Varun Gandhi: সম্ভবত তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন বিজেপি নেতা বরুণ গান্ধী

BJP leader Varun Gandhi is joining Trinamool Congress

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: কয়েক মাস আগে বাংলার মাটিতে নিজেদের শক্তি প্রমাণ করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। নিজেদের ঘর গোছানোর পর তৃণমূল এবার গোটা দেশের রাজনীতিতে ছাপ ফেলার প্রস্তুতি শুরু করেছে। ইতিমধ্যেই ত্রিপুরা ও গোয়ায় তৃণমূল দাপিয়ে বেড়াতে শুরু করেছে।

এরই মধ্যে আগামী সপ্তাহে দিল্লি যাচ্ছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা (Mamata Banerjee) বন্দ্যোপাধ্যায়। বিভিন্ন সূত্রে জানা গিয়েছে, মমতার এই দিল্লি সফরে থাকছে বড় মাপের এক চমক। দিল্লিতে (Delhi) মমতার উপস্থিতিতে তাঁর দলে যোগ দিতে পারেন বিজেপি সাংসদ তথা গান্ধী পরিবারের তরুণ নেতা বরুণ গান্ধী (Varun Gandhi)।

BJP MP Varun Gandhi criticized the Centre's agricultural policy

সম্প্রতি পিলভিটের সাংসদ বরুণ এবং তাঁর মা সুলতানপুরের সাংসদ মানেকার সঙ্গে বিজেপির সম্পর্কের যথেষ্ট অবনতি হয়েছে। যে কারণে সম্প্রতি বিজেপির জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি থেকে বরুণ ও মানেকাকে (maneka) সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। সম্প্রতি কৃষি আইনকে কেন্দ্র করে নরেন্দ্র মোদি ও বিজেপিকে তীব্র কটাক্ষ করেছেন বরুণ। লখিমপুর খেরির ঘটনাতেও তিনি দলের লাইনের বিরুদ্ধে গিয়েছেন। এই পরিস্থিতিতে নতুন এক রাজনৈতিক প্লাটফর্ম খুঁজছেন প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা (Indira) গান্ধীর ছোট ছেলে সঞ্জয় গান্ধীর (sanjay gandhi) একমাত্র ছেলে বরুণ। তবে তাঁর পক্ষে কংগ্রেস শিবিরে যোগ দেওয়া কার্যত অসম্ভব। কাজেই প্রশ্ন উঠছে বরুণের সামনে বিকল্প কোন দল রয়েছে। এই প্রশ্নের উত্তরেই উঠে এসেছে তৃণমূল কংগ্রেসের নাম।

এই মুহূর্তে বিজেপি বিরোধী আন্দোলনের সবচেয়ে বড় মুখ হয়ে উঠেছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিভিন্ন ইস্যুতে মোদি ও বিজেপিকে নিয়মিত আক্রমণ করে থাকেন মমতা। কয়েক মাস আগে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে মোদি, অমিত শাহকে গোহারা হারিরেছেন তৃণমূল নেত্রী। মোদি, শাহ-সহ শীর্ষ বিজেপি নেতারা দিল্লি- কলকাতা ডেলি প্যাসেঞ্জারি করলেও তৃণমূলের গড়ে দাঁত ফোটাতে পারেননি।

সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে একাধিক রাজনৈতিক দল ও নেতা ইতিমধ্যেই মমতার নেতৃত্বের প্রতি আস্থা রেখেছেন। বিরোধী নেতৃত্ব ইতিমধ্যেই মমতাকে ভবিষ্যতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তুলে ধরার চেষ্টা চালাচ্ছেন। সে কারণেই বিজেপি বিরোধী এই মঞ্চে বা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার কথা ভাবছেন বরুণ।

যদিও এ বিষয়ে তৃণমূলের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করে কিছু জানানো হয়নি। বরুণও তৃণমূলে যোগ দেওয়া নিয়ে কোনও শব্দ খরচ করেননি। এ প্রসঙ্গে জানতে চাওয়া হলে তৃণমূল নেতৃত্ব শুধু মুচকি হেসেছেন। তাঁদের এই হাসির ইঙ্গিত কী সেটা অবশ্য ধরতে পারেনি রাজনৈতিক মহল। তবে বরুণের তৃণমূলে যোগ দেওয়ার খবরটি প্রকাশ্যে আসতেই জাতীয় রাজনীতিতে একটা ঢেউ উঠেছে। অনেকেই জানতে চেয়েছেন, পদ্ম ছেড়ে আরও এক নেতা কি এবার ঘাসফুল শিবিরে ভিড়ছেন। শেষ পর্যন্ত বরুণ যদি তৃণমূলে যোগ দেন তবে সেটা ভারতীয় রাজনীতিতে এক বড় চমক হতে চলেছে।

TMC বিধায়ক উদয়নের ‘মহিলাদের গায়ে অবাঞ্ছিত স্পর্শ’ অভিযোগ অস্বীকার করল BSF

bsf lady constable

News Desk: সীমান্তে বিএসএফের এলাকা ৫০ কিলোমিটার বাড়িয়ে দেওয়া বিতর্কের মাঝে বিধায়ক উদয়ন গুহর মন্তব্য নিয়ে শোরগোল প্রবল। দিনহাটার টিএমসি বিধায়কের অভিযোগ ‘মহিলাদের গায়ে অবাঞ্ছিত স্পর্শ’ অস্বীকার BSF এর। বুধবার এই অভিযোগ প্রসঙ্গে বিএসএফের ইস্টার্ন কমান্ডের অ্যাডিশনাল ডিরেক্টর জেনারেল (এডিজি) ওয়াই বি খুরানা বলেন, এই ধরনের অভিযোগ খুবই দুর্ভাগ্যজনক।

কোচবিহারের দিনহাটার বিধায়ক উদয়ন গুহর মন্তব্য ঘিরে শাসক টিএমসি ও বিরোধী বিজেপির মধ্যে শুরু হয়েছে পারস্পরিক উত্তপ্ত বাক্য বিনিময়।বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানিয়েছেন এই ধরণের মন্তব্য মেনে নেওয়া যায় না।

বিএসএফের এডিজি জানান, মহিলাদের তল্লাশি হয় সম্পূর্ণ আইন অনুসারে। তিনি বলেন, ইস্টার্ন কমান্ডে ৪০০০ মহিলা বিএসএফ জওয়ান ও অফিসার আছেন। তল্লাশির যে নির্দিষ্ট পদ্ধতি আছে সেই অনুযায়ীই প্রয়োজনে তল্লাশি করা হয়।

বি়এসএফ অভিযোগ উড়িয়ে দিলেও, রাজনৈতিক তরজা বাড়ছেই। উদয়ন গুহ প্রতিক্রিয়া দেননি। তবে রাজ্যে বিএসএফের এক্তিয়ার ভুক্ত এলাকা বৃদ্ধিতে সরব বিশিষ্টরা। এই ইস্যুতে সিপিআইএম ও কংগ্রেস রাজ্য সরকারের পাশে থাকার বার্তা দিয়েছে।

<

p style=”text-align: justify;”>কেন্দ্রীয় সরকারের জারি করা বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী বিএসএফের সীমানা দেশের ভেতর ১৫ কিলোমিটার থেকে বাড়িয়ে ৫০ কিলোমিটার পর্যন্ত করা হয়েছে। পশ্চিমবঙ্গের শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, অভ্যন্তরীন আইন শৃঙ্খলায় মাথা গলাতেই বিএসএফের এই সীমানা বৃদ্ধি করা হয়েছে। বিএসএফের কাজের সীমানা বাড়ানোর বিরোধিতা করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে চিঠি দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভায় প্রস্তাব পাশ করা হয়েছে। 

CPIM এর ‘অনিলায়ন’ ছাপিয়ে ছক্কা মমতার, TMC প্রতিষ্ঠার দিনেই পড়ুয়া দিবস

mamata banerjee

News Desk: এ যেন টেক্কা দেওয়ার খেলা। বিরাট এক ছক্কা হাঁকালেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি জানালেন প্রতি বছর ১ জানুয়ারি রাজ্যে পড়ুয়া দিবস পালন করা হবে। তাৎপর্যপূর্ণ, এই দিনটি শাসক দলের প্রতিষ্ঠা দিবস। কংগ্রেস ছেড়ে বেরিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ১৯৯৮ সালের ১ জানুয়ারি তৈরি করেন তৃণমূল কংগ্রেস।

