ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে হেরে কেন শাস্তি পেতে হল? ফাঁস করলেন কনস্টাটাইন

Stephen Constantine prediction

বড় ব্যবধানে হেরেছে শুধু তাইই নয়, ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে থেকে লজ্জার পরাজয় হয়েছে ইস্টবেঙ্গল এফসির (East Bengal)। বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে জিতে আত্মবিশ্বাসী লাল-হলুদ শিবির ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে খড়কুটোর মতো উড়ে গেল ‘ইস্টার্ন ড্রাগনর্সে’র কাছে।

গত ম্যাচের ছিটেফোঁটাও ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে দ্বিতীয়ার্ধে দেখাতে পারলে অন্তত হারতে হতো না লাল হলুদ ব্রিগেডকে। তাই ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে টিমের খেলোয়াড়দের আত্মতুষ্টিকে হারের বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করে কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইন বলেন,”দলের কয়েকজন খেলোয়াড় বোধহয় ভাবতে শুরু করে দিয়েছিল, ম্যাচটা শেষ হয়ে গিয়েছে। যদিও বিরতিতে ছেলেদের বলে দিয়েছিলাম ফল নিয়ে ভেবো না, ধরে নাও গোলশূন্য এবং আমাদের আরও একটা গোল করতেই হবে। “

খেলার প্রথমার্ধের বাঁশি বাজার পর সেকেন্ড হাফে খেলা শুরু হওয়ার আগের মুহুর্ত যেকোনো দলের কাছে গুরুত্বপূর্ণ। এই সময়ে মাইন্ড গেম চলে খেলোয়াড়দের মধ্যে। গোলের লিড থাকলে দ্বিতীয়ার্ধে কিভাবে ব্যবধান বাড়ানো যায়,পিছিয়ে থাকলে ভিন্ন স্ট্র‍্যাটেজি,গোল না পেলে আবার সম্পূর্ণ আলাদা গেম প্ল্যান নিয়ে ছোট্ট সময়ে নিখুঁত ছক কষে ফেলা।এই সময়ে ইস্টবেঙ্গল খেলোয়াড়দের সঙ্গে লাল হলুদ শিবিরের বৃটিশ কোচ কনস্টাটাইনের কথা হয়েছিল স্বীকার করে নিয়ে তিনি বলেন,”সব কিছুই ঠিকঠাক ছিল। খেলোয়াড় পরিবর্তন করার কথাও মনে হয়নি। “এরপরেই আক্ষেপের সুর ঝড়ে পড়লো বৃটিশ কোচের মুখ থেকে।কনস্টাটাইনের কথাতে,”হঠাৎ করে ছেলেরা যেন সুইচ অফ করে বসে রইল এবং তারই শাস্তি পেতে হল আমাদের।”

পেশাদার ফুটবলে এবং ইস্টবেঙ্গলের মতো বড়ো দলে খেলতে এসে ফুটবলারদের এমন মানসিকতার ধারাবাহিকতা বজায় থাকলে আখেরে ভুগতে হবে লাল হলুদ ভক্তদের। গোড়া থেকেই ইস্টবেঙ্গলের কোচিংর দায়িত্ব নেওয়ার সময় থেকেই স্টিফেন কনস্টাটাইন ভক্তদের উদ্দ্যেশে বলে আসছেন এটা নতুন দল,নতুন সেট আপ,উন্নতির জন্য ধৈহ্য ধরতে হবে… কিন্তু কথা হচ্ছে খেলোয়াড়দের কাছে ইস্টবেঙ্গল ক্লাব,পরিবেশ,টিমমেটরা নতুন হতে পারে,ফুটবলারদের কাছে ফুটবলটা নতুন নয়,কেননা এটা তাদের পেশা।তাই ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের ভুলগুলোকে ভুল বললে খাটো করে দেখা হবে,প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে লাল হলুদ খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্স শিশুসুলভ।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে হেরে কেন শাস্তি পেতে হল? ফাঁস করলেন কনস্টাটাইন

কলকাতার ময়দানে ব্যর্থ পোগবাকে কি বিদায় দিচ্ছে মোহনবাগান: জানুন সত্যি

Florentin Pogba

আগামী রবিবার এটিকে মোহনবাগানের (ATK Mohun Bagan) খেলা এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে। এই ম্যাচ ঘিরে প্রস্তুতির মাঝে সবুজ মেরুন ফুটবলার ফ্লোরেন্টিন পোগবার (Florentin Pogba) পারফরম্যান্স গ্রাফ এখন আতস কাঁচের নীচে।

সূত্রের খবর, এটিকে মোহনবাগান (ATK Mohun Bagan) বোর্ড এবং টিম ম্যানেজমেন্ট পোগবাকে (Florentin Pogba)দলে রাখার বিষয়ে একপ্রস্থ আলোচনা সেরে নিয়েছে।

শনিবার ভিডিও কলের মাধ্যমে দলের থিঙ্ক ট্যাঙ্ক এবং বোর্ড ম্যানেজমেন্ট ফ্লোরেন্টিন পোগবার (Florentin Pogba)পারফরম্যান্স নিয়ে আলোচনাতে বসেছিল। যদিও ওই আলোচনাতে মোহনবাগানে (ATK Mohun Bagan) পোগবার (Florentin Pogba) ফুটবল নিয়ে বড় কোনও সিদ্ধান্তে আসা হয়নি।জানুয়ারিতে ফিফা উইন্ডো খুলছে।মাঝে এখনও সময় আছে।তাই পোগবাকে (Florentin Pogba) দলে রাখা অথবা রিলিজ করে দেওয়ার মতো বড় সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে পোগবার সঙ্গে কথা বলা জরুরি এমনই নির্যাস উঠে এসেছে ওই আলোচনায়।

কোচ হুয়ান ফেরান্দো পোগবা (Florentin Pogba) ইস্যুতে ওই আলোচনাতে ছিলেন।সিদ্ধান্ত শুধু এতটুকু হয়েছে ATKমোহনবাগান (ATK Mohun Bagan)ফ্লোরেন্টিন পোগবাকে (Florentin Pogba) সুযোগ দিতে চায় পারফর্ম করে দেখানোর জন্য।হুয়ান ফেরান্দো আলাদাভাবে পোগবার (Florentin Pogba) সাথে কথা বলবেন এমমটাই খবর।

এফসি গোয়া এবং হায়দরাবাদ এফসি ম্যাচ সবুজ মেরুন শিবিরের কাছে অগ্নিপরীক্ষার সমান।হায়দরাবাদ ইন্ডিয়ান সুপার লিগে টপার।সুতরাং রবিবার এবং আগামী শনিবারের ম্যাচ হুয়ান ফেরান্দোর ছেলেদের কাছে শুধু গুরুত্বপূর্ণ তাইই নয়,কঠিন। হায়দরাবাদ এফসি ছোট ছোট মার্জিনে জয় পাচ্ছে।ইস্টবেঙ্গল এফসি কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইনও হায়দরাবাদ এফসির জয়ের ধারাবাহিকতার গুণগান ইতিমধ্যেই গেয়েছেন।

অন্যদিকে, এফসি গোয়া পাঁচ নম্বরে নেমে গিয়েছে লিগ টেবলে। চারে ATKমোহনবাগান (ATK Mohun Bagan), তিনে ওড়িশা এফসি ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে উঠে এসেছে।দুইতে মুম্বই সিটি এফসি।লিগ টপার হওয়ার ক্ষেত্রে এই টিমগুলো খুব ক্লোজড ফাইটের মুখে। ফলে মেরিনার্সদের নিজেদের খেলাগুলো জিততেই হবে লিগে প্রথম তিনের মধ্যে থাকতে হলে। আর তার জন্য চাই ধারাবাহিক পারফরম্যান্স।

এই জায়গাতেই ফ্লোরেন্টিন পোগবা (Florentin Pogba) কার্যকরী হয়ে উঠতে পারে নিজে পারফর্ম করে সঙ্গে চাকরি বাঁচাতে পারে।তাই পোগবাকে (Florentin Pogba) সুযোগ দেওয়া হবে, আচমকা বড় কোনও সিদ্ধান্ত না নেওয়ার পক্ষেই সওয়াল শনিবারে ওই আলোচনাতে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন কলকাতার ময়দানে ব্যর্থ পোগবাকে কি বিদায় দিচ্ছে মোহনবাগান: জানুন সত্যি

কিরিয়াকুর চোট নিয়ে মুখ খুললেন ইস্টবেঙ্গল কোচ কনস্টাটাইন

Charalambos Kyriakou injury

যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শুক্রবার ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল ইস্টবেঙ্গল এফসি (East Bengal FC) ।দ্বিতীয়ার্ধে পেদ্রোর জোড়া গোল এবং জেরি,নন্দ কুমারের গোলে তিন পয়েন্ট পকেটে পুড়ে ঘরের ফেরার তোড়জোড় শুরু করেছে ওড়িশা এফসি।

খেলা শেষে ইস্টবেঙ্গল কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে টিমের ইনজুরি ইস্যুতে মুখ খোলেন।সাংবাদিকরা কনস্টাটাইনের কাছে চ্যারিস কিরিয়াকুর অবস্থা এখন কেমন আছে জানতে চাইলে বলেন,”ও আপাতত হাসপাতালে রয়েছে। ভ্রু-র ওপর সেলাই করতে হয়েছে। নিশ্চিত হওয়ার জন্য চিকিৎসকরা এমআরআই করতে বলেছেন। আশা করি, ও দ্রুত সেরে উঠবে। ওর চোটটাও আমাদের ক্ষতি করল।”

প্রসঙ্গত,ওড়িশার বিরুদ্ধে প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল লাল হলুদ শিবির। কিন্তু খেলার দ্বিতীয়ার্ধে ইস্টবেঙ্গল খেলোয়াড়দের মনঃসংযোগে চিড় ধরে।দু’গোলে এগিয়ে যাওয়ার আত্মতুষ্টি থেকে একটা গা ছাড়া মনোভাব বিপদ ডেকে আনে গোটা শিবিরে। মনঃসংযোগের অভাব সঙ্গে আত্মতুষ্টির মিশেলে গেম থেকে হারিয়ে যেতেই সুযোগ লুফে নেয় ‘ইস্টার্ন ড্রাগনর্স’।

ইস্টবেঙ্গল এফসির ডিপ ডিফেন্সে ওড়িশা এফসির খেলোয়াড়রা ‘সুপার সাইক্লোনের’ মতো আছড়ে পড়ে।এতেই লাল হলুদ ডিফেন্স লাইনে ফাটল চওড়া হয়ে যায়।এমনিতেই ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্স নিয়ে ভক্তরা আশঙ্কিত থাকে।গত দুই ইন্ডিয়ান সুপার লিগে ‘ডিফেন্সিভ ল্যাপস ‘ ভুগিয়েছিল ইস্টবেঙ্গলকে।চলতি আইএসএলেও রেড এন্ড গোল্ড ব্রিগেড নিজেদের পুরনো রোগ থেকে বেরিয়ে আসতে পারলো না।তাই লাল হলুদ জনতার মনে ফের একবার লিগে ‘লাস্ট বয়ে’র ভ্রুকুটি উকি দিচ্ছে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন কিরিয়াকুর চোট নিয়ে মুখ খুললেন ইস্টবেঙ্গল কোচ কনস্টাটাইন

