Covid19: দৈনিক আক্রান্ত ৪০ হাজার ছুঁই ছুঁই, দেশে কমছে সুস্থতার হার

40,000 infected daily, the recovery rate is declining in the country

করোনার প্রকোপ বাড়ছে দেশজুড়ে। প্রতিদিনের আক্রান্তের সংখ্যা তার আগের দিনের পরিসংখ্যানকে ছাপিয়ে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের মঙ্গলবারের পরিসংখ্যান অনুযায়ী গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩৭,৩৭৯। দৈনিক মৃত্যু রয়েছে ১০০-র ঘরে। গত ২৪ ঘণ্টায় ১২৪ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে। একদিনে করোনা জয় করে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১১,০০৭ জন।

এই পরিসংখ্যানের ভিত্তিতে দেশে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৩,৪৯,৬০,২৬১, করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ৪,৮২,১৭, এখনও পর্যন্ত করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ৩,৪৩,০৬,৪১৪ জন। দেশে এই মুহূর্তে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ১,৭১,৮৩০।

ভারতে সক্রিয়তার হার ০.৪৯ শতাংশ। অন্যদিকে, সুস্থতার হার আরও কমে দাঁড়িয়েছে ৯৮.১৩ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে টিকাকরণ প্রায় ১ কোটির কাছাকাছি। একদিনে করোনা টিকাকরণের সংখ্যা ৯৯,২৭,৭৯৭। দেশে টিকাকরণ শুরু হওয়ার পর এখনও পর্যন্ত মোট টিকাকরণের সংখ্যা ১,৪৬,৭০,১৮,৪৬৪।

Covid 19: দমদমে করোনার দমদার হানা, একদিনেই একশ পার

Covid 19: Domdame Corona Damdar Hana, one hundred par in one day

দমদমের করোনা পরিস্থিতির ক্রমশ অবনতি হচ্ছে। হু হু করে বাড়ছে সংক্রমণ। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে দক্ষিণ দমদম, উত্তর দমদম এবং দমদম এই তিন পুরসভার পুরপ্রশাসন একজোটে কাজ করার উদ্যোগ নিয়েছে। কিন্তু সংক্রমণ বাড়লেও হুঁশ ফিরছেনা সাধারণ মানুষের। দমদমের রাস্তায় করোনা বিধির তোয়াক্কা না করেই বিনা মাস্কেই ঘুরছে সাধারণ মানুষ।

এইসময় সামনে এল‌ এক উদ্বেগজনক তথ্য। দক্ষিণ দমদম পুরসভা এলাকায় মাত্র একদিনেই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ১১৩ জন। শ্রীভূমি, বাঙুর ও লেকটাউন এলাকার ১০ টি ওয়ার্ডে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৮১ জন। বাকি ২৫ টি ওয়ার্ডে আক্রান্তের সংখ্যা ৩২।

দক্ষিণ দমদম পুরসভার প্রশাসন ইতিমধ্যেই সেফহোম চালু করেছে। রবীন্দ্র ভবনের সেফহোমে ২৫ টি এবং ৩৫ নং ওয়ার্ডের সেফহোমে ১০ টি শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

দমদমের করোনা পরিস্থিতিও বেশ খারাপের দিকে। রবিবারেই কেবল করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৩১ জন।

সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে নানা পদক্ষেপ নিচ্ছে প্রশাসন। কিন্তু সাধারণ মানুষকে আরও বেশি সচেতন হতে হবে। সংক্রমণের গ্রাফ ঊর্ধ্বমুখী হওয়ার পরেও দমদম স্টেশন, নাগেরবাজার, গোরাবাজার, ক্যান্টনমেন্ট স্টেশনে অনেকেই মাস্ক ছাড়া ঘুরছেন। মানছেন না করোনা বিধি।

উল্লেখ্য, গত ২৫ ডিসেম্বর বড়দিন উপলক্ষে মানুষ যেমন পার্ক স্ট্রীটে ভিড় করেছিল সেই একই ভিড় দেখা গিয়েছিল শ্রীভূমিতেও। উৎসবের আমেজে মাস্ক ছিলনা অনেকের মুখেই। এরপর থেকেই সংক্রমণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।

Covid 19: গান্ধী পরিবারে ঢুকল করোনা, আক্রান্ত প্রিয়াঙ্কা

Priyanka Gandhi

গতবছর নেগেটিভ ছিলেন। এবছর পজিটিভ হলেন। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা করোনা পজিটিভ হয়ে আইসেলেশনে। নিজেই সেকথা জানিয়েছেন। সেইসঙ্গে গান্ধী পরিবার তথা জাতীয় কংগ্রেসের সর্বোচ্চ ঘরে পৌঁছে গেল করোনাভাইরাস।

একইভাবে সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীকে নিয়েও উদ্বেগ। তবে তাঁরা এখনও করোনা আক্রান্ত নন। কিন্তু কংগ্রেস ঘরে ঢুকেছে করোনা।

প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর করোনা হওয়ায় তাঁর সংস্পর্শে আশা বাকি কংগ্রেস নেতা নেত্রীরা চিন্তিত। তাঁরাও কোভিড টেস্ট করাচ্ছেন।

উত্তর প্রদেশ ভোটে কংগ্রেসের তরফে মূল প্রচারের দায়িত্ব নিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। প্রিয়াঙ্কা দায়িত্ব পেতেই কংগ্রেসে এসেছে অক্সিজেন। একের পর এক জনসভায় ভিড় প্রবল। শাসক বিজেপির তরফে বারবার প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে নিশানা করা হয়েছে। এর মাঝে করোনা পজিটিভ হওয়ায় প্রিয়াঙ্কাকে নিয়ে উদ্বেগ শুরু কংগ্রেস মহলে।

গতবছর করোনা আক্রান্ত হন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর স্বামী রবার্ট বঢরা। তখন প্রিয়াঙ্কার করোনা পরীক্ষা হলেও রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছিল।। ফলে অসম, তামিলনাড়ু, কেরলের ভোট প্রচার থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন তিনি।

Bangladesh: পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক সংক্রমণে চিন্তিত শেখ হাসিনা সরকার, লকডাউন?