টিএমসির প্রতিষ্ঠা দিবসেই কেন পড়ুয়া দিবস পালিত হবে এই নিয়ে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

মমতা যখন টিএমসি তৈরি করেন তারও আগে থেকে পশ্চিমবঙ্গে শাসক সিপিআইএম নেতৃত্বাধীন বামফ্রন্ট সরকার। বাম জমানায় রাজ্যে শিক্ষা ব্যবস্থার উপর ছড়ি ঘোরানোর অভিযোগ উঠেছিল সিপিআইএমের ততকালীন রাজ্য সম্পাদক অনিল বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। ‘অনিলায়ন’ হিসেবেই কটাক্ষ করা হয়েছিল।

বামেদের শূন্য করে দিয়ে টানা তিনবারের মেয়াদে সরকার গড়া মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধেও শিক্ষা ব্যবস্থায় সরাসরি রাজনীতির অভিযোগ উঠেছে আগেই। এবার তিনি ছক্কা হাঁকালেন।

 

mamata banerjee

বুধবার উত্তর ২৪ পরগনায় প্রশাসনিক পর্যালোচনা বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানান, এবার থেকে প্রতি ১ জানুয়ারি হবে রাজ্যে পড়ুয়া দিবস। বিতর্কে উঠে এসেছে, এই দিনটিতে শাসক দলের প্রতিষ্ঠা দিবস পালনের প্রসঙ্গ।

তৃণমূল কংগ্রেস দুটি বিশেষ দিন রাজনৈতিক দৃষ্টিতে পালন করে। একটি হলো দলটির প্রতিষ্ঠা দিবস ১ জানুয়ারি। অন্যটি ২১ জুলাই ‘শহিদ দিবস’। ১৯৯৩ সালের ২১ জুলাই তৎকালীন যুব কংগ্রেস নেত্রী মমতার নেতৃত্বে মহাকরণ অভিযানে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তার জেরে পুলিশ গুলি চালায়। ১৩ জনের মৃত্যু হয়। রাজ্যে তখন বাম সরকার

তাৎপর্যপূর্ণভাবে এবার থেকে ১ জানুয়ারি একসঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রতিষ্ঠা দিবস ও পড়ুয়া দিবস হয়ে গেল।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘বাংলায় একটি স্টুডেন্টস ডে হওয়া উচিত। যুব দিবস যেমন করা হয়, কন্যাশ্রী দিবস করা হয়। ১৪ আগস্ট পালিত হয় খেলা দিবস। তেমনভাবে ১ জানুয়ারি রাজ্যে স্টুডেন্টস ডে পালন করা হবে’।

<

p style=”text-align: justify;”>তিনি বলেন, আগামী ২০ ডিসেম্বরের মতো সেদিনও ১০,০০০ পড়ুয়াকে স্টুডেন্ট ক্রেডিট কার্ড দেওয়ার জন্য পরিকল্পনা আছে।

TMC: ‘মমতার আশ্বাসে বিশ্বাস নেই’ দেউচা-পাঁচামি কয়লাখনির বাসিন্দাদের ক্ষোভ বাড়ছে

mamata

News Desk: ‘মুখ্যমন্ত্রী মমতার আশ্বাসবাণীতে আমাদের বিশ্বাস নেই। তিনি অনেক কিছু বলেন, কিন্তু হয় না।’ শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসে বিরাট ঘাঁটি বীরভূম থেকে ভেসে আসছে এমন ক্ষোভের বার্তা।

রাজ্য সরকার যে দেউচা-পাঁচামি কয়লা খনি প্রকল্প রূপায়ণে পুনর্বাসন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে তাতে বিশ্বাস নেই এলাকার বহুলাংশ বাসিন্দাদের। তাঁদের অনেকেই অভিযোগ, যেভাবে ‘বিরোধী নেত্রী থাকার সময় মমতা সিঙ্গুর থেকে টাটা মোটরসকে তাড়িয়েছিলেন’ তার পরে তাঁর কোনও শিল্প পরিকল্পনা বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে।

দেশের সবথেকে বড় কয়লা ব্লকগুলির একটি বীরভূমের দেউচা পাঁচামি খনি। এটি খোলামুখ খনি। এখানে সরকারি প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর ঘোষণার পরেই ক্ষোভ পুঞ্জিভূত হতে শুরু করেছে।

সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, বীরভূমের মহম্মদবাজার ব্লকের প্রস্তাবিত এলাকায় ৩ হাজার ৪০০ একর জমিতে ১১৯৮ মিলিয়ন টন কয়লা মজুত আছে। এই বিপুল পরিমাণ কয়লা উত্তোলন ও তার জন্য জমি অধিগ্রহণ করবে সরকার।পুনর্বাসন প্রকল্প ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

সরকারিভাবে জানানো হয়, মোট ৩৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হবে। স্থানীয় ১০টি গ্রামের ২১ হাজারের বেশি বাসিন্দাদের পুনর্বাসন, মডেল টাউন ও চাকরি বাবদ ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

পুনর্বাসন প্রকল্পের কথা স্থানীয় বাসিন্দারা শুনেছেন। তাঁদের দাবি, কলকাতা থেকে প্যকেজ ঘোষণা করলে হবে না। এলাকার প্রত্যেকের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করতে হবে। তাঁদের দাবি ‘ক্ষতিপূরণ কে কতটা পাবেন তার সন্তোষজনক সমাধান চাই। তবেই শিল্প হবে। না হলে আন্দোলন হবে।’

দেউচা পাঁচামি কয়লা খনি গড়তে নোডাল এজেন্সি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছে পিডিসিএল। প্রকল্প গড়তে জমিদাতাদের বিভিন্ন স্বার্থ লঙ্ঘিত হচ্ছে কিনা তার জন্য ৯ সদস্যের কমিটি গঠন হয়েছে। এই কমিটির একজন অভিনেতা পরমব্রত। এলাকাবাসীদের অভিযোগ, কয়লা খনি কী বস্তু তার ধারণা কতটুকু অভিনেতার। সে কী করে আমাদের সমস্যা বুঝতে পারবে? 

বিক্ষোভ জমা হচ্ছে। যে জমি আন্দোলন মমতাকে কুর্সিতে বসিয়েছে। সরকারে থেকে তিনিই এখন জমি আন্দোলনের মুখে পড়ছেন। রাজনৈতিক বিতর্ক চড়তে শুরু করেছে।

Coochbehar: এক ধাক্কায় তিন BJP বিধায়কের TMC যোগের জল্পনা

BJP-Bengal

News Desk: শারোদৎসবের আগে থেকেই জল্পনা ছিল বিরোধী বিজেপি বিধায়কদের অন্তত ১২ জন আর বেশ কয়েকজন সাংসদ দলত্যাগের পথে। উৎসব শেষে উত্তরবঙ্গে বিজেপি শিবিরে ধস শুরু হতে চলল। সূত্রের খবর, কোচবিহারের তিন বিধায়ক দলত্যাগে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁদের দাবি, বিজেপিতে থেকে দমবন্ধ হয়ে আসছে! দলে থেকে কাজ করতে পারছেন না।

তবে এই তিন বিধায়কের বিষয়ে খোলাখুলি জানাতে নারাজ জেলা ও রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা। তবে শাসক শিবিরের দাবি, বেশিরভাগ বিজেপি বিধায়ক দলত্যাগে মরিয়া। যারা বিধানসভা ভোটের আগে চলে গেছিলেন তাদের মধ্যে হেভিওয়েটরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ নেওয়ায় বাকিরা আর থাকতে চাইছেন না।

সম্প্রতি যে চার বিধানসভার উপনির্বাচন হয়েছে তাতে বিরোধী দল বিজেপি নিজের জেতা আসন হারানো ও জামানত খুইয়ে বিপর্যস্ত। কোচবিহারেই তৃণমূল কংগ্রেস বিধানসভায় ৫৭ ভোটে পরাজয়ের বদলা নিয়েছে লক্ষাধিক ভোটে জয়ী হয়ে। তাৎপর্যপূর্ণ, বিজেপির ভোট কমেছে, বামফ্রন্টের ভোট বেড়েছে। তবে বামেরা এখনও শূন্য।

