Punjab: কৃষকদের ঘেরাওয়ে ভীত কঙ্গনা, প্রাণঘাতী হামলার অভিযোগ করেছেন

Kangana Ranaut

News Desk: হিমাচল প্রদেশ থেকে পাঞ্জাবে (Punjab) আসছিলেন কৃষি আইন বাতিল আন্দোলনের প্রবল বিরোধী অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। পাঞ্জাবে প্রবেশের পর তাঁর গাড়ি আটকে বিক্ষোভ শুরু করেন কৃষকরা।দাবি, কৃষকদের নিয়ে যে সমস্ত মন্তব্য করেছেন তার জন্য ক্ষমা চাইতে হবে।

ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে একটি সাদা গাড়ির ভেতরে রয়েছেন কঙ্গনা‌ রানাউত। গাড়িকে ঘিরে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন বহু মানুষ। বহু মহিলাও রয়েছেন এঁদের মধ্যে। প্রত‍্যেকের হাতে কৃষক সংগঠনের পতাকা ‌রয়েছে। পুলিশ কর্মীদের ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে দেখা যাচ্ছে।

এদিকে কঙ্গনা ঘটনাস্থল থেকেই সোশ্যাল মিডিয়া লাইভ শুরু করেন। তিনি অভিযোগ, করেন, ঘেরাও থেকে অশ্লীল গালি দেওয়া হচ্ছে। আমার উপর হামলার আশঙ্কা করছি। যদি নিরাপত্তারক্ষী না থাকত তাহলে কী হত ভাবতে পারছি না। অভিনেত্রী কঙ্গনা জানান, তার ফ্লাইট ক্যান্সেল হওয়ায় হিমাচল থেকে পাঞ্জাব হয়ে সড়কপথে ফিরছিলেন। পাঞ্জাবের সংবাদ মাধ্যমের খবর, কিরতপুর সহিবে কঙ্গনা রানাউতের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখান কৃষকরা।

বিজেপি ঘনিষ্ঠ কঙ্গনা বারবার কৃষক আন্দোলনের বিরুদ্ধে গিয়ে কৃষকদের বিরুদ্ধে একাধিক মন্তব্য করেছেন। তিনি দাবি করেন, আন্দোলনকারীদের মধ্যে জিহাদি, খালিস্তানিরা আছে। প্রবল কৃষক আন্দোলনের চাপে কেন্দ্র সরকার তিনটি কৃষি আইন সংসদে বাতিল করেছে। আইন বাতিলের কথা প্রধানমন্ত্রী ঘোষণা করতেই আন্দোলনকারীদের উপর ক্ষোভ উগরে দেন কঙ্গনা। তিনি বলেছিলেন, এবার থেকে রাস্তায় বসে থাকারা ঠিক করবে আইন। তাঁর মন্তব্য নিয়ে আলোড়ন পড়েছিল।

Kangana Ranaut: সোশ্যাল মিডিয়ায় কঙ্গনার সমস্ত পোস্ট সেন্সর করার দাবিতে মামলা দায়ের

Kangana Ranaut

নিউজ ডেস্ক, মুম্বই: বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের (Kangana Ranaut) সোশ্যাল মিডিয়ায় করা সমস্ত পোস্ট সেন্সর করা হোক। এমনই দাবি জানিয়ে সুপ্রিম কোর্টে (supreme court) একটি মামলা দায়ের হল। চরণজিৎ সিং চন্দ্রপাল (charanjit sing chandrapal) নামে এক ব্যক্তি শীর্ষ আদালতে এই মামলাটি দায়ের করেছেন। একই সঙ্গে কঙ্গনার এ ধরনের পোষ্ট নিয়ে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক (home ministry), তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রক ও পুলিশের অবিলম্বে হস্তক্ষেপ দাবি করেছেন চরণজিৎ।

সম্প্রতি তিন কৃষি আইন, শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খানের গ্রেফতারি নিয়ে একের পর এক পোস্ট করেছেন কঙ্গনা। সম্প্রতি কৃষি আইন বাতিলের সিদ্ধান্ত নিয়েও তিনি পোস্ট করেছেন। ইনস্টাগ্রামে কঙ্গনা যে সমস্ত মন্তব্য করেছেন তার বিরুদ্ধেই এই মামলাটি দায়ের হয়েছে। আবেদনকারী তাঁর আবেদনে বলেছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় সকলেরই বাক স্বাধীনতার অধিকার আছে এটা ঠিক।

কিন্তু কঙ্গনা সেই অধিকারের অপব্যবহার করছেন। তাই তাঁর বিরুদ্ধে অবশ্যই উপযুক্ত ব্যবস্থা নেওয়া দরকার। অভিনেত্রীর মন্তব্য উস্কানিমূলক। তাঁর এ ধরনের মন্তব্যে দেশের শান্তি বিঘ্নিত হতে পারে। একই সঙ্গে আদালতে তাঁর আবেদনে চরণজিৎ বলেছেন, এ ধরনের বিরূপ মন্তব্যের জন্য কঙ্গনার বিরুদ্ধে দেশের বিভিন্ন রাজ্যে একাধিক এফআইআর দায়ের হয়েছে। সেগুলি সব এক জায়গায় নিয়ে আসা দরকার।

চরণজিৎ তাঁর আবেদনে বলেছেন, সোশ্যাল মিডিয়ায় কঙ্গনা যে সমস্ত মন্তব্য করেছেন তা দেশের মধ্যে ঘৃণা ও বিদ্বেষের পরিবেশ তৈরি করছে। একজন সুপরিচিত অভিনেত্রী হিসেবে তাঁর অনেক দায়িত্বশীল হওয়া উচিত ছিল। কিন্তু দায়িত্বশীল হওয়া তো দূরের কথা, বরং তিনি বারেবারে দায়িত্বজ্ঞানহীনতার পরিচয় দিয়ে চলেছেন।

তবে সোশ্যাল মিডিয়া বা বাক-স্বাধীনতার অপব্যবহারের অভিযোগ কঙ্গনার বিরুদ্ধে নতুন নয়। আগেও তাঁর বিভিন্ন পোস্ট নিয়ে বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ঘটনার জেরে ট্যুইটার তাঁকে ব্লক করে দিয়েছে। সর্বশেষ সংযোজন হিসেবে সোশ্যাল মিডিয়াতে কঙ্গনার সমস্ত পোস্ট সেন্সর করার দাবি উঠে গেল সুপ্রিম কোর্টে। এখন দেখার শীর্ষ আদালত এই আবেদনের প্রেক্ষিতে কী সিদ্ধান্ত নেয়।

Kangana Ranaut: খলিস্তানি জঙ্গিদের মশার মতো পিষে মেরেছিলেন ইন্দিরা গান্ধী

Kangana Ranaut

News Desk: কঙ্গনা রানাউত এবং বিতর্ক যেন একই মুদ্রার এপিঠ আর ওপিঠ। কঙ্গনা মুখ খোলা মানেই নতুন বিতর্ক তৈরি হওয়া। আর সেই বিতর্কের জেরেই এবার কঙ্গনার (Kangana Ranaut) বিরুদ্ধে দায়ের হল আরও একটি মামলা।

কঙ্গনা ইনস্টাগ্রাম প্রোফাইল ফের একটি বিতর্কিত মন্তব্য পোস্ট করেছেন। ওই পোস্টে তিনি শিখ সম্প্রদায়কে খলিস্তানি (khalsthani) হিসেবে উল্লেখ করেছেন। কঙ্গনা বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় ইন্দিরা গান্ধী খলিস্তানি জঙ্গিদের মশার মতো পিষে মেরেছেন। বিতর্কিত এই মন্তব্যের জন্যই কঙ্গনার বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে দায়ের হয়েছে অভিযোগ।

শিরোমনি অকালি দলের নেতা মনজিন্দর সিং সিরসা কঙ্গনার বিরুদ্ধে পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করেছেন। অন্যদিকে দিল্লি শিখ গুরুদ্বার পরিচালনা কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ইচ্ছাকৃতভাবে এবং সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা করেই অভিনেত্রী এই মন্তব্য করেছেন। নিজের ইনস্টাগ্রামে কঙ্গনা লিখেছেন, বর্তমানে খলিস্তানিরা সরকারকে অত্যন্ত বিব্রত করে চলেছে। কিন্তু আমাদের একজন মহিলার কথা ভুলে গেলে চলবে না।

Kangana Ranaut

দেশের একমাত্র মহিলা প্রধানমন্ত্রী হিসেবে ইন্দিরা গান্ধী এই খলিস্তানি জঙ্গিদের নিজের জুতোর তলায় পিষে মেরে ছিলেন। মশাকে পায়ের তলায় পিষে মারার মতোই ইন্দিরা খলিস্তানি জঙ্গিদের পিষে দিয়েছিলেন। যদিও এর পরিবর্তে তাঁকে প্রাণ দিতে হয়েছে সেটা ঠিক। কিন্তু তিনি দেশকে ভাগ হয়ে যেতে দেননি। আজও খলিস্তানি জঙ্গিরা ইন্দিরা গান্ধীর নাম শুনলেই ভয়ে কেঁপে ওঠে।

ইন্দিরা গান্ধীর একটি ছবি দিয়ে কঙ্গনা আরও লেখেন, খালিস্তানিদের উত্থান এবং তার বিরুদ্ধে ইন্দিরা যে পদক্ষেপ করেছিলেন সেই ঘটনা খুব দ্রুত সকলের সামনে আসবে। সম্প্রতি এদেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটের উপর তৈরি ‘এমার্জেন্সি’ নামে একটি ছবিতে অভিনয় করেছেন কঙ্গনা। ওই ছবিতে ১৯৮৪ সালের অপারেশন ব্লু স্টারের ঘটনাও রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

Kangana Ranaut

উল্লেখ্য, বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যম ও সোশ্যাল মিডিয়ায় নিয়মিতই কঙ্গনা বিভিন্ন মন্তব্য পোস্ট করে থাকেন। যেগুলি বেশিরভাগই তীব্র বিতর্ক ছড়ায়। কয়েকদিন আগেই এই অভিনেত্রী বলেছিলেন, কংগ্রেস কখনও নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু (shuvas chandra) ও ভগৎ সিংকে (bhagat sing) যথাযথ সম্মান দেয়নি। অন্যদিকে গান্ধীকে সম্মান দেওয়া হলেও তাঁর ও আদর্শে কখনও কোনও দেশ স্বাধীন হতে পারে না। ১৯৪৭ সালে দেশ স্বাধীনতার (independence) নামে ভিক্ষা পেয়েছিল। দেশ প্রকৃত স্বাধীন হয়েছে ২০১৪ সালে।

স্বাধীনতা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে কঙ্গনার পদ্ম সম্মান প্রত্যাহারের দাবি উঠল

Kangana Ranaut

নিউজ ডেস্ক: দুদিন আগে দেশের স্বাধীনতা নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেছিলেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত (Kangana Ranaut)। সদ্য পদ্ম পুরস্কার পেয়েছেন কঙ্গনা। ওই মন্তব্যের জেরে অভিনেত্রীর পদ্ম সম্মান প্রত্যাহারের দাবি উঠল।

কংগ্রেস, এনসিপি, শিবসেনা, আম আদমি পার্টির মত একাধিক দল কঙ্গনার পদ্মশ্রী সম্মান প্রত্যাহারের দাবি জানিয়েছে। তবে শুধু বিরোধীরাই নয়, বিজেপির অন্যতম সহযোগী হিন্দুস্থান আওয়াম মোর্চাও এক্ষেত্রে বিরোধীদের সঙ্গে গলা মিলিয়েছে। গতকালই কঙ্গনার স্বাধীনতা সংক্রান্ত ওই মন্তব্য নিয়ে তীব্র কটাক্ষ করেছিলেন গেরুয়া দলের তরুণ সাংসদ বরুণ (Varun Gandhi) গান্ধী।

উল্লেখ্য পদ্ম সম্মান পাওয়ার পর কঙ্গনা টেলিভিশন চ্যানেলকে দেওয়া একটি সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ভারত ১৯৪৭ সালে স্বাধীন হয়নি স্বাধীনতার নামে আমরা যেটা বলে থাকি সেটা ছিল একটা ভিক্ষা। দেশ প্রকৃত স্বাধীন হয়েছে ২০১৪ সালে। কঙ্গনা বরাবরই বিজেপির অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে পরিচিত। স্বাভাবিকভাবেই ২০১৪ সালে দেশের স্বাধীনতা প্রাপ্তির কথা বলতে গিয়ে তিনি দিল্লিতে নরেন্দ্র মোদির পথ চলার সূচনাকেই উল্লেখ করতে চেয়েছিলেন। এর আগেও একাধিকবার বিতর্কিত মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে এসেছেন অভিনেত্রী। এবার দেশের স্বাধীনতা নিয়ে মন্তব্য করে নতুন এক বিতর্কে জড়ালেন তিনি।

ওই মন্তব্যের জেরে কংগ্রেস নেতা আনন্দ শর্মা কেন্দ্রকে কড়া ভাষায় তোপ দেগেছেন। শুক্রবার আনন্দ বলেন, এ ধরনের সম্মান দেওয়ার আগে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির মনস্তাত্ত্বিক মূল্যায়ন করা উচিত কেন্দ্রের। যাকে পদ্মের মত এক অত্যন্ত দামি সম্মান দেওয়া হবে তাঁরা যাতে দেশের স্বাধীনতা সংগ্রামীদের অসম্মানিত না করেন সে বিষয়টি নিশ্চিত করা দরকার। অন্যদিকে কঙ্গনাকে সরাসরি আক্রমণ করেছেন এনসিপি নেতা নবাব মালিক (nabab malik)। নবাব বলেছেন, তার মনে হয় কঙ্গনা এই মন্তব্য করার আগে হিমাচল প্রদেশের বাড়িতে বসে মালানা ক্রিম (malana creem) সেবন করেছিলেন। উল্লেখ্য মালানা ক্রিম হল হিমাচলের এক ধরনের গ্রামে তৈরি মাদক।

এয়ারপোর্টে কৃত্রিম পা নিয়ে অসুবিধা, মোদীর নজর টানতে ‍‘নাচে ময়ূরী’র পাশে লক্ষ্মীবাঈ

sudha chandran and kangana ranaut

নিউজ ডেস্ক: কিছুদিন আগে একটি ভিডিও বার্তার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে কাতর আর্জি জানিয়ে খবরের কেন্দ্রবিন্দুতে এসেছিলেন সুধা চন্দ্রন। কৃত্রিম পা নিয়ে প্রবীণ অভিনেত্রী বিমানবন্দরের সাধারণ পর্যবেক্ষণের সময় যথেষ্ট হয়রানির শিকার হয়েছিলেন।এ বিষয়ে নজর দেওয়ার জন্য তিনি অনুরোধ করেন প্রধানমন্ত্রীকে।

শনিবার তার ইনস্টাগ্রাম হ্যান্ডেলে সুধার গল্প শেয়ার করেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। বিজেপি সরকার ঘনিষ্ঠ কঙ্গনা সুপারস্টার সুধা চন্দ্রনকে তাঁর পেশাগত কৃতিত্বের জন্য প্রশংসা করেছেন।

সুধা চন্দ্রনের হয়রানির অভিজ্ঞতা ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে বলিউডের কুইন লিখেছেন, “সুধা জি একজন অভিজ্ঞ শিল্পী, একজন মহান নৃত্যশিল্পী এবং অভিনেত্রী, পা হারানো সত্ত্বেও তিনি নাচের ক্ষেত্রে অনেক সাফল্য অর্জন করেছন। আশা করি তিনি যথাযথ সম্মান পাবেন।”

কয়েকদিন আগেই সুধা চন্দ্রন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ভিডিও বার্তা প্রকাশ করেন। তিনি জানান, যতবার বিমানে যাতায়াত করেন ততবারই এয়ারপোর্টে নিরাপত্তার কারণে তার প্রস্থেটিক পা খুলে নেন নিরাপত্তারক্ষীরা। এর ফলে বারবার হয়রানির শিকার হতে হয়। ওই ভিডিও বার্তার মাধ্যমে সুধা চন্দ্রন প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্জি জানিয়েছেন তিনি যেন প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেন। তার মতো আরো অনেক প্রতিবন্ধীদের এই একই সমস্যার সম্মুখীন হতে হয় বলেও দাবি করেন।

অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত তার পাশে দাঁড়ানোর পর নেটিজেনদের এক অংশ মনে করছেন সুধা চন্দ্রনের বিষয়টি সরকারের নজরে আসবে। ভিডিও বার্তার মাধ্যমে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের সমালোচনা ও অমানবিকতার অভিযোগ তুলে ধরেছেন প্রবীণ অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী সুধা চন্দ্রন।

তিনি জানিয়েছিলেন, ” আমি অনেক সময় বিমানবন্দর কর্মীদের কাছে অনুরোধ করি যে আমার প্রস্থেটিক পায়ের জন্য যেন ইটিডি (এক্সপ্লোসিভ ট্রেস ডিটেক্টর) ব্যবহার করা হয় কিন্তু তারা বেশিরভাগ সময় শোনেন না এবং আমাকে আমার প্রস্থেটিক পা খুলতে বাধ্য করা হয়।” তিনি আরও বলেন, “আমাদের দেশ কি এই বিষয়ে কথা বলছে? এই সম্মান কি আমাদের সমাজে একজন নারী অন্য নারীকে দেয়? মোদীজি আপনার কাছে আমার বিনীত অনুরোধ যে দয়া করে প্রবীণ নাগরিকদের একটি কার্ড দিন যাতে লেখা থাকে যে তারা প্রবীণ নাগরিক”।

বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন কঙ্গনা-নাওয়াজ, ওটিটি প্ল্যাটফর্মে বাজবে বিয়ের সানাই

kangana ranaut

বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন কঙ্গনা রানাউত এবং নাওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী। তবে বিয়ের আয়োজন করা হবে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে। আসলে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ‘টিকু ওয়েডস শেরু’ সিনেমার হাত ধরে প্রযোজক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করতে চলেছেন কঙ্গনা রানাউত। প্রযোজনার পাশাপাশি এই ছবিতে মুখ্য চরিত্রে অভিনয়ও করতে দেখা যাবে তাকে। অন্যদিকে কঙ্গনার বিপরীতে অভিনয় করবেন নাওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকী।

এই প্রথম বার একসঙ্গে জুটি বাঁধতে চলেছেন কঙ্গনা এবং নাওয়াজ। সম্প্রতি নিজের ইনস্টাগ্রামে নাওয়াজের একটি ছবি পোস্ট করেন কঙ্গনা। তিলি লেখেন “আপনাকে আমাদের টিমে স্বাগত স্যার”। কঙ্গনা এবং নাওয়াজ ছাড়া এই ছবিতে আর কারা অভিনয় করবেন তা নিয়ে মুখ খোলেননি তিনি। কঙ্গনার মতে এই প্রজন্মের সেরা অভিনেতাকে নিজেদের টিমে পেয়ে তিনি খুবই আপ্লুত। কিছু দিনের মধ্যেই ‘টিকু ওয়েডস শেরু’ এর শুটিং শুরু হতে চলেছে।

kangana

সূত্রের খবর অনুযায়ী ছবিটিতে নায়ক নায়িকা অর্থাৎ নাওয়াজ আর কঙ্গনার বিয়ে নিয়েই তৈরি হয়েছে গল্প। এর আগেও বড় পর্দায় প্রযোজনার কাজ করেছেন কঙ্গনা। তাঁর প্রযোজনার ছবি ‘মণিকর্ণিকা’ দর্শকদের থেকে ভালো সাড়া পেয়েছিল। এছাড়াও সিনেমাটি বক্স-অফিসে ভালো ব্যবসাও করেছিল। সেই সাফল্যের সূত্র ধরেই আবারও প্রযোজনা করছেন কঙ্গনা। তবে এবার ওটিটি প্ল্যাটফর্মে।

মণিকর্ণিকার মতো এই ছবিতেও সাফল্য পাবেন বলে আশাবাদী পর্দার কুইন। অন্যদিকে কঙ্গনার সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে নাওয়াজ নিজেও বেশ খুশি। নাওয়াজের কথায় কঙ্গনা খুবই ভালো অভিনেতা। তাঁর সঙ্গে কাজ করতে ভালো লাগবে। সূত্রের খবর অনুযায়ী প্রথমে এই সিনেমার জন্য প্রয়াত অভিনেতা ইরফান খানকে পছন্দ করা হয়েছিলো। তবে অভিনেতার প্রয়াণের পর নাওয়াজউদ্দিন সিদ্দিকীকে সই করানো হয়। সব মিলিয়ে কঙ্গনা এবং নাওয়াজের জুটি দেখার জন্য দর্শকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছে।