Cyclone Jawad: বৃষ্টিতে জলমগ্ন কলকাতার একাধিক জায়গা

kolkata

নিউজ ডেস্ক : শক্তি হারিয়ে পুরী উপকূল দিয়ে এগিয়ে বাংলায় প্রবেশ করেছে নিম্নচাপ জাওয়াদ (Cyclone Jawad)। যার প্রভাবে রবিবার রাত থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টিপাত হয়েছে। যা জারি রয়েছে সোমবার সকালেও। কলকাতায় রাতভর বৃষ্টি হয়েছে। ঠনঠনিয়া সহ বেশ কয়েকটি অপেক্ষাকৃত নীচু অঞ্চলে জলও জমেছে। আজও বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে। বাংলাদেশ লাগোয়া ৩ জেলায় ভারী বৃষ্টির সর্তকতা রয়েছে। এছাড়া আরও ৪ জেলায় মাঝারি বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সোমবার সকাল পর্যন্ত মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। 

ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ (Jawad) শক্তি ক্ষয় করে উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে এগিয়ে যাবে। সুস্পষ্ট নিম্নচাপ রূপে বাংলার উপকূলে নিম্নচাপের প্রভাব দেখা যাবে। এই মুহূর্তে এই নিম্নচাপ বাংলা ও বাংলাদেশ উপকূলে উত্তরপূর্ব বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। এরপর তা ক্রমশ নিম্নচাপ রূপে বাংলাদেশের দিকে এগিয়ে যাবে। বাংলাদেশ লাগোয়া জেলাগুলিতে যেমন উত্তর ২৪ পরগনা, নদীয়া এবং মুর্শিদাবাদে ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও হালকা থেকে মাঝারি বৃষ্টি হবে কলকাতা, হাওড়া, হুগলি ও পূর্ব বর্ধমানে। দক্ষিণবঙ্গের বাকি জেলাগুলিতে পরিস্থিতি উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া দফতর আগেই জানিয়েছে, সোমবার কলকাতা ও দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ভারী বৃষ্টি হবে। দিনভর আকাশ মেঘলা থাকবে। তবে, সময় যত এগোবে ততই আবহাওয়ার উন্নতি হবে। বৃষ্টি কমবে। মঙ্গলবার থেকে ক্রমশ স্বাভাবিক হবে  আবহাওয়া। পশ্চিমবঙ্গের উপূকল বরাবর ও পাশ্বর্বর্তী অঞ্চলে আজ দুপুর পর্যন্ত ঘণ্টায় প্রায় ৪০-৬০ কিলোমিটার গতিতে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। তবে বিকেলের পর ঝোড়ো হাওয়ার বেগ ক্রমশ কমবে। মঙ্গলবার থেকে আবহাওয়ার ক্রমশ উন্নতি হবে। এরপর কয়েকদিন আবহাওয়া স্বাভাবিক থাকবে। ১১ ডিসেম্বর থেকে পারদ পতন শুরু হতে পারে। তারপর থেকে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে স্থায়ীভাবে জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়ার সম্বাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

ঘুম থেকে উঠে একগ্লাস গরম জল, কী কী ম্যাজিক দেখাবে জানলে চমকে উঠবেন

water

জলের আরেক নাম যে জীবন, এটা আমরা সকলেই জানি। তাই প্রতিদিন সঠিক পরিমাণ জল পান করা প্রয়োজন। এতে অনেক রোগব্যাধি থেকে দূরে থাকা যায়। এর পাশাপাশি গরম জলও শরীরের পক্ষে খুবই উপকারী। তবে অতিরিক্ত নয়।

প্রতিদিন পরিমাণ মতো গরম জল খেলে খুব সহজেই এই ৮ টি সমস্যা থেকে দূরে থাকা যাবে।

১) মেদ কমায় –
প্রতিদিন সকালে ১ কাপ গরম জলের সঙ্গে পাতি লেবু মিশিয়ে খান। এটা বডি ফ্যাট ভাঙতে সাহায্য করে। এতে সহজেই শরীরের অতিরিক্ত মেদ কমানো যায়।

২) শরীরের বর্জ্য বের করে –
গরম জল পান করলে, শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। যার ফলে শরীর থেকে ঘাম নিঃসরণ হয়। এই ঘামের মধ্যে দিয়েই শরীরের বর্জ্য পদার্থ বাইরে বেড়িয়ে যায়।

৩) ব্রণ অ ফুসকুড়ি দূর করে –
নিয়মত গরম গল খেলে ত্বক ভালো থাকে। এতে ব্রণ বা ফুসকুড়ি হওয়ার সম্ভাবনা অনেকাংশে কমে যায়। তাই যাদের ব্রণর সমস্যা আছে তাদের গরম জল খাওয়া উচিত।

৪) হজম ক্ষমতা বাড়ায় –
খাবার খওয়ার পর ঠাণ্ডা জল খওয়া একেবারেই ঠিক নয়। এতে খাবার ঠিক মতো হজম হতে পারে না। যার ফলে পাকস্থলীর গাত্রে চর্বি জমতে থাকে, যা খুবই ক্ষতিকর। কিন্তু গরম জল চর্বি ভেঙ্গে তা হজম করতে সাহায্য করে। ফলে শরীরে হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।

৫) রক্ত সঞ্চালন স্বাভাবিক রাখে –
গরম জলের একটি বড় গুণ হোল এটি শরীরের রক্ত চলাচলকে স্বাভাবিক রাখে। যার ফলে পেশী অ স্নায়ু সক্রিয় থাকে।

৬) শ্বাসনালী ভালো রাখে –
শ্বাসনালীতে কফ জমে অনেক সময় ঠাণ্ডা লাগা, মাথা বেথা, গলা বেথার মতো সমস্যা দেখা দেয়। এক্ষেত্রে গরম জল খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গরম জল শ্বাসনালীকে পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে। তাই ঠাণ্ডা লাগলে বা গলা বেথা হলে গরম জলে গার্গল করলে উপকার পাওয়া যায়।

৭) চুলের পুষ্টি যোগায় –
গরম জল চুলের গোঁড়ার স্নায়ু সক্রিয় রাখতে সাহায্য করে। ফলে চুলের বৃদ্ধি ত্বরান্বিত হয়। এর পাশাপাশি গরম জল চুলের খুশকি দূর করে।

৮) ক্লান্তি দূর করে –
শরীরের ক্লান্তি দূর করতে গরম জল খুবই উপকারী। তাই নিয়মত গরম জল খেলে শরীরের ক্লান্তি দূর হয়। এতে নতুন করে কাজ করার এনার্জি পাওয়া যায়।

গর্ভবতীরা সাবধান হন, জেনে নিন কাদের রক্ত পান করতে ভালবাসে মশা

mostly-mosquito-love-to-bite-whom

মশা আবার মানুষ দেখে কামড়ায় নাকি? শুনতে অবাক লাগলেও এটাই বাস্তব। অনেক সময় একই ঘরে বসে থাকা সত্ত্বেও কিছু কিছু মানুষ আছেন যারা মশার কামরে পাগল হয়ে যান। অন্যদিকে ওপর মানুষটি টেরই পেলেন না আদৌ ঘরে মশা আচ্ছে কি না। কিছু কিছু মানুষ আছেন যাদের রক্ত মশারা পছন্দ করে। আর ভিরের মধ্যে খুঁজে খুঁজে তাদেরকেই নিজেদের টার্গেট বানায় মশারা। চলুন জেনে নেওয়া যাক কাদেরকে এবং কোন অবস্থায় কোনও ব্যাক্তিকে মশা বেশি কামড়ায়।

১) গর্ভবতী মহলাদের রক্ত মশাদের বিশেষ পছন্দের পানীয়। কার্বন-ডাই-অক্সাইড দ্বারা মশারা সহজে আকৃষ্ট হয়। অন্যদের তুলনায় গর্ভবতী মহিলারা ২১ শতাংশ বেশি কার্বন-ডাই-অক্সাইড ত্যাগ করেন। ফলত সেই কারনেই গর্ভবতী মহলাদের মশা বেশি কামড়ায়।

২) যারা অতিরিক্ত পরিশ্রম করেন তাঁদের মশা বেশি কামড়ায়। যে কোনও ধরনের কায়িক পরিশ্রম করলে শরীর থেকে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ল্যাকটিক অ্যাসিড নির্গত হয়। এই অ্যাসিডের গন্ধে মশারা আকৃষ্ট হয়।

