চাকরি খুঁজছেন? সুযোগ দেবে ‘দুয়ারে সরকার’

duare-sarkar

NEWS DESK : শুধু সরকারি পরিষেবাই নয়, এবার থেকে বেকার যুবক–যুবতীদের চাকরির দিশাও দেখাবে ‘দুয়ারে সরকার’। জানুয়ারি মাসের ২ তারিখ থেকে শুরু হচ্ছে ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচি। কারিগরি শিক্ষা দফতরের উদ্যোগে বিভিন্ন ধরনের বৃত্তিমূলক প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান তৈরির সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজ্য সরকার।

সে বিষয়েও বিজ্ঞপ্তিও জারি করেছে ‘ডিরেক্টরেট অব ভোকেশনাল এডুকেশন অ্যান্ড ট্রেনিং’ দফতর। ‘আমার কর্মদিশা’ নামে একটি অ্যাপ তৈরি করেছে কারিগরি শিক্ষা দফতর। ‘দুয়ারে সরকার’ শিবিরে দফতরের কর্মীরা এই অ্যাপের মাধমেই কর্মসংস্থানের ব্যাপারে যুবক-যুবতীদের সাহায্য করবেন। বৃত্তিমূলক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক ও প্রশিক্ষকরা (ইনস্ট্রাক্টর) ওই শিবিরগুলিতে কাউন্সিলরের ভূমিকায় হাজির থাকবেন। কাজের দায়িত্বে রয়েছেন মোট ২,৮৫৫ জন।

প্রতিটি জেলার দায়িত্বে থাকছেন একজন করে ‘প্রজেক্ট ম্যানেজার’। জানা গিয়েছে, যাঁরা প্রশিক্ষণের জন্য নাম নথিভুক্ত করবেন, তাঁদের কোনও টাকা জমা দিতে হবে না। বরং সংশ্লিষ্ট সংস্থাই তাঁদের ভাতা হিসেবে কিছু টাকা দেবে। সাফল্যের সঙ্গে প্রশিক্ষণ শেষ হলে কাজের নিশ্চয়তাও থাকছে। হ্যাট্রিক করে ক্ষমতায় আসা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের পাখির চোখ শিল্প এবং কর্মসংস্থান। কারিগরি শিক্ষা দফতরের তরফে জানানো হয়েছে, ‘দুয়ারে সরকার’ কর্মসূচি মারফত প্রথম পর্যায়ে প্রশিক্ষণ দিয়ে মাসে ১০ হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। পরে আরও বাড়ানো হবে লক্ষ্যমাত্রা।

উৎসবের মরশুমে বাড়ছে মেট্রো, বাস পরিষেবা নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত রাজ্যের

Metro is on the rise during the festive season, the state has made big decisions about bus services

বছর শেষ হতে এবং নতুন বছর আসতে বাকি আর কয়েকদিন। কিন্তু এরই মাঝে রয়েছে বড়দিন ও বর্ষবরণের উচ্ছ্বাস। হই হুল্লোড়ে মেতে উঠবে সকলেই, ব্যতিক্রম নয় বঙ্গবাসীও। উৎসবের মরশুমে সাধারণ মানুষের আনন্দ দ্বিগুণ করতে রাতে বাস পরিষেবা চালু করার সিদ্ধান্ত নিল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। জানা গিয়েছে, আগামী ২৪, ২৫, ৩১ ডিসেম্বর এবং নতুন বছরের প্রথম দিন অর্থাৎ ১ জানুয়ারি রাত্রিকালীন বাস পরিষেবা পাওয়া যাবে। অন্যদিকে, বড়দিন উপলক্ষে চমকের দিক থেকে পিছিয়ে নেই কলকাতা মেট্রোও। মেট্রো কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে জানানো হয়েছে, আগামী শনিবার থেকে বাড়বে মেট্রো সংখ্যা। বর্তমানে সপ্তাহের পাঁচ দিন অর্থাৎ সোম থেকে শুক্র ২৭২ টি মেট্রো চালু থাকে। বড়দিন থেকে চলবে ২৭৬ টি মেট্রো। শনিবার করে মেট্রো সংখ্যা থাকে ২৩০ টি, যা বেড়ে হবে ২৪০।

উল্লেখ্য, রাজ্যে এই মুহূর্তে করোনা সংক্রমণের উদ্বেগ রয়েছে। জারি রয়েছে করোনার বিধিনিষেধ। তবে রাজ্যবাসীর কথা মাথায় রেখে ২৪ ডিসেম্বর, ২০২১ থেকে ১ জানুয়ারি, ২০২২ পর্যন্ত করোনার বিধিনিষেধ শিথিল করা হয়েছে। উৎসবের মরশুমে পরিবহণ পরিষেবা বাড়ানোর ও করোনার বিধিনিষেধ শিথিল করার সিদ্ধান্তে খুশি বঙ্গবাসী।

Weather Update : আজ মরসুমের শীতলতম দিন

kolkata winter

নিউজ ডেস্ক: বছর শেষে রাজ্যে জাঁকিয়ে শীত (Winter)। কলকাতায় (Kolkata) পারদ নামল ১১ ডিগ্রিতে। আজ মরসুমের শীতলতম দিন। গত সপ্তাহ থেকেই শুরু হয়েছে পারদ পতন (Temperature Drops)। গত কয়েকদিনের রেকর্ড ছাপিয়ে আজ কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি কম। জেলাগুলিতে তাপমাত্রা ১০-এর কাছাকাছি। সব মিলিয়ে পৌষের শুরু থেকেই শীতের ধুন্ধুমার ব্যাটিং শুরু হয়েছে।

আগামী কয়েকদিন কেমন থাকবে কলকাতার তাপমাত্রা। কেমনই বা কাটবে কলকাতার বছর শেষ ? আবহাওয়া দফতর জানাচ্ছে, আজ সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বোচ্চ ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আকাশ পরিস্কার। ২১ ডিসেম্বর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বোচ্চ ২২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আকাশ পরিস্কার। ২২ ডিসেম্বর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বোচ্চ ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আকাশ পরিস্কার। ২৩ ডিসেম্বর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বোচ্চ ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আকাশ পরিস্কার। ২৪ ডিসেম্বর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বোচ্চ ২৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আকাশ পরিস্কার। ২৫ ডিসেম্বর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, সর্বোচ্চ ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, আকাশ মেঘলা থাকবে। 

আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর অনুসারে, কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা শনিবার ছিল ১৩.৫। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। দক্ষিণবঙ্গের কোনও কোনও জেলায় তাপমাত্রা সপ্তাহ শেষে ১২ ডিগ্রির নীচে নামে। উত্তরবঙ্গের তাপমাত্রা আরও কম ছিল। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস ছিল, এই সপ্তাহে শীতের ঝোড়ো ব্যাটিং চলবে। পারদ আরও নামার সম্ভাবনা আগেই জানিয়েছিল আবহাওয়া অফিস। সোম-মঙ্গলবার নাগাদ ১২ ডিগ্রিতে নামবে কলকাতার তাপমাত্রা। জেলাগুলিতে আরও নামল পারদ।

অন্যদিকে, বরফে ঢেকেছে হিমাচল প্রদেশ। সিমলার নারকান্দা, সোলাং নালায় পারদ নেমেছে হিমাঙ্কের নীচে। মানালি, ভরমৌরে টানা তুষারপাত। কাশ্মীর-লাদাখে তাপমাত্রা শূন্যের নীচে। দিল্লি-পাঞ্জাবে শুরু হয়েছে শৈত্যপ্রবাহ। উত্তরাখণ্ডে শৈত্যপ্রবাহের জেরে হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে। 

Weather Update: হিমেল হাওয়ায় কাঁপছে রাজ্য, মরসুমের শীতলতম দিন আজ

Bird Kingfisher

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: অঘ্রাণের শেষে উত্তুরে হাওয়ার হাত ধরে শহরে জমাটি ঠান্ডা। উত্তুরে হিমেল হাওয়ায় রাজ্যে ক্রমশ কমছে তাপমাত্রা। শিরশিরানি হাওয়ায় দক্ষিণবঙ্গে (South Bengal) রীতিমতো জাঁকিয়ে শীত (Winter) পড়েছে। তাপমাত্রাও (Weather) নামল।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, আজ মরসুমের শীতলতম দিন। এদিন কলকাতার (Kolkata) সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস কম। বৃহস্পতিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৪.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছিল। এদিন তার থেকেও কমল তাপমাত্রা।

আজ কলকাতা-সহ পার্শ্ববর্তী এলাকার আকাশ পরিস্কার থাকবে। দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ২৪.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ১৩.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ থাকবে সর্বাধিক ৯৫ শতাংশ, ন্যূনতম ৫২ শতাংশ।               

হাওয়া অফিসের তরফে আরও জানান হয়েছে, দক্ষিণবঙ্গের অন্যান্য জেলায় তাপমাত্রা ১২ থেকে ১১ ডিগ্রি সেলসিয়াসের আশপাশে ঘোরাফেরা করছে। উত্তরবঙ্গে তাপমাত্রা আরও কম। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, আগামী কয়েকদিনে এরকমই শীতের আমেজ থাকবে।  অন্যদিকে, উত্তর-পশ্চিম ভারতে পশ্চিমী ঝঞ্ঝার প্রভাবে রাজধানী দিল্লি-সহ উত্তর-পশ্চিম ভারতের রাজ্যগুলিতে শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা। পশ্চিমী ঝঞ্ঝা কাটলেই বাংলায় জাঁকিয়ে ঠান্ডা। সকালের দিকে কুয়াশা থাকার সম্ভাবনা। আবহাওয়াবিদরা জানিয়েছেন, বর্তমানে বাংলায় বৃষ্টির সম্ভাবনা আর নেই বললেই চলে।              

AFSPA in West Bengal: বাংলা-পাঞ্জাবে আফস্পা চালু সম্পর্কে ‘বিস্ফোরক’ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক

AFSPA in West Bengal

নিউজ ডেস্ক: সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদী সরকার আইন সংশোধন করে পশ্চিমবঙ্গ পাঞ্জাব-সহ কয়েকটি রাজ্যে সীমান্তরক্ষী বাহিনী (bsf) বা বিএসএফের আওতাধীন এলাকা অনেকটাই বাড়িয়েছে। ইতিমধ্যেই কেন্দ্রের এই একতরফা সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার (west bengal goverment)। তারই প্রেক্ষিতে বুধবার কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের (home ministry) কাছে একাধিক প্রশ্ন রাখেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ জহর সরকার (jahawar sircar)।

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ জানতে চান এভাবে বিএসএফ-এর আওতাধীন এলাকা বাড়িয়ে কেন্দ্র কি সশস্ত্র বাহিনীর মাধ্যমে তার ক্ষমতা জাহির করতে চাইছে? বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের ৩২৪০০ স্কোয়্যার কিলোমিটার এলাকা বিএসএফের নিয়ন্ত্রণাধীন। কিন্তু আইন সংশোধনের ফলে সেটা প্রায় তিনগুণ বেড়ে ৮৮ হাজার ৭৫২ স্কয়্যার কিলোমিটার হচ্ছে। একইসঙ্গে জহর সরকার জানতে চান, এভাবে বিএসএফ-এর আওতাধীন এলাকার সীমা বাড়িয়ে কেন্দ্র কি সরাসরি রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার উপর হস্তক্ষেপ করছে না? এভাবেই কি কেন্দ্র যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোয় আঘাত করতে চাইছে? আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গ এবং পাঞ্জাবেও কি সেনাবাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন আফস্পা চালু হতে পারে? আগামী দিনে বিএসএফ কি কোনও রকম ওয়ারেন্ট ছাড়াই বিভিন্ন এলাকায় তল্লাশি অভিযান চালাতে ও বাজেয়াপ্ত করতে পারবে?

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের একাধিক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই জানান, রাজ্যগুলির এক্তিয়ারে হস্তক্ষেপ করার লক্ষ্য নিয়ে কখনওই বিএসএফ-এর আওতাধীন এলাকা বাড়ানো হয়নি। চলতি পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে বিভিন্ন দেশের সঙ্গে যে সমস্ত রাজ্যের সীমান্ত রয়েছে সেই সব রাজ্যের সীমান্তে নিরাপত্তা আরও মজবুত ও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিএসএফের সীমানা বাড়ানো হয়েছে। সীমান্তরক্ষী বাহিনী যাতে আরও দক্ষতার সঙ্গে প্রযুক্তির ব্যবহার করে নজরদারি চালাতে পারে সে কারণেই তাদের আওতাধীন এলাকার সীমা বাড়ানো হয়েছে। শুধু সন্ত্রাসবাদীদের গতি রোধ করাই নয়, মাদক, অস্ত্র ও জাল নোট পাচার ঠেকানোর জন্যই বিএসএফ-এর আওতাধীন এলাকা বাড়ানোর সিদ্ধান্ত। বিএসএফ-এর আওতাধীন এলাকা বাড়ার ফলে সীমান্তে পশু পাচারও অনেকটাই কমবে।

মন্ত্রী আরও জানান, কেন্দ্র কখনওই রাজ্যগুলির আইনি ক্ষমতার উপর হস্তক্ষেপ করতে চায় না। বরং কেন্দ্র চায় রাজ্যগুলির সহযোগিতা নিয়েই সীমান্তের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করে তুলতে। সীমান্ত এলাকায় নিয়মিতই বিভিন্ন ধরনের অপরাধ ঘটে থাকে। একই সঙ্গে জালনোট, গরু ও মাদক পাচার হয়ে থাকে। এই সমস্ত বেআইনি কাজ প্রতিরোধ করার উদ্দেশ্যেই সরকার বিএসএফের এলাকা বাড়িয়েছে। তবে এই কাজে রাজ্য সরকারকেও সব ধরনের সহযোগিতা করতে হবে। রাই আরও বলেন, নির্দিষ্ট আইন মেনেই বিএসএফ কোনও এলাকায় তল্লাশি চালাতে বা কোনও কিছু বাজেয়াপ্ত করতে পারবে। তল্লাশি চালানো বা কোনও কিছু বাজেয়াপ্ত করা কখনওই আইন বহির্ভূতভাবে করতে পারবেনা বিএসএফ। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী আরও জানিয়েছেন পশ্চিমবঙ্গ এবং পাঞ্জাবে কখনওই সেনাবাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আফস্পা প্রয়োগ করা হবে না।

ইউএপিএ আইনে পশ্চিমবঙ্গে ধৃতের সংখ্যা খুবই কম: Home Ministry

UAPA

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: শেষ তিন বছরে গোটা দেশে ইউএপিএ আইনে (UAPA Act) ২৫ বছরের নিচে ছাত্র-সহ কত জন গ্রেফতার হয়েছে? কত জন জামিনে মুক্তি পেয়েছে এবং কতজন দোষী সাব্যস্ত হয়েছে? বাস্তব অভিজ্ঞতা বলছে, এই আইনে বহু নিরীহ মানুষকে অযথাই হেনস্তা করা হয়। অকারণে গ্রেফতার করার কারণে স্বাভাবিকভাবেই বেশিরভাগই মুক্তি পায়। তাই এই আইন যাতে সঠিকভাবে রূপায়িত করা যায় তার জন্য ইউএপিএ আইন সংশোধনের কি চিন্তাভাবনা চলছে? ইউএপিএ আইনে ধৃতদের মধ্যে বন্দি অবস্থায় কি কারও মৃত্যু ঘটেছে? মঙ্গলবার সংসদে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের (Union Home Ministry) কাছে ইউএপিএ আইন নিয়ে এই প্রশ্নগুলির উত্তর জানতে চান তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মালা রায়।

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদের এই প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্র দফতরের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই জানিয়েছেন, বিভিন্ন ধরনের পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে আগেই ইউএপিএ আইন সংশোধন করা হয়েছে। তাই এই মুহূর্তে নতুন করে আর কোনও সংশোধনী আনার কথা ভাবছে না সরকার। ইউএপিএ আইনে ধৃত কোনও বন্দির হেফাজতে থাকাকালীন মৃত্যু হয়েছে এমন ঘটনা এনসিআরবির নজরে নেই। ইউএপিএ আইনে কাউকে গ্রেফতার, তার বিচার ও জামিন সবকিছুই নির্ভর করে পরিস্থিতির নিরিখে। এই আইনের অপব্যবহার রক্ষার জন্য পর্যাপ্ত ব্যবস্থা আছে। সাংবিধানিক, প্রাতিষ্ঠানিক এবং আইনের নিজস্ব ক্ষেত্রেও যথেষ্ট নিরাপত্তা আছে এই আইনে। অর্থাৎ এই আইনের অপব্যবহার হওয়ার সুযোগ খুবই কম।

একইসঙ্গে মন্ত্রী ইউএপিএ আইনে বিভিন্ন রাজ্যে কতজন গ্রেফতার হয়েছে, জামিন পেয়েছে এবং দোষী সাব্যস্ত হয়েছে তার পরিসংখ্যানও পেশ করেছেন। ওই পরিসংখ্যান থেকে দেখা যাচ্ছে ২০১৮ ও ২০১৯ সালে পশ্চিমবঙ্গে ইউএপিএ আইনে কাউকেই গ্রেফতার করা হয়নি। তবে ২০২০ সালে পশ্চিমবাংলায় এই আইনে পাঁচজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ইউএপিএ আইনে ৩০ বছরের কম বয়সিদের গ্রেফতারের তালিকাও এদিন জানিয়েছেন মন্ত্রী। ওই তালিকা থেকে দেখা যাচ্ছে, ২০২০ সালে পশ্চিমবঙ্গে ইউএপিএ আইনের ধৃত পাঁচজনের মধ্যে দু’জনের বয়স ছিল ৩০ এর মধ্যে।

Weather Update : শনিবার থেকেই রাজ্যে শীতের আগমন

Kolkata Winter

নিউজ ডেস্ক : শুক্রবার সকালে শহরে আকাশ আংশিক মেঘলা। রাতে হালকা বৃষ্টি (Rain) হওয়ার জেরে পারদ পতন কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গে। শনিবার থেকে চারদিন শুষ্ক আবহাওয়া থাকবে। আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী সপ্তাহ থেকেই রাজ্যে জাঁকিয়ে শীত পড়ার সম্ভাবনা (Weather Update) রয়েছে৷ আগামী সোম থেকে মঙ্গলবারের মধ্যেই কলকাতা এবং জেলার তাপমাত্রা আরও ৩ থেকে ৪ ডিগ্রি করে নামতে পারে৷

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, আগামী সপ্তাহেই কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নেমে যেতে পারে৷ জেলার তাপমাত্রা নামতে পারে ১২ ডিগ্রিতে৷ আজ সকালের দিকেও বিক্ষিপ্তভাবে কুয়াশার দাপট ছিল৷ সঙ্গে উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে সকালের দিকে আকাশ আংশিক মেঘলা থাকলেও বেলা বাড়লে আকাশ পরিষ্কার হয়ে যাবে৷ মূলত, উত্তুরে হাওয়া এবং পশ্চিমী ঝঞ্ঝার সংঘাতেই আকাশের মুখ ভার৷ তবে শনিবার থেকেই রাজ্যে উত্তুরে হাওয়ার প্রভাব বাড়বে৷ ফলে দ্রুত নামবে পারদ৷ দার্জিলিং বাদে রাজ্যের আর কোথাওই বৃষ্টির সম্ভাবনাও নেই৷ এই মুহূর্তে শীতের অনুকূল পরিবেশ রয়েছে রাজ্যে৷ আগামী কয়েকদিন রাজ্যের আবহাওয়া শুষ্কই থাকবে৷ ফলে উত্তুরে হাওয়ার দাপট বাড়বে৷

আবহাওয়া দফতর আরও জানিয়েছে, উত্তর-পশ্চিম দিকে ঠান্ডা হাওয়া ও বঙ্গোপসাগর থেকে আদ্রতা জনিত হাওয়া ওপর দিকে ওঠায় এই দুই বিপরীত চরিত্র হাওয়ার ফলে স্থানীয়ভাবে মেঘ তৈরি হয়ে বৃষ্টি হচ্ছে। অন্যদিকে, জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ, মুজাফফরাবাদ, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড এবং উত্তর প্রদেশের কিছু অংশে বৃষ্টির সম্ভাবনা। হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, লাদাখ, জম্মু-কাশ্মীরে তুষারপাতের সম্ভাবনা। হালকা বৃষ্টি ঘন কুয়াশা হতে পারে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, চন্ডিগড়, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের কিছু অংশে। তবে আগামী কয়েকদিন উত্তর-পশ্চিম ভারতের মধ্যে ভারত এবং পূর্ব ভারতের রাজ্যগুলিতে তাপমাত্রা কমবে। দক্ষিণ ভারতে বৃষ্টি চলবে।

Weather Update: জাওয়াদের জেরে বঙ্গে বিঘ্নিত হচ্ছে শীত

kolkata morning

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা : বৃহস্পতিবার সকালেও শহর ও শহরতলির আকাশ আংশিক মেঘলা। তবে কলকাতায় বেলা বাড়লে আকাশ পরিষ্কার হবে বলে খবর। বুধবার রাতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯.৯ ডিগ্রি। বৃহস্পতিবার সকালেও শহর কুয়াশার চাদরে ঢেকেছে। তবে জানা যাচ্ছে, শুক্রবার থেকে এই আবহাওয়ার (Weather) বদল ঘটতে পারে। 

আবহাওয়া অফিস সূত্রের খবর, জাওয়াদের ছেড়ে যাওয়া জলীয়বাষ্পের প্রভাবে শীত বিঘ্নিত হচ্ছে। যদিও বৃহস্পতিবারের পর থেকে তাপমাত্রা একটু একটু করে কমবে। শুক্রবার থেকে দক্ষিণবঙ্গে বিশেষ করে কলকাতায় শীতের আমেজ ফিরে আসবে। শুক্র, শনি এবং রবিবারে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা আর বাড়বে না। কিন্তু সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অর্থাৎ দিনের তাপমাত্রা বাড়বে। এই মুহূর্তে কোনোরকম নিম্নচাপের ভ্রুকুটি নেই। বঙ্গোপসাগর লাগোয়া অঞ্চলের বাতাস সম্পূর্ণ পরিষ্কার বলে জানিয়েছে উপগ্রহ চিত্র। দক্ষিণবঙ্গে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা না নামলেও উত্তরবঙ্গে নেমেছে। উত্তরবঙ্গের আকাশ সম্পূর্ণ মেঘমুক্ত। ফলে উত্তরবঙ্গ এবং দক্ষিণবঙ্গের আবহাওয়ার পরিস্থিতি সম্পূর্ণ আলাদা।

আলিপুর আবহাওয়া সূত্রে খবর, দক্ষিণবঙ্গে মূলত পরিষ্কার আকাশ। কলকাতা, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা এবং নদিয়ায় সকালের দিকে আংশিক মেঘলা আকাশ ও পরে পরিষ্কার আকাশ থাকবে। আগামী ৩ দিনে ৫ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রা নামতে পারে। শুক্রবারের পর স্বাভাবিকের নীচে নামবে কলকাতার তাপমাত্রা। দক্ষিণবঙ্গে সপ্তাহের শেষে শীতের আমেজ। পুবালি হাওয়ার প্রভাব কমবে বাড়বে উত্তুরে হাওয়ার দাপট। আগামী কয়েকদিন শুষ্ক আবহাওয়া রাজ্যে। উত্তরবঙ্গে দার্জিলিং, কালিম্পং জেলায় হালকা বৃষ্টির সামান্য সম্ভাবনা। বাকি জেলায় শীতের আমেজ ক্রমশ বাড়বে। শুষ্ক আবহাওয়া উত্তরবঙ্গেও।

আগামী কয়েকদিন তাপমাত্রার তারতম্যে জলীয়বাষ্প থাকায় কুয়াশা হতে পারে। উত্তরবঙ্গের জেলাগুলিতে কুয়াশার সম্ভাবনা বেশি। শুক্রবার আরো একটি পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকবে উত্তর পশ্চিম ভারতে। এর প্রভাবে বুধ ও বৃহস্পতিবার বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে জম্মু, কাশ্মীর, লাদাখ, মুজাফফরাবাদ, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড এবং উত্তর প্রদেশের কিছু অংশে। হিমাচল প্রদেশ উত্তরাখণ্ড লাদাখ জম্মু-কাশ্মীর এ তুষারপাতের সম্ভাবনা। হালকা বৃষ্টি ঘন কুয়াশা হতে পারে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়, দিল্লি, উত্তরপ্রদেশের কিছু অংশে। দক্ষিণ ভারতে বৃষ্টি চলবে। আগামী কয়েকদিন কেরল, তামিলনাড়ু, করাইকাল, পন্ডিচেরিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা। তবে উত্তর-পূর্ব মৌসুমী বায়ু আরব সাগরের ঘূর্ণাবর্তের প্রভাবে দক্ষিণ ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে।

দেশে ১০টি পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে মিলছে ৮ হাজার মেগাওয়াট বিদ্যুৎ, জানাল কেন্দ্র

nuclear power plants

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: এই মুহূর্তে গোটা দেশে কি ২২ টি পরমাণু চুল্লি (nuclear reactor) থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন (electricity production) হচ্ছে? এই কেন্দ্রগুলি থেকে কি ৬৭৮০ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ মিলছে? এই মুহূর্তে গোটা দেশে কি ৭টি পরমাণু চুল্লি নির্মাণের কাজ চলছে এবং আটটি চুল্লি নির্মাণের কাজ বিভিন্ন পর্যায়ে আটকে আছে? এ বিষয়ে সরকার বিস্তারিত জানাক।

এই সমস্ত পরমাণু চুল্লিগুলিকে চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় খনিজ কোথা থেকে মিলবে? পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী (costal west bengal) এলাকায় পরীক্ষামূলক কোনও পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র গঠনের কথা কি কেন্দ্র ভাবছে? বুধবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির (narendra modi) কাছে এই প্রশ্নগুলির উত্তর জানতে চান তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়।

এই প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রীর অফিসের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী জিতেন্দ্র সিং জানান, এই মুহূর্তে গোটা দেশে ১০টি পরমাণু চুল্লি থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদন হচ্ছে। যার ক্ষমতা প্রায় ৮ হাজার মেগাওয়াট। সরকার গোটা দেশে সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি আরও ১০টি পরমাণু চুল্লির নির্মাণে অনুমোদন দিয়েছে। প্রতিটি পরমাণু চুল্লির উৎপাদনক্ষমতা ৭০০ মেগাওয়াট। কেন্দ্র ইতিমধ্যেই যে সমস্ত রাজ্যে পরমাণু চুল্লি নির্মাণের অনুমতি দিয়েছে তার মধ্যে রয়েছে গুজরাতের। কাকড়াপার, রাজস্থানের রাওয়াতভাতা, তামিলনাড়ুর কুড়ানকুলাম ও কলাপক্কম এবং হরিয়ানার গোরখপুর।

একই সঙ্গে মন্ত্রী জানান, আপাতত পশ্চিমবঙ্গের উপকূলীয় এলাকায় পরীক্ষামূলক কোনও পরমাণু চুল্লি নির্মাণের পরিকল্পনা সরকারের নেই। এই সমস্ত পরমাণু বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলির প্রয়োজনীয় কাঁচামাল ইউরেনিয়াম দেশের বিভিন্ন খনি থেকে সংগ্রহ করা হবে। বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলি চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় ইউরেনিয়াম সরবরাহের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ইউরেনিয়াম কর্পোরেশন অফ ইন্ডিয়া লিমিটেডকে।

Enforcement Directorate: অফিসারদের অন্তর্বর্তী স্বস্তি দেওয়ার বিষয়ে কোনও প্রতিশ্রুতি মিলল না

ED abhisek

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট বা ইডির (Enforcement Directorate) আধিকারিকদের এই মুহূর্তে কোনওরকম অন্তর্বর্তী সুবিধা দেওয়া যাবে না। এই দাবি জানিয়ে একটি আবেদন করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Avishek Banerjee)। ওই মামলায় মঙ্গলবার দিল্লি হাইকোর্টে (Delhi high court) পশ্চিমবঙ্গ সরকারের পক্ষ থেকে স্পষ্ট জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, ইডি অফিসারদের অন্তর্বর্তী স্বস্তি দেওয়ার বিষয়ে তারা কোনও রকম পাকা কথা দিতে পারছে না।

এদিন দিল্লি হাইকোর্টে বিচারপতি রজনীশ ভাটনগরের (justice Rajnush Bhatnagar) এজলাসে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৌঁসুলি বলেন, এই মুহূর্তে মামলাটির তদন্ত এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায়ে রয়েছে। এর আগে ইডি অফিসারদের একাধিকবার তলব করা হয়েছে। কিন্তু বারেবারেই তাঁরা সেই সমন এড়িয়ে গিয়েছেন। এই অবস্থায় যে কোন কিছুই হতে পারে। তাই সংশ্লিষ্ট অফিসারদের অন্তর্বর্তী স্বস্তি দেওয়ার ব্যাপারে তিনি এখনই কোনও কথা দিতে পারছেন না।

উল্লেখ্য, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইডির বেশ কয়েকজন অফিসারের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছেন। অভিষেকের দায়ের করা ওই সমস্ত অভিযোগ খারিজ করার আর্জি জানিয়ে ইডির পক্ষ থেকে দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন করা হয়। হাইকোর্টের বিচারপতি রজনীশ ভাটনগরের এজলাসে ওই আবেদনের শুনানি চলছে।
এদিন আইনজীবীদের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি জানিয়ে দেন এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে আগামী মাসে অর্থাৎ ২০২২- এর জানুয়ারিতে।

একই সঙ্গে বিচারপতি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের কৌঁসুলির কাছে জানতে চান, পরবর্তী শুনানি হওয়ার আগে পর্যন্ত এই মামলায় ইডির অফিসারদের বিরুদ্ধে কোনও রকম ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তিনি কি এমন কোনও প্রতিশ্রুতি দিতে পারেন? বিচারপতির এই প্রশ্নের উত্তরে পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইনজীবী সিদ্ধার্থ লুথরা বলেন, এই মুহূর্তে ইডি অফিসারদের বিরুদ্ধে যে তদন্ত চলছে তা এক গুরুত্বপূর্ণ পর্যায় রয়েছে। তাই এখনই তাঁদেরকে অন্তর্বর্তী সুবিধা দেওয়া যায়, এমন কোনও প্রতিশ্রুতি তিনি দিতে পাচ্ছেন না।

উল্লেখ্য, চলতি বছরের এপ্রিল মাসে তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় ইডির আধিকারিকদের বিরুদ্ধে পশ্চিমবঙ্গে একটি এফআইআর দায়ের করেছিলেন। ওই এফআইআরে অভিষেক অভিযোগ করেন, অফিসাররা রাজ্য সরকারের সঙ্গে একাধিক অনৈতিক কাজ করেছেন। ইডির অফিসাররা কার্যত প্রতারণা করেছেন। শুধু তাই নয়, সংশ্লিষ্ট অফিসাররা তাঁদের ক্ষমতা ও আইনের অপব্যবহার করছেন। অভিষেকের আইনজীবী লুথরা আরও বলেন, অভিষেক অফিসারদের বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করলেও ইডি তাঁকে কোনও পার্টি করেনি।

পশ্চিমবঙ্গ সরকারের আইনজীবীর বক্তব্যের প্রেক্ষিতে ইডির আইনজীবী বলেন, এই মামলায় অভিষেককে পার্টি হিসেবে চিহ্নিত করার কোনও প্রয়োজন নেই। এই মামলায় পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ যদি তদন্ত চালাতে চায় সেটা চালাতেই পারে। কিন্তু তাঁরা চাইছেন তদন্তের নামে ইডি অফিসারদের যেন অযথা হেনস্তা করা না হয়। কয়লা কেলেঙ্কারির ঘটনায় অভিষেকেই এফআইআর দায়ের করেছেন।

একইসঙ্গে ইডির আইনজীবী দাবি করেন, পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ নিজেদের ক্ষমতার বাইরে গিয়ে এই মামলার তদন্ত করছে। নিজেদের এক্তিয়ারের বাইরে গিয়ে তারা নতুন করে অফিসারদের বিরুদ্ধে অক্টোবর মাসে ফের সমন জারি করেছে। ইডির আইনজীবী আরও জানান অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে কয়লা কেলেঙ্কারির ঘটনায় যে তদন্ত চলছে সে ব্যাপারে কেন্দ্রীয় সরকার কখনওই অভিষেকের বিরুদ্ধে ইডির অফিসারদের কোনও প্রতিহিংসামূলক আচরণের নির্দেশ দেয়নি।

বরং অভিষেক এই মামলায় অনৈতিক সুবিধা ভোগ করছেন। কারণ তিনি পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাইপো।পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ সবদিক থেকেই তাঁকে আড়াল করার চেষ্টা করছে। পশ্চিমবঙ্গ পুলিশ ইডি অফিসারদের বিরুদ্ধে ২২ জুলাই ও ২১ আগস্ট যে সমন জারি করেছে তা কার্যত অবৈধ। উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর বিচারপতি ভাটনগর এদিন শুনানি স্থগিত রাখেন। এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে ২০২২- এর জানুয়ারিতে।

Tiger Census: পচা মাংস-ডিমের লোভে আসবে মামা! শুরু বাঘ গণনা

News Desk: দক্ষিণ রায় বা বড় মিঞা পচা মাংস খেতে ভালোবাসে। পচা ডিমের গন্ধ খুব প্রিয়। এসব মাখিয়ে লোভনীয় ডিস তৈরি করা হয়েছে। গন্ধে ম ম করছে ! আর কি না এসে পারে, আসতেই হবে। তৈরি বনকর্মীরা। হই হই করে শুরু হয়েছে বাঘ সুমারি। সুন্দরবন জুড়ে চলছে এই কাজ।

বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্যের বেশিরভাগ পড়ে বাংলাদেশে। অরণ্যের অংশটি ভারতের দিকে পড়ছে তার অধীনে আছে তার বেশিরভাগই দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। উত্তর ২৪ পরগনার দিকেও আছে কিছু এলাকা। এই বনাঞ্চলের কোথায় কতজন বাঘ মামা আছে তার গুণতি শুরু হয়েছে।

সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় আমফান ও ইয়াসে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে সুন্দরবনের। তবে জাওয়াদ শক্তি হারিয়ে ফেলায় তত ক্ষতি হয়নি। জাওয়াদের কারণে বাঘ সুমারি পিছিয়ে দিয়েছিল রাজ্য বন দফতর।

বনদফতর সূত্রে খবর, ঠিক ছিল গত ৫ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে সুন্দরবনের বাঘ গণনার কাজ। জাওয়াদের আশঙ্কায় দিনটি পিছিয়ে ৭ ডিসেম্বর করা হয়। সেই মতো মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে বাঘ সুমারির কাজ।

জিপিএস ও ইনফ্রারেড প্রযুক্তি সহহাই রেজুলেশান নাইট ভিসন ক্যামেরার সাহায্যে গোনা হবে বাঘের সংখ্যা।

শেষ বাঘ সুমারি অনুযায়ী সুন্দরবনে ৯৬ টি বাঘ রয়েছে। সম্প্রতি ধরে যেভাবে লোকালয়ে বাঘের হামলার ঘটছে এবং পর্যটকরা সুন্দরবনে বেড়াতে এসে বার বার যেভাবে বাঘের দর্শন পেয়েছেন, তাতে সুন্দরবনের জঙ্গলে বাঘের সংখ্যা আগের থেকে বেশ খানিকটা বেড়েছে বলেই অনুমান করছেন বন আধিকারিকরা।

বনদফতর জানিয়েছে সুন্দরবনের কোর এরিয়ার মোট ৭৪৮টি জায়গায় ক্যামেরা বসানো হবে। এক একটি জায়গায় দুটি করে ক্যামেরা থাকবে। ক্যামেরার সামনে এলেই উঠবে ছবি।

বনদফতর জানিয়েছে, যেখানে ক্যামেরা থাকবে তার পাশেই পচা মাংস আর পচা ডিমের সংমিশ্রণে তৈরি তরল একটি বাঁশের টুকরোয় লাগিয়ে দেওয়া হবে। যাতে বাঘ ওই বিশেষ তরলের গন্ধে আকৃষ্ট হয়। বাঘ এলেই স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরা ছবি তুলবে। ৩০ থেকে ৩৬ দিন পরে সেই ক্যামেরাগুলি খুলে নিয়ে ছবি বিশ্লেষণ করে সুন্দরবনের সঠিক বাঘের সংখ্যা নির্ধারণ করবেন বিশেষজ্ঞরা।

বনকর্মীদের ১০টি বিশেষ দল জঙ্গলের মধ্যে ক্যামেরা বসানোর কাজ করবেন। এক একটি দলে অন্তত ১২ থেকে ১৫ জন করে বনকর্মী রয়েছেন। প্রায় ৪০০ বনকর্মী কাজে নেমেছেন।

Weather Update: আজ থেকেই আবহাওয়ার উন্নতি

kolkata

নিউজ ডেস্ক: ঘূর্ণিঝড় জওয়াদের সরাসরি প্রভাব না পড়লেও, নিম্নচাপের জেরে লাগাতার বৃষ্টি চলার পর অবশেষে কাটল দুর্যোগ। মঙ্গলবার থেকে উন্নতি হবে আবহাওয়ার। দুর্যোগ কাটায় মঙ্গলবার থেকেই কমতে শুরু করবে তাপমাত্রা। 

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস, সপ্তাহান্তে রাজ্যে ফিরবে শীতের আমেজ। সোমবার সকালেও কোথাও ভারী, কোথাও হালকা বৃষ্টি হয়েছে। ৩ দিনের এই বৃষ্টিতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হয়েছে চাষবাসের জমিতে। উত্তরবঙ্গে আগামী ৫ দিন আবহাওয়া শুষ্ক থাকবে। গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের বাংলাদেশ লাগোয়া জেলাগুলিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস। তবে আগামীকাল উত্তর-পূর্ব ভারতে বৃষ্টি বাড়বে। অসম, মেঘালয়, মিজোরাম, মনিপুর, অরুণাচলপ্রদেশ, ত্রিপুরাতে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস। উত্তর-পশ্চিম ভারতে পশ্চিমী ঝঞ্ঝা ঢুকেছে। এর প্রভাবে পাঞ্জাব, হরিয়ানা, চণ্ডীগড়, দিল্লিতে বৃষ্টির পূর্বাভাস।

আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, রবিবার সকাল সাড়ে ৮টা থেকে সোমবার সকাল সাড়ে ৮টা অবধি, ২৪ ঘণ্টায় কলকাতায় বৃষ্টি হয়েছে ৭৫ মিলিমিটার। রবিবার নদীবাঁধ ভেঙে জল ঢোকে দক্ষিণ ২৪ পরগনার মৌসুনি দ্বীপে। এবার সমুদ্রবাঁধ ভেঙে ভাসল সাগরের বঙ্কিমনগর। ঘোড়ামারা দ্বীপেও ঢুকেছে সমুদ্রের জল। জলযন্ত্রণার ছবি হাওড়া পুর এলাকাতেও। টিকিয়াপাড়া থেকে দাশনগর, লিলুয়া বা সালকিয়ার বড়ো রাস্তা থেকে অল-গলি সর্বত্র জমেছে জল। তবে আস্তে আস্তে জল নামতেও শুরু করেছে।

আবহাওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, উত্তর ২৪ পরগনা, নদীয়া ছাড়া আর কোথাও ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। 

Cyclone Jawad: বৃষ্টিতে জলমগ্ন কলকাতার একাধিক জায়গা

kolkata

নিউজ ডেস্ক : শক্তি হারিয়ে পুরী উপকূল দিয়ে এগিয়ে বাংলায় প্রবেশ করেছে নিম্নচাপ জাওয়াদ (Cyclone Jawad)। যার প্রভাবে রবিবার রাত থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। যা জারি রয়েছে সোমবার সকালেও। কলকাতায় রাতভর বৃষ্টি হয়েছে। ঠনঠনিয়া সহ বেশ কয়েকটি অপেক্ষাকৃত নীচু অঞ্চলে জলও জমেছে। আজও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। বাংলাদেশ লাগোয়া ৩ জেলায় ভারী বৃষ্টির সর্তকতা রয়েছে। এছাড়া আরও ৪ জেলায় মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সোমবার সকাল পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। 

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ (Jawad) শক্তি ক্ষয় করে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে এগিয়ে যাবে। সুস্পষ্ট নিম্নচাপ রূপে বাংলার উপকূলে নিম্নচাপের প্রভাব দেখা যাবে। এই মুহূর্তে এই নিম্নচাপ বাংলা ও বাংলাদেশ উপকূলে উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এরপর তা ক্রমশ নিম্নচাপ রূপে বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশ লাগোয়া জেলাগুলিতে যেমন উত্তর ২৪ পরগনা, নদীয়া এবং মুর্শিদাবাদে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমানে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে পরিস্থিতি উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়েছে, সোমবার কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টি হবে। দিনভর আকাশ মেঘলা থাকবে। তবে, সময় যত এগোবে ততই আবহাওয়ার উন্নতি হবে। বৃষ্টি কমবে। মঙ্গলবার থেকে ক্রমশ স্বাভাবিক হবে  আবহাওয়া। পশ্চিমবঙ্গের উপূকল বরাবর ও পাশ্বর্বর্তী অঞ্চলে আজ দুপুর পর্যন্ত ঘণ্টায় প্রায় ৪০-৬০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। তবে বিকেলের পর ঝোড়ো হাওয়ার বেগ ক্রমশ কমবে। মঙ্গলবার থেকে আবহাওয়ার ক্রমশ উন্নতি হবে। এরপর কয়েকদিন আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকবে। ১১ ডিসেম্বর থেকে পারদ পতন শুরু হতে পারে। তারপর থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে স্থায়ীভাবে জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়ার সম্বাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

Cyclone Jawad: শক্তিক্ষয় হলেও জাওয়াদের প্রভাবে আজ অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

cyclone jawad

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: সমুদ্রে থাকাকালীনই শক্তি হারিয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড় জওয়াদ (Cyclone Jawad)। আজ দুপুর নাগাদ তা ওড়িশা (Odisha) উপকূলে পৌঁছবে। বর্তমানে বিশাখাপত্তনম থেকে ১৮০, গোপালপুর থেকে ২০০, পুরী থেকে ২৭০ ও পারাদ্বীপ থেকে ৩৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। ওড়িশা উপকূল ধরে বাংলার দিকে এগোলেও আগামী ১২ ঘণ্টায় ক্রমশ দুর্বল হবে নিম্নচাপ।

জাওয়াদ শক্তি হারালেও দুর্যোগের হাত থেকে রেহাই পাবে না বঙ্গবাসী। ইতিমধ্যে এর প্রভাবে শনিবার থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাবে রবিবার সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় হালকা বৃষ্টি শুরু। বেলা যত বাড়বে বৃষ্টির প্রকোপ ততই বাড়বে। আজ কলকাতা-সহ দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুরে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। ঝাড়গ্রামেও আজ প্রবল বৃষ্টির আশঙ্কা। কোনও কোনও জেলায় আজ বজ্রবিদ্যুত্‍-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবারও কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টি হবে। মত্স্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগ মোকাবিলায় তৈরি রাজ্য সরকার। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত সেচ, বিদ্যুত্‍ ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফরের কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। প্রতিনিয়ত আবহাওয়ার পরিস্থিতি ও তার মোকাবিলায় নেওয়া একাধিক ব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকাগুলির সমুদ্র সৈকতে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে। শনিবার রাত থেকেই সমুদ্র উত্তাল। পর্যটকদের সমুদ্রে নামতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, কাকদ্বীপ থেকে কলকাতায় সকাল থেকে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। উপকূলবর্তী এলাকায় চলছে মাইকে প্রচার। 

Cyclone Jawad: সপ্তাহান্তে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ

cyclone jawad

নিউজ ডেস্ক: ইয়াসের পর এবার ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ (Cyclone Jawad)। সপ্তাহের শেষে কলকাতা সহ উপকূল সংলগ্ন জেলায় ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে অতিভারী বৃষ্টির সর্তকতা জারি করা হয়েছে।

আবহাওয়া দফতর সূত্রের খবর, দক্ষিণ থাইল্যান্ডের ঘূর্ণাবর্ত নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। সেটি ক্রমশ দক্ষিণ আন্দামান সাগরের দিকে ঢুকবে। শক্তি সঞ্চয় করে এই গভীর নিম্নচাপ সেখানেই ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। নাম হবে জাওয়াদ।

শনিবার সকালে এটির উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ অথবা ওড়িশা উপকূলে আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এর প্রভাবে শনিবার সকালে পশ্চিমবঙ্গের সমুদ্র উপকূলে বাতাসের গতিবেগ ৬৫ থেকে ৮০ কিলোমিটার হতে পারে। আবহাওয়া দফতর শুক্রবার থেকে রবিবার পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে মাছ ধরতে যেতে নিষেধ করেছে। যারা সমুদ্রের রয়েছেন তাঁদের বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার মধ্যে ফিরে আসতে বলা হয়েছে।

এই ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে কলকাতা সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় বৃষ্টি, উপকূল ও সংলগ্ন জেলাগুলিতে ঝড়বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনি ও রবিবার ঝোড়ো হাওয়ার সঙ্গে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা দুই মেদিনীপুরে ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু অংশে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। শনিবার বৃষ্টির সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার দাপট বাড়বে।

শুক্রবার থেকে কলকাতাতেও আবহাওয়ার পরিবর্তন হবে। মেঘলা আকাশ সঙ্গে হালকা পূবালী বাতাস থাকবে। বজ্রগর্ভ মেঘ থেকে হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। রবিবার কলকাতায় বৃষ্টি ও ঝড়ের ব্যাপকতা বাড়বে। উল্লেখ্য, বুধবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৭.৭ ডিগ্রি।

 

 

এখনই গোটা দেশে NRC কার্যকর হচ্ছে না, জানাল কেন্দ্র

union minister

News Desk: এখনই গোটা দেশে এনআরসি (NRC) বা জাতীয় নাগরিকপঞ্জি কার্যকর করার কোনও পরিকল্পনা নেই সরকারের। মঙ্গলবার সংসদে এক প্রশ্নের উত্তরে জানালেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের প্রতিমন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই।

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ মালা রায় কেন্দ্রের কাছে জাতীয় নাগরিকপঞ্জি সম্পর্কে জানতে চান। সাংসদ প্রশ্ন করেন,দেশে কবে থেকে এনআরসি চালু হবে? প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, এখনই দেশজুড়ে এনআরসি কার্যকর করার কোনও পরিকল্পনা কেন্দ্রের নেই।

উল্লেখ্য,এনআরসি নিয়ে রক্তাক্ত চেহারা নিয়েছিল অসম। এনআরসি বিরোধিতা করে দেশজুড়ে প্রতিবাদ আন্দোলন শুরু করেছিল বিরোধীরা। ঘটনার জেরে এনআরসি এবং নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন বা সিএএ নিয়ে ধীরে চলো নীতি নিয়েছে মোদী সরকার।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিত্যানন্দ রাই জানিয়েছেন, এখনও পর্যন্ত শুধু অসমে এনআরসি কার্যকর হয়েছে। ২০১৯-এর ৩১ অগাস্টে অসমে এনআরসির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। তবে গোটা দেশে এখনই এনআরসি বা জাতীয় নাগরিকপঞ্জি কার্যকর করার কোনও চিন্তা-ভাবনা নেই সরকারের।

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে মন্ত্রী বলেন, এ ব্যাপারে ২০১৯ সালের ১২ ডিসেম্বর একটি বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে। ২০২০ সালের ১০ জানুয়ারি থেকে ইতিমধ্যেই এই আইন চালু হয়েছে।

এনআরসি ও সিএএ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা ভোটে তীব্র আক্রমনাত্মক ছিলেন বিজেপির হয়ে প্রচারে আসা অমিত শাহ, উত্তর প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ। অপর দিকে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ছিলেন তীব্র বিরোধিতায়। এনআরসি ও সিএএ বিরোধিতা করে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। রাজ্যের নাগরিক সমাজের বড় অংশ এই নিয়ম প্রয়োগের বিরোধিতা করেন। প্রচারে বিজেপি বারবার দাবি করে রাজ্যে ক্ষমতায় এলে লাগু হবে এনআরসি।

বিজেপি বিরোধীরা অসমের উদাহরণ টেনে দেখান সে রাজ্যে এনআরসি ও সিএএ প্রয়োগে বাংলাভাষীদের চরম দূর্দশার চিত্র। অসমে যে ১৯ লক্ষ মানুষ এন়ারসিতে কাটা পড়েছেন তাদের বেশিরভাগ হিন্দু। ফলে চরম বিড়ম্বনায় পড়ে বিজেপি। তবে অসমে বিজেপি সরকার ধরে রেখেছে। অভিযোগ, এনআরসি ও সিএএ নিয়ে সে রাজ্যে দুর্দশার কবলে পড়া বাংলাভাষী সমাজ ক্ষুব্ধ। তারা অচিরেই বিজেপি থেকে মুখ ঘুরিয়ে নেবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বাঙালি সংগঠনগুলি।

Lakshmi Bhandar: ‘ভাঁড়ে মা ভবানী’, বিপুল আর্থিক ধাক্কায় প্রকল্পের স্থায়িত্ব নিয়েই প্রশ্ন

Lakshmi Bhandar project

News Desk: মুখ্যমন্ত্রী দিল্লিতে গিয়ে রাজ্যের জন্য অর্থ বরাদ্দের আর্জি পেশ করবেন প্রধানমন্ত্রীর কাছে। বরাদ্দ হলে নিশ্চিন্ত কিন্তু না হলে ? বিরাট আর্থিক বোঝা মাথায় নিয়েই অতি আলোচিত লক্ষ্মীর ভাণ্ডার (Lakshmi Bhandar) প্রকল্প কী করে চালাবে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার সেটাই প্রশ্নের মুখে।

সূত্র বলছে, লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের কৌলীন্য ধরে রাখতে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মরিয়া হয়েছেন। এই প্রকল্পের মাধ্যমে উপভোক্তাদের যে আর্থিক সাহায্য করা হচ্ছে তাতে রাজ্য সরকারের কোষাগারে টান ধরেছে। বিভিন্ন খাতের টাকা লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে ঢুকিয়েও হিমশিম অবস্থা। আর কাটছাঁট হওয়া খাতের অবস্থা সঙ্গীন। রীতিমতো অপেশাদারি মনোভাবে ভোটব্যাঙ্ক ধরে রাখতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী বলে অভিযোগ আর্থিক বিশেষজ্ঞদের।

অর্থনৈতিক বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই সমস্ত প্রকল্প চালাতে ঋণ নেওয়া ছাড়া গতি নেই মুখ্যমন্ত্রীর। অভিযোগ, ঋণ করে মান বজায় রাখতে গিয়ে রাজ্যকে বিপুল আর্থিক বোঝার সামনে দাঁড় করিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। অর্থ বিশেষজ্ঞ মহলের একাংশ মনে করছে স্বাস্থ্যসাথী, লক্ষীর ভান্ডার চালাতে যে খরচ নির্ধারণ করা হয়েছে একমাত্র ঋণ থেকেই তার সংস্থান হতে পারে।  

তথ্য বিশ্লেষণে উঠে এসেছে,এখনো পর্যন্ত লক্ষীর ভান্ডার প্রকল্পে ১.৬৩ কোটি উপভোক্তারা আবেদন করেছেন। অনুমোদিত হয়েছে ১.৫২ কোটি আবেদনপত্র। মাসে প্রায় ৮০০ কোটি টাকা খরচ হয়েছে রাজ্যের। সমগ্র আর্থিক বছরে প্রায় ১০ হাজার কোটি টাকা খরচ হতে পারে রাজ্যের।

রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্যসাথী এবং লক্ষীর ভান্ডার দুটি প্রকল্প মিলিয়ে বছরে খরচ হতে পারে প্রায় ১৭ হাজার কোটি টাকার মতো। এই টাকা জোগাড় করতে হিমশিম খাচ্ছে সরকার। তবে মু়খ্যমন্ত্রী চাইছেন যে করেই হোক চালাতে হবে দুটি প্রকল্প। এর জন্য গত আর্থিক বছরের তুলনায় বর্তমান আর্থিক বছরে বাজার থেকে অতিরিক্ত ১৭,৬০৩ কোটি টাকা ঋণ নেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস সরকার।

এই আর্থিক বোঝা কতদিন নিতে পারবে সরকার? পরিস্থিতি নিয়ে প্রশাসনিক হলেই উঠছে প্রশ্ন। কারণ সরকারি কর্মীদের বেতন ও পেনশনের জন্য যে খাত রয়েছে সেটি নিরাপদ খাকলেও, অন্যান্য পরিকাঠামোগত খাতের টাকা নিয়ে প্রকল্প চালালে রাজ্যের সার্বিক পরিকাঠামোতেই ধাক্কা লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে।

RSS: মমতা-মোদীর দ্বৈরথে বঙ্গে আরও শাখা বিস্তার করতে মরিয়া সংঘ

rss to establish more branch in west bengal

News Desk: উত্তর প্রদেশ বিধানসভা ভোট নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তেমন সাড়াশব্দ নেই। তিনি সরাসরি জোর দিয়েছেন গোয়া ও ত্রিপুরায়। রাজনৈতিক মহলের গুঞ্জন, দিদির মোদী বিরোধিতাকে নরম চোখেই দেখছে রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘ (RSS)। দিদি-মোদী দ্বৈরথের মাঝেই পশ্চিমবঙ্গে ব্লক ভিত্তিক শাখা সম্প্রসারণে জোর দিচ্ছে বিজেপির শিরদাঁড়া সংঘ পরিবার।

সূত্রের খবর, নাগপুর থেকে সংঘ কর্তার বার্তা এসেছে বঙ্গ সংঘীদের কাছে। বিধানসভা ভোটে সরকার গড়তে না পারা ও পরপর উপনির্বাচনে জমানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে সংঘের রাজনৈতিক শাখা বিজেপির। আর বিশ্লেষকদের যুক্তি, তৃ়ণমূল কংগ্রেস নেত্রী যতটা মোদী-অমিত শাহ নেতৃত্বের বিজেপি বিরোধী মন্তব্য করেন তার এক ছটাকও আরএসএসের বিরুদ্ধে বলেন না।