Sourav Ganguly: ছোটদের উদেশ্যে পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগ দেওয়ার বার্তা সৌরভের

Sourav Ganguly

নেতা হিসাবে তাঁর দক্ষতা সকলের জানা। ভারতীয় দলের অধিনায়কত্ব থেকে বিসিসিআই সভাপতির আসন, সবটাই অবলীলায় সামাল দিয়েছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)। এবার নতুন ভূমিকায় সৌরভ। ছোটদের হয়ে এবার ব্যাট ধরলেন প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলোকেও ছোটদের শিক্ষার অঙ্গ হিসাবে যোগ করার আবেদন দাদার।১৪ নভেম্বর ছিল জাতীয় শিশু দিবস এবং আর একদিন পরেই পালিত হবে আন্তর্জাতিক শিশু দিবস।

সেই উপলক্ষ্যেই ইউনিসেফের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ছোটদের হয়ে মাঠে নেমেছেন সৌরভ। তাঁর মতে খেলাধুলো অনেক কিছু শেখায়, যা জীবনের নানা সময়ে সকলেরই কাজে লাগে। ইউনিসেফের হয়ে এক ভিডিও বার্তায় সৌরভ বলেন, ‘ছোটদের তরফে আমি অনুরোধ করছি যাতে সকলেই খেলার সুযোগ পায় এবং খেলাধুলোকে যেন তাদের স্কুলের শিক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসাবে যোগ করা হয়।’ সৌরভের এই ভিডিও বার্তা ইউনিসেফের বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া মাধ্যমেও শেয়ার করা হয়েছে।

নিজের বার্তায় সকলের খেলাধুলোর পাশাপাশি শিক্ষা পাওয়ার অধিকার নিয়েও কথা বলেন মহারাজ। ‘জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, নির্বিশেষে সকল শিশুরই ভাল শিক্ষা পাওয়ার অধিকার আছে। মহিলাদের শিক্ষায় নিয়োগ করলে, তা কিন্তু ভবিষ্যতে জাতি, দেশ এমনকী গোটা বিশ্বকেও বদলে দিতে পারে। তাই আমি সকলের কাছে অনুরোধ করছি, সবাই মিলে আমরা যেন এটা নিশ্চিত করতে পারি যে সব বাচ্চারা যেন স্কুলে যাওয়ার সুযোগ পায় এবং তারা যেন পড়াশুনা চালিয়ে যেতে পারে।’

একজন কলেজ পড়ুয়া মেয়ের বাবা হিসাবে আবেদন করেন সৌরভ। ইউনিসেফের তরফে প্রতি বছরই জাতীয় শিশু দিবস (১৪ নভেম্বর) থেকে আন্তর্জাতিক শিশু দিবস (২০ নভেম্বর) পর্যন্ত গোটা সপ্তাহ জুড়ে ছোটদের বিভিন্ন বিভাগে সাফল্যের গল্পগুলিকে তুলে ধরা হয়। আন্তর্জাতিক সংস্থার তরফে এই বছরে ছোটদের খেলাধুলো বিষয়ক বিভিন্ন সাফল্যকেই তুলে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই উদ্যোগেই তাঁরা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে পাশে পেয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের ইউনিসেফের প্রধান মহম্মদ মহিউদ্দিন মনে করেন সৌরভের মতো পরিচিত এবং বিখ্যাত এক ব্যক্তির এই উদ্যোগে যোগ হওয়ায়, অনেক বেশি করে মানুষজন ছোটদের নিয়ে ভাবনাচিন্তা করার, তাদের খেলাধুলো, শিক্ষার সুযোগ তৈরি করে দেওয়ায় উদ্বুদ্ধ হবেন। সৌরভ ছোটদের ক্রীড়াবিভাগে সাফল্য নিয়ে তৈরি ‘হিরোজ’ নামক এক সিনেমারও পাশে দাঁড়িয়ে নিজের সমর্থন জানিয়েছেন। এই সিনেমার মাধ্যমে খুদে ক্রীড়াবিদদের জীবন যাপন, তারা যে প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়, সেইসব প্রতিকূলতা এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে তাদের সাফল্যের নানা কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Sourav Ganguly: ছোটদের উদেশ্যে পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগ দেওয়ার বার্তা সৌরভের

Sourav Ganguly: ছোটদের উদেশ্যে পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগ দেওয়ার বার্তা সৌরভের

Sourav Ganguly

নেতা হিসাবে তাঁর দক্ষতা সকলের জানা। ভারতীয় দলের অধিনায়কত্ব থেকে বিসিসিআই সভাপতির আসন, সবটাই অবলীলায় সামাল দিয়েছেন সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায় (Sourav Ganguly)। এবার নতুন ভূমিকায় সৌরভ। ছোটদের হয়ে এবার ব্যাট ধরলেন প্রাক্তন ভারতীয় অধিনায়ক। পড়াশোনার পাশাপাশি খেলাধুলোকেও ছোটদের শিক্ষার অঙ্গ হিসাবে যোগ করার আবেদন দাদার।১৪ নভেম্বর ছিল জাতীয় শিশু দিবস এবং আর একদিন পরেই পালিত হবে আন্তর্জাতিক শিশু দিবস।

সেই উপলক্ষ্যেই ইউনিসেফের সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে ছোটদের হয়ে মাঠে নেমেছেন সৌরভ। তাঁর মতে খেলাধুলো অনেক কিছু শেখায়, যা জীবনের নানা সময়ে সকলেরই কাজে লাগে। ইউনিসেফের হয়ে এক ভিডিও বার্তায় সৌরভ বলেন, ‘ছোটদের তরফে আমি অনুরোধ করছি যাতে সকলেই খেলার সুযোগ পায় এবং খেলাধুলোকে যেন তাদের স্কুলের শিক্ষার এক গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসাবে যোগ করা হয়।’ সৌরভের এই ভিডিও বার্তা ইউনিসেফের বিভিন্ন সোশ্যাল মিডিয়া মাধ্যমেও শেয়ার করা হয়েছে।

নিজের বার্তায় সকলের খেলাধুলোর পাশাপাশি শিক্ষা পাওয়ার অধিকার নিয়েও কথা বলেন মহারাজ। ‘জাতি, ধর্ম, বর্ণ, লিঙ্গ, নির্বিশেষে সকল শিশুরই ভাল শিক্ষা পাওয়ার অধিকার আছে। মহিলাদের শিক্ষায় নিয়োগ করলে, তা কিন্তু ভবিষ্যতে জাতি, দেশ এমনকী গোটা বিশ্বকেও বদলে দিতে পারে। তাই আমি সকলের কাছে অনুরোধ করছি, সবাই মিলে আমরা যেন এটা নিশ্চিত করতে পারি যে সব বাচ্চারা যেন স্কুলে যাওয়ার সুযোগ পায় এবং তারা যেন পড়াশুনা চালিয়ে যেতে পারে।’

একজন কলেজ পড়ুয়া মেয়ের বাবা হিসাবে আবেদন করেন সৌরভ। ইউনিসেফের তরফে প্রতি বছরই জাতীয় শিশু দিবস (১৪ নভেম্বর) থেকে আন্তর্জাতিক শিশু দিবস (২০ নভেম্বর) পর্যন্ত গোটা সপ্তাহ জুড়ে ছোটদের বিভিন্ন বিভাগে সাফল্যের গল্পগুলিকে তুলে ধরা হয়। আন্তর্জাতিক সংস্থার তরফে এই বছরে ছোটদের খেলাধুলো বিষয়ক বিভিন্ন সাফল্যকেই তুলে ধরার চেষ্টা করা হচ্ছে। এই উদ্যোগেই তাঁরা সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়কে পাশে পেয়েছে।

পশ্চিমবঙ্গের ইউনিসেফের প্রধান মহম্মদ মহিউদ্দিন মনে করেন সৌরভের মতো পরিচিত এবং বিখ্যাত এক ব্যক্তির এই উদ্যোগে যোগ হওয়ায়, অনেক বেশি করে মানুষজন ছোটদের নিয়ে ভাবনাচিন্তা করার, তাদের খেলাধুলো, শিক্ষার সুযোগ তৈরি করে দেওয়ায় উদ্বুদ্ধ হবেন। সৌরভ ছোটদের ক্রীড়াবিভাগে সাফল্য নিয়ে তৈরি ‘হিরোজ’ নামক এক সিনেমারও পাশে দাঁড়িয়ে নিজের সমর্থন জানিয়েছেন। এই সিনেমার মাধ্যমে খুদে ক্রীড়াবিদদের জীবন যাপন, তারা যে প্রতিকূলতার সম্মুখীন হয়, সেইসব প্রতিকূলতা এবং ক্রীড়াক্ষেত্রে তাদের সাফল্যের নানা কাহিনী তুলে ধরা হয়েছে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Sourav Ganguly: ছোটদের উদেশ্যে পড়াশুনার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোযোগ দেওয়ার বার্তা সৌরভের

Qatar WC: খেলা হবে! বিশ্বকাপের আগেই ৬০ কোটিতে ম্যাচ কিনছে কাতার?

কাতারের (Qatar) কাছ কোটি কোটি টাকা হাতের ময়লা। তেল বাণিজ্যের কৃপায় বিপুল ঐশর্যের অধিকারী দেশটি। বিশ্বকাপের (Qatar WC)  আয়োজক দেশ হিসেবে খেলতে নামার আগেই ৭.৪ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার (US dollar) ঘুষ দিয়ে ম্যাচ কেনার (Match Fixing) বিতর্কে জড়িয়েছে তারা।

কাতারকে ম্যাচ ছেড়ে দেবে ইকুয়েডর? বিশ্বকাপের আগেই বিস্ফোরক প্রশ্নে বিশ্ব আলোড়িত

ভারতীয় টাকার অংকে হিসেব করলে হয় ৬০ কোটি। এই পরিমাণ টাকা দিয়ে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচটি কিনে নিতে মরিয়া কাতার সরকার। লক্ষ্য যে করেই হোক বিশ্বকাপের আয়োজক দেশ হিসেবে খেলার মাঠে একটি দাগ রেখে যাওয়া। প্রতিপক্ষ দল দক্ষিণ আমেরিকার দেশ ই়কুয়েডর। অভিযোগ সেই দেশের কাছে গোপনে ৭.৪ মিলিয়ন আমেরিকান ডলার পাঠিয়েছে কাতার।

ম্যাচ কেনার অভিযোগ তুলেছেন মধ্যপ্রাচ্যের ব্রিটিশ গবেষণা কেন্দ্রের আঞ্চলিক প্রধান আমজাদ তাহা। তাঁর বিস্ফোরক দাবি, ইকুয়েডর ম্যাচ ছেড়ে দেবে কাতারকে।  উদ্বোধনী ম্যাচে জয়ের জন্য ইকুয়েডরের আটজন ফুটবলারকে ৭.৪ মিলিয়ন ডলারকে ঘুষ দিয়েছে কাতার। দ্বিতীয়ার্ধে করা গোলে ইকুয়েডরকে হারাবে কাতার। তিনি আরও দাবি করেন,  কাতারের পাঁচজন এবং ইকুয়েডর শিবিরের ভিতর থেকেই এমন খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে আশাকরি এটা ভুল খবর।  ফিফা এই দুর্নীতির বিরোধিতা করুক। 

আমজাদ তাহার বিস্ফোরক টুইট বিশ্বকাপের আগে বিতর্কের বিস্ফোরণ ঘটালো। তিনি লিখেছেন, “Exclusive: Qatar bribed eight Ecuadorian players $7.4 million to lose the opener(1-0 2nd half). Five Qatari and Ecadour insiders confirmed this. We hope it’s false. We hope sharing this will affect the outcome. The world should oppose FIFA corruption.”

