Weather Update: তাপমাত্রা আরও একটু কমল আজ

Kolkata Weather Update

নিউজ ডেস্ক: রাজ্যে ফের ফিরল শীত। রবিবারই কলকাতায় ২ ডিগ্রি নেমেছিল পারদ। এদিন মহানগরীর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সোমবার তাপমাত্রা আরও একধাপ কমল। আজকের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১২ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশেপাশে। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠতে পারে ২৩ ডিগ্রি অবধি।

আজ কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। আকাশ পরিস্কার থাকবে। তবে সারাদিনই হাওয়া বইবে। জেলাগুলিতেও তাপমাত্রা নেমেছে। পশ্চিমাঞ্চল জুড়ে ১০ ডিগ্রির কাছাকাছি পারদ। তরাই-ডুয়ার্সে পারদ নেমেছে ১০ ডিগ্রির নীচে। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী কয়েকদিন রাজ্যজুড়ে শীতের স্থিতাবস্থা বজায় থাকবে। 

হাওয়া অফিস জানিয়েছে, সোমবার কলকাতা ও শহরতলিতে মূলত আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। উত্তর ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতেও মূলত শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। তবে শহরে যে শীতের আমেজ অনুভূত হচ্ছে তার আয়ু অত্যন্ত কম। কারণ ফের একবার পরপর দুটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাব পড়তে চলেছে বঙ্গে। আগামী ৪ জানুয়ারি থেকে ৬ জানুয়ারি ও পরে ৭ জানুয়ারি থেকে ৯ জানুয়ারি পরপর দুটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে বাধা পাবে শীত ও উত্তরের বাতাস।

সোমবার বেশ ঠান্ডা অনুভূত হলেও ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করবে তাপমাত্রা। বৃহস্পতিবার একধাক্কায় তাপমাত্রার হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে কলকাতায় ও জেলাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টিপাতও হতে পারে।

মৌসম ভবনের পূর্বাঞ্চলীয় প্রধান, উপমহানির্দেশক সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘টানা ঠান্ডা পেতে হলে দুই ঝঞ্ঝার মধ্যে সময়ের ফারাক থাকতে হয়। সেই জন্যই গত ১৩ ডিসেম্বর থেকে ২৫ ডিসেম্বর একটানা শীতের আমেজ পেয়েছে কলকাতা। কিন্তু দু’টি ঝঞ্ঝার মধ্যে সময়ের ফারাক না থাকলে তাপমাত্রা নামার সময় পায় না। সেটাই হয়েছে।’

BJP: কলকাতায় লজ্জাজনক হারের কারণ ‘অজানা’, বাইশের পুরভোটে বিজেপি অসহায়

একুশের বিধানসভা ভোটে অধরা রয়ে গিয়েছিল স্বপ্ন। উপনির্বাচনে পর্যুদস্ত। কলকাতা পুরসভা নির্বাচনে বিজেপির হাল তথৈবচ। এখানেই শেষ নয়, এখনও বাকি রয়েছে ‘খেলা’। কলকাতার বাইরের একাধিক জায়গায় এখনও বাকি পুর ভোট। উঠে দাঁড়াতে পারবে কি বিজেপি (BJP)?

১৪৪ টি ওয়ার্ডের মধ্যে জয় মাত্র ৩ টিতে। এক কথায় কলকাতার ভোটে ভারতীয় জনতা পার্টি কার্যত হোয়াইটওয়াস। কেন এই হাল? দলের মধ্যে হয়েছে আলোচনা। প্রার্থীদের সঙ্গেও বৈঠকে কথা বলেছেন শিবিরের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের প্রতিনিধিরা৷

প্রশ্ন খুব সহজ। একের পর এক পরাজয়, সমস্যাটা কোথায়? সূত্র উদ্ধৃত করে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রকাশ, এই প্রশ্নই বারংবার ঘুরপাক খেয়েছে বিজেপির কর্মী, সমর্থক, চারদেওয়ালের মধ্যে আয়োজিত বৈঠকে৷

বেশিরভাগ প্রার্থীই হারের কারণ হিসেবে কলকাতায় দলের সাংগঠনিক দুর্বলতাকেই দায়ী করেছেন বলে জানা গিয়েছে৷ কলকাতায় হার নিয়ে তেমন বিচলিত দেখায়নি দিলীপ ঘোষকেও। বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির মতে, “কলকাতায় দলের সংগঠন তেমন শক্তিশালী নয়, তাই আমরা হেরেছি।”

হারের ময়নাতদন্ত করতে গিয়ে আরও একটি বিষয়ও উঠে এসেছে৷ পছন্দের প্রার্থী নাকি দেওয়া হয়নি বহু জায়গায়। যার ফলে দরকারের সময়ে সমর্থকদের অনেকেই বসেছিলেন হাত-পা গুটিয়ে৷ বিধানসভা নির্বাচনে পরাজয়ের পরেও উঠে এসেছিল অনুরূপ অভিযোগ। প্রার্থী বাছাইয়ের ক্ষেত্রে রয়ে গিয়েছিল কিছু গলদ। সেই সঙ্গে ছিল আদি নব্যের বিবাদ। যদিও কলকাতা পুরভোটে আদি নব্যের ইস্যুর কথা শোনা যায়নি। বরং সাংগঠনিক দুর্বলতা এবং প্রার্থী বাছাইয়ের মতো জায়গায় ভুল সিদ্ধান্তের কথায় বলেছেন রাজনৈতিক মহলের অনেকে।

বিজেপি কি তাহলে একই ভুল বারবার করছে? অভিযোগের সিরিজ অন্তত তেমনই। নেতৃত্ব এবং তৃণমূল স্তরের কর্মী সমর্থকদের মধ্যে রয়ে যাচ্ছে ভাবনার পার্থক্য৷ পুরভোটের আগে রাজ্য স্তরের নেতাদের মধ্যেও তৎপরতা দেখা গিয়েছিল কি? প্রশ্ন উঠতে পারে। নরেন্দ্র মোদী যখন কনকনে ঠান্ডা জলে নেমে দেবাদিদেবের উপসনা করছিলেন, তখন সূর্যধর সেন লেনের বাড়িটায় কোথায় সেই আমেজ? নম-নম করে পুজো সেরেছিলেন দিলীপ ঘোষ, সুকান্ত মজুমদাররা। কোথাও যেন তাল কাটছে। রেওয়াজ করেও মনহরী হচ্ছে না রাগ।

মোদীরা রয়েছেন চেনা ছকে। এমনটাই মত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞদের একাংশের৷ সেই সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর ক্যারিশমাও আগের মতো এখনও রয়েছে কি না, সে ব্যাপারেও রয়েছে প্রশ্ন। কৃষিবিল, আফস্পা আইন, পেগাসাস, রাতারাতি লকডাউন, অতিমারি কালে মৃত্যু মিছিল, স্বজন হারানোর কান্না… একে একে জমা হচ্ছে মানুষের মগজে। সম্প্রতি কর্নাটকের চেনা জায়গাতেও হেরেছে বিজেপি।

হাওড়া, বালির নির্বাচন অনিশ্চিত। এখনও অনুমতি দেননি রাজ্যপাল। নির্বাচন কমিশনেরও আপাতত কিছু করার নেই। চন্দননগর, বিধাননগর, শিলিগুড়ি এবং আসানসোলে ভোট রয়েছে। জানুয়ারিতেই ভোট। গণনাও এই মাসে। কিন্তু সাম্প্রতিককালের পশ্চিমবঙ্গে বিজপির যা ট্রেন্ড তাতে কি আমূল বদল আসবে? বিধানসভা নির্বাচনেই রাজ্যের মানুষ নিজেদের সিদ্ধান্ত জানিয়েছিলেন। প্রায় ৭ মাস কেটেছে। এরই মধ্যে সিদ্ধান্ত বদল করার মতো মস্ত কিছু কি ঘটেছে রাজ্যে? উপরন্তু এই মাঝের সময়কালে দেশে এমন অনেক কিছু ঘটেছে যা কেন্দ্র সরকারকে অস্বস্তিতে ফেলেছে। যার কিছু উদাহরণ প্রতিবেদনের ইতিপূর্বে উল্লেখিত।

Covid 19: দৈনিক করোনা আক্রান্তের অর্ধেক কলকাতাতেই

Covid 19: Half of the daily corona attacks are in Kolkata

News Desk: বাংলায় লাফিয়ে বাড়ছে দৈনিক সংক্রমণ। এক ধাক্কায় ৪০০০-এর গণ্ডি পার করেছে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের তরফে পেশ করা বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৫১২। দৈনিক পজিটিভিটি রেট ১২.০২ শতাংশ। রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬ লক্ষ ৪২ হাজার ৯৯৭।

দৈনিক মৃত্যু রয়েছে এক অঙ্কেই। একদিনে মৃত্যু হয়েছে ৯ জন করোনা রোগীর। করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ১৯ হাজার ৭৭৩।

গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১ হাজার ৯১৩ জন। মোট সুস্থ হয়েছেন ১৬ লক্ষ ৯ হাজার ৯২৪। বাংলায় সুস্থতার হার ৯৭.৯৯ শতাংশ। সক্রিয় রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৩ হাজার ৩০০।

 জেলাগুলির মধ্যে সবথেকে খারাপ অবস্থা কলকাতার। মোট আক্রান্তের অর্ধেকই এখানে। গত ২৪ ঘন্টায় কলকাতায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২ হাজার ৩৯৮। উত্তর ২৪ পরগনায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ৬৮৮। এই দুই জেলাতেই করোনায় মৃত্যু হয়েছে ২ জন‌ রোগীর।

রাজ্যে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যা ১৬ থেকে বেড়ে হয়েছে ১৭। ওমিক্রন থেকে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরছেন ৩ জন।

উল্লেখ্য, সংক্রমণ বাড়তে থাকায় আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে রাজ্যে আংশিক লকডাউন জারি হতে পারে।

Omicron: লন্ডনের বিমান কলকাতায় নামতে পারবে না, সিদ্ধান্ত মমতার

Omicron: London flight will not land in Kolkata, Mamata decides

News Desk: ওমিক্রন আতঙ্ক আরও তীব্র হচ্ছে বাংলায়। এই পরিস্থিতিতে বিমান পরিষেবার ক্ষেত্রে বড় সিদ্ধান্ত নিল রাজ্য সরকার। বৃহস্পতিবার নবান্নের তরফে একটি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তি জারি করে জানানো হয়েছে, আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে কলকাতায় ব্রিটেনের বিমান অবতরণে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করা হয়েছে। এছাড়াও বলা হয়েছে, কেন্দ্রের তালিকা অনুযায়ী ব্রিটেনের পরিস্থিতি এই মুহূর্তে উদ্বেগজনক। তাই আপাতত ব্রিটেন থেকে কোনো বিমান কলকাতায় আসবেনা।

করোনা পরিস্থিতির অবনতি আটকাতে তৎপর রাজ্য। ভিন দেশ থেকে এরাজ্যে প্রবেশ করতে হলে করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক।

