গোল্ড লোনে RBI’র নয়া নির্দেশনা জারি

ভারতের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, রিজার্ভ ব্যাংক অফ ইন্ডিয়া (RBI), গোল্ড লোন খাতে প্রবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে কঠোর পদক্ষেপ নেবে। একটি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, RBI ঋণদাতাদের জন্য গোল্ড লোন প্রক্রিয়া আরও কঠোর করার জন্য চাপ দেবে এবং ঋণের অর্থের ব্যবহার মনিটর করার জন্য নির্দেশনা প্রদান করবে। এর লক্ষ্য হল গোল্ড লোন খাতের দ্রুত বৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণ করা, যা বর্তমানে অস্বাভাবিক গতিতে বাড়ছে।

রয়টার্সের একটি প্রতিবেদনে সাতটি সূত্রের উদ্ধৃতি দিয়ে জানানো হয়েছে, এর মধ্যে শিল্পের অভ্যন্তরীণ সূত্র এবং যারা নিয়ন্ত্রক সংস্থার পরিকল্পনার সঙ্গে পরিচিত, তারা এই তথ্য দিয়েছেন। তারা বলছেন, RBI-এর মাধ্যমে ব্যাংক এবং নন-ব্যাংকিং ফাইন্যান্সিয়াল প্রতিষ্ঠানগুলিকে ঋণগ্রহীতাদের ব্যাকগ্রাউন্ড চেক আরও শক্তিশালী করতে এবং গহনা জমা দেওয়ার মালিকানা যাচাই করতে বলবে।

RBI-এর উদ্দেশ্য হলো নিশ্চিত করা যে ঋণদাতারা একটি স্ট্যান্ডার্ড প্রোটোকল অনুসরণ করছে এবং গোল্ড লোন খাতের প্রবৃদ্ধি কখনোই সীমা ছাড়িয়ে না যায়। এক সূত্র জানিয়েছে, “RBI চায় যে খাতের প্রবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রিতভাবে ঘটুক এবং কোন বেআইনি ব্যবসায়িক কার্যক্রম রোধ করা হোক যাতে আর্থিক স্থিতিশীলতা সুরক্ষিত থাকে।”

ভারতের মতো দেশের জন্য, যেখানে সোনা খুবই জনপ্রিয়, গোল্ড লোন গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। বিশেষ করে, উৎসব ও বিবাহের সময় গহনা কেনা প্রচলিত এবং বর্তমানে সোনার দাম রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছেছে, যা গোল্ড লোন আরও আকর্ষণীয় করেছে।

গোল্ড লোন খাতে অনিয়মিত কার্যকলাপের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে গত সেপ্টেম্বর মাসে আরবিআই একটি ঘোষণা করেছিল। সেখানে বলা হয়েছে যে, তারা গোল্ড লোন প্রক্রিয়া পর্যালোচনা করবে এবং যদি কোনো নিয়ন্ত্রক সমস্যা বা অস্বাভাবিকতা থাকে, তবে তা চিহ্নিত করে দ্রুত ব্যবস্থা নেবে।

এছাড়া, RBI নন-ব্যাংকিং ঋণদাতাদের পোর্টফোলিওতে অনিয়ম এবং গহনা ঋণের বিপরীতে ঋণ প্রদান নিয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করেছে। তারা খুঁজে পেয়েছে যে কিছু প্রতিষ্ঠান সঠিক নিয়ম অনুসরণ করছে না।

RBI জানিয়েছে, গত ১২-১৬ মাসের মধ্যে করা অডিটে তারা নন-ব্যাংকিং ঋণদাতাদের পোর্টফোলিওতে কিছু দুর্বলতা চিহ্নিত করেছে। এছাড়া, ঋণগ্রহণের ক্ষেত্রে সোনার প্রকৃত মূল্যায়ন এবং মূল্য নির্ধারণের ক্ষেত্রে কিছু সমস্যাও উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে যে, কিছু ব্যাংক ফিনটেক এজেন্টদের সোনার সংগ্রহ, সংরক্ষণ এবং ওজন পরিমাপের কাজও দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু এসব কাজ ঋণদাতাদের নিজস্ব কর্তব্য হওয়া উচিত। এর ফলে, ঋণদাতারা নিয়ম বিরুদ্ধভাবে সোনার নিলাম করছে এবং ঋণগ্রহীতাদের না জানিয়ে তাদের সোনা বিক্রি করছে।

RBI-এর উদ্দেশ্য হল গোল্ড লোন খাতের মধ্যে সুশৃঙ্খলতা বজায় রাখা এবং এই খাতের বৃদ্ধির জন্য একটি পরিস্কার, স্বচ্ছ ও নিয়ন্ত্রিত পরিবেশ তৈরি করা। নিয়ন্ত্রক সংস্থা আগামী দিনে ঋণদাতাদের মধ্যে সমান আচরণ নিশ্চিত করতে এবং সোনার নিলাম ও ঋণের অর্থ ব্যবহারের উপর নজরদারি জোরদার করার পরিকল্পনা করছে।

RBI-এর এই নতুন পদক্ষেপগুলি গোল্ড লোন খাতের নিয়ন্ত্রণ আরও কঠোর করবে এবং আর্থিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে সহায়ক হবে। এটি গোল্ড লোন খাতের স্থিতিশীলতা রক্ষা করার পাশাপাশি বেআইনি কার্যক্রম এবং অস্বাভাবিক প্রবৃদ্ধি রোধ করবে। ঋণদাতাদের একত্রিতভাবে এসব নির্দেশিকা অনুসরণ করলে, ভারতের গোল্ড লোন খাত আরও সুসংগঠিত এবং সুরক্ষিত হবে, যা দেশের আর্থিক স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করবে।

জিৎ-প্রসেনজিতের সঙ্গে কিং খানের ক্যামিও? পুলিশের উর্দিতে ভাইরাল পোস্টে উত্তেজনা চরমে

নতুন থ্রিলার সিরিজ ‘খাকি: দ‌্য বেঙ্গল চ‌্যাপ্টার’ (Khaki The Bengal Chapter) নিয়ে ইতিমধ্যে সোশ্যাল মিডিয়াতে রীতিমতো শোরগোল চলছে। বৃহস্পতিবার কলকাতার একটি অনুষ্ঠানে মুক্তি পেয়েছে সিরিজের ট্রেলার। রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে তৈরি এই সিরিজের ট্রেলারে একঝাঁক তারকা উপস্থিত। সিরিজে একদিকে পুলিশের দাপুটে চরিত্রে জিৎ (Jeet) অন্যদিকে রাজনীতিকের ভূমিকায় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prosenjit Chatterjee)। দর্শকরা ‘খাকি’ সিরিজের ট্রেলারের মাধ্যমে পেলেন এক নতুন উত্তেজনার অভিজ্ঞতা।

তবে, ট্রেলারটি মুক্তির পরেই নতুন এক জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে। ভাইরাল হওয়া এক পোস্টারে দেখা গেছে শাহরুখ খানকে (Shah Rukh Khan) পুলিশের উর্দিতে। পোস্টারে সানগ্লাস পরা, বাইকে বসে রয়েছেন এবং একদম ‘দাবাং’ মেজাজে রয়েছেন শাহরুখ। শিরোনাম ‘খাকি: দ‌্য বেঙ্গল চ‌্যাপ্টার’ (Khaki The Bengal Chapter) সম্পর্কিত গুঞ্জন উঠেছে তিনি কি এই সিরিজের প্রচারের অংশ হিসেবে এমন অবতারে হাজির হয়েছেন? তবে শাহরুখ খানের এই ছবি নিয়ে নানা কৌতূহল তৈরি হলেও এখনও পর্যন্ত নেটফ্লিক্স কর্তৃপক্ষ কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি। 

 

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

 

A post shared by Pinkvilla (@pinkvilla)

সিরিজের ট্রেলারেই দেখা গেছে সিরিজের গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রগুলোর দাপট। বিশেষত, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়ের (Prosenjit Chatterjee)চরিত্রটি রাজনীতির চূড়ান্ত দিককে তুলে ধরছে। যেখানে তাঁর শক্তিশালী চরিত্র রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র ও খুনোখুনি নিয়ে জড়িয়ে পড়েছে। অন্যদিকে, শাশ্বত চট্টোপাধ্যায় ডনের চরিত্রে অত্যন্ত আকর্ষণীয় অবতারে হাজির হয়েছেন।

এই থ্রিলারে প্রথমবারের মতো একসঙ্গে পর্দায় দেখা যাবে দুই জনপ্রিয় অভিনেতা জিৎ (Jeet) ও প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় (Prosenjit Chatterjee)। জিৎ এখানে পুলিশ অফিসারের চরিত্রে অভিনয় করছেন, অন্যদিকে প্রসেনজিৎ রাজনীতিবিদের ভূমিকায় অভিনয় করছেন। পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ও সিরিজে পুলিশের চরিত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকায় অভিনয় করছেন। শাশ্বত চট্টোপাধ্যায়কে ডনের চরিত্রে বেশ শানিত এবং শক্তিশালী দেখানো হয়েছে।

‘খাকি: দ‌্য বেঙ্গল চ‌্যাপ্টার’ (Khaki The Bengal Chapter) সিরিজের ট্রেলার দর্শকদের মনে গভীর কৌতূহল জাগিয়েছে, বিশেষত সিক্যুয়েল এবং থ্রিলারের মতো মারামারি এবং কুস্তির দৃশ্যগুলি। এটি নিঃসন্দেহে এক আকর্ষণীয় ও চিত্তাকর্ষক সিরিজ হবে। ইতিমধ্যে সিরিজের জন্য দর্শকরা উত্তেজিত এবং তারা ২০ মার্চ নেটফ্লিক্সে সিরিজটির মুক্তির জন্য অপেক্ষা করছেন।

 

গোল্ড লোন নাকি পার্সোনাল লোন? জেনে নিন কোনটি সেরা আপনার জন্য

আজকাল যখন দ্রুত টাকা প্রয়োজন হয়, গোল্ড লোন এবং পার্সোনাল লোন দুটি জনপ্রিয় বিকল্প হিসেবে ব্যবহৃত হয়। উভয়েই দ্রুত টাকা পাওয়ার সুবিধা দেয় এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে যেমন চিকিৎসা খরচ বা বাড়ির জরুরি মেরামতের জন্য কাজে লাগে। তবে কোনটি আপনার জন্য সঠিক হবে? চলুন, দুটো লোনের মধ্যে পার্থক্যগুলো জানিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে সাহায্য করি।

লোন নেওয়ার ক্ষেত্রে সুদের হার অনেক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। গোল্ড লোনের সুদের হার সাধারণত কম, ৭% থেকে ১৫% এর মধ্যে হয়ে থাকে। অন্যদিকে, পার্সোনাল লোনের সুদের হার ১০% থেকে ২৪% পর্যন্ত হতে পারে, যা ঋণগ্রহীতার ক্রেডিট স্কোর এবং ঋণদাতার নীতির উপর নির্ভর করে। লোনের মেয়াদ, পরিমাণ এবং পরিশোধের শর্ত অনুসারে গোল্ড লোনের সুদের হার পরিবর্তিত হতে পারে। তাই, বিভিন্ন ঋণদাতার মধ্যে তুলনা করে সবচেয়ে ভালো অফারটি বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।