রবিবার বিশ্বকাপ শুরু। ইকুয়েডরের বিপক্ষে মাঠে নামবে কাতার। অভিযোগ তোলা হয়েছে কাতারকে নাকি ম্যাচ ছেড়ে দেবে ইকুয়েডর। বিশ্বকাপ যুদ্ধের প্রথম ম্যাচেই জয় চায় কাতার। আয়োজক দেশ হিসেবে এটা জরুরি বলে মনে করছে কাতার। অভিযোগ, জয় নিশ্চিত করতে ইকুয়েডরের ৮ জন ফুটবলারকে সাত মিলিয়ন আমেরিকান ডলারের বেশি ঘুষ দিয়েছে কাতার ফুটবল সংস্থা।

বিতর্ক আরও বেড়েছে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী ম্যাচে নিজের দেশের হয়ে গ্যালারিতে থাকছেন না ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট। তিনি কেন আসছেন না? এই প্রশ্নের পরই ইকুয়েডরকে বিপুল অর্থ দিয়ে ম্যাচ কেনার বিতর্কে জড়াল কাতার।

Al jazeera জানাচ্ছে, এই বিস্ফোরক টু়ইটের পর ফিফার অন্দরমহলে ভূমিকম্প হয়ে গেছে।

Gulf News জানাচ্ছে, বিশ্বকাপ শুরুর আগেই বিরাট ঘুষ বিতর্কে জড়াল কাতার। ইকুয়েডর কি সত্যি করেই হারবে?

Indide Sports জানাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের ব্রিটিশ সেন্টারের অধিকর্তার টুইটে সরকারিভাবে ম্যাচ গড়পেটার ইঙ্গিত মিলেছে।

Reuters জানাচ্ছে, ইকুয়েডরের প্রেসিডেন্ট গুইল্লারমো লাসো বলেছেন, আমি কাতারের আমিরকে ধন্যবাদ জানাই আমন্ত্রণ করার জন্য। জাতীয় নিরাপত্তার খাতিরে আমি বিশ্বকাপ উদ্বোধনী ম্যাচে থাকতে পারব না। তবে ভাইস প্রেসিডেন্ট থাকবেন।

কাতারকে ম্যাচ ছেড়ে দেবে ইকুয়েডর? বিশ্বকাপের আসরে এটাই বড় প্রশ্ন।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Qatar WC: খেলা হবে! বিশ্বকাপের আগেই ৬০ কোটিতে ম্যাচ কিনছে কাতার?

ওড়িশা এফসির কাছে হারের জেরে ইস্টবেঙ্গল খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে মন্তব্য কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইনের

East Bengal coach Stephen Constantine

ওড়িশা এফসির (Odisha FC) কাছে হেরে গিয়ে ইস্টবেঙ্গল এফসির (East Bengal) ফুটবলারদের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক মন্তব্য করে বসলেন কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইন।প্রথমার্ধে ২-০ গোলে লিড নিয়েছিল লাল হলুদ ব্রিগেড। কিন্তু গোলের এই লিড ধরে রাখতে পারেনি ইভান গঞ্জালেস, অঙ্কিত, কমলজিৎরা।

খেলার দ্বিতীয়ার্ধে ‘ইস্টার্ন ড্রাগনর্স’ ফণা তুলে লাল হলুদ ব্রিগেডকে ছারাখার করে দিয়েছে।ওড়িশার হয়ে পেদ্রোর জোড়া গোল সঙ্গে জেরি এবং নন্দ কুমারের গোল, খেলার ফলাফল ২-৪ গোলে জয় ওড়িশা এফসির, ইস্টবেঙ্গল এফসির।

ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মুখ পুড়েছে ইস্টবেঙ্গল এফসির।গোটা শিবির জুড়ে থমথমে পরিবেশ। কেউ কারোর সঙ্গে কথা বলছে না হারের ধাক্কাতে।গোটা টিমটাই গুটিয়ে রয়েছে।গুমোট আর অস্বস্তিকর পরিবেশকে ইস্টবেঙ্গল খেলোয়াড়দের জন্য আরও দমবন্ধ করে তুলেছে লাল হলুদ কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইনের ফুটবলারদের নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য।

কি সেই বিতর্কিত? মন্তব্য যার জেরে ইস্টবেঙ্গল এফসির অন্দরমহল থেকে শুরু করে বাইরে লাল হলুদ ঝড় উঠেছে।খেলা শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইস্টবেঙ্গলের বৃটিশ কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইন ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে নিজের দলের খেলোয়াড়দের সরাসরি কাঠগড়ায় তুলে দিয়ে বলেন,”বিরতির সময়ে আমি ছেলেদের বলেছিলাম, স্কোর কী, তা ভুলে যাও। কারণ, ওরা আক্রমণে আরও খেলোয়াড় আনবে আর দ্রুত গোল শোধ করার চেষ্টা করবে।”

এরপরেই কনস্টাটাইন ইস্টবেঙ্গল খেলোয়াড়দের টার্গেট করে ‘বিস্ফোরক মন্তব্য’ করতে গিয়ে বলেন,” দ্বিতীয়ার্ধে আমাদের ছেলেরা পুরোপুরি সুইচ অফ করে দিল। স্কুলের ছেলেদের মতো ভুল করতে শুরু করল। ওদের(ওড়িশা এফসি) খেলোয়াড়দের অরক্ষিত অবস্থায় ছেড়ে রাখল। ওদের ভাল ভাল খেলোয়াড় আছে। তারাই আমাদের ভুলের শাস্তি দিল। এই ধরনের ভুল স্কুলের ছেলেরাও করে না। “

ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে লজ্জার হারের পর লাল হলুদ খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে তোপ দেগে,টিমের ফুটবলারদের অভিযুক্ত হিসেবে কাঠগড়ায় তুলে আখেরে ইস্টবেঙ্গল এফসি কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইন দলের ভিতরেই নিজেই নিজের বিরুদ্ধে ফ্রন্ট খুলে বসলেন।আগামী দিনে ইস্টবেঙ্গল এফসি কোচ হিসেবে কনস্টাটাইন কতদূর এগোতে পারবেন এবং নিজে কতটা এগোতে চাইবেন তা নিয়ে চর্চা ইতিমধ্যেই শুরু করে দিয়েছে লাল হলুদ জনতা।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ওড়িশা এফসির কাছে হারের জেরে ইস্টবেঙ্গল খেলোয়াড়দের বিরুদ্ধে মন্তব্য কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইনের

First Football World Cup: ১৯৩০ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রথম ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে খুঁটিনাটি কিছু তথ্য!

1st-world-cup

ফিফার প্রথম বৈঠকটি হয় ১৯০৪ সালে। প্যারিসে বসে ফিফার কর্মকর্তারা খেলার রাজা ফুটবলের বিশ্ব প্রতিযোগিতার আয়োজন করার কথা ভাবেন।এর পর ১৯২৮ সালে আমস্টারডামে অলিম্পিক চলাকালে ফুটবল উপলক্ষে বিশ্বকে এক করতে চার বছর পর পর বিশ্বকাপ আয়োজন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।১৯২৯ সালে সিদ্ধান্ত হয় প্রথম বিশ্বকাপ ফুটবল (First Football World Cup) অনুষ্ঠিত হবে ১৯৩০ সালে।

সেই সময় কোন দেশটি এ ঐতিহাসিক ঘটনার পটভূমি হতে প্রস্তুত সে প্রতিযোগিতায় নাম লিখিয়েছিল চার দেশ। যথা- ইতালি, হল্যান্ড, স্পেন ও সুইডেন। এই চার দেশ প্রথম বিশ্বকাপের স্বাগতিক দেশ হতে আগ্রহ দেখিয়েছিল।কিন্তু ১৯২৪ ও ১৯২৮ সালে পর পর দুবার অলিম্পিক ফুটবল আসরে সোনাজয়ী হওয়ার কারণে উরুগুয়ে এই দুর্লভ সম্মান পায়। ১৯৩০ সালের প্রথম বিশ্বকাপের আয়োজক হয় নীল জার্সির দেশ উরুগুয়ে।    

প্রথম বিশ্বকাপে অংশ নেয় ১৩ দেশ। ইউরোপের মাত্র চারটি দেশ, উত্তর আমেরিকা থেকে যুক্তরাষ্ট্র ও মেক্সিকো এবং সাতটি দেশ অংশ নেয় লাতিন আমেরিকা থেকে।এ নিয়েই প্রথম বিশ্বকাপের মহারণ। সেই সময় দীর্ঘ সমুদ্রযাত্রার কারণে উরুগুয়ের মন্টিভিও যেতে পারেনি অস্ট্রিয়া, জার্মানি, হাঙ্গেরি, ইতালি, স্পেন, সুইজারল্যান্ডের মতো দেশ। হয়তো আয়োজন ইউরোপের কোথাও হলে তারাও আসতে পারত প্রথম বিশ্বকাপে।১৯৩০ সালের ১৩ জুলাই শুরু হয় বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম ম্যাচ ফ্রান্স বনাম মেক্সিকো। আর সব ম্যাচ থেকে এ ম্যাচ অবশ্যই অনন্য, সম্মানীয় ও ঐতিহাসিক। সে ম্যাচে ফ্রান্স মেক্সিকোকে ৪-১ গোলে পরাজিত করে। সেমিফাইনালে আর্জেন্টিনা ৬ গোল জড়ায় যুক্তরাষ্ট্রের জালে। ম্যাচ শেষ হয় ৬-১ গোলে। একই ব্যবধানে অপর সেমিফাইনালে উরুগুয়ে হারায় যুগোস্লোভাকিয়াকে।

বিশ্বকাপ ইতিহাসের প্রথম ফাইনালে মুখোমুখি হয় চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আর্জেন্টিনা ও উরুগুয়ে। চিরস্মরণীয় এ ফাইনালে দেখা দেয় বিচিত্র এক সমস্যা। দুদলই দাবি করে নিজ নিজ দেশের বল দিয়ে খেলতে দিতে হবে।ফিফা এই অদ্ভুত এ সমস্যার সমাধান করে দেয় এভাবে যে, প্রথমার্ধে ও দ্বিতীয়ার্ধে দুই দেশ তাদের নিজ নিজ ভিন্ন বল দিয়ে খেলবে।দুই দেশের বল মাঠে গড়ালেও ইতিহাস গড়া প্রথম ফাইনালে আর্জেন্টিনাকে ৪-২ গোলে পরাজিত করে উরুগুয়ে প্রথম জুলেরিমে ট্রফি (বিশ্বকাপের পূর্ব নাম) জয়লাভ করে সৃষ্টি করে আরেক ইতিহাস।বিশ্বকাপ জয়ের আনন্দে উদ্বেল উরুগুয়েতে ফাইনালের পর দিন জাতীয় উৎসব ও ছুটি ঘোষণা করা হয়।এ আয়োজনে আর্জেন্টাইন তারকা স্ট্রাইকার স্টাবিল ৪ ম্যাচে ৮ গোল করে ইতিহাসের প্রথম সর্বোচ্চ গোলদাতা হওয়ার সম্মান অর্জন করেন।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন First Football World Cup: ১৯৩০ সালে অনুষ্ঠিত হওয়া প্রথম ফুটবল বিশ্বকাপ নিয়ে খুঁটিনাটি কিছু তথ্য!

সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ইস্টবেঙ্গল কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইন

East Bengal coach Stephen Constantine

যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে শুক্রবার ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রথমার্ধে ২-০ গোলে এগিয়ে ছিল ইস্টবেঙ্গল এফসি(East Bengal FC) । দ্বিতীয়ার্ধে পেদ্রোর জোড়া গোল এবং জেরি,নানডার গোলে তিন পয়েন্ট পকেটে পুড়ে ঘরের ফেরার তোড়জোড় ওড়িশা এফসির, ইস্টবেঙ্গলের বিরুদ্ধে।

ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ইস্টবেঙ্গল এফসি কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইনকে অনেকটাই বিমর্ষ দেখিয়েছে।সাংবাদিকদের প্রশ্নবাণ আসার আগে প্রথমেই লাল হলুদ ভক্তদের কাছে ক্ষমা চেয়ে নিলেন ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে এগিয়ে গিয়েও তিন পয়েন্ট হাতছাড়া করায়।

ইস্টবেঙ্গল ভক্তদের কাছে ক্ষমা চাওয়া প্রসঙ্গে সাংবাদিকদের কনস্টাটাইন বলেন,”দ্বিতীয়ার্ধের এই পারফরম্যান্সের জন্য খেলোয়াড়দের হয়ে আমি ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি। এটা ইস্টবেঙ্গলের পক্ষে মোটেই ভাল হল না।”মিনিট তিনকের সাংবাদিক বৈঠকে কার্যত হতাশ ইস্টবেঙ্গলের বৃটিশ কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইন।কথা না বাড়িয়ে সাংবাদিক বৈঠকে ভারাক্রান্ত মনে বেরিয়ে আসার সময়েও চোখে মুখে একরাশ হতাশা আর কাধ ঝুঁকিয়ে মাথা নাড়তে নাড়তে বেরিয়ে আসার সময় ইস্টবেঙ্গল কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইনের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ আত্মসমর্পণকারীর মতোই ফুটে উঠেছিল।গত দুই ইন্ডিয়ান সুপার লিগে ইস্টবেঙ্গল টিমের ধারাবাহিকতার অভাবে লিগ অভিযান শেষতম পজিশনে শেষ হয়েছিল।চলতি আইএসএলের ২০২২-২৩ মরসুমেও একই আশঙ্কা জেগে উঠেছে ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে পারফরম্যান্সের জেরে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন সমর্থকদের কাছে ক্ষমা চাইলেন ইস্টবেঙ্গল কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইন

Qatar Football world cup: রমরমিয়ে চলছে জার্সি বিক্রি! কোন দলের পতাকা জার্সির চাহিদা বেশি?

world-cup-jersey

বিশ্বকাপের হাওয়া বইতে শুরু করেছে। ২০ নভেম্বর ২০২২ শুরু ফিফা ফুটবল বিশ্বকাপ (world cup)। ফুটবল জ্বরে মাততে ফের একবার তৈরি বাংলা। আর এই বিশ্বকাপ এলেই লাভের মুখ দেখে স্পোর্টসের দোকানগুলি। রোনাল্ডো, মেসির জার্সি কিনতে ভিড়ে ভিড়াক্কার ময়দান বাজার। উত্তর-দক্ষিণ কলকাতা, এমনকি জেলাগুলিতেও আর্জেন্টিনা, ব্রাজিলের পতাকায় সাজ সাজ রব। সেইসঙ্গে চার বছর পর ফের মুনাফার মুখ দেখছে ময়দান মার্কেট সহ কলকাতার অন্যান্য স্পোর্টসের দোকানগুলিও।

ফুটবলপ্রেমীদের অনেকেরই জার্সির নেশা। আবার শহর থেকে মফঃস্বলের গলি-ঘুপচি সাজিয়ে তোলা হয় পতাকায়৷ আর্জেন্টিনা না ব্রাজিল? চলতি বছরে কোন দেশের পতাকা জার্সির চাহিদা বাজারে সবথেকে বেশি। কতই বা তার দাম? খোঁজ নিল আজতক বাংলা।ময়দান মার্কেটের এক স্পোর্টস সামগ্রী বিক্রেতা শেখ মহম্মদ নাসিরুদ্দিন জানিয়েছেন, প্রত্যেক বছরের মতো এবছরও আর্জেন্টিনার জার্সি-পতাকার চাহিদাই তুঙ্গে, এরপরই ব্রাজিল। জার্মানি, স্পেন, পর্তুগালের জার্সি বিক্রির সংখ্যা তুলনামূলক কম। পাশাপাশি, ফুটবল, বুট জুতো, বিশ্বকাপের চাবির রিং, কাপের রেপ্লিকাও বিক্রি হচ্ছে রমরমিয়ে। ২ বছর লকডাউনের পর আশা করা যাচ্ছে এবছর লাভের মুখ দেখবে দোকানগুলি।

আমদানি করা জার্সির দাম ৮০০-১৫০০ টাকার মধ্যে। অন্যদিকে, দেশীয় ব্র্যান্ডের জার্সি ৪০০-৫০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর্জেন্টিনা, ব্রাজিলের পতাকা মাপ অনুযায়ী ৪০০, ৫০০ টাকা দাম৷রবিবার থেকেই যার যার পছন্দের জার্সি গায়ে ক্লাবে, বাড়িতে একত্র হয়ে টিভির পর্দায় চোখ রাখবেন ফুটবলপ্রেমীরা। পাড়ায় পাড়ায় বক্সে বেজে উঠবে ওয়াকা ওয়াকা, ওলে ওলা।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Qatar Football world cup: রমরমিয়ে চলছে জার্সি বিক্রি! কোন দলের পতাকা জার্সির চাহিদা বেশি?

Qatar Football world cup: কাতার বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামে খাওয়া যাবে না বিয়ার!!হতাশ দর্শকবৃন্দ

qatar-football-world-cup

কাতার বিশ্বকাপে(Qatar Football world cup) স্টেডিয়ামে বসে না কি বিয়ার খাওয়া যাবে না। এমনটাই শোনা যাচ্ছে। বিশ্বকাপে দেশ- বিদেশ থেকে প্রচুর মানুষ খেলা দেখতে এসেছেন। কাতারে মদ তো বটেই নিষিদ্ধ বিয়ারও। কয়েকমাস আগে বিয়ারের ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়ার কথা জানিয়েছিলেন আয়োজকরা। তবে একেবারে শেষ মুহূর্তে বিয়ারের ওপর ফের নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে বলে খবর। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের ফুটবল প্রেমীদের মধ্যে বিয়ার খেতে খেতেই ম্যাচ দেখার অভ্যাস রয়েছে। তাঁরা এবার সমস্যায় পড়তে পারেন। 

স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে একটি চুক্তি হয়েছিল বিশ্বকাপ আয়োজকদের৷ সেই চুক্তি সেখানে বলা হয়েছিল, বিশ্বকাপ যতদিন চলবে ততদিন কাতারে বিয়ার পান করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকবে না। প্রধানত মুসলিম প্রধান দেশে অ্যালকোহল জাতীয় পানীয় ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা থাকে৷ সেই জন্যই এমন সন্দেহ করা হয়েছিল। প্রথম দিকে অনুমতি দিলেও শেষ মুহূর্তে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হল। বলা হয়েছিল, ফিফার তরফ থেকে জানানো হয়েছে তাদের অন্যতম স্পন্সর বাডবাইজার স্টেডিয়ামে এবং ফ্যান পার্কে বিয়ার বিক্রি করবে। তবে তা এবার আর হচ্ছে না।

একটা সময় জানা গিয়েছিল, বিয়ার বিক্রি হবে ফ্যান পার্কে। তবে তার দাম শুনে চোখ কপালে উঠে গিয়েছিল ফুটবল ফ্যানদের। কারণ, এক গ্লাস বিয়ারের দাম ধার্য করা হয়েছিল, ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ১১০০ টাকা। খাবারের দামও অত্যধিক বেশি। স্যালাডের দাম ধার্য করা হয়েছিল ৯০০ টাকা। গ্রিক স্যালাডের দাম ছিল প্রায় ৫০০ টাকা।এ নিয়ে ফ্যান পার্কে ক্ষোভও জানিয়েছিলেন বিভিন্ন দেশ থেকে আসা ফুটবল অনুরাগীরা৷ তারপরে বিয়ার সহ সমস্ত অ্যালকোহল নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিল কাতার। শুধু ফ্যান পার্ক নয়, হোটেল গুলিতেও বিয়ার বা অ্যালকোহল পাওয়া যাবে না। এটাও স্পষ্ট করে জানান হয়েছে৷

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Qatar Football world cup: কাতার বিশ্বকাপে স্টেডিয়ামে খাওয়া যাবে না বিয়ার!!হতাশ দর্শকবৃন্দ

Qatar WC: তালিবান জঙ্গি দফতর কাতারে আইএস হামলা? পারস্য উপসাগর তীরে গুপ্তচর ঢেউ

কাতারে বসে বিশ্বকাপ (Qatar WC) দর্শন করবে তালিবান (Taliban) জঙ্গি নেতারা। তাদের অন্যতম স্তানিকজাই। তার সামরিক শিক্ষা হয়েছিল দেরাদুন মিলিটারি একাডেমিতে।

তালিবান (Taliban) বনাম ইসলামিক স্টেট (ISIS)-দুটি জঙ্গি সংগঠনই মরিয়া পরস্পরের মাথা কাটতে। এ তাদের নীতির লড়াই। সন্ত্রাসবাদের মাপকাঠিতে যুযুধান দুই শিবিরের আড়ালে থাকছে (Al-Queda) আল কায়েদা জঙ্গিরাও। তারা ঘনিষ্ঠ তালিবানের। কাতার ফুটবল বিশ্বকাপের (Qatar WC 2022) চোখ ধাঁধানো জৌলুসের আড়ালে চলছে আলো ছায়ার আরও এক খেলা-গুপ্তচরবৃত্তি। নীরবে নি:শব্দে একে অপরকে ছায়ার মতো অনুসরণ করে চলছে। অগুন্তি ছায়ামানুষ। তারা গিজগিজ করছে কাতারে। পারস্য উপসাগরের তীরে যেন গুপ্তচরদের ঢেউ এসে পড়ছে।