৩) আপনার যদি রক্তের গ্রুপ ‘ও’ হয়, তাহলে আপনি মশার খুব পছন্দের মানুষ। ‘ও’ পজিটিভ হলে তো কথাই নেই। গবেষণায় জানা গিয়েছে অন্য গ্রুপের তুলনায় ‘ও’ গ্রুপের রক্তের ব্যাক্তিরা ৮৩ শতাংশ বেশি মশার কামড় খায়। আসলে ‘ও’ গ্রুপের রক্তের মধ্যে এক প্রকার বিশেষ গন্ধ থাকে যা মশাদের আকৃষ্ট করে।

৪) পোশাকের রঙও মশাদের আকৃষ্ট করে। যে কোনও গাঢ় রঙের পোশাক যেমন নীল, কালো, লালা রঙ মশাদের বিশেষ পছন্দের। তাই মশার কামড় থেকে বাঁচতে হালকা রঙের পোশাক পরুন।

৫) মশাদের ঘ্রাণ শক্তি প্রখর। যে ব্যাক্তির শরীরে কায়রামোনস রাসায়নিক বেশি থাকে, তাঁদের রক্তের প্রতি মশারা বিশেষ ভাবে আকৃষ্ট হয়।

মাথায় টাক পড়ছে! এবার ঘরোয়া উপায় মিলবে সমস্যার সমাধান

reduce-hair-fall-problem-with-this-tips

চুল পড়ার সমস্যায় জেরবার হয়ে গেছেন? টাকা খরচ করে পার্লারে গিয়ে ট্রিটমেন্ট করিয়ে কোনো লাভ হয় নি? জেনে নিন বাড়িতে বসে সহজে চুল পড়া বন্ধের উপায়। মাথায় টাক পড়ে গেছে? জেনে নিন সমস্যার সমাধান
চুলের যত্ন নিন ঘরোয়া উপায়ে

পার্লারে গিয়ে হাজার হাজার টাকা খরচ না করে ঘরোয়া উপায়ে চুলের যত্ন নিন।
শ্যাম্পুর সঙ্গে অ্যালো ভেরা জেল মিশিয়ে ব্যবহার করুন। অ্যালোভেরার গুণে আপনার চুল পড়া কমবে অনেকাংশে।

চুলের বিভিন্ন স্টাইল করার জন্য হেয়ার স্ট্রেটনারের বা ব্লো ড্রায়ারের ব্যবহার বেশি করলে চুলের গোড়া আলগা হয়ে যায় যার থেকে চুল পড়া বেড়ে যায়।
কেমিক্যাল প্রোডাক্টের ব্যবহার কমান।

চুলে রঙ করা, চুল স্ট্রেট করার জন্য কেমিক্যাল প্রোডাক্ট চুলের ক্ষতি করে। তাই চুল ভালো রাখতে মাইল্ড শ্যাম্পু ও তেল ব্যবহার করুন।

চুল ভিজে থাকা অবস্থায় আঁচড়াবেন না, ভেজা চুলের গোড়া আলগা থাকে।তাই চুল পড়ার পরিমাণ বেড়ে যায়।
দিনে অন্তত তিন থেকে চার বার চুল আঁচড়ান। চুলে জট কম পড়বে ও চুল পড়া কমবে।
বাইরে বেড়োলে রোদ, ধুলো ও দূষণের হাত থেকে চুল রক্ষা করুন। ছাতা ও টুপির ব্যবহার করুন রোদ থেকে বাঁচতে।

চুল বেঁধে রাখুন এতে চুল পড়া কমবে।
সুসম খাবার খান। আপনার খাবারের প্রভাব চুলের উপরেও পড়ে। ফল, সবজি বেশি খান। ফ্যাট জাতীয় খাবার কম খান। প্রোটিন, ভিটামিন ও বায়োটিন জাতীয় খাবারের গুণে আপনার চুল পড়ার সমস্যা বন্ধ হতে পারে।
মানসিক চাপ কম নিন। টেনশান ও স্ট্রেস থেকেও চুল পড়ার সমস্যা দেখা দেয় তাই টেনশান কম করুন।

ধূমপান বর্জন করুন। বিশেষজ্ঞদের মতে ধূমপান শরীরের সঙ্গে চুলেরও ক্ষতি করে। ধূমপান করলে সাধারণত চুল পড়ার সমস্যা দেখা যায় তাই চুল ভালো রাখতে এর থেকে বিরত থাকুন।

ঘুমের দিকে নজর দিন। রোজ ৭-৮ ঘণ্টা ঘুমান। ঘুমাতে যাওয়ার আগে চুল বেশি চেপে বাঁধবেন না।
চুল অপরিষ্কার রাখবেন না এতে চুল ওঠার সমস্যা বাড়ে। সপ্তাহে অন্তত তিন বার শ্যাম্পু করুন।
নিজের জীবনশৈলীতে এই ছোট্ট পরিবর্তন করুন আপনার চুল হবে মজবুত ও ঘন।

রাতে ঘুমের সমস্যা, সময় থাকতে সতর্ক না হতে ঘটতে পারে মারাত্মক বিপদ

Sleep

শরীর সুস্থ রাখতে নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুমের কোনও বিকল্প নেই। বিশেষজ্ঞদের মতে দিনে অন্তত ৬-৭ ঘণ্টা ঘুমানো দরকার। বর্তমানে অনেকেরই ঘুমের সমস্যা দেখা দিচ্ছে। রাত্রে সঠিক সময় বিছানায় যাচ্ছেন ঠিকই, কিন্তু ঘুম আসছে না কিছুতেই! এপাশ ওপাশ করতে করতেই অর্ধেক রাত পার হয়ে যায়। আপনারও যদি এই সমস্যা দেখা দেয়, তাহলে সতর্ক হন। ঘুমের ওষুধ একেবারেই খাবেন না। এতে শরীরের মারাত্মক ক্ষতি হয়।

চলুন জেনে নেওয়া যাক ঠিকমতো ঘুম না হলে শরীরে কী কী সমস্যা দেখা দেয়

১) হার্টের সমস্যা
ঘুমনোর সময় আমাদের হৃদপিণ্ড এবং রক্তনালী কিছুটা হলেও বিশ্রাম পায়। কিন্তু ঘুম না হলে কিংবা কম হলে প্রতিনিয়ত কার্ডিওভ্যস্কুলার সমস্যা বাড়তে থাকে। এর ফলে হার্টের সমস্যাও বৃদ্ধি পায়।

২) উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা
চিকিৎসকদের মতে ঠিকমতো না ঘুমালে লিিভং অরগানিজম গুলো ভালোভাবে কাজ করতে পারে না। এতেই সমস্যা বাড়ে। তাই পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হলে উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা বৃদ্ধি পায়। এর পাশাপাশি শরীরে হরমোনের ভারসাম্যও নষ্ট হয়।

 

Sleep

৩) হজমের সমস্যা
ঠিকমতো ঘুম না হলে হজমের সমস্যা দেখা দেয়। না ঘুমালে শরীরের পাচন ক্রিয়ায় সাহায্যকারী অঙ্গ-প্রত্যঙ্গগুলি সঠিক ভাবে কাজ করতে পারে না। যার ফলে হজমে সহায়ক পাচক রসগুলি উপযুক্ত মাত্রায় নিঃসরণে বাধা পায়। তাই হজমের নানা সমস্যা দেখা দেয়।

৪) ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বেড়ে যায়
ঘুম কম হলে শরীরে কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি পায়। যা শরীরের পক্ষে মোটেও সুখকর নয়। দিনের পর দিন এই ভাবে কোলেস্টেরলের মাত্রা বাড়তে থাকলে ডায়াবেটিসের সম্ভাবনা এড়ানো কঠিন হয়ে পড়ে। তাই প্রতিদিন পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুম না হলে ডায়াবেটিস হওয়ার সম্ভাবনা প্রবল।

৫) রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা হ্রাস পায়
ঘুমানোর সময় শরীরে প্রধানত ক্ষয়ক্ষতি পূরণ এবং শক্তি সঞ্চয়ের কাজ সঠিক ভাবে হয়ে থাকে। কিন্তু পর্যাপ্ত পরিমাণ ঘুম না হলে লিভিং অরগানিজম ঠিকমতো কাজ করতে পারে না। যার ফলে ধীরে ধীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে।

৬) মানসিক স্বাস্থ্য নষ্ট হয়
মস্তিষ্কে ওরেক্সিন নামের নিউরোট্রান্সমিটার আছে যা মস্তিষ্ককে সচল রাখতে সাহায্য করে। ঠিকমতো ঘুম না হলে ওরেক্সিন উপাদানের গতি কমে যায়। এতে মস্তিষ্কের কার্যক্ষমতা কমতে থাকে। তাই মস্তিষ্ককেও বিশ্রাম দেওয়া প্রয়োজন। না হলে হ্যালুসিনেশন বা স্মৃতিভ্রংশের মতো সমস্যা দেখা দিতে পারে।

শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর ৭ উপায়, মেনে দেখুন ম্যাজিক

mental health

শিশুদের নিয়ে অভিভাবকদের মূল অভিযোগ– তারা পড়ালেখায় অমনোযোগী। কোনো কোনো মা-বাবার আক্ষেপ– সন্তান পড়া মনে রাখতে পারে না।

সব শিশুর স্মৃতিশক্তি সমান না। যাদের স্মৃতিশক্তি দুর্বল, তাদের সেটি প্রখর করারও কিছু কৌশল আছে। আসুন জেনে নিই শিশুদের স্মৃতিশক্তি বাড়ানোর করণীয় সম্পর্কে।

১)শিশুকে প্রশ্ন করতে শেখান। যেন আপনার শিশুর মধ্যে কোনো কিছু জানার আগ্রহ তৈরি হয়। যত প্রশ্ন করবে, ততই বিষয়টি গভীরভাবে উপলব্ধি করবে সে। ফলে শিশুর স্মৃতিশক্তি শক্তিশালী হয়ে উঠবে।

২.) শিশু যা শিখছে, সেগুলো দিয়ে তাকে ছড়া, গান তৈরি করতে শেখান। মানুষের মস্তিষ্ক মিউজিক ও প্যাটার্ন মনে রাখতে পারে দ্রুত। তাই মিউজিক বা ছড়া শিশুকে কিছু শেখালে সে তাড়াতাড়ি সব কিছু মনে করতে পারবে।

৩)শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়াতে লাইব্রেরি ও মিউজিয়ামে নিয়ে যান। তাকে এক জায়গায় বসিয়ে পড়াবেন না, বরং ঘুরতে ঘুরতে শেখান। লাইব্রেরিতে নিয়ে গিয়ে বই দেখাতে পারেন। মিউজিয়াম বা আর্ট গ্যালারিতেও নিয়ে যান।

৪)বিভিন্ন বিষয়ে শিশুর সঙ্গে আলোচনা করতে হবে। তারা কি ভাবছে জানতে চান। এভাবে তাদের চিন্তাধারার যেমন উন্নতি হবে, তেমন স্মৃতিশক্তিও বাড়বে।

৫) শিশুকে কিছু শেখানোর সময় ছবির ব্যবহার করুন। তা হলে শিশুর মনে রাখতে সুবিধা হবে।

৬) বাবা-মা, বন্ধুবান্ধব ও ভাইবোনের কাছ থেকে শিশু অনেক কিছু শেখে, সে যা শিখছে সেগুলো সম্পর্কে জানতে চান। আপনাকে বোঝানোর মাধ্যমে শিশুর স্মৃতিশক্তি বাড়বে।

৭) শরীরচর্চা শরীর ও মন দুই-ই ভালো রাখে। মস্তিষ্কের কার্যকারিতা বাড়াতে সহায়তা করে। রোজ শরীরচর্চা করুন।

Politics: দিলীপ ঘোষকে বিঁধে তির্যক মন্তব্য হিরণের

Dilip Ghosh

নিউজ ডেস্ক: এবার মেদিনীপুরের সাংসদ তথা বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষকে (Dilip Ghosh) বিঁধে খড়্গপুর সদরের অভিনেতা বিধায়ক হিরন্ময় চট্টোপাধ্যায়ের (হিরণ) তির্যক মন্তব্য, ‘আমি হোর্ডিং পোস্টারে নেই। আমি মানুষের জন্য নিরন্তর কাজ করে চলি।’ এটা প্রথম নয়, বরং এর আগে বিভিন্ন ইস্যুতে পরস্পরের বিরোধিতা সামনে এসেছে। বৃহস্পতিবারের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের পর তা আরও একবার সামনে এল।

এদিন দলীয় সমর্থকদের একটি হোর্ডিং লাগানোকে কেন্দ্র করে ঘটনার সূত্রপাত হয়। যারপরই ক্ষোভ উগরে কটাক্ষের সুরে দলের প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি তথা খড়্গপুর সদরের প্রাক্তন বিধায়ক দিলীপ ঘোষকে বিঁধলেন বর্তমান বিধায়ক হিরণ (Hiran Chatterjee)। হোর্ডিংয়ে বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষকে অভিবাদন জানানো হয়েছে। হোর্ডিংয়ে সুকান্ত মজুমদার, শুভেন্দু অধিকারী, অমিত মালব্যর ছবিও রয়েছে। এমনকি হোর্ডিংয়ে রয়েছেন জেলা সভাপতি সৌমেন তিওয়ারিও। কিন্তু, হিরণ নেই। এরপরই এই নিয়ে হিরণের তির্যক মন্তব্য, ‘আমি হোর্ডিং পোস্টারে নেই। নিরন্তর মানুষের জন্য কাজ করে চলি। গণতন্ত্রে মানুষই শেষ কথা বলে। জনতাই জনার্দন, ভগবান। আমি জনগণের পূজারি। যারা হোর্ডিং পোস্টারে আছেন, তাঁরা ভোট দিয়ে জেতাতে পারবেন না। শেষ কথা বলবে মানুষই।’

প্রসঙ্গত, বিধানসভা ভোটে গোটা রাজ্যের পাশাপাশি পশ্চিম মেদিনীপুর জেলাতেও বিজেপির ভরাডুবি হয়েছে। তবে তার মধ্যেও জেলায় দুটি আসন পেয়েছে বিজেপি। তৃণমূল থেকে বিজেপিতে নাম লিখিয়ে খড়্গপুর সদরে জিতেছেন হিরণ। আর এই খড়্গপুর সদরেরই প্রাক্তন বিধায়ক ছিলেন দিলীপ ঘোষ। রাজনৈতিক মহলের একাংশের ধারনা, এ থেকেই দুজনের মধ্যে বিবাদের শুরু, যা খুব বেশিদিন লোকচক্ষুর আড়ালে থাকেনি।   

 

Omicron: কোনও ভ্যাকসিন না নিয়েই বিদেশ সফর করেছেন মহারাষ্ট্রের ওমিক্রন আক্রান্ত ব্যক্তি  

omicron-in-maharashtra

নিউজ ডেস্ক : শনিবার মহারাষ্ট্রের এক ব্যক্তির শরীরে ধরা পড়ে করোনার নয়া স্ট্রেন ওমিক্রন(Omicron)। সূত্রের খবর, আক্রান্ত ব্যক্তি মুম্বইয়ের খুব কাছেই থাকেন। এই ঘটনা সামনে আসার পরেই সে রাজ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। যদিও ওই ব্যক্তির দিনের পর দিন বিদেশে ঘোরার ইতিহাস রয়েছে।

গত মাসে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে দুবাই হয়ে দিল্লিতে ফিরে সেখান থেকে মুম্বইয়ে আসেন তিনি। এরপরেই জ্বর আসলে করোনা পরীক্ষা হলে রিপোর্ট পজিটিভ আসে। আর বিস্তারিত পরীক্ষার ফল সামনে আসার পরেই দেখা যায় ওই ব্যক্তি ওমিক্রনে আক্রান্ত। সঙ্গে সঙ্গে তাঁকে আইসোলেশনে পাঠানো হয়। পাশাপাশি ওই ব্যক্তি কোনও ভ্যাকসিনই নেননি।

