Bangladesh: একাধিক দুর্গা মণ্ডপ ভাঙচুরের পিছনে ‘ষড়যন্ত্র’, শেখ হাসিনার কড়া পদক্ষেপ

Invisible intelligence surveillance at Durga Puja

নিউজ ডেস্ক: ‘ধর্মীয় উস্কানি’ দিয়ে কুমিল্লায় পরপর দুর্গা মণ্ডপে হামলা ও ভাঙচুরের পর বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকার কড়া পদক্ষেপ নিল। যে কোনও পরিস্থিতিতে পুলিশকে কঠোর ভূমিকা নেওয়ার নির্দেশ জারি হয়েছে। কোনও সংখ্যালঘু হিন্দুর আশঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই, সরকার সবার নিরাপত্তা বজায় রাখবে এমনই বার্তা দিচ্ছে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ।

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, কুমিল্লার ঘটনায় যারা জড়িত তাদেরকে আইনের আওতায় আনা হবে, কেউ ছাড় পাবে না। 

বুধবার দুর্গাপূজার অষ্টমী। দিনভর কুমিল্লায় চলে তাণ্ডবলীলা। অভিযোগ, স্থানীয় নানুয়ারদীঘি এলাকার একটি পূজামণ্ডপে পবিত্র কোরান শরিফ রাখা ছিল মূর্তির কাছে। সেই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়। এর জেরে একের পর এক মণ্ডপ ভাঙচুর হয়।

https://twitter.com/UnityCouncilBD/status/1448228123556732933?s=20

বিবিসি জানাচ্ছে, হামলা ছড়িয়ে পড়ার পর দ্রুত পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। বিশৃঙ্খলা রুখতে পুলিশ গুলি চালায় বলে অভিযোগ। বেশ কয়েকজন জখম হন।

মণ্ডপগুলিতে হামলার কিছু পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় স্থানীয় কয়েকজন মুসলিম যুবক তুলে ধরেন কেমন করে দুর্গাপূজার সময় ‘ধর্মীয় বিদ্বেষ’ ছড়ানো হয়েছে। সেই বিবরণ ভাইরাল হয়।

তদন্তে নেমে কুমিল্লা জেলা পুলিশ মন্ডপ থেকে উদ্ধার করে সেই ধর্মগ্রন্থ। জানা গিয়েছে, মঙ্গলবার রাতে কয়েকজন মিলে মণ্ডপে ঢুকে কোরান শরিফ রেখে এসেছিল। সেই ছবি দেখিয়ে বুধবার সকাল থেকে উত্তেজনা ছড়ানো হয়েছে।

কুমিল্লা জেলা পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ জানান, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হচ্ছে। পুলিশের পাশাপাশি টহল দিচ্ছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ বাহিনি (BGB)।

বাংলাদেশ ধর্ম মন্ত্রকের জরুরি ঘোষণায় বলা হয়েছে, “কুমিল্লায় পবিত্র কোরআন অবমাননা সংক্রান্ত খবর আমাদের দৃষ্টিগোচর হয়েছে। খবরটি খতিয়ে দেখার জন্য ইতোমধ্যে আমরা স্থানীয় প্রশাসনকে নির্দেশ প্রদান করেছি। ধর্মীয় সম্প্রীতি বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যে যে কেউ এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকুক তাদের অবশ্যই আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে। তবে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে কেউ আইন হাতে তুলে নেবেন না। সবাইকে ধর্মীয় সম্প্রীতি ও শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য অনুরোধ করা হলো।”

Bangladesh: শান্তির জন্য পরমাণু শক্তি ব্যবহার করব, বললেন শেখ হাসিনা

Rooppur Nuclear Power plants reactor

নিউজ ডেস্ক: বহু প্রতীক্ষিত বাংলাদেশের রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ বিতরণের জন্য চুল্লি স্থাপন হলো। আনুষ্ঠানিক ভাষণে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘পরমাণু শক্তি আমরা শান্তির জন্যই ব্যবহার করব। পরমাণু শক্তি দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন হবে। সেটা গ্রামের মানুষের কাছে যাবে। তাদের আর্থ-সামাজিক উন্নতি হবে।’