প্রতিবেশি ভারতে করোনার অঘোষিত তৃতীয় ঢেউ চলছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে ওমিক্রন সংক্রমণ। আর পশ্চিমবঙ্গের করোনা সংক্রমণ রীতিমতো উদ্বেগজনক। সীমান্তের ওপারে পরিস্থিতি দেখে বাংলাদেশ সরকার একগুচ্ছ বিধিনিষেধ ফের আরোপ করল।

বাংলাদেশেও ফের করোনা সংক্রমণের গতি বেড়েছে। রাজধানী ঢাকাতেই সংক্রমণ সর্বাধিক। পশ্চিমবঙ্গ সংলগ্ন খুলনা, রাজশাহি, রংপুর বিভাগগুলির পরিস্থিতির উপর বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। এই বিভাগগুলিতেই বিভিন্ন সীমান্ত চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের মধ্যে যাতায়াতকারী বেশি।

মঙ্গলবার ঢাকায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, যদি কারোর টিকা না নেওয়া থাকে সেই ব্যক্তি কোনও রেস্তোরাঁয় ঢুকতে পারবেন না। মাস্ক ব্যবহার না করলে জরিমানা ধার্য হবে।

পশ্চিমবঙ্গে করোনা সংক্রমণের জেরে ফের আরোপিত হয়েছে বিধিনিষেধ। বাংলাদেশেও পরিস্থিতি বিচার করে আংশিক বা পূর্ণাঙ্গ লকডাউন করার কথা চিন্তা করছে শেখ হাসিনার সরকার। জানা গিয়েছে, এই বিষয়ে আরও পর্যালোচনা করা হবে।

বাড়তে থাকা সংক্রমণের কারণে পশ্চিমবঙ্গের মতো বাংলাদেশেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হতে পারে। 

বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, আমরা সারাক্ষণই করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। যদি আমাদের মনে হয়, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিতের জন্য ক্লাস কমাতে হবে, কমিয়ে দেব। করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলে প্রয়োজনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্লাস বন্ধ করে দেওয়া হবে।

দীপু মনি আরও বলেন, বিগত বছরগুলোতে মার্চ মাসে এদেশে সংক্রমণ বাড়তে দেখা গেছে। তাই মার্চ মাস না আসা পর্যন্ত পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে সেটা বোঝা যাবে না। স্বাস্থ্যবিধি মানলে আমরা সংক্রমণ কম রাখতে পারব। এরইমধ্যে কয়েকজনের দেহে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। তাই আমাদের খুবই সতর্ক থাকতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। 

মার্চ-এপ্রিলে আবার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মহম্মদ খুরশীদ আলম। তিনি জানান, পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা পর্যায়ে হাসপাতালের পুরো প্রস্তুতি জানুয়ারিতে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে

বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সোমবার পর্যন্ত মোট ২৮ হাজার ৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনা শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৮৭ হাজার ১৪০ জন। 

I-League: কোভিড-১৯ সংক্রমণের জেরে আই লিগ পিছিয়ে গেল

I-League

কোভিড -১৯’র নতুন প্রজাতি ওমিক্রনের থাবা এবার আই লিগেও (I-League)। কলকাতায় ২০২১-২২ মরসুমে আই-লিগ টুর্নামেন্ট আয়োজিত হচ্ছে। কিন্তু ওমিক্রন ভেরিয়েন্টের বাড়বাড়ন্তের কারণে রাজ্যে সোমবার থেকে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত আংশিক লকডাউন সিদ্ধান্ত নিয়েছে পশ্চিম বাংলা সরকার।রাজ্য সরকারের এমন নির্দেশ আসার পড়েই আই লিগ কমিটি নড়েচড়ে বসে।

এই প্রসঙ্গে সর্বভারতীয় ফুটবল ফেডারেশনে’র(AIFF) সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট সুব্রত দত্ত জানিয়েছেন, সোমবার AIFF লীগ কমিটির সভায় ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে আই লিগ সাময়িক ভাবে স্থগিত করার।

আই-লিগ ২০২১-২২ সাময়িক স্থগিতের আগে অংশগ্রহণকারী ক্লাবের প্রতিনিধিদের সাথে একপ্রস্থ আলোচনা করা হয়েছিল ভিডিও কনফারেন্সিং’র মাধ্যমে। ওই ভিডিও কনফারেন্সিং’র সময়ে উপস্থিত ছিলেন AIFF স্পোর্টস মেডিকেল কমিটির সদস্য চিকিৎসক হর্ষ মহাজন,তিনিও এই ইস্যুতে নিজের মতামত রাখেন।

লিগ কমিটি, চিকিৎসক হর্ষ মহাজনের পরামর্শ অনুসারে সমস্ত আই লিগ অংশগ্রহণকারী ক্লাবের ঐকমত্যের ভিত্তিতে, কলকাতায় চলতি আই-লীগ ২০২১-২২ কমপক্ষে ৬ সপ্তাহের জন্য স্থগিত করার সিদ্ধান্তকে অনুমোদন করে। পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে ৪ সপ্তাহ পর পর্যালোচনা সভা করবে লীগ কমিটি।

পশ্চিম বাংলায় সোমবার থেকে আংশিক লকডাউন বিধিনিষেধ কার্যকর হয়েছে,১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত। এমন আবহে AIFF স্পোর্টস মেডিকেল কমিটির সদস্য চিকিৎসক হর্ষ মহাজন বলেন,”ওমিক্রন ভেরিয়েন্ট খুব দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে কিন্তু খুব দ্রুত নিচে নেমে আসে। আমাদের সরকারী নিয়মকানুন এবং নীতিগুলিও বিবেচনা করতে হবে”।

AIFF সূত্রে খবর,বায়ো বাবলের প্রোটোকল ৭ জানুয়ারী পর্যন্ত চলবে, কারণ ৫ জানুয়ারী সমস্ত দলকে আবার পরীক্ষা করা হবে এবং একবার নেতিবাচক পরীক্ষা করা হলে দলগুলি তাদের নিজ নিজ গন্তব্যে ফিরে যেতে পারবে। ইতিমধ্যেই বিচ্ছিন্ন থাকা টিম হোটেলগুলিতে ইতিবাচক পরীক্ষা করা খেলোয়াড় এবং কর্মকর্তাদের চিকিৎসা করা হবে এবং স্বাস্থ্যের পরিস্থিতি অনুসারে কলকাতায় কোয়ারেন্টাইন করা হবে এবং নেতিবাচক পরীক্ষার পরে তাদের বায়ো বাবোল ছেড়ে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে।

Covid19: শিখরে পৌঁছচ্ছে পজিটিভিটি রেট, রাজ্যজুড়ে বাড়ছে আতঙ্ক

The positivity rate is reaching its peak, panic is growing across the state

করোনা সংক্রমণ রুখতে আজ থেকে রাজ্যে জারি হয়েছে আংশিক লকডাউন। এরইমধ্যে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা একলাফে ছয় হাজারে পৌঁছেছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬,০৭৮ জন। মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬,৫৫,২২৮।‌

করোনা‌ আক্রান্ত হয়ে একদিনে মৃতের সংখ্যা ১৩, মোট মৃতের সংখ্যা ১৯,৭৯৪। করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২,১৯৭। রাজ্যে মোট সুস্থতার সংখ্যা ১৬,১৫,২৪৮। পশ্চিমবঙ্গে সুস্থতার হার ৯৮.৫৯ শতাংশ।

দৈনিক পজিটিভিটি রেট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯.৫৯ শতাংশ।

রাজ্যের বাকি জেলাগুলির মধ্যে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনার করোনা পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ। কেবল কলকাতাতেই দৈনিক সংক্রমণ ২,৮০১। উত্তর ২৪ পরগনায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১,০৫৭। এই দুই জেলাতেই ৪ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

Covid 19: বন্ধ হোক লাখো জমায়েতের গঙ্গাসাগর মেলা, আদালতে চিকিৎসক আর্জি

করোনা সংক্রমণের বিরাট চেহারা নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। চলছে বিধিনিষেধ। এই অবস্থায় সোমবার হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে গঙ্গাসাগর মেলা বন্ধ রাখার আর্জি পেশ করলেন চিকিৎসক অভিনন্দন মণ্ডল।

ওই চিকিৎসকের দাবি, রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়, এই মেলায় বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ একত্রিত হয়ে থাকেন। ৩০ লক্ষের বেশি জনসমাগম হয়ে থাকে। ফলে এমন জনসমুদ্রে দূরত্ববিধি-সহ অন্যান্য কোভিড প্রোটোকল মানা সম্ভব নয়। এবারও একই পরিমাণ ভিড় হলে আরও বাড়বে গোষ্ঠী সংক্রমণের আশঙ্কা। ফলে ভেঙে পড়তে পারে চিকিৎসা পরিষেবা।

তাঁর যুক্তি, এই বিপুল পরিমাণ মানুষকে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে না। কারণ লাগাতার পরিষেবা দিতে দিয়ে চিকিৎসকরাও এই মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন।

অভিনন্দন মণ্ডলের আর্জি, অতিমারীর ভয়াবহতার কথা মাথায় রেখে এবারের মতো গঙ্গাসাগর মেলা বন্ধ রাখা হোক। সম্ভবত আগামী ৫ জানুয়ারি এই জনস্বার্থ মামলার শুনানি।

CoronaVirus: দক্ষিণ কলকাতার হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত ৩০ চিকিৎসক সহ ৩৬ জন!

নতুন বছরের তৃতীয় দিনেই মিলল চাঞ্চল্যকর এক খবর। তাও খাস কলকাতায়। শহরের দক্ষিণের এক হাসপাতালে করোনা (CoronaVirus) আক্রান্ত হয়েছেন মোট ৩৬ জন। যার মধ্যে ৩০ জন চিকিৎসক রয়েছেন বলে খবর।

খবরে প্রকাশ, হাজরার চিত্তরঞ্জন সেবা সদনে মোট ৩৬ জন কোভিড পজিটিভ। সহকারী সুপার, চিকিৎসক এবং কর্মীদের দেহেও থাবা বসিয়েছে করোনা। হাসপাতালের অধ্যক্ষ আশিস মুখোপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছেন, ৩০ জন চিকিৎসক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন। দুজনের চিকিৎসা চলছে হাসপাতালে৷ বাকিরা রয়েছেন আইসোলেশনে। চিকিৎসক ছাড়াও পজিটিভ রিপোর্ট এসেছে দু’জন সহকারী সুপার, তিন জন স্বাস্থ্যকর্মী এবং একজন অফিস কর্মচারীর।

ক্যালকাটা ন্যাশনাল মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালেও প্রবেশ করেছে কোভিড। অধ্যক্ষ অজয় রায়ের টেস্ট রিপোর্ট পজিটিভ আসার খবর মিলেছিল শুক্রবারেই। এছাড়াও হাসপাতালে একাধিক চিকিৎসক করণায় আক্রান্ত বলে মনে করা হচ্ছে। আগামী দিনে এই সংখ্যা আরো বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। অজয় রায়ের রিপোর্ট পজেটিভ আসার পরেই বাকিদের দেহে করোনার হদিস মিলেছিল। তিনি আপাতত রয়েছেন নিজের বাড়িতেই, আইসোলেশনে।

গোটা বিষয়টি আপাতত নজরে রাজ্যের রেখেছে স্বাস্থ্য বিভাগ। চিকিৎসা পরিষেবায় যাতে কোনো বিঘ্ন না ঘটে সে ব্যাপারে তৎপর হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পরিস্থিতির বিরুদ্ধে কিভাবে মোকাবিলা করতে চেয়ে স্বাস্থ্য ভবন এর কাছ থেকে পরামর্শ চাওয়া হয়েছে, বলে জানা গিয়েছে।

Belur Math: অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ বেলুড় মঠ

রাজ্যজুড়ে হু হু করে বেড়ে চলেছে করোনা। এই পরিস্থিতিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হল বেলুড় মঠের দরজা। এর আগে ১ জানুয়ারি থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত মঠে ভক্তদের প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়। রবিবার ফের বিজ্ঞপ্তি জারি করে বেলুড় মঠ কর্তৃপক্ষ। রাজ্য সরকারের কোভিড নির্দেশিকা মেনে অনির্দিষ্টকালের জন্য মঠ প্রাঙ্গণে ভক্ত ও দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে জানায় মঠ কর্তৃপক্ষ।