আন্তর্জাতিক ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থার (FIFA) বিশ্বকাপ আসরের আয়োজক দেশ হিসেবে কাতারের নজির-পুরো আরব দুনিয়ায় তারাই প্রথম এমন আয়োজন করতে পেরেছে।

এদিকে একরক্তি দেশ কাতারের নিরাপত্তা ব্যবস্থা আড়ে বহরে তেমন নয়। তবে পুরো সেনা ও পুলিশ বাহিনী নামিয়েও বিপুল জনসমাগমের চূড়ান্ত নিরাপত্তা সম্ভব নয়। যে কোনও সময় অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে এমন সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছেনা বিভিন্ন আন্তর্জাতিক গুপ্তচর সংস্থাগুলি।

কাতারের মাঠ খোলা। গোল করো। এমন সাংকেতিক বার্তা ছড়ানোর পর থেকে কাতার সরকার সতর্ক। আন্তর্জাতিক সন্ত্রাসবাদ গতিপ্রকৃতির তথ্য দেওয়া সংস্থা সাইট ইন্টেলিসেন্স জানিয়েছে এই সংকেত বার্তা ইসলামিক স্টেট জঙ্গিদের। তারা হামলার বার্তা দিচ্ছে। কারণ কাতারের রাজধানী শহর দোহা-তে আছে তালিবান জঙ্গিদের প্রকাশ্য সদর দফতর।

তালিবান গুহায় ইসলামিক স্টেটের হামলা হবে? কাতার বিশ্বকাপের হইহই রইরই ব্যাপারের আড়ালে থাকছে এই প্রশ্ন।

আফগানিস্তানে দ্বিতীয় দফার ক্ষমতায় আসার আগে তালিবান জঙ্গিদের সঙ্গে বিভিন্ন দেশের প্রতিনিধিরা যত কূটনৈতিক আলোচনা করেছেন তার প্রায় সবকটি হয় দোহা শহরে। কাতার সরকারের প্রতক্ষ্য মদতে বিশাল বিলাসবহুল তালিবান সদর কার্যালয়ের ছবি দেখে চমকে গেছিল বিশ্ব। ততদিনে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তাদের সামরিক শক্তি আফগানিস্তান থেকে সরানোর বিষয়ে পাকা করে নিয়েছে। সেই কূটনৈতিক বৈঠকের পর ছিল সময়ের অপেক্ষা। কাতার থেকে তালিবান সংগঠনের অন্যতম নেতা স্তানিকজাই যে বার্তা পাঠায় আফগানিস্তানে তাতে স্পষ্ট ছিল কাবুলে ফের আমাদের সরকার হবে।

সাইট ইন্টেলিজেন্সের বিশ্লেষণ, ইরাক ও সিরিয়া থেকে পিছু হটে ইসলামিক স্টেটের লক্ষ্য ছিল আফগানভূমি। কিন্তু তালিবান কূটচালে তারা পরাজিত হয়। নব্বই দশকের পর ফের আফগানিস্তানের গদিতে বসে যায় তালিবান। এ দেশে এখন তালিবান ও তাদের জোট শরিক হক্কানি নেটওয়ার্ক জঙ্গি গোষ্ঠির হাতে কচুকাটা হচ্ছে ইসলামিক স্টেট জঙ্গিরা। পাকিস্তানের সামরিক গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই মদতপুষ্ট হাক্কানি নেটওয়ার্ক।

বিবিসির খবর, কাতারের সঙ্গে সু-কূটনৈতিক সম্পর্কের কারণে পাকিস্তানের সেনা পুরো বিশ্বকাপ জুড়ে পাহারা দেবে কাতারের সর্বত্র।

কাতারে বসে বিশ্বকাপ দর্শন করবে তালিবান জঙ্গিদের নেতারা। তাদের অন্যতম স্তানিকজাই। যার সামরিক শিক্ষা হয়েছিল দেরাদুন মিলিটারি একাডেমিতে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Qatar WC: তালিবান জঙ্গি দফতর কাতারে আইএস হামলা? পারস্য উপসাগর তীরে গুপ্তচর ঢেউ

T20 World Cup: ব্যর্থতার কারণে গোটা সিলেকশন কমিটিকে সরিয়ে দিল BCCI

BCCI selection committee

বিশ্বকাপে (T20 World Cup) ভরাডুবির জের। ক্রিকেটার বা কোচের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়া হলেও বোর্ডের (BCCI) খড়্গ নেমে এল নির্বাচক কমিটির উপর। নির্বাচক প্রধান চেতন শর্মা-সহ তাঁর গোটা কমিটিকে ছেঁটে ফেলল বোর্ড। এমনটাই খবর একাধিক সংবাদসংস্থা সূত্রে।

নির্বাচক প্রধান হিসাবে চেতন শর্মার কাজ পছন্দ না হওয়ার একাধিক কারণ বোর্ড কর্তারা দেখাচ্ছেন। বলা হচ্ছে, ক্রিকেটারদের সঠিকভাবে ম্যানেজ করতে পারেননি তিনি। বহু ক্রিকেটার তাঁর আমলে জাতীয় দলে সুযোগ পেয়েছেন ঠিকই। কিন্তু এদের বেশিরভাগই নিয়মিত সুযোগ না পাওয়ায় নিজেদের জায়গা পাকা করে উঠতে পারেননি। বড্ড বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলে ভারতীয় দলে এখন অধিক সন্ন্যাসীতে গাজন নষ্টের সমস্যা। বার বার ক্রিকেটারদের চোট, কাউকে বাদ দেওয়া হলে তাঁকে নিয়ে অস্পষ্টতা, ইত্যাদি বহু অভিযোগ রয়েছে চেতনের বিরুদ্ধে। সেকারণেই চেতনকে ছেঁটে ফেলার কথা ভাবা হচ্ছে বলে দাবি সূত্রের।

বিসিসিআই থেকে সৌরভ গঙ্গোপাধ্যায়ের বিদায়ের পরই ভারতীয় দলের নির্বাচকপ্রধান চেতন শর্মার ভবিষ্যৎ নিয়ে বড়সড় প্রশ্ন উঠে গিয়েছিল। বিশ্বকাপে ভারতীয় দলের ব্যর্থতার পর চেতনের বিদায় একপ্রকার নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল। শুক্রবার বিসিসিআই সেই জল্পনাতেই সিলমোহর দিল। কিন্তু প্রশ্ন থাকছে, দলের ব্যর্থতার দায় কি শুধুই নির্বাচকদের উপর বর্তায়?

নির্বাচকদের চাকরি গেলে তো টিম ম্যানেজমেন্টের উপরও আঙুল ওঠা উচিত।আসলে চেতনের গোটা কার্যকালটাই বিতর্কে ঘেরা। বিশ্বকাপে চূড়ান্ত ব্যর্থতার পাশাপাশি তাঁর আমলেই বিরাট কোহলির সঙ্গে বোর্ডের সম্পর্কে তিক্ততা চরম পর্যায়ে পৌঁছায়। সেসময় নির্বাচক প্রধান হিসাবে চেতনের ভূমিকা প্রশ্নের মুখে পড়েছিল। আবার অভিযোগ উঠেছিল, তাঁর আমলে নির্বাচক কমিটির বৈঠকে নাকি বোর্ড সভাপতি হস্তক্ষেপ করেন। যদিও পরে সৌরভ নিজে সেই অভিযোগ নস্যাৎ করে দেন। তাতেও বিতর্ক থামেনি।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন T20 World Cup: ব্যর্থতার কারণে গোটা সিলেকশন কমিটিকে সরিয়ে দিল BCCI

ওড়িশা এফসির কাছে ৪-২ গোলে বিধ্বস্ত হল ইস্টবেঙ্গল

East Bengal was defeated by 4 goals by Odisha FC

শুক্রবার ঘরের মাঠে ইস্টবেঙ্গল ওড়িশা এফসির কাছে যেভাবে হারল সেটা চমকপ্রদ কোনও কামব্যাকের মতোই আশ্চর্যজনক। যে দলটা প্রথমার্ধে দু’গোলে এগিয়েছিল, বিপক্ষ দল যে দলের কাছে সেভাবে টেরই তুলতে পারছিল না, সেই দলই কিনা শেষপর্যন্ত মাঠ ছাড়ল একরাশ হতাশা নিয়ে! এভাবে হারাটা হয়তো শুধু এই মুহূর্তের ইস্টবেঙ্গলের পক্ষেই সম্ভব।ইস্টবেঙ্গল আর ওড়িশা এফসি ম্যাচ মানেই গোলের বন্যা।

শুক্রবারের আগে দুই মরশুমে চারবার মুখোমুখি হয়েছে দুই দল। সব মিলিয়ে হয়েছে ২৮ গোল। শুক্রবার তার সঙ্গে আরও ছ’গোল জুড়ে গেল। আর ওড়িশার খাতায় জুড়ে গেল আরও একটি জয়। জয় হারের বিচারে ১-৪ ব্যবধানে এগিয়ে গেল ওড়িশা। আসলে আগের ম্যাচে বেঙ্গালুরুর বিরুদ্ধে যে কাজটা লাল-হলুদ ফুটবলাররা করতে পেরেছিলেন, সেটা তাঁরা পারলেন না ওড়িশার বিরুদ্ধে। আগের ম্যাচে খেলার দুই অর্ধেই সমান দাপট দেখিয়েছিল ইস্টবেঙ্গল। কিন্তু আজ দুই অর্ধে দু’রকম ফুটবল খেলল লাল-হলুদ শিবির।

প্রথমার্ধে লাল-হলুদ ফুটবলাররা ছিলেন নিজেদের সেরা ছন্দে। শুরু থেকেই ছন্দবন্ধ পাস, জমাট মাঝমাঠ এবং দ্রুতগতির আক্রমণ সবই ছিল। যার ফলও পায় ইস্টবেঙ্গল। প্রথমার্ধেই দু’গোলে এগিয়ে যায় ইস্টবেঙ্গল। ম্যাচের ২৩ মিনিটে প্রথম গোল করেন হাওকিপ। আর মহেশ সিং দ্বিতীয় গোলটি করেন ৩৫ মিনিটে। হাফ টাইম অবধি সেই লিড ধরেও রাখে লাল-হলুদ।

কিন্তু খেলা পুরোপুরি ঘুরে যায় দ্বিতীয়ার্ধে। মাত্র দু’মিনিটের ব্যবধানে জোড়া গোল হজম করে ব্যাকফুটে চলে যায় ইস্টবেঙ্গল। ওড়িশার হয়ে ৪৭ এবং ৪৮ মিনিটে জোড়া গোল করেন পেড্রো মার্টিন। ম্যাচে সমতা ফিরতেই লাল-হলুদের উপর ঝাঁপিয়ে পড়ে ওড়িশা। প্রথমে ৬৫ মিনিটে জেরি এবং পরে ৭৫ মিনিটে নন্দ কুমারের গোলে ওড়িশার জয় নিশ্চিত হয়ে যায়।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ওড়িশা এফসির কাছে ৪-২ গোলে বিধ্বস্ত হল ইস্টবেঙ্গল

Saeed Al Owairan : ওয়াইরানদোনা! ভ্রু কুঁচকে মারাদোনার মুচকি হাসি, যেন আলাদিনের ফুটবল দৈত্য

Saeed Al Owairan

সাইদ আল ওয়াইরান (Saeed Al Owairan) নামটা ফুটবলের ম্যাজিক গোলদাতা তালিকায় জ্বলজ্বল করছে। জেলখাটা এক চাঁদ! যার জন্য চিরশত্রু আরব আর ইরান একসাথে বলে ওঠে- মারহাবা…মারহাবা। (ধন্য-ধন্য)

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: ভিড়ে গমগম করছে বাজার। রিয়াধবাসী ইফতারি সুবাসে মাতোয়ারা। বড় বড় খেজুরের টুকরো মুখে পুরে আয়েশ করে স্বাদ নিচ্ছেন। এরপর কড়া কালো কফি আর রোস্ট আসলেই সেগুলোর উপযুক্ত ব্যবহার হবে। ইতি উতি রয়েছে নীতি পুলিশ। হঠাৎ তাদের চোখ কুঁচকে গেল। ওখানে কী হচ্ছে!

