা ‘কাফি হাউস’। নাম দেওয়া হয় ‘ক্যালকাটা এক্সচেঞ্জ কাফি হাউস’। সেখানে কফি পানের সাথে সাথে কলকাতার ইংরেজি কাগজগুলি যেমন পড়া যেত তেমনই আবার মাদ্রাজের যাবতীয় ইংরেজি খবরের কাগজেও চোখ বুলানো যেত। এই কফি হাউসে নিয়মিত ভদ্রলোক, ব্যবসায়ী বণিকের আড্ডা বসতে লাগল সন্ধে নামার সঙ্গে সঙ্গেই। তখনও কলেজ পড়ুয়াদের আড্ডাস্থল হয়ে ওঠেনি সেই কফি হাউস, কারণ কলকাতা তখনও ছাত্রসমাজ চোখেই দেখেনি। কিন্তু এখানে যারাই কফির কাপে তুফান তুলে আড্ডা দিতে আসেন তাঁরা চাঁদা দেন, মানে তাঁরা হলেন গিয়ে মেম্বার। প্রতি সন্ধ্যায় মেম্বারদের মধ্যে লেগে থাকত নানা বিষয়ের তর্ক-বিতর্ক। মাঝে মধ্যে সেই তর্ক এমন পর্যায়ে যেত যে লোকে ভাবত এবার বুঝি একটা ডুয়েল লড়াই লাগল। ‘সেপই সেপই’ বলে হাঁক পাড়তেন শান্তিকামী সদস্যরা।

coffee houses

টাকার অভাবে এই কফি হাউসটিও নিলামে উঠল। পড়ে রইল নিঝুম নামা বাড়িটি। আজকের যে ‘রয়্যাল এক্সচেঞ্জ’-এর বাড়িটি কলকাতায় মাথা তুলে দাঁড়িয়ে আছে সেটিই ছিল ওই ‘ক্যালকাটা এক্সচেঞ্জ কাফি হাউস’।
শ্রীপান্থের লেখা থেকে আরও একটি কফি হাউসের খবর মেলে। তার নাম জেরুজালেম কফি হাউস। ওটি ছিল ভারতবর্ষ নিয়ে যাদের ব্যবসা, তাদেরই আড্ডাখানা।

১৭৯০ সাল। জন ম্যাকডোনাল্ড নামে এক নাচের মাস্টার কলকাতায় পা দিয়েই বুঝতে পারলেন, এখানে ‘জেরুজালেমের’ অভাব। তিনি স্থির করলেন ওই নামেই একখানা কফি হাউস খুলবেন কলকাতায়। ম্যাকডোনাল্ড বাড়ি কিনলেন একখানা ডালহৌসি স্কোয়ারে। কাউন্সিল হাউস স্ট্রিট যেখানটায় মিলেছে ডালহৌসি স্কোয়ারে সেখানটায়। জেরুজালেম কফি হাউস খোলা হল।

ওখানেও কফি হাউস জমেনি । ওয়েলেসলি সাহেব ভাড়া নিলেন বাড়িটিকে। আর সেখানেই গড়ে উঠল একটি মহাবিদ্যালয়। সেটির নাম ‘ফোর্ট উইলিয়াম কলেজ’। সেই বাড়িও এখনও বর্তমান এইচএসবিসি ব্যাঙ্ক রূপে।

বাড়ছে জল: কলকাতার খাল পাড়ে কুমীর-বাঘের সহাবস্থান

Water pollution in kolkata

বিশেষ প্রতিবেদন: খালের মধ্যে বর্জ্য, খাল পাড়ে দখলদারদের ভিড়। এর জেরে বাড়বে জল দূষণ। পাশাপাশি খারাপ অবস্থা হচ্ছে খাল ও নদীর। যার আরও খারাপ ফল নদীর বহু ছোট নদীর মূল স্রোত হারিয়ে যাওয়া এবং ক্রমে নিকাশির অবস্থা খারাপ হয়ে যাওয়া সঙ্গে ও। এই পরিস্থিতিকে পরিবেশবিদ সুভাষ দত্ত বলছেন খাল কেটে কুমিরের পাশাপাশি বাঘকেও ডেকে আনছে মানুষ। পরিবেশের অশনি ঘন্টা বাজছে তীব্রভাবে।

