Weather Updates: সোমবার বাংলাজুড়ে জাঁকিয়ে শীতের সম্ভাবনা

bengal-winter

News Desk: দুর্গা পুজোয় বৃষ্টি হলেও কালীপুজোয় বৃষ্টি হয়নি। সুন্দর ঠান্ডার আমেজ রয়েছে। এবার শীতের হাওয়ায় ঠান্ডার পরিমাণ আরও বাড়বে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়ার দফতর।

বর্তমানে শুষ্ক আবহাওয়া বিরাজ করছে গোটা রাজ্য জুড়ে। সেই সঙ্গে পড়তে শুরু করেছে ঠান্ডাও। কালীপুজোর পর ভাইফোঁটাতেও পরিস্কার আকাশ থাকবে বলেই জানিয়েছে আবহাওয়া দফতর আবহাওয়াবিদরা জানাচ্ছেন কয়েকদিনের মধ্যেই জাঁকিয়ে শীত পরতে চলেছে গোটা বাংলা জুড়েই। ইতিমধ্যেই উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঠান্ডা হাওয়া রাজ্যে প্রবেশ করতে শুরু করে দিয়েছে। বর্ষা বিদায়ের পর আবহাওয়া শুষ্ক হতে শুরু করেছে। এবার থেকে নামবে তাপমাত্রার পারদ। মূলত ৮ তারিখ থেকে তাপমাত্রা নামবে বলে জানাচ্ছে হাওয়া অফিস।

যেমন আজ শনিবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১৯.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। গতকাল শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ১৯.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা থাকবে ৩০ ডিগ্রির আশেপাশে। আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৪ সর্বনিম্ন ৪৪ শতাংশ।

চলতি সপ্তাহে মঙ্গলবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.০ ডিগ্রি সেলসিয়াস । যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিক। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৪৪ থেকে ৯০ শতাংশ। কলকাতায় সোমবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২০.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস । যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি কম। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩১.৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৪২ থেকে ৯০ শতাংশ।

গত রবিবার সকালে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২১.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস । যা স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি কম। গতকাল বিকেলে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। স্বাভাবিকের থেকে ১ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ ৪৮ থেকে ৮৮ শতাংশ।

Weather update: বিক্ষিপ্ত বৃষ্টি চলবে দক্ষিণে, মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে বানভাসি উত্তর

Flood situation in North Bengal due to heavy rains

নিউজ ডেস্ক: বৃষ্টি চলছেই। আজ দক্ষিণবঙ্গে দিনভর বৃষ্টির সম্ভাবনা থাকছে বলে জানিয়েছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। সকাল থেকেই বিভিন্ন জেলা থেকে বৃষ্টির খবর মিলছে। তা দিনভর চলবে বলেই জানাচ্ছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর।

এদিকে হাওয়া অফিস জানাচ্ছে নিম্নচাপ সরে গিয়েছে বিহারের দিকে, আজ থেকে দক্ষিণবঙ্গে কমবে বৃষ্টি। উত্তরবঙ্গে আগামী ৪৮ ঘণ্টা ভারী বৃষ্টি, পূর্বাভাস আবহাওয়া দফতরের। কিন্তু তার মধ্যেই দক্ষিনবঙ্গে বৃষ্টি হচ্ছে। এর কারণ কী? হাওয়া অফিস জানাচ্ছে দক্ষিণ থেকে উত্তরের দিকে যাচ্ছে নিম্নচাপ। তারফলে প্রচুর জ্বলিয় বাষ্প ঢুকছে দক্ষিণবঙ্গে। ফলে বিক্ষিপ্তভাবে বৃষ্টি আজও হবে।

teesta
মেঘ ভাঙা বৃষ্টিতে ভয়ঙ্করী তিস্তা

অপরদিকে উত্তরবঙ্গের পরিস্থিতিও খারাপ। বিপুল বৃষ্টির ঘাটতিতে চলা উত্তর এবার কার্যত বানভাসি। সোমবার থেকে টানা ভারী বৃষ্টিতে এমনই করুন অবস্থা। বহু স্থানে নেমেছে ধস। তিস্তার জল খাদ থেকে উঠে এসে রাস্তা দিয়ে বইছে যে চিত্র দেখা যায় না বলেই জানা গিয়েছে। শেষ লক্ষীপুজোর দিনে এমন বানভাসি পরিস্থিতির উত্তরবঙ্গে দেখা দিয়েছিল ১৯৬৮ সালে। তারপরে এই ২০২১। সময় এগোলে পরিস্হিতি আরও ভয়ঙ্কর হতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার আচমকা মেঘভাঙা বৃষ্টি নামে গরুবাথানে।উত্তরবঙ্গে বৃষ্টি বাড়বে বলে আগেই পূর্বাভাস দিয়েছিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। মঙ্গলবার বিকেল চারটে নাগাদ আচমকা মেঘভাঙা বৃষ্টি শুরু হয় জলপাইগুড়ি লাগোয়া কালিম্পঙের গরুবাথানে। বৃষ্টির তেজে তিস্তার জলস্তর বাড়তে শুরু করে। পরিস্থিতি এমন হয় যে লকগেটের উপর দিয়ে বইতে থাকে জলস্রোত।

সেচ দফতরের আধিকারিকদের সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। দার্জিলিং ছা়ডাও জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে প্রবল বৃষ্টি হচ্ছে। উত্তর সিকিমে বিকেলের দিকে তুষারপাতের খবরও মিলেছে। যার জেরে কমেছে তাপমাত্রাও। প্রবল বৃষ্টির দাপটে ত্রিবেণীর রাস্তা দিয়েও বইছে তিস্তার জল, ১০ নম্বর জাতীয় সড়কের উপর দিয়ে বইছে তিস্তা।

কালিম্পং জেলার বেশ কয়েকটি এলাকায় ধস নেমেছে। শহরের ৪, ১৫, ১৮ এবং ২১ নম্বর ওয়ার্ডের কয়েকটি বাড়ি, গার্ডওয়াল এবং ফুলবাথ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ওই ধসের জেরে। উদ্ধারকাজ চালাচ্ছে পুরসভা এবং বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী। কালিম্পঙের আলগারা এবং লাভার মাঝে তিন মাইল এলাকায় গাছ ভেঙে পড়ে একটি গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

প্রবল বৃষ্টির জেরে ১০ নম্বর জাতীয় সড়কে যান চলাচল এক সময়ে বন্ধ হয়ে যায়। দার্জিলিঙেও কয়েকটি জায়গায় ধসের খবর মিলেছে। গোকে থেকে সিঙ্গল বাজার যাওয়ার রাস্তায় ধস নেমেছে। তার জেরে সুখিয়াপোখরি থেকে মানেভঞ্জন যাওয়ার রাস্তায় যান চলাচল বিপর্যস্ত।একই চিত্র কোচবিহারেরও।কোচবিহারে টানা গরম চলছিল। মঙ্গলবার সকাল থেকে বৃষ্টি নামায় সেই গুমোট আবহাওয়া কেটেছে।

বর্ষা বিদায়েও স্বস্তি নেই, বুধবার পর্যন্ত চলবে বৃষ্টি

Heavy rain to follow in west bengal

কলকাতা : আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির ভ্রুকুটি! কলকাতার আবহাওয়া কী বলছে? দেশের বিভিন্ন প্রান্তেই এখনও থাকবে নাছোড় বৃষ্টি৷

পূর্বাভাস মতোই পুজো মিটতেই শুরু হয়ে গিয়েছে বৃষ্টির বহর। দশমী পার থেকেই ফের আকাশের মুখভার ৷ দফায় দফায় হচ্ছে প্রচণ্ড বৃষ্টি। আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পক্ষ থেকে বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি করা হয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গে বুধবার পর্যন্ত বৃষ্টির সতর্কতা দেওয়া হয়েছে। কোনও কোনও জেলায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। বেশি বৃষ্টি হবে উপকূলীয় জেলায়। উত্তরবঙ্গেও চলবে বৃষ্টি। মৌসম ভবন জানিয়েছে দক্ষিণ ভারতে কেরলে ভারী বৃষ্টির হতে পারে৷ কেরলের ৫ টি জেলার রেড অ্যালার্ট ও ৭ টি জেলায় অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে৷ এর আগে শুক্রবার রাজ্যের ৬ টি উত্তরের জেলার জন্যেও অ্যালার্ট জারি করেছিল৷ এছাড়া কর্ণাটকের দক্ষিণ ভাগেও প্রবল বৃষ্টির সম্ভবনা জারি রয়েছে৷

মৌসম বিভাগ শনিবার আরও বাড়তি সতর্কতা জারি করেছে রাজ্যের বিভিন্ন জেলায়৷ দক্ষিণ ভারতের এই অংশে এই প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস আগামী দিনেও জারি থাকছে৷ আইএমডি-র পূর্বাভাস অনুযায়ি ১৬-১৮ তারিখ অবধি জম্মু কাশ্মীর, গিলগিট, বাল্টিস্তান, মুজফরাবাদ, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়াণা, চণ্ডীগড় , দিল্লি , রাজস্থান ও পঞ্জাবের বিভিন্ন জায়গায় বজ্র বিদ্যুৎ সহ বৃষ্টির পূর্বাভাস জারি করেছে৷ এই জায়গাগুলিতে হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে৷ এছাড়া ১৭-১৮ অক্টোবর হিমাচল প্রদেশ, উত্তরপ্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডে ভারী বৃষ্টি হবে৷

Kolkata Weather Update: পূজো কাটলেই ধেয়ে আসছে দুর্যোগ, জানাল আলিপুর

Kolkata Weather Update

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: পুজোয় নয়, তারপরে দুর্যোগ নামতে পারে দক্ষিণবঙ্গে।এমনটাই জানিয়েছে হাওয়া অফিস। এমন পরিস্থিতি শুরু হবে রবিবার থেকে। ঝড়ো হাওয়ার সঙ্গে ভারী বৃষ্টির সর্তকতা জারি করল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। শনিবার থেকে বাড়বে বৃষ্টি। রবিবার আরও বাড়বে রয়েছে বজ্রবিদ্যুৎ সহ বৃষ্টি। উপকূলের জেলায় বেশি বৃষ্টির সম্ভাবনা বাড়ছে।

এদিকে কলকাতার সংলগ্ন কিছু এলাকা ছাড়া বাকি অংশ থেকে বর্ষা কিন্তু নিয়ে নিয়েছে । এর কারণ কী? হাওয়া অফিস জানাচ্ছে, পূর্ব-মধ্য আরব সাগরে একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে। ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে তামিলনাড়ু উপকূলেও। আরও একটি ঘূর্ণাবর্ত রয়েছে উত্তর আন্দামান সাগরে।

এই ঘূর্ণাবর্তটি পূর্ব-মধ্য বঙ্গোপসাগর এবং সংলগ্ন আন্দামান সাগর এলাকায় একটি নিম্নচাপ তৈরি করবে। নিম্নচাপ তৈরি হয়ে সেটি ২৪ ঘন্টার মধ্যে উড়িষ্যা ও অন্ধ্র উপকূলে অবস্থান করবে।নিম্নচাপটি পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিকে এগিয়ে দক্ষিণ ওড়িশা ও উত্তর অন্ধ্র প্রদেশ উপকূলে শক্তি সঞ্চয় করে সুস্পষ্ট নিম্নচাপে পরিণত হবে। এর সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইবে ৫০ থেকে ৬৫ কিলোমিটার গতিবেগ পর্যন্ত।

এর প্রভাবে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে প্রবল বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। ভারী বৃষ্টি হবে উড়িষ্যা ও অন্ধ্র উপকূলে। হালকা থেকে মাঝারি বিক্ষিপ্তভাবে ভারী বৃষ্টি বাংলাতেও। আগামী কয়েকদিন মধ্য মহারাষ্ট্র কঙ্কন ও গোয়া কেরালা তামিলনাড়ু এবং কর্নাটকে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস।শনিবার থেকে বৃষ্টির পরিমাণ ও ব্যাপকতা বাড়বে। রবি ও সোমবারে ঝড় ও বৃষ্টির সর্তকতা দক্ষিণবঙ্গের বেশকিছু জেলায়।

Weather Update: বর্ষা বিদায়ের পূর্বাভাসের মধ্যেই বৃষ্টির ভ্রুকুটি

weather update

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: তাই আগামী ১৩ অক্টোবর থেকে বর্ষা বিদায়ের পালা শুরু হবে বাংলায়। তাই সপ্তমী পর্যন্ত আকাশ মোটের উপর পরিষ্কার থাকবে। এই দিনগুলিতে দক্ষিণবঙ্গে বৃষ্টির সম্ভাবনা কম। তবে বিক্ষিপ্তভাবে দুই-এক পশলা বৃষ্টি হতে পারে রাজ্যের কয়েকটি জায়গায়। তবে বর্ষা বিদায়ের পূর্বাভাসেই নিম্নচাপের জেরে বৃষ্টি হতে পারে দক্ষিণবঙ্গে।

পূর্বাভাস মতো, রবিবার পঞ্চমীর সকালে সামান্য বৃষ্টি হয় কলকাতায়। ষষ্ঠী, সপ্তমী মোটের উপর নির্বিঘ্নেই পুজো দেখতে বের হতে পারবেন সাধারণ মানুষ। তবে অষ্টমী থেকে বৃষ্টির পরিমাণ বাড়বে দক্ষিণবঙ্গে। আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, নিম্নচাপের জেরে দুই মেদিনীপুর-সহ দুই ২৪ পরগনা, কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও নদিয়া জেলায় আগামী ১৪ ও ১৫ তারিখ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। ১৩ তারিখ অষ্টমীতেও বৃষ্টি হবে রাজ্যের একাধিক জেলায়। কিন্তু উত্তরবঙ্গের আবহাওয়া মোটামুটি ভালো থাকবে।

এদিকে বৃষ্টির পরিমাণ কম থাকলেও আগামী ২৪ ঘণ্টায় কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের একাধিক জেলায় আকাশ আংশিক মেঘলা থাকবে। বজ্রবিদ্যুত্-সহ বৃষ্টি হতে পারে বিক্ষিপ্তভাবে। কলকাতায় আজ সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। সর্বনিম্ন তাপমাত্রা থাকবে ২৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিকে আন্দামান সাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপের জেরে উপকূলবর্তী এলাকাগুলিতে বৃষ্টির সম্ভাবনা বেশি।

এদিকে আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপ, গোয়া, কর্নাটক, কেরল, মাহে, পুদুচেরী, তামিলনাড়ু মহারাষ্ট্রের কোঙ্কন উপকূলের একাধিক জায়গায় ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাতের সতর্কতা জারি হয়েছে।

আজ সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৬.৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি বেশি। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৬ সর্বনিম্ন ৬৫ শতাংশ।

RSS: দুর্গাপূজার মাঝেই সংঘ সদরে পরাজয়ের বিষাদ সুর

RSS

নিউজ ডেস্ক: রাষ্ট্রীয় স্বয়ং সেবক সংঘের (RSS) মূখ্য কার্যালয়ে দুর্গাপূজার মাঝেই বাজছে বিষাদ সুর। মহারাষ্ট্রে ক্রমশ জমি হারাচ্ছে সংঘের রাজনৈতিক শাখা বিজেপি। খোদ সংঘ সদর কার্যালয় নাগপুর (Nagpur) জেলায় বিরাট ধস নেমেছে।
মহারাষ্ট্র পঞ্চায়েত ও জেলা পরিষদ নির্বাচনে নাগপুর জেলাতে আরএসএসের বোলবোলাও কমতি লক্ষনীয়। সেখানে ভাগ বসিয়েছে কংগ্রেস। নাগপুর জেলা পরিষদের ১৬টি আসনের মধ্যে ৯টি দখল করে নিয়েছে কংগ্রেস। বিজেপির দখলে তিনটি। নাগপুর পঞ্চায়েত সমিতি ও পুর নিগমের জনসমর্থন ঢলতে শুরু করেছে কংগ্রেসের দিকে। 

নাগপুর লোকসভা কেন্দ্র থেকেই বিজেপির সুপার হেভিওয়েট নীতীন গডকরি সাংসদ। মহারাষ্ট্রের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফড়নবিশের বাড়ি নাগপুরেই। তার থেকেও উল্লেখযোগ্য, নাগপুরে আরএসএস কার্যালয় থেকেই কেন্দ্রের বিজেপি নেতৃত্বে চলা এনডিএ জোট সরকার নিয়ন্ত্রিত হচ্ছে।

এদিকে উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের আগেই সংঘ সদরে ভোটের ধস নেমে যাওয়ায় উল্লসিত কংগ্রেস শিবির। মহারাষ্ট্র প্রদেশ কংগ্রেস নেতাদের ধারণা, এই ধাক্কা দেখা যাবে উত্তর প্রদেশে।

বিজেপির অন্যতম ভরসার রাজ্য এখন কৃষক আন্দোলনে তপ্ত। লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার মামলায় প্রবল অস্বস্তিতে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। এই মামলায় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী অজয় শর্মার পুত্র আশিস শর্মা গ্রেফতার হয়েছেন। অভিযোগ, তার নির্দেশে লখিমপুর খেরিতে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া কৃষকদের উপর গাড়ি চালিয়ে দেওয়া হয়েছে।

উত্তর প্রদেশের কৃষক আন্দোলনের রেশ এই রাজ্যের বিধানসভা ভোটে পড়তে চলেছে। এমনই আশঙ্কা সংঘ পরিবারের। তাৎপর্যপূর্ণ, সংঘ পরিবারও কৃষকদের উপর জোরজবরদস্তির বিরোধিতা করে। এতে অস্বস্তিতে পড়েন প্রধানমন্ত্রী মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

খবর এও এসেছে, পশ্চিমবঙ্গে দুর্গাপূজার পর পরই বিজেপিতে ধরে নামতে চলেছে। ডজন খানেক বিধায়ক দলত্যাগ করতে চলেছেন। বেশ কিছু সাংসদ দলত্যাগ করবেন। পশ্চিমবঙ্গের মতো ত্রিপুরায় বিজেপির ভাঙন স্পষ্ট হতে শুরু করেছে।

বাঙালি মনীষীদের অবদান ভুলিয়ে দিতে ‘স্পেশাল’ সিলেবাস রাজ্য সরকারের: ABVP

Abvp on new syllabus by west bengal government

নিউজ ডেস্ক: পশ্চিমবঙ্গ সরকার করোনা আবহে একাদশ ও উচ্চমাধ্যমিকের সিলেবাসে কাটছাঁট করতে গিয়ে একেবারে কেটে ফেলে দিয়েছে বাঙালির ঐতিহ্য ,গর্ব এবং শিল্প- সংস্কৃতিকেই ! হ্যাঁ, এমনটাই অভিযোগ এবিভিপি’র।

তাদের অভিযোগ, ২০২২ সালের একাদশ বার্ষিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সিলেবাস থেকে কাট-ছাঁটের যে তালিকা তৈরি করা হয়েছে সেখানে রয়েছে স্বামী বিবেকানন্দের প্রবন্ধ , নজরুল ইসলামের কবিতা , দীনবন্ধু মিত্র ও মাইকেল মধুসূদন দত্তের নাটক, ধর্ম , নাগরিকত্ব ও বাঙালির শিল্পসংস্কৃতি। এই সমস্ত গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো বাদ দেওয়ার তালিকায় রেখে উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের সভাপতি চিরঞ্জীব ভট্টাচার্য নির্দ্বিধায় জানিয়েছেন, “সিলেবাস থেকে কিছু তো বাদ দিতে হবেই। কোনো বিষয় বাদ দেওয়ার পিছনে কোনো যুক্তি বা তাৎপর্য নেই ।”

এবিভিপি’র দক্ষিনবঙ্গের রাজ্য সম্পাদক সুরঞ্জন সরকার বলেন, “অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ সম্পূর্ণরূপে স্বামী বিবেকানন্দের আদর্শের অনুগামী এক ছাত্রসংগঠন।তাই সিলেবাস থেকে স্বামী বিবেকানন্দের প্রবন্ধ বাদ দেওয়ার বিষয়টিকে একেবারেই আমরা মেনে নেবো না। এবং সেইসঙ্গে অন্যান্য মনীষীদের লেখা ও সংস্কৃতির ইতিহাসকে উপেক্ষা করে পশ্চিমবঙ্গের বর্তমান সরকার বাঙালির জাতিসত্বার ভ্রুণকে যেভাবে হত্যা করতে চলেছে তার বিরুদ্ধে জাতীয়তাবাদী ছাত্রসংগঠন হিসেবে এবিভিপি তীব্র প্রতিবাদ ও শিক্ষা সংসদ সভাপতির মন্তব্যের তীব্র ধিক্কার জানায়।”

সম্প্রতি করোনা আবহে পাঠ্যক্রমে কাটছাঁট করেছে রাজ্য। ২০২২ সালের একাদশের বার্ষিক ও উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার সিলেবাসে কাটছাঁট করা হয়। আর তার জেরেই বাদ যায় ঔপনিবেশিকতাবাদ ও সাম্রাজ্যবাদ। সম্প্রতি প্রকাশ্যে এসেছে বাদ হওয়া পাঠ্যসূচির তালিকা। ২০২২ সালের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদ। জানানো হয়েছে বিশেষজ্ঞদের মতামত নিয়েই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা সংসদের তরফে। সেখানেই বাদ গিয়েছেন নজরুল ও বিবেকানন্দ।।

উল্লেখ্য, সম্প্রতি মধ্যপ্রদেশের ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের সিলেবাসে ঢুকেছে রামায়ণ, মহাভারত, রামচরিত মানস। রামচন্দ্রের চরিত্র ও তাঁর সমসাময়িক কাজ এখনকার ইঞ্জিনিয়ারিং কোর্সের পক্ষে খুব প্রয়োজনীয়, দাবি উচ্চ-শিক্ষামন্ত্রী মোহন যাদবের। পাশাপাশি এমবিবিএসের পাঠ্যক্রমে অন্তর্ভূক্ত হচ্ছে কেশব বলিরাম হেগড়ে থেকে শুরু করে দিনদয়াল উপাধ্যায়ের জীবনী৷

Mamata Banerjee: জয়ী বিধায়ক মমতাকে অভিনন্দন বাংলাদেশ সরকারের

mamata banerjee sheikh hasina

নিউজ ডেস্ক : প্রতিবেশি দেশ ভারতের অঙ্গরাজ্য পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছেন। উপনির্বাচনে রেকর্ড ভোটে জয়ী হওয়ায় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার দল তৃণমূল কংগ্রেসকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

উল্লেখ্য, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস পরপর তিনবার সরকার গড়েছে। কিন্তু নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে পরাজিত হন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারীর কাছে। নন্দীগ্রাম কেন্দ্র থেকে পরাজয়ের পর তিনি কলকাতার ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচনে প্রার্থী হন। রবিবার সেই উপনির্বাচনের ফলে রেকর্ড ভোটে জয়ী হয়েছেন মমতা।

বাংলাদেশ বিদেশমন্ত্রকের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে লেখা এক অভিনন্দন বার্তায় বিদেশমন্ত্রী আশা ব্যক্ত করেন, পারস্পরিক মঙ্গল ও উন্নয়নের স্বার্থে, আগামী দিনগুলোতে পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক আরও ঘনিষ্ঠ এবং পরিপূরক হবে।

ঢাকায় ড. মোমেন বলেন, টানা তৃতীয় মেয়াদে ভবানীপুর নির্বাচনি এলাকায় বিপুল বিজয় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বের প্রতি পশ্চিমবঙ্গের জনগণের অব্যাহত আস্থা ও সুগভীর বিশ্বাসের প্রতিফলন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের যোগ্য নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গের জনগণের সর্বাঙ্গীন উন্নতি ও উত্তরোত্তর সমৃদ্ধি কামনা করেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রীর সুস্বাস্থ্য ও অব্যাহত সাফল্য কামনা করেন এবং আসন্ন দুর্গাপূজার শুভেচ্ছা জানান বাংলাদেশের বিদেশমন্ত্রী।

মমতাতেই ভরসা সরকারি কর্মীদের, পোস্টাল ব্যালটে বাজিমাত শাসকদলের

Mamata Banerjee

 

নিউজ ডেস্ক: ভবানীপুর উপনির্বাচন সহ আজ বাংলার মোট তিন বিধানসভা কেন্দ্রে ভোট গণনা। বাংলা সহ গোটা দেশের নজর ভবানীপুরে। তিন আসনেই চালকের আসনে রাজ্যের শাসকদল। পোস্টাল ব্যালট গণনার শেষে রাজ্যের তিন আসনেই এগিয়ে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। ফলে সরকারি কর্মীরা যে নবান্নের ১৪ তলায় ফের মমতাকেই দেখতে চান, তা স্পষ্ট হয়ে গেল।

আরও পড়ুন Mamata Banerjee: বেলা গড়াচ্ছে-মমতা এগোচ্ছেন, বিজেপি শিবিরে দলত্যাগ আতঙ্ক চড়ছে


আরও পড়ুন Bhawanipore: শুরুতেই জয়ের লক্ষ্যে এগোচ্ছেন মমতা

পোস্টাল ব্যালটে ভোটের সংখ্যা কম হলেও সরকারি কর্মীদের মনোভাব বোঝা যায় এই ফলাফল থেকে। এর আগে বেশির ভাগ ক্ষেত্রেই দেখা গিয়েছিল যে কেন্দ্রের শাসকদলের পক্ষেই ভোট দেন সরকারি কর্মীরা। যদিও গত বিধানসভা নির্বাচন থেকেই দেখা যাচ্ছে উল্টো ছবি। মোদী সরকারের দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে মমতাতেই ভরসা রাখছেন সরকারি কর্মীরা। 

আরও পড়ুন Bhawanipore: শুরুতেই জয়ের লক্ষ্যে এগোচ্ছেন মমতা

প্রায় নিত্যদিনই কেন্দ্রের ঝুলি থেকে বেরিয়ে আসছে বেসরকারিকরণের বেড়াল। বেসরকারিকরণের খারাপ দিক নিয়ে ইতিমধ্যেই সরব হয়েছে আরএসএস সমর্থিত শ্রমিক সংগঠনও। কেন্দ্রে দ্বিতীয় দফায় ক্ষমতা দখলের পরে ধাপে ধাপে বহু ক্ষেত্রে বেসরকারিকরণ প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গিয়েছিল। ব্যাংকিং ক্ষেত্রে রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির সংযুক্তিকরণ ও পেট্রোলিয়াম, শিপিং কর্পোরেশন, কন্টেনার কর্পোরেশন-সহ রত্ন সংস্থাগুলির সরকারি অংশিদায়িত্ব কমিয়ে ফেলা তার অন্যতম অঙ্গ ছিল। 

অন্যদিকে সিন্ডিকেট রাজ, টেট দূর্নীতি, বেকারত্ব-সহ একাধিক ইস্যাতে জর্জড়িত তৃণমূল কংগ্রেসও। উপনির্বাচনের আগেও বিভিন্ন ইস্যুতে সরকারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ দেখিয়েছেন চাকরিপ্রার্থীরা। তা সত্ত্বেও পোস্টাল ব্যালটে এগিয়ে থাকা স্বস্তি যোগাচ্ছে তৃণমূল নেতৃত্বকে। 

আরও পড়ুন ক্রমশ এগোচ্ছে তৃণমূল, গণনা শেষ হওয়ার আগে এজেন্টদের কেন্দ্র না ছাড়ার নির্দেশ পদ্মশিবিরের

ভবানীপুরে কেন্দ্রে দ্বিতীয়বার ‘পরীক্ষা’য় বসেছেন তৃণমূল কংগ্রেস সুপ্রিমো তথা মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে। আজ ভবানীপুরে জিতলেই আবার রাজ্যের প্রধানের কুর্সিতে বহাল হবেন তিনি। স্বাধীনতা পরবর্তী পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় তিনিই একমাত্র মুখ্যমন্ত্রী যিনি হেরে গিয়েও পদে আছেন দল জিতে যাওয়ায়। ফলে আজ স্বভাবতই তাঁর প্রেস্টিজ ফাইট।

Durga Puja: ‘ধর্ম হোক যার যার, উৎসব সবার’

অফবিট ডেস্ক: সামনেই দুর্গা পূজা (Durga Puja), হাওড়ার জগৎবল্লভপুরের পার্বতীপুর গ্রামের মুসলমান মহল্লায় এখন হাঁফ ফেলার সময় নেই। কারণ এই গ্রামের কমবেশি ৪০টি মুসলমান পরিবার প্রতিমার নকল চুল তৈরির সঙ্গে যুক্ত। একই চিত্র দক্ষিণ চব্বিশ পরগণার মীরপুর গ্রামেও। দুই গ্রামের পরিবারগুলির কেউই সম্প্রীতির মতো ভারী শব্দের মানে বোঝেন না, ওদের একমাত্র বোধগম্য ‘পেটের টান’। সারা বছর ধরে শুধু প্রতিমার চুল তৈরি করেই এতগুলো জীবন চলে।

আরও পড়ুন আর মাত্র ৩ দিন, ভারত হিন্দু রাষ্ট্র ঘোষিত না হলে সমাধি নেবেন এই ধর্মগুরু

দুটি গ্রামে গেলেই দেখা যাবে রাস্তার ধারে বাঁশের খুঁটিতে থরে থরে ঝোলানো কালো রঙের বিনুনি। রাজ্যের কুমোরটুলি ছাড়াও যা যায় রাজ্যের অন্যত্র, এমনকি ভিন রাজ্যেও। প্রতিমার মাথার এই চুল তৈরির প্রধান উপাদান হল পাট। হুগলির মশাট, শিয়াখালা প্রভৃতি এলাকা থেকে পাট আনা হয়। এরপর সেই পাট কেটে রঙে ভিজিয়ে রোদে শুকিয়ে নেওয়া হয় । তাকে তেল দিয়ে ছেনে বিনুনি তৈরি করে প্যাকেটে করে কলকাতার বাজারে পাঠানো হয়। পাট দিয়ে তৈরি এই চুল বিশেষ প্রক্রিয়ায় কোঁচকানো হয় বলে স্থানীয়দের মুখে ‘ক্রেপ’ ব্যবসা নামেও পরিচিত।

Durga Puja

সম্প্রতি পাট এবং রংয়ের দাম বেড়ে যাওয়ায় এই শিল্পে সমস্যা তৈরি হয়েছে। গত বছর সেই ব্যবসায় থাবা বসিয়েছিল করোনা। অতিমারীতে যথেষ্ট ক্ষতির মুখে পড়েছিলেন তারা। এবার বাধ সেধেছে বৃষ্টি, সঙ্গে মাথাচাড়া দিয়ে আবার বাড়ছে করোনা সংক্রমণও। এবছর দেরিতে বর্ষা আসায় কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত পাটের চুল ব্যবসায়ীরা। সারাদিন ঝিরঝির করে বৃষ্টি হওয়ায় চুল শুকোতে সমস্যা হচ্ছে।

আরও পড়ুন শরিয়তি আইনে চলা আফগানিস্তান থেকে উইঘুর মুসলিমদের চিনে পাঠাবে তালিবান

এত সমস্যা থাকলেও হাল ছাড়তে নারাজ পার্বতীপুর, মীরপুর গ্রামের নকল চুল তৈরির কারিগরেরা। ফলে এবারও শুধু দুর্গা-কালী-জগদ্ধাত্রী-সরস্বতী প্রতিমার মাথাতেও শোভা পাবে ‘মুসলমান’ শিল্পীদের তৈরি চুল। বাঙালির বছরভর উৎসবে আক্ষরিক অর্থেই ফুটে উঠবে, ‘ধর্ম হোক যার যার, উৎসব সবার’।

Weather update: বৃষ্টি কমলেও এখনই নয় ফুলস্টপ

Rain girl

নিউজ ডেস্ক: বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে আবহাওয়া উন্নতি হবে বলে পূর্বাভাস দিল আলিপুর আবহাওয়া দফতর। তবে বৃষ্টি একেবারে বন্ধ হয়ে যাবে না। এমনটাই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

বৃহস্পতিবার বাঁকুড়া ও পুরুলিয়া বেশি বৃষ্টি হতে পারে বলেই জানাচ্ছেন আবহাওয়াবিদরা। পশ্চিম বর্ধমান, বাঁকুড়া ও পুরুলিয়ায় ৩০-৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়াও বইতে পারে বলে জানা যাচ্ছে। কারণ পশ্চিমবঙ্গের পুরুলিয়া জেলার পশ্চিম দিকে রয়েছে ওই নিম্নচাপ। ফলে আজ পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, ঝাড়গ্রাম ও দুই মেদিনীপুরের কিছু অংশে ৭০ থেকে ১১০ মিলিমিটার বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া দুই বর্ধমান ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার কিছু অংশেও হতে পারে ভারী বৃষ্টিপাত। আর বাকি জায়গায় বৃষ্টির পরিমান থাকবে হালকা থেকে মাঝারি।

এখনও পর্যন্ত হলদিয়ায় ২২০, মোহনপুরে ১৯০, মেদিনীপুর-খড়গপুর- কলাইকুন্ডায় ১৭০, ডায়মন্ডহারবার-সাগরদ্বীপে ১৫০, কাঁথিতে ১০০, আলিপুর-উলুবেড়িয়া-হাওড়ায় ৯০, ঝাড়গ্রাম-কাকদ্বীপে ৭০ এবং দমদম-সল্টলেকে ৫০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে।

এর আগে পূর্বাভাস মতোই খেল দেখায় আবহাওয়া। বুধবার সারাদিন হয় বৃষ্টি। বৃষ্টির জেরে সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা স্বাভাবিকের অনেকটাই নীচে নেমে এসেছে কলকাতার। বৃহস্পতিবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছে ২১.৭ মিলিমিটার। বুধবার রাত পর্যন্ত শহরে ৩৬.৭ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৫.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা অনেকটা কমে ২৭.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে ছয় ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৯১ শতাংশ।

বুধবার সকাল পর্যন্ত বৃষ্টি হয়েছিল ৭২ মিলিমিটার। বুধবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৪.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে দুই ডিগ্রি কম ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ২৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি কম। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৮০ শতাংশ।

মঙ্গলবার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিকের থেকে এক ডিগ্রি বেশি ছিল। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩২.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৬ ও সর্বনিম্ন ৭২ শতাংশ। সোমবার কলকাতার সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩২.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস, যা স্বাভাবিক। আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল সর্বোচ্চ ৯৮ ও সর্বনিম্ন ৭৫ শতাংশ। বৃষ্টি হয় ১২.৪ মিলিমিটার।

আকাশের কাছাকাছি বাবুল-মমতা ‘সঙ্গীতময়’ বৈঠক

babul supriyo had musical meeting with west bengal chief minister mamata

নিউজ ডেস্ক: নবান্নের ১৪ তলায় ‘আকাশের কাছাকাছি’ সদ্য তৃণমূলি বাবুল সুপ্রিয় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখোমুখি হলেন৷ রাজনৈতিক কথা বার্তা হলেও, এদিন বলিউড গায়ক-রাজনীতিবিদ বাবুল সুপ্রিয়ের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে কার্যত একটি “সঙ্গীত সভা” করেছেন।

বাবুল সুপ্রিয় গত সপ্তাহান্তে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন৷ তার দু’দিন বাদেই তৃণমূল সুপ্রিমোর সঙ্গে দেখা করলেন বাবুল৷ প্রাক্তন কেন্দ্রীয় পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী এবং জনপ্রিয় প্লেব্যাক গায়ক কলকাতায় বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, মুখ্যমন্ত্রী তাঁকে কাজ করতে এবং হৃদয় দিয়ে গান করতে বলেছেন।

সুপ্রিয় আরও বলেন, “আমি তাঁর সঙ্গে দেখা করতে পেরে খুব খুশি। যে স্নেহ এবং উষ্ণতা দিয়ে তিনি আমাকে তৃণমূল পরিবারে স্বাগত জানিয়েছেন …”

babul supriyo had musical meeting with west bengal chief minister mamata

“তিনি আমাকে বলেছেন তোমার সমস্ত হৃদয় দিয়ে কাজ করুন এবং তোমার সমস্ত হৃদয় দিয়ে গান করুন। তিনি বললেন, পূজার সময় হয়েছে, তুমি গান করো”

তিনি জানান, মমতাই দলে তাঁর ভূমিকা ঠিক করবেন৷ কারণ এটি তার বিশেষাধিকার এবং এ বিষয়ে তাঁর কিছু বলার নেই। শনিবার আসানসোলের সাংসদ বলেছিলেন, তিনি বিজেপির প্রতি হতাশ। বিজেপি ছাড়ার পিছনের কারণ সম্পর্কে কথা বলতে গিয়ে তিনি বলেছিলেন, তিনি অলস বসে থাকতে পছন্দ করেন না।

Fake News ছড়ানোয় শীর্ষে তেলেঙ্গানা, ছয়ে পশ্চিমবঙ্গ: NCRB Report

নিউজ ডেস্ক: ‘শোনা কথায় বিশ্বাস করবেন না। ভুয়ো খবর বা ‘Fake news’ সম্পর্কে সতর্ক থাকুন। গুজব ছড়াবেন না, ছড়াতে দেবেনও না।’ কয়েকবছর আগে থেকে এভাবেই প্রচার শুরু করেছিল রাজ্যের সরকার। সে সমস্ত উপদেশকে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে চলতি বছরে ভুয়ো খবর ছড়ানোর ঘটনায় দেশে ছয় নম্বরে উঠে এল পশ্চিমবঙ্গ।

আরও পড়ুন কাবুল এয়ারপোর্টের সুইসাইড-বোম্বার গ্রেফতার হয় দিল্লিতে: চাঞ্চল্যকর তথ্য ফাঁস

সম্প্রতি প্রকাশিত ন্যাশনাল ক্রাইম রেকর্ডস ব্যুরো-র পরিসংখ্যান থেকে জানা যাচ্ছে ২০২০ সালে দেশে ভুয়ো খবর এবং গুজব ছড়ানোর ঘটনা বৃদ্ধি পেয়েছে প্রায় ২১৪ শতাংশ। NCRB ২০১৮ সাল থেকে ভুয়ো খবর ছড়ানোড় পরিসংখ্যান প্রকাশ করছে। তিন বছরের মধ্যে ২০২০ সালেই ভুয়ো খবর ছড়ানোর ঘটনার বৃদ্ধির হার সর্বোচ্চ। ২০২০ সালে দেশে ভুয়ো খবরের সংখ্যাটি ১৫২৭। গোটা দেশেই অবিশ্বাস্যভাবে বেড়েছে ভুয়ো খবর ছড়ানোর সংখ্যা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তার নাম দিয়েছে ইনফোডেমিক বা ভ্রান্ত তথ্যের অতিমারি। বিশেষজ্ঞরা এর জন্য করোনা সংক্রমণ, লকডাউন এবং গত দেড় বছর ধরে অবিরাম ঘরে বসে ইন্টারনেট ব্যবহার করার ফল হিসেবে দেখলেও চিন্তার ভাঁজ পড়েছে অনেকের কপালেই।

কারণ, ভারতের মতো ‘সেক্যুলার’ দেশে ভুয়ো খবরের সঙ্গে সরাসরি সম্পর্কিত সাম্প্রদায়িকতা বা ‘মাইনরিটি ইস্যু’। গত বছর এপ্রিল মাসে তবলিগি জামাত-এর অনুষ্ঠানে মুসলমানদের জমায়েতকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক বিবৃতির ঘটনাই এই চিন্তার আসল কারণকে চোখে আঙ্গুল দিয়ে দেখিয়ে দেয়। তাতপর্যপূর্ণভাবে সেই ‘ভুয়ো খবর’ ছড়িয়েছিল খোদ সরকারের তরফ থেকেই।

ভারতের রাজ্যগুলির মধ্যে ভুয়ো খবরের সংখ্যার নিরিখে প্রথম স্থানে তেলেঙ্গানা। চলতি বছরে সে রাজ্যে মোট ২৭৩টি ভুয়ো খবর ছড়িয়েছে। তারপর আছে তামিলনাড়ু ও উত্তরপ্রদেশ। ভুয়ো খবর ছড়ানোর নিরিখে একেবারে শেষে রয়েছে নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, এবং অরুণাচল প্রদেশ। অন্যদিকে দিল্লি (৩০টি ভুয়ো খবর ছড়ানোর ঘটনা) এবং জম্মু ও কাশ্মীর (২১টি ঘটনা) বাদে দেশের কোনও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলেই ভুয়ো খবর ছড়ানোর কোনও ঘটনা ঘটেনি।

NEET বাতিলের দাবিতে আন্দোলনের পথে বাংলাপক্ষ

নিউজ ডেস্ক: NEET পরীক্ষার প্রশ্নপত্র হয় মূলত দিল্লী বোর্ডের সিলেবাস অনুযায়ী। অন্যদিকে বাংলার বেশিভাগ ছাত্রছাত্রী রাজ্য বোর্ডের স্কুলেই শিক্ষা লাভ করে। ফলে NEET-এর মাধ্যমে রাজ্য বোর্ডে শিক্ষালাভ করা ছাত্রছাত্রীদের ডাক্তারি পড়ার সুযোগ অনেক কমে যাচ্ছে। বাংলার ছাত্রছাত্রীদের স্বার্থ বিরোধী সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা মেডিকেল NEET বাতিলের দাবিতে চলতি সপ্তাহের শনিবার হাজরা মোড়ে পথসভার ডাক দেওয়া হয়েছে বাংলাপক্ষর তরফ থেকে। 

আরও পড়ুন মালদহের কলেজে চাকরিতে বাধ্যতামূলক হিন্দি, প্রতিবাদে পথে বাংলাপক্ষ

CBSE বোর্ডের সিলেবাস অনুযায়ী সিলেবাস হওয়ায় এর রাজ্যর বোর্ডের ছাত্রছাত্রীরা প্রবল সমস্যায় পড়ে। একই সঙ্গে প্রচুর অর্থ খরচ করে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে তাদের পরীক্ষার প্রস্তুতির জন্য ভর্তি হতে হয়। যা সাধারণ পরিবারের ছাত্রছাত্রীদের পক্ষে সম্ভব হয় না। প্রান্তিক পরিবারের ছাত্রছাত্রীরা NEET প্রবেশিকা পরীক্ষা চালু হওয়ার পর থেকে চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন দেখাই ছেড়ে দিয়েছে। তাদের হয়েই পথে নামা হবে বলে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে সংগঠনের পক্ষ থেকে। কয়েকদিন আগেই বাংলাপক্ষের আন্দোলনের পরে বাংলা ভাষায় পরীক্ষা বাধ্যতামূলক হয়েছে WBSEDCL-এ। একইভাবে এবারও তাদের আন্দোলন সফল হবে বলে আশা বাংলাপক্ষের সদস্যদের।

সংগঠনের পক্ষ থেকে আরও জানানো হয়েছে যে রাজ্য বোর্ডের ছাত্রছাত্রীদের সমস্যা বেড়ে যাওয়ায় জেলা থেকে চিকিৎসক হওয়ার সংখ্যা ক্রমশ কমে যাচ্ছে। তার ফলে আগামী দিনে জেলার হাসপাতালে চিকিৎসক পাওয়ার তীব্র সংকট তৈরি হবে। এছাড়াও রাজ্য বোর্ডের ছাত্রছাত্রীদের ডাক্তারি পরার সুযোগ কমের আরেকটি কারণ পশ্চিমবঙ্গে ডাক্তারিতে ভর্তির ক্ষেত্রে ডোমেসাইল-বি নীতি। এর ফলে যে কেউ খুব সহজে তার অভিভাবকরা পশ্চিমবঙ্গে কর্মসূত্রে বসবাস করছেন এমন সার্টিফিকেট নিয়ে এসে ভর্তি হয়ে যান। কিন্তু অন্য রাজ্যে ডোমেসাইল-বি নীতি চালু না থাকার ফলে সেইসব রাজ্যের বাংলার ছেলেমেয়েরা ডাক্তারিতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পায় না। ফলে রাজ্যের মেডিকেল কলেজে ডাক্তারিতে সুযোগ পাওয়ার ক্ষেত্রে ডোমেসাইল-বি নীতি বাতিল করার দাবিও তোলা হবে।

প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই তামিলনাড়ু সরকার সেই রাজ্যে মেডিকেল NEET বাতিল করার জন্য বিধানসভায় বিল পাস করেছে। অন্য কিছু রাজ্যও এই নিয়ে ভাবনা চিন্তা করছে। 

রাজ্য জুড়ে জ্বরের প্রকোপ, শত শত শিশু আক্রান্ত

Unknown fever in bengal

নিউজ ডেস্ক: উত্তর থেকে দক্ষিণে হু হু করে ছড়িয়েছে জ্বর (Unknown fever)। শত শত শিশু আক্রান্ত। জলপাইগুড়ি ও পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুর জুড়ে আতঙ্ক। এর সঙ্গে মালদহে প্রায় দুশো শিশু এই জ্বরে আক্রান্ত। কলকাতা সহ হুগলি, উত্তর ২৪ পরগনাতেও ভয় ছড়াচ্ছে।

পরিস্থিতি যে হাতের বাইরে যাচ্ছে তা প্রকাশ্যে স্বীকার না করলেও রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরেও কর্মকর্তারা উদ্বেগে। কারণ, এই জ্বরের কিছু লক্ষ্ণণ করোনাভাইরাস সংক্রমণের মতো। তবে স্বাস্থ্য দফতর এখনই করোনা মানতে নারাজ। গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়ে এমনিতেই করোনা সংক্রমণ আসন্ন শারোদতসবের মুখে আবারও চাগাড় দিতে পারে এমন আশঙ্কা প্রবল।

জলপাইগুড়ি, দার্জিলিং, কোচবিহার, উত্তর দিনাজপুর,মালদহ ছাড়িয়ে দক্ষিণবঙ্গের পুরুলিয়া, পশ্চিম বর্ধমান, হুগলিতে জ্বর সংক্রমিত শিশুদের নি়য়ে অভিভাবকরা বিনিদ্র রাত জাগছেন। অভিযোগ, জেলা ও মহকুমা হাসপাতালের পরিকাঠামো নেই তেমন। একেকটি বেডে তিন চার জন শিশু ও তার মা থাকছেন।

অজানা জ্বরে কারোর মৃত্যু হয়নি বলে দাবি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়েরও। ইনফ্লুয়েঞ্জা বি ও আরএস ভাইরাসের জন্যই এই জ্বর হচ্ছে শিশুদের।এই জ্বরের মধ্যে অজানা কিছু নেই বলেই দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী। স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণ স্বরূপ নিগম বলেন, যাদের মৃত্যু হয়েছে তাদের অন্য রোগ ছিল। বৃহস্পতিবার এসএসকেএম স্বাস্থ্য পরিকাঠামো নিয়ে বৈঠক শেষে এমনটাই দাবি করেন তিনি।

বিরোধী নেতা শুভেন্দু অধিকারীর অভিযোগ, সরকার উপনির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত। তাঁর অভিযোগ, প্রশাসন এই জ্বর সংক্রমণ ও হাসপাতালের পরিকাঠামো নিয়ে উদাসীন।

অজানা জ্বরে উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী, জেলার হাসপাতালগুলিতে বাড়তে পারে বেডসংখ্যা

নিউজ ডেস্ক: উত্তরবঙ্গ ছাড়িয়ে এবার জলপাইগুড়ির অজানা জ্বরের গতি দক্ষিণবঙ্গে। পশ্চিম বর্ধমানের দুর্গাপুরে কমপক্ষে ৪২ জন শিশু আক্রান্ত। তাদের চিকিৎসা চলছে দুর্গাপুর মহকুমা হাসপাতালে। হাসপাতালের সুপার ধীমান মন্ডল জানিয়েছেন, শিশুদের ওয়ার্ডে মোট ৫৫ টি বেডের মধ্যে ৪২ টি ভর্তি। জ্বরে আক্রান্ত শিশুদের সর্দি, কাশি, জ্বর ও শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যা রয়েছে।

গত এক সপ্তাহ ধরে এই সংক্রামক অজানা জ্বর জলপাইগুড়িতে হামলা করছে। চিকিৎসকরা থই পাচ্ছেন না। উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে শতাধিক শিশু চিকিৎসাধীন। অনেকের শ্বাসকষ্ট উপসর্গ আছে। ফলে করোনার কিছু লক্ষণের সঙ্গে মিল থাকলেও এটি করোনা সংক্রমণ নয় বলেই জানাচ্ছেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা।

শিশুদের মধ্যে অজানা জ্বর ছড়িয়ে পড়ার কারণ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় স্বাস্থ্য দফতরের কাছে খোঁজখবর নিয়েছেন। মুখ্যমন্ত্রী বিশেষ বৈঠকে স্বাস্থ্যসচিব সহ উপস্থিত স্বাস্থ্যকর্তাদের কাছে এই বিষয়ে জানতে চান। জ্বরের কারণ ইতিমধ্যে চিহ্নিত হয়েছে। আতঙ্কের কোনও কারণ নেই বলে স্বাস্থ্যকর্তারা মুখ্যমন্ত্রীকে আশ্বস্ত করেছেন। অজানা জ্বরের আতঙ্ক ছাড়াও স্বাস্থ্যপরিকাঠামো উন্নয়ন নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী। হাসপাতালগুলির বেড বাড়ানো, মেডিকেল কলেজে আসন সংখ্যা বাড়ানো মতো বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

অজানা জ্বরের প্রভাবে জেলায় জেলায় কাবু হয়ে পড়ছে শতাধিক শিশু। জলপাইগুড়ি ছাড়িয়ে কোচবিহার ও শিলিগুড়িতেও শিশুরা এই অজানা জ্বরের কবলে। কলকাতাতেও বাড়তে শুরু করেছে জ্বরাক্রান্তদের সংখ্যা। এই ঘটনার জন্য রাজ্য সরকারকেই দায়ী করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি টুইট করে লেখেন, “ভবানীপুরের ভোট নিয়ে ব্যস্ত রাজ্য সরকার। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানাচ্ছি, বাংলার স্বাস্থ্য পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণে প্রতিনিধি দল পাঠান।” রাজ্য স্বাস্থ্য বিধি খতিয়ে দেখতে তিনি কেন্দ্রীয় প্রশাসনেরও সাহায্য চান।

করোনা এখনও যায়নি। সংক্রমণ কমলেও আছে চারপাশেই। আসন্ন শারদোৎসবের আগে করোনার দোসর হয়ে এসেছে এক অজানা জ্বর। চিকিৎসকদের একাংশের অভিযোগ, করোনা পরিস্থিতিতে উপনির্বাচন নিয়ে রাজ্য সরকার যতটা চিন্তিত, তার কণামাত্র নেই অজানা জ্বরের প্রকোপ নিয়ে। 

উপনির্বাচনের প্রেস্টিজ ফাইট সামলাতে রাজ্যে আসছে ১৫ কোম্পানি বাহিনী

নিউজ ডেস্ক: আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুর কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। একই সময়ে নির্বাচন ও ভোট গণনা হবে রাজ্যের আরো দুই আসন সমশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরে। ভবানীপুর-সহ বাকি ৭টি বিধানসভা আসনে ভোট করানোর দাবিতে বার বার কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের দাবি ছিল, রাজ্যো করোনা সংক্রমণ অনেকটাই কম। তাই ভোট করানো যেতে পারে।

আসন্ন পশ্চিমবঙ্গের উপনির্বাচনের আগে, ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রসহ তিন আসনে সময় কেন্দ্রীয় বাহিনীর প্রায় ১৫ টি কোম্পানি মোতায়েন করা হবে বলে জানা গিয়েছে নির্বাচন কমিশন সূত্রে। নির্বাচন কমিশন সূত্র জানিয়েছে যে ৩০ সেপ্টেম্বর ভবানীপুর উপনির্বাচনের দিন বাহিনী মোতায়েন করা হবে। তারপরে পশ্চিমবঙ্গের সমশেরগঞ্জ এবং জঙ্গিপুরের ভোটে সেই বাহিনী চলে যাবে।

Dilip Ghosh and mamata banerjee

আসন্ন বাংলার উপনির্বাচনে সংঘর্ষের পূর্বাভাসও দেওয়া হয়েছে বিভিন্ন জায়গা থেকে। এর আগে নন্দীগ্রামে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে ২ হাজারেরও কম ভোটে হেরে যান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। ফলে মুখ্যমন্ত্রীর পদে থাকতে হলে, নিয়ম মতো ছ’মাসের মধ্যে কোনও একটি কেন্দ্র থেকে জিতে আসতে হবে তাঁকে। উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গেরুয়া শিবিরের প্রার্থী হচ্ছেন প্রিয়াঙ্কা টিবরেওয়াল। এই প্রেস্টিজ ফাইট সামাল দিতেই মরিয়া নির্বাচন কমিশন। অন্যদিকে তৃণমূল মোট ২১৩ টি সিট পেয়ে ক্ষমতায় এসেছিল বিধানসভা নির্বাচনে। তারপরেও ভারতীয় জনতা পার্টি থেকে প্রায় ছ’জন বিধায়ক যোগ দিয়েছেন রাজ্যের শাসকদলে। সেই সংখ্যাটাও আরও বাড়তে পারে। এবার উপনির্বাচনে সেই আসন সংখ্যা আরও বাড়ানোর সুযোগ এসেছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলের কাছে।

আরও পড়ুন নন্দীগ্রামের পর এবার ভবানীপুর, মমতার মনোনয়ন বাতিলের দাবি বিজেপির

চার কোম্পানি বিএসএফ, দুই কোম্পানি এসএসবি এবং সেন্ট্রাল রিজার্ভ পুলিশ ফোর্স (সিআরপিএফ) থেকে আইটিবিপি এবং সিআইএসএফ -এর প্রতিটিকে মোতায়েন করা হবে। ইতিমধ্যে, বিজেপি নির্বাচন কমিশনে একটি স্মারকলিপি দিয়েছে। যাতে বলা হয়েছে যে সামরিক বাহিনী যথাযথ আধিপত্যের জন্য এলাকায় যেতে হবে, নয়তো গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়াটাই শাসকদলের স্থানীয় পুলিশ দ্বারা পরিচালিত হবে যারা রাজ্য সরকার অনুযায়ী কাজ করবে। 

স্বাস্থ্যখাতে পশ্চিমবঙ্গের জন্য বিশাল অঙ্কের টাকা বরাদ্দ কেন্দ্রের

Narendra-Modi

অনুভব খাসনবীশ: কেন্দ্রের চলতি বছরের বাজেটে আগামী অর্থবর্ষে (২০২১-২২)-এর জন্য ২,২৩,৮৪৬ কোটি বরাদ্দ করা হয়েছে স্বাস্থ্য খাতে। যার মধ্যে কেবল টিকাকরণের কাজে ৩৫ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে সরকার। অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারামনের এই ঘোষণার পরেই স্বাস্থ্য ক্ষেত্রের জন্য সেরা বাজেট বলে মন্তব্য করেছিলেন প্রতিষেধক নির্মাতা সিরাম ইনস্টিটিউটের কর্ণধার আদর পুণেওয়ালা। পাশাপাশি ‘প্রধানমন্ত্রী আত্মনির্ভর স্বাস্থ্যভারত যোজনা’ নামে একটি নতুন প্রকল্পের ঘোষণা করেছিলেন অর্থমন্ত্রী। ওই প্রকল্পে আগামী ছয় বছরে ৬৪,১৮০ কোটি টাকা অর্থাৎ বছরে ১০,৭০০ কোটি টাকা সরকার ওই প্রকল্পে দিতে চলেছে।

আরও পড়ুন কেন্দ্র চায় অতিমারিকালে স্কুল চালু নিয়ে সিদ্ধান্ত নিক রাজ্যগুলি

এবার স্বাস্হ্য খাতে পশ্চিমবঙ্গকে প্রায় ৪৪০২ কোটি টাকার প্যাকেজ বরাদ্দ হচ্ছে। এর মধ্যে ৬৩ শতাংশ অর্থ গ্রামীণ স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়নে খরচ করা হবে। বাকি ৩৭ শতাংশ অর্থাৎ ১ হাজার ৬৭০ কোটি টাকা শহরাঞ্চলের স্বাস্থ্য পরিকাঠামোর উন্নয়নে খরচ করতে হবে। গড়ে তোলা হবে প্রায় ১,৩০০ ‘সুস্বাস্থ্য কেন্দ্র’। সংশ্লিষ্ট জেলাশাসক ও বিডিওদের তত্ত্বাবধানে সরকারি জমিতে নতুন করে স্বাস্থ্যকেন্দ্রগুলি গড়ে তোলা হবে। জেলা থেকে সুস্বাস্থ্য কেন্দ্রে অক্সিজেন সিলিন্ডার বা মেডিক্যাল অক্সিজেন সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। স্বয়ংক্রিয় অক্সিজেন উৎপাদক প্ল্যান্ট তৈরির জন্যও বরাদ্দ হচ্ছে টাকা।

Narendra Modi
চলতি বিধানসভা নির্বাচনে ভারতীয় জনতা পার্টির হয়ে কসবা থেকে ভোটে লড়েছিলেন ডঃ ইন্দ্রনীল খাঁ। তিনিই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেছেন এই ছবিটি।

এছাড়া পাঁচটি ১০০ শয্যার নতুন হাসপাতাল তৈরি হবে। কোচবিহার, জলপাইগুড়ি ও আরও দু’টি জেলায় তৈরি হবে এই হাসপাতাল। কল্যাণীর জিনোম সিকোয়েন্স ল্যাবরেটরির মতো একটি অত্যাধুনিক পরীক্ষাগার গড়ে তোলা হবে। প্রাথমিক সিদ্ধান্ত কলকাতার স্কুল অফ ট্রপিক্যাল মেডিসিনে এই ল্যাবরেটরি তৈরি হবে। এর আগে চলতি অর্থবর্ষে রাজ্যের বাজেটে পুরো স্বাস্থ্যে বরাদ্দ করা হয়েছে প্রায় ১২,০০০ কোটি টাকা! যা রাজ্যের জাতীয় মোট উৎপাদনের (জিডিপি) ০.৯ শতাংশ। ‘স্বাস্থ্যসাথী’ প্রকল্পের মাধ্যমে ১০ কোটি মানুষের জন্য দু’কোটি পরিবারকে বছরে ৫ লাখ টাকা করে স্বাস্থ্য বিমা দেওয়ার কথাও নির্বাচনের প্রাক্কালে ঘোষণা করেছিল সরকার।

সংবাদপত্র ক্ষমা চাইলেও কমছে না বিতর্ক, যোগীর বিজ্ঞাপনকান্ডে এবার RTI করল তৃণমূল

yogi adityanaths advertisement

নিউজ ডেস্ক: পরের বছরই উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন। যোগী ম্যাজিকে আবার ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখছে ভারতীয় জনতা পার্টি। তার আগেই বিতর্কে জড়িয়েছে যোগী আদিত্যনাথের সরকার। যোগী আদিত্যনাথের উন্নয়নের বিজ্ঞাপনে দিতে গিয়েই কেলেঙ্কারি। সংবাদপত্রে দেওয়া ওই বিজ্ঞাপনে কলকাতার মা উড়ালপুলের ছবি ব্যবহার করে বিতর্কে জড়িয়েছিল যোগী সরকার।

আরও পড়ুন নাম পরিবর্তনের পথে যোগী রাজ্যের তৃতীয় জেলা, সুলতানপুর হচ্ছে কুশভবনপুর

যদিও বিভিন্ন মহল থেকেই বলা হচ্ছিল যে সংবাদপত্র গুলির ক্ষেত্রে এই ধরনের বিজ্ঞাপন বেসরকারি সংস্থা বা তাদের নিজস্ব বিভাগই বানিয়ে থাকে। ফলে তাদের ভুলেই ঘটেছে এই কান্ড। যোগী সরকারের তরফে পশ্চিমবঙ্গের কোনও ছবি দেওয়া হয়নি বলেও মনে করা হচ্ছে। ভারতীয় জনতা পার্টির পশ্চিমবঙ্গের মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যও বলেন, ‘‘ওই সংবাদপত্র বা বিজ্ঞাপন সংস্থা ভুল করে এটা করেছে।’’ ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের পক্ষ থেকেও টুইট করে জানানো হয়েছে, ‘উত্তরপ্রদেশ নিয়ে বিজ্ঞাপনের কভারে আমাদের সংবাদপত্রের মার্কেটিং বিভাগ একটি ভুল ছবি ব্যবহার করেছে। সংবাদপত্রের সব ডিজিটাল মাধ্যম থেকে ওই ছবি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’

কিন্তু তাতেও বিতর্ক থামছে কই? ছবি ভাইরাল হওয়ার পরেই উত্তরপ্রদেশ সরকারকে একে একে তোপ দাগতে শুরু করেছিলেন তৃণমূল নেতারা। টুইট করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও লেখেন, ‘যোগীর কাছে উত্তরপ্রদেশের পরিবর্তন মানে বাংলার পরিকাঠামোর ছবি চুরি করা।’ এবার যোগীর বিজ্ঞাপন বিতর্কে RTI দায়ের করলেন তৃণমূলের ‌নেতা সাকেত গোখলে। উত্তরপ্রদেশ সরকারের কাছে তিনি জানতে চেয়েছেন, ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসে প্রকাশিত ওই ‌বিজ্ঞাপনের অনুমোদন কে দিয়েছিল? চুক্তির প্রতিলিপি এবং বিজ্ঞাপন সংক্রান্ত সমস্ত ছবি চাওয়া হয়েছে উত্তরপ্রদেশ সরকারের কাছ থেকে।’‌

বিজ্ঞাপনের ওই ছবি যে কলকাতার, তা উড়ালপুলের পাশের একটি হোটেলের ছবি থেকেও স্পষ্ট। শুধু তাই নয়, উড়ালপুলের উপর চলছে কলকাতার অন্যতম পরিচয় হলুদ ট্যাক্সিও। যা উত্তরপ্রদেশে দেখা যায় না। দেশের জনপ্রিয় সংবাদ প্রতিষ্ঠান ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ এর ডিজিটাল এবং প্রিন্ট, দুই মাধ্যমেই ওই ছবি প্রকাশ্যে আসার পর সমালোচনার ঝড় উঠেছিল নেট মাধ্যমে। অনেকেই দাবি করেছেন, বেসরকারি সংস্থা কিংবা সংবাদপত্রের বিজ্ঞাপন এবং মার্কেটিং বিভাগ বিজ্ঞাপন তৈরি করলেও ক্লায়েন্টের গ্রীণ সিগনাল ছাড়া তা প্রকাশিত হয় না। ফলে এই ঘটনায় খানিকটা হলেও যোগী সরকারের দায় থেকেই যায়। এর আগেও বাংলার বিভিন্ন ছবি ব্যবহার করে অন্য রাজ্যের ভোটের প্রচারে কাজে লাগিয়েছে বিজেপি, সেকথাও মনে করিয়ে দিয়েছেন অনেকে।

যোগী সরকার নয়, উত্তরপ্রদেশ উন্নয়নে ভুল করে ‘মা’ উড়ালপুল জুড়েছিল জনপ্রিয় সংবাদপত্র

yogi adityanaths advertisement

নিউজ ডেস্ক: পরের বছরই উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচন। যোগী ম্যাজিকে আবার ক্ষমতায় আসার স্বপ্ন দেখছে ভারতীয় জনতা পার্টি। তার আগেই বিতর্কে জড়াল যোগী আদিত্যনাথের সরকার। যোগী আদিত্যনাথের উন্নয়নের বিজ্ঞাপনে দিতে গিয়েই কেলেঙ্কারি। সংবাদপত্রে দেওয়া ওই বিজ্ঞাপনে কলকাতার মা উড়ালপুলের ছবি ব্যবহার করল যোগী সরকার।

আরও পড়ুন মমতার বিরুদ্ধে লড়বেন, চিনে নিন পদ্মপ্রার্থী প্রিয়ঙ্কা টিবরেওয়াল


আরও পড়ুন মমতাও হেরেছেন বলেই আবার ভোটে লড়ছেন, এন্টালিতে প্রিয়ঙ্কার হার প্রসঙ্গে তৃণমূলকে কটাক্ষ তথাগতর

বিজ্ঞাপনের ওই ছবি যে কলকাতার, তা উড়ালপুলের পাশের একটি হোটেলের ছবি থেকেও স্পষ্ট। শুধু তাই নয়, উড়ালপুলের উপর চলছে কলকাতার অন্যতম পরিচয় হলুদ ট্যাক্সিও। যা উত্তরপ্রদেশে দেখা যায় না। দেশের জনপ্রিয় সংবাদ প্রতিষ্ঠান ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’ এর ডিজিটাল এবং প্রিন্ট, দুই মাধ্যমেই ওই ছবি প্রকাশ্যে আসার পর সমালোচনার ঝড় উঠেছিল নেট মাধ্যমে।  টুইট করে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ও লেখেন, ‘যোগীর কাছে উত্তরপ্রদেশের পরিবর্তন মানে বাংলার পরিকাঠামোর ছবি চুরি করা।’

যদিও বিভিন্ন মহল থেকেই বলা হচ্ছিল যে সংবাদপত্র গুলির ক্ষেত্রে এই ধরনের বিজ্ঞাপন বেসরকারি সংস্থা বা তাদের নিজস্ব বিভাগই বানিয়ে থাকে। ফলে তাদের ভুলেই ঘটেছে এই কান্ড। যোগী সরকারের তরফে পশ্চিমবঙ্গের কোনও ছবি দেওয়া হয়নি বলেও মনে করা হচ্ছে। ভারতীয় জনতা পার্টির পশ্চিমবঙ্গের মুখপাত্র শমীক ভট্টাচার্যও বলেন, ‘‘ওই সংবাদপত্র বা বিজ্ঞাপন সংস্থা ভুল করে এটা করেছে।’’ এবার এই ঘটনার জন্য দায় স্বীকার করল জনপ্রিয় সংবাদপত্র ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’। তারা জানিয়েছে, তাদের মার্কেটিং বিভাগের ভুলেই এই বিজ্ঞাপন প্রচারিত হয়েছে। এই ঘটনার জন্য ক্ষমা চেয়ে টুইট করেছে তারা।

ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের পক্ষ থেকে টুইট করে জানানো হয়েছে, ‘উত্তরপ্রদেশ নিয়ে বিজ্ঞাপনের কভারে আমাদের সংবাদপত্রের মার্কেটিং বিভাগ একটি ভুল ছবি ব্যবহার করেছে। সংবাদপত্রের সব ডিজিটাল মাধ্যম থেকে ওই ছবি সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।’