টেবিলটার চারদিকে কয়েকজন হুল্লোড়বাজ। বিদেশি মহিলা আর আরব নাগরিক খোশগল্পে মত্ত। নি:শব্দে এগিয়ে গেলেন অফিসার। কুঁচকে থাকা চোখ কপালে উঠে গেল অফিসারের। ও আচ্ছা এই ব্যাপার! দাঁড়াও বাপধন দেখাচ্ছি মজা। অনেকটা এমন মনোভাব নিয়ে দলবল সমেত নীতি পুলিশ অফিসার হাজির টেবিলের সামনে।
-ওয়াইরান তুমিও!
-না, মানে ইয়ে… এদের সঙ্গে বসেছিলাম। ঘামতে শুরু করেছেন সৌদির চাঁদ সাইদ আল ওয়াইরান। গলা শুকিয়ে গেল। টেবিলে ছড়ানো ছোট ছোট মদের পানপাত্রগুলো বলে দিচ্ছে ওয়াইরানের ‘অপরাধ’।
রমজান মাসে এ এক ভয়াবহ কাণ্ড। ভয়ে ঘামতে থাকা ওয়াইরানকে দেখে কে বলবে এই লোকটার জন্য সৌদি আরব তো বটেই পুরো আরব বিশ্ব জীবন দিতে এগিয়ে আসবে। বিশ্ববিখ্যাত ক্রীড়া পত্রিকাগুলোর প্রচ্ছদে বারবার মারাদোনার সাথে ওয়াইরানের গোল করার তুলনা করা হয়েছে- ওয়াইরানদোনা!

সেদিন সৌদি আইন ভেঙে নীতি পুলিশের (ধর্মীয় আইন পুলিশ) খপ্পরে পড়ে বিশ্ববিখ্যাত অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার সাইদ আল ওয়াইরানকে জেলে যেতে হয়েছিল। পড়ে রইল সৌদি বাদশাহর উপহার দেওয়া বিলাসবহুল রোলস রয়েজ।

ধর্মীয় আইন ভাঙলে সৌদি আরবের বিখ্যাত চপ চপ স্কোয়ারে জহ্লাদের সামনে হাজিরা দিতে হয়। দোষ অনুযায়ী কারোর হাত, কারোর মাথা নির্দিষ্ট হয় শাস্তির জন্য। বাকিটা সহজে অনুমান করা যায়। তবে ওয়াইরানের জেল হয়েছিল। ১৯৯৬ সালে জেলে ঢোকার পরও ওয়াইরান নায়ক। এই নায়কোচিত ঝলকের জন্ম ১৯৯৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফুটবল বিশ্বকাপের মাঠে। সে এক অবিশ্বাস্য মুহূর্ত।

ফিফার পর্যালোচনা, ভ্রু কুঁচকে বারবার ভিডিও ফুটেজটি দেখে মুচকি হাসা মারাদোনার বিরল মুহূর্ত, বিশ্বখ্যাত ক্রীড়া পত্রিকা-সাময়িকীর বিশ্লেষণে বারবার গোনা হয়েছে ১ ২ ৩ ৪ …গো ও ল ল ল! সৌদি আরবে সবজে-সাদা জার্সির দশ নম্বরি ওয়াইরান প্রতিপক্ষ বেলজিয়ামের রক্ষণভাগ চিরে এগিয়ে যাচ্ছেন। বল কাড়তে আসা বেলজিয়ান ডিফেন্ডাররা ঠিক কাটা কলাগাছের মতো ছিটকে পড়ছেন। পর পর চার জনকে কাটিয়ে শিকারি জাগুয়ারের মতো বেলজিয়ামের গোল পোস্টের কাছে গিয়ে সেই সোনালি কিক!

রেফারির বাঁশি বাজল। হাজার হাজার দর্শক হতবাক। এ যে অবিশ্বাস্য ব্যাপার। কয়েকটি সেকেন্ডের সেই বিহ্বলতা কাটিয়ে বিশ্বজুড়ে ছড়াল আলোড়ন। ধারাভাষ্যকার বলেছিলেন ‘unbelievable’ !

১৯৯৪ সালে এই বিশ্বকাপ ম্যাচে সৌদি আরব (Saudi Arabia) তার প্রতিপক্ষ শক্তিশালী (Belgium)  বেলজিয়ামকে ১-০ গোলে পরাজিত করে। আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ দৈত্যর মতো গোলদাতা ওয়াইরানের সেই রক্ষণভাঙা দৌড় তুলনা করা হয় ১৯৮৬ সালে মেক্সিকো বিশ্বকাপে মারাদোনার বিখ্যাত গোলটির সাথে। সেই ম্যাচেও আর্জেন্টিনার (Argentina)  প্রতিপক্ষ ছিল বেলজিয়াম। তাদের রক্ষণভাগ একাই দুরমুশ করেছিলেন মারাদোনা।

বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর মানেই ঘটনার ঘনঘটা। খেলা শুধু মাঠে নয়, খেলা হয় মাঠের বাইরেও। যথারীতি সৌদি ফুটবলার সাইদ আল ওয়াইরানকে নিয়েও খেলা শুরু হয়ে গেল। তাবড় তাবড় ‘ফুটবল ক্যাচার’ তাদের নোটবুকে লিখে রাখল নতুন টার্গেট-ওয়াইরান। মার্কিন মুলুকে জন্ম নিল এক ফুটবলের নক্ষত্র, যে কিনা আসলে আরব দুনিয়ার চাঁদ। এশিয়া শ্রেষ্ঠ ফুটবলার।

‘ওয়াইরানদোনা’-এই নামে সেদিন সৌদি আরব কাঁপছিল আবেগে। আরবের চিরশত্রু ইরান কাঁপছিল আবেগে। কাতার, কুয়েত, ওমান, আমিরশাহি, মিশর, মরক্কো, প্যালেস্টাইন, বাহারিন, টিউনিসিয়া, তুরস্ক, সিরিয়া হয়ে লোহিত সাগর, এডেন উপসাগর, আরব সাগর পেরিয়ে বিশ্বজুড়ে টিভির পর্দায় চোখ রাখা কোটি কোটি মানুষের একটাই কথা এ কি সত্যি হতে পারে! এ যে অবিশ্বাস্য।

New York Times কে দেওয়া সাক্ষাতকারে ওয়াইরান বলেছিলেন, এক হাজারবার দেখেছি গোল করার ভিডিওটা। কী করে করলাম বিশ্বাস করতে পারিনা। মনে হয় একটা দুর্দান্ত স্বপ্ন। যে স্বপ্ন দেখতে যে কোনও ফুটবলার পছন্দ করবেন। আর দয়া করে দিয়েগোর সাথে তুলনা টানবেন না। উনি-উনিই।

জেলে থাকার সময় চেষ্টা করতাম মনকে শক্ত রাখতে। সৌদি জাতীয় দলের হয়ে আরও কত কিছু করার ছিল। একটা ভুল হয়ে গেছিল। আর কিছু নয়। পরে বলেছিলেন ওয়াইরান।

জেল খেটে ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু আর ঝলক আসেনি তেমন। তবে বিশ্বের অন্যতম সেরা ম্যাজিক্যাল গোলদাতা তালিকায় মারাদোনার ঠিক পাশে থেকে গেছেন সাইদ আল ওয়াইরান।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Saeed Al Owairan : ওয়াইরানদোনা! ভ্রু কুঁচকে মারাদোনার মুচকি হাসি, যেন আলাদিনের ফুটবল দৈত্য

Saeed Al Owairan : ওয়াইরানদোনা! ভ্রু কুঁচকে মারাদোনার মুচকি হাসি, যেন আলাদিনের ফুটবল দৈত্য

Saeed Al Owairan

সাইদ আল ওয়াইরান (Saeed Al Owairan) নামটা ফুটবলের ম্যাজিক গোলদাতা তালিকায় জ্বলজ্বল করছে। জেলখাটা এক চাঁদ! যার জন্য চিরশত্রু আরব আর ইরান একসাথে বলে ওঠে- মারহাবা…মারহাবা। (ধন্য-ধন্য)

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: ভিড়ে গমগম করছে বাজার। রিয়াধবাসী ইফতারি সুবাসে মাতোয়ারা। বড় বড় খেজুরের টুকরো মুখে পুরে আয়েশ করে স্বাদ নিচ্ছেন। এরপর কড়া কালো কফি আর রোস্ট আসলেই সেগুলোর উপযুক্ত ব্যবহার হবে। ইতি উতি রয়েছে নীতি পুলিশ। হঠাৎ তাদের চোখ কুঁচকে গেল। ওখানে কী হচ্ছে!

টেবিলটার চারদিকে কয়েকজন হুল্লোড়বাজ। বিদেশি মহিলা আর আরব নাগরিক খোশগল্পে মত্ত। নি:শব্দে এগিয়ে গেলেন অফিসার। কুঁচকে থাকা চোখ কপালে উঠে গেল অফিসারের। ও আচ্ছা এই ব্যাপার! দাঁড়াও বাপধন দেখাচ্ছি মজা। অনেকটা এমন মনোভাব নিয়ে দলবল সমেত নীতি পুলিশ অফিসার হাজির টেবিলের সামনে।
-ওয়াইরান তুমিও!
-না, মানে ইয়ে… এদের সঙ্গে বসেছিলাম। ঘামতে শুরু করেছেন সৌদির চাঁদ সাইদ আল ওয়াইরান। গলা শুকিয়ে গেল। টেবিলে ছড়ানো ছোট ছোট মদের পানপাত্রগুলো বলে দিচ্ছে ওয়াইরানের ‘অপরাধ’।
রমজান মাসে এ এক ভয়াবহ কাণ্ড। ভয়ে ঘামতে থাকা ওয়াইরানকে দেখে কে বলবে এই লোকটার জন্য সৌদি আরব তো বটেই পুরো আরব বিশ্ব জীবন দিতে এগিয়ে আসবে। বিশ্ববিখ্যাত ক্রীড়া পত্রিকাগুলোর প্রচ্ছদে বারবার মারাদোনার সাথে ওয়াইরানের গোল করার তুলনা করা হয়েছে- ওয়াইরানদোনা!

সেদিন সৌদি আইন ভেঙে নীতি পুলিশের (ধর্মীয় আইন পুলিশ) খপ্পরে পড়ে বিশ্ববিখ্যাত অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার সাইদ আল ওয়াইরানকে জেলে যেতে হয়েছিল। পড়ে রইল সৌদি বাদশাহর উপহার দেওয়া বিলাসবহুল রোলস রয়েজ।

ধর্মীয় আইন ভাঙলে সৌদি আরবের বিখ্যাত চপ চপ স্কোয়ারে জহ্লাদের সামনে হাজিরা দিতে হয়। দোষ অনুযায়ী কারোর হাত, কারোর মাথা নির্দিষ্ট হয় শাস্তির জন্য। বাকিটা সহজে অনুমান করা যায়। তবে ওয়াইরানের জেল হয়েছিল। ১৯৯৬ সালে জেলে ঢোকার পরও ওয়াইরান নায়ক। এই নায়কোচিত ঝলকের জন্ম ১৯৯৪ সালে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ফুটবল বিশ্বকাপের মাঠে। সে এক অবিশ্বাস্য মুহূর্ত।

ফিফার পর্যালোচনা, ভ্রু কুঁচকে বারবার ভিডিও ফুটেজটি দেখে মুচকি হাসা মারাদোনার বিরল মুহূর্ত, বিশ্বখ্যাত ক্রীড়া পত্রিকা-সাময়িকীর বিশ্লেষণে বারবার গোনা হয়েছে ১ ২ ৩ ৪ …গো ও ল ল ল! সৌদি আরবে সবজে-সাদা জার্সির দশ নম্বরি ওয়াইরান প্রতিপক্ষ বেলজিয়ামের রক্ষণভাগ চিরে এগিয়ে যাচ্ছেন। বল কাড়তে আসা বেলজিয়ান ডিফেন্ডাররা ঠিক কাটা কলাগাছের মতো ছিটকে পড়ছেন। পর পর চার জনকে কাটিয়ে শিকারি জাগুয়ারের মতো বেলজিয়ামের গোল পোস্টের কাছে গিয়ে সেই সোনালি কিক!

রেফারির বাঁশি বাজল। হাজার হাজার দর্শক হতবাক। এ যে অবিশ্বাস্য ব্যাপার। কয়েকটি সেকেন্ডের সেই বিহ্বলতা কাটিয়ে বিশ্বজুড়ে ছড়াল আলোড়ন। ধারাভাষ্যকার বলেছিলেন ‘unbelievable’ !

১৯৯৪ সালে এই বিশ্বকাপ ম্যাচে সৌদি আরব (Saudi Arabia) তার প্রতিপক্ষ শক্তিশালী (Belgium)  বেলজিয়ামকে ১-০ গোলে পরাজিত করে। আলাদিনের আশ্চর্য প্রদীপ দৈত্যর মতো গোলদাতা ওয়াইরানের সেই রক্ষণভাঙা দৌড় তুলনা করা হয় ১৯৮৬ সালে মেক্সিকো বিশ্বকাপে মারাদোনার বিখ্যাত গোলটির সাথে। সেই ম্যাচেও আর্জেন্টিনার (Argentina)  প্রতিপক্ষ ছিল বেলজিয়াম। তাদের রক্ষণভাগ একাই দুরমুশ করেছিলেন মারাদোনা।

বিশ্বকাপ ফুটবলের আসর মানেই ঘটনার ঘনঘটা। খেলা শুধু মাঠে নয়, খেলা হয় মাঠের বাইরেও। যথারীতি সৌদি ফুটবলার সাইদ আল ওয়াইরানকে নিয়েও খেলা শুরু হয়ে গেল। তাবড় তাবড় ‘ফুটবল ক্যাচার’ তাদের নোটবুকে লিখে রাখল নতুন টার্গেট-ওয়াইরান। মার্কিন মুলুকে জন্ম নিল এক ফুটবলের নক্ষত্র, যে কিনা আসলে আরব দুনিয়ার চাঁদ। এশিয়া শ্রেষ্ঠ ফুটবলার।

‘ওয়াইরানদোনা’-এই নামে সেদিন সৌদি আরব কাঁপছিল আবেগে। আরবের চিরশত্রু ইরান কাঁপছিল আবেগে। কাতার, কুয়েত, ওমান, আমিরশাহি, মিশর, মরক্কো, প্যালেস্টাইন, বাহারিন, টিউনিসিয়া, তুরস্ক, সিরিয়া হয়ে লোহিত সাগর, এডেন উপসাগর, আরব সাগর পেরিয়ে বিশ্বজুড়ে টিভির পর্দায় চোখ রাখা কোটি কোটি মানুষের একটাই কথা এ কি সত্যি হতে পারে! এ যে অবিশ্বাস্য।

New York Times কে দেওয়া সাক্ষাতকারে ওয়াইরান বলেছিলেন, এক হাজারবার দেখেছি গোল করার ভিডিওটা। কী করে করলাম বিশ্বাস করতে পারিনা। মনে হয় একটা দুর্দান্ত স্বপ্ন। যে স্বপ্ন দেখতে যে কোনও ফুটবলার পছন্দ করবেন। আর দয়া করে দিয়েগোর সাথে তুলনা টানবেন না। উনি-উনিই।

জেলে থাকার সময় চেষ্টা করতাম মনকে শক্ত রাখতে। সৌদি জাতীয় দলের হয়ে আরও কত কিছু করার ছিল। একটা ভুল হয়ে গেছিল। আর কিছু নয়। পরে বলেছিলেন ওয়াইরান।

জেল খেটে ফিরে এসেছিলেন। কিন্তু আর ঝলক আসেনি তেমন। তবে বিশ্বের অন্যতম সেরা ম্যাজিক্যাল গোলদাতা তালিকায় মারাদোনার ঠিক পাশে থেকে গেছেন সাইদ আল ওয়াইরান।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Saeed Al Owairan : ওয়াইরানদোনা! ভ্রু কুঁচকে মারাদোনার মুচকি হাসি, যেন আলাদিনের ফুটবল দৈত্য

Golden Boot winners: এক ঝলকে দেখে নিন গত ২০ বারের বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট বিজেটার তালিকা!

Golden Boot winners

২০ নভেম্বর থেকে শুরু হচ্ছে ফিফা বিশ্বকাপ ফুটবল ২০২২। যা কাতারে অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ফুটবল জ্বরে আক্রান্ত গোটা বিশ্ব।বিশ্বকাপ কারা জিতবে তার পাশাপাশি আরও দুটি পুরস্কারের দিকে নজর থাকে সবার। তার মধ্যে অন্যতম হল সর্বোচ্চ গোলদাতার পুরস্কার।  যা জিতলে সোনার বুট (Golden Boot winners) দেওয়া হয়৷ ২০০৬ সাল পর্যন্ত এর নাম ছিল গোল্ডেন শ্য।

এখন এর নাম দেওয়া হয়েছে গোল্ডেন বুট। এখনও পর্যন্ত বিশ্বকাপ ফুটবলের আসরে এক মরশুমে সর্বোচ্চ গোলদাতা ফ্রান্সের জাস্ট ফন্টেইন। তিনি ১৯৫৪ সালে সুইডেন বিশ্বকাপে এই কৃতিত্ব অর্জন করেছিলেন। আজ পর্যন্ত তার ধারে কাছে কেউ পৌঁছতে পারেননি৷আসুন বিশ্বকাপ শুরুর আগে দেখে নিই, আজ পর্যন্ত যাঁরা এই পুরস্কার জিতেছেন, তাঁদের তালিকা —

ফুটবল বিশ্বকাপের ইতহাসের গোল্ডেন বুট জয়ীদের তালিকা-

  • ১.গুইলারমো স্টাবিলে (১৯৩০ উরুগুয়ে বিশ্বকাপ), আর্জেন্টিনা, ৮গোল
  • ২. অলড্রিচ নেইয়েডলি (১৯৩৪ ইতালি বিশ্বকাপ), চেকোস্লোভাকিয়া,৫ গোল
  • ৩. লিও নিডাস (১৯৩৮ ফ্রান্স বিশ্বকাপ), ব্রাজিল, ৭ গোল
  • ৪. আদেমির (১৯৫০, ব্রাজিল বিশ্বকাপ), ব্রাজিল, ৮ গোল
  • ৫. জাস্ট ফন্টেইন (১৯৫৪, সুইডেন বিশ্বকাপ), ফ্রান্স, ১৩ গোল
  • ৬. হাঙ্গেরির ফ্লোরিয়ান আলবার্ট, সোভিয়েত রাশিয়ার ভ্যালেন্টিন ইভানোভ, ব্রাজিলের গারিঞ্চা অ্যান্ড ভাডা, যুগোস্লোভিয়ার ড্রাজান জারকোভিচ, চিলির লিওনেল সানচেজ (১৯৬২, চিলি বিশ্বকাপ), ৪ গোল
  • ৭. ইউসেবিও (১৯৬৬, ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ), পর্তুগাল, ৯ গোল
  • ৮. গার্ড মুলার (১৯৭০, মেক্সিকো বিশ্বকাপ), জার্মানি, ১০ গোল
  •  ৯. জিওৰ্জে লাটো (১৯৭৪, পশ্চিম জার্মানি বিশ্বকাপ), পোল্যান্ড, ৭গোল
  • ১০. মারিও কেম্পেস (১৯৭৮, আর্জেন্টিনা বিশ্বকাপ), আর্জেন্টিনা, ৬ গোল
  • ১১. পাওলো রোসি (১৯৮২, স্পেন বিশ্বকাপ), ইতালি, ৬ গোল
  • ১২. গ্যারি লিনেকার (১৯৮৬, মেক্সিকো বিশ্বকাপ), ইংল্যান্ড, ৬ গোল
  • ১৩.সালভাতোর স্কিলাচি (১৯৯০, ইতালি বিশ্বকাপ), ইতালি, ৬ গোল
  • ১৪. রাশিয়ার ওলেগ সেলেঙ্কো, বুলগেরিয়ার হিস্টো স্টোইচকভ (১৯৯৪, যুক্তরাষ্ট্র বিশ্বকাপ), ৬ গোল
  • ১৫.দাভর সুকের (১৯৯৮, ফ্রান্স বিশ্বকাপ), ক্রোয়েশিয়া, ৬ গোল
  • ১৬. রোনাল্ডো নাজারিও (২০০২, দক্ষিণ কোরিয়া/জাপান বিশ্বকাপ),ব্রাজিল, ৮ গোল
  • ১৭. মিরোস্লাভ ক্লোসে (২০০৬, জার্মানি বিশ্বকাপ), জার্মানি, ৫ গোল
  •  ১৮. টমাস মুলার (২০১০, দক্ষিণ আফ্রিকা বিশ্বকাপ), জার্মানি, ৫ গোল
  • ১৯. হামেস রড্রিগেজ (২০১৪, ব্রাজিল বিশ্বকাপ), কলম্বিয়া, ৬ গোল
  • ২০. হ্যারি কেন (২০১৮, রাশিয়া বিশ্বকাপ), ইংল্যান্ড, ৬ গোল

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Golden Boot winners: এক ঝলকে দেখে নিন গত ২০ বারের বিশ্বকাপে গোল্ডেন বুট বিজেটার তালিকা!

ATK Mohun Bagan: এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে গোল করতে মুখিয়ে রয়েছে মনবীর সিং

ATK Mohun Bagan Manvir Singh

রবিবার ২০২২-২৩ ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (ISL) মরসুমে মোহনবাগানের (ATK Mohun Bagan) খেলা এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে। শুক্রবার কলকাতায় অনুশীলন সেরে গোয়ার উদ্দ্যেশে উড়ে গিয়েছে মেরিনার্সরা। এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট পাখির চোখ কোচ হুয়ান ফেরান্দোর ছেলেদের এটা নতুন করে বলার অপেক্ষা রাখে না।

তবে এই ম্যাচ নিয়ে টিম মোহনবাগান কতটা সিরিয়াস এবং দলের নির্ভরযোগ্য স্ট্রাইকার মনবীর সিং গোল করতে কতটা মুখিয়ে আছে এটা তার টুইট পোস্ট দেখলে বোঝা যাবে।ইতিমধ্যে ৫০ টা ISL ম্যাচ খেলা হয়ে গিয়েছে বাগান ফুটবলার মনবীরের,এখনও পর্যন্ত ১৪ টা গোল বিপক্ষের জালে জড়ানোর পাশাপাশি প্রতিপক্ষের জালে বল জড়ানোর নেপথ্যে অ্যাসিস্ট ৫ গোলের। পারফরম্যান্সের ধারাবাহিকতায় এই মরসুমে সবুজ মেরুন জার্সি গায়ে দুরন্ত খেলেছেন পাঞ্জাব পুত্র।

প্রসঙ্গত,ISL পয়েন্ট টেবলে সবুজ মেরুন শিবির ৫ ম্যাচ খেলে তিনটে জিতেছে ১ ম্যাচ ড্র এবং এক ম্যাচে হারের মুখ দেখে ১০ পয়েন্ট নিয়ে লিগ ক্রমতালিকাতে তিন নম্বরে।অন্যদিকে, এফসি গোয়া ৫ ম্যাচে তিন ম্যাচ জিতেছে ২ ম্যাচ হেরে চার নম্বরে। রবিবার দু’দলের লক্ষ্য একটাই থাকবে প্রতিপক্ষ দলের বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট ছিনিয়ে নিয়ে লিগ টেবলে নিজেদের পজিশনকে শক্তিশালী করে তোলা।তাই এই ম্যাচ দু’দলের কাছেই কঠিন হতে চলেছে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ATK Mohun Bagan: এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে গোল করতে মুখিয়ে রয়েছে মনবীর সিং

Football World Cup: বিশ্বকাপ শুরু হতে মাত্র ২দিন! এরই মাঝে মেসির প্রশংসায় পঞ্চমুখ রোনাল্ডো

ronaldo-has-done-good-comments-on-leo-messi

বিশ্ব ফুটবল(Football World Cup) উত্তাল দুই মহানায়ককে নিয়ে। কে সেরা, এই প্রশ্ন নিরন্তর করা হয় তাঁদের। বিশ্বকাপের ঠিক আগে এক সাক্ষাৎকারে একই প্রশ্ন রোনাল্ডোকে করেছিলেন পিয়ার্স মর্গ্যান। উত্তরে রোনাল্ডো আর্জেন্টাইন সুপারস্টার লিওনেল মেসিকে জাদুকর বলে উল্লেখ করেন। এলএম ১০-এর দারুণ প্রশংসা করেন পর্তুগিজ মহাতারকা। রোনাল্ডো জানান, তাঁদের মধ্যে দারুণ শ্রদ্ধার সম্পর্ক বিদ্যমান। একে অপরকে শ্রদ্ধা করেন খুব। 

এল ক্লাসিকো-তে দুই মহাতারকা বহুবার মুখোমুখি হয়েছেন। দু’ জনের সাক্ষাতের জন্য এল ক্লাসিকোর সেনসেক্স বেড়ে গিয়েছিল বহুগুণে। লা লিগা জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছেছিল। মেসি বার্সেলোনা ছেড়ে চলে গিয়েছেন প্যারিস সাঁ জাঁয়। রোনাল্ডো রিয়াল ছেড়ে জুভেন্টাস হয়ে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের জার্সি চাপিয়েছেন। সেই ম্যান ইউ-র সঙ্গেও সম্পর্ক খারাপের দিকে রোনাল্ডোর। মর্গ্যানকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে ম্যাঞ্চেস্টার ইউনাইটেডের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন সিআর সেভেন। কিন্তু মেসির প্রসঙ্গ উঠতেই রোনাল্ডো বলেন, ”মেসি অবিশ্বাস্য প্লেয়ার। জাদুকর। টপ প্লেয়ার। আমরা দু’ জনে ১৬ বছর ধরে এই মঞ্চ শেয়ার করছি। ভাবুন একবার ১৬ বছর। মেসির সঙ্গে আমার সম্পর্ক খুবই ভাল। আমি ওর বন্ধু হয়তো না। বন্ধু বলতে যা বোঝায় সেটা হয়তো আমি নই। এক বন্ধু আরেক বন্ধুর ঘরে যায়, ফোনে কথা বলে আমি সেসব করি না। কিন্তু আমি ওর সতীর্থের মতোই।” 

ব্যালন ডি’ অরের মঞ্চে বসেও মেসির প্রশংসা করেছিলেন রোনাল্ডো। খেলার মাঠে দু’ জনের যতোই প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকুক না কেন, মাঠের বাইরে দু’ জনেই একে অপরের প্রতি অগাধ শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেন। রোনাল্ডো আরও বলছেন, ”মেসি আমার সম্পর্কে যে ভাবে কথা বলে তাতে আমি ওকে সত্যিই খুব শ্রদ্ধা করি। আমার স্ত্রী সম্পর্কে শ্রদ্ধাশীল ওর স্ত্রী, এমনকী আমার বান্ধবীও ওদের সম্মান করে। আমার বান্ধবী আর্জেন্টিনার। মেসি সম্পর্কে আমি আর কী বলব? দারুণ একজন মানুষ। ফুটবলকে অনেক কিছু দিয়েছে।” একই সাক্ষাৎকারে রোনাল্ডোকে জিজ্ঞাসা করা হয়, ধরা যাক ফাইনালে আর্জেন্টিনা ও পর্তুগাল মুখোমুখি হল। সেই ফাইনালে রোনাল্ডো দুটি এবং মেসি দুটি গোল করলেন। ৯৪ মিনিটে রোনাল্ডো হ্যাটট্রিক করে বিশ্বকাপ জিতে নেন। এরকম আইডিয়া কেমন লাগল রোনাল্ডোর? উত্তরে সিআর সেভেন বলেন, এরকম স্বপ্ন প্রত্যাশাই করেননি রোনাল্ডো। যদি তাই হয়, তাহলে ফাইনালের পরই অবসর নিয়ে ফেলবেন।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Football World Cup: বিশ্বকাপ শুরু হতে মাত্র ২দিন! এরই মাঝে মেসির প্রশংসায় পঞ্চমুখ রোনাল্ডো

Football: কত দামে বিক্রি হল দিয়াগো মারাদোনার “হ্যান্ড ওফ গড” বলটি!

maradonas-hand-of-god-vall-has-sold

হ্যান্ড অফ গড-ফুটবলপ্রেমীদের মনে আজও অমলিন সেই ঘটনার স্মৃতি। বিপক্ষ খেলোয়াড় থেকে শুরু করে দর্শক, সকলকেই হতবাক করে দিয়েছিলেন আর্জেন্টিনা ফুটবলের(Football)  রাজপুত্র। সটান হাত দিয়ে গোলের জালে বল জড়িয়ে দিয়েছিলেন দিয়াগো মারাদোনা। তাঁর মৃত্যুর পরে নিলাম হয়ে গেল ইতিহাসে জায়গা করে নেওয়া সেই বলটি। প্রসঙ্গত, কিছুদিন আগেই ওই ম্যাচে মারাদোনার জার্সিও নিলাম করা হয়েছিল। কাতারে বিশ্বকাপ শুরু হওয়ার এক সপ্তাহও বাকি নেই। ফুটবল জ্বরের মধ্যেই বিপুল অর্থে বিক্রি হয়ে গেল ঐতিহাসিক সেই বলটি।

১৯৮৬ সালে আর্জেন্টিনা-ইংল্যান্ড ম্যাচের রেফারির হেফাজতেই ছিল ওই ম্যাচের বলটি। মেক্সিকোয় আয়োজিত হওয়া বিশ্বকাপে ব্যবহৃত হয়েছিল অ্যাজটেকা বল। মেক্সিকোর প্রাচীন অ্যাজটেক সভ্যতার কথা মাথায় রেখেই এই বল ডিজাইন করা হয়েছিল। জানা গিয়েছে, বিশ্বকাপ কোয়ার্টার ফাইনালের পুরো সময়ে এই বলটি দিয়েই খেলা হয়েছিল। ইংল্যান্ডের একটি নিলামে ২৪ লক্ষ মার্কিন ডলারে বিক্রি হয়েছে ঐতিহাসিক বলটি। বিশেষজ্ঞদের অনুমানের দ্বিগুণ দামে এই বলটি কেনা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, চলতি বছরের মে মাসেই নিলামে বিক্রি হয়েছিল হ্যান্ড অফ গড ম্যাচে ব্যবহৃত মারাদোনার জার্সি। কাতার বিশ্বকাপেও দর্শকরা সেই জার্সি দেখতে পাবেন। কাতারের ৩-২-১ স্পোর্টস মিউজিয়ামে এই বিখ্যাত জার্সি রাখা থাকবে। ফলে কাতারে বিশ্বকাপ দেখতে যাওয়া ফুটবল অনুরাগীদের অন্যতম আকর্ষণের কেন্দ্রবিন্দুতে যে পরিণত হবে আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির এই ‘হ্যান্ড অফ গড’ জার্সি, তা বলাই বাহুল্য।

উল্লেখ্য, ’৮৬ বিশ্বকাপ সেমিফাইনালে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে জোড়া গোল করেছিলেন মারাদোনা। সেই গোল দু’টি নিয়ে আজও চর্চা অব্যাহত। গোল দু’টির প্রথমটি ছিল ‘হ্যান্ড অফ গড’। যেখানে রেফারির চোখ এড়িয়ে হাত দিয়ে গোল করেন মারাদোনা। যা নিয়ে পরবর্তী সময়ে আর্জেন্টাইন তারকার খোদ স্বীকারোক্তি ছিল, ‘‘গোলটা কিছুটা মাথা দিয়ে, কিছুটা ঈশ্বরের হাত দিয়ে।’’ পরে তা নিয়ে বিতর্কের ঝড়ও ওঠে। ঘটনা যাই হোক না কেন, ফুটবলপ্রেমীদের মনে এই ঘটনার আবেদন আজও অমলিন।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Football: কত দামে বিক্রি হল দিয়াগো মারাদোনার “হ্যান্ড ওফ গড” বলটি!