Bangldesh: রক্ত দিতে হচ্ছে, অসুস্থ প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া, উদ্বেগে পরিবার

khaleda zia

News Desk: নিস্তেজ হয়ে পড়ছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। তাঁর চিকিৎসা চলছে ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে। রবিবার থেকে অসুস্থতা বেড়ে যাওয়ায় চিকিৎসকরা চিন্তিত। এই অবস্থায় খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার জন্য ফের সরকারের কাছে আবেদন জানাল তাঁর পরিবার। যদিও দুর্নীতির মামলায় দোষী প্রমাণিত প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, তাঁর শারীরিক প্যারামিটারগুলো এখনও আপডাউন করছে। সুগারের মাত্রা বেড়ে যাওয়ায় শরীরের অবস্থা খুব একটা ভালো নেই। হিমোগ্লোবিন কমে গিয়েছে। রক্ত দিতে হচ্ছে। বেশ কয়েকবার বমি করেছেন খালেদা জিয়া।

খালেদা জিয়ার অসুস্থতার খবরে বিএনপি দলের নেতা কর্মী সমর্থকরা উদ্বেগে। বারবার বিএনপি ও জিয়া পরিবারের তরফে আবেদন করা হয় বিদেশে চিকিৎসার জন্য। ইংল্যান্ডে থাকেন খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান ও তাঁর স্ত্রী জোবাইদা রহমান। তারেকের বিরুদ্ধে একাধিক ষড়যন্ত্র ও নাশকতার মামলায় জেলের সাজা দিয়েছে আদালত। তবে বাংলাদেশ সরকারের কাছে লন্ডন প্রবাসী তারেক ‘পলাতক’।

khaleda zia

সূত্রের খবর, তারেক পত্নী জোবাইদা চিকিৎসক হওয়ায় শাশুড়ি খালেদা জিয়াকে তাঁর কাছে এনে চিকিৎসার করাতে চান। তবে আদালতের নিষেধাজ্ঞায় আবেদন কার্যকর করা হয়নি। বিএনপি ও খালেদা জিয়ার পরিবারের অভিযোগ, সরকার আইনি জটিলতা দেখিয়ে সেই আবেদন আটকে রেখেছে। দুর্নীতির দানে জেলের সাজাপ্রাপ্ত খালেদা জিয়ার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে আদালত।

বাংলাদেশের অন্যতম বিরোধী দল বিএনপির সুপ্রিমো খালেদা জিয়া। তিনি প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের স্ত্রী। বিএনপি জামাত জোটের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।

খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে জিয়া এতিমখানা (অনাথ আশ্রম) ও জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট (দাতব্য সংস্থা) এই দুটি সংস্থার আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ প্রমাণ হওয়ায় জেলের সাজা হয়েছিল। কোভিড পরিস্থিতিতে তিনি জেল থেকে ছাড়া পেয়ে ঢাকার বাসভবন ‘ফিরোজা’তে ছিলেন। বাড়িতেই করোনা আক্রান্ত হন। এর পর থেকে বারে বারে অসুস্থ হচ্ছেন বাংলাদেশের প্রথম মহিলা প্রধানমন্ত্রী।

<

p style=”text-align: justify;”>গত ১২ অক্টোবর তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল। গত ৭ নভেম্বর তিনি ঘরে ফিরেছিলেন। ফের শনিবার অবস্থার অবনতি ঘটলে বেসরকারি হাসপাতালেের সিসিইউতে নিয়ে যাওয়ায় হয় খালেদা জিয়াকে।

পছন্দের খাবারেই দূর করুন মানসিক অবসাদ

অবসাদ ধীরে ধীরে আমাদের মন থেকে শরীরে প্রভাব ফেলতে শুরু করে। মনের অসুখের দ্রুত চিকিৎসা না করালে ছুটতে হয় শরীর নিয়েও। ফলে মানসিক অস্থিরতায় ভুগলে পরামর্শ নিতে হবে মনরোগ বিশেষজ্ঞের। অবশ্য মন খারাপ কাটানোর জন্য আছে বিশেষ কিছু খাবারপ। জীবনধারা বিষয়ক ওয়েবসাইট বোল্ডস্কাইয়ের স্বাস্থ্য বিভাগে বলা হয়েছে, ‘কিছু খাবার রয়েছে যেগুলো আসলেই মন ভালো করে দেয়। এই খাবারগুলো মস্তিষ্কে এক ধরনের রাসায়নিক নিঃসরণে সাহায্য করে যাতে আনন্দ হওয়ার বোধ তৈরি হয়।’

আরও পড়ুন মানসিক অবসাদ কাটাতে অবাধ সহবাসের দাওয়াই দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা

বড় মাছ: রুই-কাতলা, স্যামন বা টুনার মতো বড় মাছে প্রচুর পরিমাণে ওমেগা থ্রি ফ্যাটি অ্যাসিড থাকে। এই ফ্যাটি অ্যাসিড ডিপ্রেশন এবং মুড সুইঙ্গের ক্ষেত্রে খুবই কার্যকরী। মস্তিষ্কে বিকাশের ক্ষেত্রেও এই ওমেগা ফ্যাটি অ্যাসিড খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ডার্ক চকোলেট: মন খারাপ হলেই এক টুকরো ডার্ক চকোলট খেয়ে নিন। বিশেষজ্ঞদের মতে, ডার্ক চকোলেটের উপাদানগুলি মন ভাল করতে খুবই কার্যকরী। এই উপাদানগুলির মধ্যে ফিল-গুড রাসায়নিক এনডরফিন ও সেরোটোনিন রয়েছে। এগুলি আমাদের মস্তিষ্কে ফিল-গুড ফ্যাক্টর বজায় রাখে। এর ফলে মন চাঙ্গা হয়ে ওঠে।

টম্যাটো: টম্যাটোর মধ্যে রয়েছে লাইকোপেন।এটি মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে এবং শরীরের ক্লান্তিভাব দূর করে। মন খারাপ থাকলে টমেটোর সালাদ খেতে পারেন। মন কিছুটা হলেও চাঙ্গা লাগবে।

পাকা কলা: পাকা কলায় ভিটামিন বি রয়েছে যা ডোপামাইন ও সেরোটোনিন মতো রাসায়নিকগুলো আমাদের শরীরে নিঃসৃত করে। তাই পাকা কলা খেলেই নিমেষেই মন চাঙ্গা হয়ে ওঠে। শরীরে শক্তির সঞ্চার হয় এবং নিজেকে তরতাজা মনে হয়। রক্তে শর্করার মাত্রা ও মুড ঠিক রাখতে পাকা কলা খুবই উপকারী। কলার মধ্যে রয়েছে উচ্চ পরিমাণ অ্যামাইনো এসিড ও ট্রিপটোফেন। এসব উপাদান মনকে শিথিল করতে সাহায্য করে এবং এতে ঘুম ভালো হয়।

Foods to Help Fight Depression | Public Health First | Top Health OPD Care  of India

আরও পড়ুন মাত্রাতিরিক্ত ঘুম হয়ে উঠছে সাইলেন্ট কিলার, বলছে গবেষণা

সূর্যমুখির বীজ: এই বীজ মনকে ভালো করতে কাজে দেবে। এটি এমাইনো এসিডের একটি ভালো উৎস। এটি মস্তিষ্কে সুখী রাসায়নিক পদার্থ তৈরি করতে কাজ করে এবং বিষণ্ণতার দূর করে।

বাদাম: মনের শান্তি তো বটেই, সুস্বাস্থ্যের পক্ষে বেশ উপকারী বাদাম। কাঠবাদাম ও আমন্ড তো বটেই, এ ছাডা় হেজেলনাট বা চিনেবাদামও মস্তিষ্ক বিকাশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি ডিপ্রেশনের সম্ভাবনা কমাতে খুবই কাজ দেয় বিভিন্ন বাদাম।

<

p style=”text-align: justify;”>ওটস: সকালের খাবারে ওটস থাকলে মন থেকে শরীর ভাল থাকে সবকিছুই। মুড বুস্টার্স হিসেবে ওটস বেশ কার্যকরী। সারাদিনের মতো শরীর চাঙ্গা রাখে। এ ছাড়া রাতের খাবারে ওটস খেলে ভাল ঘুমও হয়। অনেক সময় কম ঘুম বা ঘুমের ব্যঘাত ঘটলেও তার প্রভাব পড়ে আমাদের মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর।

Anemia: রক্তশূন্যতা কীভাবে বুঝবেন, জেনে নিন

anemia india

News Desk, Kolkata: রক্তশূন্যতা কোনো রোগ নয়। বরং রোগের লক্ষণ। তাই এতে অবহেলা করা যাবে না। পৃথিবীর শতকরা ৩০ ভাগ মানুষ রক্তশূন্যতায় ভোগে। ফলে এটি একটি বৈশ্বিক স্বাস্থ্য সমস্যা।

রক্তশূন্যতা বলতে রক্তের হিমোগ্লোবিন নামক রঞ্জক পদার্থের স্বল্পতাকে বুঝি। বয়স ও লিঙ্গভেদে এই হিমোগ্লোবিন যখন কাঙ্ক্ষিত মাত্রার নিচে থাকে, তখন বলা হয় অ্যানিমিয়া বা রক্তশূন্যতা। হিমোগ্লোবিন শরীরের গুরুদায়িত্ব পালন করে থাকে। এটি কোষে কোষে পৌঁছে দেয় অক্সিজেন। সুতরাং হিমোগ্লোবিনের ঘাটতি হলে কোষে অক্সিজেনপ্রবাহ ব্যাহত হয়। ফলে শরীর দুর্বল ও ক্লান্ত হয়ে পড়ে।

