Farm Law: ক্ষুব্ধ ‘দাম্ভিক’ প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে রাজ্যপালের তর্কাতর্কি

তিন কৃষি আইন (Farm Law) ইতিমধ্যেই প্রত্যাহার করেছে নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) সরকার। কিন্তু কৃষি আইন নিয়ে বিতর্ক যেন আর শেষ হচ্ছে না। রবিবার হরিয়ানার (Hariyana) দাদরিতে এক অনুষ্ঠানে কৃষি আইন নিয়ে মুখ খুললেন মেঘালয়ের রাজ্যপাল (Governor) সত্যপাল মালিক। সেখানেই তিনি প্রধানমন্ত্রীকে দাম্ভিক বলেও মন্তব্য করেন।

সত্যপাল (Satyapal Malik) বলেন, কিছুদিন আগে তিনি কৃষকদের সমস্যা নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলতে গিয়েছিলেন। তিনি প্রধানমন্ত্রীকে বলেন, ইতিমধ্যেই আন্দোলন করতে গিয়ে ৫০০ জন কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। তাই সরকারের বিষয়টি নিয়ে ভাবনাচিন্তা করা উচিত। তাঁর এই বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী উত্তেজিত হয়ে তাঁকে পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘আমার জন্যই কি কৃষকদের মৃত্যু হয়েছে?’ প্রধানমন্ত্রী এই প্রশ্নের উত্তরে সত্যপাল বলেন, ‘আপনি হলেন দেশের প্রধান। তাই এই মৃত্যুর দায় আপনার ঘাড়েই বর্তায়।’ এরপরই প্রধানমন্ত্রী প্রবল ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠেন। এমনকী তাঁর সঙ্গে তর্কাতর্কি শুরু করেন।

‘সবশেষে তিনি আমাকে বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করতে অমিত শাহের সঙ্গে দেখা করতে বলেন।’ সত্যপাল অভিযোগ করেন, একটি সামান্য কুকুর মারা গেলেও প্রধানমন্ত্রী তার প্রতি সমবেদনা জানান। কিন্তু এতজন কৃষক আন্দোলন করতে গিয়ে প্রাণ হারালেন, তাঁদের জন্য প্রধানমন্ত্রী একটি শব্দও খরচ করলেন না। এটা মেনে নেওয়া যায় না। এ থেকেই বোঝা যায় মোদী কতটা অহংকারী একজন ব্যক্তি।

সত্যপাল আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ মেনে তিনি অমিত শাহর সঙ্গেও দেখা করেন এবং কৃষকদের সমস্যার বিষয়টি তাঁকে জানান। শাহ বিষয়টি শুনলেও অবশ্য কোনও মন্তব্য করেননি। বরং এই কৃষি আইনের দায় তিনি প্রধানমন্ত্রীর ঘাড়েই ঠেলে দেন।

মেঘালয়ের রাজ্যপাল মনে করেন, কৃষকদের কথা ভেবে অনেক আগেই সরকারের ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। কৃষকরা যাতে ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য পায় সে বিষয়টিও নিশ্চিত করা দরকার। সত্যপাল পরিষ্কার জানিয়েছেন, কৃষকদের বিরুদ্ধে যে সমস্ত মামলা দায়ের হয়েছিল সেগুলি তুলে নেওয়া উচিত। একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রীকে প্রচ্ছন্ন হুমকি দিয়ে সত্যপাল বলেছেন, মোদী যদি ভাবেন কৃষকদের আন্দোলন শেষ হয়ে গিয়েছে তাহলে ভুল ভাবছেন। আপাতত কৃষকরা আন্দোলন স্থগিত রেখেছেন। কেন্দ্র যদি ফের কৃষকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করে তাহলে তাঁরা ফের আন্দোলনের রাস্তায় ফিরবেন। তিনি নিজে কৃষকদের পাশে ছিলেন আছেন এবং থাকবেন বলেও সত্যপাল জানিয়েছেন।

Farm Laws: ‘কৃষি আইন ফের হবে কখনই বলিনি,’ কৃষিমন্ত্রীর ডিগবাজি!

Farm Laws Repeal

News Desk: যত দোষ নন্দঘোষ! মানে সংবাদ মাধ্যমের। নিজের পক্ষে সাফাই দিতে গিয়ে চাপের মুখে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীর এবার দাবি, আমি কখনই বলিনি ফের কৃষি আইন লাগু হবে। সবই সংবাদমাধ্যমে বিকৃত করে প্রকাশিত হয়েছে।

২৪ ঘন্টাও কাটল না, তার আগেই ডিগবাজি খেলেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর। এবার স্পষ্টভাবেই জানালেন, নতুন করে কৃষি আইন কার্যকর করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। কৃষি চালু করার কোনও কথাই নাকি তিনি বলেননি।

শুক্রবার মহারাষ্ট্রের এক অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী বলেছিলেন, আপাতত তাঁরা কৃষি আইন নিয়ে পিছিয়ে গিয়েছেন অর্থাৎ আইন বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু আগামী দিনে ফের এই আইন সামনে আনা হতে পারে। তোমরের এই মন্তব্য নিয়ে যথারীতি গোটা দেশে তৈরি হয় তীব্র চাঞ্চল্য। অনেকেই বলতে থাকেন, মোদী সরকার সময় ও সুযোগ পেলে এই কৃষি আইন কার্যকর করবে। কৃষি মন্ত্রীর বক্তব্যেই সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

তোমরের ওই মন্তব্য নিয়ে আসরে ঝাঁপিয়ে পড়তে দেরি করেনি কংগ্রেস। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, আগামী বছরের শুরুতে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন মিটে গেলেই সংশোধনী-সহ নতুন করে তিন কৃষি আইন কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে মোদী সরকারের।

কংগ্রেস-সহ বিরোধী শিবিরের রাজনৈতিক চাপ তো ছিলই পাশাপাশি বিভিন্ন কৃষক সংগঠনও নতুন করে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই খবর কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রীর কানে পৌঁছতেই ডিগবাজি খেলেন মন্ত্রী।

বক্তব্য থেকে সরে এসে মন্ত্রী বললেন, কৃষি আইন নিয়ে আমি এ ধরনের কোনও কথাই বলিনি। কৃষি আইন ফের সামনে আনা হবে, এটা তো একটা কল্পনা। আমি বলেছিলাম, সরকার স্বাধীনতার পর একটা বড়সড় পদক্ষেপ করেছিল। কৃষি ব্যবস্থায় একটা সংস্কার আনতে চেয়েছিল সরকার। কিন্তু ওই আইন যে যথেষ্ট ভাল ছিল সেটা আমরা সকলকে বোঝাতে পারিনি। বিশেষ করে যাদের কল্যাণ ও উন্নয়নের জন্য এই আইন তাদেরকেই আমরা বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছি। ব্যর্থতার কারণেই আমরা ওই আইন ফিরিয়ে নিয়েছি। কিন্তু সংবাদমাধ্যম আমার এই মন্তব্যকে বিকৃত করেছে।

তোমরের কৃষি আইন ফের সামনে আনার মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছিলেন, মোদি সরকার কৃষকদের অসম্মান করছে।

তিন কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন করছিল কৃষক সংগঠনগুলি। আন্দোলনের চাপে পড়ে গুরু নানকের জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রী এই তিন আইন বাতিল করার কথা ঘোষণা করেন। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল পাশ করে সাংবিধানিকভাবেই আইন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।

আইন প্রত্যাহারের পরেও কৃষিমন্ত্রী তোমরের ওই মন্তব্য জল্পনা উস্কে দেয় যে, পাঞ্জাব ও উত্তরপ্রদেশ-সহ বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন মিটে গেলেই মোদী সরকার তিন কৃষি আইন সামনে আনতে পারে। ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত তোমর তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন।

Farm Laws: ‘কৃষি আইন ফের হবে কখনই বলিনি,’ কৃষিমন্ত্রীর ডিগবাজি!