গোল্ড লোন হলো একটি সিকিওরড লোন, যার জন্য আপনাকে গোল্ড (গহনা) জামানত হিসেবে দিতে হয়। যদি আপনি ঋণ পরিশোধ করতে না পারেন, তাহলে ঋণদাতা আপনার গোল্ড নিলামে বিক্রি করে ঋণের টাকা উদ্ধার করতে পারে। অন্যদিকে, পার্সোনাল লোন হলো আনসিকিওরড লোন, যেখানে কোনো জামানতের প্রয়োজন পড়ে না। তবে, যদি ঋণ পরিশোধে কোনো সমস্যা হয়, তাহলে তা আপনার ক্রেডিট স্কোরে নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে, যা ভবিষ্যতে ঋণ নেওয়ার জন্য কঠিন হয়ে উঠবে।

পার্সোনাল লোন, যেহেতু এটি একটি আনসিকিওরড লোন, তাই ঋণদাতা ঋণ গ্রহীতার ক্রেডিট স্কোর, চাকরি এবং আয় স্থিতিশীলতা নিয়ে কঠোর যাচাই-বাছাই করে থাকে। ৭৫০ বা তার বেশি ক্রেডিট স্কোর, নিয়মিত চাকরি এবং স্থিতিশীল আয়ের প্রমাণ থাকা জরুরি। কিন্তু গোল্ড লোনের জন্য যোগ্যতা নির্ধারণে কোনো কঠোর শর্ত নেই, কারণ এটি সিকিওরড লোন। এখানে মূলত আপনাকে জামানত হিসেবে গোল্ড রাখতে হয়। ফলে, যাদের ক্রেডিট স্কোর কম, তারা যদি গোল্ড থাকে তবে সহজেই গোল্ড লোন পেতে পারেন।

পার্সোনাল লোন সাধারণত ৫০,০০০ টাকা থেকে ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত প্রদান করা হয়, এবং কিছু ঋণদাতা আরও বেশি পরিমাণে ঋণ দেয়। ঋণদাতা ঋণ গ্রহীতার পরিশোধ ক্ষমতা এবং লোনের মেয়াদ দেখে ঋণের পরিমাণ নির্ধারণ করে। গোল্ড লোনের ক্ষেত্রে, ঋণের পরিমাণ মূলত জামানত হিসেবে দেওয়া গোল্ডের মূল্য এবং ঋণদাতার লোন-টু-ভ্যালু (LTV) রেশিওর ওপর নির্ভর করে, যা RBI-এর নিয়ম অনুযায়ী ৭৫% এর বেশি হতে পারে না।

গোল্ড লোন সাধারণত ১২ মাস থেকে ৩ বছর পর্যন্ত হয়ে থাকে, যা স্বল্পমেয়াদী আর্থিক প্রয়োজনের জন্য উপযুক্ত। অন্যদিকে, পার্সোনাল লোনের মেয়াদ ৭-৮ বছর পর্যন্ত হতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনার জন্য উপযোগী। গোল্ড লোনের জন্য স্বল্পমেয়াদী সময়কাল সাধারণত কম সুদে ঋণ প্রদান করে, তবে EMI বেশি হতে পারে। পার্সোনাল লোনে দীর্ঘমেয়াদী সময়কাল থাকে, যার ফলে EMI কম থাকে।

গোল্ড লোনে কিছু পরিশোধের নমনীয়তা থাকে, যেখানে আপনি মাসিক EMI ছাড়া শুধুমাত্র সুদ পরিশোধ করতে পারেন অথবা মূলধন পরিশোধের সময় একসাথে দিতে পারেন। এই নমনীয়তা অনেক গ্রাহককেই সুরক্ষিত রাখে। পার্সোনাল লোন সাধারণত নির্দিষ্ট EMI-এর মাধ্যমে পরিশোধ করতে হয়, এবং কিছু ঋণদাতা শুধুমাত্র ব্যবহৃত পরিমাণের ওপর সুদ ধার্য করে overdraft সুবিধা দেয়।

গোল্ড লোনের জন্য ন্যূনতম ডকুমেন্টেশন প্রয়োজন হয় এবং কোনো ক্রেডিট চেক ছাড়াই লোন খুব দ্রুত (কিছু ঘণ্টার মধ্যে) দেয়া হয়। অন্যদিকে, পার্সোনাল লোনের ক্ষেত্রে ঋণদাতা ক্রেডিট চেক এবং আয় যাচাই করার জন্য সাধারণত সাত দিন পর্যন্ত সময় নেয়। যদি জরুরি আর্থিক প্রয়োজন থাকে, তাহলে গোল্ড লোন হবে আরও দ্রুত এবং উপযুক্ত অপশন।

ঋণ গ্রহণের সময় ফি (Processing fee) একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। গোল্ড লোনের প্রসেসিং ফি সাধারণত কম, ০.৫% থেকে ২% এর মধ্যে। তবে, পার্সোনাল লোনের ফি তুলনামূলকভাবে বেশি, ১% থেকে ৩% হতে পারে। তাই, যদি আপনি ঋণ সম্পর্কিত খরচ কম রাখতে চান, তবে গোল্ড লোন হতে পারে একটি বাজেট-বান্ধব বিকল্প।

আপনার জন্য কোনটি সঠিক?

এখন, আপনার প্রয়োজন এবং আর্থিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নিন। যদি আপনার ক্রেডিট স্কোর কম হয়, তবে এবং যদি আপনার কাছে গোল্ড থাকে, তবে গোল্ড লোন হবে একটি দ্রুত এবং সাশ্রয়ী বিকল্প। তবে, যদি আপনি বড় পরিমাণ ঋণ নিতে চান এবং দীর্ঘমেয়াদী খরচে সহনশীল হন, তাহলে পার্সোনাল লোন হতে পারে আপনার জন্য ভালো অপশন। সবশেষে, আপনার আর্থিক সক্ষমতা, প্রয়োজনীয় ঋণের পরিমাণ, এবং পরিশোধ ক্ষমতা বিবেচনা করে সঠিক সিদ্ধান্ত নিন।

पैंटोमैथ के भारत वैल्यू फंड ने हल्दीराम भुजियावाला में की अल्पमत हिस्सेदारी

कोलकाता :  कोलकाता स्थित हल्दीराम भुजियावाला लिमिटेड ने अपने निजी प्लेसमेंट दौर के सफल समापन की घोषणा की है। इसमें पैंटोमैथ के भारत वैल्यू फंड (बीवीएफ) ने अल्पांश हिस्सेदारी के लिए कंपनी में 2350 मिलियन रुपये का निवेश किया है। हल्दीराम भुजियावाला लिमिटेड अपने उत्पादों को “प्रभुजी” ब्रांड के तहत खुदरा बिक्री करता है।

भारत में सबसे तेजी से बढ़ते क्षेत्रों में से एक स्नैक्स बाजार का मूल्य वित्त वर्ष 24 में 426 बिलियन रुपये होने का अनुमान लगाया गया था, जो 11% सीएजीआर के साथ वित्त वर्ष 2032 तक 955 बिलियन रुपये तक पहुंचने की उम्मीद है। इस बाजार में पर्याप्त बाजार हिस्सेदारी रखने वाली संगठित कंपनियां इस वृद्धि में प्रमुख योगदानकर्ता के रूप में शामिल हो सकती हैं। उत्पाद विविधीकरण पर उनका लगातार ध्यान, क्वालिटी, सुविधा और सुरक्षा मानकों के प्रति मजबूत प्रतिबद्धता के साथ मिलकर उन्हें आगे विस्तार के लिए तैयार करेगा।

हल्दीराम भुजियावाला लिमिटेड के पास स्नैक्स और नमकीन उद्योग में 6 दशकों से अधिक की मजबूत विरासत है। कंपनी अपने उत्पादों को “प्रभुजी” ब्रांड नाम के तहत खुदरा बिक्री करती है, जो 100+ एसकेयू के साथ एक व्यापक उत्पाद पोर्टफोलियो पेश करती है, जिसे पश्चिम बंगाल और उत्तर-पश्चिम में त्वरित सेवा रेस्तरां चलाने के अलावा, पूर्वी राज्य विशेष रूप से पूर्वी और उत्तर-पूर्वी भारतीय बाजारों में मजबूत ब्रांड पहचान प्राप्त है। आधुनिक ब्रांड, ‘प्रभुजी’ चर्चा का विषय बन गया है, जो कंपनी की नए जमाने की मार्केटिंग रणनीति द्वारा समर्थित है। ब्रांड एंबेसडर बॉलीवुड के दिग्गज अभिनेता शाहरुख खान और रश्मिका मंदाना हैं।

हल्दीराम भुजियावाला लिमिटेड के पास खुदरा व्यापार के साथ-साथ वितरण व्यवसाय का एक शक्तिशाली मिश्रण है। कंपनी के पास लगभग 2000 वितरकों का वितरण नेटवर्क है जो देश भर में 200,000 से अधिक खुदरा विक्रेताओं को सेवा प्रदान करता है। कंपनी अपनी सीधी उपभोक्ता पहुंच स्थापित करते हुए 19 रिटेल आउटलेट और 60 फ्रेंचाइजी स्टोर संचालित करती है। वर्तमान में कंपनी के बाजारों में पश्चिम बंगाल, बिहार, झारखंड और उत्तर-पूर्वी क्षेत्र शामिल हैं। कंपनी इस धनराशि का उपयोग पूर्वी और उत्तर-पूर्वी भारतीय बाजारों के बाहर अपने विनिर्माण और बाजारों का विस्तार करने के लिए करेगी। हल्दीराम भुजियावाला लिमिटेड 6,035 मीट्रिक टन प्रति वर्ष (एमटीपीए) की संयुक्त क्षमता के साथ तीन मैन्युफैक्चरिंग यूनिट्स संचालित करता है।

इस अवसर पर हल्दीराम भुजियावाला लिमिटेड के प्रबंध निदेशक श्री मनीष अग्रवाल ने कहा, पिछले 60 से ज्यादा वर्षों में हमने स्वादिष्ट स्नैक्स और मिठाइयाँ पेश करके एक वफादार ग्राहक आधार तैयार किया है। हमारी कंपनी एक ट्रेंडसेटर रही है, जिसने भारत की खान-पान की आदतों और स्वाद में क्रांति ला दी है।

मनीष अग्रवाल ने कहा, बीवीएफ के समर्थन के साथ-साथ हमारे उद्योग की अंतर्दृष्टि का लाभ उठाते हुए हम शेयरधारक मूल्य को बढ़ाने और विकास को गति देने के लिए रणनीतिक रूप से तैयार हैं। यह साझेदारी सभी हितधारकों के लिए समृद्ध भविष्य सुनिश्चित करते हुए दीर्घकालिक आर्थिक लाभ उत्पन्न करने के लिए एक ठोस आधार तैयार करती है।