কুমির বলতে পরিবেশবিদ বলেছেন শহরের খালে ক্রমাগত তরল ও কঠিন বর্জ্য নিক্ষেপ হওয়াকে। বাঘ, খাল এবং জলার দুপাশে লক্ষ লক্ষ দখলদার। পরিবেশবিদ বলেন, “আমরা বিপদকে আহ্বান করছি। পরিবেশ আদালতের নির্দেশে কয়েক সপ্তাহ আগে কেষ্টপুর ও বাগজোলা খালের হাল-হকিকৎ দেখতে বেরিয়েছিলাম। এর দূর্দশার বিবরণ দেওয়া আমার পক্ষে অসম্ভব। এককথায় আমার কাছে তা ছিল সত্যিই হৃদয়-বিদারক।”

তিনি আরও বলেন, ‘খালদুটোর দু-ধারে হাজার হাজার বেআইনি দখলদারি দেখে আদৌ অবাক হইনি, কেননা ৬ বছর আগেই আদিগঙ্গার পাড় দখল চাক্ষুষ করেছিলাম। চমকিত হলাম এখানে এর ব্যপকতাটা দেখে। স্থায়ী ও অস্থায়ী কাঠামো তৈরী করে খালের ধারেই কেবল নয়, জলের ওপরেও অসংখ্য নির্মাণে অবাধে চলছে ব্যবসা ও বসবাস। ঐ প্রান্তিক মানুষগুলোকে দেখে প্রথমেই ফ্ল্যাশ ব্যাকে আমার ছিন্নমূল হওয়া ছেলেবেলার বস্তিজীবনের কয়েকটা অধ্যায় মনে আসলো। এটা অনুভব করলাম যে আমি বা আমরা তখন ঢের ভালো ছিলাম। ঠিক বুঝে উঠতে পারিনি এই ছিন্নমূল মানুষগুলো কারা বা কোথা থেকে এসেছেন! “

Water pollution

পরিবেশবিদ জানিয়েছেন, ” কেন্দ্রীয় দূষণ নিয়ন্ত্রণ পর্ষদ মার্চ ২০২১ এ সারা ভারতে ট্রিটমেন্ট প্লাণ্টের কার্য্যকরণের ওপর একটা রিপোর্ট তৈরী করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে যে আমাদের রাজ্যে দৈনিক মোট ৫৪৫৭ মিলিয়ন লিটার তরল বর্জ্য তৈরী হয়, তার মধ্যে মাত্র ৩৩৭ মিলিয়ন লিটার শোধিত হচ্ছে। অর্থাৎ আমরা শতকরা প্রায় ৯৬ শতাংশ তরল বর্জ্য (মলমূত্র ও অন্যান্য) সরাসরি খাল-বিল-নদী-নালায় নিক্ষেপ করি। জলদূষণ এখন আমাদের দেশের ভূষণ। খাল-পাড়ের দখলদারেরাতো খাল ও জলাগুলোকে সরাসরি প্রক্ষালনে পরিণত করেছে, আর আমাদের মতন জিম্মাদারেরা পরোক্ষভাবে এগুলোকে প্রক্ষালন বানিয়েছে। তাই বাগজোলা ও কেষ্টপুর খালের ধারে এত দূর্গন্ধ পেয়েছিলাম যে আমার পূর্বজন্মের অন্নপ্রাশনের ভাতও প্রায় উঠে এসেছিলো।

শুধু তরল বর্জ্যই নয়- এত জঞ্জাল যে খাল দুটোতে কোথা থেকে আসে বা কিভাবেই তা প্রবাহিত হয় তা বুঝে উঠতেই পারলাম না। চলমান কঠিন বর্জ্যের এই প্রবাহের দৃশ্য সত্যিই বিরল। এখানেই শেষ নয় জাল বা দড়ি দিয়ে আটকে এই জঞ্জাল খাল থেকে তোলার প্রস্তুতিও কয়েক জায়গায় দেখলাম। খালে জঞ্জাল ফেলে সেগুলোকে ঠিকঠাক না রেখে, তা নোংরা করার পর পরিষ্কারের প্রয়াসটাকে অপপ্রয়াস ছাড়া আর কিই বা বলতে পারি?”

