Bankura: অসমে ডি-ক্যাম্পের ভয়াবহ বন্দিদশা কাটিয়ে ফের ভোটার গঙ্গাধর

released-from-d-camp

তিমিরকান্তি পতি, বাঁকুড়াঃ অবশেষে ভোটার সচিত্র পরিচয় হাতে পেলেন চার বছর অসমের ডিটেনশন ক্যাম্পে কাটানো, বিষ্ণুপুরের (Bankura) রাধানগর গ্রামের যুবক গঙ্গাধর প্রামানিক। মঙ্গলবার স্থানীয় মহকুমাশাসক অনুপ কুমার দত্ত গঙ্গাধরের বাড়িতে গিয়ে তাঁর হাতে সচিত্র ভোটার পরিচয়পত্র তুলে দেন।

মাত্র ১৬ বছর বয়সে বাড়ি থেকে কাজের খোঁজে বেরিয়ে অসমে পৌঁছে গেছিলেন রাধানগর গ্রামের যুবক গঙ্গাধর প্রামানিক। সেখানে কিছুদিন হোটেলে কাজ করেন তিনি। সঙ্গে সচিত্র ভোটার পরিচিতি পত্র সহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় কাগজপত্র না থাকা ২০১৭ সালে অসম পুলিশ তাকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারী সন্দেহে গ্রেফতার করে।

ওই বছরেরই ১২ ডিসেম্বর থেকে ‘গোয়ালপাড়া ডিটেনশান ক্যাম্পে’ জায়গা হয় বাঁকুড়ার বাসিন্দা গঙ্গাধরের। অসমের ‘সিটিজেন ফর জাস্টিস অ্যাণ্ড পিস’ নামে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সৌজন্যে বন্দিদশা থেকে মুক্তি পেয়ে চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে রাধানগরের বাড়িতে ফেরেন গঙ্গাধর প্রামানিক।

বিষ্ণুপুর মহকুমা শাসকের সৌজন্যে সচিত্র ভোটার পরিচিতিপত্র হাতে পেয়ে খুশি এক সময় ‘নিজ দেশে পরবাসী জীবন কাটানো গঙ্গাধর প্রামানিক।

মহকুমাশাসক অনুপ কুমার দত্ত বলেন, ভোটার পরিচিতি পত্র না থাকায় অসমে কাজ করতে গিয়ে সমস্যায় পড়েছিল রাধানগরের গঙ্গাধর প্রামানিক। সেখান থেকে ফেরার পর সচিত্র ভোটার পরিচিতিপত্রের জন্য সে আবেদন করেছিল। সমস্ত তথ্য, প্রমাণ যাচাই করে তার হাতে এই পরিচিতি পত্র তুলে দেওয়া হলো।

Nagaland: ফের অসম রাইফেলসের গুলি চালানোর অভিযোগ, আরও মৃত্যু

Nagaland

News Desk: নাগাল্যান্ডের (Nagaland) পরিস্থিতির তীব্র উত্তেজনপূর্ণ। মন জেলার অসম রাইফেলসের বিরুদ্ধে ফের গুলি চালানোর অভিযোগ উঠল। আরও দুই ব্যক্তির মৃত্যুর খবর আসছে।গুয়াহাটি ও কোহিমার বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের খবর,মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৬ জন। মৃতদের মধ্যে ১৫ জন নাগাল্যান্ডের মন জেলার তুরি-ওটিং গ্রামের বাসিন্দা। মৃত এক অসম রাইফেলস জওয়ান।

পড়ুন: Nagaland: বড়দিনের আগেই রক্তাক্ত নাগাভূমি, নাগা পাহাড়ে ভয়ের মেঘ

জঙ্গি সন্দেহে গ্রামবাসী শ্রমিকদের উপর শনিবার গুলি চালায় অসম রাইফেলস। রক্তাক্ত পরিস্থিতির পর নাগাল্যান্ড সহ উত্তর পূর্বাঞ্চল জুড়েই ধিক্কার শুরু হয়েছে। রাজ্য ও কেন্দ্রের তরফে বলা হয়েছে অসম রাইফেলস ‘ভুল’ করে গুলি চালিয়েছিল। এতে ক্ষোভ সামলানো যায়নি।

