Sonia Gandhi: নিজেকে পূর্ণ সময়ের সভাপতি বলে দাবি সোনিয়ার

sonia gandhi

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: দীর্ঘ দুই বছর পর কংগ্রেসের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক হল। এই বৈঠকে আরও একবার দলের নিয়ন্ত্রণ নিজের হাতে তুলে নিলেন কংগ্রেসের অন্তর্বর্তী সভাপতি সোনিয়া গান্ধী। দলের ওয়ার্কিং কমিটির নেতাদের সাফ জানালেন, আপাতত আগামী এক বছর তিনিই দলের পূর্ণ সময়ের সভাপতি। ২০২২ এর সেপ্টেম্বর মাসে কংগ্রেসের নতুন সভাপতি নির্বাচন হবে বলেও জানালেন নেত্রী।

শনিবারের ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে কার্যত নিয়ন্ত্রণ ছিল পুরোপুরি সোনিয়ার হাতেই। দলের বিক্ষুব্ধ ২৩ জন নেতাকেও এদের নেত্রী কড়া বার্তা দিয়েছেন। সোনিয়া স্পষ্ট বলেছেন, কারও কোনও বিষয়ে অভিযোগ থাকলে সংবাদমাধ্যমের কাছে সে কথা বলার কোন দরকার নেই। সরাসরি আমাকে সব কিছু বলুন। আমি চেষ্টা করব আপনাদের সমস্যার সমাধান করতে। কংগ্রেসের পুনরুজ্জীবনের জন্য সকলকেই কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করতে হবে।

এখন প্রশ্ন হল, কেন কংগ্রেস সভাপতি পদে নির্বাচন আরও এক বছরের জন্য স্থগিত রাখা হল। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, ২০২২- এর শুরুতেই চার রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন রয়েছে। দলের নতুন সভাপতি নির্বাচন নিয়ে এখনই তাই সময় নষ্ট করার কোনও মানে হয় না। সভাপতি নির্বাচন করতে গিয়ে দলের গোষ্ঠী কোন্দল আরও বাড়তে পারে। বরং ওই চার রাজ্যের নির্বাচনে কিভাবে দলকে নিজের পায়ে দাঁড়ানো করানো যায় সে বিষয়ে মনোনিবেশ করতে চান নেত্রী। সে কারণেই তিনি সভাপতি নির্বাচন আগামী সেপ্টেম্বর পর্যন্ত পিছিয়ে দিয়েছেন।

বছরখানেক ধরে দলের ২৩ জন প্রবীণ নেতা সোনিয়া-রাহুলের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। এই দলীয় কোন্দল নিয়ে এদিন বেশ কিছুটা সময় ব্যয় করেছেন সোনিয়া।

এই প্রবীণ নেতাদের গোষ্ঠী জি-২৩কে সোনিয়া বলেন, সংবাদমাধ্যমের সামনে আপনারা কেন কথা বলেন! আপনাদের কিছু বলার থাকলে সরাসরি আমাকে জানান। নিজেদের মধ্যে কাদা ছোড়াছুড়ি না করে বরং রাজ্যে রাজ্যে কিভাবে কংগ্রেসকে নিজের পায়ে দাঁড়ানো যায় সেদিকে খেয়াল রাখুন। নিজেদের মধ্যে বিবাদ করতে গিয়ে মাঝখান থেকে কংগ্রেস প্রতিটি জায়গায় জমি হারাচ্ছে। আপনাদের মত প্রবীণ নেতাদের উচিত কংগ্রেসকে পুনরুজ্জীবিত করা। কংগ্রেসকে মৃত্যুর দিকে ঠেলে দেওয়া নয়।

INC: ‘রাহুল না পসন্দ’ সমর্থকদের মেসেজ ঝড় নেত্রী হোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী

Priyanka Gandhi

নিউজ ডেস্ক: পূর্ববর্তী লোকসভা ভোটের পর বিজেপি তথা এনডিএ শিবিরের কাছে পরাজয় মেনে নিয়ে কংগ্রেস সর্বভারতীয় সভাপতির পদ থেকে ইস্তফা দেন রাহুল গান্ধী। ফের কার্যকরী সভাপতির দায়িত্ব তুলে নেন সোনিয়া। এবার কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে সাংগঠনিক মুখের বদল হওয়ার প্রবল ইঙ্গিত আসছে।

নয়া দিল্লিতে কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠক থেকেই আসন্ন উত্তর প্রদেশ, গোয়া, পাঞ্জাব সহ বাকি বিধানসভা ও আগামী লোকসভা ভোটের রূপরেখা তৈরি হবে। তবে কংগ্রেসের প্রাথমিক নজর উত্তর প্রদেশের ভোট।

সূত্রের খবর, দলের সভাপতি হিসেবে পুনরায় রাহুল গান্ধী নির্বাচিত হতে চলেছেন। তবে নির্বাচনী লড়াইয়ের মুখ হবেন তাঁর বোন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (Priyanka Gandhi)। ইতিমধ্যে সমর্থক ও সাংগঠনিক সর্বনিম্ন স্তর থেকে লাগাতার মেসেজ ঝড়ে অতিষ্ঠ কেন্দ্রীয় নেতারা। দাবি উঠেছে, প্রিয়াঙ্কার নেতৃত্বে লড়াই করার।

উত্তর প্রদেশ বিধানসভা ভোটের আগে প্রিয়াঙ্কা যেভাবে রাজনৈতিক কর্মসূচিতে নেমেছেন তাতে আশাবাদী কংগ্রেস সমর্থকরা। তবে অতি বড় কংগ্রেস সমর্থকও জানেন, এই রাজ্যে এখনই কংগ্রেসের সরকার গঠনের সম্ভাবনা নেই। তবে প্রিয়াঙ্কার নেতৃত্বে কংগ্রেস লড়লে ফল ‘ভালো হবেই’।

উত্তর প্রদেশ সহ পশ্চিম ভারত জুড়ে কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে কৃষক আন্দোলন গোটা দেশেই ছড়িয়েছে। সাম্প্রতিক লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মারার ঘটনায় প্রবল বিতর্কে বিজেপি। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর বিরুদ্ধে ক্রমাগত হুঁশিয়ারি দিয়ে চলেছে কৃষক সংগঠনগুলির যৌথ মঞ্চ সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা।

কৃষক আন্দোলনের ধাক্কায় উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানায় বিজেপি ভোট সমর্থনে নেমেছে ধস। কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী খোদ প্রধানমন্ত্রীবিদ্ধস্ত নীরবতা নিয়ে বারবার প্রশ্নে বিদ্ধ করেছেন। তাঁর গ্রেফতারিতে চাঙ্গা হয়েছে কংগ্রেস। এর পরেই প্রধানমন্ত্রী মোদীর সংসদীয় এলাকা বারণসীতে প্রিয়াঙ্কার জনসভার ভিড়ে বিজেপি চিম্তিত।
কংগ্রেস ওয়ার্কিং কমিটির কাছে দুটি প্রশ্ন আসছে, ভোটে লড়াইয়ের নীতি কী হবে? আর প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে পুরোপুরি কখন থেকে নামানো হবে ? সূত্রের খবর, ইন্দিরা নাতনি প্রিয়াঙ্কা হতে চলেছেন কংগ্রেসের পোস্টার গার্ল।

lakhimpur Kheri: নিহত কৃষকদের শ্রদ্ধা জানাতে পরপর মিছিল, জমায়েতে কড়া নজর যোগীর

Lakhimpur violence

নিউজ ডেস্ক: লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে ‘মেরে ফেলার’ ঘটনায় উত্তর প্রদেশের রাজনীতি প্রবল তপ্ত। মঙ্গলবার সংযুক্ত কৃষক মোর্চার আহ্বানে ‘শহিদ কিষাণ দিবস’ পালিত হবে। কৃষক মৃত্যুর কেন্দ্র লখিমপুর খেলার তিকোনিয়া গ্রামে কৃষক সংগঠনগুলি জমায়েত করছে।

জমায়েত উপলক্ষে লখিমপুর খেরির দিকে পরপর কৃষক মিছিল ঘিরে পরিস্থিতি রীতিমতো উত্তপ্ত। উত্তর প্রদেশের বিভিন্ন জেলা থেকে আসছে মিছিল। এছাড়াও পাঞ্জাব, হরিয়ানা থেকেও কৃষকদের মিছিল আসতে শুরু করেছে।