Farm Laws Repeal

News Desk: যত দোষ নন্দঘোষ! মানে সংবাদ মাধ্যমের। নিজের পক্ষে সাফাই দিতে গিয়ে চাপের মুখে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীর এবার দাবি, আমি কখনই বলিনি ফের কৃষি আইন লাগু হবে। সবই সংবাদমাধ্যমে বিকৃত করে প্রকাশিত হয়েছে।

২৪ ঘন্টাও কাটল না, তার আগেই ডিগবাজি খেলেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর। এবার স্পষ্টভাবেই জানালেন, নতুন করে কৃষি আইন কার্যকর করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। কৃষি চালু করার কোনও কথাই নাকি তিনি বলেননি।

শুক্রবার মহারাষ্ট্রের এক অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী বলেছিলেন, আপাতত তাঁরা কৃষি আইন নিয়ে পিছিয়ে গিয়েছেন অর্থাৎ আইন বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু আগামী দিনে ফের এই আইন সামনে আনা হতে পারে। তোমরের এই মন্তব্য নিয়ে যথারীতি গোটা দেশে তৈরি হয় তীব্র চাঞ্চল্য। অনেকেই বলতে থাকেন, মোদী সরকার সময় ও সুযোগ পেলে এই কৃষি আইন কার্যকর করবে। কৃষি মন্ত্রীর বক্তব্যেই সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

তোমরের ওই মন্তব্য নিয়ে আসরে ঝাঁপিয়ে পড়তে দেরি করেনি কংগ্রেস। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, আগামী বছরের শুরুতে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন মিটে গেলেই সংশোধনী-সহ নতুন করে তিন কৃষি আইন কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে মোদী সরকারের।

কংগ্রেস-সহ বিরোধী শিবিরের রাজনৈতিক চাপ তো ছিলই পাশাপাশি বিভিন্ন কৃষক সংগঠনও নতুন করে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই খবর কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রীর কানে পৌঁছতেই ডিগবাজি খেলেন মন্ত্রী।

বক্তব্য থেকে সরে এসে মন্ত্রী বললেন, কৃষি আইন নিয়ে আমি এ ধরনের কোনও কথাই বলিনি। কৃষি আইন ফের সামনে আনা হবে, এটা তো একটা কল্পনা। আমি বলেছিলাম, সরকার স্বাধীনতার পর একটা বড়সড় পদক্ষেপ করেছিল। কৃষি ব্যবস্থায় একটা সংস্কার আনতে চেয়েছিল সরকার। কিন্তু ওই আইন যে যথেষ্ট ভাল ছিল সেটা আমরা সকলকে বোঝাতে পারিনি। বিশেষ করে যাদের কল্যাণ ও উন্নয়নের জন্য এই আইন তাদেরকেই আমরা বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছি। ব্যর্থতার কারণেই আমরা ওই আইন ফিরিয়ে নিয়েছি। কিন্তু সংবাদমাধ্যম আমার এই মন্তব্যকে বিকৃত করেছে।

তোমরের কৃষি আইন ফের সামনে আনার মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছিলেন, মোদি সরকার কৃষকদের অসম্মান করছে।

তিন কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন করছিল কৃষক সংগঠনগুলি। আন্দোলনের চাপে পড়ে গুরু নানকের জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রী এই তিন আইন বাতিল করার কথা ঘোষণা করেন। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল পাশ করে সাংবিধানিকভাবেই আইন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।

আইন প্রত্যাহারের পরেও কৃষিমন্ত্রী তোমরের ওই মন্তব্য জল্পনা উস্কে দেয় যে, পাঞ্জাব ও উত্তরপ্রদেশ-সহ বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন মিটে গেলেই মোদী সরকার তিন কৃষি আইন সামনে আনতে পারে। ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত তোমর তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন।

Farmers Protest: আজই প্রত্যাহার হতে পারে কৃষক আন্দোলন

farmers

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি : সম্প্রতি তিন বিতর্কিত কৃষি আইনের বিরুদ্ধে কৃষকদের আন্দোলনের (Farmers Protest) জেরে সেই তিন আইন প্রত্যাহার করা হয়েছে।  আজ দুপুরে একটি বৈঠকের পর সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার নেতৃত্বে পরিচালিত ১৪ মাস ধরে চলা কৃষক আন্দোলন প্রত্যাহার করে নেওয়া হতে পারে।  

জানা গেছে, সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার ৫ সদস্যের একটি প্যানেল আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কেন্দ্রীয় সরকারের দ্বিতীয় খসড়া প্রস্তাব প্যানেল গ্রহণ করেছে। এরপরই আন্দোলন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। কেন্দ্রের দ্বিতীয় খসড়া প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে ফসলের ন্যূনতম সহায়ক মূল্য (এমএসপি) সংক্রান্ত আশ্বাস। সেইসঙ্গে রয়েছে বিভিন্ন রাজ্যে আন্দোলনরত কৃষকদের বিরুদ্ধে দায়ের মামলা প্রত্যাহারের আশ্বাস। 

কমিটির অশোক ধাওয়ালে এ ব্যাপারে সরকারের সঙ্গে কথা বলেছেন। তিনি জানান, ‘আমরা সরকারের কাছ থেকে একটি সংশোধিত খসড়া প্রস্তাব পেয়েছি, যাতে আন্দোলনকারীদের প্রস্তাব মেনে নেওয়ার আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। আমরা প্রস্তাবের চূড়ান্ত প্রতিলিপি বৃহস্পতিবার বেলা ১২ টা নাগাদ পাব। এরপর সিঙ্ঘুতে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার নেতাদের বৈঠকের পর আমরা আন্দোলনের তীব্রতা কমানোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেব। কেন্দ্র ফসলের অবশেষ পোড়ানোর ঘটনায় কৃষকদের বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলাও প্রত্যাহারের আশ্বাস কেন্দ্র দিয়েছে। সেইসঙ্গে বিদ্যুৎ সংশোধিত বিল ও আন্দোলনের সময় নিহত কৃষকদের আত্মীয়দের ৫ লক্ষ টাকা ও চাকরি দেওয়ার ব্যাপারেও রাজি হয়েছে কেন্দ্র। কৃষক আন্দোলনের সময় ও ফসলের অবশেষ পোড়ানোর ঘটনায় সরকার সমস্ত মামলা প্রত্যাহারের ব্যাপারে রাজি হওয়ার পর সহমতে পৌঁছনো যায়।’

তিনি আরও জানান, ‘সরকার আমাদের সংশোধিত বিদ্যুৎ বিল পেশের ব্যাপারেও আশ্বস্ত করেছে। কৃষি বিশেষজ্ঞ, কেন্দ্র ও রাজ্যের আধিকারিকদের পাশাপাশি এমএসপি কমিটিতে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার নেতাদের সামিল করার ব্যাপারেও সরকার রাজি হয়েছে।’

মোদীর ভাষণ নয়, সংসদে কৃষি আইন প্রত্যাহারের অপেক্ষায়: সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা

Rakesh Tikait

News Desk: কৃষি আইন প্রত্যাহার ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এর পরই প্রশ্ন তুলছে বিভিন্ন সর্বভারতীয় কৃষক সংগঠন। কৃষক আন্দোলনের যৌথ মঞ্চ সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানাল, প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানকে স্বাগত। তবে মুখের ঘোষণা নয়, আইন বাস্তবে প্রত্যাহার করে দেখাক সরকার।

কৃষক আন্দোলনের অন্যতম নেতা ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকায়েত ও সারা ভারত কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা সরকারের অবস্থানকে স্বাগত জানান।

উলুবেড়িয়ার প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ হান্নান মোল্লা আগেই দাবি করেছেন, আসন্ন সংসদ অধিবেশনের সময় দিল্লি ঘিরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ হবে। সরকারকে বিতর্কিত কৃষি আইন প্রত্যাহারে বাধ্য করা হবে। তাঁর ঘোষণার পরেই আন্দোলনকারী কৃষকদের মধ্যে নতুন করে জোশ ছড়ায়।

Farmers to hold rail roko on Oct 18

শুক্রবার গুরুপূর্ণিমা উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে শিখ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান। তিনি এই ভাষণেই বলেন, দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইছি। কৃষি আইন প্রত্যাহার করা হবে।

মোদীর ভাষণে তুমুল আলোড়ন ছড়ায় হরিয়ানা, দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশে। মূলত দেশের এই উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের কৃষকদের নিয়েই কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন চলেছে। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার অভিযোগ, নতুন তিনটি কৃষি আইনের মাধ্যমে সরকার দেশের কৃষি ব্যবস্থাকেই বেসরকারি হাতে তুলে দিতে চাইছে।

