এবার বিজেপির লকেট হারানোর পালা, তালিকায় রূপা

.bjp MP locket chatterjee may quit from her party

নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুরের ভোটের আগেই কি ফের বিজেপিতে ধ্বস ? অন্তত তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুনাল ঘোষের টুইট থেকে এমনই গুঞ্জন ছড়াচ্ছে। কুনাল ঘোষ টুইটে বিজেপি নেত্রী সাংসদ লকেট চ্যাটার্জিকে ভবানীপুরে প্রচার না করার জন্য ধন্যবাদ জানান। তিনি লিখেছেন-দুনিয়া ছোট।

কেন ‘দুনিয়া ছোট’ এই শব্দ লিখলেন কুনাল ঘোষ ? এখানেই জল্পনা প্রবল। কারণ বাম জমানায় সিঙ্গুরে টাটা কারখানার জমি নিয়ে বিরোধিতার সময়ে তৎকালীন বিরোধী নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে দেখা যেত লকেটকে। এমনকি মমতার ‘বিখ্যাত’ অনশন মঞ্চেও লকেট গিয়েছিলেন। পরে তিনি বিজেপির নেত্রী হন। প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির বাইকে চড়ে দেদার জনসভা করেছেন।

After durga puja Bjp bengal will face masive blow

দিলীপ ঘোষকে সম্প্রতি রাজ্য বিজেপির পদ থেকে অপসারিত করা হয়েছে। লকেট যে এর পরেই টার্গেট হবেন তা স্পষ্ট। গুঞ্জন লকেট গোপনে যোগাযোগ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে। তৃণমূল কংগ্রেস তাদের ‘পুরনো বন্ধু’ লকেট চট্টোপাধ্যায়কে ফেরাতে মরিয়া হয়ে উঠেছে। যে কোনও সময় রাজ্য বিজেপিতে আরেকটি সাংসদ কমবে বলেই মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল।

www.ekolkata24 সম্প্রতি একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে ‘বিজয়ার পরেই বঙ্গ বিজেপিতে ‘বিচ্ছেদ সুর’ চড়া হচ্ছে’ এই শিরোনামে। তাতে সাংসদ লকেট যে দলত্যাগ করতে চলেছেন তারই ইঙ্গিত দিয়েছি আমরা। সোমবার কুনাল ঘোষের টুইট থেকে তেমনই ইঙ্গিত স্পষ্ট হতে শুরু করেছে। লকেট চট্টোপাধ্যায় নীরব। তেমনই নীরব রূপা গাঙ্গুলী। বিজেপির অন্দরে কান পাতলে শোনা যাবে রূপা যে কোনও দিন…!

সূত্রের খবর, আসন্ন শারোদতসবের পর বিজয়া পালন করেই বিচ্ছেদ টানতে চলেছেন বিজেপি সাংসদ বিধায়করা। তৃণমূল কংগ্রেসের দাপুটে নেতা তথা বীরভূম জেলার দলীয় সভাপতি অনুব্রত মন্ডল (কেষ্ট) জানিয়েছেন, ভয়ঙ্কর খেলা হবে। মমতা ব্যানার্জি ভয়ঙ্কর খেলা খেলবেন।

বিরোধী দলের ‘মৃত’ নেতাকে পচা কুকুরের সঙ্গে তুলনা মুখ্যমন্ত্রীর

Mamata Banerjee

নিউজ ডেস্ক: আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে। 

আরও পড়ুন শিক্ষক দিবস হোক বিদ্যাসাগর স্মরণে, চিঠি মমতার ঘরে

ফলে জিততে মরিয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর ভোটপ্রচার দেখে ইতিমধ্যেই বোঝা গিয়েছে, প্রেস্টিজ ফাইটে কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে মরিয়া তিনি। ভবানীপুরের গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। কলকাতা হাই কোর্টের অ্যাডভোকেট প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। ২০১৪ সালে মোদী ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছিল বিরোধীরা। ক্ষমতায় এসেছিল এনডিএ সরকার (NDA)। সেবছরেরই আগস্টে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। শুরুতেই দলের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ পরিচালনা করেছেন। ছ’বছর পর, ২০২০ সালের আগস্টে তাঁকে পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার (বিজেওয়াইএম) সহ-সভাপতি করা হয়।

এতকিছুরই পরেও প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল শুভেন্দু অধিকারী নন। সেরকমভাবেই সিপিআইএমের শ্রীজীব বিশ্বাসও মীনাক্ষী গোস্বামী নন। ফলে আপাতদৃষ্টিতে লড়াই যথেষ্টই সহজ তৃণমূল সুপ্রিমোর কাছে। কিন্তু সেই লড়াইয়ের কোমর বেঁধে নেমেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্তত তাঁর ভোটপ্রচার দেখে তাই মনে হচ্ছে রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের। সেই প্রচারে গিয়েই এবার আলটপকা মন্তব্য করে বসলেন তিনি। মৃত বিজেপি নেতাকে তুলনা করলেন পঁচা কুকুরের সঙ্গে। যা তাঁর ‘গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে নির্বাচিত তৃতীয়বারের মুখ্যমন্ত্রী’ ইমেজের সঙ্গে যায় না বলেই মনে করছেন প্রত্যেকে।

একদিন আগেই মমতার বাড়ির সামনে মৃত বিজেপি কর্মী মানস সাহার দেহ নিয়ে বিক্ষোভ দেখিয়েছে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল ভারতীয় জনতা পার্টি। বিক্ষোভে ছিলেন স্বয়ং সুকান্ত মজুমদার, বিজেপির সদ্য নিযুক্ত রাজ্য সভাপতি। সেখানে পুলিশের সঙ্গে খন্ডযুদ্ধ বাধে তাদের। সেখানেই ঘটনা প্রসঙ্গেই মমতার মন্তব্য, ‘আমার বাড়ির সামনে ডেড বডি নিয়ে চলে যাচ্ছ। তোমার বাড়ির সামনে যদি আমি পাঠিয়ে দিই একটা কুকুরের ডেড বডি, ভাল হবে? এক সেকেন্ড লাগবে পচা কুকুর তোমার বাড়ির সামনে ফেলে আসব।’

প্রসঙ্গত, দক্ষিণ ২৪ পরগনার মগরাহাট বিধানসভা কেন্দ্রের পরাজিত বিজেপি প্রার্থী ধূর্জটি সাহা। এলাকায় মানস নামেই জনপ্রিয় ছিলেন তিনি। ভোট গণনার দিন গণনা কেন্দ্রের বাইরে তাঁকে বেধরক মারধর করা হয়েছিল। তৃণমূল বিধায়ক গিয়াউদ্দিন মোল্লার নেতৃত্বেই ধূর্জটি সাহাকে (মানস) মারধর করা হয় বলে অভিযোগ বিজেপির। সেই ভোট পরবর্তী হিংসার ঘটনাতেই মারা যান বিজেপি প্রার্থী। 

রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতেই রাজ্যের বিরোধী দলের আসন পেয়েছে বিজেপি। সেখানে সেই বিরোধী দলের একজন শুধু নয়, গণতন্ত্রের সবচেয়ে বড় উৎসবে অংশ নেওয়া একজনকে ‘খোদ মুখ্যমন্ত্রী’র পচা কুকুরের সঙ্গে তুলনা করা অত্যন্ত অন্যায়। ভবানীপুরের ভোটে এই ঘটনা হয়তো প্রভাব ফেলবে না, অন্যান্য মন্তব্যের মতোই হারিয়ে যাবে কয়েকদিনের মধ্যে। কিন্তু, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এই ভাষায় বিরোধী দলের ‘মৃত’ নেতাকে আক্রমণ করার ঘটনা অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং অশোভন বলেই মনে করছেন তাঁরা।   

শিক্ষক দিবস হোক বিদ্যাসাগর স্মরণে, চিঠি মমতার ঘরে

vidyasagr birthday celebrate as teachers day mamata banerjee

বিশেষ প্রতিবেদন: সর্বেপল্লি রাধাকৃষ্ণন নয়, বিদ্যাসাগরের জন্মদিনকে শিক্ষক দিবস হিসাবে পালনের জন্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে চিঠি লিখল বাংলাপক্ষ।

বাংলা পক্ষ জানিয়েছে , “সংগঠনের পক্ষ থেকে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিনকে শিক্ষক দিবস হিসাবে পালনের জন্য মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করার চেষ্টা করছি।’ এই প্রসঙ্গে বাংলাপক্ষের সদস্য কৌশিক মাইতি জানিয়েছেন , ‘বাংলার চিন্তাশীলতার পরিসরে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান অনস্বীকার্য। তিনি কেবল নবজাগরণের একজন কাণ্ডারীই নন, বরং গোটা ভারতবর্ষে চিন্তন এবং মননের পরিসরে আধুনিকতার পথপ্রদর্শক। আমাদের কাছে অত্যন্ত গর্বের যে, আমরা ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের উত্তরসূরী। তিনি আক্ষরিক অর্থেই আমাদের জাতির শিক্ষক, কারণ আজও বাঙালির ঘরের সন্তানরা তাঁর বর্ণপরিচয়ের মাধ্যমে অক্ষর জ্ঞান লাভ করে। আমাদের শিক্ষার যে মূল ভিত্তি তার অনেকাংশেই ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সদা জাগ্রত। নারী শিক্ষার প্রসারে তাঁর ভূমিকা আন্তঃরাষ্ট্রীয় স্তরে স্বীকৃতির দাবি রাখে।’

তাঁরা বলছেন, “আশ্চর্যের বিষয় বাংলা তথা গোটা ভারত এই মহাপুরুষের যথেষ্ট মূল্যায়ন এবং সম্মান এখনও করতে পারেনি। যে সময় হিন্দি সাম্রাজ্যবাদী আগ্রাসন ভারত রাষ্ট্র তথা বাংলাকে অন্ধকারে ঢেকে ফেলতে চাইছে, ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরকে আরও দৃঢ়ভাবে ধারণ করা, তাঁর চেতনা, তাঁর দর্শনের সঙ্গে জাতির সম্পৃক্ততা আরও বিস্তার করা আমাদের অবশ্য কর্তব্য। এই অন্ধকারের আবহে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সেই আলোকবর্তিকা যা বাঙালি জাতিকে প্রতিরোধের অনুপ্রেরণা জোগাবে।”

এই বিষয় নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে বাংলাপক্ষের আবেদন, ১) ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিন অর্থাৎ ২৬শে সেপ্টেম্বর দিনটিকে “বাংলার জাতীয় শিক্ষক দিবস” হিসেবে ঘোষণা করা হোক। ২) বাংলার জনপ্রতিনিধিরা ভারতীয় যুক্তরাষ্ট্রের সংসদে দাবি উত্থাপন করুন যে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের জন্মদিন যেন “রাষ্ট্রীয় শিক্ষক দিবস” হিসেবে যেন ঘোষণা করা হয়। বিদ্যাসাগরের মহাশয়ের জন্মদিনকে বাংলার জাতীয় শিক্ষক দিবস ঘোষণার দাবিপত্রে সমর্থন জানিয়েছেন, জয় গোস্বামী, পবিত্র সরকার, জয়া মিত্র, নৃসিংহপ্রসাদ ভাদুড়ী, তপোধীর ভট্টাচার্য, সবুজকলি সেন, সৃজিত মুখার্জী,  রূপম ইসলাম, সুবোধ সরকার, রূপঙ্কর বাগচী, রাঘব চট্টোপাধ্যায়, দীপঙ্কর দে, অয়ন চক্রবর্তী, অনির্বাণ মাইতি, সৌমিত্র রায়, ইমন সেন, উজ্জয়িনী ভট্টাচার্যের মতো ব্যক্তিত্ব।

সংগঠনের আশা, এই দুই পদক্ষেপ যদি গ্রহণ করা হয় তাহলে ভারতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের পরিচিতি কেবল বাড়বে না বরং ভবিষ্যতের দিকে এগিয়ে যাওয়ার সময় বাংলার বুকে জন্মানো এই মহাপুরুষের মূল্যায়ন আরও অনেক বাড়বে। বিদ্যাসাগর তাঁর প্রাপ্য মর্যাদা পাবেন।

দশমীতেই ‘বিজেপি বধ’ অভিযান শুরু করছে TMC

mamata banerjee

নিউজ ডেস্ক: একসঙ্গে দুই রাজ্যে ‘বিজেপি বধ’ অভিযান শুরু করতে নামছে তৃণমূল কংগ্রেস। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক শাসক দলের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার নেতা জানালেন মোটামুটি অভিযানের কোডওয়ার্ড তৈরি। দেবী দুর্গার ভূমিকায় অসুর নিধনে নামবেন নেত্রী।

ভবানীপুর কেন্দ্রের উপ নির্বাচনের ফল ঘোষণাটুকুই বাকি, দলনেত্রী বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হলেই আসল অভিযান শুরু করা হবে। এমনই জানাচ্ছেন রাজ্য তৃণমূলের পশ্চিম বর্ধমান জেলার বিতর্কিত নেতা। তিনিও ‘কনফিডেন্ট’। শাসক দলের পূর্ব বর্ধমান জেলা তথা রাজ্যের অতি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক মুখ আরও এক নেতার দাবি, সময় আগত। কোনওভাবেই আর ছাড় দিতে চাননা নেত্রী।

কী অবস্থা বিরোধী দলের? বিজেপি প্রদেশ শাখার অন্দরমহলে এখন দশমীর অপেক্ষা। কে যাবেন আর কে থাকবেন তা নিয়ে তালিকা তৈরি হচ্ছে। সর্বশেষ হিসেব অন্তত দু ডজন বিধায়ক শুধু শুভ বিজয়া বলেই চলে যাবেন কালীঘাটের দিকে। কারোর উপরেই নিয়ন্ত্রণ নেই।

After durga puja Bjp bengal will face masive blow

বিধায়ক সংখ্যা ধরে রেখেবিজেপির অন্দরে বিরোধী দলের মর্যাদা যে বেশিদিন সম্ভব না তাও স্পষ্ট। সূত্রের খবর, বিজেপি রাজ্য সভাপতিকে মেনে নিতে পারছেন না নেতারা। উত্তর থেকে দক্ষিণ সর্বত্র একই চিত্র।

তৃণমূল কংগ্রেস সূত্রে জানা গিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের মতো ত্রিপুরায় একই কায়দায় অভিযান হবে। সে রাজ্যেও নির্বাচনের আগেই শাসক দল থেকে বিজেপি বিধায়করা ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরতে মরিয়া।

এদিকে বিজেপি শাসিত অসমের দরং জেলায় উচ্ছেদের নামে গুলি চালনা ও প্রান্তিক মানুষদের মৃত্যুর জেরে দেশ সরগরম। এ ঘটনা পশ্চিমবঙ্গে বাম জমানায় নন্দীগ্রামের গুলি চালিয়ে কৃষক হত্যার মত মর্মান্তিক বলেই মনে করছে টিএমসি। সূত্রের খবর, সদ্য কংগ্রেস ছেড়ে টিএমসিতে আসা অসমের বরাক উপত্যকার শিলচরের নেত্রী সুস্মিতা দেবের নেতৃত্বে প্রতিনিধি দল পাঠানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে তৃ়নমূল কংগ্রেস।

ভবানীপুরে হিন্দি পোস্টারে Mamata, বাংলাপক্ষের গর্গকে মাঠে নামার আহ্বান তথাগতর

অনুভব খাসনবীশ: আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে।

আরও পড়ুন: মমতাও হেরেছেন বলেই আবার ভোটে লড়ছেন, এন্টালিতে প্রিয়ঙ্কার হার প্রসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ তথাগতর

ফলে জিততে মরিয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর ভোটপ্রচার দেখে ইতিমধ্যেই বোঝা গিয়েছে, প্রেস্টিজ ফাইটে কাউকে এক ইঞ্চি জমি ছাড়তে মরিয়া তিনি। ভবানীপুরের গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। কলকাতা হাই কোর্টের অ্যাডভোকেট প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। ২০১৪ সালে মোদী ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছিল বিরোধীরা। ক্ষমতায় এসেছিল এনডিএ সরকার (NDA)। সেবছরেরই আগস্টে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। শুরুতেই দলের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ পরিচালনা করেছেন। ছ’বছর পর, ২০২০ সালের আগস্টে তাঁকে পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার (বিজেওয়াইএম) সহ-সভাপতি করা হয়।

Mamata Banerjee

এতকিছুরই পরেও প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল শুভেন্দু অধিকারী নন। সেরকমভাবেই সিপিআইএমের শ্রীজীব বিশ্বাসও মীনাক্ষী গোস্বামী নন। ফলে আপাতদৃষ্টিতে লড়াই যথেষ্টই সহজ তৃণমূল সুপ্রিমোর কাছে। যদিও তাতে কোনভাবেই আত্মতুষ্টিতে ভুগতে নারাজ তৃণমূল নেত্রী থেকে শুরু করে দলের তৃণমূল স্তরের কর্মীরাও। ভবানীপুরে ভোটারদের মন জিততে মরিয়া প্রত্যেকে। ভবানীপুরের বেশ কিছু ওয়ার্ডে অবাঙালি ভোটারের সংখ্যা বেশী। চলতি বিধানসভা ভোটেও ওই ওয়ার্ডে এগিয়ে ছিল ভারতীয় জনতা পার্টি। ফলে ওই ওয়ার্ডে স্বভাবতই মনো্যোগ বাড়িয়েছে জোড়াফুল শিবির। সেখানেই পোস্টার পড়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামে। বাংলার বদলে হিন্দি ভাষা ব্যবহার করা হয়েছে ওই পোস্টারে, গোটা বিষয়টাই হিন্দিভাষী ভোটারদের কথা মাথায় রেখে। 

সেই ছবিই সোশ্যাল মিডিয়ায় দিয়ে বাংলাপক্ষের গর্গ চট্টোপাধ্যায়কে ওই হিন্দিতে লেখা পোস্টার খুলতে আহ্বান জানিয়েছিলেন অভিজিত বসাক নামের জনৈক নেটনাগরিক। তা শেয়ার করেই বাংলাপক্ষের প্রতিষ্টাতা-সদস্য গর্গ চট্টোপাধ্যায়কে ঠুঁকলেন বিজেপি নেতা তথাগত রায়। তিনি লিখেছেন, “গর্গকে নিয়ে ইয়ার্কি মেরো না, ও হারভার্ডে বাসন মেজেছে। একা দাঁড়িয়ে ফুচকা বিক্রি করছে, এমন কোনো বিহারী ফুচকাওয়ালার তেঁতুল জলের হাঁড়ি এক ঘুষিতে ভেঙে দিতে পারে! ওর পিছনে বড় বড় বাংলাদেশী মৌলবীরা আছে!” 

বেশ কয়েকবছর ধরেই ‘পশ্চিমবঙ্গের বাঙালির অধিকার রক্ষায়’ পথে নামছে বাংলাপক্ষ। দিনকয়েক আগেই কলকাতা শহরের বিভিন্ন জায়গায় গিয়ে অবাঙালি ব্যবসায়ীদের ‘হুমকি’ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল তাদের বিরুদ্ধে। মজা করে সোশ্যাল মিডিয়ায় অনেকেই এই সংগঠনকে শাসকদলের (পড়ুন তৃণমূল কংগ্রেস) বি টিম বলেও কটাক্ষ করে। আবার অন্যদিকে এই সংগঠনের বিক্ষোভের পরেই WBSEDCL (West Bengal State Electricity Distribution Company), পোস্টাল বিভাগের পরীক্ষায় বাধ্যতামূলক হয়েছে বাংলা। ইংরেজি না জানার অভিযোগে বরখাস্ত করা কর্মীদেরও পূনর্বহাল করা হয়েছে কাজে। ফলে তথাগত রায়ের মন্তব্য এবং তাতে গর্গ চ্যাটার্জী, বাংলাপক্ষকে টেনে আনায় দ্বিধাবিভক্ত সোশ্যাল মিডিয়া।

 

আকাশের কাছাকাছি বাবুল-মমতা ‘সঙ্গীতময়’ বৈঠক

babul supriyo had musical meeting with west bengal chief minister mamata

নিউজ ডেস্ক: নবান্নের ১৪ তলায় ‘আকাশের কাছাকাছি’ সদ্য তৃণমূলি বাবুল সুপ্রিয় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখোমুখি হলেন৷ রাজনৈতিক কথা বার্তা হলেও, এদিন বলিউড গায়ক-রাজনীতিবিদ বাবুল সুপ্রিয়ের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কার্যত একটি “সঙ্গীত সভা” করেছেন।

বাবুল সুপ্রিয় গত সপ্তাহান্তে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন৷ তার দু’দিন বাদেই তৃণমূল সুপ্রিমোর সঙ্গে দেখা করলেন বাবুল৷ প্রাক্তন কেন্দ্রীয় পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী এবং জনপ্রিয় প্লেব্যাক গায়ক কলকাতায় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে কাজ করতে এবং হৃদয় দিয়ে গান করতে বলেছেন।

সুপ্রিয় আরও বলেন, “আমি তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পেরে খুব খুশি। যে স্নেহ এবং উষ্ণতা দিয়ে তিনি আমাকে তৃণমূল পরিবারে স্বাগত জানিয়েছেন …”

babul supriyo had musical meeting with west bengal chief minister mamata

“তিনি আমাকে বলেছেন তোমার সমস্ত হৃদয় দিয়ে কাজ করুন এবং তোমার সমস্ত হৃদয় দিয়ে গান করুন। তিনি বললেন, পূজার সময় হয়েছে, তুমি গান করো”

তিনি জানান, মমতাই দলে তাঁর ভূমিকা ঠিক করবেন৷ কারণ এটি তার বিশেষাধিকার এবং এ বিষয়ে তাঁর কিছু বলার নেই। শনিবার আসানসোলের সাংসদ বলেছিলেন, তিনি বিজেপির প্রতি হতাশ। বিজেপি ছাড়ার পিছনের কারণ সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, তিনি অলস বসে থাকতে পছন্দ করেন না।

ভবানীপুরের গুঞ্জন: মমতার বিরুদ্ধে লড়লেও দ্রুত TMC দরজায় প্রিয়াঙ্কা

priyanka tibrewal

নিউজ ডেস্ক: নেহাত লড়াই করতে হয় করা তার পরেই বন্ধুর আহ্বানে তিনিও চলে যাচ্ছেন টিএমসি শিবিরে। ভবানীপুর কেন্দ্রে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালকে নিয়ে এমনই গুঞ্জন প্রবল।

এদিকে সদ্য তৃণমূলে আসা তথা প্রিয়াঙ্কার বন্ধু বাবুল সুপ্রিয় জানান, ভবানীপুরে প্রচারে নিয়ে গেলে বিড়ম্বনায় পড়ব। তবে তৃণমূল কাজ করার সুযোগ দিয়েছে বাংলার জন্য কাজ করতে চাই।

পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোলের সাংসদ বাবুল সুপ্রিয় বিজেপি ছেড়ে এখন তৃণমূল কংগ্রেসের নেতা। তাঁর বন্ধু হিসেবে পরিচিত ভবানীপুর কেন্দ্রের উপনির্বাচনে বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। মূলত অবাঙালি ভোটারদের এলাকা ভবানীপুরে ভোট টানতে অবাঙালি মুখের প্রার্থী দিয়েছে বিরোধী দল বিজেপি।

priyanka tibrewal

এদিকে বাবুল তৃণমূলে যোগ দিতেই ভবানীপুরে গুঞ্জন, বিজেপি প্রার্থী নামেই লড়ছেন। তিনিও দ্রুত দলত্যাগ করতে চলেছেন। বাবুল যেহেতু বিড়ম্বনার কথা বলেছেন তাই গুঞ্জন আরও বেশি।

ভবানীপুরে গত বিধানসভা ভোটে তৃণমূল জয়ী হয়। আর নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে পরাজিত হন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হতে ফের ভবানীপুরকেই বেছে নিয়েছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই কেন্দ্রের প্রাক্তন বিধায়ক। গত নির্বাচনে ভবানীপুর থেকে জয়ী হন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়েট। তিনি সরে দাঁড়ান। ফলে উপনির্বাচন হতে চলেছে। নির্বাচনে অপর প্রতিদ্বন্দ্বী সিপিআইএমের শ্রীজীব বিশ্বাস।

বিজয়ার পরেই বঙ্গ বিজেপিতে ‘বিচ্ছেদ সুর’ চড়া হচ্ছে

After durga puja Bjp bengal will face masive blow

নিউজ ডেস্ক: এর পর কে? ভোটের আগে টিএমসি (TMC) মহলে যখন পলাতক ভাইরাস তাড়া করছিল, রোজই প্রশ্ন ছিল এবার কে? ফল বের হতেই ছবি বদলে গিয়েছে। যদিও রাজ্যে প্রথমবার বিরোধী দল হয়েছে বিজেপি (BJP)। তবে স্বস্তি নেই একেবারে ভাগীরথীর ভাঙন ধরেছে।

পরপর বিরোধী শিবির ত্যাগ করে টিএমসি শিবিরে যেতে মরিয়া একগুচ্ছ নেতা, সাংসদ, বিধায়ক। সূত্রের খবর, বঙ্গ বিজেপি বহু চেষ্টা করে তাঁদের আটকাতেই পারেননি। এরা তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে যাবেন তা ধরেই নিয়েছে মুরলীধর সেন লেনের ক্রাইসিস ম্যানেজাররা।

এই  সংক্রান্ত আরও খবর: ‘আমি দিদির সেবক’ মন্ত্রে পুজোর পরেই লাগাতার বিসর্জনের সানাই শুনবে BJP

সবথেকে চিন্তার বিজেপির বহু নেতা, সাংসদ, বিধায়ক নীরব। সংগঠন নিচু তলায় হুড়মুড়িয়ে ভেঙে গেছে বলেই জানতে পারছে রাজ্য নেতৃত্ব। এই তালিকায় উল্লেখযোগ্যদের মধ্যে বিজেপিতে যোগ দেওয়া টলিপাড়ার শিল্পীরা যেমন আছে তেমনই আছে রূপোলি দুনিয়া থেকে রাজনীতিতে জমি পাওয়া নেত্রীরা। সূত্রের খবর, বিজেপির তাবড় দুই নেত্রীর নামে তৃণমূল সবুজ সংকেত দিয়েছে। এই তালিকায় রয়েছেন একগুচ্ছ বিধায়ক।

এই  সংক্রান্ত আরও খবর:বাবুল TMC হতেই ‘বিজেমূল’ তত্ত্বে বাম নেতাদের দুষছেন সমর্থকরা

সূত্রের খবর, আসন্ন শারোদতসবের পর বিজয়া পালন করেই বিচ্ছেদ টানতে চলেছেন বিজেপি সাংসদ বিধায়করা। তৃণমূল কংগ্রেসের দাপুটে নেতা তথা বীরভূম জেলার দলীয় সভাপতি অনুব্রত মন্ডল (কেষ্ট) জানিয়েছেন, ভয়ঙ্কর খেলা হবে। মমতা ব্যানার্জি ভয়ঙ্কর খেলা খেলবেন।

ভবানীপুর কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস জয় নিশ্চিত ধরে নিয়েছে। সদ্য তৃণমূলে আসা বাবুল সুপ্রিয়কে দিয়েই ভবানীপুরে প্রচার চালাবে টিএমসি। তাঁর পিছু আরও অনেকে লাইন দিয়েছেন, বিজেপি মহলেই খেদোক্তি প্রবল। সেই সঙ্গে কটাক্ষ, যেভাবে ভাঙাচ্ছিল তার উল্টোটা এখন হচ্ছে।

অজানা জ্বরে উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী, জেলার হাসপাতালগুলিতে বাড়তে পারে বেডসংখ্যা

নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ ছাড়িয়ে এবার জলপাইগুড়ির অজানা জ্বরের গতি দক্ষিণবঙ্গে। পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরে কমপক্ষে ৪২ জন শিশু আক্রান্ত। তাদের চিকিৎসা চলছে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে। হাসপাতালের সুপার ধীমান মন্ডল জানিয়েছেন, শিশুদের ওয়ার্ডে মোট ৫৫ টি বেডের মধ্যে ৪২ টি ভর্তি। জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের সর্দি, কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা রয়েছে।

গত এক সপ্তাহ ধরে এই সংক্রামক অজানা জ্বর জলপাইগুড়িতে হামলা করছে। চিকিৎসকরা থই পাচ্ছেন না। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শতাধিক শিশু চিকিৎসাধীন। অনেকের শ্বাসকষ্ট উপসর্গ আছে। ফলে করোনার কিছু লক্ষণের সঙ্গে মিল থাকলেও এটি করোনা সংক্রমণ নয় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

শিশুদের মধ্যে অজানা জ্বর ছড়িয়ে পড়ার কারণ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বাস্থ্য দফতরের কাছে খোঁজখবর নিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বিশেষ বৈঠকে স্বাস্থ্যসচিব সহ উপস্থিত স্বাস্থ্যকর্তাদের কাছে এই বিষয়ে জানতে চান। জ্বরের কারণ ইতিমধ্যে চিহ্নিত হয়েছে। আতঙ্কের কোনও কারণ নেই বলে স্বাস্থ্যকর্তারা মুখ্যমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছেন। অজানা জ্বরের আতঙ্ক ছাড়াও স্বাস্থ্যপরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। হাসপাতালগুলির বেড বাড়ানো, মেডিকেল কলেজে আসন সংখ্যা বাড়ানো মতো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

অজানা জ্বরের প্রভাবে জেলায় জেলায় কাবু হয়ে পড়ছে শতাধিক শিশু। জলপাইগুড়ি ছাড়িয়ে কোচবিহার ও শিলিগুড়িতেও শিশুরা এই অজানা জ্বরের কবলে। কলকাতাতেও বাড়তে শুরু করেছে জ্বরাক্রান্তদের সংখ্যা। এই ঘটনার জন্য রাজ্য সরকারকেই দায়ী করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি টুইট করে লেখেন, “ভবানীপুরের ভোট নিয়ে ব্যস্ত রাজ্য সরকার। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাচ্ছি, বাংলার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রতিনিধি দল পাঠান।” রাজ্য স্বাস্থ্য বিধি খতিয়ে দেখতে তিনি কেন্দ্রীয় প্রশাসনেরও সাহায্য চান।

করোনা এখনও যায়নি। সংক্রমণ কমলেও আছে চারপাশেই। আসন্ন শারদোৎসবের আগে করোনার দোসর হয়ে এসেছে এক অজানা জ্বর। চিকিৎসকদের একাংশের অভিযোগ, করোনা পরিস্থিতিতে উপনির্বাচন নিয়ে রাজ্য সরকার যতটা চিন্তিত, তার কণামাত্র নেই অজানা জ্বরের প্রকোপ নিয়ে। 

Time Magazine-এর ‘বিশ্বের ১০০ জন প্রভাবশালী’র তালিকায় মোদী-মমতা

নিউজ ডেস্ক: নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ভারতের দুই রাজনীতিবিদেরই বিবিধ পরিচয়। প্রথমজন দেশের প্রধানমন্ত্রী, ২০১৪ সালের মোদী ঝড়ের বেগ কমলেও তাঁর জনপ্রিয়তায় এতটুকু ভাঁটা পড়েনি। বরং আন্তর্জাতিক ক্ষেত্রে নিজের এবং ভারতের ওজন বাড়াচ্ছেন রোজই। দ্বিতীয়জন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর পদে তৃতীয়বারের জন্য বসেছেন, একক কৃতিত্বে রুখেছেন ভারতীয় জনতা পার্টিকে। এই মুহূর্তে রাজ্য নয়, জাতীয় রাজনীতিতে অন্যতম আলোচিত নামটি তাঁর। 

আরও পড়ুন জনপ্রিয়তা কমছে মোদীর, প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌড়ে দ্রুত এগোচ্ছেন মমতা

এবার টাইমসের ‘বিশ্বের মোট ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তি’দের তালিকায় জায়গা করে নিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তালিকায় জায়গা পেয়েছেন সিরাম ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়ার প্রধান নির্বাহী আদার পুুনাওয়ালাও।

টাইমস গোষ্ঠী বুধবার ‘বিশ্বের মোট ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তি’ (‘most influential people of 2021’) এর বার্ষিক তালিকা প্রকাশ করেছে। যাতে স্থান পেয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন, ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস, চীনা প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, সাসেক্সের ডিউক এবং ডাচেস প্রিন্স হ্যারি এবং মেগান। তালিকায় রয়েছেন প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং তালিবানের সহ-প্রতিষ্ঠাতা মোল্লা আবদুল গনি বড়দার নামও।

Narendra Modi and Mamata Banerjee

টাইমস এর ওয়েবসাইটে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রোফাইল বলছে, স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে ৭৪ বছরে, ভারত তিনজন গুরুত্বপূর্ণ নেতা পেয়েছে। যারা বিশ্বের দরবারে নিজেদের নাম প্রতিষ্ঠা করেছেন। জওহরলাল নেহেরু, ইন্দিরা গান্ধী এবং বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। “নরেন্দ্র মোদি তৃতীয় প্রধানমন্ত্রী, যিনি দেশের রাজনীতির উপর নিজের আধিপত্য বিস্তার করছেন।” যদিও CNN-এর বিখ্যাত সাংবাদিক ফারিদ জাকারিয়ার লেখা ওই প্রোফাইলে ভারতকে ধর্মনিরপেক্ষতা থেকে দূরে নিয়ে যাওয়া এবং সংখ্যালঘুদের (পড়ুন মুসলিম) ওপর চাপ সৃষ্টি করার জন্যও দায়ী করা হয়েছে। মমতা ব্যানার্জির সম্পর্কে বলা হয়েছে, তিনি তাঁর দলকে শুধু নেতৃত্ব দেন না। তিনিই তৃণমূল কংগ্রেস – তিনিই দল। পুরুষতান্ত্রিক সংস্কৃতিতে রাস্তায় নেমে মরিয়া মনোভাব তাঁকে বাকিদের থেকে আলাদা করেছে।

Times-এর প্রকাশ করা এই নতুন তালিকায় রয়েছেন জাপানের টেনিস খেলোয়াড় নাওমি ওসাকা, রাশিয়ান বিরোধী কর্মী আলেক্সি নাভালনি, সঙ্গীত আইকন ব্রিটনি স্পিয়ার্স, এশিয়ান প্যাসিফিক পলিসি অ্যান্ড প্ল্যানিং কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক মঞ্জুশা পি কুলকার্নি, অ্যাপলের সিইও টিম কুক, অভিনেতা কেট উইন্সলেট এবং ‘প্রথম আফ্রিকান এবং প্রথম মহিলা বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার প্রধান’ Ngozi Okonjo-Iweala।

 

নন্দীগ্রামের পর এবার ভবানীপুর, মমতার মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিজেপির

Mamata Banerjee

নিউজ ডেস্ক: আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে।

আরও পড়ুন মমতাও হেরেছেন বলেই আবার ভোটে লড়ছেন, এন্টালিতে প্রিয়ঙ্কার হার প্রসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ তথাগতর

নন্দীগ্রামের পর এবার ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মনোনয়ন বাতিলের দাবি তুললো বিজেপি। ভবানীপুর কেন্দ্রের জোড়াফুল প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিলের দাবি তুলে রিটার্নিং অফিসারকে চিঠি লিখলেন বিজেপি প্রার্থী প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়ালের নির্বাচনী এজেন্ট সজল ঘোষ।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে অসমের ৫টি থানায় এনআরসি বিরোধী আন্দোলনের সময়ে ফৌজদারি মামলা রুজু করা হয়। থানাগুলি হল গীতানগর, পান বাজার, জাগিরোড, নর্থ লখিমপুর সদর এবং উধারবন্দ থানা। মমতার বিরুদ্ধে থাকা এই মামলাগুলির তথ্য হলফনামায় দেওয়া হয়নি। এই অভিযোগই উঠেছে ভারতীয় জনতা পার্টির পক্ষ থেকে।

২০২১ বিধানসভা নির্বাচনে মমতা যখন নন্দীগ্রাম কেন্দ্রের প্রার্থী হন, তখনও একইভাবে তাঁর মনোনয়ন বাতিলের দাবি তুলেছিলেন বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি ছিল, ২০১৮ সালে মমতার বিরুদ্ধে অসমে পাঁচটি ফৌজদারি মামলা দায়ের হয়েছিল। সিবিআইয়ের কাছেও তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের হয়েছিল একটি ফৌজদারি মামলা।  কিন্তু হলফনামায় সেই তথ্য গোপন করেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। 

রাজা প্রদ্যোতের সঙ্গে জোট সম্ভাবনা, মমতার জমি শক্ত হচ্ছে ত্রিপুরায়

Mamata and Pradyot Manikya

#Tripura নিউজ ডেস্ক: বঙ্গ বিধানসভার সর্বশেষ ভোটের ফলাফলে টিএমসি ও বিজেপির দ্বৈরথে ‘ছাগলের তৃতীয় সন্তানের মতো অবস্থা’ একদা রাজ্যের দুই শাসক দলের। সে ছিল এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভার ফলাফল ঘোষিত হচ্ছিল। টিএমসি ও বিজেপির প্রার্থীদের জয় ও সংযুক্ত মোর্চার পরাজয়ের সংবাদ আসছিল। সর্বশেষে বঙ্গ বিধানসভায় শূন্য হয়ে গেল বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। মুজফ্ফর আহমেদ ভবনে সিপিআইএম রাজ্য দফতরের নেমেছিল ঘুমঘুম ভাব। বিধান ভবনে প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে অসহায় নীরবতা। জোটের শরিক একমাত্র আইএসএফের দখলে একটি আসন।

পশ্চিমবঙ্গের মতো ত্রিপুরার (Tripura) উপজাতি পার্বত্য স্বশাসিত পরিষদ (ADC) বোর্ড গঠনের ফলাফলে শূন্য প্রাপ্তি হয় বামেদের। তবে শাসক বিজেপি তাদের উপজাতি শরিক দলও পারেনি বোর্ডের দখল নিতে। আচমকা ঝড়ের মতো এসে ক্ষমতা দখল করে নিলেন রাজা প্রদ্যোত কিশোর দেববর্মা (Pradyot Bikram Manikya Deb Barma)। তাঁর দল তিপ্রা মথা উপজাতি এলাকার সদর খুমলুঙের নিয়ন্ত্রক। আগরতলার রাজনৈতিক মহলের গুঞ্জন রাজামশাইয়ের সঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সুসম্পর্ক আরও একটা চমক তৈরি করবে।

বিধানসভার মোট ৬০ টি আসন। উপজাতি এলাকার মধ্যে পড়ছে ২০টি আসন। তার প্রায় নিরানব্বই শতাংশ এলাকায় এখন তিপ্রা মথা অর্থাত রাজা প্রদ্যোতের কর্তৃত্ব। বাকি থাকে ৪০টি আসন। এতে লড়াইয়ে আছে বিরোধী দল সিপিআইএম ও কংগ্রেস। সূত্রের খবর সরকারে থাকলেও বিজেপি ক্রমে জমি হারাচ্ছে সর্বত্র।

পশ্চিমবঙ্গে টানা তিনবার জয়ী হয়েই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নজর ঘুরিয়েছেন ত্রিপুরার দিকে। ফের এই রাজ্যে টিএমসির রাজনৈতিক কর্মসূচি চলছে। দলনেত্রীর তরফে রাজ্য চষছেন সুস্মিতা দেব। অসমের শিলচরের সদ্য কংগ্রেসত্যাগী সুস্মিতা প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সন্তোষ মোহন দেবের কন্যা। তিনি রাজা প্রদ্যোত একসঙ্গে দীর্ঘ সময় কংগ্রেসে ছিলেন। পুরনো সম্পর্ক। মনে করা হচ্ছে জোটের সমীকরণে বড় ভূমিকা নিচ্ছেন সুস্মিতা দেব।

সূত্রের খবর, রাজা প্রদ্যোতের সঙ্গে সুসম্পর্ক মমতারও। তিপ্রা মথা ও টিএমসির জোটে এই সম্পর্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে। পরিস্থিতি এই দিকে গেলে তৃণমূল কংগ্রেসের জমি শক্ত হবে ত্রিপুরায়। পার্বত্য উপজাতি এলাকা শরিকদের হাতে ছেড়ে বহু পরিচিত বিজেপির বিক্ষুব্ধ নেতার শক্তিতে সমতল এলাকায় রাজনৈতিক যুদ্ধে নামবেন মমতা। সূত্র খবর, এই নেতা মনস্থির করে নিয়েছেন। শুধু বিজেপি ত্যাগ করার ঘোষণার অপেক্ষা। তাঁর নেতৃত্বে গত নির্বাচনের আগে ত্রিপুরার বিরোধী দল কংগ্রেস এক নিমেষে তৃণমূল হয়েছিল। তারই নেতৃত্বে সেই তৃণমূলীরা হয়েছেন বিজেপি। ফের তারা মমতামুখী।

যোগী সরকার নয়, উত্তরপ্রদেশ উন্নয়নে ভুল করে ‘মা’ উড়ালপুল জুড়েছিল জনপ্রিয় সংবাদপত্র

yogi adityanaths advertisement

নিউজ ডেস্ক: পরের বছরই উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন। যোগী ম্যাজিকে আবার ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখছে ভারতীয় জনতা পার্টি। তার আগেই বিতর্কে জড়াল যোগী আদিত্যনাথের সরকার। যোগী আদিত্যনাথের উন্নয়নের বিজ্ঞাপনে দিতে গিয়েই কেলেঙ্কারি। সংবাদপত্রে দেওয়া ওই বিজ্ঞাপনে কলকাতার মা উড়ালপুলের ছবি ব্যবহার করল যোগী সরকার।

আরও পড়ুন মমতার বিরুদ্ধে লড়বেন, চিনে নিন পদ্মপ্রার্থী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল


আরও পড়ুন মমতাও হেরেছেন বলেই আবার ভোটে লড়ছেন, এন্টালিতে প্রিয়ঙ্কার হার প্রসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ তথাগতর

বিজ্ঞাপনের ওই ছবি যে কলকাতার, তা উড়ালপুলের পাশের একটি হোটেলের ছবি থেকেও স্পষ্ট। শুধু তাই নয়, উড়ালপুলের উপর চলছে কলকাতার অন্যতম পরিচয় হলুদ ট্যাক্সিও। যা উত্তরপ্রদেশে দেখা যায় না। দেশের জনপ্রিয় সংবাদ প্রতিষ্ঠান ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ এর ডিজিটাল এবং প্রিন্ট, দুই মাধ্যমেই ওই ছবি প্রকাশ্যে আসার পর সমালোচনার ঝড় উঠেছিল নেট মাধ্যমে।  টুইট করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও লেখেন, ‘যোগীর কাছে উত্তরপ্রদেশের পরিবর্তন মানে বাংলার পরিকাঠামোর ছবি চুরি করা।’

যদিও বিভিন্ন মহল থেকেই বলা হচ্ছিল যে সংবাদপত্র গুলির ক্ষেত্রে এই ধরনের বিজ্ঞাপন বেসরকারি সংস্থা বা তাদের নিজস্ব বিভাগই বানিয়ে থাকে। ফলে তাদের ভুলেই ঘটেছে এই কান্ড। যোগী সরকারের তরফে পশ্চিমবঙ্গের কোনও ছবি দেওয়া হয়নি বলেও মনে করা হচ্ছে। ভারতীয় জনতা পার্টির পশ্চিমবঙ্গের মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যও বলেন, ‘‘ওই সংবাদপত্র বা বিজ্ঞাপন সংস্থা ভুল করে এটা করেছে।’’ এবার এই ঘটনার জন্য দায় স্বীকার করল জনপ্রিয় সংবাদপত্র ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’। তারা জানিয়েছে, তাদের মার্কেটিং বিভাগের ভুলেই এই বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয়েছে। এই ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়ে টুইট করেছে তারা।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের পক্ষ থেকে টুইট করে জানানো হয়েছে, ‘উত্তরপ্রদেশ নিয়ে বিজ্ঞাপনের কভারে আমাদের সংবাদপত্রের মার্কেটিং বিভাগ একটি ভুল ছবি ব্যবহার করেছে। সংবাদপত্রের সব ডিজিটাল মাধ্যম থেকে ওই ছবি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

‘ভবানীপুরে মমতা হারলে ওদের পার্টিটাও উঠে যাবে’: দিলীপ ঘোষ

Mamata-Dilip

নিউজ ডেস্ক: আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে।

নির্বাচন কমিশন উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই, ভবানীপুরসহ তিন কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রত্যাশা মতোই এবার ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী। উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। ভবানীপুরে প্রিয়ঙ্কার জয়ের ব্যাপারে ১০০ শতাংশ নিশ্চিত দিলীপ ঘোষ।

Dilip Ghosh and Mamata Banerjee
মমতাকে কটাক্ষ দিলীপের।

গতকালই সোশ্যাল মিডিয়ায় তথাগত রায় লিখেছিলেন, ‘মুলোরা এমন ভাব করছে যেন মমতা উপনির্বাচন জিতেই বসে আছেন ! কিন্তু উপনির্বাচনটা হচ্ছে কেন? মমতা হেরে গিয়েছিলেন বলেই না ! সুপার হেভিওয়েট হওয়া সত্ত্বেও ! প্রিয়াঙ্কা যেমনি এন্টালিতে হেরেছিলেন মমতা তেমনি নন্দীগ্রামে হেরেছিলেন। যিনি একবার হেরেছেন তিনি দ্বিতীয়বারও হারতে পারেন!’ এবার খানিকটা একই সুর শোনা গেল রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের গলায়তেও। তিনি বলেন, ‘ভারতীয় জনতা পার্টি জেতার জন্যই ভবানীপুরে লড়াই করছে। ভবানীপুরে আমাদের প্রার্থীই জিতবে। মমতা ব্যানার্জি মুখ্যমন্ত্রী না থাকলে গোটা তৃণমূল পার্টিটাই উঠে যাবে। মমতা ব্যানার্জি হারার ভয় পাচ্ছেন। তাই সব মন্ত্রীদের পাড়ায় পাড়ায় ঘোরাচ্ছেন।’

২০১৪ সালে মোদী ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছিল বিরোধীরা। ক্ষমতায় এসেছিল এনডিএ সরকার (NDA)। সেবছরেরই আগস্টে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। শুরুতেই দলের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ পরিচালনা করেছেন। ছ’বছর পর, ২০২০ সালের আগস্টে তাঁকে পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার (বিজেওয়াইএম) সহ-সভাপতি করা হয়। 

BJP: Priyanka Tibriwal with Modi

২০১৫ সালে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে কলকাতা পৌর পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এই তরুণ নেত্রী। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের স্বপন সমাদরের কাছে হেরে যান। চলতি বিধানসভা নির্বাচনে দলের প্রতীকে এন্টালি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, কিন্তু ৫৮২৫৭ ভোটের ব্যবধানে তৃণমূলের স্বর্ণকমল সাহার কাছে হেরে যান। কর্পোরেশন ইলেকশনেও জিততে পারেননি বলে তঁকে ক্রমাগত কটাক্ষ করছেন তৃণমূল সমর্থকরা। অন্যদিকে, মমতাকে মুখ্যমন্ত্রী পদ থেকে প্রিয়ঙ্কাই সরাবেন, এমনটাই মত দিলীপ ঘোষ-সহ বিজেপির রাজ্য নেতৃত্বের।

পদ্মশিবিরের দুই সাংসদ অর্জুন সিং এবং জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো এবং রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সিংকে পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভবানীপুর কেন্দ্রের আটটি ওয়ার্ড পর্যবেক্ষণে রাখবেন একজন করে বিজেপি বিধায়ক। তাঁদেই মাথায় থাকবেন দুই সাংসদ। 

একই সময়ে নির্বাচন ও ভোট গণনা হবে রাজ্যের আরো দুই আসন সমশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরে। ভবানীপুর-সহ বাকি ৭টি বিধানসভা আসনে ভোট করানোর দাবিতে বার বার কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের দাবি ছিল, রাজ্যো করোনা সংক্রমণ অনেকটাই কম। তাই ভোট করানো যেতে পারে।

তৃণমূল মোট ২১৩ টি সিট পেয়ে ক্ষমতায় এসেছিল বিধানসভা নির্বাচনে। তারপরেও ভারতীয় জনতা পার্টি থেকে প্রায় ছ’জন বিধায়ক যোগ দিয়েছেন রাজ্যের শাসকদলে। সেই সংখ্যাটাও আরও বাড়তে পারে। এবার উপনির্বাচনে সেই আসন সংখ্যা আরও বাড়ানোর সুযোগ এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের কাছে।

মমতাও হেরেছেন বলেই আবার ভোটে লড়ছেন, এন্টালিতে প্রিয়ঙ্কার হার প্রসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ তথাগতর

নিউজ ডেস্ক: আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে। সে কথাই যেন তৃণমূল সুপ্রিমোকে মনে করিয়ে দিলেন বিজেপি (BJP) নেতা তথাগত রায়।

আরও পড়ুন মমতার বিরুদ্ধে লড়বেন, চিনে নিন পদ্মপ্রার্থী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল

নির্বাচন কমিশন উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই, ভবানীপুরসহ তিন কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রত্যাশা মতোই এবার ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী। উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। ২০১৪ সালে মোদী ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছিল বিরোধীরা। ক্ষমতায় এসেছিল এনডিএ সরকার (NDA)। সেবছরেরই আগস্টে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। শুরুতেই দলের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ পরিচালনা করেছেন। ছ’বছর পর, ২০২০ সালের আগস্টে তাঁকে পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার (বিজেওয়াইএম) সহ-সভাপতি করা হয়। 

BJP: Priyanka Tibriwal with Modi

২০১৫ সালে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে কলকাতা পৌর পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এই তরুণ নেত্রী। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের স্বপন সমাদরের কাছে হেরে যান। চলতি বিধানসভা নির্বাচনে দলের প্রতীকে এন্টালি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন, কিন্তু ৫৮২৫৭ ভোটের ব্যবধানে তৃণমূলের স্বর্ণকমল সাহার কাছে হেরে যান। কর্পোরেশন ইলেকশনেও জিততে পারেননি, তিনি মুখ্যমন্ত্রীকে হারানোর স্বপ্ন দেখছেন। একথা বলেই প্রিয়ঙ্কা এবং গেরুয়া শিবিরকে ক্রমাগত কটাক্ষ করছেন তৃণমূল সমর্থকরা। তাদেরই একহাত নিলেন তথাগত রায়।

বিজেপি (BJP) নেতা তথাগত রায়ের সেই ফেসবুক পোস্ট।

সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লিখেছেন, ‘মুলোরা এমন ভাব করছে যেন মমতা উপনির্বাচন জিতেই বসে আছেন ! কিন্তু উপনির্বাচনটা হচ্ছে কেন? মমতা হেরে গিয়েছিলেন বলেই না ! সুপার হেভিওয়েট হওয়া সত্ত্বেও ! প্রিয়াঙ্কা যেমনি এন্টালিতে হেরেছিলেন মমতা তেমনি নন্দীগ্রামে হেরেছিলেন। যিনি একবার হেরেছেন তিনি দ্বিতীয়বারও হারতে পারেন!’

May be an image of 2 people and indoor

পদ্মশিবিরের দুই সাংসদ অর্জুন সিং এবং জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো এবং রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সিংকে পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভবানীপুর কেন্দ্রের আটটি ওয়ার্ড পর্যবেক্ষণে রাখবেন একজন করে বিজেপি বিধায়ক। তাঁদেই মাথায় থাকবেন দুই সাংসদ। 

একই সময়ে নির্বাচন ও ভোট গণনা হবে রাজ্যের আরো দুই আসন সমশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরে। ভবানীপুর-সহ বাকি ৭টি বিধানসভা আসনে ভোট করানোর দাবিতে বার বার কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের দাবি ছিল, রাজ্যো করোনা সংক্রমণ অনেকটাই কম। তাই ভোট করানো যেতে পারে।

তৃণমূল মোট ২১৩ টি সিট পেয়ে ক্ষমতায় এসেছিল বিধানসভা নির্বাচনে। তারপরেও ভারতীয় জনতা পার্টি থেকে প্রায় ছ’জন বিধায়ক যোগ দিয়েছেন রাজ্যের শাসকদলে। সেই সংখ্যাটাও আরও বাড়তে পারে। এবার উপনির্বাচনে সেই আসন সংখ্যা আরও বাড়ানোর সুযোগ এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের কাছে।

মমতার বিরুদ্ধে লড়বেন, চিনে নিন পদ্মপ্রার্থী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল’কে

Priyanka Tibriwal

নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুরে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে লড়াইয়ে শেষপর্যন্ত মহিলা প্রার্থীকেই এগিয়ে দিল বিজেপি (BJP)। উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল।

আরও পড়ুন হেরো মমতা শূন্য সিপিএম;দলত্যাগী ভাইরাস বিজেপি, ভবানীপুরে ভোট!

আগামী একমাস রাজ্য রাজনীতির নজর থাকবে কলকাতার ভবানীপুরে। এখানেই ভাগ্য নির্ধারণ হবে বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা নয়, ভাগ্য নির্ধারণ হবে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতার। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যপাধ্যায়। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে। কিন্তু বিজেপি প্রাত্থী তাঁকে কতটা ‘ফাইট’ দিতে পারবে তা নিয়েই এখন জল্পনা রাজনৈতিক মহলে।

Priyanka Tibriwal with Modi

কে এই প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল ?

কলকাতা হাই কোর্টের অ্যাডভোকেট প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। বাবুল সুপ্রিওর আইনি উপদেষ্টাও ছিলেন তিনি। এর আগে ২০১৫ সালে বিজেপি প্রার্থী হিসেবে কলকাতা পৌর পরিষদ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন এই তরুণ নেত্রী। কিন্তু তৃণমূল কংগ্রেসের স্বপন সমাদরের কাছে হেরে যান।

বাবুল সুপ্রিওর আইনি উপদেষ্টা ছিলেন প্রিয়ঙ্কা।

২০১৪ সালে মোদী ঝড়ে খড়কুটোর মতো উড়ে গিয়েছিল বিরোধীরা। ক্ষমতায় এসেছিল এনডিএ সরকার (NDA)। সেবছরেরই আগস্টে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন তিনি। শুরুতেই দলের বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ পরিচালনা করেছেন। ছ’বছর পর, ২০২০ সালের আগস্টে তাঁকে পশ্চিমবঙ্গের ভারতীয় জনতা যুব মোর্চার (বিজেওয়াইএম) সহ-সভাপতি করা হয়। চলতি বিধানসভা নির্বাচনে দলের প্রতীকে এন্টালি বিধানসভা কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন কিন্তু ৫৮২৫৭ ভোটের ব্যবধানে তৃণমূলের স্বর্ণকমল সাহার কাছে হেরে যান।

১৯৮১ সালের ৭ জুলাই কলকাতায় জন্ম প্রিয়ঙ্কার। ওয়েল্যান্ড গোল্ডস্মিথ স্কুলে পড়াশোনা শুরু। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হন। ২০০৭ সালে কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে হাজরা ল কলেজ থেকে আইন ডিগ্রি পেয়ে প্র্যাকটিস শুরু করেন।

নির্বাচন কমিশন উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই, ভবানীপুরসহ তিন কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। প্রত্যাশা মতোই ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী নিজে। জল্পনা চলছিল পদ্মশিবিরের প্রার্থী কে হবেন তাই নিয়ে। শিক্ষক দিবসের এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ‘কে বলেছিল আপনাকে নন্দীগ্রামে আসতে ? এখন যদি আমাকে পার্টি বলে ভবানীপুরে আপনার বিপক্ষে দাঁড়াতে কী হবে তাহলে? আপনি নন্দীগ্রাম গিয়েছিলেন। এবার আমি এখানে আসি? মনে রাখবেন ওখানে কিন্তু ১৯৫৬ ভোটে হারিয়ে দিয়েছি, যেখানে ২৪ শতাংশ দুধেল গাই ছিল।’

ফলে গুঞ্জন উঠেছিল, নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছেড়ে আবার ভোটে লড়বেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা। যদিও সে বিতর্ক থামিয়ে দেন রাজ্য সভাপতি দীলিপ ঘোষ, জানিয়ে দেন শুভেন্দু প্রার্থী হবেন না। আলোচনায় ছিল রুদ্রনীল ঘোষের নামও। যদিও শেষবেলায় দৌড়ে অনেকটাই এগিয়ে যান তরুণ আইনজীবী। কালই ঠিক হয়, মমতার বিরুদ্ধে লড়বেন প্রিয়ঙ্কা।

‌ভবানীপুরে মমতার মনোনয়ন, গোরু খোঁজার মতো প্রার্থী খুঁজছে BJP

Mamata Banerjee

নিউজ ডেস্ক: সরকার পক্ষের মনোনয়ন পেশ। বিরোধীপক্ষ গোরু খোঁজার মতো প্রার্থী খুঁজছে। তৃতীয়পক্ষ শূন্য সিপিআইএম পর্যন্ত প্রার্থী দিয়েছে। সব মিলে শুক্রবার উপনির্বাচনের ঢাকে কাঠি পড়ছে।

ভবানীপুর কেন্দ্রে ফের প্রার্থী হতে মনোনয়ন জমা দেবেন মুখ্যমন্ত্রী তথা প্রাক্তন বিধায়ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর মনোনয়ন পেশ নিয়ে রাজনৈতিক মহল সরগরম।

সরকারে থাকা তৃণমূল এগিয়ে। নির্বাচনে এই কেন্দ্র টিএমসির দখলে গিয়েছে। তবে নন্দীগ্রামে মুখ্যমন্ত্রী হেরে যান। তাঁর দল জিতে যায় রাজ্যে। তিনি প্রাক্তন বিধায়ক হয়েই কুর্সিতে বসেন। নিয়মানুসারে ছয়।মাসের মধ্যে মমতা কে বিধায়ক হিসেবে নির্বাচিত হতে হবে। ইতিমধ্যে দলনেত্রীকে বিধানসভান নিয়ে যেতে সেফ আসন হিসেবে ভবানীপুরকেই বেছে নেয় টিএমসি। জয়ী বিধায়ক শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় বিধায়কপদ ত্যাগ করেন।

এই কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেস দলনেত্রীর জয়ের বিষয়ে আশাবাদী। শুধু মার্জিন বাড়িয়ে নেওয়ার জন্য নেতা কর্মীরা ঝাঁপ মারতে তৈরি। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেরকমই নির্দেশ দিয়েছেন।

তবে বিরোধী দল বিজেপির অন্দরে আলোড়ন। মমতার বিরুদ্ধে নন্দীগ্রামে ছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জিতে এখন বিরোধী নেতা। এবার কে দাঁড়াবে ভবানীপুরে, হন্যে হয়ে মুখ খুঁজছে বিরোধী দল।

বিধানসভাবিধায়ক ভোটে নজিরবিহীনভাবে ভাবে শূন্য হয়ে গিয়েছে বামফ্রন্ট। তবে তাদের তরফে মমতার বিরুদ্ধে প্রার্থী হয়েছেন তরুন আইনজীবী শ্রীজীব বিশ্বাস।

ভবানীপুর কেন্দ্র আসন্ন উপনির্বাচনের চরম কৌতূহলের কেন্দ্র। এখানে লড়াই হচ্ছে বিধানসভায় আশাহত তিন পক্ষের মধ্যে। প্রথম পক্ষ তৃণমূলের নেত্রী যিনি নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মুখ তিনি নন্দীগ্রামেই পরাজিত হয়ে চরম ‘বেদনাহত’।

দ্বিতীয়পক্ষ আশাহত বিজেপি যারা মনে করেছিল রাজ্যে প্রথমবার সরকার গড়বে। এখন দলত্যাগী ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ক্রমাগত বিধায়ক সংখ্যা কমছে তাদের।

তৃতীয়পক্ষ শূন্য বামেরা সব হারিয়ে ভাঁড়ে মা ভবানীর মতো পরিস্থিতি। ভবানীপুরে ফের ভোট হবে।

‘হেরো’ মমতা-‘শূন্য’ সিপিএম-‘দলত্যাগী ভাইরাস’ বিজেপি, ভবানীপুরে ভোট!

Mamata Banerjee

নিউজ ডেস্ক: এমন ভোট কখনও হয়নি। বঙ্গ রাজনীতির সেই স্বাধীনতা পূর্ববর্তী সময় মুসলিম লীগ সরকার থেকে স্বাধীনতা পরবর্তী কংগ্রেস, যুক্তফ্রন্ট, বামফ্রন্টের আমলে এমনটা হয়নি। নজিরবিহিন হয়ে গিয়েছে সর্বশেষ বিধানসভার নির্বাচন। তৃণমূল কংগ্রেসের দশ বছরের সরকার চালিয়ে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) হেরে গিয়েছেন নন্দীগ্রাম থেকে। তবে তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে তৃতীয়বার সরকার গড়েছে। প্রথমবার বিজেপি রাজ্যে বিরোধী দল আর গোহারা হেরে শূন্য হয়েছে একদা শাসক সিপিআইএম।

নির্বাচনে মুখ্যমন্ত্রী হেরেও দলীয় শক্তির জোরে ফের কুর্সিতে। তাঁকে আইনত জয়ী বিধায়ক হিসেবে বিধানসভায় আসতে হবে। প্রাক্তন বিধায়ক মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তাই উপনির্বাচনের পরীক্ষা দেবেন। সেই পুরনো কেন্দ্র ভবানীপুর থেকে। যেখান থেকে গত বিধানসভার ভোটে জয়ী হয়েছিলেন।

কলকাতার ভবানীপুর ঘিরে এখন তিনটি শব্দ- ‘মমতার কী হবে’। তৃণমূল বলছে, দেশের একমাত্র মোদী বিরোধী মুখ মমতাকে জিতিয়ে দেবেন ভবানীপুরবাসী। যেমন তারা এবারের ভোটে তাঁরই মনোনীত শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়কে জয়ী করেছেন। বিরোধী দল বিজেপির কটাক্ষ, ‘হেরো মমতা’ নিজেকে বাঁচাতে মরিয়া। শূন্য হয়ে যাওয়া বামেরা নীরব। তবে তারাও হেরো তকমা দিচ্ছে মু়খ্যমন্ত্রীকে।

ভবানীপুর কেন্দ্র আসন্ন উপনির্বাচনের চরম কৌতূহলের কেন্দ্র। এখানে লড়াই হচ্ছে বিধানসভায় আশাহত তিন পক্ষের মধ্যে। প্রথম পক্ষ তৃণমূলের নেত্রী যিনি নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মুখ তিনি নন্দীগ্রামেই পরাজিত হয়ে চরম ‘বেদনাহত’।

দ্বিতীয়পক্ষ আশাহত বিজেপি যারা মনে করেছিল রাজ্যে প্রথমবার সরকার গড়বে। এখন দলত্যাগী ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে ক্রমাগত বিধায়ক সংখ্যা কমছে তাদের। তৃতীয়পক্ষ শূন্য বামেরা সব হারিয়ে ভাঁড়ে মা ভবানীর মতো পরিস্থিতি। ভবানীপুরে ফের ভোট হবে।

ভবানীপুরকে পাখির চোখ করতে অর্জুনেই ভরসা বিজেপির

নিউজ ডেস্ক: আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে।

আরও পড়ুন কয়লাকাণ্ডে ইডির জেরা শেষে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন অভিষেক

নির্বাচন কমিশন উপনির্বাচনের দিন ঘোষণা হওয়ার পর ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই, ভবানীপুরসহ তিন কেন্দ্রের প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রত্যাশা মতোই এবার ভবানীপুরের তৃণমূল প্রার্থী মুখ্যমন্ত্রী। বিজেপির রুদ্রনীল ঘোষকে হারিয়ে দেওয়ার পরেও মুখ্যমন্ত্রীকে আসন ছেড়ে দিয়েছেন তৃণমূলের প্রবীন নেতা শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়। 

নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ভোট গণনা হবে ৩ অক্টোবর। এবার মমতার বিরুদ্ধে কে হবেন ভবানীপুরের পদ্মশিবিরের প্রার্থী? রাজ্য রাজনীতিতে জোর জল্পনা এর উত্তর নিয়েই। ভবানীপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচনে তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কে লড়বেন, তা বাছতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হচ্ছে গেরুয়া শিবিরকে। তবে তারই মধ্যে পর্যবেক্ষক নিয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে ফেলল বিজেপি।

পদ্মশিবিরের দুই সাংসদ অর্জুন সিং এবং জ্যোতির্ময় সিং মাহাতো এবং রাজ্যের সাধারণ সম্পাদক সঞ্জয় সিংকে পর্যবেক্ষকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি ভবানীপুর কেন্দ্রের আটটি ওয়ার্ড পর্যবেক্ষণে রাখবেন একজন করে বিজেপি বিধায়ক। তাঁদেই মাথায় থাকবেন দুই সাংসদ। 

একই সময়ে নির্বাচন ও ভোট গণনা হবে রাজ্যের আরো দুই আসন সমশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরে। ভবানীপুর-সহ বাকি ৭টি বিধানসভা আসনে ভোট করানোর দাবিতে বার বার কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের দাবি ছিল, রাজ্যো করোনা সংক্রমণ অনেকটাই কম। তাই ভোট করানো যেতে পারে।

তৃণমূল মোট ২১৩ টি সিট পেয়ে ক্ষমতায় এসেছিল বিধানসভা নির্বাচনে। তারপরেও ভারতীয় জনতা পার্টি থেকে প্রায় ছ’জন বিধায়ক যোগ দিয়েছেন রাজ্যের শাসকদলে। সেই সংখ্যাটাও আরও বাড়তে পারে। এবার উপনির্বাচনে সেই আসন সংখ্যা আরও বাড়ানোর সুযোগ এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের কাছে।

‘আমি দিদির সেবক’ মন্ত্রে পুজোর পরেই লাগাতার বিসর্জনের সানাই শুনবে BJP

Abhisekh Banerjee

নিউজ ডেস্ক: ‘শুধু আসা আর যাওয়া…’। এই যাতায়াতের মাঝে একটি মন্ত্র গুঞ্জরিত বিরোধী দল বিজেপি (BJP) শিবিরে-‘আমি দিদির সেবক’। যাঁরা নির্বাচনের আগে তৃণমূলে থেকে দমবন্ধ হয়ে আসছিল তারাই এখন মমতা (Mamata Banerjee) শিবিরে যেতে মরিয়া। বিজেপি রাজ্য দফতরের হিসেবে দুর্গা পূজার দশমীর পরেই বিসর্জনের বাজনা বাজতে চলেছে। সূত্রের খবর, এক ডজন বিধায়ক তৃণমূল কংগ্রেসে যাচ্ছেন।

Read More: কয়লাকাণ্ডে ইডির জেরা শেষে বিজেপিকে চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন অভিষেক

উপনির্বাচনের ফলাফল সরকারপক্ষে যাচ্ছে তাতে নিশ্চিত বিরোধী দল বিজেপি। রাজ্য নেতৃত্বের কাছে আরও নিশ্চিত খবর, বাঁকুড়ার শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউরির পক্ষত্যাগ। তিনি তৃণমূলে যাচ্ছেন-এমনই বার্তা এসেছে জেলা বিজেপি নেতৃত্বের তরফে। চন্দনা বাউরি সম্প্রতি বিতর্কিত ব্যক্তিগত বিষয়ে জড়িয়ে রাজ্যে নতুন করে আলোচিত। ভোটের আগে তাঁর নিম্নবিত্ত আটপৌরে জীবন ছিল তীব্র আলোচিত।

BJP party Office

পশ্চিমবঙ্গ প্রদেশ বিজেপি চন্দনা বিসর্জনের দিন গুনছে। তেমনই ক্যালকুলেশন চলছে আর কে কে যাচ্ছেন তৃণমূল শিবিরে। সূত্রের খবর, উত্তরবঙ্গে বিরাট ধ্বস নামছে বিজেপিতে। পাল্লা দিচ্ছে দক্ষিণবঙ্গ।

বিধানসভা ভোটে ৭৭টি আসনে জিতে বিজেপি রাজ্যে অভূতপূর্ব সাফল্য পেয়েছে। প্রথমবার রাজ্যে এতবড় সফলতা ও বিরোধী দলের তকমা নিয়ে বিধানসভা ভবনে যাওয়ার পরেই আচমকা মুকুল রায়ের পক্ষত্যাগ আর তার পরেই শুরু তৃণমূল কংগ্রেসে যোগদান পালা। প্রদেশ বিজেপি নেতৃত্বের একাংশের ধারণা, যেভাবে ভোটের আগে হুড়মুড়িয়ে এসেছিল সবাই এখন বিসর্জন বাদ্যিতে যাওয়ার অপেক্ষা।

আপাতত বিজেপি বিধায়ক ৭১ জন। দুর্গা পুজোর পর ৫০ এর নিচেও চলে যাবে দলের শক্তি। পরিস্থিতি ঘোরতর। মুরলীধর সেন লেনের পক্ষে কাউকে আটকানোর ক্ষমতা নেই। কারণ জয়ী বিধায়কদের কেউ বিজেপি নন, ভিন্ন রাজনৈতিক দৃষ্টির সুযোগসন্ধানী।