Covid 19: দীপাবলির আগেই করোনার কালো ছায়া, বিভিন্ন জেলায় কোভিড ওয়ার্ড

corona-diwali

News Desk: দীপাবলি উৎসবের আগেই করোনার কালো ছায়া লম্বা হচ্ছে রাজ্যে। সংক্রমণের গতি উর্ধমু়খী। নবান্ন  সূত্রে খবর, করোনা সংক্রমণের কারণে বিভিন্ন জেলা হাসপাতালে ফের তৈরি হয়েছে ফের কোভিড ওয়ার্ড।

পূর্ব বর্ধমান, মেদিনীপুর, বাঁকুড়া সম্মিলনী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১০০ টি করে বেড বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ১৬ টি জেলা এবং মহকুমা হাসপাতালেও ১০০ টি করে কোভিড বেড বাড়ানোর কথা জানানো হয়েছে।

পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রাম মহকুমা হাসপাতালে তৈরি হচ্ছে ৫০ শয্যার কোভিড ওয়ার্ড। দুই জেলার আরও ১০ টি ব্লকে প্রাথমিক স্বাস্থ্যকেন্দ্রেও ২০ শয্যার কোভিড ওয়ার্ড তৈরি হচ্ছে।

বৃহস্পতিবার থেকে অঘোষিত লকডাউন সোনারপুরে

কলকাতা ও সংলগ্ন উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা নিয়ে চিন্তিত বিশেষজ্ঞরা। বিশেষত দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুর-রাজপুর পুরসভা এলাকা। বৃহস্পতিবার থেকে এখানে চালু হচ্ছে এলাকা ভিত্তিক মাইক্রো কনটেন্টমেন্ট জোন।

আরও পড়ুনCovid 19: এই বুঝি করোনা হয়! ভয় নিয়ে দিন শুরু সোনারপুরে

উদ্বেগের কারণ, দক্ষিণ ২৪ পরগনার সোনারপুরকে নিয়ে। শারদোতসব মিটতেই এই ঘন জনবসতিপূর্ণ এলাকায় ছড়িয়েছে করোনা। প্রশাসনিক নির্দেশে ২৮ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর এই তিন দিন পুর এলাকার সমস্ত বাজার এবং দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ওষুধ সহ অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রীর দোকান খোলা থাকবে। মঙ্গলবার রাজ্য সরকার রাজপুর-সোনারপুরে ১৯টি মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন চিহ্নিত করে। সংশ্লেষণ এলাকাগুলিতে কারোর ঢোকা ও বেরিয়ে আসায় কড়াকড়ি জারি।

চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা আফশোষ করছেন। তাঁদের বক্তব্য, শারদোতসবের সময় ভিড় ছিল লাগামছাড়া। অভিযোগ, রাজ্য প্রশাসনকে বারবার সতর্ক করা হয়। কিন্তু উৎসবের সময় করোনা বিধির শিথিলতা করায় সংক্রমণ ফের ছড়াতে শুরু করেছে।

দুর্গাপূজার  পর থেকেই করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে।  কলকাতার নিকটস্থ সোনারপুরের জনঘনত্ব বেশি। এর ফলে সংক্রমণের হার বাড়বে এমন আশঙ্কা বড় করে দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে কলকাতায় করোনা পজিটিভ রেট বেড়েছে। কলকাতার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক বলে রাজ্য সরকারকে বার্তা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ।

Covid 19: এই বুঝি করোনা হয়! ভয় নিয়ে দিন শুরু সোনারপুরে

Covid 19-ekolkata24

News Desk, Kolkata: দিন শুরু হয়েছে ভয় নিয়ে। কেউ একটু কাশলেই পাশের জন চমকে চমকে উঠছেন। চারদিকে ভয় এই বুঝি করোনা হয়। দক্ষিণ ২৪ পরগনার অত্যন্ত জনবহুল সোনারপুর-রাজপুর পুর এলাকা একপ্রকার অঘোষিত লকডাউনের আওতায়। বুধবার সকাল থেকে এমনই ছবি সোনারপুরের সর্বত্র।

মঙ্গলবার রাজ্য সরকার রাজপুর-সোনারপুরে ১৯টি মাইক্রো কনটেনমেন্ট জোন চিহ্নিত করেছে। সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলিতে কারোর ঢোকা ও বেরিয়ে আসায় কড়াকড়ি জারি।

বাড়তে থাকা করোনা রোগীর সংখ্যা সোনারপুরে এমনই যে প্রশাসনিক নির্দেশে ২৮ অক্টোবর থেকে ৩০ অক্টোবর এই তিন দিন পুর এলাকার সমস্ত বাজার এবং দোকান বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তবে ওষুধ সহ অন্যান্য অত্যাবশ্যকীয় সামগ্রীর দোকান খোলা থাকবে।

Corona sonarpur

চিকিৎসক ও বিশেষজ্ঞরা আফশোষ করছেন। তাঁদের বক্তব্য, শারদোতসবের সময় ভিড় ছিল লাগামছাড়া। অভিযোগ, রাজ্য প্রশাসনকে বারবার সতর্ক করা হয়। কিন্তু উৎসবের সময় করোনা বিধির শিথিলতা করায় সংক্রমণ ফের ছড়াতে শুরু করেছে।

দুর্গাপূজার পর থেকেই করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। রাজপুর সোনারপুর পুর এলাকায় পুরসভায় দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা এখন ১৫ থেকে ২০ মধ্যে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা প্রশাসন এই পুরসভার ১০টি ওয়ার্ডের ১৯টি এলাকায় মাইক্রো কনটেন্টমেন্ট জোন চিহ্নিত করেছে।

কলকাতার নিকটস্থ সোনারপুরের জনঘনত্ব বেশি। এর ফলে সংক্রমণের হার বাড়বে এমন আশঙ্কা বড় করে দেখা দিয়েছে। একইসঙ্গে কলকাতায় করোনা পজিটিভ রেট বেড়েছে। কলকাতার পরিস্থিতি উদ্বেগজনক বলে রাজ্য সরকারকে বার্তা দিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যসচিব রাজেশ ভূষণ।

China: ফের করোনা হানা, ৪০ লক্ষ জনবসতির শহরে লকডাউন করল চিন

China Puts City Of 4 Million Under Lockdown Due To Spike In Covid Cases

News Desk: ফের এসেছে করোনা। সংক্রমণ বেড়ে গেল হু হু করে। চিনে নতুন করে সংক্রমণের কারণে ঘোষিত হলো লকডাউন। বিবিসি জানাচ্ছে লানঝউ শহরে কড়া লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

চিনের সংবাদপত্র গ্লোবাল টাইমস জানাচ্ছে, সংক্রমণ রুখতে কড়া ভূমিকা নিয়েছে প্রশাসন। লানঝাউ শহরে প্রায় ৪০ লক্ষ মানুষের বসবাস। এখানে শুধু যাতায়াতে নিষেধাজ্ঞা নয়, বরং ওই শহরের বাসিন্দাদের ঘর থেকে বের হওয়াতে জারি নিষেধাজ্ঞা। একপ্রকার গৃহবন্দি তারা।

বিবিসি জানাচ্ছে, ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চিনের উহান শহর থেকেই প্রথম করোনা সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করেছিল। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই সেই জীবাণু সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়ে। করোনার হামলায় গোটা দুনিয়া থমকে গিয়েছিল। আপাতত সংক্রমণের হার কমের দিকে বিভিন্ন দেশে। এর মাঝে চিন থেকেই এসেছে ভয়াল খবর।

