ইচ্ছেমত হোমিওপ্যাথি ওষুধ খাচ্ছেন, ফল ভয়ানক হতে পারে

homeopathy

অনলাইন ডেস্ক: অসুখ-বিসুখ হওয়া মানেই ওষুধ অনিবার্য। আর ছোট-খাটো সমস্যায় আমরা অনেকেই ডাক্তার। বাড়িতে বেশ কিছু হোমিওপ্যাথি ওষুধ এনে রেখে দেওয়া থাকে। আর তা ইচ্ছেমত খেয়ে থাকেন অনেকেই।

এতে কী কী সমস্যা হতে পারে জানেন- 
ওষুধের প্রয়োগ
সঠিক ওষুধ গ্রহণ করলে দু থেকে তিন মাত্রাতেই কাজ হয়। এই চিকিৎসায় ওষুধ সেবনের ৩০ মিনিট আগে খাওয়া উচিত নয়। ব্যথা বা ক্ষতস্থানে কোনও ওষুধ লাগানোর প্রয়োজন হলে আলতোভাবে মালিশ করে লাগাতে হবে এবং ক্ষতস্থানে গরম সেঁক দেওয়া চলবে না। 
খারাপ ওষুধ 
অনেকদিনের পুরােনা ওষুধ খাওয়া যাবে না। কারণ ওষুধের গুণ অনেকটা কমে যায়। খাওয়া উচিত টাটকা ওষুধ।ওষুধটা খারাপ কি না তার আপনি নিজেই বুঝতে পারবেন। কারণ ওষুধ চোখের সামনে রাখলেই বোঝা যাবে তা ঘোলাটে ধরণের। 
নিষিদ্ধ আহার
পেঁয়াজ, ডিম, টক রসুন, হিং খাওয়া চলবে না। চুন, চা, বিড়ি, সিগারেট, সোডা ইত্যাদি নেশা ত্যাগ করতে হবে। 
ওষুধের সংরক্ষণ
যেখানে সেখানে ওষুধ রাখলে ওষুধের শক্তি কমে যায়।তাপ ও রোদের মধ্যে ওষুধ রাখলে ওষুধের গুণ নষ্ট হয়ে যায়। ওষুধের সামনে যদি কোনও উগ্র দ্রব্য রাখা হয়। তাহলে ওষুধের গুণ নষ্ট হয়ে যায়। এজন্য ওষুধ সংরক্ষণের ব্যাপারটা নিয়ে সতর্ক থাকতে হবে। 

medicine

অ্যালোপ্যাথি থেকে হোমিওপ্যাথি 
কোনও অ্যালোপ্যাথি থেকে চিকিৎসাধীন রোগী যদি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা করাতে চান তাহলে স্থূল মাত্রার তিরিশ শক্তি দিয়ে শুরু করা উচিৎ৷ পরে প্রয়োজন হলে মাত্রার হেরফের ঘটবে। 

ভয়ঙ্কর প্রতিক্রিয়া 
ওষুধ অধিক মাত্রায় প্রয়োগ করা হলে তার পরিণাম ভয়ঙ্কর হতে পারে। যেমন- ন্যাক্স ভম হোমিওপ্যাথিতে সর্বাধিক উপকারি ওষুধ। কিন্তু অধিক মাত্রায় এটি প্রয়োগ হলে ধনুষ্টঙ্কারের মতো সাংঘাতিক পীড়ায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা থাকে। তাই সবসময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খাওয়া দরকার। 

বাহ্যিক প্রয়োগ
ঘা, ঘাড়ের ব্যথা, ক্ষতে অনেকসময় ওষুধ বাহ্যিক প্রয়োগের প্রয়োজন হয়। এক্ষেত্রে ওষুধ লাগাতে হয়। ওষুধটি সঠিকভাবে নির্বাচন করে নারকেল তেল, ভেসলিন প্রভৃতির সঙ্গে মিশিয়ে নিয়ে এতে লাগাতে সুবিধা হয়। 

নানা চিকিৎসা 
বার বার চিকিৎসার পদ্ধতির পরিবর্তন, অর্থাৎ একবার অ্যালোপ্যাথি, একবার হোমিওপ্যাথি, একবার কবিরাজি এইভাবে চিকিৎসা করা উচিত নয়। এর ফলে রোগ কঠিন হয়ে পড়ে, জটিলতার সৃষ্টি হয়।

ওষুধ খাওয়ার নিয়ম
সকালে খালি পেটে হোমিওপ্যাথি ওষুধ খেলে খুব উপকার দেয়। তবে অন্য সময়ে যে কাজ করে না, তা নয়।সাধারণভাবে স্থূল মাত্রায় ওষুধ সকালে ও রাতে শোয়ার আগে সেবন করা প্রয়োজন। প্রয়োজনে দুপুরে আরও একবার সেবন করা চলে। আর ওষুধ সেবনের ৩০ মিনিট আগে ও ৩০ মিনিট পরে কোনওপ্রকার আহার গ্রহণ করা উচিৎ নয়।

সাবধনতা
ব্যথা ক্ষ ক্ষতে মলম লাগাতে হবে আলতোভাবে। ঘষে ঘষে মালিশ করা চলবে না, আর হোমিওপ্যাথি ওষুধ লাগানোর পরে গরম সেঁক দেওয়া চলবে না। 

জলপান 
হোমিওপ্যাথি ওষুধ সেবন করার পর একটু বেশি জলপান করা উচিৎ কারণ এতে ওষুধের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়।

ওষুধের শক্তিবৃদ্ধি
লিক্যুইড ওষুধ সেবন করার আগে শিশির ছিপি না খুলে শিশিটাকে ভালো করে ঝাঁকিয়ে নিয়ে তা সেবন করলে ওষুধের শক্তি বৃদ্ধি পায়।

দিনে দিনে ফিগার যেন আরও বোল্ড, ফাঁস ডায়েটের গোপন রহস্য

janhvi kapoor

Online Desk: জাহ্নবীর প্রথম লুক যেমন অনেকেই পছন্দ করেছিলেন, তেমনই আবার অনেকেই ভেবেছিলেন, আলিয়াদের টেক্কা দেওয়ার ফিগার বা লুকের অভাব। সত্যিই কি তাই! প্রমাণ হয়ে গেল নদীয় পাড়, গানের বোলে। বেলি ডান্স থেকে শুরু করে সেক্সি ফিগারে আগুন ধরিয়েছিলেন জাহ্নবী। এক কথায় ভক্তদের চোখ হয়েছিল ছানাবড়া। 

তবে এই লুকের রহস্য কি! কীভাবে নিজেকে পার্ফেক্ট লুক দিলেন জাহ্নবী কাপুর, এবার রইল সেই রহস্য। প্রতিনিয়ত কোন কোন পদে ফিগার হয়ে উঠছে স্টানিং! 

ঘুম থেকে উঠেই জাহ্নবীর চাই একগ্লাস জল, ব্রেকফাস্টে মেনুতে থাকে জাহ্নবীর থাকে টোস্ট, ফলের রস, ডিমের সাদা অংশ ও দুধ। এরপর লাঞ্চের পালা তাতে, স্যালাড ব্রাউন রাইস, চিকেন স্যান্ডুইচ। রাতে খাবারের তালিকাতে জাহ্নবীর থাকে ভেজিটেবল স্যুপ, ডাল, গ্রিল্ড ফিস, স্যালাড।

রাতে শোওয়ার ঠিক তিন ঘণ্টা আগে খাবার খেয়ে থাকেন জাহ্নবী। বাউরের খাবারে তাঁর সাফ না। বেবল বাড়িতে তৈরি খাবারই খেয়ে থাকেন জাহ্নবী। শ্যুটিং থাকলেও বাড়ি থেকেই খাবার নিয়ে যান শ্রীদেবী কন্যা। তবে সারাদিনে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করে থাকেন জাহ্নবী। শরীরচর্চাতেও কড়া নজর দিয়ে থাকেন তিনি।

ঘুম চোখ খুলে এগুলো দেখছেন না তো, সাবধান অভাব গিলে খাবে

vastu

যথেষ্ট আয় করছেন, কিন্তু ব্যয় কোনও মতেই সামাল দিতে পারছেন না। দিনে দিনে অভাব যেন গিলে খাচ্ছে। আপনি বা আপনার পরিবার কি এই সমস্যার শিকার। তবে বাস্তুর দিকে নজর দেওয়ার সময় হয়েছে। আপনি বা আপনার পরিবারের কেউ ঘুম থেকে উঠে এই ভুল কাজগুলো করছেন না তো। তবে ভয়ানক বিপদ হতে পারে। 

ভাগ্য লক্ষ্মীকে ফেরাতে অবশ্যই মেনে চলুন এই টিপস। 

ঘড়ির কাঁটা বন্ধ, বা ঘড়িটি ভেঙে গিয়েছে, এমন ঘড়ি দুঃসময়কে ডেকে আনে। ঘরে এমন ঘড়ি থাকলে মুহূর্তে তা সরিয়ে ফেলুন।

অনেকেই ঘুম থেকে উঠে আয়নায় মুখ দেখে থাকেন। তাঁদের এই অভ্যাস পাল্টে ফেলতে হবে। নচেত ক্ষতি আটকানো সম্ভব নয়।

ঘমু থেকে উঠে কখনই ছায়া মারাবেন না। বা ছায়া দেখবেন না। এতে দুর্ভাগ্য নেমে আসতে পারে চিবনে। চরম অবনতী রখতে এই অভ্যাস ত্যাগ করুন ও সতর্ক হয়ে যান। 

