Buddha Vs Mamata: শারদীয়ার বাজারেও বুদ্ধ-মমতা লড়াই তুঙ্গে

Mamata versus Buddhadeb two Writer chief ministers books attracted readers

নিউজ ডেস্ক: বর্তমান ও প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রীর বই বইমেলা থেকে শারদ উৎসব সবেতেই চাহিদা তুঙ্গে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বই বিরাট কাটতি। তাঁর একাধিক রাজনৈতিক বই, কবিতার বই দলীয় সমর্থকরা কিনছেন। অনেকে আবার এমনই সংগ্রহ করেছেন।

আবার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যর লেখা বেশ কয়েকটি বই ইতিমধ্যেই জনপ্রিয়। বইমেলা হোক বা উৎসবের সময় বুদ্ধবাবুর লেখা বই পাঠকদের আগ্রহ ও পছন্দের কেন্দ্রে থাকে।

Mamata versus Buddhadeb two Writer chief ministers books attracted readers

তবে বই লেখার হিসেব ও খতিয়ানে কবিতাপ্রেমী মার্কসবাদী বুদ্ধদেববাবুকে দশ গোলের মালা পরিয়েছেন কবি, চিত্র ও সঙ্গীতশিল্পী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সর্বশেষ হিসেবে লেখিকা মমতার প্রকাশিত বই একশর ঘরে। আর বুদ্ধদেববাবুর লেখা বইয়ের সংখ্যা গুটিকয়েক।

ganashakti Book stall

রাজনৈতিক প্রবন্ধ নিয়ে বুদ্ধবাবুর লেখা বইগুলি বাংলার মননশীল পাঠকের কাছে বেশ চাহিদার। তবে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লেখা বইগুলির চাহিদাও বিরাট। দুই লেখকের বই প্রকাশকরা জানিয়েছেন, পাঠকরা কিনতে মুখিয়ে থাকেন। সেটা বিক্রি দেখলেই মালুম হবে।

Jaga Bangla Book stall

টানা চৌত্রিশ বছরের বাম শাসনের পতন হয় বুদ্ধবাবুর সময়েই। তাঁকে পরাজিত করে তৃণমূল কংগ্রেসের জমানা শুরু করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মমতার শাসনেই পশ্চিমবঙ্গে বামেরা শূন্য হয়ে গিয়েছে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধবাবু অসুস্থ হয়ে ঘরবন্দি। আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা তাঁর রাজনৈতিক কর্মসূচিকে জাতীয়স্তরে নিয়ে যেতে মরিয়া।রাজনৈতিক এই লড়া়িয়ের মাঝে প্রাক্তনী বুদ্ধবাবুর খোঁজ নেন বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী।

তবে বই বাজারে যুদ্ধ প্রবল। সেখানে মমতার লেখা ‘উপলব্ধি’ বনাম বুদ্ধদেবের ‘স্বর্গের নিচে মহাবিশৃঙ্খলা’ দুটি বই পরস্পরকে এখনও সমানে টেক্কা দিয়ে চলেছে।

বাবুল সুপ্রিয়র সঙ্গে ‘জাগো দুর্গা’য় গলা মেলালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

Mamata Banerjee Babul Supriya

বায়োস্কোপ ডেস্ক: তৃণমূলের যোগদানের পর প্রথম প্রকাশ্যে একমঞ্চে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) ও প্রাক্তন বিজেপি নেতা বাবুল সুপ্রিয় (Babul Supriya)। বুধবার দলীয় মুখপত্রের পুজোসংখ্যা প্রকাশনা অনুষ্ঠানে ‘জাগো দুর্গা’ (Jago Durga) এর সুরে মুখ্যমন্ত্রী গলা মেলালেন বাবুল সুপ্রিয়ের সঙ্গে। 

কেবল বাবুল সুপ্রিয়ই নয়, ইন্দ্রনীল সেন ও নচিকেতার সাথেও সুরে সুর মিলিয়ে গান গাইলেন জননেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এইদিন সমাবেশে আমোদ আহ্লাদের পাশাপাশি তুলে আনলেন লখিমপুরে কৃষক হত্যার ঘটনাও। প্রসঙ্গত, গত মঙ্গলবার লখিমপুরে নিহত কৃষক পরিবারের সাথে দেখা করতে গিয়েছিলেন তৃণমূলের বিভিন্ন সাংসদরা।

বুধবার জাগো বাংলার শারদ সংখ্যা প্রকাশ সংক্রান্ত অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল নজরুল মঞ্চে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে দেখা যায় সদ্য বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দেওয়া সাংসদ বাবুল সুপ্রিয়, তৃণমূলের সাধারণ রাজ্য সম্পাদক কুনাল ঘোষ ও আরো অনেকে। অনুষ্ঠানে এসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “আমাদের দেখতে হবে হিন্দি গানের পাশাপাশি বাংলা গানের ও কিভাবে উন্নতি করা যায়।”

অনুষ্ঠানে বেশ খোশ মেজাজেই দেখা যায় ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে সদ্য বিজয়ী তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে। বঙ্গ সংস্কৃতি ভবিষ্যৎ সম্পর্কে আলোচনা করার পরে তিনি খোশমেজাজে জাগো দুর্গা গানের তালে তাল মেলালেন নচিকেতা ও বাবুল সুপ্রিয়দের সাথে। যদিও গান করতে গিয়ে বেশ খানিকটা হোঁচট খেতে হয় মুখ্যমন্ত্রী কে। শেষ পর্যন্ত ইন্দ্রনীল সেন মোবাইল দেখে গানটি করার চেষ্টা করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যায় ভাবে লখিমপুরে কৃষক হত্যার ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন মুখ্যমন্ত্রী। সূত্র মাধ্যমে জানা যায় এখনো পর্যন্ত তৃণমূলই একমাত্র রাজনৈতিক দল যারা নিহত কৃষক পরিবারের সাথে সরাসরি যোগাযোগ করতে পেরেছে। জানা যায়, পরিচয় গোপন করে ঘুরপথে নিহতদের বাড়িতে যান সমবেদনা জানাতে তৃণমূলের একাধিক নেতা নেত্রীরা।

Tripura: দেবীপক্ষে ‘বিজেপি বধে’ মমতার চমক, টিএমসির কমিটি গঠন

Mamata banerjee Durga Puja ekolkata24

নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর নির্দেশে দেবীপক্ষেই ত্রিপুরায় (Tripura) গঠিত হল তৃণমূল কংগ্রেসের স্টিয়ারিং কমিটি। আগরতলার রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন।

তৃ়ণমূল কংগ্রেস আগামী ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটে নামছে। সেই লক্ষ্যে ত্রিপুরায় তৈরি হয়েছে দলটির যুব কমিটিও। ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসের রাজ্য কনভেনার বা আহ্বায়ক হয়েছেন সুবল ভৌমিক। তিনি কংগ্রেস ও বিজেপি ত্যাগী নেতা। আর টিএমসির যুব কমিটির কনভেনার হয়েছেন বাপ্টু চক্রবর্তী।

জানা গিয়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ইশারায় শাসক পক্ষের একাধিক বিজেপি বিধায়ক দলত্যাগ করবেন বলেই প্রস্তুত। ইতিমধ্যে বিজেপি ত্যাগের জন্য কালীঘাট মন্দিরে মস্তক মুন্ডন করে প্রায়শ্চিত্ত করেছেন সুরমা বিধানসভার বিধায়ক আশিস দাস। তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মাতৃশক্তি বলে তুলনা করেছেন। একইসাথে প্রধানমন্ত্রী মোদীর তীব্র সমালোচনা করেছেন।