মঙ্গলবার থেকে চিনের উত্তর পশ্চিম শহর লানঝউয়ে লকডাউন জারি করা হয়েছে। এই শহরে করোনার একটি স্থানীয় ভ্যারিয়েন্ট নিয়ে উদ্বিগ্ন প্রশাসন। সম্প্রতি চিনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে ২৯ জনের মৃত্যু হয়।

চিন সরকার করোনা সংক্রমণের কথা জানাতেই বিশ্বজুড়ে পড়েছে শোরগোল। তবে কড়া লকডাউন নিয়ম দ্রুত চালু হওয়ায় পরিস্থিতি মোকাবিলা করা যাচ্ছে। এমনই জানাচ্ছে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদসংস্থা।

নতুন করে করোনা সংক্রমণ বিভিন্ন দেশে হচ্ছে। সেই সঙ্গে চলছে টিকাদান কর্মসূচি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে, করোনা টিকা নেওয়ার পরেই সংক্রমণের বিষয়ে উদাসীন ব্যক্তির সংখ্যা বেশি। তারা মনে করছেন আর কিছু হবে না। এরাই অজান্তে করোনা ছড়াচ্ছেন। তবে টিকা নিলে করোনায় মৃত্যুর হার দ্রুত গতিতে নিম্নগামী হচ্ছে।

Alert: শতাধিক শিশুমৃত্যু, একইসঙ্গে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ

diwali corona

নিউজ ডেস্ক: উৎসবের এখনও আরেকটি পর্ব অর্থাৎ দীপাবলি বাকি। তার আগেই চিকিৎসক বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা মিলিয়ে রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। শুধু তাই নয়, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ‘অজানা জ্বর’ বলে প্রচারিত সংক্রমণে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা। শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

দুর্গাপূজার আগেই আশঙ্কা করা হয়েছিল, কোভিড বিধি শিথিল করায় করোনা সংক্রমণ বাড়বে। তাই-ই হয়েছে। কলকাতায় দুর্গাপূজার মণ্ডপে ভিড় উপচে পড়ে। উড়ে গিয়েছিল দূরত্ববিধি। আর শারদোতসব মিটতেই এসেছে করোনা সংক্রমণের বড়সড় পরিসংখ্যান।

শুক্রবার কলকাতা পুরসভার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪  ঘণ্টায় শহরে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২৪২ জন। চালু করতে হতে পারে সেফ হোম। সোমবার থেকে সেফ হোম খুলতে পদক্ষেপ নিচ্ছে পুর কর্তৃপক্ষ।

করোনা সংক্রমণের খবর কলকাতা সংলগ্ন জেলা হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে আসছে। তেমনই মহানগর লাগোয়া শহরতলি এলাকায় বেড়েছে সংক্রমণ।

অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে ‘অজানা জ্বর’ সংক্রমিত শিশুদের মৃত্যুর সংখ্যা ভয়াবহ বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসক ও চিকিত্‍সা পরিষেবা কর্মীরা। শুধুমাত্র শিলিগুড়িতে ৬৫ শিশুর মৃত্যু হয়। মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান জেলা হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর সংখ্যায় উদ্বিগ্ন সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন।

অভিযোগ, শিশুমৃত্যু ও করোনা সংক্রমণের বিষয়ে রাজ্য সরকারের নীরবতা নিয়েও। এরই মাঝে চলতি মাসে হবে চারটি বিধানসভার উপনির্বাচন। ভোটের প্রচার ও জনসভা থেকে সংক্রমণ আরও ছড়াবে বলেই আশঙ্কা।

করোনা আক্রান্ত পূজা বেদি, অবস্থা গুরুতর

Pooja Bedi

বায়োস্কাপ ডেস্ক: বলিউড অভিনেত্রী পূজা বেদি কোভিড ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সেই খবর প্রকাশ্যে আনলেন অভিনেত্রী নিজেই। স্বেচ্ছায় ভ্যাকসিন না নেওয়ার কারণেই তার এই পরিস্থিতি হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা বেশ গুরুতর বলেই সূত্র মাধ্যমে খবর। ভিডিও বার্তার মাধ্যমে অনুরাগী ও শুভাকাঙ্ক্ষীদের পাশে থাকার আবেদন জানিয়েছেন পুজা বেদি।

ভিডিওতে পূজা প্রকাশ করেছেন যে প্রাথমিকভাবে, তিনি ভেবেছিলেন যে তার অ্যালার্জি আছে যার কারণে কাশি হয়েছে। প্রথমেই এ বিষয়ে তিনি গুরুত্ব না দিলেও জানান যে পরবর্তীকালে তার অবস্থার অবনতি হতে থাকে। বেশ কিছুদিন ধরে জ্বরে আক্রান্ত ছিলেন বলিউড অভিনেত্রী। বহুদিন ধরে ওষুধপত্র খেয়েও জ্বর না কমলে পুজা বেদি ঠিক করেন যে তিনি কভিড টেস্ট করাবেন। এর পরেই তার আর্টিফিশিয়াল টেস্টে ধরা পড়ে যে তিনি করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।

অভিনেত্রী আরও বলেছিলেন যে তার বাগদত্তা এবং বাড়ির পরিচারিকাও ভাইরাসে আক্রান্ত। তিনি সুস্থ ও নিরাপদ থাকার জন্য একটি বার্তা পাঠিয়ে শেষ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন যে গত কয়েকদিনে যারা তার সংস্পর্শে এসেছিলেন, তারা যেন সাবধানে থাকেন। অযথা চিন্তা ও আশঙ্কা করে যাতে কেউ ভয় না পান, সেই নিয়ে সতর্ক বার্তাও জানিয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী।

সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বার্তা করে তিনি বলেছেন, “কভিড পজিটিভ! শেষমেষ আমার কোভিড ধরা পড়েছে। স্বেচ্ছায় টিকা না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমি বেশ কিছুদিন আগে। আমার নিজের স্বাভাবিক রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা ও সুস্থতার ওপর জোর দিয়েই খানিকটা করোনার ভ্যাকসিন না নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমি। এটা সম্পূর্ণ আমার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। আপনারা আপনাদের ইচ্ছেমতো সিদ্ধান্ত নিতেই পারেন। ব্যক্তিগত সিদ্ধান্তেই কারোর কিছু বলার থাকতে পারে না। তবে, সাবধানে থাকুন, অযথা ভয় পাবেন না।” প্রসঙ্গত, গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা দেশ জুড়ে ১৪ হাজার মানুষ নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। এখনো পর্যন্ত দেশে ৯৭.৬ কোটি মানুষের কভিড টিকাকরণ সুম্পূর্ণ হয়েছে।

Red Volunteers: উৎসবে করোনার অট্টহাসি টের পেয়েই যুদ্ধে নামছে বামেদের রেড ভলান্টিয়ার্স

Red Volunteers

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: ‘আমরা তৈরি আছি’, বার্তা দিয়েছে করোনাভাইরাস সংক্রমণ বিরোধী সিপিআইএম সহ বামদলগুলির উদ্যোগে তৈরি বিখ্যাত রেড ভলান্টিয়ার্স (Red Volunteers)। অদৃশ্য জীবাণু ঘাতকের বিরুদ্ধে লড়তে দার্জিলিং থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা- সবকটি জেলার যত সদস্য রয়েছেন সবাইকে প্রস্তুতি নিতে বলা হয়েছে। কারণ, উৎসব শেষে করোনা সংক্রমণের হার বাড়তে চলেছে বলেই আশঙ্কা।

লোকসভার পর বিধানসভা ভোটে রাজ্যে বামেরা শূন্য হয়ে গেছে। কে বলবে সিপিআইএম এই রাজ্যে টানা সাড়ে তিন দশকের সরকার চালিয়েছে। এখন পরিস্থিতি এমন যে জামানত বাঁচানো অসম্ভব হয়ে পড়ছে। তার পরেও সিপিআইএমের মূল উদ্যোগে তৈরি রেড ভলান্টিয়ার্সদের ভূমিকা দেখেছেন রাজ্যবাসী। শাসক তৃণমূল কংগ্রেস, বিরোধী দল বিজেপির নেতা মন্ত্রীরা নিজেদের মোবাইলে স্থানীয় রেড ভলান্টিয়ার্সদের নাম ও নম্বর সেভ করেছেন। দুই দলের বহু নেতার স্পষ্ট মতামত, বলা তো যায় না বিপদ কখন হয়। তখন আর কেই বা আছে !