हल्दीराम भुजियावाला लिमिटेड में अपने निवेश के बारे में बोलते हुए, भारत वैल्यू फंड की सीआईओ सुश्री मधु लुनावत ने कहा, हम हल्दीराम भुजियावाला लिमिटेड के साथ साझेदारी करके प्रसन्न हैं। 1958 में स्वामित्व के रूप में अपनी स्थापना के बाद से छह दशकों से अधिक की बाजार अंतर्दृष्टि के साथ कंपनी को उपभोक्ता व्यवहार और बाजार के रुझानों की गहरी समझ है। आधुनिक ब्रांड ‘प्रभुजी’ पर नई पीढ़ी का तेजी से फोकस विशेष रूप से उल्लेखनीय है। हम खाद्य एफएमसीजी और उपभोक्ता सामान क्षेत्रों के बारे में अत्यधिक आशावादी हैं, और हल्दीराम आने वाले वर्षों में पर्याप्त वृद्धि हासिल करने के लिए अच्छी स्थिति में है।

मिड मार्केट क्षेत्र के प्रमुख फंड हाउसों में से एक बीवीएफ, लंबे समय की सफलता को बढ़ावा देने के लिए लाभदायक, विकास-चरण वाली कंपनियों में निवेश करने पर ध्यान केंद्रित करता है। हल्दीराम में निवेश बीवीएफ का छठा समग्र निवेश और पिछले 3 महीनों के भीतर उपभोक्ता क्षेत्र में तीसरा निवेश है। पिछले महीने की शुरुआत में बीवीएफ ने पर्सनल हाइजीन ब्रांड, बमटम (मिलेनियम बेबीकेयर लिमिटेड), और कंज्यूमर ड्यूरेबल्स कंपनी, अनिकेत मेटल्स प्राइवेट लिमिटेड, सहित अन्य में निवेश किया था।

पेटीएम ने UPI स्टेटमेंट डाउनलोड सेवा शुरू की, जिससे खर्च पर नजर रखना और टैक्स फाइल करना होगा आसान

कोलकाता : भारत की प्रमुख पेमेंट और वित्तीय सेवा कंपनी पेटीएम ने एक नई UPI स्टेटमेंट डाउनलोड सेवा शुरू की है, जो उपयोगकर्ताओं को अपने खर्च पर नजर रखने और टैक्स फाइलिंग को आसान बनाने में मदद करती है। यह सेवा साफ-सुथरे स्टेटमेंट्स उपलब्ध कराती है, जिससे बजट बनाना और खर्च का हिसाब रखना आसान हो जाता है। यह सुविधा PDF फॉर्मेट में उपलब्ध है और जल्द ही Excel फॉर्मेट में भी लाई जाएगी। इसमें उपयोगकर्ता किसी भी तारीख या वित्तीय वर्ष का स्टेटमेंट डाउनलोड कर सकते हैं।

मोबाइल पेमेंट्स के बढ़ते इस्तेमाल के साथ, यह सेवा उपयोगकर्ताओं की पारदर्शिता और सरल वित्तीय प्रबंधन की जरूरतों को पूरा करती है। इस सुविधा से उपयोगकर्ता ट्रांजैक्शन की राशि, प्राप्तकर्ता का नाम, बैंक अकाउंट डिटेल्स और समय जैसी जानकारी एक सरल फॉर्मेट में देख सकते हैं। UPI स्टेटमेंट डाउनलोड सुविधा “बैलेंस एंड हिस्ट्री” सेक्शन में उपलब्ध है, जहाँ से उपयोगकर्ता कुछ ही क्लिक में अपनी मनचाही तारीख का स्टेटमेंट डाउनलोड कर सकते हैं।

पेटीएम के प्रवक्ता ने कहा, “हमारा उद्देश्य मोबाइल पेमेंट्स को सरल और सुविधाजनक बनाना है। UPI स्टेटमेंट डाउनलोड सेवा के जरिए हम उपयोगकर्ताओं को उनके लेन-देन का पूरा हिसाब सुलभ और आसान तरीके से उपलब्ध कराते हैं, जिससे वे अपने खर्च को बेहतर तरीके से समझ सकें और सही वित्तीय निर्णय ले सकें।”

धनतेरस पर झाड़ू खरीदने का नया चलन, ऋण मुक्ति की उम्मीद में खरीदार

मानाली दत्त, बहारमपुर: धनतेरस, जो काली पूजा से दो दिन पहले त्रयोदशी के दिन मनाया जाता है, में हर साल लोग विभिन्न धातुओं और घर की आवश्यक वस्तुएँ खरीदते हैं। इस दिन को विशेष रूप से सोने, चांदी और अन्य धातुओं की खरीदारी के लिए जाना जाता है। हालाँकि, पिछले कुछ वर्षों से, इस दिन झाड़ू खरीदने की प्रवृत्ति बढ़ी है।

अब लोग सिर्फ धातुओं और अन्य घरेलू वस्तुओं की खरीदारी नहीं कर रहे हैं, बल्कि झाड़ू भी खरीद रहे हैं। कहा जाता है कि धनतेरस के दिन नया झाड़ू खरीदने से सभी ऋणों से मुक्ति मिलती है। इस मान्यता के कारण, बाजार में झाड़ू की मांग तेजी से बढ़ गई है। विभिन्न प्रकार के झाड़ू जैसे बांस के झाड़ू, प्लास्टिक के झाड़ू और लकड़ी के झाड़ू बाजार में उपलब्ध हैं।

व्यापारियों का कहना है कि धनतेरस के पहले झाड़ू की बिक्री में उल्लेखनीय वृद्धि हुई है। कई दुकानें विशेष रूप से झाड़ू की प्रदर्शनी और बिक्री के लिए तैयार की गई हैं। इस दिन खरीदारी के लिए आने वाले ग्राहकों की लंबी कतारें देखने को मिलती हैं। ग्राहक अपनी पसंद के अनुसार झाड़ू का चुनाव कर रहे हैं और इसे खरीदने में काफी उत्सुकता दिखा रहे हैं।

झाड़ू खरीदने की इस प्रवृत्ति का मुख्य कारण सामाजिक मीडिया पर इसके प्रचार को माना जा रहा है। कई लोग अपने नए झाड़ू खरीदने के अनुभव को साझा कर रहे हैं और दूसरों को भी इसे खरीदने के लिए प्रेरित कर रहे हैं। इस दिन विशेष रूप से महिलाएँ झाड़ू खरीदने में अधिक रुचि दिखा रही हैं, क्योंकि उन्हें विश्वास है कि इससे उनके घर में लक्ष्मी का वास होगा।

एक हालिया सर्वेक्षण में यह पाया गया है कि 75% महिलाएँ धनतेरस पर झाड़ू खरीदने के लिए तत्पर हैं। झाड़ू बनाने वाले कारीगर भी इस समय को लेकर पहले से ही तैयारियों में जुटे हुए हैं। उनके अनुसार, इस समय झाड़ू बनाने के लिए वे विशेष तकनीकों का उपयोग करते हैं और उत्पादन बढ़ाते हैं ताकि अधिक मात्रा में झाड़ू उपलब्ध हो सके।

धनतेरस पर झाड़ू खरीदने की प्रवृत्ति केवल आर्थिक रूप से महत्वपूर्ण नहीं है, बल्कि यह सांस्कृतिक दृष्टिकोण से भी महत्वपूर्ण है। यह लोगों की धार्मिक मान्यताओं और मानसिकता का प्रतिबिंब है। ऋण के बोझ तले लोग विभिन्न तरीकों से मुक्ति पाने की कोशिश कर रहे हैं, और झाड़ू खरीदने का यह चलन उसी का एक उदाहरण है।

इस प्रकार, धनतेरस पर झाड़ू खरीदने की यह नई प्रवृत्ति केवल आर्थिक लाभ का स्रोत नहीं है, बल्कि यह मानसिक शांति का एक माध्यम भी हो सकती है। खरीदारों में ऋण मुक्ति की उम्मीद के साथ-साथ बाजार में झाड़ू की मांग भी बढ़ रही है, जिससे समाज में एक नया दृष्टिकोण विकसित हो रहा है, जो सामाजिक-आर्थिक दृष्टि से महत्वपूर्ण है।

सीमा प्रबंधन में सुधार के लिए बीएसएफ डीजी का दक्षिण बंगाल दौरा

कोलकाता: सीमा सुरक्षा बल (बीएसएफ) के महानिदेशक दलजीत सिंह चौधरी, आईपीएस ने सीमा की महत्वपूर्ण परियोजनाओं की समीक्षा और उन्हें तेजी से आगे बढ़ाने के लिए 27 अक्टूबर को कोलकाता का दो दिवसीय दौरा पूरा किया। इस यात्रा के दौरान, उन्होंने केंद्रीय गृह मंत्री श्री अमित शाह द्वारा आईसीपी पेट्रापोल में नए यात्री टर्मिनल के उद्घाटन में भी भाग लिया।

दलजीत सिंह चौधरी ने बीएसएफ की सीमा पर परियोजनाओं के लिए भूमि अधिग्रहण की आवश्यकता को लेकर पश्चिम बंगाल के मुख्य सचिव, राज्य के वरिष्ठ अधिकारियों और केंद्रीय लोक निर्माण विभाग (सीपीडब्ल्यूडी) के प्रतिनिधियों के साथ एक बैठक की। इन परियोजनाओं में सीमा चौकियाँ, सीमा बाड़ और सीमा पर सड़कों का निर्माण शामिल है, जो की सीमा प्रबंधन को मजबूत बनाने के लिए आवश्यक हैं।

ये परियोजनाएं सीमा सुरक्षा बढ़ाने और सीमावर्ती क्षेत्रों में रहने वाले लोगों के लिए सुरक्षा की भावना को सुदृढ़ करने के लिए बहुत महत्वपूर्ण हैं।

चौधरी ने राजरहाट स्थित बीएसएफ मुख्यालय में अधिकारियों के साथ भारत-बांग्लादेश सीमा सुरक्षा की समीक्षा की। आईजी साउथ बंगाल फ्रंटियर द्वारा ऑपरेशनल तैयारियों की जानकारी मिलने के बाद, उन्होंने अधिकारियों और जवानों से मुलाकात कर उनका हौसला बढ़ाया। उन्होंने जवानों के स्वास्थ्य और कल्याण पर ध्यान देने की बात कही और उनकी सुविधाओं में सुधार के लिये निर्देश दिए। उनका दौरा राष्ट्रीय सुरक्षा, सीमा पार अपराध रोकने और देश की सुरक्षा में बीएसएफ की भूमिका को मजबूत करने का प्रतीक है।

