Omicron : দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে ৪১

omicron-in-maharashtra

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি : কোভিডের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে (omicron varient) আক্রান্তের সংখ্যা ভারতে ক্রমশ বাড়ছে। মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) ২ জন ওমিক্রন আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। গুজরাতের (Gujrat) সুরাতেও দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে আসা ১ জন ওমিক্রন পজিটিভ। এই নিয়ে দেশে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়াল ৪১।    

নীতি আয়োগের সদস্য (স্বাস্থ্য) ডক্টর ভি কে পল একটি সাংবাদিক সম্মেলনে বলেন, দেশে করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের প্রাবল্য (Corona Second Wave) কমতে শুরু করেছে। কিন্তু যেভাবে মাস্ক পরার অনীহা দেখা দিচ্ছে তাতে ফের করোনার বিপদ সীমায় প্রবেশ করছে ভারত। এমনটাই আশঙ্কা। ইতিমধ্যেই, বিভিন্ন রাজ্য থেকে একের পর এক ওমিক্রন আক্রান্তের খোঁজ মিলছে। চণ্ডীগড়, অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটক, মহারাষ্ট্র, কেরল রয়েছে সেই তালিকায়। 

যদিও বাংলায় ওমিক্রন নিয়ে স্বস্তির খবর এসেছে। ব্রিটেন ফেরত মহিলার শরীরে ওমিক্রন নয় বরং করোনার ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্ট মিলেছে। সোমবার এ কথা জানিয়েছেন রাজ্যের স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী। অন্যদিকে, ওমিক্রন আশঙ্কায় বেলেঘাটা আইডিতে ভর্তি বাংলাদেশের ৭৪ বছরের ব্যক্তির নমুনা সংগ্রহ করে পাঠানো হয়েছে কল্যাণীতে। 

যদিও ওমিক্রন নিয়ে  বিজ্ঞানীদের একাংশের দাবি, এই ভ্যারিয়েন্টটি খুব সংক্রামক হলেও, ডেল্টার মতো ভয়ঙ্কর প্রাণঘাতী নয়। তবে করোনার নতুন এই ভ্যারিয়েন্ট কতটা মারাত্মক, প্রাণঘাতী হতে পারে তা একটি আন্তর্জাতিক সমীক্ষায় উঠে এসেছে। গবেষণা বলছে, ঠিকমতো সতর্কতা না নেওয়া হলে,  আগামী বছরের এপ্রিলের মধ্যে ব্রিটেনে ২৫ থেকে ৭৫ হাজার জনের মৃত্যু হতে পারে। সূত্রের খবর, এই পরিস্থিতিতে ওমিক্রনের আরও একটি প্রজাতির সন্ধান পেয়েছেন বিজ্ঞানীরা। যাকে এখনও শনাক্ত করা যায়নি। দক্ষিণ আফ্রিকা, অস্ট্রেলিয়া এবং কানাডায় এর হদিশ মিলেছে। 

Omicron: ব্রিটেনে প্রথম ওমিক্রন শিকার, জরুরি অবস্থা জারি

Experts,  suggestions,  central government, Omicron

News Desk: প্রথম শিকার ব্রিটেনে। মহামারি করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন (Omicron) আক্রান্ত হয়ে ব্রিটেনে একজনের মৃত্যু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  রবিবার বিবৃতিতে ওমিক্রন জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে ব্রিটেন সরকার।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, ওমিক্রনের একটি উত্তাল ঢেউ আসছে। আর এটা নিয়ে কারো কোনো সন্দেহ থাকা উচিত নয়। সেটি রোধে এই সপ্তাহ থেকে ইংল্যান্ডে ১৮ বছরের বেশি বয়সী সবাইকে টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হবে।

ব্রিটেনে জারি হয়েছে ওমিক্রন সতর্কতার ৪ নম্বর পর্যায়। লেভেল চার মানে করোনার উচ্চ বা ক্রমবর্ধমান ট্রান্সমিশন। গত মে মাসে এরকম সতর্কতা ছিল।

বরিস জনসন বলেছেন আমি ভয় পাচ্ছি যে, আমরা  ওমিক্রনের সঙ্গে যুদ্ধে একটি জরুরি অবস্থার সম্মুখীন হচ্ছি। সুরক্ষার জন্য কেবল ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ যথেষ্ট নয়। তবে বিজ্ঞানীরা আত্মবিশ্বাসী যে তৃতীয় ডোজ বা একটি বুস্টার ডোজ দিয়ে সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব।

Omicron: বাংলাদেশ থেকে ফিরে প্রৌঢ়ের সংক্রমণ, রাজ্যে ওমিক্রন ঢুকল?

Omicron virus has been found in India

News Desk: পশ্চিমবঙ্গেও কি ওমিক্রন (Omicron) ঢুকে গেল? আশঙ্কা এমনই। বাংলাদেশ থেকে ফিরে আসা এক ব্যক্তির দেহে করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। তাঁর নমুনা পরীক্ষা করা হচ্ছে। তবে সেই ব্যক্তি ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত কিনা তা নিয়ে চিন্তা।

আক্রান্ত ব্যক্তি উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের বাসিন্দা। সম্প্রতি তিনি বাংলাদেশ থেকে ফিরে আসেন। সীমান্তে তাঁর পরীক্ষা করা হয়। সেই রিপোর্টে ধরা পড়েছে তিনি করোনা পজিটিভ।আপাতত তিনি বেলেঘাটার আইডি হাসপাতালে আছেন।

একইভাবে ইংলিশ থেকে আসা এক তরুণীর দেহে মিলেছে করোনাভাইরাস। তিনিও কি ওমিক্রন সংক্রমিত? চিকিৎসকরা বলছেন, করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট অত্যন্ত দ্রুত সংক্রমণ ছড়ায়। বাংলাদেশ থেকে আলা ব্যক্তি বা ইংল্যান্ড থেকে আসা তরুণী সেরকম সংক্রমিত কিনা তা পরীক্ষার ফলাফলে নিশ্চিত হবে। তাদের শারীরিক অবস্থা স্থিতিশীল।

ঢাকার সংবাদ মাধ্যমের খবর, বাংলাদেশ জাতীয় নারী ক্রিকেট দল জিম্বাবোয়ে সফর শেষে ফিরতেই দুই ক্রিকেটারের দেহে ওমিক্রন সংক্রমণ চিহ্নিত হয়েছে। পুরো দলটিকে বিশেষ নজরে কোয়ারেন্টাইনে পাঠানো হয়েছে। বাংলাদেশের স্থানান্তর জাহিদ মালিক জানান, দেশে ওমিক্রন ঢুকেছে।

বিদেশ বা অন্যান্য রাজ্য থেকে যারা পশ্চিমবঙ্গে আসছেন তাদের নিয়েই চিন্তা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। মহারাষ্ট্র, দিল্লি, কর্নাটক সহ আসছেন বহুজন। বিমান বন্দরে সতর্কতা থাকলেও সড়ক ও রেলপথের যাত্রীদের নিয়ে উদ্বেগ বেশি।

দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে করোনাভাইরাসের ওমিক্রন ছড়াতে শুরু করেছে বিশ্বজুড়ে। পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)।

