Shastri vs Sourav: মহারাজকীয় চালের “মোহরা” কি অশ্বিন

Shastri-Sourav

Sports desk: ভারত এখন দক্ষিণ আফ্রিকা সফরে তিন টেস্ট ম্যাচ এবং সম সংখ্যক ওডিআই টেস্ট সিরিজ খেলতে। এমন আবহে মঙ্গলবার ভারতীয় স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন নিজের আন্তজার্তিক ক্রিকেট কেরিয়ারে ইনজুরির কারণে ব্যাডপ্যাচ মুহুর্ত এবং ওই মুহুর্তে তৎকালীন টিম ইন্ডিয়ার হেডকোচ রবি শাস্ত্রীর মন্তব্যকে সম্পূর্ণ হতাশা”র মন্তব্যে জুড়ে দিয়ে বিস্ফোরক স্বীকারোক্তি করেছেন। যা নিয়ে তোলাপাড় ক্রিকেট মহল।

সাম্প্রতিক সময়ে বিসিসিআই প্রেস বিবৃতিতে জানিয়ে দেয়, বিরাট কোহলি টেস্ট ফর্ম্যাটের অধিনায়ক এবং রোহিত শর্মা ভারতের ওডিআই এবং টি টোয়েন্টি ফর্ম্যাটে নেতৃত্ব দেবে। বিতর্কের অঙ্কুর গড়ে ওঠে এই প্রেস বিবৃতি থেকে।

দেশের ক্রিকেট মহলে নানা মুনির নানা মত এই ইস্যুতে বিতর্কের ধোয়া তোলে। এমন আবহে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করতে বিরাট কোহলি সাংবাদিক বৈঠকে বয়ান রাখেন , “ভারতীয় ওডিআই দলে গার্ড (নেতৃত্ব) পরিবর্তনের বিষয়ে বিসিসিআই এবং এর সদস্যরা তার সাথে কোনও আলোচনা করেনি”।

বিরাটের এমন বয়ান প্রকাশ্যে আসতে হইচই পড়ে দেশের ক্রিকেট মহলে। বিরাট- সৌরভ বিতর্ক শুরু হয়, বিরাট কোহলিকে ওডিআই অধিনায়কের পদ থেকে অপসারণের একদিন পরে। বোর্ড প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় বলেছিলেন যে,” তিনি সত্যিই বিরাটের সাথে নেতৃত্বের পরিবর্তনের বিষয়ে কথা বলেছিলেন এবং কথোপকথনে তিনি (সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়) বিরাটকে টি-টোয়েন্টি অধিনায়কত্ব ছেড়ে না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছিলেন”।

এই দুই পারস্পরিক বিরুদ্ধ বয়ানের ঢেউ উঠতেই বিতর্ক চরম আকার নেয়। শেষমেশ সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় ঢোক গিলে গোটা বিতর্কিত ইস্যুতে কলকাতায় বলেন,”নো কমেন্টস (কোন মন্তব্য নেই), বিসিসিআই এটা নিয়ে কাজ করছে। আমি কোনও মন্তব্য করবো না এবং এই সময়ে কিছু বলব না।” এরপর গোটা বিতর্ককে পিছনে ফেলে “ফিল গুড ফ্যাক্টর” বার্তা পোস্ট করে বিসিসিআই টুইট পোস্টে টিম ইন্ডিয়ার দক্ষিণ আফ্রিকা সফরের জন্য বিশেষ বিমানে চেপে বসার মুহুর্তে। টিম জোহানসবার্গ পৌছে যায়, চুটিয়ে অনুশীলন শুরু করে প্রোটিয়ার্সদের বিরুদ্ধে আসন্ন সিরিজে ফোকাস রেখে।

মঙ্গলবার আচমকা ভারতীয় স্পিনার রবিচন্দ্রন অশ্বিন বিস্ফোরক বয়ান করেন নিজের আন্তজার্তিক ক্রিকেট কেরিয়ারে ইনজুরি ইস্যুতে প্রাক্তন হেডকোচ রবি শাস্ত্রীকে নিশানা করে।

অশ্বিনের বিস্ফোরক বয়ানের টাইমিং নিয়ে এখন প্রশ্ন উঠছে ক্রিয়ার প্রতিক্রিয়াতেই কি রবিচন্দ্রন অশ্বিনের ঘাড়ে রাইফেল রেখে বিসিসিআই প্রেসিডেন্ট সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় গুলি চালালেন রবি শাস্ত্রীকে টার্গেট করে, এমন মহারাজকীয় কৌশলে রবিচন্দ্রন অশ্বিন শুধুমাত্র একজন “মোহরা” হয়েই পড়ে রইলেন।