রবিবার রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম পারমাণবিক চুল্লিপাত্র স্থাপন কাজের উদ্বোধন করেন শেখ হাসিনা। ঢাকায় গণভবন থেকে ভিডিও কানফারেন্সের মাধ্যমে এই কাজের উদ্বোধন করেন তিনি। শেখ হাসিনা বলেন, ‘আশা করি, ২০২৩ সালের মধ্যে এখান থেকে বিদ্যুৎ সরবরাহ এবং ২০২৪ সালে দ্বিতীয় ইউনিট শুরু করতে পারব।’

Rooppur Nuclear Power plants reactor

রাশিয়ার সহযোগিতা এই পরমাণু বিদ্যুত কেন্দ্র হচ্ছে। শেখ হাসিনা বলেন, আমি যখন রাশিয়ায় যাইয়, তাদের রাষ্ট্রপতি পুতিনের সঙ্গে বিষয়টি আলাপ হয়। তিনি আমাদের পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র করে দেবেন বলে জানান।

রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র হচ্ছে ২.৪ গিগাওয়াট ক্ষমতাসম্পন্ন একটি পরিকল্পিত পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র। এটি বাংলাদেশের পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার রূপপুরে নির্মীত হচ্ছে। এটি বাংলাদেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র যার প্রথম ইউনিট ২০২৩ সালে বিদ্যুৎ উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করবে। এই বিদ্যুৎ কেন্দ্রটি রাশিয়ার রোসাটোম স্টেট অ্যাটমিক এনার্জি কর্পোরেশন কর্তৃক নির্মিত হচ্ছে।

সম্প্রতি রূপপুর বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কর্মকর্তাদের জন্য ক্রয় করা আসবাবপত্রের হিসাবে ব্যাপক দুর্নীতির অভিযোগ উঠে। এরমধ্যে সব থেকে আলোচিত একটি বালিশের দাম দেখানো হয় প্রায় পাঁচ হাজার টাকা। সেই বালিশ এবং নিচ থেকে উপরে উঠানোর খরচ দেখানো হয়েছে প্রায় সাতশো টাকা। এটি নিয়ে সারা দেশজুড়ে আন্দোলনের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তদন্ত শুরু করে। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। 

Bangladesh: মমতার প্রিয় ‘খেলা হবে’ স্লোগান, শেখ হাসিনার দল আওয়ামী লীগের ‘না’

mamata banerjee sheikh hasina

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশ থেকেই ধার করা ভোট স্লোগান ‘খেলা হবে’ পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের সৌজন্যে জনগণের মুখে মুখে। আর বাংলাদেশের (Bangladesh) ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের জানিয়ে দিলেন ‘নির্বাচন নিয়ে খেলা হবে না’।

বিরোধীদের প্রতি বার্তায় আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক তথা বাংলাদেশের সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, রাষ্ট্রপতি সব দলের কাছে গ্রহণযোগ্য একটি সার্চ কমিটির মাধ্যমে নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন।

সম্প্রতি বাংলাদেশের অন্যতম বিরোধী দল বিএনপি নেতৃত্ব বারবার নির্বাচনে রিগিং অভিযোগ ও সুষ্ঠু ভোট পদ্ধতির দাবি তুলেছে। বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর হুঁশিয়ারি দেন, সরকারের আজ্ঞাবহ নির্বাচন কমিশন দিয়ে এবার ‘নির্বাচন-নির্বাচন খেলা’ মানবে না বিএনপি। তিনি বলেন, বিএনপি এমন নির্বাচন চায় যেখানে জনগন ভোট দিতে পারবে। ইভিএম দিয়ে কারচুপি সহ ভোট জালিয়াতির জবাব দেওয়া হবে বলেও জানান তিনি।

বি়এনপি মহাসচিবের এই মন্তব্যের জবাব দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক। তিনি বলেন, কোনও নির্বাচন নির্বাচন খেলা হবে না। নির্বাচনের মতোই নির্বাচন হবে। নির্বাচন কমিশনের মেয়াদ যেহেতু শেষ হয়ে আসছে, রাষ্ট্রপতি সবাইকে নিয়েই একটি নির্বাচন কমিশন গঠন করবেন।