প্রবল আন্দোলন, দিল্লি অভিযান, লালকেল্লায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি ঘিরে বিতর্কিত পরিস্থিতি হয়েছে বারবার। কৃষকদের আন্দোলনকে খালিস্তানি জঙ্গিদের মদত দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে বিজেপির বহু নেতা, সংঘ পরিবার সংশ্লিষ্ট হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির অনেকেই। কৃষক নেতারা বলেছেন, সরকারকেই আইন প্রত্যাহার করতে হবে।

অবশেষে আইন প্রত্যাহারের কথা জানালেন মোদী। তবে সংসদে আইন প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেই জানাচ্ছে কিষাণ মোর্চা।

Farm Laws Withdrawn: ঝুঁকলেন মোদী, ভোট বুঝে ক্ষমা চেয়ে ‘কৃষি আইন প্রত্যাহার’

modi farm laws withdrawal announcement
  1. News Desk: প্রবল কৃষক আন্দোলনের চাপে বিতর্কিত তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সংসদে বিপুল শক্তি নিয়ে আইন বাতিল হবে না বলে যে দাবি করেছিল বিজেপি তার থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা শুধু দেশ না বিদেশে আলোড়ন ফেলেছে।

farmers

<

p style=”text-align: justify;”>তিনি বলেন, ‘আমি দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইছি। আমি বলতে চাই যে হয়ত আমাদের তপস্যাতেই খামতি ছিল। তাই কৃষি আইন প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এই মাসে শুরু হতে চলা সংসদ অধিবেশনে এই কৃষি আইন প্রত্যাহার করব। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, আন্দোলন ছেড়ে একটি নয়া সূচনা করি। শীঘ্রই আইন প্রত্যাহারের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া পূর্ণ করে দেব। এবার আপনারা সকলে খেতে ফিরে যান, পরিবারের মধ্যে ফিরে যান।’

আসন্ন পাঞ্জাব ও উত্তর প্রদেশ নির্বাচনের আগে মোদী এই ঘোষণা করলেন। পাঞ্জাবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংয়ের সঙ্গে বিজেপির নির্বাচনী জোট গড়ার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ বড় হতে চলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

উত্তর প্রদেশেও ভোটে কৃষক বিক্ষোভ বিরাট প্রভাব ফেলছে বলেই জনমত সমীক্ষা বলছে। তবে এই রাজ্যে ভোট কাটাকুটির লড়াইতে বিজেপির ক্ষমতায় আসার ইঙ্গিত এসেছে জনমত সমীক্ষায়।

প্রধানমন্ত্রী দেশের কৃষকদের জন্য তাঁর সরকারের ভূমিকা বলেন। তিনি বলেন, ‘দেশের ১০০ জনের মধ্যে ৮০ জন ছোট কৃষক। তাদের জমির পরিমাণ ২ হেক্টরের কম। তাদের জীবনের আধার এই ছোট জমি। প্রায় ১০ কোটি এমন ছোট কৃষক আছে। এই ছোট জমিতেই তারা নিজেদের পরিবারের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার জন্য কাজ করছে। তাই বীজ, বীমা, বাজার আর সেভিংসের ক্ষেত্রে কাজ করেছি। আমরা ফসল বীমা যোজনাকে আরও কার্যকরী করেছি। আরও বেশি সংখ্য কৃষককে এর অধীনে নিয়ে এসেছি। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কিষাণ সয়েল হেলথ কার্ড দিয়েছি। এতে ফলন বেড়েছে। ছোট কৃষকদের ১ লক্ষ ৬২ হাজার কোটি টাকা দিয়েছি। কৃষকদের কষ্ট যাতে সঠিক দাম পায়, সেই কাজ করেছে সরকার। গ্রামীণ বাজারকে শক্তিশালী করেছি। আমরা এমএসপি বাড়িয়েছি। পাশাপাশি সরকার রেকর্ড পরিবার ফসল কিনেছে।’

Lakhimpur: অমিত শাহ ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী-পুত্রের পিস্তল থেকে চলেছিল ‘গুলি’

video proved that the farmers were crushed to death by the wheel of the car

News Desk: উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার মামলায় বারবার অভিযোগ উঠেছে ওই দিন গুলিও চলানো হয়েছিল। ঘটনার তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

ফরেনসিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, ৩ অক্টোবর ঘটনার দিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অজয় মিশ্রর (ajay mishra) ছেলে আশিস মিশ্রর (ashis mishra) পিস্তল থেকেই গুলি চালানো হয়েছিল।

লখিমপুরের (lakhimpur) ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি করেছিলেন, কেন্দ্রের কৃষি আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ চলাকালীন চার কৃষককে পিষে দেওয়ার পর বেশ কয়েকটি গুলির শব্দ শোনা গিয়েছিল। কোথা থেকে ওই গুলি চালানো হয়েছিল তা জানতে উত্তরপ্রদেশ পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।

তদন্তে জানা গিয়েছে, মন্ত্রীর ছেলে আশিস মিশ্র ও তার বন্ধুরা যে গাড়িতে ছিলেন সেই গাড়ির ভিতর থেকেই গুলি চালানো হয়েছিল। ফরেনসিক রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই দাবি করেছে পুলিশ।

ঘটনার মূল অভিযুক্ত মন্ত্রীর ছেলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন জগজিৎ সিং (jagjit singh) নামে এক কৃষক। ওই কৃষক তাঁর অভিযোগে বলেন, ঘটনার সময়ে ওই এসইউভিতে ছিলেন আশিস। আশিসের গাড়ি কৃষকদের মধ্যে ঢুকে পড়ে ৪ জনকে পিষে দিয়ে চলে যায়। গাড়ির ধাক্কায় ছিটকে পড়ে অনেকেই গুরুতর জখম হন। এরপরই বেশ কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা যায়। গাড়ির ভেতর থেকে আশিস গুলি চালিয়েছিল। ঘটনার তদন্ত শুরু করে লখিমপুর থেকে ০.৩১৫ বোর বুলেট কুড়িয়ে পায় পুলিশ।

উল্লেখ্য, লখিমপুর খেলার ওই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয়ের ছেলে আশিস-সহ আরও ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই ঘটনায় স্বতপ্রণোদিত হয়ে একটি মামলা করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

সোমবার ওই মামলার শুনানিতে উত্তরপ্রদেশে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে দেশের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ। শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, লখিমপুর তদন্তের গতি অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে। এভাবে তদন্তের কাজ চললে কবে এই মামলা শেষ হবে!

একই সঙ্গে বেঞ্চ যোগী আদিত্যনাথ (yogi adityanath) সরকারকে লখিমপুরের হিংসার ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দিয়েছে। আগামী শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে (supreme court)এই মামলার পরবর্তী শুনানি

INC: ‘রাহুল না পসন্দ’ সমর্থকদের মেসেজ ঝড় নেত্রী হোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

Priyanka Gandhi

নিউজ ডেস্ক: পূর্ববর্তী লোকসভা ভোটের পর বিজেপি তথা এনডিএ শিবিরের কাছে পরাজয় মেনে নিয়ে কংগ্রেস সর্বভারতীয় সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন রাহুল গান্ধী। ফের কার্যকরী সভাপতির দায়িত্ব তুলে নেন সোনিয়া। এবার কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে সাংগঠনিক মুখের বদল হওয়ার প্রবল ইঙ্গিত আসছে।

নয়া দিল্লিতে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক থেকেই আসন্ন উত্তর প্রদেশ, গোয়া, পাঞ্জাব সহ বাকি বিধানসভা ও আগামী লোকসভা ভোটের রূপরেখা তৈরি হবে। তবে কংগ্রেসের প্রাথমিক নজর উত্তর প্রদেশের ভোট।

সূত্রের খবর, দলের সভাপতি হিসেবে পুনরায় রাহুল গান্ধী নির্বাচিত হতে চলেছেন। তবে নির্বাচনী লড়াইয়ের মুখ হবেন তাঁর বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (Priyanka Gandhi)। ইতিমধ্যে সমর্থক ও সাংগঠনিক সর্বনিম্ন স্তর থেকে লাগাতার মেসেজ ঝড়ে অতিষ্ঠ কেন্দ্রীয় নেতারা। দাবি উঠেছে, প্রিয়াঙ্কার নেতৃত্বে লড়াই করার।