বাড়িতে রান্না ঘরে কোনও আগুন জ্বললে তা আগে দেখা উচিত নয়। উনুন বা গ্যাস জ্বালান একটু পড়ে, খানিকটা ফ্রেস হয়ে নিয়ে, তারপর। 

নোংড়া বাসনপত্র রাতেই চেষা করুন মেজে রাখার। সকালে উঠে তাতে হাত দিলে অমঙ্গল হয়। 

দুটি কবিতা | ব্রহ্মজিৎ সরকার

রাস্তা পেরলেই তোমার বাড়ি

রাস্তা পেরলেই তোমার বাড়িটা চকচক করে
দু’পা হাঁটলেই গেটের সামনে পৌঁছে যাওয়া যাবে

অথচ নড়বড়ে মন নিয়ে এগতে পারি না

একঝাঁক মেঘ নিয়ে ধবধবে বক উড়ে যায়
আমাকে পাশকাটিয়ে তোমার ছাদে গিয়ে বসে
তোমার ছাদে ওড়ে রঙে মাখা প্রজাতির দল
ছুটে গিয়ে মুঠো মুঠো ভরে নেব বুকের পকেটে

ভেঙে যাওয়া মন নিয়ে এগনোর সাহস করি না

এক বুক বৃষ্টি

রাত বারে বৃষ্টি বারে
পুকুর যুবতী হয়
পাকা কাঁঠালের মত

কানা গলি ঘাপটি মেরে থাকে
রামধনু ফোটে,
দেখা যায় না তো!

পারা জুড়ে চুপ ছবি
মা-বাবা-রা টুরে যাওয়া পাখি

বুক ভরা ছুটন্ত ব্যাধ
তীর বিদ্ধ
মরে বেঁচে আছি

বেঁচে আছি অজুহাতে শুধু
গুরু ঠাকুর
এ কেমন নদী?

তুমি ছিলে বলে পার হয়ে যাব
এ আমার বিপুল জলধি..

লেখো তুমি | রিনা গিরি

লিখবে না! তুমি লেখো। লেখো তুমি…
আমার কলম বন্ধ্যা হলে আগের মতো
তোমার কী খুব কষ্ট হবে?
হাতের মুঠো আলগা করে
কোথায় যেতে চাইছ বল
ছেড়ে যাচ্ছে কতো কতো বন্ধু…
ঝুল-বারান্দায় দাঁড়িয়ে এখন
আকাশ দেখছি উদাস চোখে
পথ চলতি মানুষগুলো
ছুটছে কেবল এদিক ওদিক–
হঠাৎ আকাশ কালো করে
চমকে দিচ্ছে সন্ধে বেলা
এমন সময় থাকতো যদি
আমার কাঁধে তোমার হাত
আমার কলম বন্ধ্যা হলে
ভেবেছিলাম খুশি হবে
সে যে কেবল আমার মনের ভুল
এই কথা তার আজ জেনেছি যখন
জন্মদিনের ঝগড়াঝাটি এক নিমেষে…
এই তো বলছি আমি
তুমি লেখো চরণদাস লেখো তুমি…

এ সপ্তাহের গল্প: অভিমান

যুগল পণ্ডিত

হাবুল মরে গিয়েছে গত শীতে। বীরেনও কিছুদিন আগেই এই শীতে।
মুখটা ফ্যাকাশে ছিল বীরেনের। ঘন কুয়াশায় দেখা ভাঙাচোরা বাড়ির মতো।

দাঁড়িয়ে থাকলে কুয়াশা ভেদ করে দেখা যায় না কিছু। এগিয়ে যেতে যেতেই পরিষ্কার হয়।

পেছনেও ছুটে আসে কুয়াশা।
ইউক্যালিপ্টাস গাছ, কলেজ, সরকারি ভবন–
কাছের রিট্যায়ার্ডের মাঠটাও দূরে চলে গেছে দশ বছর।

ফিরে তাকালে যতই কাছের মনে হোক, অঙ্ক বলছে অন্য কথা। সামনের দিকে তো আর নেই অনন্ত সময়।

এবার শীত জাঁকিয়ে পড়বে, সন্দেহ নেই। বিষকামড় দিতে চায় এখনই। সবে নভেম্বর।

মনে হয় সামনেই স্কুল ফাইনালের পরীক্ষা।

শীতের বিরুদ্ধে প্রবল বিদ্রোহাত্মক দৃঢ়তায় হাঁটছেন এক সত্তোরোর্ধ বৃদ্ধ।

ছেলে উলের সোয়েটার এনে দিয়েছে। ভেতরে উলিকট। গলায় মাফলার। মাথায় মাঙ্কি টুপি। সেও প্রচণ্ড গরম।
কান সহ্য করতে পারে না একটু হাঁটলেই।

বৃদ্ধ হাঁটার অভ্যাসটি রেখেছেন নিয়মিত। জুতো জোড়াও বেশ নরম।

সারা শহর জুড়ে পথবাতি গুলো জ্বলছে। গাড়িগুলোও ছুটোছুটি করছে। মানুষ গুলো যেন যুদ্ধ থেকে ফিরে আসছে। কারও হাতের থলেতে ফলমূল। কোনও একটি মেয়ের উচ্চকিত হাসি। কোনও একটি লোক কাঁধ কুঁজো করে সাইকেলের প্যাডেল ঘোরাচ্ছে। দ্রুত চলে যাচ্ছে বাইক পাশ দিয়ে অ্যাম্বুলেন্সের মতো।
দরকষাকষি হচ্ছে ফুটপাতে।

সত্তোরোর্ধ এই বৃদ্ধ একা হাঁটছেন কেন কেউ জানে না।
কোনও কাজ নেই শহরে। নেই কোনও কেনাকাটারও দায়ভার। তবুও।

পথে কেউ কথা বলছে না।
কেউ নজরই দিচ্ছে না তাঁর দিকে।
তবে, হ্যাঁ,
হাবুল, বীরেনরা হয়তো দেখে থাকবে,
–কথা না শুনলে কেমন হয়?

–দ্যাখো শুধু হাঁটুর ব্যথার অজুহাত দিয়ে, ঘরে বসে, বৌকে দিয়ে চা করিয়ে খাওয়া?

শীতকে জব্দ করতেই হবে।
ভয় পেলে চলবে না।

মোদীর ভাষণ নয়, সংসদে কৃষি আইন প্রত্যাহারের অপেক্ষায়: সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা

Rakesh Tikait

News Desk: কৃষি আইন প্রত্যাহার ঘোষণা করেছেন প্রধানমন্ত্রী। তবে এর পরই প্রশ্ন তুলছে বিভিন্ন সর্বভারতীয় কৃষক সংগঠন। কৃষক আন্দোলনের যৌথ মঞ্চ সংযুক্ত কিষাণ মোর্চা প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানাল, প্রধানমন্ত্রীর অবস্থানকে স্বাগত। তবে মুখের ঘোষণা নয়, আইন বাস্তবে প্রত্যাহার করে দেখাক সরকার।

কৃষক আন্দোলনের অন্যতম নেতা ভারতীয় কিষাণ ইউনিয়নের নেতা রাকেশ টিকায়েত ও সারা ভারত কৃষকসভার সাধারণ সম্পাদক হান্নান মোল্লা সরকারের অবস্থানকে স্বাগত জানান।

উলুবেড়িয়ার প্রাক্তন সিপিআইএম সাংসদ হান্নান মোল্লা আগেই দাবি করেছেন, আসন্ন সংসদ অধিবেশনের সময় দিল্লি ঘিরে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ হবে। সরকারকে বিতর্কিত কৃষি আইন প্রত্যাহারে বাধ্য করা হবে। তাঁর ঘোষণার পরেই আন্দোলনকারী কৃষকদের মধ্যে নতুন করে জোশ ছড়ায়।

Farmers to hold rail roko on Oct 18

শুক্রবার গুরুপূর্ণিমা উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী তাঁর ভাষণে শিখ ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানান। তিনি এই ভাষণেই বলেন, দেশবাসীর কাছে ক্ষমা চাইছি। কৃষি আইন প্রত্যাহার করা হবে।

মোদীর ভাষণে তুমুল আলোড়ন ছড়ায় হরিয়ানা, দিল্লি, উত্তর প্রদেশ, রাজস্থান, পাঞ্জাব, হিমাচল প্রদেশে। মূলত দেশের এই উত্তর পশ্চিমাঞ্চলের কৃষকদের নিয়েই কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলন চলেছে। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার অভিযোগ, নতুন তিনটি কৃষি আইনের মাধ্যমে সরকার দেশের কৃষি ব্যবস্থাকেই বেসরকারি হাতে তুলে দিতে চাইছে।

প্রবল আন্দোলন, দিল্লি অভিযান, লালকেল্লায় বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি ঘিরে বিতর্কিত পরিস্থিতি হয়েছে বারবার। কৃষকদের আন্দোলনকে খালিস্তানি জঙ্গিদের মদত দেওয়ার অভিযোগ তুলেছে বিজেপির বহু নেতা, সংঘ পরিবার সংশ্লিষ্ট হিন্দুত্ববাদী সংগঠনগুলির অনেকেই। কৃষক নেতারা বলেছেন, সরকারকেই আইন প্রত্যাহার করতে হবে।

অবশেষে আইন প্রত্যাহারের কথা জানালেন মোদী। তবে সংসদে আইন প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন চলবে বলেই জানাচ্ছে কিষাণ মোর্চা।

