Sania-Shoaib: বিবাহ বিচ্ছেদের গল্পের মাঝেও সম্পর্কের নতুন মোড়ে বিভ্রান্ত সমালোচকরা

ইদানিংকালে, বিনোদন জগত ছাড়াও আরো অন্যান্য জগত নিয়েও চলে নানা সমালোচনা। এমনই বিনোদন জগত ছাড়া বর্তমানে খেলার জগত নিয়ে চলছে সমালোচকদের মধ্যে জোড় গুঞ্জন। মূলত সমালোচকদের কাছে সমালোচনা করার বিষয়বস্তু কখনো তা হতে পারে এই বিবাহ বিচ্ছেদ নিয়ে আবার কখনো তা হতে পারে কোনো প্রেমঘটিত বিষয় নিয়ে আবার বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হওয়া নিয়েও হয় জোড় সমালোচনা।

মূলত বলা যেতে পারে সমালোচকদের যে কোন বিষয়বস্তুই সমালোচনার কারণ হয়ে উঠতে পারে। বর্তমানে এমনই এক জোড়দার গুঞ্জন শুনতে পাওয়া যাচ্ছে পাকিস্তানি ক্রিকেটার সোয়েব মালিক(shoaib Malik) ও ভারতীয় টেনিস খেলোয়াড় সানিয়া মির্জা (Sania Mirza) মধ্যে বিবাহ বিচ্ছেদ। ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যবর্তী সকল ভেদাভেদ মিটিয়ে এই দুই খেলোয়াড় ২০১০ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন, এমনকি এই জুটির বর্তমানে এক সন্তানও রয়েছে।

দীর্ঘ এই ১২ বছরের দাম্পত্য জীবন কাটানোর পর হঠাৎই শুনতে পাওয়া যাচ্ছে যে তাদের সম্পর্কে যবনিকা পড়তে চলেছে। এই সকল চাপানউতোর খবরের মধ্যে হঠাৎই এক বিস্ময়কর খবর শুনতে পাওয়া যাচ্ছে যে, ভারতীয় টেনিস খেলোয়াড় সানিয়া মির্জা এবং তার স্বামী পাকিস্তানি ক্রিকেটার শোয়েব মালিক একটি নতুন রিয়েলিটি শোতে একসঙ্গে হাজির হতে চলেছেন। 

শনিবার রাতে, ওটিটি প্ল্যাটফর্ম উর্দুফ্লিক্স ইনস্টাগ্রামে ঘোষণা করেছে যে সানিয়া এবং শোয়েব মালিককে পাকিস্তানি একটি শো ‘মির্জা মালিক শো’তে একসঙ্গে দেখা যাবে। এমনকি এই শোয়ের একটি পোস্টারে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে, টেনিস খেলোয়াড় সানিয়া তার স্বামী ক্রিকেটার শোয়েবের কাঁধে হাত দিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। কিন্তু সমালোচক কিংবা সাধারণ মানুষের মনে এখন একটাই প্রশ্ন যে, আদৌ কি তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটছে নাকি সবটাই রটনা। যদি তাদের বিবাহবিচ্ছেদ ঘটতেও চলে তাহলে কী করে প্রকাশ্যে এই তারকা জুটির সাধারণ দর্শকদের সামনে আসা সম্ভব হলো?

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Sania-Shoaib: বিবাহ বিচ্ছেদের গল্পের মাঝেও সম্পর্কের নতুন মোড়ে বিভ্রান্ত সমালোচকরা

বর্ণময় ফুটবল কেরিয়ার প্রাক্তন গোলকিপার সন্দীপ নন্দীর

ভারতীয় ফুটবলে মহলে প্রাক্তন গোলকিপার সন্দীপ নন্দী (Sandip Nandy) এক বর্ণময় চরিত্রের খেলোয়াড়। ৪৭ বছরের নন্দীকে বর্তমানে মহামেডান স্পোটিং ক্লাবের গোলকিপিং কোচের ভূমিকাতে দেখা যাচ্ছে।সন্দীপ নন্দীর ফুটবল কেরিয়ার বেশ চমকে দেওয়ার মতো।একমাত্র ভারতীয় ফুটবলার যার নামের সঙ্গে এক বিশেষ রেকর্ড জড়িয়ে রয়েছে।

বর্ধমানের ছেলে নন্দী ভারতীয় ফুটবল এরিনাতে একমাত্র ফুটবলার যার ঝুলিতে জাতীয় লিগ এবং পরবর্তীতে আইলিগ জয়ের কৃতিত্ব রয়েছে। শুধু নির্দিষ্ট একটি ক্লাবের হয়ে নয়,সারা দেশজুড়ে দেশের বিভিন্ন ক্লাবে খেলার সুবাদে প্রাক্তন গোলকিপার সন্দীপ নন্দীর ফুটবল কেরিয়ারে দেশের সেরা ক্লাবের সদস্য হওয়ার রেকর্ড আজও অক্ষত।

ইস্টবেঙ্গল, মোহনবাগান, মাহিন্দ্রা ইউনাইটেড, চার্চিল ব্রাদার্সের হয়ে এই অনন্য নজিরের মালিক সন্দীপ নন্দী।দীর্ঘ ২০ বছরের ফুটবল কেরিয়ার শুরু মোহনবাগান ক্লাবের গোলকিপার হিসেবে, ১৯৯৯-২০০১ সেশনে সবুজ মেরুন দূর্গ সামলাতে দেখা গিয়েছে নন্দীকে।মাঝে টালিগঞ্জ অগ্রগামীতে থেকে ২০০২-২০০৪ ইস্টবেঙ্গল ক্লাবের গোলকিপার হিসেবে দেখা যায় তাকে।

২০০৪-২০০৯ মাহিন্দ্রা ইউনাইটেড, ২০১০-২০১২ ইস্টবেঙ্গল, ২০১২-২০১৩ চার্চিল ব্রাদার্স দলে সন্দীপ নন্দীর গ্লাভস হাতে পারফরম্যান্স তাক লাগিয়ে দেওয়ার মতো।২০১৩-১৪ মরসুমে ফিরে আসা মোহনবাগান ক্লাবে।এরপরেও বেশ কয়েক বছর খেলা চালিয়ে যেতে দেখা যায় নন্দীকে।কেরালা ব্লাস্টার্স, সার্দান সমিতির হয়ে খেলতে দেখা যায় নন্দীকে। ২০১৭-১৮ সেশনে কেরালা ব্লাস্টার্সের গোলকিপার হিসেবে সন্দীপ নন্দীকে শেষবার দেশের ফুটবল সার্কিটে দেখা গিয়েছিল।পরবর্তী সময়ে নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসির গোলকিপিং কোচ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

বর্ণময় ফুটবল কেরিয়ারে বাংলার হয়ে সন্তোষ ট্রফিতে ২০০৯-১০ সেশনে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ফাইনাল ম্যাচে পাঞ্জাবের বিরুদ্ধে ২-১ গোলে হেরে যায় বাংলা,ওই দলের সদস্য ছিলেন নন্দী।২০০৪-২০১৩ টানা ৫ বছর জাতীয় দলের গোলকিপার হিসেবে মোট ১৬ টা আন্তজার্তিক ম্যাচ এবং মাহিন্দ্রা ইউনাইটেডের হয়ে ঘরোয়ানা ফুটবলে সর্বোচ্চ ১২৫ টি ম্যাচের অভিঞ্জতার ঝুলি রয়েছে প্রাক্তন গোলকিপার সন্দীপ নন্দীর কেরিয়ারে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন বর্ণময় ফুটবল কেরিয়ার প্রাক্তন গোলকিপার সন্দীপ নন্দীর