‘খেলা হবে’ স্লোগান পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে তীব্র আলোচিত। তবে এই শব্দকে একসময় তুমুল জনপ্রিয় করেছিলেন বাংলাদেশের নারায়ণগঞ্জের আওয়ামী লীগ নেতা শামীম ওসমান। সেই স্লোগান পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটে ঝড় তুলেছিল।

তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করে বিজেপি যোগ দিয়ে শুভেন্দু অধিকারী নন্দীগ্রামের জনসভায় ‘খেলা হবে’ শব্দ ব্যবহার করেন। এর পরেই বীরভূম জেলার তৃণমূল কংগ্রেস সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল তাঁর নিজস্ব ভঙ্গীতে বলতে থাকেন ‘খেলা হবে’।

পরে খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে প্রচারে গিয়ে পায়ে আঘাত পান। তাঁর প্লাস্টার করা পা-এর ছবি দেখিয়ে তৃণমূল প্রচার করেছিল ‘ভাঙা পায়ে খেলা হবে’। বিপুল ভোটে জিতে টিএমসি পশ্চিমবঙ্গে তিনবার সরকার গড়েছে। এবার

উপনির্বাচনের আবহে তৃণমূল নেতা অনুব্রত মণ্ডল বলছেন, ‘শুধু খেলা হবে না, ভয়ঙ্কর খেলা হবে’। তাঁর বাচন রীতি অনেকটা বাংলাদেশের এমপি শামীম ওসমানের মতো।

Bangladesh: শেখ হাসিনা সরকারের সিদ্ধান্ত দুর্গা মণ্ডপে মাস্ক পরেই ঢুকতে হবে

Bangladesh Durga puja

নিউজ ডেস্ক: করোনা স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করেই দুর্গা মণ্ডপ দর্শনার্থীদের জন্য নিয়ম জারি করল বাংলাদেশ (Bangladesh) সরকার। মন্দিরে বা মণ্ডপে প্রবেশের সময় অবশ্যই মাস্ক পরতে হবে।

রবিবার বাংলাদেশ সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের সবথেকে বড় উৎসব দুর্গাপূজার সময় বিভিন্ন সরকারি নিয়ম জারি করা হয়েছে। সভায় ছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল ও পুলিশের আইজিসহ বিভিন্ন সংস্থার প্রধানরা।

বাংলাদেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক আসন্ন দুর্গাপূজায় আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় সিদ্ধান্ত নিয়েছে, আজান ও নামাজের সময় মসজিদের কাছের পূজামণ্ডপগুলোতে সংযতভাবে পূজাঅর্চনা ও বাদ্যযন্ত্র বন্ধ রাখতে হবে। এছাড়া সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, দুর্গা মণ্ডপের আশেপাশে মেলা বসানো যাবে না।

দুর্গাপূজা অনুষ্ঠান সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা সংক্রান্ত সভায় জানানো হয়, চলতি বছর ৩১ হাজার ১৩৭টি মণ্ডপে শারদীয় দুর্গাপূজা উদযাপিত হবে। উৎসব উপলক্ষে বাংলাদেশের সর্বত্র পুলিশ বাহিনী তৎপর। পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে।

সভায় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, পূজা চলাকালীন সময় পুলিশি টহল জোরদার থাকবে। কোনওরকম সন্দেহজনক অপতৎপরতা চোখে পড়লে তাৎক্ষনিক ব্যবস্থা নেবে পুলিশ।

মন্দিরে প্রবেশের সময় হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও ক্ষেত্র বিশেষে হাত ধোয়ার ব্যবস্থা থাকবে। থার্মাল স্ক্যানার থাকবে, কারো শরীরের তাপমাত্রা বেশি থাকলে পূজামণ্ডপে ঢুকতে দেওয়া হবে না। স্বাস্থ্যবিধি মেনে পূজামণ্ডপে আরাধনা করতে হবে। সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে স্বাস্থ্যবিধি মেনে প্রতিমা বিসর্জন দিতে হবে।

