
মালদহের সভা থেকে মতুয়া ধর্মগুরু হরিচাঁদ ও গুরুচাঁদ ঠাকুরদের নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবেই ভুল উচ্চারণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Mamata Banerjee: মমতার মন্তব্যে মতুয়া ভোট হারাতে চলেছে তৃণমূল

eKolkata24 – Entertainment, Education, Economy & Explore Kolkata
Latest Bengali updates on entertainment, education, economy, gaming and Kolkata lifestyle.

মালদহের সভা থেকে মতুয়া ধর্মগুরু হরিচাঁদ ও গুরুচাঁদ ঠাকুরদের নিয়ে ইচ্ছাকৃতভাবেই ভুল উচ্চারণ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)।
সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Mamata Banerjee: মমতার মন্তব্যে মতুয়া ভোট হারাতে চলেছে তৃণমূল

পুলিশ বলছে পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকির সাথে বিজেপির শীর্ষ নেতার গোপন লেনদেন হয়েছিল। নগরোন্নয়ন মন্ত্রী ফিরহাদ হাকিমের দাবি, নওশাদে আইএসএফ বিধায়ক। সেই দলের সাথে সিপিআইএমের জোট হয়েছিল। বিজেপির সাথে গোপনে কী হয়েছিল তার তদন্ত করছে পুলিশ। আর হেফাজতে থাকা ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির হুঙ্কার, এ রাজ্যের মুসলিম সম্প্রদায়কে ভুল বোঝানো হয়েছিল। সেই ভুল ভাঙতে শুরু […]
সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন মুসলমান ভোট ব্যাংক ধ্বংস হচ্ছে তৃ়ণমূলের: নওশাদ

পঞ্চায়েত নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই বাকযুদ্ধের জেরে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ৷ সেই তালিকায় সম্প্রতি যুক্ত হয়েছে সিপি(আই) এমের যুব নেত্রী মীনাক্ষী মুখ্যোপাধ্যায়ের (Meenakshi Mukherjee) নাম
সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Meenakshi Mukherjee: জাতীয় পাখি পরিবর্তন হয়েছে, সাদা শাড়ি মাথায় ঝুঁটি কুকু করছে: মীনাক্ষী

ভাঙড়ে তৃণমূল বনাম আইএসএফ কর্মীদের সংঘর্ষের ঘটনায় জেলে যাওয়া আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির (Nawsad Siddique) বিরুদ্ধেই বিজেপির এক শীর্ষ নেতার সাথে গোপন আর্থিক লেনদেনের তথ্য মিলেছে
সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Nawsad Siddique: তৃণমূলের ভোট ব্যাংক ধ্বংস হবে, বিস্ফোরক নওশাদ

শনিবার কেশপুরে (Keshpur) জনসভা করবেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। রাজ্য রাজনীতির ইতিহাসে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ স্থান কেশপুর।
সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Abhishek Banerjee: সড়কপথে অভিষেকের কেশপুর যাত্রায় ঘুম উড়েছে তৃণ-নেতাদের

জট কাটিয়ে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেসের সমঝোতা চূড়ান্ত রূপ নিল। ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনে (Tripura Election 2023) এই ‘বামগ্রেস’ জোট এবার কোমর বেঁধে ভোট যুদ্ধে নেমে পড়ল। দু তরফের বাড়তি প্রার্থীরা দলীয় নির্দেশ মেনে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিলেন। তাদের এখন এক শত্রু বিজেপি।
ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটকে কঠিন লড়াই বলেছেন বিজেপি সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। আর বিরোধী দল সিপিআইএম ও কংগ্রেসের দাবি, এ রাজ্যে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের জন্য বিজেপিকে হারাতে সমঝোতা চূড়ামণি হয়ে গেছে। সেই রফা অনুসারে সিপিআইএম লড়াই করবে ৪৬টি আসনে। কংগ্রেস লড়বে ১৩টি আসনে। আর একটি কেন্দ্রে নির্দল প্রার্থীকে উভয় দল সমর্থন করবে। ৬০টি বিধানসভা আসনের এই সমঝোতা অবশেষে জট কাটিয়েছে।
জট লাগিয়েছিল কংগ্রেস। সমঝোতার রফায় তাদের বরাদ্দ করা ১৩টি আসনের বদলে তারা ১৭টি আসনে প্রার্থী দেয়। কংগ্রেসকে চাপে রেখে সিপিআইএমের তরফে প্রার্থী দেওয়া হয় কংগ্রেসের জন্য ছাড়া ১৩টি আসনেই। এতে সমঝোতা জট আরও জটিল হয়েছিল। বু়ধবার রাতে সিপিআইএমের তরফে সেই ১৩ জন প্রার্থীর নাম তুলে নেওয়া হবে বলে ঘোষণা করা হয়। বৃহস্পতিবার একসাথে এক ডজনের বেশি প্রার্থী তুলে নেয় বাম শিবির। চাপে পড়ে কংগ্রেস। তারাও তাদের বাড়তি চার প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেয়।
এই জোট জটের মাঝে এ রাজ্যে একসাথে এত সিপিআইএম প্রার্থীর মনোনয়ন প্রত্যাহার চমক তৈরি করেছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ১৯৯৮ সাল থেকে ২০১৮ সাল পর্যন্ত একটানা পঁচিশ বছরের বাম শাসনে যা ভাবাই যেত না তাই হচ্ছে ক্ষমতা পরিবর্তনের পর।
সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Tripura Election 2023: জোট জট শেষ করে কোমর বেঁধে যুদ্ধে নামল ‘বামগ্রেস’

মুখ্যমন্ত্রী মমতা (Mamata Banerjee) জানিয়ে দিলেন তিনি কোন দিন না খেয়ে থাকেন। পূর্ব বর্ধমানের সদর বর্ধমানের (Purba Bardhaman) সভা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছেন, ‘বাংলায় গরিব মানুষ যদ একমুঠো না খেতে পায়, সেদিন আমিও খাই না’।
মমতা বলেন রোটি কাপড়া মকান এটা মানুষের দরকার। এর পর তিনি আবাস যোজনার প্রসঙ্গ টেনে বলেন, যদি কারো স্কুটি থাকে তাহলে তুমি বাড়ি পাবে না। তোমার ছেলে মেয়েরা যদি স্কলারশিপ পায় তাহলে তুমি বাড়ি পাবে না। কত রেস্টিকশন।
প্রসঙ্গত, কেন্দ্রীয় সরকারের আবাস যোজনা দুর্নীতির জেরে শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেস জেরবার। একের পর এক পঞ্চায়েতে আবাস দুর্নীতির ইস্যুতে তৃণমূল নেতারা জনতার ক্ষোভের মুখে পড়ছেন। সরাসরি তৃণমুল কংগ্রেসের জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধেই অভিযোগ বেশি। তবে কিছুক্ষেত্রে বিরোধী দল বিজেপির জনপ্রতিনিধিদের বিরুদ্ধেও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে।
নাম না করে কেন্দ্রের মোদী সরকারকে নিশানা করে মমতা বলেন, যে যে রাজ্যে বিরোধীদের সরকার আছে তাদের সাথে এই ব্যবহার করছে।
বৃহস্পতিবার বর্ধমানের সভা থেকে কেন্দ্রীয় সরকারের কর্মসংস্থান নীতিকে নিশানা করেছেন মমতা। তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় বাজেটে কর্মসংস্থানের কোনও দিশা নেই। মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগ, বাজেটে ৬০ হাজার কোটি টাকা কেটে নিয়েছে যাতে আগামী দিনে ১০০ দিনের কাজ না করতে পারে।
সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন বাংলায় গরিব মানুষ যদি একমুঠো না খেতে পায়, সেদিন আমিও খাই না : মমতা

রাত থেকেই আলোড়ন পড়েছিল। বেলা গড়াতেই সেই আলোড়ন আরও ছড়াল। প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএমের (CPIM) এক ডজনের বেশি প্রার্থী তাদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নিচ্ছেন বলেই খবর। ত্রিপুরা বিধানসভা নির্বাচনের (Tripura Election 2023) আগে এমন ঘটনা ঘিরে রাজনৈতিক মহল সরগরম। জয়ের দাবি করে কি দান ছেড়ে দিল বাম শিবির? এই প্রশ্ন উঠছে।
সিপিআইএম ত্রিপুরা রাজ্য কমিটির দাবি, তাদের মোট ১৩ জন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করছেন। এই সিদ্ধান্ত দলের। বিবৃতি দিয়ে রাজ্য সিপিআইএম জানিয়েছে, অসন সমঝোতার খাতিরে কংগ্রেসের জন্য এই ১৩টি আসন থেকে বাম প্রার্থীরা তাদের মনেনয়ন তুলে নেবেন। তবে কংগ্রেসকেও সমঝোতার খাতিরে তাদের বাড়তি চারটি আসন থেকে নিজেদের প্রার্থী তুলে নিতে হবে।
ত্রিপুরার রাজনীতিতে এমন ঘটনা নজিরবিহীন। একসাথে এক ডজনের বেশি বাম প্রার্থী মনোনয়ন তুলে নিচ্ছেন এই ঘটনায় শাসক বিজেপিও হতচকিত। গত বিধানসভা ভোটের আগে পর্যন্ত রাজ্যে একচেটিয়া বাম আধিপত্য ছিল। টানা আড়াই দশকের বাম জমানার পরিবর্তন হয় গত বিধানসভা নির্বাচনে। এবারের নির্বাচনে বাম শিবির ও কংগ্রেস আসন সমঝোতা করেছে। দুই দলের তরফে জানানো হয়, বিজেপির শাসনে রাজ্যে গণতন্ত্র ভুলুন্ঠিত। গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে এই আসন সমঝোতা।
সমঝোতার খাতিরে বাম শিবিরের তরফে ১৩টি আসন কংগ্রেসকে ছাড়া হয়। বাকি ৪৬টি তে বামেদের তরফে প্রার্থী দেওয়া হয়। তবে কংগ্রেস প্রার্থী দেয় ১৭টি আসনে। এরপর কংগ্রেসের প্রার্থী দেওয়া আসনগুলিতে সিপিআইএমের তরফে প্রার্থী দেওয়া ঘিরে তীব্র জটিলতা তৈরি হয়েছিল। দুই দলের আলোচনা মীমাংসা সূত্র বের হয়েছে বলে দাবি করা হয়। সিপিআইএমের দাবি, তারা যেমন ১৩টি আসন থেকে নিজেদের প্রার্থী তুলে নিচ্ছে, কংগ্রেসও কথা রাখুন। তারা ১৩টি আসনের বাইরে বাড়তি চারটি আসন থেকে নিজেদের প্রার্থী তুলে নিক।
সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Tripura Election 2023: ত্রিপুরায় একের পর এক প্রার্থী প্রত্যাহার বিরোধী দল সিপিআইএমের