Lakhimpur violence

সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা জানিয়েছে, মঙ্গলবার লক্ষাধিক কৃষক জমায়েত হবে।গনসমাবেশ থেকে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলায় ধৃত আশিস মিশ্রর জেলের সাজা ও তার পিতা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রকে বরখাস্ত করার দাবি তোলা হবে।

স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রকে পদ থেকে সরানোর দাবি জানান সারা ভারত কৃষকসভার সাধারন সম্পাদক হান্নান মোল্লা। পশ্চিমবঙ্গের প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদের দাবির পরেই উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে কৃষক সংগঠনগুলি একযোগে আক্রমণ শুরু করেছে।

গত ৩ অক্টোবর মোদী সরকারের আনা নতুন কৃষি আইনের প্রতিবাদে লখিমপুর খেরিতে কৃষক সমাবেশ ছিল। অভিযোগ, সেই সমাবেশ থেকে কৃষকরা যখন ফিরছিলেন তখন তাদের উপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র আশিস। এই ঘটনায় মোট মৃত ৯ জন। এদের মধ্যে চার জন কৃষক।

RSS: দুর্গাপূজার মাঝেই সংঘ সদরে পরাজয়ের বিষাদ সুর

RSS

নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) মূখ্য কার্যালয়ে দুর্গাপূজার মাঝেই বাজছে বিষাদ সুর। মহারাষ্ট্রে ক্রমশ জমি হারাচ্ছে সংঘের রাজনৈতিক শাখা বিজেপি। খোদ সংঘ সদর কার্যালয় নাগপুর (Nagpur) জেলায় বিরাট ধস নেমেছে।
মহারাষ্ট্র পঞ্চায়েত ও জেলা পরিষদ নির্বাচনে নাগপুর জেলাতে আরএসএসের বোলবোলাও কমতি লক্ষনীয়। সেখানে ভাগ বসিয়েছে কংগ্রেস। নাগপুর জেলা পরিষদের ১৬টি আসনের মধ্যে ৯টি দখল করে নিয়েছে কংগ্রেস। বিজেপির দখলে তিনটি। নাগপুর পঞ্চায়েত সমিতি ও পুর নিগমের জনসমর্থন ঢলতে শুরু করেছে কংগ্রেসের দিকে। 

নাগপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকেই বিজেপির সুপার হেভিওয়েট নীতীন গডকরি সাংসদ। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের বাড়ি নাগপুরেই। তার থেকেও উল্লেখযোগ্য, নাগপুরে আরএসএস কার্যালয় থেকেই কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বে চলা এনডিএ জোট সরকার নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।

এদিকে উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগেই সংঘ সদরে ভোটের ধস নেমে যাওয়ায় উল্লসিত কংগ্রেস শিবির। মহারাষ্ট্র প্রদেশ কংগ্রেস নেতাদের ধারণা, এই ধাক্কা দেখা যাবে উত্তর প্রদেশে।

বিজেপির অন্যতম ভরসার রাজ্য এখন কৃষক আন্দোলনে তপ্ত। লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার মামলায় প্রবল অস্বস্তিতে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। এই মামলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় শর্মার পুত্র আশিস শর্মা গ্রেফতার হয়েছেন। অভিযোগ, তার নির্দেশে লখিমপুর খেরিতে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কৃষকদের উপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়া হয়েছে।

উত্তর প্রদেশের কৃষক আন্দোলনের রেশ এই রাজ্যের বিধানসভা ভোটে পড়তে চলেছে। এমনই আশঙ্কা সংঘ পরিবারের। তাৎপর্যপূর্ণ, সংঘ পরিবারও কৃষকদের উপর জোরজবরদস্তির বিরোধিতা করে। এতে অস্বস্তিতে পড়েন প্রধানমন্ত্রী মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

খবর এও এসেছে, পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজার পর পরই বিজেপিতে ধরে নামতে চলেছে। ডজন খানেক বিধায়ক দলত্যাগ করতে চলেছেন। বেশ কিছু সাংসদ দলত্যাগ করবেন। পশ্চিমবঙ্গের মতো ত্রিপুরায় বিজেপির ভাঙন স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।

Survey: দেশের ৪০ শতাংশ মানুষ রাহুল গান্ধীকে পছন্দ করে না

rahul ghandhi

নিউজ ডেস্ক: ২০২০ এর শুরুতেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। কিন্তু ওই সমস্ত রাজ্যগুলিতে করা এক সমীক্ষায় উঠে এসেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। সমীক্ষায় অংশ নেওয়া ৪০ শতাংশেরও বেশি মানুষ জানিয়েছেন, তাঁরা রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) কাজকর্মে আদৌ খুশি নন। বিধানসভা ভোটের আগে সমীক্ষার এই ফলাফল কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বকে বিপাকে ফেলেছে।

এবিপি-সি করা সমীক্ষায় দেখা যাচ্ছে, রাহুল গান্ধীকে পছন্দ করছেন না ৪০.৫ শতাংশ মানুষ। তাঁরা জানিয়েছেন কিভাবে রাজনৈতিক কাজ করতে হয় সেই ধারণাটুকু রাহুলের নেই। রাহুলের পাশে দাঁড়িয়েছেন মাত্র ১৮.৫ শতাংশ মানুষ। পাশাপাশি ২১ শতাংশ মানুষ রাহুলের আচার-আচরণ ও কাজ নিয়ে কোনও মন্তব্য করতে চাননি উত্তরাখান্ড, উত্তরপ্রদেশ, গোয়া, মণিপুর ও পাঞ্জাব এই পাঁচ রাজ্যের ৬৯০টি বিধানসভা কেন্দ্রে এই সমীক্ষা চালিয়েছিল এবিপি-সি ভোটার। প্রায় ১ লাখ মানুষের মতামত সংগ্রহ করা হয়েছে। ৪ সেপ্টেম্বর থেকে ৪ অক্টোবর একমাস ব্যাপী এই সমীক্ষা করা হয়েছে।

পাঞ্জাবে সরকারের রয়েছে কংগ্রেস। কিন্তু ওই রাজ্যের ৫৩ শতাংশ মানুষ বলেছেন, রাহুল গান্ধীর কাজ তাঁরা একেবারেই পছন্দ করেন না। পাঞ্জাবে রাহুলের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন মাত্র ৬.৭ শতাংশ মানুষ। উত্তরাখণ্ডে সর্বোচ্চ ৫৪.১ শতাংশ মানুষ রাহুলকে পছন্দ করেন না।

এরপরে মণিপুরে ২৭.৪ শতাংশ, উত্তরপ্রদেশে ৪৬.২ শতাংশ এবং গোয়ায় ১৬.১ শতাংশ মানুষ রাহুলের কাজে খুশি নন।

Lakhimpur kheri: ছাউনি ঘেরা পুরো এলাকা, জেরায় জেরবার মন্ত্রীর পুত্র

Lakhimpur violence ashis-mishra

নিউজ ডেস্ক: হাজিরার কথা ছিল শুক্রবার। তার আগেই প্রতিবেশি দেশ নেপালের সীমান্ত শহরে ঢুকে সেফ পজিশন নিয়েছিলেন উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে (lakhimpur kheri) কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার মূল অভিযুক্ত আশিস মিশ্র। স্বরাষ্ট্র রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র শনিবার প্রবল উত্তেজনার মধ্যে হাজিরা দিলেন ক্রাইম ব্রাঞ্চের সামনে।

সূত্রের খবর শেষ রাতে নেপালে সীমান্ত পেরিয়ে অভিযুক্ত আশিস ফের আসে লখিমপুর খেরি। আইনজীবীরাদের পরামর্শ নিয়ে ক্রাইম ব্রাঞ্চের সামনে উপস্থিত হয়। এক আইনজীবী তার সঙ্গে জেরা কক্ষে ঢুকেছেন।

শনিবার হাজিরা না দিলে জারি হবে হুলিয়া। এমনই হুঁশিয়ারি দেয় ক্রাইম ব্রাঞ্চ। তবে সবই হয় সুপ্রিম কোর্টেরর নির্দেশে। লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার মামলায় মূল অভিযুক্ত কেন গ্রেফতার হয়নি, এই প্রশ্ন করে সুপ্রিম কোর্স। প্রবল অস্বস্তিতে পড়ে যায় উত্তর প্রদেশে বিজেপি সরকার। সারা ভারত কৃষকসভা অন্যান্য কৃষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সবকিছু চাপা দিতে চাইছেন।

