Manipur: বিরোধী আসন দখলে মমতার অভিযান, কংগ্রেস কাঁপছে মনিপুরে

TMC

News Desk: মেঘের দেশ মেঘালয়ে কংগ্রেসকে শেষের কবিতা পড়িয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা। সে রাজ্যে টিএমসি প্রধান বিরোধী দল। এবার কোন রাজ্য ?

সূত্রের খবর, তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর নজর পড়েছে বিজেপি শাসিত রাজ্য মনিপুরে (Manipur)। এই রাজ্যে বিরোধী আসন দখলে জন্য মেঘালয়ের মতো ঝড়ের বেগে অপারেশন শুরু করছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের তরফে ভোটকুশলীরা পরিকল্পনা তৈরি করেছেন।

মনিপুরে বিজেপি সরকারে। বিরোধী দল কংগ্রেস। আর তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর লক্ষ্য তারাই। এই বিপদের আঁচ করেছে কংগ্রেস। কীভাবে সম্ভব ভাঙন রোখা তার সূত্র খুঁজছেন কংগ্রেসের ক্রাইসিস ম্যানেজাররা। মনিপুরে বিরোধী আসনে থাকা কংগ্রেস বিধায়করা ‘উড়ু-উড়ু’। তাঁদের কাছে টাটকা উদাহরণ মেঘালয়।

এক নজরে মনিপুর বিধানসভার অঙ্ক
বিধানসভার মোট আসন ৬০
সরকারপক্ষে রয়েছেন ৩৫ জন বিধায়ক।
বিজেপি ২৪
এনপিপি ৪
এনপিএফ ৪
নির্দল ৩

বিরোধী আসনে মোট ১৮ জন বিধায়ক
প্রধান বিরোধীদল কংগ্রেসের ১৭ জন
তৃণমূল কংগ্রেস ১
৭টি আসন খালি।

সূত্র মারফত kolkata24x7.in জানতে পেরেছে মেঘালয়ের বিরোধী নেতা মুকুল সাংমার সঙ্গে যোগাযোগ রেখেই মনিপুরের বিরোধী দল কংগ্রেসকে ভাঙাতে মরিয়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মনিপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের যিনি বিধায়ক সেই থংব্রাম রবীন্দ্র সিং তৈরি বাকিদের বোঝাতে।

উত্তরপূর্বাঞ্চলের দীর্ঘদিনের পরিচিত রাজনীতিক মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা। তাঁর হাতেই মনিপুরে ঘাঁটি তৈরির ভার ছেড়েছেন মমতা। সেই লক্ষ্যে মুকুল সাংমা পরবর্তী পদক্ষেপ হিসেবে মনিপুরকেই বেছে নিয়েছেন।

উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজনীতিতে আচমকা তৃণমূল কংগ্রেস বিশেষ আলোচনায়। পশ্চিমবঙ্গের তিনবারের শাসকদল এখন মেঘালয়ে বিরোধী আসনে। আবার ত্রিপুরায় পুর নির্বাচনে ভোটের হার ০.৩ শতাংশ থেকে ১৬.৩৯ শতাংশে পৌঁছে গেছে তৃণমূল কংগ্রেস। উত্তর পূর্বের এই বাংলাভাষী প্রধান রাজ্য দখলে আগামী বিধানসভা ভোটে সর্বশক্তি নিয়ে নামছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

Tripura: মোদীর টুইটে ‘সুশাসন’ বেছে নেওয়ার ধন্যবাদ, হামলায় সন্ত্রস্ত ত্রিপুরা

Tripura post poll violence

News Desk: পুর ও নগর পরিষদ-পঞ্চায়েক নির্বাচনে বিপুল জয় পেয়েছে ত্রিপুরার (Tripura) শাসকদল বিজেপি। প্রবল ভোট সন্ত্রাস ও রিগিং অভিযোগে নির্বাচন নিয়ে অসন্তুষ্ট সুপ্রিম কোর্ট বারবার রাজ্যের বিজেপি সরকারকে নির্বিঘ্নে ভোট ব্যবস্থা পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছিল।

অভিযোগ, সেই নির্দেশ গিয়েছে ধুলোয় লুটিয়ে। ভোটে সন্ত্রাসের ভয়াবহ হামলা অব্যাহত ফল বের হওয়ার পরেও। রবিবার রাতভর চলেছে হামলা, বাড়ি ঘর ভাঙচুর। সর্বক্ষেত্রে হামলায় অভিযুক্ত বিজেপি।

পুর নির্বাচনে বিপুল ভোটে জয়ের পর প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী টুইট করেন। তিনি লিখেছেন, ত্রিপুরাবাসীকে ধন্যবাদ। তাঁরা সুশাসন বেছে নিয়েছেন।

Tripura post poll violence

সুশাসনের ভয়াবহ ছবি সোমবার সকাল হতেই স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। শুধু আগরতলা নয়, জেলায় জেলায়, এলাকাভিত্তিক হামলা চলছে। গাড়ি ভাঙচুর, বিরোধী দল সিপিআইএমের সমর্থকদের উপর হামলা অব্যাহত। তেমনই আক্রান্ত হচ্ছেন তৃ়ণমূল কংগ্রেস সমর্থক ও প্রার্থীরা। আক্রান্ত কংগ্রেসও।

ভোটের ফল ঘোষণার পর ত্রিপুরার মু়খ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব জানান, এই জয় জনগণের জয়। ত্রিপুরার শাসকদল বিজেপির দাবি গণতন্ত্রের জয়। প্রধান বিরোধীদল সিপিআইএমের দাবি, গণতন্ত্র লুঠ হয়েছে। টিএমসি ভোটে ব্যাপক সন্ত্রাসের অভিযোগ করেছে। বিধানসভায় খেলা হবে বলে জানিয়েছে। কংগ্রেসের তরফে ভোটের ফল প্রত্যাখান করা হয়েছে। তিপ্রা মথা ভোট সন্ত্রাস নিয়ে সরব।

রবিবার পুর ও নগর পঞ্চায়েত-পরিষদ ভোটের ফলাফলে বিজেপি কার্যত একতরফা জয়ী। ফলাফল বিশ্লেষণে উঠে এসেছে ত্রিপুরায় পুর নির্বাচনে ৯৯ শতাংশ জয়ী শাসকদল বিজেপি।

মোট ২০টি পৌর এলাকার ৩৩৪টি আসন। বিজেপি জয়ী ৩২৯টি। ৯৯ শতাংশ আসনে জয়!
তাৎপর্যপূর্ণ, ৭টি পুর ও নগর পঞ্চায়েতে নির্বাচন হয়নি। এই এলাকাগুলিতে বিরোধীদের উপর হামলার বিস্তর অভিযোগ উঠেছিল। ফলে বিনা প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতায় জয়ী হয় বিজেপি।

আগরতলা পুরনিগম সহ যে ১৩টি নগর পঞ্চায়েক ও পরিষদের ভোট হয়েছিল তার ২২২টি আসনের মধ্যে বিজেপি পেয়েছে ২১৭টি। বিরোধী সিপিআইএম পেয়েছে ৩টি। টিএমসি একটি। তিপ্রা মথা ১টি।

Tripura: আগরতলায় দ্বিতীয়,অন্যত্র ‘টিমটিম’ হয়েই বিরোধী তকমার দাবি TMC নেতাদের

opposition face in tripura

News Desk: ব্যাপক রিগিং ও বুথ লুঠের অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের অসন্তোষের পর যে ত্রিপুরা (Tripura) পুরনিগম ও নগর নির্বাচন হয়েছে তার ভোট প্রাপ্তির পরিসংখ্যান বলছে, পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তিন নম্বরেই।

নির্বাচন কমিশন জানাচ্ছে, বিজেপি সারা রাজ্যে পেয়েছে ৫৯.০১% ভোট। ১৯.৬৫% সারা রাজ্যে ভোট পেয়েছে বামফ্রন্ট। তৃণমূল কংগ্রেস ১৬.৩৯% ভোট পেয়েছে।আর কংগ্রেস ২.০৭% ভোট পেয়েছে।

আগরতলা পুরনিগম সহ রাজ্যের ১৩টি পুরসভা ও ৬টি নগর পঞ্চায়েত দখল করেছে শাসকদল বিজেপি। রাজ্যে ভোটের নিরিখে দ্বিতীয় স্থানে বামেরা।

তবে আগরতলা পুর নিগমের ভোটে চমক তৈরি করে টিএমসি দ্বিতীয় স্থানে উঠে এসেছে। এখানে তৃতীয় বামেরা। আগরতলা পুর নিগমের ৫১ টি আসনের মধ্যে সবেতেই জয়ী শাসকদল।  আগরতলা পুর নিগমের ভোট প্রাপ্তির হার:

বিজেপি পেয়েছে ৫৭.৬৭ শতাংশ।
তৃণমূল কংগ্রেস পেয়েছে ২০.২২ শতাংশ।
বামফ্রন্ট পেয়েছে ১৮.১৪ শতাংশ।
কংগ্রেস পেয়েছে ১.৭৬ শতাংশ।

আগরতলা পুর নিগমের ফল বের হওয়ার পর, টিএমসি নেতারা দাবি করতে শুরু করেন, তারা রাজ্যে বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়েছেন। তাঁদের আরও দাবি, বিধানসভায় বিরোধী আসনে থাকলেও বামেরা ত্রিপুরায় অস্তিত্বহীন।

Tripura municipal election

একনজরে ত্রিপুরা পুর ও নগর নির্বাচন ফল
বিজেপি ৩২৯
সিপিআইএম ৩
টি়এমসি ১
তিপ্রা মথা ১

এই ফল আসা মাত্র তৃণমূল কংগ্রেস নেতা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়, ও ত্রিপুরার দলীয় নেতা সুবল ভৌমিক আগরতলায় যৌ়থ সাংবাদিক সম্মেলন করেন। দুই নেতা দাবি করেন, ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসে এই প্রথম মাত্র তিনমাসে কোনও ভিনরাজ্যে গিয়ে একটি দল ভোটে লড়ে দ্বিতীয় স্থানে উঠে আসল। এটি একটি নজির। আগামী ২০২৩ বিধানসভা ভোটে ত্রিপুরায় টিএমসি সরকার গড়বে।

তবে পুর ও নগর নির্বাচনের ফলাফল নিয়ে বিশ্লেষণের কোনও জায়গাই নেই এমনই দাবি রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএমের। যুক্তি হিসেবে বামেরা তুলে ধরছে ব্যাপক ছাপ্পা ও রিগিং অভিযোগ। বামেদের দাবি, যেখানে প্রায় একশ শতাংশ আসনেই ভোট হয়েছে রিগিং করে সেখানে কে কত ভোট পেল তা গ্রহণযোগ্য নয়। রাজবাসী যদি সঠিকভাবে ভোট দিতে পারতেন তাহলে পুর নির্বাচনেই বিজেপির পতন দেখা যেত। বিধানসভার লড়াই হবে অন্য মাত্রায়। ভোটের ফলকে পুরোপুরি প্রত্যাখান করেছে বিরোধী দল সিপিআইএম।

Tripura: ‘ব্যাপক রিগিং’ অভিযোগের ভোটে জয়ী BJP, প্রাপ্ত গুণতে কালঘাম ছুটছে

Tripura municipal election

News Desk, Agartala: কত এসেছে? নিচু তলা থেকে দলীয় ভোট পরিসংখ্যান বিশেষজ্ঞরা গুণতে গিয়ে বারবার হোঁচট খাচ্ছেন। শুধু ত্রিপুরার (Tripura) রাজধানী আগরতলা পুরনিগম নয়, পুর পরিষদ ও নগর পঞ্চায়েত ভোটের যে সব হিসেব আসছে তাতে ভোট প্রাপ্তির শতাংশ দেখে চমকে যাচ্ছেন কারিয়াকর্তারা। হিসেব মেলাতে গিয়ে কালঘাম ছুটতে শুরু করেছে।

প্রবল ভোট সন্ত্রাসের কারণে আগরতলা পুরনিগমের ৫১টি ওয়ার্ডকেই স্পর্শকাতর বলে ঘোষণা করেছিল ত্রিপুরা রাজ্য নির্বাচন কমিশন। ভোটের আগে থেকে ও ভোট চলাকালীন ব্যাপক ছাপ্পা চলতে শুরু করে। সর্বক্ষেত্রে অভিযুক্ত হয় বিজেপি। বিরোধী দল সিপিআইএম ভোট লুঠের প্রতিবাদে থানা ঘেরাও করে। তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে অবস্থান হয়েছিল। খোদ রাজধানীর ভোট পরিস্থিতি ছিল ভয়াবহ।

আগরতলা পুর নিগমের বুথ লুঠ, ভোটারদের উপর হামলা এমনকি বিজেপি সমর্থকদের উপরেও হামলার অভিযোগ উঠেছে। প্রবীণ ভোটারদের মারধর, বুথের সামনে পুলিশের উপস্থিতিতে ছিনতাইয়ের অভিযোগ উঠেছে। ফলে ভোট পড়ার শতাংশ সঠিক নয় বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

এক নজরে আগরতলা পুরনিগমের ফলাফল।
৫১ টি আসনের মধ্যে সবতেই জয়ী বিজেপি।
বিজেপি ৫৭.৬৭ শতাংশ, তৃণমূল কংগ্রেস ২০.২২ শতাংশ, বামফ্রন্ট ১৮.১৪ শতাংশ, কংগ্রেস ১.৭৬ শতাংশ ভোট পেয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণ, রাজ্যে প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএম নেমেছে তিন নম্বরে।

ভোটে তুমুল রিগিং অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টকে বারবার হস্তক্ষেপ করতে হয়েছিল। রাজ্য সরকারের কাছে ভোটে নিরাপত্তা দানের নির্দেশ দিয়েছিল শীর্ষ আদালত। ফলাফল বের হওয়ার পর জয় মসৃণ হলেও ভোট প্রাপ্তির সঠিক হিসেব নেই বিজেপির কাছে।

রাজ্যের বাকি ৬টি নগর পঞ্চায়েত ও ৩টি পুর পরিষদেও বিজেপির একছত্র জয়। কোথাও কোথাও বিরোধী সিপিআইএম ও টিএমসির কেউ কে়ু়উ জয়ী হয়েছেন। নির্বাচনের আগেই শতাধিক আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতায় শাসকদল জয়ী হয়ে যায়।

এই বিপুল জয়ের হিসেবেও কাঁটা হয়ে খচখচ করছে ভোট প্রাপ্তির সঠিক পরিসংখ্যান। কোথাও কোনও হিসেবই সঠিক আসছে না। বিরোধী দল সিপিআইএমের দাবি, যেভাবে রিগিং হয়েছে তাতে শাসক দল বিজেপি জানেই না তাদের ভোট কত শতাংশ। হিসেব সেই ২০১৮ সালের বিধানসভায় নির্বাচনের ফলাফলে আটকে রয়েছে। রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর বিজেপি জোট সরকারের আমলে পঞ্চায়েত ভোট, লোকসভা নির্বাচনে কত সমর্থন বিপ্লব দেব সরকারের, তার সঠিক হিসেবই নেই।

পুর পরিষদ ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনে ভোট প্রাপ্তির সঠিক তথ্য না থাকায় আগামী বিধানসভা ভোটে সরকারপক্ষ সমস্যায় পড়তে চলেছে বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ বিধানসভা ভোট হবে কেন্দ্রীয় বাহিনী দিয়ে। থাকবে কড়াকড়ি।

Mamata Banerjee: বিরোধী মুখ হওয়ার প্রস্তুতিতে TMC, কংগ্রেসের বৈঠক থেকে দূরত্ব

Mamata Banerjee

News Desk: মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেস দল এখন বিরোধীদের প্রধান মুখ হওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সেই কারণেই টিএমসি একে একে তাদের কার্ড খুলতে শুরু করেছে। রাজধানীর রাজনীতিতে ঘুরছে এমনই কথা।

কংগ্রেসের ডাকা বি রোধী দলগুলির বৈঠকে টিএমসি অংশ নিচ্ছে না। তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় সংবাদ সংস্থা এএনআইকে বলেছেন, রাজ্যসভায় বিরোধী দলের নেতা কংগ্রেসের মল্লিকার্জুন খাড়গের ডাকা বিরোধী দলগুলির বৈঠকে টিএমসি অংশ নেবে না।

টিএমসি সূ্ত্রে খবর, সোমবার থেকে শুরু হওয়া সংসদের শীতকালীন অধিবেশনেও কংগ্রেসের সাথে সমন্বয় করা হবে না। সংসদ অধিবেশনে কংগ্রেসকে সহযোগিতা করবে না দলটি। তবে সাধারণ মানুষের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে দলটি অবশ্যই অন্যান্য বিরোধী দলকে সমর্থন করবে।

রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই কারণেই টিএমসি অন্যান্য রাজ্যে মনোযোগ দিতে শুরু করেছে। অন্যান্য দলের বড় নেতাদের টেনে আনছে।