২০১১ সালে বাম দূর্গের অবসান ঘটাতে সমস্ত দলগুলি একজোট হয়েছিল। নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সঙ্গে কংগ্রেস জোট করলেও দূর থেকে সমর্থন করেছিল বিজেপি। এমনকি সমর্থন ছিল বেশ কয়েকটি বাম দলের৷ সময় বদলে গেলেও ফর্মুলা এখনও বদলায়নি৷ সেকারণেই বারবার অন্যান্য ডেকে জোট করতে চাইছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) ৷
এদিন শুভেন্দু বলেন, দুর্নীতিগ্রস্ত তৃণমূলকে উৎখাত করতে গেলে সিপিএম, এসইউসিআই, হিন্দু- মুসলিম, সবাইকে জোট বাঁধতে হবে। শুভেন্দুর এই কথাতেই ফের রাম এবং বাম জোটের জল্পনা তীব্র হয়েছে। একেবারে সমবায় নির্বাচনের ধাঁচে জোট করতে নারাজ আলিমুদ্দিন৷ এমনকি শুভেন্দুর জেলা পূর্ব মেদিনীপুরে গিয়ে কর্মীদের সতর্কবার্তা দিয়ে গেছেন সূর্যকান্ত মিশ্র৷ তবুও যেন জল্পনা কাটছে না।
এর আগে নন্দীগ্রামের শহিদ দিবসে বিরোধী দলনেতাকে বলতে শোনা গিয়েছিল৷ বামপন্থী হিন্দুদের ভোট না থাকলে মুখ্যমন্ত্রীকে পরাজিত করতে পারতেন না তিনি। বুধবার সেই একই কথা বললেন শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়, আমার সঙ্গে বহু লোক দেখা করছেন। বামপন্থী ও কমরেডরা তাঁর সঙ্গে রয়েছে৷
রাজনৈতিক মহলের ধারণা, দুর্নীতিতে শাসক দল গলা অবধি ডুবে থাকলেও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর ভরসা করেই নির্বাচনের বৈতরণি পার করবে তৃণমূল। তবে বিরোধীদের পালে হাওয়া থাকলেও বিজেপির অবস্থান নিয়ে প্রশ্ন থাকছে। সেদিক থেকে অনেকটাই শক্তিশালী বামেরা। সেটা বুঝতে পেরেই বামেদের সমর্থন চাইছেন শুভেন্দু।
সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Suvendu Adhikari: একা রামে হবে না, তাই বারবার বাম নাম জপছে শুভেন্দু

নওশাদ সিদ্দিকীকে (Naushad Siddiqui) না ছাড়লে ‘কলকাতাকে অচল করে দেব’ এমন হুমকি দিয়েছিলেন ফুরফুরা শরিফের (Furfura Sharif) পীরজাদারা। এবার কি সেই পথেই যাবে ফুরফুরা? কারণ আইএসএফ বিধায়ক তথা ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকির জামিন হয়নি। বাম ঘনিষ্ঠ এই বিধায়ককে জেলে থাকতে হবে।
তবে তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় জামিনের জন্য আবেদন করতে পারেন। ১ ফেব্রুয়ারিতে নওশাদ সিদ্দিকীর মুক্তি না হলে কলকাতা অচলের পাশাপাশি তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটব্যাংক ছিনিয়ে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ফুরফুরার তরফে কাশেম সিদ্দিকি।
এদিকে খবর আসছে ভাঙড়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত। যে কোনও সময় তীব্র উত্তেজনা বা হিংসাত্মক পরিবেশ তৈরি হতে পারে এমনই আশঙ্কা। আইএসএফ ও তৃ়ণমূলের মধ্যে সংঘর্ষের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না স্খানীয় প্রশাসন। হিংসাত্মত আন্দোলন ছড়ানোর অভিযোগে ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে ধর্মতলা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাঁকে না ছাড়লে অচলাবস্থার হুঁশিয়ারি দেয় অন্যতম মুসলিম পীঠস্থান ফুরফুরা শরিফ। এই ধর্মীয় কেন্দ্রের পীর পরিবারের সদস্য নওশাদ সিদ্দিকী। গত বিধানসভা ভোটে বামফ্রন্ট, কংগ্রেস ও আইএসএফের মধ্যে তৈরি সংযুক্ত মোর্চার তিনিই একমাত্র বিধায়ক নির্বাচিত হন। ভাঙড়ে পরাজিত হয় তৃণমূল কংগ্রেস।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের সংখ্যালঘু মুসলিম জনতার ভাবাবেগ নিয়ে ভয়ঙ্কর খেলা খেলছেন। তিনি উগ্র হিন্দুত্ববাদী আরএসএসের ঘনিষ্ঠ বলেই দাবি করেছেন ফুরফুরা শরিফের পীর পরিবার। ফুরফুরার তরফে বলা হয়েছে, রাজ্যে কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট জমানায় ধর্মীয় বিদ্বেষ ছিলনা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই বিদ্বেষ চাগিয়ে তুলেছেন। পীরজাদাদের দাবি, তাঁকে ক্ষমতায় বসিয়েছে ফুরফরা। তাঁর ভোটব্যাংকও ছিনিয়ে নেবে।
সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Naushad Siddiqui: ঘরের ছেলের জেল-যাত্রায় তৃ়ণমূলের সংখ্যালঘু ভোট ছিনিয়ে নেবে ফুরফুরা?

নওশাদ সিদ্দিকীকে (Naushad Siddiqui) না ছাড়লে ‘কলকাতাকে অচল করে দেব’ এমন হুমকি দিয়েছিলেন ফুরফুরা শরিফের (Furfura Sharif) পীরজাদারা। এবার কি সেই পথেই যাবে ফুরফুরা? কারণ আইএসএফ বিধায়ক তথা ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকির জামিন হয়নি। বাম ঘনিষ্ঠ এই বিধায়ককে জেলে থাকতে হবে।
তবে তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় জামিনের জন্য আবেদন করতে পারেন। ১ ফেব্রুয়ারিতে নওশাদ সিদ্দিকীর মুক্তি না হলে কলকাতা অচলের পাশাপাশি তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটব্যাংক ছিনিয়ে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ফুরফুরার তরফে কাশেম সিদ্দিকি।
এদিকে খবর আসছে ভাঙড়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত। যে কোনও সময় তীব্র উত্তেজনা বা হিংসাত্মক পরিবেশ তৈরি হতে পারে এমনই আশঙ্কা। আইএসএফ ও তৃ়ণমূলের মধ্যে সংঘর্ষের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না স্খানীয় প্রশাসন। হিংসাত্মত আন্দোলন ছড়ানোর অভিযোগে ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে ধর্মতলা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাঁকে না ছাড়লে অচলাবস্থার হুঁশিয়ারি দেয় অন্যতম মুসলিম পীঠস্থান ফুরফুরা শরিফ। এই ধর্মীয় কেন্দ্রের পীর পরিবারের সদস্য নওশাদ সিদ্দিকী। গত বিধানসভা ভোটে বামফ্রন্ট, কংগ্রেস ও আইএসএফের মধ্যে তৈরি সংযুক্ত মোর্চার তিনিই একমাত্র বিধায়ক নির্বাচিত হন। ভাঙড়ে পরাজিত হয় তৃণমূল কংগ্রেস।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের সংখ্যালঘু মুসলিম জনতার ভাবাবেগ নিয়ে ভয়ঙ্কর খেলা খেলছেন। তিনি উগ্র হিন্দুত্ববাদী আরএসএসের ঘনিষ্ঠ বলেই দাবি করেছেন ফুরফুরা শরিফের পীর পরিবার। ফুরফুরার তরফে বলা হয়েছে, রাজ্যে কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট জমানায় ধর্মীয় বিদ্বেষ ছিলনা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই বিদ্বেষ চাগিয়ে তুলেছেন। পীরজাদাদের দাবি, তাঁকে ক্ষমতায় বসিয়েছে ফুরফরা। তাঁর ভোটব্যাংকও ছিনিয়ে নেবে।
সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Naushad Siddiqui: ঘরের ছেলের জেল-যাত্রায় তৃ়ণমূলের সংখ্যালঘু ভোট ছিনিয়ে নেবে ফুরফুরা?

নওশাদ সিদ্দিকীকে (Naushad Siddiqui) না ছাড়লে ‘কলকাতাকে অচল করে দেব’ এমন হুমকি দিয়েছিলেন ফুরফুরা শরিফের (Furfura Sharif) পীরজাদারা। এবার কি সেই পথেই যাবে ফুরফুরা? কারণ আইএসএফ বিধায়ক তথা ফুরফুরা শরিফের পীরজাদা নওশাদ সিদ্দিকির জামিন হয়নি। বাম ঘনিষ্ঠ এই বিধায়ককে জেলে থাকতে হবে।
তবে তিনি আইনি প্রক্রিয়ায় জামিনের জন্য আবেদন করতে পারেন। ১ ফেব্রুয়ারিতে নওশাদ সিদ্দিকীর মুক্তি না হলে কলকাতা অচলের পাশাপাশি তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটব্যাংক ছিনিয়ে নেওয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ফুরফুরার তরফে কাশেম সিদ্দিকি।
এদিকে খবর আসছে ভাঙড়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতি উত্তপ্ত। যে কোনও সময় তীব্র উত্তেজনা বা হিংসাত্মক পরিবেশ তৈরি হতে পারে এমনই আশঙ্কা। আইএসএফ ও তৃ়ণমূলের মধ্যে সংঘর্ষের সম্ভাবনা উড়িয়ে দিচ্ছে না স্খানীয় প্রশাসন। হিংসাত্মত আন্দোলন ছড়ানোর অভিযোগে ভাঙড়ের বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকিকে ধর্মতলা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।
১ ফেব্রুয়ারির মধ্যে তাঁকে না ছাড়লে অচলাবস্থার হুঁশিয়ারি দেয় অন্যতম মুসলিম পীঠস্থান ফুরফুরা শরিফ। এই ধর্মীয় কেন্দ্রের পীর পরিবারের সদস্য নওশাদ সিদ্দিকী। গত বিধানসভা ভোটে বামফ্রন্ট, কংগ্রেস ও আইএসএফের মধ্যে তৈরি সংযুক্ত মোর্চার তিনিই একমাত্র বিধায়ক নির্বাচিত হন। ভাঙড়ে পরাজিত হয় তৃণমূল কংগ্রেস।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রাজ্যের সংখ্যালঘু মুসলিম জনতার ভাবাবেগ নিয়ে ভয়ঙ্কর খেলা খেলছেন। তিনি উগ্র হিন্দুত্ববাদী আরএসএসের ঘনিষ্ঠ বলেই দাবি করেছেন ফুরফুরা শরিফের পীর পরিবার। ফুরফুরার তরফে বলা হয়েছে, রাজ্যে কংগ্রেস ও বামফ্রন্ট জমানায় ধর্মীয় বিদ্বেষ ছিলনা। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই বিদ্বেষ চাগিয়ে তুলেছেন। পীরজাদাদের দাবি, তাঁকে ক্ষমতায় বসিয়েছে ফুরফরা। তাঁর ভোটব্যাংকও ছিনিয়ে নেবে।
সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Naushad Siddiqui: ঘরের ছেলের জেল-যাত্রায় তৃ়ণমূলের সংখ্যালঘু ভোট ছিনিয়ে নেবে ফুরফুরা?

দিনভর উত্তেজনার পরে অবশেষে জামিনের আর্জি খারিজ হল ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকির (Naushad Siddiqui)৷ তাঁকে আরও ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত৷ একই সঙ্গে ইন্ডিয়ান সেকুলার ফ্রন্টের ধৃত বাকি ১৭ জন কর্মীদেরও জেল হেফাজত হয়েছে৷ ফলে তাদের ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেল হেফাজতে থাকতে হবে। এই নির্দেশ দিয়েছে ব্যাঙ্কশাল আদালত।
১০ দিনের পুলিশ হেফাজত শেষে বুধবার নওশাদ ও বাকিদের আদালতে পেশ করে পুলিশ। সকাল থেকেই ব্যাঙ্কশাল আদালতের বাইরে ভিড় জমিয়েছিলেন আইএসএফ সমর্থকরা। কড়া নিরাপত্তা ছিল পুলিশেরও।
বুধবার আইএসএফের দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা সভাপতি আবদুল খালেক মোল্লাকেও গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এদিন শুনানির সময়ে খালেক মোল্লা আদালতে হাজির ছিলেন। জেলা সভাপতির গ্রেফতারি নিয়ে হইচই করেন আইএসএফ কর্মী, সমর্থকরা। পুলিশের দাবি, ২১ জানুয়ারি ধর্মতলার অশান্তিতে আবদুল খালেক মোল্লা জড়িত ছিলেন।
সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Naushad Siddiqui: জামিনের আর্জি খারিজ জেল হেফাজত নওশাদের

তৃ়ণমূলের (TMC) কোনও তেমন প্রভাবই নেই। রাজ্যে পরিবর্তন চেয়ে সিপিআইএমের (CPIM) কাছে ঘন ঘন ফোন আসছে রাত বিরেতে। প্রতিটি ফোনে থাকছে ইতিবাচক রাজনৈতিক বার্তা। এমন ফোন পাচ্ছেন সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক ও আরও কয়েকজন শীর্ষ নেতা। এই ফোনের কথা প্রচারিত হতেই রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন পরিস্থিতি দ্রুত মোড় নেবে। যে কোনও সময় তেমন কিছু ঘটতে পারে। এতেই আশঙ্কিত শাসকদল।
কেন এমন ফোন আসছে ? বাম নেতাদের অনেকেরই বক্তব্য দু:শাসন থেকে বাম জমানার সুশাসনে ফিরতেই রাজনৈতিক জোট বার্তা আসছে। পরিস্থিতি আরও বড় হবার প্রবল সম্ভাবনা। প্রতিটি বার্তা বিশ্লেষণ করে যা বলবার তা সময়মত বলা হবে।
পশ্চিমবঙ্গের মত আরও এক বাংলাভাষী প্রধান রাজ্য ত্রিপুরা। সে রাজ্যের বিধানসভা ভোটের আগে শাসক বিজেপি দনীয় কোন্দলে জেরবার। আর বিরোধী বাম শিবির চাইছে বিজেপি বিরোধী ভোটকে এক জায়গায় টানতে। এই কারণে, কংগ্রেসের সাথে আসন সমঝোতার পর উপজাতি এলাকায় ক্ষমতাসীন টিপ্রা মথা দলের প্রধান রাজা প্রদ্যোত দেববর্মণকে জোটের বার্তা দেওয়া হয়। প্রাথমিক কিছু শর্তে রাজা ছিলেন অনড়।
তবে তিনি এখন নরম হচ্ছেন। তিনিই ফোনের পর ফোন করে যাচ্ছেন সিপিআইএম ত্রিপুরা রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরীকে। চলছে দীর্ঘ আলোচনা। ভোট প্রচারে জীতেন্দ্র চৌধুরী দাবি করেছেন, রাজা প্রদ্যোত বলেছেন বিভিন্ন আসনে সমঝোতার পথ খোলা। জীতেনবাবুর আরও দাবি, আমাকে রাজা প্রদ্যোত আগাম জয়ের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। কিন্তু আমি বলেছি, শুধু আমি জয়ী হলে হবে না। বামপন্থী ও অ-বিজেপি শক্তিকে জয়ী হতে হবে। তিনি আমার কথা মেনে নিয়েছেন।
তীব্র রাজনৈতিক ঘনঘটার কেন্দ্র এখন ত্রিপুরা। গত বিধানসভা নির্বাচনে ত্রিপুরায় টানা পঁচিশ বছরের বাম জমানার পরিবর্তন হয়। সরকার গড়ে বিজেপি জোট। তবে তাদের জোট শরিক উপজাতি দল আইপিএফটি শক্তিহীন। সেই জায়গায় টিপ্রা মথার প্রবল প্রতাপ। রাজনৈতিক মহলের আলোচনা, বিজেপির উপজাতি শরিক দলটির ডানা ভাঙতে সিপিআইএম কূটচাল দিয়ে টিপ্রা মথাকে ভোট ব্যাংক জুগিয়েছে। এবার মথার তরফে আসছে সদর্থক বার্তা। এই বার্ত রাজনৈতিক। এতে আশঙ্কিত বিজেপি।
সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন রাত বিরেতে সিপিআইএম নেতাদের গোপন ফোন কে করছে? শাসক শিবিরে আতঙ্ক

রাজ্যে মিড ডে মিলের পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে উপস্থিত হয়েছে কেন্দ্রীয় দল। সেখানেই উঠে এসেছে বিস্ফোরক তথ্য। কর্মরত মহিলাদের ৫ জনের বেতন ৭ জনকে দেওয়া হচ্ছে। তা নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করে বসলেন কামারহাটির বিধায়ক (TMC MLA) মদন মিত্র (Madan Mitra)। বিধায়কের শব্দচয়ন এবং বাক্যগঠন নিয়ে কটাক্ষ তৃণমূল মুখপাত্র কুণাল ঘোষের (Kunal Ghosh)৷
এদিন তৃণমূল বিধায়ক বলেন, কুন্তি বলেছিলেন, যা এনেছো ৫ ভাইয়ের মধ্যে ভাগ করে খাও। পশ্চিমবঙ্গ, ভারতের সংস্কৃতি হচ্ছে, স্ত্রীকেও পাঁচ স্বামী ভাগ করে খেতে পারেন। তিনি আরও বলেন, নীতিগত ভাবে আমি বলব, কেন পাঁচ জনের খাবার সাত জন খাবেন? খাবার ভাগ করতে রাজি রয়েছি কি না, আমাকে কেউ প্রশ্ন করলে বলব, পুরোটাই ভাগ করে খেতে রাজি। কারণ, ভাগ করে খাওয়ার মধ্যে আনন্দ রয়েছে৷
মিড ডে মিল সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মদন মিত্র যা বলেছেন তার তীব্র নিন্দা করছি। শব্দচয়ন ও বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে সকলেরই অনেক বেশি দায়িত্বশীল ও সতর্ক হওয়া উচিত। মহাকাব্যের বিভ্রান্তিকর তালজ্ঞানহীন ব্যাখ্যামুলক তুলনা কাম্য নয়।
— Kunal Ghosh (@KunalGhoshAgain) January 31, 2023
কালারফুল মদন মিত্রের মুখে এর আগে একাধিকবার বিতর্কিত মন্তব্য শোনা গেছে। এবার তাঁর মন্তব্য নিয়ে নতুন করে জলঘোলা শুরু হয়েছে। মদন মিত্রের এই মন্তব্যের জেরে বিড়ম্বনায় পড়তে হয়েছে তৃণমূলকে। সরব হয়েছে বিরোধীরা। মহিলাদের অপমান, কুরুচিকর মন্তব্য করা হচ্ছে। এমনটাই কটাক্ষ বিজেপির৷
তবে তৃণমূল বিধায়কের এই মন্তব্যকে সায় দিতে নারাজ তৃণমূল। শাসক দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষের কথায়, মিড ডে মিল সংক্রান্ত প্রশ্নের জবাবে মদন মিত্র যা বলেছেন তার তীব্র নিন্দা করছি। শব্দচয়ন ও বাক্য গঠনের ক্ষেত্রে সকলেরই অনেক বেশি দায়িত্বশীল ও সতর্ক হওয়া উচিত। মহাকাব্যের বিভ্রান্তিকর তালজ্ঞানহীন ব্যাখ্যামুলক তুলনা কাম্য নয়।
সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Madan Mitra: তৃণমূল বিধায়ক মদনের শব্দচয়ন নিয়ে কটাক্ষ দলীয় মুখপাত্র কুণালের

সিপিআইএমের (CPIM) বিধায়ককে তড়িঘড়ি দলে ঢুকিয়ে বিপাকে (BJP) বিজেপি। পরিস্থিতি এমন যে ওই বিধায়কের পদ্ম চিহ্নে প্রার্থী হওয়া নিয়ে তীব্র আইনি জটিলতার পথ খুলে দিয়ে মুচকি হাসছে বাম শিবির। ত্রিপুরা বিধানসভার ভোটে (Tripura Election 2023) এবার প্রার্থী নিয়ে টানাটানি শুরু হয়ে গেল বাম বনাম রাম শিবিরে। এসবের কেন্দ্রে যিনি, সেই মবশ্বর আলি অতি সম্প্রতি বিজেপিতে গিয়েই ভোটে লড়াই করার টিকিট পেয়েছেন, তাও আবার দলটির কেন্দ্রীয় নেতাদের উপস্থিতিতে। তবে দিল্লি থেকে আগরতলা ফিরে তিনি স্বস্তিতে নেই।
ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটে শাসক বিজেপি এমনিতেই প্রার্থী নিয়ে দলীয় সমর্থকদের ক্ষোভের আগুনে জ্বলছে। সেই জ্বলুনি বাড়িয়ে দিয়ে সিপিআইএমের তরফে একটি আইনি চিঠি পাঠানো হয়েছে রিটার্নিং অফিসারের কাছে। চিঠিতে দাবি করা হয়েছে, কৈলাসহরের বিজেপি প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পাওয়া মবশ্বর আলি আসলে সিপিআইএমের বিধায়ক। তিনি দল থেকে বা বিধায়ক হিসেবে পদত্যাগ না করেই বিজেপির প্রার্থী হয়েছেন। যা নির্বাচনী আইনের বিরোধী। তার মনোনয়ন অবিলম্বে বাতিল করা হোক।
সিপিআইএমের তরফে এই মর্মে চিঠি পাঠানো হয় কৈলাসহরের রিটার্নিং অফিসারের কাছে। সেই চিঠি দলটির রাজ্য দফতর দশরথ দেব স্মৃতি ভবন থেকে সংবাদমাধ্যমের কাছে পাঠানো হয়। সূত্রের খবর, এমনটা করা হবে তার জন্য তৈরি হয়েই ছিল সিপিআইএম। মনোনয়ন জমার দিন শেষ হয়েছে সোমবার। আর মঙ্গলবার চিঠি পাঠানো হয়েছে।
চিঠিতে নির্বাচনে প্রার্থী হওয়া সম্পর্কে আইনি ধারা ও ব্যাখ্যা উল্লেখ করে মবশ্বর আলিকে নিজেদের বিধায়ক বলে দাবি করেছে সিপিআইএম ত্রিপুরা রাজ্য কমিটি। যেহেতু বিধায়ক পদত্যাগ করেননি বা এই মর্মে কোনও কিছু দাখিল করেননি তাই মবশ্বর আলি বাম বিধায়ক বলে চিহ্নিত করা হয়েছে চিঠিতে।
কৈলাসহরের সিপিআইএম বিধায়ক মবশ্বর আলি গত বিধানসভা নির্বাচনে জয়ী হন। তিনি বর্তমানে বিরোধী দল সিপিআইএমের মাননীয় বিধায়ক বলে বিধানসভায় নথিভুক্ত। মাত্র কয়েকদিন আগেও তিনি সরকার পক্ষের চূড়ান্ত সমালোচনা করে নিজের এলাকার রিপোর্ট কার্ড প্রকাশ করেন। গত বিধানসভা ভোটে ত্রিপুরায় টানা পঁচিশ বছরের বাম শাসন শেষ হয়ে বিজেপি সরকার গড়েছে।

এবারের নির্বাচনে বিজেপি বিরোধী আসন সমঝোতা করেছে সিপিআইএম ও কংগ্রেস। সমঝোতার খাতিরে কৈলাসহর আসনটি কংগ্রেসের জন্য ছেড়ে দেয় সিপিআইএম। এর পর বিধায়ক মবশ্বর আলি সটান দিল্লি গিয়ে বিজেপিতে যোগ দেন। তাঁকেই কৈলাসহর থেকে বিজেপি প্রার্থী করে দেয়।
সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Tripura Election 2023: বাম বিধায়ককে প্রার্থী করে আইনি বিপাকে বিজেপি, বাতিল হবে মনোনয়ন ?

ফুঁসছে ফুরফুরা শরিফ। কলকাতায় বাম ঘনিষ্ঠ আইএসএফ (ISF) বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর (Nawsad Siddique) গ্রেফতারি ও তাঁকে টেনে হিঁচড়ে নিয়ে যাওয়ার ছবি এই ধর্মীয় কেন্দ্রের পীর ও পীরজাদাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ তৈরি করেছে। পরিস্থিতি এমনই যে ফুরফুরায় (Furfura Sharif) এখন আর মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) নাম করেই বিভিন্ন মন্তব্য করে চলেছেন পীর-পীরজাদারা। তাঁদের হুঁশিয়ারি, নওশাদ রাজনীতি করে। তবে সে সাধারণ মানুষের হয়ে রাজপথে নেমেছিল। সে একজন পীরজাদা। তাকে যেভাবে রাস্তা দিয়ে হিঁচড়ে টেনে অপমানিত করা হয়েছে তা মমতার নির্দেশ ছাড়া পুলিশের পক্ষে সম্ভব নয়। যদি ১ ফেব্রুয়ারি নওশাদকে মুক্তি না দেওয়া হয় তাহলে সরকার যেন তৈরি থাকে।
ফুরফুরা শরিফ মুসলিমদের জন্য। তবে এর শিষ্য অনেক হিন্দু আছেন। তারা এমন পীরজাদার অপমান মেনে নেবেন না বলেই অনবরত হুঁশিয়ারি আসছে বাকি পীরজাদাদের তরফে। কেউ কেউ সরাসরি বলছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একজন আরএসএস। অনেকের দাবি, তিনি একসময় ফুরফুরায় এসে সমর্থন চেয়েছিলেন। ফুরফুরার সমর্থন না থাকলে মমতার পক্ষে সরকার গড়া সম্ভব হত না। তিনি কী করে বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর উপর পুলিশের ‘জুলুম’ বরদাস্ত করলেন।
তৃণমূল কংগ্রেসের আরাবুল ইসলামের প্রতিও ফুরফুরা শরিফের ক্ষোভ তুঙ্গে। তাকেও নিশানা করে রেখেছে ফুরফুরা শরিফ। অভিযোগ, শিক্ষিত নওশাদ সিদ্দিকীর মতো মুসলিম সম্প্রদায়ের নেতাদের রাজনীতি করতে বাধা দিতে মমতা প্রশাসন আরাবুলকে প্রশ্রয় দিচ্ছে। সরাসরি হুঁশিয়ারি, ভাঙড় সহ পুরো দক্ষিণ ও উত্তর ২৪ পরগনার মুসলিম ভোটে এর ফল বুঝতে পারবেন মমতা। তিনি মুখে বিজেপির বিরুদ্ধে বললেও ভিতরে আরএসএসের নির্দেশে কাজ করেন।
সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Nawsad Siddique: নওশাদের মুক্তি না হলে….মমতার নাম শুনলেই ক্ষিপ্ত ফুরফরা শরিফ
পশ্চিমবঙ্গে পরপর তিনবার সরকার গড়ার পর তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেছিলেন ত্রিপুরার বিধানসভা ভোট (Tripura Election 2023) তাঁর পাখির চোখ। সেই লক্ষ্যে দলের তরফে ত্রিপুরায় (Tripura) সংগঠন ঢেলে সাজানোর নির্দেশ দেন। সে রাজ্যের পুরভোটে আচমকা ভোট পাওয়ার নিরিখে টিএমসি কুড়ি শতাংশের বেশি ভোট পায়। এর পর রাজ্যে সরকার গঠন হবে বলে দাবি করেন (TMC) টিএমসির সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর বিধানসভা ভোটের মনোনয়ন পেশের হিসেবে দেখা যাচ্ছে ষাটটি কেন্দ্রের মধ্যে ২২টিতে প্রার্থী দিতে পেরেছে পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল।
পুরভোটে তৃণমূলের অগ্রগতি দেখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন ত্রিপুরায় নিয়মিত আসবেন। তিনি বিধানসভা ভোটের প্রচারই শুরু করেননি।
তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে বলা হয়েছে, তারা একলাই লড়াই করছে। রাজ্যে দ্রুত শক্তি বাড়ছে। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসবেন প্রচারে। টিএমসির প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে পশ্চিমবঙ্গের কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প তুলে ধরা হবে। ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল সভাপতি পীযুষ বিশ্বাসের দাবি, কংগ্রেস, বামফ্রন্ট, বিজেপির সরকার দেখেছেন রাজ্যবাসী। তৃ়ণমূলের উন্নয়নের সরকার দেখবেন তারা। তবে কেন সব আসনে প্রার্থী নেই তার ব্যাখ্যা নেই দলটির কাছে।
ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের লড়াই নিয়ে শাসক বিজেপির দাবি, পশ্চিমবঙ্গে দুর্নীতির পাহাড়ে চড়া তৃণমূলকে চিনে গেছেন রাজ্যবাসী। বিরোধী দল সিপিআইএমের দাবি, তৃ়ণমূল ও বিজেপির আঁতাত স্পষ্ট। বিজেপি বিরোধী ভোট কাটতে ত্রিপুরায় এসেছে তৃণমূল। তাদের প্রার্থীরা বিজেপির সাথে সরাসরি সম্পর্কে আছেন। তবে অভিযোগ উড়িয়ে টিএমসি বলছে একাই লড়ব।
সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Tripura Election 2023: মমতার ‘পাখির চোখ’ ত্রিপুরায় বেহাল তৃণমূল, বেশিরভাগ আসনে নেই প্রার্থী
পশ্চিমবঙ্গে পরপর তিনবার সরকার গড়ার পর তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) বলেছিলেন ত্রিপুরার বিধানসভা ভোট (Tripura Election 2023) তাঁর পাখির চোখ। সেই লক্ষ্যে দলের তরফে ত্রিপুরায় (Tripura) সংগঠন ঢেলে সাজানোর নির্দেশ দেন। সে রাজ্যের পুরভোটে আচমকা ভোট পাওয়ার নিরিখে টিএমসি কুড়ি শতাংশের বেশি ভোট পায়। এর পর রাজ্যে সরকার গঠন হবে বলে দাবি করেন (TMC) টিএমসির সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। আর বিধানসভা ভোটের মনোনয়ন পেশের হিসেবে দেখা যাচ্ছে ষাটটি কেন্দ্রের মধ্যে ২২টিতে প্রার্থী দিতে পেরেছে পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল।
পুরভোটে তৃণমূলের অগ্রগতি দেখে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় বলেছিলেন ত্রিপুরায় নিয়মিত আসবেন। তিনি বিধানসভা ভোটের প্রচারই শুরু করেননি।
তৃণমূল কংগ্রেসের তরফে বলা হয়েছে, তারা একলাই লড়াই করছে। রাজ্যে দ্রুত শক্তি বাড়ছে। আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসবেন প্রচারে। টিএমসির প্রার্থীদের হয়ে প্রচারে পশ্চিমবঙ্গের কন্যাশ্রী, স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্প তুলে ধরা হবে। ত্রিপুরা প্রদেশ তৃণমূল সভাপতি পীযুষ বিশ্বাসের দাবি, কংগ্রেস, বামফ্রন্ট, বিজেপির সরকার দেখেছেন রাজ্যবাসী। তৃ়ণমূলের উন্নয়নের সরকার দেখবেন তারা। তবে কেন সব আসনে প্রার্থী নেই তার ব্যাখ্যা নেই দলটির কাছে।
ত্রিপুরা বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসের লড়াই নিয়ে শাসক বিজেপির দাবি, পশ্চিমবঙ্গে দুর্নীতির পাহাড়ে চড়া তৃণমূলকে চিনে গেছেন রাজ্যবাসী। বিরোধী দল সিপিআইএমের দাবি, তৃ়ণমূল ও বিজেপির আঁতাত স্পষ্ট। বিজেপি বিরোধী ভোট কাটতে ত্রিপুরায় এসেছে তৃণমূল। তাদের প্রার্থীরা বিজেপির সাথে সরাসরি সম্পর্কে আছেন। তবে অভিযোগ উড়িয়ে টিএমসি বলছে একাই লড়ব।
সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Tripura Election 2023: মমতার ‘পাখির চোখ’ ত্রিপুরায় বেহাল তৃণমূল, বেশিরভাগ আসনে নেই প্রার্থী

Hiran Chatterjee Controversy: খড়গপুরের বিজেপি বিধায়কের (Hiran Chatterjee) দলবদল ইস্যুতে ফের নতুন মোড়। এবার তৃণমূল বিধায়কের তরফে এলো হুঁশিয়ারি বার্তা। কে ঠিক বলছেন? তৃণমূল কংগ্রেস সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) নাকি বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায় তা নিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে।
বিজেপি বিধায়ক হিরণের দাবি তিনি দল বদলাতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সাথে দেখা করেননি। যে ছবি ছড়িয়েছে সেটিতে প্রযুক্তিগত কারিকুরি করা হয়েছে। ওই ছবি ভুয়ো। তিনি বলেছেন, অভিষেকের সঙ্গে কোনও আলাপ হয়নি। তৃণমূল যোগের জল্পনা উড়িয়ে দেন। পরে স্পষ্ট করেছিলেন তিনি বিজেপিতেই রয়েছেন।
সোমবার আরও একবার এই বিতর্কে মুখ খুললেন তৃণমূল বিধায়ক অজিত মাইতি। তিনি হিরণকে হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যদি বাড়াবাড়ি করেন তাহলে অভিষেকের অফিসে উনি যা যা বলেছেন সব কথোপকথন প্রকাশ্যে নিয়ে আসব। এমনকি আমি কি বলেছিল সবটাই প্রকাশ্যে নিয়ে আসব। এক ঘণ্টা কুড়ি মিনিট কথা হয়েছে। তার পরেও যদি এও বলে সাজিয়ে গুছিয়ে তৈরি করা হয়েছে তাহলে উনি কোর্টে চ্যালেঞ্জ করবেন।
এদিকে দাসপুরের এক সভায় যোগ দিতে এসে হিরণ বলেন, তৃণমূল এত নিচে নেমে গেছে যে রাজনীতি করার জন্য হিরণের ছবির দরকার হচ্ছে। এরপরে ভিডিও নিয়ে আসবে। বিজেপি বিধায়ক আরও বলেন, সবচেয়ে বড় পশ্চিমবঙ্গের প্রযোজক, নাম নিচ্ছি না। যার আমি প্রচুর ছবি করেছি, তিনি মুখ্যমন্ত্রীর মনোনয়নের সময় পাশে গিয়ে সই করছেন। তাঁদের কী শিরদাঁড়া সোজা রয়েছে? তাঁরা আবার হিরণ চট্টোপাধ্যায়কে ডেকে কাজ দেবে? আমাকে বলেই দিয়েছিল। যেদিন জিতেছিলাম, বলা হয়েছিল তুই জিতেছিস অত্যন্ত খুশি। কিন্তু বুঝতেই তো পারছিস ভাই আমাকে করে খেতে হবে পশ্চিমবঙ্গে। আমি বাংলা সিনেমা বানিয়ে রিলিজ করব কী করে! যদি তৃণমূলের সাহায্য না পাই। ওরা বলেছে তোকে নিয়ে সিনেমা করলে রিলিজ করতে দেওয়া হবে না।
তৃণমূল বিধায়ক অজিত মাইতি বলেন, হিরণকে কাজ দেওয়া হচ্ছে না এটা সত্য নয়। ও কাজ করার যোগ্যতা হারিয়েছে। আমি কাউকে চোর চোর বলতে পারব না। কারণ, সেই কালচার আমার মধ্যে নেই। কারও যোগ্যতা যদি না থাকে তাহলে তাকে কি প্রোডিউসার নিয়ে নেবে? উনি এমন কোনও নায়ক হয়ে যায়নি যে মানুষ ওকে নিয়ে মাতামাতি করবে। হিরণ ভদ্রতার সীমা পার করেছে।
সংবাদটি বিস্তারিত পড়তে ক্লিক করুন Hiran Chatterjee controversy: অভিষেক-হিরণ কথোপকথন প্রকাশ্যে আনার হুঁশিয়ারি বিধায়কের