সূত্রের খবর, উপনির্বাচনে মমতার জয় ঘোষণা হতেই ত্রিপুরায় শাসক বিজেপির বিদ্রোহী বিধায়করা দলত্যাগ শুরু করবেন বলে তৈরি হয়েছেন। এদের নেতৃত্বে রয়েছেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ।

সুদীপবাবু গত বিধানসভা ভোটের আগে কংগ্রেস ছেড়ে অনুগামীদের নিয়ে তৃণমূলে যান। সে রাজ্যে বিরোধী দল হয় টিএমসি। পরে তিনিই আবার অনুগামীদের নিয়ে বিজেপিতে যান। ভোটে সরকার পরিবর্তন হয়। বাম সরকারকে হারিয়ে বিজেপি জোট সরকার গড়ে।

পশ্চিমবঙ্গে তিনবার সরকার গড়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসকে পুনরায় শক্তিশালী করতে মরিয়া। ইতিমধ্যেই বিজেপিতে ভাঙন ধরছে। বিজেপি বিধায়ক আশিস দাস কলকাতায় টিএমসি ভবনে এসে কথাবার্তা পাকা করেছেন বলেই সূত্রের খবর।

Kolkata: প্রকাশ্যে মমতাকে মাতৃশক্তি হিসেবে তুলনা BJP বিধায়কের, ভাঙন স্পষ্ট

Ashis Das

নিউজ ডেস্ক: প্রধানমন্ত্রী মোদীর ভূমিকায় প্রবল হতাশ হয়েছেন তা খোলাখুলি জানাতে দ্বিধা নেই। তেমনই বিজেপি বিধায়ক হয়েও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) দেশনেত্রী হিসেবে মেনে নিতেও কুন্ঠা নেই। এভাবেই দলত্যাগের ইঙ্গিত স্পষ্ট করলেন ত্রিপুরায় শাসক দল বিজেপির (BJP) বিধায়ক আশিস দাস।

আশিস দাস ত্রিপুরার সুরমা (Surma vidhansabha) বিধানসভার বিধায়ক। তিনি কলকাতায় এসেছেন কিছু ব্যক্তিগত কাজে। জানিয়েছেন, কালীঘাটে পুজো দেবেন। তার পরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করে ভবিষ্যত কর্মসূচি জানাবেন।

আশিসবাবুর ইঙ্গিতে স্পষ্ট তিনি বিজেপি ত্যাগ করতে চলেছেন। সূত্রের খবর আরও এক ডজন বিধায়ক দ্রুত বিজেপি ছাড়বেন। ত্রিপুরায় হয় সংখ্যালঘু সরকার হবে কিংবা মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের সরকার পড়ে যাবে। এমনই আশঙ্কা সে রাজ্যের বিজেপি শিবিরে।

আগরতলা থেকে আশিস দাস কলকাতা এসে তৃণমূল কংগ্রেস ভবনে যান। তিনি জানান, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন শুধু একটি রাজ্যের নেত্রী নন তিনি সর্বভারতীয় বিরোধী মুখ। ইন্দিরা গান্ধীর পর মাতৃশক্তির হাতেই ভারত সুরক্ষিত হবে। প্রধানমন্ত্রী মোদীর সরকার দেশীয় সম্পদের বিক্রি নীতির প্রবল সমালোচনা করেন বিজেপি বিধায়ক।

ত্রিপুরায় আগামী বিধানসভা ভোটের আগে শাসক বিজেপির অভ্যন্তরে ভাঙন ক্রমে বড় হচ্ছে। সে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের বিরুদ্ধে লাগাতার সুর চড়িয়ে রেখেছেন একগুচ্ছ বিধায়ক। এরা সংস্কারপন্থী বা বিদ্রোহী বলে পরিচিত। এই গোষ্ঠীর নেতা সুদীপ রায় বর্মণ। সুদীপবাবুর সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রীর সংঘাত প্রবল।

বিজেপি বিধায়কদের বিদ্রোহী গোষ্ঠী দিল্লি গিয়ে খোদ সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডার কাছে মুখ্যমন্ত্রীকে পদচ্যুত করার দাবি রাখেন। তাঁদের অভিযোগ, বিপ্লব দেব কে মুখ্যমন্ত্রী করে আগামী বিধানসভা ভোট লড়লে ত্রিপুরা থেকে নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে বিজেপি। তবে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব সেকথা মানেননি। বিভিন্ন রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী বদল করলেও ত্রিপুরায় বিপ্লববাবুকেই পদে বহাল রেখেছে।

গত বিধানসভা ভোটের আগে ততকালীন বিরোধী দল কংগ্রেস থেকে বেরিয়ে সুদীপ রায় বর্মণের নেতৃত্বে বিধায়করা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। টিএমসি হয়েছিল বিরোধী দল। পরে সেই বিধায়করা সুদীপবাবুর নেতৃত্বে়ই ফের বিজেপিতে যান। ভোটে টানা ২৫ বছরের বামফ্রন্ট শাসনের অবসান হয়। সিপিআইএম এখন বিরোধী দল।

এর মাঝে পশ্চিমবঙ্গে টানা তিনবার সরকার গড়েন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর পরেই তৃণমূল কংগ্রেস ত্রিপুরায় ফের রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়েছে। টিএমসি সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি, ত্রিপুরায় বিজেপির প্রায় সব বিধায়ক দলত্যাগ করে ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে আসতে তৈরি।

Mamata Banerjee: জয়ী বিধায়ক মমতাকে অভিনন্দন বাংলাদেশ সরকারের

mamata banerjee sheikh hasina

নিউজ ডেস্ক : প্রতিবেশি দেশ ভারতের অঙ্গরাজ্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। উপনির্বাচনে রেকর্ড ভোটে জয়ী হওয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার দল তৃণমূল কংগ্রেসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস পরপর তিনবার সরকার গড়েছে। কিন্তু নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে পরাজিত হন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে। নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে পরাজয়ের পর তিনি কলকাতার ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে প্রার্থী হন। রবিবার সেই উপনির্বাচনের ফলে রেকর্ড ভোটে জয়ী হয়েছেন মমতা।

বাংলাদেশ বিদেশমন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লেখা এক অভিনন্দন বার্তায় বিদেশমন্ত্রী আশা ব্যক্ত করেন, পারস্পরিক মঙ্গল ও উন্নয়নের স্বার্থে, আগামী দিনগুলোতে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ এবং পরিপূরক হবে।

ঢাকায় ড. মোমেন বলেন, টানা তৃতীয় মেয়াদে ভবানীপুর নির্বাচনি এলাকায় বিপুল বিজয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের প্রতি পশ্চিমবঙ্গের জনগণের অব্যাহত আস্থা ও সুগভীর বিশ্বাসের প্রতিফলন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগ্য নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের জনগণের সর্বাঙ্গীন উন্নতি ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও অব্যাহত সাফল্য কামনা করেন এবং আসন্ন দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানান বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী।

#Lakhimpurkheri: ৮ কৃষক ‘খুন’ ঘটনায় মন্ত্রী-পুত্রকে গ্রেফতার দাবি হান্নান মোল্লার, নিন্দা মমতার

Lakhimpurkheri

নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশের লখিমপুরখেরি কৃষক জমায়েতে গাড়ি চাপা দিয়ে অন্তত ৮ কৃষককে ‘মেরে ফেলা’র অভিযোগ। স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস মিশ্রকেই দায়ি করা হয়েছে।অভিযুক্তকে গ্রেফতারির দাবি তুলেছেন সর্বভারতীয় কৃষক নেতা তথা কৃষকসভার (AIKS) সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা। সোমবারই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নির্দেশে ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ প্রতিনিধিরা।

প্রবল বিতর্কে উত্তর প্রদেশে(UP) ক্ষমতাসীন বিজেপি(BJP)। মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ জরুরি বৈঠক করেন লখনউতে। তিনি জানান, এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত হবে। দোষীকে চিহ্নিত করে কড়া শাস্তি দেওয়া হবে। তাঁর নির্দেশে লখিমপুরখেরিতে বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

রবিবার রক্তাক্ত ঘটনার সাক্ষী থেকেছে লখিমপুরখেরি। এখানেই কেন্দ্র সরকারের কৃষি আইন বাতিলের প্রতিবাদে কৃষক জমায়েত চলছিল। অভিযোগ, সেই জমায়েতের মধ্যে তীব্র গতিতে গাড়ি চালিয়ে দেয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় মিশ্রর পুত্র আশিস। চাকায় পিষ্ট হন বেশ কয়েকজন কৃষক। মর্মান্তিক এই ঘটনায় অন্তত ৮ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরও জখম ৬ জন। তাদের কয়েকজন আশঙ্কাজনক।

গাড়ি চালিয়ে হামলার অভিযোগে লখিমপুরখেরি প্রবল উত্তপ্ত। উত্তেজিত কৃষকরা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রকে আটকে রাখেন। তবে তিনি দাবি করেন, পুত্র আশিস কোনওভাবেই এই ঘটনায় জড়িত নয়। ঘেরাওয়ের মধ্যে পড়েন উপমুখ্যমন্ত্রী কেশব প্রসাদ মৌর্য। তাঁদের ছাড়াতে গেলে রক্ষীদের সামনেই গাড়িতে আগুন ধরায় বিক্ষোভকারী কৃষকরা। তাদের আরও অভিযোগ, মৃত আট কৃষকের মধ্যে দুজন ‘গুলিবিদ্ধ’।

Union Minister of State for Home Ajay Mishra's son runs over protesting farmers

উলুবেড়িয়ার প্রাক্তন সিপিআইএম (CPIM) সাংসদ তথা সর্বভারতীয় কৃষক নেতা হান্নান মোল্লার দাবি, প্রধানমন্ত্রী মোদীর ঘনিষ্ঠ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রকে অবিলম্বে বরখাস্ত করুক সরকার। রাকেশ টিকায়েত সহ কৃষক নেতাদের হুঁশিয়ারি উত্তর প্রদেশ অচল করে দেওয়া হবে।

কৃষক সভা (AIKS) , ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়ন (BKU) সহ বিভিন্ন কৃষক সংগঠন লখিমপুরখেরি ঘেরাও ডাক দিয়েছে। উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানা, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশ, রাজস্থান, মধ্যপ্রদেশ থেকে কৃষকদের লখিমপুরখেরির দিকে আসার আহ্বান জানানো হয়।

Tension increasing in Lakhimpurkheri

লথিমপুরখেরিতে কৃষকদের ‘খুন’ করা হয়েছে, এমনই অভিযোগ রাজ্যের প্রাক্তন দুই মুখ্যমন্ত্রী সমাজবাদী পার্টির (SP) অখিলেশ যাদব ও বহুজন সমাজপার্টির (BSP) মায়াবতীর। দুটি দলই উত্তর প্রদেশ জুড়ে বিক্ষোভের ডাক দিয়েছে।

কৃষক বিক্ষোভের রেশে এমনিতেই উত্তর প্রদেশ, হরিয়ানায় প্রবল। দুই রাজ্যেই বিক্ষোভকারীদের হাতে বারবার লাঞ্ছিত হয়েছেন বিজেপি মন্ত্রী ও নেতারা। লখিমপুরখেরির রক্তাক্ত ঘটনায় ফের মার খাওয়ার আশঙ্কা করছেন তাঁরা।

কৃষক সংগঠনগুলির অভিযোগ, লখিমপুরখেরিতে ‘ঠান্ডা মাথায় কৃষকদের খুন করেছে বিজেপি (BJP) সরকার। বিক্ষোভ আরও জমাট হবে এমনই হুঁশিয়ারি কৃষক নেতাদের।

বন্ধ ভারতীয় চ্যানেল, মমতার খবর শুনতে বাংলাদেশবাসীর ভরসা মোবাইল-রেডিও

Social Site Mamata Banerjee

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: সরকারি নির্দেশে শুক্রবার থেকে বাংলাদেশে বন্ধ হয়েছে ভারতীয় সহ বিদেশি টিভি চ্যানেল সম্প্রচার। ফলে লক্ষ লক্ষ বাংলাদেশী এখন ‘সিরিয়াল বিনোদনহীন’। ভারতের বিশেষ করে পশ্চিমবঙ্গের খবর টিভিতে দেখতে পাচ্ছেন না। এই খবর প্রিয় দর্শকরা রবিবার সকাল থেকেই মুখিয়েছিলেন পশ্চিমবঙ্গের তিনটি কেন্দ্র ভবানীপুর, সামসেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুর বিধানসভার উপনির্বাচনের ফল জানতে। তাঁদের বিশেষ আগ্রহ ছিল মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঘিরে।

Social Site Mamata Banerjee

বাংলাদেশে বিজ্ঞাপনসহ অনুষ্ঠান প্রচার করে এমন সব বিদেশি চ্যানেলের সম্প্রচার সরকারি নির্দেশে বন্ধ করেছে কেবল অপারেটররা। বাংলাদেশের তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ জানিয়েছেন, দেশের আইনে রয়েছে বিদেশি বিজ্ঞাপন প্রচার করা যাবে না। তাই এমন নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে বিদেশি সব টিভি নিউজ চ্যানেল বন্ধ। এর আওতায় পড়েছে ভারতীয় বাংলা-হিন্দি বিনোদন ও সংবাদ চ্যানেলগুলি।

Social Site Mamata Banerjee

ভারতীয় সব বিদেশি সব বাণিজ্যিক টিভি সম্প্রচার বন্ধ থাকায় সোশ্যাল সাইটে বিভিন্ন খবর দেখেছেন বাংলাদেশবাসী। তেমনই হাতে উঠে এসেছে সরকারি রেডিও সম্প্রচার ‘বাংলাদেশ বেতার’। এভাবেই পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কলকাতার ভবানীপুর কেন্দ্রের উপনির্বাচনে জয়ী হওয়ার সংবাদ শুনেছেন বাংলাদেশবাসী।

Social Site Mamata Banerjee

পশ্চিমবঙ্গ লাগোয়া খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, রাজশাহী, রংপুর, দিনাজপুরের বাসিন্দাদের কাছেই বেশি আগ্রহ সীমান্তের ওদিকে পশ্চিমবঙ্গের উপনির্বাচন ফলাফল। বাংলাদেশের রাজশাহী লাগোয়া মুর্শিদাবাদ। এই জেলাতে দু দেশের আত্মীয়দের ছড়াছড়ি। পশ্চিমবঙ্গের এই জেলার দুটি আসন জঙ্গিপুর ও সামসেরগঞ্জে উপনির্বাচনের ফলাফল জানতেও মুখিয়েছিলেন বাংলাদেশিরা।

শুধু পশ্চিমবঙ্গের সীমান্তবর্তী এলাকাই নয় ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট, ময়মনসিং সহ বাংলাদেশের সর্বত্র রবিবার পশ্চিমবঙ্গের উপনির্বাচনের ফলাফলের দিকে নজর ছিল।