Mon district massacre

গ্রামবাসীদের গুলি করে মারার প্রতিবাদে রবিবার দুপুর থেকে নাগাল্যান্ডের মন জেলা তীব্র উত্তেজনাপূর্ণ। স্থানীয় অসম রাইফেলস ক্যাম্পে ভাঙচুর ও আউট পোষ্ট জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছে। এতে স্পষ্ট সামগ্রিক পরিস্থিতি নাগাল্যান্ড রাজ্য প্রশাসনের হাতের বাইরে।

গুয়াহাটির সংবাদ মাধ্যম জানাচ্ছে, আউট পোস্টে হামলা, আগুন ধরানো রুখতে শূন্যে গুলি চালায় অসম রাইফেলস। অভিযোগ এবারেও গুলি লেগে আরও দুই ব্যক্তি মারা গেছেন।

Nagaland Assam rifles

নাগাল্যান্ডের মন জেলার তুরি-ওটিং সড়কের পাশে ওটিং গ্রামে রক্তাক্ত পরিস্থিতির প্রতিবাদে ক্ষোভ ছড়িয়েছে অসম, মেঘাল়য, মনিপুর, মিজোরামে। বিক্ষোভের আক্রোষে উত্তপ্ত পুরো উত্তর পূর্বাঞ্চল।

দিল্লি সফর কাটছাঁট করে তড়িঘড়ি কোহিমা ফিরছেন নাগাল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নেইফিউ রিও। তিনি ডিমাপুর হয়েই আসবেন। এদিকে ক্ষোভের আঁচে উত্তপ্ত ডিমাপুর। বিভিম্ন সংগঠনের তরফে মুখ্যমন্ত্রীকে ঘেরাও করার প্রস্তুতি চলছে। রাজধানী কোহিমা শহরেও তীব্র ক্ষোভ দেখাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।

Bangladesh: সংকটে খালেদা, সরকার পতনের আন্দোলন হুমকি বিএনপির

bangladesh-bnp-mass-protest-khaleda-zia

News Desk: বাংলাদেশে (Bangladesh) বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য দ্রুত বিদেশে না পাঠালে সরকার পতনের আন্দোলন শুরু হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দুর্নীতির মামলায় বন্দি ছিলেন জেলে। কোভিড পরিস্থিতি ও অসুস্থতার কারণে তিনি জেল থেকে ছাড়া পান। তবে দেশের বাইরে যাওয়ায় নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। খালেদা জিয়া অসুস্থ। তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিদেশে করানোর দাবিতে সরব বিএনপি। শনিবার সকালে দলটির এক মানববন্ধন কর্মসূচিতে মহাসচিব মির্জা ফখরুল বলেন, ‘খুব পরিষ্কার করে সরকারের কাছে বলতে চাই আর বিলম্ব করবেন না। অবিলম্বে দেশনেত্রীকে মুক্তি দিন এবং তাকে চিকিৎসার জন্য বিদেশে পাঠানোর ব্যবস্থা করুন। অন্যথায় এ দেশের জনগণ আপনাদেরকে ক্ষমা করবে না। আপনাদেরকে হটিয়ে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করবে এবং এই আন্দোলনই হবে এই সরকার পতনের শুরু।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের ছাত্ররা অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে, অনেকে গুম হয়ে গেছে, অনেকে খুন হয়েছে, কারাগারে এখনও আমাদের ছাত্রনেতারা নির্যাতন ভোগ করছে। এ দেশকে মুক্ত করতে হলে, অন্যায়ের প্রতিবাদ করতে হলে আজকে যুবকদের জেগে উঠতে হবে, তরুণদের জেগে উঠতে হবে, ছাত্রদলকে জেগে উঠতে হবে। বাংলাদেশে সব বিজয় অর্জন হয়েছে ছাত্রদের নেতৃত্বে।

জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে জাতীয়তাবাদী ছাত্রদলের উদ্যোগে বিএনপি নেত্রীর বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে সুচিকিৎসার জন্য পাঠানোর দাবিতে এই সমাবেশ হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ ঢাকা মহানগর ছাত্রদলের কয়েক হাজার নেতাকর্মী খালেদা জিয়ার প্রতিকৃতি হাতে নিয়ে এই সমাবেশে অংশ নেন।  সমাবেশে ব্যাপক নেতাকর্মীর উপস্থিতির কারণে এই সড়কে একটা পর্যায়ে যানবাহন চালাচলও বন্ধ হয়ে যায়।