Children’s Day : শিশু দিবসে ইস্টবেঙ্গল এফসির টুইট ঘিরে শোরগোল

সারা দেশ জুড়ে ১৪ নভেম্বর পালিত হয়ে থাকে শিশু দিবস (Children’s Day)। এইদিনে জন্মছিলেন দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পন্ডিত জওহরলাল নেহেরু। দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রীকে শ্রদ্ধা জানাতে এই দিনটিকে শিশু দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

এমন দিনে ইস্টবেঙ্গল এফসির টুইট পোস্ট লাল হলুদ ভক্তদের মধ্যে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।ওই টুইটের ক্যাপসনে লেখা,”আমাদের খেলোয়াড়দের 👶 থেকে একটি #HappyChildrensDay!
আপনি অনুমান করতে পারেন কে কে?
#জয়ইস্টবেঙ্গল #আমাগোমশাল”

প্রসঙ্গত, ইন্ডিয়ান সুপার লিগের ২০২২-২৩ মরসুমে লাল হলুদ জার্সি গায়ে আজ যারা মস্তানি করছে তাদেরই শৈশবের মুহুর্ত ওই টুইট পোস্টে তুলে ধরা হয়েছে।বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে মরসুমের দ্বিতীয় জয় পেয়ে আত্মবিশ্বাসী লাল হলুদ ব্রিগেড। ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে ১৮ নভেম্বর যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে মাঠে নামার আগে কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইনের ছেলেরা এখন চুটিয়ে প্র‍্যাকট্রিস করে চলেছে। চলতি সেশনে ঘরের মাঠে জয়ের খরা কাটাতে মরিয়া টিম ইস্টবেঙ্গল। তাই প্র‍্যাকট্রিসে খামতি রাখতে নারাজ।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Children’s Day : শিশু দিবসে ইস্টবেঙ্গল এফসির টুইট ঘিরে শোরগোল

Alex Lima: চোটমুক্ত ইস্টবেঙ্গল খেলোয়াড় অ্যালেক্স লিমা

ইস্টবেঙ্গল শিবিরের জন্য স্বস্তির খবর। ফুটবলার অ্যালেক্স লিমা (Alex Lima) সম্পূর্ণ ফিট।ফলে যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ১৮ নভেম্বর লিমাকে বল পায়ে খেলতে দেখা যাবে।

প্রসঙ্গত,অ্যালেক্স লিমা এফসি গোয়া ম্যাচে চোট পেয়েছিল।ব্রাজিলিয়ান এই মিডফ্লিডারের চোট নিয়ে যথেষ্ট বিব্রত ছিল লাল হলুদ শিবির। এখন লিমা সুস্থ হওয়াতে অনেকটাই হাফ ছেড়ে বাঁচলো ইস্টবেঙ্গল টিম ম্যানেজমেন্ট।

লিমা চোটমুক্ত হওয়াতে সম্ভবত কিরিয়াকুর সঙ্গে যুগলবন্দী দেখা যেতে পারে ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচে।তবে এই বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন হেডকোচ স্টিফেন কনস্টাটাইন।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Alex Lima: চোটমুক্ত ইস্টবেঙ্গল খেলোয়াড় অ্যালেক্স লিমা

হুয়ান ফেরান্দোকে নিয়ে ISL’র টুইট ঘিরে কৌতুহল তুঙ্গে

ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (ISL)২০২২-২৩ সেশনে ATK মোহনবাগান পয়েন্ট টেবলে ৫ ম্যাচ খেলে তিনটে জিতেছে এবং একটি ম্যাচ ড্র এবং অপর ম্যাচ হেরে তিন নম্বরে। লিগের পয়েন্ট টেবলে ওপরে ওঠার হাতছানি এখন মেরিনার্সদের সামনে।এ মন এক পজিশনে দাঁড়িয়ে ইন্ডিয়ান সুপার লিগের অফিসিয়াল টুইটার পেজে সবুজ মেরুন হেডকোচ হুয়ান ফেরান্দোকে (Juan Fernando) নিয়ে একটি টুইট পোস্ট ভাইরাল এই মুহুর্তে।

ওই সংক্ষিপ্ত সময়ের টুইট ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, ATKমোহনবাগান কোচ হুয়ান ফেরান্দো ফুটবলার আদিল খান এবং খুরি ইরানি খানের ছেলে কিয়ানের সঙ্গে খুনসুটিতে ব্যস্ত।বল পায়ে কিয়ান সবুজ গালিচাতে বল পায়ে ছোট্ট ছোট্ট পায়ে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে আর হুয়ান ফেরান্দো কিয়ানকে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে চলেছে।এই ভিডিও ঘিরে বেশ কৌতুহল ছড়িয়েছে নেটিজেনদের মধ্যে।

প্রসঙ্গত, ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ATKমোহনবাগান ২-১ গোলে জিতেছে নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসির বিরুদ্ধে।এমন হাইপিচ পারফরম্যান্সের কারণে সবুজ মেরুন ভক্তরা লিগ টপার হওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে দিয়েছে। সবুজ মেরুন ব্রিগেড ২০ নভেম্বর এফসি গোয়ার বিরুদ্ধে খেলতে উড়ে যাবে এবং এই মাসের ২৬ তারিখ লিস্টন কোলাসোরা যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে খেলতে নামবে হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন হুয়ান ফেরান্দোকে নিয়ে ISL’র টুইট ঘিরে কৌতুহল তুঙ্গে

ক্ষুদে ক্রিকেটার সমাদৃতা দে’র ব্যাটিং প্র্যাক্টিস ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়

পান্ডুয়ার ক্ষুদে বিস্ময় কন্যা সমাদৃতা দে উইলো হাতে কামাল করে দিয়েছেন। দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী সমাদৃতা ব্যাট হাতে কভার ড্রাইভ সোশাল মিডিয়াতে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে।

৮ বছর ৭ মাসের সমদিতা দে বাবা সপ্তর্ষি দে’র হাত ধরে পান্ডুয়ার এক ক্রিকেট কোচিং সেন্টারে গিয়েছিলেন। আর ওই ক্রিকেট কোচিং সেন্টারে যাওয়াটাই ক্ষুদে সমাদৃতার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয়।বাইশ গজকে ভালবেসে পায়ে প্যাড আর হাতে গ্লাভস পড়ে সমাদৃতা দে এখন চুটিয়ে ব্যাট হাতে প্র‍্যাকট্রিস করে চলেছে।

পান্ডুয়ার অরবিন্দ পল্লীর বাসিন্দা সমাদৃতার বাবা সপ্তর্ষি দে নিজেও ক্রিকেট খেলতেন।কিন্তু পরিবারের আর্থিক অনটনের কারণে এগিয়ে যেতে পারেননি। কিন্তু নিজের ক্রিকেট কেরিয়ার থেমে গেলেও কন্যা সমাদৃতার প্রতিভা দেখে মোটিভেট তিনি নিজেই। পান্ডুয়ার হারাধন চন্দ্র নিম্ন বুনিয়াদি বিদ্যালয়ের পড়ুয়া ক্ষুদে ক্রিকেটার সমাদৃতা দে’কে নিয়ে উচ্ছ্বসিত প্রশংসা করতে শোনা গিয়েছে প্রাক্তন ভারতীয় উইকেট কিপার দীপ দাশগুপ্তকে। দীপ দাশগুপ্ত সমাদৃতার বাবা সপ্তর্ষি দে’র পাঠানো ভিডিও ক্লিপিংসে সমাদৃতার প্রতিভা দেখে বলেছেন,”দুর্দ্দান্ত প্রতিভা রয়েছে সপ্তর্ষি দে’র মেয়ের মধ্যে।”সপ্তর্ষি দে নিজে জানিয়েছেন,” ফুটবলার রহিম নবির মাধ্যমে দীপ দাশগুপ্তর সহায়তা পাচ্ছে সমাদৃতা ক্রিকেটার দীপ দাশগুপ্তর কাছ থেকে সমাদৃতার ক্রিকেট প্র‍্যাকট্রিস নিয়ে তিনি বিভিন্ন পরামর্শ পেয়ে থাকেন, শুধু তাইই নয়,সমাদৃতার প্র‍্যাকট্রিসের পরিকাঠামোগত উন্নতিতে দীপ দাশগুপ্ত সবরকমভাবে সহায়তা করে চলেছেন।”