Lakhimpur Kheri

লখিমপুর খেরিতে কৃষকরা কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতা করছিলেন। গত রবিবার সেখানেই কৃষক জমায়েতে প্রবল গতিতে গাড়ি চালিয়ে দেওয়া হয়েছিল। সেই ঘটনায় চার কৃষক সহ মোট ৯ জন মৃত।

অভিযোগ, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী তথা লখিমপুর খেরির বিজেপি সাংসদ অজয় মিশ্রের পুত্র আশিস ইচ্ছাকৃত হামলা করেছিল। ঘটনার পর থেকে বারবার তাকে গ্রেফতারের দাবি ওঠে। অভিযোগ, রাজ্য সরকার তাকে মামলা থেকে সরাতে পরপর পরিকল্পনা করেছে। তবে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশে সরকার জেরা করতে উদ্যোগী হয়।
আশিস মিশ্রকে দ্রুত গ্রেফতার করতে হবে। এমনই দাবি, কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, রাহুল গান্ধীর। উত্তর প্রদেশের দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সমাজবাদী পার্টির অখিলেশ যাদব ও বহুজন সমাজ পার্টির মায়াবতী তীব্র ক্ষোভ দেখিয়েছেন। লখিমপুর খেরির ঘটনায় বিধানসভায় ভোটের আগে প্রবল উত্তপ্ত উত্তর প্রদেশ।

Lakhimpur Kheri: কৃষকদের ‘খুন’, সুপ্রিম ধাক্কায় যোগীর পুলিশ জেরা করবে মন্ত্রীর পুত্রকে

up_police_pastes_notice

নিউজ ডেস্ক: লখিমপুর খেরির (Lakhimpur kheri) ঘটনায় সুপ্রিম কোর্ট প্রশ্ন তুলেছে, কতজন অভিযুক্ত গ্রেফতার? হতচকিত উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকারের কাছে এর উত্তর ছিল না। শীর্ষ আদালতে প্রবল ধাক্কা খেয়ে অবশেষে নড়ে চড়ে বসল যোগী সরকারের পুলিশ। মূল অভিযুক্ত আশিস মিশ্রকে জেরায় হাজিরা দিতে নোটিশ দেওয়া হলো।

সূত্রের খবর, এই নোটিশ পেয়েই স্বরাষ্ট্র রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র ভেঙে পড়েছেন। তাঁর পরিবার তীব্র আতঙ্কিত। মন্ত্রী ও তাঁর পুত্র আশিসের আশঙ্কা জেরা করার পরেই গ্রেফতার করবে পুলিশ।

বিশেষ সূত্রের খবর, লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দেওয়ার মামলা ‘নরম’ করতে নয়াদিল্লিতে জরুরি ভিত্তিতে যান মন্ত্রী অজয় মিশ্র। যদিও তিনি জানান, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে কিছু গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার জন্য কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ডেকেছিলেন।

তবে কৃষক সংগঠনগুলি অবস্থানে অনড়।সারাভারত কৃষক সভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লার দাবি, উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মারার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হোক। মূল অভিযুক্ত স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রীর পুত্র আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার করা হোক। অন্যান্য কৃষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ সবকিছু আড়াল করছেন।

কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতায় লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের জমায়েতে প্রবল গতিতে গাড়ি ঢুকে পড়ে। গাড়ির ধাক্কায় মোট ৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এদের চার জন কৃষক। মৃত কৃষকদের পরিবার পিছু আর্থিক সাহায্য ও সরকারি চাকরি দেওয়া হবে জানায় উত্তর প্রদেশ সরকার।

কৃষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র ইচ্ছে করে কৃষকদের উপর দিয়ে গাড়ি চালিয়ে দেয়। একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে। তার জেরে আরও উত্তপ্ত পরিস্থিতি। অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, ঘটনার সময় তাঁর পুত্র ছিলেন না।

Lakhimpur Kheri: রাজনীতির একমঞ্চে এবার রাহুল-বরুণ-প্রিয়াঙ্কা?

priyanka gandhi Rahul gandhi Maneka gandhi Varun gandhi

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: ইন্দিরা গান্ধী জীবিত থাকতে যে পারিবারিক চিড় ধরেছিল, সেই ঘরোয়া আয়না ভেঙেছে। জোড়াতালি দিতে কিছুটা চেষ্টা হয়েছিল প্রিয়াঙ্কার (priyanka gandhi) বিবাহ অনুষ্ঠানে। মিষ্টিমু়খ করেন সবাই। কিন্তু ওইটুকুই। গান্ধী পরিবার কংগ্রেস ও বিজেপিতে ভাগাভাগি হয়ে থেকে গিয়েছে। কংগ্রেস পক্ষ সোনিয়া-রাজীব প্রজন্ম রাহুল  (Rahul gandhi) আর প্রিয়াঙ্কা। আর বিজেপি পক্ষ মানেকা গান্ধী ও পুত্র বরুণ।

স্বামী সঞ্জয় গান্ধীর মৃত্যুর পর থেকেই নীরব মানেকা বরাবর শাশুড়ি ইন্দিরার প্রতিপক্ষ। সেই সুযোগে বিজেপির জাতীয়স্তরের নেত্রী, মন্ত্রী। পুত্র বরুণ একইভাবে মাতৃভক্ত। তিনিও বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্য ও সাংসদ।

সদ্য উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে (Lakhimpur Kheri) কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার ঘটনায় দেশ উত্তাল। মোট ৯ জন মৃত। এদের ৪ জন কৃষক। কেন্দ্রের মোদী সরকারের কৃষি আইনের বিরুদ্ধে জমায়েতে এই ঘটনা ঘটে। কৃষকদের উপর এমন নৃশংস হামলার কড়া প্রতিক্রিয়া দিচ্ছিলেন বিজেপি সাংসদ বরুণ গান্ধী। পরপর টুইট করে বিজেপি নেতা, সরকারের কড়া সমালোচনা করেন তিনি। বরুণের সঙ্গে সুর মেলান মা মানেকা।

হেভিওয়েট মানেকা-বরুণের টুইটে আরও বিব্রত হয় উত্তর প্রদেশের যোগী সরকার। একইভাবে কেন্দ্রের মোদী সরকারও বিব্রত হচ্ছে। এই অবস্থায় বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির সদস্যপদ থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে মানেকা গান্ধী ও বরুণ গান্ধীকে। তবে সাংসদ ও দলীয় সদস্য পদ এখনও আছে দুজনেরই।

গত কয়েকদিন ঘরেই লখনউ ও নয়াদিল্লির রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন বিজেপি থেকে বহিষ্কৃত হতে পারেন মানেকা গান্ধী। তাঁর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ নিলে বরুণও দলত্যাগ করবেন। এই গুঞ্জনের রেশ আরও জমাট হয়েছে দুজনকেই বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির পদ থেকে বহিষ্কার করায়।

মনে করা হচ্ছে উত্তর প্রদেশ বিধানসভা ভোটের আগেস কংগ্রেসের মঞ্চে দেখা যেতে পারে রাহুল-বরুণ-প্রিয়াঙ্কাকে। এখন গান্ধী পরিবারের দুই অভিভাবক সোনিয়া ও মানেকা। তাঁরা কী করবেন? কাটবে সেই গুমসুমি ভাব। যার সৃষ্টি রাজীব ও সঞ্জয়কে ঘিরে খোদ ইন্দিরা তৈরি করেছিলেন বলে অভিযোগ রয়েছে বিস্তর।

Lakhimpur Kheri: কৃষকের ‘পিষে মারা’ রিপোর্ট দু’মাস পর আসবে! BJP মন্ত্রীর পুত্র ‘অধরা’

Lakhimpur Kheri

নিউজ ডেস্ক: লখিমপুর খেরিতে গাড়ি চাপা দিয়ে কৃষকদের পিষে মারা হয়েছে বলে দাবি মৃতদের পরিবার সহ সর্বভারতীয় কৃষক সংগঠনগুলির। এই দাবি আদৌ কতটা সত্য তা জানতে এক সদস্যের কমিটি গঠন করল উত্তর প্রদেশ সরকার। এলাহাবাদ হাই কোর্টের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি প্রদীপকুমার শ্রীবাস্তব সবদিক খতিয়ে দেখবেন। তিনি রিপোর্ট দেবেন দু মাস পরে।

