বর্ষবরণের আগেই হাজির ওমিক্রনের দোসর ‘ডেলমিক্রন’

Omicron's partner 'Delmicron' appeared before the New Year

News Desk: করোনার তীব্র প্রকোপ থেকে যখন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠছিল গোটা বিশ্ব‌ সেইসময়ই আতঙ্ক ছড়াল ওমিক্রন। বিশ্বের একাধিক দেশে ওমিক্রন সংক্রমণ বহু মাত্রায় বেড়ে গেছে। ২০২১ কাটিয়ে বিশ্ব পা রাখতে চলেছে ২০২২-এ। এইসময় কেবল ওমিক্রন নয়, করোনার এই নতুন প্রজাতির দোসর হয়ে দেখা দিয়েছে ‘ডেলমিক্রন’।

ইউরোপ ও আমেরিকায় ইতিমধ্যেই প্রভাব দেখাতে শুরু করে দিয়েছে ‘ডেলমিক্রন’। করোনার পুরনো প্রজাতি ‘ডেল্টা’ এবং নতুন প্রজাতি ‘ওমিক্রন’-এর মিলিত শক্তি নিয়ে তৈরি হয়েছে ‘ডেলমিক্রন’।

ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ নেওয়ার পর বুস্টার ডোজ নিতে হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। তবে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তরফে জানানো হয়েছে, এখনই বুস্টার ডোজের প্রয়োজন নেই। এই মুহূর্তে সকলকে দুটি ডোজ দিয়ে টিকাকরণ সম্পূর্ণ করতে হবে। তবে আগামী দিনে বুস্টার ডোজ নিয়ে ভাবা যেতে পারে বলেও জানানো হয়েছে।

Omicron: ভয়ে কাঁপছে ইউরোপ, জৌলুস হারালো বড়দিন

Omicron: Europe is trembling with fear, Christmas is lost

News Desk: করোনার প্রকোপ সামলে ধীরে ধীরে স্বাভাবিকের পথে হেঁটেছে গোটা বিশ্ব। জাঁকজমকের সাথেই পালন হয়েছে নানা উৎসব। কিন্তু বর্তমানে ওমিক্রন আতঙ্কে বিধ্বস্ত ইউরোপ। এরই মাঝে এসে উপস্থিত হয়েছে বড়দিন এবং কয়েকদিন পরেই বর্ষববরণ। এই উৎসবের আমেজে ওমিক্রন সংক্রমণ আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা জানিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। ফলে সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে আনতে কড়া বিধিনিষেধ কার্যকর করেছে প্রশাসন।

আজ বড়দিন। ওমিক্রনের সংক্রমণ রুখতে কার্যত ফিকে হয়ে পড়েছে ইউরোপের বড়দিনের উৎসব। বড়দিনের পর সংক্রমণ বাড়তে পারে বলেও সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। কয়েক সপ্তাহের মধ্যেই ওমিক্রনের জেরে স্বাস্থ্য কাঠামো আরও ভেঙে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা জানিয়েছে হু।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ওমিক্রন সংক্রমণ থেকেই এখনও সামলে উঠতে পারেনি ইউরোপ। এরই মাঝে উঠে আসছে ডেলমিক্রনের নাম। কিন্তু কি এই ডেলমিক্রন? অনেকেই মনে করতে পারেন এটি ওমিক্রনের নতুন মিউটেশন। কিন্তু তা নয়। জানা গিয়েছে, ডেলমিক্রন শব্দটি এসেছে ডেল্টা ও ওমিক্রনের সংমিশ্রণে। করোনার নতুন প্রজাতি ওমিক্রন এবং পুরনো প্রজাতি ডেল্টার মিলিত কোপে বড় মাত্রায় বাড়তে পারে সংক্রমণ। তাই বলা যায়, গোটা বিশ্ব যেখানে উৎসবের আমেজে মেতে উঠেছে সেখানে ভয় কাঁপছে ইউরোপ।

Omicron: টিকা নিতে নারাজ ইউরোপবাসীকে বাগে আনতে কড়া হুঁশিয়ারি

vaccination incentives

News Desk: নভেল করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ছড়াচ্ছে হু হু করে। করোনার মৃত্যু আহ্বানের আমন্ত্রণ এসেছে। অথচ প্রচলিত টিকাগুলি নিতে অস্বীকার করছেন ইউরোপের বেশ কিছু দেশের বাসিন্দারা। শিল্পন্নোত পশ্চিম ইউরোপের ধনী দেশগুলির এই চরম অবৈজ্ঞানিক মানসিকতার কারণে বিশ্ব বিপদের মুখে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হুঁশিয়ারি কমপক্ষে ৫ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

করোনা প্রতিরোধের টিকা নিতে নারাজ বেশকিছু দেশের বাসিন্দারা। হচ্ছে জ্বলন্ত প্রতিবাদ। এই অবস্থায় ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোকে কোভিড টিকা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবে শোরোগোল পড়ল। টিকা বিরোধী জনতার বিক্ষোভ আরও জ্বলন্ত হবে বলেই আশঙ্কা।

বিবিসি জানাচ্ছে, টিকা নেওয়ার প্রস্তাব বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লেয়েন। বেলজিয়ামের রাজধানী
ব্রাসেলসে সাংবাদিকের সম্মেলনে তিনি বলেন, টিকা বাধ্যতামূলক করা নিয়ে ঠিক কী পদক্ষেপ নেওয়া যায় সে বিষয়ে আলোচনা জরুরি। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই যৌথ উদ্যোগ প্রয়োজন। আমি মনে করি আলোচনাটা শুরু হওয়া দরকার।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান বলেছেন, ব্যাপক মাত্রায় সংক্রমণে সক্ষম ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট রুখতে টিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এদিকে ওমিক্রন ভয়ে ভীত হয়ে কড়া অবস্থান নিলঅস্ট্রিয়া সরকার। ফেব্রুয়ারি থেকে কোভিড টিকা বাধ্যতামূলক হবে এমন ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। গ্রিসে টিকা না নেওয়া ষাটোর্ধ্বদের প্রতি মাসে ১০০ ইউরো করে জরিমানা গুনতে হচ্ছে।

টিকা গ্রহণের শতাংশে জার্মানির অবস্থান নিম্ন সারিতে। দেশটিক পরবর্তী চ্যান্সেলর হতে যাওয়া ওলাফ শলজ জানিয়েছেন, তিনি টিকা বাধ্যতামূলক করার পক্ষে। তিনি বলেন, গত মার্চ থেকেই টিকা বাধ্যতামূলক চেয়ে আসছি। একই সঙ্গে দ্রুতগতির বুস্টার ডোজ প্রদান কার্যক্রম জরুরি।

বিবিসি জানাচ্ছে, গত ২২ নভেম্বর প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় ওমিক্রন শনাক্ত হয়। ২৪ নভেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) একে ভ্যারিয়েন্ট অফ কনসার্ন বা উদ্বেগজনক ভ্যারিয়েন্ট হিসেবে চিহ্নিত করে। এর নামকরন করে ওমিক্রন।

Covid 19: লকডাউন বিরোধী তুমুল সংঘর্ষ, জ্বলছে নেদারল্যান্ডস, পুলিশের গুলি

netherlands

News Desk: একদিকে প্রবল করোনা সংক্রমণে অসহায় সরকার। পরিস্থিতি সামাল দিতে লকডাউন জারি করে আরও সমস্যায় জড়াল দেশটির সরকার। সাধারণ ডাচ নাগরিকরা লকডাউন বিরোধী সমাবেশ থেকে হিংসাত্মক পরিস্থিতি তৈরি করলেন। ভাঙচুর, হামলা রুখতে পুলিশের গুলি চলল। ঘটনার কেন্দ্র আন্তর্জাতিক শহর দ্য হেগ।

সরকারি নির্দেশে শনিবার থেকে তিন সপ্তাহের আংশিক লকডাউন শুরু হয়েছে নেদার‍ল্যান্ডসে। রাত ৮টায় পানশালা ও রেস্তোরাঁ বন্ধ রাখতে বলা হয়েছে। পুরোপুরি দর্শকশূন্য থাকবে সব ধরনের খেলাধুলার আয়োজন।

সরকারের ঘোষণার পরেই বিক্ষোভ ছড়িয়ে পড়েছে। দ্য হেগ শহরের সড়কে সার সার সাইকেলে আগুন ধকিয়ে দেন বিক্ষুব্ধরা। পুলিশকে লক্ষ্য করে শুরু হয় হামলা। রটারডাম শহরে বিক্ষোভ প্রবল রূপ নিলে পুলিশ গুলি চালায়। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর।

netherlands

পরিস্থিতি তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ আন্তর্জাতিক আদালতের সদর কার্যালয়ের শহর দ্য হেগ। এই শহরের হিংসাত্মক পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

নেদারল্যান্ডসের বিক্ষোভের রেশ ছড়াতে শুরু করেছে ইউরোপের অন্যান্যদের দেশে। করোনা সংক্রমণ বাড়ার ফলে নতুন করে লকডাউনসহ কড়াকড়ির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে অস্ট্রিয়া, ক্রোয়েশিয়া ও ইটালিতে। স্বাভাবিক জীবনযাপনে বাধার প্রতিবাদ করছেন সেসব দেশের জনগন।

এদিকে পরিসংখ্যানে উঠে আসছে, শিল্পন্নোত পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলিতে চরম অবৈজ্ঞানিক মনোভাবের কারণে টিকা নেওয়ার হার খুবই কম। এর ফলে করোনা সংক্রমণ ছড়াতে শুরু করেছে দ্রুত। ইউরোপের অনেক দেশে নতুন করে করোনা বেড়ে যাওয়ায় সেসব দেশের সরকার নতুন করে কড়াকড়ি আরোপ করছে। কয়েকটি দেশে এক দিনে রেকর্ড সংখ্যক সংক্রমণের তথ্য পাওয়া গেছে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) জানাচ্ছে, ইউরোপে করোনা পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। হু আঞ্চলিক কর্মকর্তা ড. হ্যান্স ক্লুগ আশঙ্কা করেন, ইউরোপে কড়াকড়ি না করা হলে আগামী বসন্তের আগে পর্যন্ত আরও পাঁচ লাখ মানুষের মৃত্যু দেখতে হবে। কোভিড সংক্রমণে এই অঞ্চলে সবচেয়ে বেশি মৃত্যুর ঘটনা ঘটছে।

সোমবার থেকে ২০ দিনের লকডাউনে যাচ্ছে অস্ট্রিয়া। এর প্রতিবাদে রাজধানী ভিয়েনায় হাজার হাজার মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন। আগামী ফেব্রুয়ারি থেকে করোনার টিকা বাধ্যতামূলক করার কথা ভাবছে অস্ট্রিয়া সরকার। ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে টিকা বাধ্যতামূলক করতে যাচ্ছে এই দেশ। বিবিসি জানাচ্ছে ক্রোয়েশিয়ায় সরকারি চাকরিজীবীদের টিকা বাধ্যতামূলক করার প্রতিবাদে রাজধানী জাগরেব শহরে বিক্ষোভ হয়েছে।

হুড়মুড়িয়ে বাড়ছে করোনা, তরতরিয়ে কমছে তেলের দাম

petrol prices

News Desk: যেভাবে ইউরোপে করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে তাতে আসন্ন বড়দিনের আগেই না গোটা মহাদেশটাই লকডাউনে চলে যায় এমনই আশঙ্কা প্রবল। বিশেষত শিল্পন্নোত পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলির টিকা দানের হার সর্বনিম্ন হওয়া চরম অবৈজ্ঞানিক চিন্তাধারার কড়া বাস্তবে অট্টহাসি হাসছে কোভিড ঘাতক।

ইউরোপ জুড়ে করোনার সংক্রমণ বাড়তে থাকায় লকডাউন শুরু করছে বেশকিছু দেশ। এর ফলে আন্তর্জাতিক অর্থনীতির ঘুরে দাঁড়ানোর গতি কিছুটা কমে যাওয়ার আশঙ্কা। এমন পরিস্থিতিতে তেলের দাম স্থিতিশীল করতে বিনিয়োগকারীরা চাইছেন অপরিশোধিত তেলের বড় মজুদকারী দেশগুলো যেন নিজেদের কাছে থাকা তেল ছেড়ে দেয়।

petrol prices

রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিভিন্ন দেশের মজুত তেল ছাড়ার সংবাদে বিশ্ববাজারে তেলের দাম কমতে শুরু করছে। বিশ্ববাজারে তেলের দাম প্রায় তিন শতাংশ কমে শুক্রবার ব্যারেল প্রতি ৮০ মার্কিন ডলারের নিচে নেমে এসেছে। টানা চার সপ্তাহ পরিশোধিত এবং কিছুটা পরিশোধিত তে দুই ধরনের তেলেরই দর পতনের ঘটনা ঘটেছে। ২০২০ সালের মার্চের পর এমন ঘটনা এই প্রথম বলে জানাচ্ছে বিবিসি।

ভয়াবহ সংক্রমণ অবস্থা জার্মানি ও অস্ট্রিয়ায়। এদের লাগোয়া দেশগুলিতে সংক্রমণের গতি হাওয়ার বেগে ফের ছড়াতে পারে। পরিস্থিতি বুঝে লকডাউনের পথে অস্ট্রিয়া। জার্মানিতেও জনজীবন বিপর্যস্ত হতে চলেছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, শিল্পোন্নত পশ্চিম ইউরোপের দেশগুলোর মধ্যে অস্ট্রিয়া এই প্রথম পূর্ণ লকডাউন লকডাউন জারি করতে যাচ্ছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, প্রায় ৯১ লাখ মানুষের দেশ অস্ট্রিয়ায় টিকার দুই ডোজ সম্পূর্ণ করেছেন মোট প্রাপ্তবয়স্ক জনসংখ্যার তিন ভাগের দুই অংশ। পশ্চিম ইউরোপে যে কয়েকটি দেশ বর্তমানে টিকাদান কর্মসূচিতে পিছিয়ে আছে, সেসবের মধ্যে অস্ট্রিয়া অন্যতম।

প্রতিবেশি দেশ জার্মানিতে করোনাভাইরাস শনাক্তের রেকর্ড সৃষ্টি হলো। একদিনে ৬৫ হাজার ৩৭১ জনের শরীরে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এর ফলে দেশটিতে করোনা পরিস্থিতি ক্রমেই আরও অবনতি হলো।

Covid 19: এশিয়া ও ইউরোপের ৫৩টি দেশকে করোনা সতর্কতা দিল হু

covid-19-who-alert-on-europe-and-asia

News Desk: করোনা (coronavirus) মহামারি এখনও শেষ হয়ে যায়নি বরং ভাইরাস নতুন করে আঘাত হানার জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে। এভাবেই এশিয়া ও ইউরোপে সতর্কতা দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। 

হু জানাচ্ছে,গত বছর যে সময় করোনার (coronavirus) দ্বিতীয় ঢেউ গোটা বিশ্বে আছড়ে পড়েছিল, ঠিক তেমনই এক সময়ের সামনে এসে দাঁড়িয়ে আছি। বিশেষ করে ইউরোপ (europe) ও এশিয়ার (asia) কমপক্ষে ৫৩ টি দেশ এক ভয়াবহ সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে। এই দেশগুলিতে করোনাভাইরাস যে কোন সময় মহামারীর রূপ নিতে পারে।

শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপের ডিরেক্টর হ্যান্স ক্রুজ (Hans cruz) বলেন, এই মুহূর্তে ইউরোপ এবং এশিয়ার ৫৩টি দেশে সংক্রমণের হার অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ওই সমস্ত দেশগুলির বাস্তব পরিস্থিতি বিচার করে আশঙ্কা করা হচ্ছে, ২০২২-এর ফেব্রুয়ারির মধ্যে আরও অন্তত পাঁচ লক্ষ মানুষ করোনায় প্রাণ হারাতে পারেন। করোনার নতুন স্ট্রেন যেভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে তা অত্যন্ত ভয়াবহ। এই গতিতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে থাকলে কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন করে ভয়াবহ আকার ধারণ করবে করোনা।

ক্রুজ আরও বলেন গোটা বিশ্ব এক ভয়াবহ সন্ধিক্ষণের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। অনেক দেশেই সংক্রমণের হার ফের রেকর্ড স্তরে পৌঁছেছে। এই অবস্থা থেকে বাঁচতে হলে ইউরোপের একাধিক দেশকে আরও অনেক সতর্ক হতে হবে। হতে হবে পরিশ্রমী। একই কথা প্রযোজ্য এশিয়ার কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রেও। এশিয়া ও ইউরোপের ওই সব দেশ যদি সংক্রমণে রোধে অবিলম্বে উপযুক্ত ব্যবস্থা না নেয় তবে সভ্যতা এক চরম বিপদের সামনে গিয়ে পৌঁছবে।

হু-র এই আশঙ্কা যে আদৌ অমূলক নয়, ইতিমধ্যেই তার প্রমাণ মিলেছে। রাশিয়া-সহ একাধিক দেশে সংক্রমণ হু হু করে বাড়ছে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে নিষেধাজ্ঞা মেনে চলাই একমাত্র পথ। মানুষ যদি সেই নিষেধাজ্ঞা না মানে তবে নিজেরাই নিজেদের বিপদ ডেকে আনবে।

ইউরোপ ও আমেরিকায় শীত আসছে। এই শীতে সংক্রমণ আরও দ্রুত ছড়ায়। তাই মানুষকেও আরও অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হবে। অন্যথায় করোনা মানুষের জীবনে এক দুর্বিষহ অভিশাপ হিসেবে দেখা দেবে।

Covid 19 : ইউরোপে ফের করোনা মহামারির আশঙ্কা করছে হু

modi-mask

News Desk: ইউরোপ আবারও করোনাভাইরাস মহামারির কেন্দ্র হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বা হু। ইউরোপ জুড়ে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এমন আশঙ্কা করা হয়েছে। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর।

সাংবাদিক সম্মেলনে হু ইউরোপ বিষয়ক প্রধান হ্যান্স ক্লুজ জানান, আসন্ন ফেব্রুয়ারির মধ্যে ইউরোপে আরও ৫ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। তিনি বলেন বিভিন্ন দেশে টিকার ব্যবহার সমান নয়। হ্যান্স ক্লুজ বলেছেন, করোনা সংক্রমণ রোধে অবশ্যই কৌশল পরিবর্তন করতে হবে।

বিবিসি জানাচ্ছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউরোপ জুড়ে টিকা দেওয়ার হারে গতি কমেছে। অবশ্য স্পেনের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষকে ২ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। ফ্রান্স ও জার্মানিতে এই সংখ্যা যথাক্রমে ৬৮ ও ৬৬ শতাংশ। তবে মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের দেশে এ হার এখনো অনেক কম।

হু জানাচ্ছে, গত চার সপ্তাহে ইউরোপ জুড়ে ৫৫ শতাংশ সংক্রমণ বেড়েছে। পর্যাপ্ত টিকা ও করোনাভাইরাসের চিকিৎসাসামগ্রী থাকা সত্ত্বেও এমন পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা জানাচ্ছে, রাশিয়ার করোনা সংত্রমণের গতি চিন্তার। তবে রুশ সরকার প্রয়োজনী পদক্ষেপ নিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের অভিযোগ, ধনী দেশগুলি যে পরিমাণ টিকা কিনে মজুত করেছে তাতে অনেক গরিব দেশ পর্যাপ্ত টিকা পায়নি। টিকা গ্রহীতার করোনা সংক্রমণে মৃত্যুর আশঙ্কা খুবই কম। কিন্তু ইউরোপের কিছু অংশে টিকা নেওয়ার হার তেমন উল্লেখযোগ্য নয়। একইভাবে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশেও টিকা বিহীন মানুষের সংখ্যা বেশি