जूनियर डॉक्टरों ने उड़ाई ममता की नींद, पहुंची डॉक्टरों का धरना मंच

कोलकाता : महिला जूनियर डॉक्टर से दरिंदगी के बाद से लगातार प्रदर्शन कर रहे डॉक्टर से शनिवार को राज्य की मुख्यमंत्री ममता बनर्जी खुद साल्टलेक स्थित स्वास्थय भवान से बहाह धरना मंच पहुंची।

इस दौरान ममता ने हड़ताल कर रहे डॉक्टरों से अपील करते हुए कहा कि मैं यहां सीएम नहीं बल्कि दीदी के हैसियत से आई हूं। आपसे अनुरोध कर रही हूं, काम पर लौट आइए। बारिश के बीच सड़क पर आप प्रदर्शन कर रहे हैं, इससे मेरी रातों की नींद उड़ गई है।

इससे पहले जैसे वह धरना स्थल पर पहुंची, चिकित्सकों ने हमें न्याय चाहिए के नारे लगाये। बता दें कि बीत कई दिनों से सीएम बनर्जी और धरने पर बैठे डॉक्टरों के बीच मीटिंग नहीं हो पा रही थी।जूनियर डॉक्टर अब भी मुख्यमंत्री से न्याय की उम्मीद में किसी भी समय  बैठक करना चाहते है।  जिससे वे अपनी पांच  वाजिब मांगों को पूरा कर सके।

 

केस्टो , पर्थो और बालू जेल में हैं, मैं नहीं मानती कि वे चोर हैं: ममता

शिक्षक भर्ती, राशन या गौ तस्करी मामले में प्रदेश के कई नेता और मंत्री सीबीआई-ईडी की जांच के घेरे में हैं. इस स्थिति में जेल में बंद अणुव्रत, पार्थो और ज्योतिप्रिय मल्लिक के बाद ममता बनर्जी तृणमूल सुप्रीमो की आवाज में आत्मविश्वास का स्वर है कि वे चोरी नहीं कर सकते. ममता ने नेताओं और मंत्रियों की गिरफ्तारी के खिलाफ प्रतिशोध की चेतावनी भी दी. शुक्रवार को नेताजी इंडोर में मेगा रैली के मंच से ममता ने दावा किया कि गौ तस्करी के लिए पूरी तरह से केंद्र जिम्मेदार है. उन्होंने कहा कि गाय किसकी अधीन हैं? बीएसएफ. किसका संगठन? बीच में गाय की रक्षा कौन करता है? सीमा की रक्षा कौन करता है? बीएसएफ. गायें बिहार, उत्तर प्रदेश, राजस्थान से आती हैं। क्या आप कार पास के दौरान पैसे नहीं खाते? लैवेंचस खाओ।’ केंद्र पर हमला बोलते हुए ममता ने आगे कहा, ‘कोयले की धूल से गंदगी नहीं धुलेगी. वे किसके अधीन हैं? बीच में उन्हें बार-बार कहें. बार-बार झूठ सच किया जाता है. क्या हम सब चोर हैं? भ्रष्टाचार दिखा रहा है. और वहां उन्हें सिखाया जा रहा है और पैसा दिया जा रहा है, कहो, तृणमूल चोर। यदि तुम ‘नहीं’ कहोगे तो तुम लाल हो जाओगे।’

मेरी पुस्तक आलोकवर्तिका पढ़ें, आपको जीवन में संकट के दौरान समाधान मिलेगा: ममता

राज्य की मुख्यमंत्री ममता बनर्जी ने नजरूल मंच से जागो बांग्ला पूजा संख्या का उद्घाटन किया. उन्होंने पूजा गीत भी गाए. लेकिन इस बार तस्वीर बिल्कुल अलग है. पैर की समस्या के चलते शरदसंक्यार ने शनिवार को कालीघाट स्थित अपने घर से पार्टी के मुखपत्र का वर्चुअल उद्घाटन किया। उसी समय, ममता बनर्जी द्वारा लिखित कविताओं का एक संग्रह प्रकाशित हुआ।

संचालक कुणाल घोष ने कहा कि पार्टी के मुखपत्र में हर दिन ममता बनर्जी की एक कविता छपती है. कभी ये कविता से लिये जाते हैं तो कभी अन्यत्र से। वे ‘कविता’ नामक पुस्तक में समाहित हैं। ममता बनर्जी द्वारा लिखित और संगीतबद्ध गीतों की एक सीडी भी जारी की गई। ममता ने कहा कि मेरे पास एक किताब है आलोकवर्तिका इसे छोटे-छोटे शब्दों के माध्यम से लिखा गया है। जीवन में जब भी कोई संकट आए तो इसे पढ़ेंगे तो संकट का समाधान मिल जाएगा। विद्यार्थी, नई पीढ़ी, जो 2001 के बाद या 2010 के बाद पैदा हुए हैं, मैं उनसे इन पुस्तकों को पढ़ने का अनुरोध करता हूं।

TMC: বিকল্প শক্তি নেই, বেরোজগারির রাজ্যে মমতা নিশ্চিন্ত

bengal unemployment

বিধানসভা জয়ের হ্যাটট্রিক। বিজেপির দুর্দান্ত জয়রথকে রুখে দিয়েছে তৃণমূল (TMC)। জাতীয় স্তরে দাঁত ফোঁটানোর প্রয়াস। কোন পথে তৃণমূল? নিজের রাজনৈতিক কেরিয়ারের মধ্যগগনে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাম জমানার অবসান ঘটিয়ে এসেছিলেন রাজ্যের ক্ষমতায়। তারও আগে ব্রিগেডে বাজিয়েছিলেন বামেদের মৃত্যু ঘন্টা। অনেকের চোখের সামনে এখনও ভাসছে সে’দিনের স্মৃতি। শব্দও শুনতে পাচ্ছেন কি?

‘কল্পতরু মুখ্যমন্ত্রী’, এই শব্দযুগল বহুবার লেখা হয়েছে সংবাদমাধ্যমে। কল্পতরু হয়ে তিনি দিয়েছেন কী কী? নিঃসন্দেহে উনি বা ওনার দল সাধারণ মানুষকে অনেক কিছু দিয়েছেন। শহরে, গ্রামের রাস্তাঘাটে চোখ ফেরালে অনেক পোস্টার-হোডিং চোখে পড়ে সকলের। সুবজ সাথী, কন্যাশ্রী, রূপশ্রী… আরও কতো কী!

শুধুই কি দেওয়া? দাঁড়িপাল্লার কনসেপ্টাই বিগড়ে যাবে তাহলে৷ বিগত কয়েক বছরে যা গিয়েছে তা দৃশ্যমান নয়- মানুষের কর্মদ্যোগ। মাসে মাসে কিছু টাকা ঢুকছে তথাকথিত গরীব, মধ্যবিত্তের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। শ্রমের বিনিময়ে আগে যে টাকা রোজকার করা হতো এখন সেই টাকা মিলছে ঘরে বসে। অতিরিক্ত পরিশ্রমের প্রয়োজন নেই। অর্থাৎ অতিরিক্ত উপার্জনের জন্য খাটনি বা শ্রমের পরিমাণ কমছে ধীরেধীরে। তৃণমূল সরকার চিরকাল থাকবে এমনটা আশা করা যায় না। আগামী দিনে অন্য কোনও দল ক্ষমতায় আসতেই পারে। তারাও কি বজায় রাখবে একই ভর্তুকি নীতি? শ্রম এমন একটা বিষয় যা একজন মানুষের সম্পদ। সেই সম্পদেই যদি ধুলো জমে তাহলে প্রয়োজনে তা আর কাজে লাগবে কি?

আত্মসমান বোধেও লাগতে পারে কারও। সবাই কিন্তু ৫ টাকার ডিম-ভাতের লাইনে দাঁড়ান না। শ্রমিকদের অনেকেই এখনও দুপুরের ভাত খান কোনও হোটেলে। হয়তো সেই ডিম-ভাতই খাচ্ছেন। কিন্তু লাইনে দাঁড়াচ্ছেন না। কাজের বিনিময়ে সম্মানিক। আমজনতার অধিকাংশের ইউএসপি এটা। কিন্তু কাজ কোথায়? ছাঁটাইয়ের খবর, কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর মেলে বিস্তর। কিন্তু নতুন কারখানা হয়েছে কিংবা বিপুল কর্মসংস্থান হয়েছে এমন উদাহরণ ক’টা? যে সিঙ্গুর আন্দোলনের হাত ধরে ক্ষমতার হস্তান্তর হয়েছিল, সেই আন্দোলনই এখন প্রশ্নের মুখে। দলের অন্দরেও দ্বিধা। চাকরির অভাবে ছেলে-মেয়েরা চলে যাচ্ছেন রাজ্যের বাইরে।

সম্প্রতি মমতা দাবি করেছেন তিনিও বাম ঘেঁষা। সম্প্রতি মঞ্চে উচ্চারণ করেছেন হিন্দু দেব-দেবীর নাম। গ্রামের মেয়েটির ইমেজের পাশাপাশি তিনিও আঁকেন ছবি, লেখেন কবিতা-গান। অর্থাৎ অলরাউন্ডার। মাঠে শব্দ যখন ব্যবহার করাই হল তখন এবার ‘খেলা’র প্রসঙ্গ। একজন আদর্শ অলরাউন্ডারের মতোই তিনি জিতিয়েছেন নিজের দলকে। কিন্তু রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ বলছেন, তিনি না, আদপে জিতিয়েছে মানুষে। কারণ বাংলার মানুষ এখনও বিজেপিকে মন থেকে মেনে নিতে পারছেন না। রাজ্যে আপাতত বিকল্প কোনও শক্তি নেই, তাই তৃণমূলের পক্ষে গরিষ্ঠ মত।

জেলা স্তরে বা গ্রামের দিকে পার্টির সমর্থকরা এখনও মেনে নিতে পারছেন না নেত্রীর ফেজ টুপি পরার ছবি। ইমাম ভাতাও নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছি একাংশের মনে। প্রাক-নির্বাচনী ভাষণে হিন্দি ব্যবহার হয়েছে নিয়মিত। ‘কেন অবাঙালী তোষণ?’ এই প্রশ্নও কি ওঠেনি আগে? যে মানুষ রাজ্যের বাইরে যাননি, তিনি লন্ডন-প্যারিস চেনন না৷ তিনি শুধু চেনেন নিজের পরিবার, নিজের এলাকাকে। জিনিসের দাম বাড়ছে, চাকরি কমছে, হাত পড়ছে মাথায়। এখনও বৃষ্টি হলে ভাঙছে বাঁধ, ঘরে ঢুকছে জল। মানুষ এবার করবেটা কী?

Mamata in Goa: ভোট ভাগ নয়, বিজেপিবিরোধী জোটকে একাট্টা করতেই আমরা গোয়ায়: মমতা

Mamata in Goa

নিউজ ডেস্ক, পানাজি: আমাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করা হচ্ছে আমরা নাকি বিজেপি ভোট ভাগ করার জন্যই গোয়ায় পা রেখেছি। মনে রাখবেন এই অভিযোগ একেবারেই ঠিক নয় আমার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো গোয়াতে ও বিজেপি বিরোধী জোটকে এক জায়গায় নিয়ে আসা। সোমবার গোয়ায় এক জনসভায় (Mamata in Goa) এই মন্তব্য করলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পশ্চিমবঙ্গের পর এই জনসভায় নেত্রী দিলেন খেলা হবে স্লোগান নাম না করে তীব্র কটাক্ষ করলেন কংগ্রেসকে।

প্রত্যাশামতোই সোমবার তৃণমূল নেত্রী মমতা উপস্থিতিতে এনসিপি ছেড়ে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তবে আলেমা ও এর আগে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দিয়েছিলেন 2014 সালে তৃণমূলের টিকিটে নির্বাচনে লড়াই করলেও তিনি পরাজিত হন তারপরই তুমি তৃণমূল ছেড়ে বিজেপিতে যোগ দেন আজ ফের কার্যত ঘরে ফিরলেন তিনি বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল almahmud7 তৃণমূলে যোগ দিতে পারেন কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর ব্যস্ত কর্মসূচির কারণে তিনি তৃণমূলে যোগ দিতে পারেননি৷

উল্লেখ্য এর আগে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে এসেছেন রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের তার রাজনৈতিক মহল মনে করছে আগামী বছরের শুরুতেই বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি তৃণমূল কংগ্রেস এড়াচ্ছে যেভাবে তৃণমূলের শক্তি বাড়ছে তার বিজেপির কাছে যথেষ্ট অস্বস্তির কারণ হয়ে উঠছে একসময় মনে করা হচ্ছিল এই রাজ্যে বিজেপি কংগ্রেস ও আম আদমি পার্টির ত্রিমুখী লড়াই হবে কিন্তু এখন দেখা যাচ্ছে লড়াইটা হতে চলেছে ত্রিমুখী রাজনৈতিক মহলের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে গোয়ায় আলেম চার্চিলের যথেষ্টই প্রতিপত্তি রয়েছে সংগঠনেও তিনি দক্ষ পরিচিত মুখ তাই তাদেরকে নিজেদের ঘরে আনতে পারে তৃণমূল রাজনৈতিকভাবে অনেকটাই এগিয়ে গেল

তৃণমূল নেত্রী এদিন বলেন আমাদের দল জাতীয় স্তরের একটি দল তাই আমাদের কাশ্মীর থেকে কন্যাকুমারী সব জায়গায় গিয়ে প্রচার করার নির্বাচনে লড়ার অধিকার আছে। যারা আমাদের গোয়ায় আশা নিয়ে এত কথা বলছে তারা কেন 2021 এর মে মাসে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় ধরতে গিয়েছিল। আগামী বছরের শুরুতেই গোয়া বিধানসভার ভোট তার আগে তৃণমূল নেত্রী এবং দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোয়া সফর এবং তাদের সক্রিয়তা স্পষ্ট করে দিল আগামী দিনে তারা এই সমুদ্র উপকূলের এই রাজ্যে বিজেপি কে বিনা যুদ্ধে এতোটুকু মারবে না।

3 দিনের সফরে ভাইপো অভিষেককে নিয়ে রবিবারে গোয়া পৌঁছেছেন নেত্রী। দলের বিভিন্ন দল ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসের যোগ দেওয়া নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে নেত্রী স্পষ্ট জানিয়ে দেন গোয়ায় তারা লড়াই থেকে এক ইঞ্চিও সরে আসবেন না দরকার হয় প্রাণ দেবেন তবু বিনাযুদ্ধে 16 যেটুকু মোটা সেটুকু কাউকে দেবেন না। তৃণমূল নেত্রী এদিনে বলেন বাংলাদেশের মধ্যে সেরা আমরা গোয়া কেউ সেই জায়গায় নিয়ে যেতে চাই এ রাজ্যের মহিলাদের উন্নয়নে আমরা বিশেষ গৃহলক্ষী প্রকল্প এনেছি। পাশাপাশি বিজেপিকে তুলোধোনা করে বলেন এই দল শুধু প্রতিশ্রুতি দিতে জানে প্রতিশ্রুতি পূরণ করতে জানেনা।

অন্যদিকে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন তদন্ত নাগপুর থেকে সবকিছু নিয়ন্ত্রণ করে আর কংগ্রেস করে দিল্লি থেকে কিন্তু তৃণমূল হলো একমাত্র দল যারা চায় শাসন করবে। আমরা এখানে এসেছি ঠিকই কিন্তু আগামী দিনে এরাজ্যে সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করবেন গুহার মানুষ আমাদের তৃণমূল কংগ্রেস ক্ষমতায় এলে গোয়ার ভূমিপুত্র হবেন এখানকার মুখ্যমন্ত্রী।

Kishan Morcha: কৃষক সংগঠনগুলির মধ্যে বাড়ছে মতবিরোধ

farmar protest

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: গত এক বছর ধরে সংযুক্ত কিষান মোর্চার (Kishan Morcha) নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন করেছে ছোট-বড় একাধিক কৃষক সংগঠন। গত সপ্তাহে তিন কৃষি আইন প্রত্যাহার করার কথা ঘোষণা করেছে নরেন্দ্র মোদি সরকার।

এরই মধ্যে পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ সহ পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন ঘাড়ের উপর নিঃশ্বাস ফেলছে। সম্প্রতি দেখা গিয়েছে, বেশ কয়েকজন কৃষক নেতা এবার বিধানসভা নির্বাচনকে দিকে তাকিয়ে রাজনীতিতে পা বাড়াচ্ছেন। সংযুক্ত কিষান মোর্চার শীর্ষ নেতারা আদৌ বিষয়টিকে ভালভাবে দেখছেন না। বরং তাঁরা কৃষক নেতাদের এ ধরনের সীদ্ধান্তে যথেষ্ট অসন্তুষ্ট বলে জানা গিয়েছে। পাশাপাশি এটাও শোনা যাচ্ছে যে, ভিন্ন রাজনৈতিক মতাদর্শের কারণে কৃষক সংগঠনগুলির মধ্যেও একটা দূরত্ব তৈরি হয়েছে।

২৬ নভেম্বর কৃষক আন্দোলনের বর্ষপূর্তি। এদিন বর্ষপূর্তি উপলক্ষে কৃষক সংগঠনগুলি গোটা দেশজুড়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের আয়োজন করে। ২০২০ সালে চল্লিশটি কৃষক সংগঠনকে একজোট করে তৈরি হয়েছিল সংযুক্ত কিষান মোর্চা। কৃষি আইন বাতিলের কথা ঘোষণার পাশাপাশি বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই কৃষক সংগঠনগুলির ঐক্যে ফাটল ধরেছে।

একাধিক কৃষক সংগঠন ও সেই সংগঠনের নেতারা পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে লড়ার জন্য ইতিমধ্যেই প্রস্তুতি শুরু করে দিয়েছেন। যে বিষয়টি ভালভাবে নিচ্ছে না সংযুক্ত কিষান মোর্চা। সংগঠনের শীর্ষ নেতাদের বক্তব্য, আন্দোলন পুরোপুরি শেষ না হওয়া পর্যন্ত কৃষক সংগঠনগুলির উচিত একসঙ্গে থাকা। যে কারণে সংযুক্ত কিষান মোর্চা তাদের আন্দোলনে কোন রাজনৈতিক দলকে প্রচারে আসতে দিতে নারাজ।

তবে সংযুক্ত কিষান মোর্চার এই সমস্ত বক্তব্যকে খুব একটা গুরুত্ব দিচ্ছে না বেশ কয়েকটি কৃষক সংগঠন। ইতিমধ্যেই বেশ কিছু কৃষক সংগঠন একাধিক দলের নির্বাচনী প্রচারে সরাসরি অংশ নিয়েছে। কয়েকটি সংগঠন আবার রাজনীতি থেকে দূরে সরে থাকার কথাও জানিয়েছে। কিছুদিন আগেই সংযুক্ত কিষান মোর্চার অন্যতম নেতা গুরনাম সিং চাদুনি বলেছিলেন, সংযুক্ত কিষান মোর্চার উচিত ২০২২ সালের বিধানসভা নির্বাচনে অংশ নেওয়া। যদিও ওই বক্তব্যের পরই চাঁদুনিকে বরখাস্ত করা হয়েছে। অন্যদিকে ভারতীয় কিষান ইউনিয়নের হরিয়ানা শাখার সভাপতি ‘পাঞ্জাব মিশন ২০২২’ নামে প্রচার শুরু করে দিয়েছেন। ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক দলের প্রচারেও তাঁকে যোগ দিতে দেখা গিয়েছে। ঘটনার জেরে সংযুক্ত কিষান মোর্চা চাঁদুনির সঙ্গে তাদের সম্পর্ক ছিন্ন করার কথা জানিয়েছে।

তবে শুধু চাঁদুনি একা নন, একাধিক কৃষক নেতা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে নির্বাচনের বিষয়ে কথাবার্তা চালাচ্ছেন বলে খবর। কৃষক নেতাদের জনপ্রিয়তার বিষয়টি মাথায় রেখে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলও তাঁদের নিজেদের অনুকূলে টানতে উঠে পড়ে লেগেছে। তবে কৃষক আন্দোলন সম্পূর্ণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত অনেকেই সরাসরি এ বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলতে চাইছে না।

অন্যদিকে ক্রান্তিকারী কৃষক ইউনিয়নের সভাপতি দর্শন পাল বলেছেন, যদি কৃষক নেতারা রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার কথা ভাবেন তবে তাঁদের উচিত আর কিছুদিন অপেক্ষা করা। তবে তাঁরা যদি আমাদের না জানিয়ে কিছু করেন সেক্ষেত্রে সংগঠনের অবশ্য কিছু করার নেই। আমরা মনে করি কৃষক আন্দোলন সম্পূর্ণ শেষ না হওয়া পর্যন্ত কোনও রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়।

Kisan Protest in bankura: কৃষক নেতাদের দাবি, আন্দোলনের অংশীদার নয় তৃ়ণমূল

Kisan project in bankura

Kisan Protest in bankura
News Desk: ‘কর্পোরেটপন্থী কালা কৃষি আইন সংসদের মাধ্যমে সম্পূর্ণ প্রত্যাহার, বিদ্যুৎ বিল-২০২১ বাতিল, কৃষিপণ্যের ন্যুনতম সহায়ক মূল্যের আইন পাশ, রেল, প্রতিরক্ষা, ব্যাঙ্ক-বিমা, কয়লা, বিদ্যুৎ, শিক্ষা-স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের বেসরকারিকরণ রোধ সহ ১০ দফা বিক্ষোভ সমাবেশ ও জেলাশাসককে ডেপুটেশন দিল অল ইণ্ডিয়া কিষাণ ক্ষেতমজুর সংগঠন।

শুক্রবার বাঁকুড়া হিন্দু স্কুল মাঠ থেকে মিছিল করে সংগঠনের সদস্যরা জেলাশাসকের দপ্তরে পৌঁছান। সেখানে পৌঁছে এক বিক্ষোভ সভায় বক্তব্য রাখেন অল ইণ্ডিয়া কিষাণ ক্ষেতমজুর সংগঠনের নেতৃত্ব। এদিন যেকোন ধরণের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে জেলাশাসকের দপ্তরের সামনে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছিল।

অল ইণ্ডিয়া কিষাণ ক্ষেতমজুর সংগঠনের তরফে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কৃষি আইন বাতিলের ঘোষণাকে ‘ঐতিহাসিক জয়’ দাবি করে আন্দোলনকারী কৃষক ও সমর্থণকারী সাধারণ মানুষকে ‘অভিনন্দন’ জানানো হয়েছে।

এদিন অল ইণ্ডিয়া কিষাণ ক্ষেতমজুর সংগঠনের বাঁকুড়া জেলা সম্পাদক দিলীপ কুণ্ডু বলেন, ২৬ নভেম্বর কৃষক আন্দোলনের বর্ষপূর্তি। আন্দোলন থেকে বিদ্যুৎ আইন-২০০৩ ও বিদ্যুৎ বিল সংশোধনী-২০২১ ও কৃষিপণ্যের সহায়ক মূল্যবিষয়ক আইন তৈরীর দাবি জানানো হয়েছিল। ইতিমধ্যে চাপের মুখে পড়ে কৃষি আইন বাতিলের কথা ঘোষণা করা হলেও কৃষক আন্দোলনের অন্যতম আরো দুই দাবি নিয়ে এখনো কোন সদূত্তর মেলেনি। সব দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে।

এদিন তিনি এরাজ্যের শাসক দলকেও একহাত নেন। তিনি বলেন, এই আন্দোলনের সঙ্গে তৃণমূল কখনোই ছিলনা, বরঞ্চ আন্দোলনকারীরা ভারত বন্ধ ডাকলে তাঁরা বিরোধিতা করেছেন। এই পরিস্থিতিতে কৃষক আন্দোলনের সাফল্যের অংশীদার তৃণমূল নয় বলেই তিনি দাবি করেন।

Modi-Mamata Meting: বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন উদ্বোধন করতে মোদীকে অনুরোধ মমতার

Modi-Mamata Meting

News Desk: দিল্লি সফরের তৃতীয় দিনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi) মুখোমুখি হলেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বুধবার প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে প্রায় ৪০ মিনিট কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। আজকের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বিএসএফের (BSF) ক্ষমতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্ত অবিলম্বে প্রত্যাহারের আর্জি জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে। একই সঙ্গে রাজ্যের পাওনা ৬৩ হাজার কোটিরও বেশি টাকা মিটিয়ে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।

বুধবার নির্দিষ্ট সময় অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রীর দফতরে (PMO) আসেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা। প্রত্যাশামতোই বৈঠকের শুরুতেই তিনি রাজ্যের বকেয়া ৬৩ হাজার কোটি টাকা প্রধানমন্ত্রীর কাছে চেয়ে বসেন। একই সঙ্গে সম্প্রতি মোদী সরকার বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধির যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তা প্রত্যাহারের অনুরোধ জানান। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন মমতা। সেখানেই মমতা বলেন, দিল্লির কাছ থেকে তাঁর সরকার ৬৩ হাজার কোটিরও বেশি টাকা পাবে। ইয়াস, আম্ফান সহ একাধিক প্রাকৃতিক দুর্যোগের জন্য যে টাকা পাওনা রয়েছে সেই সমস্ত টাকাও চেয়েছেন তিনি।

মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট বলেন, বকেয়া টাকা যদি কেন্দ্র আমাদের না দেয় তাহলে আমরা কিভাবে রাজ্য চালাব। প্রধানমন্ত্রী তাঁর এই অনুরোধ খতিয়ে দেখে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান। একইসঙ্গে মমতা বলেন, কেন্দ্র বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধির যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেই সিদ্ধান্তও প্রত্যাহারের জন্য অনুরোধ করেছি। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন, বিএসএফের সঙ্গে আমাদের কোনও রকম তিক্ততা নেই। ওরা সীমান্তে সদা সতর্ক প্রহরা দিয়ে চলেছে। ওদের ক্ষমতা বৃদ্ধির সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করছি আমরা। এভাবে বিএসএফের ক্ষমতা বাড়ানো হলে রাজ্যের আইনশৃঙ্খলাজনিত সমস্যা তৈরি হবে।

মোদী সরকারকে খোঁচা দিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে একটি যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামো আছে। অহেতুক সেই পরিকাঠামোর উপর আঘাত করা উচিত নয়। তাই কেন্দ্রের উচিত বিএসএফের ক্ষমতা বৃদ্ধির আইন প্রত্যাহার করে নেওয়া। তাঁর এই অনুরোধের প্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী কী বলেছেন জানতে চাওয়া হলে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, বিষয়টি নিয়ে কোনওরকম মন্তব্য করেননি প্রধানমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রী এদিন দেশের করোনা পরিস্থিতি নিয়েও প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন। ১২ থেকে ১৮ বছর বয়সিদের দ্রুত টিকাকরণ শুরু করার জন্য তিনি প্রধানমন্ত্রীর কাছে আর্জি জানিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী এদিন আরও বলেন, কেন্দ্রকে মনে রাখতে হবে রাজ্যের উন্নতি হলে তবেই কেন্দ্রের উন্নয়ন হবে। বিভিন্ন দলের মধ্যে রাজনৈতিক দূরত্ব থাকতেই পারে। কিন্তু দেশের উন্নয়নের জন্য কেন্দ্র ও রাজ্যকে একযোগে কাজ করতে হবে।

মমতা এদিন বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলনের উদ্বোধন করার জন্য প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর মমতা বলেন, ২০২২ সালের ২০ ও ২১ এপ্রিল বিশ্ব বাণিজ্য সম্মেলন হবে। এই সম্মেলনে তিনি প্রধানমন্ত্রীকে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁকে ওই সম্মেলনে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন। প্রধানমন্ত্রী এই শিল্প সম্মেলন নিয়ে তাঁর কাছে যথেষ্ট উৎসাহও দেখিয়েছেন বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান। উল্লেখ্য, সাধারণত প্রতিবছর জানুয়ারির শেষ সপ্তাহে বিশ্ববঙ্গ বাণিজ্য সম্মেলন হয়ে থাকে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতিতে চলতি বছরে এই সম্মেলন হয়নি। আগামী বছরও এই সম্মেলন নির্ধারিত সময়ের প্রায় চার মাস পর হবে। নিউটাউনের বিশ্ববাংলা কনভেনশন সেন্টারে এই সম্মেলন হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানান। ওই সম্মেলনের উদ্বোধন করার জন্যই তিনি প্রধানমন্ত্রীকে আমন্ত্রণ জানিয়েছেন।

মোদি সরকার আমাকে রোমে যেতে দেয়নি, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ মমতার

mamata in goa

News Desk, Kolkata: জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে ভাটিক্যান সিটিতে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গে আলিঙ্গনের ছবিও টুইট করেছেন। মোদির ছবি দেখেই গর্জে উঠলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূল নেত্রী এদিন গোয়ায় বলেন, আমারও রোমে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার আমাকে সেখানে যেতে দিল না। বিজেপি যখন আমার ইতালি সফর আটকে দিল তখন কিন্তু কংগ্রেস বা অন্য কোনও দল এ ব্যাপারে একটি কথাও বলেনি। বিশ্ব শান্তি বৈঠকে আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ওই সম্মেলনে যোগ দিলে আমিও পোপের সঙ্গে দেখা করতে পারতাম।

কিন্তু মোদি সরকার আমার সেই সুযোগ কেড়ে নিল। আসলে মোদি সরকার চরম প্রতিহিংসাপরায়ণ। মোদি সরকারের সর্বদাই বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে চায়। আসলে মোদি সরকার সব সময় আতঙ্কে থাকে। তাদের ভয় এই বুঝি তাদের প্রকৃত পরিচয়টা কেউ প্রকাশ্যে নিয়ে আসবে। সে কারণেই তারা বিরোধীদের কোনও রকম সুযোগ দিতে রাজি নয়। কোথাও যেতে দিতেও নারাজ।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পর্যুদস্ত করার পর তৃণমূল নেত্রী এখন বেছে নিয়েছেন ত্রিপুরা ও গোয়াকে। আগামী বছরের শুরুতেই গোয়া বিধানসভার নির্বাচন। তাই এখন থেকেই তিনি এই রাজ্যের জন্য জোরকদমে তৃণমূলের কার্যকলাপ শুরু করেছেন। লুইজিনহো ফেলেইরো-সহ একাধিক কংগ্রেস নেতা দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি নাফিসা আলি, লিয়েন্ডার পেজের মত সেলিব্রিটিরাও তৃণমূল নেত্রীর উপস্থিতিতে তাঁর দলে যোগ দিয়েছেন।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, গোয়ায় তৃণমূল কংগ্রেস এবার বিজেপিকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়বে না। যে কারণে তৃণমূল নেত্রী নিজেই গোয়ায় গিয়ে ঘাঁটি গেড়েছেন। মমতা গোয়ার বাসিন্দাদের স্পষ্ট জানিয়েছেন, তৃণমূল ক্ষমতায় এলে উন্নয়নের রাস্তায় ফিরবে গোয়া। বিজেপির শাসনে এই রাজ্যের মানুষ চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁরা নিজেদের স্বাভাবিক মতামত প্রকাশ করতে পারেন না। তৃণমূল ক্ষমতায় এলে এই দমবন্ধ পরিস্থিতি বদলে দেবেন। মানুষের জীবনে হাসি আনবেন।

UP: বিজেপিকে একটা ভোটও নয়, আবেদন কৃষক নেতা টিকায়েতের, বারানসী যাচ্ছেন মমতা

mamata-tikayat

News Desk: আর কয়েক মাসের মধ্যেই উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনের আগে প্রবল চাপে রয়েছে রাজ্যের শাসক দল বিজেপি। এবার বিজেপির উৎকণ্ঠা আরও বাড়িয়ে কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েত আবেদন করলেন বিজেপিকে কেউ যেন একটি ভোটও না দেন।

সোমবার রাকেশ পুলিশি হেফাজতে মৃত অরুণ বাল্মীকির পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার আবেদন জানান। সংযুক্ত কিষান মোর্চা ছাড়াও গো বলয়ের বৃহত্তম রাজ্যে এবার বিজেপির টক্কর নিতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। সোমবারই ললিতপতি ও রাজেশপতি ত্রিপাঠী কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এই দুই ভাই প্রয়াত কংগ্রেস নেতা ও রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কমলাপতি ত্রিপাঠীর নাতি। এই দুইজন সোমবার শিলিগুড়িতে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানিয়েছেন, ছট পুজোর পরেই তিনি সময় পেলে বারাণসীতে যাবেন। এদিনের সভায় অভিষেক বলেন, আগামী দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপিকে দিল্লির ক্ষমতা থেকে সরাবে। মানুষ এখন বুঝে গিয়েছে, একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই গোটা দেশ নিরাপদ ও সুরক্ষিত থাকবে। তাই ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসই বিজেপিকে সরিয়ে কেন্দ্রে ক্ষমতা দখল করবে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, বারানসী হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী কেন্দ্র। মমতা মোদির ঘর থেকেই লড়াইটা শুরু করতে চান। সে কারণেই তিনি বারানসী থেকে উত্তরপ্রদেশ সফর শুরু করতে চাইছেন।

এদিকে অরুণের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে এসে কৃষক নেতা টিকায়েত বলেন, মৃত অরুণের পরিবারকে ৪০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং একজনকে সরকারি চাকরি দিতে হবে। উত্তরপ্রদেশ সরকার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ক্ষেত্রেও বৈষম্য করছে। কানপুর ও লখিমপুরে মৃতদের পরিবারকে ৪০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আগ্রহ মৃতের পরিবারকে দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১০ লক্ষ টাকা। টিকায়েত এদিন আগ্রায় বলেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে সংযুক্ত মোর্চা বিজেপির বিরোধিতা করবে।

তাই সাধারণ মানুষের কাছে আমার আবেদন বিধানসভা ভোটে তাঁরা যেন বিজেপিকে ভোট না দেন। তবে বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার আর্জি জানালেও অন্য রাজনৈতিক দলগুলির পক্ষেও কোনও ইতিবাচক বার্তা দেননি এই প্রবীণ নেতা। তিনি বলেছেন, বিধানসভা নির্বাচনে কিষান মোর্চা কোনও দলকেই সমর্থন করবে না। কৃষকদের একটাই দাবি, সেটা হল মোদি সরকারের তৈরি তিন কৃষি আইন বাতিল করতে হবে। ওই আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত কৃষকরা আন্দোলনের পথ থেকে সরে আসবে না।

Bankura: মমতার জয়ে টিএমসি উল্লাসে অকাল হোলি

Mamata's victory Bankura

নিউজ ডেস্ক, বাঁকুড়া: দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ের খবরে উল্লসিত বাঁকুড়ার তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। বাঁকুড়া শহর থেকে বিষ্ণুপুর এমনকি জঙ্গলমহলের সিমলাপালেও উল্লসিত তৃণমূল কর্মীরা অকাল হোলিতে অংশ নিলেন। সবুজের আবীরে একে অপরকে রাঙিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি চললো দেদার লাড্ডু বিলি।

বাঁকুড়া শহরের রাসতলা মোড়ে জেলা তৃণমূল মুখপাত্র দিলীপ আগরওয়ালের নেতৃত্বে বাজি পোড়ানো হয়। সঙ্গে পথ চলতি মানুষকে মিষ্টি খাওয়ান তারা।

বিষ্ণুপুরের আকাশে এদিন সবুজ আবিরের ছড়াছড়ি। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব আবির খেলার মধ্য দিয়েই দলনেত্রীর জল ‘সেলিব্রেট’ করলেন।

একই ছবি জঙ্গল মহলের সিমলাপালেও। স্কুল মোড়ে এম.এল.এ অফিসের সামনে আবির খেলা আর লাড্ডু বিলির মাধ্যমেই ভবানীপুর উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ে উচ্ছাস প্রকাশ তৃণমূল নেতা কর্মী থেকে সমর্থকদের। 

ভবানীপুর উপনির্বাচন: মমতার বিরুদ্ধে বিজেপি প্রার্থী হওয়ার ইঙ্গিত শুভেন্দুর

Shuvendu in front of Mamata

নিউজ ডেস্ক: আগামী একমাস রাজ্য রাজনীতির নজর থাকবে কলকাতার ভবানীপুরে। কারণ, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর এখানেই ভাগ্য নির্ধারণ হবে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা নয়, ভাগ্য নির্ধারণ হবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতার। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যপাধ্যায়। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে।

নির্বাচন কমিশন উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই, ভবানীপুরসহ তিন কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রত্যাশা মতোই এবার ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপির রুদ্রনীল ঘোষকে হারিয়ে দেওয়ার পরেও মুখ্যমন্ত্রীকে আসন ছেড়ে দিয়েছেন তৃণমূলের প্রবীন নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।

এবার মমতার বিরুদ্ধে কে হবেন ভবানীপুরের পদ্মশিবিরের প্রার্থী? রাজ্য রাজনীতিতে জোর জল্পনা এর উত্তর নিয়েই। অনেকে রুদ্রনীল ঘোষের প্রার্থী হওয়ার কথা শোনা যাচ্ছিল৷ তবে সেই বিতর্ক বাড়িয়েছেন নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক তথা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

রবিবার শিক্ষক দিবসের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে অধিকারী বাড়ির মেজছেলে বলেন, ‘কে বলেছিল আপনাকে নন্দীগ্রামে আসতে ? এখন যদি আমাকে পার্টি বলে ভবানীপুরে আপনার বিপক্ষে দাঁড়াতে কী হবে তাহলে? আপনি নন্দীগ্রাম গিয়েছিলেন। এবার আমি এখানে আসি? মনে রাখবেন ওখানে কিন্তু ১৯৫৬ ভোটে হারিয়ে দিয়েছি, যেখানে ২৪ শতাংশ দুধেল গাই ছিল।’ ফলে শুভেন্দুর এই ইঙ্গিতবাসী বার্তা নিয়ে জোর বিতর্ক এবং জল্পনা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে৷ অনেকেই মনে করছে, তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীকে চাপে রাখতে শুভেন্দু পদ্ম-প্রার্থী হতে পারেন৷

জনপ্রিয়তা কমছে মোদীর, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে দ্রুত এগোচ্ছেন মমতা

Mamata is moving fast in the race to become the Prime Minister

নিউজ ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদী। দেশের জনপ্রিয়তম রাজনীতিবিদদের মধ্যে অন্যতম। মাত্র সাত বছর আগে তাঁর জনপ্রিয়তার ঝড়ে বেসামাল হয়ে গিয়েছিল বিরোধীরা। তাঁর একক দক্ষতাতেই কেন্দ্রে ক্ষমতায় এসেছিল ভারতীয় জনতা পার্টি। এখনও দেশের প্রধানমন্ত্রীর মুখ হিসেবে তাঁর নামই সকলের আগে। কিন্তু গত এক বছরে দ্রুতগতিতে সমর্থন কমছে তাঁর। উল্টোদিকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দেশের প্রধানমন্ত্রী হোক, অনেকেই তা চাইছেন। গত বছরের আগস্টেও ৬৬ শতাংশ মানুষ নরেন্দ্র মোদীকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চাইছিলেন, সেখানে এবারের আগস্টে এসে তা নেমে দাঁড়িয়েছে ২৪ শতাংশে।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের একটি সমীক্ষায় ধরা পড়েছে এই ছবি। কিন্তু কেন রাতারাতি এতটা কমেছে মোদির জনপ্রিয়তা? গত ২০১৯ সালের লোকসভা ভোটেও বিপুল সংখ্যক আসন পেয়েছিল পদ্মশিবির। এবং তাতে অন্যতম কারণ ছিল মোদী-ক্যারিশমা। কিন্তু তারপর থেকেই বিতর্কে জড়িয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার। সাধারণ জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া, পেট্রোলের দাম সেঞ্চুরী করে ফেলেছে, রান্নার গ্যাসের দামেও আগুন। এই সমস্যা ছাড়াও মনে করা হচ্ছে এর পিছনে অন্যতম ফ্যাক্টর করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। বছরের শুরুতে সংক্রমণের হার অনেকটাই কমে গিয়েছিল। কিন্তু এপ্রিল থেকে দেশে আছড়ে পড়ে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ। অতিমারী সামলাতে কেন্দ্রের ব্যর্থতার অভিযোগ তুলতে থাকে বিরোধীরা।

অন্যদিকে রাজ্যের বিধানসভা ভোটে জিতে তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই দিল্লির দিকে ছুটছেন। উত্তরপ্রদেশ ভোটেও তাঁকেই বিরোধী শিবিরের প্রধান মুখ করার আর্জি জানিয়েছেন অনেক বিরোধী নেতাই। শুধু দেশীয় রাজনীতিতেই নয়, সাধারণ মানুষের কাছেও নিজের গ্রহণযোগ্যতা বাড়াচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো। গত আগস্টে তাঁকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চাইছিলেন ২ শতাংশ মানুষ। জানুয়ারিতে তা বেড়ে ৪ শতাংশ হওয়ার পরে এবারের আগস্টে সেটা এসে দাঁড়িয়েছে ৮ শতাংশ। দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সঙ্গেই প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে চার নম্বরে উঠে এসেছেন তিনি।

মমতা-অভিষেকের ছবি দেওয়া পোস্টারে ছেয়েছে আগরতলা

Mamata and Abhishek

আগরতলা: সোমবার ত্রিপুরায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলার ‘যুবরাজ’কে স্বাগত জানাতে চেষ্টার কোনও কসুর ছাড়েননি ত্রিপুরার তৃণমূল নেতৃত্ব। রাজধানী আগরতলায় ছেয়ে গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া পোস্টার। যুব তৃণমূল কর্মী কুন্তল ঘোষের উদ্যোগে পোস্টার পড়েছে আগরতলার বিভিন্ন এলাকায়।সেই পোস্টারে লেখা, ” ভারতের যুবরাজ তোমাকে সেলাম। তোমার হাতেই হবে এবার ত্রিপুরাতে জয়ের অভিষেক।”

তৃতীয়বারের জন্য বাংলায় বিপুল জয় তৃণমূলের মনোবল অনেকটা বাড়িয়ে দিয়েছে।এর আগেও পড়শি রাজ্য ত্রিপুরায় দলের সংগঠন পোক্ত করার চেষ্টা করেছিল তৃণমূল।সেবার মুকুল রায়ের হাত ধরে ত্রিপুরায় দলের সংগঠন চাঙ্গা করার চেষ্টা করেছিল জোড়াফুল। তবে অচিরেই সেই উদ্যোগ ধাক্কা খায়। পরবর্তী ক্ষেত্রে ত্রিপুরায় তৃণমূল নেতাদের অনেকেই দলবদল করেন।

তবে এবার প্রেক্ষাপট সম্পূর্ণ আলাদা। এই মুহূর্তে সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে যথেষ্ট প্রাসঙ্গিক তৃণমূল। মোদি বিরোধী জোটের প্রধান মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। দেশের তাবড় রাজনীতিবিদ মোদি বিরোধিতায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে চলতে আগ্রহ দেখিয়েছেন। এই মুহূর্তে জাতীয় রাজনীতিতে তৃণমূলকে এড়িয়ে বিজেপি বিরোধী জোটের কথা ভাবা কার্যত দুঃসাধ্য। সম্প্রতি দিল্লি সফরে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেও মোদি বিরোধী জোটের সলতে পাকিয়ে এসেছেন। সোনিয়া গান্ধী, রাহুল গান্ধী থেকে শুরু করে তৃণমূল সুপ্রিমো দেখা করেছেন বিরোধী দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে। আগামী দিনে বিজেপি বিরোধী জোটের নেতৃত্ব দেওয়ার ব্যাপারেও কথাবার্তা এগিয়েছে অনেকটাই। যদিও মোদি বিরোধী জোটের নেতৃত্বে নয়, জোটের শরিক হতেই বেশি আগ্রহী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

এই আবহেই এবার তৃণমূলের নজরে ত্রিপুরা। মিশন ২০২৪- এর আগে ত্রিপুরায় দলের সংগঠন পোক্ত করার মরিয়া বাংলার শাসকদলের। সেই লক্ষ্যেই এবার ত্রিপুরায় সর্বভারতীয় তৃণমূল কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরা পৌঁছানোর আগেই রাজধানী আগরতলা ছেয়ে গিয়েছে তৃণমূলের পোস্টারে। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ছবি দেওয়া সেই পোস্টার আগরতলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা যাচ্ছে। অভিষেকের হাত ধরে এবার ত্রিপুরায় বদল আনতে চায় তৃণমূল।

মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে ‘রাক্ষসী’ বলে কটাক্ষ বিজেপি বিধায়কের

Surendra Singh

নিউজ ডেস্ক: বিধানসভায় হ্যাট্রিকের পরে লোকসভার লক্ষ্যে আসরে নেমেছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা। দিল্লি সফরে গিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী। বাংলার মেয়ের নেতৃত্বেই একজোট হচ্ছেন বিরোধীরা। আর সেই সময়েই মুখ্যমন্ত্রী মমতাকে কটাক্ষ করলেন বিজেপির বিধায়ক সুরেন্দ্র সিং।

যোগী আদিত্যনাথের রাজ্য উত্তরপ্রদেশের বালিয়া জেলার বাইরিয়া কেন্দ্রের বিধায়ক এই সুরেন্দ্র। বিভিন্ন সময়ের বিতর্কিত মন্তব্যের কারণে শিরোনামে উঠে এসেছেন তিনি। সেই ব্যক্তির মুখেই শোনা গেল পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী সম্পর্কে বিতর্কিত মন্তব্য। সরাসরি তৃণমূল সুপ্রিমোকে ‘রাক্ষসী’ বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।

শুক্রবার সকালের দিকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়েছিলেন বিধায়ক সুরেন্দ্র সিং। সেই সময়ে মমতার দিল্লি সফর এবং বিজেপি বিরোধীদের নিয়ে জোটের প্রসঙ্গ ওঠে। যার পরিপ্রেক্ষিতে বাইরিয়ার বিধায়ক বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন লঙ্কিনি।” রামায়ন অনুসারে লঙ্কার এক রাক্ষসী এই লঙ্কিনি। যাকে লঙ্কার প্রতীক হিসেবে ধরা হয়।

বিধানসভা ভোটের পরে বাংলা জুড়ে হিংসা ছড়িয়েছে তৃণমূল। শাসকদলের বিরুদ্ধে এমনই অভিযোগ করে বিজেপি। যদিও মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূলনেত্রী দাবি করেছেন যে কোনও হিংসার ঘটনা ঘটেনি। যা হয়েছিল সব ভোটের আগে। কিন্তু জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের রিপোর্টে হিংসার উল্লেখ করা হয়েছে। কাঠগড়ায় তোলা হয়েছে রাজ্য সরকারকে। বাংলার ‘আইনের শাসনে’র বদলে ‘শাসকের আইন’ চলছে বলেও উল্লেখ করা হয় রিপোর্টে।

সেই বিষয়টি উল্লেখ করেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ‘রাক্ষসী’ বলে কটাক্ষ করেছেন বিজেপি বিধায়ক সুরেন্দ্র সিং। সেই সঙ্গে উত্তরপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা সপা সুপ্রিমো অখিলেশ যাদবকে মোঘল সম্রাট ‘ঔরঙ্গজেব’ বলে দাবি করেছেন তিনি। কারণ বাবা মুলায়মের ছেড়ে যাওয়া সমাজবাদী পার্টির সভাপতির পদ তাঁর কাকা শিবপাল যাদবকে না দিয়ে তা দখল করেন অখিলেশ। সুরেন্দ্র সিং দাবি করেছেন যে ওই একই উপায়ে ক্ষমতা দখল করেছিলেন ঔরঙ্গজেব।