কেন্দ্র ইতিমধ্যেই পশ্চিমবঙ্গ-সহ ৮ রাজ্যকে চিঠি পাঠিয়ে আগাম প্রস্তুতি নেওয়ার কথা জানিয়েছে। করোনা টিকাকরণে জোর দিতে বলা হয়েছে এবং হাসপাতালে বেড মজুত রাখার কথাও বলা হয়েছে।

করোনার নতুন হামলার মাঝে স্টুডেন্টস উইক, বিতর্কে মমতার সরকার

In the midst of Corona's new attack, Students' Week, Mamata's government in the debate

News Desk: রাজ্যে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে ওমিক্রন। বেড়ে চলেছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। এর মধ্যেই পড়ুয়াদের জমায়েতের ডাক দিল রাজ্য শিক্ষা দফতর। রাজ্যের এই সিদ্ধান্তকে ঘিরে ইতিমধ্যেই বিতর্কের সৃষ্টি হয়েছে।

নতুন বছরের ১ জানুয়ারি থেকে ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত চলবে স্টুডেন্টস উইক। রাজ্যের প্রতিটি জেলায় স্টুডেন্টস উইক পালনের নির্দেশ দিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আগামী ১ ও ২ জানুয়ারি পড়ুয়াদের স্কুল মারফত মিড ডে মিল বিতরণ করা হবে। অভিভাবকদের দেওয়া হবে শুভেচ্ছাপত্র। এছাড়াও, ২৫ হাজার পড়ুয়াকে স্টুডেন্টস ক্রেডিট কার্ড দেওয়ার কর্মসূচি নিয়েছে শিক্ষা দফতর।

রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্তের তীব্র বিরোধিতা করেছে বিরোধীরা। সম্প্রতি একটি তথ্য সামনে এসেছে যেখানে বলা হয়েছে আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়বে রাজ্যে। এই পরিস্থিতিতে পড়ুয়াদের জমায়েত যথেষ্ট চিন্তার কারণ। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে তৃতীয় ঢেউয়ের সম্ভাবনা থাকলে রাজ্যের আরও সতর্ক হওয়া উচিত।

এক সপ্তাহের মধ্যেই বঙ্গে আছড়ে পড়বে তৃতীয় ঢেউ, আশঙ্কার নয়া তথ্য

The third wave will hit Bengal in a week, raising new fears

News Desk: ওমিক্রন সংক্রমণ বাড়তে থাকায় চিন্তার ভাঁজ বেড়েছে রাজ্যের। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বছরের শুরু থেকেই কঠোর বিধিনিষেধ জারি হওয়ার ইঙ্গিত দিয়েছেন। এরই মধ্যে প্রকাশ্যে এল এক উদ্বেগজনক তথ্য। তথ্য বলছে, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যে তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। এমনকি গোষ্ঠী সংক্রমণের অঙ্গিত মিলেছে কলকাতায়।

তথ্য অনুযায়ী, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে রাজ্যে শক্তিশালী তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়তে পারে। জার ফলে দ্বিগুণ হারে বাড়বে সংক্রমণ। দ্বিতীয় ঢেউয়ে দৈনিক সংক্রমণ ছিল ২০-২৫ হাজার। তৃতীয় ঢেউ আছড়ে পড়লে দৈনিক সংক্রমণ ৩০-৩৫ হাজারের গণ্ডি ছুঁয়ে ফেলতে পারে।

কলকাতায় গোষ্ঠী সংক্রমণের প্রবল সম্ভাবনা রয়েছে। এই জেলার পাঁচ জনের মধ্যে চার জনের নমুনা পরীক্ষায় ওমিক্রনের হদিশ মিলেছে।

তৃতীয় ঢেউ নিয়ে ইতিমধ্যেই জেলাগুলিকে সতর্কতা জারি করেছে। খতিয়ে দেখা হচ্ছে জেলার দৈনিক সংক্রমণের পরিসংখ্যান। স্বাস্থ্য দফতরের অধিকর্তারা জানিয়েছেন, রাজ্যের দৈনিক সংক্রমণের যে চিত্র সামনে এসেছে তাতে আগামী কয়েকদিনেই দ্বিগুণেরও বেশী হবে বলে আশঙ্কা। জেলার সরকারি হাসপাতালে সকল বিভাগে করোনা পরীক্ষা বাধ্যতামূলক কড়া হয়েছে।

রাজ্যের ৬ টি জেলা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে স্বাস্থ্য দফতর। বীরভূম, উত্তর দিনাজপুর, মালদা, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ার, বাঁকুড়া- এই ৬ টি জেলায় পজিটিভিটি রেট অনেক বেশী এবং নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা তুলনায় অনেক কম।

Omicron: বাড়ছে সংক্রমণ, শীঘ্রই কঠোর লকডাউনের পথে বাংলা!

Omicron: Infection is on the rise, soon on the way to a severe lockdown!

News Desk: দিন যত এগোচ্ছে ততই বেড়ে চলেছে ওমিক্রন উদ্বেগ। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যে জারি হতে পারে কড়া বিধিনিষেধ। বুধবার গঙ্গাসাগরের প্রশাসনিক বৈঠকে এমনই ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজ্যে ইতিমধ্যেই ওমিক্রন সংক্রমিতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১১। এই পরিস্থিতিতে সিঁদুরে মেঘ দেখছে রাজ্য সরকার। ফলে আগামী দিনে ওমিক্রনের সংক্রমণ রুখতে রাজ্যে ফের লকডাউন হতে পারে। জারি হবে কড়া বিধিনিষেধ। এমনকি বন্ধ করা হবে স্কুল কলেজ ও লোকাল ট্রেন।

বাইরে থেকে যারা রাজ্যে ঢুকছে তাদের থেকে ওমিক্রন ছড়াতে পারে। তাই বিমানবন্দরের ক্ষেত্রেও কিছু নির্দেশিকা জারি করা হতে পারে। পাশাপাশি, যেসকল এলাকায় সংক্রমণ বেশী সেখানে কনটেনমেন্ট জোন ঘোষণা করার কথাও জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী।

Omicron: ওমিক্রন ঠেকাতে স্বাস্থ্য দফতরের নয়া নির্দেশিকা

Covid: A total of 853 cases of Omicron are infected in the country, with Maharashtra being the most affected

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা : ক্রমশ বাড়ছে ওমিক্রন (Omicron) আক্রান্তের সংখ্যা। সংক্রমণ ঠেকাতে এবার নয়া নির্দেশিকা জারি করল রাজ্য। বিদেশ থেকে ফিরলেই নজরদারি করবে রাজ্য সরকার। নজরদারির দায়িত্বে ডিএম (District Magistrate), সিএমওএইচ (Chief Health Officer) সহ কলকাতা পুরসভা (Kolkata Municipal Corporation)।

ওমিক্রন মোকাবিলায় রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর (State Health Department) নির্দেশিকায় জানিয়েছে, বিমানবন্দরে (Airport) করোনা টেস্ট করা হবে। এরপর ৮ দিনের মাথায় ফের আরটিপিসিআর (RTPCR) টেস্ট হবে। রিপোর্ট পজিটিভ হলে জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ে (Genome Sequencing) নমুনা যাবে। জিনোম সিকোয়েন্সিংয়ের রিপোর্ট আসার আগে আইসোলেশনে (Isolation) থাকতে হবে। রিপোর্ট নেগেটিভ এলেও ১৪ দিন আইসোলেশনের পরামর্শ। রিপোর্ট পজিটিভ এলে সহযাত্রীদের উপরও নজরদারি। হবে টেস্টও। 

এদিকে সোমবারের থেকে একলাফে প্রায় দ্বিগুণ হয়ে গিয়েছে রাজ্যের দৈনিক করোনা (Corona) সংক্রমণ। পশ্চিমবঙ্গ স্বাস্থ্য দফতরের মঙ্গলবারের (২৮ ডিসেম্বর) প্রকাশিত বুলেটিন অনুযায়ী, ২৪ ঘণ্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৭৫২ জন। মৃত্যু হয়েছে ৭ জনের। সোমবারের রিপোর্ট অনুযায়ী, রাজ্যে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪৩৯। মৃত্যু হয়েছিল ১০ জনের।

উল্লেখ্য, বছর শেষে ফের লাফিয়ে বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। ব্রিটেনে গত ২৪ ঘণ্টায় রেকর্ড সংক্রমণ। একদিনে আক্রান্ত ১ লক্ষ ২৯ হাজার ৪৭১ জন। করোনা আক্রান্ত ৫০০-রও বেশি শিশু হাসপাতালে ভর্তি। এর পাশাপাশি, সেখানে উদ্বেগজনক হারে বাড়ছে ওমিক্রন আক্রান্তের সংখ্যাও।

ফ্রান্সেও করোনায় গত ২৪ ঘণ্টায় সংক্রমিত প্রায় ১ লক্ষ ৮০ হাজার। সংক্রমণের হারে বিশ্বে শীর্ষস্থানে রয়েছে ডেনমার্ক। সে দেশে প্রতি ১০ হাজার জনে ১৬১২ জন করোনা আক্রান্ত। এর মধ্যে আমেরিকায় দৈনিক সংক্রমণ সব রেকর্ড ছাপিয়ে গিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় সে দেশে আক্রান্ত ৫ লক্ষ ১২ হাজার ৫৫৩ জন।ওমিক্রনের জেরে গত ২৪ ঘণ্টায় গোটা বিশ্বে ২৫০০ এর বেশি উড়ান বাতিল হয়েছে। 

Omicron: সংক্রমণ রুখতে রাজ্যে কঠোর বিধিনিষেধ! বৈঠকে ইঙ্গিত মুখ্যমন্ত্রীর

Omicron: Strict restrictions in the state to prevent infection! The Chief Minister hinted at the meeting

News Desk: করোনার আতঙ্ক কাটিয়ে রাজ্যবাসী যখন ধীরে ধীরে স্বাভাবিক জীবনে ফিরছিল সেইসময় আরও বড় আতঙ্ক হয়ে এসেছে করোনার নতুন রূপ ওমিক্রন। পশ্চিমবঙ্গে বিধিনিষেধ চললেও অনেক ক্ষেত্রে যথেষ্ট ছাড় দিয়েছে রাজ্য সরকার। কিন্তু ওমিক্রন যেভাবে নিজের প্রভাব বিস্তার করছে তাতে অশনি সংকেত দেখছে সরকার। তাই ওমিক্রন রুখতে রাজ্যে ফের একবার কঠোর বিধিনিষেধ জারি হতে পারে বলে ইঙ্গিত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

সোমবার একটি বৈঠক মুখ্যমন্ত্রী ওমিক্রন নিয়ে সতর্ক থাকার বার্তা দেন। পাশাপাশি জানিয়ে দেন পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে প্রয়োজনে কড়া বিধিনিষেধ জারি কড়া হতে পারে।

গোটা দেশে এই মুহূর্তে আতঙ্ক তৈরি করেছে ওমিক্রন। কেন্দ্রীয় সরকার ইতিমধ্যেই রাজ্যগুলিকে নির্দেশিকা পাঠিয়েছে। জোর দেওয়া হয়েছে টিকাকরণে।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী বছরের জানুয়ারি থেকে ১৫-১৮ বছর বয়সীদের করোনা টিকাকরণ সম্পন্ন করা হবে।

বাংলা পক্ষ বড় সাফল্য! বাংলা পক্ষর আন্দোলনে পোস্ট অফিসে বাংলা ভাষায় পরিষেবা পাওয়া যাবে

Bengali side great success! Services in Bengali will be available at the post office in the Bengali side movement

News Desk: বাংলা পক্ষ পশ্চিম বর্ধমান জেলার লড়াইয়ের ফলে বড়ো সাফল্য এল। পোস্ট অফিসে বাংলা ভাষায় পরিষেবা পাওয়া যাবে। বাংলা পক্ষ কিছুদিন আগেই আসানসোল ও রানীগঞ্জ পোস্ট অফিসে ডেপুটেশন জমা দেয়। আজ পোস্ট বিভাগ বাংলায় পরিষেবা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এই আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছে রানীগঞ্জ শাখার সম্পাদক দীপায়ন মুখার্জী, আসানসোল উত্তর শাখার সম্পাদক ঋষিক গাঙ্গুলি এবং পশ্চিম বর্ধমান জেলার জেলা সম্পাদক অক্ষয় বন্দ্যোপাধ্যায়।

বাংলা পক্ষ সমস্ত ব্যাংক, পোস্ট অফিস এবং বীমা পরিষেবায় বাংলা চাই, এই দাবিতে লড়াই চলছে বাংলা জুড়ে। বাংলা পক্ষর পশ্চিম বর্ধমান জেলার এই সাফল্য, পুরো বাংলা পক্ষ সংগঠনকে আরও উজ্জীবিত করবে লড়াইয়ের ময়দানে।
জয় বাংলা

সাধ্যের মধ্যেই অল্প বাজেটে ‘শর্ট ট্রিপ’ মন্দারমণি

Mandarmani is a 'short trip' on a low budget within reach

News Desk: কম বাজেটে এক কিংবা দুদিনের জন্য ঘুরে আসতে চাইলে চলে যেতে পারেন মন্দারমণি। রাজ্যের ভিতরে অবস্থিত এই সমুদ্র সৈকত পর্যটকদের অন্যতম পছন্দের জায়গা।

পূর্ব মেদিনীপুর জেলায় অবস্থিত মন্দারমণি। কলকাতা ও হাওড়ার সঙ্গে জাতীয় সড়কের মাধ্যমে যুক্ত হয়েছে। এই স্থানের প্রধান আকর্ষণ হল লাল কাঁকড়া।

এই জায়গার অপরূপ এবং মনোরম পরিবেশ ভ্রমণপিপাসুদের জন্য উপযুক্ত। বালিয়াড়ি, মাছ ধরার দৃশ্য, লাল কাঁকড়া দেখা ছাড়াও বেশ কয়েকটি ঘোরার জায়গাও রয়েছে মন্দারমণিতে।

মন্দারমণি ঘুরতে এলে পাওয়া যাবে বাঙালি খাবারের আইটেম। পাশাপাশি রয়েছে চাইনিজ ও বিভিন্ন ধরণের মাছের আইটেম।

বালি বিলের জটিলতার মধ্যেই সোমবার পুরভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা!

The pre-poll schedule was announced on Monday amid the complexity of the sand bill!

News Desk: বহু প্রতীক্ষার পর পুরভোটের বাদ্যি বেজেছে। কিছুদিন আগেই কলকাতা পুরসভার ভোট শেষ হয়েছে। এরপর রাজ্যের বাকি পুরসভাগুলিতে কবে নির্বাচন করা যেতে পারে তা জানতে চেয়েছিল কলকাতা হাইকোর্ট। উত্তরে ২২ জানুয়ারি ও ২৭ ফেব্রুয়ারি ভোট করা যেতে পারে বলে জানায় নির্বাচন কমিশন। যদিও এখনও নির্ঘণ্ট ঘোষণা করা হয়নি। তবে সূত্রের খবর, আগামী সোমবার অর্থাৎ ২৭ ডিসেম্বর সরকারিভাবে ঘোষণা হতে পারে।

পুরভোটের নির্ঘণ্ট প্রকাশ করার মধ্যেই অব্যাহত বালি বিলের জটিলতা। তথ্য অনুযায়ী, পুরভোটের প্রথম দফায় রয়েছে হাওড়া এবং দ্বিতীয় দফায় রয়েছে বালি। এখানেই সৃষ্টি হচ্ছে জটিলতা। এখনও বালি বিলের রাজ্যপালের স্বাক্ষর না হওয়ার কারণে হাওড়া ও বালি আনুষ্ঠানিকভাবে আলাদা হয়নি। ফলে প্রশ্ন উঠছে, বালি বিলের জটিলতা জিইয়ে রেখেই কি দুই পুরসভার ভোট হবে।

এদিকে সোমবার বিকেল ৪ টেয় নির্বাচন কমিশন একটি সাংবাদিক বৈঠকের আয়োজন করেছে। আগামীকালের বৈঠকে হাওড়া ও বালি ঘিরে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা হয় নাকি সেদিকেই তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। তবে রাজনৈতিক মহলের মতে, যেহেতু হাওড়া ও বালি এখনও দুটি আলাদা পুরসভা হয়ে উঠতে পারেনি তাই আসন্ন পুরভোট থেকে বাদ যেতে পারে হাওড়া ও বালি।

রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় সমবায় দফতরে চলছে গ্রুপ সি কর্মী নিয়োগ

Recruitment of staff is going on in the central company of Kolkata

News Desk: পশ্চিমবঙ্গে যে সকল ব্যক্তিরা চাকরির সন্ধান করছেন তাদের জন্য সুখবর। সমবায় দফতরের গ্রুপ সি পদে কর্মী নিয়োগ চলছে। ‘ওয়েস্ট বেঙ্গল কো-অপারেটিভ সার্ভিস কমিশন’-এর তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। বিজ্ঞপ্তির নোটিশ নম্বর ০৫/২০২১। রাজ্যের বিভিন্ন জেলায় কর্মী নিয়োগ করা হবে।

ফিল্ড সুপারভাইজারঃ শূন্যপদ রয়েছে ২ টি। আবেদনকারীদের নূন্যতম যোগ্যতা হতে হবে স্নাতক পাশ। পাশাপাশি, বেসিক কম্পিউটার নলেজ থাকতে হবে। বর্ধমান কো-অপারেটিভ এগ্রিকালচার অ্যান্ড রুরাল ডেভলপমেন্ট ব্যাঙ্ক লিমিটেডে প্রার্থী নিয়োগ করা হবে। প্রতি মাসের বেতন ২০,০০০ টাকা।

অফিস অ্যাসিস্টেন্টঃ নিয়োগের স্থান দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল স্টেট হ্যান্ডলুম ওয়েভার্স কো-অপারেটিভ সোস্যাইটি লিমিটেড (তন্তুজা)। নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা স্নাতক পাশ। থাকতে হবে বেসিক কম্পিউটার নলেজ। এই মুহূর্তে শূন্যপদ রয়েছে ৩ টি। প্রার্থীদের প্রতিমাসে বেতন হবে ২৬,৬০৫ টাকা। এই কোম্পানিতেই টেকনিক্যাল অ্যাসিস্টেন্টের জন্য শূন্যপদ রয়েছে ২ টি। শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন স্নাতক পাশ এবং বেসিক কম্পিউটার নলেজ। প্রার্থীদের প্রতিমাসের বেতন হবে ২৬,৬০৫ টাকা।

আবেদনকারীরা অনলাইনে চাকরির আবেদন করতে পারবেন।

রাজ্যের বি.কম পাশদের জন্য রয়েছে ব্যাঙ্কে চাকরি করার সুযোগ

Once you graduate, you will get a golden opportunity to work in a bank

পশ্চিমবঙ্গের মধ্যে যারা চাকরির জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছেন তাঁদের জন্য সুখবর। এ রাজ্যের সমবায় ব্যাঙ্কগুলিতে কর্মী নিয়োগ করা হবে। ওয়েস্ট বেঙ্গল কোঅপারেটিভ সার্ভিস কমিশনের তরফে জারি করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তি।

নয়া বিজ্ঞপ্তির নম্বর ০৫/২০২১। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের যেকোনো জেলা থেকেই ইচ্ছুকরা আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীদের হতে হবে ভারতীয়।

লোয়ার ডিভিশন অ্যাসিস্টেন্টের জন্য শূন্যপদ রয়েছে ১১ টি। কলকাতা পুলিশ কোপারেটিভ ব্যাঙ্ক লিমিটেডে এই পদে কর্মী নিয়োগ করা হবে। আবেদনকারীদের ৫০ শতাংশ নম্বর নিয়ে বি.কম পাশ বাধ্যতামূলক। কম্পিউটারে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। প্রার্থীদের বেতন হবে প্রতিমাসে ২৬,৬০৫ টাকা।

বড়দিন টু বর্ষবরণ: মহানগরী দাপিয়ে বেড়াবে ডাবল ডেকার

News Desk: বড়দিনে‌ তিলোত্তমার রাস্তায় দেখা যাবে লন্ডনের রাস্তার এক টুকরো চিত্র। বড়দিনের মজা দ্বিগুণ করতে মহানগরী রাস্তায় নামল দোতলা বাস। বড়দিন থেকে বর্ষবরণ, শহরের রাস্তায় ছুটে বেড়াবে নীল-সাদা রং এর ডাবল ডেকার। কলকাতায় দোতলা বাস ফিরেছে ঠিকই কিন্তু তা সবার জন্য নয়, পর্যটন প্রসার ঘটানোর লক্ষ্যে পর্যটকদের এই শহরে দাপিয়ে বেড়াবে এই বাস।

 

উৎসবের মরসুমে নিত্য যাত্রী পরিবহনের চেয়ে পর্যটন শিল্প প্রসার ঘটানোর লক্ষ্য নিয়েছে রাজ্য সরকার। এর জন্যই রাজ্য পর্যটন দফতরের তরফ থেকে পর্যটকদের জন্য দোতলা বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। পর্যটন শিল্পের প্রসার ঘটাতে প্রায় ৯০ লক্ষ টাকা খরচ করে বাস তৈরির বিশেষজ্ঞ সংস্থা জামশেদপুরের ‘বিবিকো’ কে দিয়ে ভারত স্টেজ-৪ গোত্রের ৪৫ আসনের দুটি ডাবল ডেকার বাস তৈরি করেছে পশ্চিমবঙ্গ পরিবহন নিগম। যেহেতু এই বাস তৈরিতে স্টেজ বদল করা হয়েছে তাই এতে নয়া প্রযুক্তি ব্যবহার করা যাবে। এখন দুটি বাস পশ্চিমবঙ্গ পরিবহন নিগমের ঝুলিতে থাকলো ধীরে ধীরে মোট ১০ টি বাস নেবে রাজ্য সরকার।

 

লন্ডনের সিটি ট্যুরের ধাঁচে কলকাতায় পর্যটনের ক্ষেত্রে এই বাস চালানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছেন পরিবহন নিগমের আধিকারিকরা। সাক্ষীদের সুরক্ষার কথা মাথায় রেখে বাসের ভিতরে থাকছে বেশ চওড়া সিঁড়ি। বাস দুটি আপাতত হুডখোলা বা ছাদবিহীন। তবে অস্থায়ী ছাউনির ব্যবস্থা করা যায় কিনা এই নিয়ে নির্মাণ সংস্থার সঙ্গে কথা হয়েছে এবং‌ সংস্থা জানিয়েছে এ ক্ষেত্রে বিশেষ এক ধরনের শিট ব্যবহার করা যাবে। তবে বড়দিন থেকে বর্ষবরণ পর্যন্ত খোলা বাসই কলকাতার রাস্তায় ছুটবে।

রাজ্যের পৌরসভায় গ্রুপ সি পদে কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ

Publication of recruitment notice for Group C posts in the state municipalities

News Desk: রাজ্যের পৌরসভায় কর্মী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে। একাধিক পদে নিয়োগ করা হবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, কমিউনিটি অরগানাইজারের জন্য এই মুহূর্তে শূন্যপদ রয়েছে ২ টি।

এই পদে আবেদনকারীদের নূন্যতম যোগ্যতা থাকতে হবে উচ্চমাধ্যমিক পাশ। পাশাপাশি, সোশ্যাল ডেভলপমেন্ট নিয়ে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে ৩ থেকে ৫ বছর। জানতে হবে এমএস অফিস। প্রার্থীদের প্রতিমাসে বেতন দেওয়া হবে ১০,০০০ টাকা। এছাড়া, আবেদনকারীদের বয়সসীমা ১৮-৪০ বছর।

একাউন্ট্যান্টের ১ টি শূন্যপদে নিয়োগ করা হবে কর্মী।

আবেদনকারীদের নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতা হতে হবে স্নাতক পাশ। এছাড়া, এমএস অফিসে কাজ করার দক্ষতা থাকতে হবে এবং সরকারি সোসাইটি, ফার্ম, অ্যাসোসিয়েশনে কাজ করার অভিজ্ঞতা থাকতে হবে কমপক্ষে ৩ বছর। ১৮ থেকে ৪০ বছর বয়সীরা আবেদন করতে পারবেন। প্রতিমাসে বেতন হবে ১৪,০০০ টাকা।

হাওয়া মোরগ কুঁকড়ে নেই, শীত কমছে বড়দিনে

kolkata winter

News Desk: হাড় কাঁপা শীত একেবারে উধাও এই বছরে। ডিসেম্বরের প্রায় শেষ, নতুন‌ বছর আসতে হাতে গোনা মাত্র কয়েকটা দিন, তবুও কনকনে শীতের আমেজ পাচ্ছেনা রাজ্যবাসী। এমনকি শীত প্রায় উধাও। বরং রাতের দিকে দুই বঙ্গে তাপমাত্রা বাড়ছে। আজ কলকাতা-সহ সংলগ্ন জায়গার তাপমাত্রা প্রায় বুধবারের মতই থাকছে।

কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস,যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্ৰি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকছে ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্ৰি কম। মোটের ওপর আকাশ পরিষ্কার থাকবে বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। আগামী কয়েকদিন বৃষ্টিপাতের কোন সম্ভাবনা নেই।

অন্যদিকে আলিপুর আবহাওয়া দফতরের দেওয়া আপডেট অনুযায়ী, পশ্চিমী ঝঞ্ঝার কারণে উত্তরে হাওয়া প্রবেশে বাধা প্রাপ্ত হচ্ছে এবং ভারত মহাসাগরের কাছে একটি ঘূর্ণাবর্তের সৃষ্টি হয়েছে যার ফলে আগামি ১-২ দিনে তাপমাত্রা বাড়বে বলে মনে করা হচ্ছে। সুতরাং বড়দিনে শীতের আমেজ অনুভব করতে পারবেনা রাজ্যবাসী। বড়দিনের পর কলকাতা-সহ তৎসংলগ্ন জায়গায় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে উপরে উঠতে পারে বলেও জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা।

Purba Medinipur: চাকরির আশা! নিয়োগ হবে আশাকর্মীরা

Purba Medinipur: Job hope! Ashakarmi will be recruited

News Desk: রাজ্যের পূর্ব মেদিনীপুর জেলার কয়েকটি ব্লকে অস্থায়ী চুক্তিতে নিয়োগ করা হবে একাধিক আশাকর্মী। যাবতীয় তথ্য সহ জারি করা হয়েছে বিজ্ঞপ্তি।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পূর্ব মেদিনীপুর জেলার ১৩ টি ব্লকে মোট ৭৫ টি শূন্যপদে কর্মী নিয়োগ করা হবে। নির্দিষ্ট ব্লকের বিবাহিত, বিধবা অথবা ডিভোর্সি মহিলারা বিনামূল্যে আবেদন করতে পারবেন। আবেদনকারীদের নূন্যতম যোগ্যতা থাকতে হবে মাধ্যমিক পাশ। আবেদনকারীদের বয়স হত হবে ৩০-৪০ বছরের মধ্যে। তবে এসসি ও এসটিদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা ২২ থেকে ৪০ বছর।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অফলাইনে চাকরির আবেদন করা যাবে। আবেদনকারীদের একটি ফর্ম ফিলাপ করতে হবে। এরপর জরুরি নথিসহ (মাধ্যমিকের রেজাল্ট, আধার কার্ড, রেশন কার্ড, মাধ্যমিকের অ্যাডমিট কার্ড, স্বামী থাকলে তার প্রমাণপত্র, দু কপি পাসপোর্ট সাইজের ফটো) একটি খামে ভরে স্থানীয় বিডিও অফিসে জমা দিতে হবে।

ক্লাস ওয়ানের কবে ক্লাস শুরু? খবর নেই শিক্ষা দফতরের কাছে

নিউজ ডেস্ক: করোনার প্রভাব কাটিয়ে ক্রমশই সুস্থ হয়ে উঠছে দেশ তথা রাজ্য। প্রতিনিয়ত স্বাস্থ্য দফতরের তরফ থেকে যে পরিসংখ্যান প্রকাশ করা হচ্ছে তাতে এটা স্পষ্ট, বর্তমানে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে এই মারণ ভাইরাস। দীর্ঘ ২০ মাস পর নবম থেকে দ্বাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হলেও এখনও বন্ধ প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির পড়ুয়াদের অফলাইন ক্লাস।

কিছুদিন আগে শিক্ষা দফতরের তরফ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল নতুন বছরেই প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণীর পড়ুয়াদের জন্য স্কুলের দরজা ফের একবার খুলতে চলেছে। এমনকি পড়ুয়াদের অভিভাবকদের হাতে মিড ডে মিলের সামগ্রী তুলে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। তবে বর্তমানে বিশ্বজুড়ে ওমিক্রণের বাড়বাড়ন্তে সিদ্ধান্ত বদল শিক্ষা দফতরের। জানুয়ারি মাসে প্রাথমিক স্তরে স্কুল খোলার পরিকল্পনা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হবে না। ওমিক্রণের সংক্রমণ এড়াতে ধীরে চলো নীতিতেই আস্থা রাখছে রাজ্য সরকার।

পুস্তক সপ্তাহ পালন নিয়ে বিকাশ ভবন নতুন করে নির্দেশিকা জারি করেছে। বিকাশ ভবনে নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, জানুয়ারিতে যেহেতু অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত স্কুল বন্ধ থাকছে তাই রাজ্যের স্কুলগুলিকে সব শ্রেণির পড়ুয়াদের জানুয়ারির ৭ তারিখের মধ্যে পড়ুয়াদের অভিভাবকদের হাতে পাঠ্যপুস্তক তুলে দিতে হবে। সুতরাং,জানুয়ারিতে শুরু হচ্ছে না প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির ক্লাস।

অন্যদিকে প্রাথমিক ও উচ্চ প্রাথমিক স্কুল খোলার দাবিতে অনড় রয়েছেন শিক্ষক সংগঠনগুলি। প্রথম থেকে অষ্টম শ্রেণির ক্লাস যত শীঘ্র সম্ভব শুরু হওয়ার দাবি অটল রয়েছেন শিক্ষক সংগঠনগুলি। তবে তাদের দাবি মতো এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত কোন সিদ্ধান্তে উপনীত হয়নি রাজ্য শিক্ষা দফতর। কবে থেকে আবার স্কুল যেতে পারবে প্রাথমিক ও উচ্চ-প্রাথমিক স্তরের পড়ুয়ারা; তা নিয়ে জটিলতা ক্রমশ আরও জোরালো উঠছে।

পুরভোটের ফলাফল প্রকাশের পরেই কামাখ্যা দর্শনে অসমে মমতা

Mamata Banerjee Visit Kamakhya Temple

NEWS DESK: ঝটিকা সফরে অসমে (ASSAM) মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কলকাতা পুরভোটের ফলপ্রকাশের দিনই অসমে গেলেন মুখ্যমন্ত্রী। উপলক্ষ্য, কামাখ্যা মন্দিরে পুজো ও মাতৃদর্শন। গুয়াহাটি (GUWAHATI) থেকে কামাখ্যা রওনা মুখ্যমন্ত্রীর।

পূজার্চনা সেরে ৫টায় কলকাতার উদ্দেশে রওনা তৃণমূল সুপ্রিমোর। প্রসঙ্গত, গত বিধানসভা ভোটে বাংলায় বিজেপিকে পর্যুদস্ত করার পর জাতীয় স্তরের মাটি শক্ত করতে চাইছে তৃণমূল। মেঘালয়ে কংগ্রেসের ১২ জন বিধায়ককে নিয়ে ঘাসফুল পতাকা হাতে তুলে নিয়েছেন মুকুল সাংমা। সে রাজ্যে এখন তৃণমূলই বিরোধী দল। এর আগে অসমে পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূল লড়াই করলেও বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি। 

আবার অন্যদিকে, কয়েক মাস আগে কলকাতায় (KOLKATA) এসে তিনি তৃণমূল শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে বৈঠক করেছেন শিবসাগর কেন্দ্রের বিধায়ক অখিল গগৈ।  চলতি বছর অগস্টে অখিল নিজেই বলেছিলেন,’তৃণমূলের তিন দফায় বৈঠক হয়েছে। রাইজর দলকে তৃণমূলে মিশিয়ে দেওয়ার কথা হয়েছে। আমাকে অসম তৃণমূলের রাজ্য সভাপতি করা হবে আশ্বাস দিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।’ মমতার নেতৃত্বেও যে তাঁর আস্থা রয়েছে সেটাও বুঝিয়ে দিয়েছিলেন অসমের বিধায়ক। স্বাভাবিকভাবেই তারপরই কলকাতা পুরভোটের ফলপ্রকাশের দিন মমতার অসমে ঝটিকা সফরের পিছনে উদ্দেশ্য কি শুধুই ক্যামাখ্য়া দর্শন নাকি রয়েছে রাজনৈতিক সমীকরণও। মুখ্যমন্ত্রীর অসমে ঝটিকা সফরের খবর প্রকাশ্যে আসার পরই প্রশ্ন উঠেছে রাজনৈতিক মহলে।