এই প্রসঙ্গে, এক চ্যাট শো’তে প্রাক্তন ক্রিকেটার দীপ দাশগুপ্ত ক্ষুদে প্রতিভাবান সমাদৃতা দে’কে পরামর্শ দিতে গিয়ে বলেছেন,”একটা টার্গেট করে নকিং প্র‍্যাকট্রিস করতে হবে। যেমন ধরা যাক মিড উইকেটে ১০০ টা বলের মধ্যে কটা মারতে পারি।এরফলে চাপ নেওয়ার মানসিক শক্তি তৈরি হবে।”
সমাদৃতার বাবা সপ্তর্ষি দে আরও জানিয়েছেন, নিজের ক্রিকেট কেরিয়ার এগিয়ে নিয়ে যেতে পারিনি,সমাদৃতা টিম ইন্ডিয়ার জার্সি গায়ে চাপালে সেটা অনেক বড় প্রাপ্তি হবে আমার কাছে। ছোট্ট ছোট্ট পায়ে চলতে চলতে ঠিক পৌছে যাবো এমনই স্বপ্নতে এখন বিভোর পান্ডুয়ার ক্ষুদে প্রতিভাবান ক্রিকেটার সমাদৃতা দে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ক্ষুদে ক্রিকেটার সমাদৃতা দে’র ব্যাটিং প্র্যাক্টিস ভাইরাল সোশ্যাল মিডিয়ায়

জর্ডন ও’ডোহার্টির চোট নিয়ে দুশ্চিন্তায় লাল-হলুদ ব্রিগেড

বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচে পেশিতে চোট পেয়েছিলেন ইস্টবেঙ্গল খেলোয়াড় জর্ডন ও’ডোহার্টি (Jordan O’Doherty)। ১৮ নভেম্বর ইস্টবেঙ্গলের ম্যাচ ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে। এই ম্যাচের আগে ডোহার্টি ম্যাচ ফিট হতে পারবেন তা নিয়ে জোর গুঞ্জন ভক্তদের মধ্যে।

সুনীল ছেত্রীদের বিরুদ্ধে ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে চোট পেয়ে মাঠের বাইরে বেরিয়ে আসতে হয় জর্ডনকে। রবিবার লাল হলুদ ব্রিগেড প্র‍্যাকট্রিসে নেমেছিল। আর অজি মিডিও জর্ডন রিহ্যাব সেশনে ফিরে আসার লড়াই শুরু করেছে। সূত্রে খবর, জর্ডন ও’ডোহার্টির ইনজুরি ইস্যুতে টিম ম্যানেজমেন্ট দ্বিধা বিভক্ত।এই ইস্যুতে তারা কোনও সিদ্ধান্ত নিতে নারাজ।

পুরোটাই হেডকোচ স্টিফেন কনস্টাটাইনের সিদ্ধান্তের ওপর আস্থা রাখা হবে বলে খবর। তবে সূত্র মারফৎ এও জানা গিয়েছে যে, ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচের দিন অর্থাৎ ১৮ নভেম্বর প্রথম একাদশের প্লেয়ার লিস্ট কর্তৃপক্ষকে জমা দেওয়ার আগে অজি মিডিওর চোটের অবস্থা দেখে নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

রয় কৃষ্ণদের বিরুদ্ধে ইন্ডিয়ান সুপার লিগে মরসুমে দ্বিতীয় জয় লাল হলুদ শিবিরে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে। ঘরের মাঠে ইস্টবেঙ্গল চলতি টুর্নামেন্টে এখনও জয় পায়নি। তাই ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে লাল হলুদ ভক্তরা প্রিয় দলের জয় দেখতে চাইছে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন জর্ডন ও’ডোহার্টির চোট নিয়ে দুশ্চিন্তায় লাল-হলুদ ব্রিগেড

ওড়িশা এফসি বনাম ইস্টবেঙ্গল ম্যাচের ‘এক্স ফ্যাক্টর’ ডিফেন্স লাইন

East Bengal

চার ম্যাচ হারের ধাক্কা কাটিয়ে ইস্টবেঙ্গল এফসি ইন্ডিয়ান সুপার লিগ (ISL) ২০২২-২৩ মরসুমে দ্বিতীয় জয় পেয়েছে, প্রতিপক্ষ বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে। জয়ের আনন্দে আত্মহারা লাল হলুদ ভক্তরা।

কিন্তু এই আনন্দ সাময়িক, কেননা আগামী শুক্রবার অর্থাৎ ১৮ নভেম্বর ইস্টবেঙ্গল এফসিকে খেলতে হবে ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে। একের পর এক ম্যাচ হেরে যাওয়ার কারণে লাল হলুদ ভক্তরা দলের কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইনের ফুটবল বোধ নিয়ে কাটাছেড়া শুরু করে দিয়েছিল। সঙ্গে টিমের নড়বড়ে ডিফেন্স নিয়ে মাথার চুল ছেড়া ছাড়া আর কোনও রাস্তাই ছিলনা সমর্থকদের কাছে।চার ম্যাচে হারের বড় একটা কারণ ডিফেন্সিভ ল্যাপস। সাংবাদিক বৈঠকে দলের নড়বড়ে ডিফেন্স লাইন নিয়ে বারে বারে অস্বস্তির মধ্যে পড়তে হয়েছে কনস্টাটাইনকে।

সুনীল ছেত্রীদের বিরুদ্ধে গোল না খেয়ে ক্লিনশিট জয় নিঃসন্দেহে গোটা টিম ইস্টবেঙ্গলকে বাড়তি আত্মবিশ্বাস জুগিয়েছে,কিন্তু এটা ভুলে গেলে চলবে না টাইটেলশিপে ডিফেন্সের দুর্বলতার জন্য পয়েন্ট হাতছাড়া হয়েছে।তাই ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে ম্যাচে লাল হলুদের ডিফেন্স লাইন ফের পরীক্ষার মুখে বসবে।

অন্যদিকে, ওড়িশা এফসি হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে নিজেদের শেষ ম্যাচ ১-০ গোলে হেরে গিয়েছে। খেলা শেষে সাংবাদিক বৈঠকে এসে ওড়িশা এফসি কোচ জোসেপ গোম্বাউ পরিষ্কার বলেই দিয়েছেন,”আমরা ভালোভাবে রক্ষণ করতে পারিনি এবং হার মানতে হয়েছে। আমাদের জন্য ফিরে আসা কঠিন ছিল।” এটা বোঝাই যাচ্ছে গোল করেও গোল লিড ধরে রাখাটা কতটা চ্যালেঞ্জের। তাই গোল শুধু করলেই চলবে না প্রতিপক্ষ দল যাতে স্কোর করে গোল শোধ করতে না পারে এর জন্যে দূর্গের প্রহরীদেরও সতর্ক থাকতে হবে অনেক বেশি।