मणिपाल हॉस्पिटल्स ने ‘बी स्ट्रोक स्मार्ट’ अभियान शुरू किया

कोलकाता: भारत के सबसे बड़े स्वास्थ्य सेवा नेटवर्क में से एक, मणिपाल हॉस्पिटल्स ने अपने ‘बी स्ट्रोक स्मार्ट’ अभियान की शुरुआत करके स्ट्रोक के बारे में जागरूकता और स्थिति के बेहतर प्रबंधन के उद्देश्य से प्रयासों की एक श्रृंखला में एक बड़ा कदम आगे बढ़ाया। यह कार्यक्रम विश्व स्ट्रोक दिवस के उपलक्ष्य में आयोजित किया गया, जो हर साल 29 अक्टूबर को विश्व स्तर पर मनाया जाता है, जहाँ मणिपाल हॉस्पिटल्स की इकाइयों के प्रमुख न्यूरोलॉजिस्ट और न्यूरोसर्जन ने इस बारे में महत्वपूर्ण जानकारी साझा की कि कैसे स्ट्रोक का शुरुआती पता लगाना और प्रबंधन से रोगी के परिणामों में सुधार हो सकता है।

कार्यक्रम में मणिपाल हॉस्पिटल्स के प्रख्यात स्ट्रोक विशेषज्ञों ने भाग लिया, जिनमें डॉ. रवींद्र नारायण भट्टाचार्य, कंसल्टेंट न्यूरोसर्जन, मणिपाल हॉस्पिटल्स ढकुरिया, डॉ. एल.एन. त्रिपाठी, वरिष्ठ उपाध्यक्ष, निदेशक और वरिष्ठ सलाहकार, मेडिका इंस्टीट्यूट ऑफ न्यूरोलॉजिकल डिजीज (MIND), (अब मणिपाल हॉस्पिटल्स का एक हिस्सा), डॉ. अप्रतिम चटर्जी, इंटरवेंशनल न्यूरोलॉजिस्ट और स्ट्रोक विशेषज्ञ, मणिपाल हॉस्पिटल्स मुकुंदपुर, डॉ. निर्मल्या रे, कंसल्टेंट – न्यूरो इंटरवेंशनल रेडियोलॉजिस्ट, मेडिका सुपरस्पेशलिटी हॉस्पिटल, (अब मणिपाल हॉस्पिटल्स का एक हिस्सा)। डॉ. दीपेंद्र कुमार प्रधान, वरिष्ठ सलाहकार – न्यूरोसर्जरी, मणिपाल हॉस्पिटल्स मुकुंदपुर, और डॉ. अयनभ देबगुप्ता, क्षेत्रीय सीओओ, मणिपाल हॉस्पिटल्स (पूर्व)।

इन विशेषज्ञों ने स्ट्रोक की बढ़ती संख्या की ओर इशारा किया, जिनमें से एक महत्वपूर्ण प्रतिशत युवा आयु समूहों में होता है, और स्ट्रोक की शुरुआत की पहचान करने और तत्काल चिकित्सा सहायता लेने के तरीके के बारे में और अधिक सार्वजनिक जागरूकता की बढ़ती आवश्यकता है।

‘बी स्ट्रोक स्मार्ट’ अभियान में कोलकाता भर में समुदाय-उन्मुख कार्यक्रम शामिल हैं, विशेष रूप से आवासीय परिसरों और वृद्ध वयस्क समूहों में, नागरिकों की प्रारंभिक स्ट्रोक पहचान कौशल और आत्म-मूल्यांकन और लक्षणों को पहचानने की क्षमता का निर्माण किया जाता है। इसमें शहर भर में जागरूकता अभियान, सूचित प्रथम प्रतिक्रियाकर्ताओं का एक नेटवर्क और मणिपाल हॉस्पिटल्स से स्ट्रोक देखभाल में उन्नत बुनियादी ढांचे द्वारा समर्थित ‘स्ट्रोक-तैयार’ संसाधन शामिल हैं।

ये सभी अस्पताल न्यूरोसर्जरी आईटीयू, एचडीयू और 24/7 न्यूरोलॉजी विशेषज्ञों से सुसज्जित हैं, जिन्हें स्ट्रोक रोगियों को तेजी से प्रतिक्रिया देने के लिए डिज़ाइन किए गए एम्बुलेंस के एक समर्पित बेड़े द्वारा संवर्धित किया गया है, इस प्रकार यह सुनिश्चित किया जाता है कि इन रोगियों को पिकअप के बिंदु से ही विशेषज्ञ देखभाल मिले।
अस्पतालों को स्ट्रोक के लिए तैयार करने के साथ-साथ, “स्ट्रोक स्मार्ट बनें” अभियान ने स्ट्रोक के संभावित लक्षणों की पहचान करने के लिए एम्बुलेंस ड्राइवरों के लिए विशेष प्रशिक्षण कार्यक्रम शुरू किए हैं।

अधिकांश मामलों में, एम्बुलेंस ड्राइवर ही मरीजों के लिए संपर्क का पहला बिंदु होता है; इस प्रकार, ड्राइवरों को स्ट्रोक के शुरुआती लक्षणों को पहचानने और तुरंत यह सुनिश्चित करने के लिए कौशल प्रदान किए जाते हैं कि मरीज को निकटतम स्ट्रोक-रेडी अस्पताल ले जाया जाए।

मणिपाल हॉस्पिटल्स ने पहले ही कोलकाता में समुदाय को स्ट्रोक जागरूकता के उचित तरीकों के बारे में शिक्षित करने और इसे ‘स्ट्रोक स्मार्ट’ शहर बनाने के लिए जीवन रक्षक कौशल से सशक्त बनाने के लिए आउटरीच कार्यक्रम शुरू कर दिए हैं। स्ट्रोक के प्राथमिक जोखिम कारकों, निवारक उपायों और आपात स्थिति में उठाए जाने वाले बुनियादी कदमों के बारे में जागरूकता पैदा करने पर जोर दिया जाता है।

मणिपाल हॉस्पिटल्स (पूर्व) के क्षेत्रीय सीओओ डॉ. अयनभ देबगुप्ता ने स्ट्रोक की रोकथाम में जागरूकता की आवश्यकता पर जोर देते हुए कहा, “मणिपाल हॉस्पिटल्स में हमारा लक्ष्य एक ऐसा समुदाय बनाना है, जो स्ट्रोक को रोकने, पहचानने और तुरंत प्रतिक्रिया देने के लिए ज्ञान और संसाधनों से सशक्त हो। कोलकाता में ‘बी स्ट्रोक स्मार्ट’ अभियान के साथ, हमारा लक्ष्य पूर्वी भारत में स्ट्रोक के लिए तैयार पारिस्थितिकी तंत्र बनाना है, जहां प्रत्येक नागरिक को शुरुआती लक्षणों का पता लगाने और बिना देरी के चिकित्सा हस्तक्षेप की आवश्यकता हो। हम कोलकाता और व्यापक क्षेत्र को उन्नत बुनियादी ढांचे, अनुभवी न्यूरोलॉजिस्ट, न्यूरोसर्जन, न्यूरो रेडियोलॉजिस्ट से युक्त विशेषज्ञ देखभाल टीमों के साथ-साथ हर मरीज के लिए त्वरित, जीवन रक्षक प्रतिक्रियाओं को सुनिश्चित करने के लिए विशेष स्ट्रोक-तैयार एम्बुलेंस के नेटवर्क से लैस करने के लिए प्रतिबद्ध हैं।”

डॉ. आर.एन. भट्टाचार्य, न्यूरोसर्जन, मणिपाल हॉस्पिटल्स ढाकुरिया, “स्ट्रोक रोगियों के लिए सर्वोत्तम संभव परिणाम सुनिश्चित करने के लिए एक पूरी तरह से सुसज्जित स्ट्रोक सेंटर का होना महत्वपूर्ण है। समय मस्तिष्क है – हर मिनट मायने रखता है। हमारे समर्पित स्ट्रोक सुविधाओं और प्रशिक्षित विशेषज्ञों के साथ, मणिपाल हॉस्पिटल्स व्यापक स्ट्रोक देखभाल प्रदान करने के लिए प्रतिबद्ध है, प्रारंभिक आपातकालीन प्रतिक्रिया से लेकर दीर्घकालिक पुनर्वास तक। ‘बी स्ट्रोक स्मार्ट’ पहल इस महत्वपूर्ण संदेश को बड़े दर्शकों तक फैलाने में मदद करेगी।”

डॉ. एल.एन. त्रिपाठी, वरिष्ठ उपाध्यक्ष, निदेशक और वरिष्ठ सलाहकार, मेडिका इंस्टीट्यूट ऑफ न्यूरोलॉजिकल डिजीज (MIND) (अब मणिपाल हॉस्पिटल्स का एक हिस्सा), ने साझा किया, “जीवनशैली कारकों, तनाव और अनदेखे चेतावनी संकेतों के कारण युवा लोगों में स्ट्रोक के मामले बढ़ रहे हैं। रिपोर्टों के अनुसार, हम देखते हैं कि लगभग 10-15% पहले स्ट्रोक 18-50 वर्ष की आयु के लोगों में होते हैं। यह पहल हमारे शहर में स्ट्रोक के मामलों की संख्या को कम करने के लिए दवा के बजाय रोकथाम पर केंद्रित है। जैसे-जैसे लोगों को ऐसे जोखिम और रोकथाम के उपाय समझाए जाएँगे, हम स्ट्रोक की घटनाओं में कमी लाने की उम्मीद करते हैं। मणिपाल हॉस्पिटल्स ने जागरूकता फैलाने, जीवन रक्षक कौशल प्रदान करने और कोलकाता को ‘स्ट्रोक स्मार्ट’ शहर बनाने के लिए कोलकाता भर में आउटरीच कार्यक्रम भी शुरू किए हैं। इसका लक्ष्य स्ट्रोक के मुख्य जोखिमों, रोकथाम और बुनियादी आपातकालीन कदमों के बारे में शिक्षित करना है।”
मणिपाल हॉस्पिटल्स, मुकुंदपुर के न्यूरोसर्जन डॉ. दीपेंद्र कुमार प्रधान ने कहा, “स्ट्रोक के बारे में जागरूकता ही शुरुआती हस्तक्षेप का तरीका है, और सभी मरीज़ यह नहीं जानते कि पहला घंटा कितना महत्वपूर्ण होता है। स्ट्रोक के लिए ज़्यादातर लोगों का सुरक्षित रूप से निदान और उपचार होने में कुछ ही घंटे लगते हैं।

‘बी स्ट्रोक स्मार्ट’ अभियान हमारे उद्देश्य के अनुरूप है, जिसके तहत हम मरीजों के साथ-साथ आम जनता को भी स्ट्रोक के शुरुआती चरणों में इसके लक्षणों को पहचानने और जीवन भर के लिए इसका जवाब देने के लिए त्वरित कार्रवाई करने के बारे में जागरूक करते हैं।”

भारत में स्ट्रोक अब सबसे बड़ी जानलेवा बीमारियों में से एक है, 1990 से 2019 के बीच इससे होने वाली मौतों में 43% की वृद्धि हुई है। चूंकि स्ट्रोक आबादी के इतने बड़े हिस्से को प्रभावित करता है, खासकर 25-50 आयु वर्ग में, इसलिए बी स्ट्रोक स्मार्ट अभियान सार्वजनिक शिक्षा के लिए एक महत्वपूर्ण पहल है और स्ट्रोक को रोकने और प्रबंधित करने के लिए सकारात्मक कार्रवाई की दिशा में एक कदम है।

इस जागरूकता कार्यक्रम का उद्देश्य कोलकाता और उसके बाहर मणिपाल हॉस्पिटल्स में स्ट्रोक देखभाल के पूरे परिदृश्य में सुधार का मार्ग प्रशस्त करना है|

भोपाल में क्रैकेन कैफे कुलिनरी के यूनिक लाउंज की भव्य शुरुआत!

भोपाल : क्रैकेन कैफे कुलिनरी का यूनिक लाउंज भोपाल शहर में अपने तरीके का अनोखा डेस्टिनेशन है। यह माइंड फ्रेश और तरोताजा होने के लिए एक अलग शांत ज़ोन वाला गंतव्य स्थल है। जीवन के दैनिक दिनचर्या के शेड्यूल से अलग हटकर इससे मुक्त और रिफ्रेश होने के लिए यह विशेष रूप से आपके लिए तैयार किया गया एक अनूठा प्लेटफ़ॉर्म है। यह आकर आप खुद को फिर से रीबूट करने के साथ खुद में नई ऊर्जा भरकर तरोताजगी का अनुभव करेंगे। रिफ्रेशमेंट के लिए यह बिल्कुल सटीक डेस्टिनेशन है।

लॉन्च इवेंट में बोलते हुए क्रैकेन कैफे कुलिनरी लॉन्च के व्यवसायी और मालिक ईशान शुक्ला ने कहा, “मैंने इस कैफे के जरिए एक अनूठी गो टू एस्केप ज़ोन की अवधारणा बनाई और क्यूरेट की, जिसमें एक साफ-सुथरा माहौल के साथ रेगुलर दिनचर्या से ब्रेक लिया जा सकता है – यहां आराम करने, पार्टी करने या बस खुद को डेली लाइफ से बाहर निकालने की अचानक इच्छा करने वालों के लिए यह परफेक्ट डेस्टिनेशन है। मुझे पूरी उम्मीद है कि दिवाली से ठीक पहले भोपाल के लोग मेरा यह उपहार अवश्य पसंद करेंगे और यह कैफे को रिफ्रेशमेंट के लिए अपना गंतव्य स्थल बनाएंगे।”

ईशान शुक्ला एक लेखक और शेफ हैं, जिन्हें रचनात्मक लेखन के क्षेत्र में उत्कृष्ट प्रदर्शन के लिए राष्ट्रीय बाल श्री सम्मान मिला है।

कुलिनरी लाउंज के स्वादिष्ट भोजन अंतरराष्ट्रीय मानकों पर उत्तीर्ण है, जिसमें विशेष कॉन्टिनेंटल, भारतीय और एशियाई व्यंजन अपने वर्ग में अगले संस्करण में हैं। कैफे का भीतरी भाग यहां आनेवाले ग्राहकों का गर्मजोशी से स्वागत करने, दोस्ताना और आरामदायक माहौल प्रदान करने के लिए बनाया गया हैं।

यहाँ बाहरी दुनियां से हटके माहौल में बनाई गई सुगंधित कॉफी, सिग्नेचर ताज़ी बेक्ड हाई फ्लेवर क्रैकन चॉकलेट चिप कुकीज़ सहित कई तरह के व्यंजनों के साथ लोगों को रिफ्रेश करती है। अक्सर जब आप क्रैकन कैफ़े कुलिनरी लाउंज में प्रवेश करते हैं, तो आपको इन ठंडी सुगंधों से स्वागत किया जाता है, जो आपको रीबूट और रिफ्रेश के मोड में जाने के लिए मजबूर कर देती हैं।

अपने जुनून और प्रतिभा के साथ ईशान ने भोपाल के नीलबड़ इलाके में क्रैकन कैफ़े पाककला लाउंज खोला है। “क्रैकन कैफ़े कुलिनरी लाउंज सिर्फ़ एक और रेस्तराँ और बार नहीं है, यह आपके दोस्तों के साथ घूमने-फिरने का एक बेहतरीन स्थान है। हमारे पास इनडोर गेम और एक लाइब्रेरी भी है।” “ईशान शुक्ला ने कहा “क्रैकन कैफे कुलिनरी लाउंज एक सुखद अनुभव प्रदान करने को पूरी तरह से तैयार है। हमारी पूरी उम्मीद है कि एक बार यहां पधारने वाले को यहां बार- बार आने की आदत बन जाएगी”

एयरटेल के एआई-पावर्ड नेटवर्क तकनीक से पश्चिम बंगाल ने स्पैम कॉल और एसएमएस को कहा अलविदा 

कोलकाता : भारती एयरटेल के नए एआई-पावर्ड स्पैम डिटेक्शन सिस्टम ने पश्चिम बंगाल के ग्राहकों को बड़ी राहत प्रदान की है। इस अत्याधुनिक तकनीक ने लॉन्च के मात्र 28 दिनों के भीतर ही राज्य में 154 मिलियन संभावित स्पैम कॉल और 8 मिलियन स्पैम एसएमएस संदेशों को सफलतापूर्वक पहचाना है।
 
अब पश्चिम बंगाल में एयरटेल मोबाइल ग्राहकों को कंपनी के इस एआई-संचालित स्पैम डिटेक्शन सिस्टम का लाभ स्वचालित रूप से मिल रहा है। इस सेवा का उपयोग करने के लिए ग्राहकों को कोई अतिरिक्त अनुरोध करने या कोई ऐप डाउनलोड करने की आवश्यकता नहीं है।
 
लॉन्च पर टिप्पणी करते हुए, भारती एयरटेल, पश्चिम बंगाल और ओड़िशा के चीफ एग्जिक्यूटिव ऑफिसर अयान सरकार ने कहा,  “जैसे-जैसे नेटवर्क का विस्तार होता है, ग्राहक और अधिक घोटालों, धोखाधड़ी और हानिकारक संचारों का शिकार होते हैँ, जिससे वे असुरक्षित महसूस करते हैं। इन डिजिटल जोखिमों से निपटने के लिए, एयरटेल को एक ग्राउंडब्रैकिंग एआई-आधारित समाधान पेश करने पर गर्व है, जो संदिग्ध स्पैम कॉल और संदेशों की सक्रिय रूप से पहचान करने के लिए डिज़ाइन किया गया है। यह अत्याधुनिक तकनीक संदिग्ध स्पैम कॉल्स और मैसेज को सक्रिय रूप से पहचानकर पश्चिम बंगाल में एयरटेल के 24 मिलियन ग्राहकों को सशक्त बनाती है।  इस पहल के माध्यम से, एयरटेल ने ग्राहकों की सुरक्षा के प्रति अपनी प्रतिबद्धता को दोहराया है और एक भरोसेमंद पार्टनर के रूप में इंडस्ट्री में नया मानक स्थापित किया है।”
 
एयरटेल के डेटा वैज्ञानिकों द्वारा इस एआई-सक्षम सेवा को बनाने में एक विशेष एल्गोरिद्म का उपयोग किया गया है, जो कॉल और एसएमएस को “सस्पेक्टेड स्पैम” के रूप में पहचानता है। नेटवर्क, एआई एल्गोरिद्म की मदद से, रियल-टाइम में यह मॉनिटर करता है कि किस नंबर से कॉल आ रहा है या किसने एसएमएस भेजे हैं। इसके अलावा, यह कॉल और एसएमएस की संख्या और कितनी देर तक कॉल हुई, इन सबका भी विश्लेषण रखता है। जब यह जानकारी पहले से ज्ञात स्पैम पैटर्न से मिलती है, तो सिस्टम संभावित स्पैम कॉल्स और एसएमएस को सटीक ढंग से पहचान लेता है।
 
इस सुरक्षा तंत्र में दो स्तर हैं – एक नेटवर्क पर और दूसरा आईटी सिस्टम पर। हर एसएमएस या कॉल इस दोहरी सुरक्षा से गुजरती है। यह सॉफ़्टवेयर सिर्फ दो मिलीसेकंड में 1.5 बिलियन मैसेजेस और 2.5 बिलियन कॉल को प्रोसेस करता है, जो असल में एआई की क्षमता से 1 ट्रिलियन रिकॉर्ड्स को रियल टाइम में प्रोसेस करने के बराबर है।
 
साथ ही, यह समाधान ग्राहकों को एसएमएस के जरिए प्राप्त साइबरक्राइम को अंजाम देने के उद्देश्य से भेजे गए लिंक के बारे में भी सचेत करता है। इसके लिए, एयरटेल ने ब्लैकलिस्टेड यूआरएल का एक केंद्रीकृत डेटाबेस तैयार किया है और हर एसएमएस को रीयल-टाइम में एआई एल्गोरिद्म द्वारा स्कैन किया जाता है, ताकि यूजर अनजाने में भी संदिग्ध लिंक पर क्लिक करने से बच सकें। यह समाधान आईएमईआई में बदलाव जैसी गड़बड़ियों का भी पता लगा सकता है, जो अक्सर धोखाधड़ी का संकेत होती हैं। इन सुरक्षा उपायों के जरिए, कंपनी यह सुनिश्चित कर रही है कि उसके ग्राहकों को स्पैम और धोखाधड़ी से पूरी तरह सुरक्षा मिले।

बंधन बैंक का कुल कारोबार 24% बढ़कर 2.73 लाख करोड़ पर पहुंचा

कोलकाता : बंधन बैंक ने वित्त वर्ष 2024-25 की दूसरी तिमाही के लिए अपने वित्तीय नतीजों की घोषणा की। बैंक का कुल कारोबार 24% बढ़कर 2.73 लाख करोड़ रुपये पर पहुंच गया। कुल जमा में खुदरा हिस्सेदारी अब लगभग 68% है। पिछली तिमाही में देखी गई उत्साहजनक वृद्धि वितरण, व्यावसायिक दक्षता और अनुकूल परिचालन वातावरण में इसके विस्तार से प्रेरित है।

बैंक अब भारत में 6,300 बैंकिंग आउटलेट्स के माध्यम से 3.5 करोड़ से अधिक ग्राहकों को सेवा प्रदान करता है। बंधन बैंक में कार्यरत कर्मचारियों की कुल संख्या अब लगभग 80,000 है।

वित्त वर्ष 25 की दूसरी तिमाही के दौरान बैंक की जमाराशि में पिछले वर्ष की इसी अवधि की तुलना में 27% की वृद्धि हुई। कुल जमाराशि अब 1.43 लाख करोड़ रुपये हो गई है, जबकि कुल अग्रिम राशि 1.31 लाख करोड़ रुपये है। चालू खाता और बचत खाता (सीएएसए) अनुपात कुल जमाराशि का 33.2% है। बैंक की स्थिरता का सूचक पूंजी पर्याप्तता अनुपात (सीएआर) 15.6% है, जो विनियामक आवश्यकता से अधिक है।