Red Volunteers

রেড ভলান্টিয়ার্স মানেই করোনা সংক্রমণ সংকটে বিপদের বন্ধু। যেভাবে লকডাউনের মাঝে এই লাল স্বেচ্ছাসেবকরা এগিয়ে এসেছিলেন ‘সিংহের মতো সাহস ও বাজপাখির মতো চোখ’ নিয়ে তাতে রাজ্য দেশ ছাড়িয়ে আন্তর্জাতিক স্তরে প্রবল আলোচিত হয় সংগঠনটি। বামপন্থী ছাত্র-যুব সংগঠনগুলির সদস্যদের নিয়ে তৈরি রেড ভলান্টিয়ার্স ফের সক্রিয়।

সোশ্যাল সাইটে রেড ভলান্টিয়ার্স গ্রুপে বারবার আবেদন জনানো হচ্ছে পরিস্থিতি বুঝে বাইরে বের হওয়ার। ইতিমধ্যেই করোনা আক্রান্তদের বাড়ি বাড়ি যেতে শুরু করেছেন রেড ভলান্টিয়ার্স সদস্যরা। পৌঁছে যাচ্ছে অক্সিজেন সিলিন্ডার ও ওষুধ। উৎসব চলছে। যে যার মতো আনন্দ করছেন।

শারোদৎসবে প্রবল ভিড় ও উদাসীনতার কারণে করোনা সংক্রমণের বড়সড় আশঙ্কায় বুক কাঁপছে চিকিৎসক ও জনস্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের। তাঁদের আশঙ্কা, অতি দ্রুত বড়সড় সংক্রমণ ঢেউ আসতে চলেছে। তাঁদের মতে এর কারণ উৎসবে উদাসীন হয়ে ঘোরা অন্যতম কারণ।

Red Volunteers

বিশেষজ্ঞদের অভিমত ও সতর্কতা পেয়েই রেডভলান্টিয়ার্স সদস্যরা আসন্ন যুদ্ধের জন্য তৈরি হয়েছেন। পূর্ববর্তী অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে এবার তাঁদের ভূমিকা আরও জবরদস্ত হবে এমনই আশা করছেন সদস্যরা। উৎসবের মাঝেও চলছে করোনা আক্রান্তদের জন্য পরিষেবা।

অভিযোগ, রাজ্য সরকার বাইরে বের হওয়ার নিয়ম শিথিল করতেই মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ভিড় বিপদ ডেকে এনেছে। আসন্ন বিপদের সতর্কতা দিতে শুরু করেছে স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট। বলা হয়েছে, উৎসবের মাঝে দেশে ফের বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ। বেড়েছে মৃত্যু। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৮,৯৮৭ জন। মৃত ২৪৬ জন। তবে একদিনে সুস্থ হয়েছেন ১৯,৮০৮ জন। করোনা আক্রান্তের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ সপ্তম স্থানে। রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১৫,৭৮,৪৮২ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৮,৯৩৫ জনের। সুস্থ হয়েছেন ১৫,৫১,৮৯০জন।

Covid 19 : মণ্ডপে ঘুরে সেলফি তুলছেন গোগ্রাসে মোগলাই খাচ্ছেন, ‘তাতা থৈ থৈ’ নাচছে করোনা

selfie durga puja kolkata

নিউজ ডেস্ক: শারোদৎসবের আনন্দে হামলা করে দিয়েছে অদৃশ্য জীবাণু ঘাতক করোনা (Covid 19)। মৃত্যুদূত রয়েছে আপনার চারপাশে। আপনি মনের আনন্দে মন্ডপ থেকে মণ্ডপে ঘুরে সেলফি তুলছেন, গোগ্রাসে মোগলাই খাচ্ছেন সেই সুযোগে করোনা আপনার নাকের ডগায় আনন্দে ‘তাতা থৈথৈ’ নাচতে শুরু করেছে করোনাভাইরাস।

selfie durga puja kolkata sourav

 

স্বাস্থ্যমন্ত্রকের রিপোর্ট দিচ্ছে অশনি সংকেত। রিপোর্টে বলা হয়েছে, দেশে ফের বাড়ল দৈনিক করোনা সংক্রমণ। বেড়েছে মৃত্যু। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন ১৮,৯৮৭ জন। মৃত ২৪৬ জন। তবে একদিনে সুস্থ হয়েছেন ১৯,৮০৮ জন।

selfie durga puja kolkata

রিপোর্টে বলা হয়েছে দেশে মোট করোনা আক্রান্ত ৩ কোটি ৪০ লক্ষ,২০,৭৩০ জন। মৃত্যু হয়েছে ৪,৫১,৪৩৫ জনের। সুস্থ হয়েছেন ৩,৩৩,৬২,৭০৯ জন। করোনা আক্রান্তের নিরিখে পশ্চিমবঙ্গ সপ্তম স্থানে। রাজ্যে করোনা আক্রান্ত ১৫,৭৮,৪৮২ জন। মৃত্যু হয়েছে ১৮,৯৩৫ জনের। সুস্থ হয়েছেন ১৫,৫১,৮৯০জন।

বিশেষজ্ঞদের অভিমত, পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজার মণ্ডপ দর্শনে যেভাবে উৎসাহ ও ভিড় দেখা যাচ্ছে সেটা রীতিমতো চিন্তার। এছাড়া দেশজুড়ে নবরাত্রি ও দশেরা পালিত হচ্ছে। এতেও সংক্রমণ বাড়ছে। উৎসব শেষ হলে ফের করোনা টেস্ট বাড়বে। তখনই সংক্রমিক রোগীর বড়সড় চিত্র সামনে আসবে।

Covid 19 : উৎসবে ‘কমছে’ কোভিড টেস্ট, ভিড়ে করোনার অট্টহাসি

durga puja pandal hopping

নিউজ ডেস্ক: সরকারি দুরত্ব ও স্বাস্থ্যবিধি গেছে গোল্লায়। করোনার প্রকোপ কম এই খবরটুকুই যেন সবাইকে উদ্বেলিত করেছে। ফলে রাস্তায় ভিড়, আর মন্ডপ দর্শনের আকাঙ্খা টেনে নিয়ে আসছে বিপদ। ভিড়ের মাঝে করোনাভাইরাসের অট্টহাসি সাধারণ মানুষ না শুনতে পেলেও বিশেষজ্ঞরা চিন্তিত। আশঙ্কা উৎসব শেষ হলেই বাড়বে এই ভাইরাস সংক্রমণ।