গোল করে এগিয়ে গিয়ে ফের গোল খেলে গোটা দলের স্পিরিট অনেকটাই ফ্যাকাসে হয়ে পড়ে, পিচে আবার নতুন করে গেম সাজাতে হয়, এই গেম সাজাতে গিয়ে খেলোয়াড়দের আরও বেশি করে চাপ নিতে হয়। ম্যাচ শেষে ফলাফল বিপক্ষে গেলে কোচ আর ফুটবলারদের ফুটবল দর্শন নিয়ে কাটাছেড়া শুরু করতে বসে পড়ে ভক্তরা। তাই ওড়িশা এফসি বনাম ইস্টবেঙ্গল এফসির মধ্যে আগামী শুক্রবারের ম্যাচ শুধু যে কঠিন হতে চলেছে তাইই নয়,এই ম্যাচে জয় পরাজয়ে ‘এক্স ফ্যাক্টর'(নির্ণায়ক ভূমিকা) হতে চলেছে ডিফেন্স লাইনের পারফরম্যান্স।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ওড়িশা এফসি বনাম ইস্টবেঙ্গল ম্যাচের ‘এক্স ফ্যাক্টর’ ডিফেন্স লাইন

Rosogolla day: যুদ্ধ জয়ের স্মরণে মিষ্টিমুখের পালা

Rosogolla day

সপ্তাহ শুরু হবে মিষ্টিমুখ দিয়ে। সোমবার রসগোল্লা দিবস (Rosogolla day)। রাজ্য জুড়ে মিষ্টিপ্রেমীরা দিনটি পালন করবেন। রসগোল্লার (Rosogolla) অধিকার আনতে দীর্ঘ আইনি লড়াইয়ের পর জয় সংবাদ এসেছিল ২০১৭ সালের ১৪ নভেম্বর। দিনটিকে স্মরণে রাখতে নেওয়া হচ্ছে বিভিন্ন উদ্যোগ।

১৪ নভেম্বর ২০১৭ তারিখে জিআই রেজিস্ট্রিতে পশ্চিমবঙ্গের রসগোল্লা নথিভুক্ত হয়। ওড়িশা লড়েছিল বিস্তর। তবে পশ্চিমবঙ্গ জয়ী হয়। তার পর থেকে দিনটি পালিত হচ্ছে।

দিনটি উত্তর কলকাতার গৌরী মাতা উদ্যানে সারম্বরে পালিত হবে। মিষ্টান্ন ব্যবসায়ীদের অন্যতম সংগঠন মিষ্টি উদ্যোগ এই অনুষ্ঠানের আয়োজক। এছাড়া বিভিন্ন জেলার ঐতিহ্যবাহী পুরনো দোকান ও আধুনিক মিষ্টির দোকানেও রসগোল্লা নিয়ে বিভিন্ন আয়োজন থাকছে। কোথাও কোথাও বিনা খরচে রসগোল্লা খাওয়ানোর ব্যবস্থা হয়েছে।

পিআইবি জানাচ্ছে, ২০১৫ সালে পশ্চিমবঙ্গের তরফে বাংলার রসগোল্লার জন্য একটি  ভৌগোলিক নির্দেশক চিহ্ন বা জিআই ট্যাগ প্রাপ্তির জন্য আবেদন করা হয়েছিল। ওড়িশা সরকারের তরফেও একই আবেদন করা হয়েছিল। তবে পশ্চিমবঙ্গ সরকার স্পষ্ট করে বলে যে ওড়িশার সাথে কোন দ্বন্দ্ব ছিল না। সারা দুনিয়া জানে বাংলার রসগোল্লা। তাই এ নিয়ে মতভেদ থাকা উচিত না। তথ্য প্রমাণের ভিত্তিতে অবশেষে রসগোল্লার জি আই ট্যাগ পায় পশ্চিমবঙ্গ।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Rosogolla day: যুদ্ধ জয়ের স্মরণে মিষ্টিমুখের পালা

ইস্টবেঙ্গল ভক্তদের নিশানা করে কড়া হুঁশিয়ারি ‘ইস্টার্ন ড্রাগনর্সে’র

Odisha FC

ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (ISL) আগামী শুক্রবার ইস্টবেঙ্গল এফসি বনাম ওড়িশা এফসি (Odisha FC) ম্যাচ নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়ে গিয়েছে।ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ৫০-৬০ হাজার ভক্তের সামনে হোম গ্রাউণ্ড থেকে সেশনের প্রথম জয় ছিনিয়ে আনতে পারবে টিম ইস্টবেঙ্গল এই নিয়ে ভক্তদের মধ্যে উৎকণ্ঠার শেষ নেই।

এই উৎকণ্ঠা আরও বাড়িয়ে তুলেছে ওড়িশা এফসির করা একটি পোস্ট,যা সোশাল মিডিয়াতে এই মুহুর্তে ভাইরাল। ভাইরাল ওই পোস্টের ক্যাপসনে লেখা,”আমাদের কলকাতা ভ্রমণের আগে কাজ করা 💯
#OdishaFC #AmaTeamAmaGame #The EasternDragons

ফুটবল মহলে ওড়িশা এফসি ‘ইস্টার্ন ড্রাগনর্স’ নামেও পরিচিত। তবে চলতি ISL মরসুমে ওড়িশা এফসি টিম নিজেদের শেষ ম্যাচ হেরে গিয়েছে হায়দরাবাদ এফসির কাছে ১-০ গোলে।

নিজামর্সদের কাছে হেরে গিয়ে ইস্টার্ন ড্রাগনর্স টিমের হেডকোচ জোসেফ গোম্বাউ সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে জানিয়েছেন, “এটা একটা খুব সমান লড়াই ছিল হায়দরাবাদ এফসি খুব ভালো দল। প্রথম দশ মিনিটে, আমরা খুব ধীর গতিতে শুরু করেছি এবং আমরা গোলটায় হার মেনেছি। এটাতে আমাদের কাজ করতে হবে, আমাদের আরও মনোযোগ দিয়ে গেম শুরু করতে হবে। এর পরেও, আমি মনে করি এটা একটা খুব সমান খেল আমাদের সুযোগ ছিল, আমরা একটু বেশি চাপ দিয়েছিলাম কারণ আমরা গোল করতে চাই এবং ফলাফল পেতে চাই।”

এখানেই থেমে না থেকে জোসেপ গোম্বাউ বলতে থাকেন, “দ্বিতীয়ার্ধের শেষ ভাগে হায়দরাবাদ এফসি লিড রক্ষা এবং আক্রমণের কথা ভাবছিল। এই লিগের অনেক খেলার মতো এটা ছিল সমান খেলা। এই লিগে দলের মানের মধ্যে খুব একটা পার্থক্য নেই। ছোট বিবরণ ফলাফল তাদের পক্ষে যেত একটা অ্যাকশনে” আত্ম সমালোচনার ভঙ্গিতে ওড়িশা এফসি কোচ সাংবাদিকদের জানান,”আমরা ভালোভাবে রক্ষণ করতে পারিনি এবং গোলটিতে হার মেনেছি। আমাদের জন্য ফিরে আসা কঠিন ছিল।”