Bankura: মমতার হাত ধরলেই সে বিশ্বাসঘাতক, কার উদ্দেশ্যে বললেন BJP রাজ্য সভাপতি?

sukanta mazumdar

News Desk, Bankura: ‘মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের হাত যে ধরবে সেই বিশ্বাসঘাতকতার মুখে পড়বে’। এমনই নির্দেশ দিলেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার। দলের রাজ্য সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর প্রথম বাঁকুড়ায় দলীয় কর্মসূচিতে এসেছেন তিনি।

তিনি আরো বলেন, নরেন্দ্র মোদী ‘গোল্ড মেডেল পেয়ে গেছেন’। এখন দ্বিতীয় স্থানে তৃণমূল, কংগ্রেস, শিবসেনা না ইউ.পি.এ কে থাকবে তার লড়াই চলছে।

সুকান্ত মজুমদার বলেন, ‘সিপিআইএমকে তৃণমূল লোক যোগান দিচ্ছে। ঝাণ্ডা লাগানো থেকে মিটিং এ লোক পাঠানোর ব্যবস্থা করে ওই দলকে ‘তুলে আনা’র চেষ্টা হচ্ছে বলেও তিনি দাবি করেন।

বাঁকুড়া মাচানতলা আকাশ মুক্ত মঞ্চে পেট্রোল-ডিজেলের উপর রাজ্যের কর কমানোর দাবিতে দলীয় সভায় যোগ দেওয়ার আগে শহরে ‘প্রতিবাদ মিছিলে’ পথ হাঁটেন তিনি। মিছিল ও সভায় বিজেপি রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার ছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সাংসদ ও কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ডাঃ সুভাষ সরকার, বিজেপি বাঁকুড়া ও বিষ্ণুপুর সাংগঠনিক জেলা সভাপতি বিবেকানন্দ পাত্র, সুজিত অগস্থী সহ অন্যান্যরা।

Odisha: জাওয়াদের হামলা হবে সৈকত শহর পুরীতে, ফেনিল ঢেউয়ে দুলছে সাগর

odisha-cyclone-jawad

News Desk: পশ্চিম-মধ্য বঙ্গোপসাগরে ঘনীভূত গভীর নিম্নচাপ সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হয়ে ওডিশা (Odisha)ও অন্ধ্রপ্রদেশের দিকে অগ্রসর হচ্ছে।

পিআইবি জানাচ্ছে, উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে জাওয়াদ নামে এই ঘূর্ণিঝড়টি উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ ও দক্ষিণ ওডিশা উপকূলের কাছাকাছি গিয়ে পৌঁছবে। উত্তর ও উত্তর-পূর্ব দিকে বাঁক নিয়ে, ওডিশা উপকূল বরাবর বাঁক নিয়ে, রবিবার দুপুর নাগাদ এটি পুরীর কাছে গিয়ে পৌঁছবে বলে, আবহাওয়া বিভাগের পূর্বাভাস।

জাওয়াদ হামলার কারণে ৪ ডিসেম্বর থেকে ৬ ডিসেম্বর পর্যন্ত বঙ্গোপসাগর উপকূলের পশ্চিমবঙ্গের জেলাগুলিতে জারি সতর্কতা। দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে মাঝারি থেকে ভারী বৃষ্টির পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। উপকূলবর্তী জেলাগুলিতে ভারী থেকে অতিভারী বৃষ্টি হতে পারে।