উত্তরবঙ্গে আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে বিজেপি শক্তিশালী হয় পঞ্চায়েত ভোটের পর থেকে। লোকসভা ও বিধানসভায় উত্তরবঙ্গে ভালো ফল করে বিজেপি। সেখানেই শুরু ধস। উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণকল্যাণী বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। এবার বিরোধী দলের রাজ্য দফতরে এসেছে কোচবিহার থেকে দু:সংবাদ।

দক্ষিণবঙ্গে বিজেপির বেশকিছু বিধায়ক দলত্যাগে মরিয়া। প্রবল জল্পনা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে। তিনি যে বিরোধী দলনেতার তকমা হারাচ্ছেন তার ইঙ্গিত দিয়েছেন সেচমন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র। তিনি বলেছেন, শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলে ফিরবেন। তবে শুভেন্দুবাবু জানান, সৌমেন মহাসাত্র ‘সুরা পান করে’ এমন কথা বলেছেন।

বিজেপির অন্দরমহলে বিধায়কদের দলত্যাগের আশঙ্কা ক্রমে বড় আশঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। রাজ্য দফতর মুরলীধর সেন লেনে কানাঘুসো, পুর নির্বাচন ঠিকমত করা যাবে কিনা তা নিয়েই প্রশ্ন।

WB Politics : মন্ত্রীর দাবি বিরোধী নেতা TMC তে ফিরবেন, শুভেন্দুর হিরন্ময় নীরবতা

suvendu-soumen

News Desk: পুরো একটা দিন চলে গেল বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক হিরন্ময় নীরবতা পালন করছেন। আর সেচ মন্ত্রীর দাবি, বেশিদিন নয়, জলদি তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

রবিবার এই নন্দীগ্রামে খোদ শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা কেন্দ্রে গিয়েই সেচমন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র বলেন, ‘রাজ্যের বিরোধী দলনেতা লালবাতি কয়েকদিনের মধ্যেই নিভে যাবে।” মন্ত্রীর এই মন্তব্যের জেরে রাজনৈতিক মহল সরগরম। তেমলই বিরোধী দল বিজেপি হতচকিত। খোদ শুভেন্দু অধিকারী নীরব থাকায় আরও বিতর্ক বেড়েছে।

সেচ মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র বলেছেন, খুব শিগগগিরই ওদের বিধায়ক সংখ্যা ৩০-এর নিচে নেমে যাবে। নিয়ম হচ্ছে, বাংলায় কোনও দলের যদি ৩০ জন বিধায়ক না থাকে তাহলে সেই দল বিরোধী দলের মর্যাদা পায় না। সৌমেনবাবুর আরও দাবি, বিজেপি ৩০ এর নিচে নামলেই শুভেন্দুর মাথার উপর থেকে লালবাতি নিভে যাবে।

বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রাম আসনে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে তৃণমূল কংগ্রেস টানা তিনবার সরকার গড়ে। বিজেপি হয় প্রধান বিরোধী দল। শুভেন্দু অধিকারী হন বিরোধী দল নেতা। পরে ভবানীপুর কেন্দ্রের উপনির্বাচনে পুনরায় জয়ী হয়েছেন মমতা।

তবে সাম্প্রতিক চার কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তিনটি আসনে বিজেপির জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। দুটি জয়ী আসন হাতছাড়া হয়েছে। এর পরেই বিজেপিতে ভাঙন ও দলত্যাগ আরও বড় হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, এক ডজন বিধায়ক দলত্যাগ করবেন।

মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র বলেছেন, যেভাবে বিজেপি ত্যাগ হচ্ছে তাতে বিরোধী দলের মর্যাদা দ্রুত হারাবে তারা। এরপর বিরোধী দলনেতার তকমা খোয়াবেন শুভেন্দু অধিকারী।

Subrata Mukherjee: যে কথা শেষ হয়নি! মমতাকে নিয়ে আত্মজীবনীতে কী লিখেছেন সুব্রত?

Subrata Mukherjee

News Desk, Kolkata: বইটার নাম জানে না কেউ, হয়ত পারিবারিক সৌজন্যে এই আত্মজীবনী প্রকাশ হতেও পারে। আবার দিনের আলো না দেখতেও পারে। আসলে যে প্রশ্নটা থেকেই গেল সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের (Subrata Mukherjee) প্রয়াণের পর, সেটি হলো তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে ‘অকপটে’ কী লিখেছেন?

আরও পড়ুন: নকশাল নেতা সরোজ দত্তর ‘মার্ডার’ দেখা উত্তমকুমারকে ফোন করলেন, কে তিনি?

সুব্রত-মমতার ‘রাজনৈতিক রসায়ন’ মোড় নিয়েছিল বাম জমামার শেষ কয়েক বছরে। কংগ্রেসের একদা যুবনেত্রী মমতার ‘গাইড’ পরে মমতাকেই ‘নেত্রী’ হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন। ঘনিষ্ঠরা জানেন, মমতা কংগ্রেস ত্যাগের পর তার সম্পর্কে কী ভাবতেন সুব্রতবাবু। তবে অকপটে এও স্বীকার করেছেন, মমতার ডাকে লক্ষ মানুষ জড়ো হতে পারে। আমার ডাকে কেউ আসবে না। এর থেকে প্রমাণ হয় মমতার নেতৃত্ব কতটা শক্তিশালী।
বঙ্গবাসীর কাছে কৌতুহলের আরও এক পর্ব চর্চিত ‘নারদা মামলা’র সেই বিখ্যাত ভিডিও। এ নিয়েই সোজাসাপটা সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের আত্মবিশ্লেষণ কীরকম সেটিও অধরা থাকল।

Subrata Mukherjee
ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে সুব্রত-প্রিয়

সুব্রতবাবুর অবর্তমানে সেই লেখার ‘এডিট’ হবে না তো, এমন আশঙ্কা করছেন অনেকেই। বিস্ফোরক বোঝাই খাতা উল্টোলেই রাজনৈতিক বিস্ফোরণ তো হবেই এমনই ধারণা বহু ডান-বাম নেতার। সুব্রতবাবু নিজেই অকপটে বলে গিয়েছেন ‘আমি সোজাসাপটা লোক। এর জন্য অনেক ক্ষতি হয়েছে।’

আরও পড়ুন: Subrata Mukherjee: হেফাজতে চারু মজুমদারে মৃত্যু, পুলিশমন্ত্রী ছিলেন সুব্রত

সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবনের মার্কামারা ঘটনাগুলি দশকের পর দশক চর্চিত। ‘নকশাল নেতা সরোজ দত্ত মার্ডার’ হোক বা বন্দি চারু মজুমদারের মৃত্যু বিতর্ক, রয়েছে জরুরি অবস্থায় মন্ত্রী হিসেবে রবীন্দ্রনাথের কবিতা না ছাপানোর মতো সিদ্ধান্ত। পরে তা স্বীকার করেন। কিন্তু জরুরি অবস্থা জারির প্রেক্ষাপটকে সম্পূর্ণ সমর্থন করেন বলেও জানিয়েছিলেন।

Subrata Mukherjee

এসবের পর আসছে টানা বাম জমানায় তৎকালীন সরকারের সঙ্গে সৌহার্দ্যমূলক ব্যবস্থা রাখার কৌশলে ‘তরমুজ’ আখ্যা পাওয়া আর বঙ্গ কংগ্রেসের অভ্যন্তরের কথা। কিছু ইঙ্গিত দি়য়ে ছিলেন আশি- নব্বই দশকে প্রদেশ কংগ্রেসের জটিল গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তাঁর কলমের ডগায় এসেছে। তেমনই কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূল কংগ্রেস তৈরির পরের অবস্থা ও বিশ্লেষণ, ব্যক্তিগত মুহূর্ত সবই এসেছে পরপর। এক সংবাদ মাধ্যমে সুব্রতবাবুর সরাসরি জবাব ছিল, এত মালমশলা আছে যে …!