এক সরকারি আধিকারিক জানিয়েছেন, ওই ব্যক্তি মেরিন ইঞ্জিনিয়ার হিসাবে কর্মরত। দিনের পর দিন সমুদ্রেই কাটাতে হয় তাঁকে। জানা যায়, গত ২৪ নভেম্বর ওই ব্যক্তির অল্প জ্বর আসে। মুম্বই বিমানবন্দরেই তাঁর চিকিত্‍সা করা হয়। নেওয়া হয় নমুনা। আর তাতেই জানা যায় তিনি করোনা পজিটিভ। এই ঘটনা সামনে আসতেই নড়েচড়ে বসেছে স্থানীয় প্রশাসন। কারা কারা ওঁর সংস্পর্শে এসেছে তাঁদের খোঁজ চলছে।

তবে এরমধ্যে যাদের খোঁজ পাওয়া গিয়েছে তাঁদের মধ্যে প্রত্যক্ষভাবে (high-risk contacts) সংস্পর্শে এসেছে এমন ১২ জনের এবং পরোক্ষ ভাবে ওই রোগীর কাছাকাছি এসেছেন এমন ২৩ জনের (low-risk contacts) করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। স্বস্তির খবর তাঁদের সবার করোনা রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। শুধু তাই নয়, আরও ২৫ জনের করোনা পরীক্ষা করা হয়েছে। যারা ওই ব্যক্তির কো-প্যাসেঞ্জার হিসাবে দিল্লি থেকে মুম্বই এসেছেন। তাঁদেরও রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে। আরও বাকিদের খোঁজ চালানো হচ্ছে।

গত কয়েকদিনে মহারাষ্ট্রে বিদেশ থেকে বহু ব্যক্তি এসেছেন। তাঁদের প্রত্যেকের আরটিপিসিআর টেস্ট করা হচ্ছে। সম্প্রতি জিম্বাবয়ে থেকে আরও এক ব্যক্তি জ্বর নিয়ে আসে। তাঁর করোনার রিপোর্ট পজিটিভ। তবে মহারাষ্ট্র সরকারের তরফে জানানো হয়েছে, তাঁর শরীরে ওমিক্রন পাওয়া যায়নি। তবে সে রাজ্যে ওমিক্রন আক্রান্তের খবর সামনে আসতেই আরও সতর্ক হওয়ার নির্দেশ দিয়েছে সরকার।

Cash on Mobile: কার্ড ছাড়াই তোলা যাবে টাকা

cash on mobile india

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি : গ্রাহকদের সুবিধার কথা মাথায় রেখে এবার ব্যাঙ্ক অফ বরোদা নিয়ে এল এক নতুন পরিষেবা। এটিএম বা ডেবিট কার্ড ছাড়াই এটিএম থেকে টাকা তুলতে পারবেন গ্রাহকরা। ব্যাঙ্কের তরফে এই পরিষেবার নাম দেওয়া হয়েছে ক্যাশ অন মোবাইল (Cash on Mobile)। এর আগে স্টেট ব্যাঙ্কও এই পরিষেবা চালু করেছে। স্টেট ব্যাঙ্কের গ্রাহকরা YONO অ্যাপ ব্যবহার করে এটিএম থেকে কার্ড ছাড়া ক্যাশ তুলতে পারেন।  

এর জন্য ব্যাঙ্ক অফ বরোদার গ্রাহকের ফোনে ব্যাঙ্ক অফ বরোদার M-Connect Plus App থাকতে হবে। এই অ্যাপের মাধ্যমেই ব্যাঙ্ক অফ বরোদার এটিএম থেকে টাকা তোলা যাবে ।

ব্যাঙ্ক অফ বরোদার ক্যাশ অন মোবাইল পরিষেবা :-

ব্যাঙ্ক অফ বরোদার গ্রাহকদের কেবল BOB M-Connect Plus App খুলে কার্ডলেস ট্রানজাকশনের জন্য ওটিপি জেনারেট করতে হবে। এরপর M-Connect Plus App এ লগইন করে প্রিমিয়াম পরিষেবা ট্যাবে ক্লিক করতে হবে। এরপর ক্যাশ অন মোবাইল পরিষেবায় ক্লিক করতে হবে। আপনার অ্যাকাউন্ট নম্বর সিলেক্ট করে কত টাকা তুলতে চান তা দিয়ে সাবমিট করতে হবে। রিকোয়েস্ট সাবমিট করার পর ব্যাঙ্ক আপনার রেজিস্টার্ড মোবাইল নম্বরে একটি ওটিপি পাঠাবে।

ব্যাঙ্ক অফ বরোদার এটিএমে গিয়ে কী করতে হবে দেখে নিন :-

এবার ওটিপির সঙ্গে নিকটবর্তী ব্যাঙ্ক অফ বরোদার এটিএমে যেতে হবে। এটিএম স্ক্রিনে Cash on Mobile অপশন সিলেক্ট করতে হবে। যে ওটিপিটা আপনার মোবাইলে এসেছে সেটা দিয়ে টাকার অ্যামাউন্ট দিয়ে সাবমিট করতে হবে।

প্রসঙ্গত, অনেক সময় দেখা গিয়েছে যে অনেকে বাড়িতে এটিএম কার্ড ভুলে রেখে এসেছেন বা কোনও কারণে এটিএম কার্ড নিয়ে যাওয়া সম্ভব হয়নি। আর এর জেরে দরকার থাকলেও এটিএম থেকে টাকা তোলা যায়নি। এবার সেই সমস্যারই সমাধান আনল ব্যাঙ্ক অফ বরোদা।   

ঝটিকা সফরে কাঠমান্ডু যেতে পারেন মমতা

Tmc trying to reach sikkim's assembly as opposition party

নিউজ ডেস্ক : এবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) আমন্ত্রণ জানাল নেপাল (Nepal)। ১০ থেকে ১২ ডিসেম্বর কাঠমাণ্ডুতে একটি কনভেশন যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ এসেছে নেপালি কংগ্রেসের তরফে। সূত্রের খবর, সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছেন মমতা। ১১ ডিসেম্বর একদিনের সফরে নেপালে যেতে পারেন তিনি।

এর আগে রোম (Rome) সফরে যাওয়ার আমন্ত্রণ পেয়েও যেতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে রোমে যাওয়ার ক্ষেত্রে অনুমোদন দেয়নি কেন্দ্রীয় সরকার। রোমের ওই অনুষ্ঠানে একজন মুখ্যমন্ত্রীর যাওয়া সঙ্গতিপূর্ণ নয় বলেই সাফাই ছিল কেন্দ্রের। যদিও বিদেশমন্ত্রকের তাঁর সফরে অনুমোদন না দেওয়ার পিছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রের অভিযোগ তুলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাঁকে বাধা দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ ছিল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। ওই সম্মেলনে আমন্ত্রিতদের তালিকায় ছিলেন  পোপ ফ্রান্সিস, জার্মান চ্যান্সেলর অ্যাঞ্জেলা মার্কেলার ও মিশরের ইমাম আহমেদ আল তায়িবও।

জানা গিয়েছে, ইতিমধ্যেই কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিদেশ সফরে যাওয়ার অনুমতি চাওয়া হয়েছে। তবে দিল্লির তরফে এখনও কিছু জানানো হয়নি। যদি অনুমতি পাওয়া যায়, সেক্ষেত্রে ১১ ডিসেম্বর একদিনের সফরে নেপালে যেতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী। 

প্রসঙ্গত, সদ্য মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৩ দিনের মুম্বই সফর সেরে ফিরেছেন। ডিসেম্বরেই ফের জেলা সফরে যাচ্ছেন। উত্তরবঙ্গের দুই দিনাজপুর ও মালদহই শুধু নয়, দক্ষিণবঙ্গের মুর্শিদাবাদ ও নদিয়াতেও তাঁর প্রশাসনিক বৈঠক করার কথা রয়েছে। আবার কলকাতা পুরসভা ভোটের প্রচারেও নামছেন তিনি। তৃণমূল সূত্রের খবর, আগামী ১৬ ডিসেম্বর বাঘাযতীন যুব সংঘের মাঠ ও বেহালা চৌরাস্তায় জনসভা করবেন।

 