উত্তর প্রদেশ বিধানসভা ভোটের আগে প্রিয়াঙ্কা যেভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নেমেছেন তাতে আশাবাদী কংগ্রেস সমর্থকরা। তবে অতি বড় কংগ্রেস সমর্থকও জানেন, এই রাজ্যে এখনই কংগ্রেসের সরকার গঠনের সম্ভাবনা নেই। তবে প্রিয়াঙ্কার নেতৃত্বে কংগ্রেস লড়লে ফল ‘ভালো হবেই’।

উত্তর প্রদেশ সহ পশ্চিম ভারত জুড়ে কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে কৃষক আন্দোলন গোটা দেশেই ছড়িয়েছে। সাম্প্রতিক লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মারার ঘটনায় প্রবল বিতর্কে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে ক্রমাগত হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছে কৃষক সংগঠনগুলির যৌথ মঞ্চ সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা।

কৃষক আন্দোলনের ধাক্কায় উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানায় বিজেপি ভোট সমর্থনে নেমেছে ধস। কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী খোদ প্রধানমন্ত্রীবিদ্ধস্ত নীরবতা নিয়ে বারবার প্রশ্নে বিদ্ধ করেছেন। তাঁর গ্রেফতারিতে চাঙ্গা হয়েছে কংগ্রেস। এর পরেই প্রধানমন্ত্রী মোদীর সংসদীয় এলাকা বারণসীতে প্রিয়াঙ্কার জনসভার ভিড়ে বিজেপি চিম্তিত।
কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির কাছে দুটি প্রশ্ন আসছে, ভোটে লড়াইয়ের নীতি কী হবে? আর প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে পুরোপুরি কখন থেকে নামানো হবে ? সূত্রের খবর, ইন্দিরা নাতনি প্রিয়াঙ্কা হতে চলেছেন কংগ্রেসের পোস্টার গার্ল।

Haryana: সিঙ্ঘু সীমান্তের কৃষক আন্দোলনস্থলে পুলিশের ব্যারিকেডে হাত-পা কাটা যুবকের দেহ উদ্ধার

farmers' protest site in Singhu border

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: দিল্লি-হরিয়ানা সীমান্তবর্তী এলাকা সিঙ্ঘুতে যেখানে কৃষকরা এক বছর ধরে আন্দোলন করছেন সেখানে এক যুবকের দেহ উদ্ধার ঘিরে তীব্র উত্তেজনা ছড়াল। কৃষকদের আটকাতে পুলিশ ব্যারিকেড তৈরি করেছে। সেই ব্যারিকেড থেকেই ঝুলছিল যুবকের দেহ। তার দুটি হাত ও পা কাটা ছিল। গোটা এলাকার ভেসে যাচ্ছিল রক্তে। শুক্রবার সকালে এই ভয়ঙ্কর দৃশ্য দেখে সকলেই চমকে উঠেছেন। 

গুজব ওঠে, ওই যুবক কৃষক আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলেন। সেকারণেই পুলিশ তাকে নির্মমভাবে খুন করেছে। হরিয়ানা ও দিল্লি দুই রাজ্যেই এই খুনের কথা ছড়িয়ে পড়ায় তীব্র উত্তেজনা ও আতঙ্ক ছড়ায়। অনেকেই পুলিশের আচরণের তীব্র নিন্দা করেন।

কিন্তু প্রাথমিক খোঁজখবর করে জানা যায়, ওই যুবক কৃষকদের আন্দোলনে ছিলেন না। তাই কে বা কারা ওই যুবককে এমন নৃশংসভাবে খুন করল তা নিয়ে তদন্ত শুরু হয়েছে। মৃত যুবকের নাম ঠিকানা বা পরিচয় কিছুই এখনও জানা যায়নি

সোনিপত জেলার পুলিশ সুপার বলেছেন, শুক্রবার ভোর পাঁচটা নাগাদ সেনিপথের কুন্ডিতে যেখানে কৃষকরা আন্দোলন করছেন সেখানকার ব্যারিকেডে হাত কাটা এক যুবকের ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার করা হয়। এখনও পর্যন্ত জানা যায়নি কে বা কারা এই কাজ করেছে। কী কারণে ওই যুবককে তালিবানের মত নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে তাও জানা যায়নি। তাই অচেনা কয়েকজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। ওই যুবককে কুন্ডিতেই খুন করা হয়েছে, না অন্য কোথাও খুন করে এখানে নিয়ে আসা হয়েছে?

এই প্রশ্নের উত্তরে পুলিশ সুপার বলেন, প্রাথমিক তদন্তে মনে হচ্ছে ওই যুবককে কুন্ডিতেই খুন করা হয়েছে। এদিনই বেলার দিকে একটি ভিডিয়ো ভাইরাল হয়েছে।সোশ্যাল-মিডিয়ায়-ভাইরাল হওয়া ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে, ‘নিহাঙ্গস’ সম্প্রদায়ের কিছু মানুষ এক যুবককে ঘিরে ধরে দাঁড়িয়ে আছে। ওই যুবকের একটি হাত কাটা। অঝোর ধারায় রক্ত বেরোচ্ছে। যন্ত্রণায় ছটফট করছে ওই যুবক। তবে ওই যুবকের অপর একটি হাত ও দুই পা তখনো অক্ষত ছিল। ওই ভিডিয়ো সামনে আসার পর পুলিশের অনুমান, নিহাঙ্গস সম্প্রদায়ের লোকেরাই ওই যুবককে খুন করেছে। এই ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করতে পুলিশ গোটা এলাকায় তল্লাশি চালাচ্ছে।

সূত্রের খবর, মৃত যুবক শিখদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থকে অসম্মান করেছিল। তার শাস্তি হিসেবে ওই যুবককে এভাবে খুন করা হয়েছে। উল্লেখ্য, নিহাঙ্গস হল শিখ সম্প্রদায়ের এক গোষ্ঠী। শিখদের এই সম্প্রদায়টি মূলত যোদ্ধা হিসেবে পরিচিত।

Lakhimpur Kheri: দশেরায় রাবণ তুলনায় ‘মোদী’কে পোড়াতে কৃষকদের প্রস্তুতি

lakhimpur violence farmers protest

নিউজ ডেস্ক: নবরাত্রি শেষে দশেরা। এই দিনেই রাবণ পোড়ানো হয় পশ্চিম ও উত্তর ভারতের সর্বত্র। সেই অনুষ্ঠানকে সামনে রেখেই কৃষি আইন বিরোধিতায় প্রধানমন্ত্রী মোদীর কুশপুতুল পোড়ানোর বার্তা দিল সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা।

কিষাণ মোর্চা জানিয়েছে, লখিমপুর খেরিতে (lakhimpur kheri) কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার ঘটনার প্রতিবাদে হবে মোদী পোড়ানোর কর্মসূচি। উত্তর প্রদেশ জুড়েই মোদী-যোগীর কুশপুতুল পোডানো হবে গণহারে। এটি একটি প্রতীকি প্রতিবাদ। যেভাবে কৃষকদের উপর দমন নীতি চলছে তার বিরোধিতা চলবেই।
উত্তর প্রদেশ, হিমাচল প্রদেশ, হরিয়ানা, রাজস্থান, পাঞ্জাব, মধ্যপ্রদেশ ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দিল্লিতে হবে রাবণ রূপী মোদীর কুশপুতুল পোড়ানো।

উত্তরপ্রদেশের লাখিমপুর খেরির ঘটনার প্রতিবাদে সারা দেশজুড়ে প্রতিবাদ কর্মসূচি করবে বলে জানায় সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা। আগেই কৃষক সংগঠনগুলি জানিয়েছে, আগামী ১৮ অক্টোবর দেশজুড়ে রেল রোকো আন্দোলন হবে। আর ২৬ অক্টোবর লখনৌতে হবে মহাপঞ্চায়েত। কিষাণ মোর্চা জানায়, ১২ অক্টোবর লাখিমপুর খেরিতে শোক পালন হবে।

কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার অভিযোগে টানা ১২ ঘন্টার জেরা শেষে গ্রেফতার করা হয়েছে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র আশিস মিশ্রকে। ফলে আরও অস্বস্তিতে উত্তর প্রদেশ সরকার। লখিমপুর খেরিতে কৃষক খুন মামলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস মূল অভিযুক্ত। গত ৩ অক্টোবর তার গাড়ি কৃষক জমায়েতের উপর প্রবল গতিতে ঢুকে পড়ে। অভিযোগ, কৃষকদের ইচ্ছাকৃত পিষে মারে আশিস ও তার সাগরেদরা। লখিমপুর খেরিতে এই রক্তাক্ত ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত আশিস পলাতক ছিল।

আশিসকে গ্রেফতার করা হয়নি কেন? সুপ্রিম কোর্টের এই প্রশ্নে নাজেহাল হয় উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকার। পরে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে আশিসকে ডেকে পাঠায় ক্রাইম ব্রাঞ্চ। শুক্রবার হাজিরা এড়িয়ে শনিবার আসে আশিস। জেরা চলে দিনভর। এর পরেই গ্রেফতার করা হয় তাকে।

লখিমপুর খেরি পুলিশ লাইনে জেরা শেষে ডিআইজি উপেন্দ্র আগরওয়াল জানান, অভিযুক্ত আশিসের বয়ানে বিস্তর অসঙ্গতি আছে। সে সব প্রশ্নের জবাব দিতে পারেনি। তাকে গ্রেফতার করা হলো।

আশিস মিশ্রর পিতা নিজের প্রভাব খাটিয়ে পুত্রকে বাঁচাতে চাইছেন, এমন অভিযোগ করেছে কৃষক সংগঠনগুলি। কেন্দ্র সরকারের কৃষি নীতির প্রতিবাদে জমায়েতে আশিস মিশ্রর নির্দেশে গাড়ি নিয়ে হামলা হয় বলে অভিযোগ। এতে ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। চার জন কৃষক।

সারা ভারত কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা দাবি করেছেন আশিস মিশ্রর কড়া শাস্তি হোক। এই ঘটনার জেরে কংগ্রেস, সমাজবাদী পার্টি, বিএসপি একযোগে বিজেপিকে আক্রমণ করেছে। বিধানসভা ভোটের আগে রীতিমতো হাওয়া গরম পরিস্থিতি।

Kolkata: রাজভবনের সামনে হঠাৎ মোদী-যোগীর কুশপুতুল দাহ, ধৃত ABPP নেতৃত্ব

ABPP members protest against modi and yogi Adityanath

নিউজ ডেস্ক: আচমকা কয়েকজন যুবক রাজভবনের সামনে প্রধানমন্ত্রী মোদী, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও হরিয়ানার মু়খ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টারের কুশপুতুলে আগুন ধরিয়ে দিলেন। নিরাপত্তার কারণে তাদের আটক করেছে পুলিশ।

সন্ধে নাগাদ রাজভবনের সামনে এমন ঘটনায় নিরাপত্তারক্ষীরা হতচকিত হয়ে যান। কুশপুতুলে আগুন ধরানো যুবকরা উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শুরু করেছেন। নিজেদের অখিল ভারতীয় পরিবার পার্টির সমর্থক বলে দাবি করেন তারা।
সংগঠনটির পশ্চিমবঙ্গ শাখার তরফে জানানো হয়েছে, দ্রুত লখিমপুর খেরির ঘটনায় দোষীদের গ্রেফতার করতে হবে। প্রধানমন্ত্রী ও কেন্দ্র সরকারের কৃষি নীতির সমালোচনা করেন দলটির নেতারা।

রাজভবনের সামনে দাউ দাউ করে কুশপুতুল জ্বলতে থাকায় নিরাপত্তারক্ষীরা দ্রুত বিক্ষোভকারীদের সরিয়ে দেন। আটক করা হয়৷ অখিল ভারকীয় পরিবার পার্টির জাতীয় সভাপতি রাজীব কুশওয়া ভারকীয় ও সম্পাদক কৃষ্ণেন্দু চ্যাটার্জি ভারতীয় সহ বাকিদের। দলটির তরফে জানানো হয়েছে, ২০১৯ সালে এবিপিপি নথিভুক্ত হয়। আগামী লোকসভা ভোটে তারা লড়াই করবে।

Lakhimpur Kheri: নেপালে ‘লুকিয়ে’ কৃষকদের খুনে অভিযুক্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর-পুত্র

ministers-son-ashish-mishra

নিউজ ডেস্ক: নির্দেশ ছিল সকাল দশটার মধ্যে পুলিশের সামনে হাজিরা দিতে হবে। সেই নির্দেশ উপেক্ষা করে গরহাজির কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস। তার বিরুদ্ধে উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে (Lakhimpur kheri) কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে খুনের অভিযোগ রয়েছে। সূত্রের খবর, অভিযুক্ত গোপনে আন্তর্জাতিক সীমান্ত পেরিয়ে প্রতিবেশি দেশ নেপালে ঢুকেছে।

Lakhimpur Kheri

www.ekolkata24.com কিছু সূত্র মারফত জানতে পেরেছে বৃহস্পতিবার দুপুরের মধ্যেই অভিযুক্ত আশিস মিশ্র ভারত ত্যাগ করে। যেহেতু লখিমপুর খেরি একদম নেপাল লাগোয়া, আর ভারতীয় বা নেপালিদের মধ্যে আসা যাওয়ার ভিসা লাগেনা, সেই সুযোগে নেপালে ঢুকে আত্মগোপনে রয়েছে আশিস।

www.ekolkata24.com আরও জানতে পেরেছে, অভিযুক্ত মন্ত্রীপুত্র নেপাল থেকে অন্যত্র চলে যাওয়ার চেষ্টা করছে। তবে নেপাল সরকার তার সম্পর্কে কিছু জানায়নি। উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরি সংলগ্ন নেপালের সীমান্ত খোলা। তারই যে কোনও একটি দিয়ে প্রতিবেশি দেশের সুদূর পশ্চিম বিভাগ ও কারনালি বিভাগে ঢুকেছে আশিস মিশ্র।

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়িতে চাপা দেওয়ার মামলায় সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন করে উত্তর প্রদেশ সরকার কতজন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। এতে বিরাট ধাক্কা খায় মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের সরকার। কারণ আশিস মিশ্রর বিরুদ্ধে গাড়ি চাপা দিয়ে কৃষকদের মেরে ফেলার অভিযোগ উঠলেও তাকে গ্রেফতার করেনি যোগী প্রশাসন।

সারা ভারত কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা, ভারতীয় কিষান ইউনিয়ন নেতা রাকেশ টিকাইত সহ বাকি কৃষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, আশিস মিশ্র প্রভাব খাটিয়ে নিজেকে বাঁচানোর চেষ্টা করছে।

Lakhimpur Kheri: ‘সাময়িক জেল’ থেকে বেরিয়ে রাহুলকে সঙ্গে নিয়ে মৃত কৃষকের বাড়িতে প্রিয়াঙ্কা

Rahul and Priyanka Gandhi arrive at Lakhimpur Kheri

নিউজ ডেস্ক: বন্দিত্ব কাটল। সীতাপুর গেস্ট হাউসের ‘সাময়িক জেল’ থেকে বেরিয়ে এলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (Priyanka Gandhi)। তাঁকে সঙ্গে নিয়েই রাহুল গান্ধী (rahul gandhi) পৌঁছে গেলেন লখিমপুর খেরিতে (lakhimpur kheri) গাড়ি চাপা দিয়ে ‘মেরে ফেলা’ কৃষকদের পরিবারের কাছে।

সংবাদ সংস্থা ANI জানাচ্ছে, রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী রাতে পৌঁছান মৃত কৃষক লাভপ্রীত সিংয়ের বাড়িতে। মৃতের আত্মীয়রা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন। কেন মূল অভিযুক্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র আশিস মিশ্র পুলিশি হেফাজতের বাইরে সেই প্রশ্ন তুলেছেন মৃতের আত্মীয়রা।

Rahul and Priyanka Gandhi arrive at Lakhimpur Kheri

দিনভর লখনউয়ে রাজনৈতিক উত্তাপ ছিল। তীব্র চাপের মুখে অবশেষে রাহুল গান্ধীকে লখিমপুর খেরি যেতে অনুমতি দেয় উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকার। বিমান বন্দরে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ছিলেন পাঞ্জাব ও ছত্তিসগড় দুই কংগ্রেস শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। দুই রাজ্য সরকার লখিমপুর খেরিতে মৃতদের পরিবার পিছু ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে।