Omicron: ভারতের প্রথম ওমিক্রন আক্রান্ত ব্যক্তি এখন সুস্থ

Omicron virus has been found in India

নিউজ ডেস্ক, মুম্বই: দেশের প্রথম ওমিক্রন (omicron) আক্রান্তের খোঁজ মিলেছিল মহারাষ্ট্রে (maharastra)। সম্প্রতি সেই ৩৩ বছর বয়সী মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারের রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। তাঁকে হাসপাতাল থেকেও ছেড়ে দেওয়া হলেও এই মুহূর্তে ৭ দিনের জন্য হোম কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। 

এদিকে, এশিয়া-দক্ষিণ আফ্রিকার (South Africa) পর ইউরোপেও (Europe) প্রবল গতিতে করোনা বাড়ছে। মঙ্গলবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (World Health Organization) তরফে জানানো হয়েছে, ইউরোপের দেশগুলি থেকে আক্রান্তের সংখ্যা বৃদ্ধির নেপথ্যে রয়েছে শিশুদের সংক্রমণ বৃদ্ধি। হু (WHO) জানিয়েছে, ৫-১৪ বছর বয়সি শিশুরা বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। এই বয়সের শিশুরাই সংক্রমণের সর্বোচ্চ হারের জন্য দায়ী।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপের রিজিওনাল ডিরেক্টর ডাঃ হান্স ক্লুজ জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত ওমিক্রনে (Omicron) মৃত্যুর হার আগের থেকে অনেক কম। তবে মধ্য এশিয়া সহ ৫৩ টি অঞ্চলে গত দুই মাসে করোনা কেস এবং মৃত্যু দ্বিগুণেরও বেশি হয়েছে। ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে হু ইউরোপের সদর দফতর থেকে তিনি বলেন, ‘ডেল্টা ইউরোপ এবং মধ্য এশিয়া জুড়ে প্রভাব বিস্তার করেছিল। তবে ভ্যাকসিন এই রোগ রুখে মৃত্যু কমাতে কার্যকর হয়েছে। এখনও দেখা বাকি আছে যে ওমিক্রন অনেক বেশি সংক্রমণ বাড়বে। আরও গুরুতর হতে পারে। ইউরোপে শিশুদের মধ্যে অনেকটাই আক্রান্ত বাড়ছে। কিছু জায়গায় গড় জনসংখ্যার তুলনায় অল্পবয়সী শিশুদের মধ্যে আক্রান্তের ঘটনা দুই থেকে তিনগুণ বেশি।

এদিকে, রেনবো চিল্ড্রেন্স হাসপাতালের চিকিৎসক, ডাঃ নীতিন ভর্মা বলেন, ‘শিশুরা দ্রুত সংক্রমিত হতে পারে। করোনার নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন এসেছে। তা ছড়িয়েও যাচ্ছে দ্রুত। এই পরিস্থিতিতে শিশুরাই সবচেয়ে বেশি সংক্রামিত হতে পারে। তাই তাদের সাবধানে রাখা এবং শিশুদের দ্রুত ভ্যাকসিনেশনের ব্যবস্থা করতে হবে।’ 

Omicron: ওমিক্রন ডেল্টার চেয়েও সংক্রামক: প্রধানমন্ত্রী জনসন

boris johnson

নিউজ ডেস্ক, লন্ডন: করোনাভাইরাসের নয়া ভ্যারিয়েন্স ওমিক্রন (Omicron) সারা বিশ্বজুড়ে চিন্তা বাড়িয়েছে। ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনের গলায় উদ্বেগের প্রতিফলন ঘটেছে। মঙ্গলবার মন্ত্রিসভার সদস্যদের জনসন বলেছেন, করোনার ওমিক্রমন ভ্যারিয়েন্ট ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের তুলনায় অনেক বেশি সংক্রামক। বর্তমানে ব্রিটেনে বেশি সংখ্যায় ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টে সংক্রমণের খবর সামনে এসেছে। এরমধ্যে বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও।

প্রধানমন্ত্রীর দফতরের মুখপাত্র জানিয়েছেন, জনসন  বলেছেন যে, কোভিড-১৯ এর নয়া প্রজাতির ব্যাপকতর প্রভাব সম্পর্কে এখনই কোনও সিদ্ধান্তে আসা ঠিক হবে না। তবে প্রাথমিক যে ইঙ্গিত মিলেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে, ওমিক্রন ডেল্টার তুলনায় বেশি সংক্রামক। এরইমধ্যে ব্রিটেনে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে মঙ্গলবার ১০১ জনের আক্রান্ত হওয়ার খবর সামনে এসেছে। সবমিলিয়ে ব্রিটেনে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪৩৭।

এর আগে ব্রিটেনের স্বাস্থ্যমন্ত্রী সাজিদ জাভেদ সোমবার পার্লামেন্টে বলেন, দেশে করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রনের গোষ্ঠী পর্যায়ে সংক্রমণ ছড়ানোর সূত্রপাত হয়েছে। হাউস অফ কমন্সে জাভেদ জানান যে, সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এখনও পর্যন্ত করোনার নয়া ভ্যারিয়েন্টে ৩৩৬ জনের সংক্রমণ সামনে এসেছে। এরমধ্যে ৭১ জন আক্রান্ত স্কটল্যান্ডে এবং ওয়েলসে ৪ জন। তিনি আরও জানান, এমন কিছু সংক্রমণ ঘটেছে, যেগুলির সঙ্গে আন্তর্জাতিক যাতায়াতের কোনও সম্পর্ক নেই। এই সংক্রমণগুলি স্থানীয়ভাবেই ঘটেছে। তাই বলা যেতে পারে, ব্রিটেনের অনেক জায়গায় গোষ্ঠী সংক্রমণ শুরু হয়েছে। 

ইতিমধ্যে দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাফোসা দক্ষিণ আফ্রিকা ও আফ্রিকার অন্যান্য দেশের ওপর যাতায়াত সংক্রান্ত নিয়ন্ত্রণ আরোপের তীব্র সমালোচনা করেছেন। তিনি এ ধরনের সিদ্ধান্তকে কঠোর, অবৈজ্ঞানিক ও ভণ্ডামি বলে মন্তব্য করেছেন।

The Ashes: পঞ্চম অ্যাসেজ টেস্ট পার্থ থেকে সরানো হল

The Ashes

Sports desk: অ্যাসেজ (The Ashes) টেস্ট ম্যাচ সিরিজ খেলার জন্য ইংল্যান্ড এখন অস্ট্রেলিয়া সফরে। এরই মধ্যে আচমকা কোভিড-১৯ বিধিনিষেধ ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়াকে (CA) অ্যাসেজের পঞ্চম তথা শেষ টেস্টের ভেন্যু পরিবর্তন করতে বাধ্য করেছে। ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া

যথাসময়ে চূড়ান্ত টেস্টের ভেন্যু ঘোষণা করবে এমনটাই জানা গিয়েছে। পূর্ব নির্ধারিত অ্যাসেজের পঞ্চম তথা শেষ টেস্ট ম্যাচ পার্থে নতুন বছরের ১৪ জানুয়ারি আয়োজিত হওয়ার ক্রীড়াসূচিতে ছিল।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়া তাদের বিবৃতিতে বলেছে যে “সীমান্ত নিয়ন্ত্রণ, কোয়ারেন্টাইনের প্রয়োজনীয়তা এবং একটি টাইট সময়সূচীতে পাঁচ টেস্টের সিরিজ আয়োজনের জটিলতা” তাদের ভেন্যু পরিবর্তন করতে বাধ্য করেছে।