সুব্রতবাবু সোজাসাপটা থাকতে ভালোবাসেন বলেই জানিয়েছিলেন। বলেছিলেন অনেক কথা সরাসরি বললে যে অনেকের বিরাগভাজন হতে হবে। তবে আমি লিখছি।

<

p style=”text-align: justify;”>কী লিখে গিয়েছেন মুনমুন সেনের এই ‘নায়ক বন্ধু’? কেউ জানে না। কেমন রাজনৈতিক বিশ্লেষণ করেছেন কংগ্রেস যুবনেত্রী মমতা থেকে নিজ নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতার? অজানা। সিনিয়র ‘সুব্রতদা’ আর জুনিয়র মমতা-কে কীভাবে ডাকতেন একে অপরকে? এ নিয়েও চরম কৌতূহল রয়েছে। শুধু সবার অগোচরে থাকা আত্মজীবনীটা নীরবে বিস্ফোরণের অপেক্ষা করছে।

Subrata Mukherjee: জরুরি অবস্থা, সিদ্ধার্থ থেকে মমতা মন্ত্রিসভার বর্ণময় সুব্রত মুখোপাধ্যায়

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: রাজ্যে বাম জমানার পতনের পর যখন তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার মহাকরণে ঢুকছে, তখন প্রায় অনুচ্চারিত একটি নজির গড়েছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তিনিই মু়খ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার একমাত্র সদস্য যাঁর রাজ্যে মন্ত্রীত্ব করার পূর্বঅভিজ্ঞতা ছিল। সেই অর্থে তিনি টিএমসি সরকারের একমাত্র মহাকরণ ঘোরা একজন। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীত্ব সামলেছেন আগে। কিন্তু রাজ্য সরকারের মন্ত্রীর অভিজ্ঞতা ছিল সুব্রতবাবুর।

বাম জমানার পতনের ঠিক আগে ১৯৭২-১৯৭৭ পর্যন্ত কংগ্রেসের সরকারের সুব্রতবাবু ছিলেন পুলিশ ও তথ্য দফতরের দায়িত্বে। মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সিদ্ধার্থ শংকর রায়।

প্রথম পাঁচ বছরের মন্ত্রিত্বই সুব্রতবাবুর রাজনৈতিক জীবনে সবথেকে আলোচিত। সেই সময়েই অর্থাৎ ১৯৭৫ সালে জারি হয়েছিল জরুরি অবস্থা। তথ্য বিভাগের দায়িত্বে থাকায় বহু ‘অপ্রিয়’ কাজ করতে হয়েছে সুব্রতবাবুকে। জরুরি অবস্থা বিরোধী যে কোনও সংবাদ কেটে দেওয়ার মতো ঘটনা রাজ্যে তাঁর দফতরেই হত। তিনি থাকতেন উপস্থিত। সে কথা পরবর্তী সময়ে স্বীকার করেছেন। বিশেষ করে ততকালীন বিরোধী দল সিপিআইএমের মু়খপত্র ‘গণশক্তি’ সংবাদ পরিবেশনায় সুব্রতবাবুর নজর থাকত প্রবল।

নিজেই জানিয়েছিলেন “গণশক্তির সরোজ মুখার্জি আমার কাছে এসেছিলেন। ওঁরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “চিত্ত যেথা ভয়শূন্য উচ্চ যেথা শির” ছাপতে চান। আমি সটান না করে দিয়েছিলাম। আমার মনে হয়েছিল দেশের যা অবস্থা তাতে ওই কবিতার অন্য অর্থ হবে। এটা আমি ঠিক করিনি৷ এখন ভাবলে খারাপ লাগে” 

জরুরি অবস্থার পরে ১৯৭৭ সালে রাজ্যে কংগ্রেস সরকারের পতন হয়। তৈরি হয়েছিল বামফ্রন্ট সরকার। এই দীর্ঘ চৌত্রিশ বছরের বাম জমানাতে বিরোধী কংগ্রেসের তিনমূর্তি ছিলেন প্রিয়-সোমেন-সুব্রত। আর নেই তাঁরা। সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে সেই অধ্যায় শেষ হয়ে গেল। তিনি এমন এক রাজনীতিক যিনি বিরোধী হোক বা সরকার সবপক্ষেই নিজ মহিমায় উজ্জ্বল।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় টালমাটাল যুক্তফ্রন্ট সরকার ছিল এ রাজ্যে প্রথম অ-কংগ্রেসি সরকার। ১৯৬৭ ও ১৯৬৯ এই সময়ে দুটি যুক্তফ্রন্ট সরকারকে নড়িয়ে দেওয়ার যে ঘটনাবহুল ছক তৈরি হয়েছিল সেই সময়টিতে অর্থাৎ রাজনৈতিক ঝঞ্ঝাপূর্ণ বামপন্থী রাজনীতির উত্থান সময়ে কংগ্রেসি জাতীয়তাবাদী ঘরানার দক্ষিণপন্থী তরুন নেতাদের আকাল চলছিল। সেই আকালের বাজারে উদয় প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সি, সোমেন মিত্র ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের। তাবড় তাবড় বাম ও অতিবাম রাজনৈতিক নেতৃত্বের মাঝে কংগ্রেসি তিন মূর্তির প্রবল আত্মপ্রকাশ সেই যে শুরু হয়েছিল, দীর্ঘ চার দশক পেরিয়ে সুব্রতবাবু ছিলেন সেই জাতীয়তাবাদী ঘরানার সর্বশেষ প্রতিনিধি।

রাজনৈতিক জীবনে প্রথম মাইলফলকটি অবশ্যই ছিল, ১৯৭২ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে রাজ্যে ফের কংগ্রেসের ক্ষমতা দখলে সুব্রতবাবুর মন্ত্রী হওয়া। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থ শংকর রায়ের সঙ্গে মহাকরণ ও বিধানসভায় ঢুকলেন পুলিশ ও তথ্য দফতরের মন্ত্রী হয়ে। তারপর কংগ্রেস ভেঙে মমতার তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের পরপর দলত্যাগ ফের ফিরে আসা এরকমই চলেছে। একপর্যায়ে মমতাকে নেত্রী বলে মেনেও নিয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রী হয়েছেন।

সিদ্ধার্থশংকর থেকে শুরু মাঝে জ্যোতি বসু-বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মুখ্যমন্ত্রীতে বিরোধী পক্ষে আর সর্বশেষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মু়খ্যমন্ত্রীত্বে মন্ত্রিসভাতেই রাজনৈতিক জীবন কাটল। পুরো রাজনৈতিক জীবনে জরুরি অবস্থার মতো সবথেকে বিতর্কিত ঘটনাটি পরে হেসে উড়িয়েছেন। সুব্রতবাবু এমনই। সেটা সবপক্ষই স্বীকার করে নিয়েছেন।

Subrata Mukherjee: প্রয়াত রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যাায়

Subrata Mukherjee

News Desk, Kolkata: দীপাবলির রাতে প্রয়াত হলেন রাজ্যের পঞ্চায়েতমন্ত্রী সুব্রত মুখোপাধ্যায়৷ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় হঠাৎই স্টেন্ট থ্রম্বোসিসে আক্রান্ত হন তিনি। রাতেই তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে ভর্তি করা হয়৷ অবস্থা আশঙ্কাজনক ছিল৷ খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে সুব্রতবাবুর মৃত্যুর খবর জানান মুখ্যমন্ত্রী৷

পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন-সহ রাজ্যের চারটি দফতরের মন্ত্রী, কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর।  ১৯৭২ সালে মাত্র ২৬ বছর বয়সে তিনি সিদ্ধার্থশঙ্কর রায়ের মন্ত্রিসভার সদস্য হন। জরুরি অবস্থার সময় বিতর্কিত পর্বে সুব্রত ছিলেন রাজ্যের তথ্য ও সংস্কৃতি দফতরের দায়িত্বে। ২০০০ সালে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেন। ২০০১ থেকে ২০০৫ তিনি ছিলেন কলকাতা পুরসভার মেয়র
(বিস্তারিত আসছে)

কালীপুজোর আবহে রাজ্যে আবির্ভাব নতুন নেতা ‘শকুন অধিকারী’!