এদিক মৃত কৃষকদের আত্মীয়দের অভিযোগ, হামলাকারী আশিস মিশ্রকে কেন গ্রেফতার করছে না রাজ্য সরকার। সারাভারত কৃষকসভা, ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন সহ বিভিন্ন কৃষক সংগঠনের আরও অভিযোগ, যোগী আদিত্যনাথ সবকিছু চাপা দিতে চাইছেন। যদিও তিনি জানান, লখিমপুর খেরির ঘটনায় কড়া তদন্ত হবে।

অভিযুক্ত হামলাকারী আশিস মিশ্রের পিতা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র। তিনি লখিমপুর খেরির বিজেপি সাংসদ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সহকারী মন্ত্রীর পদে রয়েছেন। তাঁর দাবি, ঘটনাস্থলে ছিল না আশিস। তবে যে গাড়ির ধাক্কায় মারা গিয়েছেন কৃষকরা সেটি তাঁর পুত্রের। চাপে পড়ে স্বীকার করেছেন মন্ত্রী।

গত ৩ অক্টোবর নেপাল সীমান্ত লাগোয়া লখিমপুর খেরিতে কেন্দ্রের মোদী সরকার যে কৃষি আইন এনেছে তার প্রতিবাদ চলছিল। জমায়েতের মধ্যে একটি গাড়ি প্রবল গতিতে ঢুকে পড়ে। ভাইরাল ভিডিওতে স্পষ্ট, ওই গাড়ির ধাক্কায় কয়েকজন ছিটকে পড়ছেন। এই ঘটনায় মৃত মোট ৯ জন। জানা গিয়েছে, মৃতদের মধ্যে ৪ জন কৃষক। এক সাংবাদিক। হামলাকারী গাড়ির তিনজন। আর একজন সাধারণ ব্যক্তি।

লখিমপুর খেরির ঘটনায় প্রধানমন্ত্রী নীরব। কংগ্রেস নেতা প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর অভিযোগ, আইনের শাসন নেই উত্তর প্রদেশে। রাহুল গান্ধীকে সাথে নিয়ে তিনি দেখা করেন মৃত কৃষকদের পরিবারের সঙ্গে।

Lakhimpur Kheri: ‘সাময়িক জেল’ থেকে বেরিয়ে রাহুলকে সঙ্গে নিয়ে মৃত কৃষকের বাড়িতে প্রিয়াঙ্কা

Rahul and Priyanka Gandhi arrive at Lakhimpur Kheri

নিউজ ডেস্ক: বন্দিত্ব কাটল। সীতাপুর গেস্ট হাউসের ‘সাময়িক জেল’ থেকে বেরিয়ে এলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী (Priyanka Gandhi)। তাঁকে সঙ্গে নিয়েই রাহুল গান্ধী (rahul gandhi) পৌঁছে গেলেন লখিমপুর খেরিতে (lakhimpur kheri) গাড়ি চাপা দিয়ে ‘মেরে ফেলা’ কৃষকদের পরিবারের কাছে।

সংবাদ সংস্থা ANI জানাচ্ছে, রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী রাতে পৌঁছান মৃত কৃষক লাভপ্রীত সিংয়ের বাড়িতে। মৃতের আত্মীয়রা রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন। কেন মূল অভিযুক্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র আশিস মিশ্র পুলিশি হেফাজতের বাইরে সেই প্রশ্ন তুলেছেন মৃতের আত্মীয়রা।

Rahul and Priyanka Gandhi arrive at Lakhimpur Kheri

দিনভর লখনউয়ে রাজনৈতিক উত্তাপ ছিল। তীব্র চাপের মুখে অবশেষে রাহুল গান্ধীকে লখিমপুর খেরি যেতে অনুমতি দেয় উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকার। বিমান বন্দরে রাহুল গান্ধীর সঙ্গে ছিলেন পাঞ্জাব ও ছত্তিসগড় দুই কংগ্রেস শাসিত রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। দুই রাজ্য সরকার লখিমপুর খেরিতে মৃতদের পরিবার পিছু ৫০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিচ্ছে।

লখিমপুর খেরিতে কৃষি আইনের বিরোধিতায় কৃষকদের জমায়েতে গাড়ি চালিয়ে তীব্র বিতর্কের মুখে কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পুত্র। অভিযোগ গাড়ি চাপা দিয়ে কৃষকদের খুন করা হয়। এই ঘটনায় মূল অভিযুক্ত আশিস মিশ্রের পিতা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র। অভিযোগ, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ ও কেন্দ্রের বিজেপি সরকার পুরো ঘটনা চাপা দিতে মরিয়া চেষ্টা করছে।

Rahul and Priyanka Gandhi arrive at Lakhimpur Kheri

লখিমপুর খেরিতে মোট মৃতের সংখ্যা ৯ জন। তাদের পরিবার পিছু ৪৫ লক্ষ টাকা ও সরকারি চাকরির ব্যবস্থা ঘোষণা করেছে যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসন। তবে সারা ভারত কৃষক সভা ও ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের দাবি, হামলাকারী আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার করতে হবে।

পরিস্থিতি আরও উত্তপ্ত হচ্ছে। ANI জানাচ্ছে, উত্তরাখণ্ডের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রবীণ কংগ্রেস নেতা হরিশ রাওয়াত বিশাল সমর্থক বাহিনী নিয়ে লখিমপুর খেরি আসছেন। দেরাদুন থেকে ১ হাজার ট্রাক ভাড়া করেছে কংগ্রেস। এই বিশাল সংখ্যক কংগ্রেস সমর্থক ঢুকলে এলাকার পরিস্থিতি তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ হবে বলে আশঙ্কা।

Lakhimpur Kheri: মোদী-‘ঠোঙ্গি’ সবেতেই ‘বকওয়াস’, কৃষক খুনে নীরব, কংগ্রেসি কানহাইয়ার হামলা

Lakhimpur Kheri Modi jogi-kanahya kumar

নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি সিপিআই (CPI) ছেড়েছেন। এর পরেই ঘটেছে উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে (Lakhimpur Kheri) কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে ‘খুন’ ইস্যু। বর্তমান কংগ্রেস (INC) নেতা কানহাইয়া কুমারের (Kanhiya Kumar) যুক্তি ও প্রশ্ন হামলার মুখে পড়তে শুরু করলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। একের পর এক টুইট হামলায় মোদীকে জর্জরিত করতে শুরু করেছেন কানহাইয়া।

উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের উপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়া ও মোট ৯ জনের মৃত্যুর জেরে গোটা দেশ উত্তাল। কানহাইয়া কুমার তাঁর বর্তমান দলনেতা রাহুল গান্ধী, দলনেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সমর্থনে প্রশ্লবাণে মোদী, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ, কেন্দ্র ও সংশ্লিষ্ট রাজ্যের বিজেপি সরকারকে যুক্তি জালে ঘিরতে শুরু করলেন।

কংগ্রেস নেতা কানহাইয়ার যুক্তি, সব বিষয়ে ‘বকওয়াস’ (অযৌক্তিক কথা) করা প্রধানমন্ত্রী কৃষকদের মৃত্যুর পর নীরব। তাঁর নীরব থাকার রহস্য হয় তিনি কৃষকদের অন্ন খান না। বা তিনি বেইমানির কমিশন খান।

উত্তর প্রদেশের (UP) মু়খ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথকে কটাক্ষ করে কানহাইয়ার টুইট, ‘ঠোঙ্গি জী’ যতটা শক্তি দেখিয়ে বিরোধীদের আটকাচ্ছেন, ততটা শক্তি দিয়ে বিজেপির অহঙ্কারি মন্ত্রী ও তার গোল্লায় যাওয়া পুত্রের গাড়ি আটকাতেন তাহলে নির্দোষ কৃষকদের জীবন যেত না। নিজের দেশের কোথাও যেতে পাসপোর্ট লাগবে নাকি ? কানহাইয়া কুমারের টুইট রাহুল গান্ধী ও প্রিয়াঙ্কার টুইটের চেয়েও ঝড়ের গতিতে দেশ জুড়ে ছড়াতে শুরু করেছে। পরপর টুইটে আক্রমণ শুরু করেছেন কানহাইয়া।