Sheikh Hasina75: মানববর্ম রক্ষা করেছিল বঙ্গবন্ধু কন্যা, ইন্দিরার স্নেহধন্যাকে

Sheikh Hasina with joyati basu

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।তাঁর ৭৫ বছর জন্মদিন। ১৯৪৭ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর জন্ম। পূর্ব পাকিস্তানের গোপালগঞ্জ তাঁর জন্মস্থল। পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। বাংলাদেশের জাতির পিতার বড় কন্যা শেখ হাসিনা। ১৯৭৫ সালে সপরিবারে তাঁর পিতা বঙ্গবন্ধুকে খুন করে বাংলাদেশের বিদ্রোহী সেনা। ভারতে রাজনৈতিক আশ্রয় নেন হাসিনা।

অন্তত ২১ বার নাশকতায় জীবন বিপন্ন হয়েছে। বেঁচে গিয়েছেন শেখ হাসিনা। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট ভয়াবহ গ্রেনেড হামলায় মানববর্ম তাঁকে রক্ষা করে। এই মুহূর্তে বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী রাষ্ট্রনায়ক। ভারতের সঙ্গে সুগভীর সম্পর্ক শেখ হাসিনার। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।

দুর্গাপূজা পালনে সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়কে তিন কোটি অনুদান শেখ হাসিনার

sheikh hasina

নিউজ ডেস্ক: তিথিক্ষণ মেনে চলতি বছরেও দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হবে বাংলাদেশে। চলছে তারই প্রস্তুতি। তবে করোনা সংক্রমণ এখনও নির্মূল না হওয়ায় জারি থাকবে বিধি নিষেধ। শারোদতসবের জন্য আর্থিক অনুদান বরাদ্দ করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা (বাসস) জানাচ্ছে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে হিন্দু সম্প্রদায়কে তিন কোটি টাকা অনুদান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুদানের চেক হস্তান্তর করা হয়। জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর সহকারি প্রেস সচিব এম এম ইমরুল কায়েস।

তিনি আরও জানান, হিন্দু কল্যাণ ট্রাস্টের সচিব ডা. দিলীপ কুমার ঘোষের কাছে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে অনুদানের চেক হস্তান্তর করেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস । নব্বই শতাংশ মুসলিম সংখ্যাগরিষ্ঠ বাংলাদেশে সাড়ম্বরে পালিত হয় শারোদতসব সহ হিন্দুদের বিভিন্ন উৎসব। হিন্দুরা এ দেশের সংখ্যালঘুদের মধ্যে বৃহত্তম। এছাড়াও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের উৎসব যথাযথ নিয়মে পালিত হয়।

বাংলাদেশের জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদর্শ বজায় রাখবে আওয়ামী লীগের সরকার। এমনই জানিয়েছেন সংগঠনটির সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

চলতি বছরেও বাংলাদেশের সব পূজামণ্ডপে থাকছে কড়া নিরাপত্তা। দর্শনার্থীদের জন্য বিশেষ ব্যবস্থা করা হবে। ঢাকা, চট্টগ্রাম, খুলনা, বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, সিলেট সহ সর্বত্র চলছে দেবী বরণের প্রস্তুতি।

দুর্গাপূজায় শেখ হাসিনার ইলিশ উপহার, আসছে পদ্মা রসনার ঝাঁক

Hilsa gift of Sheikh Hasina to West Bengal

নিউজ ডেস্ক: দুর্গাপূজা উপলক্ষে ভারতে ২ হাজার ৮০ মেট্রিক টন ইলিশ মাছ রফতানিপ জন্য দেশের ৫২টি প্রতিষ্ঠানকে অনুমতি দিয়েছে সরকার। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ৪০ টন করে ইলিশ রফতানি করবে। পশ্চিমবঙ্গ, অসম, ত্রিপুরায় সর্বাধিক চালান যাবে।

