Gangasagar: করোনা আক্রান্ত পূণ্যার্থীরা, সংক্রান্তির আগেই মেলা বন্ধের দাবি

Gangasagar: Corona-affected pilgrims demand closure of fair before Sankranti

গঙ্গাসাগর (Gangasagar) মেলা শুরুর মুখেই করোনার প্রকোপ বাড়ছে। আক্রান্ত হচ্ছেন একের পর এক তীর্থযাত্রী। জানা গিয়েছে, বাবুঘাট ট্রানজিট ক্যাম্প ও শিয়ালদহ শিবিরের মোট ৩১ জনের শরীরে করোনা ভাইরাসের হদিশ মিলেছে। এই সংখ্যাটা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। কিন্তু তীর্থযাত্রীদের মধ্য করোনা সংক্রমণ বাড়তেই মেলা বন্ধ করার পক্ষে প্রশ্ন তুলছে ওয়াকিবহাল মহল।

প্রশ্ন উঠছে, সংক্রমণ বাড়লেও রাজ্য কেন মেলা বন্ধ করতে চাইছেনা? মেলায় সংক্রমণ বাড়লে ফল ভুগতে হবে গোটা রাজ্যকেই। কেন সকলের জীবনকে বিপদের মুখে ফেলা হবে?

কলকাতা হাইকোর্ট শর্তসাপেক্ষে গঙ্গাসাগর মেলা করার অনুমতি দিয়েছে। তবুও সংক্রমণে রাশ‌‌ টানা যাচ্ছেনা। চিকিৎসক মহলের মতে, করোনা বিধি মেনে মেলা করলেও সংক্রমণ আটকানো সম্ভব নয়। গঙ্গাসাগর মেলা ‘সুপার স্প্রেডার’ হয়ে উঠতে পারে বলে আশঙ্কা জানিয়েছেন তাঁরা।

আরও পড়ুন: Covid 19: জগন্নাথ মন্দির বন্ধ কিন্তু গঙ্গাসাগর খোলা, মমতার লক্ষ্য হিন্দিভাষী ‘সহানুভূতি’ ভোট?

গত শুক্রবার হাইকোর্টের অনুমতি মেলে। ওইদিনই বাবুঘাট ট্রানজিট ক্যাম্পের ২ জন করোনা আক্রান্ত হন। গঙ্গাসাগর মেলার পরিস্থিতিতে নজর রাখার জন্য তিন কমিটির সদস্য তৈরি করার নির্দেশ দিয়েছে আদালত। ওয়াকিবহাল মহলের মতে, মেলায় সংক্রমণ বাড়লে কমিটিকেই তীব্র প্রশ্নের মুখে পড়তে হবে।’

স্বাস্থ্য দফতরের শনিবারের বুলেটিন অনুযায়ী, রাজ্যে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা ১৮,৮০২। পজিটিভিটি রেট ২৯.৬০ শতাংশ। দৈনিক মৃতের সংখ্যা ১৯ এবং মৃত্যুহার ১.১৯ শতাংশ।

BJP: এবার Whatsapp বিদ্রোহী শঙ্কু, গুঞ্জন তৃণমূলে ফিরছেন

BJP

আরও একজন লেফট্ করলেন বিজেপির  (BJP) হোয়াইটস্যাপ গ্রুপ। রবিবাসরীয় দুপুরে মিলেছে এই খবর। শঙ্কুদেব পন্ডা বেসুরো। আগে তিনি ছিলেন তৃণমূলে। দল বদলে এসেছিলেন বিজেপি।

বিধানসভা ভোটে পরাজয়ের পর থেকে বইতে শুরু করেছিল উল্টো হাওয়া। তৃণমূল ছেড়ে যারা বিজেপিতে গিয়েছিলেন, তাঁদের অনেকেই পুরনো দলে ফেরার ইচ্ছা প্রকাশ করেছিলেন প্রকাশ্যে। কেউ কেউ ফিরেছেন ইতিমধ্যে। কিন্তু তৃণমূলের দল ভারী হওয়া এখনও বাকি বলে মনে করছেন অনেকেই। সেই সম্ভাবনাকে উস্কে দিয়ে রবিবার বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়লেন শঙ্কুদেব পন্ডা। এই নিয়ে বিজেপির অন্দরে সম্প্রতি তিনজন হলেন হোয়াটসঅ্যাপ বিদ্রোহী।

শঙ্কুদেবের আগে গ্রুপ ছেড়েছিলেন শান্তনু ঠাকুর এবং হিরণ চট্টোপাধ্যায়। যার মধ্যে শান্তনুর অন্য সুর যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ। মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে বিজেপি বিরোধী হাওয়া। নাগরিকত্ব সংশোধনী আইন নিয়ে অনেক কথা বলেছিলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন মতুয়াদের। কিন্তু তা পূরণ হয়নি এখনও। আদৌ পূরণ হবে কি না সে ব্যাপারে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে সম্প্রদায়ের মধ্যে। শাহী প্রতিশ্রুতির প্রতি আর আস্থা রাখতে পারছেন না মতুয়ারা।

অপর গ্রুপ-ত্যাগী হিরণ চট্টোপাধ্যায়কেও দলের পক্ষ থেকে দেওয়া হয়েছিল গুরুত্ব৷ দিলীপ ঘোষের এলাকা বলে পরিচিত খড়গপুরের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল হিরণে কাঁধে। দায়িত্ব পালনও করেছিলেন সেই সময়। ফলপ্রকাশের পর থেকেই আবহাওয়া কেমন যেন গুমোট৷ জানুয়ারির শীতে ঘাম জমছে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বের কপালে।

Mamata Banerjee : করোনা আক্রান্তদের ঝুড়ি ভর্তি সুস্থতার বার্তা পাঠাচ্ছেন মমতা

Mamata Banerjee

অভিনব উদ্যোগ শুরু করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। রাজ্যজুড়ে করোনা আক্রান্তদের পাশে দাঁড়াচ্ছে নবান্ন। পাঠানো হচ্ছে উপহার। সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বার্তা।

করোনা (Covid19)  আক্রান্তদের সুস্থতা কামনায় প্রস্তুত করা হয়েছে ফলের ঝুড়ি। ফলের সঙ্গে থাকছে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, ‘গেট ওয়েল শুন’। অর্থাৎ, সুস্থ হয়ে উঠুন তাড়াতাড়ি। ইতিমধ্যে এমন ১০,০০০ ফলের ঝুড়ি প্রস্তুত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে সংবাদমাধ্যম সূত্রে। প্রাথমিকভাবে শহর কলকাতা রমধ্যে নেওয়া হয়েছে এই উদ্যোগ। গুরু দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্থানীয় প্রশাসনের ওপর। উপহার যাতে সঠিক প্রাপকের হাতে পৌঁছায়, সে ব্যাপারে তদারকি করতে হবে কাউন্সিলরদের।

জানা গিয়েছে, করোনা আক্রান্তদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে দেওয়া হবে উপহার। যেখানে আক্রান্তের সংখ্যা বেশি, সেখানে প্রবেশ করবেন না প্রশাসনের প্রতিনিধিরা। বাড়ি কিংবা অ্যাপার্টমেন্টের গেটের বাইরে রেখে আসবেন ফলের ঝুড়ি। উপহার পৌঁছে দেওয়ার পর ফোন করে তাঁরা জানাবেন প্রাপকদের। প্রাথমিক স্তরে এভাবেই নেওয়া হচ্ছে উদ্যোগ।

বৃহস্পতিবার পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছিলেন, এখনও পর্যন্ত ২ হাজার ৭৫ জন করোনা আক্রান্ত রোগীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বর্তমানে মোট ৪০৩ টি কনটেনমেন্ট জোন রয়েছে রাজ্যে। পজিটিভি রেট ২৩.১৭ শতাংশ, মৃত্যুর হার ১.১৮ শতাংশ এবং ১৯ হাজার ৫১৭ টি বেড এখনও খালি রয়েছে। আন্তঃরাজ্য যাতায়াতের জন্য আবশ্যক করে দেওয়া হয়েছে আরটি-পিসিআর টেস্ট। ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে আগামী ১৫ দিন। প্রয়োজনে আরও বাড়তে আরে বিধিনিষেধ। আভাস দিয়ে রেখেছেন মমতা।

 

Gangasagar : শুরু হচ্ছে গঙ্গাসাগর মেলা, সংক্রমণ-বিস্ফোরণের আশঙ্কা!

Gangasagar

শুরু হচ্ছে গঙ্গাসাগর (Gangasagar) মেলা। শর্তসাপেক্ষে মেলা করার পক্ষে রায় দিয়েছে কলকাতা হাইকোর্ট। রাজ্য সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে নোনা হলে করোনা ছড়ায় না। তবুও তাতে নিশ্চিত হতে পারছেন না বিশেষজ্ঞরা। সংক্রমণের আশঙ্কা থেকেই যাচ্ছে। জমায়েত এড়ানোর জন্য প্রশাসনের পক্ষ থেকে কী পদক্ষেপ নেওয়া হয় এখন সেটাই দেখার।

ওমিক্রন আতঙ্কের মধ্যে এবার গঙ্গাসাগর মেলায় আয়োজনের ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টে চলেছে মামলা। আদালতে রাজ্য সরকারের আইনজীবীর যুক্তি- নোনা জলে করোনা ছড়ায় না। নোনা জলে করোনা প্রসঙ্গে বিজ্ঞানের কী যুক্তি? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘হু’- জানিয়েছে, জলের করোনা ছড়ায় এমন প্রমাণ আপাতত মেলেনি। সাঁতার কাটার মতো কাজও নিরাপদে চলতে পারে।

তবে বিপত্তি হতে পারে অল্প জায়গায় একাধিক ব্যক্তি উপস্থিতি। জলে থাকলেও শারীরিক দুরত্ব মেনে চলার ব্যাপারে সজাগ থাকতে বলেছে হু। এমনকি কাশি, হাঁচি ইত্যাদি ক্ষেত্রে কনুই দিয়ে মুখ ঢাকা দেওয়ার উপদেশ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এর পক্ষ থেকে মিষ্টি জল কিংবা নোনা জলের কথা আলাদাভাবে বলা হয়নি৷ বলা হয়েছে জলে করোনা ছড়ায় এমন প্রমাণ মেলেনি। অর্থাৎ আইনজীবীর ‘নোনা জল’ যুক্তি ফেলে দেওয়ার মতো নয়। সমস্যাটা জমায়েত নিয়ে।

গত বছরের কুম্ভেমেলার স্মৃতি এখনও টাটকা। করোনা সংক্রমণের ক্ষেত্রে এই মেলা সুপারস্প্রেডারের কাজ করেছিল বলে মনে করছেন অনেকে। এ রাজ্যেও কি হতে চলেছে তেমন কিছু? জমায়েত বা ভিড় এড়ানোর জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। কিন্তু অগুনতি পূণ্যার্থীদের প্রশাসন কীভাবে সামলাবে, তা ভেবেই ঘুম উড়েছে অনেকের।

ওমিক্রম নিয়ে দুশ্চিন্তার কারণ নেই বলে জানিয়েছেন রাজনৈতিক  একাংশ৷ কিন্তু বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, সজাগ হোন, সাবধানে থাকুন। করোনা হামলায় সোমবার থেকে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে পুরীর মন্দির৷ রাজ্যেও উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে করোনা সংক্রান্ত পরিসংখ্যান। অনেক প্রশ্ন, আশঙ্কা নিয়েই শুরু হচ্ছে এবারের গঙ্গাসাগর মেলা।

‘টেগোর টপ’-এ তৈরি হচ্ছে দ্বিতীয় বিশ্বভারতী, জুলাই থেকেই শুরু পঠন-পাঠন

The second Visva-Bharati is being made in 'Tagore Top', reading has started from July

পশ্চিমবঙ্গ তথা দেশের মধ্যে অন্যতম বিখ্যাত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বিশ্বভারতী বিশ্ব বিদ্যালয়। রাজ্যের অন্যতম পরিচিতি এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। এবার বাংলার বাইরেও গড়ে উঠবে বিশ্বভারতী।

সূত্রের খবর, উত্তরাখণ্ড সরকার প্রায় ৪৫ একর জমি দিচ্ছে বিশ্বভারতীর দ্বিতীয় ক্যাম্পাস নির্মাণ করার জন্য। এমনকি চলতি বছরের জুলাই থেকেই পঠন পাঠন শুরু হয়ে যাবে।

বিশ্বভারতী কর্তৃপক্ষের তরফে ক্যাম্পাস তৈরি করার জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে ১৫০ কোটি টাকার অনুদান চাওয়া হয়েছে। তার মধ্যে ১২৫ কোটি টাকা ক্যাম্পাস নির্মাণে খরচ হবে। কিছুদিনের মধ্যেই এই অনুদান চলে আসবে। ২০১৯ সালে দ্বিতীয় ক্যাম্পাস তৈরি করার উদ্যোগ নেয় কর্তৃপক্ষ। অবশেষে সরকারি জমির অনুমোদন পাওয়া গেল। উত্তরাখণ্ডের নৈনিতালের রামগড় গ্রামে নতুন ক্যাম্পাস তৈরির জন্য বিনা শুল্কে ৪৪.৪৬ একর জমি দেওয়া হয়েছে। জানা যায়, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর রামগড়ে বসেই গীতাঞ্জলী লিখেছিলেন। সেই জায়গাটি ‘টেগোর টপ’ নামেও পরিচিত।

কর্তৃপক্ষ উত্তরাখণ্ড সরকারের কাছে রামগড়ের জমির জন্য আবেদন করে। শুক্রবার ওই রাজ্য চিঠি দিয়ে বিশ্বভারতীর নতুন ক্যাম্পাস তৈরি করতে জমির অনুদানে সম্মতি দেয়।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ২০২২-এর জুলাইয়ের বিশ্বভারতীর নতুন ক্যাম্পাস তৈরি করার পরিকল্পনা চলছে। সেইমত যাবতীয় ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ক্যাম্পাস শুরুর প্রথম পর্যায়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর স্তর মিলিয়ে ৬৫০ পড়ুয়া ভর্তি করা হবে এবং তৈরি করা হবে পাঁচটি স্কুল। এই ক্যাম্পাসটির তত্ত্বাবধানে থাকবে বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়।

জেলাশাসকের দফতরে চাকরি! আবেদন করুন আজই…

Job in the district governor's office! Apply today ...

কম্পিউটারে দক্ষতা এবং আপনার বয়স চল্লিশের মধ্যে হলে,নতুন বছরের শুরুতেই সরকারি চাকরির আবেদন করতে পারেন ।রাজ্য সরকারের তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটের অফিসে বিভিন্ন পদে কর্মী নিয়োগের জন্য। এই কর্মী নিয়োগ করা হবে উত্তর ২৪ পরগনা জেলার বারাসাত ডিস্ট্রিক্ট ম্যাজিস্ট্রেটের অফিসে।

কোন পদে নিয়োগ, বেতন কত?

অ্যাকাউন্টেন্ট : এই পদে মোট শূন্য পদের সংখ্যা ৩টি। এর মধ্যে ইউআর-১টি, এসসি-১টি, এসটি-১টি। এই পদে নির্বাচিত প্রার্থীদের বাণিজ্য বিভাগে অনার্স সহ স্নাতক হতে হবে। পাশাপাশি দক্ষতা থাকতে হবে কম্পিউটারে এমএস অফিসে । এর পাশাপাশি প্রার্থীদের কমপক্ষে ৩ বছরের কাজের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে সরকারি বা বেসরকারি অফিসে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে । এই পদে আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের ০১.০১.২০২২ তারিখের মধ্যে বয়স হতে হবে ৪০ বছর। তবে সংরক্ষিত প্রার্থীরা বয়সের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ছাড় পাবেন। প্রতি মাসে বেতন হিসেবে ১৬,০০০ টাকা দেওয়া হবে এই পদে নির্বাচিত প্রার্থীদের ।

ডাটা এন্ট্রি অপারেটর : এই পদে মোট শূন্য পদের সংখ্যা ১৬টি। এই পদে আবেদন করার জন্য প্রার্থীদের যে কোনও শাখায় স্নাতক হওয়ার পাশাপাশি কম্পিউটারে এমএস অফিসে দক্ষ হতে হবে। তাছাড়া এই বিষয়ে এক বছরের কাজেরও অভিজ্ঞতা থাকতে হবে প্রার্থীদের। এই পদে নির্বাচিত প্রার্থীদের বয়স ০১.০১.২০২২ এর মধ্যে ৪০ বছর হতে হবে। তবে সংরক্ষিত প্রার্থীরা সরকারি নিয়ম অনুযায়ী বয়সের ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট ছাড় পাবেন। এই পদে নির্বাচিত প্রার্থীরা প্রতি মাসে বেতন হিসেবে ১১,০০০ টাকা পাবেন।

এই পদে প্রার্থীদের আবেদন করতে হবে অনলাইনের মাধ্যমে। প্রার্থীদের উত্তর ২৪ পরগনা জেলার সরকারি ওয়েবসাইটে গিয়ে আবেদন করতে হবে। এই পদের জন্য ০৪.০১.২০২২ তারিখ থেকে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়ে গেছে। এই পদগুলিতে আবেদনের শেষ তারিখ আগামী ১৮ জানুয়ারি ২০২২।

Covid 19 : সাগর পারে ‘পূণ্য তীর্থ’, দীঘার জলে করোনার লীলাক্ষেত্র!

mamata banerjee

‘একই বৃন্তে’ শব্দ দু’টির কথা আমরা কম-বেশি সকলেই পড়েছি বা জেনেছি। দীঘা (Digha), গঙ্গাসাগরের (Gangasagar) ক্ষেত্রেও একই কথা বলা চলে৷ একই রাজ্যের দু’টি জায়গায়। উভয়স্থলই মানুষের প্রিয়। আপন মহীমায় বিরাজমান। তবুও করোনা-বেলায় (Covid 19) দীঘা, সাগর একই বৃন্তের হয়েও যেন সুয়োরাণী এবং দুয়োরাণী। করোনা বাবাজীবন এসে বসিয়ে দিয়েছে ভেদাভেদের প্রাচীর৷

রাজ্য সরকারের বক্তব্য, নোনা জলে করোনার চলাচল অচল। তাই হোক মেলা। কলকাতা হাইকোর্ট শর্তসাপেক্ষে মেলা হওয়ার পক্ষেই রায় দিয়েছে৷ জমিয়ে ঠান্ডা পড়েছে, ধর্মের ব্যাপার, সামনে গঙ্গার পার। বসবে মেলা। দারুণ আমেজ! ‘বিশ্বাসে মিলায়ে বস্তু, তর্কে বহুদূর’। শহুরে ব্যস্ততা, কোলাহল, কংক্রিটের জঙ্গল, করোনার পরিসংখ্যান পিছনে ফেলে চলুন যাই গঙ্গাসাগর!

সাগরে যেমন উৎসবের আমেজ, দীঘায় তেমনই লকডাউনের আমেজ। ফেরত পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে পর্যটকদের। খালি করে দেওয়া হয়েছে হোটল। কারণ সেই করোনা। যে করোনা ভয় পায় নোনা জলকে। এ প্রসঙ্গে প্রশ্ন জাগে, দীঘার সমুদ্রের কি নোনা নয়, স্বাদু জল? কারণ গঙ্গাসাগর মেলা করার জন্য রাজ্য সরকারের যুক্তি ছিল, নোনা জলে করোনা ছড়ায় না। সরকার যখন বলেছে, তখন সেটাই নিশ্চয় ঠিক?

নোনা জলে করোনা যদি না থাকে তাহলে দীঘা কেন শুনশান? এ প্রশ্নের উত্তর কী কী হতে পারে। ধ্রুবকের মতো এটা ধরে রাখতে হবে রাজ্য সরকারের যুক্তিটাই শিরোধার্য। তাহলে দীঘা খালি করার পিছনে সম্ভাব্য যুক্তি- দীঘার সমুদ্রের জলের চরিত্র কি বদলাতে শুরু করেছে? এখন কি আর সেই জল নোনা নয়? অপর যুক্তি হতে পারে, সাগর এবং দীঘায় আলাদা আলাদা প্রজাতির করোনা রয়েছে। তেমনটা হলে তো এক বিস্ময়কর ব্যাপার! সম্ভবত বিজ্ঞানীরদের হাতেও এই তথ্য এসে পৌঁছয়নি। আবিষ্কর্তা আমাদের রাজ্য সরকার? আপনাদের কি মনে হয়? করোনা আবহে রাজ্য জুড়ে চলছে চরম বিতর্ক। 

Gangasagar : ‘নোনা জলে করোনা হবে না’ থিওরিতে চরম কটাক্ষের মুখে মমতা সরকার

mamata banerjee drinking

করোনা আবহে কতোই না ‘থিওরি’ আবিষ্কার হয়েছে। ফ্যাক্ট চেক করতে গিয়ে বোধহয় হিমশিম খেয়েছেন বিশেষজ্ঞরা৷ হয়তো অনেকের মনে পড়েছে ‘গল্পের গরু গাছে ওঠে’। যুক্তিকে থোড়াই কেয়ার! প্রসঙ্গে গঙ্গাসাগর (Gangasagar)।

এবার আলোচনায় ‘নোনা জলে করোনা’। মানে? ওমিক্রন আতঙ্কের মধ্যে এবার গঙ্গাসাগর মেলায় আয়োজনের ব্যাপারে কলকাতা হাইকোর্টে চলেছে মামলা। আদালতে রাজ্য সরকারের আইনজীবীর যুক্তি- নোনা জলে করোনা ছড়ায় না।

নেট দুনিয়ায় এ প্রসঙ্গে হচ্ছে আলোচনা৷ নেট নাগরিকরা কেউ পক্ষে, কেউ বিপক্ষে৷ নোনা জলে করোনা প্রসঙ্গে বিজ্ঞানের কী যুক্তি? বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ‘হু’- জানিয়েছে, জলের করোনা ছড়ায় এমন প্রমাণ আপাতত মেলেনি। সাঁতার কাটার মতো কাজও নিরাপদে চলতে পারে। তবে বিপত্তি হতে পারে অল্প জায়গায় একাধিক ব্যক্তি উপস্থিতি। জলে থাকলেও শারীরিক দুরত্ব মেনে চলার ব্যাপারে সজাগ থাকতে বলেছে হু। এমনকি কাশি, হাঁচি ইত্যাদি ক্ষেত্রে কনুই দিয়ে মুখ ঢাকা দেওয়ার উপদেশ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

মমতা-সরকারের যুক্তি কি একেবারে যথার্থ?

হু-এর পক্ষ থেকে মিষ্টি জল কিংবা নোনা জলের কথা আলাদাভাবে বলা হয়নি৷ বলা হয়েছে জলে করোনা ছড়ায় এমন প্রমাণ মেলেনি। অর্থাৎ আইনজীবীর ‘নোনা জল’ যুক্তি ফেলে দেওয়ার মতো নয়। সমস্যাটা জমায়েত নিয়ে।

ভারতবর্ষের সিংহভাগ মানুষ ধর্মের ব্যাপারে কীরূপ উৎসাহী এ কথা প্রত্যেকের জানা৷ জলে হোক বা ডাঙ্গায়, ভিড় বা জমায়েত এড়ানোই চ্যালেঞ্জ। সরকারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে সাগর এলাকার প্রত্যেকেই প্রতিষেধক পেয়ে গিয়েছেন। তাতেও কি করোনা রোধ করা সম্ভব? সম্প্রতি যারা কোভিডে আক্রান্ত হচ্ছেন তাদের অনেকেরই ডবল ডোজ নেওয়া ছিল। তার পরেও রিপোর্ট পজিটিভ।

স্রেফ ‘নোনা জলে করোনা ছড়ায় না’ যুক্তি কি তাহলে যথার্থ? ভিড় প্রতিহত করার ব্যাপারে আদালতে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে সরকার৷ প্রতিশ্রুতি পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা কি সম্ভব হবে? কুম্ভমেলা ২০২১-এর স্মৃতি চাইছেন না সাধারণ মানুষ।

কোষাগারে হাঁড়ির হাল, খরচ কমাতে নির্দেশ মমতা সরকারের

Mamata Sarkar instructs to reduce the cost of pots in the treasury

করোনার জেরে ফের আংশিক লকডাউন শুরু হয়েছে রাজ্যজুড়ে। এই পরিস্থিতিতে খরচ কমাতে রাজ্যের বিভিন্ন সরকারি দফতরগুলিকে নির্দেশিকা দিল নবান্ন। এই নিয়ে দ্বিতীয়বার নির্দেশ দিল রাজ্য সরকার।

করোনার কোপ পড়েছে রাজ্যের কোষাগারে। করোনা নিয়ন্ত্রণে প্রচুর খরচ হচ্ছে। তাই নবান্ন নির্দেশিকা দিয়ে জানিয়েছে, কোনও সরকারি দফতর পরবর্তী নির্দেশিকা না আসা পর্যন্ত গাড়ি, টিভি, পর্দা বা কোনও দামি সরঞ্জাম কিনতে পারবে না। জরুরী কারণে কোনও জিনিস কিনতে হলে প্রথমে অর্থ দফতরের অনুমতি নিতে হবে। অনুমতি ছাড়া একটি জিনিসও কেনা যাবেনা।

গত বছর দ্বিতীয় ঢেউয়ের সময় জুন মাসে খরচ কমানোর নির্দেশিকা দিয়েছিল রাজ্য সরকার। সেই সময় অর্থমন্ত্রী ছিলেন অমিত মিত্র। কিন্তু তিনি বিধানসভা নির্বাচনে লড়াই করেননি। এরপর কয়েকমাস আগে অর্থমন্ত্রী হিসেবে তাঁর মেয়াদ ফুরোলে অর্থ দফতরের দায়িত্ব নিজের হাতে নেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

রাজ্য সরকার এই মুহূর্তে বেশ কয়েকটি প্রকল্প চালাচ্ছে। এর মধ্যে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পের টাকা জোগাতে রাজ্যকে যে সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে সেকথা আগেই জানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। এর মধ্যেই করোনার বেলাগাম সংক্রমণ খরচে রাশ টানতে বাধ্য করছে।

উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী হাত জোর করে সকলকে মাস্ক পড়ার অনুরোধ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, আগামী ১৫ দিন যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ। করোনার বিধিনিষেধ না মানলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

BJP: ‘চলন বাঁকা বিজেপি’র Whatsapp বিদ্রোহে ছারখার পদ্ম-কানন!

বিধানসভা নির্বাচনের আগে হাওয়া বদলানোর আভাস মিলেছিল বঙ্গ রাজনীতিতে। কিন্তু সে সব এখন ইতিহাসের পাতায়। ২ মে লেখা হয়ে গিয়েছিল উপসংহার৷ সেই শুরু। ক্রমে ধ্বংসের পথে পদ্ম-কানন।

নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের কথা বলে চমক দিয়েছিল ভারতীয় জনতা পার্টি (BJP)। দেশের নাগরিকদের একাংশ ছিলেন এই আইনের পক্ষে, কেউ বিপক্ষে। বিজেপির প্রতিশ্রুতি যে আলোড়ন ফেলে দিয়েছিল তাতে কোনো সন্দেহ নেই। শান্তনু ঠাকুররাও আটকা পড়েছিলেন ‘শাহী’ ফাঁসে। দিনের পর দিন কেটে গেলেও বাস্তবায়িত হয়নি প্রতিশ্রুতি। ধৈর্য্য ক্রমে পৌঁছাচ্ছিল অন্তিম সীমায়। ড্যামেজ কন্ট্রোলে শান্তনুকে নিয়ে আসা হল প্রধানমন্ত্রীর ক্যাবিনেটে। কিন্তু তাতেও কি হবে শেষরক্ষা? প্রশ্ন উঠছে কারণ তিনি লেফট করেছে বিজেপির সমস্ত হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ। মতুয়া সম্প্রদায়ের মধ্যে বিজেপির প্রতি বিদ্রোহের ইঙ্গিত।

গ্রুপ ছাড়ার পর মঙ্গলবার দলের মতুয়া বিধায়কদের নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠকও করেছেন শান্তনু। হাজির ছিলেন সুব্রত ঠাকুর, অশোক কীর্তনীয়া, অসীম সরকার, অম্বিকা রায় এবং মুকুটমণি অধিকারী, আশিস বিশ্বাস এবং বঙ্কিম ঘোষেরা। এনারা সকলেই বিজেপি বিধায়ক। অসীম সরকার বলেছেন, “ঠাকুরমশাইকে আমরা মানি”।

বনগাঁর সাংসদের পর হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছেড়েছেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। খড়গপুর থেকে জয় পাওয়ার পরেও তিনি হয়েছিলেন বেসুরো। এবার গ্রুপ লেফট। বৃহস্পতিবার সকালে খবর মিলল, দলত্যাগ করেছে পূর্ব মেদিনীপুরের জেলা বিজেপি মহিলা মোর্চার প্রাক্তন সভাপতি তনুশ্রী রায়। গেরুয়া শিবিরে অন্তর্দ্বন্দ এখন চরমে, এমনটাই মনে করছেন রাজনৈতিক মহলের একাংশ। দল ছাড়ার পর তাঁর বক্তব্য, ‘বিজেপির চলন বাঁকা’।

বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল ছেড়ে একে একে পদ্ম শিবিরে গিয়েছিলেন হেভিওয়েটরা। ফল প্রকাশের পর হল উল্টোটা। ঘরওয়াপসির পালা। মুকুল রায় পর্যন্ত বড় পদ ছেড়ে ফিরলেন পুরনো দলে। দীর্ঘ অপেক্ষার পর রাজীবও ফিরলেন তৃণমূলে। সব্যসাচী দত্তও বন্ধু মুকুলের পাশে। সৌমিত্র খাঁ বহুবার প্রকাশ্যে করেছেন দলের সমালোচনা। ক্রমেই যেন ম্লান হচ্ছে সাধের পদ্ম-কানন।

High Court: পাওনা কেন বকেয়া? মমতার অস্বস্তি বাড়িয়ে আদালতের তলব

এখনও বকেয়া রয়েছে পাওনা৷ অভিযোগের তির রাজ্যের অর্থসচিব-সহ ৪ আধিকারিকেএ বিরুদ্ধে। তাঁদের ডেকে পাঠিয়েছে কলকাতার উচ্চ আদালত (High Court)। আগামী শুক্রবার দিতে হবে হাজিরা।

অভিযুক্ত প্রত্যেকের বিরুদ্ধে উঠেছে আদালত অবমাননার অভিযোগ। চাকরি থেকে অবসর নেওয়ার দীর্ঘদিন পরেও পুরকর্মীর বকেয়া পাওনা-গন্ডা মেটানো হয়নি, এমনটাই অভিযোগ তাঁদের বিরুদ্ধে। রাজ্যের অর্থসচিব পুনিত যাদবের বিরুদ্ধে আদালত অবমাননার মামলায় রুল ইস্যু হয়েছে বলে প্রকাশ সংবাদমাধ্যমে। অভিযোগ রয়েছে বহরমপুরের মহকুমা শাসক, বহরমপুর পুরসভা এগজিকিউটিভ অফিসার ও সেখানকার বর্তমান প্রশাসক বোর্ড প্রধানের বিরুদ্ধেও।

বকেয়া পাওনা না পেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এক অবসরপ্রাপ্ত কর্মী স্ত্রী ডলি সরকার। গত ২৮ অক্টোবর সমস্ত পাওনা-গন্ডা মিটিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল কোর্টের পক্ষ থেকে। কিন্তু তারপরেও পাওনা দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ। ফের বিচারপতির দরবারে যান ডলি সরকার। করেন আদালত অবমাননার মামলা। তারই প্রেক্ষিতে কলকাতা হাইকোর্টের এই রুল ইস্যু।

সাফাই দেওয়া হয়েছে বহরমপুর পুরসভার তরফে৷ জানানো হয়েছে, কর্মীদের কাছে ৮-১০ কোটি টাকা বকেয়া রয়েছে। কিন্তু তা মেটানোর সামর্থ্য এখন পুরসভার নেই। রাজ্য সরকারের কাছে আর্থিক সাহায্যের আবেদন জানিয়েছে স্থানীয় এই প্রশাসন। বহরপুর ছাড়াও রাজ্যের একাধিক জায়গায় বকেয়া সম্পর্কিত এমন সমস্যা রয়েছে বলে মনে করছেন অনেকে। এমতাবস্থায় আদালতের এই পদক্ষেপে নড়েচড়ে বসেছেন রাজ্যের একাংশ। অর্থসচিবকেও দিতে হবে হাজিরা৷ বিচারপতি রাজা শেখর মন্থর এজলাসে আগামী দিনে কী হয়, এখন সে দিকেই তাকিয়ে সকলে।

নাগরিক ব্যস্ততা থেকে মুক্তি মিলবে তাজপুরেই

Tajpur will be freed from the busyness of the citizens

শীতের ছুটি মানেই বেড়িয়ে পড়ার আনন্দ। নাগরিক ব্যস্ততা থেকে মুক্তি পেতে দুদিনের ছুটিতেই শান্ত প্রকৃতির ছোঁয়া পেতে আদর্শ গন্তব্য হতে পারে তাজপুরের সমুদ্র সৈকত। তাজপুর অবস্থিত মন্দারমণি ও শঙ্করপুরের মাঝামাঝি জায়গায়। দিঘার ভিড় বা মন্দারমণির কৃত্তিমতা ছাড়াই এখানে রয়েছে বালিয়াড়ি, ঝাউবন আর নির্জন সমুদ্রের অসীমতার অনাবিল আকর্ষণ।

কী ভাবে যাবেন:
হাওড়া থেকে ট্রেনে করে যেতে হলে রামনগর স্টেশনে নামতে হবে । রামনগর থেকে সড়ক পথে প্রায় চল্লিশ মিনিট সময় লাগে তাজপুর যেতে। রামনগর স্টেশনের বাইরে গাড়ির স্ট্যান্ড রয়েছে ।
ট্রেন ছাড়াও গাড়িতে করে যেতে চাইলে ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক ধরে পৌঁছতে হবে কোলাঘাট। কোলাঘাট থেকে নন্দকুমারের দিকে যেতে হবে । নন্দকুমার থেকে কাঁথি বা রামনগরের রাস্তায় গেলে চাউলখোলা। বাসে এলে এই চাউলখোলাতেই নামতে হবে । এখান থেকে তাজপুর যাওয়ার ভ্যান বা অটো পেয়ে যাবেন।

কোথায় থাকবেন:
জনসমাগম খুব বেশি না হলেও তাজপুরে থাকার জায়গার অভাব নেই । এখানে সাধারণ থেকে দামি প্রায় সব ধরনের থাকার জায়গাই পাওয়া যায়। সাধারণত থাকার জায়গাতেই মেলে খাওয়াদাওয়ার বন্দোবস্তও। আপনি চাইলে অনলাইনে আগে থেকেই পছন্দের রিসর্ট বুক করে নিতে পারেন।

কী দেখবেন:
তাজপুরে সাধারণত তাঁরাই যান যাঁরা ব্যস্ত জীবনের থেকে কিছুটা বিরতি চান। কাজেই কিছু না করে শুধু ঝাউবন আর সমুদ্র দেখেই কাটিয়ে দেওয়া যেতে পারে দু’-তিনটি দিন। তবে এখন দিঘার মতোই তাজপুরের সমুদ্রে বিভিন্ন ধরনের খেলাধুলার সুযোগ সুবিধা হয়েছে। চাইলে এই সুযোগে ঘুরে নিতেন পারেন দিঘা, শঙ্করপুর, মন্দারমণিও।

INC: বঙ্গে কংগ্রেসকে শূন্য করেছেন মমতা, পুরভোটে ছন্নছাড়া

পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক মানচিত্রে এখন কোনওরকমে টিকে রয়েছে কংগ্রেস৷ ১৯৭২ সালের পর থেকে কমতে শুরু করেছিল জনপ্রিয়তা। তারপর যথাক্রমে বাম এবং তৃণমূল জমানা। আজও রাজ্যের রাশ ধরতে পারেনি কংগ্রেস (INC)। আসন্ন পুরভোটেও হাত শিবিরের মুষ্টি শক্ত হবে এমন সম্ভাবনাও ক্ষীণ।

জাতীয় রাজনীতিতেও রাজত্ব খুইয়েছে কংগ্রেস। এ রাজ্যে হাত দুর্বল হয়েছিল আগেই। ভোটব্যাংকের লড়াইয়ে কোনওরকমে টিকিয়ে রেখেছে নিজেদের অস্তিত্ব। বামেদের সঙ্গে হয়েছিল সমঝোতা। ডাম-বাম মিলেছিল এই বঙ্গে। আশা জাগিয়েছিল শিলিগুড়ি মডেল। আত্মবিশ্বাস জোগাড় করে বিধানসভা নির্বাচনে লড়েছিল জোট। ২ মে’র পরিসংখ্যান ভুলতে চাইবেন দুই দলেরই সমর্থক। কলকাতা পুরনির্বাচনে তৃণমূলের রমরমা। নির্বাচনে জয়ী কংগ্রেসের ২ প্রার্থী। ৪৫ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী কংগ্রেস প্রার্থী সন্তোষ পাঠক। ১৩৭ নম্বর ওয়ার্ডে জয়ী হলেন ওয়াসিম আনসারি। কলকাতা পুর-এলাকার অন্তর্গত ১৭ টি বিধানসভা আসনের মধ্যে চারটি আসনে তৃণমূলের পর দ্বিতীয় স্থানে কংগ্রেস- বেলেঘাটা, চৌরঙ্গি, বালিগঞ্জ এবং মেটিয়াবুরুজে। বিধানসভা নির্বাচনে এই চার আসনেই দ্বিতীয় হয়েছিল বিজেপি। অর্থাৎ বিকল্প শক্তির সন্ধানে রয়েছেন আম-জনতার একাংশ। কিন্তু মোটের তুলনায় সেই শতকরা খুবই কম।

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই জাতীয় রাজনীতিতে কংগ্রেসের জমানা। মাঝে কিছুকাল অটল বিহারী বাজপেয়ীর বিজেপি। তারপর ফের কংগ্রেস৷ পতন ২০১৪ সালে। এ রাজ্যে পতন ১৯৭২-এ। নামের পাশে একের পর এক দুর্নীতির অভিযোগ। নেতৃত্বের অভাব হয়েছে প্রকট। কংগ্রেস কি কেবল গান্ধী পরিবারের? এ প্রশ্নও উঠেছে একাধিকবার। যদিও ইন্দিরা গান্ধীর সময়কার মতো আর প্রকাশ্য দ্বিখণ্ডিত হয়নি পার্টি। কিন্তু দলের নেতৃত্বে কে থাকবেন এই প্রশ্ন রয়েই গিয়েছে।

সোনিয়া গান্ধী এখনও সভাপতি। রাহুল গান্ধী চেষ্টা করছেন নিজের মতো। কিন্তু মানুষ তাঁর ইমেজের ওপর নির্ভর করতে পারছেন কতটা? কোন দল ক্ষমতায় থাকবে তার অনেকটা নির্ভর করে সেই দলের কান্ডারীর ওপর। যেমন বিজেপির নরেন্দ্র মোদী, তৃণমূলের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কংগ্রেসের সেই মুখ কোথায়?

কেন্দ্র থেকে গদিচ্যুত হওয়ার পর থেকে রাজ্যে আরও দুর্বল হয়েছে হাত শিবির। অধীর রঞ্জন চৌধুরী রয়েছেন বটে। কিন্তু প্রদেশ কংগ্রেসের অন্দরে তাঁর সিদ্ধান্ত বা বক্তব্যের বিরুদ্ধেই আওয়াজ উঠেছে একাধিকবার। যে হাইকম্যান্ড হাতড়ে বেড়াচ্ছে একজন নেতাকে, সেই তাদের দিকেই তাকিয়ে থাকতে হয় কোনও সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করার জন্য। যে দলের ভিতরেই স্থিরতা নেই মানুষ তাদের নির্বাচিত কেনই-বা করবেন?

আসন্ন পুরভোটগুলোতে হয়তো জোটের পথে যাবে না কংগ্রেস। জোট নেই শিলিগুড়ি পুরসভাতেও। আসানসোল, চন্দননগরে বামেদের সঙ্গ না দেওয়ার সম্ভাবনা প্রবল। আসানসোলে গত পুরভোটেও জোট ছাড়াই ১০৬ টি ওয়ার্ডে লড়াই করে বাম ও কংগ্রেস। ৩ টি আসন পেয়েছিল কংগ্রেস।

পরিসংখ্যান থেকে স্পষ্ট, মানুষের মন থেকে এখনও মুছে যায়নি কংগ্রেস। অস্তিত্ব রয়েছে। কিন্তু জনসমর্থনকে একজোট করবেন কে? সংগঠকরাই যে ছন্নছাড়া!

Covid19: রাজ্যে দৈনিক আক্রান্ত ৯ হাজার পার, সামান্য কমল পজিটিভিটি রেট

Covid 19: 6 thousand infected in one day in the country, 351 deaths in Corona

রাজ্যে একদিনে করোনা আক্রান্ত পেরিয়ে গেল ৯ হাজারের গণ্ডি। গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৯,০৭৩, মৃত্যু ১৬ করোনা রোগীর, সুস্থ হয়েছেন ৩,৭৬৮। দৈনিক পজিটিভিটি রেট সামান্য কমে দাঁড়িয়েছে ১৮.৯৬ শতাংশ। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের পেশ করা মঙ্গলবারের বুলেটিন এই পরিসংখ্যানটি তুলে ধরছে।

রাজ্যে মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১৬,৬৪,৩০১। করোনায় মোট মৃতের সংখ্যা ১৯,৮১০। করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ১৬,১৯,০১৬। পশ্চিমবঙ্গে সুস্থতার হার ৯৭.২৮ শতাংশ। এই মুহূর্তে সক্রিয় রোগীর সংখ্যা ২৫,৪৭৫।

গত ২৪ ঘন্টায় কলকাতায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৪,৭৫৩ এবং মৃত্যু হয়েছে ৫ জন করোনা রোগীর। উত্তর ২৪ পরগনায় করোনা আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা যথাক্রমে ১,৩৯১ এবং ৩।

Nirbhaya: সুপ্রিম নির্দেশের পরেও অসম্পূর্ণ কাজ, হলফনামা জমা দিতে হবে রাজ্য সরকারকে

নির্ভয়া (Nirbhaya) কাণ্ডের পর সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে দেশের প্রতিটি মেট্রোশহরে মহিলাদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিৎ করতে সিসিটিভি বসানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন।সেই নির্দেশ মেনে কেন্দ্রীয় সরকার পশ্চিমবঙ্গের জন্য১৮১কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়। ২০১৯সাল থেকে আজও সম্পূর্ণ হয়নি বলে অভিযোগ।যা নিয়ে জনস্বার্থ মামলা দায়ের হয় হাইকোর্টে।

মঙ্গলবার মামলার শুনানিতেএডভোকেট জেনারেল সৌমেন্দ্র নাথ মুখোপাধ্যায় আদালতে জানান ইতিমধ্যে কলকাতায় ১০২০ টি সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হয়েছে। বাকি ওয়ার্ক অর্ডার করা হয়েছে। এই বিষয়ে বিস্তারিত আদালতকে জানাবার জন্য হলফনামার সুযোগ দেওয়া হোক।

সিসিটিভি কেস :–

  • মামলাকারি পক্ষের আইনজীবী বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য্য প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে অভিযোগ করেন নির্ভয়ার ১৮১ কোটি টাকা তছরুপ হয়েছে।
  • প্রধান বিচারপতি প্রকাশ শ্রীবাস্তবের ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেন আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে রাজ্য হলফনামা জমা দেবে।
  • পরবর্তী শুনানি ১৫ ফেব্রুয়ারি।

BJP: বঙ্গ বিজেপিতে ‘মতুয়া বিদ্রোহ’ তুঙ্গে, দলত্যাগী শান্তনু ঠাকুর?

বিজেপির (BJP) হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়ার হিড়িক অব্যাহত। যদিও এবারের ঘটনাটা কিছুটা যে ব্যতিক্রম এবং বঙ্গ গেরুয়া শিবির যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়েছে তা বলাই বাহুল্য। সোমবার সকলকে চমকে দিয়ে বিজেপির হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ লেফট করেছেন বিজেপি সাংসদ তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। তিনি বিজেপির অফিশিয়াল গ্রুপ ত্যাগ করেছেন। ফলে স্বাভাবিকভাবেই বিভিন্ন মহল থেকে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে যে শান্তনুও ভাবনে শুরু করেছেন অন্য কিছু ?

এদিকে সূত্র মারফত খবর, মঙ্গলবার অর্থাৎ আজ বিকেল পাঁচাটায় দলের আরও পাঁচ বিদ্রোহী বিজেপি বিধায়ককে নিয়ে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করার কথা রয়েছে মতুয়া নেতার। সম্প্রতি বিজেপি-র পাঁচ বিধায়ক, যারা হলেন সুব্রত ঠাকুর, অশোক কীর্তনীয়া, অসীম সরকার, অম্বিকা রায় এবং মুকুটমণি অধিকারীও দলের হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ থেকে বেরিয়ে গিয়েছিলেন। মঙ্গলবার তাঁদের সঙ্গেই শান্তনুর এই রুদ্ধদ্বার বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। প্রশ্ন উঠছে সেই বৈঠকেই কি তাঁরা চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে শেষ পেরেক মারতে চলেছেন?

এদিকে সোমবার বিজেপি-র গ্রুপ ছেড়ে বেরোনর পর শান্তনু ঠাকুর জানান, ‘বঙ্গ বিজেপি-র বর্তমান নেতৃত্বের শান্তনু ঠাকুর বা মতুয়া সমাজের ভোট নিষ্প্রয়োজন। তাই আমারও ওই সব গ্রুপে থাকার দরকার নেই। সময়মতো সব জবাব দেব।’

তাঁর কথায় যে বিদ্রোহ বা ‘অভিমান’-এর সুর স্পষ্ট তা বলাই চলে। আরও প্রশ্ন উঠছে যে কেন ক্ষুব্ধ শান্তনু? বিশেষ সূত্র মারফত খবর, বিজেপি-র নতুন রাজ্য পদাধিকারীমণ্ডলী এবং জেলা সভাপতিদের মধ্যে মতুয়া প্রতিনিধি না থাকা। এমনকি শান্তনু দলের কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করে নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে রাজ্য পদাধিকারীমণ্ডলীতে মতুয়া প্রতিনিধি আনার দাবি জানান। সেই সময়সীমা পেরিয়ে গেলেও তাঁর দাবি মানা হয়নি বলে খবর।

রাজ্যে করোনা চিকিৎসার প্রোটোকল থেকে বাদ পড়ল মোলনুপিরাভির-মনোক্লোনাল

Molnupiravir-monoclonal was excluded from the corona treatment protocol in the state

গত ৩১ জানুয়ারি রাজ্যের করোনা চিকিৎসায় জরুরী ভিত্তিতে ব্যবহারের জন্য অনুমোদন পেয়েছিল মোলনুপিরাভির এবং ককটেল থেরাপি বা মনোক্লোনাল অ্যান্টিবডি থেরাপি। তবে তিনদিনের মাথায় সেই সিদ্ধান্ত বদল করল স্বাস্থ্য দফতর। কেন্দ্রের নির্দেশিকা না থাকায় আপাতত ব্যবহার করা হবেনা এই দুটি ওষুধ, এমনটাই জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিকর্তা অজয় চক্রবর্তী।

রাজ্যের তরফে এই নয়া চিকিৎসাবিধি প্রকাশ হওয়ার পরই বিভিন্ন প্রশ্ন ওঠে। বিশেষজ্ঞ মহল সেইসময় প্রশ্ন তোলে, ওমিক্রন রুখতে মনোক্লোনাল কার্যকরী না, তাহলে করোনা চিকিৎসায় ব্যবহার করা হবে কেন। আইসিএমআরের নির্দেশিকা ছাড়াই কীভাবে বাংলা এই দুটি চিকিৎসা পদ্ধতিতে অনুমোদন দিল। মোলনুপিরাভির বাজারে সহজলভ্য নয় তাহলে কীকরে যে ওষুধ বাজারেই আসেনি তা চিকিৎসায় ব্যবহার করা হবে। ককটেল থেরাপির মত ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ কীভাবে সামলাবে রাজ্য।

উল্লেখ্য, ২০২১-এর শেষের দিকে সৌরভ গাঙ্গুলি করোনা আক্রান্ত হয়ে একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি হন। সেখানে তাঁর চিকিৎসায় ককটেল থেরাপি ব্যবহার করা হলে তিনি দ্রুত সুস্থ হয়ে ওঠেন। এরপরই নতুন চিকিৎসাবিধি জারি করে স্বাস্থ্য ভবন। যদিও, হাসপাতাল সূত্রে খবর, ওমিক্রন নয় করোনার ডেল্টা প্লাস ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্ত হয়েছিলেন বিসিসিআই সভাপতি।

Bangladesh: পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক সংক্রমণে চিন্তিত শেখ হাসিনা সরকার, লকডাউন?

প্রতিবেশি ভারতে করোনার অঘোষিত তৃতীয় ঢেউ চলছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে ওমিক্রন সংক্রমণ। আর পশ্চিমবঙ্গের করোনা সংক্রমণ রীতিমতো উদ্বেগজনক। সীমান্তের ওপারে পরিস্থিতি দেখে বাংলাদেশ সরকার একগুচ্ছ বিধিনিষেধ ফের আরোপ করল।

বাংলাদেশেও ফের করোনা সংক্রমণের গতি বেড়েছে। রাজধানী ঢাকাতেই সংক্রমণ সর্বাধিক। পশ্চিমবঙ্গ সংলগ্ন খুলনা, রাজশাহি, রংপুর বিভাগগুলির পরিস্থিতির উপর বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। এই বিভাগগুলিতেই বিভিন্ন সীমান্ত চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের মধ্যে যাতায়াতকারী বেশি।

মঙ্গলবার ঢাকায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, যদি কারোর টিকা না নেওয়া থাকে সেই ব্যক্তি কোনও রেস্তোরাঁয় ঢুকতে পারবেন না। মাস্ক ব্যবহার না করলে জরিমানা ধার্য হবে।

পশ্চিমবঙ্গে করোনা সংক্রমণের জেরে ফের আরোপিত হয়েছে বিধিনিষেধ। বাংলাদেশেও পরিস্থিতি বিচার করে আংশিক বা পূর্ণাঙ্গ লকডাউন করার কথা চিন্তা করছে শেখ হাসিনার সরকার। জানা গিয়েছে, এই বিষয়ে আরও পর্যালোচনা করা হবে।

বাড়তে থাকা সংক্রমণের কারণে পশ্চিমবঙ্গের মতো বাংলাদেশেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হতে পারে। 

বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, আমরা সারাক্ষণই করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। যদি আমাদের মনে হয়, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিতের জন্য ক্লাস কমাতে হবে, কমিয়ে দেব। করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলে প্রয়োজনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্লাস বন্ধ করে দেওয়া হবে।

দীপু মনি আরও বলেন, বিগত বছরগুলোতে মার্চ মাসে এদেশে সংক্রমণ বাড়তে দেখা গেছে। তাই মার্চ মাস না আসা পর্যন্ত পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে সেটা বোঝা যাবে না। স্বাস্থ্যবিধি মানলে আমরা সংক্রমণ কম রাখতে পারব। এরইমধ্যে কয়েকজনের দেহে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। তাই আমাদের খুবই সতর্ক থাকতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। 

মার্চ-এপ্রিলে আবার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মহম্মদ খুরশীদ আলম। তিনি জানান, পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা পর্যায়ে হাসপাতালের পুরো প্রস্তুতি জানুয়ারিতে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে

বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সোমবার পর্যন্ত মোট ২৮ হাজার ৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনা শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৮৭ হাজার ১৪০ জন। 

Covid19: শিখরে পৌঁছচ্ছে পজিটিভিটি রেট, রাজ্যজুড়ে বাড়ছে আতঙ্ক

The positivity rate is reaching its peak, panic is growing across the state

করোনা সংক্রমণ রুখতে আজ থেকে রাজ্যে জারি হয়েছে আংশিক লকডাউন। এরইমধ্যে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা একলাফে ছয় হাজারে পৌঁছেছে। রাজ্য স্বাস্থ্য দফতরের বুলেটিন অনুযায়ী, গত ২৪ ঘন্টায় রাজ্যে নতুন করে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ৬,০৭৮ জন। মোট করোনা আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৬,৫৫,২২৮।‌

করোনা‌ আক্রান্ত হয়ে একদিনে মৃতের সংখ্যা ১৩, মোট মৃতের সংখ্যা ১৯,৭৯৪। করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন ২,১৯৭। রাজ্যে মোট সুস্থতার সংখ্যা ১৬,১৫,২৪৮। পশ্চিমবঙ্গে সুস্থতার হার ৯৮.৫৯ শতাংশ।

দৈনিক পজিটিভিটি রেট বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৯.৫৯ শতাংশ।

রাজ্যের বাকি জেলাগুলির মধ্যে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনার করোনা পরিস্থিতি সবচেয়ে খারাপ। কেবল কলকাতাতেই দৈনিক সংক্রমণ ২,৮০১। উত্তর ২৪ পরগনায় করোনা আক্রান্তের সংখ্যা ১,০৫৭। এই দুই জেলাতেই ৪ জন করোনা রোগীর মৃত্যু হয়েছে।

CPIM: শূন্যে নয়, উত্তর লুকিয়ে আম-আদমির নার্ভে

বামেরা (CPIM) আপাতত শূন্য নয়। অক্সিজেন যুগিয়েছে কলকাতা পুরসভা নির্বাচন। আলিমুদ্দিনে স্বস্তি দিয়েছেন শহরের দুই প্রার্থী। সামনে বাকি এখনও অনেক পথ৷ রাজনীতির নিরিখে হয়তো তা ধ্রুবক। চড়াই-উতরাই বিদ্যমান। চড়াইয়ের বছরগুলো দেখেছে দল। উতরাই কি এখনও বাকি?

দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কংগ্রেসের রাজত্ব৷ সীমান্ত বিবাদ তখনও জারি। বাংলাদেশের প্রতি ভ্রাতৃত্ববোধ দেখিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। স্বাধীনতার আবহে এপার বাংলাতে স্বভাবতই হাত শিবিরের বজ্রমুষ্ঠি। এখনও পাড়ার বয়স্কদের মধ্যে কেউ আস্থা রাখেন কংগ্রেসের ওপরেই৷ বামেদের উত্থান অনেকটা পরে। সে সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা চলতে পারে অন্য কোনও প্রতিবেদনে। আপাতত আমেজটুকু এবং ইতিহাসের হাতছানিটুকু থাক।

দেশভাগের যন্ত্রণা তখনও ছিল। খাদ্য সংকট, শ্রমিক অসন্তোষ, ইউনিয়ন ইত্যাদি বহু দেখেছে শহর। দিনমজুর, কর্মী ইত্যাদিদের হাত ধরে ধীরে ধীরে বামেদের উত্থান। সাধারণ মানুষ মনে-প্রাণে চেয়েছিলেন টাটকা বাতাস৷ একছত্র কংগ্রেস রাজের জমানা থেকে বেরিয়ে আস্থা রেখেছিলেন লাল ঝান্ডার প্রতি৷ ‘বিপ্লব’ শব্দটি বাস্তবিক বিপ্লব এনেছিল পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে। সাধারণ মানুষ চেয়েছিলেন তাই হয়েছিল, এ কথা বলা চলে।

এখন মানুষ কী চাইছেন? সাধারণ মানুষ ফের কি আস্থা দেখাবেন বামেদের প্রতি? পুরভোটের ফলের নিরিখে বামেরা তৃণমূলের তুলনায় বিন্দুবৎ। কথায় রয়েছে ‘নেই মামার থেকে কানা মামা ভালো’। কিন্তু ‘কানা মামা’কে সঙ্গে নিয়ে চলা সম্ভব ক’দিন?

ভোটে কাদের দিকে পাল্লা ভারী, কখন ভারী হতে পারে কিংবা পাল্লা ভারী করার জন্য কী করণীয় তা অনুমান করতে বুঝতে হবে মানুষের নার্ভ। ভোটাররা কী চাইছেন তা আঁচ করতে পারলে চলতে হবে ওই একচোখো হয়েই। দলের ব্যাটন এখনও বরিষ্ঠ বামনেতাদের হাতেই। এনারা সেই বামনেতা যাঁদের ক্ষমতার গদি থেকে ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছিলেন সাধারণ মানুষ। তরুণ নেতা-নেত্রীরা দলে রয়েছেন। একটা সময় পর পার্টির অলিন্দে নতুন প্রাণ সঞ্চার করার জন্য যা আবশ্যক। কিছু বাম নেতা নতুনদের হাতে দায়িত্ব তুলে দিতে চেয়েছেন আগেই। কিছু নেতা দেখে নিতে চাইছেন আরও একটু। অর্থাৎ দলের মধ্যেই ভিন্ন মত। সাধারণ মানুষের কাছেও পৌঁছচ্ছে এই বার্তা- দলে একতার অভাব, মতের অমিল।

ভোট বৈতরণী পার করতে যারপনাই চেষ্টা চালিয়েছিলেন বিমান বসুরা। বিধানসভা ভোটে হাত মিলিয়েছিলেন কংগ্রেস এবং আব্বাস সিদ্দিকীর সঙ্গে। তৈরি হয়েছিল জোট। আব্বাসের ভাষণ কি আগে শোনেনি আলিমুদ্দিন? প্রশ্ন তুলেছিলেন অনেকেই। ব্রিগেডের মঞ্চে বাম-কং-আইএসএফ। এরপরের ঘটনা সকলের জানা। ২ মে চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছিল অনেক কিছু। জোট আছে কে নেই, থাকলে আগামী দিনেও থাকবে কি না ইত্যাদি কিছু প্রশ্ন ঘুরে বেড়াচ্ছে এখনও। ইভিএমএ-এ বোতাম টিমে মানুষ বুঝিয়ে দিয়েছেন, চলবে না এই জোট-জট। মানুষের নার্ভ বুঝতে পারেননি অভিজ্ঞ বাম নেতারা।

পুরভোটে একাই লড়ল বাম। প্রাপ্ত ভোটের শতাংশের নিরিখে উঠে এলো দ্বিতীয় স্থানে। ৬৫ টি ওয়ার্ডে দ্বিতীয় হয়েছেন বাম প্রার্থীরা। ভোট বেড়েছে ৮ শতাংশ।‌ ‘বামেরা কার্যত আইসিইউ-তে’ এমন কথা লেখা হয়েছে কাগজেও। সেই রেশ ধরে বললে বলতে হয়, কিছুটা অক্সিজেনের যোগান দিয়েছে কলকাতা। কলকাতা মানে? মানে, শহরের একাংশ মানুষ আস্থা দেখিয়েছেন একক বামেই।

এখনও পর্যন্ত যা খবর তাতে জেলা নেতৃত্বের প্রতি নেকনজর দিতে চলেছে রাজ্য নেতৃত্ব। বন্ধ ঘরে বসে কোনও সিদ্ধান্ত চাপিয়ে দেওয়ার পরিবর্তে নেতারার চাইছেন গ্রাউন্ড জিরো রিপোর্ট। আঙুল কি পড়বে সাধারণের নার্ভে?