জাতীয় পুরষ্কার প্রাপ্ত গায়কের এ কি হাল, রূপঙ্করের ভিডিও দেখে চক্ষুচড়ক গাছ

rupankar

বায়োস্কোপ ডেস্ক, কলকাতা- তুমি কেমন তুমি- গানটা আজও সকলের মনে তরতাজা। রূপঙ্কর বাগচীর কন্ঠে এই গান গোটা দেশের মন জয় করে রেখেছিল। যার জেরে হাতে উঠে এসেছিল জাতীয় পুরস্কার। কেবল একটা দুটো গান নয় অ্যালবাম থেকে শুরু করে একের পর এক সিনেমায় সুপারহিট গান উপহার দিয়েছেন শ্রোতাদের এই গায়ক। ‘ও আমার বৌদি মনি কাগজওয়ালা’ আজও সকলের মুখে মুখে ফেরে।

রূপঙ্করকে স্টেজে দেখামাত্রই একের পর এক চিরকুটে গানগুলো ফিরে ফিরে আসে। ভরাট কন্ঠে ঘন্টার পর ঘন্টা সে গানগুলো দর্শকদের উপহার দিয়ে যেতে কখনো ক্লান্তি বোধ করেননি যে মানুষটি, আজ তিনি ভক্তদের অনুরোধ করলেন তাঁর গানকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য।

কোথায় দাঁড়িয়ে বাংলা চলচ্চিত্র জগৎ, যেখানে একটা শিল্পী যে একের পর এক হিট দিয়েছে তাকে কিনা একটা কাজের জন্য দরজা দরজায় ঘুরতে হচ্ছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এদিন রূপঙ্কর বাগচী অস্বাভাবিক মনে হলেও এমন সত্য তুলে ধরলেন। সাফ জানিয়ে দিলেন আর মিলছে না কাজ, এক বড় সংস্থা মুখের উপর না জানিয়ে দিচ্ছে, তো অন্য সংস্থা গান গাইয়ে তা প্রচার করছে না। এই পরিস্থিতিতে দাঁড়িয়ে গানকে কীভাবে বাঁচিয়ে রাখা সম্ভব, নিজের আয়টাই বা কোথা থেকে আসবে তা ভেবে বেশ নাজেহাল গায়ক রূপঙ্কর বাগচী।

<

p style=”text-align: justify;”>তাই এবার ভক্তদের সাহায্য চাইলেন। তিন বছর আগে একটি ইউটিউব চ্যানেল খুলে ছিলেন যেখানে ভিডিও দিলেও খুব একটা সাড়া মিলছে না। শত শত মানুষ যে গায়ক কে এত যত্ন করেছে এত ভালোবাসা দিয়েছে আজ তারা কোথায়! একটা সাবস্ক্রিপশন, একটা লাইক, একটা গান অবসর সময় শুনে ফেলালে যদি কারুর আয় হয় তাহলে রূপঙ্কর বাগচী সেটুকুই প্রার্থনা করলেন। সকলে মূল্যবান সময় ব্যয় করে যদি একটু তার চ্যানেলের পাশে থাকা যায়, সেটুকুই নতুন করে গান তৈরির প্রেরণা জোগাবে এই গায়ককে। বর্তমানে এই ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র। সকলেই এক কথায় অবাক, রূপঙ্করের মুখে এই কঠিন বাস্তবের ছবিটা দেখে। 

পার্ফেক্ট লুকে ফ্রেমবন্দি পিগি চপস, কোন গোপন রহস্যে খুলছে রূপ

priyanka

বায়োস্কোপ ডেস্ক, মুম্বই- ১০ বছরের ছোট নিকের পাশে মোটেও বেমানান নন এখন প্রিয়ঙ্কা। উল্টো বয়স যেন তাঁর উল্টো পথেই হাঁটছে, নিজেকে এভাবেই পার্ফেক্ট লুকে সাজিয়ে নিলেন হটস্টার। দিন দিন এভাবে রূপের ছটা কীভাবে ফেটে পড়ছে পিগি চপসের, প্রশ্ন অনেকেই। তাই এবার আর কোনও রকম রাখ-ঢাক ছাড়াই নিজের ফিটনেস রহস্য নিজেই ফাঁস করলেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া।

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Priyanka (@priyankachopra)

 

দিনভর তাঁর রুটিনে জড়িয়ে থাকে ডায়েট, সঙ্গে শরীর চর্চা, কোন কোন বিশেষ দিকে নজর দিয়ে থাকেন তিনি! এবার প্রসঙ্গে আসা যাক।

প্রতিদিন ঘুম থেকে উঠে প্রিয়ঙ্কা যোগা করেন। নিয়মিত যোগা অভ্যাস করায় তিনি মনে করেন শরীর সতেজ থাকে ও এনার্জি পাওয়া যায়।

নিয়মিত জিমও করে থাকেন প্রিয়ঙ্কা। দিনে দুঘণ্টা তিনি জিমে সময় কাটান। এই সময় কার্ডিও, পুশআপ, বাইসেপ করে থাকেন তিনি।

ওয়েট তুলে থাকেন প্রিয়ঙ্করা। কিন্তু তা নিয়মিত নয়। লেগ করে থাকেন সপ্তাহে তিন দিন।

প্রিয়ঙ্কা সারাদিনের পর্যাপ্ত পরিমাণে জল পান করে থাকেন। সারাদিন তিন লিটার জল পান করেন প্রিয়ঙ্কা।

তেল জাতীয় খাবারে প্রিয়ঙ্কার সাফ না। তিনি বাড়ির খাবারই বেশি পছন্দ করেন। শ্যুটিং-এও তিনি তাই খেয়ে থাকেন।

টাকটা ফল ও টাকটা সব্জি খেলে শরীর ভালো থাকে, প্রিয়ঙ্কার মতে এতে ইমিউনিটি শরীরে ভালো হয়।

বর্তমানে নিজের রেস্তোরাঁ সোনা নিয়ে বেস ব্যস্ত তিনি। ভারতের বিভিন্ন প্রান্তের খাবারের স্বাদ নিতে সেখানে নিত্য উপচে পড়ে ভিড়। মেলে কন্টিনেন্টালও। তবে নিজে খুব একটা ফুডি নন প্রিয়ঙ্কা। শরীর ধরে রাখতে একাধিক নিয়ম মেনে জীবনযাপন  করেন নিক ঘরনী। 

হাসির পেছনে লুকোনো কান্না, সিদ্ধার্থ নাম শুনেই প্রকাশ্যে ভেঙে পড়লেন শেহনাজ

sidnaaz

বায়োস্কোপ ডেস্ক, মুম্বই- শেহনাজ গিল, বর্তমানে এই নামটার সঙ্গে জড়িয়ে রয়েছে হাজার হাজার মানুষের কেবলই আবেগ। চোখের জলে এই জুটিকে ভাঙতে দেখেছে প্রতিটা মানুষ। সিদ্ধার্থ শুক্লা, হঠাৎই জীবনের পাঠ চুকিয়ে সকলকে কাঁদিয়ে বিদায় নিয়েছেন। ফেলে গিয়েছেন একরাশ ভালোবাসা, সঙ্গে শেহনাজের অসমাপ্ত প্রেম কাহিনি। এই কঠিন বাস্তব মেনে নিতে রীতিমতো বেগ পেতে হচ্ছে শেহনাজকে।

সিদ্ধার্থ শুক্লা আর নেই, খবর পাওয়ার পর ভক্তদের প্রথম প্রশ্ন ছিল কেমন আছে শেহনাজ গিল! উত্তর মিলেছিল নাওয়া-খাওয়া বন্ধ, উত্তর মিলেছিল কেবল চোখের জলে ভাসছে বলিউডের এই সুইট লেডি। সিদ্ধার্থ শুক্লা মুখের দিকে তাকিয়ে নিজেকে আমূল বদলে তিলে তিলে তৈরি করেছিলেন এক সুন্দর পৃথিবীর জন্য। স্বপ্ন দেখেছিলেন সিদ্ধার্থের সঙ্গে বাকিটা পথ চলার। বুঝতে পারেননি কয়েক মাস পরই থেমে যাবে সেই পথ চলা।

বলিউডের সবে মাত্র পা রাখা শুরু হয়েছে শেহনাজের। ইতিমধ্যেই মুক্তি পেয়েছে তার প্রথম ছবি হসলা রাখ। সিদ্ধার্থের মৃত্যুর পর নিজেকে গুটিয়ে রেখেছিলেন তিনি। কিন্তু ছবির প্রমোশনের স্বার্থে অবশেষে প্রকাশ্যে আসতে বাধ্য হন এই সেলেব। হাসিমুখে যতটা সম্ভব সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হওয়া, বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছেন সমানতালে। কিন্তু সিদ্ধার্থ এই নামটা এড়িয়ে শেহনাজ যেন অসম্পূর্ণ।

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Memories of sidnaazz 💔💔❤️ (@memoriesofsidnaazz_)

আর তাই কথার প্রসঙ্গে সিদ্ধার্থের নাম উঠলেই অঝোরে কান্নায় ভেঙ্গে পড়ছেন শেহনাজ গিল। মেনে নিতে পারছেন না সিদ্ধান্ত নেই, সম্প্রতি এমনই এক ভিডিও ভাইরাল হলো সোশ্যাল মিডিয়া পাতায়। এক সাক্ষাৎকারে কথা প্রসঙ্গে সিদ্ধার্থের নাম উঠলেই নিজের প্রতি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে সকলের সামনে অঝোরে কেঁদে ফেলেন শেহনাজ। ভিডিও দেখা মাত্রই সকলের সামনে আরো একবার স্পষ্ট হয়ে যায়, হাসি মুখের পেছনে লুকানো কষ্ট গুলো ঠিক কতটা গভীর।

শীতের সন্ধে এবার জমে উঠুক সুইট কর্ন ভেজিটেবল স্যুপে, রইল সহজ রেসিপি

soup

সুইট কর্ন ভেজিটেবল স্যুপ
রেসিপি –
সহজে তৈরি করা এই স্যুপটি শিশু এবং প্রাপ্তবয়স্ক উভয়কেই একইভাবে আকর্ষণ করবে। উচ্চতর স্বাদের জন্য পরিবেশন করার আগে প্রচুর পরিমাণে মরিচ যোগ করতে ভুলবেন না।

উপকরন –
এক কাপ মিশ্র সবজি (গাজর, ফ্রেঞ্চ বিনস, মটর, ফুলকপি)
, আধা কাপ মিষ্টি ভুট্টার দানা (ভাজা)
, একটি পেঁয়াজ (সূক্ষ্মভাবে কাটা)
, রসুনের ছয়টি শুঁটি (খোসা ছাড়ানো এবং কিমা)
, স্কিমড দুধ দুই কাপ,
লবণ এবং মরিচ টেস্টমত,
মাখন
, জল।

প্রস্তুতি –
একটি প্যানে মাঝারি আঁচে মাখন গরম করুন।
পেঁয়াজ এবং রসুনের কিমা যোগ করুন।
এগুলিকে ২ মিনিট বা স্বচ্ছ না হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।
এর পরে, সবজি যোগ করুন এবং প্রায় ৩ থেকে ৪ মিনিটের জন্য রান্না করুন।
দুধ ঢেলে দিন এবং মিশ্রণটি ফুটতে দিন।
আঁচ কমিয়ে সবজি নরম না হওয়া পর্যন্ত রান্না করুন।
ঠান্ডা হওয়ার পরে, একটি মসৃণ মিশ্রণ পেতে একটি ব্লেন্ডারে রান্না করা শাকসবজি প্রক্রিয়া করুন।
মিষ্টি ভুট্টার কার্নেলে ব্লেন্ড করুন।
একটি প্যান গরম করুন এবং এতে মিশ্রণটি যোগ করুন।
লবণ এবং মরিচ ছিটিয়ে দিন।
প্রয়োজনে জল যোগ করুন।
গরম গরম পরিবেশন করুন।

একগুচ্ছ বাংলা ছবি মুক্তির দিন ফাঁস, বেলাশুরু, হামি ২, কবে রিলিস, জানুন তারিখ

bengali Movie

বায়োস্কোপ ডেস্ক, কলকাতা- পরপর ছবির মুক্তির দিন ঘোষণা করে দিল উইন্ডোজ প্রোডাকশন। কারণ দেড় বছর বাঙালি সিনেমাহল মুখো হয়নি। বাঙালি বললে ভুল হবে, গোটা বিশ্ব জুড়ে সর্বত্রই নেমে এসেছিল করোনার কালো ছায়া। যার কোপে পড়ে প্রতিটি সেক্টরে দেখেছে ভয়ানক ক্ষতির মুখ। ঠিক তেমনি আবার ঘরবন্দী থেকে সাধারণ মানুষের উঠে এসেছে নাভিশ্বাস।

বিনোদন তো দূর হস্ত দু’মুঠো অন্ন জোগাড় করার আগে মাথার ঘাম পায়ে পড়ছিল। ঠিক একইভাবে সিনে জগতও আর্থিক সংকটে দিনগুণেছে। একাধিক ছবি পাইপলাইনে  নিয়ে অপেক্ষায় ছিল কবে স্বাভাবিক হবে পরিস্থিতি। বর্তমানে বেশ কিছুটা ছন্দে ফেরা গিয়েছে। আর তাই তড়িঘড়ি পুরনো জীবন ফিরে পেতে মরিয়া সকলেই। আর যার জন্য প্রয়োজন বিনোদনের।

উল্টোদিক থেকে বলতে গেলে সেলিব্রিটি মহল বা সিনেমা জগৎ অপেক্ষায় ছিল এই দিনটার। বর্তমানে ঝড়ের বেগে চলছে সিনেমা তৈরির প্রস্তুতির কাজ। বেশকিছু ভালো সিনেমা তৈরি হয়ে পড়েছিল মুক্তির অপেক্ষায়, আবার বেশ কিছু সিনেমা অর্ধেক নির্মাণ কাজ আটকে অপেক্ষায় দিন গুনছিল। বক্সঅফিসে সেই পুরনো ঝড় আবারও ফিরে পেতে পাখির চোখ এখন ২০২২।

উইন্ডোজ প্রোডাকশনের ছবি মানেই গ্রীষ্মে ধামাকাদার উপস্থাপনা। কিন্তু দেড় বছরের খামতি মেটাতে এবার এক বছর পর পর ৪ ছবি সামনে আনতে চলেছে এই সংস্থা। মঙ্গলবার পরিচালক শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায় তেমনই খবর শেয়ার করলেন সোশ্যাল মিডিয়ার পাতায়। বেলা শুরু থেকে হামি ২, কবে পাচ্ছি মুক্তি চলুন দেখে নেওয়া যাক। বেলা শুরু ২০ মে, বাবা বেবি ও- ৪ ফেব্রুয়ারি, লক্ষী ছেলে- ১৭ জুন, হামি ২- ২৩ জানুয়ারি। তিনি জানান, সব স্বাভাবিক থাকলে এভাবেই পর পর মুক্তি পাবে চার ছবি। 

১১ বছরের প্রেম, অবশেষে বিয়ের পিঁড়িতে রাজকুমার-পত্রলেখা

rajkumar

 বায়োস্কোপ ডেস্ক, মুম্বই- ১১ বছরের ভালোবাসা অবশেষে বিয়েতে পরিণত হল। রাজকুমার রাও ও পত্রলেখা, বি-টাউনের এই জুটির নাম কে না জানে। প্রকাশ্যেই নিজেদের সম্পর্কের কথা বারেবারে স্বীকার করেছে এই সেলেব। কিন্তু কোথাও গিয়ে যেন মিল ছিল না সুখবর, কবে বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন দুই তারকা, উত্তরটা না মিললেও, সোজাসুজি মিলেছিল বিয়ের খবর। চলতি বছরের মাঝামাঝি কানাঘুষো শোনা যাচ্ছিল বিয়ে করতে চলেছেন রাজকুমার রাও। নভেম্বর মাসে বাজবে সানাই। যেমন কথা তেমন কাজ, ১৫ নভেম্বর বিয়ে পর্ব সেরে ফেললেন রাজকুমার ও পত্রলেখা।

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by RajKummar Rao (@rajkummar_rao)

 

সোমবার চণ্ডীগড়ে বসল বিয়ের আসর। অনবদ্য লুকে ধরা দিলেন দুই সেলেব। বিয়ের সাজে এদিন রূপ যেন ফেটে পড়ছিল পত্রলেখার। ততটাই স্ফূর্তি ছিল মনে। বিয়ের ছবি তৎক্ষণাৎ সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করে পত্রলেখা লেখেন, ১১ বছর ধরে চেনা বন্ধু ভালোবাসা পরিবার আজ সারা জীবনের জন্য আপন করে নেওয়া। মুহূর্তের ছবি ছড়িয়ে পড়ে সর্বত্র।

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by 🌸 Patralekhaa 🌸 (@patralekhaa)

 

এদিন বিকেলে এই বয়সে রিসেপশন পার্টি। হালকা সাজে বেশ নজর করেন এই জুটি। এদিন নবদম্পতীকে শুভেচ্ছা জানাতে উপস্থিত হয়েছিলেন হরিয়ানা মুখ্যমন্ত্রী মনোহর লাল খাট্টার। বর্তমানে রাজকুমারী হাতে একাধিক ছবির প্রস্তাব। বেশ কয়েকটি ছবির শুটিং চলছে, তারই মাঝে ব্যক্তিগত জীবনে এক বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে এবার খানিক গুছিয়ে নেওয়ার পালা। আর তাই বি-টাউনের এই প্রিয় জুটি এবার শুরু করলেন নতুন সংসার। খুশির মেজাজ ভক্ত মনে। দীর্ঘ দিন একসঙ্গেই রয়েছেন রাজকুমার পত্রলেখা। সর্বত্রই দেখা মিলত তাঁদের, এবার নতুন লুকে ধরা দিলেন ফ্রেমে। বন্ধু ও কাছের আত্মীয়সজনদের নিয়েই বসেছিল বিয়ের আসর। 

বাংলা ধারাবাহিকে নজরকাড়া জনপ্রিয়তা, মিঠাই ঘিরে ড্রইংরুম এখন সরগরম

mithai

বায়োস্কপ ডেস্ক, কলকাতা- একটানা ৩৪ সপ্তাহ ধরে টিআরপি-র তে নিজের জায়গা করে নিয়েছে জি বাংলার ধারাবাহিক মিঠাই। এই ধারাবাহিক বর্তমানে সাধারণ মানুষের ড্রইংরুমে জাঁকিয়ে বসেছে। সিদ্ধার্থের সঙ্গে তার সম্পর্ক গড়ে ওঠার কাহিনি হোক, মোনোহরার সম্মান রক্ষা, সব বিষয়ে পারদর্শী জিনিয়াস বৌমা। মাঝেমধ্যে খুঁটিনাটি অশান্তিতে জড়িয়ে পড়লেও, শেষ হাসি মুখে যেন লেগে থাকে মিঠাইয়ের। সেই মনোহরায় এখন নতুন ঝড়।

সিদ্ধার্থকে উচিত শিক্ষা দ্বিতীয় মিঠাই এর সঙ্গে কড়া টক্করে নামতে, পরিবারে হাজির হয়েছে তোর্সা। পরিবারের বড় বউ বলে কথা। কিন্তু তার স্বভাবের জেরেই তাঁকে প্রতিটা মুহূর্তেই ছোট হতে হচ্ছে।

Trina Saha

বর্তমানে এই গল্প ঘিরেই মিঠাই ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। একদিকে মনোহরা ভাগ হয়ে যাওয়া, তিন-তিনটে মিষ্টির দোকান হাতছাড়া হওয়া, তার উপর তোর্সার প্রতিটা মুহূর্তে বাঁকা কথার উত্তর দেওয়া, দিনদিন মিঠাই যেন আরো পরিণত হয়ে উঠছে পরিবার রক্ষার খাতিরে।

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Zee Bangla Official (@zeebanglaofficial)

 

<

p style=”text-align: justify;”>এখানেই শেষ নয়, পাশাপাশি এই ধারাবাহিকে সবথেকে বেশি নজর কাড়ছে সিদ্ধার্থের দিন দিন নিজেকে পাল্টে ফেলা। মিঠাই এর মুখ চেয়ে মাঝেমধ্যেই এখন প্রতিবাদ করছে সিদ্ধার্থ মোদক। আবার গল্পের আরো একদিকে বড় অংশ দখল করে রয়েছে সমরেশ। বাড়ির বড় ছেলে, অবশেষে কি মন থেকে মেনে নিতে পারছে মিঠাইকে! মনের কথা খুলে বলতে গিয়ে মাকে তিনি জানিয়ে দিলেন, মিটিং মেয়ে হিসেবে ভালো কিন্তু সিদ্ধার্থের পাশে অযোগ্য। তবুও মিঠাইয়ের দেওয়া প্রস্তাব এখন আর ফেলে দিতে পারেন না তিনি। এইটুকু সম্মান পেয়ে আপাতত বেশ সুখে আছে মিঠাই রানী।

Winter Special- ভাতের সঙ্গে নয়, এবার মনোরম টিফিনে থাকুক পালং স্যুপ, রইল রেসিপি

palang

আপনি যদি ওজন কমানোর চেষ্টা করেন তবে এই সুস্বাদু পালং শাকের স্যুপ একটি উপযুক্ত বিকল্প হতে পারে। আপনি যদি এর টেক্সচার আরও ঘন করতে চান তবে আপনি আলু যোগ করতে পারেন।

উপকরন –
একটি পেঁয়াজ (সূক্ষ্মভাবে কাটা)
চার কুচি রসুন (কিমা) 
এক কাপ সূক্ষ্মভাবে কাটা বেবি পালং শাক
সবজির স্টক দুই কাপ
এক চিমটি গুঁড়ো জায়ফল
লবণ এবং মরিচ টেস্টমত,
লেবুর রস
মাখন।

প্রস্তুতি –
একটি প্যানে মাখন গরম করুন এবং রসুন এবং পেঁয়াজগুলি সোনালি বাদামী হওয়া পর্যন্ত ভাজুন।
উদ্ভিজ্জ স্টক মধ্যে ঢালা এবং একটি ফোঁড়া আনা.
শিশুর পালং শাক যোগ করুন এবং প্রায় ২ মিনিটের জন্য রান্না করুন।
শিখা থেকে সরান এবং মিশ্রণটি একটি ব্লেন্ডারে স্থানান্তর করুন।
মিশ্রণটি পিউরি করুন এবং এতে জায়ফল, গোলমরিচ এবং লবণ দিয়ে সিজন করুন।
লেবুর রস যোগ করুন।
গরম গরম পরিবেশন করুন।

Winter Special- শীতের আমেজ গরম স্যুপে চুমুক, রইল মুগ ডাল গাজরের স্যুপ রেসিপি

soup

পুষ্টিকর মসুর ডাল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট-সমৃদ্ধ গাজরের আশ্চর্যজনক মিশ্রণ এই স্যুপটিকে ওজন কমানোর ডায়েটে একটি দুর্দান্ত সংযোজন করে তোলে। স্যুপের স্কিমড মিল্ক প্রোটিন সরবরাহ করে যা এটিকে স্বাস্থ্যকর খাবারে রূপান্তরিত করে।

উপকরন –
১/৮ কাপ মুগ ডাল বা বিভক্ত সবুজ ছোলা মসুর ডাল ,
গাজর আধা কাপ (সূক্ষ্ম করে কাটা)
, আধা কাপ পেঁয়াজ (সূক্ষ্ম করে কাটা)
, একটি টমেটো (সূক্ষ্মভাবে কাটা),
রসুনের ছয়টি শুঁটি (সূক্ষ্মভাবে কাটা),
জিরা আধা চা চামচ,
দুটি লবঙ্গ
, দুই থেকে তিন টেবিল চামচ স্কিম মিল্ক
, এক কাপ জল,
লবণ এবং মরিচ স্বাদ মত,
তেল এক চা চামচ।

প্রস্তুতি –
মাঝারি আঁচে একটি প্যানে তেল গরম করুন।
রসুন এবং পেঁয়াজ যোগ করুন, এবং 2 মিনিট বা হালকা বাদামী না হওয়া পর্যন্ত সেগুলি ভাজুন।
এর পরে, গাজর এবং টমেটো যোগ করুন।
কয়েক মিনিট রান্না করুন।
একটি প্যানে, মুগ ডাল ভাজুন যতক্ষণ না আপনি একটি মনোরম সুগন্ধ পাচ্ছেন।
সবজির মিশ্রণে ভাজা মুগ ডাল যোগ করুন।
জল ঢালুন এবং মিশ্রণটি প্রায় ৬ থেকে ৮ মিনিটের জন্য সিদ্ধ হতে দিন।
মিশ্রণটি একটি ব্লেন্ডারে স্থানান্তর করুন এবং একটি মসৃণ পেস্ট তৈরি করুন।
মিশ্রণটি একটি প্যানে খালি করুন এবং এটি কম আঁচে রাখুন।
স্কিম দুধ যোগ করুন।
লবণ এবং মরিচ দিয়ে সিজন।
গার্নিশের জন্য সামান্য তেলে জিরা ও লবঙ্গ দিয়ে দিন।
পরিবেশনের আগে এগুলি স্যুপের উপরে ছিটিয়ে দিন।

এ সপ্তাহের গল্প: দীপ শেখর চক্রবর্তী

সুলতার ফুলছাপ সায়া

দুপুরবেলা জ্যোতির্ময় টেলিফোন করে জানালো স্যার আর নেই। আত্মহত্যা।

আত্মহত্যা!

সারা দুপুর এমন বৃষ্টি হল যেন পৃথিবী ভেসে যাবে। আমাদের বারান্দার শেষ দুটো সিঁড় জলের তলায় চলে গেছে। দেওয়ালের দিক থেকে চুইয়ে চুইয়ে জল পড়ছে। এমন বৃষ্টির মধ্যে আর স্যারের ঘাড় ভাঙা নিস্প্রাণ দেহটা দেখতে যেতে ইচ্ছে করল না। বৃষ্টি না হলে কী হত সেটা বলা শক্ত। তবে আমার যাওয়ার বিশেষ ইচ্ছে ছিল না। ফলে বিকেলবেলা যখন জ্যোতির্ময় আবার ফোন করল তখন না যাওয়ার একটা অজুহাত হয়ে উঠল বৃষ্টি।

এমন বৃষ্টির দিনে চলে যাওয়ার কথা কী ভাবা যায়?

স্যারের কাছে আমি যবে অঙ্ক করা শিখতে যাই তার অনেক আগে থেকেই ওর সঙ্গে বাবার যোগাযোগ। বাবার ব্যাঙ্কেই একটা ঋণ নেওয়ার সূত্র ধরে পরিচয়। বাবার জন্যই সেটা পাওয়া সম্ভব হয়েছিল। আমার বাড়ি থেকে স্যারের বাড়ির দূরত্ব বেশি নয়। মাঝে-মধ্যেই সকালের বাজার করে আমাদের বাড়িতে চায়ের আড্ডায় চলে আসত। তখন আমি প্রাথমিক স্কুলের গণ্ডি টপকাতে পারিনি। তখনও জানতাম না, মানুষটি একদিন আমার অঙ্ক স্যার হবে।

দূর থেকে মানুষটিকে খুব আমুদে মনে হত। নানারকম কথায় মাতিয়ে রাখত চায়ের আড্ডাটা। বহুক্ষণ কেটে যাওয়ার পর আচমকা নিজেকে নিজে তাড়া দিয়ে দ্রুত বেরিয়ে যেত। আর একটাও কথা বলত না।

অঙ্ক করতে গেলাম যখন তখনও মানুষটা একইরকম। জ্যোতির্ময় এই অঙ্ক ব্যাচেরই সহপাঠী।

সেদিন দুপুরবেলা জ্যোতির্ময়ের মুখ থেকেই শুনলাম আমাদের অঙ্ক শেখানোর স্যার আত্মহত্যা করেছে। আত্মহত্যা মানে জীবনের অঙ্কগুলো ঠিকমতো মেলাতে পারেননি ? নাহ, এভাবে ঘটনার খুব সরলীকরণ হয়ে যাবে।

