‘इंडिया’ गठबंधन की बुधवार को दिल्ली में बैठक होने की संभावना: शरद पवार

मुंबई :  एनसीपी (शरद पवार) प्रमुख शरद पवार ने मंगलवार को कहा कि भविष्य की रणनीति तय करने के लिए इंडिया गठबंधन के नेता बुधवार को दिल्ली में बैठक करेंगे। साथ ही यह भी कहा कि विपक्षी दल के सरकार बनाने की संभावना नहीं है।

एक संवाददाता सम्मेलन में बोलते हुए जब रुझानों से संकेत मिला कि भाजपा लोकसभा चुनाव में अपने दम पर बहुमत हासिल नहीं कर सकती है, तो मीडिया रिपोर्टों के विपरीत, पवार ने कहा कि उन्होंने जद (यू) नेता नीतीश कुमार या टीडीपी प्रमुख चंद्रबाबू नायडू से बात नहीं की है।

पवार ने कहा, “मैंने मल्लिकार्जुन खड़गे और सीताराम येचुरी से बात की। भारतीय गठबंधन की बैठक कल दिल्ली में होने की संभावना है। अंतिम निर्णय आज शाम तक होने की उम्मीद है। तदनुसार, मैं दिल्ली में रहूंगा।”

इस सवाल पर कि अगला प्रधानमंत्री कौन होगा, पवार ने कहा, ”हमने इस पर विचार नहीं किया है।”

उन्होंने कहा, “मुझे यकीन नहीं है कि इंडिया गठबंधन सरकार बना सकता है या नहीं। हम कल मिलेंगे और भविष्य की कार्रवाई पर सर्वसम्मति से निर्णय लेंगे।”

उन्होंने कहा कि उत्तर प्रदेश के नतीजों ने भारत गठबंधन को एक नई दिशा दी है, उन्होंने कहा कि जहां भी भाजपा जीत रही थी, वहां भी पिछली बार की तुलना में उसकी जीत का अंतर कम था।

उन्होंने अपनी पार्टी के प्रदर्शन पर भी संतोष जताया और कहा कि उसने दस सीटों पर चुनाव लड़ा और सात पर आगे है।

आई.एन.डी.आई.ए गठबंधन पर नहीं पड़ेगा असर : शरद पवार

राष्ट्रवादी कांग्रेस पार्टी (एनसीपी) प्रमुख शरद पवार ने रविवार को कहा कि चार राज्यों में विधानसभा चुनाव के नतीजों का आई.एन.डी.आई.ए. गठबंधन पर कोई प्रभाव नहीं पड़ेगा जिसमें कांग्रेस के नेतृत्व में 25 से अधिक विपक्षी दल शामिल हैं। उनका यह बयान तब आया है जब भारतीय जनता पार्टी (भाजपा) मध्य प्रदेश, राजस्थान और छत्तीसगढ़ में चुनाव जीतने के लिए तैयार है, जबकि कांग्रेस तेलंगाना में आगे चल रही है.पवार ने कहा कि लोगों को यह स्वीकार करना चाहिए कि मौजूदा रुझान भाजपा के पक्ष में हैं और तेलंगाना के बारे में कुछ भी कहना जल्दबाजी होगी, जहां बीआरएस कांग्रेस से पीछे चल रही है।लोकसभा और विधानसभा काफी अलग होते हैं. जैसी लड़ाई होगी उसी हिसाब से पता चलेगा कि लोकसभा में क्या होगा… लड़ाई में मेहनत करने में क्या है, हार-जीत तो होती रहती है। उन्होंने यह भी कहा कि राहुल गांधी की रैली को तेलंगाना में भारी प्रतिक्रिया मिली जिससे बदलाव की उम्मीदें बढ़ीं। वहीं, सुप्रिया सुले ने कहा कि ये लिटमस टेस्ट नहीं है।

পাওয়ার প্লে? প্যাঁচে পড়লেন মমতা! কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্বে নারাজ শিব সেনা

Shiv Sena slams Mamata’s no UPA remark

News Desk: দলীয় মুখপত্রে শিব সেনার হুঁশিয়ারি এমন, যদিও তিনি (মমতা) পশ্চিমবঙ্গ থেকে কংগ্রেস, বাম ও বিজেপিকে শেষ করেছেন, কিন্তু জাতীয় রাজনীতিতে কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব রাখলে ফ্যাসিস্ট শক্তিকে আরও বেশি শক্তিশালী করা হবে’। এই হুঁশিয়ারি আসলে ‘সামনা’ সংবাদপত্রের সম্পাদকীয়। সেটি প্রকাশ করা হলো, তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীর মহারাষ্ট্র সফরের পর।

রাজনৈতিক মহলের বিশ্লেষণ, মুম্বই থেকে খালি হাতেই ফিরতে হয়েছে মমতাকে। তিনি যে লক্ষ্য নিয়ে মম্বই গিয়েছিলেন তা সফল হলনা। কারণ ‘সামনা’ শিব সেনার মুখপত্র। তার সম্পাদকীয় মানে শিব সেনার অবস্থান।

তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিজেপি বিরোধী ভূমিকার উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করা হয়েছে শিব সেনা মুখপত্রে। তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রীকে বাঘিনীর সঙ্গেও তুলনা করা হয়েছে। এতে মমতার প্রশংসা করে লেখা হয়েছে, বিজেপির বিরুদ্ধে মমতা যেভাবে তৃণমূল কংগ্রেসের নেতৃত্ব দিয়েছেন তাকে শিবসেনা কুর্ণিশ জানায়।

তবে বিশ্লেষণে এও উঠে আসছে, কংগ্রেসের কূটচালে পরাজিত হয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। মহারাষ্ট্র বিধানসভায় যে অবিজেপি জোট সরকার ক্ষমতাসীন। তার মুখ্যমন্ত্রী শিব সেনা প্রতিষ্ঠাতা বালা সাহেব ঠাকরের পুত্র উদ্ভব ঠাকরে। সরকার চলছে এনসিপি ও কংগ্রেস সমর্থনে। তারাই সরকারের অন্যতম দুই বড় শরিক। কোনওভাবেই দুই শরিককে চটিয়ে মমতার পক্ষ নিতে চাইছেন না উদ্ভব।

মনে করা হচ্ছে, মমতাকে বার্তা দেওয়ার পিছনে কাজ করেছে পাওয়ার প্লে। প্রবীণ এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ারের কূটনৈতিক চালেই মহারাষ্ট্রে সরকার গড়েছে অবিজেপি জোট। সেই জোটের কংগ্রেস ও এনসিপি ঘনিষ্ঠ। মমতার নো ইউপিএ অবস্থান মেনে নিতে পারেননি পাওয়ার।

রাজনৈতিক চাপের মুখে মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরে অসুস্থতার কারণে মমতা সাক্ষাৎ এড়িয়ে গিয়েছেন। এর পিছনেও পাওয়ার প্লে কাজ করেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

শিব সেনার মুখপত্রের সম্পাদকীয় হুঁশিয়ারি তৃণমূল কংগ্রেসের কাছে ঘুরপথে কংগ্রেসের বার্তা। আর এই বার্তার পিছনে আছে সোনিয়া গান্ধী ঘনিষ্ঠ শারদ পাওয়ার।

Mamata Banerjee: আরব সাগর তীরে ডুবলেন মমতা ? ক্ষণিকের বন্ধু ‘বিশ্বাসঘাতক’

mamata banerjee in mumbai

News Desk: মহারাষ্ট্রে তেমন সাড়া মিলছে না। সিদ্ধিবিনায়ক আশীর্বাদ পেতে পুজো দিলেও ঈশ্বর কি মু়খ ফিরিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) দিক থেকে এমনই আলোচনা মুম্বই থেকে জাতীয়স্তরে। গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে ক্ষণিকের বন্ধু গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টি টিএমসির ছায়া পরিত্যাগ করেছে। আপাতত তারা কংগ্রেসের দিকে।

পশ্চিমবঙ্গে তিনবার জয়ী হয়ে পশ্চিম ভারতের গোয়া বিধায়নসভা যুদ্ধে নেমেছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী। তাঁর সঙ্গে এসেছেন গোয়ার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী। তবে যাকে নিয়ে বিরাট আশা ছিল টিএমসির সেই গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির ঘোষণা, কংগ্রেসের সঙ্গেই তারা আছে। গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টি প্রধান বিজয় সরদেশাই সম্প্রতি তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তুমুল প্রশংসা করেন।

টিএমসির ভোটকুশলীরা গোয়ার সমীকরণে নিজেদের তুলে ধরতে গোয়া ফরওয়ার্ড পার্টির সঙ্গে বিস্তর যোগাযোগ করেন। তবে সব আশায় জল ঢেলে দিয়েছে দলটি। ফলে টিএমসির তরফে দলটিকে এখন বিশ্বাসঘাতক বলেই চিহ্নিত করা হচ্ছে।

এদিকে মুম্বইতেও ক্ষমতাসীন শিবসেনা জোট সরকারের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরে অসুস্থ তাই তিনি দেখা করেননি মমতার সঙ্গে। মুম্বই রাজনৈতিক মহলে খবর, গোপনে আড়কাঠি চেলেছেন প্রবীণ এনসিপি নেতা শারদ পাওয়ার। তিনিই বিজেপি বিরোধী পাওয়ার প্নে জনক।

Mamata Banerjee: আজ মুম্বইতে মমতার একাধিক কর্মসূচি

Mamata Banerjee in mumbai

নিউজ ডেস্ক, মুম্বই: মঙ্গলবার সন্ধ্যায় পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) মুম্বই গিয়ে সিদ্ধিবিনায়ক মন্দিরে (Siddhivinayak Mumbai) পুজো দিয়ে মহারাষ্ট্রের শাসকদলের শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাত্‍ করেছেন।

বুধবার সফরের দ্বিতীয় দিনে শিল্পমহল, নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পাশাপাশি শরদ পওয়ারের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে তাঁর। তৃণমূল সূত্রের খবর, আজ মুম্বইয়ে মমতার দ্বিতীয় দিনের কর্মসূচি। দুপুর ১টা ১৫ মিনিট নাগাদ নরিম্যান পয়েন্টের ওয়াইবি চহ্বন সেন্টারে মমতার নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা।

জানা গিয়েছে, জাভেদ আখতার এবং সুধীন্দ্র কুলকার্নি এই বৈঠকের আয়োজন করেছেন। দিন কয়েক আগে দিল্লিতে মমতার সঙ্গে দেখা করেছিলেন সুধীন্দ্র এবং জাভেদ। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকের পর মমতা যাবেন এনসিপি নেতা শরদ পওয়ারের (sharad pawar) বাড়ি। সেখানে তাঁর পওয়ারের সঙ্গে বৈঠক রয়েছে। বুধবার বিকেল ৫টায় ফোর সেশনস হোটেলে রাজ্যে শিল্প বিস্তারের লক্ষ্যে মুম্বইয়ের শিল্প মহলের সঙ্গেও দেখা করবেন মুখ্যমন্ত্রী।  

প্রসঙ্গত, মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরের সঙ্গেও মঙ্গলবার দেখা করার কথা ছিল মমতার। কিন্তু শারীরিক অসুস্থতার জন্য হাসপাতালে তিনি ভর্তি হয়েছেন। তাই উদ্ধবের ছেলে আদিত্য ঠাকরে ও শিবসেনার রাজ্যসভার দলনেতা সঞ্জয় রাউত এসেছিলেন মমতার সঙ্গে দেখা করতে।

এই সাক্ষাত্‍ নিয়ে আদিত্য ঠাকরে বলেন, ‘জাতীয় রাজনীতির অনেক বিষয়েই আমাদের কথা হয়েছে। আমাদের পুরনো বন্ধুত্বের সম্পর্ক। আগেও উনি যখন এসেছেন, আমাদের বৈঠক হয়েছে।’ যদিও রাজনৈতিক মহলের একাংশের বক্তব্য, শরদ পওয়ারের সঙ্গে বৈঠকের পর বিজেপি বিরোধী লড়াই নিয়ে মমতা কী বার্তা দেন, সেদিকেই আজ সকলের নজর থাকবে।

 

সমীর ওয়াংখেড়ের স্কুলের জন্ম শংসাপত্র প্রকাশ করল এনসিপি

Sameer Wankhede

নিউজ ডেস্ক: এনসিবিতে চাকরি পেতে জনজাতির ভুয়ো শংসাপত্র জমা দিয়েছিলেন সমীর ওয়াংখেড়ে। চাঞ্চল্যকর এই অভিযোগ করেছিলেন এনসিপি নেতা তথা মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিক।

বৃহস্পতিবার নিজের দাবির সপক্ষে প্রমাণও পেশ করলেন মন্ত্রী। এদিন এনসিপির (NCP) পক্ষ থেকে ট্যুইটারে সমীর ওয়াংখেড়ের দুটি স্কুল সার্টিফিকেট পোস্ট করা হয়েছে। স্কুলের ওই শংসাপত্রে সমীরের নামের মাঝে “দাউদ”(Dawood) কথাটি লেখা আছে। ধর্ম হিসাবেও মুসলিম (Muslim) উল্লেখ করা হয়েছে।

মুম্বইয়ের ওয়াডালার সেন্ট জোসেফ হাই স্কুল এবং দাদারের সেন্ট পল হাই স্কুল থেকে পড়াশোনা করেছেন সমীর। ওই দুই স্কুল থেকেই সমীর ওয়াংখেড়ের (Sameer Wankhede) সার্টিফিকেট (Caste Certificate) বের করা হয়। সেই সার্টিফিকেটই এদিন ট্যুইটারে পোস্ট করেছে এনসিপি। ওই সার্টিফিকেটে সমীর ওয়াংখেড়ের নাম “সমীর দাউদ ওয়াংখেড়ে” বলে লেখা রয়েছে। ধর্মের জায়গায় লেখা মুসলিম বলে। মুম্বইয়ে প্রমোদতরী থেকে মাদক উদ্ধার ও শাহরুখ পুত্র আরিয়ান খানকে গ্রেফতারের পরই এনসিবির জোনাল ডিরেক্টর সমীর ওয়াংখেড়েের বিরুদ্ধে একের পর এক চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন এনসিপি নেতা নবাব মালিক। সমীর ওয়াংখেড়ের প্রথম স্ত্রীর প্রসঙ্গ টেনে নবাব দাবি করেন যে, সমীর ওয়াংখেড়ে আদতে মুসলিম। ভুয়ো জনজাতি সার্টিফিকেট দেখিয়ে তিনি সরকারি সুবিধা নিচ্ছেন।

Sameer Wankhede

যদিও এনসিপির ওই দাবি উড়িয়ে দিয়েছে সমীরের পরিবার। সমীরের পরিবারের পক্ষ থেকেও বেশ কিছু তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। সমীরের পরিবারের প্রকাশ করা তথ্য থেকে জানা গিয়েছে, তিনি ১৯৯৫ সালের স্কুল উত্তীর্ণ হয়েছেন। স্কুল উত্তীর্ণ হওয়ার শংসাপত্রে (School Certificate) তাঁর নাম উল্লেখ রয়েছে “ওয়াংখেড়ে সমীর ধ্যানদেব” হিসাবে। জাতি “মাহার” বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

নবাবের (Nawab Malik) দাবি ছিল, সমীর ওয়াংখেড়ে আদতে মুসলিম হলেও তিনি ভুয়ো হিন্দু জনজাতি শংসাপত্র ব্যবহার করে ইউপিএসসি পরীক্ষায় বসেছিলেন। সেই পরীক্ষা দিয়েই তিনি সরকারি চাকরি পেয়েছেন। এর আগেও নবাব সমীর ওয়াংখেড়ের জন্মের যে শংসাপত্রও প্রকাশ করেছিলেন, সেখানেও তাঁর নাম সমীর দাউদ ওয়াংখেড়ে হিসাবেই উল্লেখ করা ছিল। সমীর ওয়াংখেড়ের পরিবার প্রমাণ হিসাবে যে সমস্ত তথ্য প্রকাশ করেছে সেগুলি নকল বলেও দাবি করেছেন এই এনসিপি নেতা। নবাব বলেন, “এই সার্টিফিকেটগুলি সবকটাই নকল। সমীর ও তাঁর পরিবার এখন কম্পিউটারে তৈরি নকল সার্টিফিকেট সকলকে দেখাচ্ছেন। আমরা আদালতে সমস্ত আসল তথ্যপ্রমাণ জমা দিয়েছি। সেগুলি সবকটিই নথিভুক্ত। সমীরের চাকরি যাওয়া এখন শুধু সময়ের অপেক্ষা।”

<

p style=”text-align: justify;”>এদিকে, সমীর ওয়াংখেড়ের প্রথম পক্ষের স্ত্রীর বাবাও দাবি করেছিলেন, সমীর ওয়াংখেড়ে মুসলিম। সে কারণেই তিনি নিজের মেয়ের সঙ্গে সমীরের বিয়ে দিয়েছিলেন। বিয়ে এবং বিয়ের পরবর্তী সময়ে সমীর মুসলিম আচার পালন করতেন বলেও দাবি করেন তিনি। নিকাহনামাতেও সমীর ওয়াংখেড়ের নাম দাউদ ওয়াংখেড়ে নামেই উল্লেখ করা ছিল বলেও তাঁর প্রথম স্ত্রীর বাবা জানিয়েছেন।
মাদক মামলার তদন্তকারী অফিসারের ধর্ম নিয়ে কেন জলঘোলা করা হচ্ছে? এ বিষয়ে জানতে চাওয়া হলে এনসিপি নেতা তথা মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিক বলেন, “তিনি সমীর ওয়াংখেড়ে কোনও ধর্মের মানুষ তা নিয়ে চিন্তিত নয়। সমীর কীভাবে ভুয়ো শংসাপত্র দেখিয়ে এনসিবি অফিসার হয়েছেন, সেই দুর্নীতি সকলের সামনে তুলে ধরার চেষ্টা করছেন।”

আরিয়ান কাণ্ডের মূল চক্রী NCP ঘনিষ্ঠ সুনীল পাতিল, অভিযোগ বিজেপির

Sunil Patil NCP--Aryan-cas

News Desk: আরিয়ান খান ( ariyan khan) কাণ্ডে ক্রমশই বিতর্কে জড়িয়ে পড়ছে বিজেপি ও এনসিপি। দুই দলের মধ্যে মাদক কাণ্ড নিয়ে রীতিমতো তর্কাতর্কি চলছে। এনসিপি নেতা তথা মহারাষ্ট্রের মন্ত্রী নবাব মালিক (nabab malik) অভিযোগ করেছেন, আরিয়ান কাণ্ডের পিছনে রয়েছে বিজেপির অঙ্গুলি হেলন। শনিবার সন্ধ্যায় নবাবের সেই অভিযোগ অস্বীকার করলেন মহারাষ্ট্রের বিজেপি নেতা মোহিত কাম্বোজ (mohit kamboj) ।

কন্বোজ বলেন, এনসিপি ঘনিষ্ঠ সুনীল পাতিল (sunil patil) মাদক কাণ্ডের মূল চক্রী। এনসিপি সুনীলকে ঢাল হিসেবে কাজে লাগাচ্ছে। রাজ্যের এক মন্ত্রী সুনীলকে সামনে রেখে ষড়যন্ত্রের জাল বুনছেন। তাঁকে এর জন্য জবাবদিহি করতে হবে। মাদক কাণ্ডে রাজ্যের বেশ কয়েকজন মন্ত্রীর ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মোহিত।

তিনি আরও বলেন, এনসিপি নেতা ও মন্ত্রীদের স্পষ্ট করে জানাতে হবে তাঁরা কি মাদক কারবারীদেরই সমর্থন করছেন। মাদক কারবারীদের সমর্থন করতে গিয়েই কি তাঁরা এনসিবির আধিকারিককে নিশানা করতে চাইছেন।
বিজেপি নেতা মোহিত কম্বোজ দাবি করেন, মাফিয়া ডন দাউদ ইব্রাহিম ( dawood ibrahim) ঘনিষ্ঠ মাদক মাফিয়াদের সঙ্গে রাজ্যের এক প্রাক্তন মন্ত্রীকে ঘোরাফেরা করতে দেখা যায়।

মোহিত এদিন আরও বলেন, আরিয়ান কাণ্ডের মূল চক্রী সুনীলের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের দীর্ঘ ২০ বছরের সম্পর্ক। রাজ্যের প্রাক্তন মন্ত্রী তথা এনসিপি নেতা অনিল দেশমুখের (anil deshmukh) ছেলে হৃষিকেশ দেশমুখের সঙ্গে বিশেষ ঘনিষ্ঠতা রয়েছে সুনীলের। আরিয়ান মামলার সাক্ষী কিরণ গোসাভিও সুনীলের লোক। তিনি বলেন, আসলে বিজেপির বিরুদ্ধে একটি বড় মাপের চক্রান্ত চলছে। সুনীলের সঙ্গে এনসিপি নেতাদের কিসের সম্পর্ক সেটা স্পষ্ট করতে হবে।

মোহিতের দাবি, কয়েক দিন আগেই মুম্বইয়ে (mumbai)একটি হোটেল ভাড়া করেছিলেন সুনীল। সেখানে কোন কোন এনসিপি নেতা এসেছিলেন এবং কেন তার জবাব দিতে হবে নবাবকে।

বিজেপি নেতার সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন নবাব। তিনি পাল্টা বলেছেন, আসলে এনসিবি কর্তা সমীর ওয়াংখেড়েকে বাঁচাতেই বিজেপি নেতা এ ধরনের বিভ্রান্তিমূলক কথা বলেছেন। আসলে তিনি চাইছেন বিষয়টি থেকে মানুষের নজর ঘুরিয়ে দিতে। তবে সত্য চাপা দেওয়ার চেষ্টা করলেও তা পারা যায় না। রবিবারই আমি প্রকৃত সত্য সামনে আনব।