बैंक के प्रदर्शन पर बोलते हुए, बंधन बैंक के एमडी और सीईओ (अंतरिम) रतन कुमार केश ने कहा, “दूसरी तिमाही में बंधन बैंक का मजबूत प्रदर्शन प्रभावी जोखिम प्रबंधन और अनुपालन पर हमारे फोकस के साथ गुणवत्ता वृद्धि में गति को दर्शाता है। हमारी सफलता हमारे ग्राहकों के विश्वास और हमारे कर्मचारियों के समर्पण पर आधारित है। प्रौद्योगिकी में नवाचार पर ध्यान केंद्रित करके, हमारी प्रक्रियाओं को परिष्कृत करके, और उत्पादों और लोगों की क्षमताओं को बढ़ाकर, हम बंधन बैंक 2.0 के लिए विकास के अगले चरण को आगे बढ़ाने के लिए अच्छी स्थिति में हैं।”

बैंक अपनी परिसंपत्तियों में विविधता लाने के लिए प्रतिबद्ध है, जिसका स्पष्ट ध्यान अपने खुदरा पोर्टफोलियो के विस्तार पर है। अधिक से अधिक डिजिटलीकरण एक प्रमुख प्राथमिकता है, जिसका उद्देश्य उत्पादकता और दक्षता को बढ़ावा देना है, साथ ही समग्र ग्राहक अनुभव को बेहतर बनाना है। हाल के महीनों में, बैंक ने कई नए उत्पाद लॉन्च किए हैं, जिनमें व्यापार सेवाएं, पेंशन योजनाएं, अवनी बचत खाता और जीएसटी भुगतान सेवा शामिल हैं।

एयरटेल बिजनेस ने फोर्टिनेट के साथ की साझेदारी

कोलकाता : भारत के अग्रणी दूरसंचार सेवा प्रदाताओं में से एक, भारती एयरटेल (“एयरटेल”) की बी2बी शाखा, एयरटेल बिजनेस ने नेटवर्किंग और सुरक्षा के अभिसरण को आगे बढ़ाने वाले वैश्विक साइबर सुरक्षा लीडर फोर्टीनेट से नए युग के साइबर सुरक्षा उपायों का लाभ उठाते हुए ‘एयरटेल सिक्योर इंटरनेट’ लॉन्च किया है – जो साइबर खतरों के खिलाफ एक मजबूत और पूरी तरह से प्रबंधित सुरक्षा प्रदान करने वाला एक नए युग का इंटरनेट सुरक्षा समाधान है।

यह अनूठा समाधान विशेष रूप से इंटरनेट लीज लाइन (आईएलएल) सर्किट पर सुरक्षा बढ़ाने के लिए डिज़ाइन किया गया है, जो एयरटेल की विश्वसनीय इंटरनेट कनेक्टिविटी को फोर्टिनेट के अगली पीढ़ी के फ़ायरवॉल के साथ जोड़ता है। यह एयरटेल के अत्याधुनिक सुरक्षा संचालन केंद्र (एसओसी) और फोर्टिनेट के सुरक्षा ऑर्केस्ट्रेशन, ऑटोमेशन और रिस्पॉन्स (एसओएआर) प्लेटफ़ॉर्म के माध्यम से व्यापक, एंड-टू-एंड सुरक्षा प्रदान करता है, जो साइबर खतरों के खिलाफ मजबूत प्रबंधन और सुरक्षा सुनिश्चित करता है।

एयरटेल बिज़नेस के सीईओ शरत सिन्हा ने कहा, “साइबर सुरक्षा लगातार जटिल होती जा रही है और कई संगठनों के पास इसे प्रभावी ढंग से प्रबंधित करने के लिए संसाधनों की कमी है। हम भारतीय बाजार में समावेशी साइबर सुरक्षित आईएलएल की पेशकश करने में अग्रणी रहे हैं। हमारे एक और अभिनव सुरक्षा समाधान – ‘एयरटेल सिक्योर इंटरनेट’ के लॉन्च के साथ – हम एक व्यापक, भविष्य-प्रूफ समाधान प्रदान करते हैं जो उच्च पूंजीगत व्यय के बोझ के बिना उद्यमों की सुरक्षा को मजबूत करता है”।

फोर्टिनेट के भारत और सार्क के कंट्री मैनेजर विवेक श्रीवास्तव ने कहा, “चूंकि साइबर सुरक्षा की चुनौतियां लगातार बढ़ रही हैं, इसलिए कई संगठन इन खतरों का प्रभावी ढंग से सामना करने और कम करने के लिए विशेषज्ञ सहायता की मांग कर रहे हैं। ‘सिक्योर इंटरनेट’ की पेशकश करने के लिए एयरटेल बिजनेस के साथ हमारी साझेदारी एक लागत प्रभावी समाधान प्रदान करती है, जो वास्तविक समय में संभावित खतरों की पहचान करने और उनका जवाब देने के लिए 24×7 सुरक्षा घटना की निगरानी और पता लगाती है। एसओसी का एक सर्विस मॉडल की तरह का उपयोग करके, संगठन अपनी स्वामित्व की कुल लागत को कम कर सकते हैं, साइबर सुरक्षा कौशल अंतर को पाट सकते हैं और आज के डिजिटल परिदृश्य में व्यापक सुरक्षा सुनिश्चित करते हुए अपने जटिल वातावरण में अधिक दृश्यता प्राप्त कर सकते हैं।”

‘एयरटेल सिक्योर इंटरनेट’ व्यवसायों, विशेष रूप से छोटे और मध्यम उद्यमों (एसएमई) द्वारा सामना की जाने वाली लगातार बढ़ती साइबर सुरक्षा चुनौतियों का समाधान करेगा, जिसमें सीमित विशेषज्ञता, खंडित समर्थन और सुरक्षा उपकरणों के लिए उच्च पूंजीगत व्यय (कैपेक्स) शामिल हैं। कई उद्यमों में बुनियादी सुरक्षा और प्रौद्योगिकी निवेश को बनाए रखते हुए कई स्थानों पर सुरक्षा का प्रबंधन करने की विशेषज्ञता का भी अभाव है, जिससे वे इंटरनेट-आधारित हमलों से प्रभावित हो जाते हैं। उद्यम, एयरटेल के अगली पीढ़ी के आईएसओसी का भी विकल्प चुन सकते हैं, जो एक अत्याधुनिक साइबर रक्षा केंद्र है, जो सुरक्षा सेवाओं का एक बड़ा पोर्टफोलियो प्रदान करता है।

‘एयरटेल सिक्योर इंटरनेट’ सेवा मॉडल को प्रौद्योगिकी अप्रचलन से बचाने के लिए डिज़ाइन किया गया है, जिससे यह सुनिश्चित होता है कि व्यवसाय भविष्य के लिए तैयार रहें और पूंजीगत व्यय कम हो। यह सेवा आवश्यकतानुसार सहज अपग्रेड या डाउनग्रेड की अनुमति देती है, जिससे यह सुनिश्चित होता है कि व्यवसाय हमेशा उभरती सुरक्षा चुनौतियों से आगे रहें। एयरटेल का एसओसी खतरे को कम करने के लिए एआई और एमएल एल्गोरिदम के साथ उन्नत ऑर्केस्ट्रेशन टूल का उपयोग करता है, जिससे मजबूत और सक्रिय सुरक्षा मिलती है।

एयरटेल सिक्योर इंटरनेट के साथ, व्यवसायों को एयरटेल की अखिल भारतीय कनेक्टिविटी से लाभ मिलता है, जिससे वे अपने सभी स्थानों – मुख्यालय, क्षेत्रीय कार्यालय, डेटा सेंटर और दूरस्थ साइटों को जोड़ सकते हैं। फोर्टिनेट के नेक्स्ट जेनरेशन फ़ायरवॉल को बंडल करने से समग्र सुरक्षा सुनिश्चित होती है, जबकि एयरटेल का इंटेलिजेंट सिक्योरिटी ऑपरेशंस सेंटर आईएसओसी अपने प्रमाणित और प्रशिक्षित संसाधनों के साथ पूरे सेटअप का प्रबंधन करता है, जिससे निरंतर सुरक्षा और मन की शांति सुनिश्चित हो जाती है।

पूरी तरह से प्रबंधित सेवा अगली पीढ़ी के फ़ायरवॉल (एनजीएफडबल्यू) को एंटरप्राइज़ ग्रेड खतरे की सुरक्षा के साथ एकीकृत करती है, जो एक ही प्लेटफ़ॉर्म से फ़ायरवॉल, घुसपैठ का पता लगाने, एंटीवायरस और सामग्री फ़िल्टरिंग के माध्यम से व्यापक सुरक्षा प्रदान करती है।

कोलकाता के जूनियर डॉक्टर अनिश्चितकालीन भूख हड़ताल पर बैठे

कोलकाता : आरजी कर मेडिकल कॉलेज एवं अस्पताल में महिला चिकित्सक के साथ कथित तौर पर दुष्कर्म और हत्या के मामले में महिला चिकित्सक के लिए न्याय और कार्यस्थल पर सुरक्षा की मांग को लेकर आंदोलनरत जूनियर चिकित्सकों ने रविवार को शहर के धर्मतला इलाके में आमरण अनशन जारी रखा।

आरजी कर मेडिकल कॉलेज एवं अस्पताल में महिला चिकित्सक के साथ दुष्कर्म और हत्या के मामले में महिला चिकित्सक के लिए न्याय और कार्यस्थल पर सुरक्षा की मांग को लेकर आंदोलनरत जूनियर डॉक्टर ने शनिवार रात साढ़े आठ बजे के बाद से मध्य कोलाता के धर्मतला इलाके में आमरण अनशन शुरु कर दिया। अनेक वरिष्ठ चिकित्सक जो शनिवार रात से ही धरना स्थल पर हैं।

आंदोलनकारी चिकित्सकों में शामिल में से एक ने कहा, ‘‘इन लोगों का समर्थन हमें अपनी बहन की जघन्य हत्या के खिलाफ अपना विरोध जारी रखने का साहस और उत्साह देता है। हमें यह देखकर खुशी हो रही है कि लोग यह नहीं भूले हैं कि न्याय अभी तक नहीं मिला है और चिकित्सकों पर हमले अब भी जारी हैं तथा राज्य सरकार हमारी मांगों को लेकर गंभीर नहीं है।’’

राज्य सरकार की ओर से शनिवार रात 8.30 बजे तक चिकित्सकों की मांगों को पूरा करने की 24 घंटे की समय सीमा बीतने पर  जूनियर डॉक्टर ने शनिवार रात से आमरण अनशन शुरू कर दिया। चिकित्सक कोलकाता पुलिसकर्मियों पर मारपीट करने का आरोप लगाते हुए शहर के मध्य में स्थित धर्मतला इलाके में डोरीना क्रॉसिंग पर शुक्रवार को धरना पर बैठे। पारदर्शिता बनाए रखने के लिए कनिष्ठ चिकित्सकों ने उस मंच पर सीसीटीवी कैमरे लगा दिए हैं जहां उनके सहकर्मी धरना दे रहे हैं।

अनशन पर बैठने वाले छह चिकित्सकों में कोलकाता मेडिकल कॉलेज एवं अस्पताल की स्निग्धा हाजरा, तान्या पांजा और अनुष्टुप मुखोपाध्याय, एसएसकेएम के अर्नब मुखोपाध्याय, एन.आर.एस. मेडिकल कॉलेज एवं अस्पताल के पुलस्थ आचार्य और के.पी.सी मेडिकल कॉलेज की सायंतनी घोष हाजरा शामिल हैं।

जूनियर डॉक्टर ने कहा कि यदि अनशन के दौरान किसी चिकित्सक की तबियत खराब होती है तो इसके लिए राज्य सरकार जिम्मेदार होगी। कनिष्ठ चिकित्सकों के विरोध स्थल पर शाम को बड़ी संख्या में आम लोग और कुछ मशहूर हस्तियां मौजूद थीं। कनिष्ठ चिकित्सकों ने ‘पूर्ण कार्यबंदी’ वापस लेने के बाद अनशन शुरू किया।

कोलकाता की दुर्गा पूजा में मुर्शिदाबाद की धरोहर को किया गया प्रदर्शित, पर्यटन को बढ़ावा मिलेगा

कोलकाता : 80 वर्ष पुरानी मैत्री संघ दुर्गोत्सव क्लब के द्वारा मोतीलाल नेहरू रोड पर आयोजित दुर्गा पूजा के उत्सव ने इस वर्ष मुर्शिदाबाद की समृद्ध सांस्कृतिक धरोहर को भावपूर्ण श्रद्धा सुमन अर्पित किया गया। कोलकाता में दुर्गा पूजा वास्तव में एक शानदार उत्सव है, जो शहर के सबसे बड़े उत्सवों में से एक है। जो लाखों लोगों को आकर्षित करता है और इसके हर मोड़ पर एक अनूठा अनुभव प्रदान करता है। सड़कें आलोकित समारोहों के साथ जीवंत हो उठती हैं तथा पंडाल की सजावट में देखी जाने वाली कलात्मक अभिव्यक्ति त्योहार के सबसे आकर्षक पहलुओं में से हैं।

प्रत्येक पंडाल एक कलाकृति है, जो उन कलाकारों की रचनात्मकता और प्रतिभा और नवाचार को प्रदर्शित करता है जो इसका डिजाइन और निर्माण करते हैं। जटिल डिजाइनों से लेकर अभिनव थीमों तक, प्रत्येक पंडाल एक कलात्मक कार्य है जो उत्सव की भावना को दर्शाता है।

इस वर्ष मोतीलाल नेहरू रोड पर दुर्गा पूजा उत्सव का एक अनोखा और भव्य थीम मुर्शिदाबाद की सांस्कृतिक भव्यता है। इसका पंडाल, प्रसिद्ध काठगोला पैलेस का एक शानदार प्रतिकृति है, जो मुर्शिदाबाद के ऐतिहासिक और वास्तुकला महत्व को उजागर करता है, जिसका उद्देश्य इस समृद्ध सांस्कृतिक गंतव्य के लिए पर्यटन को बढ़ावा देना है।

इस कार्यक्रम में अजीमगंज के राजा सिद्धार्थ दुधोरिया और मुर्शिदाबाद हेरिटेज डेवलपमेंट सोसाइटी (एमएचडीएस) के प्रेसिडेंट तथा पीएस ग्रुप और आईलीड के चेयरमैन प्रदीप कुमार चोपड़ा जैसी उल्लेखनीय हस्तियों के साथ-साथ कई कलाकारों और सार्वजनिक हस्तियों की उपस्थिति देखी गई है, जिन्होंने उत्सव में आकर्षण के साथ इसकी सोभा बड़ाई।

पंडाल के वास्तुशिल्प इसके भव्य रूप के अलावा, इस कार्यक्रम में विभिन्न प्रकार के विश्वसनीय स्थानीय व्यंजनों के स्टॉल भी हैं, जो आगंतुकों को मुर्शिदाबाद की पाक परंपराओं का स्वाद प्रदान करते हैं और क्षेत्र के लोगों के लिए अवसर पैदा करते हैं। इस प्रयास का उद्देश्य पर्यटन के साथ साथ स्थानीय विकास को बढ़ावा देना है।   

इस अवसर पर श्री चोपड़ा ने कहा “हमारा मुख्य उद्देश्य लोगों को एक उद्देश्य-प्रेरित जीवन जीने के लिए प्रेरित करना है, जहां हर पहलू समाज को वापस लौटाने की इच्छा द्वारा संचालित होता है। हमारे मुर्शिदाबाद थीम के माध्यम से, हम जनता को एक शक्तिशाली संदेश देने का प्रयास कर रहे हैं, जिससे उन्हें उनके आसपास की छिपी हुई रत्नों की खोज और सराहना करने के लिए प्रोत्साहित किया जा सके,”।

पंडाल मुर्शिदाबाद की सांस्कृतिक और ऐतिहासिक महत्व को उजागर करता है, जो जिले के गौरवशाली अतीत की झलक प्रस्तुत करता है। यह पहल मुर्शिदाबाद की विरासत को संरक्षित और इसका प्रचार करने के साथ-साथ स्थानीय अर्थव्यवस्था में योगदान देने और सामुदायिक विकास को बढ़ावा देने का एक सराहनीय प्रयास है।

पहली बार, एक 3 डी वर्चुअल रियलिटी शो का आयोजन किया जा रहा है, जिससे आगंतुक मुर्शिदाबाद के इतिहास तथा इसके समृद्ध वैभव की यात्रा कर सकें। इसके अतिरिक्त, मुर्शिदाबाद के स्थानीय व्यंजनों को प्रदर्शित और  इसका प्रचार करने के लिए 27 स्टॉल लगाए गए हैं, जो आगंतुकों को इस क्षेत्र के विश्वसनीय व्यंजनों के स्वादों का अनुभव करने का अवसर देते हैं।

यह पूजा थीम न केवल मुर्शिदाबाद की समृद्ध विरासत के प्रति श्रद्धा सुमन है, बल्कि पर्यटन को बढ़ावा देने और उसके लोगों के लिए रोजगार के अवसर भी पैदा करती है। मुर्शिदाबाद की सुंदरता और संभावनाओं को उजागर करके, यह उत्सव व्यक्तियों को क्षेत्र के विकास के लिए संभावनाओं पर विचार करने और इसके स्थानीय संसाधनों के उपयोग को प्रेरित करने का लक्ष्य रखता है, जो अंततः मुर्शिदाबाद के लोगों को लाभान्वित करता है और दूसरों के लिए एक सकारात्मक उदाहरण स्थापित करता है।

नौकरी छोड़ मछली पालन से बने करोड़पति, 200 लोगों को मिला रोजगार

भोपाल : सुरगांव जोशी के युवा नंदकिशोर पटेल ने 5 साल पहले एक साहसिक कदम उठाया, जब उन्होंने 50 हजार रुपये की मासिक नौकरी छोड़कर मछली पालन के क्षेत्र में अपना खुद का व्यापार शुरू किया। आज नंदकिशोर करोड़पति हैं और उनके इस व्यवसाय से न केवल उन्हें सफलता मिली है, बल्कि 200 से अधिक लोगों को रोजगार भी मिला है.एक तालाब से शुरू किया गया यह सफर अब 7-8 तालाबों तक पहुंच चुका है, और उनका सालाना टर्नओवर 12 से 14 करोड़ रुपये का हो चुका है।

नंदकिशोर पटेल का रुझान शुरू से ही कृषि की ओर था। उन्होंने सोचा कि कृषि के क्षेत्र में ऐसा कुछ किया जाए, जिससे न केवल उन्हें आर्थिक सफलता मिले, बल्कि समाज और जिले के युवाओं के लिए भी रोजगार के अवसर पैदा हों। इसी सोच के साथ उन्होंने मछली पालन का चुनाव किया। लॉकडाउन के दौरान, जब उन्हें अपनी नौकरी से अधिक समय मिला, उन्होंने इस योजना पर काम करना शुरू किया। एक छोटे से तालाब से मछली पालन की शुरुआत की और धीरे-धीरे इसे एक बड़े व्यापार में बदल दिया।

नंदकिशोर ने बताया कि मछली पालन के व्यापार को शुरू करने के बाद उन्हें इसे समझने का अवसर मिला। उन्होंने एक तालाब से शुरुआत की थी, लेकिन अब उनके पास 7 से 8 तालाब हैं, जिनमें वे मछलियों का पालन करते हैं। उनके व्यापार की सफलता का एक बड़ा कारण उनकी मेहनत और धैर्य रहा है। नंदकिशोर की टीम में अब 200 से अधिक लोग काम कर रहे हैं, जो विभिन्न जिलों में मछली की आपूर्ति करते हैं.इसके अलावा, वे लोगों को फ्री में मछली पालन के बारे में जानकारी भी प्रदान करते हैं, ताकि और लोग इस व्यवसाय से जुड़ सकें।

नंदकिशोर का मछली पालन का व्यापार अब बड़े पैमाने पर फैल चुका है। उनकी मछलियों की आपूर्ति कई जिलों में होती है, और उनका सालाना टर्नओवर 12 से 14 करोड़ रुपये तक पहुंच गया है.उन्होंने एक छोटे तालाब से शुरू करके अब 7 से 8 तालाब बना लिए हैं, और वे इस व्यापार को और भी आगे बढ़ाने की योजना बना रहे हैं।

नंदकिशोर पटेल की सफलता की कहानी न केवल उनकी कड़ी मेहनत और संकल्प को दर्शाती है, बल्कि यह भी दिखाती है कि कैसे सही समय पर सही निर्णय लेने से किसी का भी जीवन बदल सकता है। उनकी कहानी आज के युवाओं के लिए एक प्रेरणा है, जो नौकरी छोड़कर अपना खुद का व्यवसाय शुरू करने का सपना देख रहे हैं।

आग में जलकर 2 बच्चों समेत 7 की मौत, मुंबई में पूरा परिवार हुआ तबाह

मुंबई : मुंबई के चेंबूर में एक दुकान में आग लगने के कारण 3 बच्चों सहित 7 लोगों की मौत हो गई। यह दुर्भाग्यपूर्ण घटना रविवार सुबह लगभग 5 बजे हुई। इससे हड़कंप मच गया है। मौके पर पहुंची पुलिस आग लगने की वजह ढूंढ रही है।

सिद्धार्थ कॉलोनी के प्लॉट संख्या 16/1 में स्थित एक बहुमंजिला इमारत के भूतल पर आग लगने से गुप्ता परिवार के सभी सात सदस्य एक साथ खत्म हो गए। बृहन्मुमंबई नगर निगम (BMC) के अनुसार सुबह करीब 5 बजे चेंबूर में एक दुकान में आग लगने से 3 बच्चों समेत 7 लोगों की मौत हुई है।

मृतकों में प्रेसी प्रेम गुप्ता (6), मंजू प्रेम गुप्ता (30), अनीता धर्मदेव गुप्ता (39), प्रेम छेदीराम गुप्ता (30), नरेंद्र गुप्ता (10), विधि छेदीराम गुप्ता (15) और गीता देवी धर्मदेव गुप्ता (60) शामिल हैं।

डीसीपी जोन 6 हेमराज सिंह राजपूत ने बताया कि परिवार G+2 इमारत की अन्य दो मंजिलों पर रह रहा था, जबकि दुकान भूतल पर स्थित थी। उन्होंने बताया कि हमें सुबह करीब 6 बजे सूचना मिली कि जी+2 इमारत के ग्राउंड फ्लोर पर एक दुकान थी और अन्य दो मंजिलों पर परिवार रहता था। सात लोगों की मौत हो गई और दुकान में सो रहे दो लोग बच गए हैं। हमारी टीम और फायर ब्रिगेड की टीम आग लगने के सही कारणों की जांच कर रही है।

प्रारंभिक जांच से पता चला है कि आग दुकान के ग्राउंड फ्लोर पर लगे बिजली के तारों में शॉर्ट सर्किट के कारण लगी। सूचना मिलने पर बचाव दल तुरंत आग बुझाने के लिए घटनास्थल पर पहुंच गया। इस भयानक घटना ने पूरे क्षेत्र में शोक की लहर फैला दी है और स्थानीय प्रशासन ने परिवार की सहायता के लिए प्रयास शुरू कर दिए हैं। पुलिस ने सभी लाशों को पोस्टमार्टम हाउस भेज दिया है।

 

अपने से 20 साल छोटी हीरोइन संग इंटीमेट सीन में बेकाबू हुए थे हीरो, बहने लगा था खून

मुंबई : बॉलीवुड फिल्मों में किसिंग और इंटीमेट सीन्स काफी आम बात है। हालांकि, इन सीन्स को शूट करते वक्त कई बार स्टार्स काफी नर्वस तो कई बार बेकाबू भी हो जाते हैं। ऐसा ही एक वाक्या फिल्म दयावान की शूटिंग के दौरान हुआ था। विनोद खन्ना और माधुरी दीक्षित के बीच इंटीमेट सीन शूट किया जा रहा था। सीन की शूटिंग के बीच विनोद खुद पर काबू नहीं रख पाए थे और उन्होंने माधुरी के साथ बहुत गंदी हरकत की थी। आपको बता दें कि फिल्म दयावान 1988 में आई थी और ये विनोद खन्ना की कमबैक फिल्मों में से एक थी, जिसे उनके दोस्त फिरोज खान ने बनाई थी।

विनोद खन्ना की आज यानी 6 अक्टूबर को 78वीं बर्थ एनिवर्सरी है। 1946 में पेशावर में जन्मे विनोद खन्ना पिता से बगावत कर फिल्मों में आए थे। बताया जाता है कि जब विनोद खन्ना ने पिता ने एक्टर बनने की ख्वाहिश जताई थी तो उनके पिता ने उनपर बंदूक तान दी थी। हालांकि, काफी मनाने के पिता माने थे और विनोद को एक साल का वक्त दिया था। पिता ने कहा था कि एक साल में नाम नहीं कमा पाए तो फैमिली बिजनेस संभालना होगा। बता दें कि विनोद खन्ना ने शुरुआती दौर में छोटे-मोटे रोल किए और फिर फिल्मों में विलेन बने।

कई फिल्मों में छोटे-छोटे और विलेन का रोल करने के बाद 1974 में आई फिल्म इम्तिहान ने विनोद खन्ना को स्टार बना दिया। 1976 में अमिताभ बच्चन के साथ आई फिल्म हेरा फेरी ने उन्हें सुपरस्टार बना दिया। फिर उन्होंने खून पसीना, अमर अकबार एंथोनी, परवरिश, इंकार, मुकदर का सिकंदर, कुर्बानी जैसी सुपरहिट फिल्मों में काम किया। कहा जाता है कि वे एक्टिंग में अमिताभ बच्चन को टक्कर देने लगे थे। फिर अचानक उन्होंने सन्यासी बनने का फैसला किया। घर-परिवार, फिल्में, स्टारडम छोड़कर ओशो के आश्रम चले गए। करीब 5 साल आश्रम में बिताने के बाद उन्होंने फिल्मों में कमबैक किया।

विनोद खन्ना ने सन्यानी का चोला उतारकर दोबारा फिल्मी पारी शुरू की। उन्होंने 1987 में कमबैक किया। इंडस्ट्री में लौटे तो सबसे पहले अपने जिगरी दोस्त फिरोज खान से मिले। फिरोज ने उनके साथ फिल्म दयावान बनाने का वादा किया। हालांकि,दयावान से पहले उनकी कुछ और फिल्में रिलीज हुईं। कहा जाता है कि इस फिल्म में विनोद खन्ना ने खुद ने 20 साल छोटी एक्ट्रेस माधुरी दीक्षित के साथ रोमांस किया था। फिल्म में दोनों के बीच एक इंटीमेट सीन फिल्माया गया था। इस सीन के दौरान विनोद खन्ना इतना ज्यादा बहक गए थे कि उन्होंने माधुरी के होंठ काट लिए थे, जिसकी वजह से खून बहने लगा था। हालांकि, बाद में विनोद ने माधुरी से माफी मांगी थी।

एक इंटरव्यू में माधुरी ने कहा था कि खुद से 20 साल बड़े हीरो के साथ इंटीमेट सीन करने का उन्हें बहुत ज्यादा अफसोस है। उन्होंने यह भी कहा था कि पहले वे इस सीन को करने के लिए तैयार नहीं थी। काफी सोच-विचार करने के बाद मानी थी। बाद में उन्होंने इस सीन को हटाने को भी कहा था, लेकिन डायरेक्टर नहीं माने। फिल्म रिलीज के साथ इस सीन पर खूब बवाल मचा था।

मराठी, पाली, प्राकृत, असमिया और बांग्ला को मिला शास्त्रीय दर्जा

कोलकाता : केंद्रीय कैबिनेट ने एक महत्वपूर्ण निर्णय लेते हुए मराठी, पाली, प्राकृत, असमिया और बांग्ला भाषाओं को शास्त्रीय भाषा का दर्जा प्रदान किया है। यह निर्णय महाराष्ट्र विधानसभा चुनाव के मद्देनजर लिया गया है और इसे भारतीय सांस्कृतिक धरोहर को समर्पित एक बड़े कदम के रूप में देखा जा रहा है। शास्त्रीय भाषाओं को समृद्ध सांस्कृतिक विरासत की वाहक माना जाता है, जो प्रत्येक समुदाय को ऐतिहासिक और सांस्कृतिक पहचान प्रदान करती हैं।

प्रधानमंत्री नरेंद्र मोदी ने इस फैसले की सराहना करते हुए बधाई दी। उन्होंने बंगाली भाषा के शास्त्रीय दर्जे की घोषणा को विशेष रूप से दुर्गा पूजा के समय में महत्वपूर्ण बताया और कहा कि बंगाली साहित्य ने अनगिनत लोगों को प्रेरित किया है।

मराठी के बारे में उन्होंने कहा कि यह भारत का गौरव है और इसके शास्त्रीय दर्जे से इसे सीखने के प्रति लोगों में रुचि बढ़ेगी। इस निर्णय के जरिए भारतीय भाषाओं के प्रति सम्मान और उनकी समृद्धि को और भी मजबूत किया गया है।

पश्चिम बंगाल में मौसम का हाल

कोलकाता: कोलकाता में तापमान 26.78 डिग्री सेल्सियस से लेकर 33.73 डिग्री सेल्सियस के बीच रहने का अनुमान है। ऐसे में, सभी नागरिकों को गर्म दिन के लिए तैयार रहने की सलाह दी जाती है। इस प्रकार के मौसम में बाहरी गतिविधियों की योजना बनाते समय कुछ महत्वपूर्ण बातों का ध्यान रखना आवश्यक है।

गर्मी के कारण व्यक्तियों को विशेष सावधानी बरतनी चाहिए। यह महत्वपूर्ण है कि आप मौसम के पूर्वानुमान पर ध्यान दें। अगर आप बाहर जाने की योजना बना रहे हैं, तो उचित कपड़े पहनें, जैसे हल्के और सांस लेने वाले कपड़े, जो गर्मी में आपको आराम प्रदान करेंगे। इसके अलावा, पानी का अधिक सेवन करें ताकि आप निर्जलीकरण से बच सकें।

कोलकाता में वायु गुणवत्ता सूचकांक (AQI) 271.0 है, जो अस्वस्थ श्रेणी में आता है। यह आंकड़ा उन लोगों के लिए विशेष रूप से चिंता का विषय है जो बच्चों, वृद्धों या सांस की बीमारियों से ग्रस्त हैं, जैसे कि अस्थमा। ऐसे में, निम्नलिखित सावधानियों का पालन करना आवश्यक है।

AQI के बारे में जागरूक रहना आपके स्वास्थ्य के लिए बेहद महत्वपूर्ण है। यह जानकारी आपको अपने दिन की गतिविधियों की योजना बनाने में मदद करती है। प्रदूषित हवा में लंबा समय बिताना स्वास्थ्य पर प्रतिकूल प्रभाव डाल सकता है, जैसे कि सांस लेने में कठिनाई, गले में खराश, और अन्य स्वास्थ्य समस्याएँ। इस प्रकार, आज के मौसम की स्थिति और वायु गुणवत्ता को ध्यान में रखते हुए अपनी सुरक्षा और स्वास्थ्य का ध्यान रखें। सभी को सलाह दी जाती है कि वे स्वस्थ रहें और आवश्यक सावधानियों का पालन करें।

एयरटेल ने 2016 में अधिग्रहित स्पेक्ट्रम के लिए 8,465 करोड़ रुपये का अग्रिम भुगतान किया

कोलकाता : भारत के अग्रणी दूरसंचार सेवा प्रदाताओं में से एक भारती एयरटेल (“एयरटेल”) ने आज कहा कि उसने 2016 में अधिग्रहित स्पेक्ट्रम के लिए दूरसंचार विभाग (भारत सरकार) को 8,465 करोड़ रुपये का अग्रिम भुगतान किया है। इन देनदारियों पर 9.3% की ब्याज दर है।

भारत में मुख्यालय वाली एयरटेल एक वैश्विक संचार समाधान प्रदाता है जिसके दक्षिण एशिया और अफ्रीका के 17 देशों में 550 मिलियन से अधिक ग्राहक हैं। कंपनी वैश्विक स्तर पर शीर्ष तीन मोबाइल ऑपरेटरों में शुमार है और इसके नेटवर्क में दो बिलियन से अधिक लोग शामिल हैं। एयरटेल भारत का सबसे बड़ा एकीकृत संचार समाधान प्रदाता और अफ्रीका में दूसरा सबसे बड़ा मोबाइल ऑपरेटर है।

एयरटेल के रिटेल पोर्टफोलियो में हाई-स्पीड 4G/5G मोबाइल ब्रॉडबैंड, एयरटेल एक्सस्ट्रीम फाइबर शामिल है जो रैखिक और ऑन-डिमांड मनोरंजन, संगीत और वीडियो, डिजिटल भुगतान और वित्तीय सेवाओं में स्ट्रीमिंग सेवाओं के साथ 1 Gbps तक की गति का वादा करता है।

एंटरप्राइज़ ग्राहकों के लिए, एयरटेल कई तरह के समाधान प्रदान करता है जिसमें सुरक्षित कनेक्टिविटी, क्लाउड और डेटा सेंटर सेवाएँ, साइबर सुरक्षा, IoT, विज्ञापन तकनीक और क्लाउड-आधारित संचार शामिल हैं