কেননা, বিরাট কোহলি সাংবাদিকদ বৈঠকে যেভাবে ভারতীয় ওডিআই দলে গার্ড (নেতৃত্ব) পরিবর্তনের ইস্যুতে বয়ান রেখেছিলেন, ওই বয়ানের পিছনে শীতল মস্তিস্কের কারিগর হিসেবে টিম ইন্ডিয়ার প্রাক্তন হেডকোচ রবি শাস্ত্রীর ওপর নজরদারি পড়েছিল।

এবার পাল্টা প্রত্যাঘাতের পথে “মহারাজকীয় চালের মোহরা” কি তবে রবিচন্দ্রন অশ্বিন, ২৬ ডিসেম্বর প্রোটিয়ার্সদের বিরুদ্ধে প্রথম টেস্ট ম্যাচ, যা ‘বক্সিং ডে’ টেস্ট ম্যাচ নামে ক্রিকেট বিশ্বে জনপ্রিয়, এই ম্যাচের আগে আবার ভারতীয় ক্রিকেট এবং বিসিসিআই’র ঘরোয়া কাজিয়া “কলতলার ঝগড়া”র চেহারা নিতে চলেছে।

বিছানার প্রতি কমছে টান, কেবল ডায়েট বদলে এবার বাড়িয়ে তুলুন যৌন চাহিদা

man-women

সম্পর্কের মধ্যে কমছে টান, পাটনারকে সুখী করতে সমস্যা! অফিসের চাপ, কর্ম ব্যস্ততাই কমছে যৌন ইচ্ছে! এমন পরিস্থিতির শিকার অহরহ কেউ না কেউ হয়েই থাকেন। তাঁদের কাছে বেজায় সমস্যার হয়ে দাঁড়ায় সম্পর্কের সুখ ধরে রাখা। কেন, কীভাবে পুরোনো দিনগুলো ফিরে পাওয়া যায় তা ভেবে মেলে না কুল কিনারা।
অথচ এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টা নিয়ে নিত্য আলোচনা, সমালোচনা কিংবা অশান্তির সীমা নেই। তাহলে উপায়, প্রাথমভাবে উপায় রয়েছে বাড়ির রান্না ঘরের মধ্যেই। কেবল মেনু পাল্টে ফেলেই এবার সমস্যার সমাধান ঘটিয়ে ফেলুন।

relationship

কী কী রাখবেন ভাবছেন পাতে-

সবার প্রথমে আপেল, আপেল সেক্স হরমোনের সঠিক ব্যালান্স বজার রাখতে সাহায্য করে। মেদ ঝড়ানোর জন্য অনেকেই সাত সকালে এক গ্লাস গরম জলে মধু দিয়ে পান করে থাকেন। এই দাওয়াই-ও অব্যর্থ যৌন উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলার জন্য। অনেকেই আছেন যাঁরা কাঁচা রসুন সহ্য করতে পারেন না। তবে এই কাঁচা রসুন যদি এক কোয়া চিপিয়ে খাওয়া যায় বা গরম ভাতে তা ভেজে খাওয়া যায়, তবে হাতে নাতে মিলবে ফল। প্রতিদিন একটা করে কলা খান, এতে প্রচুর পরিবারে পটাশিয়াম থাকে। যার ফলে তা যৌন চাহিদা বাড়িয়ে তোলে সহজেই।

Relationships: মিলনে মিলছে না তৃপ্তি, এবার এই একটি উপকরণই শান্তি ফেরাবে সম্পর্কে

অনেক সময় দাঁত ভালো রাখতেও অয়েল পুলিং-এর পরামর্শ দেন চিকিৎসকরা। কিন্তু জানেন কী, শারীরিক সম্পর্কের (Relationships) সময়েও এই তেলের বিশেষ ভূমিকা রয়েছে? বেশকিছু গবেষণায় দেখা গেছে যৌনমিলনের সময় নারকেল তেল ব্যবহার করলে, যৌনমিলনের পরম তৃপ্তি উপভোগ করা যায়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের একটি গবেষণায় এমনই তথ্য সামনে এসেছে। পরিসংখ্যান অনুযায়ী প্রায় ৩০ শতাংশ মহিলা যৌনমিলনের সময় ব্যথা পান। তাঁদের দাবি নারকেল তেল ব্যবহার করলে ভ্যাজাইনার শুষ্কতা দূর হওয়ার পাশাপাশি সংবেদনশীলতা এবং উত্তেজনাও বৃদ্ধি পায়। অন্য একটি গবেষণায় দেখা গেছে গোপনাঙ্গের ময়েশ্চারাইজার হিসেবে নারকেল তেল উপকারী। তবে এক্ষেত্রে নারকেল তেল কেনার সময় তা যাতে খাঁটি হয়, সেদিকে নজর রাখতে হবে।

মহিলাদের মোনোপজের পর গোপনাঙ্গের আশেপাশের ফ্যাটি টিস্যুগুলো শুষ্ক হয়ে পরে। তাই শারীরিক সম্পর্কের সময় মহিলাদের প্রবল ব্যথা অনুভব হয়। এক্ষেত্রে নারকেল তেল ব্যবহার করলে খুব সহজেই সেই ব্যথা থেকে দূরে থাকা যায়। এতে যৌনমিলনের আনন্দ উপভোগ করা যায়। অনেকেই বাজারে প্রচারিত লুব্রিকেন্ট ব্যবহার করতে পারেন না, ত্বকের বিভিন্ন সমস্যার জন্য। তাঁদের ক্ষেত্রেও নারকেল তেল খুবই উপকারী। তাই এবার থেকে যৌনমিলনের সময় নারকেল তেল ব্যবহার করতে পারেন। এতে শারীরিক সম্পর্ক দীর্ঘস্থায়ী হওয়ার পাশাপাশি চরম যৌন তৃপ্তিও পাওয়া যাবে।

ভিকির অ-মতেই কি বিয়ে, কেন ক্যাটরিনা এমন সিদ্ধান্ত নিলেন

katrina-kaif-force-vicky-kaushal

বায়োস্কোপ ডেস্ক, মুম্বই- কোথাও গিয়ে কি ভিকির প্রতি ভরসা হারিয়ে ফেলছেন ক্যাটরিনা কাইফ, তবে তড়িঘড়ি এরকম সিদ্ধান্ত কেন নিলেন বলিউড কুইন। চলতি বছর মাঝখান থেকেই ভাইরাল হয়ে উঠেছিল একটাই সংবাদ বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন ক্যাটরিনা কাইফ। তবে সেইসময় ভিকি কৌশলের ভাই সানি কৌশল জানিয়েছিলেন এই সংবাদ সম্পূর্ণ অর্থে ভিত্তিহীন। এই খবর শোনা মাত্রই নাকি ভিকির বাড়ির লোকেরা চমকে উঠেছিলেন।

এমনকি ভিকির মাও জানিয়েছিলেন- যদি বিয়ে হয় আমাকে মিষ্টি খাইও। কিন্তু সেই সকল তর্ক বিতর্ককে তুড়ি মেরে উড়িয়ে অবশেষে ফাঁস হলো সত্য ঘটনা। কোন লুকোচুরি নয়, সত্যি সত্যি বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছে ভিকি কৌশল ও ক্যাটরিনা কাইফ। রাজস্থানে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং, স্থির করা হয়েছে ভেনু। তবে চলতি বছর না, ভিকির ইচ্ছে ছিল পরের বছরই বিয়েটা সারবেন তিনি। কিন্তু বেঁকে বসলেন ক্যাটরিনা কাইফ।

Katrina Kaif hot navel in bollywood magazine cover page

ক্যাটের কথায় তিনি মোটেই গরমকালে বিয়ে করতে রাজি নন। তার উপর যখন ডেস্টিনেশন স্থির করা হয়েছে রাজস্থান, তখনই শীতকালে আদর্শ। আর ঠিক সেই কারণেই ক্যাটরিনা এবার ভিকির ওপর একপ্রকার চাপ সৃষ্টি করে ডিসেম্বরে দিনক্ষণ ফাইনাল করে ফেললেন। যার ফলে তড়িঘড়ি আয়োজন শুরু হয়ে গেল দুই পরিবারেই। হাতে মাত্র আর কয়েকটা দিন, তারপর বেজে উঠবে বিয়ের সানাই।

<

p style=”text-align: justify;”>টানা দুই বছরের প্রেমের সম্পর্কে অবশেষে পরিণতি। প্রথম প্রকাশ্যে সম্পর্কের কথা স্বীকার না করলেও পরবর্তীতে এই দুই তারকাকে মাঝেমধ্যেই একসঙ্গে দেখা যেত বিভিন্ন পার্টি থেকে শুরু করে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে। আর চলতি বছর বিয়ের খবর রটে যায় আর ওই যেন আগুনে ঘি ঢালার মতো সবটাই ফাঁস হয়ে গেল তড়িঘড়ি। এখন কেবল অপেক্ষার পালা, কবে রাজস্থান সেজে উঠবে রাজকীয় বিয়ের আসরে।

নাসিরের সঙ্গে বিয়েটা অনেকটা লটারি কাটার মতো ছিল, অকপট মন্তব্য অভিনেত্রী রত্না পাঠক শাহের

bollywood

দেখতে দেখতে প্রায় ৩৯ টা বছর একসঙ্গে কাটিয়ে ফেলেছেন নাসিরুদ্দিন শাহ এবং রত্না পাঠক শাহ। বলিউডের গ্ল্যামার, জনপ্রিয়তা, ব্যস্ততা সব কিছু কাটিয়ে এতো বছর ধরে কাধে কাধ মিলিয়ে সংসার করছেন এই অভিনেতা দম্পত্তি। স্বভাবতই ভক্তদের মনে প্রশ্ন উঠছে কীভাবে হাসি মুখে এতগুলো বছর একসঙ্গে কাটিয়ে দিলেন দু’জনে? অভিনেত্রী রত্না পাঠক নিজেই এই প্রশ্নের উত্তর দিলেন।

এক সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানান, নাসিরের সঙ্গে তাঁর মিয়ে হওয়াটা অনেকটা লটারি কাটার মতো ছিল। নাসিরের সঙ্গে প্রথম দেখা হওয়া থেকে শুরু করে বিয়ে, সেই সব রঙিন দিনের স্মৃতিচারণ করলেন রত্না। অভিনেত্রী জানান, ১৯৭৫ সালে নাসিরের সঙ্গে তাঁর প্রথম দেখা হয়। একসঙ্গে থিয়েটারে অভিনয় করতেন তাঁরা। তাঁদের অভিনীত প্রথম থিয়েটার ছিল ‘সম্ভোগ সে সন্ন্যাস তক’। একসঙ্গে মহড়া দিতে দিতেই প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন দু’জনে। এরপর টানা ৭ বছর চুটিয়ে প্রেম করে অবশেষে ১৯৮২ সালে বিয়ের বন্ধনে আবদ্ধ হন নাসিরুদ্দিন শাহ এবং রত্না পাঠক শাহ।

অভিনেত্রী আরও জানান, নাসিরের সঙ্গে তাঁর বিয়ে হওয়াটা অনেকটা লটারি কাটার মতো। যা খুশি হতে পারত। বেশ ঝুঁকিও ছিল। তবে পরে রত্না দেখলেন তাঁদের দু’জনেরই ভাগ্য খুব ভালো ছিল। অভিনেত্রীর মতে নাসিরের সঙ্গে তাঁর বিয়ে বেশ সাদামাটা ছিল। বিয়ের গোটা বিষয়টা জুড়ে ছিল হাসি, মজা, আনন্দ, খুনসুটি। নিজের বাড়ি ছেড়ে নাসিরের বাড়ি যাওয়ার সময় কান্নাকাটি ছিল না। হাসতে হাসতে বললেন রত্না। বর্তমানে তাঁদের দুটি ছেলে রয়েছে। তাঁদের বিয়ে দিতেই এখন ব্যস্ত এই অভিনেতা দম্পতি।

প্রেমের সম্পর্ককে সুদৃঢ় করতে, এই ৫ টি বিষয় মাথায় রাখুন

relationship

কোথায় আছে বিন্দু বিন্দুতেই সিন্ধু তৈরি হয়। তাই আপনার ছোট ছোট ভুলও সম্পর্কের ওপর বড় প্রভাব ফেলে। আপাতদৃষ্টিতে ভুল মনে নাও হতে পারে, কিন্তু সেগুলোই পরবর্তী কালে সম্পর্ক ভাঙার কারণ হয়ে দাড়ায়। অনিছাকৃত কিছু ভুলের জন্য সম্পর্ক টেকে না। তাই সম্পর্ককে সুদৃঢ় রাখতে প্রথম থেকেই খুব ছোট ছোট বিষয়ে নজর দেওয়া প্রয়োজন। সম্পর্কে এই ৫ টি ভুল কখনোই করবেন না।

১) সম্পর্ক নিয়ে কখনোই তাড়াহুড়ো করবেন না। পরিচয় হওয়ার পরের দিনই প্রস্তাব, তার পরের দিনই ঘনিষ্ঠ হওয়ার চেষ্টা – এমন ভুল করবেন না। এতে একে অপরকে ঠিক মতো চেনাই হয়ে ওঠে না। যার ফলে অনেক ভুল বোঝাবুঝি দেখা দেয়। তাই সম্পর্কে যাওয়ার আগে, একে অপরকে ভালো করে চিনুন।

২) সবসময় নিজের সিধান্ত সঙ্গির ওপর চাপিয়ে দেবেন না। ভালবাসায় একে অপরের কথা মেনে চলা সাধারণ বিষয়। তাই বলে সব সময় নিজের মতামত সঙ্গির ওপর চাপিয়ে দেওয়া ঠিক নয়। সঙ্গির ইচ্ছাগুলোকেও সম্মান করতে শিখুন।

৩) সম্পর্কে আছেন মানে এই নয় যে আপনি তার সব বিষয়ে নাক গলাবেন। তার ফোন চেক করবেন, জোর করে তার বেক্তিগত পরিধিতে ঢুকে পরবেন। এটা কোন ভাবেই সমর্থন করা যায় না। একে অপরকে বিশ্বাস করতে শিখুন।

৪) আমার ভালোবাসার মানুষটি, আমাকে খুবই ভালবাসে, আমি যাই করিনা কেন সে কখনোই আমাকে ছেড়ে যাবে না। এই মনভাব পোষণ করলে তা এখুনি পালটে ফেলুন। এই মনোভাব থাকলে সম্পর্কের প্রতি একটা দায়সারা ভাব চলে আসে। যা সম্পর্কের ক্ষতি করে। তাই প্রিয়জনকে সময় দেওয়ার চেষ্টা করুন।

৫) মিথ্যে কথা বলা একেবারেই চলবে না। মাথায় রাখবেন একটি মিথ্যেকে ঢাকতে গিয়ে অনেক মিথ্যে কথা বলতে হয়। একটি সম্পর্কের ভিত হোল বিশ্বাস। মিথ্যে কথা সেই ভিতকে আলগা করে দেয়। যার ফলে সম্পর্ক ভেঙ্গে পড়ে।

লালটিপের সঙ্গে সিঁথিতে মোটা গাঢ় সিঁদুরে নতুন লুকে পিঙ্কি

Kanchan Mallick's wife Pinky

বায়োস্কোপ ডেস্ক: একাবারে অন্য লুকে ধরা দিলেন কমেডিয়ান কাঞ্চন-জায়া পিঙ্কি। কপালে লাল টিপ, সিঁথিতে গাঢ় সিঁদুর৷ তার সঙ্গে লাল পাড় সাদা শাড়ি। হঠাৎ করে কেন এতো বদলে গেলেন পিঙ্কি? তবে কি স্বামী কাঞ্চন মল্লিকের সঙ্গে সব মিটমাট করে একেবারে ঘরোয়া বধূ হয়ে উঠেছেন পিঙ্কি? উত্তর দিলেন অভিনেত্রী নিজেই।

সম্প্রতি এক প্রথমসারির সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে পিঙ্কি জানান, খুব তাড়াতাড়ি তাঁকে এই রূপে নতুন ধারাবাহিকে দেখা যাবে। নতুন ধারাবাহিকের খাতিরেই তাঁর এই সাঁজ। ধারাবাহিকে তাঁর চরিত্রের স্বার্থে তাঁকে রীতিমতো সনাতনী ঐতিহ্য এবং ধর্ম-সংস্কৃতি নিয়ে লেখাপড়া করতে হচ্ছে। যদিও কোন ধারাবাহিকে তাঁকে দেখা যাবে, সেই নিয়ে মুখ খোলেননি পিঙ্কি। তবে সূত্রের খবর অনুযায়ী, আকাশ আট চ্যানেলের পরবর্তী ধারাবাহিক ‘মেয়েদের ব্রতকথা’তে তাঁকে এই লুকে দেখা যাবে।

নিজের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তাঁকে প্রশ্ন করা হলে পিঙ্কি জানান, অতীতকে ভুলে গিয়ে এখন তিনি শান্তিতে আছেন। পুরনো কোনও ঘটনা নিয়ে কোনও রকম মন্তব্য করতে চাননি পিঙ্কি। তবে, এই মুহূর্তে অভিনেত্রীর মা বেশ অসুস্থ। কলকাতার একটি বেসরকারি হাসপাতালে তিনি চিকিৎসাধীন আছেন। এখন আপাতত পিঙ্কি কাজে মন দিয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে। এর পাশাপাশি তাঁর একমাত্র সন্তান এবং মায়ের দেখভাল করতেই ব্যস্ত পিঙ্কি।

প্রাক্তনের কাছে ফিরে যেতে চাইলে, মাথায় রাখুন এই বিষয়গুলি

relation

ব্রেকআপ হয়েছে বহুদিন হল। এর মধ্যে অন্য কারোর সঙ্গে নতুন সম্পর্কেও জড়িয়ে পড়েছেন। তবে সেই সম্পর্কও দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। বারবারই মনে পড়ছে প্রাক্তনের কথা। পুরনো সম্পর্ক যেন আপনাকে তারিয়ে নিয়ে বেড়াচ্ছে। মনে হচ্ছে, হয়তো আগের ভুলগুলো শুধরে নিলেই ভালো হত। আরও কিছুটা ধৈর্য্য ধরলে জীবনটা অন্যরকম হত। আসল কথা হল ফিরতে চাইছেন আগের সম্পর্কে। তবে প্রাক্তনের কাছে ফিরে যাওয়ার আগে কিছু বিষয় মাথায় রাখা প্রয়োজন।

প্রাক্তনের কাছে ফিরে যাওয়ার পূর্বে একবার ভাবুন, কেন এই সম্পর্কে ইতি টেনেছিলেন? নিজেকে প্রশ্ন করুন, একাকীত্ব কাটিয়ে উঠতেই কী সবকিছু নতুন করে শুরু করতে চাইছেন? সম্পর্ক ভেঙ্গে যাওয়ার অনেক কারণই থাকতে পারে। আপনাদের ক্ষেত্রে যদি দূরত্ব বা পারিবারিক সমস্যা, সম্পর্ক ভাঙার কারণ হয়ে থাকে, তবে আপনি প্রাক্তনের কাছে ফিরতেই পারেন। আবারও নতুন করে শুরু করতে পারেন সবকিছু।

relationship

তবে ভুল বোঝাবুঝি, সন্দেহ, মতের অমিল, অতিরিক্ত পজেসিভনেস যদি আপনাদের সম্পর্ক ভাঙার কারণ হয়, তাহলে সেই সম্পর্কে না ফেরাই ভালো। কিন্তু তাও যদি ফিরতে চান, তবে একটি বিষয় সবসময় মনে রাখবেন। অতীতের যাবতীয় তিক্ততা ভুলে গিয়ে নতুন করে শুরু করুন। কখনোই পুরনো কোনও কথা টেনে আনবেন না। খারাপ স্মৃতিগুলি যত তাড়াতাড়ি সম্ভব ভুলে যাওয়াই ভালো। হয়তো এবারেও ঝামেলা হবে বা ঝগড়া হবে, তবে সেই সময় ভুল করেও পুরনো কথা টেনে আনবেন না।

হবু জামাইয়ের চরিত্রে দাগ, আকারে ইঙ্গিতে এ কি বললেন আলিয়ার বাবা

ranbir kapoor

মহেশ ভাটের কন্যা আলিয়া, বলিউডে পা রাখার পর থেকেই ভাইরাল। প্রথম থেকেই বেশ রঙিন আলিয়ার বলিউড সফর। একের পর এক হিট ছবি দর্শকদের উপহার দিয়ে এখন তিনি সুপারস্টার। বলিউডে প্রথম থেকেই তাঁর প্রিয় ছিলেন রণবীর কাপুর। একের পর এক ছবি দেখা, আর স্বপ্নের পুরুষ হিসেবে তাঁকেই কল্পনা করা। কিন্তু তা যে একদিন বাস্তব হবে ভাবতে পারেননি আলিয়া।

ঠিক একইভাবে ভাবতে পারেননি মহেশ ভাটও। চার বছর আগে দেওয়া এক সাক্ষাৎকার। সেলেবদের নিয়ে এক বাক্যে কিছু বলতে বলা হলে, মহেশ ভাট রণবীরকে নিয়ে একটাই মন্তব্য করেছিলেন লেডিস ম্যান। এক কথায় বলতে গেলে ক্যাসিনোভা। তখন আলিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক কোথায়! এর কিছু দিনের মধ্যেই আলিয়া ও রণবীরের মধ্যে একটা সম্পর্ক তৈরি হয়।

ranbir kapoor

এরপরই ভাইরাল হয়ে যায় মহেশ ভাটের সেই উক্তি। রণবীর কাপুরের অতীত দেখলে বোঝাই যায় কত মহিলার সঙ্গে তাঁর সম্পর্ক ছিল। দীপিকা, ক্যাটরিনা কারুর মন ভাঙতেই তাঁর হাত কাঁপেনি। যদিও আলিয়ার সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের সমীকরণ অনেকটাই আলাদা। ফলে এই সম্পর্ক যে বিয়ে পর্যন্ত গড়াবে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। এখন শুধু সুখবরের অপেক্ষায় দিনগুণছে ভকক্তমহল।

শারীরিক চাহিদা মেটাতে সম্পর্ক, রণবীরকে তীব্র আক্রমণ দীপিকার

deepika

রণবীর কাপুর, জীবনে যার একাধিক নায়িকার আনাাগোনা। একের পর এক সেলেবদের মন ভেঙেছেন কেবলই প্রেম প্রেম খেলা খেলে। তা দিয়ে আর যাই হোক, অন্তত ভালোবাসা যায় না। আর সেই সহজ বিষয়টাই বুঝতে বেশ কিছুটা সময় লেগে গিয়েছিল বলিউল ডিভা দীপিকা পাদুকরের। আর তাই দু-দুবার একি ভুল করে বসেছিলেন তিনি। 

মন দিয়েছিলেন কাপুরপুত্র রণবীরকে। ভালোবাসার সম্পর্কে ছিল সবকিছুই। সঙ্গমে মত্ত এই কপিলের সময় কাটছিল বেশ ভালো। তবে কবে যেন সবটা শেষে হয়ে যেতে বসে, আঁচও পাননি দীপিকা। মন ভাঙল, সম্পর্ক ভাঙায় অবসাদও গ্রাস করল, তখন রণবীরের জীবনে নতুনদের আনা গোনা। এরই মাঝে আবারও ফিরল পুরাতন স্বাদ। 

deepika

আবারও দীপিকার কাছে ফিরতে চেয়ে আবেদন রণবীরের। তবে এবার কারণটা ছিল শুরুই শারীরিক সম্পর্ক। বিশ্বাস করে ঠকতে হয়েছিল। এক সাক্ষাৎকারে ব্রেকআপ নিয়ে স্পষ্ট এমনটাই জানিয়ে দিয়েছিলেন তিনি। বলেছিলেন রণবীরের এই বারে বারে ফিরে আসাটা ছিল শুধুই যৌন আকর্ষণ। ভালো সে কোনও দিনই বাসেনি। চোখে জল নিয়ে অনঢ়গল কথাগুলো বলেছিলেন দীপিকা। যদিওও এখন তা অতীত। রণবীরের সঙ্গে এখন সম্পর্ক ভালোই। তবুও বিরহের সেই দিন আজও ফিরে ফিরে আসে দীপিকার স্মৃতিতে। টিনি একাই নন, ক্যাটরিনার ক্ষেত্রেও রণবীরের এই একই প্রতিক্রিয়া ছিল। 

একে সৌরভ ভুলে কোন সৌরভে মজলেন মধুমিতা, জল্পনা তুঙ্গে

madhumita sarcar

টলিউডের এখন হটকেক মধুমিতা সরকার। একের পর এক ছবিতে অভিনয় করে এখন তিনি বড়পর্দার স্টার, ছোটপর্দা থেকে যাত্রা শুরু, পাখী হয়ে সকলের সামনে ধরা দেওয়া। এক কথায় যাকে বলে ছক্কা হাকানো। ব্যক্তিগত জীবনটাও সাজিয়ে নিয়েছিলেন তিনি বড্ড তাড়াতাড়ি। মালা দিয়েছিলেন তিনি সৌরভের গলায়। তবে সেই সম্পর্ক খুব বেশিদিন স্থায়ী হয়নি।

এবার পালা অন্য সৌরভের। বিষয়টা ঠিক কেমন, সদ্য মৌনাক ভৌমিক পরিচালিত ছবি চিনিতে তিনি অভিনয় করেছেন সৌরভ দাসের বিপরীতে। তাঁদেরকেই নাকি পার্টি করতে দেখা যাচ্ছে, দেখা যাচ্ছে এক সঙ্গে সময় কাটাতেও। তবে কি নতুন সম্পর্ক!

Saurav
আবার প্রশ্ন উঠছে অনিন্দিতাকে নিয়েও। তিনি এখন সৌরভের সঙ্গে লিভইনের সম্পর্কে আছেন। যদিও কাজের সূত্রে এখন তিনি মুম্বইতে। এরই মাঝে টলিউডে নতুন গুঞ্জণ, সৌরভকে কি মন দিয়ে বসেছেন মধুমিতা! এতেই জল্পনা তুঙ্গে। যদিও তিন স্টারই সাফ জানিয়ে দিয়েছে এই রটনা ভিত্তিহীন। মধুমিতার কথায় একজন বন্ধু থাকা মাতেই তা সম্পর্ক নয়। যদিও নেটমহল তা শুনতে বা মানতে এক কথায় নারাজ। যার ফলে চর্চা তুঙ্গে।

লন্ডনের স্বপ্ন দেখিয়ে বিয়ে, শাহরুখ কীভাবে ঠকিয়েছিলেন গৌরীকে

মুম্বই: খানেদের মধ্যে সম্পর্কের নিরিখে যদি কাউকে একশো-তে একশো দিতে হয়, তবে তিনি হলেন শাহরুখ খান। বিচ্ছেদের ঝড়ে আমির, সলমন খান স্টিল ব্যচেলার, তবে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে দিব্যি সংসার করছেন শাহরুখ খান। তবে প্রথম থেকেই কি সবটা এতটা সহজ ছিল! না, কখনই নয়।

শাহরুখ খানের ক্ষেত্রেও সমীকরণটা এক। জীবনের প্রতিটা অধ্যায়তেই নতুন নতুন যুদ্ধের মুখোমুখি হওয়াটাই ছিসল শাহরুখ খানের চ্যালেঞ্জ। তারই মাঝে ভালোবাসা-ভালোলাগা, দারিদ্রতা, অনিশ্চয়তা মিলে মিশে একাকার।

বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে গৌরীর দরবারে কিং খান, কথা দেওয়ার পালা, কথা রাখার পালা, অগাধ বিশ্বাস নিয়ে গৌরী শুনেছিলেন শাহরুখ তাঁকে বিয়ের পর দেখাবেন লন্ডন। ভালোবেসে আবেগে বিয়ের পিঁড়িতে গৌরী। এবার হানিমুনের পালা, সব রেডি, তবে লন্ডন যাওয়ার টাকাটা বাদ রেখে। কী হবে উপায়।

বাংলার বুকই তখন বেছে নিয়েছিলেন কিং খান। গৌরীকে কিছু না জানিয়ে লন্ডন বলে সোজা নিয়ে এসেছিলেন দার্জিলিং। পাহাড় কোলে রোম্যান্স কিং-এর সঙ্গে হানিমুনের স্বাদ পেয়ে গৌরী ভুলেছিলেন লন্ডন শোক। যদিও কিং খান তাঁর কথা রেখেছেন, অক্লান্ত পরিশ্রম আর কেরিয়ার গড়ার নেশায় তিনি আজ বলিউড বাদশা। বিদেশ সফর উইকএন্ড ট্রিপের সমান।

বয়স ভুলে প্রেম থেকে সঙ্গমে মত্ত মালাইকা, তবে বিয়ের সানাইয়ে কীসের বাধা

malaika

খান পরিবারের বউ, সলমন খান খ্যাত গ্যালাক্সি ছিল এক সময় মালাইকার স্থায়ী ঠিকানা। কিন্তু খুব বেশিদিন সেই ভিলায় স্থির থাকেননি মালাইকা আরোরা। বলিউডে পা রাখার পর থেকেই তাঁর স্টানিং ফিগারে মুগ্ধ ভক্তমহল। কিন্তু সমস্যা ছিল একটাই, খাল কেটে কুমির আনার মত বাড়ি প্রবেশ অর্জুনের।

অর্জুন কাপুর, দস্তুর মত প্রেম করছিলেন সলমন খানের বোন অর্পিতার সঙ্গে। তবে কখন যে সেই ভালোলাগা মালাইকার দিকে ঝোঁকে তা আন্দাজও করতে পারেননিকেউ। কয়েকদিনের মধ্যেই সম্পর্কের জল্পনা বাস্তবে পরিণত হয়। এরপরের কাহিনিটা কম বেশি সকলেরই জানা। এক প্রকার লিভইন করতে শুরু করেন মালাইকা ও অর্জুন কাপুর।

তবে সমস্যা কোথায়! এক সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী এই সম্পর্কে সাফ না জানিয়েছিলেন অর্জুন কাপুরের বাবা বনি কাপুর। সলমন খানের সঙ্গে তাঁর ঘনিষ্ঠতা বেশ, সেই কারণেই মালাইকাকে মেনে নিতে পারছেন না তিনি। এমন কি অর্জুকে বলেওছিলেন, জাহ্নবীর কথা ভাবার জন্য।

যদিও সেই দিকে নজর দিতে নারাজ অর্জুন। তবে বিয়ে নয়। কেন! উত্তরে খোদ অর্জুন কাপুরই বলেছিলেন, এই সময়টা কেরিয়ারে খুব গুরুত্বপূর্ণ, এই সময়টা বিয়ের পিঁড়িতে বসার নয়। ব্যস তবে থেকেই মালাইকা ভক্তদের মনে প্রশ্ন, তবে কি এই সম্পর্ক লিভইনের থাকবে আটকে, নাকি বিয়ে পর্যন্ত গড়াবে! তার উত্তর এখনই মিলছে না।

#Relationship ১৫ বছরের সম্পর্কে ইতি টানলেন আমির, ডিভোর্সের ঝড়ে খানস্টার

aamir khan

সুপারস্টার আমির খান, যতটাই চর্চিত তাঁর বলিউড কেরিয়ার, ঠিক ততটাই বিতর্কিত তাঁর ব্যক্তি জীবনের একাধিক সমীকরণ। কখনও বিবাহ বহির্ভূত সম্পর্ক, কখনও আবার বিদেশে সংসার ঘিরে জল্পনা তুঙ্গে। একাধিক অভিনেত্রীর সঙ্গে জড়িয়েছে মিস্টার পার্ফেকশনিস্টের নাম।

টানা তিন দশক ধরে বলিউডে রাজ করা সেই খানস্টারের সংসারই এবার খান খান। বিচ্ছেদের পথই বেঁছে নিলেন এবার আমির খান ও তাঁর স্ত্রী কিরণ রাও। সোশ্যাল মিডিয়ায় বিস্তারিত জানিয়ে বিবৃতি প্রকাশ করেছেন খোদ আমির ও কিরণ। তাঁদের কথায়- গত পনেরো সুন্দর বছর একসঙ্গে আমরা এক আজীবন অভিজ্ঞতা, আনন্দ এবং সুখ ভাগ করে নিয়েছি এবং আমাদের সম্পর্কটি কেবল বিশ্বাস, শ্রদ্ধা এবং ভালবাসায় বেড়েছে।

aamir khan

এখন আমরা আমাদের জীবনে একটি নতুন অধ্যায় শুরু করতে চাই— স্বামী-স্ত্রী হিসাবে নয়, একজন বাবা-মা এবং পরিবার হিসাবে। আমরা কিছুক্ষণ আগে এক পরিকল্পিত বিচ্ছেদের পথে হাঁটতে শুরু করেছি, এবং এখন এ হেন পরিস্থিতিতে আলাদাভাবে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করছি, তবুও একটি বিস্তৃত পরিবার যেভাবে জীবন যাপন করে ঠিক তেমন ভাবে আমাদের জীবন ভাগ করে নিয়েছি। 

পাশাপাশি এই দম্পতি আরও জানান, আমাদের সিদ্ধান্তকে বোঝার জন্য ও এই সময় পাশে থাকার জন্য পরিবার, ও বন্ধুদের অসংখ্য ধন্যবাদ। ফলে দীর্ঘ ১৫ বছরের সংম্পর্ক এবার ইতির পথে।