RSS

সূত্রের খবর, এই সুযোগটি নিতে মরিয়া সংঘ। কারণ, পশ্চিমবঙ্গে বিগত বাম জমানায় সংঘের অস্তিত্ব থাকলেও চরম বিপরীত শক্তি কমিউনিস্ট নেতৃত্বের হাতে রাজ্যের ভার ছিল। বাম জমানার আগে কংগ্রেস ও যুক্তফ্রন্ট সময়ে সংঘ সফল হয়নি, বামমুখী রাজনৈতিক ঝড়ে। সেই বঙ্গ এখন বাম বিমুখ। বিধানসভায় বামেদের শূন্য করে দিয়েছেন মমতা। আগামী সময়ে বামপন্থীরা যে দ্রুত শক্তি অর্জন করতে পারবে এমন আশা করছে না সংঘ। এই পরিস্থিতিতে শাখা সম্প্রসারণ গুরুত্ব পেয়েছে সংঘ নেতৃত্বের কাছে।

Modi Vs RSS

সূত্রের আরও খবর, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপি নেতাদের ভূমিকা নিয়ে বঙ্গ সংঘীদের বেশিরভাগই ক্ষুব্ধ। তাঁদের যুক্তি, এই রাজ্যের বিজেপি নেতদের রাজনৈতিক দূরদর্শিতার অভাব এতটাই যে ক্ষমতায় আসার লোভে বাছবিচার করা হয়নি। ফলে দ্রুত বিজেপি ভেঙে যাবে। সেই ভাঙন থেকে ফের বাম শক্তি বেড়ে উঠবে বলে মনে করছে সংঘ।

বঙ্গ সংঘী নেতা যাঁরা জেলার গ্রামাঞ্চলে কাজ করেন, তাঁদের কেউ কেউ আশঙ্কা করছেন, বামেদের পুনরায় উত্থান হতেই পারে। তাঁদের যুক্তি, জনসমর্থন হারালেও কমিউনিস্ট মতাদর্শের কোনও ক্ষতি হয়না। ঠিক যেভাবে সংঘ দীর্ঘ সময় পশ্চিমবঙ্গে ক্ষীণকায় ছিল কিন্তু টিকে ছিল।

<

p style=”text-align: justify;”>কিছু সংঘ নেতার স্পষ্ট দাবি, পশ্চিমবঙ্গের জনগণকে হিন্দি বলয়ের মানসিকতার সঙ্গে তুলনা করে বড় ভুল করেছেন নেতারা। তাঁদের দেখছেন না, একটা যে কোনও মিছিলে বামেদের ভিড়। সাংগঠনিক কারণে সেই ভিড়কে ভোটের দিকে ঠেলে আনতে পারছে না কমিউনিস্ট পার্টি। তবে দীর্ঘ বাম শাসনের ফলে রাজ্যবাসীর কাছে তারা পরিচিত। সেটি ফিরে যেতে পারে।

Covid 19: দেড় বছর পর মঙ্গল প্রভাতে বিদ্যালয়ে কলরব শোনা যাবে

school reopen in west bengal

News Desk: করোনা সংক্রমণের ধাক্কায় প্রায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পরে মঙ্গলবার তথা ১৬ ই নভেম্বর রাজ্যের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খুলছে। যদিও বিভিন্ন রাজ্যে আগেই খুলেছে বিদ্যালয়। পশ্চিমবঙ্গে সংক্রমণের পরিস্থিতি দেখে শারদোতসবের পর রাজ্য সরকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পড়ুয়াদের স্বাগত জানিয়ে একটি কলম অথবা ফুল তুলে দেওয়া হবে। যদিও এর আগে রাজ্যে স্কুল কলেজ খোলার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু সংক্রমণ ফের বেড়ে যাওয়ায় তখনই কোনও পদক্ষেপ নেয়নি রাজ্য সরকার।

school reopen in west bengal

তবে বিশেষজ্ঞরা চিন্তুিত করোনা সংক্রমণের সাম্প্রতিক গতি নিয়ে। শিক্ষামন্ত্রী ব্রাত্য বসু জানিয়েছেন, অভিভাবকরা নিজেদের ইচ্ছায় পড়ুয়াদের স্কুলে পাঠাতে পারেন। স্কুলে না আসলে কোন রকম অ্যাটেনডেন্স সংক্রান্ত সমস্যায় ভুগতে হবে না পড়ুয়াদের।

শিক্ষা দফতর জানিয়েছে, করোনা বিধি মেনেই স্কুলগুলিকে খোলা হবে। বলা হয়েছে স্কুলে প্রবেশের সময় পড়ুয়াদের মধ্যে চার থেকে পাঁচ ফুটের ব্যবধান রাখতে হবে। স্যানিটাইজার ব্যবহার করার ক্ষেত্রে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। পড়ুয়ারা মাস্ক এবং স্যানিটাইজার ব্যবহার করছে কিনা সেদিকে রাখা হবে নজর।

সরকারি নির্দেশে প্রতিটি স্কুলের গেটে থার্মাল গান এবং স্প্রে স্যানিটাইজার রাখতে হবে। শ্রেণীকক্ষে পড়ুয়াদের মধ্যে তিন ফুটের দূরত্ব রাখতে হবে। প্রত্যেক বেঞ্চে একজন পড়ুয়া বসানোর ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

Weather update: দিনভর বৃষ্টির সম্ভাবনা দক্ষিণবঙ্গে

kolkata city

News Desk: আজ দিনভর বৃষ্টির সম্ভাবনা হয়েছে। এমনটাই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে বৃষ্টির উল্টো দিকে লুকিয়ে রয়েছে শীতের হাওয়া তা স্পষ্ট। অনেকটা কমে গিয়েছে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা।

সোমবার কলকাতা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৫.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে পাঁচ ডিগ্রি কম। বৃষ্টি হয়েছে ১.৬ মিলিমিটার। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৪, সর্বনিম্ন ৬৪ শতাংশ। রবিবার কলকাতা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৭.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। অর্থাৎ সর্বোচ্চ তাপমাত্রার মতো কমেছে সর্বনিম্ন তাপমাত্রাও।

গত সপ্তাহেবুধবার কলকাতা সর্বনিম্ন তাপমাত্রা এক লাফে বেড়ে প্রায় কুড়ির কাছাকাছি চলে আসে। কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩০.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি কম। আগামী ২৪ ঘন্টায় তা ৩০ থেমে ৩১এর আশেপাশেই ঘোরাফেরা করবে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

kolkata-city

মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৮.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। গতকাল শহরের তাপমাত্রা ছিল ১৮.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তার আগের দিন অর্থাৎ রবিবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সর্বনিম্ন ১৮.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। অর্থাৎ পারদ ওঠা নামা করছে কলকাতা ও তার পার্শ্ববর্তী অঞ্চলে। আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ঘোরাফেরা করবে ৩০ ডিগ্রির আশেপাশে। একটি নিম্নচাপ রয়েছে। তার জন্য পারদ কিছুটা বাড়তে পারে পরে তা আবারও নামবে। তবে এখনই জাঁকিয়ে শীত নয় বলে স্পষ্ট করে দিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

<

p style=”text-align: justify;”>আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন, ‘পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং আন্দামানের উপরে একটি নিম্নচাপ অক্ষরেখা তৈরি হয়েছে। সেটি নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে। তার প্রভাবে তামিলনাড়ু উপকূলে বৃষ্টি হচ্চে। প্রভাব পড়ছে পশ্চিমবঙ্গের উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে। তালিকায় রয়েছে উত্তর ২৪ পরগনা, দক্ষিণ ২৪ পরগণা এবং মেদিনীপুরের কিছু অংশ। এখানে হালকা বৃষ্টি হতে পারে। পশ্চিমের জেলায় বজায় থাকবে শীতের আমেজ। উত্তরবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা নেই। সেখানে শীত বাড়বে”। আজ কলকাতা ও অন্যান্য জেলায় বেশি বৃষ্টি হতে পারে।