Farm Laws Withdrawn: ঝুঁকলেন মোদী, ভোট বুঝে ক্ষমা চেয়ে ‘কৃষি আইন প্রত্যাহার’

modi farm laws withdrawal announcement
  1. News Desk: প্রবল কৃষক আন্দোলনের চাপে বিতর্কিত তিনটি কৃষি আইন প্রত্যাহারের কথা ঘোষণা করলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। সংসদে বিপুল শক্তি নিয়ে আইন বাতিল হবে না বলে যে দাবি করেছিল বিজেপি তার থেকে ১৮০ ডিগ্রি ঘুরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা শুধু দেশ না বিদেশে আলোড়ন ফেলেছে।

farmers

<

p style=”text-align: justify;”>তিনি বলেন, ‘আমি দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইছি। আমি বলতে চাই যে হয়ত আমাদের তপস্যাতেই খামতি ছিল। তাই কৃষি আইন প্রত্যাহার করা হচ্ছে। এই মাসে শুরু হতে চলা সংসদ অধিবেশনে এই কৃষি আইন প্রত্যাহার করব। আমি সবাইকে অনুরোধ করব, আন্দোলন ছেড়ে একটি নয়া সূচনা করি। শীঘ্রই আইন প্রত্যাহারের সাংবিধানিক প্রক্রিয়া পূর্ণ করে দেব। এবার আপনারা সকলে খেতে ফিরে যান, পরিবারের মধ্যে ফিরে যান।’

আসন্ন পাঞ্জাব ও উত্তর প্রদেশ নির্বাচনের আগে মোদী এই ঘোষণা করলেন। পাঞ্জাবে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংয়ের সঙ্গে বিজেপির নির্বাচনী জোট গড়ার ক্ষেত্রে এই পদক্ষেপ বড় হতে চলেছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

উত্তর প্রদেশেও ভোটে কৃষক বিক্ষোভ বিরাট প্রভাব ফেলছে বলেই জনমত সমীক্ষা বলছে। তবে এই রাজ্যে ভোট কাটাকুটির লড়াইতে বিজেপির ক্ষমতায় আসার ইঙ্গিত এসেছে জনমত সমীক্ষায়।

প্রধানমন্ত্রী দেশের কৃষকদের জন্য তাঁর সরকারের ভূমিকা বলেন। তিনি বলেন, ‘দেশের ১০০ জনের মধ্যে ৮০ জন ছোট কৃষক। তাদের জমির পরিমাণ ২ হেক্টরের কম। তাদের জীবনের আধার এই ছোট জমি। প্রায় ১০ কোটি এমন ছোট কৃষক আছে। এই ছোট জমিতেই তারা নিজেদের পরিবারের মুখে খাবার তুলে দেওয়ার জন্য কাজ করছে। তাই বীজ, বীমা, বাজার আর সেভিংসের ক্ষেত্রে কাজ করেছি। আমরা ফসল বীমা যোজনাকে আরও কার্যকরী করেছি। আরও বেশি সংখ্য কৃষককে এর অধীনে নিয়ে এসেছি। বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে কিষাণ সয়েল হেলথ কার্ড দিয়েছি। এতে ফলন বেড়েছে। ছোট কৃষকদের ১ লক্ষ ৬২ হাজার কোটি টাকা দিয়েছি। কৃষকদের কষ্ট যাতে সঠিক দাম পায়, সেই কাজ করেছে সরকার। গ্রামীণ বাজারকে শক্তিশালী করেছি। আমরা এমএসপি বাড়িয়েছি। পাশাপাশি সরকার রেকর্ড পরিবার ফসল কিনেছে।’

Tripura: পুর নির্বাচনে ‘সন্ত্রাস’, প্রাক্তন বাম বিধায়ক আক্রান্ত, জখম TMC প্রার্থী

tripura

News Desk: পুর ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচন ঘিরে রাজনৈতিক হামলা, অবরোধ সবমিলে ত্রিপুরা প্রবল সরগরম। বিরোধী সিপিআইএম, টিএমসি ও কংগ্রেসের প্রার্থীরা পরপর হামলার অভিযোগ তুলছেন। শাসক বিজেপির তরফে সব অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়। বিজেপি দাবি করেছে তাদেরও কিছু কার্যালয়ে ভাঙচুর হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আক্রান্ত হন রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএমের প্রাক্তন বিধায়ক সমীরণ মালাকার। তিনি নির্বাচনী প্রচারে কুমারঘাটে ছিলেন। তাঁর উপর হামলায় অভিযুক্ত বিজেপি। প্রাক্তন বিধায়কের মাথায় আঘাত আছে বলে জানান চিকিৎসকরা।

আক্রান্ত সমীরণ মালাকার উনকোটি জেলার পাবিছাড়া বিধানসভার প্রাক্তন বিধায়ক। তাঁর উপর হামলার খবর ছড়াতেই সিপিআইএম সমর্থকরা থানা ঘেরাও করেন। বিক্ষোভ থামাতে গিয়ে অসহায় অবস্থা হয় পুলিশের। তবে বিরোধী দলের অভিযোগ, সর্বক্ষেত্রে পুলিশ নীরব ভূমিকা পালন করছে।

tripura

আরও অভিযোগ, পুলিশ এক প্রকার নিষ্ক্রিয় রাজ্যে। চরম আইন শৃঙ্খলার অবনতি হয়েছে। রাজনৈতিক হামলার সঙ্গে বেড়েছে লুঠপাট ও চুরি, খুন। পরপর খুন হলেও কোনও ক্ষেত্রে পুলিশি তদন্ত আশনরুপ নয়।

এদিকে পুর ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনের রাজনৈতিক সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের একাধিক নেতা ও সমর্থক আক্রান্ত। আগরতলা পুর নিগমের ভোটে ১৫ নম্বর ওয়ার্ডে টিএমসি প্রার্থী বিকাশ সরকার আক্রান্ত হন। তাকে জখম অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

<

p style=”text-align: justify;”>বিজেপি ত্যাগ করে টিএমসিতে আসা প্রাক্তন বিধায়ক আশিস দাসের অভিযোগ, এই হামলায় জড়িত শাসক দল। কংগ্রেসের তরফেও নির্বাচনী সন্ত্রাসের অভিযোগ তোলা হয়েছে।

NRC: ১৬শো কোটির বেশি জলে যাচ্ছে! সাদা হাতিতে পরিণত নাগরিকপঞ্জীর কাজ

NRC aasam

News Desk: প্রায় ১৬০২.৬৬ কোটি টাকা খরচ করে কার্যত সাদা হাতিতে পরিনত হতে চলেছে জাতীয় নাগরিকপঞ্জী (এনআরসি ) নবায়ন প্রক্রিয়া। অতলে যাওয়ার পথে একাজ। এনআরসি নবায়ন কাজে ঢিলেমি আসায় বহু মানুষের মনে আশংকা যাদের নাম বাদ পড়েছে তাদের কী হবে।

অসমে এনআরসি তালিকায় নাম না আসা প্রায় ১৯ লক্ষ মানুষ এখনো নিজের নাগরিকত্ব প্রমান করতে পারেননি। কথা ছিল নাগরিকপঞ্জী ছুটরা ১২০ দিনের মধ্যে ট্রাইবুনালে নাগরিকত্ব প্রমানের সুবিধা পাবেন। কিন্তু বাস্তবে কিছুই হল না। তাদের বিষয়টি ঝুলেই রইলো।

সম্প্রতি আরটিআই আবেদনে উঠে এসেছে বিস্ফোরক তথ্য। যেখানে বলা হয়েছে এনআরসি চূড়ান্ত খসড়ায় প্রায় এক হাজারের অধিক সন্দেহভাজন লোকের নাম রয়েছে। এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে জেলাশাসকের পত্র প্রেরণ করা হয়েছে। এনআরসির স্টেট কো-অর্ডিনেটর ওই আর টি আই -এর জবাব দিতে গিয়ে এমনটাই উল্লেখ করেছেন।

NRC aasam

অসমে ৩ কোটি ২৯ লক্ষ আবেদনকারীর মধ্যে ১৯ লক্ষ মানুষের নাম ২০১৯ সালের ৩১ আগস্ট প্রকাশিত চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। এর জেরে প্রবল উত্তপ্ত হয়েছিল অসম। উল্লেখ্য ,বিজেপি শাসিত অসম সরকার সেই এনআরসি-কে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে। তারা এটাকে মানতে চাইছে না।

অসম সরকার বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকায় কম পক্ষেও ৩০ শতাংশ ও রাজ্যের অন্যান্য প্রান্তে ১০ শতাংশ জনসংখ্যা অনুপাতে পুনরায় যাচাইয়ের দাবি করেছিল। এমনকি, এনআরসি-এর স্টেট কোঅর্ডিনেটর হিতেশ দেবশর্মা গত মে মাসে ওই তালিকা ফের যাচাই করার আবেদন জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন।

এনআরসি ছুটদের ” প্রত্যাখ্যান স্লিপ’ জারি করতে ‘মিশন মোড’- এ সম্পূর্ণ করা হবে বলে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অধীনে রেজিস্টার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া (আরজিআই ) এবছরের ২৩ মার্চ অসম সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে। জাতীয় একটি সংবাদ গোষ্ঠী দাখিল করা আর টি আইয়ের জবাবে এনারসির স্টেট কোর্ডিনেটর জানিয়েছেন ,নাগরিকত্ব বিধির অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য ডিভি /ডিএফ /পিএফটি /ডিভিডি/ডিএফডি /পিএফটিডি শ্রেণীর ১০৩২ টি মামলা সংশ্লিষ্ট জেলাশাসকের কাছে প্রেরণ করা হয়েছে।

<

p style=”text-align: justify;”>উল্লেখিত বিষয়টি সন্দেহভাজন ভোটারের ক্ষেত্রে ব্যবহৃত হয়।অর্থাৎ ঘোষিত বিদেশি ,এফটি কোর্টে ডি ভোটারের বংশধর ,ঘোষিত বিদেশির বংশধর ,বিচারাধীন ঘোষিত বিদেশির বংশধর এই শ্রেণীতে পরে। তবে এন আর সি ছুটদের এখনো রিজেকশন স্লিপ জারি করা হয়নি বলেও আর টি আই- এ উল্লেখ করা হয়।

INC: ‘উগ্র হিন্দুত্ব ও আইএস জঙ্গি সমার্থক’ বইতে লেখার পরে হামলা সলমন খুরশিদের বাড়িতে

News Desk: প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও হেভিওয়েট কংগ্রেস নেতা সলমনের খুরশিদের বাড়িতে ঢুকে আগুন ধরানোর ঘটনায় দেশজুড়ে বিতর্ক তৈরি হলো। সোমবার নৈনিতালে খুরশিদের বাড়িতে আগুন ধরানো হয়। করা হয় ভাঙচুর। সেই ছবি সলমন খুরশিদ টুইটার ও ফেসবুকে দিতেই শুরু রাজনৈতিক বিতর্ক। অভিযোগ, উত্তরাখণ্ডের বিজেপি সরকার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছি। কী করে একজন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা হয় সেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে সরকার।

গত বুধবার সলমন খুরশিদের ‘সানরাইজ ওভার অযোধ্যা: নেশনহুড ইন আওয়ার টাইমস’ লেখা বইটি প্রকাশিত হয়৷ প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী সলমন খুরশিদ এই বইতে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের কড়া সমালোচনা করেছেন। ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের সঙ্গে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট ও বোকো হারামের সঙ্গে তুলনা করেছেন৷

Read More: উগ্র হিন্দুত্ববাদ বোকো হারাম, আইএস জঙ্গিদের মতই ভয়ঙ্কর: সলমন খুরশিদ

বইটি প্রকাশের পরেই তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের তরফে প্রতিবাদ জানানো হয়। অভিযোগ, কিছু সংগঠন হামলার হুমকি দেয়।

সোমবার নৈনিতালে সলমন খুরশিদের বাড়ি আক্রান্ত, আগুন ধরানোর পর অভিযোগের আঙুল উঠেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দিকেই। তবে নির্দিষ্ট করে কোনও সংগঠনের নাম বলেননি খুরশিদ।

প্রকাশের পর থেকেই বিতর্কের মুখে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সলমন খুরশিদের লেখা বইটি৷ এই বই নিষিদ্ধের দাবিতে পিটিশন দায়ের হয়েছে দিল্লি হাইকোর্টে৷ মামলাকারী বিনীত জিন্দাল প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিশে একাধিক গুরুতর ধারায় অভিযোগ জানিয়েছেন৷

<

p style=”text-align: justify;”>বইতে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনৈতিক হিন্দুত্বের সঙ্গেও জিহাদির তুলনা করেছেন। এই অভিযোগে রাজনৈতিক মহল সরগরম। এরই মাঝে নৈনিতালে খুরশিদের বাড়িতে হামলার ঘটনায় বিতর্ক আরও বাড়ল।

Tripura: সুপ্রিম ‘নিরাপত্তা নির্দেশ’ উড়িয়ে হামলা, আক্রান্ত সরকারি কর্মী,অভিযুক্ত BJP

Tripura CPIM police station

News Desk: পুর নির্বাচনের আগেই ‘ভয়াবহ রাজনৈতিক সন্ত্রাস’ চলছে এমনই অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, পুর নির্বাচনে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে ত্রিপুরা (Tripura) রাজ্য সরকারকে। সেই নির্দেশের পরেও আগরতলা পুর নিগমের ভোটে লাগামছাড়া সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ উঠছে শাসক বিজেপির বিরুদ্ধে। আরও অভিযোগ, খোদ মু়খ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব চোখ বন্ধ করে বসে আছেন।

আগরতলা পুর নিগম, ১৩টি পৌর পরিষদ ও ৬টি নগর পঞ্চায়েতের ভোট হবে আগামী ২৫ নভেম্বর। নির্বাচনে রাজনৈতিক হামলার অভিযোগ করছে প্রধান বিরোধী সিপিআইএম। এছাড়াও টিএমসি ও কংগ্রেসের লাগাতার অভিযোগ চলছেই। নির্বাচনে শতাধিক আসনে বিরোধীদের কোনও প্রার্থী নেই।

tripura

এবার রাজনৈতিক হামলার শিকার হলেন এক রাজ্য সরকারি কর্মী। হামলায় তাঁর চোখ ক্ষতিগ্রস্থ। আক্রান্ত ওই সরকারি কর্মীর অভিযোগ, তাঁকে মারধর করেছে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা। তিনি কোনও দলের কর্মী নন বলেই জানান।

আসন্ন পুর নির্বাচনের মুখে রাজধানী আগরতলা পুরনিগমের ভোট ঘিরে শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে হামলা চলছে শাসক দলের আশ্রিত দুষ্কৃতিদের। বিরোধী দল সিপিআইএমের তরফে পশ্চিম ত্রিপুরা থানা ঘেরাও করা হয়। থানায় ঢুকে বাম নেতারা পুলিশ অফিসারদের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ এনে তীব্র ক্ষোভ দেখান।

পশ্চিম ত্রিপুরা থানায় সিপিআইএম নেতৃত্ব ও অফিসারদের কথা কাটাকাটির মাঝে বাম নেতা বলেন “এ পর্যন্ত ক’জন সমাজদ্রোহীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ?” তাঁর প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি পুলিশ অফিসার।

tripura

বিরোধী দলনেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার জানিয়েছেন, বিজেপি সরকার জনসমর্থন হারিয়ে রাজনৈতিক হামলার পথ নিয়েছে। জনতার জবাব পাবে।

অন্যদিকে লাগাতার হামলার অভিযোগ করে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সুস্মিতা দেব সুপ্রিম কোর্টের দরজায় গিয়েছিলেন। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট ত্রিপুরার বিজেপি জোট সরকারকে নির্দেশ দেয় পুর নির্বাচন নির্বিঘ্নে করাতে হবে। তবে সেই নির্দেশ উড়িয়েই বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা হামলা অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের।

<

p style=”text-align: justify;”>রাজ্যের অপর বিরোধী দল কংগ্রেসও নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করার দাবিতে ঘেরাও অবস্থান করেছে। কংগ্রেস নেতৃত্ব বারবার সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সন্ত্রাস ছড়ানোর অভিযোগ করেছেন।