কল্পতরু উত্‍সবের আগেই ঘোষণা হয়েছিল,  ১ জানুয়ারি থেকে ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত বেলুড় মঠ বন্ধ থাকবে। ওই সময় মঠে ভক্তরা প্রবেশ করতে পারবেন না। মঠ কর্তৃপক্ষ জানায়, অনিবার্য কারণবশত এই পদক্ষেপ। তবে মনে করা হচ্ছে, কোভিড সতর্কতার কারণেই অতিরিক্ত ভিড় এড়াতে এই সিদ্ধান্ত।

মঠ কর্তৃপক্ষ জানিয়েছিল, ৫ জানুয়ারি থেকে ফের যথারীতি খুলে যাবে বেলুড় মঠ।  কিন্তু এরই মধ্যে করোনা পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছে। ক্রমেই ভয়ঙ্কর হচ্ছে রাজ্যের করোনা পরিস্থিতি। ২৪ ঘণ্টায় আক্রান্তের সংখ্যা ৬ হাজার ছাড়িয়ে গেল।

গত সাতদিনেই ৪৩৯ থেকে বেড়ে রাজ্যের দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬ হাজারের বেশি। শুধু কলকাতাতেই সংক্রামিতের সংখ্যা বেড়েছে ১৬ গুণ। উত্তর ২৪ পরগনায় দৈনিক আক্রান্ত প্রায় হাজার। গত ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে ৮ জন করোনা আক্রান্তের মৃত্যু হয়েছে। এই পরিস্থিতিতেই এই সিদ্ধান্ত বেলুড় মঠ কর্তৃপক্ষের।  

Uttar Pradesh: সাধারণ ভাইরাল জ্বরের মতো, ওমিক্রন সম্পর্কে বললেন যোগী

ওমিক্রন সম্পর্কে চলছে আলোচনা। সাধারণের মধ্যে ফের জাঁকিয়ে বসতে শুরু করেছে লকডাউনের আশঙ্কা। যদিও রাজনৈতিক নেতাদের একাংশ ওমিক্রন নিয়ে বেশ ‘কুল’। যেমন উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। তিনি বলেছেন, “সাধারণ ভাইরাল জ্বরের মতো।”

ওমিক্রণ রুখতে ইতিমধ্যে বেশ কিছু নিয়ম-নীতির পথে হেঁটেছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। ফের বন্ধ করে দেয়া হয়েছে স্কুল কলেজ বিশ্ববিদ্যালয়। কাটছাঁট করা হয়েছে লোকাল ট্রেনে যাত্রী সংখ্যার উপরে। স্বভাবতই সাধারণ মানুষের মধ্যে তৈরি হয়েছে এক আতঙ্কের বাতাবরণ। কিন্তু রাজনৈতিক নেতাদের একাংশ করোনার এই নয়া উপ-প্রজাতি সম্পর্কে দুশ্চিন্তা করতে নারাজ।

আদিত্যনাথ বলেছেন, “এই ওমিক্রন দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে ঠিকই। তবে খুব হালকা রোগের সৃষ্টি করে। ভাইরাসটি দ্রুত দুর্বল হয়ে পড়েছে। এটি ভাইরাল জ্বরের মতো, তবে সতর্কতা প্রয়োজন। আতঙ্কিত হওয়ার কোনও প্রয়োজন নেই।”

করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময়ে উত্তর প্রদেশ নিয়ে আলোচনা হয়েছে বিস্তর। নদীর জলে ভাসমান মৃতদেহের ছবি এখনো জ্বলজ্বল করছে অনেকের চোখের সামনে। যোগী রাজ্যের চিকিৎসা পরিকাঠামো, অক্সিজেনের যোগান ইত্যাদি সম্পর্কে উঠেছিল প্রশ্ন। প্রাপ্ত পরিসংখ্যান অনুযায়ী, উত্তর প্রদেশে মোট করোনা কেসের সংখ্যা ১৭.১ লক্ষ। মৃত্যু হয়েছে ২২ হাজার ৯১৫ জনের।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন অতিমারির তৃতীয় ঢেউয়ের সামনে দাঁড়িয়ে দেশ। সভাপতি রাজনৈতিক মহলের একাংশের চোখ এখন উত্তর প্রদেশের দিকে। কোভিদ পরিস্থিতির ছাড়াও আরো একটি কারণে সে রাজ্যের দিকে চোখ রয়েছে অনেকের। উত্তরপ্রদেশের দুয়ারে নির্বাচন। নিঃসন্দেহে ভারতীয় জনতা পার্টি রাজ্যে নিজেদের ইমেজ সুশ্রী রাখতে চেষ্টায় কোনও ত্রুটি রাখতে চাইবে না।

Telangana: করোনা-বিধিকে বুড়ো আঙুল! আটক বিজেপি রাজ্য সভাপতি

অগ্রাহ্য করেছেন কোভিড গাইডলাইন। এমন অভিযাগে আটক করা হল তেলেঙ্গানার (Telegana) বিজেপি রাজ্য সভাপতি বান্ডি সঞ্জয় কুমারকে। সন্ধ্যা ৯ টা থেকে সোমবার ভোর ৫ টা পর্যন্ত প্রতিবাদ কর্মসূচি গ্রহণ করার পরিকল্পনা নিয়েছিলেন তিনি।

‘জাগরণ’ করার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বান্ডি। সেই মতো দলের কর্মী-সমর্থকরাও হাজির হয়েছিলেন তাঁর অফিসে৷ রবিবার সন্ধ্যা ৯ টা থেকে পরের দিন ভোর ৫ টা পর্যন্ত কর্মসূচি পালন করার ভাবনা ছিল পার্টির। কিন্তু রাতে যে নাইট কার্ফু! অর্থাৎ করোনাবিধি অমান্য করে জমায়েত করা অপরাধ। বান্ডিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনি এবং তাঁর সহ-কর্মীরা বুড়ো আঙুল দেখিয়েছেন কোভিড নিয়মাবলীকে।

রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানানোর জন্য ৯ টা-৫ টা সময়কে বেছে নিয়েছিল বিজেপি। সরকারি কর্মচারীদের ট্রান্সফারের বিরুদ্ধে সরব হতে চেয়েছিল রাজ্য গেরুয়া শিবির। কিন্তু কর্মসূচি শুরু করার আগেই আসরে পুলিশ। কোভিড বিধি অমান্য করা ছাড়াও উঠেছে আরও একটা অভিযোগ।

প্রতিবাদ প্রদর্শনের জন্য কুমারের অফিসে সবে জমায়েত হতে শুরু করেছিলেন কর্মীরা। কর্মসূচী শুরুও হয়নি, হাজির পুলিশ। ‘জাগরণ’-এর জন্য নাকি অনুমতিই নেয়নি বিজেপি। অতএব সেখানে উপস্থিত জমায়েতকারীদের স্থান হল থানায়। যদিও তেলেঙ্গানা বিজেপি রাজ্য সভাপতি দাবি করেছেন, ‘আমরা শান্তিপূর্ণভাবেই প্রতিবাদ জানানোর পথ বেছে নিয়েছিলাম। করোনা বিধি মেনেই চলত সমগ্র প্রক্রিয়া।’ এরপরেই তার প্রশ্ন, ‘কই, শাসক দলের কোনও কর্মসূচীতে তো করোনাবিধি চোখে পড়ে না।’

Covid 19 positive: লিওনেল মেসির কোভিড পজিটিভ রিপোর্ট ঘিরে বিতর্ক

Lionel Messi

সাতবারের ব্যালন ডি’অর বিজয়ী লিওনেল মেসি সহ প্যারিস সেন্ট-জার্মেই দলের চারজন খেলোয়াড়ের সোমবার রাতে কোভিড-১৯ (COVID 19) টেস্ট করা হয়। ওই টেস্ট রিপোর্টে মেসি সহ চার ফুটবলারের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই ফরাসি কাপ খেলার আগে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে।

শনিবার রাতে এক বিবৃতিতে পিএসজি ক্লাব জানায়,একজন কর্মী সদস্যেরও COVID-19 ছিল। ওই দিন আর কারোরই নাম ছিল না। তবে রবিবার ক্লাবের মেডিকেল নিউজে এক নতুন বিবৃতিতে জানানো হয়, লিওনেল মেসি, লেফট ব্যাক জুয়ান বার্নাট, ব্যাকআপ গোলরক্ষক সার্জিও রিকো এবং ১৯ বছর বয়সী মিডফিল্ডার নাথান বিতুমাজালা কোভিড-১৯ পজিটিভ।

এমন খবরে স্বভাবতই হতাশ হয়ে পড়ে মেসি ভক্তরা। তবে অসমর্থিত সূত্রে খবর, লিওনেল মেসি পরের ম্যাচ লিওনের বিপক্ষে খেলা খেলতে পারবেন।

অসমর্থিত সূত্রে এও খবর, লিও মেসি খ্রীস্টমাসের আগেই কোভিড-১৯ পজিটিভ হয়েছিলেন। কিন্তু ওই সময় তিনি সুস্থ বোধ করায় প্যারিসের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন। অসমর্থিত সূত্রের দাবি, রবিবার মোটেও লিওনেল মেসির কোভিড-১৯ টেস্ট করা হয়নি, কিন্তু মেসির ক্লাব লিওনেল মেসির কোভিড-১৯ রিপোর্ট পজিটিভ এমন খবর রবিবার সামনে এনেছে।

Covid 19: সন্ধের পর লোকাল ট্রেন বন্ধ, বিমানে নিষেধাজ্ঞা, করোনা রুখতে কড়াকড়ি

Corona latest updates

রাজ্যে ওমিক্রনের প্রভাবে করোনা সংক্রমণ রুখতে আংশিক লকডাউন ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে বাংলায় আংশিক লকডাউন কার্যকর হবে। তার আগে শনিবার রাজ্যের মুখ্যসচিব মুখ্যসচিব এইচ কে দ্বিবেদী এক সাংবাদিক বৈঠকের বিধিনিষেধের শর্তাবলী জানিয়ে দেন।

নবান্নের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামীকাল থেকে বন্ধ থাকছে স্কুল-কলেজ, সুইমিং পুল, স্পা, জিম, বিউটি পার্লার, সেলুন। শপিং মল, রেস্তোরাঁ, পানশালা সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত ৫০ শতাংশের উপস্থিতি নিয়ে খোলা রাখা যাবে।

সিনেমা হলে ৫০ শতাংশ দর্শক থাকবে। রাত্রি ১০টার পর সিনেমা হল খোলা রাখা যাবেনা।
যেকোনও অনুষ্ঠানে ৫০ শতাংশ অতিথি এবং বিয়ের অনুষ্ঠানে ৫০ জনের বেশী অতিথি থাকতে পারবে না। মৃতদেহ নিয়ে যেতে পারবেন সর্বোচ্চ ২০ জন।
লোকাল ট্রেনগুলি ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে যাতায়াত করবে এবং সন্ধ্যে ৭ টার পর ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে দূরপাল্লার ট্রেন চলতে পারে।
সরকারি ও বেসরকারি অফিসে ৫০ শতাংশ কর্মচারী নিয়ে কাজ চলবে।
চিড়িয়াখানা সহ অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রগুলি বন্ধ থাকছে।
ব্রিটেন থেকে কলকাতায় আসা বিমানে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অন্য দেশগুলি থেকে আসা বিমানযাত্রীদের র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট বাধ্যতামূলক।

<

p style=”text-align: justify;”>আংশিক লকডাউন জারি হওয়ার ফলে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে ‘দুয়ারে সরকার’। এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করেই ফের শুরু শাসক-বিরোধী তরজা। বিজেপি কটাক্ষ করে বলে, সরকারের কাছে টাকা নেই তাই লকডাউনের অজুহাত দেখিয়ে দুয়ারে সরকার পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। যদিও উত্তরে তৃণমূল জানিয়েছে, দুয়ারে সরকার শুরু হলে লম্বা লাইন হবে এবং জমায়েতের ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়বে।