বিকেলবেলা ঘটনাস্থলে না গেলেও মাথা থেকে বিষয়টা মুছে ফেলতে পারলাম না। স্যার কখনও আত্মহত্যা করতে পারে? জ্যোতির্ময় কীভাবে ঘটনাটা জানলো সে-কথাও জিজ্ঞেস করে ওঠা হয়নি। শুধু আত্মহত্যার কথা শুনে নীরবে ফোন রেখে দিয়েছি। এমনকি বিকেলবেলা যখন ও আবার ফোন করেছিল তখনও বিশেষ কোনও কথা হল না। শুধু জানিয়ে দিলাম, এমন বৃষ্টির মধ্যে যাওয়া কঠিন।

বিকেলবেলা দোতলার ঘর থেকে পুরনো অঙ্ক খাতাগুলো নামিয়ে আনতে গেলাম। অনেক খুঁজে স্যারের খাতাগুলো খুঁজে পেলাম। এই খুঁজে পাওয়ার ক্ষেত্রে খুবই সাহায্য করেছে মলাটের ওপর লিখে রাখা নাম।

স্যারের অঙ্ক খাতা

যা আশা করেছিলাম তাই। খাতার ভেতরে একটা কিছু আর লেখা নেই। সমস্ত অঙ্কগুলো অদৃশ্য হয়ে গেছে। স্যার নিজের শেখানো অঙ্কগুলো নিজের সঙ্গে করে নিয়ে গেছেন, বেশ বুঝলাম। ঠিক তক্ষুনি একটা ভয় হল আমার। পাগলের মতো পুরোনো শংসাপত্রগুলো বের করলাম।

আমি যা আশঙ্কা করছি তা যদি ঠিক হয় তবে তো মহাবিপদ।

ঠিক তাই হল। প্রতিটি অঙ্কের নম্বরের নীচে একটা লাল দাগ। সব শূন্য। স্যার শুধু অঙ্কগুলো নয়, তার সঙ্গে সঙ্গে আমাকে শেখানো অঙ্কের সব পদ্ধতিগুলো নিয়ে আত্মহত্যা করেছে।

এখন উপায় কী সেই নিয়ে কোনও ভাবনাই মাথায় এল না। আমার গোটা জীবনের সমস্ত অঙ্ক খাতাই একটা করে লাল দাগে ভরে গেছে। জীবনের প্রতিটি হিসেবেই এখন আমি অকৃতকার্য। কিছু সময় পর হয়ত এই নিয়ে একটা তোলপাড় হবে। কী কী কেড়ে নেওয়া হবে আমার থেকে তার একটা সম্ভাব্য হিসেব করে রাখলাম। দেখা গেল, কিছুই প্রায় অবশিষ্ট রইল না।

সন্ধের দিকে বৃষ্টি ধরে গেল। কোল ভর্তি ফাঁকা খাতা নিয়ে দম বন্ধ হয়ে আসছিল আমার। বেরিয়ে পড়লাম। ছায়াবাণী সিনেমা হলের কাছে চায়ের দোকানে চা খাচ্ছি, রজতের সঙ্গে দেখা। রজতও স্যারের কাছে পড়া আমার সহপাঠী।

-স্যার আর নেই।

এই নিয়ে দ্বিতীয়বার স্যারের না থাকার কথা শুনলাম। প্রথমবার শুনে যতটা অসম্ভব লেগেছিল এখন ততটা লাগল না। এভাবেই মৃত্যু সয়ে যায়।

-স্যার যে আত্মহত্যা করতে পারে এ কথা ভাবতে পারি না।

আমার কথা শুনে আশ্চর্য হয়ে গেল রজত। তারপর গম্ভীর ভাবে বলল –

-স্যার আত্মহত্যা করেনি দীপ। দুর্ঘটনায় মারা গেছেন।

দুর্ঘটনা! তবে জ্যোতির্ময় যে বলল স্যার আত্মহত্যা করেছে।

জ্যোতির্ময় কিচ্ছু জানে না। হয়ত, রজতও না। ছায়াবাণী সিনেমাহল পেরিয়ে যখন স্টেডিয়ামের পাশের পথ দিয়ে হাঁটছি মনে হল মৃত্যু সম্পর্কে আমরা কতটুকুই বা জানি। কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল, কেন ঘটল সেসব সম্পর্কে কিছুই আমি জিজ্ঞেস করিনি রজত কে। জিজ্ঞেস করে লাভ? তবে অদ্ভুত লাগল যখন রজত একটি পুরনো ঘটনার কথা মনে করিয়ে দিল।

তোর মনে আছে পড়াতে বসে স্যার কেমন মাঝে মাঝে গা হাত পা টেপাতো মেয়েদের দিয়ে?

আচমকা মনে পড়ে গেল ঘটনাটা। সেই তো, অদ্ভুত! কথাটা আজ শুনে কেমন গা ঘিনঘিন করে উঠল। তবে এতদিন চোখের সামনে দেখেছি, কিছুই তো মনে হয়নি। বরং তা এক পিতৃতুল্য মানুষের প্রতি মেয়েদের সেবা হিসেবেই দেখেছি। তবে কি আমাদের মন অনেক বেশি বিষিয়ে গেছে ?

কথাটা বলে রজত কদর্য হাসলো। ঠিক সেই মুহূর্তে রজতকে বেশি ঘৃণা করেছিলাম নাকি সদ্য মৃত স্যারকে ঠিক তুলনা করতে পারলাম না।তারপর সেই তুলনা করতে না পারাটাকে নিজের মুখের ভেতর তেতো একটা স্বাদ করে এগিয়ে গেলাম স্টেডিয়ামের রাস্তায়।

রাত্রিবেলা একটা ছোট্ট সাদা ওষুধ খাই। উদ্বেগ কমানোর ওষুধ।

তবে স্যারকে নিয়ে চিন্তা মনটাকে অস্থির করে তুলেছে। স্যারের মৃত্যু, সেটা কি আত্মহত্যা নাকি একটি দুর্ঘটনা। কিন্তু তাতেই বা কী যায় আসে? আমি ভাবছি আমার সমস্ত কীর্তি থেকে অঙ্কের নম্বরগুলো উধাও হয়ে গেছে। ফলে, এখন সমস্ত কিছুতেই আমি অকৃতকার্য। কাল কী রাষ্ট্র এসে আমাকে দেওয়া সমস্ত শংসাপত্র কেড়ে নিয়ে চলে যাবে?

তাহলে আমার পরিচয় কী হবে? এত এত বছর যে কাগজগুলো অর্জন করার জন্য সমস্ত দিয়ে দিয়েছি? সমস্তকিছুই এক মুহূর্তে মূল্যহীন হয়ে গেল? আমার অস্তিত্ব? কাল থেকে কি নতুন করে আমাকে অঙ্ক শিখতে হবে? শুয়ে শুয়ে ছোটবেলায় শেখা অঙ্কের সুত্রগুলো হাতড়াই। বারবার যোগ করে দেখি, দুই যোগ দুই কত? চার, চার, চার আর গতবার বলব?

চার!

এই শালা শুয়োরের বাচ্চা

স্বপ্নের ভেতর নাকি বাস্তবে কেউ গালাগাল করল, ঠিক বুঝতে পারলাম না। আশ্চর্য স্বপ্ন দেখছিলাম স্যার সম্পূর্ণ নগ্ন হয়ে বসে আছে আমাদের বাথরুমে। তার হাত পা টিপে দিচ্ছে আমার প্রাক্তন প্রেমিকারা। সর্বাঙ্গে হাত বুলিয়ে দিচ্ছে। এই গোটা দৃশ্যটা আমরা দেখছি, বাড়ির সেই পুরোনো বড় শাটার টিভিটায়। যেখানে মাঝে মাঝেই ইঁদুর দৌড়ে যেত। বিকেলবেলা যেখানে দেখা হত ‘ জন্মভূমি ’ নামক ধারাবাহিকটি। সেই টিভিতে স্যারের নগ্ন হয়ে স্নান করানোর দৃশ্য। আচমকা তা মুছে গিয়ে জ্যোতি বসুর মুখ ভেসে উঠল। জ্যোতি বসু আমাদের সে সময়ের একমাত্র ঈশ্বর। কামান দাগার মতো করে গুড়ুম আওয়াজ হল কোথায় আর স্বপ্নের ভেতর নাকি বাস্তবে কে চিৎকার করে আমাকে গালাগাল করল-

এই শালা শুয়োরের বাচ্চা।

ধড়ফড় করে জেগে উঠে বাথরুমে গেলাম। তারপর দাঁত মাজতে মাজতে আরেকবার গিয়ে বসলাম বের করে আনা অঙ্ক খাতাগুলোর কাছে। না, এখনও খাতাগুলো ঝকঝকে পরিষ্কার। স্যার আমার সর্বনাশ করে দিয়ে গেল।

শালা মেয়েবাজ লম্পট মাল একটা।

কাগজপত্র ঘাটতে ঘাটতে এল মেঘার টেলিফোন।

-দীপ, স্যার নাকি খুন হয়েছে?

এই নিয়ে তৃতীয় বার স্যারের মৃত্যু নতুন করে আমার সামনে এল। কিন্তু মেঘা কীভাবে স্যারকে চেনে? ও তো আমাদের আমাদের সঙ্গে অঙ্ক করত না? মেঘা কোনও উত্তর দিল না। মনে হল কিছু একটা যেন চেপে গেল মেঘা।

তাহলে কি আমার জীবনের অঙ্ক না মেলার ঘটনাটা মেঘার থেকেই শুরু হল?

কিন্তু স্যারের মৃত্যু সম্পর্কে এই তৃতীয় তথ্যটা আমার বিশ্বাস হল না। খুন! যদিও তৃতীয় বারেও সেই সম্পর্কিত বিস্তারিত আমি জানতে চাইলাম না মেঘার কাছে।

আত্মহত্যা – দুর্ঘটনা – খুন

সমস্তটা যদি একটা ব্রাকেটে রেখে দেওয়া যায় তবে সূত্রটা হয় –

( আত্মহত্যা + দুর্ঘটনা + খুন ) = একটি মৃত্যু

দুপুরবেলা কাউকে না জানিয়ে গেলাম মাখন সাহার পুকুরের কাছে। স্যারের মৃত্যু সংবাদের চব্বিশ ঘন্টা কেটে গেছে। দম বন্ধ হয়ে আসছিল। একটু খোলা জায়গায় যাওয়ার দরকার। চাষের জমিটাকে দেখলাম পাঁচিল দিয়ে ঘিরে দিয়েছে। জিজ্ঞেস করলাম, এখানে কী হচ্ছে?

-যা চাষের থেকেও বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

-মানে ?

-বলুন, জয় শ্রী…

কিছুদূর গেলেই সেলিম আলির বাড়ি। আমাদের বাড়িতে রোজ তরকারি দিতে আসত। একদিনের পর আর এল না।

কেন এল না সে প্রসঙ্গ তোলা আমাদের বাড়িতে একপ্রকার নিষিদ্ধ।

মাখন সাহার পুকুরের কাছে পুরোনো ইটখোলার ঢিবি। তার ওপরে একটা শিমুল তুলোর গাছ। বহুদিনের পুরোনো গাছ। মালাবার সিল্ক কটন। ফুলে ফুলে লাল হয়ে থাকে। এখানেই কতদিন রাতের বেলা শুয়ে থেকেছি কাউকে কিছুই না জানিয়ে।

একা একা কী আর শুয়েছি?

কতটা হুরেরা এসে শুয়েছে আমার পাশে।

হুর !

কুরআন সম্পর্কে তাফসির ও ব্যাক্যাসমূহে, হুরের নিন্মরূপ বর্ণনা রয়েছে –

১। কুমারী

২। বড় ও সুন্দর চক্ষুধারী

৩। তেত্রিশ বছর বয়স

৪। সুন্দর রঙ

৫। কোন জিন ও মানব পূর্বে যাদের ব্যবহার করেনি

৬। ইত্যাদি ইত্যাদি…

সাদা তুলো আমাদের শরীরের ওপর এসে কতদিন পড়েছে। সবই স্যারের শেখানো অঙ্কে। তবে আজ সেসব যেন মুছে গেছে পৃথিবী থেকে। একটা ফ্যাকাশে মেঘলা দিন এবং অসম্ভব অবসাদগ্রস্ত হয়ে বহুক্ষণ বসে রইলাম ঢিবির ওপরে। ভাবলাম – হুরেরা ইস্কুল, চাকরি করতে যাবে তবে আমি আর চায়ের দোকানে বা রেস্তোরাঁতে বসে তাদের জন্য অপেক্ষা করতে পারব না। সেই সর্বনাশটাই হয়ে গেল।

আমার কাগজপত্র সমস্তই বাজেয়াপ্ত হবে কিছুদিন পর। সমস্ত শংসাপত্র কেড়ে নেওয়া হবে। তারপর পরিচয়হীন একটা জঞ্জালের মতো আমি এই পৃথিবীতে রয়ে যাব। স্যার নিজের শেখানো সমস্ত অঙ্ক নিয়ে এই পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছে।

 

বাড়ি ফেরার পর বাবা দু’টো কথা বলল। ততক্ষণে জ্যোতির্ময়ের প্রথম খবর দেওয়ার চব্বিশ ঘন্টা অতিক্রান্ত।

এক, স্যার নাকি হঠাৎ বাড়ি নিরুদ্দেশ হয়ে গেছে।

দুই, একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটে চলেছে বার্মা কলোনিতে।

 

স্যারকে নিয়ে ভিন্ন ভিন্ন খবর শুনতে শুনতে আমার এখন সমস্তটাই সয়ে গেছে। নিরুদ্দেশ হওয়ার ঘটনাটা আমাকে তেমনভাবে আর নাড়া দিল না। মনে মনে আমি একটা অঙ্ক কষে নিলাম।

( আত্মহত্যা + দুর্ঘটনা + খুন ) = মৃত্যু / নিরুদ্দেশ

 

যদিও মৃত্যু ও নিরুদ্দেশ এক কথা নয়। তবে আমার স্বার্থের দিক থেকে দেখলে দু’টোর মধ্যে কোনও তফাৎ নেই।

 

দ্বিতীয় ঘটনাটির প্রসঙ্গে আসি। একটা অদ্ভুত ঘটনা ঘটে চলেছে বার্মা কলোনিতে। সেখানে একটা ছোট খাল রয়েছে যা এককালে ভয়ানক নদী ছিল। প্রবল বন্যা হত সেই নদীতে। তবে মূল স্রোতের থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় বহু বছর ধরে তা খাল। সেই খালের পাশেই জমিতে এককালে বার্মা থেকে আসা উদ্বাস্তুদের বসিয়েছিলেন রাজীব গান্ধী। এভাবেই বার্মা কলোনি গড়ে উঠেছিল।

এই খাল যা এককালে নদী ছিল তার আশেপাশেই শুরু হয়েছে বিশাল ভাঙন। নদী যেন তার পুরনো রূপ আবার ফিরে পাচ্ছে। একে একে সমস্ত চলে যাচ্ছে নদীর পেটে। পৌরসভা কিছুই করতে পারবে না বলে হাত তুলে ফেলেছে ইতিমধ্যে।

আমার চিন্তা হল। এই বার্মা কলোনিতেই তো সুলতাদের বাড়ি।

সুলতা, আমার মাঝেমাঝেই রাত্রিবাসের একমাত্র ঠিকানা। ওর বাড়িটাকে বাড়ি না বলে ঝুপড়ি বলাই ভালো। তবে একটা পোক্ত টিনের চাল রয়েছে। রাতের বেলা বৃষ্টি হলে সেই টিনের চাল যেন ঝমঝম করে নাচে। সুলতার বয়েস তেত্রিশ।

সুলতার সব ভালো শুধু দু’টো বিষয় আমার একদম ভালো লাগে না।

এক, সুলতা ওর ফুলফুল সবুজ সায়াটা একদম ছাড়তে চায় না। রাতের পর রাত পরে থাকে।

দুই, মাঝে মাঝেই ওর বিরক্তিকর স্বপ্নটার কথা আমাকে শোনায়। অদ্ভুত একটা পাখি নাকি স্বপ্নের ভেতর ওর স্তন ঠোকরায়। স্বপ্নের ভেতর এসব ঢ্যামনামো আমার একদম সহ্য হয় না।

তবুও সুলতাকে আমার পছন্দ। আমাকে ওর বাড়িতে আশ্রয় দেওয়ার জন্য কখনোই ও শংসাপত্র দেখতে চায়নি। আমার অঙ্কের নম্বর দেখতে চায়নি। এই কালই যদি আমার কিচ্ছু না থাকে তাহলে বাড়িতে আশ্রয় পাব কিনা জানি না তবে আমি ঠিক জানি, সুলতাই আমাকে আশ্রয় দেবে।

 

সন্ধেবেলা বেরিয়ে গেলাম বার্মা কলোনির পরিস্থিতি দেখতে। দেখলাম আমাদের ছোট শহরের খালটি বিরাট রাক্ষসের মতো আকার ধারণ করেছে। দুদিকের প্রায় সব বাড়িই ওর পেটের ভেতর গেছে ঢুকে। পুলিশ লম্বা ব্যারিকেড করে রেখেছে। এদিকে পৌরসভার লোক, ইঞ্জিনিয়ার, ভূতত্ত্ববিদ সবাই সঙের মতো দাঁড়িয়ে দেখছে ধ্বংসলীলা। সেই ভিড়ের মধ্যে আমি সুলতার ঘরটা খুঁজতে লাগলাম। নাহ, আশ্চর্য ভাবে বেঁচে গেছে সুলতার ঘরটা। অদ্ভুত ,অলৌকিক যেন এই বাঁচা।

আচমকা উপস্থিত জনতার মধ্যে একটা শোরগোল ওঠে। দেখি ভিড় ঠেলে, পুলিশ ঠেলে, পৌরসভার লোক, ইঞ্জিনিয়ার, ভূতত্ত্ববিদ সবাইকে ঠেলে উপস্থিত হল একজন লম্বা চুলের লোক। শরীরে তার আশ্চর্য দ্যুতি। মাথার পেছন আলো হয়ে আছে। তার পরনে শুধু একটা সাদা রঙের ধুতি। কপালে চন্দন টিকা। সবাই ঠাকুর ঠাকুর করে চিৎকার করে উঠল।

লোকটি গেল নদীর সামনে। তারপর চোখ বুজে যেই হাত তুলল , এতক্ষণের রাক্ষুসে নদী যেন ছোট্ট বাচ্চাটি হয়ে বসে পড়ল মাটিতে।

ভিড়ের মধ্যে চিৎকার আরও বাড়তে লাগল। জয়ধ্বনি…

তারপর যে দেখলাম সেই লম্বা চুলের পুরুষ ধীর পায়ে এগিয়ে গেল সুলতাদের বাড়ির দিকে। দুটো টোকা দিতেই খুলে গেল দরজা। ঢুকে গেল লোকটি ভেতরে।

দেখলাম বাইরের তারে ঝুলে আছে সুলতার বহু ব্যবহৃত ফুল ছাপ সবুজ সায়াটা।

ভিকির অ-মতেই কি বিয়ে, কেন ক্যাটরিনা এমন সিদ্ধান্ত নিলেন

katrina-kaif-force-vicky-kaushal

বায়োস্কোপ ডেস্ক, মুম্বই- কোথাও গিয়ে কি ভিকির প্রতি ভরসা হারিয়ে ফেলছেন ক্যাটরিনা কাইফ, তবে তড়িঘড়ি এরকম সিদ্ধান্ত কেন নিলেন বলিউড কুইন। চলতি বছর মাঝখান থেকেই ভাইরাল হয়ে উঠেছিল একটাই সংবাদ বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছেন ক্যাটরিনা কাইফ। তবে সেইসময় ভিকি কৌশলের ভাই সানি কৌশল জানিয়েছিলেন এই সংবাদ সম্পূর্ণ অর্থে ভিত্তিহীন। এই খবর শোনা মাত্রই নাকি ভিকির বাড়ির লোকেরা চমকে উঠেছিলেন।

এমনকি ভিকির মাও জানিয়েছিলেন- যদি বিয়ে হয় আমাকে মিষ্টি খাইও। কিন্তু সেই সকল তর্ক বিতর্ককে তুড়ি মেরে উড়িয়ে অবশেষে ফাঁস হলো সত্য ঘটনা। কোন লুকোচুরি নয়, সত্যি সত্যি বিয়ের পিঁড়িতে বসতে চলেছে ভিকি কৌশল ও ক্যাটরিনা কাইফ। রাজস্থানে ডেস্টিনেশন ওয়েডিং, স্থির করা হয়েছে ভেনু। তবে চলতি বছর না, ভিকির ইচ্ছে ছিল পরের বছরই বিয়েটা সারবেন তিনি। কিন্তু বেঁকে বসলেন ক্যাটরিনা কাইফ।

Katrina Kaif hot navel in bollywood magazine cover page

ক্যাটের কথায় তিনি মোটেই গরমকালে বিয়ে করতে রাজি নন। তার উপর যখন ডেস্টিনেশন স্থির করা হয়েছে রাজস্থান, তখনই শীতকালে আদর্শ। আর ঠিক সেই কারণেই ক্যাটরিনা এবার ভিকির ওপর একপ্রকার চাপ সৃষ্টি করে ডিসেম্বরে দিনক্ষণ ফাইনাল করে ফেললেন। যার ফলে তড়িঘড়ি আয়োজন শুরু হয়ে গেল দুই পরিবারেই। হাতে মাত্র আর কয়েকটা দিন, তারপর বেজে উঠবে বিয়ের সানাই।

<

p style=”text-align: justify;”>টানা দুই বছরের প্রেমের সম্পর্কে অবশেষে পরিণতি। প্রথম প্রকাশ্যে সম্পর্কের কথা স্বীকার না করলেও পরবর্তীতে এই দুই তারকাকে মাঝেমধ্যেই একসঙ্গে দেখা যেত বিভিন্ন পার্টি থেকে শুরু করে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে। আর চলতি বছর বিয়ের খবর রটে যায় আর ওই যেন আগুনে ঘি ঢালার মতো সবটাই ফাঁস হয়ে গেল তড়িঘড়ি। এখন কেবল অপেক্ষার পালা, কবে রাজস্থান সেজে উঠবে রাজকীয় বিয়ের আসরে।

অবশেষে মিলল সুসংবাদ, শ্যুটিং-এ ফিরছেন কিং খান

shah rukh khan

বায়োস্কোপ ডেস্ক, মুম্বই: পাঠান ছবির শুটিং শুরু করতে চলেছেন শাহরুখ খান। ভক্তদের জন্য এর থেকে বড় আনন্দের খবর আর কি হতে পারে। অক্টোবর মাস থেকেই ঝড় বয়ে গেছে কিং খানের জীবনে। টানা তিন বছরের এক লম্বা বিরতির পর ছবির শুটিংয়ে হাত দিয়েছিলেন শাহরুখ খান। স্পেনে সবটাই ছিল রেডি। ঠিক ঘড়ি ধরে টাইম মতো বিমান পথে পাড়ি দেওয়ার সময় মিলেছিল দুঃসংবাদ।

গ্রেফতার করা হয়েছে আরিয়ানকে। ছেলের টানে সেখান থেকে ফিরে এসে নাজেহাল হতে হয় কিং খানকে। টানা ২১ দিন ঘরে-বাইরে ভয়ানক লড়াইয়ে সামলে ছেলেকে বাড়ি ফেরানোর চেষ্টায় সফল হয়েছিলেন তিনি। শেষে টানা তিনদিন শুনানি চলার পর অবশেষে আরিয়ানকে একাধিক শর্তে বাড়ি ছাড়তে রাজি হয় আদালত। বদলে জানানো হয় প্রত্যেক শুক্রবার হাজিরা দিতে হবে আরিয়ানকে, পাশাপাশি এই বিষয় নিয়ে কোনোরকম মুখ খোলা যাবে না কারুর কাছে।

Shah Rukh's son Aryan

সোশ্যাল মিডিয়ার সমস্ত রকমের পোস্ট এড়িয়ে চলতে হবে। এই পরই শাহরুখ খানকে দিল্লিতে যেতে দেখা যায়। আনুমানিক কিং খানের অনুপস্থিতিতে যাতে আরিয়ানকে পুনরায় নিয়ে টানাটানি না করা হয় সেই কারণেই শাহরুখ সাক্ষাৎ সেরেছেন বিভিন্ন আইন বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে। সব ঠিক থাকলে চলতি মাসেই পাঠান ছবি শুরু করবেন শাহরুখ খান। এই ছবির সঙ্গে ভাগ্য জড়িয়ে রয়েছে সালমান খানের।

ছবিতে একটি বিশেষ অংশে শুট করতে দেখা যাবে তাকে। কিন্তু সেই ডেট চলে গিয়েছে অক্টোবর মাসেই। পুনরায় এই ছবিতে সময় দেওয়া সালমান খানের পক্ষে সম্ভব কিনা তা এখনও স্পষ্ট করে কিছুই জানাননি ভাইজান। তবে সুখের খবর এটাই শুটিংয়ে ফিরছেন শাহরুখ খান।

নবরূপে নুসরত, এবার মন খোলা আড্ডায় মাতবেন দর্শকেরা

nusart

বায়োস্কোপ ডেস্ক, কলকাতা: বলিউডের করিনা এখন টলিউডের নুসরাত জাহান। একই ভূমিকায় এবার থেকে দেখা যাবে টলিউডের স্টারকে। নুসরাত জাহান, গত এক বছর ধরে এই নামটার সঙ্গে আদ্যোপান্ত বিতর্ক জড়িয়ে রয়েছে। সম্পর্কের বিচ্ছেদ থেকে শুরু করে যশ এর সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়া আবার সন্তানসম্ভবা নুসরাত একাধিকবার প্রশ্নের মুখে পড়েছিলেন সন্তানের পিতা কে। সেই সমস্ত বিতর্ক ঘুচিয়ে এখন যশের সঙ্গে সুখে সংসার করছেন নুসরাত। সদ্য সামনে নিয়ে এসেছেন তাদের পরিবারে থাকা দুই সন্তানের ছবিও।

যশ এর প্রথম পক্ষের সন্তান ও দ্বিতীয় পক্ষ অর্থাৎ নুসরাতের সন্তান ইশান। দীপাবলিতে প্রথম ঈশানকে দেখে ভক্ত মহল। ধীরে ধীরে স্বাভাবিক ছন্দে ফিরছে নুসরাত জাহান। ইতিমধ্যেই একাধিক অনুষ্ঠানে দেখা গিয়েছে তাঁকে। আর এবার জাঁকিয়ে বসে সকলের হাঁড়ির খবর নিজেই ফাঁস করবেন নুসরাত জাহান। রেডিও টকশো ইসক এফএম-এ এবার টলিউড সেলেবদের সঙ্গে খোলামেলা আলোচনায় নুসরাত জাহান। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে তার শুটিং। খবরের ছড়িয়ে পড়েছে সর্বত্র যার ফলে বলাই চলে এই চ্যাট শো র টিআরপি আগে থেকেই তুঙ্গে। ‌

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Ritabhari Chakraborty (@ritabhari_chakraborty)

বিতর্কের কেন্দ্রে থাকা নুসরাত জাহানের মুখোমুখি একাধিক সেলেব। সদ্য তার শ্যুট সেরেছেন ঋতাভরী চক্রবর্তী। বিগত কয়েক দিন ধরে ঋতাভরী ও একাধিকবার খবরের শিরোনামে জায়গা করে। তাকে ট্রোল হতে হয়েছে তার ফিগার নিয়ে। তারেক অপারেশনের পরে শরীরে মেদ জমে রীতিমতো সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রশ্নের মুখোমুখি হতে হয় ঋতাভরীকে। কাজেই সেলিব্রিটি মানে ট্রোল নিত্যসঙ্গী। সেই সুবাদেই সমস্তটা ঝেড়ে ফেলে নতুন পথ চলা শুরু নুসরাত জাহানের। অপেক্ষায় দিন গুনছে ভক্ত মহল।