Cyclone Jawad: শক্তিক্ষয় হলেও জাওয়াদের প্রভাবে আজ অতিভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস

cyclone jawad

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা: সমুদ্রে থাকাকালীনই শক্তি হারিয়ে নিম্নচাপে পরিণত হয়েছে ঘূর্ণিঝড় জওয়াদ (Cyclone Jawad)। আজ দুপুর নাগাদ তা ওড়িশা (Odisha) উপকূলে পৌঁছবে। বর্তমানে বিশাখাপত্তনম থেকে ১৮০, গোপালপুর থেকে ২০০, পুরী থেকে ২৭০ ও পারাদ্বীপ থেকে ৩৬০ কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে। ওড়িশা উপকূল ধরে বাংলার দিকে এগোলেও আগামী ১২ ঘণ্টায় ক্রমশ দুর্বল হবে নিম্নচাপ।

জাওয়াদ শক্তি হারালেও দুর্যোগের হাত থেকে রেহাই পাবে না বঙ্গবাসী। ইতিমধ্যে এর প্রভাবে শনিবার থেকেই কলকাতা-সহ দক্ষিণবঙ্গের বেশ কয়েকটি জেলায় বৃষ্টি শুরু হয়েছে। নিম্নচাপের প্রভাবে রবিবার সকাল থেকেই দক্ষিণবঙ্গের অধিকাংশ জেলায় হালকা বৃষ্টি শুরু। বেলা যত বাড়বে বৃষ্টির প্রকোপ ততই বাড়বে। আজ কলকাতা-সহ দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুরে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা জারি করেছে আলিপুর আবহাওয়া দফতর। ঝাড়গ্রামেও আজ প্রবল বৃষ্টির আশঙ্কা। কোনও কোনও জেলায় আজ বজ্রবিদ্যুত্‍-সহ বৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, সোমবারও কলকাতা-সহ গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গে বৃষ্টি হবে। মত্স্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। প্রাকৃতিক এই দুর্যোগ মোকাবিলায় তৈরি রাজ্য সরকার। পরিস্থিতি পর্যালোচনায় আগামী মঙ্গলবার পর্যন্ত সেচ, বিদ্যুত্‍ ও বিপর্যয় মোকাবিলা দফরের কর্মীদের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। প্রতিনিয়ত আবহাওয়ার পরিস্থিতি ও তার মোকাবিলায় নেওয়া একাধিক ব্যবস্থা সম্পর্কে খোঁজখবর নিচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকাগুলির সমুদ্র সৈকতে কড়া নজরদারি রাখা হচ্ছে। শনিবার রাত থেকেই সমুদ্র উত্তাল। পর্যটকদের সমুদ্রে নামতে নিষেধ করা হয়েছে। দিঘা, কাকদ্বীপ থেকে কলকাতায় সকাল থেকে শুরু হয়েছে বৃষ্টি। উপকূলবর্তী এলাকায় চলছে মাইকে প্রচার। 

একসময় ভক্তদের মনে ঝড় তুলতে বিপাশা, কীভাবে ধরে রেখেছিলেন চাবুক ফিগার

Online Desk: বিপাশা বসু, মানেই এক সময় পর্দায় উষ্ণ আবেদন, যাঁর লুকে ঝড় উঠত ভক্তমহলে। যে কোনও পোশাকেই ছিলেন তিনি সাবলীল। জনের সঙ্গে দীর্ঘ দিনের সম্পর্ক। একের পর এক হিট ছবি উপহারও দিয়েছেন তিনি। এই স্টানিং ডিভা কীভাবে  নিজেকে ধরে রাখতেন। তাঁর মত পার্ফেক্ট ফিগার পেতে গেলে এবার জেনে নিন বিপাশার গোপন ডায়েটের রহস্য। 

বিপাশার এই পার্ফেক্ট ফিগারের পেছনে রয়েছে কড়া ডায়েট। শরীর চর্চার পাশাপাশি খাবারের প্রতি বিশেষ নজর দিয়ে থাকেন বিপাশা। ভোরবেলায় বিপাশা বসু ঘুম থেকে উঠে খেয়ে থাকেন এক কাপ কফি, আমন্ড সঙ্গে গরম জল। এরপর ব্রেকফাস্টে চাই তাঁর ডিমের সাদা অংশ, দুধ বা ফলের রস।

Bipasha

দুপুরে পাতে থাকে অল্প ভাত, সঙ্গে ডাল, সব্জি মাছ। বিকেলে শরীরচর্চার আগে হালকা স্ন্যাক্স, কখনও ফল বা সেক আর ডিনার বলতে আলাদা কিছু নয়। দুপুরে ও রাতের মেনু প্রায় একই থাকে, সব্জি, স্যালাড, চিকেন। এছাড়া সাধারণত বিপাশা বসু বাড়ির তৈরি খাবারই বেশি পছন্দ করেন। অবসরে একাধিক পদ রান্না করে থাকেন তিনি।

এছাড়াও নিয়মিত শরীরচর্চা করে থাকেন তিনি। নিজেকে ফিট রাখতে ও নিজের ইয়ং লুক ধরে রাখতে সব সময় বিপাশা জিম ও যোগায় সময় কাটাতেন। এখনও তিনি একই রুটিন ফলো করে থাকেন। রাজ হোক বা ধুম, বিপাশার চাবুক ফিগার ও অভিনয়ের দক্ষতাই ছিল ছবি হিট হওয়ার পেছনে মূল রহস্য। 

দাঁতের হলদে ভাব ও দাগ নিয়ে চিন্তিত, ঘরোয়া পদ্ধতিতে মিলবে প্রতিকার

teeth

অনলাইন ডেস্ক: এখন প্রায় অনেকেরই দাঁত হলুদ হয়ে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেয়। কিছু কিছু বদভ্যাসের কারনেই আমরা দাঁতের সৌন্দর্যতা হারিয়ে ফেলি। ধূমপান, মদ্যপান, তামাক সেবন, অতিরিক্ত ফাস্ট-ফুড খাওয়া, ঠিকমতো ব্রাস না করা, সহ বিভিন্ন কারণে দাঁতে হলদে ভাব বা দাগ দেখা দেয়।

এতে দাঁতের সৌন্দর্য নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি দাঁতে বিভিন্ন সমস্যা দেখা দেয়। তাই এখন থেকেই সাবধান হওয়া প্রয়োজন। কারণ দাঁত থাকতে দাঁতের মর্ম না বুঝলে, এর ঝক্কি পোয়াতে হবে সারা জীবন। দাঁতের উজ্জ্বলতা ফিরিয়ে আনতে আধুনিক পধুতির সাহায্য নেওয়া যেতেই পারে।

কম খরচে দাঁতকে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে, আজ থেকেই এই ঘরোয়া পদ্ধতিগুলিকে কাজে লাগান

১) তুলসি পাতা
তুলসি পাতা দাঁতের পক্ষে খুবই উপকারী। বেশি করে তুলসি পাতা রোদে শুকিয়ে নিন। এবারে পাতাগুলি গুঁড়ো করে যে কোনও টুথপেস্ট মিশিয়ে নিয়মিত ব্রাস করুন। এতে সহজেই দাঁতের হলদে ভাব দূর হবে। সেই সঙ্গে দাঁতের অন্যান্য রোগের প্রকোপও হ্রাস পাবে।

২) কলার খোসা
কলার খোসার সাদা দিকটি নিয়মত দাঁতে ঘোষলে, দাঁতের দাগ ও হলদে ভাব কেটে যায়। তবে কলার খোসা ঘোষার পর অবশ্যই হালকা গরম জলে কুলকুচি করে নিতে হবে।

৩) খাবার সোডা
দাঁতের হলদে ভাব কাটাতে খাবার সোডার কোনও বিকল্প হয় না। প্রতিদিন সকালে টুথপেস্টের সঙ্গে সামান্য পরিমাণে খাবার সোডা মিশিয়ে ব্রাস করুন। তারপর উষ্ণ গরম জলে ভালো ভাবে মুখ ধুয়ে নিন। উপকার পাবেন।

৪) নুন
দাঁত পরিষ্কার করতে নুনের জুড়ি মেলা ভার। এখন অনেক টুথপেস্টে নুন ব্যবহার করা হয়। রোজ সকালে চারকোলের (কাঠকয়লা) সঙ্গে নুন মিশিয়ে দাঁত মাজুন। টানা ৩ সপ্তাহ ব্যবহার করলে ভালো ফল পাবেন। এছাড়াও নুন দাঁতের পুষ্টির ঘাটতি দূর করে।

৫) কমলা লেবুর খোসা
রাত্রে ঘুমোতে যাওয়ার আগে কমলা লেবুর খোসা ভালো করে দাঁতে ঘোষে নিন। ১০ মিনিট পর হালকা গরম জলে কুলকুচি করে নিন। নিয়মিত ব্যবহার করলে সহজেই দাঁতের হলদে ভাব থেকে মুক্তি পাওয়া যাবে।

৬) নিমের দাঁতন
দাঁতের যত্নে নিমের দাঁতন খুবই কার্যকর। নিমের ডালে রয়েছে অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল উপাদান। যা দাঁতের ক্যাভেটির মতো সমস্যা দূর করার পাশাপাশি মুখের দুর্গন্ধও দূর করে। নিমের ডাল শুকিয়ে পাউডার বানিয়ে নিয়মিত দাঁত মাজুন। এতে দাঁতের হলদে ভাব ম্যাজিকের মতো ভ্যানিস হয়ে যাবে। কাঁচা নিমের ডাল দিয়েও ব্রাস করতে পারেন।

বিছানার প্রতি কমছে টান, কেবল ডায়েট বদলে এবার বাড়িয়ে তুলুন যৌন চাহিদা

man-women

সম্পর্কের মধ্যে কমছে টান, পাটনারকে সুখী করতে সমস্যা! অফিসের চাপ, কর্ম ব্যস্ততাই কমছে যৌন ইচ্ছে! এমন পরিস্থিতির শিকার অহরহ কেউ না কেউ হয়েই থাকেন। তাঁদের কাছে বেজায় সমস্যার হয়ে দাঁড়ায় সম্পর্কের সুখ ধরে রাখা। কেন, কীভাবে পুরোনো দিনগুলো ফিরে পাওয়া যায় তা ভেবে মেলে না কুল কিনারা।
অথচ এই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টা নিয়ে নিত্য আলোচনা, সমালোচনা কিংবা অশান্তির সীমা নেই। তাহলে উপায়, প্রাথমভাবে উপায় রয়েছে বাড়ির রান্না ঘরের মধ্যেই। কেবল মেনু পাল্টে ফেলেই এবার সমস্যার সমাধান ঘটিয়ে ফেলুন।

relationship

কী কী রাখবেন ভাবছেন পাতে-

সবার প্রথমে আপেল, আপেল সেক্স হরমোনের সঠিক ব্যালান্স বজার রাখতে সাহায্য করে। মেদ ঝড়ানোর জন্য অনেকেই সাত সকালে এক গ্লাস গরম জলে মধু দিয়ে পান করে থাকেন। এই দাওয়াই-ও অব্যর্থ যৌন উত্তেজনা বাড়িয়ে তোলার জন্য। অনেকেই আছেন যাঁরা কাঁচা রসুন সহ্য করতে পারেন না। তবে এই কাঁচা রসুন যদি এক কোয়া চিপিয়ে খাওয়া যায় বা গরম ভাতে তা ভেজে খাওয়া যায়, তবে হাতে নাতে মিলবে ফল। প্রতিদিন একটা করে কলা খান, এতে প্রচুর পরিবারে পটাশিয়াম থাকে। যার ফলে তা যৌন চাহিদা বাড়িয়ে তোলে সহজেই।

সেক্সিয়েস্ট পুরুষের তকমা, এই ফিগার কী খেয়ে ধরে রেখেন হৃত্বিক

hrithik-roshan

সেক্সিয়েস্ট সুপারস্টারের তকমা, কখনও আবার সবথেকে বেশি ফ্যানেদের চাহিদার পুরুষের তকমা নিয়ে বারে বারে খবরের শিরোনামে উঠে আসেন। কীভাবে হৃত্বিক এই ফিগার ধরে রেখেছেন! এই প্রশ্ন অনেকেরই। হেয়ারস্টাইল থেকে আউটফিট, সবই ফলো করা ভক্তদের অভাব হয় না। কিন্তু ডায়েটের গোপন রহস্য কি জানা আছে হৃত্বিকের!

দিনে মাত্র তিনবার খেতে হবে এটা মেনে চলেন না হৃত্বিক। অনেক স্টারেরাই রয়েছেন, যাঁরা মনে করেন তিন বেলা খাবারটাই শ্রেয়। ছোট ছোট মিলেই ভরপুর হৃত্বিকের ডায়েট। খিদে পাওয়া মাত্রই খেয়ে থাকেন তিনি। লাঞ্চ ও ডিনারের জন্য অপেক্ষা করা নয়। ব্রেকফাস্টে এগ হোয়াইট থাকতেই হবে। প্রতিদিন এই আইটেমটা চাই-ই চাই। প্রোটিনের ব্যালন্স নিয়ে সচেতন হৃত্বিক।

Hrithik Roshan

প্রোটিন শেক খেয়ে থাকেন ওয়ার্ক আউটের আগে খেয়ে থাকেন তিনি। সারাদিনে ফলও খেয়ে থাকেন যথেষ্ট পরিমাণে। ব্রাউন রাইস, সুইট পোটাটো থাকে তাঁর লাঞ্চে। ফলে পোটাটো খেলেই যে ফিট থাকা যায় না, এই ধারনা ভুল। সিদ্ধ সব্জি সঙ্গে স্যুপ চিকেন পছন্দ করেন হৃত্বিক, ফলে প্রতিদিনের লাঞ্চে তা রাখতেই হয়। এছাড়াও সব্জি তো রয়ছেই। সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করে থাকেন। ওয়ার্ক আউটে বেশি সময় দিতে হয় হৃত্বিককে। যার ফলে তাঁর মেনুতে অলটাইম জল আবশ্যিক।

Sealdah Metro: নতুন বছরের আগে চালু হবে না শিয়ালদহ মেট্রো

Sealdah Metro

নিউজ ডেস্ক, কলকাতা : নতুন বছরের আগে শিয়ালদহ মেট্রো স্টেশন (Sealdah Metro) চালু করা যাবে না। কারণ যে অংশগুলিতে কাজ এখনও বাকি রয়েছে তা শেষ করতে আরও ২ মাস সময় লাগবে বলে মনে করা হচ্ছে। তারপরে কমিশনার অফ রেলওয়ে সেফটির অনুমোদন প্রয়োজন। ইতিমধ্যেই ফের কাজের গতি খতিয়ে দেখেছেন মেট্রো রেলের জেনারেল ম্যানেজার মনোজ জোশী, কেএম আরসিএলের এমডি মানস সরকার সহ একাধিক শীর্ষ আধিকারিকরা।

শীঘ্রই স্টেশন এলাকার রাস্তাও বদলে ফেলা হবে। মাটির নীচে দ্রুত গতিতে কাজ এগোনোর পাশাপাশি মাটির ওপরেও দ্রুত কাজ এগোচ্ছে। ইস্ট-ওয়েস্ট মেট্রো প্রকল্পের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্টেশন হতে চলেছে শিয়ালদহ। এই স্টেশন ধরেই কয়েক লাখ যাত্রী মেট্রো ব্যবহার করবেন বলে আশাবাদী কলকাতা মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ।

যেহেতু মেট্রো স্টেশন আর রেলের স্টেশন একেবারেই গা ঘেঁষে উঠেছে তাই যাত্রীদের সুবিধায় বাড়তি গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। মাটির ১৬.৫ মিটার নীচে থাকছে মেট্রোর লাইন। শিয়ালদহ স্টেশনের একদিকে ফুলবাগান মেট্রো স্টেশন, অন্যদিকে এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন। এসপ্ল্যানেড মেট্রো স্টেশন জংশন স্টেশন হতে চলেছে। তাই ধরে নেওয়া হচ্ছে ভিড় নিয়ন্ত্রণে যথাযথ ব্যবস্থা রাখতে হবে শিয়ালদহ মেট্রো স্টেশনেও।

মেট্রো রেলের জেনারেল ম্যানেজার জানিয়েছেন, ‘শিয়ালদহ ভীষণ গুরুত্বপূর্ণ একটি স্টেশন হতে চলেছে। কারণ শহরতলির বিভিন্ন জায়গা থেকে মানুষ এসে মেট্রো ধরবেন। ফলে ভিড় নিয়ন্ত্রণের জন্যে প্রশস্ত জায়গা ও যথাযথভাবে শিয়ালদহ স্টেশনের উত্তর, মেন এবং দক্ষিণের রেল প্ল্যাটফর্মে পাঠানো সবটা বুঝেই আমরা কাজ করেছি। যাতে মানুষের অসুবিধা না হয়।’

যাত্রীদের সুবিধার জন্যে স্টেশনে ৯টি সিঁড়ি থাকছে। তার মধ্যে শিয়ালদহ দক্ষিণের দিকে থাকা প্রশস্ত জায়গা দিয়ে সহজেই আসা যাওয়া করা যাবে। এছাড়া মেট্রো স্টেশনে ঢোকা ও বেরনোর জন্যে একাধিক প্রান্তে সিঁড়ি থাকছে। স্টেশনে থাকছে মোট ১৮টি এসক্যালেটর, ২৭টি টিকিট কাউন্টার। যাতায়াতের সুবিধার জন্যে থাকছে মোট ৫টি লিফট। মোট ৩টি প্ল্যাটফর্ম থাকছে। যেহেতু বহু যাত্রী ওঠানামা করবেন তাই আইল্যান্ড প্ল্যাটফর্ম রাখা হয়েছে।

ইতিমধ্যেই স্টেশন ও ফ্লোর সাজানোর কাজ শুরু হয়ে গেছে। সূত্রের খবর, মেট্রোর আধিকারিকরা সিঁড়ি, এসক্যালেটর, ফ্লোর ও লিফটের কাজ দ্রুত শেষ করতে বলেছেন। এরপরেই সিআরএসের কাছে আবেদন জানানো হবে।

Omicron: ভারতে ২ ওমিক্রন আক্রান্তের সংস্পর্শে আসা ৪ জন পজিটিভ

Omicron infection

নিউজ ডেস্ক, বেঙ্গালুরু : ইতিমধ্যে ভারতে ২ জন কোভিডের ওমিক্রন (omicron) ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের হদিশ মিলেছে। তাঁদের সংস্পর্শে আসা আরও ৪ জন এবার করোনা পজিটিভ। রাজস্থানেও (rajasthan) দক্ষিণ আফ্রিকা (south africa) থেকে আসা একই পরিবারের ৪ জন করোনা আক্রান্ত হওয়ায় উদ্বেগ বেড়েছে।

রাজস্থানের ওই পরিবারের সংস্পর্শে আসা আরও ৫ জন করোনা পজিটিভ। এঁদের ওমিক্রন সংক্রমণ হয়েছে কি না, তা পরীক্ষা করে দেখা হচ্ছে। ভারতসহ বিশ্বের ৩১টি দেশে এই ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্টে আক্রান্তের হদিশ মিলেছে।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার কর্নাটকের দুই ব্যক্তি করোনার নতুন ভেরিয়েন্ট (Omicron) সংক্রামিত হয়েছেন। আক্রান্তদের মধ্যে বাসিন্দা ৬৬ বছরের এক ব্যক্তি ২৭ নভেম্বর ভারত থেকে চলে গিয়েছেন। ওই ব্যক্তি অবশ্য ভারতীয় নাগরিক নন ২০ নভেম্বর তিনি দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে বেঙ্গালুরু এসে পৌঁছেছিলেন তবে তার হাতে ছিল না শংসাপত্র। শুধু তাই নয় ওই ব্যক্তি করোনার টিকা নিয়েছিলেন কিন্তু বেঙ্গালুরু এক হোটেলে গিয়ে তিনি নতুন করে কোন ভাইরাসে আক্রান্ত হন।

পরে জানা যায় আক্রান্ত ব্যক্তির বেঙ্গালুরুতে সরাসরি আরো ২৪ জন ব্যক্তির সংস্পর্শে এসে ছিলেন তবে তাদের সকলেরই করো না রিপোর্ট নেগেটিভ। পাশাপাশি পরোক্ষভাবে ওই ব্যক্তি ২৫০ জন মানুষের সংস্পর্শে এসেছিলেন তাদের রিপোর্ট ও নেগেটিভ জানা গিয়েছে ওই কর্ণাটকের ভাষা ওই ব্যক্তির প্রথমে ২৩  নভেম্বর করোনা পরীক্ষা করা হয়েছিল সেই পরীক্ষায় তার রিপোর্ট ছিল নেগেটিভ সে কারণেই তিনি ২৭ নভেম্বর হোটেল থেকে বেরিয়ে ব্যক্তিকে বিমানবন্দরে যান সেখান থেকেই তিনি দুবাই পাড়ি জমান।

মনে করা হচ্ছে রিপোর্ট আসার আগেই ওই ব্যক্তি কর্ণাটক থেকে দুবাই পাড়ি জমিয়েছেন এদিন কর্ণাটক সরকারের পক্ষ থেকে অবশ্য জানানো হয়েছে আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা আরো পাঁচজন করনা আক্রান্ত হয়েছেন তবে তাদের নমুনায় আছে কিনা তা এখনও স্পষ্ট ভাবে জানা যায়নি।

ওমিক্রণিক দাপট রুখতে এদিন কেন্দ্রীয় সরকার ফের একবার মানুষকে নতুন করে কিছু রীতিনীতি মেনে চলার পরামর্শ দিয়েছে। নীতি আয়োগ এর চেয়ারম্যান ব্রিঃ কেপল জানিয়েছেন প্রতিটি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল কে যত শীঘ্র সম্ভব টিকাকরণের কাজ শেষ করতে হবে। প্রয়োজনে বুস্টার ডোজ দেওয়া এবং শিশুদের অধিকার বিষয়ক সরকার দ্রুত সিদ্ধান্ত নেবে।

পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী দেশের প্রতিটি বিমানবন্দরকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন বিদেশ থেকে আগত কোন যাত্রী বিশেষ করে ঝুঁকিপূর্ণ দেশ গুলি থেকে কোনো যাত্রী এলে তাদেরকে সম্পূর্ণ আলাদা ভাবে শারীরিক পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিদেশ থেকে আগত যাত্রী বিমান মূলত ঝুঁকিপূর্ণ দেশ গুলি থেকে আগত যাত্রীদের বিমান বন্দর সংলগ্ন এলাকাতেই সাতদিনের নিভৃত বাধ্যতামূলক করা হয়েছে সাতদিন পরে দ্বিতীয়বার করোনা পরীক্ষা হলে যদি রিপোর্ট নেগেটিভ হয় তবেই তারা বিমান বন্দর সংলগ্ন নির্দিষ্ট এলাকার বাইরে আসতে পারবেন।

Mamata Banerjee: অভিষেকের সঙ্গে ফের গোয়া সফরে যেতে পারেন মমতা

mamata banerjee abhishek banerjee

নিউজ ডেস্ক : ত্রিপুরার পর এবার গোয়া বিধানসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করেছে তৃণমূল (TMC)। আর সে কারণেই ফের গোয়া (Goa) সফরে যাচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। এই সফরে তাঁর সঙ্গী হতে পারেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।

সূত্রের খবর, আগামী ১৩ ডিসেম্বর তাঁরা গোয়া যেতে পারেন। ২ দিনের এই সফরে ঠাসা কর্মসূচি রয়েছে। তার আগে অবশ্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জেলা সফরে যাওয়ার কথা। সম্ভবত ৭ ডিসেম্বর উত্তর ও দক্ষিণ দিনাজপুর যাবেন মুখ্যমন্ত্রী। ওইদিনই প্রথমে গঙ্গারামপুরে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মমতা। এরপর যাবেন রায়গঞ্জে। সেখানেও প্রশাসনিক বৈঠক করার কথা রয়েছে।

৮ তারিখ মালদহ এবং মুর্শিদাবাদে প্রশাসনিক বৈঠক করবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। সেখানকার সমস্ত কাজের খতিয়ান নেবেন। কথা বলবেন জেলাশাসক, বিডিও ও জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে। ৯ তারিখ মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক বৈঠক করবেন নদিয়ার কৃষ্ণনগরে। তারপরেই তিনি যাবেন গোয়ায়। মূলত সংগঠন বিস্তারের কাজই করবেন।

ইতিমধ্যে তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় গোয়ায় ঘুরে এসেছেন। তাঁর হাত ধরে সেখানে ঘাসফুল শিবিরে যোগ দিয়েছেন খ্যাতনামা টেনিস তারকা লিয়েন্ডার পেজ, অভিনেত্রী নাফিসা আলি, গায়ক রেমো ফার্নান্ডেজ। পরে অবশ্য তিনি গোয়ায় সংগঠন তৈরির ভার সঁপে দিয়েছেন দলের অন্যতম ভরসাযোগ্য সাংসদ মহুয়া মৈত্রর (Mohua Moitra) হাতে। তাঁর হাত ধরেও তৃণমূল শিবিরে নাম লেখাচ্ছেন আরও অনেকে। শোনা যাচ্ছে, গোয়ার একমাত্র এনসিপি বিধায়ক চার্চিল আলেমাও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে সাক্ষাতের আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। এরই মাঝে অবশ্য রাহুল গান্ধী (Rahul Gandhi) গোয়ায় গিয়ে ফরোয়ার্ড পার্টির নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। জোটের কথা ঘোষণাও করে দিয়েছেন তিনি।

উল্লেখ্য, এই মুহূর্তে জাতীয় স্তরে জমি শক্ত করার মরিয়া চেষ্টায় তৃণমূল। ত্রিপুরা, গোয়া, মেঘালয়ে চলছে সংগঠনকে শক্তিশালী করার কাজ।

Farm Law: কৃষকদের সব দাবি কেন্দ্র সরকারের মেনে নেওয়া উচিত: সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা

Farm Laws Withdrawn

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি : চলতি সপ্তাহেই সংসদে কৃষি আইন (Farm Law) প্রত্যাহার করেছে কেন্দ্র সরকার(Central)। তবুও কৃষকরা একাধিক ইস্যুতে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন।

বৃহস্পতিবার, কৃষক আন্দোলনের নেতৃত্বে থাকা কৃষকদের সংগঠন সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা (Sanyukt Kisan Morcha) এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, কেন্দ্রের দেওয়া চাপের কারণেই এখনও তাঁরা প্রতিবাদ চালিয়ে যাচ্ছেন। কেন্দ্রে তাঁদের যথাযথ সম্মান প্রদর্শন করে বকেয়া দাবিগুলি পূরণের চেষ্টা করছে। সরকার যদি আন্দোলনের সময়ে মৃত কৃষকদের পরিবারকে ক্ষতিপূরণ ও ফসল বিক্রয়ের ক্ষেত্রে ন্যূনতম সহায়ক মূল্য প্রদান নিয়ে কোনও ইতিবাচক পদক্ষেপ করে তাহলে তাঁরা ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে রাজি।

বিবৃতিতে সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা আরও জানিয়েছে, কৃষকদের সঙ্গে কোনও কথাবার্তা না বলেই তাঁদের আন্দোলন চালিয়ে যেতে বাধ্য করছে কেন্দ্র। কেন্দ্র তাঁদের দাবিগুলি নিয়ে আলোচনা না করলে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়া ছাড়া অন্য কোনও উপায় নেই। আনুষ্ঠানিকভাবে দীর্ঘদিনের একটি লড়াই শেষ হয়েছে। আন্দোলন দিয়ে নির্বাচিত সরকারের বিরুদ্ধে প্রথমবার যুদ্ধে জিতেছে কৃষকরা।

উল্লেখ্য, সোমবার সংসদে সরকার লোকসভা ও রাজ্যসভায় কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল পেশ করে। সেখানে ধ্বনি ভোটে এই আইন পাশ হয়ে যায়। অধিবেশনের শুরুতেই বিরোধী সাংসদরা (Opposition MPs) কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল নিয়ে আলোচনার দাবিতে বিক্ষোভ শুরু করলে দুপুর ১২টা অবধি লোকসভা স্থগিত করে দেওয়া হয়। পরে ফের অধিবেশন শুরু হলে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর (Narendra Singh Tomar) কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল পেশ করেন। রাজ্যসভায় খুবই সামান্য আলোচনার পর কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল পাশ হয়।

Cyclone Jawad: জাওয়াদের জেরে সপ্তাহ শেষে বাংলায় দুর্যোগের আশঙ্কা

cyclone jawad

নিউজ ডেস্ক: আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুযায়ী, বাংলায় আছড়ে না পড়লেও, ঘূর্ণিঝড়ের প্রভাবে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হবে দক্ষিণবঙ্গের বিভিন্ন জেলায়। সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। বিপদ এড়াতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিতে শুরু করেছে প্রশাসন। তবে জাওয়াদ (Cyclone Jawad) আসার আগেই পূর্বাভাস অনুযায়ী কলকাতায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা বাড়ল। বৃহস্পতিবার দিনের তাপমাত্রা ছিল ২৯.৭ ডিগ্রি যা স্বাভাবিকের তুলনায় ২ ডিগ্রি বেশি। বৃহস্পতিবার রাতের তাপমাত্রা ছিল ১৮.১ ডিগ্রি। যা স্বাভাবিকের থেকে ২ ডিগ্রি বেশি।

জাওয়াদের প্রভাবে শুক্রবার উপকূলের দুই জেলা পূর্ব মেদিনীপুর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনায় হালকা বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। বিকেলের পর সমুদ্রে ১০ থেকে ১২ ফুট উঁচু ঢেউ থাকবে। উপকূল এলাকায় ঘন্টায় ৩০ থেকে ৪০ কিলোমিটার বেগে হাওয়া বইবে। শনিবার উপকূলের জেলায় বৃষ্টি বাড়বে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার কাকদ্বীপ, ঝড়খালি, বাসন্তী, ক্যানিং, নামখানা, গোসাবা, গদখালি, বকখালি সহ একাধিক এলাকায় ভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়াও ভারী বৃষ্টি হতে পারে পূর্ব মেদিনীপুরের দীঘা, শঙ্করপুর, তালসারি, তাজপুর, মন্দারমণি সহ একাধিক এলাকায়। এরই সঙ্গে ৪০ থেকে ৫০ কিলোমিটার বেগে দমকা হাওয়া থাকতে পারে এই সব অঞ্চলে।

রবিবার সম্পূর্ণ দক্ষিণবঙ্গ জুড়ে ব্যাপক দুর্যোগপূর্ণ আবহাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। কলকাতা, দুই ২৪ পরগনা, দুই মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়ায় ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। সমতলে ৫০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়া বইবে। উপকূল অঞ্চলে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝোড়ো হাওয়ার পূর্বাভাস রয়েছে। হুগলি, নদিয়া, পূর্ব বর্ধমানে ভারী বৃষ্টি হতে পারে। এছাড়াও মুর্শিদাবাদ, মালদায় মাঝারি বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে।

আলিপুর আবহওয়া দফতরের পূর্বাঞ্চলীয় অধিকর্তা সঞ্জীব বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘এই মুহূর্তে দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগরের ওপরে অবস্থান করছে সুস্পষ্ট নিম্নচাপ। প্রাথমিকভাবে পশ্চিম ও উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে আরেকটু ঘনীভূত হবে। ৩ তারিখ নিম্নচাপ তৈরির ২৪ ঘণ্টা পরে ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা। ৪ তারিখ পূর্ব মেদিনীপুরে ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টি হতে পারে। বাকি উপকূলবর্তী জেলাগুলি, দুই ২৪ পরগনা, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, এই জেলাগুলির দু-এক জায়গায় ভারী বৃষ্টি হতে পারে।

৫ তারিখ বৃষ্টি আরেকটু বাড়বে। উপকূলবর্তী জেলা, দুই মেদিনীপুর , দুই ২৪ পরগনা, ঝাড়গ্রাম, হাওড়া, কলকাতা ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে। ৪ তারিখ সকাল থেকে ঝোড়া হাওয়া শুরু হবে। উপকূলের জেলাগুলিতে ঝোড়ো হাওয়া ৪৫-৫৫ কিলোমিটার থাকতে পারে। গাস্টিং ৬৫ কিমি। বাড়বে ৬০-৭০ কিমোলিটার বেগে। গাস্টিং ৮০ কিমি। সন্ধের পর থেকে চলবে ১২ ঘণ্টার জন্য।’

পূর্ব উপকূল রেলওয়ে (East Coast Railway) অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ওড়িশায় সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসাবে তিন দিনের জন্য ৯৫ টির মতো ট্রেন বাতিল করেছে। এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ২-৪ ডিসেম্বরের মধ্যে ওই জায়গা দিয়ে যাওয়া ট্রেনগুলি বাতিল করা হয়েছে।