কৃষক একতা মঞ্চ, সারা ভারত কৃষক সভা (AIKS) ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন (BKU) সহ বিভিন্ন কৃষক সংগঠনের দাবি, নিহতদের পকিবার পিছু আর্থিক ক্ষতিপূরণ বা সরকারি চাকরি দিয়ে এই ক্ষত মেটানো যাবে না। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রীর পুত্র আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার করতে হবে।

লখিমপুর খেরির ঘটনায় কেন আশিস মিশ্রকে তাকে গ্রেফতার করা হয়নি প্রশ্ন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। তবে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্র জানান, তাঁর পুত্র ঘটনাস্থলে ছিল না। এদিকে ভাইরাল ভিডিওতে উঠে এসেছে আশিস মিশ্রর গাড়ি কৃষকদের পিছন থেকে পিষে মারছে।

Lakhimpur kheri: যোগীর নিষেধাজ্ঞা, ‘কৃষক গণহত্যা’ কেন্দ্রে যেতে বাধা রাহুল গান্ধীকে

Rahul Gandhi

নিউজ ডেস্ক: তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিনিধিরা ছাড় পেলেন,তবে কেন বাধা কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে (Rahul Gandhi)। প্রবল বিতর্ক উত্তর প্রদেশে। আগেই গ্রেফতার করা হয়েছে প্রধান গান্ধীকে। সংবাদ সংস্থা ANI জানাচ্ছে, উত্তর প্রদেশ সরকার বাতিল করেছে কংগ্রেসের তরফে লখিমপুর খেরি (Lakhimpur kheri) যাওয়ার আবেদন।

রাহুল গান্ধীর অভিযোগ, লখিমপুর খেরিতে ১৪৪ ধারা লাগু থাকায় নিয়মানুসারে ৫ জন গেলে পুলিশ আটকাতে পারে। আমরা তিনজন যাচ্ছিলাম। কেন আটকানো হয়েছে। বিরোধী দল হিসেবে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া।

মঙ্গলবার দিনভর লখিমপুর খেরি ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ তুঙ্গে ছিল। প্রথমে পুলিশের চোখে ধুলো দিয়ে সেখানে ঢুকে পড়েন সারা ভারত কৃষকসভার নেতৃত্বরা। এতে হতচকিত হয়ে যায় যোগী আদিত্যনাথের প্রশাসন। কী করে তারা ঢুকলেন তা নিয়ে রাজ্য পুলিশ প্রবল চাপের মুখে পড়ে। বাম কৃষক সংগঠনটির নেতৃত্বে লাগাতার কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতায় লক্ষাধিক কৃষক আন্দোলন করছেন। আন্দোলন চালাচ্ছে ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন।

লখিমপুর খেরিতে কৃষক জমায়েতের উপর গাড়ি চালিয়ে অভিযুক্ত বিজেপির হেভিওয়েট নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রের পুত্র আশিস। মৃত ৯ জন। এদের ৬ জনই কৃষক। আশিস মিশ্রকে গ্রেফতারির দাবি তুলেছেন কৃষকসভার সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ হান্নান মোল্লা।

এই দাবির পরেই উত্তর প্রদেশ সরকার পুরো এলাকা পুলিশ দিয়ে ঘিরে রাখে। সেই ঘেরাও পেরিয়ে কৃষক সভার পরে পৌঁছে যান তৃণমূল কংগ্রেস প্রতিনিধিরা। তারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বার্তা দেন। বলেন, লখিমপুর খেরিতে সিঙ্গুর নন্দীগ্রামের মতো আন্দোলন করতে তৃ়ণমূল সাহায্য করবে। পশ্চিমবঙ্গে বাম জমানায় এই দুটি জমি আন্দোলনের কারণে টিএমসি রাজনৈতিক মাইলেজ পেয়ে সরকার গড়েছে। লখিমপুর খেরির রক্তাক্ত ঘটনার পর সেখানে ঢুকতে পারেননি উত্তর প্রদেশের দুই প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব ও মায়াবতী।

Lakhimpur Kheri: গ্রেফতার কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী, আরও বিতর্কে বিজেপি

priyanka gandhi Arrested

নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে খুনের ঘটনায় ভাইরাল ভিডিও উত্তেজনা ছড়ানোর অভিযোগে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর (priyanka gandhi) বিরুদ্ধে।

১৪৪ ধারা ভাঙার অভিযোগে  সীতাপুরে গান্ধী পরিবারের কন্যাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সীতাপুর গেস্ট হাউসকেই সাময়িক জেল বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। পরপর নাটকীয় মুহূর্ত চলছে লখনউয়ের রাজনীতিতে। সেই ধাক্কা লাগছে দেশের সর্বত্র।

লখিমপুর খেরিতে কৃষকের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার ঘটমায় উত্তর প্রদেশ ও কেন্দ্রের বিজেপি সরকার প্রবল বিতর্কে। মঙ্গলবার কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী একটি ভাইরাল ভিডিও দেখিয়ে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে তুলোধনা করেন। ওই ভিডিও তিনি টুইট করেন। এই ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একটি এসইউভি গাড়ি পিছন থেকে এসে কৃষকদের পিষে দিয়ে চলে গেল।

অভিযোগ, এই গাড়ি চালিয়ে কৃষকদের মেরেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রের পুত্র আশিস মিশ্র। মৃত ৯ জন। এদের মধ্যে ৬ জন কৃষক ও একজন সাংবাদিক। জানা গিয়েছে দুজন নাকি সেই গাড়ির আরোহী। ঘটনাস্থলে গুলি চলেছে। এক মৃত কৃষকের দেহে গুলির আঘাত রয়েছে। জানা গিয়েছে উত্তেজিত কৃষকরা ওই গাড়ি আগুন ধরান। পালাতে গিয়ে দুই আরোহী মারা যায়। তবে মূল অভিযুক্ত আশিস মিশ্র অধরা।

AIKS Leader

লখিমপুর খেরিতে এই ‘কৃষক গণহত্যা’র প্রতিবাদে অ-বিজেপি দলগুলি প্রবল সরব। কংগ্রেস শাসিত ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী ভূপেশ বাঘেল প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে দেখা করতে লখনউ আসেন। তাঁকে বিমান বন্দরে আটকে দেয় উত্তর প্রদেশ পুলিশ। ছত্তিসগড়ের মুখ্যমন্ত্রী বিমান বন্দরেই বসে অবস্থান বিক্ষোভ শুরু করেন।
এদিকে লখিমপুর খেরিতে যেতে গিয়ে বাধাপ্রাপ্ত হন তৃ়ণমূল কংগ্রেস সাংসদরা। সাংসদ সুস্মিতা দেব সহ বাকিদের আটকে দেয় পুলিশ। যদিও তারা দাবি করেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন।

লখিমপুর খেরি যেতে গিয়েছিলেন উত্তর প্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ সিং যাদব। তাঁকে সহ সমাজবাদী পার্টির নেতাদের আটকে দেয় পুলিশ। ভিডিও বার্তায় রাজ্যের বিজেপি সরকারের প্রবল সমালোচনা করেছেন অখিলেশ। সরব অপর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মায়াবতী।

তবে যোগী সরকারের পুলিশকে ফাঁকি দিয়ে লখিমপুর খেরিতে ঢুকেছেন বাম সংগঠন সারা ভারত কৃষক সভার নেতৃত্ব। তাঁদের পৌঁছে যাওয়া নিয়ে তীব্র শোরগোল। কী করে এমন সম্ভব হলো এই বিষয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলগুলির।

Lakhimpur Kheri: ভিডিও প্রমাণ দিল যোগীর রাজ্যে গাড়ির চাকায় পিষে মরলেন কৃষকরা

নিউজ ডেস্ক: কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে খুন এই অভিযোগে উত্তরপ্রদেশ (Uttar Pradedsh) সরকারের তথৈবচ অবস্থা। আর্থিক ক্ষতিপূরণের ঘোষণা ও সরকারি চাকরি দেওয়ার বার্তা দিলেও প্রবল বিতর্কে মুখে পড়েছেন বিজেপি শাসিত সরকারের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। লখনউ সরগরম। নয়াদিল্লি থেকে গোটা দেশ জুড়ে বিতর্ক প্রবল। আর কৃষক ‘খুন’ ঘটনাস্থল লখিমপুর খেরিতে কী ঘটেছিল তার ফুটেজ ভাইরাল হয়েছে।

video proved that the farmers were crushed to death by the wheel of the car

 

সেই ফুটেজ একের পর এক বিজেপি বিরোধী নেতা নেত্রীরা টুইট করছেন। কেউ ফেসবুকে দিতে শুরু করেছেন। কংগ্রেস (INC) নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী টুইট করেন গাড়ি চাপা দিয়ে কৃষকদের পিষে মেরে ফেলার ভিডিও। তাঁর অভিযোগ, কেন অভিযুক্ত আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার করছে না সরকার। অভিযুক্ত আশিস স্বরাষ্ট্রমন্ত্রের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রের পুত্র।

video proved that the farmers were crushed to death by the wheel of the car

সর্বভারতীয় কৃষক নেতা তথা সারা ভারত কৃষকসভার (AIKS) সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লার দাবি, অবিলম্বে আশিস মিশ্রকে গ্রেফতার করতে হবে। ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকায়েত অভিযোগ করেন, যোগী সরকার ও বিজেপি (BJP) সবকিছু ধামাচাপা দিতে চাইছে।

আরও অভিযোগ, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সহকারি তথা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র বলেই আশিসকে এখনও গ্রেফতার করেনি পুলিশ। অভিযোগ আশিস মিশ্র ও তার বন্ধুরা কৃষকদের পিষে মারে।
কেন্দ্রের কৃষি নীতির বিরুদ্ধে লখিমপুর খেরিতে জমায়েত করা কৃষদের উপর এসইউভি গাড়ি চালিয়ে দেওয়া হয়। পিষে মারা যান কয়েকজন। পরে জখম আরও কয়েকজনের মৃত্যু হয়। এক সাংবাদিকের মৃত্যু হয়েছে। মোট ৯ জন মৃত। এদের ছয় জন কৃষক।

এই ভিডিও এখন বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক মহলের প্রধান অস্ত্র। তবে এই ভিডিওর সত্যতা www.ekolkata24x7 যাচাই করেনি। দেখা যাচ্ছে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর টুইট থেকে ক্রমাগত ভিডিওর লিংকটি রি টুইট করা হচ্ছে। এছাড়াও সমাজবাদী পার্টি, বিএসপি, আরজেডি, সিপিআই, সিপিআইএম সমর্থকরা এই ভিডিও পোস্ট করছেন। বিভিন্ন কৃষক সংগঠন সরাসরি অভিযোগ তুলেছে, গাড়ি চালিয়েছিল আশিস মিশ্র।

Mamata Banerjee: বেলা গড়াচ্ছে-মমতা এগোচ্ছেন, বিজেপি শিবিরে দলত্যাগ আতঙ্ক চড়ছে

After durga puja Bjp bengal will face masive blow

নিউজ ডেস্ক: তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের তরতরিয়ে এগিয়ে যাওয়া শাসক শিবিরে স্বস্তি। কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata banerjee) বিধায়ক হতে চলেছেন। ভবানীপুর কেন্দ্রে তিনি গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে। অন্যদিকে মুর্শিদাবাদের দুটি কেন্দ্র সামসেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুরেও জোড়াফুলের ঝড় শুরু। 

বেলা গড়াচ্ছে রাজ্যের তিন কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ফলে টিএমসির তরতরিয়ে এগিয়ে যাওয়ায় বিরোধী দল বিজেপির অন্দরে ফের ধ্বস আতঙ্ক। সূত্রের খবর, ভবানীপুরে সম্পূর্ণ ফলাফল ঘোষণা হতেই তৃণমূল শুরু করবে তার বিধায়ক শক্তি আরও বাড়িয়ে নিতে। আপাতত বিজেপিতে আছেন ৭০ জন।

উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের বিজেপি বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যানীর দলত্যাগের পর থেকে আরও অন্তত ৫ বিধায়ক তৈরি তৃণমূলে যোগ দিতে। এই তালিকায় পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুর, কোচবিহার ও দার্জিলিং জেলার আরও তিন বিধায়ক রয়েছেন। সবমিলে দুর্গা পূজার আগেই বড়সড় ধ্বস নামতে চলেছে বিরোধী দলে। আছেন দুই বিজেপি সাংসদ।

যদিও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানান, দলত্যাগে দলের ক্ষতি হবে না। কিন্তু তিনিও প্রবল চাপে আছেন এমনই জানাচ্ছেন তাঁর ঘনিষ্টরা।
শুধু রাজ্যেই নয়, আগামী দু সপ্তাহের মধ্যে দুটি রাজ্যের বড় অংশের বিজেপি ও কংগ্রেস বিধায়করা তৃণমূল শিবিরে যোগ দিতে চলেছেন।

Assam: ‘সাম্প্রদায়িক উস্কানি’ মন্তব্য করে গ্রেফতার কংগ্রেস বিধায়ক শেরমন আলি

Congress mla Sherman Arrested

নিউজ ডেস্ক: ‘উস্কানিমূলক মন্তব্য’ করার কারণে দল থেকে জবাবদিহি চেয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছিল, পাত্তা দেননি কংগ্রেস (Congress) বিধায়ক শেরমন আলি আহমেদ (Sherman Ali Ahmed)। অভিযোগ, তিনি ‘সাম্প্রদায়িক উস্কানিমূলক’ মন্তব্য ছড়াচ্ছেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে গ্রেফতার করা হলো অসমের এই বিধায়ককে। গুয়াহাটির পানবাজার থানার পুলিশ এমএলএ হোস্টেল থেকে তাকে গ্রেফতার করেছে।

কংগ্রেস বিধায়ককে গ্রেফতারির ঘটনায় অসমের রাজনৈতিক মহল গরম। তবে অসম প্রদেশ কংগ্রেস তাদের দলীয় বিধায়কের ‘উস্কানিমূলক মন্তব্যের’ কারণে ক্ষুব্ধ। সরকারপক্ষ বিজেপি সরাসরি কোনও মন্তব্য করতে চায়নি।

সম্প্রতি রাজ্যের দরং জেলায় গরুখুঁটি গ্রামে সংখ্যালঘুদের গ্রাম উচ্ছেদ ঘিরে বিক্ষোভ ও পুলিশের গুলি চালানো, মৃতদেহের উপর এক চিত্রগ্রাহকের নৃশংস লাফ মারা, মৃতদেহ পা দিয়ে আঘাত করা ঘিরে দেশ জুড়ে বিতর্ক চলছে। সেই চিত্রগ্রাহকও গ্রেফতার। তার বিরুদ্ধেও উস্কানিমূলক ব্যবহার করার অভিযোগ আনা হয়েছে।

আর অসমের বাঘবর বিধানসভার কংগ্রেস বিধায়ক শেরমন আলির বিরুদ্ধে অভিযোগ, তিনিও দরংয়ের প্রায় ৪০ বছর পুরনো একটি ঘটনায় ৮ জনের মৃত্যুর প্রসঙ্গ টেনে ‘সাম্প্রদায়িক মন্তব্য’ করেছেন। বিধায়কের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় অন্তত ২৮টি অভিযোগ দায়ের হয়।

বিতর্কিত মন্তব্য করার কারণে কংগ্রেসের তরফে চিঠি পাঠিয়ে কারণ জানতে চাওয়া হয়। ‘সাম্প্রদায়িক উস্কানি’ মন্তবের জন্য বিধায়ক শেরমন আলিকে ‘বিজেপির এজেন্ট’ বলেও কটাক্ষ করেছে অসম প্রদেশ কংগ্রেস। শেরমন আলি এর পরেই গ্রেফতার হন। জানা যাচ্ছে পূর্নাঙ্গ তদন্তের জন্য বিধায়ককে সিআইডির হাতে তুলে দেওয়া হবে।

Meghalya: কংগ্রেস ভেঙে বিরোধী দলের মর্যাদা পেতে মরিয়া মমতা

Manata Banerjee

নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ শাসনের বাইরে অন্য রাজ্যে প্রথম বড়সড় সাফল্যের মুখ মেঘালয়েই (Meghalya) দেখতে চলেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Manata Banerjee)। উত্তর পূর্ব ভারতের মেঘালয়ের বিরোধী দল হতে চলেছে তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)। এই রাজ্যের বিরোধী দল কংগ্রেসের (INC) বিধায়করা প্রায় পুরোটাই তৃণমূলে সামিল হয়ে যাচ্ছেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সন্ধি করে মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা অন্তত ১৩ জন বিধায়ক নিয়ে তৃণমূলে যোগ দিতে তৈরি। মেঘালয় প্রদেশ কংগ্রেস ভবনের নাম কি পাল্টে যাবে? এও প্রশ্ন উঠতে শুরু করল।