Modi on Corona: এখনই লকডাউন নয়, স্পষ্ট ইঙ্গিত মোদীর

Modi in UNA

শনিবার ভার্চুয়াল মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী কিষাণ নিধি (PM-KISAN Scheme) কর্মসূচির আওতায় কৃষকদের দশম কিস্তির অনুদান দেওয়ার অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন। সেখানে তিনি বলেন, ‘২০২১ সালে করোনা মহামারীর মধ্যেও দেশের লড়াই স্মরণীয় হয়ে থাকবে। উন্নয়নের ধারাকে আরও গতি দিতে হবে আমাদের। করোনা চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিচ্ছে আমাদের, কিন্তু উন্নয়নের গতিকে রুখতে পারবে না।’ নতুন বছর ২০২২ সালের প্রথম ভাষণে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) বলেন, ‘ভারতের অর্থনীতি ৮% এর বেশি হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। একইসঙ্গে রেকর্ড বিদেশি বিনিয়োগেরও সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। জাতীয় কোষাগারে বিদেশি মূদ্রার পরিমাণ বেড়েছে, জিএসটি সংগ্রহও বেড়েছে।

তিনি এদিন বলেন, ‘ভারত সবরকম সাবধানতা বজায় রেখে, সতর্কতার সঙ্গে করোনার বিরুদ্ধে লড়বে ও জাতীয় স্বার্থ পূরণ করবে।’ অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্য স্পষ্ট সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে লকডাউন (Lock Down) নয়, সচেতনতাকেই হাতিয়ার করতে চাইছে ভারত সরকার। কারণ, এর আগে করোনার ২টি ঢেউয়ের ক্ষেত্রেই কড়া বিধিনিষেধের ফলে দেশের অর্থনীতির ভালো ক্ষতি হয়েছে। একসময় দেশের জিডিপি বাড়ার বদলে ২৩.৯% পর্যন্ত সংকুচিত হয়েছে। এরপর আরও একটি লকডাউনের মার অর্থনীতি সইতে পারবে না।

তাছাড়া, এখনই লকডাউনের কথা ভাবছে না সরকার। কারণ, করোনার এই তৃতীয় ঢেউয়ে সংক্রমণ বাড়ছে ঠিকই কিন্তু তার ভয়াবহতা অনেক কম। তাই বিধিনিষেধ নিয়ে একটু ধীরে চলারই পক্ষে কেন্দ্র।

Covid19 India: ওমিক্রন সংক্রমণের মধ্যেও বাচ্চাদের স্কুলে পাঠানো উচিত, বললেন ভাইরাস বিশেষজ্ঞ

News Desk: করোনা (Covid19) রুখতে টিকাকরণই (vaccination) প্রধান ভরসা। সোমবার থেকে শুরু হতে চলেছে ১৫ থেকে ১৮ বছর বয়সি স্কুল পড়ুয়াদের টিকাকরণ। সরকার ঘোষণা করেছে, ২০২২-এর শুরু থেকেই নবম শ্রেণি থেকে দ্বাদশ শ্রেণির (class nine to twelve) পঠন-পাঠন শুরু হবে। কিন্তু একেবারেই খুদে অর্থাৎ ১৫ বছরের কম বয়সি পড়ুয়াদের টিকাকরণ নিয়ে এখনও পর্যন্ত কিছুই জানা যায়নি।

অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল (school) বন্ধ আছে। তাই অনেক অভিভাবকই (guardians) দুশ্চিন্তায় পড়েছেন। অভিভাবকরা চাইছেন দ্রুত স্কুল খুলুক। কিন্তু বাচ্চাদের টিকা না থাকায় স্কুল খোলার বিষয়টি অন্ধকারেই রয়েছে।

এই পরিস্থিতিতে দেশের অন্যতম পরিচিত ভাইরাস বিশেষজ্ঞ ডাক্তার গগনদীপ কাং বলেছেন, সংক্রমণ বৃদ্ধি বা ওমিক্রন পরিস্থিতির মধ্যেও বাচ্চাদের অবশ্যই স্কুলে পাঠানো উচিত। সংবাদ সংস্থা এএনআইকে এই ভাইরাস বিশেষজ্ঞ বলেছেন, করোনা এখনও পর্যন্ত বাচ্চাদের তেমনভাবে কাবু করতে পারেনি। তাই সার্সকোভ বা করোনার নতুন ভেরিয়েন্টের সঙ্গে মিশলে বাচ্চাদের মধ্যে প্রতিরোধ শক্তি গড়ে উঠবে। এখানেই শেষ নয়, আগামী দিনে আরও নতুন ভেরিয়েন্ট আসবে। বিভিন্ন ধরনের রোগ ছড়াবে। কিন্তু মনে রাখতে হবে, করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট ওমিক্রন হয়তো সংক্রামক কিন্তু বিপজ্জনক বা মারাত্মক নয়।

ওই ভাইরাস বিশেষজ্ঞ আরও বলেছেন, আমি মনে করি বাচ্চাদের অবশ্যই স্কুল পাঠানো উচিত। কারণ গোটা বিশ্ব জুড়ে একটাই ছবি দেখা যাচ্ছে যে, করোনা বা ওমিক্রন বাচ্চাদের সেভাবে কাবু করতে পারছে না। বরং বাচ্চাদের দীর্ঘদিন বাড়িতে আটকে রাখলে তাদের মানসিক সমস্যা তৈরি হতে পারে। তাদের পঠন-পাঠন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়া ভবিষ্যতের পক্ষেও ভাল নয়। বাচ্চারা স্কুল গেলে কোন বড় মাপের সমস্যা হবে তা নয়।

এদিন বুস্টার ডোজ নিয়েও মুখ খুলেছেন এই বিশেষজ্ঞ। তিনি বলেছেন, কোন ভ্যাকসিনকে বুস্টার ডোজ হিসাবে ব্যবহার করা উচিত সে বিষয়ে এখনও বিস্তারিত কিছুই জানা যায়নি।