বিশেষজ্ঞরা কারণ খুঁজতে গিয়ে দেখছেন, শারোদতসবের ছুটির আমেজে ক্রমাগত কমছে কোভিড টেস্ট। গত দু দিনে অর্থাৎ উৎসবের পঞ্চমী ও ষষ্ঠির দিনেই করোনা পরীক্ষা কমেছে উল্লেখযোগ্য হারে। রিপোর্টে উঠে এসেছে রবিবার করোনা সংক্রমণ পরীক্ষা হয়েছিল ৩৬ হাজার। আর সোমবার পরীক্ষা হয় ২৬ হাজার। অর্থাৎ গত ৪৮ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা সংক্রমণের পরীক্ষা ১০ হাজার কমেছে।

durga puja pandal hopping

বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা, মঙ্গলবার থেকে বাকি চারদিন শারোদতসবের মূল অনুষ্ঠানের মাঝে করোনা সংক্রমণের পরীক্ষা আরও কমে যাবে। এই প্রবণতা ভয়াবহ। কারণ সংক্রমণ পরীক্ষা কম হলে করোনা আক্রান্তের সঠিক সংখ্যা আরও কম নথিভুক্ত হবে। সেটাই প্রকাশ হবে। সেই রিপোর্ট দেখে আরও উল্লসিত হয়ে দর্শনার্থীদের ঢল নামবে মন্ডপে। বিপদ এখানেই। এমনই আশঙ্কা।

করোনাভাইরাসের টিকা নিয়েছেন যারা তাদের স্বাভাবিক ধারণা, টিকা নিলে করোনা হবে না। বিপদ এখানেও। বিশেষজ্ঞরা বলছে, টিকা গ্রহীতা করোনায় আক্রান্ত হতেই পারেন। তবে তাঁর মৃত্যুর আশঙ্কা কম। সেই কারণে টিকা নেওয়া ব্যক্তি বেশি উদাসীন। তাঁর থেকেই করোনাভাইরাস সংক্রমণের আশঙ্কা রয়েছে বেশি।

Shantipur: লকডাউনে রাত-বিরেতের ‘অক্সিজেন দাতা’ বাম প্রার্থী সৌমেন ‘জামানত বাঁচাতে’ লড়বেন

Soumen Mahato

নিউজ ডেস্ক: লড়াই হবে জমানত বাঁচানোর। আপাতত এই লক্ষ্যেই আসন্ন উপনির্বাচনে ঝাঁপিয়ে পড়েছে টানা ৩৪ বছর রাজ্যের শাসকপক্ষ বামফ্রন্ট! এই পর্বের উপনির্বাচনে বামেদের অন্যতম প্রার্থী শান্তিপুর (Shantipur) বিধানসভার কেন্দ্রের সৌমেন মাহাতো।

কে তিনি? সিপিআইএমের যুব সংগঠনের নেতা। তার থেকেও বড় কথা, সৌমেন রেড ভলান্টিয়ার্স এই নামে একটি মোবাইল নম্বর নদিয়ার শান্তিপুর বা সংলগ্ন এলাকায় বহুজনের মোবাইলে সেভ করা আছে।

করোনাভাইরাস হামলা ও তীব্র অক্সিজেন সংকটের সময় যখন ঘরে ঘরে মৃতদেহ পড়ে থাকছিল বা অক্সিজেন চেয়েও না পাওয়া মানুষ অসহায় হয়েছিলেন তখন এগিয়ে আসে রেড ভলান্টিয়ার্স।

তীব্র অক্সিজেন সংকটের সেই সময়ে বারবার ভাইরাল হয় রেড ভলান্টিয়ার্স কর্মকান্ড। শান্তিপুরের বাম যুব কর্মীদের নেতা সৌমেন মাহাতো অক্সিজেন সিলিন্ডার নিয়ে করোনা আক্রান্তদের ঘরে ঘরে চলে যান। পরিস্থিতি এমন হয় যে রেড ভলান্টিয়ার্সে-ই ভরসা করেন তৃ়ণমূল কংগ্রেস ও বিজেপি নেতৃত্ব। তাঁদের মোবাইলেও নম্বরগুলো সেভ করা আছে।

Soumen Mahato

সিপিআইএম ও বিভিন্ন বাম দলগুলির ছাত্র যুব সংগঠনের কর্মীদের নিয়ে গঠিত রেড ভলান্টিয়ার্সের ভূমিকায় রাজ্যবাসী চমকে যান। জাতীয় ও আন্তর্জাতিকস্তরে প্রবল আলোচিত হয় সংগঠনটির ভূমিকা। প্রশাসনিক স্বাস্থ্য পরিষেবা কাঠামো ভেঙে পড়ছিল। তখন বিপদের বন্ধু ছিল রেড ভলান্টিয়ার্স।

শান্তিপুরের করোনা রোগীদের জন্য ‘অক্সিজেন দাতা’ সৌমেন মাহাতো আর অন্যান্য রেড ভলান্টিয়ার্সদের বিভিন্ন মুহূর্ত ভাইরাল হতে শুরু করে।

আসন্ন উপনির্বাচনে সেই ভূমিকা থেকে ভোটের লড়াইতে শান্তিপুরের ‘অক্সিজেন দাতা’।সিপিআইএম এই কেন্দ্রে সৌমেন মাহাতো কে প্রার্থী করার পরেই পুরো বিধানসভা জুড়ে শোরগোল। মূলত তৃ়ণমূল ও বিজেপিতে বিভক্ত ভোটারদের কাছেও দ্বিধা তৈরি হচ্ছে।

চমক ছিল সৌমেন মাহাতোর মনোনয়ন জমার মিছিল। সদ্য সমাপ্ত তিনটি কেন্দ্রের উপনির্বাচনে যা দেখা যায়নি। সর্বত্রই জামানত খোয়ান বাম প্রার্থীরা।

বিধানসভা ভোটে জিতেও শান্তিপুরের বিধায়ক পদ ছেড়েছেন বিজেপির জগন্নাথ সরকার। ফলে আগামী ৩০ অক্টোবর উপনির্বাচন।

শান্তিপুরে বামফ্রন্টের সিপিআইএম প্রার্থী সৌমেন কি ‘জামানত কাঁটা’ দূর করতে পারবেন? সেটাই মূল প্রশ্ন বাম শিবিরে। বহু ভোটের পোড় খাওয়া বাম নেতারা জানেন জনসেবা এক বিষয় আর ভোটের লড়াই ভিন্ন।

Covid 19: খেলেই মরবে করোনা, আসছে এমন ওষুধ

covid 19

নিউজ ডেস্ক: করোনায় আক্রান্তদের জন্য তৈরি খাওয়ার ওষুধ। অপেক্ষা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) ছাড়পত্র। এই ওষুধ খেলে মরবে করোনা। দাবি গবেষকদের। পরীক্ষায় এসেছে সাফল্য।

বিবিসি জানাচ্ছে, মোলনুপিরাভির নামের এই ওষুধ এক ধরণের ট্যাবলেট। অন্তবর্তীকালীন ক্লিনিক্যাল পরীক্ষায় দেখা গেছে, এটি ব্যবহারে করোনায় আক্রান্তদের হাসপাতালে ভর্তি ও মৃত্যুঝুঁকি অর্ধেকে নেমে আসছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ওষুধ প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান মার্ক তৈরি করেছে এই ট্যাবলেট। তবে শুরুর দিকে মোলনুপিরাভিরের ট্রায়াল বন্ধ করতে বলা হয়েছিল।

মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের চিকিৎসা বিষয়ক উপদেষ্টা ড. অ্যান্থনি ফসি বলেছেন, ফলাফলের ব্যাপারটি খুবই ভালো খবর। বিবিসি জানাচ্ছে, মোলনপিরাভির ছাড়পত্র পেলেই এটি হবে কোভিড-১৯ ভাইরাসের বিরুদ্ধে খাওয়ার প্রথম ওষুধ।

২০২১ সালের শেষ নাগাদ এক কোটি রোগীর জন্য মোলনুপিরাভির উৎপাদন করতে পারবে বলে আশা প্রকাশ করেছে ওষুধ প্রস্তুতকারী সংস্থাটি। অনুমোদন পেলেই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার ১২০ কোটি মার্কিন ডলার মূল্যের মোলনুপিরাভির কিনবে বলে রাজি হয়েছে।

করোনার হানায় একটি বিদ্যালয়েই শতাধিক বাল্যবিবাহ

Stop child marriage

নিউজ ডেস্ক: বাল্যবিবাহের ট্রেন ছুটছে বাংলাদেশে। করোনা সংকটে বন্ধ থাকা বিদ্যালয় খুলতেই ভয়াবহ পরিসংখ্যান আসতে শুরু করেছে। শয়ে শয়ে নাবালিকা পড়ুয়া পরিস্থিতির চাপে বাল্যবিবাহের শিকার।  প্রায় দেড় বছর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকায় কুড়িগ্রামের চিলমারী উপজেলায় একটি বিদ্যালয়ে অন্তত ১১৬ জন নাবালিকার বাল্যবিবাহ হয়েছে।

দীর্ঘদিন বিদ্যালয় বন্ধ থাকার পর পাঠদান চালু হওয়ার প্রায় দু সপ্তাহ পার হলেও শিক্ষার্থী উপস্থিতির হার কম হওয়ায় এমন ধারণা করছেন শিক্ষকরা। কয়েকজন পড়ুয়া জানিয়েছে তাদের বাল্যবিবাহ হয়েছে। কন্যাশিশুদের নিরাপত্তার অভাব, যৌতুক প্রথা, দারিদ্র্য, যোগাযোগ বিচ্ছিন্নতা সহ নানা প্রতিবন্ধকতার জন্য উপজেলায় বাল্যবিয়ের হার বেড়েই চলেছে। ঠেকানো যাচ্ছে না বাল্যবিয়ে।

বাংলাদেশের চিলমারী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক জানান, বিদ্যালয়ে মোট শিক্ষার্থী ৩১৬ জন। করোনাপরবর্তী সময়ে পাঠদান শুরুর পর ১১৬ জন ছাত্রী অনুপস্থিত। ধারণা করা হচ্ছে তারা বাল্যবিবাহের শিকার। কয়েকজনের বাড়িতে শিক্ষক পাঠিয়ে জানা গিয়েছে এমন তথ্য।  করোনা সংক্রমণ কারণে ছুটির সময়ে সোশ্যাল সাইট ছিল সময় কাটানোর উপকরণ। অনেক ছাত্রী এর মাধ্যমে প্রেমের সম্পর্কে জড়ায়। তাদের বিয়ে হয়েছে।

আবার করোনায় অর্থনৈতিক সংকট বেড়েছে। নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের তরফে তাদের কন্যাদের বিয়ে দেওয়ার সংখ্যাও বেড়েছে। সবমিলে বাংলাদেশে বাল্যবিবাহ এখন আরেক মহামারির আকার নিয়েছে। একই অবস্থা ভারতেও। বিভিন্ন রিপোর্টে ধরা পড়ছে বাল্যবিবাহ বেড়ে যাওয়ার পরিসংখ্যান।

Who Report: করোনা তো শিশু! বায়ু দূষণে বছরে মৃত্যু ৭০ লক্ষ

air pollution

নিউজ ডেস্ক: টানা দু বছর ভয়াবহ করোনাভাইরাসের কবলে বিশ্ব। মৃত্যুর মিছিল চলেছে সর্বত্র। গবেষণা রিপোর্ট বলছে, করোনায় মৃত্যুর চেয়ে বায়ু দূষণে মৃত মানুষের সংখ্যা আরও ভয়াল। বছরে অন্তত ৭০ লক্ষ মানুষ মারা যান।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) আরও জানাচ্ছে, বিশ্বজুড়ে বায়ুর মান উন্নত করতে এয়ার কোয়ালিটি গাইডলাইনসে (একিউজিএস) পালনে কঠোর শর্ত আরোপ করা হচ্ছে। বুধবার নতুন একিউজিএস প্রকাশ করে হু।

হু বলেছে, তীব্র বায়ুদূষণ প্রতিরোধ করতে জরুরি পদক্ষেপ নিতে হবে। কেননা বিশ্বজুড়ে বায়ুর মানের প্রতিটি সূচক নিম্নমুখী রয়েছে। জনস্বাস্থ্যে বিরূপ প্রভাব ফেলছে। এই অবস্থা অস্বাস্থ্যকর খাবার ও ধূমপানের চেয়েও বেশি স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি তৈরি করেছে।

air pollution

হু মহাপরিচালক টেড্রোস আধানম গ্যাব্রিয়েসুস বলেন, বায়ু দূষণের ফলে প্রতি বছর অন্তত ৭০ লক্ষ মানুষের অকালমৃত্যু হচ্ছে। গবেষকেরা দেখিয়েছেন, এমনকি কম মাত্রায়ও দূষিত বায়ুও মানুষের শরীরের সব অঙ্গকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। মস্তিষ্ক থেকে শুরু করে মায়ের গর্ভে থাকা সন্তান এতে ক্ষতির সম্মুখীন হয়।
রয়টার্স জানাচ্ছে, ২০০৫ সালের পর এবার এয়ার কোয়ালিটি গাইডলাইন আরও কঠোর করল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। আগের গাইডলাইন অনুযায়ী, ২০১৯ সালে বিশ্বের ৯০ শতাংশ মানুষ অস্বাস্থ্যকর বায়ুতে শ্বাসপ্রশ্বাস নিয়েছেন।

নতুন একিউজিএসে নাইট্রোজেন ডাই অক্সাইড, সালফার ডাই অক্সাইড ও কার্বন মনোক্সাইড সহ ছয় ধরনের দূষণ থেকে বায়ুমান উন্নত করার সুপারিশ করা হয়েছে।
রয়টার্স জানাচ্ছে, অক্টোবরে স্কট

কয়লা মামলায় রুজিরা করোনার অজুহাতে জেরা এড়ালেও পার্লারে গিয়েছিলেন: ED

Abhisekh banerjee wife Rujira banerjee

নিউজ ডেস্ক: বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় কয়লা চোরাচালান মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৩১ আগস্ট এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) সামনে হাজির হননি।

ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি) সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের স্ত্রী রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় “ইচ্ছাকৃতভাবে” মিথ্যা বলেছিলেন এবং ৩১ আগস্ট নয়াদিল্লিতে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) -এর সামনে হাজির হওয়া এড়াতে করোনার অজুহাত দেখিয়েছিলেন।

সূত্রের খবর, ৩১ অগস্টের ৩-৪ দিন আগে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি সফর করেছিলেন। রুজিরা ইডি অফিসে যেতে অস্বীকার করে বলেছিলেন, “করোনা মহামারীর মধ্যে শারীরিকভাবে একা নয়াদিল্লি ভ্রমণ আমার এবং আমার বাচ্চাদের জন্য গুরুতর এবং ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে।”

সূত্রের খবর অনুযায়ী, ইডি খোঁজ খবর করে জানতে পারে রুজিরা এয়ার ইন্ডিয়ার একটি ফ্লাইটে কলকাতা থেকে দিল্লি যান৷ কলকাতা ফেরার আগে তিনি ২৮ অগস্ট পর্যন্ত দিল্লি শহরে ছিলেন। তদন্তকারীরা আরও জানতে পেরেছে, রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায় দিল্লি থাকাকালীন বিউটি পার্লারে যান এবং শহরের আশেপাশের কিছু হিল স্টেশনও বেড়াতে গিয়েছিলেন৷

ইডি-র একটি সূত্র জানিয়েছে, জিজ্ঞাসাবাদ সম্পর্কে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে দুই সপ্তাহ আগে জানানো হয়েছিল। সূত্রটি জানায়, তিনি জিজ্ঞাসাবাদের তারিখ পর্যন্ত দিল্লিতে ছিলেন৷ দিল্লিতে তিনি বিউটি পার্লার এবং পর্যটন স্থানগুলির মতো সর্বজনীন স্থানেও যান। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদের মাত্র তিন দিন আগে তিনি কলকাতায় ফিরে যান এবং পরে করোনা মহামারীর অজুহাত দেখান। তার মানে হল, তিনি করোনা মহামারীটিকে অজুহাত হিসেবে ব্যবহার করেছেন এবং জেরার মুখোমুখি এড়াতে ‘ইচ্ছাকৃতভাবে’ মিথ্যা বলেছেন।

এই প্রমাণের ভিত্তিতে ইডি দিল্লির পাতিয়ালা হাউস কোর্টে আবেদন করেছিল৷ সেই মতোই ৩০ সেপ্টেম্বর হাজির হওয়ার জন্য তলব করেছে রুজিরা বন্দ্যোপাধ্যায়কে৷

জলপাইগুড়ি জ্বর: এবার দক্ষিণমুখী, দুর্গাপুরে বহু শিশু আক্রান্ত

Unknown fever bengal

নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ ছাড়িয়ে এবার জলপাইগুড়ির অজানা জ্বরের গতি দক্ষিণবঙ্গে। পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরে কমপক্ষে ৪২ জন শিশু আক্রান্ত। তাদের চিকিৎসা চলছে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে।

হাসপাতালের সুপার ধীমান মন্ডল জানিয়েছেন, শিশুদের ওয়ার্ডে মোট ৫৫ টি বেডের মধ্যে ৪২ টি ভর্তি। জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের সর্দি, কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা রয়েছে। তবে দুশ্চিন্তার কিছু নেই।

অজানা জ্বর জলপাইগুড়ি, কোচবিহারের পর এবার উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও ছড়াচ্ছে। এবার হামলা উত্তর দিনাজপুরে। রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইতিমধ্যেই ১৫ জন শিশু জ্বর সহ অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে ভর্তি। কী কারণে জ্বর জানা যায়নি। হু হু করে ছড়াচ্ছে জলপাইগুড়ি জ্বরাতঙ্ক।

রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে খবর, ১৫-১৬ জন শিশু এখনও চিকিৎসাধীন। মনে করা হচ্ছে ভাইরাল নিউমোনিয়া ফিভার ছড়িয়েছে। রায়গঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসা পর্যাপ্ত বলেই জানানো হয়েছে।

গত এক সপ্তাহ ধরে এই সংক্রামক অজানা জ্বর জলপাইগুড়িতে হামলা করছে। চিকিৎসকরা থই পাচ্ছেন না। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শতাধিক শিশু চিকিৎসাধীন। অনেকের শ্বাসকষ্ট উপসর্গ আছে। ফলে করোনার কিছু লক্ষণের সঙ্গে মিল থাকলেও এটি করোনা সংক্রমণ নয় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
জলপাইগুড়ি ছাড়িয়ে কোচবিহার ও শিলিগুড়িতেও শিশুরা এই অজানা জ্বরের কবলে। আশঙ্কা উত্তরবঙ্গের রাজধানী শিলিগুড়িতে এই জ্বর ছড়াতে শুরু করলে, পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হবে। রোগীর দেহের নমুনা নিয়ে কলকাতায় পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্টের অপেক্ষায় চিকিৎসকরা।

করোনা এখনও যায়নি। সংক্রমণ কমলেও আছে চারপাশেই। আসন্ন শারদোৎসবের আগে করোনার দোসর হয়ে এসেছে এক অজানা জ্বর। সেই জ্বরে শয়ে শয়ে শিশু আক্রান্ত। জলপাইগুড়ি কাঁপছে জ্বরে। উত্তরবঙ্গ জুড়ে ভয়, কারণ জ্বর ছড়িয়েছে কোচবিহারেও। শিশু মৃত্যুর খবরে আতঙ্ক বাড়ছে।
অভিযোগ, করোনা পরিস্থিতিতে উপনির্বাচন নিয়ে রাজ্য সরকার যতটা চিন্তিত, তার কণামাত্র নেই অজানা জ্বরের প্রকোপ নিয়ে। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকদের একাংশ ক্ষুব্ধ। জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালেও ক্ষোভ ছড়িয়েছে। কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ এই অজানা জ্বরের দ্বিতীয় কেন্দ্র।
দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ির সঙ্গে পুরো উত্তর পূর্বাঞ্চলের ৮টি রাজ্য ও দেশের বাকি অংশের অনবরত যোগাযোগ। তেমনি উত্তরবঙ্গের সবকটি জেলার মূল যাতায়াত কেন্দ্র। শিলিগুড়িতে অজানা জ্বর ছড়ালে এর প্রভাব আরও চিন্তার বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

হু হু করে ছড়াচ্ছে ‘জলপাইগুড়ি জ্বর’, এবার উত্তর দিনাজপুরে শিশুরা আক্রান্ত

Unknown fever in bengal

নিউজ ডেস্ক: আশঙ্কা সত্যি হতে চলল। অজানা জ্বর জলপাইগুড়ি, কোচবিহারের পর এবার উত্তরবঙ্গের অন্যান্য জেলাতেও ছড়াচ্ছে। এবার হামলা উত্তর দিনাজপুরে। রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ইতিমধ্যেই ১৫ জন শিশু জ্বর সহ অন্যান্য উপসর্গ নিয়ে ভর্তি। কী কারণে জ্বর জানা যায়নি। হু হু করে ছড়াচ্ছে জলপাইগুড়ি জ্বরাতঙ্ক।

রায়গঞ্জ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে খবর, ১৫-১৬ জন শিশু এখনও চিকিৎসাধীন। মনে করা হচ্ছে ভাইরাল নিউমোনিয়া ফিভার ছড়িয়েছে। রায়গঞ্জ হাসপাতালে চিকিৎসা পর্যাপ্ত বলেই জানানো হয়েছে।

Read More: একে করোনায় রক্ষে নেই…! জ্বরের আতঙ্কে জলপাইগুড়ি, কাঁপছে উত্তরবঙ্গ

গত এক সপ্তাহ ধরে এই সংক্রামক অজানা জ্বর জলপাইগুড়িতে হামলা করছে। চিকিৎসকরা থই পাচ্ছেন না। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শতাধিক শিশু চিকিৎসাধীন। অনেকের শ্বাসকষ্ট উপসর্গ আছে। ফলে করোনার কিছু লক্ষণের সঙ্গে মিল থাকলেও এটি করোনা সংক্রমণ নয় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
জলপাইগুড়ি ছাড়িয়ে কোচবিহার ও শিলিগুড়িতেও শিশুরা এই অজানা জ্বরের কবলে। আশঙ্কা উত্তরবঙ্গের রাজধানী শিলিগুড়িতে এই জ্বর ছড়াতে শুরু করলে, পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হবে।

রোগীর দেহের নমুনা নিয়ে কলকাতায় পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্টের অপেক্ষায় চিকিৎসকরা। করোনাএখনও যায়নি। সংক্রমণ কমলেও আছে চারপাশেই। আসন্ন শারদোৎসবের আগে করোনার দোসর হয়ে এসেছে এক অজানা জ্বর। সেই জ্বরে শয়ে শয়ে শিশু আক্রান্ত। জলপাইগুড়ি কাঁপছে জ্বরে। উত্তরবঙ্গ জুড়ে ভয়, কারণ জ্বর ছড়িয়েছে কোচবিহারেও। তিন শিশুর মৃত্যুর খবরে আতঙ্ক বাড়ছে।

অভিযোগ, করোনা পরিস্থিতিতে উপনির্বাচন নিয়ে রাজ্য সরকার যতটা চিন্তিত, তার কণামাত্র নেই অজানা জ্বরের প্রকোপ নিয়ে। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকদের একাংশ ক্ষুব্ধ। জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালেও ক্ষোভ ছড়িয়েছে। কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ এই অজানা জ্বরের দ্বিতীয় কেন্দ্র।

দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ির সঙ্গে পুরো উত্তর পূর্বাঞ্চলের ৮টি রাজ্য ও দেশের বাকি অংশের অনবরত যোগাযোগ। তেমনি উত্তরবঙ্গের সবকটি জেলার মূল যাতায়াত কেন্দ্র। শিলিগুড়িতে অজানা জ্বর ছড়ালে এর প্রভাব আরও চিন্তার বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

একে করোনায় রক্ষে নেই…! জ্বরের আতঙ্কে জলপাইগুড়ি, কাঁপছে উত্তরবঙ্গ

Unknown fever spreading

নিউজ ডেস্ক: করোনা (Coronavirus) যায়নি। সংক্রমণ কমলেও আছে চারপাশেই। আসন্ন শারদোৎসবের আগে করোনার দোসর হয়ে এসেছে এক অজানা জ্বর। সেই জ্বরে শয়ে শয়ে শিশু আক্রান্ত। জলপাইগুড়ি কাঁপছে জ্বরে। উত্তরবঙ্গ জুড়ে ভয়, কারণ জ্বর ছড়িয়েছে কোচবিহারেও। তিন শিশুর মৃত্যুর খবরে আতঙ্ক বাড়ছে।

অভিযোগ, করোনা পরিস্থিতিতে উপনির্বাচন নিয়ে রাজ্য সরকার যতটা চিন্তিত, তার কণামাত্র নেই অজানা জ্বরের প্রকোপ নিয়ে। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজের চিকিৎসকদের একাংশ ক্ষুব্ধ। জলপাইগুড়ি জেলা হাসপাতালেও ক্ষোভ ছড়িয়েছে। কোচবিহারের মেখলিগঞ্জ এই অজানা জ্বরের দ্বিতীয় কেন্দ্র।

গত এক সপ্তাহ ধরে এই সংক্রামক অজানা জ্বর জলপাইগুড়িতে হামলা করছে। চিকিৎসকরা থই পাচ্ছেন না। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শতাধিক শিশু চিকিৎসাধীন। অনেকের শ্বাসকষ্ট উপসর্গ আছে। ফলে করোনার কিছু লক্ষণের সঙ্গে মিল থাকলেও এটি করোনা সংক্রমণ নয় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।
রোগীর দেহের নমুনা নিয়ে কলকাতায় পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছে। রিপোর্টের অপেক্ষায় চিকিৎসকরা। তবে জলপাইগুড়ি ছাড়িয়ে কোচবিহার ও শিলিগুড়িতেও শিশুরা এই অজানা জ্বরের কবলে। আশঙ্কা উত্তরবঙ্গের রাজধানী শিলিগুড়িতে এই জ্বর ছড়াতে শুরু করলে, পরিস্থিতি আরও উদ্বেগজনক হবে।

দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ির সঙ্গে পুরো উত্তর পূর্বাঞ্চলের ৮টি রাজ্য ও দেশের বাকি অংশের অনবরত যোগাযোগ। তেমনি উত্তরবঙ্গের সবকটি জেলার মূল যাতায়াত কেন্দ্র। শিলিগুড়িতে অজানা জ্বর ছড়ালে এর প্রভাব আরও চিন্তার বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এপারে গড়িমসি, ওপার বাংলায় দেড় বছর পর খুলল স্কুল

Keeping Bangladesh's Students Learning During the COVID-19 Pandemic

নিউজ ডেস্ক: রবিবার বিদ্যালয়ে (school) কলরব, করোনা (Coronavirus) ভয় কাটিয়ে বাংলাদেশি (Bangladesh) পড়ুয়ারা ছুটল। প্রায় ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর ফের সচল বাংলাদেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। আছে ভয় আশঙ্কা। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে যখন স্কুল-কলেজ বন্ধ ছিল বাংলাদেশে।

শনিবার বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, করোনা সংক্রমণ কমে আসায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে, সংক্রমণ বেড়ে গেলে আবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্বান্ত নেওয়া হতে পারে।

Keeping Bangladesh's Students Learning During the COVID-19 Pandemic

প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দিনে তিনটি করে ক্লাস হবে। এই সময়সূচি সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠানো হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হচ্ছে।

দীর্ঘদিন পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে আসবাবপত্র ও দেয়াল রাঙানো হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ধূলোর স্তূপ জমেছিল। আবার শিক্ষার্থীদের কলরব শুরু। গত ছয় মাসের অনুসন্ধান বলছে, গত দেড় বছরে প্রাথমিকের অনেক দরিদ্র শিক্ষার্থী দিনমজুর ও হকার হয়েছে। মাধ্যমিকের অনেক মেয়ে শিক্ষার্থীর এরই মধ্যে বিয়ে হয়ে গেছে। সংসারের পাশাপাশি তারা আবারও শ্রেণিকক্ষে বসবে এমন ভাবনা নেই অধিকাংশের মধ্যে। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও হয়তো অনেক পুরনো শিক্ষার্থীর দেখা মিলবে না শ্রেণিকক্ষে।

রবিবার সকালেই কলরব, করোনা ভয় কাটিয়ে বাংলাদেশে খুলছে বিদ্যালয়

bangladesh School

নিউজ ডেস্ক: করোনা পরিস্থিতিতে প্রায় ১৮ মাস বন্ধ থাকার পর ফের সচল হতে যাচ্ছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো। আছে ভয় আশঙ্কা। তবে রবিবার সকালে ফের কলরব হবে শিক্ষায়তনে। ২০২০ সালের ১৭ মার্চ থেকে যখন স্কুল-কলেজ বন্ধ বাংলাদেশে (Bangladesh)।

গত ছয় মাসের অনুসন্ধান বলছে, গত দেড় বছরে প্রাথমিকের অনেক দরিদ্র শিক্ষার্থী দিনমজুর ও হকার হয়েছে। মাধ্যমিকের অনেক মেয়ে শিক্ষার্থীর এরই মধ্যে বিয়ে হয়ে গেছে। সংসারের পাশাপাশি তারা আবারও শ্রেণিকক্ষে বসবে এমন ভাবনা নেই অধিকাংশের মধ্যে। ফলে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুললেও হয়তো অনেক পুরনো শিক্ষার্থীর দেখা মিলবে না শ্রেণিকক্ষে।

Bangladesh School Open

শনিবার শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছেন, করোনা সংক্রমণ কমে আসায় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়া হয়েছে। তবে, সংক্রমণ বেড়ে গেলে আবারও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধের সিদ্বান্ত নেওয়া হতে পারে।

দীর্ঘদিন পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলো খুলে দেওয়ার প্রস্তুতি হিসেবে চলছে ধোয়ামোছার কাজ। পরিষ্কারের পাশাপাশি আসবাবপত্র ও দেয়াল রাঙানো হচ্ছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে দিনে তিনটি করে ক্লাস হবে। এই সময়সূচি সকল প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পাঠানো হয়। মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শ্রেণিকক্ষে পাঠদান শুরু হচ্ছে। সেজন্য সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে প্রতিষ্ঠানগুলো। অপেক্ষার প্রহর গুনছে শিক্ষার্থীরা। দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার কারণে রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠা

Center Alert: কোভিডের জাল ভ্যাকসিন সম্পর্কে রাজ্যকে সতর্ক করল নয়াদিল্লি

নিউজ ডেস্ক: ভারতে এখনও পর্যন্ত ৬৮ কোটিরও বেশি মানুষকে কোভিড ভ্যাকসিনের (vaccine) প্রথম এবং দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে। করোনার সম্ভাব্য তৃতীয় ঢেউের উদ্বেগের মধ্যে সরকার টিকাকরণের গতি বহুগুণ বৃদ্ধি করেছে। একদিকে যেখানে দেশে মানুষকে দ্রুত করোনার টিকা দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলিকে আন্তর্জাতিক বাজারে নকল ভ্যাকসিন সম্পর্কে সতর্ক থাকতে বলেছে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া এবং আফ্রিকায় একটি নকল কোভিডশিল্ড ভ্যাকসিন পাওয়া গিয়েছে৷ যার পরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (WHO) উদ্বেগ প্রকাশ করে সমস্ত দেশকে সতর্ক করেছে।

রবিবার কেন্দ্রীয় সরকার কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের ভুয়ো ডোজ নিয়ে রাজ্যগুলিকে একটি চিঠি লিখেছে৷ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে রাজ্যগুলিকে সতর্ক করা হয়েছে৷ তাতে বলা হয়েছে, টিকা দেওয়ার আগে তাদের অবশ্যই স্যাম্পল পরীক্ষা করতে হবে। মন্ত্রক আসল এবং নকল ভ্যাকসিন সনাক্ত করার জন্য মানদণ্ডের একটি তালিকা শেয়ার করেছে৷ এই তালিকা অনুসারে, কোভিশিল্ডের ভ্যাকসিনগুলি সহজেই চিহ্নিত করা যাবে। কেন্দ্র থেকে পাঠানো মানদণ্ডে ভ্যাকসিনের লেবেল কী, তার রঙ, ব্র্যান্ডের নাম সম্পর্কে তথ্য, সনাক্তকরণের জন্য তিনটি ভ্যাকসিনে শেয়ার করা হয়েছে।

সম্প্রতি বেশ কয়েকটি রিপোর্ট স্বাস্থ্য মন্ত্রকের হাতে এসেছে৷ তাতে বলা হয়েছে, ভারতের প্রাথমিক কোভিড -১৯ (covid19) ভ্যাকসিন কোভিশিল্ডের জাল ডোজ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং আফ্রিকায় বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে দাবি এই দাবি করা হয়েছে৷ তাতে বলা হয়েছে, কোভিশিল্ডের জাল ডোজ দেশজুড়ে ধরা পড়েছে। করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মধ্যেই অসুস্থ মানসিকতার লোকদের কারণে অনেক জীবন বিপদে পড়ছে৷ যারা এই দুর্যোগেও সুযোগ নিচ্ছে৷ ভারতে এখনও পর্যন্ত ৬৮.৪৬ কোটি ডোজ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষকে টিকা দেওয়া হচ্ছে।

নাম না-জানা জারারাকুস্সু পিট ভাইপারের বিষেই মরছে করোনা ভাইরাস

Brazilian viper venom may become tool in fight against COVID

#coronavirus
নিউজ ডেস্ক: কালান্তক কেউটে বা শঙ্খচূূড় অথবা গোখরো কিংবা ধরুন মারাত্মক ব্ল্যাক মাম্বা এই সব ভয়াল সাপের একটু স্পর্শে এলেই মৃত্যু নিশ্চিত। উগরে দেয় বিষ। এমনই সব মারাত্মক বিষধর সাপ নিয়ে চাঞ্চল্যকর গবেষণা রিপোর্ট এসেছে।

পরীক্ষায় দেখা গিয়েছে, সাপের বিষ প্রয়োগে প্রাণীকোষে করোনাভাইরাসের দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার প্রবণতা অনেকটাই কমেছে। ব্রাজিলের সাও পাওলো বিশ্ববিদ্যালয়ের কয়েকজন গবেষক সম্প্রতি করোনাভাইরাস চিকিৎসায় সাপের বিষ নিয়ে গবেষণা করছেন।

রয়টার্স জানাচ্ছে, সাপের বিষে যে জটিল রোগের চিকিৎসা সম্ভব, তা ইতিমধ্যে পরীক্ষিত ও প্রমাণিত বলে দাবি করেছেন ব্রাজিলের গবেষকরা। গবেষকরা এই পরীক্ষা করেছিলেন ব্রাজিলের এক বিশেষ প্রজাতির সাপ জারারাকুস্সু পিট ভাইপারের বিষ নিয়ে। সেই বিষ বাঁদরের কোষে পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করা হয়েছিল। এসেছে অভূতপূর্ব সাফল্য ।

করোনাভাইরাস সংক্রমণে ব্রাজিলের পরিস্থিতি ভয়াবহ। গত দু বছরে ব্রাজিল অর্থনীতি তথৈবচ। মৃত্যু ও সংক্রমণ প্রবল হয়েছিল। এই অবস্থায় ব্রাজিলের গবেষকরা সাপের বিষ নিয়ে করোনা প্রতিরোধের গবেষনা শুরু করেন।

রয়টার্স জানাচ্ছে, গবেষকরা পরীক্ষা করে দেখেছেন,ওই সাপের বিষে থাকা বিশেষ একটি উপাদান প্রাণীকোষে করোনার সংক্রমণ থামাতে পেরেছে। গবেষকরা বলছেন, সাধারণত প্রাণীকোষে প্রবেশের পর নিজের সংখ্যাবৃদ্ধি করেই সংক্রমণ ছড়ায় করোনাভাইরাস। সংখ্যাবৃদ্ধির সেই হার ৭৫ শতাংশ কমিয়ে এনেছে জারারাকুস্সু পিট ভাইপারের বিষ।

মারাত্মক বিষধর এই সাপ। তারই বিষের একটি অণু উপাদান করোনাভাইরাসের গুরুত্বপূর্ণ এক স্পাইক প্রোটিনকে অকেজো করতে পারছে বলে দাবি সাও পাওলোর গবেষকদের