বাংলাদেশ বাণিজ্য মন্ত্রক রপ্তানি-২ শাখার এক চিঠিতে এই অনুমতি দেওয়া হয়। বাণিজ্য মন্ত্রকের তথ্য কর্মকর্তা আবদুল লতিফ বকশি জানান,

আসন্ন দুর্গাপূজা উপলক্ষে ইলিশ মাছ রফতানি বিষয়ে প্রাপ্ত আবেদনগুলো যাচাই-বাছাই করা হয়। শর্তসাপেক্ষে ৫২ প্রতিষ্ঠানকে নির্ধারিত পরিমাণ ইলিশ মাছ ভারতে পাঠানোর অনুমতি দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি প্রতিষ্ঠান ৪০ মেট্রিক টন ইলিশ রফতানি করবে।

Hilsa gift of Sheikh Hasina to West Bengal

বাংলাদেশ বাণিজ্যমন্ত্রক জানিয়েছে,এই ইলিশ রফতানির অনুমতির মেয়াদ আগামী ১০ অক্টোবর পর্যন্ত কার্যকর থাকবে। তবে সরকার মৎস্য আহরণ ও পরিবহণের ক্ষেত্রে কোনও ধরনের বিধিনিষেধ আরোপ করলে তা কার্যকর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে এ অনুমতির মেয়াদ শেষ হবে।

চলতি ইলিশ মরশুমে বাংলাদেশে উৎপাদিত ইলিশ প্রথম দিকে কম ছিল। পরে তা বেড়েছে। অন্যদিকে ভারতের দিকে গঙ্গায় দূষণের কারণে ইলিশের দল গঙ্গাসাগর মোহনার দিক ছেড়ে বাংলাদেশের দিকে মুখ ঘুরিয়ে নিচ্ছে বলেই জানান বিশেষজ্ঞরা।

বাংলাদেশে ঢুকে ট্রেনিং, ত্রিপুরা ফিরে আত্মসমর্পণ তিন জঙ্গির

nlft militants arrested

আগরতলা: ভোট যত এগিয়ে আসছে ততই উত্তর পূর্বাঞ্চলের বাংলাভাষী প্রধান ত্রিপুরায় উপজাতি জনগোষ্ঠীর মধ্যে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের তৎপরতা দেখা যাচ্ছে। বু়ধবার বাংলাদেশ থেকে গোপনে সীমান্ত পেরিয়ে ত্রিপুরায় ঢোকা তিন জঙ্গি আত্মসমর্পণ করে। এই ঘটনায় স্পষ্ট, প্রতিবেশি দেশের সরকার যতবারই দাবি করুক, তাদের জমিতে ভারত বিরোধী সশস্ত্র সংগঠনগুলির অস্তিত্ব বিলীন, আদৌ তা নয়।

ঢাকার দাবি ফের একবার ভুল প্রমাণ হলো। ত্রিপুরা তথা উত্তর পূর্বাঞ্চলের অন্যতম বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গি সংগঠন ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট অফ ত্রিপুরা বা NLFT ফের সক্রিয়। সম্প্রতি এই সংগঠনের হামলায় বাংলাদেশ সীমান্তের কাছে দুই বিএসএফ জওয়ানের মৃত্যু হয়। জঙ্গিরা সীমান্ত পেরিয়ে বাংলাদেশের দিকে গভীর বনাঞ্চলে ঢুকে পড়ে।

বুধবার তিন এনএলএফটি জঙ্গি আত্মসমর্পণ করেছে। ধৃতদের নাম আলিন্দ্রা রিয়াং, অনিদা রিয়াং, কুমার রিয়াং। পুলিশ সূত্রে খবর, আত্মসমর্পণকারী জঙ্গিরা সশস্ত্র ছিল। তাদের কাছ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে পিস্তল সহ চারটি গোলা।

পুলিশের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গিয়েছে তারা ২০১৯ সালে এন এল এফ টি জঙ্গিগোষ্ঠী গোষ্ঠীতে যোগ দিয়েছিল। এরপর তারা বাংলাদেশে গিয়ে এনএলএফটি ক্যাম্পে প্রশিক্ষণ নেয়। তারা

আরও জানিয়েছে, পরে তারা বুঝতে পারে ‘ত্রিপুরার স্বাধীনতা’র নামে তাদের সাথে প্রতারিত করা হয়েছে। বর্তমানে তাদের জঙ্গি সংগঠনের মারাত্মকভাবে আর্থিক সংকট চলছে।

NLFT মূলত ত্রিপুরার উপজাতি এলাকায় তাদের সংগঠন ছড়িয়েছিল ১৯৯০ দশকে। সংগঠনটির সদস্যরা সঙ্গে রাখেন ধর্মীয় প্রতীক ‘ক্রুশ’। লক্ষ্য এক হলেও NLFT সংগঠনের প্রতিপক্ষ ATTF বা অল ত্রিপুরা টাইগার ফোর্স। তবে তাদের শক্তি এখন নেই। কিন্তু NLFT তাদের সংগঠন চালিয়ে যাচ্ছে।

ত্রিপুরায় গত ২৫ বছরের বামফ্রন্ট জমানায় দুই মুখ্যমন্ত্রী দশরথ দেব ও মানিক সরকার দুটি জঙ্গি সংগঠনের বিষদাঁত ভেঙে দেন। রক্তাক্ত ত্রিপুরা হয় শান্ত। গত বিধানসভার ভোটে বাম সরকারের পতন হয়। নির্বাচনের আগে সর্বভারতীয় সংবাদপত্রে ততকালীন মু়খ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের অভিযোগ ছিল প্রতিবেশি দেশের জমিতে সক্রিয় ত্রিপুরার জঙ্গি সংগঠনগুলি। এই মন্তব্যের জেরে নয়াদিল্লিতে স্বরাষ্ট্র ম

হৃদয়ে শৈশবের বরিশাল-রংপুরে না যাওয়া আক্ষেপ, বুদ্ধদেব গুহর প্রয়াণে শোক শেখ হাসিনার

Buddhadeb Guha

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: আর যাওয়াই হলো না জল-জঙ্গলের বরিশালে। কীর্তনখোলা নদীর তীরে, সেই ছোট বেলার অনেক দেখা মনে রেখে দেওয়া স্মৃতির দুনিয়ায়। সেই ছিমছাম বাগান ঘেরা রংপুরে। জীবনভর বহু পাওয়ার মাঝে একটা আক্ষেপ ছিলই। সেই আক্ষেপ নিয়েই বিদায় নিয়েছেন কিংবদন্তি সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ (Buddhadeb Guha)।

বুদ্ধদেব গুহর জন্ম ১৯৩৬ সালে কলকাতায়। তখনও অভিভক্ত ভারত। পারিবারিক সূত্রে তাঁর ছোটবেলা কেটেছিল বরিশাল ও রংপুরের। পরে ভারত ভাগ হয় প্রিয় দুটি স্থান পড়ে যায় পাকিস্তানে। তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তান বা পূর্ব বাংলা থেকে গিয়েছিল তাঁর হৃদয়ে।

ভয়েস অফ আমেরিকা জানাচ্ছে, এক বিশেষ সাক্ষাৎকারে বুদ্ধদেব গুহ তাঁর শৈশবের স্মৃতি মন খুলে বলেছিলেন। সেই স্মৃতিতে মিশেছিল বরিশাল ও রংপুর। ১৯৭১ সালের পরবর্তী এই দুই স্থান বাংলাদেশের অন্তর্গত।

সেই সাক্ষাৎকারে বুদ্ধদেব গুহ বলেছিলেন, “ছোট বেলায় বাবার চাকরির সূত্রে বরিশাল ও রংপুরে একটা বড় সময় কাটিয়েছিলাম। আহা বরিশালের সেই নদী, গাছপালা এখনো টানে। মনে হয় দৌড়ে ছুটে যাই এখনই। আ হা সেই সব দিন। রংপুরও ছিল অন্য রকম একটি শহর। ছুটে বেড়াতাম স্কুল থেকে খেলার মাঠে।”

বরিশাল ও রংপুর না যাওয়ার আক্ষেপ নিয়েই জীবন খাতার হিসেব শেষ করেছেন বুদ্ধদেব গুহ। তাঁর প্রয়াণ সংবাদে বাংলাদেশের সাহিত্য সংস্কৃতি মহল শোকাচ্ছন্ন।

বুদ্ধদেব গুহর প্রয়াণে শোকস্তব্ধ বাংলাদেশ সরকার। গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সোমবার ঢাকায় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে জানানো হয়, প্রয়াত লেখকের আত্মার শান্তি কামনা করে শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানিয়েছেন শেখ হাসিনা।
বহুদর্শী জীবনের আক্ষেপ ছিল শৈশবকে না ধরতে পারা। সব ইচ্ছে সবসময় পূরণ হয় না।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা: একুশবার বেঁচেছেন হাসিনা, পাক মদতে হুজি-বি ষড়যন্ত্র ছিল ভয়াবহ

Sheikh Hasina

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: একুশবার হামলা হয়ে গিয়েছ। একুশবার বেঁচেছেন। তবে ১৭ বছর আগের ২১ আগস্ট ছিল রীতিমতো মরণফাঁদ। গ্রেনেডের পর গ্রেনেড ছুঁড়েছিল জঙ্গিরা। বাংলাদেশের ততকালীন বিরোধী নেত্রী শেখ হাসিনাকে বাঁচাতে নজিরবিহিন মানব বর্মের ঢাল দেখেছিল দুনিয়া। হাসিনা এখন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

তাঁর পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে খুন করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনির বিদ্রোহী অফিসাররা। ১৯৭৫ সালের সেই হামলায় বিদেশে থাকায় বেঁচে যান মুজিবকন্যা শেখ হাসিনা ও শেখ রেহানা।

২০০৪ সালের২১ আগস্ট বাংলাদেশের ইতিহাসের এক কলঙ্কময় দিন। ২০০৪ সালের এই দিনে ঢাকার বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে তৎকালীন বিরোধী দল আওয়ামী লীগের বিক্ষোভ সমাবেশ ছিল। সেই সমাবেশ ঘিরে টানটান উত্তেজনা। সরকারে তখন বিএনপি জামাত ইসলামি জোট। প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

Sheikh Hasina 2004 Dhaka grenade attack

সমাবেশে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী শেখ হাসিনা ভাষণ দিয়ে সবেমাত্র নামছিলেন। সেই সময় ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। একের পর এক গ্রেনেড ছুঁড়তে থাকে হামলাকারীরা। মুহূর্তে মৃতদেহের স্তূপে পরিনত হয় বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউর সেই মঞ্চ সংলগ্ন এলাকা।

হামলায় অল্পের জন্যে বেঁচে যান বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তবে সেদিনের সেই গ্রেনেড হামলায় আওয়ামী লীগের তৎকালীন মহিলা বিষয়ক সম্পাদিকা ও প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি জিল্লুর রহমানের স্ত্রী আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং কয়েকশ জন আহত হন।

প্রায় দেড় দশক আগে ২০০৪ সালের এই দিনে বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউতে আওয়ামী লীগের সন্ত্রাসবিরোধী শান্তি সমাবেশে নারকীয় গ্রেনেড হামলা চালানো হয়, যা ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা নামে পরিচিত।

২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় বাংলাদেশের ততকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বিএনপির নেতা লুৎফুজ্জামান বাবর, উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টু সহ ১৯ জনের মৃত্যুদণ্ড এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তথা খালেদা জিয়ার পুত্র তারেক রহমান, দলটির নেতা হারিছ চৌধুরী, প্রাক্তন সংসদ সদস্য শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ সহ ১৯ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের আদেশ দিয়ে ২০১৮ সালের ১০ অক্টোবর রায় দে আদালত। এই রায়ের বিষয়ে হাইকোর্টে আপিল মামলা শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। 

হামলার সময় ক্ষমতায় ছিল বিএনপি জামাত ইসলামি জোট। তদন্তে উঠে এসেছে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই মদতে হুজি-বি জঙ্গি সংগঠন এই হামলা চালিয়েছিল।