Covid 19: বাড়ছে করোনা, ‘সাথে আছি’ বলল রেড ভলান্টিয়ার্স

News Desk: রাজ্য জুড়ে করোনার বাড়তে থাকা গতিতে ফের আতঙ্ক। সঙ্গে দোসর ওমিক্রন ও ফ্লোরোনা। সবমিলে নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই উদ্বেগজনক পরিস্থিতি। আংশিক লকডাউনের পথেই যাচ্ছে সরকার। এর মধ্যে বার্তা দিল করোনা বিপদে আন্তর্জাতিক পরিচিতি পাওয়া রেড ভলান্টিয়ার্স।

সিপিআইএমের ছাত্র ও যুব সংগঠন সহ বিভিন্ন বাম দলগুলির সমর্থকদের নিয়ে তৈরি এই স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর তরফে একটি পোস্টার ছাড়া হয়েছে সোশ্যাল সাইটে। রেড ভলান্টিয়ার্স জানাচ্ছে, “সতর্ক থাকুন। সাবধানে থাকুন। প্রয়োজনে আমরা আবার আছি আপনাদের সাথে। এটাই আমাদের নতুন বছরের অঙ্গীকার।”

এই পোস্টার সোশ্যাল সাইটে শেয়ার করেছেন সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আভাস রায়চৌধুরী। তাঁর পোস্টের প্রেক্ষিতে শুভেচ্ছা মন্তব্য এসেছে পরপর।

রেড ভলান্টিয়ার্সদের করোনা মোকাবিলা বিশ্ব জুড়ে আলোচিত। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে প্রবল প্রশংসিত। গত করোনা প্রকোপে অক্সিজেন সংকট, মৃতদেহ শ্মশানে বা কবরস্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় রেড ভলান্টিয়ার্স ছাড়া প্রশাসন কার্যত অচল হয়ে গেছিল।

পরিস্থিতি এমন হয় যে শাসক তৃণমূল কংগ্রেস, বিরোধী দল বিজেপির মন্ত্রী, নেতারা বিপদের সময় সিপিআইএমের রেড ভলান্টিয়ার্সের স্মরণাপন্ন হন। অভিযোগ, শাসক ও বিরোধী দলের যুব সদস্যদের এরকম ভূমিকা নিতে ততটা দেখা যায়নি।

বিধানসভা ভোটে সিপিআইএম ও বামেরা শূন্য হয়েছে। একটিও আসন নেই তাদের। এর পরেও লাগাতার পরিষেবা দিয়ে আরও আলোচনায় রেড ভলান্টিয়ার্স। সম্প্রতি কলকাতা পুরনিগমের ভোটে বাম প্রার্থীদের তালিকায় ছিলেন একগুচ্ছ রেড ভলান্টিয়ার্স। একজনও নির্বাচিত হননি। তবে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, কলকাতা পুরনিগমে ভোটের নিরিখে বিজেপিকে টপকে বাম শিবির বিরোধী হয়েছে। এমনটা হওয়ার পিছনে রেড ভলান্টিয়ার্সের ভূমিকা বেশ উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হচ্ছে।

Kolkata: করোনার থাবা মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের শরীরে,ভর্তি হাসপাতালে

News Desk: রাজ্যের বিদ্যুৎ এবং ক্রীড়া ও যুবমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাস করোনা আক্রান্ত হলেন। মৃদু উপসর্গ নিয়ে উডল্যান্ডস হাসপাতালে তিনি ভর্তি হয়েছেন । সূত্রের খবর, চিকিৎসকরা তাঁকে মোনোক্লোনাল ককটেল অ্যান্টিবডি দিচ্ছেন। এটি একটি কৃত্রিম পদ্ধতিতে তৈরি অ্যান্টিবডি, রোগীর স্বাস্থ্যের অবনতি হতে দেয় না এবং দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে সাহায্য করে।

জানা গিয়েছে, অরূপ বিশ্বাস সম্প্রতি গায়ে ব্যথা এবং হালকা জ্বর অনুভব করেন । তারপরই তিনি কোভিড পজিটিভ পরীক্ষা করিয়ে দেখা যায় ।

করোনা আক্রান্ত হওয়ার পর হাসপাতালের যে কেবিনে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে ভর্তি করা হয়েছিল, সেই একই কেবিনে মন্ত্রীকেও ভর্তি করা হয়েছে। তবে তিনি করোনার নতুন রূপ ওমিক্রনে আক্রান্ত কি না তা জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের পরেই জানা যাবে ।

কলকাতার পুরভোটে টালিগঞ্জ এলাকার নানা ওয়ার্ডে দলীয় প্রার্থীদের প্রচারে অরূপ বিশ্বাসকে দেখা গিয়েছিল। সম্প্রতি তিনি ছিলেন কলকাতার মেয়রের শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানের দিনেও। এরপরই রাজ্যের বিদ্যুৎ ও ক্রীড়ামন্ত্রীর সংক্রমিত হওয়ার খবর মিলল।

Covid 19 Updates: বর্ষবরণেই রাজ্যের ৩০ মন্ত্রী-বিধায়ক করোনায় আক্রান্ত

30 ministers and MLAs of Maharashtra are affected by Corona

নিউজ ডেস্ক: মহারাষ্ট্রে (Maharashtra) নতুন করে করোনার সংক্রমণ ক্রমশই বাড়ছে। মহারাষ্ট্রে করোনার (Covid 19) তৃতীয় ঢেউ (third wave) আছড়ে পড়েছে বলে অনেকেই মনে করছেন।

শনিবার নববর্ষের সকালে রাজ্যের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার (ajit pawer) জানিয়েছেন, সে রাজ্যের ১০ জন মন্ত্রী এবং ২০ জন বিধায়ক করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ও বিধায়করা (minister and mla) আইসোলেশনে চলে গিয়েছেন। পাশাপাশি গত কয়েকদিন ওই সমস্ত মন্ত্রী ও বিধায়কদের সংস্পর্শে কারা এসেছিলেন তাদের খোঁজ চলছে।