২০১০ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন মুকুল সাংমা। তিনি এখন বিরোধী দলনেতা।ক্ষমতায় আছে এনপিপি (NPP)। মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা। সরকারের শরিক দল বিজেপি।

এক নজরে মেঘালয় বিধানসভার অংক
মোট সদস্য সংখ্যা ৬০
সরকার পক্ষে আছেন ৩৮ জন
এনপিপি ২১
বিজেপি ২
বাকি শরিক দল ১৫
বিরোধী পক্ষে আছেন ১৯ জন
কংগ্রেস ১৭
অন্যান্য ২
৩টি আসন শূন্য।
বিরোধী নেতা মুকুল সাংমা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলে তাঁর নেতৃত্বে টিএমসি বিরোধী দলে পরিনত হবে।

মেঘালয়ের রাজনীতিতে টিএমসির আচমকা প্রবেশে উত্তর পূর্বের ত্রিপুরায় প্রবল চাঞ্চল্য। কারণ, পশ্চিমবঙ্গে তিনবার সরকার গড়ার পর বাংলাভাষী প্রধান ত্রিপুরা বিধানসভার ভোটে ঝাঁপিয়েছে তৃণমূস কংগ্রেস। এ রাজ্যে গত বিধানসভা ভোটের আগে তৎকালীন বিরোধী দল কংগ্রেস থেকে বিধায়করা তৃণমূলে যোগ দেন। ত্রিপুরায় বিরোধী দল হয়েছিল তৃণমূল। পরে সেই বিধায়করা বিজেপিতে যান। নির্বাচনে টানা ২৫ বছরের বামফ্রন্ট সরকারের পতন হয়। সরকার গড়ে বিজেপি। আসন্ন ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটের আগে বিজেপি বিধায়কদের বড় অংশ ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরছেন বলে প্রবল গুঞ্জন।

Bihar: কানহাইয়াকে নিয়ে ‘ক্রাইসিস’, তীব্র শোরগোল কংগ্রেস ভবনে

kanhiya kumar

নিউজ ডেস্ক: পাটনায় সিপিআই (CPI) বিহার রাজ্য দফতর থেকে যে ছেলে এসি মেশিন খুলে আনতে পারে, সে ‘ডেঞ্জারাস’। তাকে কংগ্রেসের (INC) দায়িত্ব দেওয়া হলে বিদ্রোহ তুঙ্গে উঠবে এমনই বার্তা আসছে রাহুল গান্ধীর (Rahul Gandhi) কাছে। সবের মূলে সদ্য সিপিআই (CPI) ত্যাগ করে কংগ্রেসে (INC) যোগ দেওয়া কানহাইয়া কুমার (Kanhiya Kumar)। সূত্রের খবর, তাঁকেই বিহার প্রদেশ কংগ্রেসের বড় দায়িত্ব দিতে চলেছেন রাহুল গান্ধী।

কানহাইয়া কুমার বিহার প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি হতে পারেন এমনই গুঞ্জন রটেছে পাটনার রাজনৈতিক মহলে। এর পর থেকেই বিদ্রোহের আগুন ধিকি ধিকি করে জ্বলতে শুরু করেছে। যদিও বিহার ও কেন্দ্রীয় সিপিআই নেতারা মনে করছেন, কংগ্রেসে যোগ দিয়ে রাজ্যসভায় যেতে চান কানহাইয়া। তাঁর পক্ষে কমিউনিস্ট পার্টির হয়ে দীর্ঘ সময় রাজনীতি চালানোর ধৈর্য্য নেই।

লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেওয়া অভিনেতা ও প্রাক্তন সাংসদ শত্রুঘ্ন সিনহা দলকে আক্রমণ করতে শুরু করেছেন। তাঁর দাবি, কী করে কানহাইয়াকে কংগ্রেসে স্থান দিলেন রাহুল গান্ধী। অভিযোগ, কানহাইয়াকে বিহার প্রদেশ কংগ্রেসের সভাপতি পদ দেওয়া হলে অনেকেই মানতে পারবেন না।

 kanhiya kumar with Rahul gandhi

এমনিতেই কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ জট বিহারে প্রবল। বিধানসভা ভোটে আরজেডি (RJD) ও বামেদের সঙ্গে মহাজোট করেও তেমন কিছু সুবিধা হয়নি। বরং মহাজোটের দ্বিতীয় বৃহত্তম দল হিসেবে সিপিআই (এম-এল) লিবারেশন (CPIML) বিরাট সফল হয়েছে। লিবারেশেনের অভিযোগ, কংগ্রেসকে বেশি আসন দেওয়ার থেকে বামেদের আসন দিলে মহাজোট সরকার গড়তে পারত। নির্বাচনে বিহারে বাম দলগুলি বিশেষ করে সিপিআই (এম-এল) একশ শতাংশের বেশি স্ট্রাইক রেট নিয়ে দেশে নজির গড়ে। বাকি দুই বাম দল সিপিআই (CPI) সিপিআইএম (CPIM) কিছু আসন পায়। মহাজোটের স্টার প্রচারক ছিলেন ততকালীন সিপিআই নেতা কানহাইয়া কুমার।

নির্বাচন পরবর্তী বিহারে মহাজোটের কংগ্রেস ম্রিয়মান। কোনঠাসা কংগ্রেসকে চাঙ্গা করতে সদ্য দলে আসা কানহাইয়া কুমারের মতো জনপ্রিয় মুখ ও বক্তাকে হাতিয়ার করতে চাইছেন রাহুল গান্ধী। মনে করা হচ্ছে তাঁর মূল লক্ষ্য আসন্ন উত্তর প্রদেশ বিধানসভা ভোটে কানহাইয়াকে দিয়ে প্রচার। সূত্রের খবর, এআইসিসি ঠিক করেছে, পাটনার প্রদেশ কংগ্রেস ভবনে বড় পোর্টফোলিও দেওয়া হবে কানহাইয়া কুমারকে।

কানহাইয়া কংগ্রেসে সামিল হতেই কংগ্রেসের হয়ে জবরদস্ত ভাষণ দেওয়া শত্রুঘ্ন সিনহার হুঙ্কার শুরু হয়েছে। এর জেরে বিহার প্রদেশ কংগ্রেসে এখন পাঞ্জাবের মতো বিদ্রোহ পরিস্থিতি। পাটনা কংগ্রেস কার্যালয়ে বিদ্রোহী নেতাদের দাবি ‘নেহি চলেগা কানহাইয়া’। যাঁকে নিয়ে বিতর্ক সেই তুখোর বক্তা নীরব। তেমনই নীরব রাহুল গান্ধী।

Bihar: ‘আব কেয়া বানসুরি বাজয়াগা কানহাইয়া?’ বেগুসরাই উত্তাপহীন

kanhaiya kumar

নিউজ ডেস্ক: সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের ব্রেকিং দেখেও চমকে যাচ্ছেনা বিহার (Bihar) তথা দেশের অন্যতম আলোচিত রাজনৈতিক এলাকা বেগুসরাই (Begusarai)। সিপিআই (CIP) জেলা কার্যালয়ে তেমন হেলদোল নেই। যে টেবিলে বসে রাজনৈতিক ঝড় তুলতেন কানহাইয়া কুমার (Kanhaiya Kumar ) সেখানে গুটিকয়েক পুরনো পোড়খাওয়া নেতা বসে, আছে কিছু নতুন যুব কর্মী।

শুধু সিপিআই দলীয় দফতরের বাইরে একের পর এক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিনিধিরা বাইক রেখে এক্সক্লুসিভ বাইট নিতে মরিয়া। এই সবের কেন্দ্রে কানহাইয়া কুমার, যিনি সদ্য কমিউনিস্ট পার্টি (CPI) ত্যাগ করে কংগ্রেসে (INC) যোগ দিয়েছেন।