CPIM: নিধিরাম সর্দার হয়ে পুরভোটে জোটের ‘বগল বাজাচ্ছে’ বামেরা, একলা চলো দাবি

CPIM new generation

Political correspondent: বামফ্রন্ট শরিক দল ফরওয়ার্ড ব্লকের সিংহ গর্জন শুনতে পাচ্ছেন সিপিআইএম (CPIM)নেতারা। আসন্ন পুর নির্বাচনে ফের কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নাকি একলা বামফ্রন্ট এই নিয়ে শূন্য ভাঁড়ার পূর্বতন শাসক গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ বাড়ছেই।

আরও পড়ুন : ‘হাল ছেড়ে দেওয়া’ গৃহবন্দি বুদ্ধবাবু শুনলেন নব্যরা ফাইট করেছে

সূত্রের খবর, পুর ভোটকে সামনে রেখে বামফ্রন্টের বৈঠকে ফ.ব নেতারা সিপিআইএমকে একদম ধুনে দিতে তৈরি। এর জন্য ফরওয়ার্ড ব্লকের বাংলা কমিটি (রাজ্য কমিটি) বাছা বাছা বাক্য সংগ্রহ করে রেখেছেন। সেসব প্রয়োগ করা হবে বৈঠকে।

ফ.ব ইঙ্গিত দিয়েছে যদি জোট হয় তবে বামফ্রন্ট নাম ব্যবহার করা যাবে না। প্রয়াত জ্যোতি বসুর সূত্র মেনে শরিকদলগুলির মিলিত শক্তিকেই বামফ্রন্ট মানতে রাজি ফরওয়ার্ড ব্লক।

এদিকে বামমহলে শুরু হয়েছে ভোট বেড়ে যাওয়ার আনন্দে ‘বগল বাজানো’। সম্প্রতি চার বিধানসভার উপনির্বাচনে একলা লড়াই করে বামফ্রন্ট তার ভোট ও ভোট শতাংশ দুটোই বাড়িয়ে নেয়। যদিও ঝুলি এখনও খালি। গত লোকসভা ভোট থেকে যে শূন্য কোঠা বামেদের জন্য বরাদ্দ করেছেন রাজ্যবাসী তাতে প্রলেপ দিয়েছেন জনতা।

আরও পড়ুন: হেরেও ‘সুশান্ত এফেক্ট’ পশ্চিম মেদিনীপুরে, বনধের রোষ বাম কর্মীদের

মহানগর থেকে মফস্বল সর্বত্র চর্চায় এসেছে একলা চলো রে নীতিতে বামেদের ভোট বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি। নিচু তলার নেতা কর্মীদের দাবি, এবার অন্তত কংগ্রেস বা কোনও জগাখিচুড়ি জোটের বগল বাজানো বন্ধ করুন উঁচু তলার নেতারা। তা না হলে স্বল্প পুঁজি যা এসেছে তাও যাবে ভেসে।

এদিকে পশ্চিম মেদিনীপুরের তাবড় নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রী সুশান্ত ঘোষের দাবি, লেজুড়বৃত্তি না করে চোখে চোখ রেখে কথা বললেই বাম ফের পুরনো ছন্দে ফিরবে। গুঞ্জন আসন্ন সিপিআইএম রাজ্য সম্মেলনে তিনি দলীয় অচলাবস্থার নীতিতে ‘বোমা মারা’র যাবতীয় প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। ‘সুশান্ত বচন’ যে কত কঠিন তা হাড়ে হাড়ে বোঝেন বাম নেতারা। একই পথে হাঁটতে চলেছেন উত্তরবঙ্গের তথা রাজ্যের অন্যতম হেভিওয়েট নেতা অশোক ভট্টাচার্য ও সুন্দরবনের কিংবদন্তি নেতা কান্তি গাঙ্গুলী। তালিকায় নাম ক্রমে বাড়ছে।

<

p style=”text-align: justify;”>আর জেলায় জেলায় সমর্থকদের দাবি, দল আছে, ভোট পড়ছে, মিছিল হচ্ছে, তবে নেতাদের ভাবা দরকার একলা চলার নীতি। কোথায় আটকাচ্ছে তাঁদের। ‘জোটের বগল বাজানো বন্ধ করুক দল’।

CPIM: পুর ভোটে বাম-কংগ্রেস জোট ? কী বললেন বিমান

biman-basu

News Desk: উপনির্বাচনে জোট করেনি বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। তাতে বামেদের ভোট বেড়েছে। গত লোকসভা নির্বাচন থেকে যে বাম ভোট রাম পক্ষে চলে গিয়েছে সাম্প্রতিক উপনির্বাচনে তার উল্টো স্রোত। তবে এর পরেও আসন্ন পুর নির্বাচনে জোট নিয়ে জল্পনা জিইয়ে রাখলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। তিনি বলেছেন, এই বিষয়ে আগামী সপ্তাহে আলোচনা হবে।

বাম কংগ্রেস জোট গত নির্বাচনগুলিতে তেমন কোনও সফলতা পায়নি। সর্বশেষ বিধানসভা ভোটে বাম কংগ্রেস ও আইএসএফের সঙ্গে মিলে যে সংযুক্ত মোর্চা তৈরি হয়েছিল তার মাত্র একজন বিধায়ক। ভোট শেষ জোট শেষ বলে দিয়েছেন সিপিআইএমের সর্বভারতীয় সাধারণত সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি।

এর পরেও বঙ্গ বাম শীর্ষ নেতা বিমান বসুর মন্তব্যে পুর নির্বাচনে জোট নিয়ে ইঙ্গিতবহুল বার্তা এসেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে পুর নির্বাচনে মূল লড়াই শাসক তৃণমূল কংগ্রেস ও বিরোধী বিজেপির মধ্যে হবে। তৃতীয়পক্ষ হিসেবে জোট থাকতে পারে। আর জোট না হলে চতুর্থ পক্ষ হবে কংগ্রেস।

উপনির্বাচনে জোটের বাইরে গিয়ে একলা বামফ্রন্ট লড়াই করে ভোট বাড়িয়ে নেওয়ায় সিপিআইএমের অভ্যন্তরে ও সমর্থকদের মধ্যে জোট বিরোধী অবস্থান আরও জোরালো হচ্ছে। পুর ভোটে জোট নিয়ে বাম অন্দরমহলে আগুন ছুটবে বলেই মনে করা হচ্ছে। জেলায় জেলায় জোট বিরোধী হাওয়া বুঝেই সিদ্ধান্ত নেবেন বিমান বসু।

কংগ্রেসের তরফে ইঙ্গিত এসেছে জোটের। তবে স্থানীয় ইস্যুতে জোট নিয়ে ধন্দে প্রদেশ নেতৃত্ব।

Subrata Mukherjee: যে কথা শেষ হয়নি! মমতাকে নিয়ে আত্মজীবনীতে কী লিখেছেন সুব্রত?

Subrata Mukherjee

News Desk, Kolkata: বইটার নাম জানে না কেউ, হয়ত পারিবারিক সৌজন্যে এই আত্মজীবনী প্রকাশ হতেও পারে। আবার দিনের আলো না দেখতেও পারে। আসলে যে প্রশ্নটা থেকেই গেল সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের (Subrata Mukherjee) প্রয়াণের পর, সেটি হলো তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে ‘অকপটে’ কী লিখেছেন?

আরও পড়ুন: নকশাল নেতা সরোজ দত্তর ‘মার্ডার’ দেখা উত্তমকুমারকে ফোন করলেন, কে তিনি?

সুব্রত-মমতার ‘রাজনৈতিক রসায়ন’ মোড় নিয়েছিল বাম জমামার শেষ কয়েক বছরে। কংগ্রেসের একদা যুবনেত্রী মমতার ‘গাইড’ পরে মমতাকেই ‘নেত্রী’ হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন। ঘনিষ্ঠরা জানেন, মমতা কংগ্রেস ত্যাগের পর তার সম্পর্কে কী ভাবতেন সুব্রতবাবু। তবে অকপটে এও স্বীকার করেছেন, মমতার ডাকে লক্ষ মানুষ জড়ো হতে পারে। আমার ডাকে কেউ আসবে না। এর থেকে প্রমাণ হয় মমতার নেতৃত্ব কতটা শক্তিশালী।
বঙ্গবাসীর কাছে কৌতুহলের আরও এক পর্ব চর্চিত ‘নারদা মামলা’র সেই বিখ্যাত ভিডিও। এ নিয়েই সোজাসাপটা সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের আত্মবিশ্লেষণ কীরকম সেটিও অধরা থাকল।

Subrata Mukherjee
ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে সুব্রত-প্রিয়

সুব্রতবাবুর অবর্তমানে সেই লেখার ‘এডিট’ হবে না তো, এমন আশঙ্কা করছেন অনেকেই। বিস্ফোরক বোঝাই খাতা উল্টোলেই রাজনৈতিক বিস্ফোরণ তো হবেই এমনই ধারণা বহু ডান-বাম নেতার। সুব্রতবাবু নিজেই অকপটে বলে গিয়েছেন ‘আমি সোজাসাপটা লোক। এর জন্য অনেক ক্ষতি হয়েছে।’

আরও পড়ুন: Subrata Mukherjee: হেফাজতে চারু মজুমদারে মৃত্যু, পুলিশমন্ত্রী ছিলেন সুব্রত

সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবনের মার্কামারা ঘটনাগুলি দশকের পর দশক চর্চিত। ‘নকশাল নেতা সরোজ দত্ত মার্ডার’ হোক বা বন্দি চারু মজুমদারের মৃত্যু বিতর্ক, রয়েছে জরুরি অবস্থায় মন্ত্রী হিসেবে রবীন্দ্রনাথের কবিতা না ছাপানোর মতো সিদ্ধান্ত। পরে তা স্বীকার করেন। কিন্তু জরুরি অবস্থা জারির প্রেক্ষাপটকে সম্পূর্ণ সমর্থন করেন বলেও জানিয়েছিলেন।

Subrata Mukherjee

এসবের পর আসছে টানা বাম জমানায় তৎকালীন সরকারের সঙ্গে সৌহার্দ্যমূলক ব্যবস্থা রাখার কৌশলে ‘তরমুজ’ আখ্যা পাওয়া আর বঙ্গ কংগ্রেসের অভ্যন্তরের কথা। কিছু ইঙ্গিত দি়য়ে ছিলেন আশি- নব্বই দশকে প্রদেশ কংগ্রেসের জটিল গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তাঁর কলমের ডগায় এসেছে। তেমনই কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূল কংগ্রেস তৈরির পরের অবস্থা ও বিশ্লেষণ, ব্যক্তিগত মুহূর্ত সবই এসেছে পরপর। এক সংবাদ মাধ্যমে সুব্রতবাবুর সরাসরি জবাব ছিল, এত মালমশলা আছে যে …!

সুব্রতবাবু সোজাসাপটা থাকতে ভালোবাসেন বলেই জানিয়েছিলেন। বলেছিলেন অনেক কথা সরাসরি বললে যে অনেকের বিরাগভাজন হতে হবে। তবে আমি লিখছি।

<

p style=”text-align: justify;”>কী লিখে গিয়েছেন মুনমুন সেনের এই ‘নায়ক বন্ধু’? কেউ জানে না। কেমন রাজনৈতিক বিশ্লেষণ করেছেন কংগ্রেস যুবনেত্রী মমতা থেকে নিজ নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতার? অজানা। সিনিয়র ‘সুব্রতদা’ আর জুনিয়র মমতা-কে কীভাবে ডাকতেন একে অপরকে? এ নিয়েও চরম কৌতূহল রয়েছে। শুধু সবার অগোচরে থাকা আত্মজীবনীটা নীরবে বিস্ফোরণের অপেক্ষা করছে।

Subrata Mukherjee: জরুরি অবস্থা, সিদ্ধার্থ থেকে মমতা মন্ত্রিসভার বর্ণময় সুব্রত মুখোপাধ্যায়

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: রাজ্যে বাম জমানার পতনের পর যখন তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার মহাকরণে ঢুকছে, তখন প্রায় অনুচ্চারিত একটি নজির গড়েছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তিনিই মু়খ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার একমাত্র সদস্য যাঁর রাজ্যে মন্ত্রীত্ব করার পূর্বঅভিজ্ঞতা ছিল। সেই অর্থে তিনি টিএমসি সরকারের একমাত্র মহাকরণ ঘোরা একজন। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীত্ব সামলেছেন আগে। কিন্তু রাজ্য সরকারের মন্ত্রীর অভিজ্ঞতা ছিল সুব্রতবাবুর।

বাম জমানার পতনের ঠিক আগে ১৯৭২-১৯৭৭ পর্যন্ত কংগ্রেসের সরকারের সুব্রতবাবু ছিলেন পুলিশ ও তথ্য দফতরের দায়িত্বে। মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সিদ্ধার্থ শংকর রায়।

প্রথম পাঁচ বছরের মন্ত্রিত্বই সুব্রতবাবুর রাজনৈতিক জীবনে সবথেকে আলোচিত। সেই সময়েই অর্থাৎ ১৯৭৫ সালে জারি হয়েছিল জরুরি অবস্থা। তথ্য বিভাগের দায়িত্বে থাকায় বহু ‘অপ্রিয়’ কাজ করতে হয়েছে সুব্রতবাবুকে। জরুরি অবস্থা বিরোধী যে কোনও সংবাদ কেটে দেওয়ার মতো ঘটনা রাজ্যে তাঁর দফতরেই হত। তিনি থাকতেন উপস্থিত। সে কথা পরবর্তী সময়ে স্বীকার করেছেন। বিশেষ করে ততকালীন বিরোধী দল সিপিআইএমের মু়খপত্র ‘গণশক্তি’ সংবাদ পরিবেশনায় সুব্রতবাবুর নজর থাকত প্রবল।

নিজেই জানিয়েছিলেন “গণশক্তির সরোজ মুখার্জি আমার কাছে এসেছিলেন। ওঁরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “চিত্ত যেথা ভয়শূন্য উচ্চ যেথা শির” ছাপতে চান। আমি সটান না করে দিয়েছিলাম। আমার মনে হয়েছিল দেশের যা অবস্থা তাতে ওই কবিতার অন্য অর্থ হবে। এটা আমি ঠিক করিনি৷ এখন ভাবলে খারাপ লাগে” 

জরুরি অবস্থার পরে ১৯৭৭ সালে রাজ্যে কংগ্রেস সরকারের পতন হয়। তৈরি হয়েছিল বামফ্রন্ট সরকার। এই দীর্ঘ চৌত্রিশ বছরের বাম জমানাতে বিরোধী কংগ্রেসের তিনমূর্তি ছিলেন প্রিয়-সোমেন-সুব্রত। আর নেই তাঁরা। সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে সেই অধ্যায় শেষ হয়ে গেল। তিনি এমন এক রাজনীতিক যিনি বিরোধী হোক বা সরকার সবপক্ষেই নিজ মহিমায় উজ্জ্বল।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় টালমাটাল যুক্তফ্রন্ট সরকার ছিল এ রাজ্যে প্রথম অ-কংগ্রেসি সরকার। ১৯৬৭ ও ১৯৬৯ এই সময়ে দুটি যুক্তফ্রন্ট সরকারকে নড়িয়ে দেওয়ার যে ঘটনাবহুল ছক তৈরি হয়েছিল সেই সময়টিতে অর্থাৎ রাজনৈতিক ঝঞ্ঝাপূর্ণ বামপন্থী রাজনীতির উত্থান সময়ে কংগ্রেসি জাতীয়তাবাদী ঘরানার দক্ষিণপন্থী তরুন নেতাদের আকাল চলছিল। সেই আকালের বাজারে উদয় প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সি, সোমেন মিত্র ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের। তাবড় তাবড় বাম ও অতিবাম রাজনৈতিক নেতৃত্বের মাঝে কংগ্রেসি তিন মূর্তির প্রবল আত্মপ্রকাশ সেই যে শুরু হয়েছিল, দীর্ঘ চার দশক পেরিয়ে সুব্রতবাবু ছিলেন সেই জাতীয়তাবাদী ঘরানার সর্বশেষ প্রতিনিধি।

রাজনৈতিক জীবনে প্রথম মাইলফলকটি অবশ্যই ছিল, ১৯৭২ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে রাজ্যে ফের কংগ্রেসের ক্ষমতা দখলে সুব্রতবাবুর মন্ত্রী হওয়া। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থ শংকর রায়ের সঙ্গে মহাকরণ ও বিধানসভায় ঢুকলেন পুলিশ ও তথ্য দফতরের মন্ত্রী হয়ে। তারপর কংগ্রেস ভেঙে মমতার তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের পরপর দলত্যাগ ফের ফিরে আসা এরকমই চলেছে। একপর্যায়ে মমতাকে নেত্রী বলে মেনেও নিয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রী হয়েছেন।

সিদ্ধার্থশংকর থেকে শুরু মাঝে জ্যোতি বসু-বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মুখ্যমন্ত্রীতে বিরোধী পক্ষে আর সর্বশেষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মু়খ্যমন্ত্রীত্বে মন্ত্রিসভাতেই রাজনৈতিক জীবন কাটল। পুরো রাজনৈতিক জীবনে জরুরি অবস্থার মতো সবথেকে বিতর্কিত ঘটনাটি পরে হেসে উড়িয়েছেন। সুব্রতবাবু এমনই। সেটা সবপক্ষই স্বীকার করে নিয়েছেন।

Tripura: আসন্ন পুর নির্বাচনে ‘প্রবল সন্ত্রাসে’ অভিযুক্ত BJP, বিনা ভোটেই বিপুল জয়

cpim

News Desk: পশ্চিমবঙ্গে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে উপনির্বাচনে লাগাতার রিগিং ও ভোট লুঠ, সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলছে বিরোধী দল বিজেপি। তারাই আবার ত্রিপুরায় শাসক দল হয়ে ভোট সন্ত্রাসে অভিযুক্ত। আসন্ন পুর ও স্থানীয় ভোটে শতাধিক আসনে কোনও প্রার্থী নেই প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএমের। অভিযোগ, সন্ত্রাস ছড়িয়ে মনোনয়ন জমা করতে দেয়নি বিজেপি।

পশ্চিমবঙ্গে গ্রামপঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন দাখিল ঘিরে ব্যাপক সন্ত্রাসে অভিযুক্ত হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের বিরুদ্ধে সরব বিজেপি ত্রিপুরায় ভয়াবহ সন্ত্রাস ছড়িয়েছে এমন অভিযোগে বারে বারে দেশ উত্তপ্ত হয়েছিল। প্রায় ৯৫ শতাংশ গ্রামভিত্তিক আসনে ভোট লুঠে অভিযুক্ত বিজেপি।

আসন্ন পুর নির্বাচনে ত্রিপুরায় নির্বাচনী সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছে সিপিআইএম। অভিযোগ, উদয়পুর, বিশালগড়, কমলপুর, শান্তিরবাজার ও মোহনপুর পৌর পরিষদে কোনও ভোটই যাতে না হয় তার জন্য বাম প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দিতে দেওয়া হয়নি। একইভাবে জিরানিয়া ও রানিরবাজার নগর পঞ্চায়েতেও কোনও ভোট হবে না।

ত্রিপুরা নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা দিয়েছে, আগরতলা পুরনিগম, ১৩টি পৌর পরিষদ ও ৬টি নগর পঞ্চায়েতের মোট ৩৩৪টি আসনে ভোট হবে। পুর নিগম বাদ দিলে, বিরোধী বাম শিবির, কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের কোনওপক্ষই সম্পূর্ণ আসনে প্রার্থী দিতে পারেনি। ৭টি নগর সংস্থায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতা জিতে যাবে শাসক বিজেপি।

বিরোধী দল সিপিআইএমের অভিযোগ, ২০১৮ সালে রাজ্যে বিজেপি জোট সরকারে আসার পর যে সন্ত্রাস শুরু করেছে তার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে শাসক দল তৃ়ণমূল কংগ্রেস ও তাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নীতির পুরো মিল। তবে সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি।

Assam: বিরোধীদের ৫-০ গোল দিয়ে উচ্ছসিত BJP, মুখ্যমন্ত্রী বললেন সব জিতব!

Bjp celebrated Masive win in assam by election

News Desk: পশ্চিমবঙ্গে গোহারা হেরেছে বিজেপি। আর অসমে বিরাট জয়। উপনির্বাচনে দুই প্রতিবেশি রাজ্যে এই ভিন্ন ছবি। এই রাজ্যে ৫-০ ব্যবধানে এনডিএ শিবির জয়ী হওয়ার পর উচ্ছসিত মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

উপনির্বাচনের ফল প্রকাশের গেরুয়া শিবিরে আনন্দের জোয়ার উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে চূড়ান্ত ফলাফল আসার পরই গুয়াহাটি হেংড়াবাড়িতে রাজ্য রাজ্য বিজেপির কার্যালয়ে দলীয় কর্মকর্তাদের মধ্যে আগাম দীপাবলি লেগেছে।

জয়ের আনন্দে সামিল হলেন মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর হিমন্তবিশ্ব শর্মা, রাজ্য বিজেপি সভাপতি ভবেশ কলিতা ও অন্যান্য নেতারা। উপনির্বাচনে বিজেপিকে ফের জয়ী করায় জনগণকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী।

অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন , এখন আমাদের আর বসে থাকার সময় নেই। বিশ্রাম নিলেই মানুষ আমাদের ভুলে যাবে। দুরন্ত গতিতে কাজ করতে হবে। ৫ টি বিধানসভা কেন্দ্রের মানুষকে আমি প্রণাম করছি। ভোটার আগে জনগণকে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি সফল রূপায়ণ করব।

হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, কেউ আমাদের ভোট দিয়েছে কিনা সেটা বড় কথা নয়। আমরা সবার উন্নয়নের জন্য কাজ করব। এবার বহু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ ভোট দিয়েছেন বিজেপিকে।

রাজ্যে বিতর্কিত উচ্ছেদ অভিযান প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন ,চরাঞ্চলে জমির সার্ভে হওয়াটা খুবই জরুরি। বহু সরকারি ভূমিতে জবদখল চলছে। লামডিং বনাঞ্চলে মহাজনি ব্যবস্থা বন্ধ করতে হবে। এতে বহু সংখ্যালঘু মানুষ ভূমি পাবেন।

উল্লেখ্য, মিজোরাম ,নাগাল্যান্ড ,মেঘালয় ও অসমে বিজেপি জোটের বিজয় হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই জয় ফের প্রমাণ করল যে আমাদের প্রতি মানুষের সমর্থন রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন ,গত বিধানসভা নির্বাচনে সুশান্ত বরগোহাঁই এবং ফণীধর তালুকদার তিন হাজার ভোট জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু এবার বৃহৎ ব্যবধান রয়েছে তাঁদের জয়ে।রাজ্যের মরিয়নি কেন্দ্রে রেকর্ড ভোট জয়ী বিজেপি প্রার্থী।

প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামী সাড়ে চার বছর জনগণকে বিশ্বাসে নিয়েই সরকার কাজ করবে। সভ্যতা ও বিকাশকে সামনে রেখেই আগামীতে অসমকে দেশের ৫ টি শ্রেষ্ঠ রাজ্য হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে যাবতীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন,১২৬ টি বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি জয়ী করাটাই আমার লক্ষ্য। জীবনে এমনটা দিন আসবে বলে আমি আশাবাদী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতি অসম তথা সমগ্র উত্তর পূর্বাঞ্চলের মানুষের আদর রয়েছে। মানুষ উন্নয়ন ও বিকাশকে বিশ্বাস করেন।

By election Result: মঙ্গলে BJP আরও কমছে ধরেই নিল TMC

bengal-by-election

News Desk, Kolkata: ফের উপনির্বাচনের ফলাফলে শাসক তৃ়ণমূল কংগ্রেসের ঝুলিতে আরও চার বিধায়ক আসতে চলেছেন। এমনই কনফিডেন্ট মন্ত্রী থেকে সমর্থকরা। বিরোধী বিজেপি শিবিরে আরও বিধায়ক কমার আশঙ্কা।

মঙ্গলবার চার বিধানসভা দিনহাটা(কোচবিহার), শান্তিপুর (নদিয়া), খড়দহ (উ:২৪ পরগনা) ও গোসাবা (দ:২৪ পরগনা) কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফল বের হবে। এই চার কেন্দ্রের কোনোটাতেই জয়ের সম্ভাবনা দেখছেন না বাম নেতৃত্ব। তবে তাদের ধারণা, ভোট বাড়বে। আর কংগ্রেস নীরব।

সূত্রের খবর, এবার চার কেন্দ্রের ফলাফল দেখেই উৎসব অন্তে ধস নামতে শুরু করবে বিজেপিতে। অন্তত ১২ জন সরাসরি তৃণমূলে যোগ দেবেন। এদের বেশিরভাগই উত্তরবঙ্গের। ইতিমধ্যেই উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। আরও জানা যাচ্ছে কোচবিহার থেকে ক্রমাগত দু:সংবাদ আসতে চলেছে বিরোধী দলনেতার কাছে।

উপনির্বাচন ফল ঘোষণার আগেই বিস্ফোরণ মন্তব্য করেছেন সদ্য বিজেপি থেকে ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ত্রিপুরায় গিয়ে তৃণমূলে যোগ দেন। আগরতলা থেকে কলকাতায় এসেই রাজীব বলেন, রাজ্যে বিজেপি সাইনবোর্ড হয়ে যাবে।

জানা গিয়েছে, ফল ঘোষণার আগেই বিধানসভায় ট্রেজারি বেঞ্চে (সরকার পক্ষ)চারটি আসন সংরক্ষিত করা হয়। তবে এই বিষয়ে বিধানসভার তরফে কিছু জানানো হয়নি। বিরো়ধী দলের অভিযোগ, ফলাফল না দেখেন এরকম পদক্ষেপ গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর। তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে গণতন্ত্র নষ্ট করে দিয়েছে।

মঙ্গলবার গণনা উপলক্ষে গণনাকর্মীরা কড়া কোভিড নিয়মের আওতায় থাকবেন। তেমনই থাকবেন বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরা। বেলা গড়াতেই স্পষ্ট হবে জনতার রায়।

Mamata Bnerjee: কী হবে গোয়া সফরে? মমতা পৌঁছনোর আগেই ‘জয় শ্রী রাম’ ছড়াছড়ি

mamata banerjee

News Desk, Kolkata: দার্জিলিং পার্বত্যাঞ্চল থেকে আরব সাগর তীরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার তিনি গোয়া পৌঁছতেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন এ রাজ্যের বিধানসভা ভোটে কতটা দাগ কাটতে পারবেন মমতা?

ইতিমধ্যেই গোয়া জুড়ে মমতার পোস্টার ছেঁড়া, কালি লেপে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। প্রতিক্ষেত্রেই অভিযুক্ত বিজেপি। যদিও পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দল বিজেপির দাবি, গোয়া গিয়ে গণতন্ত্র শিখে আসবেন দিদি।

বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দার্জিলিংয়ের বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে সরাসরি গোয়ার ভাস্কো আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছান। তিনি আসার আগেই গোয়ার সর্বত্র জয় শ্রী রাম পোস্টার ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে এই পোস্টার কারা দিল তা স্পষ্ট নয়। তবে রাজনৈতিক মহলের ধারণা, বিজেপি এই কাজটি করিয়েছে।

তৃ়নমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোয়া সফর রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর উপস্থিতিতে গোয়ার বিজেপি ও কংগ্রেস শিবিরে ভাঙন ধরবে। স্থানীয় দলেও ভাঙন ধরতে চলেছে।আসন্ন গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে তৃ়ণমূল কংগ্রেস গোয়ায় লড়াই করবে।

গত গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয় হয়। ৪০ আসনের বিধানসভায় কংগ্রেস বৃহত্তম দল হলেও বিজেপির বিরুদ্ধে ঘোড়া কেনাবেচার অভিযোগ ওঠে। তীব্র রাজনৈতিক ডামাডোলের মাঝে ক্ষমতা দখল করে বিজেপি।

আসন্ন গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে গোয়া দখল করতে মরিয়া কংগ্রেস। তার মাঝেই তৃণমূল কংগ্রেস এন্ট্রি নেওয়ায় রাজনৈতিক ‘খেলা হবে’ শুরু হয়েছে গোয়া জুড়ে।

NRC: ‘ডি’ ভোটারে অসম বিজেপি জেরবার, প্রচারে বাঙালিদের মন পেতে মরিয়া হিমন্ত

himanta biswa sharma

News Desk: ‘ডি’ ভোটার সমস্যার বিতর্কে জর্জরিত অসম সরকার। রাজ্যে উপনির্বাচনে এই ইস্যু ভোটে প্রভাব পড়ছে বলে মনে করছে রাজ্যে শাসক দল বিজেপি। অসমের বাঙলিরা যে জর্জরিত সেটা মুখ্যমন্ত্রী হিমন্তবিশ্ব শর্মা স্বীকার করলেন।

বুধবার উপনির্বাচনের প্রচারে বাংলাভাষী অধ্যুষিত ভবানীপুর, গোসাইগাঁও ও তামুলপুরে বিধানসভা কেন্দ্রে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ডি ভোটার ও নোটিশ সংক্রান্ত সমস্যা দ্রুত সমাধান হবে।

অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন,এনআরসি’র জন্য বায়োমেট্রিক করতে গিয়ে আধার আটকে পড়ে বহু মানুষকে সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। এহেন সমস্যার সমাধান খুব শীঘ্রই করা হবে বলে আশ্বাস দিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বাংলায় ভাষণ দেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আধার সমস্যা সমাধানের জন্য সরকার যাবতীয় ব্যবস্থা করছে। এনিয়ে কেউ যেন চিন্তা না করেন।

আরও পড়ুনNRC: ভারতীয় ঘোষণার পরেও ‘ডি নোটিশ’ অসমে, বাঙালি ভারতীর ‘দেশহীন’ আতঙ্ক

রাজ্যের বিরোধী দল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে বেশ আক্রমণাত্মক ছিলেন তিনি। হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, রাজ্যে কংগ্রেস আমলেই অসমে ঘুষ নেওয়ার সংস্কৃতি শুরু হয়েছিল। টাকার বান্ডিল না দিলে কাজ হতো না। সে সময়ে ঘুষ দিতে দিতে মানুষ পাগল হয়ে গিয়েছিল। শিক্ষক,আশাকর্মী অঙ্গনওয়াড়িতে চাকরিতে পাওয়ার জন্য দিতে হতো ঘুষ। মুখ্যমন্ত্রীর দাবি, এমন সংস্কৃতি মাত্র চারমাসে পরিবর্তন ঘটানো হয়েছে। প্রশাসনিক অব্যবস্থা বিজেপি সরকার বন্ধ করেছে। আগামী সাড়ে চার বছর সব কলঙ্ক মুছেই ছাড়ব বলে দাবি করেন তিনি।

উপনির্বাচনের প্রচারে মুখ্যমন্ত্রীর আরও দাবি, আগামীদিনে প্রায় ১ লক্ষ যুবক যুবতীকে স্বচ্ছতা বজায় রেখে চাকরি দেওয়া হবে। এক পয়সাও ঘুষ দিতে হবে না। তিনি বলেন, কংগ্রেস শুধু ধর্মের ভিত্তিতে ভোট নিতে জানে।

NRC: ভারতীয় ঘোষণার পরেও ‘ডি নোটিশ’ অসমে, বাঙালি ভারতীর ‘দেশহীন’ আতঙ্ক

controversial ad notice issued against bengalis in assam

News Desk: ‘ডি নোটিশ’ শব্দটাই আতঙ্কের। ‘ডাউটফুল’ বা সন্দেহজনক তালিকায় যার নাম ওঠে সেই ব্যক্তিকে তাড়া করে দেশহীন হওয়ার আতঙ্ক। যেতে হয় ডিটেনশন ক্যাম্পে।বিশেষত অসমের বাংলাভাষীদের ক্ষেত্রে আতঙ্কের নাম ‘ডি নোটিশ’।

ফরেনার্স ট্রাইবুনাল বা বিদেশি চিহ্নিতকরণ তালিকায় যে ব্যক্তিতে একবার । ভারতীয় করা হয়েছে তাকেও ফের সন্দেহভাজন নাগরিকে তকমা সেঁটে দেওয়া হয়েছে অসমে।

ফের এমন ঘটনাটি ঘটেছে নাম্নী অসমের বঙ্গাইগাঁও জেলার মানিকপুর থানার ২ নম্বর জামদহা গ্রামে। এই গ্রামের প্রয়াত অবিনাশ সরকার ওরফে প্রেম দাস সরকারের কন্যা ভারতী। তিনি গোপালচন্দ্র সরকারের স্ত্রী। কৃষক পরিবারের গৃহবধু ভারতী।

১৩৭১/২০০২ সালের বিদেশি সংক্রান্ত মামলায় একই জেলার এক নম্বর বিদেশি শনাক্তকরণ ট্রাইবুনাল আদালত ২০১৯ সালে ভারতী সরকারকে ভারতীয় হিসেবে ঘোষণা করে। আদালতে পেশ করা ১০ টি তথ্যের উপর ভিত্তি করে উল্লেখিত নির্দেশ দেওয়া হয়। ১৯৪৬ ফরেনার্স এক্টের ৯ ধারা অনুযায়ী আদালত ভারতী সরকারকে ভারতীয় ঘোষণা করেছে।

আশ্চর্যের বিষয়ট, বিএনজিএন/এফটি ১২০১/২০১০ এর ভিত্তিতে আরেকটি মামলায় ভারতীকে একই ট্রাইবুনালের পক্ষ থেকে ফের ‘ডি’ভোটারের নোটিস জারি করা হয়। খুবই দরিদ্র পরিবার ভারতী এই নোটিশ পেয়ে চিন্তিত হয়ে পড়েছেন। মামলা চালাতে টাকা জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছেন তিনি। নিজের জমি বিক্রি করে মামলার টাকা জোগাড় করেছেন।

নোটিশে বলা হয়েছে যে, ১৯৭১ সালের ২৪ মার্চের পর অবৈধভাবে প্রবেশ করেছে কিনা, সেটা প্রমান করতে সেটার তথ্য সাবুদ নিয়ে ১৬ নভেম্বরের মধ্যে আদালতে হাজির হতে হবে। কয়েকদিন আগেই এই নোটিশ জারি করা হয়েছে।

এদিকে ,জামদহা এলাকাটি বন্যা কবলিত। কৃষক এবং খুবই দুঃস্থ পরিবারের ভারতী।একটি দরিদ্র কৃষক পরিবারের সদস্য হিসেবে ফের নোটিশ পাওয়ায় ভেঙে পড়েন ভারতী সরকার।

ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন সারা অসম বাঙালি মঞ্চের সাধারণ সম্পাদক অমৃতলাল দাস। তিনি বলেন, কয়েকদিন যাবত নিম্ন অসমের বিভিন্ন এলাকায় হিন্দু বাঙালিদের ডি নোটিশ দেওয়া চলছে। ইচ্ছাকৃত ও আক্রোশমূকলভাবে একাজ করা হচ্ছে। শীঘ্রই এসব বন্ধ রাখার দাবি জানিয়েছেন তিনি।

অমৃতলাল দাসের অভিযোগ, সরকারি উদাসীনতার শিকার হচ্ছেন অসমের বাঙালিরা। বিদেশি শনাক্তের নামে প্রকৃত ভারতীয়কে হয়রানি মেনে নেওয়া যায় না। স্বরাষ্ট্র দফতর দায়িত্বে থাকা মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর হিমন্তবিশ্ব শর্মাকে এক্ষেত্রে সঠিক পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য আর্জি জানিয়েছেন অমৃত বাবু।

Bihar: আমাকে গুলি করে মারার ছক করেছেন লালু, বিস্ফোরক নীতীশ

nitish kumar vs lalu prasad yadav

News Desk: নীতীশ কুমারের আশঙ্কা তিনি খুন হতে পারেন। তাঁকে খুন করাতে পারেন লালুপ্রসাদ যাদব। চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করেছেন বিহারের মুখ্যমন্ত্রী। পাটনায় তিনি বলেছেন, লালু যাদব চাইলে গুলি করে মারানোর ছক করতে পারেন। তিনি তো আর কিছুই পারেন না।

সম্প্রতি পশুখাদ্য কেলেঙ্কারির মামলায় জেলবন্দি লালুপ্রসাদ যাদব অসুস্থ হয়ে দিল্লিতে চিকিৎসাধীন ছিলেন। তিনি বিশেষ আইনি প্রক্রিয়ায় বিহারে ফিরেছেন। আরজেজি প্রধান ও প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লালুপ্রসাদ ফিরতেই বিহারের রাজনৈতিক মহল নতুন করে সরগরম।

পাটনায় ফিরে লালুপ্রসাদ বলেন, এসেছি নীতীশ কুমারের বিসর্জন করাতে। তাঁর এই মন্তব্যের প্রতিক্রিয়ায় খুন হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার।

রাজ্যে দুটি কেন্দ্র তারাপুর ও কুশেশ্বরস্থানে উপনির্বাচন আসন্ন। এই উপনির্বাচন ঘিরেই বিহারের রাজনীতি সরগরম। সরকারপক্ষ এনডিএ এর দিকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়েছেন লালুপুত্র তেজস্বী যাদব। তিনি বলেছেন, দুটি আসনে জয়লাভ করলেই বিহারে আরজেডি নেতৃত্বে মহাজোট সরকার গঠন হবে। একই কথা বলছেন লালু প্রসাদ যাদব। প্রশ্ন উঠছে, বিহারে কি সরকারপক্ষে ভাঙন ধরাচ্ছেন লালু।

তবে আরজেজি মহাজোট থেকে কংগ্রেস বেরিয়ে গেছে। লালুপ্রসাদ পাটনায় ফিরতেই তাঁর সঙ্গে কথা বলেন কংগ্রেস সভানেত্রী সোনিয়া গান্ধী। জোট ফের হবে বলেই মনে করা হচ্ছে। নির্বাচনে মহাজোট থেকে কংগ্রেস ১৯ টি আসন পায়। আর জোটের বাম শরিকরা বিহারে অভাবনীয় ফল করে। তবে সরকার গড়ে বিজেপি-জেডিইউ সহ শরিকদের এনডিএ জোট।

Punjab: কলেজ হোস্টেলে কাশ্মীরি পড়ুয়াদের মারধর চলছে, মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন ওমর

omar abdullah

নিউজ ডেস্ক: টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে পরাজিত ভারত। এর পরই রবিবার রাত থেকে পাঞ্জাবে ছড়িয়েছে কাশ্মীরি পড়ুয়াদের উপর হামলা। অন্তত ১০ জন জখম। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানাচ্ছে এ খবর। আক্রান্ত পড়ুয়া সহ বাকি কাশ্মীরি ছাত্র ছাত্রীদের নিরাপত্তা চেয়ে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিত সিং চান্নির কাছে বার্তা পাঠালেন ওমর আবদুল্লা।

জম্নু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবুদুল্লা এই হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করেন অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হোক।

রবিবার আইসিসি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবথেকে উত্তেজনার ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে পরাজিত ভারত। খেলা শেষ হতেই পাঞ্জাবের বিভিন্ন কলেজে পড়তে আসা কাশ্মীরি পড়ুয়ারা আক্রান্ত হতে থাকেন। অভিযোগ, ওই পড়ুয়াদের সরাসরি পাকিস্তানি বলে মারধর শুরু হয়েছে রাত থেকে।

সোমবার সকালেও বিক্ষিপ্ত হামলা চলছে বিভিন্ন কলেজে। কাশ্মীরের পড়ুয়ারা মূল লক্ষ্য। উত্তেজিত ‘ক্রিকেটপ্রেমীরা’ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে পরাজয় মানতে পারছেন না। বিশ্বকাপে প্রথমবার পাকিস্তান হারিয়েছে ভারতকে।

সামনেই পাঞ্জাব বিধানসভা ভোট। তার আগেই এমন ঘটনায় এই রাজ্যে সরকারে থাকা কংগ্রেস অস্বস্তিতে। অভিযোগ উঠছে, হামলাকারীরা হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ ও বিহারের বিজেপি এবং উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। পাঞ্জাবের পরিস্থিতি ক্রমে বড় আকার নিতে পারে এমনই আশঙ্কা।

হামলাকারীরা সোশ্যাল সাইটে হামলার লাইভ দেখিয়ে কাশ্মীরি পড়ুয়াদের মারধর শুরু করে। কাশ্মীরি ছাত্রদের বক্তব্য, হামলার সময় স্থানীয় পাঞ্জাবিরা রক্ষা করতে আসেন। তাদের প্রতিরোধে কিছুটা রক্ষা পেয়েছেন কয়েকজন। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ছড়ায় রাতে। পাঞ্জাব পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলেছে।

Bihar: কানাহাইয়াকে সামনে রেখেই কংগ্রেসের একলা লড়াই শুরু

kanhaiya kumar

নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস একলাই চলবে। উত্তর প্রদেশের মতো বিহারেও রিস্ক নিলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। রাষ্ট্রীয় জনতা দলের হাত ছাড়ল কংগ্রেস। আগেও বেশ কয়েকবার দুই দল পরস্পর বিরোধী অবস্থানে গিয়েছে। ফের জোট হয়েছে

গত বিধানসভা ভোটের আগে বিহারে আরজেডি, কংগ্রেস ও বামেদের মহাজোট হয়। এই জোট সরকার গড়তে পারেনি। তবে কংগ্রেস জোটের তরফে লড়ে তেমন সফলতা পায়নি। মহাজোটের সিপিআই (এম এল) অভাবনীয় সফলতা পায়। দলনেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্য দাবি করেন, কংগ্রেসকে বড়সড় আসন না ছেড়ে তাঁর দল ও বামেদের বেশি আসন বরাদ্দ করলে মহাজোট সরকার গড়ত। তখন থেকেই কংগ্রেস ও আরজেডির মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে।

সূত্রের খবর, রাহুল গান্ধীর নির্দেশে শুক্রবারই পাটনায় আসছেন কংগ্রেস নেতা কানহাইয়া কুমার। সম্প্রতি সিপিআই ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। দল পরিবর্তনের পর এটাই তাঁর নিজ রাজ্যে কংগ্রেস নেতা হিসেবে আসা। বিহার প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে কানহাইয়াকে নিয়ে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন মতভেদ। অনেকেই কানহাইয়াকে মানতে পারছেন না। সূত্রের খবর, কানহাইয়ার সঙ্গে আসছেন হার্দিক প্যাটেল।

বিহারে দুটি আসন তারাপুর ও কুশেশ্বরস্থানে উপনির্বাচন। প্রদেশ কংগ্রেস জানিয়েছে, দুটি আসনেই একলা লড়াই করবে দল। বিহার কংগ্রেসের নেতা ভক্তচরণ দাস জানান, মহাজোট থেকে বেরিয়ে এসেছে কংগ্রেস। তিনি আরও জানান, আগামী লোকসভা ভোটেও রাজ্যে ৪০টি আসনে একলা লড়বে কংগ্রেস।

Priyanka Gandhi: মমতার পথে কংগ্রেসের ‘বড় দাবি’ সরকার গড়লেই ছাত্রীদের স্কুটি-স্মার্টফোন

Priyanka Gandhi

নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশে কংগ্রেস ‘মৃত’। তেমন কিছু নেই আর অবশিষ্ট। অন্তত গত লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন নিরিখে এমনই মত বিশেষজ্ঞদের। কিন্তু প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে(Priyanka Gandhi) নির্বাচনে নামিয়ে চমক দিতে শুরু করেছে কংগ্রেস।

রাজ্যে কংগ্রেস সরকার গড়লে ছাত্রীদের জন্য ঢালাও স্কুটি ও স্মার্টফোন দেওয়ার ঘোষণা করলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। রাজ্যে ৪০ শতাংশ প্রার্থী মহিলা হবেন এই ঘোষণার পরেই কিশোরী ও যুবতীদের জন্য বড়সড় দাবি করেছেন প্রিয়াঙ্কা।

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী টুইটে লিখেছেন, কয়েকজন পড়ুয়ার সঙ্গে কথা বলেছি। তারা জানায় পড়ার জন্য স্মার্টফোন দরকারি। আমি খুশি যে ঘোষণা সমিতির সহমতিতে ইউপি কংগ্রেস সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই রাজ্যে সরকার গড়লে ছাত্রীদের জন্য স্কুটি ও স্মার্টফোন দেওয়া হবে।

উত্তর প্রদেশে কংগ্রেসের এই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের তৃ়ণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ে একের পর এক ঘোষণার মিল পাওয়া যাচ্ছে। তিনিও বিধানসভা ভোটের আগেই ঘোষণা করেছিলেন,রাজ্যের পড়ুয়াদের জন্য ট্যাব দেওয়া হবে। ট্যাব কেনার জন্য দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতে শুরু করেছে। তবে অনেক্ষেত্রে এসেছে অভিযোগ।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গড়া রুখে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এর পর থেকেই দেশে বিজেপি বিরোধী নেত্রী হিসেবে মমতা কে টি়এমসি তুলে ধরতে মরিয়া। যদিও নির্বাচন বিশ্লেষণ বলছে, কেরলে সিপিআইএমের মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন তাঁর রাজ্যে বিজেপিকে শূন্য করেছেন।

উত্তর প্রদেশ বিজেপির সর্বপেক্ষা শক্তিশালী ঘাঁটি। এই রাজ্যে তাদের সরকারকে ফেলতে ফের বিরোধীদের জোট হবে নাকি কংগ্রেস একলা চলবে সেটি আলোচিত। তবে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী প্রচারে ঝড় তুলতে শুরু করেছেন।

Assam: ভাষা শহিদ শিলচর স্টেশনের সরকারি পোস্টারে বাংলা নেই ! বিতর্ক বাড়ছে

bengalis of assam

নিউজ ডেস্ক: অসমের (Assam) সরকারি ভাষার একটি বাংলা। আর বাংলা ভাষার অধিকার অর্জনের জন্য রক্তাক্ত হওয়া শিলচর স্টেশনেই পড়েছে অহমিয়া ভাষায় সরকারি পোস্টার। যদিও এ রাজ্যে অপর সরকারি ভাষা বাংলা। ঘটনার জেরে শিলচর সরগরম। 

অহমিয়া ভাষায় লিখিত এই সরকারি প্রকল্পের পোস্টার লাগানো নিয়ে সোচ্চার বরাক ডেমোক্রেটিক যুব ফ্রন্ট এবং সারা বাঙালি ছাত্র যুব সংস্থার সদস্যরা। সরকারি পোস্টারটি কালো কালি দিয়ে মুছে দেন।

যুব ফ্রন্টের মুখ্য আহ্বায়ক কল্পার্ণব গুপ্ত বলেন, যে একাদশ শহিদের রক্তের বিনিময়ে ১৯৬১ সালে যে ত্রিভাষা সূত্র সরকারি ভাবে গৃহীত হয় যে তাতে স্পষ্টতই সরকারি কাজকর্মে ও প্রচার ইত্যদিতে অসমের বরাকে বাংলাভাষা ব্যাবহৃত হবে এমন সিদ্ধান্ত হয়েছিল। বর্তমান সরকারের সেটা অজানা থাকার কথা নয়। কিন্তু তারপরও সরকারি তরফে এখানে অসমিয়া ভাষায় পোস্টারের পিছনে কোনও উদ্দেশ্য রয়েছে।

অভিযোগ,বিজেপি অসমে ক্ষমতায় আসার পর থেকে ক্রমাগত বাঙালি বিদ্বেষ মনোভাব নিয়ে চলছে। নাম্নী অসম বা বরাক উপত্যকায় বিষয়টি নিয়ে রাজনৈতিক চাপান উতোর শুরু হয়েছে। কল্পার্ণব বলেন যে সরকার নির্বিশেষে দিশপুরের কর্তাদের তরফে এইভাবে জোর করে অসমিয়াকরণের চেষ্টা চলছেই।

তিনি বলেন অসমের বরাকের জনগণ বাধ্য হয়ে ভাষার প্রশ্নে স্পর্শকাতর হয়ে উঠেছেন। অসমের বরাকে এইভাবে পেছন থেকে অসমিয়া ভাষা চাপিয়ে দিতে গেলে তার ফল মোটেই ভালো হবেনা। এইসব‌ কিছুতেই মানা হবেনা এবং এসবের প্রতিরোধে সর্বাত্মক আন্দোলনে নামবে বিডিএফ যুবফ্রন্ট। এইসব বন্ধ না হলে আবার ৬১ এর আন্দোলনের পুনরাবৃত্তি হবে।