রাজ্যে করোনা এবং ওমিক্রনের সংক্রমণ যেভাবে বাড়ছে তাতে কি মহারাষ্ট্র ফের লকডাউনের পথে হাঁটবে?
এই প্রশ্নের উত্তরে উপ মুখ্যমন্ত্রী পাওয়ার বলেন, যদি দেখা যায় আক্রান্তের সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বেড়েই চলেছে তাহলে সরকার হয়তো নতুন করে আরও কিছু বিধিনিষেধ আরোপের কথা ভাববে। তবে এখনই নতুন কোনও বিধিনিষেধ বলবৎ করা হচ্ছে না। বর্তমানে যে সমস্ত বিধিনিষেধ আছে সেগুলি সকলকেই কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে। রাজ্যবাসীকে বাধ্যতামূলকভাবে মাস্ক পড়তে এবং দূরত্ববিধি মেনে চলতে হবে।

উল্লেখ্য, যে সব রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে তার মধ্যে অন্যতম হল মহারাষ্ট্র। ওমিক্রন আক্রান্তের নিরিখেও শীর্ষে আছে এই রাজ্য। শেষ পাওয়া খবরে জানা গিয়েছে, মহারাষ্ট্রে এখনও পর্যন্ত মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৭ লক্ষ ৮৫ হাজারেরও বেশি। আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে অ্যাকটিভ কেসের সংখ্যাও। উল্লেখ্য, মানুষ যাতে বর্ষবরণের উৎসবে অবাধ মেলামেশা না করে তার জন্য আগেই একাধিক বিধিনিষেধ জারি করেছিল মহারাষ্ট্র সরকার।

Corona situation in India: আতঙ্কের সঙ্গে হু হু করে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ

Corona situation in India

News Desk, New Dehli: দেশের করোনা (Corona) পরিস্থিতির দিনে দিনে আরও অবনতি ঘটছে। ভারতে দৈনিক করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ২০ হাজারের গন্ডি পেরিয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রকের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় দেশে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২২ হাজার ৭৭৫।

গত ২৪ ঘন্টায় করোনায় মৃত্যু হয়েছে ৪০৬ জনের। ফলে দেশজুড়ে করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪ লক্ষ ৮১ হাজার ৪৮৬। মৃত্যু হার ১.৩৮ শতাংশ।

Covid 19: Corona attack threatens Delhi, high alert in Mumbai
Covid 19: Corona attack threatens Delhi, high alert in Mumbai

একদিনে করোনা থেকে সুস্থ হয়ে ফিরে এসেছেন ৮ হাজার ৯৪৯। মোট সুস্থতার সংখ্যা ৩ কোটি ৪২ লক্ষ ৭৫ হাজার ৩১২। ভারতে সুস্থতার হার কমে দাঁড়িয়েছে ৯৮.৩২ শতাংশ।  ওমিক্রন আতঙ্কের মাঝেই দেশে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা একলাফে বেড়ে হয়েছে ১ লক্ষ ৪ হাজার ৭৮১।

গত ২৪ ঘন্টায় টিকাকরণের সংখ্যা ৫৮ লক্ষ ১১ হাজার ৪৮৭। এখনও পর্যন্ত মোট করোনা টিকাকরণের সংখ্যা ১৪৫ কোটি ১৬ লক্ষ ২৪ হাজার ১৫০।

Covid 19: মোলনুপিরাভির খেলেই মরবে করোনা, খাওয়ার নিয়ম জানেন কি?

third wave may not come: Experts

News Desk : ওমিক্রন যখন চোখ রাঙাচ্ছে বিশ্বজুড়ে, তখনই মোলনুপিরাভিরের অনুমোদন ভারতবাসীর কাছে এনে দিল কিছুটা স্বস্তির সংবাদ। শুধু করোনার মোকাবিলা করতে বাড়িতে বসেই জলের সঙ্গে গুলে খাওয়া যাবে, এমন ওষুধ ব্রিটেন, আমেরিকা, বাংলাদেশ সহ একাধিক দেশে আগে অনুমোদন পেলেও এই প্রথমবার ভারতে স্বীকৃতি পেল। ভারতের বাজারে এই মোলনুপিরাভিরের পোশাকি নাম হবে, মোলক্সভির।

কী এই মোলনুপিরাভির?

মূলত এটি কোভিডের অ্যান্টি ভাইরাল পিল হিসেবে কাজ করবে। ইউএস ফুড অ্যান্ড ড্রাগ অ্যাডমিনিস্ট্রেশেনের নির্দেশ অনুসারে, করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজিটিভ আসার পর উপসর্গ দেখা দেওয়ার দিন পাঁচেকের মধ্যে এই ওষুধ খেতে পারলে, সবথেকে ভালো কাজ হবে। মনে করা হচ্ছে, এই ওষুধ লাভদায়ক হবে যে কোনও ভ্যারিয়েন্টের ক্ষেত্রেই। মোলনুপিরাভির বাজারে প্রথম আনে মার্কিন সংস্থা মার্ক অ্যান্ড রিজব্যাক বায়োথেরাপিউটিকস।

কারা খাবেন, কী ভাবে খাবেন?

আক্রান্ত ব্যক্তিকে বাড়িতে রাখা সম্ভব হলে, সেই ব্যক্তিকে দিনে দু বার মোলনুপিরাভির পাঁচ দিন পর্যন্ত দেওয়া যেতে পারে। দুটি ওষুধ খাওয়ার মাঝে থাকতে হবে ১২ ঘণ্টার ব্যবধান। করোনা আক্রান্তের শরীরে অক্সিজেনের মাত্রা যদি ৯৩ শতাংশের নীচে নেমে যায়, সে ক্ষেত্রে ওই ওষুধ চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে খেতে হবে।

কারা খেতে পারবেন না ?

এই ওষুধ খেতে পারবে না শিশু বা ১৮ বছরের কম বয়সীরা । যদি আক্রান্তকে অবিলম্বে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার মতো পরিস্থিতি তৈরি হয়, সে ক্ষেত্রে এই ওষুধ দেওয়া যাবে না।একটানা পাঁচদিনের বেশি ওষুধটি কখনও খাওয়া যাবে না। গর্ভবতী মহিলারদের ক্ষেত্রে ওষুধে নিষেধাজ্ঞা আছে। কারণ, মোলনুপিরাভির খেলে সন্তানের জন্মের সময় প্রভাব পড়তে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।