লখিমপুর খেরিতে কৃষি আইনের বিরোধিতায় কৃষকদের জমায়েতে গাড়ি চালিয়ে তীব্র বিতর্কের মুখে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র। অভিযোগ গাড়ি চাপা দিয়ে কৃষকদের খুন করা হয়। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আশিস মিশ্রের পিতা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র। অভিযোগ, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও কেন্দ্রের বিজেপি সরকার পুরো ঘটনা চাপা দিতে মরিয়া চেষ্টা করছে।

Rahul and Priyanka Gandhi arrive at Lakhimpur Kheri

লখিমপুর খেরিতে মোট মৃতের সংখ্যা ৯ জন। তাদের পরিবার পিছু ৪৫ লক্ষ টাকা ও সরকারি চাকরির ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসন। তবে সারা ভারত কৃষক সভা ও ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের দাবি, হামলাকারী আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার করতে হবে।

পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হচ্ছে। ANI জানাচ্ছে, উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা হরিশ রাওয়াত বিশাল সমর্থক বাহিনী নিয়ে লখিমপুর খেরি আসছেন। দেরাদুন থেকে ১ হাজার ট্রাক ভাড়া করেছে কংগ্রেস। এই বিশাল সংখ্যক কংগ্রেস সমর্থক ঢুকলে এলাকার পরিস্থিতি তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ হবে বলে আশঙ্কা।

Lakhimpur Kheri : যোগী পুলিশের সাথে লুকোচুরি, বাম নেতৃত্ব ঢুকলেন ‘কৃষক গণহত্যা’র কেন্দ্রে

aiks leaders have reached lakhimpur kheri

নিউজ ডেস্ক: ঠিক যেন গোয়েন্দা কাহিনীর প্লট। চোরাপথে এ ওর পিছনে ছুটছে। অনেকটা তেমনই করে গেঁয়ো পথ ধরে মুখ্যমন্ত্রী যোগীআদিত্যনাথের পুলিশের ‘আঁখ মে ধুল’ (চোখ এড়ানো) ছিটিয়ে ‘কৃষক গণহত্যা’র কেন্দ্র উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে ঢুকলেন বাম কৃষক সংগঠনের নেতারা। সারা ভারত কৃষকসভার (AIKS) নেতারা ঢুকতেই এলাকাবাসী ভিড় করে এগিয়ে আসেন। শুরু হয় নিহতদের পরিবারের কান্না।

aiks leaders have reached lakhimpur kheri

সিপিআইএম (CPIM) ও সিপিআই (CPI) দুই দলের কৃষক সংগঠন কৃষকসভার পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর কড়া পুলিশি পাহারা এড়িয়ে লখিমপুর খেরিতে কৃষক নেতারা ঢুকতে পারলেন। প্রতিনিধি দলে আছেন কৃষক সভার কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ডিপি সিং, উত্তর প্রদেশ রাজ্য সম্পাদক মুকুট সিং, কৃষক নেতা চন্দ্রপাল সিং সহ অন্যান্যরা।

এই রক্তাক্ত লখিমপুর খেরি ঢুকতে গিয়ে কংগ্রেস(INC) নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী পুলিশের ঘেরাটোপে আটকে পড়েন। তৃণমূল কংগ্রেস (TMC) সাংসদ সুস্মিতা দেব সহ বাকি প্রতিনিধিরা দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে যাচ্ছিলেন। তাঁদেরও আটকে দেওয়া হয়। তবে টিএমসি প্রতিনিধিরা দাবি করেছেন তারা লখিমপুর খেরি ঢুকেছিলেন। উত্তর প্রদেশের পূর্বতন দুই শাসক দল সমাজবাদী পার্টি(SP) ও বহুজন সমাজপার্টির (BSP) প্রতিনিধিরাও রাজ্য পুলিশের ঘেরাটোপে আটকে পড়ে ঘটনাস্থলে যেতে পারেননি। বিজেপির (BJP) বিরুদ্ধে বিবৃতি দিয়েছেন দুই দলের নেতা প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ সিং যাদব ও মায়াবতী।

aiks leaders have reached lakhimpur kheri

অভিযোগ, লখিমপুর খেরিতেই কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের কৃষি আইনের বিরোধিতা করে কৃষক জমায়েত চলছিল। সেই জমায়েতের উপর গাড়ি চালিয়ে পিষে মারা হয়েছে কয়েকজনকে। চলেছে গুলি। মোট মৃত ৯ জন। মৃতদের ৬ জন কৃষক। একজন সাংবাদিক আর দুজন হামলাকারী গাড়িতে ছিল।

গোটা ঘটনায় মূল অভিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস। তাঁর পিতা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সহকারী মন্ত্রী। আরও অভিযোগ এই কারণেই আশিসকে এখনও গ্রেফতার করেনি উত্তর প্রদেশ পুলিশ। অভিযোগ আশিস মিশ্র ও তার বন্ধুরা কৃষকদের পিষে মারে।

Lakhimpur Kheri: মন্ত্রীর হুঁশিয়ারি ‘শুধর যাও’ গাড়িতে পিষে কৃষকদের ‘খুনের’ পর কী ঘটেছিল?

Lakhimpur Kheri

নিউজ ডেস্ক: নেপাল সীমান্ত লাগোয়া উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরির পরিস্থিতি তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ। রবিবার এখানেই গাড়ি চাপা দিয়ে কয়েকজন কৃষককে মারার অভিযোগ উঠেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিসের বিরুদ্ধে।

কী ঘটেছিল লখিমপুর খেরিতে?
www.ekolkata24x7.com আন্দোলনকারী কিছু কৃষকদের নম্বর যোগাড় করে। তারা জানান, এই এলাকায় বিজেপির সাংসদ অজয় মিশ্র সম্প্রতি কৃষি আইনের বিরোধিতাকারী কৃষকদের হুমকি দেন ‘শুধর যাও’ বলে। এর পর জমায়েত আরও বড় হতে থাকে।

Lakhimpurkheri

কুস্তি প্রতিযেগিতা শুরু হওয়ার আগে…
রবিবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সহকারী রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র নিজ এলাকায় একটি কুস্তি প্রতিযোগিতার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যেতে চাইলে তাঁকে রাজ্য পুলিশের তরফে সাবধান করা হয়। বলা হয়েছিল, কৃষকদের বিক্ষোভ থেকে হামলার আশঙ্কা রয়েছে। অজয় মিশ্র সেকথা মানেননি। তিনি ও উত্তর প্রদেশের উপমুখ্যমন্ত্রী কেশবপ্রসাদ মৌর্য লখিমপুর খেরি যান।

আচমকা আসল গাড়িটা…
রাস্তাতেই খবর আসে কৃষকদের জমায়েত বিরাট আকার নিয়েছে। অভিযোগ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র তার কয়েকজন বন্ধুর সঙ্গে একটি গাড়িতে করে জমায়েতের মাঝে জোরে চালিয়ে দেয়। ঘটনাস্থলেই দু জনের মৃত্যু হয়। উত্তেজিত কৃষকরা ওই গাড়ি তাড়া করেন। তখন গুলি চালায় আশিসের বন্ধুরা। গাড়ি থেকে কোনওরকমে পালায় আশিস মিশ্র। তবে গাড়িটিতে আগুন ধরানো হয়। এর পর গাড়িটা রাস্তার ঢাল থেকে ফেলে দেওয়া হয়। গাড়িতে থাকা আশিসের তিন জন পরিচিত ও কয়েকজন কৃষক গুরুতর জখম হয়। পরে তারা মারা যায়।

টার্গেট কৃষক নেতারা ?
বেশ কয়েকজন কৃষক নেতাকে টার্গেট করা হয়েছিল। এমনই অভিযোগ, কিষাণ একতা মঞ্চ, ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন (BKU) ও সারা ভারত কৃষকসভা (AIKS) সংগঠনের।

সর্বশেষ খবর, লখিমপুর খেরিতে সরকারিভাবে ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছেন গুলিবিদ্ধ কৃষক। আন্দোলনরত কৃষকদের দাবি মৃত ৯ জন। তবে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রর দাবি, ঘটনার সময় তাঁর পুত্র ছিলেন না।