হায়দরাবাদ এফসির সঙ্গে ওড়িশা এফসির ম্যাচ হয়েছে ৫ নভেম্বর, মাঝে অনেকটা সময় খেলার বাইরে রয়েছে ওড়িশা। হারের ক্ষত অনেকটাই শুকিয়ে এসেছে এবং জয়ের ক্ষিদেতে ছটফট করছে ইস্টার্ন ড্রাগনর্স। ইস্টবেঙ্গল এফসির বিরুদ্ধে তিন পয়েন্টকে ‘পাখির চোখ’ করে এগিয়ে আসছে সঙ্গে মাইন্ড গেমে ইস্টবেঙ্গল ভক্তদের কড়া হুঁশিয়ারি সাড়াশি আক্রমণ সানিয়ে লাল হলুদ ব্রিগেডকে বধ করতে এগিয়ে আসছে তাই এমন পোস্ট সোশাল মিডিয়াতে ওড়িশা এফসির।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ইস্টবেঙ্গল ভক্তদের নিশানা করে কড়া হুঁশিয়ারি ‘ইস্টার্ন ড্রাগনর্সে’র

ISL: ওড়িশার বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রস্তুতি শুরু ইস্টবেঙ্গলের

East Bengal started preparing

চার ম্যাচ হারের মুখ দেখার পর ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (ISL) বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে ১-০ গোলে জয় পেয়েছে ইস্টবেঙ্গল এফসি। গত শুক্রবার সুনীল ছেত্রীদের ঘরের মাঠে হারিয়েছে টিম ইস্টবেঙ্গল।

লিগে লাল হলুদ শিবিরের পরের খেলা ওড়িশা এফসির বিরুদ্ধে ১৮ নভেম্বর কলকাতার যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে।এই ম্যাচের জন্য ইস্টবেঙ্গল খেলোয়াড়রা রবিবার প্র‍্যাকট্রিস সেশন শুরু করে দিয়েছে। নিজেদের টুইটার হ্যান্ডেলে এই প্র‍্যাকট্রিস সেশনের এক মুহুর্ত পোস্ট করে ক্যাপসনে লেখা ” অন্ধকারতম সময়েও সুখ পাওয়া যায়, যখন কেউ কেবল আলো জ্বালানোর কথা মনে রাখে।”
#জয়ইস্টবেঙ্গল #আমাগোমশাল “

ISL লিগ টেবলে ওড়িশা এফসি খুব একটা সুবিধা জনক অবস্থাতে নেই।৫ ম্যাচে ৩ টে জয় পেয়েছে এবং দুই ম্যাচ হেরে পয়েন্ট টেবলে পঞ্চম স্থানে ৯ পয়েন্ট নিয়ে। কলিঙ্গ ওয়ারিয়াসদের থেকে দুধাপ নীচে ইস্টবেঙ্গল এফসি লিগ টেবলে। দীপক টাংরিরা ৬ ম্যাচের মধ্যে দুই ম্যাচ জিতেছে, চার ম্যাচ হেরে গিয়েছে ৬ পয়েন্ট নিয়ে আট নম্বরে।

নিজেদের শেষ ম্যাচ ওড়িশা এফিসি খেলেছে হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে এবং ওই ম্যাচ ১-০ গোলে হেরে গিয়েছে হায়দরাবাদ এফসির কাছে।এই ম্যাচ জয়ের ফলে ISL পয়েন্ট টেবলে টপার। ওড়িশা এফসির হেডকোচ জোসেপ গোম্বাউ’র টিমে পেদ্রো মার্টিন, ডিয়েগো মাউরিসিওর মতো খেলোয়াড় থাকা সত্ত্বেও তারা হায়দরাবাদকে নিজেদের ঘরের মাঠে হারাতে ব্যর্থ হয়েছে।

ফলে তিন পয়েন্টের লক্ষ্য নিয়েই কলিঙ্গ ওয়ারিসরা কলকাতায় পা রাখতে চলেছে তা বলাই চলে।অন্যদিকে, লাল হলুদ শিবির সেশনের দ্বিতীয় জয় পেয়ে অনেকটাই আত্মবিশ্বাসী।ঘরের মাঠে ভক্তদের সমর্থন সঙ্গে চলতি টাইটেলশিপে ঘরের মাঠে প্রথম জয় দেখার লক্ষ্যে ভক্তরা মাঠে ভিড় জমাবে।স্বভাবতই প্রত্যাশার চাপ থাকবে ইস্টবেঙ্গল ফুটবলারদের ওপর।আর ওড়িশা এফসি চাইবে যুবভারতীতে ঘরের মাঠে লাল হলুদ ভক্তদের চোখের সামনে ইস্টবেঙ্গলকে হারিয়ে তিন পয়েন্ট জোগাড়ের। ফলে দুদলের বল দখলের লড়াই হাড্ডাহাডি হতে চলেছে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ISL: ওড়িশার বিরুদ্ধে ম্যাচের প্রস্তুতি শুরু ইস্টবেঙ্গলের

East Bengal: ইভান গঞ্জালেসকে নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের টুইট

East Bengal tweets about Ivan Gonzalez

ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (ISL) দ্বিতীয় জয় ছিনিয়ে নিয়েছে ইস্টবেঙ্গল এফসি (East Bengal)। বেঙ্গালুরু এফসিকে তাদেরই ঘরের মাঠ শ্রী ক্রান্তিরাভা স্টেডিয়ামে ১-০ গোলে হারিয়ে দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল।

গোল না খেয়ে ম্যাচ রেজাল্ট ১-০-তে শেষ করার আনন্দে আত্মহারা লাল হলুদ ভক্তরা। তবে এই আনন্দের কুশীলব দলের ডিফেন্স লাইন তা মোটেও ভুলে গেলে চলবে না। খেলা শেষে ইস্টবেঙ্গল কোচ স্টিফেন কনস্টাটাইনের মুখেও টিমের ডিফেন্স লাইনের প্রশংসা শোনা গিয়েছে।

কনস্টাটাইনের ওই প্রশংসার সূত্রেই রবিবার দলের রক্ষণ ভাগের বিদেশী খেলোয়াড় ইভান গঞ্জালেসকে নিয়ে পোস্ট ভক্তদের মধ্যে কৌতুহল বাড়িয়ে তুলেছে।ওই পোস্টের ক্যাপসনে লেখা,”এটাই মাম্বা মানসিকতা!
#JoyEastBengal #BFCEBFC #HeroISL #আমাগোমশাল”

ওই পোস্টে বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে ইভান গঞ্জালেসের পারফরম্যান্স গ্রাফ নিখুঁতভাবে ইঞ্চিতে ইঞ্চিতে মেপে ব্যাখা করা হয়েছে ভক্তদের ট্যাকটিক্যাল গেম মানসিকতা বোঝানোর লক্ষ্যে।

প্রসঙ্গত,সুনীল ছেত্রীদের বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট পাওয়ার পিছনে লাল হলুদ ডিফেন্স লাইনের বড় অবদান রয়েছে। আর তাই ভক্তদের মধ্যে ইস্টবেঙ্গল এফসি দলের ডিফেন্স লাইনের পরিচিতি ঘটাতে এবং দলের প্রতি আস্থা রাখার বার্তা দিতেই এই পোস্ট।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন East Bengal: ইভান গঞ্জালেসকে নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের টুইট

ATK মোহনবাগানের টুইট ঘিরে ভক্তদের মধ্যে কৌতুহল তুঙ্গে

ATK Mohun Bagan

চলতি মাসের ১০ তারিখে, ঘরের মাঠ যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে ATKমোহনবাগান ২-১ গোলে জিতেছে নর্থইস্ট ইউনাইটেড এফসির বিরুদ্ধে। এই তিন পাওয়ার সুবাদে ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (ISL) পয়েন্ট টেবলে দুই নম্বরে উঠে এসেছে সবুজ মেরুন শিবির।

এমন হাইপিচ পারফরম্যান্সের কারণে সবুজ মেরুন ভক্তরা লিগ টপার হওয়ার স্বপ্ন দেখতে শুরু করে দিয়েছে।ভক্তদের এই আবেগকে সম্মান জানিয়ে রবিবার ATKমোহনবাগানের টুইট পোস্ট সোশাল মিডিয়াতে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে।এই টুইট পোস্টে দেখা যাচ্ছে দিমিত্রি পেট্রাটোস এবং দীপক টাংড়িকে।ওই টুইট পোস্টের ক্যাপসনে লেখা,”এই রবিবার আপনার পথে ভাল ভাইব পাঠানো হচ্ছে
#ATKMohunBagan #JoyMohunBagan # আমরাসবুজমুন “

হাইল্যান্ডারদের বিরুদ্ধে জয় গোটা মেরিনার্সদের আরও বেশি করে ভালো পারফর্ম করার জন্য মোটিভেট করেছে। ইন্ডিয়ান সুপার লিগে(ISL) এখনও ATKমোহনবাগান মুখোমুখি হয়নি হায়দরাবাদ এফসি এবং এফসি গোয়ার।নিজামর্সরা এখন লিগ টপার।৬ ম্যাচে ৫ টি খেলাতেই জয়ের মুখ দেখেছে হায়দরাবাদ এবং এক ম্যাচ হেরেছে করেছে। হায়দরাবাদ এফসি অন্যদিকে, এফসি গোয়া ৪ ম্যাচে তিনটে জিতেছে একটা হেরেছে করে লিগ টেবলে ৪ নম্বরে,পয়েন্ট টেবলে দুই-এ উঠে এসেছে মুম্বই সিটি এফসি তারা ৬ ম্যাচে তিন ম্যাচে জয় পেয়েছে আর সম সংখ্যক ম্যাচ ড্র করেছে। হায়দরাবাদ এবং এফসি গোয়া শক্ত গাট টুর্নামেন্টে। চ্যাম্পিয়নশিপের লড়াইতে টিকে থাকতে হলে এই দুই ম্যাচ জিততেই হবে মেরিনার্সদের।

২০ নভেম্বরএফসি গোয়ার বিরুদ্ধে খেলতে উড়ে যাবে ATKমোহনবাগান এবং এই মাসের ২৬ তারিখ লিস্টন কোলাসোরা যুবভারতী ক্রীড়াঙ্গনে খেলতে নামবে হায়দরাবাদ এফসির বিরুদ্ধে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ATK মোহনবাগানের টুইট ঘিরে ভক্তদের মধ্যে কৌতুহল তুঙ্গে

T 20 WC: ৩০ বছর পর প্রতিশোধ, ব্রিটিশদের ব্যাটে-বলে বধ পাকিস্তানিরা

কিংবদন্তি ইমরান খানের নজির ছুঁতে মরিয়া ছিলেন পাক অধিনায়ক বাবর আজম। তবে পারলেন না। ব্রিটিশরা ব্যাটে-বলে বধ করল পাকিস্তানকে (Pakistan) । ঠিক তিন দশক আগে যেভাবে বিশ্বকাপ ক্রিকেট পাকিস্তানের কাছে পরাজিত হয়েছিল (England) ইংল্যান্ড, একই মাঠে সেই পরাজয়ের বদলা হয়ে গেল টি টোয়েন্টি (T 20 WC) বিশ্বকাপে।

পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপা জিতেছে ইংল্যান্ড। 

পাকিস্তান রানার্স। পাকিস্তান জুড়ে হতাশা। টালমাটাল পাক রাজনীতির মাঝে বিশ্বকাপ জয়ের আগাম স্বপ্নের জাল বুনেছিলেন আম পাকিস্তানিরা। তাঁদের মনে ছিল ইমরান খানের (Imran Khan) হাতে ক্রিকেট বিশ্ব জয়ের ট্রফি। যে জয় ১৯৭১ সালে ভারতের সামনে অস্ত্র নামিয়ে দু-টুকরো হওয়ার বেদনা ভুলিয়েছিল পাকিস্তানিদের।

তিন দশক আগের ১৯৯২ সালের সেই মুহূর্ত-কচি কলাপাতা রঙের জার্সিধারী পাক ক্রিকেটের (Pakistan Cricket) পাশে চিরস্থায়ী হয়ে গেছিল ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ের শিরোপা-তকমা। সেটা ছিল ফিফটি ফিফটি ক্রিকেট বিশ্বকাপ। এবার টি টোয়েন্টি।  সেই মেলবোর্ন। সেই পাকিস্তান বনাম ইংল্যান্ডের ফাইনাল ম্যাচ।

স্বাভাবিক নিয়মে সেদিনের বিশ্বকাপ জয়ী ইমরান খান ক্রিকেট ছেড়েছেন। তারপর নেমেছেন রাজনীতির বাইশ গজে। সেখানেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। নিজের দল তেহরিক ই ইনসাফকে পাকিস্তানের ক্ষমতার স্বাদ দিয়েছেন। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ক্রিকেটার অধিনায়ক থেকে প্রধানমন্ত্রী হওয়া-রাজনীতির এমন মারাত্মক পটপরিবর্তনের তিনিই একমাত্র নজিরধারী। আপাতত ক্ষমতা হারিয়ে ফের রাজপথে নেমে গুলি খেয়েছেন। প্রাণে বেঁচে ফের ক্ষমতা দখলের জন্য মিছিলে নেমেছেন।

পাকিস্তানের অন্দরে চলছে টালমাটাল পরিস্থিতি। ফের সামরিক আইন জারির প্রবল সম্ভাবনা। এই পরিস্থিতিতে পাক জনজীবনে ক্রিকেটের উত্তাপ লেগেছিল।  আপাতত রানার্স হয়েই দেশে ফেরার বিমান ধরবে পাক দল। আর বিশ্বজয়ী ক্রিকেট দল হিসেবে বাড়ি ফিরবেন ব্রিটিশরা।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন T 20 WC: ৩০ বছর পর প্রতিশোধ, ব্রিটিশদের ব্যাটে-বলে বধ পাকিস্তানিরা

T 20 WC: ৩০ বছর পর প্রতিশোধ, ব্রিটিশদের ব্যাটে-বলে বধ পাকিস্তানিরা

কিংবদন্তি ইমরান খানের নজির ছুঁতে মরিয়া ছিলেন পাক অধিনায়ক বাবর আজম। তবে পারলেন না। ব্রিটিশরা ব্যাটে-বলে বধ করল পাকিস্তানকে (Pakistan) । ঠিক তিন দশক আগে যেভাবে বিশ্বকাপ ক্রিকেট পাকিস্তানের কাছে পরাজিত হয়েছিল (England) ইংল্যান্ড, একই মাঠে সেই পরাজয়ের বদলা হয়ে গেল টি টোয়েন্টি (T 20 WC) বিশ্বকাপে।

পাকিস্তানকে ৫ উইকেটে হারিয়ে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে নিজেদের দ্বিতীয় শিরোপা জিতেছে ইংল্যান্ড। 

পাকিস্তান রানার্স। পাকিস্তান জুড়ে হতাশা। টালমাটাল পাক রাজনীতির মাঝে বিশ্বকাপ জয়ের আগাম স্বপ্নের জাল বুনেছিলেন আম পাকিস্তানিরা। তাঁদের মনে ছিল ইমরান খানের (Imran Khan) হাতে ক্রিকেট বিশ্ব জয়ের ট্রফি। যে জয় ১৯৭১ সালে ভারতের সামনে অস্ত্র নামিয়ে দু-টুকরো হওয়ার বেদনা ভুলিয়েছিল পাকিস্তানিদের।

তিন দশক আগের ১৯৯২ সালের সেই মুহূর্ত-কচি কলাপাতা রঙের জার্সিধারী পাক ক্রিকেটের (Pakistan Cricket) পাশে চিরস্থায়ী হয়ে গেছিল ক্রিকেট বিশ্বকাপ জয়ের শিরোপা-তকমা। সেটা ছিল ফিফটি ফিফটি ক্রিকেট বিশ্বকাপ। এবার টি টোয়েন্টি।  সেই মেলবোর্ন। সেই পাকিস্তান বনাম ইংল্যান্ডের ফাইনাল ম্যাচ।

স্বাভাবিক নিয়মে সেদিনের বিশ্বকাপ জয়ী ইমরান খান ক্রিকেট ছেড়েছেন। তারপর নেমেছেন রাজনীতির বাইশ গজে। সেখানেও চ্যাম্পিয়ন হয়েছেন। নিজের দল তেহরিক ই ইনসাফকে পাকিস্তানের ক্ষমতার স্বাদ দিয়েছেন। বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন ক্রিকেটার অধিনায়ক থেকে প্রধানমন্ত্রী হওয়া-রাজনীতির এমন মারাত্মক পটপরিবর্তনের তিনিই একমাত্র নজিরধারী। আপাতত ক্ষমতা হারিয়ে ফের রাজপথে নেমে গুলি খেয়েছেন। প্রাণে বেঁচে ফের ক্ষমতা দখলের জন্য মিছিলে নেমেছেন।

পাকিস্তানের অন্দরে চলছে টালমাটাল পরিস্থিতি। ফের সামরিক আইন জারির প্রবল সম্ভাবনা। এই পরিস্থিতিতে পাক জনজীবনে ক্রিকেটের উত্তাপ লেগেছিল।  আপাতত রানার্স হয়েই দেশে ফেরার বিমান ধরবে পাক দল। আর বিশ্বজয়ী ক্রিকেট দল হিসেবে বাড়ি ফিরবেন ব্রিটিশরা।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন T 20 WC: ৩০ বছর পর প্রতিশোধ, ব্রিটিশদের ব্যাটে-বলে বধ পাকিস্তানিরা

অঙ্কিত মুখার্জীকে নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের চাঞ্চল্যকর টুইট

Ankit Mukherjee

লাল-হলুদ ব্রিগেডের ডিফেন্সের অন্যতম স্তম্ভ অঙ্কিত মুখার্জীকে নিয়ে রবিবার ইস্টবেঙ্গল এফসির টুইট পোস্ট ভক্তদের মধ্যে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।চার ম্যাচ হারের মুখ দেখার পর ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (ISL) বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে জয় পেয়েছে ইস্টবেঙ্গল এফসি।

২০২২-২৩ ISL সেশনে ইস্টবেঙ্গলের এটা দ্বিতীয় জয়।সুনীল ছেত্রীদের বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট পাওয়ার পিছনে লাল হলুদ ডিফেন্স লাইনের বড় অবদান রয়েছে। গোল না খেয়ে ম্যাচ রেজাল্ট ১-০-তে শেষ করার আনন্দে আত্মহারা ভক্তরা। কিন্তু এই আনন্দের কারিগর দলের ডিফেন্স লাইন তা ভুলে গেলে চলবে না।

এই কারণে রয় কৃষ্ণ উদান্ত সিংদের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্ডার অঙ্কিত মুখার্জীর পারফরম্যান্স গ্রাফ পোস্ট করা হয়েছে সোশাল মিডিয়াতে। পরিসংখ্যান তুলে ধরে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিএফসির প্রতিটি ট্যাকটিক্যাল মুভকে ভেঙে চুরমার করেছে অঙ্কিত। তাই এদিন ইস্টবেঙ্গল এফসির এই টুইট পোস্ট টাইটেলশিপে উন্নতির বার্তা ভক্তদের কাছে পৌছে দিচ্ছে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন অঙ্কিত মুখার্জীকে নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের চাঞ্চল্যকর টুইট

অঙ্কিত মুখার্জীকে নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের চাঞ্চল্যকর টুইট

Ankit Mukherjee

লাল-হলুদ ব্রিগেডের ডিফেন্সের অন্যতম স্তম্ভ অঙ্কিত মুখার্জীকে নিয়ে রবিবার ইস্টবেঙ্গল এফসির টুইট পোস্ট ভক্তদের মধ্যে শোরগোল ফেলে দিয়েছে।চার ম্যাচ হারের মুখ দেখার পর ইন্ডিয়ান সুপার লিগে (ISL) বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে জয় পেয়েছে ইস্টবেঙ্গল এফসি।

২০২২-২৩ ISL সেশনে ইস্টবেঙ্গলের এটা দ্বিতীয় জয়।সুনীল ছেত্রীদের বিরুদ্ধে তিন পয়েন্ট পাওয়ার পিছনে লাল হলুদ ডিফেন্স লাইনের বড় অবদান রয়েছে। গোল না খেয়ে ম্যাচ রেজাল্ট ১-০-তে শেষ করার আনন্দে আত্মহারা ভক্তরা। কিন্তু এই আনন্দের কারিগর দলের ডিফেন্স লাইন তা ভুলে গেলে চলবে না।

এই কারণে রয় কৃষ্ণ উদান্ত সিংদের বিরুদ্ধে ইস্টবেঙ্গল ডিফেন্ডার অঙ্কিত মুখার্জীর পারফরম্যান্স গ্রাফ পোস্ট করা হয়েছে সোশাল মিডিয়াতে। পরিসংখ্যান তুলে ধরে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে বিএফসির প্রতিটি ট্যাকটিক্যাল মুভকে ভেঙে চুরমার করেছে অঙ্কিত। তাই এদিন ইস্টবেঙ্গল এফসির এই টুইট পোস্ট টাইটেলশিপে উন্নতির বার্তা ভক্তদের কাছে পৌছে দিচ্ছে।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন অঙ্কিত মুখার্জীকে নিয়ে ইস্টবেঙ্গলের চাঞ্চল্যকর টুইট

পুরোনো কৌশলে ফিরতে চলেছে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব? ক্ষুব্ধ সাদা কালো দর্শকরা

Mohammedan SC

মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব (Mohammedan SC) কি ফিরল সেই পুরোনো জমানাতে? ১১ নভেম্বর, গোকুলাম কেরালার এফসির বিরুদ্ধে অ্যাওয়ে ম্যাচে হারের পর কিন্তু সেই ইঙ্গিতই পাওয়া যাচ্ছে। কেরলের মাঠে ১-০ গোলে পরাজিত হয়ে ফিরছে মহামেডান।গত মরশুমের চ্যাম্পিয়ন দল গোকুলামের কাছে আই লিগের উদ্বোধনী ম্যাচেই হার গত বারের রানার্স মহামেডানের।

আইলিগের শুরুতেই দলের ফলাফলের থেকেও বেশি প্রশ্ন উঠছে দলের খেলা নিয়ে। আজ খেলেননি মহামেডান দলের প্রধান অস্ত্র মার্কো জোসেফ।আইলিগ শুরুর আগে উড়িষ্যাতে বাজি রুট টুর্নামেন্ট খেলতে গিয়ে চোট পান জোসেফ। আর এই কারণেই আইলিগে তাকে খেলতে দেখা যাচ্ছেনা। গোকুলামের বিরুদ্ধে দলের প্রথম একাদশে ছিলেন আরেক বিদেশি তারকা ফুটবলার দাউদা। তবে খবর অনুযায়ী তিনি খেলেছেন চোট নিয়েই।

প্রথম থেকে মাঠে ছিলেন বিদেশি নুরুদ্দিনও। তবে মহামেডান কোচ আন্দ্রে চের্নিশভ দুজনকেই খেলার মাঝে তুলে নিতে বাধ্য হন।অন্দরমহলের খবর অনুযায়ী, দুই ফুটবলাররেই ম্যাচ ফিটনেসের ঘাটতি রয়েছে।গত বারের চ্যাম্পিয়নদের বিরুদ্ধে এক পয়েন্ট আনার চেষ্টাতেই খেলতে নেমেছিল সাদা কালো ব্রিগেড। কারণ কোচ চের্নিশভ আজ দল সাজিয়েছিলেন ওসেমানে এবং সাহির সাহিন এই দুই বিদেশি ডিফেন্ডার নিয়ে।

কোচের প্ল্যান বি হিসাবে দেখা যায় বিদেশি ডেমোলোকে স্ট্রাইকার করে দিয়েছেন তিনি। তার সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হয় ওসেমানেকেও। সাহিনকেও ম্যাচের মাঝে আক্রমণে সামিল হতে দেখা যায়। রক্ষণ সামলাতে নামানো হয় ওয়েন ভাচকে। আজারুদ্দিনের মতন খেলোয়াড় থাকলেও তাকে নামানো হয়নি আক্রমণ বিভাগে।এমন পুরাতন জমানার খেলার কৌশলে ক্ষুব্ধ মহামেডান সমর্থকেরা। ক্লোজ ডোর অনুশীলন, দামি টিম হোটেলে বসবাস, এত কিছু সুবিধা দিচ্ছে মহামেডান দলের ম্যানেজমেন্ট। এত কিছু সুবিধা থাকা সত্ত্বেও দলের এমন ফলাফল ও খেলার ধরণে বেজায় ক্ষুব্ধ মহামেডান সমর্থকেরা।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন পুরোনো কৌশলে ফিরতে চলেছে মহামেডান স্পোর্টিং ক্লাব? ক্ষুব্ধ সাদা কালো দর্শকরা

World Cup: বিশ্বকাপ শুরুর আগে প্রয়োজনীয় টোটকা দিলেন মেসি

Messi

ফুটবল বিশ্বকাপ (World Cup) শুরু হতে বাকি আর এক সপ্তাহ। এবং এই বিশ্বকাপের অন্যতম দাবিদার আর্জেন্টিনা দলের অধিনায়ক লিওনেল মেসি (Messi) সম্প্রতি জানিয়েছেন কাতার বিশ্বকাপে ভালো ফলাফলের জন্য প্রয়োজনীয় টোটকা।

২০১৪ ফিফা বিশ্বকাপে একটুর জন্য বিজেতা হতে পারেনি লিও মেসির দল। ফাইনালে জার্মানির কাছে অতিরিক্ত সময় গোটজের গোলে রানার্স আপ হয়েই মাঠ ছাড়তে হয় তাদের। তবে ২০১৪ এর সেই আর্জেন্টিনা দলের সাথে বর্তমান আর্জেন্টিনা দলের তুলনা করে ওলে সংবাদ মাধ্যমকে মেসি বলেছেন, ” ২০১৪ বিশ্বকাপে আমরা খুব ভাল খেলেছিলাম। এই অভিজ্ঞতা ভোলার মত নয়। আমি খুব উপভোগ করেছিলাম সেই বিশ্বকাপ এবং তখনই আমার কাছে পরিষ্কার হয়ে গিয়েছিল যে প্রধান এবং সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হল একটি শক্তিশালী এবং ঐক্যবদ্ধ দল হিসাবে থাকতে হবে।”

এর সাথে ২০১৪ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বল বিজয়ী যোগ করেছেন, “এটিই আপনাকে আপনার গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্যে এগিয়ে নিয়ে যাবে। আজ আমার মনে হয় ২০১৪ দলের সাথে এই দলের অনেক মিল রয়েছে।”২০২১ সালের কোপা আমেরিকা বিজয়ী আর্জেন্টিনা ঐকবদ্ধ ভাবে বিশ্বকাপ জিততে পারবে কি না তা জানার জন্য অপেক্ষা করতেই হবে ১৮ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন World Cup: বিশ্বকাপ শুরুর আগে প্রয়োজনীয় টোটকা দিলেন মেসি

ICC Top 9: আইসিসির সেরা ৯: ভারতীয় দল থেকে সুযোগ পেলেন দুজন

ICC Top 9: Two got chances from Indian team

সেমিফাইনালে চূড়ান্ত ব্যর্থতার পরও বিশ্বকাপের সেরা ৯ (ICC Top 9) ক্রিকেটারের তালিকায় ভারত থেকে সুযোগ পেলেন দু’জন। ফাইনালের আগেই টুর্নামেন্টের সেরা ক্রিকেটার অর্থাৎ ম্যান অফ দ্য সিরিজের জন্য মনোনয়নের তালিকা প্রকাশ করল আইসিসি। ম্যান অফ দ্য টুর্নামেন্টের জন্য প্রাথমিকভাবে ৯ জন ক্রিকেটারের তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে। এদের মধ্যে থেকেই ভোটাভুটির মাধ্যমে বেছে নেওয়া হবে টুর্নামেন্টের সেরাদের।

আইসিসি জানিয়েছে, এই ৯ জনকে শুধু ব্যক্তিগত পারফরম্যান্সের উপর ভিত্তি করে বেছে নেওয়া হয়নি। মাপকাঠি হিসাবে দলের জয়ে এদের অবদানও বিচার করা হয়েছে। আর তাতেই দু’জন ভারতীয় সুযোগ পেয়েছেন। তাঁরা হলেন বিরাট কোহলি ও সূর্যকুমার যাদব। আসলে ভারত বিশ্বকাপ থেকে ছিটকে গেলেও এই দুই তারকাই নজরকাড়া পারফরম্যান্স করেছেন। সেকারণেই এদের এই তালিকায় রাখা হয়েছে। তালিকায় রয়েছেন ইংল্যান্ডের তিন ক্রিকেটার। জস বাটলার, অ্যালেক্স হেলস এবং স্যাম কুরান। পাকিস্তান থেকে তালিকায় রয়েছেন শাদাব খান ও শাহিন শাহ আফ্রিদি। এছাড়া জিম্বাবোয়ের সিকান্দার রাজা এবং শ্রীলঙ্কার ওয়ানিন্দু হাসারাঙ্গা রয়েছেন আইসিসির প্রকাশ করা সেরাদের তালিকায়।

কোহলি বিশ্বকাপের আগে সেভাবে ফর্মে না থাকলেও বিশ্বকাপের শুরুতেই নিজের পুরনো ছন্দে ধরা দেন। ৬ ম্যাচে ২৯৬ রান করেছেন ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক। মোট চারটি হাফ সেঞ্চুরি করেছেন তিনি। এর মধ্যে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে তাঁর খেলা ৮২ রানের ইনিংস রীতিমতো প্রশংসনীয়। কোহলির পাশাপাশি সূর্যকুমার যাদবও নজর কেড়েছেন এবারের বিশ্বকাপে। ৬ ম্যাচে ২৩৯ রান করেছেন ভারতের মিস্টার ৩৬০। সূর্যর স্ট্রাইক রেট টুর্নামেন্টের অন্যতম সেরা। ১৮৯.৬৮ স্ট্রাইক রেটে এই রান করেছেন তিনি। ভারতের এই দুই ব্যাটারের কেউ শেষ পর্যন্ত টুর্নামেন্ট সেরা হতে পারেন কিনা, সেটাই দেখার।

সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন ICC Top 9: আইসিসির সেরা ৯: ভারতীয় দল থেকে সুযোগ পেলেন দুজন