এর আগে, টিএমসি টেনে আনে কংগ্রেসের সর্বভারতীয় মহিলা নেত্রী তথা শিলচরের প্রাক্তন সাংসদ সুস্মিতা দেবকে। তিনি অসম সহ উত্তর পূর্ব ভারতের অন্যতম নেত্রী। এখন টিএমসির রাজ্যসভা সাংসদ ও ত্রিপুরার দায়িত্বে। সিনিয়র কংগ্রেস নেতা কীর্তি আজাদ ও অশোক তানওয়ারকে টেনে নিয়েছে টিএমসি। গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী এসেছেন মমতার শিবিরে। মেঘালয়ের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিরোধী দলনেতা কংগ্রেস ছেড়ে টিএমসিতে সামিল। মেঘালয়ে বিরোধী আসনে টিএমসি। এটি সোনিয়া গান্ধীর জন্য একটি বড় ধাক্কা।

পশ্চিমবঙ্গে কংগ্রেস বলতে কিছুই নেই। ত্রিপুরার পুর ভোটে টিএমসি নিজের অস্তিত্ব তৈরি করেছে। এ রাজ্যে বিজেপির ওপর ক্ষুব্ধ কয়েকজন সিনিয়র নেতাও টিএমসির পক্ষে বিবৃতি দিচ্ছেন।

তবে বিশ্লেষণে উঠে আসছে, কংগ্রেসের ভারতব্যাপী অবস্থানকে ভাঙতে একা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কতদূর সফল হবেন। দক্ষিণ ভারতে কংগ্রেসকে ভাঙানো তাঁর পক্ষে সহজ হবে না বলেই মনে করা হচ্ছে।

Assam: বৃদ্ধা মালতি সরকারের আতঙ্ক, ভারতীয়ত্ব প্রমাণের জোড়া নোটিশে বিপুল আর্থিক বোঝা

Anti CAA aasam

News Desk: ‘ডি” ভোটার, বিদেশি ন্যায়াধীকরণ, ডিটেনশন ক্যাম্পের নামে অসমের (Assam) বাঙালিদের হয়রানি করার কাহিনী আর নতুন হয়ে থাকেনি । ১৯৯৭ সাল থেকে ‘ডি’ ত্রাস চলেছে। ভোট আসে ভোট যায় ,কিন্তু ‘ডি’-র তকমা সেঁটে দেওয়া বাঙালিদের বদলায় না ভাগ্য। এনআরসি তালিকায় দাগ পড়ে যাওয়া লক্ষ লক্ষ অসমবাসীর বেশিরভাগই হিন্দু-অভারতীয় বলে চিহ্নিত।

এই ইস্যু নিয়ে বহু অসমের বাঙালি নেতাা নিজের পলিটিক্যাল কেরিয়ার গড়েছেন। যদিও ভোটার পর সবই হিমঘরে চলে যায়। তবে রাজনৈতিক কারণেই বা প্রশাসনিক গাফিলতির শিকার হচ্ছেন বাঙালিরা। মাঝে মধ্যে এমন কিছু কর্মকান্ড সবাইকে বাকরুদ্ধ করে দেয়।

একই ব্যক্তির নামে দুটি ‘ডি’ নোটিশ। এমনটাই ঘটনা ঘটেছে বরপেটা জেলার বরপেটা রোড, কাটাঝার গ্রামের বাসিন্দা মালতী সরকারের সাথে। জানা গেছে, বরপেটা জেলার ৯ নং বিদেশি শনাক্তকরণ ট্রাইবুনাল ২৭২৯ /৯৭ নাম্বারের বিদেশি সংক্রান্তিও একটি মামলার ভিত্তিতে ২০২১ সালের ২০শে জানুয়ারী জারি করা হয়েছে নোটিশ। এই নোটিশে মালতির পিতা ও স্বামীর নাম উল্লেখ করা হয়নি।

D-voter malati sarkar

মালতি দেবীর পরিবার জানায়, ১৮ ফেব্রুয়ারি ভারতীয় নাগরিকত্বের যাচাই করতে প্রয়োজনীয় নথি নিয়ে হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। এই নির্দেশ মেনেই তিনি বরপেটা জেলার ফরেনার্স ট্রাইবুন্যালে নিজের ভারতীয় নাগরিকত্বের পরীক্ষায় নির্ধারিত সময়ে হাজির হন।

এই মামলার চূড়ান্ত না হতেই ফের প্রয়াত রাধাকৃষ্ণ সরকারে কন্যা ও প্রয়াত পি সরকারের স্ত্রী মালতী সরকারের নামে ৩৬৬৯/০৯ নাম্বারের একটি মামলায় আরেকটি নোটিশ জারি করা হয়। মালতি দেবীর ছেলে আনন্দ সরকারের নতুন বাড়ি বঙ্গাইগাঁও জেলার অন্তর্গত মানিকপুর থানা এলাকায় আবারও একটি “ডি” নোটিশ গত ফেব্রুয়ারি ১৮ তারিখে জারি করা হয়। এতে মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন বয়স্ক মহিলা ও তাঁর পরিবার।

উপায়ন্তর হয়ে আবারও আইনজীবীর সাহায্যে বঙ্গাইগাওঁ ১ নং বিদেশি ন্যায়াধীকরণে দৌড়ঝাঁপ আরম্ভ করেছেন ছেলে আনন্দ সরকার। তিনি জানান, ইতিমধ্যেই বরপেটার কাটাঝারের বাড়ি থেকে চলতি মামলাতেই তাদের আর্থিক ক্ষতি হয়েছে। মানসিক অশান্তিতে মায়ের শরীরের অবস্থা আজকাল ভালো যায়না। অনেকটাই ভেঙ্গে পড়েছেন মা। তবে বঙ্গাইগাওঁ ১নং এফ টি থেকে বলা হয়েছে , যত তাড়াতাড়ি সম্ভব বরপেটা জেলার এফটিতে ভারতীয় নাগরিকত্বের তথ্য জমা দিয়ে এই মামলার নিস্পত্তি করতে হবে।

এই ঘটনায় সারা অসম বাঙালি ঐক্যমঞ্চের নজরে আসলে সাধারণ সম্পাদক অমৃতলাল দাস বলেন , বর্তমানের অসম সরকার বাঙালি জনসাধারণকে কেবলমাত্র ভোট ব্যাঙ্ক হিসাবে চাইলে সেই আত্মীয়তা আর বেশিদিন টিকিয়ে রাখা সম্ভব হবেনা।

বাঙালি ঐক্যমঞ্চের দাবি, যদিও একথা আর নতুন করে বলার অবকাশ রাখেনা যে, অসমাবাসী বাঙালি হিন্দুর একছত্র ভোটারদের কারণেই আজ দিসপুরের (অসমের প্রশানিক কেন্দ্র) ক্ষমতায় বিজেপি সরকার। তবে আনন্দদের মত যুব সমাজকে এই সরকার যদি প্রতিবাদ করতে পথেই নামতে বাধ্য করে তাহলে সে দিন আর বেসিদিন লাগবেনা ক্ষমতাশীন দলের মুখ থেকে মুখোশ খুলে আসল জায়গায় বসিয়ে দেবেন তাঁরা।

Constitution Day: পরিবারতন্ত্র গোটা দেশের পক্ষেই উদ্বেগজনক, সংবিধান দিবসে দাবি মোদীর

constitution day

News Desk: সংবিধান দিবসের (constitution day) গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তার কথা আলোচনা করতে এদিন সংসদের সেন্ট্রাল হলের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ সংবিধানের গুরুত্ব নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেন। ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

যদিও ১৪টি বিরোধী দল এই অনুষ্ঠান বয়কট করেছে। সরকারপক্ষের সাংসদদের সামনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর ভাষণে যথারীতি কংগ্রেসকে খোঁচা দেন। তিনি বলেন, একটা সময় একটি পরিবার গোটা দেশকে চালিয়েছে। ওই পরিবারটি নিজেদের উন্নয়নের কথা ছাড়া আর কারও কথা ভাবেনি। গোটা দেশের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাব, পরিবারতন্ত্র গণতন্ত্রের পরিপন্থী।

তিনি বলেন, ভারতের মতো এক বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশে আমাদের সকলকে এক সুতোয় বেঁধে রেখেছে সংবিধান। আজ সংসদ ভবনকে সেলাম করার দিন। পরিবারতান্ত্রিক দল ও সেই দলের নেতারা আজও গোটা দেশের কাছে যথেষ্ট উদ্বেগের বিষয়।

একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী এদিন বিরোধীদের বয়কট প্রসঙ্গ উত্থাপন করে বলেন এই অনুষ্ঠান কোনও রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিগতভাবে আমি আয়োজন করিনি। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সংসদ। সংবিধান, সংসদ, অধ্যক্ষের একটা বিশেষ সম্মান আছে। প্রত্যেকের উচিত সেই বিষয়টিকে সম্মান দেওয়া।

১৪ টি বিরোধী দল আজকের অনুষ্ঠান বয়কট করে। যার মধ্যে কংগ্রেস ছাড়াও রয়েছে শিবসেনা ও তৃণমূল কংগ্রেস, সিপিআইএম, সিপিআই সহ বিভিন্ন দল। বিরোধী দলগুলির এই আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সূত্রের খবর, ২৯ নভেম্বর সোমবার থেকে শুরু হতে যাওয়া সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের একজোট হয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধীরা এদিনের অনুষ্ঠান বয়কট প্রসঙ্গে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকার সংবিধানকে সম্মান দেয় না। সংবিধান মেনে দেশ পরিচালনা করে না। তাই এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কোনও অর্থ হয় না।

লোকসভায় কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, আমরা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেব না। কারণ মোদী সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। এই সরকার দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। এই সরকারের সামান্য সৌজন্যবোধ নেই। সে কারণে রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বিরোধী জোট অক্ষুন্ন রাখতেই তারা এই অনুষ্ঠান বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১৯ নভেম্বর নরেন্দ্র মোদী সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে ২৬ নভেম্বর দিনটি সংবিধান দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

Tripura: ‘মহিলারা এসে সোনার হার ছিনতাই করল বুথের সামনে’

Tripura election

News Desk, Agartala: পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোট মিটতেই ত্রিপুরায় (Tripura) শাসক দল বিজেপি দাবি করে, গণতন্ত্রের উৎসব হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব ঘটা করে জন্মদিন পালন করেন।

বিজেপি রাজ্য সভাপতি মানিক সাহা জানান, মানুষ নিজে তাঁদের অধিকার প্রয়োগ করেছেন। একধাপ এগিয়ে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরীর দাবি, একটাও মৃত্যু হয়নি। ঐতিহাসিক ভোট।

ভোট পরবর্তী সকালে ভয়াবহ ছবি ও জনগণের বক্তব্য ছড়িয়ে পড়ছে আগরতলার সংবাদ মাধ্যমে। তেমনই এক যুবতী ভোটার দাবি করেন, বৃহস্পতিবারের ভোট সন্ত্রাস অভিজ্ঞতা। তিনি সংবাদ মাধ্যমের সামনে স্পষ্ট জানান, কীভাবে বুথের সামনে মহিলারা ঘিরে ধরে তাঁকে মারধর করে সোনার হার ছিনতাই করেছে। পুরোটাই পুলিশের সামনে হয়েছে বলে তাঁর অভিযোগ।

Tripura Senior Citizen voter

ওই যুবতীর আরও অভিযোগ, বুথ দখল করা হয়েছিল। হামলাকারীরা সরকারপক্ষের বলেই সংবাদ মাধ্যমে উঠে এসেছে। সূত্র ভিত্তিক জানা গিয়েছে, হামলাকারীরা বিজেপির মহিলা মোর্চার সদস্য। তারা বুথ দখলে এসেছিলেন বলে অভিযোগ।

আক্রান্ত যুবতীর দাবি, রাজ্যে গণতন্ত্র নেই। তিনি ছিনতাই হওয়া সোনার চেন ফেরত পেতে পুলিশে অভিযোগ করেছেন। তবে তিনি রাজ্য প্রশাসন নিয়ে প্রবল ক্ষোভ উগরে দেন। অভিযোগ করেন, মহিলারা ঘিরে তাঁর ভাইকেও মারধর করেছে।

এদিকে ভোট মিটতেই ত্রিপুরার রাজধানী আগরতলা পুর নিগম সহ অন্যান্য নগর পঞ্চায়েতের বিভিন্ন এলাকায় ঘরে ঘরে চলছে ক্ষোভ। সরকারের ভূমিকায় জনগণ ক্ষুব্ধ।

মানুষের সেবা করতেই কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছি: মুকুল

mukul sangma

News Desk: বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল মেঘালয়ের কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেন। জল্পনাকে সত্যি প্রমাণ করে বুধবার ১১জন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন মুকুল সাংমা।

সাংমা ও ১১ জন বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা এক লাফে ১৭ থেকে কমে হচ্ছে মাত্র ৫ জন। স্বাভাবিকভাবেই উত্তর পূর্বের এই রাজ্যে প্রধান বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই বিরোধী দলের মর্যাদা চেয়ে রাজ্য বিধানসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়েছেন মুকুল সাংমা।

আরও পড়ুন: Meghalaya: মেঘের দেশে ‘কংগ্রেসের শেষের কবিতা’ লিখলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা

হঠাৎই মুকুল সাংমা কেন কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি। মুকুল সাংমা সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, মানুষের সেবা করার জন্যই তাঁরা বাধ্য হয়ে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, ২০১৮ সালে বিধানসভা নির্বাচনে মেঘালয়ে কংগ্রেসই যে সরকার গড়বে এটা অনেকটাই নিশ্চিত ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তাঁরা সরকার গড়তে পারেননি। এনপিপি ও বিজেপি জোট কীভাবে রাজ্যে সরকার গঠন করেছিল সেটা আজ সকলেই জানে। ওই ঘটনার পর রাজ্যে দলীয় সংগঠনকে চাঙ্গা করা তো দূরের কথা, বরং নিয়মিতই কংগ্রেস সদস্যদের ভাঙানোর চেষ্টা শুরু হয়। যা রোখার মত কোনও কাজ করেনি দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।

মুকুল সাংমা বলেছেন, শীর্ষ নেতৃত্বের দিশার অভাবেই রাজ্যে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করতেও ব্যর্থ কংগ্রেস। জনবিরোধী কাজ প্রতিরোধ করা ও সরকারের ভুলগুলি তুলে ধরার যে দায়িত্ব বিরোধী দলের রয়েছে সেটা পালন করতে পারেনি কংগ্রেস। দলের নীতি মেনে চলতে গিয়ে জনস্বার্থের সঙ্গেও তাঁদের প্রতি পদে পদে আপোস করতে হয়েছে।

মুকুল সাংমা স্পষ্ট জানিয়ে দেন রাজ্যের মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার কারণেই তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। বিরোধী দলনেতা হিসেবে তাঁদের যা করা উচিত ছিল সেটা তাঁরা করে উঠতে পারেননি। কংগ্রেসে থাকলে প্রকৃত বিরোধী ভূমিকা পালন করা সম্ভব হবে না। সে কারণেই তাঁরা দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মুকুল অভিযোগ করেছেন, দলীয় হাইকমান্ডের ব্যর্থতার কারণেই কংগ্রেস কখনওই দেশের প্রধান বিরোধী দল হয়ে উঠতে পারেনি।

উল্লেখ্য, মেঘালয়ে কংগ্রেসের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরেই একটা ভাঙন দেখা যাচ্ছিল। এই ভাঙনের মূল কারণ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা এবং প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভিনসেন্ট এইচ পালার মধ্যে ঠান্ডা লড়াই। মুকুলের অভিযোগ, ভিনসেন্টকে প্রদেশ সভাপতি করার আগে দলের হাইকমান্ড তাঁর সঙ্গে কোনও রকম আলোচনাই করেননি। সে কারণে দলীয় নেতৃত্বের প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন মুকুল। পরবর্তী ক্ষেত্রে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির সঙ্গে বিভিন্ন ইস্যুতে তাঁর মতপার্থক্য আরও বেড়েছে।

দলের দুই প্রবীণ নেতার মধ্যে এই বিরোধ মেটাতে কিছুদিন আগেই দেখা করেছিলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। অনেকেই মনে করেছিলেন, এবারের মতো হয়তো রাহুল পরিস্থিতি সামালে দিয়েছেন। কিন্তু সেই ভাবনাচিন্তা যে ঠিক ছিল না মুকুলের দলত্যাগ তারই প্রমাণ।

গত মাসে কলকাতায় এসে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেছিলেন মুকুল সাংমা। ওই সাক্ষাতের পর মুকুলের তৃণমূলে যোগ দেওয়া নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। যদিও তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেছিলেন, ব্যক্তিগত কারণেই তিনি অভিষেকের সঙ্গে দেখা করেছেন।

সম্প্রতি কলকাতায় এসে তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গেও দেখা করেন মুকুল। এই সাক্ষাতকে তিনি সৌজন্য বলে জানিয়েছিলেন। করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত ১১ জন কংগ্রেস বিধায়ককে নিয়ে মুকুলের তৃণমূল কংগ্রেসে চলে আসা নিশ্চিতভাবেই কংগ্রেসের কাছে বড় ধাক্কা।

Tripura: এক ডজন বিধায়ক BJP সরকার ত্যাগ করতে গোপনে আলোচনা করলেন

News Desk: তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক রেখেই শেষ হয়েছে ত্রিপুরার পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোট পর্ব। ভোটপর্ব ঘিরে ব্যাপক রিগিং করার অভিযোগে জেরবার শাসকদল বিজেপি। তবে তাদের দাবি নির্বাচন হয়েছে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে। বিরোধী দল সিপিআইএমের দাবি রিগিং কী পর্যায়ে হয়েছে তা সংবাদ মাধ্যমেই স্পষ্ট।

বিজেপি ও সিপিআইএমের ভোট যুদ্ধের মাঝে সরকারপক্ষের অন্তত ১৩ জন বিধায়ক দলত্যাগের জন্য গোপনে আলোচনা শেষ করেছেন। বিশেষ সূত্রে kolkata24x7.in জানতে পেরেছে এই বৈঠকের কথা। আগেই এক বিধায়ক আশিস দাস বিজেপি ত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।

সূত্রের খবর, সরকারপক্ষ ত্যাগ করতে চাওয়া বিধায়করা দিনভর আগরতলা পুর নিগম ও বাকি নগরপঞ্চায়েত ভোট পর্যবেক্ষণ করেন। বিরোধী দল সিপিআইএমের ভূমিকা খতিয়ে দেখেন। রিগিংয়ের অভিযোগ, বুথ লুঠের ছবি ও ভিডিওর ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া পুনরায় নিরাপত্তা আশ্বাসের পরও যখন পরিস্থিতি একই থাকে তখন তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন।

ঘনিষ্ঠমহলে এদের বক্তব্য পুর নির্বাচনে সরকারের ভূমিকায় জনগণের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। বিধানসভা ভোটে এর ধাক্কা সামলানো কঠিন হবে। এই বিজেপি বিধায়কদের বেশিরভাগ গত বিধানসভায় ভোটের আগে তৎকালীন বিরোধী দল কংগ্রেস ত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন। পরে তাঁরা বিজেপিতে সামিল হন।

এক নজরে ত্রিপুরা বিধানসভার অঙ্ক

মোট আসন ৬০
সরকারপক্ষে মোট ৪২ জন
বিজেপি ৩৫
আইপিএফটি ৭

প্রধান বিরোধীপক্ষ সিপিআইএম ১৬

অন্যান্য

তৃণমূল কংগ্রেস ১

তিপ্রা মথা ১

সূত্র মারফত Kolkata24x7.in আরও জানতে পেরেছে বিজেপির বিধায়করা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের ভূমিকা নিয়ে নিজেদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী, বর্তমান মন্ত্রী ও হেভিওয়েটরা।

আরও তাৎপর্যপূর্ণ, পুর ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনে এদের অনেককেই প্রচারে বিজেপির তরফে তেমন ভূমিকা নেননি। বৃহস্পতিবার ভোটের ছবি দেখে তাঁরা অবস্থান আরও মজবুত করেছেন।

Tripura: আরও দুই কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানোর নির্দেশ

CPMF

Tripura Municipal election 
নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়েই বৃহস্পতিবার ত্রিপুরায় পুরভোটের (municipal election)৷ ভোটগ্রহণ শুরু হয়। এদিন ভোট শুরুর পর থেকেই বিভিন্ন জায়গা থেকে এসেছে একের পর এক হিংসা ও অশান্তির অভিযোগ। পরিস্থিতি এতটাই খারাপ হয়ে পড়ে যে ভোটচলাকাকীন হস্তক্ষেপ করতে বাধ্য হয় দেশের শীর্ষ আদালত।

এদিন শীর্ষ আদালত (Supreme court)ভোট চলাকালীন ত্রিপুরায় (tripura) আরও দুই কোম্পানি সশস্ত্র কেন্দ্রীয় বাহিনী (crpf) পাঠানোর জন্য নির্দেশ দেয়। ভোটচলাকালীন এভাবে নিরাপত্তা বাহিনী পাঠাতে বলার নির্দেশ এককথায় নজিরবিহীন বলা যেতে পারে। শীর্ষ আদালতের নির্দেশ একদিকে যেমন বিজেপির কাছে বড় ধাক্কা তেমনই এতদিন ধরে রাজ্যের অন্যতম বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস সন্ত্রাসের যে অভিযোগ করছিল তা যে একেবারেই সঠিক সেটা প্রমাণ হল।

ত্রিপুরার প্রধান বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিএম শীর্ষ আদালতের কাছে অভিযোগ করে যে, রাজ্যে ব্যাপক সন্ত্রাস চালাচ্ছে বিজেপি। সাধারণ মানুষকে বিজেপির পক্ষে ভোট দেওয়ার জন্য ভয় দেখানোর পাশাপাশি বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের উপরেও আক্রমণ চালাচ্ছে। এধরনের হিংসা ও সন্ত্রাসের পরিবেশে কখনওই অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন সম্ভব নয়। বিরোধীদের এই অভিযোগ পাওয়ার পরেই সক্রিয় হয়ে ওঠে সুপ্রিম কোর্ট। বৃহস্পতিবার দেশের শীর্ষ আদালতের বিচারপতি ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রককে নির্দেশ দেন, অবাধ, শান্তিপূর্ণ ও নিরপেক্ষ ভোটের জন্য অবিলম্বে ত্রিপুরায় আরও দুই কোম্পানি আধাসামরিক বাহিনী পাঠাতে হবে। শুধু তাই নয়, পুরভোট যাতে শান্তিপূর্ণ ও অবাধ হতে পারে তার জন্য কেন্দ্র ও ত্রিপুরা সরকারকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে।

ত্রিপুরার পরিস্থিতি নিয়ে বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের এই পর্যবেক্ষণ ছিল যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। বিচারপতি চন্দ্রচূড় বলেন, পুর নির্বাচনে প্রতিটি বুথে যাতে কেন্দ্রীয় বাহিনী থাকে তার জন্য রাজ্য নির্বাচন কমিশন ও ত্রিপুরা পুলিশ আধিকারিকদের যথাযথ ব্যবস্থা নিতে হবে। প্রতিটি বুথে সাংবাদিকদের প্রবেশ করার অনুমতি দিতে হবে। পাশাপাশি ব্যালট পেপারের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে। ২৮ নভেম্বর ভোট গণনার দিন যাতে কোথাও কোনও অশান্তি ও ঝামেলা না হয় সে বিষয়টিও নিশ্চিত করতে হবে। বিচারপতি চন্দ্রচূড়ের এই নির্দেশ নিশ্চিতভাবেই বিজেপির কাছে একটি ধাক্কা। পাশাপাশি শীর্ষ আদালতের নির্দেশে উজ্জীবিত বিরোধী শিবির।

রাজ্যের অন্যতম বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস প্রথম থেকেই ত্রিপুরায় বিজেপির বিরুদ্ধে ব্যাপক সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে আসছে। গত কয়েক দিনে এখানে তৃণমূল নেতা কর্মীদের মারধর করা হয়েছে। এমনকী, তৃণমূল প্রার্থীদের বাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ও বোমা ছোড়া হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব নিজেই বিজেপির হার্মাদ বাহিনীকে উস্কানি দিয়ে চলেছেন। ঘটনার জেরে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, আগরতলার প্রতি বুথে কমপক্ষে পাঁচজন সশস্ত্র বাহিনীর জওয়ানকে রাখতে হবে। এদিন ২০টি পুর অঞ্চলের ৩৩৪ টি ওয়ার্ডের মধ্যে ২২২টিতে আজ ভোটগ্রহণ চলছে। বিজেপি ইতিমধ্যেই ১১২ টি ওয়ার্ডে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয় পেয়েছে। এদিন যে সব বুথে ভোট নেওয়া হচ্ছে সেখানেই বিজেপি নতুন করে সন্ত্রাস চালিয়েছে বলে অভিযোগ।

Tripura: ‘স্বামীর গলা ধরে রাস্তায় ফেলে দিল, বলল মাসিমা ভোট দেবেন না’

Tripura Senior Citizen voter

Tripura poll violence
News Desk: পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে বিরোধী দলের ভুরি ভুরি অভিযোগ নিয়ে সরগরম পরিস্থিতি। সুপ্রিম কোর্টের তরফে ভোটারদের নিরাপত্তার ব্যবস্থার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। বেলা শেষে ত্রিপুরায় ভোট সন্ত্রাসের ছবি আরও স্পষ্ট হতে শুরু করেছে বলেই জানাচ্ছেন ভোটাররা।

আগরতলা পুর নিগম ভোটের সন্ত্রাসের ঘটনা বলতে গিয়ে সংবাদ মাধ্যমের সামনে কেঁদে ফেললেন এক প্রৌঢ়া ভোটার। তিনি বর্ণনা দিয়েছেন, কেমন করে রিগিং হয়েছে।

ওই প্রৌঢ়া জানান, সকালে ভোট দিতে আসছি। এমন সময় কয়েকজন যুবক ঘিরে নিয়ে বলল, আপনার ভোট দিতে যাবেন না। ওদের কথা না শুনে বললাম কেন ভোট দেব না। ওদের পেরিয়ে যেই

আরেকটু এগিয়ে এসেছি এমন সময় দু’জন যুবক এসে আমার স্বামীর গলা টিপে ধরে রাস্তায় ফেলে দিল। আমাকে আটকে রাখল। বলল ভোট দিতে যাবেন না। এর পরেই প্রৌঢ়া কান্নায় ভেঙে পড়েন। তিনি পরে জানিয়েছেন, এই পরিস্থিতি আগের সরকারের আমলে ছিল না।

ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের স্ত্রী নীতি দেব সাংবাদিকদের জানান, রাজ্যবাসী সুষ্ঠু উন্নয়নের জন্য ভোট দিয়েছেন। সরকার জনগণের উন্নয়নকেই প্রাধান্য দেয়।

ত্রিপুরায় গত বিধানসভা নির্বাচনের পর এই রাজ্যে টানা ২৫ বছরের বামফ্রন্ট সরকারের পতন হয়। সরকার গড়ে বিজেপি আইপিএফটি জোট। বিধানসভা ভোট সুষ্ঠুভাবেই হয়েছিল সেকথা সব রাজনৈতিক মহল স্বীকার করেছে। ভোটের ফল ঘোষণার দিন থেকে ত্রিপুরায় রাজনৈতিক হামলা শুরু হয়।

বিধানসভায় ভোটের পর থেকে রাজ্যে যতগুলি ভোট হয়েছে তাতে রিগিং পুরোমাত্রায় বলে অভিযোগ বিরোধী দল সিপিআইএমের। পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে ব্যাপক সন্ত্রাস নিয়ে সরব বিরোধী বামেরা। যদিও শাসক বিজেপির দাবি ভোটে কোনও রিগিং হয়নি।

Tripura: বুথে ‘মার খেয়ে’ বিরোধী CPIM এর বিশাল মিছিল! সমর্থকরা দুষছেন নেতাদের

Tripura poll violence

Tripura poll violence
News Desk: নেতারা রাস্তায়। বিরাট মিছিল নিয়ে থানা ঘেরাও করে রেখেছেন বাম সমর্থকরা। আগরতলায় পুর ভোটে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। বিরোধী দল সিপিআইএমের মিছিল দেখে কে বলবে বুথে বুথে হাল ছেড়ে দিয়েছেন কর্মীরা ! রাজপথ কাঁপিয়ে সিপিআইএমের মিছিল দেখে শাসক বিজেপির কটাক্ষ, এত লোক ওদের মিছিলে! কটা ভোট পাবে!

আর বাম সমর্থকদের প্রশ্ন দলেরই কাছে। তারা বলছেন, এত মিছিলেন শক্তি নিয়ে আন্দোলনের ছিঁটেফোঁটাও যদি বুথে দেখাতে পারত দল তাহলেই ছবিটা পাল্টে যেত। ভোট সন্ত্রাস রুখে দিতে পারতাম। নেতারা মিছিল করতে যত পটু ততটা বুথে নন।

Tripura poll violence

ত্রিপুরা পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে ব্যাপক সন্ত্রাসে অভিযুক্ত শাসক বিজেপি। পরিস্থিতি এমন যে সুপ্রিম কোর্ট ফের বুথে বুথে নিরাপত্তার নির্দেশ দিয়েছে। সকাল থেকে একের পর এক ছবিতে স্পষ্ট পুর ভোট লুঠ হয়েছে। বিরোধী দল সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরী যে সন্ত্রাসের ভিডিও দেখিয়ে আশঙ্কা করেছিলেন, ভোটারদের বুথ থেকে তাড়িয়ে দেওয়া সেটাই প্রমাণ করেছে।

বিরোধী তৃণমূল কংগ্রেস, কংগ্রেসের তরফেও ভোট সন্ত্রাসের অভিযোগ এনে থানা ঘেরাও ও ধর্না কর্মসূচি চলে।
এদিকে শাসক দল বিজেপির রাজ্য সভাপতি মানিক সাহা জানান, রাজ্যবাসী ভোট উৎসকে অংশ নিয়েছেন। কোথাও রিগিং হয়নি। আরও একধাপ এগিয়ে রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি মন্ত্রী সুশান্ত চৌধুরী দাবি করেছেন, ঐতিহাসিক ভোট হয়েছে রাজ্যে। একটিও খুনের খবর আসেনি। অথচ আগে সব ভোটে এমন ঘটনা ঘটত।

Tripura: বিরোধী বামেদের থানা ঘেরাও, তৃণমূলের আর্তনাদ, শাসক বিজেপি বলছে ‘নো রিগিং’

Tripura poll violence

Tripura Municipal Election
News Desk: সুপ্রিম কোর্ট স্তম্ভিত। সব সংবাদ মাধ্যমকে বুথে বুথে প্রবেশের নির্দেশ। ত্রিপুরায় পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে ব্যাপক সন্ত্রাসের অভিযোগ নিয়ে জাতীয় রাজনৈতিক মহলে প্রবল শোরগোল। সকাল থেকেই নির্বাচনে সন্ত্রাস মাত্রাছাড়া বলে অভিযোগ।

শাসকদল বিজেপির বিরুদ্ধে লাগাতার সন্ত্রাস ছড়ানোর অভিযোগ ঘিরে সরগরম পরিস্থিতি। সশস্ত্র অবস্থায় হামলা চলছেই।

আগরতলা পুর নিগম সহ সবকটি নগর পঞ্চায়েতের ভোটে সন্ত্রাসের যে ছবি আসছে তা প্রত্যাশিত ছিল বলেই জানাচ্ছে স্থানীয় সংবাদ মাধ্যম।

ব্যাপক রিগিং ঘিরে উত্তপ্ত আগরতলা। ভোট রিগিংয়ের অভিযোগে বিরোধী দল সিপিআইএমের বিশাল মিছিল হয়। ঘেরাও করা হয় পশ্চিম আগরতলা থানা। পুলিশ অসহায় বলে জানিয়েছে পুলিশ মহলের একাংশ। সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরী ভোট সন্ত্রাসের ভয়াবহ ভিডিও সংবাদ মাধ্যমের সামনে তুলে ধরেছেন। তাঁর দাবি, সরকার জনসমর্থন হারিয়ে সন্ত্রাস করে জিততে মরিয়া।

অন্যদিকে হামলার মুখে তৃণমূল কংগ্রেস কার্যত আর্তনাদ শুরু করেছে। একাধিক প্রার্থী আক্রান্ত। দলের নেতা সুবল ভৌমিক আক্রান্ত প্রার্থীকে নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সরকারকে তীব্র আক্রমণ করেন। অপর বিরোধী দল কংগ্রেস কার্যত হাল ছেড়ে দিয়েছে।

যাবতীয় অভিযোগ অস্বীকার করেছেন শাসক দল বিজেপির রাজ্য সভাপতি মানিক সাহা। তিনি বলেছেন, মানুষ শান্তিতে গণতান্ত্রিক রায় দিচ্ছেন। ভোট রিগিং নেই ভোট উৎসব চলছে। তাঁর মন্তব্য নিয়েই ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহল সরগরম।

আক্রান্ত ভোচদাতাদের দাবি, বিজেপি সমর্থকদেরও ছাড় দিচ্ছেনা বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা। তাঁদের অভিযোগ, এ যেন পশ্চিমবঙ্গের বিগত পঞ্চায়েত ভোটের হুবহু ছবি ত্রিপুরা পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে। নির্বাচনের আগে থেকে যে ভোট সন্ত্রাস চলছিল তার পরিপূর্ণ রূপ দেখাল বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা।

Tripura: কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর আশ্বাস ‘সোনার পাথরবাটি’, ভোট প্রায় ‘লুঠ’

Masive poll rigging in tripura

News Desk: এ যেন পশ্চিমবঙ্গের বিগত পঞ্চায়েত ভোটের হুবহু ছবি ত্রিপুরা (Tripura) পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে। নির্বাচনের আগে থেকে যে ভোট সন্ত্রাস চলছিল তার পরিপূর্ণ রূপ দেখাল বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা, এমনই অভিযোগ। মূল বিরোধী সিপিআইএমের দাবি, ভোট হচ্ছেই না। ভোট হলেই পরাজয় বুঝে গণতান্ত্রিক রায় লুঠ করেছে শাসক বিজেপি।

নির্বাচনে ভয়াবহ সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে সুপ্রিম কোর্টে আবেদন ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রীর কাছে তদ্বির করেছিল রাজ্যে নতুন করে রাজনীতি শুরু করা তৃণমূল কংগ্রেস। টিএমসি সাংসদ সুস্মিতা দেবের করা আবেদনের প্রেক্ষিতে সুপ্রিম কোর্ট ত্রিপুরা রাজ্য সরকারকে নির্বিঘ্নে ভোটের নির্দেশ দেয়। লাগাতার সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে টিএমসি সাংসদরা কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সঙ্গে দেখা করেন। বৈঠকে শাহ আশ্বাস দেন ত্রিপুরা সরকারের সঙ্গে কথা বলে ভোট সন্ত্রাস বন্ধ করা হবে।

tripura-election

বিরোধী সিপিআইএমের অভিযোগ, অমিত শাহর আশ্বাস ‘সোনার পাথরবাটি’ সেটা ভোট শুরু হতেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। আগরতলা পুর নিগমের কোনও ওয়ার্ড বাকি নেই যেখানে বিজেপি রিগিং করতে বাকি রেখেছে। নির্বাচনী সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলে বুধবার রাতে সিপিআইএম রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরী সুপ্রিম কোর্টে আবেদন করেন বলে জানান। তিনি ভোট সন্ত্রাসের ভয়াবহ ছবি দেখান সাংবাদিকদের।

অভিযোগ, মু়খ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের নির্দেশে এমন করছে রাজ্য বিজেপি। বিরোধী নেতা মানিক সরকার জানিয়েছেন, সন্ত্রাস থেকেই স্পষ্ট সরকার জনসমর্থন হারিয়েছে। বিজেপির হেভিওয়েট নেতা ও প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায়বর্মণের দাবি, যেভাবে সন্ত্রাস চলছে তাতে দলের ভাবমূর্তি প্রবল কালিমালিপ্ত। ভবিষ্যতের দিন ভয়াবহ। রাজ্যে বিজেপি চরম বিপর্যয়ের মুখে পড়তে চলেছে। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী সুস্মিতা দেবের অভিযোগ, ভয়াবহ ভোট সন্ত্রাসের আশঙ্কা ছিলই। তাই হয়েছে।

অভিযোগের জবাবে বিজেপি জোট সরকার নীরব। আরও অভিযোগ, রাজ্য নির্বাচন কমিশন রিগিং চালাতে দিচ্ছে নির্বিঘ্নে। নিরাপত্তা শিকেয় উঠেছে।

Tripura: রাত থেকে হামলা, সকালে ভোট শুরুতেই রক্তাক্ত ছবি, অভিযুক্ত BJP

tripura-election

News Desk: সকাল বলে দিল দিন কেমন যাবে। আগরতলা (Tripura) পুর নিগম ও রাজ্যের নগর পঞ্চায়েত ভোটে ভয়াবহ ভোট সন্ত্রাস শুরু হয়েছে। আশঙ্কা মিলিয়েই বুথ দখল ও ছাপ্পা চলছে। সর্বক্ষেত্রে বিজেপি আশ্রিত বাইক বাহিনীর হামলার অভিযোগ আসতে শুরু করেছে। পরিস্থিতি এমন যে বিজেপি সমর্থিত ভোটারদের হুমকি খোদ শাসকদলেরই বুথ দখলকারীদের।

ত্রিপুরা পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটের ছবি পশ্চিমবঙ্গের গত গ্রামপঞ্চায়েত নির্বাচনে শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে ওঠা হামলার অভিযোগের ঠিক উল্টো চিত্র। পার্থক্য বাংলাভাষী প্রধান ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেস ভোট সন্ত্রাসের অভিযোগ করছে। তবে এ রাজ্যে বিরোধী দল সিপিআইএম। তাদের তরফে হামলা ও হুমকির ছবি দিয়ে বুধবার রাতেই সুপ্রিম কোর্টে জরুরি আবেদন করা হয়। বিরোধী দলের রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরী জানান, ভোট নির্বিঘ্নে করতে সুপ্রিম কোর্টের হস্তক্ষেপ দাবি করা হয়েছে।

বহু চর্চিত আগরতলা পুর নিগম ভোট ও নগর পঞ্চায়েত ভোট। বিশেষত পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল টিএমসি সরাসরি ত্রিপুরায় ফের রাজনৈতিক ময়দানে। টিএমসির তরফে অভিযোগ নিয়ে সরগরম হয়েছে দিল্লির রাজনীতি। এমনকি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ জানান, বিজেপি শাসিত ত্রিপুরায় যাতে ভোট সন্ত্রাস না হয় তার জন্য মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে বলা হবে। টিএমসির আবেদনের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট ত্রিপুরা সরকারকে ভোট সন্ত্রাস রুখতে নির্দেশ দেয়।

ভোটের সকালে তারই উল্টো ছবি। রাজ্যের একাধিক মন্ত্রীর হুমকি মিলিয়েই পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে রক্তাক্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

Meghalaya: মেঘের দেশে ‘কংগ্রেসের শেষের কবিতা’ লিখলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা

mukul Sanga join TMC

News Desk: পশ্চিমবঙ্গ শাসনের বাইরে অন্য রাজ্যে প্রথম বড়সড় সাফল্যের মুখ মেঘালয়েই (Meghalya) দেখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Manata Banerjee)। উত্তর পূর্ব ভারতের মেঘালয়ের বিরোধী দল হয়ে গেল তৃণমূল কংগ্রেস (TMC)।

এই রাজ্যের বিরোধী দল কংগ্রেসের (INC) বিধায়করা প্রায় পুরোটাই তৃণমূলে সামিল হয়ে গেলেন। এনডিটিভি জানাচ্ছে, বিরোধী দলনেতা মুকুল সাংমা ১২ জন বিধায়ক নিয়ে কংগ্রেস ত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।

বিভিন্ন সূত্রে খবর নিয়ে ekolkata24 আগেই জানিয়েছিল টিএমসি মেঘালয়ে বিরোধী দল হতে চলেছে। পড়ুন সেই খবরটি। Meghalya: কংগ্রেস ভেঙে বিরোধী দলের মর্যাদা পেতে মরিয়া মমতা

মেঘালয় প্রদেশ কংগ্রেস ভবনের নাম কি পাল্টে যাবে? এও প্রশ্ন উঠতে শুরু করল। কারণ এর আগে ত্রিপুরায় কংগ্রেস ত্যাগ করে টিএমসিতে এসেছিলেন বিধায়করা। সে রাজ্যে তখন বাম সরকার। আর বিরোধী আসনে শূন্য হয়েছিল কংগ্রেস। সেই বিধায়কদের নিয়ে ত্রিপুরায় বিরোধী দল হয়েছিল টিএমসি। ত্রিপুরা প্রদেশ কংগ্রেস ভবনের বোর্ড মুছে দেওয়া হয়। পরে সেই টিএমসি বিধায়করা বিজেপিতে চলে যান। ত্রিপুরায় বিজেপি সরকার গড়ে। বিরোধী হয় সিপিআইএম। আর টিএমসি বিলীন হয়ে যায়।

মেঘালয়ের পরিস্থিতি:
২০১০ থেকে ২০১৮ পর্যন্ত মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন মুকুল সাংমা। কংগ্রেস ছেড়ে দিলেও তিনি এখন বিরোধী দলনেতা। রাজ্যের ক্ষমতায় আছে এনপিপি (NPP)। মুখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা। সরকারের শরিক দল বিজেপি।

এক নজরে মেঘালয় বিধানসভার অংক
মোট সদস্য সংখ্যা ৬০
সরকার পক্ষে আছেন ৪০ জন
এনপিপি ২২
বিজেপি ২
বাকি শরিক দল ১৬

বিরোধী আসনে মোট ২০ জন
বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস ১২
কংগ্রেস ৬
অন্যান্য ২

বিরোধী নেতা মুকুল সাংমা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিলেন। তাঁর নেতৃত্বে টিএমসি বিরোধী দলে পরিনত হলো।

Kirti Azad: মমতা শরণং…দলবদলে ‘কীর্তিমান’ আজাদ এবার TMC শিবিরে

Kirti Azad

News Desk: কখনও তিনি সোনিয়া শরনং তো কখনও মোদী শরনং এমনই কীর্তি দেখিয়ে চলেছেন খ্যাতিমান ক্রিকেটার কীর্তি আজাদ (Kirti Azad)। বিজেপি, কংগ্রেস হয়ে এবার টিএমসি শিবিরে বিশ্বকাপ জয়ী ক্রিকেটার।

কীর্তি আজাদ যে কংগ্রেস ছাড়ছেন সেটি এআইসিসির কাছে স্পষ্ট। সর্বভারতীয় কংগ্রেস ছেড়ে এবার আঞ্চলিক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্যতা নিতে প্পস্তুত তিনি। সূত্রের খবর, দিল্লিতে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তিনি টিএমসি হয়ে যাবেন। ২০১৯ সালে লোকসভা ভোটের আগে বিজেপি ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন কীর্তি আজাদ।

সূত্রের খবর, কংগ্রেস তথা ইউপিএ সরকার গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন কীর্তি। তবে এনডিএ সরকার ধরে রাখে। তাঁকে ফিরিয়ে নিতে অস্বীকার করে বিজেপির সংসদীয় বোর্ড।

mamata banerjee

কীর্তি আজাদকে টেনে নিলেও এখনও পর্যন্ত কংগ্রেস শিবিরে বড়সড় ধাক্কা মমতা দিয়েছেন অসমের শিলচরের নেত্রী সুস্মিতা দেবকে ছিনিয়ে এনে। কংগ্রেসের সর্বভারতীয় বাংলাভাষী নেত্রী সুস্মিতা দেব এখন টিএমসি সাংসদ। তিনি ত্রিপুরায় দলের হয়ে সাংগঠনিক দায়িত্ব সামলাচ্ছেন। কেন্দ্রীয় রাজনীতির জবরদস্ত নেতা ছিলেন সন্তোষ মোহন দেব। ইন্দিরা গান্ধী ঘনিষ্ঠ সন্তোষ কন্যা সুস্মিতার বিশেষ কদর আছে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতার কাছে।

তবে হেভিওয়েট কীর্তি আজাদ। তিনিও ক্রিকেটার থেকে কেন্দ্রীয়স্তরের রাজনীতিতে বেশ আলোচিত। বিহারের দ্বারভাঙ্গার সাংসদকে টেনে এনে মমতার চমক নিয়ে আলোচনা চলছে। আপাতত টিএমসিতে দুই খ্যাতিমান ক্রীড়াবিদ। আগেই এসেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতি পাওয়া টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ। তাঁকে গোয়ার বিধানসভা ভোটে নামাচ্ছেন মমতা। এবার এলেন ১৯৮৩ সালের বিশ্বাকাপ ক্রিকেট জয়ী দলের সদস্য কীর্তি আজাদ। তাঁকে টেনে বিহারের দিকে নজর দিলেন মমতা? রাজধানীতে গুঞ্জন এমনই।

Assam: রাতের ঘুম উড়েছিল ২০ বছর! ‘দেশহীন’ পুষ্পারানি হাইকোর্টে ফের ‘ভারতীয়’

CAA_d-voter

News Desk: নিজের নাগরিকত্ব প্রমান করতে প্রায় ২০ বছর আইনি লড়াই করে শেষমেষ জয়ী হলেন বঙ্গাইগাঁওয়ের বাবুপাড়া নিবাসী পুষ্পারানি ধর। এই দীর্ঘ আইনি যুদ্ধে নিজেকে ভারতীয় প্রমাণ করতে চারটে দশক পেরিয়েছে। পুষ্পারানির পরিস্থিতি এনআরসি ও সিএএ আইনি মারপ্যাঁচের নিদারুণ উদাহরণ। অসম জুড়ে এমন বহু বাংলাভাষী আছেন যারা ‘দেশহীন’।

৭৫ বছরের পুষ্পারানি প্রয়াত মৃনালকান্তি ধরের স্ত্রী। তাঁর স্বামী রেল বিভাগের কর্মচারী ছিলেন। ভারতীয় হওয়ার পরও তাকে বিদেশির তকমা সেঁটে দেওয়া হয়েছিল। দীর্ঘ আইনি যুদ্ধের পর ভারতীয় হিসেবে নিজেকে প্রমান করতে পেরেছেন।

পড়ুুুন: কৃষি আইনের বাতিলের পর আসামে সিএএ বিরোধী আন্দোলনের হুংকার

anti-CAA movement in Assam roared

২০০০ সালে পুষ্পারানিকে এফটি কোর্ট নোটিশ জারি করেছিল।যদিও ২০১৭ সালে তাঁকে বিদেশি ঘোষণা করে। এরপরই পুষ্পারানির পরিবারে ভয় ও আতঙ্কময় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। নেমে আসে ঝড়। বিভিন্ন পক্ষ থেকে শুধু প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়। কিন্তু বাস্তবে কেউই এগিয়ে আসেন না । এমনটা পরিস্থিতির মধ্যে একটি বছর পার হয়ে যায়।

পড়ুন: NRC: ভারতীয় ঘোষণার পরেও ‘ডি নোটিশ’ অসমে, বাঙালি ভারতীর ‘দেশহীন’ আতঙ্ক

pushparani
আইনি লড়াই করে শেষমেষ জয়ী হলেন বঙ্গাইগাঁওয়ের বাবুপাড়া নিবাসী পুষ্পারানি ধর

এফটি কোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে সম্পূর্ণ নিজস্ব প্রচেষ্টায় হাইকোর্টে দ্বারস্থ হন পুষ্পারানি। এক্ষেত্রে কোনও কোনও দল সংগঠনকে তাঁর পাশে দাঁড়াতে দেখা যায় নি। শুধু তাই নয় ,সেসময়ে প্রথমাবস্থায় ওই বৃদ্ধার জামিন মনজুর করেছিল হাই কোর্ট।পরবর্তীতে হাইকোর্ট বিষয়টি বিস্তারিত অধ্যায়ন করে তাঁকে ভারতীয় ঘোষণা করেছে।

আরও পড়ুন: NRC: ১৬শো কোটির বেশি জলে যাচ্ছে! সাদা হাতিতে পরিণত নাগরিকপঞ্জীর কাজ

ট্রাইবুনালের রায়ে বিদেশি , যদিও গুয়াহাটি হাইকোর্টের রায়ে ভারতীয় ঘোষণা করা হয় ৭৫ বছর বয়সি পুষ্পারানিকে। স্বাভাবিকভাবেই আদালতের এহেন রায়ে উৎফুল্লিত পরিবারটি।

পুষ্পারানির ছেলে অভিযোগ করতে গিয়ে তিনি বলেন ,পুলিশ উঠিয়ে নেবে বলে আমাদের ভয় দেখায়। কিন্তু এই পরিস্থিতি যদি হয় তাহলে আমি মারা যাব। রাতে খাওয়া – ঘুম চলে গিয়েছিল। সেইসঙ্গে বিদেশি বিতরণের নামে ভারতীয়কে এধরণের হয়রানি যাতে বন্ধ হয় এরজন্য সরকারের কাছে আহ্বান জানিয়েছেন পুষ্পারানি।

মোদীর ভাষণ নয়, সংসদে কৃষি আইন প্রত্যাহারের অপেক্ষায়: সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা

Rakesh Tikait

News Desk: কৃষি আইন প্রত্যাহার ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এর পরই প্রশ্ন তুলছে বিভিন্ন সর্বভারতীয় কৃষক সংগঠন। কৃষক আন্দোলনের যৌথ মঞ্চ সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানাল, প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানকে স্বাগত। তবে মুখের ঘোষণা নয়, আইন বাস্তবে প্রত্যাহার করে দেখাক সরকার।

কৃষক আন্দোলনের অন্যতম নেতা ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকায়েত ও সারা ভারত কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা সরকারের অবস্থানকে স্বাগত জানান।

উলুবেড়িয়ার প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ হান্নান মোল্লা আগেই দাবি করেছেন, আসন্ন সংসদ অধিবেশনের সময় দিল্লি ঘিরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ হবে। সরকারকে বিতর্কিত কৃষি আইন প্রত্যাহারে বাধ্য করা হবে। তাঁর ঘোষণার পরেই আন্দোলনকারী কৃষকদের মধ্যে নতুন করে জোশ ছড়ায়।

Farmers to hold rail roko on Oct 18

শুক্রবার গুরুপূর্ণিমা উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে শিখ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান। তিনি এই ভাষণেই বলেন, দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইছি। কৃষি আইন প্রত্যাহার করা হবে।

মোদীর ভাষণে তুমুল আলোড়ন ছড়ায় হরিয়ানা, দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশে। মূলত দেশের এই উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের কৃষকদের নিয়েই কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন চলেছে। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার অভিযোগ, নতুন তিনটি কৃষি আইনের মাধ্যমে সরকার দেশের কৃষি ব্যবস্থাকেই বেসরকারি হাতে তুলে দিতে চাইছে।

প্রবল আন্দোলন, দিল্লি অভিযান, লালকেল্লায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি ঘিরে বিতর্কিত পরিস্থিতি হয়েছে বারবার। কৃষকদের আন্দোলনকে খালিস্তানি জঙ্গিদের মদত দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে বিজেপির বহু নেতা, সংঘ পরিবার সংশ্লিষ্ট হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির অনেকেই। কৃষক নেতারা বলেছেন, সরকারকেই আইন প্রত্যাহার করতে হবে।

অবশেষে আইন প্রত্যাহারের কথা জানালেন মোদী। তবে সংসদে আইন প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেই জানাচ্ছে কিষাণ মোর্চা।