বিধানসভা ভোটের আগে লখিমপুর খেরির রক্তাক্ত ঘটনায় প্রবল উত্তপ্ত দেশ। বিজেপি (BJP) শাসিত দুই রাজ্য অসম ও উত্তর প্রদেশের পরপর হিংসাত্মক ঘটনায় উঠে এসেছে বিকৃত মানসিকতার পরিচয়। অসমের (Assam) দরং জেলার গরুখুঁটিতে পুলিশের গুলিতে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের এক ব্যক্তির মৃতদেহে লাথি মারার বিতর্ক যেমন তেমনই উত্তর প্রদেশের (Uttar Pradesh) লখিমপুর খেরিতে কৃষদের গাড়ির চাকায় পিষে মারার ঘটনাও তীব্র বিতর্কিত।

পরিস্থিতির চাপে ও কৃষক সংগঠনগুলির ঘেরাও অভিযানের আহ্বানে প্রমাদ গুনছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। সংবাদ সংস্থাগুলির খবর, লখিমপুর খেরিতে মৃতদের পরিবার পিছু ৪০-৪৫ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ ও সরকারি চাকরি দেওয়ার ঘোষণা করল রাজ্যের বিজেপি সরকার।

#Lakhimpurkheri: ৮ কৃষক ‘খুন’ ঘটনায় মন্ত্রী-পুত্রকে গ্রেফতার দাবি হান্নান মোল্লার, নিন্দা মমতার

Lakhimpurkheri

নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের লখিমপুরখেরি কৃষক জমায়েতে গাড়ি চাপা দিয়ে অন্তত ৮ কৃষককে ‘মেরে ফেলা’র অভিযোগ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস মিশ্রকেই দায়ি করা হয়েছে।অভিযুক্তকে গ্রেফতারির দাবি তুলেছেন সর্বভারতীয় কৃষক নেতা তথা কৃষকসভার (AIKS) সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা। সোমবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ প্রতিনিধিরা।

প্রবল বিতর্কে উত্তর প্রদেশে(UP) ক্ষমতাসীন বিজেপি(BJP)। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জরুরি বৈঠক করেন লখনউতে। তিনি জানান, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে। দোষীকে চিহ্নিত করে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে। তাঁর নির্দেশে লখিমপুরখেরিতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

রবিবার রক্তাক্ত ঘটনার সাক্ষী থেকেছে লখিমপুরখেরি। এখানেই কেন্দ্র সরকারের কৃষি আইন বাতিলের প্রতিবাদে কৃষক জমায়েত চলছিল। অভিযোগ, সেই জমায়েতের মধ্যে তীব্র গতিতে গাড়ি চালিয়ে দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস। চাকায় পিষ্ট হন বেশ কয়েকজন কৃষক। মর্মান্তিক এই ঘটনায় অন্তত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরও জখম ৬ জন। তাদের কয়েকজন আশঙ্কাজনক।

গাড়ি চালিয়ে হামলার অভিযোগে লখিমপুরখেরি প্রবল উত্তপ্ত। উত্তেজিত কৃষকরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রকে আটকে রাখেন। তবে তিনি দাবি করেন, পুত্র আশিস কোনওভাবেই এই ঘটনায় জড়িত নয়। ঘেরাওয়ের মধ্যে পড়েন উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য। তাঁদের ছাড়াতে গেলে রক্ষীদের সামনেই গাড়িতে আগুন ধরায় বিক্ষোভকারী কৃষকরা। তাদের আরও অভিযোগ, মৃত আট কৃষকের মধ্যে দুজন ‘গুলিবিদ্ধ’।

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

উলুবেড়িয়ার প্রাক্তন সিপিআইএম (CPIM) সাংসদ তথা সর্বভারতীয় কৃষক নেতা হান্নান মোল্লার দাবি, প্রধানমন্ত্রী মোদীর ঘনিষ্ঠ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রকে অবিলম্বে বরখাস্ত করুক সরকার। রাকেশ টিকায়েত সহ কৃষক নেতাদের হুঁশিয়ারি উত্তর প্রদেশ অচল করে দেওয়া হবে।

কৃষক সভা (AIKS) , ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন (BKU) সহ বিভিন্ন কৃষক সংগঠন লখিমপুরখেরি ঘেরাও ডাক দিয়েছে। উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ থেকে কৃষকদের লখিমপুরখেরির দিকে আসার আহ্বান জানানো হয়।

Tension increasing in Lakhimpurkheri

লথিমপুরখেরিতে কৃষকদের ‘খুন’ করা হয়েছে, এমনই অভিযোগ রাজ্যের প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী সমাজবাদী পার্টির (SP) অখিলেশ যাদব ও বহুজন সমাজপার্টির (BSP) মায়াবতীর। দুটি দলই উত্তর প্রদেশ জুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে।

কৃষক বিক্ষোভের রেশে এমনিতেই উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানায় প্রবল। দুই রাজ্যেই বিক্ষোভকারীদের হাতে বারবার লাঞ্ছিত হয়েছেন বিজেপি মন্ত্রী ও নেতারা। লখিমপুরখেরির রক্তাক্ত ঘটনায় ফের মার খাওয়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

কৃষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, লখিমপুরখেরিতে ‘ঠান্ডা মাথায় কৃষকদের খুন করেছে বিজেপি (BJP) সরকার। বিক্ষোভ আরও জমাট হবে এমনই হুঁশিয়ারি কৃষক নেতাদের।

Uttar Pradesh: মোদী সরকারের মন্ত্রীর ছেলে গাড়িতে পিষে মারলেন ৮ কৃষককে

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

নিউজ ডেস্ক: কৃষক জমায়েতের মধ্যে প্রবল গতিতে গাড়ি চালিয়ে দিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রীর পুত্র। মর্নান্তিক এই ঘটনায় আট কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। আরও কয়েকজন জখম। প্রবল উত্তপ্ত উত্তরপ্রদেশের (Uttar Pradesh) লখিমপুর খেরি। উত্তেজিত কৃষকরা একটি গাড়িতে আগুন ধরান। 

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

অভিযুক্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্রকে রক্ষা করতে গিয়ে পুলিশ আক্রান্ত হয়। ঘটনাস্থলে এসে প্রবল বিক্ষোভের মুখে পড়েন উত্তর প্রদেশের উপ মুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য। সঙ্গে ছিলেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র। মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে। পুলিশ বলছে দু জন। অসমর্থিত সূত্র বলছে ৮ ৷ ভারতীয় কিসান ইউনিয়নের (BKU) দাবি মৃত ৮ কৃষকের মৃত্যু হয়েছে৷

হেরেও ‘সুশান্ত এফেক্ট’ পশ্চিম মেদিনীপুরে, বনধের রোষ বাম কর্মীদের

Bharat-Bandh

নিউজ ডেস্ক: বিধানসভা ভোটের আগে প্রবল সাড়া ফেলে নিজ এলাকা পশ্চিম মেদিনীপুরে ফিরে ক্রমাগত তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির বিরুদ্ধে রোষ দেখিয়েছিলেন দাপুটে সিপিআইএম নেতা সুশান্ত ঘোষ। তবে ভোটে শালবনী কেন্দ্রে তিনি পরাজিত হন। প্রাক্তন মন্ত্রী ও বিধায়ক তথা বেনাচাপড়া কঙ্কাল কান্ডে জেল খেটে আসা সুশান্তবাবুর দাপট ফের দেখা গেল ভারত বনধে।

পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামের বিস্তির্ণ গ্রামাঞ্চলে প্রায় খড়কুটোর মতো উড়ে যাওয়া সিপিআইএম সমর্থকরা তীব্র রোষ নিয়ে বনধে সামিল। চন্দ্রকোনা, মেদিনীপুর, শালবনি, গড়বেতায় বনধের প্রভাব পড়েছে। ঝাড়গ্রামের জঙ্গলমহল এলাকাতেও একই ছবি। সুশান্তবাবুর খাস এলাকা লাগোয়া বাঁকুড়ার বিভিন্ন গ্রামে বনধের প্রভাবে রাজ্য ও জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ।

Susanta-Ghosh

তবে আশ্চর্যজনকভাবে সুশান্ত ঘোষ অদৃশ্য। সূত্রের খবর, তিনি দলীয় কর্মী সমর্থকদের কড়া নির্দেশ দিয়েছেন। সেই নির্দেশ মেনে সকাল থেকেই বনধ পালনে নেমেছে বাম সমর্থকরা।

সুশান্ত ঘোষ টানা ৩৪ বছরের বাম জমানার ৩২ বছরের বিধায়ক ছিলেন। বামফ্রন্ট জমানার শেষ দশবছরে ততকালীন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে বিরোধিতা ছিল চরমে। সেই সব কথা বইতে লিখে দল থেকে সাময়িক সাসপেন্ড হন। পরে বিধানসভা ভোটের আগে তাঁকে ফেরায় সিপিআইএম।

সুশান্ত ঘোষের বিরুদ্ধে একাধিক হামলার অভিযোগ রয়েছে। তবে বাম নেতা আইনি প্রক্রিয়ায় জামিন নিয়েছেন। তাঁর মন্ত্রীত্বের সময়ে নেতাই গণহত্যা ঘটে। প্রবল বিতর্কিত সেই সময়। পরে নির্বাচনে বাম জমানা শেষ হয়। কিন্তু ২০১১ সালের ভোটেও জিতেছিলেন সুশান্ত ঘোষ।

#BharatBandh: কৃষক আন্দোলনের ধাক্কা, উত্তর ভারতের গ্রামাঞ্চলে ব্যাপক প্রভাব, বাংলায় নেই

all india strike hits north and weststern states

নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্র সরকারের কৃষি আইনের বিরোধিতা সহ রাষ্ট্রায়ত্ব সংস্থাগুলির বিক্রি করার প্রতিবাদে একাধিক বিজেপি ও অবিজেপি শাসিত রাজ্যে বনধের প্রভাব পড়লেও পশ্চিমবঙ্গে তেমন ছবি নেই।

পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুসারে মধ্যরাত থেকে কৃষক সংগঠনগুলির যৌথ মঞ্চ সারা ভারত কৃষক সংঘর্ষ সমন্বয় সমিতি (AIKSCC) বনধ পালন করছে।

all india strike hits north and weststern states

সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার ডাকা ভারত বনধে পশ্চিম ও উত্তর ভারতে বিক্ষিপ্ত প্রভাব শুরু৷ মহারাষ্ট্রের বড় প্রভাব। পাঞ্জাব, হরিয়ানা অবরোধ। বড় প্রভাব তামিলনাড়ুতেও। সকালেই ত্রিপুরা স্তব্ধ হয়ে যায়। বাম শাসিত রাজ্য কেরল স্তব্ধ। বিহার, ওডিশায় প্রভাব পড়েছে।

এদিকে বনধের ইস্যু সমর্থন করেছে পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। কিন্তু বনধ পালনের বিরোধিতা করবে তৃণমূল কংগ্রেস, সেটি আগেই জানানো হয়। সরকারি কর্মীদের হাজিরায় কড়াকড়ি করা হয়েছে।পশ্চিমবঙ্গে বনধ সফল হবে না। তৃণমূলের দাবি। তবে রাস্তায় বিরোধী বামেরা। বনধে সমর্থন করছে কংগ্রেস ও ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্ট।

all india strike hits north and weststern states

বনধের বড় প্রভাব পড়েছে ব্যাংকে। ব্যাংক কর্মীদের বিভিন্ন সংগঠন সরাসরি বনধে অংশ নিয়েছে। বিমা, রেল, খনিতে কর্মরত শ্রমিকদের বড় অংশ বনধ করছেন। সংঘ পরিবার ও তৃণমূূল কংগ্রেসের শ্রমিক সংগঠন বনধ পালন করছে না। দেশের কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি সরাসরি বনধে সামিল।

সরকারি কর্মীদের বাম সংগঠন পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য কোঅর্ডিনেশন কমিটি বনধকে সমর্থন করার কথা জানিয়েছে। কংগ্রেসও বনধকে সমর্থন করবে।

উত্তর প্রদেশ, পাঞ্জাব, হরিয়ানার, হিমচল প্রদেশে বনধের বিরাট প্রভাব পড়েছে গ্রামাঞ্চলে। তামিলনাড়ুতে বনধ সফল, কারণ এই ডিএমকে কংগ্রেস ও বাম জোটের রাজ্য সরকার সরাসরি বনধ সমর্থন করেছে।

কৃষক বিক্ষোভ: প্রবল উত্তপ্ত হরিয়ানা, ইন্টারনেট বন্ধ, মমতাকে বনধ সমর্থনের আহ্বান

Farmers Protest

নিউজ ডেস্ক: কৃষক বিক্ষোভের জেরে হরিয়ানার বহু এলাকা সীমানা ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন। মঙ্গলবার বিক্ষোভকারী কৃষকদের মহাপঞ্চায়েত ঘিরে উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন জেলাতেও প্রবল উত্তেজনা। দুটি রাজ্যেই বিজেপি ক্ষমতাসীন। তবে কৃষক বিক্ষোভের কেন্দ্র কার্নাল হরিয়ানার মধ্যে। সেখানেই জমায়েত।
পরি

স্থিতি সামাল দিতে হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টার পাঁচটি জেলায় ইন্টারনেট বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। এর জেরে আরও উত্তাপ ছড়িয়েছে। কেন্দ্রের মোদী সরকারের কৃষি নীতির বিরোধিতায় আগামী ২৭ সেপ্টেম্বর ভারত বনধ পালন করবে কৃষক সংগঠনগুলি।

আন্দোলন বন্ধ হবে না। সরকারকে বিতর্কিত কৃষি আইন বাতিল করেই ছাড়ব। এমনই জানিয়েছেন সর্বভারতীয় কৃষক নেতা উলুবেড়িয়ার প্রাক্তন বাম সাংসদ হান্নান মোল্লা। পশ্চিম ভারতের কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েতের হুঙ্কার বিজেপি সরকার পড়ে যাবে হরিয়ানা ও উত্তর প্রদেশে।

Farmers Protest

আন্দোলনরত কৃষকদের যৌথ মঞ্চ কৃষক সংঘর্ষ সমিতির তরফে বার্তা পাঠানো হয়েছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে। সর্বভারতীয় কৃষক নেতৃত্বের দাবি, মমতা যখন বিজেপি বিরোধী নেত্রী হিসেবে নিজেকে তুলে ধরছেন, তাহলে কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে ধর্মঘটে অংশ নিন।

পশ্চিমবঙ্গে প্রথমবার ২০১১ সালে সরকার গড়ার পরেই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা ঘোষণা করেন, তাঁর সরকার বনধ সমর্থন করবে না। গত দুটি মেয়াদে টানা সরকার চালিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস একবারও বনধ ডাকেনি। বিরোধীদের ডাকা বনধ রুখতে রাস্তায় থেকেছে টিএমসি সমর্থকরা।

কৃষক সংগঠনগুলির ডাকা ভারত বনধ ঘিরে উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ডে ব্যাহত হবে জনজীবন এমনই মনে করা হচ্ছে। বিহার, মধ্যপ্রদেশ, তামিলনাডু, কেরল, অন্ধ্রপ্রদেশ, কর্ণাটকেও বনধের প্রভাব পড়তে চলেছে। মহারাষ্ট্রে ব্যাপক প্রভাব পড়বে বলেই ধারণা।

বনধের সমর্থন করছে সমাজবাদী পার্টি, কংগ্রেস, সিপিআইএম, সিপিআই, শিবসেনা, ডিএমকে, শিরোমনি আকালি দল। দিল্লির সরকারে থাকা আম আদমি পার্টি কী অবস্থান নেয় তাও লক্ষ্যণীয়। দলনেতা তথা দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী কেজরিওয়ালের নজরে পাঞ্জাবের নির্বাচন। তিনিও ঝুঁকি নেবেন না বলেই মনে করা হচ্ছে।

এর পরেই আসছে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম। কৃষক আন্দোলনে সমর্থন দেওয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কি বনধ সমর্থন করবেন? কলকাতা থেকে দিল্লি, লখনউ সর্বত্র এই প্রশ্ন।

কৃষক আন্দোলনের ধাক্কায় হরিয়ানার সরকার টলমল করছে।হরিয়ানার মুখ্যমন্ত্রী মনোহরলাল খট্টার কৃষক আন্দোলনের প্রবল বিপক্ষে। তবে তাঁর সরকারেই লেগেছে ভাঙন আতঙ্ক। শরিকদলগুলি রুষ্ঠ। এই সুযোগে তাল ঠুকছে বিরোধী কংগ্রেস।