Tripura: মমতার জয়ে আগরতলায় রসগোল্লা উৎসবে মত্ত TMC

mamata banerjee tmc supporters of tripura distributed rosogolla

নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ থেকে দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata banerjee) জয়ের সংবাদ এক মুহূর্তে পৌঁছে গেল ত্রিপুরায়। বাংলাভাষী প্রধান এই রাজ্যেও শূন্য হয়ে যাওয়া টিএমসি সমর্থকদের মধ্যে এতটাই উল্লাস যে তারা রসগোল্লা উৎসব শুরু করেছেন।

হাঁড়ি হাঁড়ি রসগোল্লা পথচলতি সবাইকে খাওয়ানোর পালা চলছে। আগরতলায় তৃণমূল সমর্থকদের দাবি, পশ্চিমবঙ্গের পর ত্রিপুরাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে বিজেপি ও সিপিআইএমকে পরাজিত করে সরকার গড়া হবে।

রসগোল্লা খাওয়ানোর পিছনে জয় ও জনসংযোগ দুটোই চালাচ্ছে ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল কংগ্রেস। তবে এই রাজ্যে লোকসভা ভোটের নিরিখে তৃণমূলের প্রাপ্তি ০.৩ শতাংশ। এই শক্তি নিয়েই ত্রিপুরার আসন্ন বিধানসভা ভোটে ঝাঁপিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

mamata banerjee tmc supporters of tripura distributed rosogolla

সূত্রের খবর সরকারে থাকা বিজেপির বিধায়করা দলত্যাগে তৈরি। ত্রিপুরায় বিজেপি শিবিরেও ভাঙন স্পষ্ট। সূত্রের খবর, উপনির্বাচনে মমতার জয় ঘোষণা হতেই ত্রিপুরায় শাসক বিজেপির বিদ্রোহী বিধায়করা দলত্যাগ শুরু করবেন। এদের নেতৃত্বে রয়েছেন বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ।

সুদীপবাবু গত বিধানসভা ভোটের আগে কংগ্রেস ছেড়ে অনুগামীদের নিয়ে তৃণমূলে যান। সে রাজ্যে বিরোধী দল হয় টিএমসি। পরে তিনিই আবার অনুগামীদের নিয়ে বিজেপিতে যান। ভোটে সরকার পরিবর্তন হয়। বাম সরকারকে হারিয়ে বিজেপি জোট সরকার গড়ে।

পশ্চিমবঙ্গে তিনবার সরকার গড়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসকে পুনরায় শক্তিশালী করতে মরিয়া। ইতিমধ্যেই বিজেপিতে ভাঙন ধরছে। শনিবার বিজেপি বিধায়ক আশিস দাস কলকাতায় টিএমসি ভবনে এসে কথাবার্তা পাকা করেছেন বলেই সূত্রের খবর

Bankura: মমতার জয়ে টিএমসি উল্লাসে অকাল হোলি

Mamata's victory Bankura

নিউজ ডেস্ক, বাঁকুড়া: দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ের খবরে উল্লসিত বাঁকুড়ার তৃণমূল কর্মী সমর্থকরা। বাঁকুড়া শহর থেকে বিষ্ণুপুর এমনকি জঙ্গলমহলের সিমলাপালেও উল্লসিত তৃণমূল কর্মীরা অকাল হোলিতে অংশ নিলেন। সবুজের আবীরে একে অপরকে রাঙিয়ে দেওয়ার পাশাপাশি চললো দেদার লাড্ডু বিলি।

বাঁকুড়া শহরের রাসতলা মোড়ে জেলা তৃণমূল মুখপাত্র দিলীপ আগরওয়ালের নেতৃত্বে বাজি পোড়ানো হয়। সঙ্গে পথ চলতি মানুষকে মিষ্টি খাওয়ান তারা।

বিষ্ণুপুরের আকাশে এদিন সবুজ আবিরের ছড়াছড়ি। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব আবির খেলার মধ্য দিয়েই দলনেত্রীর জল ‘সেলিব্রেট’ করলেন।

একই ছবি জঙ্গল মহলের সিমলাপালেও। স্কুল মোড়ে এম.এল.এ অফিসের সামনে আবির খেলা আর লাড্ডু বিলির মাধ্যমেই ভবানীপুর উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জয়ে উচ্ছাস প্রকাশ তৃণমূল নেতা কর্মী থেকে সমর্থকদের। 

মমতার জয়: মহালয়ার আগেই ‘দুর্গোৎসব’ ভবানীপুরে

নিউজ ডেস্ক: কথায় আছে, ‘মর্ণিং শোজ দ্য ডে। (Morning Shows the Day)’ প্রবাদটা বহুদিন মনে রাখবেন বাংলার তৃণমূল সমর্থকরা। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হতো তাঁকে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শুধু জিতলেনই না, নিজের ২০১১ সালে গড়া রেকর্ডকেও ছাপিয়ে গেলেন। 

আরও পড়ুন মমতা জিতছেন, হেরে যাওয়া কেন্দ্র নন্দীগ্রামে তৃণমূলের উল্লাস

২১ রাউন্ড গণনা শেষে তৃণমূল প্রার্থী পেয়েছেন ৮৪ হাজার ৩৮৯ ভোট। বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল পেয়েছেন ২৬ হাজার ৩২০ ভোট। সিপিএম প্রার্থী শ্রীজীব বিশ্বাস পেয়েছেন ৪২০১ ভোট। ৫৮ হাজার ৮৩২ ভোটে জয়ী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ২০১১ সালের থেকেও এবার বড় ব্যবধানে জিতলেন তিনি। মমতার জয়ে মহালয়ার আগেই ‘দুর্গোৎসব’ ভবানীপুরে। সবুজ আবিরে কার্যত উৎসবের চেহারা নিয়েছে গোটা এলাকা। ‘মোদীশাহসুরমর্দিনী’ মমতার নামে পোস্টারও পড়েছে কলকাতার বিভিন্ন জায়গায়। 

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক লাখ ভোটের মার্জিনে জেতানোর টার্গেট রেখেছিল রাজ্যের শাসকদল। যদিও সেভাবে ভোট না পড়ায় এত মার্জিন না হলেও শেষ হাসি দিদিমণিই হাসবেন বলেই আত্মবিশ্বাসী ছিলেন জোড়াফুল শিবির। শেষবেলাতেই সেই আত্মবিশ্বাস বজায় রেখেই শেষ হাসি হাসলেন তাঁরা। ভবানীপুরে জিতে আবার রাজ্যের প্রধানের কুর্সিতে বহাল হলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

Mamata Modi Amit

এই নিয়ে তৃতীয়বার ভবানীপুর থেকে বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এর আগে ২০১১ সালে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে উপনির্বাচনী জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন তিনি। চলতি বছরের মে মাসে বিধানসভা নির্বাচনে জিতে তাঁর দল রাজ্যে ক্ষমতায় এলেও মমতা নিজে বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হননি। দল বিপুল ভোটে জয়লাভ করার পর ৫ মে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেন তৃণমূলনেত্রী। তবে শপথের মেয়াদ ৪ নভেম্বর শেষ হচ্ছিল মমতার। স্বাধীনতা পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তিনিই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি হেরে গিয়েও পদে ছিলেন দল জিতে যাওয়ায়। ফলে আজ স্বভাবতই ছিল তাঁর প্রেস্টিজ ফাইট। সেই ফাইটেই নিজের ক্যারিশমায় মমতা বুঝিয়ে দিলেন, তিনি আক্ষরিক অর্থেই ‘জননেত্রী’।

মমতা জিতছেন, হেরে যাওয়া কেন্দ্র নন্দীগ্রামে তৃণমূলের উল্লাস

mamata banerjee

নিউজ ডেস্ক: জিতছেন টিএমসি দলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বিধায়ক হচ্ছেন ফের। ভবানীপুর থেকে এই বার্তা ছড়াল দেশ জুড়ে। আর রাজ্যের সর্বত্র শুরু হয়েছে বিজয় উল্লাস। দার্জিলিং থেকে ডায়মন্ডহারবার তৃণমূল কর্মীরা মেতেছেন সবুজ আবিরে। উপনির্বাচনে তিন কেন্দ্র ভবানীপুর, সানসেরগঞ্জ, জঙ্গিপুরে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস।

তাৎপর্যপূর্ণ গত বিধানসভা ভোটে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে বিজেপির কাছে পরাজিত হন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই নন্দীগ্রামেও তৃণমূল কংগ্রেসের মধ্যে উল্লাস। দলনেত্রীর নন্দীগ্রামে পরাজয় হলেও বিধানসভা ভোটে বিপুলভাবে জয়ী হয় টিএমসি। তিনবার সরকার গড়ে। বিধায়ক না হয়েও মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকেন মমতা। উপনির্বাচনে ভবানীপুর থেকে তিনি ফের জয়ী হয়ে প্রাক্তন বিধায়ক থেকে ফের বিধায়ক হতে চলেছেন।

TMC-Nandigram

নন্দীগ্রাম বিধানসভার টিএমসি কর্মী সমর্থকরা হাঁফ ছেড়েছেন। তাঁদের কেন্দ্রেই মুখ্যমন্ত্রীর পরাজয় ছিল গলায় কাঁটার মতো। বাম জমানায় যে নন্দীগ্রামে গুলি চলেছিল তার বিরুদ্ধে রাজনৈতিক আন্দোলনেই মমতার অগ্রগতি। সাথে ছিল হুগলি সিঙ্গুরে টাটা মোটরসের জন্য তৈরি হতে চলা কারখানার জমি নিয়ে বিতর্ক ও কৃষক বিক্ষোভ। সিঙ্গুর ও নন্দীগ্রাম দুই আন্দোলন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে মুখ্যমন্ত্রীর কুর্সিতে পৌঁছে দিয়েছে।

TMC-Nandigram

পরপর দুবার ক্ষমতা ধরে রেখে গত নির্বাচনে ভোট পরীক্ষা দিতে নামেন মমতা। দলেদলে টিএমসি ত্যাগ ও বিজেপির উত্থান থমকে যায় ভোটের ফলে। তিনবার টানা সরকার গড়ে তৃণমূল। তবে বিজেপি হয় প্রধান বিরোধী দল। আর রাজ্য থেকে মুছে যায় বামেরা।

নন্দীগ্রামে মমতা হেরে যান। তবে মুখ্যমন্ত্রী থাকেন। স্বাধীনতার আগে যুক্তবঙ্গ থেকে স্বাধীনতা পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গের আইনসভায় তিনিই এমন ব্যতিক্রমী মুখ্যমন্ত্রী। তবে ভবানীপুর কেন্দ্র তাঁকে ফের বিধানসভায় পাঠাচ্ছে।

মমতা এগোচ্ছেন, শিলং থেকে সাংমার নজর আগরতলায় সুদীপ

mamata banerjee

নিউজ ডেস্ক: প্রতি মুহূর্তে ভবানীপুরের ফল গণনার আপডেট পৌঁছে যাচ্ছে দুই রাজ্য মেঘালয় ও ত্রিপুরায়। উত্তর পূর্ব ভারতের এই দুই রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস বড়সড় শক্তি নিয়ে জলদি আত্মপ্রকাশ করতে চলেছে। পিছিয়ে নেই পশ্চিম ভারতের গোয়া। সেখানেও তৃণমূল শিবিরে ভিড় বাড়বে বলেই মনে করছে শাসক দলের ভোট কুশলী সংস্থা আই প্যাক। টিম পি কে কর্মীরা একাধিক রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের বিস্তারে মরিয়া। তবে ‘সুখবর’ বেশি আসছে শিলং ও আগরতলা থেকেই।

রাজ্যে তিন কেন্দ্র ভবানীপুর, সামসেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুরে উপনির্বাচনের গণনার প্রথম থেকে আত্মবিশ্বাসী ব্যবধানে তৃ়ণমূল কংগ্রেস এগিয়ে। বিরোধী দল বিজেপি দ্বিতীয় স্থানেই থাকছে এমনই ইঙ্গিত। বামেরা তিন নম্বরেই। ফলাফল বের হওয়ার শুরুতেই ভবানীপুর কেন্দ্রে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এগিয়ে।

মেঘালয়ে কংগ্রেসের ‘শেষের কবিতা’
এদিকে পশ্চিমবঙ্গের উপনির্বাচনের দিকে তীক্ষ্ণ নজর মেঘালয়ের বিরোধী দল কংগ্রেসের। জানা গিয়েছে বিরোধী দলনেতা মুকুল সাংমা কংগ্রেস ত্যাগ করে তৃণমূল শিবিরে আসছেন। মেঘালয়ে কংগ্রেস বিধায়ক শূন্য হয়ে যাবে বলেই আশঙ্কা এআইসিসির। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা দলত্যাগ করলেই টিএমসি হতে চলেছে এই রাজ্যে বিরোধী দল।

অরুণাচলে কী হবে ? সূত্রের খবর, অরুণাচল প্রদেশের দিকেও নজর তৃণমূলের। এই রাজ্যে একসময় একাধিক টিএমসি বিধায়ক ছিলেন। পরে তারা দলত্যাগ করেন।

ত্রিপুরায় টিএমসির শক্তি
ত্রিপুরায় বিজেপি শিবিরেও ভাঙন স্পষ্ট।সূত্রের খবর, উপনির্বাচনে মমতার জয় ঘোষণা হতেই ত্রিপুরায় শাসক বিজেপির বিদ্রোহী বিধায়করা দলত্যাগ শুরু করবেন। এদের নেতৃত্বে রয়েছেন আগরতলার বিধায়ক সুদীপ রায় বর্মণ। তিনি ত্রিপুরার গত বিধানসভা ভোটের আগে কংগ্রেস ছেড়ে অনুগামীদের নিয়ে তৃণমূলে যান। সে রাজ্যে বিরোধী দল হয় টিএমসি। পরে তিনিই আবার অনুগামীদের নিয়ে বিজেপিতে যান। ভোটে সরকার পরিবর্তন হয়। বাম সরকারকে হারিয়ে বিজেপি জোট সরকার গড়ে।

পশ্চিমবঙ্গে তিনবার সরকার গড়ার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ত্রিপুরায় তৃণমূল কংগ্রেসকে পুনরায় শক্তিশালী করতে মরিয়া। ইতিমধ্যেই বিজেপিতে ভাঙন ধরছে। শনিবার বিজেপি বিধায়ক আশিস দাস কলকাতায় টিএমসি ভবনে এসে কথাবার্তা পাকা করেছেন বলেই সূত্রের খবর।

মমতাতেই ভরসা সরকারি কর্মীদের, পোস্টাল ব্যালটে বাজিমাত শাসকদলের

Mamata Banerjee

 

নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুর উপনির্বাচন সহ আজ বাংলার মোট তিন বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট গণনা। বাংলা সহ গোটা দেশের নজর ভবানীপুরে। তিন আসনেই চালকের আসনে রাজ্যের শাসকদল। পোস্টাল ব্যালট গণনার শেষে রাজ্যের তিন আসনেই এগিয়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ফলে সরকারি কর্মীরা যে নবান্নের ১৪ তলায় ফের মমতাকেই দেখতে চান, তা স্পষ্ট হয়ে গেল।

আরও পড়ুন Mamata Banerjee: বেলা গড়াচ্ছে-মমতা এগোচ্ছেন, বিজেপি শিবিরে দলত্যাগ আতঙ্ক চড়ছে


আরও পড়ুন Bhawanipore: শুরুতেই জয়ের লক্ষ্যে এগোচ্ছেন মমতা

পোস্টাল ব্যালটে ভোটের সংখ্যা কম হলেও সরকারি কর্মীদের মনোভাব বোঝা যায় এই ফলাফল থেকে। এর আগে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছিল যে কেন্দ্রের শাসকদলের পক্ষেই ভোট দেন সরকারি কর্মীরা। যদিও গত বিধানসভা নির্বাচন থেকেই দেখা যাচ্ছে উল্টো ছবি। মোদী সরকারের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে মমতাতেই ভরসা রাখছেন সরকারি কর্মীরা। 

আরও পড়ুন Bhawanipore: শুরুতেই জয়ের লক্ষ্যে এগোচ্ছেন মমতা

প্রায় নিত্যদিনই কেন্দ্রের ঝুলি থেকে বেরিয়ে আসছে বেসরকারিকরণের বেড়াল। বেসরকারিকরণের খারাপ দিক নিয়ে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে আরএসএস সমর্থিত শ্রমিক সংগঠনও। কেন্দ্রে দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা দখলের পরে ধাপে ধাপে বহু ক্ষেত্রে বেসরকারিকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছিল। ব্যাংকিং ক্ষেত্রে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির সংযুক্তিকরণ ও পেট্রোলিয়াম, শিপিং কর্পোরেশন, কন্টেনার কর্পোরেশন-সহ রত্ন সংস্থাগুলির সরকারি অংশিদায়িত্ব কমিয়ে ফেলা তার অন্যতম অঙ্গ ছিল। 

অন্যদিকে সিন্ডিকেট রাজ, টেট দূর্নীতি, বেকারত্ব-সহ একাধিক ইস্যাতে জর্জড়িত তৃণমূল কংগ্রেসও। উপনির্বাচনের আগেও বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। তা সত্ত্বেও পোস্টাল ব্যালটে এগিয়ে থাকা স্বস্তি যোগাচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্বকে। 

আরও পড়ুন ক্রমশ এগোচ্ছে তৃণমূল, গণনা শেষ হওয়ার আগে এজেন্টদের কেন্দ্র না ছাড়ার নির্দেশ পদ্মশিবিরের

ভবানীপুরে কেন্দ্রে দ্বিতীয়বার ‘পরীক্ষা’য় বসেছেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে। আজ ভবানীপুরে জিতলেই আবার রাজ্যের প্রধানের কুর্সিতে বহাল হবেন তিনি। স্বাধীনতা পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তিনিই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি হেরে গিয়েও পদে আছেন দল জিতে যাওয়ায়। ফলে আজ স্বভাবতই তাঁর প্রেস্টিজ ফাইট।

Mamata Banerjee: বেলা গড়াচ্ছে-মমতা এগোচ্ছেন, বিজেপি শিবিরে দলত্যাগ আতঙ্ক চড়ছে

After durga puja Bjp bengal will face masive blow

নিউজ ডেস্ক: তিন কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসের তরতরিয়ে এগিয়ে যাওয়া শাসক শিবিরে স্বস্তি। কারণ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata banerjee) বিধায়ক হতে চলেছেন। ভবানীপুর কেন্দ্রে তিনি গণনার শুরু থেকেই এগিয়ে। অন্যদিকে মুর্শিদাবাদের দুটি কেন্দ্র সামসেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুরেও জোড়াফুলের ঝড় শুরু। 

বেলা গড়াচ্ছে রাজ্যের তিন কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ফলে টিএমসির তরতরিয়ে এগিয়ে যাওয়ায় বিরোধী দল বিজেপির অন্দরে ফের ধ্বস আতঙ্ক। সূত্রের খবর, ভবানীপুরে সম্পূর্ণ ফলাফল ঘোষণা হতেই তৃণমূল শুরু করবে তার বিধায়ক শক্তি আরও বাড়িয়ে নিতে। আপাতত বিজেপিতে আছেন ৭০ জন।

উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের বিজেপি বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যানীর দলত্যাগের পর থেকে আরও অন্তত ৫ বিধায়ক তৈরি তৃণমূলে যোগ দিতে। এই তালিকায় পশ্চিম মেদিনীপুরের খড়্গপুর, কোচবিহার ও দার্জিলিং জেলার আরও তিন বিধায়ক রয়েছেন। সবমিলে দুর্গা পূজার আগেই বড়সড় ধ্বস নামতে চলেছে বিরোধী দলে। আছেন দুই বিজেপি সাংসদ।

যদিও বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী জানান, দলত্যাগে দলের ক্ষতি হবে না। কিন্তু তিনিও প্রবল চাপে আছেন এমনই জানাচ্ছেন তাঁর ঘনিষ্টরা।
শুধু রাজ্যেই নয়, আগামী দু সপ্তাহের মধ্যে দুটি রাজ্যের বড় অংশের বিজেপি ও কংগ্রেস বিধায়করা তৃণমূল শিবিরে যোগ দিতে চলেছেন।

ক্রমশ এগোচ্ছে তৃণমূল, গণনা শেষ হওয়ার আগে এজেন্টদের কেন্দ্র না ছাড়ার নির্দেশ পদ্মশিবিরের

Bjp loosing supporter base In tripura

নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুর উপনির্বাচন সহ আজ বাংলার মোট তিন বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট গণনা। ভবানীপুরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক লাখ ভোটের মার্জিনে জেতানোর টার্গেট রেখেছে রাজ্যের শাসকদল। ভবানীপুর আসনে ২১ রাউন্ড গণনা হবে। কমিশন সূত্রের খবর, প্রথম দু রাউন্ডের গণনা শেষে অনেক বেশি ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এই মুহূর্তে প্রায় ২,৫০০ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে মুখ্যমন্ত্রী। দ্বিতীয় রাউন্ডের শেষে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পেয়েছেন ৫,৩৩৩ টি ভোট। প্রিয়ঙ্কার প্রাপ্তি ২,৯৫৬ টি ভোট। অন্যদিকে সিপিআইএমের শ্রীজিব পেয়েছেন ১৩২ টি ভোট, নোটায় ভোট দিয়েছেন ৬৯ জন।

আরও পড়ুন Bhawanipore: শুরুতেই জয়ের লক্ষ্যে এগোচ্ছেন মমতা

অন্যদিকে সমশেরগঞ্জে দ্বিতীয় রাউন্ড গণনার শেষে ১১৪০ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী আমিরুল ইসলাম। জঙ্গিপুরেরও তৃণমূল প্রার্থী জাকির হোসেন এগিয়ে ১৭১৭ ভোটে। ইতিমধ্যেই আবির খেলা শুরু হয়েছে ভবানীপুরে। তারমাঝেই ভোট গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত কেউ হল থেকে বেরবেন না। দলের কাউন্টিং এজেন্টদের এমনটাই নির্দেশ দিল বঙ্গ বিজেপি। ২০২১ বিধানসভা নির্বাচনের ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছিল, খারাপ ফলাফলের ইঙ্গিত মিলতেই বহু কাউন্টিং এজেন্ট গণনাকেন্দ্র ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছেন। সেই একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না করতে মরিয়া সুকান্ত মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বঙ্গ বিজেপি।

ভবানীপুর কেন্দ্রে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বি বিজেপির প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল।  প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের নির্বাচনী এজেন্ট সজল ঘোষ জানান, মোট ১৪ টি টেবিলে ২১ রাউন্ড গণনা হবে। বিজেপির মোট ৮০ জন এজেন্ট সেখানে উপস্থিত থাকবেন। প্রচুর এজেন্ট দেওয়া হয়েছে সামশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরেও। 

আরও পড়ুন ভাইঝিকে আত্মহত্যার প্ররোচনা দিয়ে গ্রেফতার তৃণমূলনেত্রী

ভবানীপুরে কেন্দ্রে দ্বিতীয়বার ‘পরীক্ষা’য় বসেছেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে। আজ ভবানীপুরে জিতলেই আবার রাজ্যের প্রধানের কুর্সিতে বহাল হবেন তিনি। স্বাধীনতা পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তিনিই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি হেরে গিয়েও পদে আছেন দল জিতে যাওয়ায়। ফলে আজ স্বভাবতই তাঁর প্রেস্টিজ ফাইট।

Bhawanipore: শুরুতেই জয়ের লক্ষ্যে এগোচ্ছেন মমতা

mamata banerjee

নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুর উপনির্বাচন সহ আজ বাংলার মোট তিন বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট গণনা। বাংলা সহ গোটা দেশের নজর ভবানীপুরে। এই কেন্দ্রেই দ্বিতীয়বার ‘পরীক্ষা’য় বসেছেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে। আজ ভবানীপুরে জিতলেই আবার রাজ্যের প্রধানের কুর্সিতে বহাল হবেন তিনি।

আরও পড়ুন Mamata Banerjee: ভবানীপুরে টার্গেট ১ লাখ মার্জিন, মমতা শিবিরে চিন্তার মেঘ

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক লাখ ভোটের মার্জিনে জেতানোর টার্গেট রেখেছে রাজ্যের শাসকদল। যদিও সেভাবে ভোট না পড়ায় এত মার্জিন না হলেও শেষ হাসি দিদিমণিই হাসবেন বলে আত্মবিশ্বাসী জোড়াফুল শিবির। ভবানীপুর আসনে ২১ রাউন্ড গণনা হবে। কমিশন সূত্রের খবর, প্রথমে চলছে পোস্টার ব্যালটের কাউন্টিং৷ তাতেই অনেক বেশি ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এই মুহূর্তে প্রায় ২,৮০০ ভোটের ব্যবধানে এগিয়ে মুখ্যমন্ত্রী।

Mamata Banerjee

আরও পড়ুন Time Magazine-এর বিশ্বের ১০০ জন প্রভাবশালীর তালিকায় মোদী-মমতা

ভবানীপুর কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেসের সেফ সিট বলে চিহ্নিত। এই কেন্দ্রে এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিদ্বন্দ্বি বিজেপির প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল এবং সিপিআইএমের শ্রীজীব বিশ্বাস। একুশের ভোটে ভবানীপুর কেন্দ্র থেকে জিতেছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। সেখানেই এবার লড়ছেন মমতা। স্বাধীনতা পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তিনিই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি হেরে গিয়েও পদে আছেন দল জিতে যাওয়ায়। ফলে আজ স্বভাবতই তাঁর প্রেস্টিজ ফাইট।

আরও পড়ুন ভবানীপুরের গুঞ্জন: মমতার বিরুদ্ধে লড়লেও দ্রুত TMC দরজায় প্রিয়াঙ্কা

একইসঙ্গে ভবানীপুরের বেশ কিছু ওয়ার্ডে অবাঙালি ভোটারের সংখ্যা বেশী। চলতি বিধানসভা ভোটেও ওই ওয়ার্ডে এগিয়ে ছিল ভারতীয় জনতা পার্টি। সেদিকের ফলাফলের দিকেও নজর থাকবে প্রত্যেকের। অন্যদিকে সমশেরগঞ্জে প্রায় ৫০০ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী আমিরুল ইসলাম। জঙ্গিপুরেরও তৃণমূল প্রার্থী জাকির হোসেন এগিয়ে ১৭১৭ ভোটে।

Mamata Banerjee: ভবানীপুরে টার্গেট ‘১ লাখ মার্জিন’, মমতা শিবিরে চিন্তার মেঘ

West Bengal Chief Minister and TMC supremo Mamata Banerjee

নিউজ ডেস্ক: উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক লাখ ভোটের মার্জিনে জেতানোর টার্গেট রেখেছে শাসকপক্ষ। তৃ়ণমূল কংগ্রেস শিবিরের তাবড় তাবড় সেনাপতিরা প্রচার ও ভোটের দিন ভবানীপুরে মাটি কামড়ে পড়ে আছেন।

বেলা যত গড়াচ্ছে তত বাড়ছে টেনশন। টার্গেট ছোঁয়া যাবে তো এই চিন্তা এখন শাসক শিবিরে। কারণ ভবানীপুর কেন্দ্রে ভোট পড়ার হার ততটা উল্লেখযোগ্য নয়। ফলে তৃণমূল নেতৃত্বের ঘাড়ে শেষ বেলায় ভোটারদের বুথমুখী করানোর বাড়তি দায়িত্ব পড়েছে।

এরই মাঝে বিরোধী বিজেপির মারাত্মক দাবি, ফলাফল বলে দেবে এই রাজ্যে নতুন মুখ্যমন্ত্রী হতে চলেছে। বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়া এক সংবাদ মাধ্যমে একথা বলেন। তিনি বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের উপর কিছু টিএমসি সমর্থকের হামলার নিন্দা করেন।

ভবানীপুর কেন্দ্র তৃণমূল কংগ্রেসের সেফ সিট বলে চিহ্নিত। এই কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিধানসভা ভোটে তিনি ভবানীপুর ছেড়ে নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে পরাজিত হন। তবে টিএমসি সরকার গড়ে। মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে মমতা থাকলেও তাঁকে বিধায়ক হতেই হবে। সেই সূত্রে ভবানীপুরের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় পদত্যাগ করেন। আসনটিতে উপনির্বাচন হচ্ছে।

ভবানীপুরে মমতার প্রেস্টিজ ফাইট। তিনি স্বাধীনতা পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি হেরে গিয়েও পদে আছেন দল জিতে যাওয়ায়। ফলাফল বিপরীত হলে তাঁর রাজনৈতিক জীবনে বিরাট ধাক্কা লাগবে। মমতা প্রচারে জানিয়েছিলেন, আমাকে জেতান না হলে অন্য মুখ্যমন্ত্রী পাবেন।

Mamata Banerjee: নজিরবিহীন ‘পরাজিত’ মুখ্যমন্ত্রীর টেনশনের ভোট পরীক্ষা

mamata banerjee

নিউজ ডেস্ক: বঙ্গ রাজনীতিতে লেখা থাকল বৃহস্পতিবার, ৩০ সেপ্টেম্বর তারিখ। ভারত স্বাধীন হওয়ার পর থেকে বা অবিভক্ত বাংলা প্রদেশের রাজনীতি ধরলেও এই প্রথম এক শাসক যিনি নিজে পরাজিত হয়ে পুনপায় জয়ের জন্য মরিয়া লড়াই শুরু করেছেন। অভূতপূর্ব উপনির্বাচন চলছে রাজ্যে।

কেন্দ্র ভবানীপুর। তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। যিনি ফল ঘোষণার দিনের জন্য প্রবল টেনশনে। নিজের প্রচারের ভাষণে ঝরে পড়েছে সেই টেনশন। বলেছিলেন, আমাকে জেতান, না হলে অন্য কাউকে মুখ্যমন্ত্রী করতে হবে।

mamata banerjee

বি়ধানসভা ভোটে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে লড়াই করেন মমতা। পরাজিত হন। জয়ী বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী একদা ছায়াসঙ্গী তবে দলবদলে নেন ভোটের আগে। তিনি এখন বিরোধী দলনেতা।

মমতা হারলেও টিএমসি বিপুল শক্তি নিয়ে সরকার গড়েছে। মুখ্যমন্ত্রী পদে থেকেছেন মমতা। কিন্তু নির্বাচন কমিশনের নিয়মে জয়ী বিধায়ক হতে হবে। ফলে তাঁরই পুরনো কেন্দ্র ভবানীপুরের বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বিধায়ক পদ ছেড়ে দেন। সেফ সিট হিসেবে টিএমসি মমতা কে এই কেন্দ্রে প্রার্থী করেছে।

বঙ্গ রাজনীতির এমন নজিরবিহীন মুহূর্ত আগে আসেনি। সেই মুহূর্ত দেখছেন রাজ্যবাসী। উপনির্বাচন হচ্ছে মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুর কেন্দ্রে। তবে সবই ভবানীপুরের কাছে ম্লান।কারণ সেখানে মমতা নিজে লড়ছেন। তাঁর সামনে দুটি রাস্তা খোলা। হয় জয় নয় বিদায়।

ভবানীপুরে ‘হাওয়া গরম’ বুঝছে কমিশন, নির্বিঘ্নে ভোট করানো চ্যালেঞ্জ

by election politics tension spreading in bheanipur

নিউজ ডেস্ক: বিরোধী দল বিজেপির অভিযোগ লোক ঢোকাচ্ছে তৃণমূল। তৃতীয় পক্ষ বামেদের অভিযোগ, ভবানীপুর ও সংলগ্ন এলাকার বিভিন্ন অনুষ্ঠান বাড়ি, হোটেল বুকিং করা হয়েছে। কেন এত বুকিং? শাসক টিএমসির টার্গেট মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এক লক্ষ ভোটের ব্যবধানে জেতানো। সবমিলে উপনির্বাচনের হাওয়া গরম। নির্বাচন কমিশন নির্বিঘ্নে ভোট করানোর চেষ্টা করছে।

একটি মাত্র কেন্দ্র তাতেই গলদঘর্ম কমিশনের। নির্বাচনের দিন যে কোনওরকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে কুইক রেষপন্স টিম থাকবে। কিন্তু কুইক রেসপন্স হবে কি ?.প্রশ্ন বিরোধী দল বিজেপির।

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্র বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের দখলেই গিয়েছে। বিধায়ক হয়েছিলেন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। কিন্তু পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে টিএমসি তিনবার টানা সরকার ধরে রাখে। মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকতে বিধায়ক হতে হবে মমতাকে। তাঁকে ভবানীপুর ছেড়ে দেন শোভনদেব।

by election politics tension spreading in bheanipur

উপনির্বাচন ঘিরে টানটান পরিস্থিতি। বিরোধী বিজেপি, তিন নম্বরে থাকা বামফ্রন্টের প্রচারে বাধার ঘটনায় বারবার উত্তপ্ত হয়েছে ভবানীপুর। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, উপনির্বাচনে হাওয়া গরম করতে চাইছে বিরোধীরা।

টিএমসি সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় দলীয় কর্মীদের কাছে এক লক্ষ ভোটে জয়ের টার্গেট বেধে দিয়েছেন। অভিযোগ, এই টার্গেট পূরণ করতে বহিরাগতদের আনাচ্ছে শাসকদল।

শাসক বিরোধী রোষের ভবানীরুরের সব বুথে ঝামেলা হওয়ার আশঙ্কা কমিশনের। ভোট পর্ব ঘিরে বিক্ষিপ্ত অশান্তি হবে ধরে নিয়েই নিজেদের প্রস্তুত রাখছে কমিশন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতি, সশস্ত্র পুলিশ, কুইক রেসপন্স টিম, সিসিটিভি নিয়ে ভোটদানের নিরাপত্তা থাকলেও ভবানীপুরবাসী নিশ্চিত কিছু একটা হবেই। কারণ হাওয়া বেশ গরম

মমতার প্রেস্টিজ ফাইট সামলাতে মরিয়া কমিশন, ভবানীপুরের সমস্ত বুথে জারি ১৪৪ ধারা

Mamata Banerjee

নিউজ ডেস্ক: আগামীকাল রাজ্যের ৩টি বিধানসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ। ভবানীপুর ছাড়াও একই সময়ে নির্বাচন ও ভোট গণনা হবে রাজ্যের আরো দুই আসন সমশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরে। তবে এই ভোটগ্রহণপর্বে বিশেষ পর্বে অবশ্যই বিশেষ নজর ভবানীপুরে। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কেন্দ্রে প্রার্থী হয়েছেন।

আরও পড়ুন ভবানীপুরের গুঞ্জন: মমতার বিরুদ্ধে লড়লেও দ্রুত TMC দরজায় প্রিয়াঙ্কা

ফলে জিততে মরিয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর ভোটপ্রচার দেখে ইতিমধ্যেই বোঝা গিয়েছে, প্রেস্টিজ ফাইটে কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে মরিয়া তিনি। ভবানীপুরের গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। কলকাতা হাই কোর্টের অ্যাডভোকেট প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। সেই প্রেস্টিজ ফাইট সামলাতে উপনির্বাচনের আগে, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রসহ তিন আসনে সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রায় ১৫ টি কোম্পানি মোতায়েন করা হবে বলে জানা গিয়েছে নির্বাচন কমিশন সূত্রে। 

আসন্ন বাংলার উপনির্বাচনে সংঘর্ষের পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন জায়গা থেকে। ফলে নির্বাচন কমিশন জানিয়ে দিয়েছে ভোটের দিন সমস্ত বুথের ২০০ মিটারের মধ্যে ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। পাশাপাশি কেন্দ্রের সব বুথে কমিশনের তরফে ওয়েব কাস্টিংয়ের ব্যবস্থা থাকবে বলে জানা গিয়েছে।

আরও পড়ুন ভবানীপুরে হিন্দি পোস্টারে Mamata, বাংলাপক্ষের গর্গকে মাঠে নামার আহ্বান তথাগতর

চার কোম্পানি বিএসএফ, দুই কোম্পানি এসএসবি এবং সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ) থেকে আইটিবিপি এবং সিআইএসএফ -এর প্রতিটিকে মোতায়েন করা হবে। ইতিমধ্যে, বিজেপি নির্বাচন কমিশনে একটি স্মারকলিপি দিয়েছে। যাতে বলা হয়েছে যে সামরিক বাহিনী যথাযথ আধিপত্যের জন্য এলাকায় যেতে হবে, নয়তো গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়াটাই শাসকদলের স্থানীয় পুলিশ দ্বারা পরিচালিত হবে যারা রাজ্য সরকার অনুযায়ী কাজ করবে।