Suvendu Adhikari, Kunal Ghosh

News Desk: বঙ্গ রাজনীতিতে বহু রাজনীতিকের বহু ব্যাঙ্গাত্মক নাম এসেছে। তাঁরা সবাই নিজ মহিমায় উজ্জ্বল। কেউ ‘কানা অতুল্য’, কেউ ‘খোঁড়া প্রফুল্ল’ কেউ ‘হরতাল দা’ এমনই সব নামের বাহার। বিধানসভা ভোটের প্রচারে আলোচিত নাম ছিল ‘বেগম’।

কিন্তু শকুন? এমনটা আগে শোনা যায়নি। প্রায় বিলুপ্ত এই পাখির তুলনায় অভিষিক্ত হয়েছেন খোদ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

উপনির্বাচনে বিজেপির চূড়ান্ত পরাজয়কে চরম কটাক্ষ করে তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র কুণাল ঘোষের প্রবল ব্যাঙ্গাত্মক টুইট রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। তিনি শকুন অধিকারী বলে শুভেন্দু অধিকারীকে চিহ্নিত করে আক্রমণ করেছেন।

উপনির্বাচনের আগে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রসঙ্গ টেনে শান্তিপুর কেন্দ্রের প্রচারে শুভেন্দুবাবুর একটি মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কু়ণাল ঘোষ টুইটে লিখেছেন, “বাংলাদেশে যা হয়েছে, তাতে আমরা শান্তিপুরে অনেক বেশি ভোটে জিতব।” – শুভেন্দু অধিকারী। তা এখন শকুন অধিকারী কোথায়? ধর্ম বেচে ভোট করা কুলাঙ্গার, বেইমান, কাপুরুষ, দলবদলু, ভীতু, মেরুদন্ডহীন, ধান্দাবাজ, ষড়যন্ত্রী, নির্লজ্জ, গিরগিটি, সুবিধেবাদী, গদ্দারটা নীরব কেন? কৈফিয়ত দিক।”

<

p style=”text-align: justify;”>শুভেন্দু অধিকারীকে শকুন অধিকারীতে অাখ্যায়িত করেছেন কুণাল ঘোষ। এর পরেও নীরব বিরোধী দলনেতা। গুঞ্জন তিনি ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরছেন। বিধানসভায় ভোটে শুভেন্দুবাবু বারবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বেগম বলতেন।

BJP: তথাগতর টুইট মিসাইলের নিশানায় মোদী ও দিলীপ, বঙ্গ বিজেপিতে শোরগোল

Tathagata Roy

News Desk: ফের সরব তথাগত। দলের নেতাদের খোঁচা দিয়ে টুইট হামলা করলেন। এবার জোড়া হামলার লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী মোদী ও রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

তথাগত রায় টুইটে লিখেছেন, ‘সুর করে দিদি-দিদি ডাকায় যা ক্ষতি হয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতি হয়েছে মমতাকে বারমুডা পরতে বলায়,কারণ এর মধ্যে অশ্লীল ইঙ্গিত আছে। ’বারমুডা’ কথাটা বোধ হয় নতুন শেখা হয়েছিল। নিচু স্তরের মাস্তানির সুরে “পুঁতে দেব”, “শবদেহের লাইন লাগিয়ে দেব”, এই সব কথাতেও প্রভূত ক্ষতি হয়েছে।’

বিধানসভায় ভোটের প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী মোদী প্রতি জনসভা থেকে ব্যাঙ্গাত্মক বাচনে দিদি ও দিদি বলে ডাকতেন। তাঁর লক্ষ্য ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জনসভা থেকে মোদীর সেই ব্যাঙ্গাত্মক ভাষণ নির্বাচনী খোরাক হয়েছিল।

https://twitter.com/tathagata2/status/1455746776737075209?s=20

একের পর এক উপনির্বাচনে বিজেপির পরাজয় ও সর্বশেষ চার কেন্দ্রে হেরে যাওয়ার পর বঙ্গ বিজেপির অভ্যন্তর এখন আগ্নেয়গিরি। এই অবস্থায় তথাগত রায় ক্রমাগত হামলা শুরু করেছেন। মোদীর সেই সুর করে দিদি বলা তাঁর টুইটে সমালোচিত হয়েছে।
এর পরেই তিনি টেনে এনেছেন বারমুডা প্রসঙ্গ। বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে ততকালীন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বারমুডা পরানোর কথা বলেছিলেন। তাঁর কটাক্ষের লক্ষ্য ছিলেন মমতা। টুইটে তথাগত রায় এই প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন।

<

p style=”text-align: justify;”>তথাগত রায়ের নিশানা যে মোদী পর্যন্ত তা ভেবেই শিহরিত রাজ্য বিজেপি। তবে টুইট বাণ চালিয়েই যাচ্ছেন তথাগত রায়।

By election Result: মঙ্গলে BJP আরও কমছে ধরেই নিল TMC

bengal-by-election

News Desk, Kolkata: ফের উপনির্বাচনের ফলাফলে শাসক তৃ়ণমূল কংগ্রেসের ঝুলিতে আরও চার বিধায়ক আসতে চলেছেন। এমনই কনফিডেন্ট মন্ত্রী থেকে সমর্থকরা। বিরোধী বিজেপি শিবিরে আরও বিধায়ক কমার আশঙ্কা।

মঙ্গলবার চার বিধানসভা দিনহাটা(কোচবিহার), শান্তিপুর (নদিয়া), খড়দহ (উ:২৪ পরগনা) ও গোসাবা (দ:২৪ পরগনা) কেন্দ্রের উপনির্বাচনের ফল বের হবে। এই চার কেন্দ্রের কোনোটাতেই জয়ের সম্ভাবনা দেখছেন না বাম নেতৃত্ব। তবে তাদের ধারণা, ভোট বাড়বে। আর কংগ্রেস নীরব।

সূত্রের খবর, এবার চার কেন্দ্রের ফলাফল দেখেই উৎসব অন্তে ধস নামতে শুরু করবে বিজেপিতে। অন্তত ১২ জন সরাসরি তৃণমূলে যোগ দেবেন। এদের বেশিরভাগই উত্তরবঙ্গের। ইতিমধ্যেই উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। আরও জানা যাচ্ছে কোচবিহার থেকে ক্রমাগত দু:সংবাদ আসতে চলেছে বিরোধী দলনেতার কাছে।

উপনির্বাচন ফল ঘোষণার আগেই বিস্ফোরণ মন্তব্য করেছেন সদ্য বিজেপি থেকে ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ত্রিপুরায় গিয়ে তৃণমূলে যোগ দেন। আগরতলা থেকে কলকাতায় এসেই রাজীব বলেন, রাজ্যে বিজেপি সাইনবোর্ড হয়ে যাবে।

জানা গিয়েছে, ফল ঘোষণার আগেই বিধানসভায় ট্রেজারি বেঞ্চে (সরকার পক্ষ)চারটি আসন সংরক্ষিত করা হয়। তবে এই বিষয়ে বিধানসভার তরফে কিছু জানানো হয়নি। বিরো়ধী দলের অভিযোগ, ফলাফল না দেখেন এরকম পদক্ষেপ গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর। তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে গণতন্ত্র নষ্ট করে দিয়েছে।

মঙ্গলবার গণনা উপলক্ষে গণনাকর্মীরা কড়া কোভিড নিয়মের আওতায় থাকবেন। তেমনই থাকবেন বিভিন্ন দলের প্রতিনিধিরা। বেলা গড়াতেই স্পষ্ট হবে জনতার রায়।

Tripura: পুর ভোটে BJP-CPIM প্রচার তুঙ্গে, গোরু খোঁজার মতো প্রার্থী খুঁজছে TMC

tripura election TMC

News Desk: তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভা থেকে দুটি চ্যালেঞ্জ করেছেন। তিনি বলেছেন বিজেপি ভাইরাসকে দুটি ডোজের টিকা দিতে হবে প্রথম ডোজ আসন্ন আগরতলা পুরনিগম ভোটে ও দ্বিতীয় ডোজ আগামী বিধানসভা ভোটে।

টিএমসি ত্রিপুরা প্রদেশের একাংশ নেতার অভিযোগ, জনসভায় হাওয়া গরম ভাষণ তো দিয়েছেন অভিষেক কিন্তু প্রথম ডোজের জন্য প্রার্থী খুঁজতেই হিমশিম খাচ্ছি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নেতার খেদোক্তি, এভাবে ঘেঁটে না দিলেই পারতেন তিনি।

tripura election

আগরতলা পুরনিগম নির্বাচনের প্রচারে রাজ্যের শাসক বিজেপি ও বিরোধী সিপিআইএমের মধ্যে মূল লড়াই সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। নির্বাচন ঘোষণা হতেই শাসকপক্ষকে চমকে দিয়ে বামফ্রন্ট প্রার্থী ঘোষণা করে। সিপিআইএম ত্রিপুরার রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরী জানান, সরকারের প্রতি জনগণের ক্ষোভের প্রকাশ হতে চলেছে ভোটে।

বিরোধী দলের প্রচার শুরু হতেই ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মিটিয়ে’ শাসক বিজেপি তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তবে এর পরেই আগরতলা পুরনিগমের বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিক্ষুব্ধ বিজেপি প্রার্থীদের নিয়ে গলদঘর্ম পরিস্থিতি। অভিযোগ, এরই মাঝে বেশ কয়েকজন প্রার্থী ও আরএসএস নেতা আক্রান্ত হয়েছেন। প্রতিক্ষেত্রেই এসেছে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা।

শাসক ও বিরোধীদের পুরনিগম ভোট যুদ্ধের মাঝে দেখা নেই কংগ্রেসের। তবে কংগ্রেস প্রার্থী বাছাই করছে বলেই জানান প্রদেশ নেতারা।

<

p style=”text-align: justify;”>তবে সব নজর আটকেছে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী কারা হচ্ছেন তার উপরেই। টিএমসির দাবি সাময়িক কিছু সমস্যা আছে। ত্রিপুরায় এবার সরাসরি প্রখমবার ভোটে নামছে দল। শাসকদল বিজেপি থেকে ক্রমাগত সমর্থক ও নেতারা ভেঙে আসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে। দ্রুত প্রার্থীদের নাম জানানো হবে। কিন্তু কবে বের হবে সেই তালিকা? টিএমসি ত্রিুপুরা নেতারা বলছেন, সবই জানেন কলকাতার লোকেরা!

মোদি সরকার আমাকে রোমে যেতে দেয়নি, কেন্দ্রের বিরুদ্ধে তোপ মমতার

mamata in goa

News Desk, Kolkata: জি-২০ শীর্ষ সম্মেলনে যোগ দিতে গিয়ে ভাটিক্যান সিটিতে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি পোপ ফ্রান্সিসের সঙ্গে আলিঙ্গনের ছবিও টুইট করেছেন। মোদির ছবি দেখেই গর্জে উঠলেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

তৃণমূল নেত্রী এদিন গোয়ায় বলেন, আমারও রোমে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার আমাকে সেখানে যেতে দিল না। বিজেপি যখন আমার ইতালি সফর আটকে দিল তখন কিন্তু কংগ্রেস বা অন্য কোনও দল এ ব্যাপারে একটি কথাও বলেনি। বিশ্ব শান্তি বৈঠকে আমাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল। ওই সম্মেলনে যোগ দিলে আমিও পোপের সঙ্গে দেখা করতে পারতাম।

কিন্তু মোদি সরকার আমার সেই সুযোগ কেড়ে নিল। আসলে মোদি সরকার চরম প্রতিহিংসাপরায়ণ। মোদি সরকারের সর্বদাই বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে চায়। আসলে মোদি সরকার সব সময় আতঙ্কে থাকে। তাদের ভয় এই বুঝি তাদের প্রকৃত পরিচয়টা কেউ প্রকাশ্যে নিয়ে আসবে। সে কারণেই তারা বিরোধীদের কোনও রকম সুযোগ দিতে রাজি নয়। কোথাও যেতে দিতেও নারাজ।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপিকে পর্যুদস্ত করার পর তৃণমূল নেত্রী এখন বেছে নিয়েছেন ত্রিপুরা ও গোয়াকে। আগামী বছরের শুরুতেই গোয়া বিধানসভার নির্বাচন। তাই এখন থেকেই তিনি এই রাজ্যের জন্য জোরকদমে তৃণমূলের কার্যকলাপ শুরু করেছেন। লুইজিনহো ফেলেইরো-সহ একাধিক কংগ্রেস নেতা দল ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি নাফিসা আলি, লিয়েন্ডার পেজের মত সেলিব্রিটিরাও তৃণমূল নেত্রীর উপস্থিতিতে তাঁর দলে যোগ দিয়েছেন।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, গোয়ায় তৃণমূল কংগ্রেস এবার বিজেপিকে এক ইঞ্চিও জমি ছাড়বে না। যে কারণে তৃণমূল নেত্রী নিজেই গোয়ায় গিয়ে ঘাঁটি গেড়েছেন। মমতা গোয়ার বাসিন্দাদের স্পষ্ট জানিয়েছেন, তৃণমূল ক্ষমতায় এলে উন্নয়নের রাস্তায় ফিরবে গোয়া। বিজেপির শাসনে এই রাজ্যের মানুষ চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তাঁরা নিজেদের স্বাভাবিক মতামত প্রকাশ করতে পারেন না। তৃণমূল ক্ষমতায় এলে এই দমবন্ধ পরিস্থিতি বদলে দেবেন। মানুষের জীবনে হাসি আনবেন।

Tripura: ‘ভাড়া ফেরত দাও, বেশ তো উড়েছিলে’ ‘গদ্দার’!! কটাক্ষ স্রোতে ভাসছেন রাজীব

Rajib Banerjee

নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গে দলত্যাগ আবার ত্রিপুরাতেও দলত্যাগ!! রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলত্যাগ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চলছে কটাক্ষ স্রোত। সূত্রের খবর, আগামী যে কোনওরকম মন্তব্য এড়িয়ে যাওয়ার নির্দেশ পেয়েছেন রাজীব।

রাজীব তৃণমূলে ফের ফিরতেই সোশ্যাল মিডিয়া জুড়ে শুরু হয় তাঁকে নিয়ে কটাক্ষের পালা। অনেকেই একটি চাটার্ড বিমানের ছবি পোস্ট করেছেন। সঙ্গে থাকছে মন্তব্য, “চাটার্ড বিমানের ভাড়া ফেরত দিয়ে যেও!”, কেউ বলছেন “আবার গদ্দার এসেছে ফিরে।”

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের আগে এই বিমান পাঠান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তাতে চড়ে রাজীব, বৈশালী ডালমিয়া,মুকুল রায়রা গিয়েছিলেন দিল্লি। অমিত শাহর হাত থেকে বিজেপির পতাকা নেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।

ভোটে বিজেপি হেরে যেতেই মুকুল রায় ফিরেছেন তৃণমূল কংগ্রেসে। রাজীব বারবার ফিরতে চেয়েছেন। কিন্তু মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তখন রাজি হননি। অবশেষে ত্রিপুরাতে ঠাঁই হলো রাজীবের।

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূল কংগ্রেসে নেমেছিল ধস। দলে দলে নেতা বিধায়করা বিজেপিতে সামিল হয়েছিলেন। তবে টিএমসি জয়ী হয়। তারা ফিরতে শুরু করেছেন। সেই তালিকায় এবার রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। যার নামে হাওড়ায় টিএমসি কর্মীরা দেওয়ালে দেওয়ালে গদ্দার লিখেছিলেন। খোদ টিএমসি দলনেত্রীর মুখ দিয়েই ‘গদ্দার’ শব্দে চিহ্নিত হন দলত্যাগীরা।

সূত্রের খবর, আপাতত তিনি ত্রিপুরায় সাংগঠনিক কাজ করবেন। কারণ, তাকে হাওড়ার দলীয় কর্মীদের ক্ষোভের মুখে ফেলতে চাননি মমতা-অভিষেক। সেই কারণে আগরতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের জনসভায় বিজেপি ছেড়ে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায় ফের এলেন তৃণমূল কংগ্রেসে।

বাইচুংয়ের মতো লি এলেন মমতার দলে, কতদিনের জন্য?

Leander Paes

News Desk: পশ্চিমবঙ্গে সরকারে থাকা তৃণমূল কংগ্রেসে খেলোয়াড়ের অভাব তেমন নেই। দলটির অন্যতম নির্বাচনী স্লোগান ‘খেলা হবে’। সেই রেশ ধরেই গোয়া বিধানসভায় ভোটের প্রচরাভিজান শুরুর দিনেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত থেকে দলীয় পতাকা নিয়ে তৃণমূলী হলেন আন্তর্জাতিক লন টেনিস কিংবদন্তি লিয়েন্ডার পেজ। তিনি এখন থেকে ক্রীড়া রাজনীতিক।

এইভাবেই তৃ়ণমূল কংগ্রেসে আচমকা এসেছিলেন ভারতের প্রাক্তন ফুটবল অধিনায়ক তথা এশিয়ার অন্যতম ফুটবলার বাইচুং ভুটিয়া। তৃণমূল কংগ্রেসের হয়ে দুবার নির্বাচনে নামেন। ২০১৪ সালে লোকসভা ভোটে দার্জিলিং ও ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে শিলিগুড়ি থেকে টিএমসির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতা করেছিলেন। পরাজিত হন।

বাইচুংয়ের সঙ্গে গত কয়েক বছর ধরে তৃণমূলের সংশ্রব নেই। নিজ রাজ্য সিকিমে ফিরে গিয়ে সেখানকার রাজনীতিতে যুক্ত হয়েছেন। তাঁর দল হামরো সিকিম পার্টি ২০১৯ সালে সিকিম বিধানসভা ভোটে লড়ে। পশ্চিমবঙ্গ হোক বা সিকিম ভোট যুদ্ধে বাইচুংয়ের পরাজয় গেরো এখনও কাটেনি।

সেদিক থেকে দেখতে গেলে ডাবলস বা মিক্সড ডাবলসে বারবার উইম্বলডন কাপ জয়ী কিংবদন্তি লিয়েন্ডার পেজ রাজনীতিতে নবাগত। সূত্রের খবর, গোয়াতে তাঁকে বিশেষ প্রচারে নামাবেন মমতা। লিয়েন্ডারের সঙ্গে রাজনৈতিক সংযোগ নিয়ে ক্রীড়া মহলের আলোচনা, ইনিও কি বাইচুংয়ের মতো মমতার সঙ্গে স্বল্পমেয়াদি সম্পর্ক নিয়েই এসেছেন?

কলকাতার ছেলে লিয়েন্ডারের পিতা অলিম্পিয়ান হকি তারকা ডা. ভেস পেজ রাজনীতির ধারপাশে ছিলেন না। তবে দীর্ঘ বামফ্রন্ট জমানায় ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব হিসেবে ভেস পেজের সঙ্গে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু, বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য ও ক্রীড়ামন্ত্রী সুভাষ চক্রবর্তীর সঙ্গে সুসসম্পর্ক ছিল। বাবার মতো লি’এর সঙ্গেও ভালো সম্পর্ক ছিল বাম সরকারের। কিছু ক্রীড়া ব্যক্তিত্বকে দলে বা সরকারের ঘনিষ্ট করলেও লি বা বাইচুংকেকে টানতে পারেনি জ্যোতি-বুদ্ধর সরকার।

ক্রীড়া বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কলকাতার ফুটবল জগতের সবার সঙ্গেই বাম সরকারের বিশেষ করে কিংবদন্তি হয়ে যাওয়া প্রয়াত সুভাষ চক্রবর্তীর মধুর সম্পর্ক ছিল। যার ফলে ইংলিশ চ্যানেল জয়ী বুলা চৌধুরী ও এশিয়াডে সোনা জয়ী অ্যাথলিট জ্যোতির্ময়ী শিকদার সরাসরি সিপিআইএমের হয়ে ভোটে নেমে জয়ী হন। পরে সরকার পাল্টাতেই তাঁরাও সরে গিয়েছেন।

বাম জমানাতেই লি-ভুটিয়া ময়দানে বা টেনিস সার্কিটে রীতিমতো সক্রিয়। ফলে সরাসরি রাজনৈতিক সংশ্রব রাখেননি। ২০১১ সালে সরকার পরিবর্তনের পরে প্রথম আন্তর্জাতিক ক্রীড়া তারকা হিসেবে বাইচুং সরাসরি চলে আসেন তৃণমূল কংগ্রেসে। আসেন দেশের অন্যতম খ্যাতনামা ফুটবলার প্রসূন বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি রাজনীতিতে পুরো জড়িয়ে। বাকি যারা এসেছেন কমবেশি রয়েছেন বা ছেড়েছেন।

রাজ্যে বিরোধী দল বিজেপিতে কিছু ক্রীড়া ব্যক্তিত্ব রয়েছেন। তাঁদের অনেকেই দলত্যাগে মরিয়া। সেদিক থেকে তৃণমূল কংগ্রেস ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের ছড়াছড়ি। কিছু বাম মনস্ক ক্রীড়াবিদ এখনও বাম শিবিরে আছেন।

তবে বামই হোক বা তৃণমূল প্রাক্তন পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্যের সঙ্গে ক্রীড়া ব্যক্তিত্বদের সম্পর্ক গভীর। গত বিধানসভা ভোটে শিলিগুড়ি থেকে অশোকবাবুর হয়ে প্রচার করেন তাঁর বিরুদ্ধে তৃণমূলের হয়ে ভোট লড়ে যাওয়া বাইচুং। তবে এবার আর অশোকবাবু জিততে পারেননি।

বাইচুং বা লি দুজনেই ক্রীড়া বিশ্বে ভারতের দুই উজ্জ্বল মুখ। দুজনেই অশোকবাবুর ঘনিষ্ঠ। দুজনেই রাজনীতিতে ঝড়ের মতো এলেন। কতদিন টিকতে পারবেন মমতার সঙ্গে? প্রশ্ন সবারই।

Goa: ‘সব কুছ কর দেঙ্গে’ মৎস্যজীবী মহল্লায় মমতার ‘প্রথম প্রতিশ্রুতি’

Mamata Banerjee

News Desk: রাজ্যের বাইরে গোয়ার ভোট যুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) দিলেন নির্বাচনের ‘প্রথম প্রতিশ্রুতি’। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর গোয়া সফর রীতিমতো সাড়া জাগানো। পরিপূর্ণ কর্পোরেট ছাপ সর্বত্র।

বৃহস্পতিবার গোয়ায় পৌঁছতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে রাজ্যটির রাজনৈতিক মহল আরও তপ্ত হয়েছিল। শুক্রবার মমতার পূর্ব নির্ধারিত সফর তলিকায় ছিল রাজধানী পানজিম পানজিম(পানাজি) লাগোয়া মৎস্যজীবী মহল্লা।

তৃণমূল কংগ্রেস নেতা তথা গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী লুইজিনহো ফালেইরো কে সঙ্গে নিয়ে মমতা ঢুকে পড়েন সেই মহল্লায়। ‘দিদি আ রহি ‘ এই খবর আগেই ছিল। মৎস্যজীবীরাও তাঁদের রীতিতে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীকে বরণ করলেন।

mamata-leander

পানজিমের এই মৎস্যজীবী মহল্লা থেকেই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মাইকে ঘোষণা করলেন, গোয়ার মৎস্যজীবীরা খুব সমস্যার মধ্যে আছেন। তাঁদের রফতানি বন্ধ করা হয়েছে। করোনার জন্য পরিস্থিতি আরও খারাপ। আমি জানি গোয়ায় মৎস্যজীবীরা বৃহত্তম সংখ্যা।তৃণমূল কংগ্রেস আপনাদের জীবনের মানোন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা তৈরি করছে। আপনাদের ভর্তুকি কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। সেই ভর্তুকি বাড়িয়ে দেব আমরা।

এর পরেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, মৎস্যজীবীদের জন্য যা যা করা দরকার সব চিন্তা করে রেখেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তিনি বলেন, সব কুছ কর দেঙ্গে’

মমতার গোয়া সফর ঘিরে আরব সাগর তীরে রাজ্যটি বেশ আলোড়িত। আসন্ন বিধানসভা ভোটে এ রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস লড়াই করবে।

Mamata Bnerjee: কী হবে গোয়া সফরে? মমতা পৌঁছনোর আগেই ‘জয় শ্রী রাম’ ছড়াছড়ি

mamata banerjee

News Desk, Kolkata: দার্জিলিং পার্বত্যাঞ্চল থেকে আরব সাগর তীরে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার তিনি গোয়া পৌঁছতেই রাজনৈতিক মহলে প্রশ্ন এ রাজ্যের বিধানসভা ভোটে কতটা দাগ কাটতে পারবেন মমতা?

ইতিমধ্যেই গোয়া জুড়ে মমতার পোস্টার ছেঁড়া, কালি লেপে দেওয়ার মতো ঘটনা ঘটেছে। প্রতিক্ষেত্রেই অভিযুক্ত বিজেপি। যদিও পশ্চিমবঙ্গের বিরোধী দল বিজেপির দাবি, গোয়া গিয়ে গণতন্ত্র শিখে আসবেন দিদি।

বৃহস্পতিবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় দার্জিলিংয়ের বাগডোগরা বিমানবন্দর থেকে সরাসরি গোয়ার ভাস্কো আন্তর্জাতিক বিমান বন্দরে পৌঁছান। তিনি আসার আগেই গোয়ার সর্বত্র জয় শ্রী রাম পোস্টার ছড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে এই পোস্টার কারা দিল তা স্পষ্ট নয়। তবে রাজনৈতিক মহলের ধারণা, বিজেপি এই কাজটি করিয়েছে।

তৃ়নমূল কংগ্রেস সূত্রে খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের গোয়া সফর রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ। তাঁর উপস্থিতিতে গোয়ার বিজেপি ও কংগ্রেস শিবিরে ভাঙন ধরবে। স্থানীয় দলেও ভাঙন ধরতে চলেছে।আসন্ন গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে তৃ়ণমূল কংগ্রেস গোয়ায় লড়াই করবে।

গত গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে কংগ্রেস ও বিজেপির মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয় হয়। ৪০ আসনের বিধানসভায় কংগ্রেস বৃহত্তম দল হলেও বিজেপির বিরুদ্ধে ঘোড়া কেনাবেচার অভিযোগ ওঠে। তীব্র রাজনৈতিক ডামাডোলের মাঝে ক্ষমতা দখল করে বিজেপি।

আসন্ন গোয়া বিধানসভা নির্বাচনে গোয়া দখল করতে মরিয়া কংগ্রেস। তার মাঝেই তৃণমূল কংগ্রেস এন্ট্রি নেওয়ায় রাজনৈতিক ‘খেলা হবে’ শুরু হয়েছে গোয়া জুড়ে।

7th pay commission: কেন্দ্রের হারে রাজ্যকে ডিএ’র দাবি বামেদের

7th pay commission

#7th pay commission
নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের হারে রাজ্যকে ডিএ দেওয়ার দাবি জানাচ্ছে বামেরা। স্পষ্ট দাবি এই যে বাজারের দাম ব্যাপক হারে বাড়ছে সেই সময়ে কেন পরে থাকছে মহার্ঘ ভাতা। প্রতিশ্রুতি না দিয়ে তা এবার কার্যকরী করা এবং কেন্দ্রীয় হারে বৃদ্ধির দাবি জানিয়েছে তারা।

দুই সরকারের মহার্ঘ্য ভাতার হিসেব দিয়েছে বামেরা। সেখানে দেখা যাচ্ছে ৭ম বেতন কমিশন লাগু হওয়ার পর কেন্দ্রীয় সরকারী কর্মচারীদের প্রাপ্য মহার্ঘভাতা ১.৭.১৬ – ২%,১.১.১৭ – ২% ,১.৭.১৭ – ১%,১.১.১৮ – ২%,১.৭.১৮ -২%,১.১.১৯ – ৩%, ১.৭.১৯ – ৫%,১.৭.২১ – ১১% (১.১.২০ থেকে ১.১.২১ বকেয়া) ১.৭.২১ – ৩% । মোট ৩১%। ষষ্ঠ বেতন কমিশন দীর্ঘ টালবাহানার শেষে লাগু হওয়ার পর রাজ্য সরকারী কর্মচারীদের প্রাপ্ত মহার্ঘভাতা ১.১.২১ – ৩%। মোট বকেয়ার পরিমাণ-(৩১%-৩%)=২৮%

তাঁদের দাবি, “যখন নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম আকাশছোঁয়া, পেট্রোপণ্যের মূল্যের সীমাহীন বৃদ্ধি সেই মুহূর্তে রাজ্য কর্মচারীদের প্রতিনিয়ত বেতনহ্রাস এবং পাহাড় প্রমাণ বণ্চনা। তাই আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে রাজ্য সরকারের কাছে কেন্দ্রীয়হারে মহার্ঘভাতা দেওয়ার জন্য দাবি জানাচ্ছি।”

রাজ্য কো-অর্ডিনেশন কমিটি সাধারণ সম্পাদক বিজয় শংকর সিংহ বলেন, “ইতিমধ্যে গত ৮ সেপ্টেম্বর , ২০২১ আমাদের সংগঠনের পক্ষ থেকে বকেয়া মহার্ঘভাতা দেওয়ার দাবিতে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি(স্মারকলিপি) দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে বকেয়া মহার্ঘভাতার পরিমাণ আরো ৩% বৃদ্ধি পেল। সুতরাং সরকার যদি এই প্রাপ্য বকেয়া মহার্ঘভাতা দেওয়ার কোন সদিচ্ছা না দেখায় তাহলে সরকারী কোষাগার থেকে প্রাপ্ত বেতনভুক কর্মচারীরা বৃহত্তর আন্দোলন সংগ্রামের পথে নামতে বাধ্য হবে।”

৪০ শতাংশ আসনে মহিলা প্রার্থী দেওয়ার পথিকৃত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, জানতেন না প্রিয়াঙ্কা

Mamata Banerjee Priyanka Gandhi

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে ৪০ শতাংশ আসনে মহিলা প্রার্থী দেওয়ার কথা ঘোষণা করে আত্মতুষ্টিতে ভুগছিলেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। প্রিয়াঙ্কা দাবি করেন, কংগ্রেস এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু প্রিয়াঙ্কার সেই ভুল ভাঙতে বিশেষ সময় লাগেনি।

কংগ্রেস নেত্রীকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক আগেই এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত করেছেন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৪১ শতাংশ আসনে মহিলা প্রার্থী দিয়েছিলেন। বর্তমান সংসদে তৃণমূল কংগ্রেসের ৪১ শতাংশ মহিলা সাংসদ আছেন। তাই ৪০ শতাংশ আসনে মহিলা প্রার্থী দেওয়ার কথা ঘোষণা করে নতুন কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি কংগ্রেস বা প্রিয়াঙ্কা। বরং কংগ্রেস তৃণমূল কংগ্রেসের দেখানো পথেই হেঁটেছে।

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেছেন, পুরোসভা এবং পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূল ৫০ শতাংশ আসনে মহিলাদেরই প্রার্থী করে থাকে। চলতি বছরে বিধানসভা নির্বাচনেও তৃণমূল কংগ্রেস প্রচুর মহিলা মহিলা প্রার্থী দিয়েছিল। তাই প্রিয়াঙ্কা যেটা করছেন তার মধ্যে নতুন কিছু নেই। বলা যেতে পারে তিনি তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথই অনুসরণ করেছেন। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মহিলা প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন সে কথা জানতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রিয়াঙ্কা। তিনি বলেছেন, মমতাজি খুব ভালো কাজ করেছেন।

তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়াও ওড়িশার শাসকদল বিজু জনতা দলও গত লোকসভা নির্বাচনে এক তৃতীয়াংশ আসনে মহিলা প্রার্থী দিয়েছিল। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের ২১টি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে সাতটিতে মহিলা প্রার্থী দিয়েছিল বিজেডি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বরাবরই নারীদের ক্ষমতায়নের পক্ষে সওয়াল করে এসেছেন। আমজনতার কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেদের কাছের মানুষ হিসেবেই পরিচিত। মুখ্যমন্ত্রীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও এখনও তিনি জেলা সফরে গিয়ে হুটহাট ঢুকে পড়েন গৃহস্থের হোঁশেলে। মা, মাসিমা সম্মোধন করে কথা বলেন মহিলারা মহিলাদের সঙ্গে। এমনকী চায়ের দোকানে ঢুকে তিনি দোকানদারকে সরিয়ে নিজের হাতে চা করেন।

পদস্থ সরকারি আধিকারিক-সহ সঙ্গে থাকা সাংবাদিকদের তিনি নিজের হাতে সেই চা পরিবেশন করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা করেন সেটাই যে প্রথম এ ব্যাপারে রাজনৈতিক মহল নিশ্চিত। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল মমতাকে অনুসরণ করে এগুনোর চেষ্টা করছে। তাই ৪০ শতাংশ আসনের মহিলা প্রার্থী দিয়ে প্রিয়াঙ্কা যে আত্মসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছিলেন মমতার কাছে তা ভোঁতা হয়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক মহল একবাক্যে জানিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ যা করেন গোটা দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা অনেক পরে সেটা করেন।

অন্যদিকে বিজেপি অবশ্য কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তকে যথারীতি কটাক্ষ করেছে। বিজেপি দাবি করেছে, কংগ্রেস যখন ক্ষমতায় থাকে তখন মহিলাদের কথা তাদের মাথায় থাকে না। এখন ক্ষমতা পাওয়ার জন্য তারা মরিয়া হয়ে উঠেছে। সে কারণেই এই সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের।