Punjab: প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গাফিলতি, মামলা সুপ্রিমকোর্টে, কংগ্রেসের কটাক্ষ

পাঞ্জাবের ভাতিন্ডায় বুধবারের ঘটনার পর অনেকেই অভিযোগ করেছেন, “ফ্লপ” জনসভা এড়াতেই ব্রিজে দাঁড়িয়ে থাকার নাটক। তারপর তাঁকে “খুনের চক্রান্তের” অভিযোগ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তীব্র রাজনৈতিক বিতর্কের মাঝে প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় গাফিলতিজনিত মামলা দায়ের হল সুপ্রিম কোর্টে। রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন।

শুক্রবার প্রধান বিচারপতি এনভি রামান্নার বেঞ্চে হবে এই মামলার শুনানি হবে। আইনজীবী মনিন্দর সিং আদালতে মামলটি দায়ের  করেছেন। আবেদনে মনিন্দর বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় কেন এত বড় মাপের গাফিলতি হল সে বিষয়ে পাঞ্জাব সরকারের বক্তব্য জানতে চাওয়া হোক।যাদের উপর প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তার দায়িত্ব ছিল সেই সমস্ত আধিকারিকদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হোক। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয় সে বিষয়টিও যেন নিশ্চিত করা হয়।

বুধবারের ঘটনায় পাঞ্জাব সরকারের পক্ষ থেকেও তিন সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তিন দিনের মধ্যে রিপোর্ট পেশ করার। বিচারপতি মেহতাব গিল এবং স্বরাষ্ট্র বিভাগের প্রধান সচিব অনুরাগ ভার্মা রয়েছেন এই কমিটিতে।

প্রধানমন্ত্রীকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ হওয়ার জন্য পাঞ্জাব সরকারের সমালোচনা করে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক জানিয়েছে, “ব্লু -বুক অনুসারে প্রধানমন্ত্রীর সফরের সময় পাঞ্জাবের মত স্পর্শকাতর জায়গায় বিকল্প রাস্তা তৈরি রাখা উচিত ছিল।”

প্রধানমন্ত্রীর এই সফরে, সব ধরনের প্রোটোকল মানা হয়েছে কিনা জানতে চেয়ে কংগ্রেসও পাল্টা কটাক্ষ করেছে। পাঞ্জাবে কংগ্রেস ক্ষমতায়।

পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নি সাংবাদিক সম্মেলন বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তায় কোনওরকম গাফিলতি ছিল না। একজন পাঞ্জাবি হিসেবে, আমি আগে আপনাকে (প্রধানমন্ত্রী) রক্ষা করে তারপর মরব। কিন্তু আপনার জীবনের কোনও বিপদ হতে দেব না। মোদীর খুনের চক্রান্ত নিতান্তই বাহানা। মোদীর সড়ক পথে আসার কোনও পূর্ব পরিকল্পনাই ছিল না। ওনার যদি ফিরোজপুর যাওয়ার প্রকৃতই ইচ্ছে থাকত তাহলে উনি অন্য পথেও যেতে পারতেন। উনি যেখানে যাচ্ছিলেন সেখানে মাত্র ৭০০ জন লোক এসেছিল।”

বিরোধী শিবিরের মতে, প্রধানমন্ত্রীর জনসভায় ৭০ হাজার চেয়ার ছিল। কিন্তু লোক হয়েছিল মাত্র ৭০০ জন। তাই অস্বস্তি এড়াতেই তাঁর এই “উল্টোযাত্রা”।

বিজেপি বিরোধী শিবিরের কটাক্ষ, যেখানে রাস্তায় থেকে এক বছরে ৭০০জন কৃষক প্রাণ হারিয়েছেন সেখানে মাত্র ১৫ মিনিট রাস্তায় আটকে থাকায় নিজের “প্রাণনাশের” আশঙ্কা করছেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁর এই আশঙ্কা যদি সত্যি হয় তবে, তো বলতে হয় মোদি সরকারের আমলে দেশে আইনশৃঙ্খলা বলে কোনও বস্তুই নেই।

Kazakhstan: রক্তাক্ত কাজাখস্তান যেন তালিবানস্তান! পুলিশের মাথা কাটল বিদ্রোহীরা

পুলিশের মাথা কেটে নিল বিদ্রোহীরা। এমন নারকীয় ঘটনার সাক্ষী কাজাখস্তান। ভয়াবহ পরিস্থিতি মধ্য এশিয়ার এই দেশে। 

রান্নার গ্যাসের দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদে সরকারের পতন হয়ে গিয়েছে। কিন্তু বিদ্রোহ হয়েছে আরও রক্তাক্ত। পুলিশের গুলিতে বেশ কয়েকজন বিদ্রোহী নিহত। সবমিলে কাজাখস্তান যেন তালিবানস্তানে পরিণত হয়েছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির জেরে কাজাখস্তানে চরম বিক্ষোভ দেখা দিয়েছে। গত শনিবার এলপিজির দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়ানো হয়। এরপর দিন দেশটির পশ্চিমাঞ্চলের তেলসমৃদ্ধ প্রদেশ মানজিস্তাউয়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে এই বিক্ষোভ দেশটির অন্যত্র ছড়িয়ে পড়ে। 

কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, বুধবার (৫ জানুয়ারি) দেশটির প্রধানমন্ত্রী আসকার মমিনের নেতৃত্বাধীন সরকারের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন প্রেসিডেন্ট কাসিম জোমার্ট তোকায়েভ।

কাজাখস্তানের জাতীয় সংবাদ মাধ্যমের একটি খবরে বিশ্ব স্তম্ভিত। রিপোর্টে বলা হয়েছে বিক্ষোভকারীদের হামলায় ১৩ জন নিরাপত্তারক্ষী মৃত। দুই পুলিশ কর্মীর মাথা কেটে নিয়েছে বিক্ষোভকারীরা। ৩০০ জনের বেশি সরকারি কর্মকর্তা জখম হয়েছেন। 

বোমা মারছে বিক্ষোভকারীরা। গুলি ছুঁড়ছে পুলিশ। গ্রেনেড চার্জ ও কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করছে রক্ষীরা।  জানাচ্ছে রুশ সংবাদ সংস্থা তাস নিউজ।

রয়টার্স জানাচ্ছে,বৃহস্পতিবার বিক্ষোভকারীদের ওপর তাণ্ডব চালিয়েছে কাজাখ পুলিশ। বিক্ষোভকারীরা সরকারি ভবনের ওপর হামলা চালাতে চেষ্টা করলে পুলিশ গুলি চালায়। গুলিতে ডজন খানেক বিক্ষোভকারী নিহত হয়েছে। 

কাজাখ পুলিশের মুখপাত্র সালতানেট আজিরবেক জানান,  ‘চরমপন্থী শক্তি’ রাতজুড়ে প্রশাসনিক ভবন ও পুলিশের বিভাগে প্রবেশের চেষ্টা চালায়।  ডজন খানেক হামলাকারীকে নির্মূল করা হয়েছে এবং তাদের পরিচয় শনাক্তের চেষ্টা চলছে।  ২০০ এর বেশি জনকে আটক করা হয়েছে। 

সরকার পতনের পর দেশের পরিস্থিতি স্থিতিশীল করতে কাজাখস্তানের প্রেসিডেন্ট রাশিয়ার কাছে সামরিক বাহিনী মোতায়েন করতে অনুরোধ জানিয়েছে। তাস জানাচ্ছে, রুশ সামরিক বাহিনী ঢুকবে কাজাখস্তানে।

Khalistan Threat: ‘আজাদ খালিস্তান আসছে’, মোদীকে হুমকি গুরপ্রীত পান্নুর

“আজাদ খালিস্তান আসছে। মোদী তুমি ভাগো।” এমনই ভাবে হুমকি এসেছে পাকিস্তান মদতপুষ্ট বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন শিখ ফর জাস্টিসের তরফে। নিষিদ্ধ এই সংগঠনটির নেতা গুরপ্রীত সিং পান্নুর ভিডিও ভাইরাল।

সরাসরি এই বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদীকে ভেগে যাওয়ার হুমকি দিয়েছে। বুধবার পাঞ্জাবে জনসভায় বিক্ষোভের মুখে মোদীর চলে আসা ও বেঁচে ফিরেছি বলে মন্তব্য করার পর দেশ উত্তাল। এর পরেই এসেছে খালিস্তানি সংগঠনের তরফে হুমকি।

গোয়েন্দারা গোপন সূত্র মারফত জানতে পেরেছে যে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর পাঞ্জাবের ফিরোজপুর সফরের কয়েক দিন আগে ৪২,৭৫০ কোটি টাকার একাধিক উন্নয়ন প্রকল্পের শিলান্যাস করার জন্য খালিস্তানপন্থী সংগঠন শিখস ফর জাস্টিস (এসএফজে) পাঞ্জাবের বাসিন্দাদের তাঁর সফরের প্রতিবাদ করার আহ্বান জানিয়েছিল। পান্নুন নিজেকে এই নিষিদ্ধ সংগঠনের ‘সাধারণ পরামর্শদাতা’ বলে আখ্যা দিয়েছেন।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হওয়া এই ভিডিওতে পান্নুনকে পাঞ্জাবের জনগণের উদ্দেশ্যে আহ্বান দিতে দেখা গেছে। যেখানে তিনি বলছেন, ৫ জানুয়ারি “শো দ্য শু” (জুতো দেখাও)। গত বছর ৩৭০০ জনেরও বেশি কৃষকের মৃত্যুর জন্য প্রধানমন্ত্রী দায়ী। শুধু তাই নয়, প্রধানমন্ত্রীকে জুতো দেখানোর’ জন্য পুলিশ, সাংবাদিক, হাসপাতালের কর্মচারী এবং সাধারণ মানুষকে পান্নুন ১,০০,০০০ ডলার (১ লক্ষ মার্কিন ডলার) দেবেন বলেও শোনা যাচ্ছে ভিডিওতে।

২০২১ সালের ২৩ ডিসেম্বর ঘটা লুধিয়ানার আদালতে বিস্ফোরণের ঘটনায় যশবিন্দর সিং মুলতানি নামের এক শিখ উগ্রবাদীকে জার্মানি থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ। সেও শিখস ফর জাস্টিসের সদস্য। আর সেই কথা মাথায় রেখেই পুলিশ প্রধানমন্ত্রীর সফরকে ঘিরে নিরাপত্তা আঁটোসাঁটো করেছিল পুলিশ। তারপরেও এই ঘটনা ঘটে। ফলে স্বাভাবিকভাবেই প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা বড়সড় প্রশ্নের মুখে এসে দাঁড়িয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের তরফ থেকে অভিযোগ করে বলা হয়েছে, আগে থেকেই প্রধানমন্ত্রীর এই সফরের ব্যাপারে পাঞ্জাব সরকারকে জানানো হয়েছিল। তারপরেও প্রধানমন্ত্রীকে নিরাপত্তা প্রদান করতে ব্যর্থ হয়েছে সরকার। এর পাশাপাশি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক পাঞ্জাব সরকারকেও এই ত্রুটির দায় ঠিক করতে এবং কঠোর ব্যবস্থা নিতে বলেছে।

Bangladesh: দিল্লিকে পিছনে ফেলে বায়ুদূষণ দৌড়ে ঢাকা প্রথম

বিশ্ব জুড়ে দূষিত বাতাসের শহরের তালিকা বের হয়েছে। এই তালিকায় প্রথম স্থান অধিকার করেছে বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা। ঠিক পিছনেই নয়াদিল্লি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকার বায়ু মানের সূচক (একিউআই) ছিল ১৯৭ যা ‘অস্বাস্থ্যকর’ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছে। একই সময়ে ভারতের রাজধানী দিল্লি ও উত্তর ম্যাসিডোনিয়ার স্কোপজ শহর যথাক্রমে ১৮৯ ও ১৮৪ একিউআই সূচক নিয়ে তালিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় অবস্থানে রয়েছে।

একিউআই নির্ধারণ করা হয় দূষণের পাঁচটি ধরণ বস্তুকণা (পিএম১০ ও পিএম২.৫), এনও২, সিও, এসও২ এবং ওজোন (ও৩) কে ভিত্তি করে।

গবেষণায় এসেছে, একিউআই সূচক ১৫১ থেকে ২০০ এর মধ্যে হলে নগরবাসীর স্বাস্থ্যের ওপর প্রভাব পড়তে পারে, বিশেষ করে শিশু, বৃদ্ধ ও রোগীরা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে পড়তে পারেন। 

একিউআই সূচক ২০১ থেকে ৩০০ এর মধ্যে হলে স্বাস্থ্য সতর্কতাসহ তা জরুরি অবস্থা হিসেবে বিবেচিত হয়। একিউআই সূচক ৩০১ থেকে ৫০০ বা তারও বেশি হলে বাতাসের মান ঝুঁকিপূর্ণ মনে করা হয়। 

প্রতিদিনের বাতাসের মান নিয়ে তৈরি করা একিউআই সূচক একটি নির্দিষ্ট শহরের বাতাস কতটুকু নির্মল বা দূষিত সে সম্পর্কে মানুষকে তথ্য দেয় এবং তাদের জন্য কোনো ধরনের স্বাস্থ্য ঝুঁকি তৈরি হতে পারে তা জানায়।

এই হিসেবে ঢাকা ও নয়াদিল্লি একে অপরকে টপকে যেতে মরিয়া দৌড় শুরু করেছে। এই দৌড় যে মরণ দৌড় তা স্পষ্ট বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

US: মার্কিন মুলুকের বিরাট বাড়িতে আগুন, শিশুরা পুড়ে মৃত

hong-kong-world-trade-fire

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে একটি তিনতলা ভবনে আগুন লেগে ১২ জনের মৃত্যু হয়েছে। মৃত ১২ জনের মধ্যে ৮ জনই শিশু। পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের পূর্বাঞ্চলীয় ফিলাডেলফিয়া শহরে মর্মান্তিক এই ঘটনা ঘটেছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, তিন তলা ওই ভবনের দ্বিতীয় তলায় আগুনের সূত্রপাত হয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা প্রায় এক ঘণ্টা চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

ওই ভবন থেকে ৮ জন বের হতে পারলেও বাকিরা আটকে পড়েন। ধোঁয়ায় দম বন্ধ হয়ে বেশিরভাগের মৃত্যু হয়। তবে মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে

এই ঘটনাকে ফিলাডেলফিয়ার ইতিহাসে সবচেয়ে বিপর্যয়কর দিনগুলোর একটি বলে উল্লেখ্য করেছেন শহরের মেয়র জিম কেনি। তিনি বলেন, এভাবে  মানুষের মৃত্যু অনেক কষ্টের। একসঙ্গে এত শিশুর মৃত্যুও বেদনার।

Kazakhstan: রান্নার গ্যাসের দাম বাড়িয়ে কাজাখ সরকার পড়ল হুড়মুড়িয়ে

রান্নার গ্যাসের দাম বাড়িয়েই সরকারটা হুড়মুড়িয়ে পড়ে গেল। কাজাখস্তান জ্বলছে বিক্ষোভে। গুলি হামলা চলছে। মধ্য এশিয়ার জ্বালানি সমৃদ্ধ দেশে চরম অস্থিরতা।

জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধির জেরে কাজাখাস্তানে চরম বিক্ষোভ। দেশটির সরকারের পতন ঘটেছে।কাজাখাস্তানের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় থেকে বলা হয়েছে, বুধবার দেশটির প্রধানমন্ত্রী আসকার মমিনের নেতৃত্বাধীন সরকারের পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন প্রেসিডেন্ট কাসিম জোমার্ট তোকায়েভ। 

কাজাখাস্তানের সব শহরে বিক্ষোভকারীরা সরকারি ভবনে ব্যাপক তাণ্ডব চালিয়েছে। বিক্ষোভের ঘটনায় প্রায় ১০০ জন পুলিশ সদস্য জখম।

রাজধানী আলমাটি শহরে মেয়রের ভবনে আগুন জ্বলছে। টিয়ার গ্যাস ও গ্রেনেড দিয়েও বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পারেনি দেশটির নিরাপত্তা বাহিনী। ব্যাংক, স্টোর এবং রেস্টুরেন্টে হামলা চলছে।   বাসিন্দাদের ঘরে থাকার আহ্বান জানিয়েছে সরকার।কাজাখস্তান স্বরাষ্ট্র মন্ত্রক বলছে, হামলার ঘটনায় পুলিশ অন্তত ২০০ জনকে আটক করেছে। 

গত শনিবার এলপিজির দাম দ্বিগুণের বেশি বাড়ানো হয়। এরপর দিনদেশটির পশ্চিমাঞ্চলের তেলসমৃদ্ধ প্রদেশ মানজিস্তাউয়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। পরে এই বিক্ষোভ আলমাটি সহ দেশটির অন্যত্র ছড়িয়ে পড়ে। 

লাল হলুদ জার্সি গায়ে বেইতিয়ার মাঠে নামার জোরালো সম্ভাবনা

ফিফার জানুয়ারি সেকেন্ড ট্রান্সফার উইন্ডো এখন চলছে। বিশ্বের প্রতিটি ক্লাব দল এই সময়ে ওৎপেতে থাকে নিজেদের স্কোয়াডের খামতি পূরণের লক্ষ্যে। বাদ যাচ্ছে না চলতি আইএসএলের লাস্ট বয় এসসি ইস্টবেঙ্গল। স্প্যানিয়ার্ড আক্রমণাত্মক মিডফ্লিডার জোসেবা বেইতিয়ার দিকে ঝুকে রয়েছে লাল হলুদ শিবির।

আত্মঘাতী গোল মঙ্গলবার সৌরভ দাসের,বেঙ্গালুরু এফসির বিরুদ্ধে। শয়নে স্বপনে লাল হলুদ ফুটবলার সৌভিক দাস হয়তো আজীবন আফসোস করেই যাবে। ২৮ মিনিটে হাওকিপের গোলে এগিয়ে গিয়ে, নিজের গোলেই বল জালে জড়িয়ে দিয়ে সৌভিক দাস এখন ‘খলনায়ক’, লাল হলুদ সমর্থকদের কাছে।

১১ তম রাউন্ডে ৯ ম্যাচের পরেও জয় অধরা এসসি ইস্টবেঙ্গলের। এমন হতশ্রী পারফরম্যান্সে স্কোয়াড মেরামতি করতে তাই জানুয়ারি ফিফা ট্রান্সফার উইন্ডোকে কাজে লাগিয়ে বেইতিয়াকে তুলে হালে পানি ফেরাতে চাইছে।

২০১৯-২০ আই লিগ মরসুমে সবুজ মেরুন জার্সি গায়ে ১৬ ম্যাচে ৩ গোল জোসেবা বেইতিয়ার। ২০২০ সালে রাউন্ডগ্লাস পাঞ্জাবের হয়ে বেইতিয়া ১৬ ম্যাচে ২ গোল করে।

জোসেবা বেইতিয়াকে নিয়ে ভারতীয় ফুটবলে হইচই করার অন্যতম কারণ একটাই। তা হল বেইতিয়া রেয়াল সোসিদাদের ইয়ুথ ডেভেলপমেন্টের ফসল এবং রেয়াল সোসিদাদ হল রেয়াল মাদ্রিদের সিস্টার কনসার্ন অর্থাৎ রেয়াল মাদ্রিদের ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট ফুটবল পরিকল্পনা
রেয়াল সোসিদাদের মাধ্যমেই হয়ে থাকে। আর তাই ভারতীয় ফুটবলে জোসেবা বেইতিয়াকে নিয়ে ক্লাব দলগুলোও টানাহ্যাঁচড়া করে থাকে।

Punjab: বিক্ষোভে আটকে মোদী বললেন ‘বেঁচে ফিরেছি’

জাতীয় রাজনীতিতে শুরু হয়েছে আলোচনা। নিরাপত্তার অভাবে ফিরে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। ঘটনাটি বুধবারের পঞ্জাবে (Punjab)। বেশ কিছুক্ষণ ভাতিন্দার কাছে আটকে ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কনভয়। এরপর পরিকল্পনা বাতিল করে ফিরে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন তিনি।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেত্রী স্মৃতি ইরানি কংগ্রেসের বিরুদ্ধে করেছেন অভিযোগ। তিনি বলেছেন, প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা নিয়ে কোনও রাজ্য উদাসীন এমন উদাহরণ ইতিহাসে বিরল। রাজ্য সরকার প্রধানমন্ত্রীর ক্ষতি করার চেষ্টা করেছে।

ঘটনাটি ঠিক কী ঘটেছিল? বুধবার পঞ্জাবের ফিরোজপুরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর এক জনসভায় অংশগ্রহণ করার কথা ছিল। কিন্তু অবরোধের কারণে তার কনভয় ১৫-২০ মিনিট ধরে একটি ফ্লাইওভারে আটকে পড়ে। এদিকে এই ঘটনায় ফলে প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিটি বাতিল করা হয়। এদিকে এহেন ঘটনার পর প্রধানমন্ত্রীর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিভিন্ন মহল। এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এই ঘটনাকে চরম গাফিলতির আখ্যা দিয়েছেন।

শুধু তাই নয়, বিজেপির তরফ থেকে অভিযোগ করা হয়, ‘রাস্তায় পঞ্জাব সরকার নিরাপত্তা না দেওয়ায়, এগোতে পারেনি কনভয়।’ এই বিষয়ে পঞ্জাব সরকারের কাছে রিপোর্ট চাইল স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। অন্যদিকে প্রধানমন্ত্রী মুখ্যমন্ত্রী চরণজিৎ সিং চান্নিকে এক হাত নিয়ে বলেন, ‘ভাতিন্দা বিমানবন্দর পর্যন্ত বেঁচে ফিরতে পেরেছি, ধন্যবাদ।’ বিশিষ্ট মহলের দাবি, নির্বাচনী আবহে এহেন ঘটনার জল অনেক দূর গড়াতে পারে।

Tripura: ‘হামলায়’ মৃত্যু ত্রিপুরার প্রাক্তন মন্ত্রীর পুত্র, অভিযুক্ত বিজেপি

ত্রিপুরার প্রাক্তন কৃষিমন্ত্রীর পুত্র রাজনৈতিক হামলায় গুরুতর জখম হয়েছিলেন। তিনি কলকাতায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রয়াত হয়েছেন।

মৃত মুজিবুর ইসলাম মজুমদার তৃণমূল কংগ্রেস নেতা। তাঁর মৃত্যুর খবরে আগরতলার রাজনৈতিক মহল সরগরম। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, পরিকল্পিত হামলা চালানো হয়। দলীয় নেতাকে খুন করা হয়েছে।

ত্রিপুরার কংগ্রেস সরকারের আমলে কৃষিমন্ত্রী মনসুর আলির পুত্র মৃত মুজিবুর ইসলাম মজুমদার। তিনি তৃণমূল কংগ্রেস নেতা। তাঁর এক ভাই ডক্টর বাহারুল ইসলাম মজুমদার ত্রিপুরা প্রদেশ বিজেপি সংখ্যালঘু সেলের নেতা।

টিএমসির নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন মুজিবুর ইসলাম মজুমদার। টিএমসির দাবি, গত ২৮ শে আগস্ট তৃণমূল ছাত্র পরিষদের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকীতে মুজিবর ইসলাম মজুমদারের বাসভবনে এক কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছিল। সেই দিন বিজেপি আশ্রিত দুর্বৃত্তরা চড়াও হয়। তিন জন তৃণমূল কর্মী ও ওনার পরিবারের সদস্যরা জখম হন। গুরুতর জখম মুজিবর ইসলাম মজুমদার এবং ছাত্রনেতা শুভঙ্কর মজুমদারকে কলকাতায় এসএসকেএম হাসপাতালে উন্নত চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া হয়। শুভঙ্কর মজুমদার সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে আসেন। গুরুতর জখম মুজিবুর ইসলাম মজুমদার মারা গেছেন।

টিএমসির তরফে প্রতিবাদ কর্মসূচি চালানো হবে বলে জানানো হয়েছে। গোটা ঘটনায় আগরতলা সরগরম। কারণ মৃতের ভাই খোদ রাজ্য বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ মুখ।

Haiti: গুলি চলল, পালিয়ে বাঁচলেন প্রধানমন্ত্রী

haiti-prime-minister

ষড়যন্ত্র বানচাল। ষড়যন্ত্রীরা গুলি চালিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে খুনের চেষ্টা করে পার পেল না। হাইতির প্রধানমন্ত্রীর দেহরক্ষীরা গুলি চালিয়ে একজনকে খতম করলেন।

হামলার চেষ্টার চাঞ্চল্যকর ছবি প্রকাশ করেছে হাইতি সরকার। দেখা যাচ্ছে গুলি করে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে হাইতির প্রধানমন্ত্রী অ্যারিয়েল হেনরিকে। স্বাধীনতা দিবসের অনুষ্ঠানে হামলা চালানো হয়।  এক গির্জায় এই হামলার ঘটনা ঘটে।

গুলি শুরুর পর হাইতির প্রধানমন্ত্রী অ্যারিয়েল হেনরি ও তার নিরাপত্তা কর্মীরা গাড়ির দিকে ছুটে আত্মরক্ষা করেন। হাইতি নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে একজন নিহত ও দুজন আহত হয়। 

গত বছর থেকে পরপর রাজনৈতিক ষড়যন্ত্রে তীব্র অস্থিরতা ক্যারিবিয়ান দ্বীপরাষ্ট্র হাইতিতে। গত বছর ৭ জুলাই রাতে হাইতির রাজধানী পোর্ট অউ প্রিন্সে প্রেসিডেন্ট জোভেনেল মইসিকে খুন হন। সেই হত্যাকাণ্ডের পরে হাইতিতে শুরু হয়েছে ক্ষমতা দখলের চক্রান্ত।

এবার প্রধানমন্ত্রী অ্যারিয়েল হেনরিকে খুনের চেষ্টা তারই ইঙ্গিত। তিনি ক্ষমতায় আসার পর দেশটির অপহরণকারী চক্রগুলোর বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর ঘোষণা করেছেন।

Modi: ‘ঘরে ঘরে চাকরি’ নেই, মোদীর সফরে ত্রিপুরায় বেকারত্ব কাঁটা

modi farm laws withdrawal announcement

কড়া নিরাপত্তায় মুড়েছে ত্রিপুরার রাজধানী শহর আগরতলা। মঙ্গলবার আগরতলার মহারাজা বীর বিক্রম বিমান বন্দরের নতুন টার্মিনাল ভবনের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী মোদী। তাঁর সফরসূচি জমকালো করতে রাজ্যের বিজেপি জোট সরকার খামতি রাখছে না। বিমানবন্দর থেকে আগরতলার বিখ্যাত আস্তাবল ময়দান জুড়ে নিরাপত্তার কঠিন বলয় রাখা হচ্ছে।

একই সফরে মনিপুর যাবেন মোদী। বরাক নদীর উপর সেতু উদ্বোধন করবেন তিনি। মনিপুরে আসন্ন বিধানসভা ভোটে বিজেপি সরকার  নড়বড়ে বলে সমীক্ষায় উঠে এসেছে।

মোদীর ত্রিপুরা সফরে রাজনৈতিক বিতর্ক প্রবল আকার নিয়েছে। আগরতলার রাজনৈতিক মহল তপ্ত। রাজ্য সশস্ত্র বাহিনী টিএসআর নিয়োগ ঘিরে সরকার অস্বস্তিতে। ভুয়ো নিয়োগের অভিযোগে সরব চাকরি প্রার্থীরা। রাস্তায় বিক্ষোভ তুঙ্গে। চাকরিচ্যুত শিক্ষক শিক্ষিকাদের আন্দোলনও চলছে।

বিজেপি জোট সরকারে আসার পর অর্থাভাবে আত্মঘাতী ও অসুস্থ হয়ে শতাধিক চাকরিচ্যুত শিক্ষক শিক্ষিকা মৃত। আরও অভিযোগ, ঘরে ঘরে চাকরির মি়থ্যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে বিজেপি।

রাজ্যের বিজেপি সরকারের দাবি, ত্রিপুরা এখন উন্নয়নের পথে সামিল। তার উদাহরণ বাঁশ দিয়ে রোজগার ও বিমান বন্দরের জৌলুশ।

তবে প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএমের দাবি, ২০০৮ সাল থেকে রাজ্য বামফ্রন্ট সরকারের সদর্থক ভুমিকারই ফসল আজকের এই আগরতলা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর। তৃণমূল কংগ্রেসের অভিযোগ, বিজেপি এই রাজ্যে দুয়ারে গুণ্ডা সরকার চালাচ্ছে। সবমিলে মোদীর সফরের আগে আগরতলা সরগরম।

আগরতলা  বিমানবন্দরটি ১৯৪২ সালে ত্রিপুরার রাজা বীর বিক্রম কিশোর মানিক্য বাহাদুরের সময় মনির্মিত হয়েছিল। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ ও ১৯৭১ সালের ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের সময় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেয় এই বিমান বন্দর। বাংলাদেশ সীমান্তের একেবারে নিকটে ভারতের এই বিমানবন্দরটি উত্তর পূর্বাঞ্চলের সঙ্গে বাকি দেশের আকাশপথ যোগাযোগের বিশেষ কেন্দ্র।

Covid 19: গান্ধী পরিবারে ঢুকল করোনা, আক্রান্ত প্রিয়াঙ্কা

Priyanka Gandhi

গতবছর নেগেটিভ ছিলেন। এবছর পজিটিভ হলেন। প্রিয়াঙ্কা গান্ধী বঢরা করোনা পজিটিভ হয়ে আইসেলেশনে। নিজেই সেকথা জানিয়েছেন। সেইসঙ্গে গান্ধী পরিবার তথা জাতীয় কংগ্রেসের সর্বোচ্চ ঘরে পৌঁছে গেল করোনাভাইরাস।

একইভাবে সোনিয়া গান্ধী ও রাহুল গান্ধীকে নিয়েও উদ্বেগ। তবে তাঁরা এখনও করোনা আক্রান্ত নন। কিন্তু কংগ্রেস ঘরে ঢুকেছে করোনা।

প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর করোনা হওয়ায় তাঁর সংস্পর্শে আশা বাকি কংগ্রেস নেতা নেত্রীরা চিন্তিত। তাঁরাও কোভিড টেস্ট করাচ্ছেন।

উত্তর প্রদেশ ভোটে কংগ্রেসের তরফে মূল প্রচারের দায়িত্ব নিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা। প্রিয়াঙ্কা দায়িত্ব পেতেই কংগ্রেসে এসেছে অক্সিজেন। একের পর এক জনসভায় ভিড় প্রবল। শাসক বিজেপির তরফে বারবার প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে নিশানা করা হয়েছে। এর মাঝে করোনা পজিটিভ হওয়ায় প্রিয়াঙ্কাকে নিয়ে উদ্বেগ শুরু কংগ্রেস মহলে।

গতবছর করোনা আক্রান্ত হন প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর স্বামী রবার্ট বঢরা। তখন প্রিয়াঙ্কার করোনা পরীক্ষা হলেও রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছিল।। ফলে অসম, তামিলনাড়ু, কেরলের ভোট প্রচার থেকে নিজেকে সরিয়ে নেন তিনি।

Bangladesh: পশ্চিমবঙ্গে ব্যাপক সংক্রমণে চিন্তিত শেখ হাসিনা সরকার, লকডাউন?

প্রতিবেশি ভারতে করোনার অঘোষিত তৃতীয় ঢেউ চলছে। সেই সঙ্গে বাড়ছে ওমিক্রন সংক্রমণ। আর পশ্চিমবঙ্গের করোনা সংক্রমণ রীতিমতো উদ্বেগজনক। সীমান্তের ওপারে পরিস্থিতি দেখে বাংলাদেশ সরকার একগুচ্ছ বিধিনিষেধ ফের আরোপ করল।

বাংলাদেশেও ফের করোনা সংক্রমণের গতি বেড়েছে। রাজধানী ঢাকাতেই সংক্রমণ সর্বাধিক। পশ্চিমবঙ্গ সংলগ্ন খুলনা, রাজশাহি, রংপুর বিভাগগুলির পরিস্থিতির উপর বিশেষ নজর রাখা হচ্ছে। এই বিভাগগুলিতেই বিভিন্ন সীমান্ত চেকপোস্ট দিয়ে দুই দেশের মধ্যে যাতায়াতকারী বেশি।

মঙ্গলবার ঢাকায় বাংলাদেশের স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক জানান, যদি কারোর টিকা না নেওয়া থাকে সেই ব্যক্তি কোনও রেস্তোরাঁয় ঢুকতে পারবেন না। মাস্ক ব্যবহার না করলে জরিমানা ধার্য হবে।

পশ্চিমবঙ্গে করোনা সংক্রমণের জেরে ফের আরোপিত হয়েছে বিধিনিষেধ। বাংলাদেশেও পরিস্থিতি বিচার করে আংশিক বা পূর্ণাঙ্গ লকডাউন করার কথা চিন্তা করছে শেখ হাসিনার সরকার। জানা গিয়েছে, এই বিষয়ে আরও পর্যালোচনা করা হবে।

বাড়তে থাকা সংক্রমণের কারণে পশ্চিমবঙ্গের মতো বাংলাদেশেও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ হতে পারে। 

বাংলাদেশের শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি জানিয়েছেন, আমরা সারাক্ষণই করোনা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। যদি আমাদের মনে হয়, শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের স্বাস্থ্যসুরক্ষা নিশ্চিতের জন্য ক্লাস কমাতে হবে, কমিয়ে দেব। করোনা পরিস্থিতির অবনতি হলে প্রয়োজনে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্লাস বন্ধ করে দেওয়া হবে।

দীপু মনি আরও বলেন, বিগত বছরগুলোতে মার্চ মাসে এদেশে সংক্রমণ বাড়তে দেখা গেছে। তাই মার্চ মাস না আসা পর্যন্ত পরিস্থিতি কোন দিকে যাচ্ছে সেটা বোঝা যাবে না। স্বাস্থ্যবিধি মানলে আমরা সংক্রমণ কম রাখতে পারব। এরইমধ্যে কয়েকজনের দেহে ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট শনাক্ত হয়েছে। তাই আমাদের খুবই সতর্ক থাকতে হবে এবং স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। 

মার্চ-এপ্রিলে আবার করোনাভাইরাসের সংক্রমণ বাড়তে পারে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য অধিদফতরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. আবুল বাশার মহম্মদ খুরশীদ আলম। তিনি জানান, পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা পর্যায়ে হাসপাতালের পুরো প্রস্তুতি জানুয়ারিতে শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে

বাংলাদেশ স্বাস্থ্য অধিদফতর জানাচ্ছে, করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে সোমবার পর্যন্ত মোট ২৮ হাজার ৮১ জনের মৃত্যু হয়েছে। করোনা শনাক্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১৫ লাখ ৮৭ হাজার ১৪০ জন। 

Pakistan: ‘কাপুরুষের দেশ’ পাকিস্তান, কটাক্ষ ইমরান খানের প্রাক্তন স্ত্রী রেহামের

কাপুরুষের দেশ! এমনই ভাষায় পাকিস্তান ও দেশের সরকারের কড়া সমালোচনা করলেন পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রাক্তন স্ত্রী রেহাম খান। তাঁর টুইট নিয়ে ইসলামাবাদ সরগরম। বিশ্বজুড়ে প্রতিক্রিয়া আসতে শুরু করেছে।

কেন এমন লিখলেন রেহাম খান?

রেহাম খানের গাড়িতে রবিবার (২ জানুয়ারি) রাতে গুলি চালানোর ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার পরে পাকিস্তানকে ‘কাপুরুষের দেশ’ বলে কটাক্ষ করেছেন রেহাম।

রেহাম টুইট করেছেন, ‘ভাগ্নের বিয়ে থেকে বাড়ি ফিরছিলাম। হঠাৎ বাইকে চেপে দুই দুষ্কৃতি এসে আমাদের গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি চালাতে থাকে। বন্দুক ধরে গাড়িকে দাঁড় করিয়ে রাখে। আমি অন্য গাড়িতে উঠে পড়েছি। ওই গাড়িতে আমার নিরাপত্তারক্ষী ও চালক আছেন। আমি পাকিস্তানে সাধারণ পাকিস্তানিদের মতো বাঁচতে এবং মরতে চাই। এটা কাপুরুষোচিত হামলা। শহরের প্রধান মহাসড়কে এই হামলার জন্য সরকারকে জবাবদিহি করতে হবে।

পাক প্রধানমন্ত্রীর প্রাক্তন স্ত্রী আঙুল তুলেছেন ইমরান খানের প্রশাসনের দিকে। রেহাম টুইটে লিখেছেন, ‘এটাই কি ইমরান খানের নতুন পাকিস্তান। কাপুরুষ, গুণ্ডা ও লোভীদের দেশে আপনাকে স্বাগত!’

২০১৪ সালে ইমরানকে বিয়ে করেন সাংবাদিক ও  টিভি সঞ্চালক রেহাম খান। তাঁদের বিচ্ছেদ হয় ২০১৫ সালে ৩০ অক্টোবর। এর পর ফের ইমরান খান বিয়ে করেন। তাঁর বর্তমান স্ত্রীর নাম বুশরা মানেকা।

Covid 19: বন্ধ হোক লাখো জমায়েতের গঙ্গাসাগর মেলা, আদালতে চিকিৎসক আর্জি

করোনা সংক্রমণের বিরাট চেহারা নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। চলছে বিধিনিষেধ। এই অবস্থায় সোমবার হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির ডিভিশন বেঞ্চে গঙ্গাসাগর মেলা বন্ধ রাখার আর্জি পেশ করলেন চিকিৎসক অভিনন্দন মণ্ডল।

ওই চিকিৎসকের দাবি, রাজ্য সরকারের তরফে জানানো হয়, এই মেলায় বিভিন্ন প্রান্তের মানুষ একত্রিত হয়ে থাকেন। ৩০ লক্ষের বেশি জনসমাগম হয়ে থাকে। ফলে এমন জনসমুদ্রে দূরত্ববিধি-সহ অন্যান্য কোভিড প্রোটোকল মানা সম্ভব নয়। এবারও একই পরিমাণ ভিড় হলে আরও বাড়বে গোষ্ঠী সংক্রমণের আশঙ্কা। ফলে ভেঙে পড়তে পারে চিকিৎসা পরিষেবা।

তাঁর যুক্তি, এই বিপুল পরিমাণ মানুষকে চিকিৎসা দেওয়া সম্ভব হবে না। কারণ লাগাতার পরিষেবা দিতে দিয়ে চিকিৎসকরাও এই মারণ ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে পড়ছেন।

অভিনন্দন মণ্ডলের আর্জি, অতিমারীর ভয়াবহতার কথা মাথায় রেখে এবারের মতো গঙ্গাসাগর মেলা বন্ধ রাখা হোক। সম্ভবত আগামী ৫ জানুয়ারি এই জনস্বার্থ মামলার শুনানি।

শান্তির পথে মোস্ট ওয়ান্টেড পরেশ বড়ুয়া? ফাঁসির আসামীকে নিয়ে ঢাকা-দিল্লি টানাটানি

paresh baruah

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: অনেকগুলো ছদ্মনাম। কখনও কামারুজ্জামান, কখনও নুরুজ্জামান, এই সব নামেই একসময় বাংলাদেশে থেকে বারবার নাশকতার ছক করা শীর্ষ ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদী জঙ্গি নেতা পরেশ বড়ুয়া শান্তি আলোচনায় আগ্রহী!

অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার এমন ইঙ্গিতের পরেই গুয়াহাটি থেকে নয়াদিল্লি হয়ে বাংলাদেশ, চিন, থাইল্যান্ড, ফিলিপিন্স এমনকি মায়ানমারের সামরিক সরকারও হতচকিত। ঢাকা, বেজিং, ব্যাংকক, ম্যানিলা, নেপিদ (ইয়াঙ্গন) সর্বত্র আলোচনা বড়ুয়ার অবস্থান কী হতে পারে।

ব্রহ্মপুত্র উপত্যকা তীব্র শোরগোল। সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আলফা (স্বাধীনতা) কি অস্ত্র নামিয়ে নেবে? এমনই প্রশ্ন উঠেছে। অসমের মুখ্যমন্ত্রীর ইঙ্গিত, বড়ুয়া সদর্থক বার্তা দিয়েছেন। কারণ, একের পর এক বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর সদস্যরা আত্মসমর্পণ করছে। ডিমাসাল্যান্ডের দাবিদার ডিএনএলএ, বোড়োল্যান্ডের দাবিদার এনডিএফবি(সংবিজিত) গোষ্ঠীর সদস্যদের ভূমিকায় আলফা (স্বাধীনতা) ক্যাডারদের মনে প্রভাব ফেলছে। পরেশ বড়ুয়া এটা ভালোই বুঝতে পারছেন।

paresh baruah

দক্ষিণ এশিয়ার শীর্ষ বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা পরেশ বড়ুয়া স্বশাসিত অসমের দাবিতে আতঙ্ক জাগানো এক নাম। অসমে রক্তাক্ত বিচ্ছিন্নতাবাদ জোরদার করতে নব্বই দশকে পরেশ বড়ুয়া ভারত থেকে বাংলাদেশের আলফার গোপন ডেরায় চলে যায়। ভারত বিরোধী আন্তর্জাতিক আগ্নেয়াস্ত্র পাচারের ষড়যন্ত্রী বড়ুয়া বাংলাদেশের কাছে ফাঁসির আসামী।

আলফা (স্বাধীনতা) প্রধান যদি ভারতে আত্মসমর্পণ করতে চায় সেক্ষেত্রে ঢাকা-নয়াদিল্লি কূটনৈতিক অবস্থান কী হতে পারে। উঠছে এমন প্রশ্ন। এর আগে পরেশ বড়ুয়ার সহযোগী আলফা নেতা অনুপ চেতিয়া সহ কয়েকজন আলফা জঙ্গি নেতাকে ভারতে পুশ ব্যাক (ঠেলে পাঠানো) করেছে বাংলাদেশ সরকার।

কেন টানাপোড়েন সম্ভাবনা?
পরেশ বড়ুয়া ভারত সরকারের সঙ্গে শান্তি আলোচনায় অংশ নিলে বাংলাদেশের তরফে ভারতের উপর চাপ তৈরি করা হবে। বড়ুয়াকে ভারত থেকে এনে সাজা কার্যকরের দাবি ঢাকার তরফে আসবেই  বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। 

অসম সহ উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী আন্দোলননের অন্যতম নেতা পরেশ বড়ুয়ার এখন মূল গতিবিধি চিন, মায়ানমারে। গোয়েন্দা বিভাগের তথ্য, মূলত চিনেই অবস্থান করে এই বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা। কূটনৈতিক মহলের ধারণা, চিনের তরফে সাড়া না এলে সে দেশে আশ্রিত বড়ুয়ার পক্ষে কোনও পদক্ষেপ নেওয়া সম্ভব নয়।

বাংলাদেশে পরেশ বড়ুয়া
ঢাকা, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহে কামারুজ্জামান, নুরুজ্জামান নামে পরেশ বড়ুয়া সহ অন্যান্য আলফা নেতৃত্ব  ঘাঁটি গেড়েছিল। চট্টগ্রামের ‘দশ ট্রাক অস্ত্র’ মামলায় পরেশ বড়ুয়া বাংলাদেশ সরকারের কাছে ফাঁসির আসামী। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার সময় বাংলাদেশে চলছিল বিএনপি-জামাত ইসলামি জোট সরকার। প্রধানমন্ত্রী ছিলেন খালেদা জিয়া।

দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা
খালেদা জিয়ার সরকারের অভ্যন্তরে সুকৌশলে সংযোগ স্থাপন করেছিল বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আলফা। পরিকল্পনা মাফিক চট্টগ্রাম বন্দর থেকে বিপুল পরিমান আগ্নেয়াস্ত্র চোরাচালানের সবুজ সংকেত আসে। ২০০৪  সালের ১লা এপ্রিল চালান হস্তান্তর হওয়ার আগেই পর্দা ফাঁস হয়। বন্দরের নিরাপত্তারক্ষীরা আটক করেন বহু পেটি। আগ্নেয়াস্ত্র বোঝাই সেই পেটিগুলি নিয়ে যেতে দশটি ট্রাক লেগেছিল। এই কারনে নাম দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা। বিপুল পরিমাণ সেই চোরাই আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধারের পর ঘটনাস্থলে গিয়ে পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দেন তৎকালীন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুতফুজ্জামান বাবর। তবে কাউকেই ধরা যায়নি। প্রশ্ন উঠতে থাকে সরকারের ভূমিকা নিয়েই।

দুই প্রাক্তন মন্ত্রীর ফাঁসির সাজা
বিএনপি সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে এই দশ ট্রাক অস্ত্র মামলার তদন্তে নাটকীয় মোড় নেয়। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে প্রাক্তন স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুতফুজ্জামান বাবর অন্যতম ষড়যন্ত্রী হিসেবে চিহ্নিত হয়। খালেদা জিয়া সরকারের ততকালীন শিল্পমন্ত্রী মতিউর রহমান নিজামীর নাম জড়ায়। পরে মুক্তিযুদ্ধে গণহত্যা চালানোর মামলায় জামাত ইসলামির শীর্ষ নেতা নিজামীর ফাঁসি কার্যকর করেছে বাংলাদেশ সরকার। আর বাবর ফাঁসির আসামী হয়ে বন্দি। তার বিরুদ্ধে বাংলাদেশে নাশকতার মামলা চলছে।

এই মামলায় বাংলাদেশের ৫ প্রাক্তন সেনা কর্মকর্তা ফাঁসির আসামী। তদন্তে উঠে এসেছে সরকারের অভ্যন্তর থেকে সেনাবাহিনীর ভিতরে চক্রান্তের জাল ছড়িয়েছিল আলফা। পলাতক পরেশ বড়ুয়া ওরফে কামারুজ্জামান ওরফে নুরুজ্জামানও ফাঁসির আসামী।

বাংলাদেশ ত্যাগ করার পর উত্তর মায়ানমার ও চিনের সংলগ্ন এলাকায় পরেশ বড়ুয়ার অবস্থান বারবার তথ্য প্রমাণ সহ গোয়েন্দা বিভাগ প্রকাশ করেছে। চিন ও মায়ানমার সরকার নীরব।

অসম সহ উত্তর পূর্বাঞ্চলে নাশকতা-বিস্ফোরণ, গণহত্যার বিভিন্ন মামলায় জড়িত পরেশ বডুয়ার নাম। আলফা এখন দ্বিখন্ডিত। সশস্ত্র পথের অনুসারী গোষ্ঠী আলফা (স্বাধীনতা)। এর সর্বোচ্চ নেতা পরেশ বড়ুয়া।

Covid 19: সন্ধের পর লোকাল ট্রেন বন্ধ, বিমানে নিষেধাজ্ঞা, করোনা রুখতে কড়াকড়ি

Corona latest updates

রাজ্যে ওমিক্রনের প্রভাবে করোনা সংক্রমণ রুখতে আংশিক লকডাউন ঘোষণা করল পশ্চিমবঙ্গ সরকার। আগামী ৩ জানুয়ারি থেকে বাংলায় আংশিক লকডাউন কার্যকর হবে। তার আগে শনিবার রাজ্যের মুখ্যসচিব মুখ্যসচিব এইচ কে দ্বিবেদী এক সাংবাদিক বৈঠকের বিধিনিষেধের শর্তাবলী জানিয়ে দেন।

নবান্নের নির্দেশ অনুযায়ী, আগামীকাল থেকে বন্ধ থাকছে স্কুল-কলেজ, সুইমিং পুল, স্পা, জিম, বিউটি পার্লার, সেলুন। শপিং মল, রেস্তোরাঁ, পানশালা সকাল ১০ টা থেকে বিকেল ৫ টা পর্যন্ত ৫০ শতাংশের উপস্থিতি নিয়ে খোলা রাখা যাবে।

সিনেমা হলে ৫০ শতাংশ দর্শক থাকবে। রাত্রি ১০টার পর সিনেমা হল খোলা রাখা যাবেনা।
যেকোনও অনুষ্ঠানে ৫০ শতাংশ অতিথি এবং বিয়ের অনুষ্ঠানে ৫০ জনের বেশী অতিথি থাকতে পারবে না। মৃতদেহ নিয়ে যেতে পারবেন সর্বোচ্চ ২০ জন।
লোকাল ট্রেনগুলি ৫০ শতাংশ যাত্রী নিয়ে যাতায়াত করবে এবং সন্ধ্যে ৭ টার পর ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকবে। তবে দূরপাল্লার ট্রেন চলতে পারে।
সরকারি ও বেসরকারি অফিসে ৫০ শতাংশ কর্মচারী নিয়ে কাজ চলবে।
চিড়িয়াখানা সহ অন্যান্য পর্যটন কেন্দ্রগুলি বন্ধ থাকছে।
ব্রিটেন থেকে কলকাতায় আসা বিমানে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। অন্য দেশগুলি থেকে আসা বিমানযাত্রীদের র‍্যাপিড অ্যান্টিজেন টেস্ট বাধ্যতামূলক।

<

p style=”text-align: justify;”>আংশিক লকডাউন জারি হওয়ার ফলে আগামী ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে ‘দুয়ারে সরকার’। এই বিষয়টিকে কেন্দ্র করেই ফের শুরু শাসক-বিরোধী তরজা। বিজেপি কটাক্ষ করে বলে, সরকারের কাছে টাকা নেই তাই লকডাউনের অজুহাত দেখিয়ে দুয়ারে সরকার পিছিয়ে দেওয়া হচ্ছে। সাধারণ মানুষকে তাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত করা হচ্ছে। যদিও উত্তরে তৃণমূল জানিয়েছে, দুয়ারে সরকার শুরু হলে লম্বা লাইন হবে এবং জমায়েতের ফলে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়বে।

South Africa: লংকা কাণ্ড! জ্বলে গেল দ: আফ্রিকার সংসদ ভবন

দক্ষিণ আফ্রিকার পার্লামেন্ট অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। ব্রিটিশ ফুটেজে দেখা যাচ্ছে, কালো ধোঁয়ায় আকাশ ছেয়ে যাচ্ছে। ভবনের ছাদ থেকে বিশাল অগ্নিশিখা বের হচ্ছে।

আগুন নিয়ন্ত্রণের জোর প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন দমকল বাহিনীর কর্মীরা। তবে আগুন লাগার কারণ এখনও জানা যায়নি।

পার্লামেন্টের কাছেই সেন্ট জর্জ ক্যাথিড্রালে কিংবদন্তি বর্ণবৈষম্য বিরোধী নেতা আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটুর রাষ্ট্রীয় অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ার কয়েক ঘণ্টা পর এই ঘটনাটি ঘটল। 

মনে করা হচ্ছে, সংসদ এলাকার একটি পুরানো ভবনে আগুনের সূত্রপাত হয়, যার ফলে ক্যাথিড্রালের কাছাকাছি একটি  নিরাপত্তা বেষ্টনী তৈরি হয় যেখানে বর্ণবৈষম্যবিরোধী আইকন আর্চবিশপ ডেসমন্ড টুটুকে মাত্র কয়েক ঘন্টা আগে সমাধিস্থ করা হয়েছিল।

কেপ টাউনের জরুরি বিভাগের মুখপাত্র সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “ছাদে আগুন লেগেছে এবং জাতীয় সংসদ ভবনেও আগুন লেগেছে। আগুন নিয়ন্ত্রণে নেই এবং ভবনের দেয়ালে ফাটল দেখা দিয়েছে।” যদিও এই ঘটনায় এখনও অবধি কোনও হতাহতের খবর মেলেনি। আগুন বর্তমানে তৃতীয় তলায় রয়েছে। স্থানীয়রা ভোরে ভবনের উপরে আগুনের শিখা ও ধোঁয়া দেখতে পান। এদিকে উদ্বিগ্ন কেপ টাউনের বাসিন্দারা দ্রুত টুইটারে আগুনের ছবি শেয়ার করেছেন।

কেপ টাউনের প্রাক্তন মেয়র এবং বর্তমান মন্ত্রী প্যাট্রিসিয়া ডি লিল ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের বলেন, “প্রকৃত জাতীয় সংসদ এখনও নিরাপদ”। তিনি আরও বলেন, “দমকল পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে।” অগ্নিনির্বাপক বাহিনী ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে, আগুনে জল স্প্রে করার জন্য একটি ক্রেন ব্যবহার করছে বলে খবর। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই বিধ্বংসী আগুনের জেরে সুসজ্জিত ভবনের অনেক ক্ষতি হতে পারে। গোটা এলাকা ঘিরে ফেলা হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসছে, আগুনটি প্রথমে অফিসে লাগে তারপর সেটা ক্রমেই জিমের দিকে এগিয়ে যায়। কেপ টাউনের সংসদ ভবন তিনটি বিভাগ নিয়ে গঠিত, যার মধ্যে মূল এবং প্রাচীনতম ভবনও রয়েছে যা কিনা ১৮৮৪ সালে তৈরি হয়েছিল। এছাড়া ১৯২০ এবং ১৯৮০-এর দশকে নির্মিত নতুন সংযোজনগুলিতে জাতীয় সংসদ রয়েছে।

Bangladesh: আস্ত একটা বাঘ ঢুকল ঢাকার কাছে জনবহুল এলাকায়!

শীতের সকালে লেপমুড়ি থেকে উঠেই চমকে গেলেন ঢাকার নাগরিকরা। একটা কেঁদো বাঘ এসেছে এই খবরে হই হই পড়েছে।বাংলাদেশের রাজধানী ঢাকা বিভাগেই বাঘের হানা!

সুন্দরবনের ভয়াল রয়েল বেঙ্গল টাইগার ঢুকেছে ঢাকার ধামরাই উপজেলার লোকালয়ে। এই নিয়ে বাংলাদেশের রাজধানীর নগর জীবন সরগরম।

আস্ত একটা রয়েল বেঙ্গল টাইগার এসেছে ছাগল খেতে। ক্ষুধার্ত সুন্দরবনের এক রয়েল বেঙ্গল টাইগারকে উদ্ধার করেছেন ধামরাইয়ের স্থানীয় জনতা।বাঘটি এই উপজেলার নবগ্রাম চরপাড়ায় মহম্মদ আব্দুল হালিমের তত্বাবধানে রয়েছে।

স্থানীয়দের মতে, বেনাপোল, হিলি অথবা পার্বতীপুর সীমান্ত পথে ভারতে এই বাঘটি পাচার করা হচ্ছিল। কোনওরকমে সেটি পালন। এরপর জঙ্গল, কলাবাগান কিংবা কবরস্থানের ঝোপঝাড়ে আশ্রয় নেয়। খিদে পেলে বাঘটি লোকালয়ে আসে।

শুক্রবার ধামরাইয়ের কৃষক মহম্মদ আব্দুল হালিমের বাড়ির একটি ছাগল ধরে নিয়ে আমবাগানের ভেতর খাচ্ছিল ওই বাঘটি। পথচারীরা শব্দ শুনতে পেয়ে ভয়ে আঁতকে ওঠে। পরে এলাকাবাসী লাঠিসোটা আর মোটা সুতার জাল নিয়ে বাঘটিকে ঘেরাও করে আটক করেন।

ধামরাই উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মহম্মদ সাইদুর রহমান জানিয়েছেন, বাঘটি লোকালয়ে ছাগল খাওয়ার জন্য এসে জনতার হাতে ধরা পড়ে। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষকে খবর দেওয়া হয়েছে। তারা এলেই বাঘটি হস্তান্তর করা হবে।

Covid 19: বাড়ছে করোনা, ‘সাথে আছি’ বলল রেড ভলান্টিয়ার্স

News Desk: রাজ্য জুড়ে করোনার বাড়তে থাকা গতিতে ফের আতঙ্ক। সঙ্গে দোসর ওমিক্রন ও ফ্লোরোনা। সবমিলে নতুন বছরের প্রথম দিন থেকেই উদ্বেগজনক পরিস্থিতি। আংশিক লকডাউনের পথেই যাচ্ছে সরকার। এর মধ্যে বার্তা দিল করোনা বিপদে আন্তর্জাতিক পরিচিতি পাওয়া রেড ভলান্টিয়ার্স।

সিপিআইএমের ছাত্র ও যুব সংগঠন সহ বিভিন্ন বাম দলগুলির সমর্থকদের নিয়ে তৈরি এই স্বেচ্ছাসেবক বাহিনীর তরফে একটি পোস্টার ছাড়া হয়েছে সোশ্যাল সাইটে। রেড ভলান্টিয়ার্স জানাচ্ছে, “সতর্ক থাকুন। সাবধানে থাকুন। প্রয়োজনে আমরা আবার আছি আপনাদের সাথে। এটাই আমাদের নতুন বছরের অঙ্গীকার।”

এই পোস্টার সোশ্যাল সাইটে শেয়ার করেছেন সিপিআইএম কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আভাস রায়চৌধুরী। তাঁর পোস্টের প্রেক্ষিতে শুভেচ্ছা মন্তব্য এসেছে পরপর।

রেড ভলান্টিয়ার্সদের করোনা মোকাবিলা বিশ্ব জুড়ে আলোচিত। আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমে প্রবল প্রশংসিত। গত করোনা প্রকোপে অক্সিজেন সংকট, মৃতদেহ শ্মশানে বা কবরস্থানে নিয়ে যাওয়ার সময় রেড ভলান্টিয়ার্স ছাড়া প্রশাসন কার্যত অচল হয়ে গেছিল।

পরিস্থিতি এমন হয় যে শাসক তৃণমূল কংগ্রেস, বিরোধী দল বিজেপির মন্ত্রী, নেতারা বিপদের সময় সিপিআইএমের রেড ভলান্টিয়ার্সের স্মরণাপন্ন হন। অভিযোগ, শাসক ও বিরোধী দলের যুব সদস্যদের এরকম ভূমিকা নিতে ততটা দেখা যায়নি।

বিধানসভা ভোটে সিপিআইএম ও বামেরা শূন্য হয়েছে। একটিও আসন নেই তাদের। এর পরেও লাগাতার পরিষেবা দিয়ে আরও আলোচনায় রেড ভলান্টিয়ার্স। সম্প্রতি কলকাতা পুরনিগমের ভোটে বাম প্রার্থীদের তালিকায় ছিলেন একগুচ্ছ রেড ভলান্টিয়ার্স। একজনও নির্বাচিত হননি। তবে বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, কলকাতা পুরনিগমে ভোটের নিরিখে বিজেপিকে টপকে বাম শিবির বিরোধী হয়েছে। এমনটা হওয়ার পিছনে রেড ভলান্টিয়ার্সের ভূমিকা বেশ উল্লেখযোগ্য বলে মনে করা হচ্ছে।