• কীভাবে বুঝবেন?
হিমোগ্লোবিন কমতে থাকলে ক্লান্তি, অবসাদ ও ক্ষুধামান্দ্য দেখা দেয়। স্বল্প পরিশ্রমে হাঁপিয়ে ওঠে শরীর। হৃৎপিণ্ডের ওপর বাড়তি চাপ পড়ে, হৃৎস্পন্দন বেড়ে যায়, শরীর ফ্যাকাশে হয়ে যায়। এমনকি তীব্র রক্তশূন্যতা হৃৎপিণ্ড অকার্যকর করতে পারে। তখন পায়ে পানি জমে। শুয়ে থাকলে শ্বাসকষ্ট হয়। রক্তশূন্যতার কারণে ঠোঁটের কোণে ক্ষত হয়, জিহ্বায় ঘা হয়, চুলের ঝলমলে উজ্জ্বলতা নষ্ট হয়ে যায়; চুল ও নখ ফেটে যায়। এর ফলে দেখা দিতে পারে স্নায়বিক দুর্বলতা। কোনো কোনো রক্তশূন্যতায় প্রান্তীয় ও কেন্দ্রীয় স্নায়ু আক্রান্ত হতে পারে। বিশেষত ফলিক অ্যাসিড ও ভিটামিন বি-১২ ঘাটতির কারণ রক্তশূন্যতা। নারীদের মাসিক হয়ে পড়ে অনিয়মিত। মাটি, কয়লা ইত্যাদির মতো অখাদ্য-কুখাদ্য গ্রহণের তীব্র আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয় কোনো কোনো রোগীর। লোহিত কণিকা ভেঙে রক্তশূন্যতা হলে জন্ডিস দেখা দেয়।

• কেন রক্তশূন্যতা হয়?
আয়রনের অভাবজনিত রক্তশূন্যতা সবচেয়ে পরিচিত। এ ছাড়া লোহিত রক্ত কণিকা সময়ের আগেই ভেঙে গেলে রক্তশূন্যতা হয়। দীর্ঘস্থায়ী রোগ যেমন কিডনি অকেজো, লিভার অকার্যকর, থাইরয়েড গ্রন্থির সমস্যা, আর্থ্রাইটিস, যক্ষ্মাসহ নানাবিধ রোগে হতে পারে রক্তশূন্যতা। হিমোগ্লোবিনের জিনগত রোগ যেমন থ্যালাসেমিয়াসহ আরও অসংখ্য রোগে সৃষ্টি হতে পারে রক্তশূন্যতা। তবে আয়রনের ঘাটতিজনিত রক্তশূন্যতা সারা বিশ্বে সবচেয়ে বেশি। এর পেছনে রয়েছে অপুষ্টি, পেপটিক আলসার, বেদনানাশক ওষুধ সেবনের ফলে পাকস্থলীর ক্ষত, কৃমির সংক্রমণ, পাইলস কিংবা রজঃস্রাবের সময় অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ ইত্যাদি। ঘন ঘন গর্ভধারণ আর স্তন্যদান আরেকটি বড় কারণ।

• প্রতিকার কী?
রক্তশূন্যতা হলে এর তীব্রতা আর নেপথ্যের কারণ শনাক্ত করতে হবে। সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নিতে হবে। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে যেহেতু আয়রনের ঘাটতির কারণে রক্তশূন্যতা দেখা দেয়, সে জন্য খাদ্যতালিকায় যোগ করতে হবে আয়রনসমৃদ্ধ খাবার। লাল মাংস, গিলা-কলিজা, ছোট মাছ, লালশাক, কচুশাকসহ সবজি-আনাজ আর ফলমূল বেশি খেতে হবে। ক্ষেত্রবিশেষে আয়রন ট্যাবলেট, ফলিক অ্যাসিড, ভিটামিন বি-১২ খেতে হবে। তবে কোনো কোনো রক্তশূন্যতায় আয়রন গ্রহণ নিষিদ্ধ। প্রয়োজনে চিকিৎসকের শরণাপন্ন হোন, ভালো থাকুন।

এবার রসুনেই করুন খুশকির সমস্যার সমাধান

লাইফস্টাইল ডেস্ক: শীত এলেই বেড়ে যায় খুশকির সমস্যা। চুল ঝরা, রুক্ষ চুল, বিভিন্ন ধরনের স্ক্যাল্প ইনফেকশন জন্য বেশিরভাগ ক্ষেত্রে দায়ী এ খুশকি। তবে আজকাল আবহাওয়ার পরিবর্তন, দূষণ, অস্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রার কারণে প্রায় সারা বছরই খুশকির সমস্যা লক্ষ করা যায়।

খুশকি থেকে রেহাই পেতে বাজারে নানা ধরনের শ্যাম্পু ও লোশন পাওয়া যায়। কিন্তু সেগুলিতে থাকা বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদানের প্রভাবে কখনও কখনও উল্টে চুলেরই ক্ষতি হয়। এবার এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে পারেন খুব পরিচিত একটি উপাদানের ব্যবহারে, তা হল রসুন। রসুন বিভিন্ন স্বাস্থ্য এবং ত্বকের সমস্যার জন্য একটি প্রাচীন ঘরোয়া প্রতিকার।

আরও পড়ুন Health: মাথা চুলকানি মুক্তিতে ৮ সেরা ঘরোয়া প্রতিকার

১. রসুন ও জলপাই তেল: রসুনের তেল ও জলপাই তেল ব্যবহার করে দূর করতে পারেন খুশকির সমস্যা। রসুনের তেল ও জলপাই তেল একসঙ্গে ভালো করে মিশিয়ে নিয়ে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। এর পর ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে ধুয়ে নিলেই পাবেন উপকার।

২. রসুনের গুঁড়ো ও দই: খুশকি দূর করতে ব্যবহার করতে পারেন রসুনের গুঁড়ো ও দই। দুই চামচ রসুনের গুঁড়ো ও পাঁচ চামচ দইয়ের সঙ্গে সামান্য জল ভালো করে মিশিয়ে নিন। এরপর ভালো করে নারকেল তেল মেখে তার ওপর দই-রসুনের মিশ্রনটি লাগান। ২০-৩০ মিনিট রেখে দিয়ে ধুয়ে নিলেই মিলবে উপকার।

আরও পড়ুন রসুনের ১০ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা যা আপনার রোজকার জীবনের সঙ্গী হয়ে উঠবে

৩. রসুন ও নারকেল তেল: দুই চামচ রসুনের তেল ও চার চামচ নারকেল তেল মিশিয়ে গরম করে নিন। এর পর সেটি ঠাণ্ডা হয়ে এলে মাথার ত্বকে ম্যাসাজ করুন। ২০ মিনিট রেখে শ্যাম্পু করে নিলে মিলবে সমাধান।

৪. রসুন, মধু ও লেবু: একটি পাত্রে রসুনের তেল , মধু ও লেবুর রস একসঙ্গে মিশিয়ে নিন। মাথায় ভালো করে নারকেল তেল ম্যাসাজ করে তার ওপরে মিশ্রণটি লাগান। ২০ মিনিট পরে শ্যাম্পু দিয়ে ধুয়ে নিলেই মিলবে উপকার।

Health: করলার দশটি অলৌকিক স্বাস্থ্য উপকারিতা

Health Benefits of Karela

অনলাইন ডেস্ক: খাদ্য সাম্রাজ্যের অন্যতম স্বাস্থ্যকর সবজি করলা। এটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থে পরিপূর্ণ। একে সবজি বা রস হিসেবে খাওয়া যায়। করলা নিয়মিত খাওয়ার অনেক উপকারিতা রয়েছে। করলাতে ক্যালোরি কম থাকে। ১০০ গ্রাম করলা প্রায় ১৯ ক্যালোরি শক্তি দেয়। করলাতে ৮৭ গ্রামের উচ্চ জলের পরিমাণও রয়েছে। করলা ভিটামিন এ এবং ভিটামিন সি সমৃদ্ধ।

করলার স্বাস্থ্য উপকারিতাগুলি জেনে নিন৷
১। ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য ভালো: করলার একটি যৌগ আছে৷ যা ইনসুলিনের অনুরূপ কাজ করে। আসলে, ‘করলা এবং ডায়াবেটিস’ প্রায়ই একসঙ্গে তৈরি হয়! এটি টাইপ ১ এবং টাইপ ২ ডায়াবেটিস উভয় ক্ষেত্রে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা হ্রাস করে।

২। ত্বক ও চুলের জন্য ভালো: করলা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং ভিটামিন এ এবং সি সমৃদ্ধ৷ যা ত্বকের জন্য ভালো। এটি বার্ধক্য হ্রাস করে, ব্রণ এবং ত্বকের দাগের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এটি ত্বকের বিভিন্ন সংক্রমণ যেমন দাদ, সোরিয়াসিস এবং চুলকানির চিকিৎসায় উপকারী।

Health Benefits of Karela

৩। লিভার ক্লিনজার: করলা লিভার বান্ধব এবং ডিটক্সিফাই করে। এটি লিভারের এনজাইমগুলিকে বৃদ্ধি করে এবং হ্যাংওভারের জন্য এটি একটি ভাল নিরাময়৷ কারণ এটি লিভারে অ্যালকোহল জমা কমায়। মূত্রাশয় এবং অন্ত্রও করলা সেবনে উপকার করে।

৪। হজমের জন্য ভালো: করলাফাইবারে পরিপূর্ণ এবং মলত্যাগ উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে এবং পেট পরিস্কার রাখে৷

৫। কার্ডিয়াক স্বাস্থ্যের উন্নতি করে: করলা এলডিএল (খারাপ কোলেস্টেরল) কমায় এবং হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। ফাইবার ধমনীগুলি আনলক করতেও সাহায্য করে।

৬। ক্যান্সারের বিরুধে লড়াই করে: করলা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, অ্যালার্জি এবং সংক্রমণ প্রতিরোধ করে। কিন্তু এর সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য সুবিধা হল, এটি ক্যান্সারের বিরুদ্ধে লড়াই করে। এটি ক্যান্সার কোষের বিস্তারের বিরুদ্ধে কাজ করে এবং টিউমার গঠন বন্ধ করে।

৭। ক্ষত সারায়: করলার দারুণ নিরাময়ের বৈশিষ্ট্য রয়েছে। এটি রক্ত প্রবাহ এবং রক্ত জমাট নিয়ন্ত্রণ করে৷ যা ক্ষত দ্রুত নিরাময় এবং সংক্রমণ হ্রাসে সহায়তা করে।

৮। রক্ত পরিশোধক: করলাতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট রয়েছে এবং এটি এটি দূষিত রক্ত সম্পর্কিত অনেক সমস্যা নিরাময়ে সহায়তা করে। করলা নিয়মিত খেলে ত্বক, চুল এবং ক্যান্সারের সমস্যা ভালো হয়। এছাড়াও, এটি রক্ত সঞ্চালন উন্নত করতে সাহায্য করে।

৯। চোখের উপকার করে: করলা ভিটামিন এ সমৃদ্ধ এবং ছানি প্রতিরোধ করে এবং দৃষ্টিশক্তি শক্তিশালী করে। এমনকি ডার্ক সার্কেলও হালকা করে।

১০। শরীরকে শক্তি দেয়: নিয়মিত করলা খাওয়ার পর শরীরের স্ট্যামিনা এবং এনার্জি লেভেল উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখায়। এটি ঘুমের মান উন্নত করতে সাহায্য করে এবং ঘুমের সমস্যা যেমন অনিদ্রা কমায়।

সহজ কিছু উপায়ে কমান মানসিক চাপ

লাইফস্টাইল ডেস্ক: অফিসের কাজের চাপ হোক বা সাংসারিক ঝুটঝামেলা, ব্যক্তিগত জীবনে টেনশনের রয়েছে হাজারো একটা কারণ। দৈনন্দিন কর্মব্যস্ত জীবনে প্রত্যেকের জীবনেই বেড়ে চলেছে মানসিক চাপ। চিকিৎসরা সব সময়েই পরামর্শ দিয়ে থাকেন, টেনশন কমানোর জন্য। মানসিক চাপ এমন একটা সমস্যা, যা থেকে চটজলদি রেহাই পাওয়া মুশকিল! বিভিন্ন কারণে আমরা অনেকেই দিনের বেশির ভাগ সময় মানসিক চাপের মধ্যে কাটাই যার প্রভাব পড়ে আমাদের শরীরের উপরেও। উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা, হজমের সমস্যা এমনকি স্নায়ুর সমস্যা পর্যন্ত দেখা দিতে পারে উদ্বেগ আর মানসিক চাপ থেকে। 

আরও পড়ুন পছন্দের খাবারেই দূর করুন মানসিক অবসাদ

ব্রিদিং এক্সারসাইজ: শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যয়াম আপনার মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা কমাতে সাহায্য করে। লম্বা সময় ধরে দম নিয়ে এবং ধীরে ধীরে দম ছেড়ে দিতে হবে। অন্তত দিনে দশ বার এভাবে ব্রেথিং এক্সারসাইজ করলে মানসিক চাপ অনেক কমে যাবে।

চুইংগাম: চুইংগাম চিবালে মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা দুটোই কমে। এর কারণ চুইংগাম চিবানোর সময় ব্রেনে রক্ত চলাচল ঠিকভাবে হয়।

ঘুম: ঘুম শরীরকে সতেজ রাখতে সাহায্য করে। ঘুমাতে যাওয়া এবং ঘুম থেকে উঠার একটি নির্দিষ্ট রুটিন তৈরি করুন। নিয়মিত সাত থেকে আট ঘণ্টা ঘুমানো মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।

ডায়রি লেখা: আপনি হয়তো কখনোই ডায়রি লেখেননি। তবুও মানসিক চাপ অনুভব করলে আপনি ডায়েরির পাতায় বা কোনো স্থানে আপনার সমস্যার কথাগুলো লিখুন। পাশাপাশি আপনি কী চান বা কী করলে আপনার ভালো লাগত সেই বিষয়টিও লিখুন। 

নেগেটিভ চিন্তা এড়িয়ে চলুন: খারাপ চিন্তা হয়তো সবসময় এড়িয়ে যাওয়া যায় না। তবে চেষ্টা করুন ইতিবাচক চিন্তা করতে। এটা আপনাকে মানসিক চাপ দূর করতে সাহায্য করবে।

কাছের বন্ধুর সাথে কথা বলুন: আপনার কোনো ভালো বন্ধু থাকলে আপনার সমস্যার কথা খুলে বলুন, দেখবেন মানসিক চাপ ধীরে ধীরে কমে যাবে। 

Health: চুলপড়া বন্ধ, ব্রনসহ হাজারো স্বাস্থ্য উপকারিতা লুকিয়ে আছে তরমুজ বীজে

watermelon seeds with girl

অনলাইন ডেস্ক: তরমুজ একটি হাইড্রেটিং ফল৷ কারণ, এতে ৯২ শতাংশ জল রয়েছে৷ এই জলের ভরা সবুজ ফলে খনিজ এবং ভিটামিনে ভরপুর৷ এর বীজ (watermelon seeds) বিভিন্ন পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ। এই বীজে কম ক্যালোরি আছে৷ তবে জিংক, ম্যাগনেসিয়াম, পটাশিয়াম প্রভৃতি মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টে ভরা৷

তরমুজের বীজের পুষ্টিগুণ –
১। কম ক্যালোরি: তরমুজের বীজে ক্যালরি কম থাকে। এক মুঠো বীজের ওজন প্রায় ৪ গ্রাম৷ এতে ২৩ কিলো ক্যালরি থাকে।

২। ম্যাগনেসিয়াম: ম্যাগনেসিয়াম বিপাকীয় ক্রিয়াকলাপের জন্য একটি প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদান। এইভাবে ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ হওয়ায় তরমুজের বীজ শরীরের সুস্থ বিপাককে উন্নীত করে।

৩। দস্তা বা জিঙ্ক: তরমুজের বীজ জিঙ্কের একটা ভালো উৎস। এটি আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে৷ হজমে সাহায্য করে৷ কোষ বৃদ্ধি করে এবং মানব শরীরের স্নায়ুতন্ত্রকে সুস্থ রাখে।

৪। লোহা বা আয়রণ: তরমুজের বীজ আয়রনের চমৎকার উৎস।

৫। ভাল চর্বি: ভালো চর্বিতে মনস্যাচুরেটেড এবং পলিঅনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি এসিড দুটোই থাকে৷ যা ভালো ফ্যাট হিসেবে বিবেচিত হয়। এটি হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এবং কোলেস্টেরল কমিয়ে আনার জন্য উপকারী।

watermelon seeds

কীভাবে তরমুজের বীজ খাবেন?
আপনি তরমুজের বীজ কাঁচা, অঙ্কুরিত এবং ভাজা খেতে পারেন। যে কোনও আকারে এই বীজগুলি এত সুস্বাদু এবং স্বাস্থ্যকর। সাধারণত, তরমুজের বীজ অঙ্কুরিত হওয়ার পরে পুষ্টিকর হয়।

তরমুজ বীজের স্বাস্থ্য উপকারিতা
১। অঙ্কুরিত তরমুজের বীজ আপনার ত্বক পরিষ্কার করতে সাহায্য করে৷ কারণ এটি ভিটামিন সি, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ইত্যাদিতে পরিপূর্ণ। ব্রণ এবং বার্ধক্যের প্রাথমিক লক্ষণগুলির জন্য ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হয়। তরমুজের বীজে ম্যাগনেসিয়াম থাকে৷ যা আপনার ত্বকের সামগ্রিক চেহারা উন্নত করতে সাহায্য করে।

২। তরমুজের বীজে প্রোটিন, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম, জিংক এবং তামা থাকে৷ যা আপনার চুলের মান উন্নত করতে বেশ পারদর্শী। এই বীজগুলি আপনার চুলকে শক্তিশালী করতে এবং চুলের বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। বীজে থাকা ম্যাঙ্গানিজ চুল পড়া এবং ক্ষতি রোধ করতে সাহায্য করে।

৩। তরমুজের বীজ বিভিন্নভাবে আপনার হৃদযন্ত্রের উন্নতি করতে পারে। মনোঅনস্যাচুরেটেড এবং পলিঅনস্যাচুরেটেড ফ্যাটি অ্যাসিডের একটি ভাল উৎস।

৪। তরমুজের বীজে আয়রন এবং খনিজ পদার্থ থাকায় রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এই বীজে ভিটামিন বি কমপ্লেক্সও রয়েছে৷ এই ক্ষেত্রেও সাহায্য করে।

৫। তরমুজের বীজ ভিটামিন বি-এর সমৃদ্ধ উৎস৷ যা আপনার মস্তিষ্ক এবং স্নায়ুতন্ত্রকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।

৬। তরমুজের মাত্রা মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টে সমৃদ্ধ, যা দীর্ঘ সময় ধরে আপনার শক্তি বাড়াতে এবং বজায় রাখতে সহায়তা করে।

আয়ুর্বেদেই কমান হৃদরোগের ঝুঁকি

heart attack ayurvedic treatment

লাইফস্টাইল ডেস্ক: মাত্র ৪০ বছর বয়সে ম্যাসিভ হার্ট অ্যাটাকে প্রয়াত হয়েছেন অভিনেতা সিদ্ধার্থ শুক্লা। রীতিমতো ফিটনেস-ফ্রিক এই অভিনেতার অকাল প্রয়াণে অবাক প্রত্যেকেই। ডাক্তারেরা জানাচ্ছেন, গত কয়েক বছরে কম বয়সিদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাকের (Heart Attack) ঝুঁকি বেড়ে গেছে। বেপরোয়া জীবনযাত্রা, মানসিক চাপ, ডায়বেটিসের মত একাধিক কারণে কম বয়সিদের মধ্যে এই প্রাণঘাতি রোগের ঝুঁকি বেড়ে গেছে।

আরও পড়ুন উচ্চ রক্তচাপ কমাবে এই সমস্ত ভেষজ এবং মশলা

যদিও সামান্য কয়েকটি বিষয় মেনে চললেই অনেকটাই কমানো যায় হৃদরোগের ঝুঁকি। আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞরা এমন কিছু বিষয়ের পরামর্শ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন সুস্থ থাকা চাবিকাঠি অ্যারোবিক ব্যায়ামের সেরা পাঁচ উপকার


আরও পড়ুন Healthy Lifestyle: পরিবারের বয়স্কদের কীভাবে সুস্থ রাখবেন

ভোরে ঘুম থেকে ওঠা: আয়ুর্বেদিক বিশেষজ্ঞরা বলেন যে ভোরে ঘুম থেকে ওঠা একটি স্বাস্থ্যকর অভ্যাস। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, ভোরে আগে ঘুম থেকে উঠলে শরীর হাইড্রেট থাকে এবং শরীরে অক্সিজেন সঠিক মাত্রায় পাওয়া যায়।

নিয়মিত গরম জল খাওয়া: আয়ুর্বেদ মতে গরম জল পান করা শরীরের পক্ষে অত্যন্ত উপকারী। এটি শরীরে টক্সিন জমা হতে দেয় না। রক্ত সঞ্চালনকে উন্নত রাখে, ফলে হৃদঘোটিত রোগ হওয়ার সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়।।

আরও পড়ুন রসুনের ১০ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা যা আপনার রোজকার জীবনের সঙ্গী হয়ে উঠবে


আরও পড়ুন রসুনের ১০ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা যা আপনার রোজকার জীবনের সঙ্গী হয়ে উঠবে

যোগা এবং ধ্যান করুন: এন্ডোরফিন এবং সেরোটোনিন মেজাজ ভালো রাখতে সাহায্য করে। প্রতিদিন যোগ ব্যায়াম এবং ধ্যান করলে এই দুই হরমোনের পরিমান বৃদ্ধি পায়।

রাতে ঘুমানোর আগে দুধ-হলুদ: আয়ুর্বেদে ঘুমাতে যাওয়ার আগে হলুদ মেশানো দুধ খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়।

তাজা খাবার: সঠিক সময় মত তাজা সবজি দিয়ে ঘরে রান্না করা খাবার খান। এটি ইমিউনিটি বৃদ্ধি করতে সহায়তা করে।

Center Alert: কোভিডের জাল ভ্যাকসিন সম্পর্কে রাজ্যকে সতর্ক করল নয়াদিল্লি

নিউজ ডেস্ক: ভারতে এখনও পর্যন্ত ৬৮ কোটিরও বেশি মানুষকে কোভিড ভ্যাকসিনের (vaccine) প্রথম এবং দ্বিতীয় ডোজ দেওয়া হয়েছে। করোনার সম্ভাব্য তৃতীয় ঢেউের উদ্বেগের মধ্যে সরকার টিকাকরণের গতি বহুগুণ বৃদ্ধি করেছে। একদিকে যেখানে দেশে মানুষকে দ্রুত করোনার টিকা দেওয়া হচ্ছে, অন্যদিকে কেন্দ্রীয় সরকার রাজ্যগুলিকে আন্তর্জাতিক বাজারে নকল ভ্যাকসিন সম্পর্কে সতর্ক থাকতে বলেছে। প্রসঙ্গত, সম্প্রতি দক্ষিণ পূর্ব এশিয়া এবং আফ্রিকায় একটি নকল কোভিডশিল্ড ভ্যাকসিন পাওয়া গিয়েছে৷ যার পরে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থাও (WHO) উদ্বেগ প্রকাশ করে সমস্ত দেশকে সতর্ক করেছে।

রবিবার কেন্দ্রীয় সরকার কোভিশিল্ড ভ্যাকসিনের ভুয়ো ডোজ নিয়ে রাজ্যগুলিকে একটি চিঠি লিখেছে৷ কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের পক্ষ থেকে রাজ্যগুলিকে সতর্ক করা হয়েছে৷ তাতে বলা হয়েছে, টিকা দেওয়ার আগে তাদের অবশ্যই স্যাম্পল পরীক্ষা করতে হবে। মন্ত্রক আসল এবং নকল ভ্যাকসিন সনাক্ত করার জন্য মানদণ্ডের একটি তালিকা শেয়ার করেছে৷ এই তালিকা অনুসারে, কোভিশিল্ডের ভ্যাকসিনগুলি সহজেই চিহ্নিত করা যাবে। কেন্দ্র থেকে পাঠানো মানদণ্ডে ভ্যাকসিনের লেবেল কী, তার রঙ, ব্র্যান্ডের নাম সম্পর্কে তথ্য, সনাক্তকরণের জন্য তিনটি ভ্যাকসিনে শেয়ার করা হয়েছে।

সম্প্রতি বেশ কয়েকটি রিপোর্ট স্বাস্থ্য মন্ত্রকের হাতে এসেছে৷ তাতে বলা হয়েছে, ভারতের প্রাথমিক কোভিড -১৯ (covid19) ভ্যাকসিন কোভিশিল্ডের জাল ডোজ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং আফ্রিকায় বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যমে দাবি এই দাবি করা হয়েছে৷ তাতে বলা হয়েছে, কোভিশিল্ডের জাল ডোজ দেশজুড়ে ধরা পড়েছে। করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের মধ্যেই অসুস্থ মানসিকতার লোকদের কারণে অনেক জীবন বিপদে পড়ছে৷ যারা এই দুর্যোগেও সুযোগ নিচ্ছে৷ ভারতে এখনও পর্যন্ত ৬৮.৪৬ কোটি ডোজ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে প্রতিদিন লক্ষ লক্ষ মানুষকে টিকা দেওয়া হচ্ছে।

উচ্চ রক্তচাপ কমাবে এই সমস্ত ভেষজ এবং মশলা

spices will reduce high blood pressure

অনলাইন ডেস্ক: যখনই ডাক্তার বলবেন আপনার রক্তচাপ (বিপি) হাই, তখনই কোন না কোনও অকটা ওষুধ সম্পর্কে চিন্তা করে উদ্বিগ্ন হবেন। আধুনিক বিজ্ঞানে (অ্যালোপ্যাথি) বিভিন্ন ধরনের ওষুধ রয়েছে৷ যা আপনার রক্তচাপকে অবিলম্বে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে৷ তবে, আপনি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের বিকল্প হিসাবে কিছু ভেষজ বেছে নিতে পারেন৷ বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন রোগের জন্য ভেষজ থেরাপির চাহিদা বৃদ্ধি পেয়েছে।

বিশ্বের প্রায় ৭৫% থেকে ৮০% জনসংখ্যা ভেষজ ওষুধ ব্যবহার করে৷ প্রধানত উন্নয়নশীল দেশগুলিতে এর চাহিদা দিনে দিনে আরও বেড়ে চলেছে৷ গবেষণায় খাদ্য, ব্যায়াম, স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট এবং সাপ্লিমেন্টের মাধ্যমে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সফল হওয়ার জন্য বিভিন্ন ভেষজ থেরাপি পাওয়া গিয়েছে। প্রতিবেদনে উল্লেখিত কিছু ভেষজ আছে, যা আপনার রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে –

রসুন: রসুন বিভিন্ন ওষুধি গুণের জন্য সুপরিচিত৷ রসুন অনেক যৌগ সমৃদ্ধ৷ যা হার্টের জন্য উপকারি। প্রাথমিক সক্রিয় যৌগগুলির মধ্যে একটি৷ যা রসুনকে তার বৈশিষ্ট্যযুক্ত গন্ধ দেয় এবং এর অনেক নিরাময় উপকারিতা অ্যালিসিন নামে পরিচিত৷ বিশেষ করে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে এবং রক্তনালীগুলিকে শিথিল করতে সাহায্য করতে পারে।

সেলারি: একটি চিনা তত্ত্ব অনুসারে সেলারির অ্যান্টিহাইপারটেনসিভ বৈশিষ্ট্য রয়েছে৷ কারণ এটি লিভারের উপর কাজ করে৷ এক ধরণের উচ্চ রক্তচাপ লিভারের কর্মহীনতার সঙ্গে যুক্ত৷ গবেষকরা পরামর্শ দেন, সেলারি বীজের নির্যাস রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করতে পারে৷ কারণ এটি প্রাকৃতিক ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার হিসেবে কাজ করে। সেলারির বীজে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার রয়েছে৷ যা রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

তুলসী: তুলসী তার যৌগের কারণে একটি জনপ্রিয় বিকল্প। তুলসী একটি উদ্ভিদ-অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট- ইউজেনল সমৃদ্ধ৷ যা প্রাকৃতিক ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার হিসেবে কাজ করে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

আজওয়াইন (জোয়ান): আজওয়াইনকে থাইম নামেও ডাকা হয়৷ এটি একটি ভারতীয় মশলা৷ যা ভারতের সব জায়গায় পাওয়া যায়। এতে রোসমারিনিক অ্যাসিড নামে একটি স্বাদযুক্ত যৌগ রয়েছে৷ এই যৌগ অনেক উপকারিতা হিসাবে পরিচিত৷ প্রদাহ এবং রক্তে শর্করার মাত্রা হ্রাস, রক্ত ​​প্রবাহ বৃদ্ধি এবং রক্তচাপ কমাতেও সাহায্য করে।

দারুচিনি: এটি একটি দারুচিনি গাছের ছাল থেকে প্রাপ্ত স্বাদযুক্ত মশলা। প্রাচীনকাল থেকে দারুচিনি হৃদযন্ত্রের বিভিন্ন উপসর্গের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত হয়ে আসছে৷ এটি উচ্চ রক্তচাপও কমায়। এটি রক্তনালীগুলিকে শিথিল এবং প্রসারিত করে বলে মনে হয়।

আদা: আদা একটি বহুমুখী মশলা৷ যা একটি সময় ধরে হৃদরোগের অনেক দিক উন্নত করতে ব্যবহৃত হয়৷ যার মধ্যে রয়েছে সঞ্চালন, কোলেস্টেরলের মাত্রা এবং রক্তচাপ। আদা একটি প্রাকৃতিক ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার হিসেবে কাজ করে৷ এটি রক্তনালীগুলোকে শিথিল করতে সাহায্য করে। আপনি আপনার প্রতিদিনের খাবার এবং পানীয়গুলিতে আদা অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন।

এলাচ: এলাচ একটি জনপ্রিয় মসলা৷ বিশেষ করে এর স্বাদের জন্য। এই মিষ্টি মশলায় রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট৷ যা প্রাকৃতিক ক্যালসিয়াম চ্যানেল ব্লকার হিসেবে কাজ করে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে। এটি একটি মূত্রবর্ধক হিসাবে কাজ করে (প্রস্রাব প্রবাহ বৃদ্ধি করে)৷ যা তাপের লোড কমাতে সাহায্য করে।

পার্সলে: পার্সলে আমেরিকান, ইউরোপীয় এবং মধ্য প্রাচ্যের খাবারের একটি বিখ্যাত ওষুধি। এতে রয়েছে বিভিন্ন যৌগ৷ যেমন ভিটামিন সি এবং ক্যারোটিনয়েড৷ এগুলি আপনার উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে।

উচ্চ রক্তচাপ একটি সাধারণ চিকিৎসা শর্ত৷ যা প্রতিটি বাড়িতে কমপক্ষে একজনকে প্রভাবিত করে। জীবনযাত্রার পরিবর্তন, ব্যায়াম এবং স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট সঠিক ওষুধ সহ রক্তচাপ কমাতে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখতে পারে। শুধু ওষুধই নয়, ভেষজ ও মশলাও যা উচ্চ রক্তচাপের চিকিৎসায় উপকারী যেমন রসুন, আদা, অজোয়াইন। তাই সবসময় স্বাস্থ্যকর খাবার খান, সুস্থ থাকুন।

গুড়ের হাজারো উপকারিতা স্বাস্থ্য রাখে সবল

Everything you need to know about jaggery

অনলাইন ডেস্ক: বহু যুগান্ত ধরে গুড় হাজারো উপকারের জন্য পরিচিত। এটি প্রধানত বিশুদ্ধ, অপরিষ্কার, অকেন্দ্রিক চিনি৷ যা ভারতে সাধারণত ব্যবহৃত হয়। এটি সাধারণত সোনালি বাদামী থেকে বাদামী রঙের পরিবর্তিত হয়। ভারতে মহারাষ্ট্র হল গুড় উৎপাদনের সবচেয়ে বড় কেন্দ্র এবং কোলহাপুর হল সরবরাহের বড় কেন্দ্র। বেশিরভাগ গুড় আখের রস থেকে তৈরি হয়৷ কিন্তু কখনও কখনও সেগুলি খেজুরের রস থেকেও প্রক্রিয়াজাত করা হয়।
গুড় কিভাবে প্রস্তুত করা হয়?

গুড় আখের রস বা নির্দিষ্ট গাছের রস. যেমন খেজুর ইত্যাদি থেকে তৈরি করা হয়৷ উত্তোলিত রস গরম করে মূল পরিমাণের এক-তৃতীয়াংশ করা হয় এবং তরলটি ক্রমাগত নাড়ানো হয়৷ ঠান্ডা হওয়ার পরে নামানো হয়। এটি পুরোপুরি ঘন হওয়ার পরে একটি অগভীর প্যানে স্থানান্তরিত হয়৷ তারপর এটি দিয়ে ঠান্ডা এবং শক্ত করা হয়। এই গুড়কে বৃত্ত আকারে টুকরো করে ব্যাবহার করা হয় ।

গুড়ের পুষ্টিগুণ: গুড় চিনির চেয়ে অনেক বেশি জটিল৷ কারণ এটি দীর্ঘ সুক্রোজ চেইনের সমন্বয়ে গঠিত৷ তাই এটি চিনির চেয়ে ধীরে ধীরে হজম হয় এবং স্বতস্ফূর্তভাবে শক্তি ধীরে ধীরে ছেড়ে দেয়৷ ফলে শরীরের ক্ষতি না করে দীর্ঘ সময়ের জন্য শক্তি প্রদান করে। যখন একটি লোহার পাত্রে গুড় রান্না করা হয়, তখন রান্নার প্রক্রিয়ার সময় প্রচুর পরিমাণে আয়রন লবণও জমা হবে। এই আয়রনের স্বাস্থ্য উপকারিতাও রয়েছে৷ বিশেষ করে রক্তশূন্যতা বা আয়রনের ঘাটতিযুক্ত মানুষের জন্য।

Everything you need to know about jaggery

গুড়ের স্বাস্থ্য উপকারিতা:
সমৃদ্ধ পুষ্টিকর উপকারিতারর কারণে গুড়ের কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা রয়েছে –
১। আয়রনের মাত্রা উন্নত করতে সাহায্য করে:
ঐতিহ্যগতভাবে লোহা এমনভাবে তৈরি করা হত যে, এটি লোহার উপাদান উন্নত করতে সাহায্য করে। রক্তে হিমোগ্লোবিনের অভাবকে অ্যানিমিয়া বলা হয়, যা রক্তে অক্সিজেন বহন করার ক্ষমতা হ্রাস করে। গুড় ভারসাম্যপূর্ণ বৈশিষ্ট্যগুলির মাধ্যমে রক্তাল্পতার লক্ষণগুলি কমাতে সাহায্য করে। এটি তার রসায়ন (পুনর্জীবন) বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে একজন ব্যক্তির সামগ্রিক স্বাস্থ্য বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে। রক্তশূন্যতার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য করার জন্য প্রতিদিন ১ টেবিল চামচ বা এক টুকরো গুড় খান।

২। তাত্ক্ষণিক শক্তি প্রদান করতে পারে:
যদি আপনি দুর্বল বা অলস বোধ করেন, তাহলে একটি গুড়ের কিউব খাওয়া আপনাকে অবিলম্বে শক্তি প্রদান করতে পারে। সাদা চিনির সঙ্গে তুলনা করলে, গুড় শরীরকে ধীরে ধীরে শোষণ করতে দেয়৷ যার অর্থ আপনার রক্তে শর্করার অবিলম্বে বৃদ্ধি হবে না ।

৩। হজমশক্তি উন্নত করতে সাহায্য করে:
ভারতে ভারী খাবারের পরে হজমশক্তিকে উদ্দীপিত করতে প্রায়ই গুড় খাওয়া হয়। এটি হজম এনজাইমগুলিকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে৷ এই হজম এনজাইমগুলি পাকস্থলিতে অ্যাসিটিক অ্যাসিডে রূপান্তরিত হয়৷ যাতে হজমশক্তি উন্নত হয় এবং প্রক্রিয়াটি সুচারুভাবে হয়৷ এটি পাচনতন্ত্র এবং অন্ত্রের বোঝা হ্রাস করে। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করতেও সাহায্য করতে পারে। এটি শরীরে হজমকারী এনজাইমগুলিকে একত্রিত করে এবং হজমে সহায়তা করে।

৪। ইমিউন সিস্টেমের জন্য গুরুত্বপূর্ণ :
গুড় অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, ভিটামিন এবং খনিজ পদার্থে ভরপুর। এর সমৃদ্ধ পুষ্টিকর প্রোফাইলের কারণে এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে পারে। গুড়ের মধ্যে উপস্থিত সেলেনিয়াম এবং জিঙ্ক মুক্ত মৌলিক ক্ষতি এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করতে পারে।

৫। চিনির চেয়ে ভালো:
চিনি যা দ্রুত হজম হয় এবং শক্তি বিলম্ব ছাড়াই মুক্তি পায়৷ কিন্তু গুড় খনিজ লবণ, সুক্রোজ এবং ফাইবারের দীর্ঘ চেইন দিয়ে গঠিত। যেহেতু গুড় লোহার পাত্রে প্রস্তুত, তাই এটি লোহা সমৃদ্ধ। লোহার অভাবজনিত রোগীদের ক্ষেত্রে চিনির চেয়ে গুড় খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। এটি অতিরিক্তভাবে ক্লিনিং এজেন্ট হিসাবে কাজ করে৷ ফলে এটি ফুসফুস এবং শ্বাসনালীকে মসৃণ করতে সাহায্য করে। সুতরাং, গুড়ের সঙ্গে চিনি পরিবর্তন করা অনেক উপকারী।

৬। ভারতে রান্নায় গুড়ের ব্যবহার :
ভারতে এটি সাধারণত মিষ্টি এবং সুস্বাদু খাবারে ব্যবহৃত হয়। এটি সুস্বাদু খাবারে সাম্বার, ডাল বা গুজরাটি সবজির মতো তরকারির টেঙ্গি-মিষ্টির মতো স্বাদ দেয়। সাধারণভাবে খাওয়া মিষ্টি, চিক্কি বিশেষ করে মকরসংক্রান্তির সময় তিল ও গুড় ব্যবহার করে তৈরি করা হয়। গুজরাটি ভাষায় গমের আটা এবং গুড় ব্যবহার করে একটি বিখ্যাত মিষ্টি তৈরি করা হয় লাড্ডু। একটি বিখ্যাত মহারাষ্ট্রীয় রেসিপি৷ গুড় ব্যবহার ছাড়া পুরাণ পলি অসম্পূর্ণ। রাজস্থানে ঐতিহ্যবাহী খাবার “গুর কা চাওয়াল” খুব বিখ্যাত। বাংলায় সাধারণত গুড়, নারকেল এবং দুধ ব্যবহার করে মিষ্টি খাবার তৈরিতে ব্যবহৃত হয়।

গুড় প্রতিটি সংস্কৃতি এবং প্রতিটি ঐতিহ্যের অংশ। আপনি জলে হলুদ, গুড় এবং আদার গুঁড়ো একত্রিত করে ফুটিয়ে পান করতে পারেন। এটি আপনার রোগ-প্রতিরোধ ক্ষমতা কয়েকগুণ বাড়াতে এবং আপনার ফুসফুসকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। আর্দ্রতা এবং তাপ থেকে দূরে একটি এয়ার-টাইট পাত্রে গুড় সংরক্ষণ করুন। যদিও গুড় একটি স্বাস্থ্যকর এবং বেশি পুষ্টিকর চিনি৷ তবুও এটি অতিরিক্ত খাওয়া বা খুব বেশি না খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়। বিভিন্ন স্বাস্থ্য সুবিধা পেতে প্রতিদিন এটি পরিমিত পরিমাণে খাওয়া নিশ্চিত করুন।

রসুনের ১০ টি স্বাস্থ্য উপকারিতা যা আপনার রোজকার জীবনের সঙ্গী হয়ে উঠবে

লাইফস্টাইল ডেস্ক: বহু শতাব্দী ধরে রসুন রান্নাঘরের অংশ। অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল প্রকৃতির কারণে রসুন এর রোগ নিরাময়কারী এবং ঔষধি গুণ রয়েছে। রসুন যৌগিক অ্যালিসিন, ফসফরাস, জিঙ্ক, পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়ামের মতো খনিজ পদার্থে সমৃদ্ধ। ভিটামিন সি, ভিটামিন কে, ফোলেট, নিয়াসিন এবং থায়ামিনও রসুনে প্রচুর পরিমাণে পাওয়া যায়। রসুন খাওয়ার স্বাস্থ্য উপকারিতা হল:

আরও পড়ুন জেনে নিন হলুদের ১৩টি উপকারিতা

  • কাঁচা রসুনের কাশি এবং ঠাণ্ডা সংক্রমণ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা রয়েছে। দুটি রসুনের কোয়া খালি পেটে খেলে উপকার পাওয়া যায়। বাচ্চাদের গলায় একটি সুতোয় রসুনের লবঙ্গ ঝুলিয়ে রাখলে ভীড়ের উপসর্গগুলি থেকে উপশম পাওয়া হয়।
  • রসুন কার্ডিয়াক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী। অ্যালিসিন, রসুনের মধ্যে পাওয়া একটি যৌগ এলডিএল (খারাপ কোলেস্টেরল) এর জারণ বন্ধ করে। এটি কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায় এবং হার্টের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। রসুনের নিয়মিত ব্যবহার রক্ত জমাট বাঁধার ঘটনা হ্রাস করে এবং এইভাবে থ্রোম্বোয়েমবোলিজম প্রতিরোধে সাহায্য করে। রসুন রক্তচাপও কমায় তাই উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের জন্যও ভালো।
  • রসুন মস্তিষ্কের কার্যকারিতা উন্নত করে। রসুন তার অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট এবং প্রদাহবিরোধী গুণাবলীর কারণে মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে। এটি আলঝেইমার এবং ডিমেনশিয়ার মতো নিউরোডিজেনারেটিভ রোগের বিরুদ্ধে কার্যকর।

  • রসুন হজমের উন্নতি করে। এটি অন্ত্রের উপকার করে এবং প্রদাহ কমায়। কাঁচা রসুন খাওয়া অন্ত্রের কৃমি দূর করতে সাহায্য করে। সবচেয়ে ভাল উপকার হল এটি খারাপ ব্যাকটেরিয়া ধ্বংস করে এবং অন্ত্রের ভাল ব্যাকটেরিয়াকে রক্ষা করে।
  • ব্লাড সুগার ভারসাম্য বজায় রাখে রসুন। যারা ডায়াবেটিসে ভুগছেন তারা তাদের রক্তে শর্করার মাত্রা কাঁচা রসুন খাওয়ার মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করতে পারেন ।
  • রসুন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: রসুন ফ্রি রেডিকেল থেকে রক্ষা করে এবং ডিএনএ -র ক্ষতি রোধ করে। রসুনে থাকা জিংক রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ভিটামিন সি সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করতে সাহায্য করে। এটি চোখ এবং কানের সংক্রমণের বিরুদ্ধে খুব উপকারী কারণ এতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য রয়েছে।
  • রসুন ত্বকের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে: রসুন ব্রণ প্রতিরোধে সাহায্য করে এবং ব্রণের দাগ হালকা করে। ঠান্ডা ঘা, সোরিয়াসিস, ফুসকুড়ি, এবং ফোসকা সব রসুনের রস প্রয়োগে উপকৃত হতে পারে। এটি অতিবেগুনি রশ্মি থেকেও রক্ষা করে এবং তাই বার্ধক্য রোধ করে।
  • ক্যান্সার এবং পেপটিক আলসার প্রতিরোধ করে: প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকায় রসুন শরীরকে ফুসফুস, প্রোস্টেট, মূত্রাশয়, পাকস্থলী, লিভার এবং কোলন ক্যান্সার থেকে রক্ষা করে। রসুনের অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল ক্রিয়া পেপটিক আলসার প্রতিরোধ করে কারণ এটি অন্ত্র থেকে সংক্রমণ দূর করে।
  • রসুন ওজন কমানোর জন্য ভালো কাজ করে। রসুন চর্বি সঞ্চয়কারী অ্যাডিপোজ কোষ গঠনের জন্য দায়ী জিনের অভিব্যক্তি হ্রাস করে। এটি শরীরে থার্মোজেনেসিস বাড়ায় এবং অতিরিক্ত চর্বি পোড়ায় এবং এলডিএল (খারাপ কোলেস্টেরল) কমায়।
  • রসুন ইউটিআইয়ের সাথে লড়াই করে এবং রেনাল স্বাস্থ্যের উন্নতি করে। তাজা রসুনের রসে ই-কোলি ব্যাকটেরিয়ার বৃদ্ধি হ্রাস করার সম্ভাবনা রয়েছে যা মূত্রনালীর সংক্রমণ (UTI) সৃষ্টি করে। এটি কিডনির সংক্রমণ রোধেও সাহায্য করে।

রসুন ক্ষতের সংক্রমণ কমায়, চুলের বৃদ্ধি, হাড়ের স্বাস্থ্য এবং লিভারের স্বাস্থ্যের উন্নতি ঘটায়। রসুন কাঁচা খাওয়া হলেই বেশিরভাগ ঘরোয়া প্রতিকারে কার্যকর।

জেনে নিন হলুদের ১৩টি উপকারিতা

লাইফস্টাইল ডেস্ক: হলুদ আমাদের রান্নাঘরের পরিচিত উপাদান। কাঁচা হলুদ এর চেহারা অনেকটা আদার মত। হলুদে কারকিউমিনের মতো কারকিউমিনয়েড রয়েছে যা হলুদ রঙের একটি প্রাণবন্ত, ডাইমেথক্সি কারকিউমিন এবং বিসডেমেথক্সিকিউরকিউমিন এবং টারমারোন, অ্যাটলান্টোন, জিংগাইবেরোন এবং শর্করা, প্রোটিন এবং রেজিনের মতো উদ্বায়ী তেল উৎপাদন করে।

আরও পড়ুন অতিরিক্ত চিনি খাচ্ছেন, অজান্তেই বিপদ ডেকে আনছেন নিজের

হলুদ প্রাচীনকাল থেকেই আয়ুর্বেদিক ঔষধ হিসেবে ব্যবহার হয়ে আসছে। হলদি নামে জনপ্রিয়, এই মশলাটি অসংখ্য স্বাস্থ্য অসুস্থতার মোকাবিলা করার একটি বিকল্প হিসাবে কাজ করে। হলুদ সেবন করা হোক বা প্রয়োগ করা হোক, এতে প্রচুর উপকারিতা দেখা যায়।

  • প্রদাহ বিরোধী: গবেষণায় দেখা গেছে যে কারকিউমিন প্রদাহ কমাতে অত্যন্ত কার্যকর। কারকিউমিনের প্রদাহ বিরোধী প্রভাব সম্ভবত সাইক্লোক্সিজেনেস -২ (COX-2), লাইপক্সিজেনেস (LOX) এবং ইনডিউসিবল নাইট্রিক অক্সাইড সিনথেস (আইএনওএস) এর মত রোগ বাধা দেওয়ার ক্ষমতা রাখে ।
  • শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট: কারকিউমিন একটি শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট যা আমাদের শরীরকে ফ্রি রেডিকেল থেকে রক্ষা করে এবং হৃদরোগ ও ক্যান্সারের মত রোগের ঝুঁকি কমায়।
  • ডায়াবেটিস: হলুদে উপস্থিত কারকিউমিন ইনফ্ল্যামেটরি সাইটোকাইন গঠনে বাধা দিয়ে টাইপ 2 ডায়াবেটিসের সূত্রপাতকে বিলম্বিত করে এবং এইভাবে রক্তে গ্লুকোজের মাত্রায় অনুকূল প্রভাব ফেলে
  • রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি: হলুদ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। এর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ভাইরাল এবং অ্যান্টি-ফাঙ্গাল বৈশিষ্ট্য আমাদের বিভিন্ন ধরনের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে। সাধারণ ঠাণ্ডা ও ফ্লু থেকে বাঁচতে অনেক ডাক্তার প্রতিদিন এক গ্লাস উষ্ণ দুধে এক চা চামচ হলুদ গুড়ো খাওয়ার পরামর্শ দেন
  • হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়: হলুদে পাওয়া কারকিউমিনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য হৃদরোগ এবং ডায়াবেটিক কার্ডিওভাসকুলার জটিলতা প্রতিরোধ করতে পারে। কারকিউমিন সিরামের কোলেস্টেরলের মাত্রাও কমিয়ে দেয় এবং এথেরোস্ক্লেরোসিসের সাথে ঘটে যাওয়া রোগগত পরিবর্তন থেকে আমাদের রক্ষা করে।
  • ক্যান্সারের ঝুঁকি কমায়: কারকিউমিন ক্যান্সার এ কোষের বৃদ্ধি এবং বিকাশে হস্তক্ষেপ করে এবং সর্বনিম্ন আণবিক স্তরে তাদের বিস্তার রোধ করে। সুতরাং, এটি কার্যকর-ভাবে নতুন ক্যান্সার বৃদ্ধির ঝুঁকি হ্রাস করে।
  •  অ্যালেজহুইম রোগের চিকিৎসায় সাহায্য করে: অ্যালজাইমার রোগটি অ্যামাইলয়েড প্লেক নামক প্রোটিন ট্যাং-গল তৈরির কারণে হয়। হলুদে থাকা কারকিউমিন এই ফলকগুলো পরিষ্কার করতে সাহায্য করে।
  • হতাশায় আক্রান্ত রোগীদের সাহায্য করে: হলুদ মস্তিষ্কে বিডিএনএফ (মস্তিষ্ক থেকে উদ্ভূত নিউরোট্রফিক ফ্যাক্টর) এর মাত্রা বাড়ায়, এইভাবে বিষণ্নতায় আক্রান্ত রোগীদের সাহায্য করে।কারকিউমিন মস্তিষ্কের নিউরোট্রান্সমিটার সেরোটোনিন এবং ডোপামিনকেও শক্তিশালী করে।
  • বার্ধক্য বিরোধী প্রভাব: হলুদে কারকিউমিনের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য কোষের ক্ষতি প্রতিরোধ করে এবং এইভাবে বার্ধক্যকে ধীর করে দেয়। এটি কার্যকরভাবে চেহারায় সূক্ষ্ম রেখা এবং বলি তৈরি বন্ধ করে।
  • হাড়ের স্বাস্থ্যের উন্নতি করে: রিউমটয়েড আর্থ্রাইটিসে আক্রান্ত রোগীদের হলুদ দেওয়া হলে কারকিউমিনের সম্পূরকগুলি ব্যথা এবং জয়েন্টের কার্যকারিতায় উল্লেখযোগ্য উন্নতি দেখায়।
  • হজমের উন্নতি করে: হলুদে থাকা কারকিউমিন ফুলে যাওয়া কমায় এবং পরিপাকতন্ত্রকে ট্র্যাকে নিয়ে আসে। এটি পিত্তথলিকে পিত্ত উৎপন্ন করতে উদ্দীপিত করে। এটি অগ্ন্যাশয়ের প্রদাহ প্রতিরোধ ও চিকিত্সায়ও সহায়তা করে।
  • গ্লুকোমা এবং ছানি চিকিত্সা: হলুদের অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট প্রপার্টি গ্লুকোমা এবং ছানির চিকিৎসায় সাহায্য করে। হলুদের নিয়মিত ব্যবহার গ্লুকোমার অগ্রগতি বন্ধ করে এবং দৃষ্টিশক্তি হ্রাসও রোধ করে।
  • ভালো ত্বক: হলুদে প্রদাহবিরোধী, অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বৈশিষ্ট্য রয়েছে যা সাহায্য করতে পারে: ক্ষত আরোগ্য করে, ব্রণ এবং ব্রেকআউট প্রতিরোধ করে, একজিমা এবং সোরিয়াসিসের বিরুদ্ধে লড়াই করে , দাগ কমাইয়, ডার্ক সার্কেল হালকা করে  প্রাকৃতিক উজ্জ্বলতা দেয় ।

অতিরিক্ত চিনি খাচ্ছেন, অজান্তেই বিপদ ডেকে আনছেন নিজের

লাইফস্টাইল ডেস্ক: চিনি আমাদের রোজকার জীবনের সঙ্গে ওতপ্রোত ভাবে জড়িত। অতিরিক্ত চিনি স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। এটি প্রক্রিয়াজাত খাবারের একটি অপরিহার্য অংশ এবং অনেকগুলি লেবেলের অধীনে তালিকাভুক্ত করা হয় যেমন অ্যাগ্যাভ অমৃত, কর্ণ সিরাপ ইত্যাদি। এটি কেবল উচ্চ চিনিযুক্ত ক্যান্ডি এবং বেকড সামগ্রীই নয় সাথে রুটি এবং টমেটো কেচাপের মতো অনেক মজাদার খাবারও রয়েছে যা উচ্চ চিনিযুক্ত হয়। চিনি আমাদের শরীরকে নানাভাবে ক্ষতি করে। এখানে চিনির ক্ষতিকর প্রভাবগুলি সম্বন্ধে আলোচনা করা হল যা আপনার জানা উচিত :

আরও পড়ুন রূপ থেকে স্বাস্থ্য, অ্যালোভেরার ম্যাজিকে পার্ফেক্ট ফ্রেম 

  • চিনি খেলে ওজন বাড়ে এই কথাটি আমরা সকলেই সবসময় শুনে থাকি ।গবেষণায় জানা গেছে কোকোকোলা, জুস এবং অন্যান্য মিষ্টি পানীয় গ্রহণের মাধ্যমে যা উচ্চ চিনি যুক্ত হয় এবং এগুলি আমাদের দেহে ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে । যারা তাদের খিদে নিবারণের জন্য জাঙ্ক এবং প্রক্রিয়াজাত খাবারের উপর খুব বেশি নির্ভর করে, তাদের ওজন যারা স্বাস্থ্যকর খায় তাদের চেয়ে অনেক বেশি হয় । স্থূলতা বিশ্বের হৃদরোগের অন্যতম এবং প্রধান কারণ।
  • চিনিযুক্ত স্ন্যাকস অত্যধিক খাওয়ার ফলে ডোপামিন নিঃসরণ হয়, যা শরীরে একটি আরামদায়ক প্রভাব ফেলে । এই মৌলের পরিমাণ কমে গেলে আপনার শরীর এবং মস্তিষ্ক আবার এই মৌলের চাহিদা বাড়ানোর জন্য উচ্চচিনি যুক্ত জাঙ্ক খাওয়ার এর তৃষ্ণা বাড়িয়ে দেয় । উচ্চ চিনিযুক্ত খাওয়ার গ্রহণ এর ফলে প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে বিষণ্ণতা দেখা যায় ।
  • উচ্চ চিনি-যুক্ত খাওয়ার এর ফলে প্রদাহ বাড়ে ,সাথে উচ্চ মাত্রার ট্রাইগ্লিসারাইড এবং উচ্চ রক্তচাপের স্তরের সাথে যুক্ত হয়। এই সব হৃদরোগের ঝুঁকি বাড়ায়। এছাড়াও, চিনি গ্রহণের পরিমাণ বৃদ্ধি ধমনীতে চর্বি জমা হতে পারে যা আপনার শরীরকে এথেরোস্ক্লেরোসিসের দিকে পরিচালিত করে।
  • চিনি যুক্ত খাওয়ার আপনার ত্বককে খারাপ করে তলে। এটি ব্রণ বাড়ায়। আপনার রক্তে শর্করার পরিমাণ বৃদ্ধি করে এবং ইনসুলিনের মাত্রা সাথে তেলের মাত্রা এবং এন্ড্রোজেন নিঃসরণ বৃদ্ধি করে যা ত্বক থেকে বেরিয়ে আপনার ত্বককে খারাপ এর দিকে পরিচালিত করে।
  • রক্তে অতিরিক্ত চিনি থাকার ফলে ইনসুলিন প্রতিরোধের দিকে পরিচালিত হয় যা ডায়াবেটিসের দিকে পরিচালিত করে। স্থূলতা, ডায়াবেটিসের আরেকটি কারণ যা অতিরিক্ত চিনি গ্রহণের কারণে প্রভাবিত হয়।
  • গবেষণায় দেখা গেছে যে উচ্চ চিনি যুক্ত খাওয়ার শরীরে কোষের বিস্তারের জন্য অনুকূল। চিনি শরীরে প্রদাহ বৃদ্ধি করে এবং বিশ্বে ক্যান্সারের বর্ধিত ঘটনার জন্য চিনি দায়ী।
  • উচ্চ চিনিযুক্ত খাদ্য ত্বকের বার্ধক্য বাড়ায়। চিনির ব্যবহার আপনাকে AGEs (উন্নত গ্লাইকেশন এন্ড-প্রডাক্টস) গঠনের দিকে পরিচালিত করে এবং যৌগগুলি শরীরে চিনি এবং প্রোটিন অণুর মধ্যে প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করে।এটি ত্বকের কোলাজেন এবং ইলাস্টিনের ক্ষতি করে যা ত্বকের স্থিতিস্থাপকতার জন্য দায়ী।
  • চিনি দাঁতে ক্যাভিটির প্রাথমিক কারণ। এমনকি যদি আপনি প্রতিবার মিষ্টি কিছু খেয়ে দাঁত ব্রাশও করেন, তবুও আপনার দাঁত নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থেকে যায়।
  • যারা জয়েন্টের ব্যথায় ভুগছেন এবং খাওয়ায় চিনির পরিমাণ কমিয়েছেন, তাদের ব্যথা উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে গিয়েছে। 
  • ফ্যাটি লিভারের প্রধান কারণ হল উচ্চ চিনির ব্যবহার । এটি ফ্যাটি লিভারের বিকাশের ক্ষেত্রে ঝুঁকির সৃষ্টি করে কারণ অধিক চিনির ব্যাবহার গ্লাইকোজেনে ভাঙ্গার জন্য দায়ী এবং অতিরিক্ত পরিমাণে চর্বি হিসাবে জমা হয়।

 

চায়ে পে চর্চা: দু’টি পাতা একটি কুঁড়ির হাজার গুণাগুন

Different Kinds Of Tea And Their Health Benefits

পিয়ালি মণ্ডল: কমবেশি সবাই চায়ের সবচেয়ে সাধারণ দুটি প্রকারের সঙ্গেই পরিচিত৷ এক কালো চা এবং দুধ চা। কিন্তু আপনি কি জানেন, আটেরও বেশি চা আছে? আর প্রতিটি চায়ের সুবাস-স্বাদ এবং আপনার স্বাস্থ্যর উপকারে এক এবং অনন্য! কিছু সাধারণ সুগন্ধি চা কীভাবে আপনার স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে পারে, সেই সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

সবুজ চা (Green Tea): এই চা পাতাগুলি সর্বনিম্ন অক্সিডাইজড যুক্ত৷ সেজন্য এগুলি থেকে তৈরি চা হালকা রঙের হয়। বিভিন্ন চায়ের মধ্যে এতে অ্যান্টি-অক্সিডেন্টের সর্বোচ্চ মাত্রা এবং সর্বোচ্চ ঘনত্ব রয়েছে৷ এগুলি শরীরের কিছু অংশে ক্যান্সারের সূত্রপাত রোধ করতে সহায়তা করে৷ সেই অঙ্গগুলি হল মূত্রাশয়, স্তন, শ্বাসযন্ত্র, পেট, রেকটাল এবং অগ্ন্যাশয়৷ আপনি কি দীর্ঘ এবং সুস্থ জীবনযাপন করতে চান? গবেষণায় দেখা গিয়েছে, নিয়মিত গ্রিন-টি পান করলে আপনি দীর্ঘায়ু হতে পারেন৷

ওলং চা (Oolong Tea): আপনার উচ্চ রক্তচাপ? ওলং চা আপনাকে সাহায্য করতে পারে উচ্চ রক্তচাপ কমাতে৷ ওলং চা হল গ্রিন-টিকে কালো চায়ে পরিণত করার প্রক্রিয়ার মধ্যম পর্যায়। এটি প্রধানত কোলেস্টেরলের মাত্রা (এলডিএল) কমানোর ক্ষমতার জন্য বিখ্যাত। এটি ভালো কোলেস্টেরল (এইচডিএল) উৎপাদন বৃদ্ধি করতে পারে৷ যা আপনার হৃদয়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করবে।

সাদা চা (White Tea): সাদা চা একই গাছ থেকে আসে৷ যেখান থেকে আপনি সবুজ চা, ওলং বা কালো চা পান। এই পাতাগুলি খোলার আগেই কেটে ফেলা হয় এবং এগুলি সূক্ষ্ম সাদা লোম দ্বারা আবৃত থাকে৷ আপনার কি ওজন বেশি? আপনি যদি ওজন কমাতে চান, তাহলে হোয়াইট টি আপনার প্রতিদিনের সঙ্গী হওয়া উচিত। এটি আপনার ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকিকে কমাতে পারে। হোয়াইট টি’তে রয়েছে ক্যাটেচিন নামক যৌগ৷ যা আপনার হাড়কে শক্তিশালী করে এবং অস্টিওপরোসিস প্রতিরোধ করে।

পু-এরহ চা (Pu-erh-Tea): এটি চায়ের অল্প পরিচিত রূপগুলির মধ্যে একটি৷ যা চা-গাছ থেকে আসে। এটি একটি খুব শক্তিশালী চা এবং এর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা হল. এটি আপনার মস্তিষ্ককে তীক্ষ্ণ, মনোযোগী এবং সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। পু-এরহ চায়ের আর একটি সুবিধা হল, এটি শরীরে রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধিতে খুবই কার্যকর।

Different Kinds Of Tea And Their Health Benefits

ভেষজ চা (Herbal tea): সব চা ক্যামেলিয়া সিনেনসিস থেকে আসে না। ঔষুধি এবং মিষ্টি-গন্ধযুক্ত ভেষজের নির্যাস থেকে তৈরি ব্রুগুলিকে চাও বলা হয়। এখানে কিছু জনপ্রিয় ভেষজ চা এবং তাদের সুবিধা রয়েছে।

ক্যামোমাইল চা ( Chamomile tea): এই চা শুকনো ক্যামোমাইল ফুল থেকে তৈরি হয়৷ এর অনেক উপকারিতা রয়েছে৷ তার মধ্যে হল এটি আপনার অনিদ্রা দূর করে, আপনার স্ট্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং সাধারণ কাশি ও সর্দি প্রতিরোধ করে।

মেন্থল চা (Peppermint tea): পেপারমিন্ট পাতা সিদ্ধ করে ছেঁকে এই চা তৈরি করা হয়৷ যা খুবই উপকার আপনার জন্য৷ কেন আপনার এই চা খাওয়া উচিত? এই চায়ের সুবিধার জন্য৷ এটি আপনার বিপাক গতি বাড়ায়৷ এটি আপনার হজমে সাহায্য করে৷
পেটের ব্যাথা দূর করে।

আদা চা (Ginger tea): সকাল শুরু করার সেরা উপায় কি? অবশ্যই আদা চা পান করা৷ এটি অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে পূর্ণ৷ যা আপনার দেহের প্রদাহ কমাতে এবং আপনার হৃদয়কে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে। এর অন্যান্য সুবিধা হল প্রাকৃতিকভাবে ব্যাথা কমায়, বমি বমি ভাব দূর করে এবং কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে।

হিবিস্কাস চা (Hibiscus tea ): এই চা-পাতা জবা ফুলের নির্যাস থেকে তৈরি হয়৷ এখানে এই চা এর কিছু সুবিধা রয়েছে৷ এই চা ফ্লু প্রতিরোধ করে, উচ্চ রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করে এবং আপনার শরীর থেকে খারাপ কোলেস্টেরল দূর করে।

লেবু চা ( Lemoan tea): লেবু চা আপনার কেন খওয়া দরকার? কারণ, এটি আপনার রক্তনালী থেকে প্লাক দূর করে, আপনার হার্ট-সুস্থ রাখে, আপনার মেজাজ ফুরফুরে করে।

নিয়মিত আখের রস পানে বাড়ে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা

নিউজ ডেস্ক: গত বছর থেকেই গোটা বিশ্ব জুড়ে শুরু হয়েছে করোনার প্রকোপ। বিজ্ঞানীরা বলছেন, এই রোগ থেকে বাঁচার একমাত্র উপায় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলা। ফলে, রোজই মুঠো মুঠো সাপ্লিমেন্ট খেয়ে ইমিউনিটি বাড়ানোর চেষ্টায় আছেন বহু মানুষ। কিন্তু ডাক্তারেরা বলছেন, এতে উলটো ফল হতে পারে। ফলে সিন্থেটিক ওষুধ নয়, ভরসা রাখতে হবে প্রতিদিনের খাবারে। বিশেষত শাক-সব্জি এবং ফল-মূল ইমিউনিটি বাড়িয়ে তুলতে সাহায্য করে।

আরও পড়ুন সানবার্ন-ত্বকের স্পট মুহূর্তে হবে দূর, মধুর ম্যাজিকে হয়ে উঠুন বিউটিফুল

যে কোনও ফলের রসই শরীরের পক্ষে ভালো। কিছু ফলের রস আছে যা খেতেও সুস্বাদু আর স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী। যেমন আখের রস। ভারত সহ বিভিন্ন দেশেই আখের রস বেশ জনপ্রিয়। শীতকালে এই রস শরীর গরম রাখে আবার গরম কালে শরীর ঠান্ডা করে। আখের রস রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তোলে এবং বহু রোগের বিরুদ্ধে লড়াই করার ক্ষমতা যোগায়। এই রস শরীরকে প্রচুর এনার্জি যোগায় ও শরীর ভালো রাখে। এছাড়াও এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার। জন্ডিস, রক্তাল্পতা, অম্বল জাতীয় রোগে খুব কাজে দেয় আখের রস। শরীর ঠাণ্ডা রাখতে এবং গ্যাসট্রিক সমস্যাতেও এর জুড়ি নেই।

DRINK SUGARCANE JUICE TO GET RID OF DISEASES ASSOCIATED WITH HEART |  NewsTrack English 1

আখের রসের গুনাগুন-

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়: আখের রস পান করলে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। ফলে অনেক ধরনের অসুস্থতা থেকে শরীর রক্ষা পায়। করোনার সময়েও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়িয়ে তুলতে নিয়মিত আখের রস পান করার পরামর্শ দিচ্ছেন ডাক্তারেরা।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে: আখ আমাদের শরীরে গ্লুকোজের পরিমাণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে। ডায়বেটিস থাকলেও আখের রস পান করা নিরাপদ। আখের রসের মধ্যে প্রাকৃতিক মিষ্টি আছে, যা ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রনে সাহায্য করে।

লিভার ভাল রাখে: আখের রস লিভারের জন্য অত্যন্ত উপকারী। এটি লিভার সুস্থ রাখে এবং লিভারকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। জন্ডিসের রোগীদের ডাক্তারেরা আখের রস খেতে বলেন।

7 Amazing Benefits of Sugarcane Juice-A Sweet Deal to Good Health

ব্রণ দূর করে: আখের রস ব্রণ থেকে মুক্তি পেতে সাহায্য করতে পারে। আখের মধ্যে রয়েছে উচ্চ মাত্রার সুক্রোজ, যা ক্ষত সারাতে সাহায্য করে। এটি মুখের দাগ দূর করে এবং শরীরের বিষাক্ত বা টক্সিক উপাদান পরিষ্কার করে।

উজ্জ্বল ত্বক: গ্রীষ্মকালের কড়া রোদ এবং ঘামের কারণে ত্বক উজ্জ্বলতা হারায়। আখের রস ত্বককে সুস্থ ও উজ্জ্বল রাখতে সাহায্য করে। আখের মধ্যে থাকা সুক্রোজ শরীরের টক্সিক উপাদান পরিস্কার করে।

আরও পড়ুন পুদিনার ম্যাজিক! উজ্জ্বল ত্বক পেতে জেনে নিন পুদিনার উপকারিতা

ওজন কমায়: আখের মধ্যে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ফাইবার, যা ওজন কমাতে সাহায্য করে। এটি শরীরের বিপজ্জনক কোলেস্টেরলের মাত্রা কমায়, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে এবং হার্ট ভালো রাখে।

হাড় শক্ত করে: আখের রসে ক্যালসিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, ফসফরাস, আয়রন এবং পটাশিয়াম রয়েছে – এই সমস্ত উপাদান হাড়ের স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।