আরও পড়ুন: Politics: নেহরু থেকে কানহাইয়া, কংগ্রেসের ‘বাম’ নেতারা বরাবর সুপারহিট

‘জিসকা যানা থা ওহ চলা গেয়া, কোই ফরক নেহি পড়তা। কানহাইয়া সে পহলে সিপিআই থা, উসকে বাদ ভি রহেগা।’ (যার যাওয়ার সে চলে গেছে। কানহাইয়ার আগেও সিপিআই ছিল, ওর পরেও থাকবে)। সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন সিপিআই বিহার রাজ্য পরিষদের নেতা তথা বেগুসরাই জেলা সম্পাদক অবধেশ রায়।

কানহাইয়ার সিপিআই ছেড়ে যাওয়া কেমন দেখছেন? অবধেশ রায় জানান, দু:খজনক ঘটনা। কানহাইয়া মার্কসবাদ থেকে সামন্ততান্ত্রিক পুঁজিবাদের পক্ষে গেলেন। তবে সিপিআই যে সমাজ পরিবর্তনের নীতি নিয়ে চলছে তেমনই চলবে।

বেগুসরাই এমন এক জায়গা, যেটি দীর্ঘ সময় ধরে বাম রাজনীতির কেল্লা বলে পরিচিত। বারবার এই কেন্দ্রে সিপিআই জয়ী হয়েছে। বারবার এখানে সিপিআই পরাজিত হয়েছে। বিহারের জমি ভিত্তিক আন্দোলন, জাতপাত ভিত্তিক রাজনীতির মধ্যে বেগুসরাই বিশেষ চিহ্নিত।

আরও পড়ুন: Explained: পঞ্জাব কংগ্রেস থেকে নভজ্যোৎ সিং সিধুর পদত্যাগের কারণ

সিপিআই জেলা সম্পাদক অবধেশ রায় জানান, কানহাইয়ার মতো নেতার কংগ্রেসে যোগদান সাময়িক ধাক্কা তো লাগছেই। তবে কানহাইয়া প্রথম নন, সিপিআইয়ের তাবড় নেতা চন্দ্রশেখর ছিলেন এই বেগুসরাইয়ের। তাঁর মৃত্যুর পর মনে করা হয়েছিল বেগুসরাই থেকে সিপিআই শেষ। তা আদৌ হয়নি। জবরদস্ত বিধায়ক ভোলা সিং সিপিআই ত্যাগ করেন। তাতেও দলের ক্ষতি হয়নি। কানহাইয়া কুমার আধুনিক সময়ের জ্বলন্ত নেতা হিসেবে উঠে এসেছিলেন সিপিআই থেকেই।
কানহাইয়ার সিপিআই ত্যাগ নিয়ে বেগুসরাই উত্তাপহীন। পথ চলতি অনেকেই সংবাদ মাধ্যমে জানিয়েছেন, কানহাইয়া ঠিকই করেছে। কারণ, সিপিআই বেগুসরাইতে শক্তিশালী, কিন্তু সর্বভারতীয় স্তরে লড়াই করতে কংগ্রেসের মতো দল জরুরি।

কারোর কটাক্ষ, আব কেয়া বানসুরি বাজায়েগা কানহাইয়া ? (এবার কি বাঁশি বাজাবেন কানহাইয়া)। কেউ বলছেন, কমিউনিস্ট পার্টি থেকে কংগ্রেসে গেলেন, এর পর তিনি কোথায় যাবেন?

বেগুসরাই নিরুত্তাপ। তবে কেন্দ্রীয় রাজনীতি সরগরম। কানহাইয়া কুমার দলত্যাগের কথা জানিয়ে ব্যক্তিগতভাবে সিপিআই সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ডি রাজার কাছে চিঠি দেন। ডি রাজা জানিয়েছেন, সে চলে গেছে। দল লড়াইয়ে থাকবে।

বেগুসরাই কেন্দ্রে বামেরা বরাবর সাংগঠনিক শক্তিশালী। বেশ কয়েকবার এই বিধানসভা থেকে সিপিআই(CPI) ও সিপিআইএম (CPIM) জয়ী হয়েছে। এই লোকসভা কেন্দ্রেও দুবার জয়ী সিপিআই।

তবে বেগুসরাই সর্বাধিক আলোচিত হয়েছে জেএনইউ (JNU) বাম ছাত্র নেতা কানহাইয়া কুমারের দুরন্ত ভাষণ, ছাত্র সংসদের সভাপতি হিসেবে তার বিতর্কিত ‘দেশবিরোধী’ মামলায় জড়িয়ে যাওয়া ও জামিন ঘিরে। কানহাইয়া এক ঝটকায় সর্বভারতীয় সিপিআই নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হন। গত লোকসভা ভোটে বেগুসরাই কেন্দ্রে বিজেপির (BJP) গিরিরাজ সিংয়ের বিরুদ্ধে লড়েন। বিপুল প্রচার হলেও কানহাইয়া পরাজিত হন। এখন তিনি রাহুল গান্ধীর যুব ব্রিগেডের অন্যতম নেতা।

Punjab: কংগ্রেসের ইনিংস ‘শেষ’ করতে চলেছেন ক্যাপ্টেন

punjab ex cm captain amarinder singh likely to join bjp

নিউজ ডেস্ক: দশকের পর দশক ধরে কংগ্রেস করা লোক। বিচ্ছেদ আগেও হয়েছে। ফিরেও এসেছেন। এমনই খুঁটি নড়বড়ে হতে শুরু করল। ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং (Amarinder Singh) দিল্লিতে আসা ইস্তক গুঞ্জন, তিনি কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দিতে চলেছেন। যদিও মঙ্গলবার রাত পর্যন্ত ‘ক্যাপ্টেন সাহাব’ তেমন পদক্ষেপ নেননি। রাজধানীর আলোচনা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ পুরো বিষয়টি দেখছেন। 

পাঞ্জাবে (Punjab) ক্যাপ্টেনের কংগ্রেস ইনিংস শেষ বলেই ধরে নিয়েছে ম্যাডাম সোনিয়া গান্ধী। রাজীব জমানার কংগ্রেস নেতাকে বাঁয়ার খাতায় রাখছে কংগ্রেস। আবার ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংকে টেনে আনতে মরিয়া শিরোমনি আকালি দল। যে দলের পূর্বতন সদস্য সদ্য প্রাক্তন পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী।

অমৃতসর স্বর্ণমন্দিরে খালিস্তানি জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে সেনা অভিযান ‘অপারেশন ব্লু স্টার’ নির্দেশ দেওয়ার পর কংগ্রেসের অভ্যন্তরে ধ্বস নেমেছিল। শিখ ধর্মাবলম্বী অমরিন্দর সিং কংগ্রেস ত্যাগ করেন। শিরোমণি আকালি দলে যোগ দেন। পরে আকালি দলেই নিজের গোষ্ঠী হয়। রাজনৈতিক সমীকরণে ফের কংগ্রেসে ফিরে আসেন। নব্বই দশক থেকে টানা পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেসের মুখ তিনি।

গত বিধানসভা ভোটে পাঞ্জাবে আকালি দলের পতন হয়। কংগ্রেস সরকার গড়ে। তারপর টানা স্থানীয় নির্বাচনগুলিতে কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির লড়াই বড় হয়েছে। আকালি দল রয়েছে। কিন্তু কেন্দ্রের কৃষি আইনের ধাক্কায় আকালি দল এনডিএ ত্যাগ করে। সাম্প্রতিক নির্বাচনে বিজেপির বিরাট ধাক্কা লেগেছে পাঞ্জাবে।
বিধানসভা ভোটের আগে পাঞ্জাবে কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ জটিলতার দুই মেরুতে চলে যান নভজ্যোত সিং সিধু ও ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং। পাঞ্জাবে কংগ্রেস ভেঙে যাওয়ার পরিস্থিতি। সিধু নাকি পুরনো ক্যাপ্টেন কাকে কাছে টানবে কংগ্রেস তাই আলোচনার কেন্দ্রে। পরিস্থিতি এমন যে শ্যাম রাখি না কুল রাখি অবস্থা।

এমন পরিস্থিতিতে সিধু অনবরত চাপ তৈরি করেছেন দলেরই হাইকমান্ডের উপরে। কোনঠাসা হতে হতে পুরনো বহু নেতার মতো ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিং মুখ ঘোরালেন রাজধানীর দিকে। পাঞ্জাবে ক্যাপ্টেনের কংগ্রেস পিচের ইনিংস শেষের পথে, আশায় বুক বাঁধছেন এই রাজ্যে ধুঁকতে থাকা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতারা।