Petrol Diesel Price Hike: মোদী সরকারের জ্বালানি নীতির বিরুদ্ধে খড়গের তীব্র প্রতিবাদ

Mallikarjun-Kharge

Petrol Diesel Price Hike: কংগ্রেস সভাপতি মল্লিকার্জুন খড়গে সোমবার মোদী সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র আক্রমণ শানিয়েছেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, অপরিশোধিত তেলের দাম কমলেও সেই সুবিধা জনগণের কাছে পৌঁছানো হচ্ছে না। খড়গে বলেন, বিজেপি সরকার জনগণের কাছ থেকে “মুক্তিপণ” আদায় করছে এবং মোদী সরকার “নির্ভয়ে জনগণকে লুটছে”। তিনি এই মন্তব্য একটি সংবাদ প্রতিবেদনের উল্লেখ করে করেছেন, যেখানে বলা হয়েছে যে অপরিশোধিত তেলের দাম গত ৪২ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে পৌঁছেছে।

খড়গে সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ হিন্দিতে একটি পোস্টে বলেন, “অপরিশোধিত তেলের দাম ক্রমাগত কমছে, কিন্তু পেট্রোল ও ডিজেলের দাম কমানো হচ্ছে না… মোদী সরকার নির্ভয়ে জনগণকে লুটছে!” তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, “বিজেপি আর কতদিন জনগণের কাছ থেকে এভাবে মুক্তিপণ আদায় করবে?” এই মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের জ্বালানি নীতির সমালোচনা করেছেন এবং জনগণের উপর অতিরিক্ত করের বোঝা চাপানোর অভিযোগ তুলেছেন।

অপরিশোধিত তেলের দাম কমলেও জ্বালানির দাম অপরিবর্তিত
সাম্প্রতিক একটি সংবাদ প্রতিবেদন অনুযায়ী, আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম গত ৪২ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন স্তরে নেমেছে। ২০২১ সালের পর থেকে তেলের দামে এই উল্লেখযোগ্য হ্রাস দেখা গেছে, যা ভারতের মতো তেল আমদানিকারক দেশের জন্য সুবিধার কথা। কিন্তু খড়গের অভিযোগ, এই সুবিধা সাধারণ মানুষের কাছে পৌঁছানোর পরিবর্তে সরকার তা নিজের কোষাগারে জমা করছে। ভারতে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম এখনও ২০২২ সালের মে মাসে নির্ধারিত মূল্যে অপরিবর্তিত রয়েছে, যখন দিল্লিতে পেট্রোলের দাম লিটারে ৯৬.৭২ টাকা এবং ডিজেলের দাম ৮৯.৬২ টাকা ছিল।

খড়গে দাবি করেছেন, তেলের দাম কমার সুবিধা জনগণকে দেওয়ার পরিবর্তে সরকার জ্বালানির উপর উচ্চ কর বজায় রেখে অতিরিক্ত রাজস্ব আদায় করছে। তিনি বলেন, “এটি জনগণের প্রতি প্রতারণা। যখন তেলের দাম কমে, তখন পেট্রোল-ডিজেলের দামও কমানো উচিত। কিন্তু মোদী সরকার তা না করে জনগণের পকেট থেকে টাকা লুটছে।”

জ্বালানি দাম নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক
খড়গের এই মন্তব্য জ্বালানি দাম নিয়ে ভারতের রাজনৈতিক মহলে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে। কংগ্রেস দীর্ঘদিন ধরে অভিযোগ করে আসছে যে মোদী সরকার জ্বালানির উপর উচ্চ এক্সাইজ ডিউটি এবং ভ্যাট আরোপ করে জনগণের উপর অতিরিক্ত বোঝা চাপিয়েছে। ২০২১ সালে যখন অপরিশোধিত তেলের দাম ব্যারেল প্রতি ১০০ ডলার ছাড়িয়ে গিয়েছিল, তখন সরকার দুই দফায় এক্সাইজ ডিউটি কমিয়েছিল। কিন্তু এখন তেলের দাম কমলেও সেই সুবিধা জনগণের কাছে পৌঁছানো হচ্ছে না।

বিরোধী দলগুলি দাবি করছে, সরকার গত কয়েক বছরে জ্বালানি থেকে লক্ষ লক্ষ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করেছে। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে জ্বালানি কর থেকে সরকার প্রায় ৩ লক্ষ কোটি টাকা আয় করেছে। খড়গে বলেন, “এই টাকা জনগণের পকেট থেকে এসেছে। বিজেপি এই লুটপাট বন্ধ না করলে জনগণ তাদের জবাব দেবে।”

জনগণের ক্ষোভ
জ্বালানির উচ্চ দাম নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যেও ক্ষোভ বাড়ছে। দিল্লির একজন ট্যাক্সি চালক বলেন, “তেলের দাম কমছে শুনি, কিন্তু পাম্পে গেলে দাম একই থাকে। আমাদের আয় কমে যাচ্ছে, খরচ বাড়ছে।” কলকাতার এক গৃহিণী বলেন, “পেট্রোল-ডিজেলের দাম না কমলে জিনিসপত্রের দামও কমবে না। সরকার আমাদের কথা ভাবছে না।”

সামাজিক মাধ্যমে খড়গের পোস্টের পর অনেকে তার সমর্থনে সরব হয়েছেন। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, “মোদী সরকার জনগণের জন্য কিছু করে না, শুধু লুট করে। খড়গে ঠিক বলেছেন।” তবে, বিজেপি সমর্থকরা পাল্টা দাবি করেছেন যে সরকার জ্বালানির দাম স্থিতিশীল রেখে অর্থনীতিকে শক্তিশালী করছে।

সরকারের নীরবতা
খড়গের এই সমালোচনার পরও কেন্দ্রীয় সরকার বা বিজেপির পক্ষ থেকে এখনও কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া আসেনি। তবে, অতীতে সরকার দাবি করেছে যে জ্বালানির উপর থেকে আয় করা টাকা জনকল্যাণমূলক প্রকল্পে ব্যয় করা হচ্ছে। পেট্রোলিয়াম মন্ত্রী হরদীপ সিং পুরী গত বছর বলেছিলেন, “আমরা জ্বালানির দাম বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে নির্ধারণ করি এবং জনগণের সুবিধার জন্য কাজ করছি।”

রাজনৈতিক প্রভাব
খড়গের এই মন্তব্য আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে জ্বালানি দামকে একটি বড় রাজনৈতিক ইস্যুতে পরিণত করতে পারে। কংগ্রেস এবং অন্যান্য বিরোধী দলগুলি মূল্যবৃদ্ধি এবং জনগণের উপর অর্থনৈতিক চাপকে বিজেপির বিরুদ্ধে অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। খড়গের এই আক্রমণ কংগ্রেসের জনগণের কাছে পৌঁছানোর একটি কৌশল বলে মনে করা হচ্ছে।

মল্লিকার্জুন খড়গের এই সমালোচনা মোদী সরকারের জ্বালানি নীতির দুর্বলতাকে তুলে ধরেছে। অপরিশোধিত তেলের দাম কমলেও পেট্রোল-ডিজেলের দাম না কমানো জনগণের মধ্যে ক্ষোভ বাড়াচ্ছে। খড়গে এই ইস্যুকে “লুট” হিসেবে চিহ্নিত করে সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করার চেষ্টা করছেন। এই বিতর্ক কীভাবে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক মঞ্চে প্রভাব ফেলে, তা আগামী দিনে স্পষ্ট হবে। তবে, এটি স্পষ্ট যে জ্বালানির দাম এখন জনগণের জন্য একটি জ্বলন্ত প্রশ্ন হয়ে উঠেছে।

कोलकाता में दो सप्ताह में कम हो जाएंगी सब्जियों की बढ़ी कीमतें

कोलकाता : 10 दिनों में किसी भी हाल में सब्ज़ियों की महंगाई कम करने का मुख्यमंत्री ममता बनर्जी ने निर्देश दिया। बाज़ार कमिटियों की बैठक में मुख्यमंत्री ममता बनर्जी ने आलू,प्याज़  समेत अन्य सब्जियों की  क़ीमत पर भड़कीं।

सरकार अब हर हाल में सभी बाज़ारों पर नज़र रखेगी।  सरकारी टीम का काम होगा बाजार में नजर रखना और उसकी तह तक जाकर जांच करना।

बाजर में बड़ी किमतों पर नजर रखने के लिए एसटीएफ़ का दल, सीआईडी का दल समते आईबी के अधिकारी भी लगातार दौरा करते रहेंगे।

मुख्यमंत्री ममता बनर्जी ने कहा कि आलू की जमाखोरी करने वाले कुछ गिरोह सक्रिय हैं। बंगाल के सीमावर्ती इलाकों में सभी संभावित जगहों  समते वाहनों की भी जांच की जाएगी।

 

 

कोलकाता में टामटर सौ रुपये और बैंगन 100 पार

कोलकाता: कोलकाता के बाजारों में सब्जियों, अंडे और पॉल्ट्री मांस की खुदरा कीमतें ऊंची होने के कारण आम आदमी को परेशान है। शहर के कई बाजारों में टमाटर की कीमतें एक महीने पहले के 45-50 रुपये थी जो आज बढ़कर 80-100 रुपये प्रति किलोग्राम हो गई । 

पश्चिम बंगाल की राजधानी कोलकाता में टमाटर, बैंगन समेत हरी सब्जियों, अंडा और पॉल्ट्री उत्पाद की कीमतों में बेतहाशा बढ़ोतरी हुई है। अंडा और मुर्गी के दाम आसमान छु रहे हैं। पिछले एक महीने के दौरान बैंगन की कीमत में 150 प्रतिशत से अधिक की बढ़ोतरी दर्ज की गई है। करेला, हरी मिर्च और लौकी जैसी दूसरी सब्जियों की कीमत में भी करीब 50 फीसदी तक बढ़ोतरी हो गई है

विक्रेताओं ने बताया कि टमाटर की कीमतें एक महीने पहले के 45-50 रुपये से बढ़कर 80-100 रुपये प्रति किलोग्राम हो गई हैं। बैंगन 110-140 रुपये प्रति किलोग्राम पर बिक रहा है, जो जून की शुरुआत के दाम के मुकाबले करीब 150 प्रतिशत की बढ़ोतरी है। करेला, हरी मिर्च और लौकी जैसी कई अन्य सब्जियों की कीमतों में भी औसतन 50 प्रतिशत की वृद्धि हुई है। स्थानीय बाजारों में अंडे और पॉल्ट्री मांस की कीमतों में 20-30 प्रतिशत की वृद्धि हुई है।

कृषि मंत्री सोभनदेव चट्टोपाध्याय ने कहा कि केंद्र सरकार की तरफ से उर्वरकों और परिवहन सब्सिडी में किसानों के लिए सहायता कम करने के बाद लोगों को महंगाई की मार झेलनी पड़ रही है, जबकि जलवायु परिस्थितियों ने भी स्थिति को और खराब कर दिया है। पश्चिम बंगाल विक्रेता संघ ने कहा कि अब बंगाल में टमाटर दूसरे राज्यों से आ रहा है। लू और भारी बारिश के कारण बेंगलुरु और हिमाचल प्रदेश से टमाटर की आपूर्ति कम हो गई है।

तृणमूल कांग्रेस के नेता सोभनदेव चट्टोपाध्याय ने कहा कि पश्चिम बंगाल सरकार हमारे किसानों को लगातार मदद कर रही है. किसान कच्चे माल की लागत में वृद्धि से प्रभावित हैं। दूसरी ओर, केंद्र विभिन्न सब्सिडी में कटौती कर रहा है. इसलिए किसान और आम आदमी दोनों ही परेशान हैं। उन्होंने कहा कि राज्य सरकार के पास खुदरा वितरण नेटवर्क सुफल बांग्ला है, जिसकी दुकानों पर सब्जियां तथा खाद्य सामग्री उचित मूल्य पर बेची जाती है।

सोभनदेव चट्टोपाध्याय ने कहा कि सुफल बांग्ला में टमाटर की कीमत 65 रुपये प्रति किलोग्राम है, जबकि खुदरा बाजार में इसकी कीमत न्यूनतम 80 रुपये है। करेला 72 रुपये प्रति किलोग्राम और बैंगन 102 रुपये प्रति किलोग्राम पर बिक रहा है, जो 10-20 प्रतिशत सस्ता है। हम दुकानों की संख्या 484 से बढ़ाने की योजना बना रहे हैं। वहीं, गृहिणी मानषी सान्याल ने कहा कि पिछले तीन सप्ताह में सब्जियों, अंडों और मांस के दामों में उछाल आया है। टमाटर के दाम दोगुने हो गए हैं और प्याज की कीमतें भी बढ़ती जा रही हैं। आवश्यक वस्तुओं की महंगाई हमें किसी न किसी तरह से परेशान कर रही है।

GST: জিএসটি বাড়ছে, নতুন বছরে পাল্লা দিয়ে বাড়বে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম!

GST is increasing, the price of daily necessities will increase with the new year!

নতুন বছরে টান পড়তে পারে পকেটে। খুব শীঘ্রই নিত্যপ্রয়োজনীয় যাবতীয় জিনিসের দাম একধাক্কায় অনেকটাই বাড়তে পারে। এই তালিকায় রয়েছে গাড়ি ও গাড়ি ভাড়াও।

কাঁচামালের খরচ বেড়ে গেছে কিন্তু মুনাফা কমে গেছে। ফলে বেশ লোকসান হচ্ছে। শিল্প বাঁচাতে বছরের শুরুতেই কাঁচামালের দাম বাড়ানো হতে পারে। গতবছরেও শিল্পে মুনাফা রাখতে এবং পরিবহণ ও সরবরাহ খরচের সমস্যা মেটাতে দফায় দফায় দাম বাড়ানো হয়েছিল।

বৈদ্যুতিক পণ্যের দাম বাড়তে পারে এবছর। ইস্পাত, অ্যালুমিনিয়াম, তামার মত পণ্যের দাম বেড়ে যাওয়ার কারণে কাঁচামালের দাম ২০ শতাংশ বেড়েছে।

গত শুক্রবার বৈঠকে পোশাকে জিএসটি বাড়ানোর সিদ্ধান্ত আপাতত স্থগিত রাখা হয়েছে। যদিও পোশাক ডাই ও প্রিন্ট করার কাজে ইতিমধ্যেই ১২-১৮ শতাংশ জিএসটি বসানো হয়েছে।

একটি কথা পরিষ্কার, কেন্দ্রের জিএসটি বাড়ানোর সিদ্ধান্তর জন্য বছর ঘুরতেই পোশাক, জুতা, ওলা-উবেরের খরচ, এটিমের ফি পাল্লা দিয়ে বাড়বে।

শীতের বাজারে ছ্যাঁকা দিচ্ছে অগ্নিমূল্য দর 

News Desk: হালকা হলেও শীতের আমেজ অব্যাহত রাজ্যে। কিন্তু ফেস্টিভ সিজনে শীতেও ছ্যাঁকা খাচ্ছে সাধারণ মানুষ। তাপমাত্রা বাড়ার জন্য নয়,শাকসবজি থেকে শুরু করে মাছ-মাংসের অগ্নিমূল্য দামের জন্য। বড়দিনের আগেই মাছ-মাংসের দর বাড়ল। এমনকি মরশুমী শাকসবজিও বিকোচ্ছে চড়া দরেই। একনজরে রইল আজকের বাজার দর:

 

চন্দ্রমুখী আলু ২০-২২ টাকা প্রতি কেজি,নতুন আলু ২২-২৫ টাকা কেজি ও জ্যোতি আলু‌ বিকোচ্ছে ১৬-১৮ টাকা প্রতি কিলো। পেঁয়াজ মিলছে ৪৫-৫০ টাকা প্রতি কিলো। আদা ও কাঁচা লঙ্কা প্রতি কিলোয় দাম হয়েছে ১০০-১২০ টাকা।

 

 অন্যদিকে কুমড়ো প্রতি কেজি ২৫-৩০ টাকা, লাউ ৩০ টাকা কেজি, পেঁপে ২৫-৩০ টাকা, ফুলকপি ৩০-৩৫ টাকা পিস, বাঁধাকপি ৩৫-৪০ টাকা কিলো, শসা প্রতি কেজি ৫০ টাকা, ধনেপাতা ১৫০ টাকা কিলো, রাঙালু ৮০ টাকা কেজি এবং চিচিঙা প্রতি কিলো ৪০ টাকা। গাজর পাওয়া যাচ্ছে ৪০ টাকা কেজি, উচ্ছে ৫০ টাকা কেজি, টমেটো প্রতি কিলো ৬০ টাকা, মুলো ৩০-৩৫ টাকা কেজি, প্রতি আঁটি লাউশাক ১৫-২০ টাকা, পালং শাক ২০ টাকা এবং লাল শাক ১০ টাকা। প্রতিকেজি ঢেঁড়স ১২০-১৫০ টাকা, পটল ১০০-১২০ টাকা, ঝিঙে ৬০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা,শিম ৫০ টাকা এবং মটর শুটি ৮০ টাকা।

 

গোটা রুই মাছ ১২০-১৫০ টাকা কেজি এবং কাটা রুই মাছ ১৬০-২০০ টাকা কেজি। গোটা কাতলা মাছ ২০০-২৪০ টাকা এবং কাটা কাতলা মাছ ২৮০-৩৫০ টাকা কেজি। প্রতিকেজি ভেটকি মাছ ৪৫০-৫০০ টাকা। তেলাপিয়া মাছ প্রতি কেজি ১১০-১৫০ টাকা, ট্যাংরা মাছ ১৬০-২০০ টাকা, ভোলা মাছ ‌১২০-১৮০ টাকা, পাবদা মাছ ৩৫০-৪০০ টাকা, মৌরোলা মাছ ৩৫০-৪০০ টাকা, গলদা চিংড়ি প্রতি কেজি ৫৫০-৬০০ টাকা ও বাগদা চিংড়ি ৬০০-৭০০ টাকা প্রতি কেজি।

 

এদিকে বৃহস্পতিবার এর তুলনায় আজ দাম বেড়েছে মাংসের। ‌গোটা মুরগির মাংসের দাম প্রতি কেজি ১৩০-১৪৫ টাকা এবং কাটা মুরগির মাংসের দাম প্রতি কেজি ১৮০-২০০ টাকা। পাঠার বা খাসির মাংসের দাম প্রতি কেজি ৬৫০-৭২০ টাকা।

ফেস্টিভ সিজনে অগ্নিমূল্য বাজারদর

News Desk: সামনেই বড়দিন, নিউ ইয়ার। সর্বোপরি এখন চলছে স্বাধের শীতকাল, আর শীতকাল মানেই শাকসবজি। তবে এই বছর মরশুমের শাক সবজির দর আকাশছোঁয়া এমনকি অন্যান্য আনাজ কিনতেও পকেটের টান পড়ছে মধ্যবিত্তের। কাটা পোনার দাম এবি করছে ঢ্যাঁড়স,পটল; দাম প্রায় দেড়শো টাকা কেজি। আকাশছোঁয়া দাম টমেটো, ফুলকপি, বাধাকপির। এক নজরে দেখে নিন আজকের বাজার দর:

 

চন্দ্রমুখী আলু ২০-২২ টাকা প্রতি কেজি,নতুন আলু ২২-২৫ টাকা কেজি ও জ্যোতি আলু‌ বিকোচ্ছে ১৬-১৮ টাকা প্রতি কিলো। পেঁয়াজ মিলছে ৪৫-৫০ টাকা প্রতি কিলো। আদা ও কাঁচা লঙ্কা প্রতি কিলোয় দাম হয়েছে ৮০-১০০ টাকা। অন্যদিকে কুমড়ো প্রতি কেজি ২০-৩০ টাকা, লাউ ৩০ টাকা কেজি, ফুলকপি ২০-৩০ টাকা পিস, বাঁধাকপি ২৫-৩০ টাকা কিলো, শসা প্রতি কেজি ৫০ টাকা, ধনেপাতা ১৫০ টাকা কিলো এবং চিচিঙা প্রতি কিলো ৪০ টাকা। গাজর পাওয়া যাচ্ছে ৩০ টাকা কেজি, উচ্ছে ৫০ টাকা কেজি, টমেটো প্রতি কিলো ৬০ টাকা, মুলো ২৫-৩০ টাকা কেজি, প্রতি আঁটি লাউশাক ১৫-২০ টাকা, পালং শাক ২০ টাকা এবং লাল শাক ১০ টাকা। প্রতিকেজি ঢেঁড়স ১২০-১৫০ টাকা, পটল ১০০-১২০ টাকা, ঝিঙে ৫০ টাকা, বেগুন ৮০ টাকা,শিম ৪০ টাকা এবং মটর শুটি ৮০ টাকা।

 

এদিকে গোটা মুরগির মাংসের দাম প্রতি কেজি ১২০-১৩৫ টাকা এবং কাটা মুরগির মাংসের দাম প্রতি কেজি ১৫০-১৮০ টাকা। পাঠার বা খাসির মাংসের দাম প্রতি কেজি ৬২০-৭০০ টাকা।

 

গোটা রুই মাছ ১২০-১৫০ টাকা কেজি এবং কাটা রুই মাছ ১৬০-২০০ টাকা কেজি। গোটা কাতলা মাছ ২০০-২৪০ টাকা এবং কাটা কাতলা মাছ ২৮০-৩৫০ টাকা কেজি। প্রতিকেজি ভেটকি মাছ ৪৫০-৫০০ টাকা। তেলাপিয়া মাছ প্রতি কেজি ১১০-১৫০ টাকা, ট্যাংরা মাছ ১৬০-২০০ টাকা, ভোলা মাছ ‌১২০-১৮০ টাকা, পাবদা মাছ ৩৫০-৪৫০ টাকা, মৌরোলা মাছ ৩৫০-৪০০ টাকা, গলদা চিংড়ি প্রতি কেজি ৫৫০-৬০০ টাকা ও বাগদা চিংড়ি ৬০০-৭০০ টাকা প্রতি কেজি।

ভাইয়ের সাইকেলে ফোঁটা দিয়ে জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ

A unique protest against fuel excessive price hike

Special Correspondent, Kolkata: কেন্দ্র শুল্কে ছাড় দিলে কী হবে দাম এখনও আকাশ ছোঁয়া দাম পেট্রোল ডিজেলের। এমন অবস্থায় বাঙালির নানা উৎসব পরব তো রয়েছেই। পকেটে সামাল দিতে গিয়ে হিমশিম মানুষ। ভাইফোঁটায় আসা যাওয়া মিলে প্রায় ৬০ কিলোমিটার পথ অতিক্রম করতে হয় বর্ধমানের ছেলে সন্দীপনকে। তাতে চড়েই নিতে গেলেন ফোঁটা। বোনও খুশি। ভাইয়ের সঙ্গে তার যান সঙ্গীকেও দিলেন ফোঁটা।

সন্দীপন জানিয়েছেন, “পেট্রোলের দাম আকাশছোঁয়া , বোনের বাড়িতে ফোঁটা নিতে বাইক বা গাড়ি ছেড়ে সাইকেলে পারি আপ ডাউন ৬০ কিলোমিটার রাস্তা। বিনাব্যায়ের মাধ্যম সাইকেলই হয়তো ভবিষ্যত , তাই ভাইয়ের সাথে সাথে সাইকেল কে ভাইফোঁটা দিয়েছে আমার বোনও, দীর্ঘজীবি হোক সাইকেল , পেট্রোলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদ জানিয়েছি আমরা”।

বৃহস্পতিবার কলকাতায় লিটারে ৫ টাকা ৮২ পয়সা কমে পেট্রোলের নতুন দাম হল ১০৪ টাকা ৬৭ পয়সা। লিটারে ১১ টাকা ৭৭ পয়সা কমল ডিজেলের দাম। কলকাতায় ডিজেলের দাম দাঁড়াল ৮৯ টাকা ৭৯ পয়সা।পেট্রোল-ডিজেলে ভ্যাট কমিয়েছে গুজরাত, অসম, ত্রিপুরা, কর্ণাটক, গোয়া, মণিপুর ও উত্তরাখণ্ড, বিজেপি শাসিত এই সাত রাজ্য। পেট্রোল-ডিজেলে ভ্যাট কমিয়েছে সিকিম সরকারও।

A unique protest against fuel excessive price hike

 

অসম, ত্রিপুরা, কর্ণাটক এবং গোয়া প্রতি লিটার পেট্রোল এবং ডিজেলের ভ্যাট কমিয়েছে ৭ টাকা। প্রতি লিটার পেট্রোল-ডিজেলের ভ্যাট ১২ টাকা কমিয়েছে উত্তরপ্রদেশ।

দেশজুড়ে পেট্রোল, ডিজেলের নির্ভরতা কমাতে স্থায়ী সমাধানের পথে হাঁটছে কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় পরিবহনমন্ত্রী নীতিন গডকরি জানিয়েছেন আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই সমস্ত নতুন গাড়িতে ফ্লেক্স ফুয়েল ইঞ্জিন বাধ্যতামূলক করার দিকে এগোচ্ছে কেন্দ্র। এই নিয়ম যদি লাগু হয়, তবে দেশবাসী অনেকটাই স্বস্তি পাবে। তাঁরা পেট্রোল-ডিজেলের বদলে একটি বিকল্প জ্বালানী হাতে পাবে, যা দামে অনেক কম।

নীতিন গডকরি জানিয়েছেন, আগামী ছয় মাসের মধ্যেই এই নতুন নিয়ম লাগু করার কথা ভাবছে কেন্দ্র। কেন্দ্র সরকার সমস্ত অটোমোবাইল কোম্পানিগুলিকে অনুরোধ করবে তারা যেন ফ্লেক্স ফুয়েল ইঞ্জিন ব্যবহার করেন। কেন্দ্র যদি এই নিয়ম অনিবার্য হিসেবে লাগু করে, তবে জ্বালানীর দাম ৬০ টাকা প্রতি লিটারে চলে আসবে। এরফলে মানুষের পকেটে চাপ অনেকটাই কমবে।

<

p style=”text-align: justify;”>সাধারণত এক লিটার ইথানল ৮০০ গ্রাম পেট্রোলের সমান কাজ করে। এছাড়া এই বিশেষ ইঞ্জিন বৈদ্যুতিক শক্তি তথা সিএনজি, বায়ো-এলএনজিকেও জ্বালানি হিসেবে ব্যবহার করতে পারবে। তাছাড়া এর দূষণও পেট্রোলের তুলনায় অনেকটাই কম। বলা হচ্ছে এর মাধ্যমে সাধারণ মানুষ দামি পেট্রোল ও ডিজেল থেকে মুক্তি পাবেন এবং যানবাহনের জ্বালানি প্রতি লিটারে মাত্র ৬০ টাকাই খরচ করতে হবে আমজনতাকে। কেন্দ্রের তরফ থেকে জানানো হয়েছে ফ্লেক্স ফুয়েল ইঞ্জিন নিয়ে নিয়মিত কথাবার্তা চলছে।

মূল্যবৃদ্ধির বিরুদ্ধে সাইকেল চালিয়ে সংসদের সামনে প্রতিবাদ তৃণমূল সাংসদের

Trinamool MPs protest in front of the parliament by cycling

নিউজ ডেস্ক: কেন্দ্রের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ইস্যুতে সূর চড়িয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দিল্লিতে সংসদে অধিবেশনের প্রথম দিন তার অন্যথা হল না ।বৃষ্টিভেজা রাজধানীর পথে সোমবার সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়লেন ডেরেক ও ব্রায়েন, কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়, অর্পিতা ঘোষ, নাদিমুল হক, শান্তনু সেনের মতো সাংসদরা।

অস্বাভাবিক পেট্রো পণ্যের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে সোমবার   দিল্লির সাউথ অ্যাভিনিউয়ের সদর দফতর থেকে সংসদ পর্যন্ত সাইকেল মিছিল করেন তৃণমূল সাংসদরা। ‘গ্যাস প্রাইস লুঠ’ প্লাকার্ড গলায় ঝুলিয়ে স্লোগান দিতে দিতে সংসদের বাদল অধিবেশনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করেন তৃণমূল সাংসদরা। তবে তাদের সংসদে যাওয়ার পথের মাঝে একটি জায়গায় আটকে দেয় পুলিস।

তৃণমূল সাংসদ সুখেন্দু শেখর রায় বলেন সংসদের বাইরে এবং সংসদের ভেতরে এই মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে তারা প্রতিবাদ চালিয়ে যাবেন। মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষ কতটা সমস্যায় পড়ছেন সে বিষয়টি মাথায় রেখেই তারা এই আন্দোলনে নেমেছেন বলে জানান তিনি।

তৃণমূলের সংসদীয় দলের নেতা সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘এই প্রতিবাদ সবে শুরু হল। নরেন্দ্র মোদি সরকার পেট্রোল ডিজেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে কী পদক্ষেপ নেয় সেটাই দেখার” ।আগামী দিনেও তাদের এই আন্দোলন চলবে বলেও জানান তিনি।