আগে থেকেই নির্ধারিত অ্যাসেজের 5 টেস্টের সিরিজ 8 ডিসেম্বর ব্রিসবেনের গাব্বাতে অ্যাসেজ শুরু হতে চলেছে। 16 ডিসেম্বর মেলবোর্ন ক্রিকেট গ্রাউন্ডে বক্সিং ডে টেস্ট অনুষ্ঠিত হওয়ার আগে অ্যাকশনটি দ্বিতীয় টেস্টের জন্য অ্যাডিলেড ওভালে চলে যাবে।

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার CEO নিক হকলি বলেছেন: “আমরা সাম্প্রতিক মাসগুলিতে দক্ষিণ অস্ট্রেলিয়া (WA) সরকার, প্রাসঙ্গিক সংস্থা এবং পার্থ স্টেডিয়ামের প্রচেষ্টাকে স্বীকার করি এবং প্রশংসা করি।”

নিক হকলির কথায়,”আমরা খুবই হতাশ যে আমরা পার্থ স্টেডিয়ামে পঞ্চম অ্যাসেজ টেস্ট করতে পারছি না। বর্তমান সীমানা এবং স্বাস্থ্য ব্যবস্থার অধীনে কাজ করার জন্য আমরা WA সরকার এবং WA ক্রিকেটের সাথে অংশীদারিত্বে যা করতে পারি তা করেছি, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত এটি সম্ভব হয়নি।”

ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার CEO এমনও বলেছেন, “আমরা পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ভক্তদের জন্য বিশেষভাবে হতাশ যারা নতুন স্টেডিয়ামে প্রথম অ্যাসেজ টেস্ট দেখার জন্য উন্মুখ।”

নিক হকলির বয়ান, “আমরা পার্থে আসন্ন BBL ম্যাচ এবং নিউজিল্যান্ড বনাম ডেটল ওডিআই আয়োজনের জন্য WA সরকার, পার্থ স্টেডিয়াম এবং WA ক্রিকেটের সাথে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য উন্মুখ এবং তাদের অব্যাহত সমর্থনের জন্য তাদের ধন্যবাদ।”

এখন আসন্ন নতুন বছরে আগামী ৫ জানুয়ারি সিডনি ক্রিকেট গ্রাউন্ডে অস্ট্রেলিয়া বনাম ইংল্যান্ডের মধ্যে নতুন বছরের প্রথম টেস্ট অনুষ্ঠিত হবে।

Coronavirus Updates: ওমিক্রন ভাইরাসে আক্রান্ত তৃতীয় ব্যক্তির খোঁজ মিলল ভারতে

Omicron virus has been found in India

Coronavirus Updates
নিউজ  ডেস্ক নয়াদিল্লি: দেশে করোনার নতুন প্রজাতি ওমিক্রন আক্রান্ত তৃতীয় এক ব্যক্তির খোঁজ মিলল গুজরাতে (gujrat)। জানা গিয়েছে ওই ব্যক্তি দু’দিন আগে জিম্বাবোয়ে থেকে গুজরাতের জামনগরে (jamnagar) আসেন। বিমানবন্দরে (airport) স্ক্রিনিংয়ের সময় তাঁর করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসে। সঙ্গে সঙ্গেই ওই ব্যক্তির জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য নমুনা পাঠানো হয় পুণের একটি ল্যাবরেটরিতে। সেখান থেকেই জানা যায়, ওই ব্যক্তি ওমিক্রন (omicron) ভাইরাস আক্রান্ত।

গুজরাতের স্বাস্থ্য সচিব জয়প্রকাশ জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার ৭২ বছর বয়সি এক বৃদ্ধর করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর জানা যায়। সম্প্রতি তিনি জিম্বাবোয়ে থেকে দেশে ফিরেছেন। সেই খবর জানার সঙ্গে সঙ্গেই ওই ব্যক্তির নমুনা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের জন্য পাঠানো হয়েছিল। সেই পরীক্ষাতেই জানা গিয়েছে, ওই ব্যক্তি ওমিক্রন ভাইরাসে আক্রান্ত।

এরই মধ্যে জানা গিয়েছে, সম্প্রতি উত্তরপ্রদেশে বিভিন্ন দেশ থেকে এসেছিলেন ৩০০ জন ব্যক্তি। যাদের মধ্যে ১৩ জনের কোন খোঁজ মিলছে না। ওই ১৩ জন ভুয়ো ঠিকানা দিয়ে উত্তরপ্রদেশের মেরঠে ছিলেন বলে জানা গিয়েছে। যার মধ্যে সাতজন ফিরেছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে। এই খবর ছড়ানোর সঙ্গে সঙ্গেই উদ্বেগ আরও বেড়েছে। তবে শুধু উত্তরপ্রদেশ নয়, গত ১০ দিনে বিদেশ থেকে ফেরা ৩০ জনের কোনও খোঁজ মিলছে না অন্ধপ্রদেশে। শেষ ১০ দিনে অন্ধ্রপ্রদেশে বিভিন্ন দেশ থেকে ফিরেছেন ৬০ জন। যার মধ্যে ৩০ জন বিশাখাপত্তনমে থাকলেও বাকি ৩০ জন কোথায় গিয়েছেন তার কোন খবর নেই। ওই ৩০ জনকে দ্রুত খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে।

ওমিক্রনের প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে ইতিমধ্যেই বৃহনমুম্বাই পুরসভা জানিয়েছে, বিদেশ থেকে কেউ ফিরলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে বাধ্যতামূলকভাবে কোয়ারেন্টাইনে থাকতে হবে। বিদেশ ফেরত কোনও যাত্রী প্রশাসনের চোখকে যাতে ফাঁকি দিতে না পারে সেজন্য মুম্বই আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের কাছে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলি থেকে আসা যাত্রীদের তালিকা চেয়েছে বিএমসি। প্রতি ২৪ ঘণ্টায় একবার করে ওই তালিকা পাঠানোর আর্জি জানানো হয়েছে। বিএমসি সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিদেশ থেকে আসা যাত্রীদের করোনা পরীক্ষার করে তাদের বাড়িতেই কোয়ারেন্টাইনে রাখা হবে।

অন্যদিকে তামিলনাড়ুর মাদুরাইয়ে বাজার, শপিং মল, রেস্তোরাঁ, সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন দফতরে যেতে হলে অবশ্যই করোনার শংসাপত্র বাধ্যতামূলকভাবে সঙ্গে রাখতে হবে। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, মাদুরাই ও সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দাদের টিকার অন্তত একটি ডোজ নেওয়ার জন্য আরও এক সপ্তাহ সময় দেওয়া হয়েছে। ওই সময়সীমার মধ্যে একটি ডোজ না নেওয়া হলে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে প্রকাশ্য স্থানে ঘোরাফেরার অনুমতি দেওয়া হবে না।

ওমিক্রন ঠেকাতে তৎপর হয়ে উঠেছে বৃহনমুম্বাই কর্পোরেশন। বিএমসি’র পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, দুর্যোগ মোকাবিলা দফতরের কর্মীরাই কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিদের প্রতিটি গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করবেন। প্রতিদিন একজন চিকিৎসক তাঁদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করবেন। এক সপ্তাহ পর ওই ব্যক্তিদের আরটি-পিসিআর টেস্ট করা হবে। পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ হলে তবেই তাঁরা বাইরে আসতে পারবেন। যদি রিপোর্ট পজিটিভ হয় তাহলে পরবর্তী ক্ষেত্রে তাঁদের জিনোম সিকোয়েন্স পরীক্ষা হবে। শহরের বিভিন্ন আবাসন কর্তৃপক্ষকেও বিএমসি জানিয়েছে, বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তিরা যেন কঠোরভাবে কোয়ারেন্টাইনে থাকার নিয়ম মেনে চলেন।

উল্লেখ্য, গত কয়েকদিনে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলো থেকে ১৬ হাজার মানুষ ভারতে এসেছেন। যার মধ্যে ১৮ জন করোনা পজিটিভ। তাঁদের সকলেরই জিনোম সিকোয়েন্সিং করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ওই ব্যক্তিদের সংস্পর্শে যারা এসেছেন তাদেরও চিহ্নিত করা হচ্ছে। ওমিক্রনের হাত থেকে রক্ষার পেতেই এই উদ্যোগ।

Omicron: টিকা নিতে নারাজ ইউরোপবাসীকে বাগে আনতে কড়া হুঁশিয়ারি

vaccination incentives

News Desk: নভেল করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ছড়াচ্ছে হু হু করে। করোনার মৃত্যু আহ্বানের আমন্ত্রণ এসেছে। অথচ প্রচলিত টিকাগুলি নিতে অস্বীকার করছেন ইউরোপের বেশ কিছু দেশের বাসিন্দারা। শিল্পন্নোত পশ্চিম ইউরোপের ধনী দেশগুলির এই চরম অবৈজ্ঞানিক মানসিকতার কারণে বিশ্ব বিপদের মুখে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হুঁশিয়ারি কমপক্ষে ৫ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

করোনা প্রতিরোধের টিকা নিতে নারাজ বেশকিছু দেশের বাসিন্দারা। হচ্ছে জ্বলন্ত প্রতিবাদ। এই অবস্থায় ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোকে কোভিড টিকা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবে শোরোগোল পড়ল। টিকা বিরোধী জনতার বিক্ষোভ আরও জ্বলন্ত হবে বলেই আশঙ্কা।

বিবিসি জানাচ্ছে, টিকা নেওয়ার প্রস্তাব বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লেয়েন। বেলজিয়ামের রাজধানী
ব্রাসেলসে সাংবাদিকের সম্মেলনে তিনি বলেন, টিকা বাধ্যতামূলক করা নিয়ে ঠিক কী পদক্ষেপ নেওয়া যায় সে বিষয়ে আলোচনা জরুরি। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই যৌথ উদ্যোগ প্রয়োজন। আমি মনে করি আলোচনাটা শুরু হওয়া দরকার।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান বলেছেন, ব্যাপক মাত্রায় সংক্রমণে সক্ষম ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট রুখতে টিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এদিকে ওমিক্রন ভয়ে ভীত হয়ে কড়া অবস্থান নিলঅস্ট্রিয়া সরকার। ফেব্রুয়ারি থেকে কোভিড টিকা বাধ্যতামূলক হবে এমন ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। গ্রিসে টিকা না নেওয়া ষাটোর্ধ্বদের প্রতি মাসে ১০০ ইউরো করে জরিমানা গুনতে হচ্ছে।

টিকা গ্রহণের শতাংশে জার্মানির অবস্থান নিম্ন সারিতে। দেশটিক পরবর্তী চ্যান্সেলর হতে যাওয়া ওলাফ শলজ জানিয়েছেন, তিনি টিকা বাধ্যতামূলক করার পক্ষে। তিনি বলেন, গত মার্চ থেকেই টিকা বাধ্যতামূলক চেয়ে আসছি। একই সঙ্গে দ্রুতগতির বুস্টার ডোজ প্রদান কার্যক্রম জরুরি।

বিবিসি জানাচ্ছে, গত ২২ নভেম্বর প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় ওমিক্রন শনাক্ত হয়। ২৪ নভেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) একে ভ্যারিয়েন্ট অফ কনসার্ন বা উদ্বেগজনক ভ্যারিয়েন্ট হিসেবে চিহ্নিত করে। এর নামকরন করে ওমিক্রন।

Bhutan: করোনায় মৃত ৩ জন ! ওমিক্রন রুখতে নামলেন ড্রাগন রাজা

Bhutan government starting to prevent covid 19

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: শুরু হয়ে গিয়েছে যুদ্ধ প্রস্তুতি। রক্ষা করতে হবে করোনা বিরোধী শক্তিশালী দুর্গকে। যে দুর্গের বিখ্যাত ড্রাগন দরজা পেরিয়ে অদৃশ্য জীবাণু ঘাতক হামলা করলেও গত দু বছরে তেমন কিছু ক্ষতি করতে পারেনি। এমনই দুর্গ-ভুটান (Bhutan) ফের তৈরি। রাজধানী থেকে প্রত্যন্ত জেলা, মফস্বল, প্রবল ঠান্ডায় কুঁকড়ে থাকা গ্রামাঞ্চলেও চলছে প্রতিরোধের ছক চলছে।

বিশ্ব কাঁপতে শুরু করেছে করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন আতঙ্কে। দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে সেটি। বিশেষজ্ঞেররা বলছেন, এই ভ্যারিয়েন্ট ডেল্টার থেকেও ভয়াবহ। করোনাভাইরাস হামলা রুখেছে গুটিকয়েক দেশ। তাদের অন্যতম লাওস, ভিয়েতনাম। তাদেরই সঙ্গে এক সারিতে এসেছে পশ্চিমবঙ্গের প্রতিবেশি দেশ ভুটান।

ভুটানের সংবাদ সংস্থা ও স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলি জানাচ্ছে, রাজা জিগমে খেসর নামগিয়াল ওয়াংচুকের নির্দেশে সরকার সংগ্রহ করছে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টের সর্বশেষ তথ্য। চিকিৎসক প্রধানমন্ত্রী লোটে শেরিং ও তাঁর সরকারের স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেচেন ওয়াংমোর আধুনিক জনস্বাস্থ্য বিজ্ঞানের ব্যবহারিক প্রয়োগ নিয়ে বিশ্বজোড়া প্রশংসিত।

ড্রাগন রাজার ফরমান সরকারের মাধ্যমে ‘ড্রাগনভূমি’র সর্বত্র ছড়িয়েছে। এই ফরমানে বলা হয়েছে, যে অরেঞ্জ ফাইটাররা কোভিড লকডাউন পর্যায়ে জনস্বাস্থ্য রক্ষা করেছিলেন তাদের পরবর্তী যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত হতে হবে। কারণ, ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট আরও ভয়াবহ আকার নিতে চলেছে বলেই বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন।

থিম্পুর রাজবাড়ি থেকে নির্দেশ আসতেই ভুটান জুড়ে শুরু হয়েছে তুমুল ব্যস্ততা। নির্দেশ এসেছে, করোনা মোকাবিলায় বিখ্যাত কমলা যোদ্ধাদের (ডি সুং বা ডি সুপ) পরবর্তী ব্যাচগুলিকে দেশের ২০টি জেলাতেই নতুন করে কাজ শুরু করতে হবে। বিশেষত ভারত লাগোয়া জেলাগুলিতে নজর দিতে বলা হয়েছে।

ভারত ও চিনের মাঝে ছোট দেশ ভুটান। উত্তরে চিনের সঙ্গে সীমান্ত এলাকা থেকে দক্ষিণ ও পূর্ব দিকে ভারত লাগোয়া এলাকা নিয়েই চিন্তা ভুটান সরকারের। সড়কপথে বিশ্বের সঙ্গে এদিক দিয়েই সংযোগ রক্ষা করে ভুটান সরকার। ভারত সংলগ্ন ভুটানের জনবহুল জেলাগুলির অন্যতম চুখা, সমদ্রুপ জংখার।

পশ্চিমবঙ্গ, সিকিম, অসম, অরুণাচল প্রদেশের সঙ্গে ভুটানের সীমান্ত। পশ্চিমবঙ্গের তিনটি জেলা জলপাইগুড়ি, কালিম্পং, আলিপুরদুয়ারের সঙ্গে ভুটান সংলগ্ন। এখানেই আছে দক্ষিণ এশিয়ার অন্যতম স্থলপথ বাণিজ্যকেন্দ্র ফুন্টশোলিং-জয়গাঁ সীমান্ত। ভুটানের চুখা জেলার ফুন্টশোলিং ও ভারতের দিকে আলিপুরদুয়ার জেলার জয়গাঁর মাঝে বিখ্যাত ‘ভুটান গেট’।

করোনা লকডাউন পর্বে এই বিখ্যাত ভুটান গেট বন্ধ করে বিশ্ব থেকে স্থলপথে বিচ্ছিন্ন হয়েছিল ভুটান। এরপর দেশব্যাপী শুরু হয়েছিল করোনা প্রতিরোধ। সীমান্তের এপারে যখন পশ্চিমবঙ্গে করোনায় মৃত্যু মিছিল চলছিল তখন ওপারে ভুটানের এলাকায় সংক্রমণ রুখতে মরণপণ চেষ্টা চালায় দেশটির সরকার। সেই কাজে তাদের সফলতা দেখে চমকে গিয়েছে দুনিয়া। অদৃশ্য জীবাণু ঘাতকদের হামলা রুখে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে বিস্ময় নাম এখন ভুটান। তারা ফের তৈরি।

Covid 19: আতঙ্কের নতুন নাম omicron কেমন ‘খতরনাক’, জেনে নিন

omicron is dangerous

News Desk: বিশ্বজুড়ে উদ্বেগের কারণ,করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট – ওমিক্রন (omicron)। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) জানিয়েছে সতর্কতা নিতেই হবে।

করোনার সর্বশেষ ‌এই ভ্যারিয়েন্ট কোভিড জীবাণুর সবচেয়ে বেশি মিউটেট হওয়া সংস্করণ। এর মিউেটশনের তালিকা এত দীর্ঘ যে কিছু বিশেষজ্ঞ বিজ্ঞানী একে ‘ভয়াবহ’ বলে বর্ণনা করেছেন। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর। ওমিক্রন তার যাত্রা শুরু করেছে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে।ধারণা করা হচ্ছে এটি অন্য জায়গায় ছড়িয়ে পড়বে।

Experts,  suggestions,  central government, Omicron

বিশ্বজুড়ে মূলত তিনটি প্রশ্ন,
(১)ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট কত দ্রুত ছড়াতে পারবে?
(২)ভ্যাকসিনের সুরক্ষাকে ভেদ করতে পারবে?
(৩)এর বিরুদ্ধে কি ব্যবস্থা নেওয়া যাবে?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) নতুন এই করোনা ভ্যারিয়েন্টের নাম দিয়েছে ওমিক্রন। বিবিসি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই ভ্যারিয়েন্টটি তার রূপ পরিবর্তন করেছে অনেকভাবে।

দক্ষিণ আফ্রিকার সেন্টার ফর এপিডেমিক রেসপন্স অ্যান্ড ইনোভেশনের পরিচালক অধ্যাপক টুলিও ডি অলিভিয়েরা বলছেন, এই ভ্যারিয়েন্টটি অনেক অস্বাভাবিকভাবে মিউটেট করেছে এবং এখন পর্যন্ত অন্য যেসব ভ্যারিয়েন্ট ছড়িয়েছে তার চেয়ে এটি অনেকখানিই আলাদা। তিনি বলেছেন, বিবর্তনের জন্য এটা বড় বড় ধাপ পার হয়েছে। কোভিড জীবাণুতে আমরা সাধারণত যে ধরণের মিউটেশন দেখি এর মধ্যে সেটা অনেক বেশি।

বিবিসি জানাচ্ছে, কোভিডের অনেক ভ্যারিয়েন্ট গবেষণাগারে বিপজ্জনক বলে মনে হলেও পরে তা ভুল প্রমাণিত হয়। চলতি বছরের শুরুর দিকে বেটা ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে সবাই দুর্ভাবনায় ছিলেন। কারণ মানুষের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভেদ করতে এর কোনও জুড়ি ছিল না। কিন্তু পরে দেখা গেছে ডেল্টা ভ্যারিয়েন্ট এর চেয়েও দ্রুত গতিতে সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বেটা ভ্যারিয়েন্ট শুধু রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে ভেদ করতে পারতো। আর কিছু না। ডেল্টার সংক্রমণ ক্ষমতা ছিল বেশি। কেমব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা বলছেন, ওমিক্রন দুই দিক থেকেই সমান পারদর্শী।

Covid 19: করোনার নতুন মুখোশ ওমিক্রন ভয়ে স্থগিত WTO সম্মেলন

Covid 19

News Desk: করোনাভাইরাসের (Covid 19) নতুন ধরণ ধরা পড়েছে দক্ষিণ আফ্রিকায়। এর নাম ওমিক্রন। এই ধরণটি ইন্ডিয়ান ভ্যারিয়েন্ট বা ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের চেয়ে বিপজ্জনক। ফলে বাতিল হয়ে গেল বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠক।

আগামী সপ্তাহে হতে চলা সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন শেষ মুহূর্তে স্থগিত করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে। আগামী ৩০ নভেম্বর এই সম্মেলন শুরুর কথা ছিল।

ডব্লিউটিএর মহাপরিচালক নোজি ওকোনজো ইওয়েল বলেন, দ্রুত কোনো পদক্ষেপ নেওয়া খুব সহজ বিষয় ছিল না। কিন্তু সংস্থার মহাপরিচালক হিসেবে সব অংশগ্রহণকারী, মন্ত্রী, প্রতিনিধিদের স্বাস্থ্য এবং নিরাপত্তাই আমার কাছে প্রধান অগ্রাধিকার।

দক্ষিণ আফ্রিকায় প্রথম শনাক্ত হওয়া করোনাভাইরাসের নতুন ধরন ‘ওমিক্রন’কে ইতোমধ্যে ‘উদ্বেগজনক’ বলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। ‘ওমিক্রন’কে এখন পর্যন্ত পাওয়া করোনার ভয়াবহ ধরনগুলোর মধ্যে একটি হিসেবে ধরা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে করোনার এই ধরণটির নাম রাখা হয়েছিল বি.১.১.৫২৯।

দক্ষিণ আফ্রিকা ছাড়াও বতসোয়ানা, ইজরায়েল ও হংকং, বেলজিয়ামে ওমিক্রন শনাক্ত হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আফ্রিকার দক্ষিণাঞ্চলের কয়েকটি দেশের ওপর ফ্লাইট চলাচলে জরুরিভিত্তিতে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেশগুলি। নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, কানাডা ও ব্রিটেন।

Covid 19: মানবদেহে প্রয়োগ হবে বাংলাদেশের করোনা টিকা বঙ্গভ্যাক্স

bonvax

News Desk: বাংলাদেশের তৈরি করোনাভাইরাসের (Covid 19) ভ্যাকসিন বঙ্গভ্যাক্স মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগের নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে দেশটির সরকার।

এই টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ প্রাণিদেহে সফল হয়েছে। এর পরেই টিকা মানব দেহে প্রয়োগের অনুমোদন দেয় বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলে (বিএমআরসি)। সংস্থার পরিচালক ডা. রুহুল আমিন বলেন, ফেজ-১ পরীক্ষার জন্য অনুমতি দেওয়া হয়েছে।

ওষুধ প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠান গ্লোব ফার্মার সহযোগী গ্লোব বায়োটেক বাংলাদেশে করোনাভাইরাসের মহামারি শুরুর পর গত বছরের ২ জুলাই করোনা টিকা তৈরির কাজ শুরুর কথা জানায়।

বানরের দেহে বঙ্গভ্যাক্স টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগের ফলাফল গত ১ নভেম্বর বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কাউন্সিলে (বিএমআরসি) জমা দেয়।

করোনাভাইরাসের টিকা তৈরির লড়াইয়ে থাকা বাংলাদেশের একমাত্র প্রতিষ্ঠান গ্লোব বায়োটেক লিমিটেড এবার পরবর্তী পরীক্ষার মুখে। সংস্থার ব্যবস্থাপক ড. মহম্মদ মহিউদ্দিন জানান, যে কোনও টিকা তৈরির পর ধাপে ধাপে নানা পরীক্ষার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। সর্বশেষ মানবদেহে পরীক্ষামূলক প্রয়োগে তা নির্দিষ্ট রোগ প্রতিরোধে অ্যান্টিবডি তৈরিতে সফলতার মুখ দেখলে তা টিকা হিসাবে স্বীকৃতি পায়।

Germany: দয়া করে টিকা নিন নইলে মরব সবাই, উন্নত জার্মানির হাহাকার শুরু

covid19

News Desk: বিশ্বে সর্বনিম্ন করোনা টিকাকরণ হয়েছে যে সব দেশে তাদের মধ্যে পশ্চিম ইউরোপের ধনী ও শিল্পোন্নত দেশগুলি জ্বলজ্বল করছে। হু হু করে করোনা ছড়াতে শুরু করলেও টিকাকরণের গতি কচ্ছপকেও হার মানাবে। জার্মানিতে কোভিড ১৯ সংক্রমণের বিপদ বুঝে এবার সরকার কাতর আবেদন জানাল।

ইউরোপজুড়ে করোনার সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। ফলে কোভিড-১৯ টিকাদানের গুরুত্বারোপ করতে গিয়ে সর্বোচ্চ হুঁশিয়ারি দিলেন জার্মানির স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেন্স স্পান। তিনি বলেছেন, ‘এই শীতের শেষ নাগাদ, জার্মানির সবাই হয় টিকা নিয়ে সুস্থ হয়ে উঠবে, নইলে মারা যাবে।’

বিবিসি জানাচ্ছে,  করোনার চতুর্থ ঢেউয়ের সম্মুখীন হতে চলেছে জার্মানি। দ্রুত সংক্রমণ বাড়ছে, অনেকগুলো হাসপাতাল এরই মধ্যে রোগীতে পরিপূর্ণ। সম্প্রতি একদিনে ৬৫ হাজার রেকর্ড সংখ্যক করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই চতুর্থ ঢেউ আগেরগুলোর চেয়ে মারাত্মক হতে পারে।

covid19

গত ২৪ ঘণ্টায় জার্মানিতে ৩০ হাজার ৬৪৩ জন নতুন করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে। আগের সপ্তাহে একই দিনে এই সংখ্যা সাত হাজার কম ছিল।

জার্মানির স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ব্যাপকভাবে সংক্রামক ডেল্টা ভ্যারিয়্যান্ট সম্প্রতি এতটাই আগ্রাসী যে, আগামী কয়েক মাসের মধ্যে যারা টিকা না নিয়ে থাকবে তারা আক্রান্ত হবে এবং তাদের সুরক্ষায় ঘাটতি রয়ে যাবে।

পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে টিকাদানের হারে সর্বনিম্ন দেশগুলোর তালিকায় রয়েছে জার্মানির নাম। দেশটির ৬৮ শতাংশ মানুষ পূর্ণডোজ টিকা নিয়েছেন। করোনা মহামারির শুরু থেকে করোনায় জার্মানিতে ৯৯ হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু 

 

Covid 19: লকডাউন বিরোধী তুমুল সংঘর্ষ, জ্বলছে নেদারল্যান্ডস, পুলিশের গুলি

netherlands

News Desk: একদিকে প্রবল করোনা সংক্রমণে অসহায় সরকার। পরিস্থিতি সামাল দিতে লকডাউন জারি করে আরও সমস্যায় জড়াল দেশটির সরকার। সাধারণ ডাচ নাগরিকরা লকডাউন বিরোধী সমাবেশ থেকে হিংসাত্মক পরিস্থিতি তৈরি করলেন। ভাঙচুর, হামলা রুখতে পুলিশের গুলি চলল। ঘটনার কেন্দ্র আন্তর্জাতিক শহর দ্য হেগ।

সরকারি নির্দেশে শনিবার থেকে তিন সপ্তাহের আংশিক লকডাউন শুরু হয়েছে নেদার‍ল্যান্ডসে। রাত ৮টায় পানশালা ও রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। পুরোপুরি দর্শকশূন্য থাকবে সব ধরনের খেলাধুলার আয়োজন।

সরকারের ঘোষণার পরেই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। দ্য হেগ শহরের সড়কে সার সার সাইকেলে আগুন ধকিয়ে দেন বিক্ষুব্ধরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে শুরু হয় হামলা। রটারডাম শহরে বিক্ষোভ প্রবল রূপ নিলে পুলিশ গুলি চালায়। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর।

netherlands

পরিস্থিতি তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ আন্তর্জাতিক আদালতের সদর কার্যালয়ের শহর দ্য হেগ। এই শহরের হিংসাত্মক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

নেদারল্যান্ডসের বিক্ষোভের রেশ ছড়াতে শুরু করেছে ইউরোপের অন্যান্যদের দেশে। করোনা সংক্রমণ বাড়ার ফলে নতুন করে লকডাউনসহ কড়াকড়ির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে অস্ট্রিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও ইটালিতে। স্বাভাবিক জীবনযাপনে বাধার প্রতিবাদ করছেন সেসব দেশের জনগন।

এদিকে পরিসংখ্যানে উঠে আসছে, শিল্পন্নোত পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলিতে চরম অবৈজ্ঞানিক মনোভাবের কারণে টিকা নেওয়ার হার খুবই কম। এর ফলে করোনা সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করেছে দ্রুত। ইউরোপের অনেক দেশে নতুন করে করোনা বেড়ে যাওয়ায় সেসব দেশের সরকার নতুন করে কড়াকড়ি আরোপ করছে। কয়েকটি দেশে এক দিনে রেকর্ড সংখ্যক সংক্রমণের তথ্য পাওয়া গেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) জানাচ্ছে, ইউরোপে করোনা পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। হু আঞ্চলিক কর্মকর্তা ড. হ্যান্স ক্লুগ আশঙ্কা করেন, ইউরোপে কড়াকড়ি না করা হলে আগামী বসন্তের আগে পর্যন্ত আরও পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যু দেখতে হবে। কোভিড সংক্রমণে এই অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।

সোমবার থেকে ২০ দিনের লকডাউনে যাচ্ছে অস্ট্রিয়া। এর প্রতিবাদে রাজধানী ভিয়েনায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন। আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে করোনার টিকা বাধ্যতামূলক করার কথা ভাবছে অস্ট্রিয়া সরকার। ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে টিকা বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে এই দেশ। বিবিসি জানাচ্ছে ক্রোয়েশিয়ায় সরকারি চাকরিজীবীদের টিকা বাধ্যতামূলক করার প্রতিবাদে রাজধানী জাগরেব শহরে বিক্ষোভ হয়েছে।

Covid 19: শিল্পোন্নত পশ্চিম ইউরোপে টিকাদান সর্বনিম্ন, অট্টহাসি করোনার

covid19

News Desk: শীতে কি করোনা অট্টহাসি করে? নভেম্বরেই ইউরোপ কাঁপছে করোনায়। জার্মানিতে একদিনে ৬৫ হাজার সংক্রমণ রেকর্ড হলো। প্রতিবেশি দেশ অস্ট্রিয়া লকডাউনের পথে। ইউরোপের দেশগুলির মধ্যে করোনা সংক্রমণের বিরাট ছায়া ভারতের দিকে আসার আশঙ্কা প্রবল।

করোনার দৈনিক সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আবারও পূর্ণ লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে অস্ট্রিয়ায়। আগামী সোমবার থেকে এই লকডাউন কার্যকর হবে। এর আগে, ২০২০ সালে ইউরোপে প্রথম করোনাভাইরাস সংক্রমণ শুরু হওয়ার সময় লকডাউন জারি করেছিল অস্ট্রিয়ার সরকার। কিন্তু দৈনিক সংক্রমণ বাড়তে থাকায় ফের লকডাউন জারি করতে হচ্ছে বলে শুক্রবার সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছেন অস্ট্রিয়ার চ্যান্সেলর আলেক্সান্ডার শ্যালেনবার্গ।

covid-19-who-alert-on-europe-and-asia

বিবিসি জানাচ্ছে, শিল্পোন্নত পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রিয়া এই প্রথম পূর্ণ লকডাউন লকডাউন জারি করতে যাচ্ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৯১ লাখ মানুষের দেশ অস্ট্রিয়ায় টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন মোট প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার তিন ভাগের দুই অংশ। পশ্চিম ইউরোপে যে কয়েকটি দেশ বর্তমানে টিকাদান কর্মসূচিতে পিছিয়ে আছে, সেসবের মধ্যে অস্ট্রিয়া অন্যতম।

প্রতিবেশি দেশ জার্মানিতে করোনাভাইরাস শনাক্তের রেকর্ড সৃষ্টি হলো। একদিনে ৬৫ হাজার ৩৭১ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে দেশটিতে করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই আরও অবনতি হলো।

পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে জার্মানিতে টিকা দেওয়ার হার সবচেয়ে কম। দেশটির মোট জনসংখ্যার মাত্র ৬৭ শতাংশ মানুষ সম্পূর্ণরূপে টিকা গ্রহণ করেছেন৷ এছাড়া ৩৩ শতাংশ নাগরিক ভাইরাস প্রতিরোধে কোনো সুরক্ষাই গ্রহণ করেনি।

Singapore: রাখে করোনা মারে কে ! শেষ মুহূর্তে ফাঁসি স্থগিত

nagendra

News Desk: সব ঠিক। মরে যাবে আসামী। হবে তার চরম দণ্ড। তখনই এলো করোনা পজিটিভ রিপোর্ট। একেবারে শেষ মুহূর্তে কোভিড আক্রান্ত ফাঁসির আসামীর শাস্তি রদ করা হয়েছে। সিঙ্গাপুরের (Singapore) ঘটনা।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আপাতত আয়ু পেয়েছে নগেনদ্রন ধর্মলিঙ্গম নামে এক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী। মাদক মামলায় তার ফাঁসির সাজা হয়েছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, বুধবার  সকালেই নগেনন্দ্রন ধর্মলিঙ্গমকে ফাঁসির দড়িতে ঝোলানোর সব প্রক্রিয়া শেষ করা হয়েছিল।  আসামীকে সেই বার্তা দেওয়া হয়। এরপর খেল দেখিয়ে দিল করোনা ভাইরাস।

যেহেতু আসামী অসুস্থ। তাই তাকে ফাঁসি দেওয়া যাবে না। এই নিয়মে মৃত্যুদণ্ড সাময়িক রদ করেছে সিঙ্গাপুর সরকার।  আদালত জানায়, মানবতার খাতিরে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শাস্তি স্থগিত করা হলো।

৩৩ বছর বয়সী নগেনন্দ্রন ধর্মলিঙ্গম ভারতীয় বংশোদ্ভুত  মালয়েশিয়ার নাগরিক। ২০০৯ সালে মাদক মামলায় সিঙ্গাপুরে গ্রেফতার করা হয় তাকে। তার কাছে ৪২. ৭২ গ্রাম হেরোইন মিলেছিল। এরপর তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয় সিঙ্গাপুরের আদালত। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই মামলা চলছে। সম্প্রতি তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেয় আদালত।

মাদক মামলায় নগেন্দ্রনের ফাঁসির ইস্যুটি আন্তর্জাতিক মহলে এসেছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী সহ অনেকেই সিঙ্গাপুর সরকারের কাছে এই মৃত্যুদণ্ড শাস্তি রদ করার অনুরোধ করেন। তবে অনড় ছিল সিঙ্গাপুর সরকার।

ফাঁসির আসামীর আইনজীবীর দাবি, তার মক্কেল মানসিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ নন। মৃত্যুদণ্ড বাতিল করা হোক। 

Covid 19 : ইউরোপে ফের করোনা মহামারির আশঙ্কা করছে হু

modi-mask

News Desk: ইউরোপ আবারও করোনাভাইরাস মহামারির কেন্দ্র হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বা হু। ইউরোপ জুড়ে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এমন আশঙ্কা করা হয়েছে। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর।

সাংবাদিক সম্মেলনে হু ইউরোপ বিষয়ক প্রধান হ্যান্স ক্লুজ জানান, আসন্ন ফেব্রুয়ারির মধ্যে ইউরোপে আরও ৫ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। তিনি বলেন বিভিন্ন দেশে টিকার ব্যবহার সমান নয়। হ্যান্স ক্লুজ বলেছেন, করোনা সংক্রমণ রোধে অবশ্যই কৌশল পরিবর্তন করতে হবে।

বিবিসি জানাচ্ছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউরোপ জুড়ে টিকা দেওয়ার হারে গতি কমেছে। অবশ্য স্পেনের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষকে ২ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। ফ্রান্স ও জার্মানিতে এই সংখ্যা যথাক্রমে ৬৮ ও ৬৬ শতাংশ। তবে মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের দেশে এ হার এখনো অনেক কম।

হু জানাচ্ছে, গত চার সপ্তাহে ইউরোপ জুড়ে ৫৫ শতাংশ সংক্রমণ বেড়েছে। পর্যাপ্ত টিকা ও করোনাভাইরাসের চিকিৎসাসামগ্রী থাকা সত্ত্বেও এমন পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা জানাচ্ছে, রাশিয়ার করোনা সংত্রমণের গতি চিন্তার। তবে রুশ সরকার প্রয়োজনী পদক্ষেপ নিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের অভিযোগ, ধনী দেশগুলি যে পরিমাণ টিকা কিনে মজুত করেছে তাতে অনেক গরিব দেশ পর্যাপ্ত টিকা পায়নি। টিকা গ্রহীতার করোনা সংক্রমণে মৃত্যুর আশঙ্কা খুবই কম। কিন্তু ইউরোপের কিছু অংশে টিকা নেওয়ার হার তেমন উল্লেখযোগ্য নয়। একইভাবে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশেও টিকা বিহীন মানুষের সংখ্যা বেশি