তিনি বলছেন, “রাজ্যে মোট কত খাল রয়েছে তার সঠিক সংখ্যা জানা নেই। শুধুমাত্র গঙ্গাতেই ১৩৮ টা খাল সংযোজিত রয়েছে বলে রিপোর্ট। নিজেদের বাড়ির টয়লেটগুলোকে সাফ-সুরত রেখে আমরা রাজ‍্যের সব খাল ও তৎসহ নদীগুলোকেই টয়লেট বানিয়ে ফেলেছি। একটা প্রশ্ন প্রায়ই ওঠে। কেন খাল ও জলাগুলোর আজ এই করুণ হাল? সরকার ও প্রশাসন করছেটা কি? আমি বলি ওঁরা ভোট ব্যাঙ্কের ফিক্সড ডিপোজিটটা অটুট রাখতেই কেবল আগ্রহী। অন্য কোন এজেন্ডা রাজনৈতিক নেতাদের কাছে নেই। খাল-বিল,জলা ও নদীগুলো আজ সেই কারণে অনাথ।”

BA-BCom পাস করে ঠেলাগাড়িতেই স্বপ্নের ঠিকানা খুঁজছেন শহরের চার যুবক

hyanglar adda

#Offbeat
নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমী দেশে উচ্চশিক্ষা চলাকালীন পার্ট টাইম কাজ করেন পড়ুয়ারা। কিন্তু এ দেশে এখনও শিক্ষিত কাউকে এ ধরনের কাজে ভাবতে পারেন না অনেকেই। তাছাড়া কাজের ক্ষেত্রে বৈষম্যটাও চোখে পড়ার মতো। সেই বৈষম্য মেটাতেই স্রোতের উলটো পথে হাঁটছেন শহরের চার যুবক। উচ্চশিক্ষিত হয়েও শহরের রাস্তায় কাবাব বিক্রি করছেন তাঁরা।

হ্যাংলার আড্ডা নামে ব্যবসা শুরু করে ইতিমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল ওই চার যুবকের ‘কীর্তি’। চার যুবকের কেউ বি.কম পাশ, কেউ বি.এ শেষ করেছেন, আবার কেউ কলেজ ড্রপ আউট, উচ্চশিক্ষা শেষ করতে পারেননি। প্রত্যেকেরই একটাই স্বপ্ন ছিল, নিজেদের পায়ে দাঁড়ানো। সেই লক্ষ্যেই চারজন মিলে নামেন ‘ব্যবসা’য়। শুরুটা হয়েছিল ২০২০ সালে, একটা ভ্যান রিক্সাতে কাবাব বিক্রি করে।

hyanglar adda

শিক্ষিত যুবক চাকরী ছেড়ে ব্যবসায় নামলে আমাদের সমাজের অনেকেরই ভ্রু কপালে ওঠে। সেই প্রশ্নের মুখে পড়তে হয়েছিল তাদেরও। সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই যুবকরা লিখেছেন, “আশেপাশের মানুষের নেগেটিভ কথা-বার্তা কান অব্দি ছুটে আসত। বাঙালি বাবুরা ব্যবসা করতে এসেছে, অনেকেই আমাদের ওপর হাসাহাসি করত, বলতো যে তোমরা পারবে এত কষ্ট করতে? তোমাদের দ্বারা ব্যবসা হবে না। এর আগেও অনেকে এসেছে ব্যবসা করতে কেউ তিন মাসের বেশি ব্যবসা করতে পারেনি।”

তারপরেও নিজেদের মনোবল ও জেদের ফলে ইতিমধ্যেই চালু হয়েছে তাদের ব্যবসা। অনেকেই আসছেন কাবাব খেতে। ইতিমধ্যেই দুটি আউটলেট চালু হয়েছে ‘হ্যাংলার আড্ডা’র। বেহালা মিত্র সংঘ ক্লাব এবং অজন্তা সিনেমার উলটোদিকে রীতিমতো ক্রেতাদের ভিড় জমে যায় রোজ। চার যুবকের স্বপ্ন, ‘এরপর আরও বহু জায়গায় গড়ে উঠবে হ্যাংলার আড্ডার আউটলেট।