Covid 19: ট্রেনে থিকথিক ভিড়ে অট্টহাসি করোনার, আশঙ্কায় চিকিৎসকরা

Coronavirus local train

News Desk, Kolkata: সপ্তাহ শুরু হলো সংক্রমণের জেট গতি দিয়ে। লোকাল ট্রেনের থিকথিকে ভিড় দেখে এমনই আশঙ্কা করছেন চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা। প্রবল ভি়ড়ের চাপে করোনা বিধি উড়ে গিয়েছে। আর এই ভিড় দেখে অট্টহাসি শুরু করেছে করোনাভাইরাস।

দুর্গাপূজার ভিড় সংক্রমণ ছড়িয়েছে তার প্রমাণ প্রতিদিনই করোনা আক্রান্তের সংখ্যার হার বাড়ছে। এবার লোকাল ট্রেন চালু হওয়ায় সংক্রমণ গতি আরও বাড়তে চলল।

৫০ তাংশ যাত্রী নিয়ে রবিবার থেকেই চালু হয়েছে লোকাল ট্রেন পরিষেবা ৷ রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তে রেলযাত্রীরা খুশি। কারণ ট্রেনে যাতায়াত সস্তাজনক ও দ্রুত। কিন্তু ভিড়ের ঠেলায় করোনা ছড়ানোর আশঙ্কা প্রবল।

সোমবার সেই ছবি স্পষ্ট হয়েছে। নতুন করে ট্রেন চালু হতেই, হাওড়া কর্ড ও মেন শাখা, শিয়ালদহের সব শাখা, শহরতলির চক্ররেলেপ কামরা ভিড় আগের মতো। একইভাবে বর্ধমান আসানসোল শাখাতেও ভিড়। লোকাল ট্রেনে বাদুড়ঝোলা হয়ে যাত্রীদের গন্তব্যে পৌঁছে যাচ্ছেন। খুলে যাচ্ছে মাস্ক। তাতে নো পরোয়া।

G 20: মাস্ক বিহীন মোদীকে নিয়ে তীব্র সমালোচনা আন্তর্জাতিক মহলে

modi-mask

News Desk: একের পর এক ছবি। কখনও রাষ্ট্রপ্রধান, তো কখনও পোপ সবার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ মোদী। ভারতের প্রধানমন্ত্রীর এমন কোভিডবিধি লঙ্ঘন ঘিরে বিশ্ব জুড়ে শুরু হয়েছে সমালোচনা।

বিশ্বনেতাদের আলিঙ্গনের মুহূর্তে মাস্ক ছাড়া ছবিতে বিতর্কের মুখে নরেন্দ্র মোদী। সোশ্যাল মিডিয়ায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ফ্রান্সের প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল ম্যাক্রন, ক্যাথলিক খ্রিষ্টান ধর্মগুরু পোপের সঙ্গে সাক্ষাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রীর মাস্ক কেন ছিল না। উঠছে এই প্রশ্ন।

জি-২০ সম্মেলনে যোগ দিতে ইতালি এসেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। বিভিন্ন রাষ্ট্র নেতাদের সঙ্গে নরেন্দ্র মোদীকে দেখা যাচ্ছে। কেন এমন করছেন তিনি? প্রশ্ন বিশ্বজুড়ে। অথচ মোদীর সফরে থাকা

বিদেশমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর এবং জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের মুখে মাস্ক ছিল। অন্যান্য রাষ্ট্রপ্রধানরা মাস্ক পরেছিলেন।

ভারতে ফের বেড়েছে করোনা সংক্রমণ। আর ভারত থেকেই জি ২০ তে যোগ দেওয়া মোদীর কোভিড বিধি না মেনে চলার অভিযোগ ঘিরে সরগরম আন্তর্জাতিক সম্মেলন মঞ্চ।

Covid 19: জীবাণু বোমা নয় করোনা, চাঞ্চল্যকর দাবি মার্কিন গোয়েন্দাদের

Director of National Intelligence Avril Haines

News Desk: করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার পিছনে কোনও জীবাণু বোমার প্রয়োগ নয়, এটির সংক্রমণ পরিবেশগত কারণেই। এমনই জানিয়ে দিল ইউএস ডিরেক্টর অফ ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স (ওডিএনআই)।

মার্কিন গোয়েন্দাদের আরও দাবি, করোনার উৎপত্তি সম্ভবত কখনোই জানা যাবে না। তবে ভাইরাসটি জীবাণু অস্ত্র হিসেবে তৈরি করা হয়নি।

বিবিসি জানাচ্ছে, মার্কিন গোয়েন্দা সংখ্যাগুলির রিপোর্টে লেখা আছে, করোনা ছড়ানোর ক্ষেত্রে একটি প্রাণী থেকে মানুষে সংক্রমণ এবং ল্যাব লিক দুটোই যুক্তিযুক্ত অনুমান। কিন্তু একটি নির্দিষ্ট সিদ্ধান্তে পৌঁছানোর জন্য পর্যাপ্ত তথ্য নেই।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের শেষের দিকে চিনের হুবেই প্রদেশের উহান শহরে কোভিড-১৯ প্রাথমিক প্রাদুর্ভাবের আগে ভাইরাসটির অস্তিত্ব সম্পর্কে জানা ছিল না চিনা কর্মকর্তাদের।

বিবিসি আরও জানাচ্ছে, ইউএস ডিরেক্টর অফ ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্সের রিপোর্টে বলা হয়, গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ভাইরাসটির সম্ভাব্য উৎস নিয়ে বিভক্ত। চারটি গোয়েন্দা সংস্থার দাবি একটি সংক্রমিত প্রাণি বা অন্য কোনও ভাইরাস থেকে উদ্ভূত হয়েছিল করোনাভাইরাস বা কোভিড-১৯ এর।।

চিন থেকেই এই ভাইরাস বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে পড়ে। করোনার হামলায় বিশ্ব বিপর্যস্ত হয়েছে। মৃত্যু মিছিল চলেছে। আপাতত টিকা প্রয়োগ চলছে। এতে মৃত্যুর হার কমানো গিয়েছে।

তবে করোনা সংক্রমণের প্রথমদিকে এই ভাইরাস ছড়ানোর জন্য মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার তৎকালীন প্রেসিডেন্সি ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্রমাগত চিনকে দোষারোপ করেছিলেন। কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছিল চিন। করোনা নিয়ে চিন-মার্কিন দ্বন্দ্বে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) পড়ে যায় মাঝখানে। ট্রাম্প সরকারের পতনের পর দুই দেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন কিছুটা কম। জীবাণু হামলার দু বছরের মাথায় এসেছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলির রিপোর্ট। এতে চিনকে দায়ভার থেকে মুক্তি দেওয়া হয়েছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা বলেছে, কোভিড-১৯ মোকাবিলার জন্য আগামী এক বছরে ২ হাজার ৩৪০ কোটি মার্কিন ডলার প্রয়োজন। এর জন্য সংস্থাটি জি-২০ গোষ্ঠীকে অর্থ প্রদানের আহবান জানিয়েছে।

‘হু’ প্রধান জানান, করোনা মহামারিতে দীর্ঘ সময় ধরে গরিব দেশগুলিকে সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত রাখতে পারবে না ধনী দেশগুলি। এর জন্য জি-২০ নেতারা এগিয়ে আসুন।