পড়ুন: Asani cyclone: জাওয়াদের পর জন্ম নেবে অশনি, সাগর দানবের মরণ নেই

পিআইবি জানাচ্ছে, ঘূর্ণিঝড়-জাওয়াদ উপকূলের দিকে এগিয়ে আসার সঙ্গে সঙ্গে ঝোড়ো হাওয়ার পাশাপাশি সমুদ্র উত্তাল হতে পারে। ঝড়ের গতি ঘণ্টায় ৮০ কিলোমিটার পর্যন্ত হতে পারে। মৎস্যজীবীদের ৫ তারিখ পর্যন্ত সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হয়েছে। যারা গেছেন, তাঁদের দ্রুত ফেরার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সাইক্লোন জাওয়াদ সতর্কতার প্রেক্ষিতে দক্ষিণ পূর্ব এবং দক্ষিণ মধ্য রেলের বেশ কিছু এক্সপ্রেস ও সুপার ফাস্ট ট্রেন শনিবার থেকে সোমবার পর্যন্ত বাতিল থাকবে। দক্ষিণ পূর্ব রেল সূত্রে এই খবর।

Cyclone Jawad: লাল চোখে জাওয়াদ দানব তাকিয়ে ভারতের দিকে, বাংলাদেশ উপকূলেও সতর্কতা

Cyclone Jawad

News Desk: বঙ্গোপসাগরের দানব (Cyclone Jawad) ফের নতুন নাম নিয়ে হামলা করতে তৈরি। ধীরে ধীরে তার শক্তি বাড়ছে। উপগ্রহ চিত্র থেকে ভারত ও বাংলাদেশের আবহাওয়ার বিভাগ জানাচ্ছে, শনিবার সকাল জাওয়াদ ঢুকবে ভারতের উপকূলে।

দুটি উপকূলীয় রাজ্য অন্ধ্রপ্রদেশ ও ওডিশা সরকার ইতিমধ্যেই ঘূর্নি ঝড় মোকাবিলা করতে প্রস্তুতি নিয়েছে। ঝড়ের ঝাপটা আসবে পশ্চিমবঙ্গের দিকে।

তবে আবহাওয়াবিদরা মনে করছেন গতিপথ পাল্টে নিলে জাওয়াদের হামলা হতে পারে পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশ উপকূল এলাকা।জাওয়াদের দাপটে সামুদ্রিক জলোচ্ছাস হবে। ফলে ভারতীয় ও বাংলাদেশ উপকূল এলাকায় জারি হয়েছে সতর্কতা।

ভারতের দিকে উত্তর অন্ধ্রপ্রদেশ, ওডিশা হয়ে পশ্চিমবঙ্গের দুটি উপকূলীয় জেলা দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরে সতর্রকতা জারি। তেমনই বাংলাদেশের খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রামের উপকূল এলাকায় সতর্ক সংকেত দেখানো শুরু হয়েছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর জানাচ্ছে, ঘূর্ণিঝড়ের কারণে বাংলাদেশের সব সমুদ্রবন্দরে ১নং দূরবর্তী হুঁশিয়ারি সংকেত দেখিয়ে যেতে বলা হয়েছে যা পরবর্তীতে আরও বৃদ্ধি পেতে পারে। সাগরে মাছ ধরার ক্ষেত্রে জারি হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

ভারতের আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার গভীর রাতে বিশাখাপত্তনম থেকে ৭৭০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণপশ্চিমে নিম্নচাপটি তৈরি হয়। এটি উত্তর পশ্চিম দিকে অগ্রসর হচ্ছে। শনিবার উপকূলে পৌঁছানোর সময় তীব্র ঝড়ের গতিবেগ নিয়ে আসতে পারে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ।

জাওয়াদের প্রভাবে ওডিশা, অন্ধ্রপ্রদেশ এবং গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন এলাকায় ভারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে। এতে এসব এলাকার নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার পাশাপাশি ফসলের ক্ষতি হতে পারে।

Bangladesh: ৬ ছাত্রকে পিটিয়ে খুন, ১৩ জনের ফাঁসির সাজা

bangladesh

News Desk: গণহত্যার চরম শাস্তি। ছয় ছাত্রকে ডাকাত সন্দেহে খুনের মামলায় দোষীদের ফাঁসির সাজা বাংলাদেশে (Bangladesh)। তবে রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করার সুযোগ রয়েছে সাজাপ্রাপ্তদের। সাম্প্রতিক সময়ে একসঙ্গে এতজনকে মৃত্যুদন্ডের সাজা দেওয়ার ঘটনা বাংলাদেশে নেই, তেমন অন্য কোনও দেশেও ঘটেনি।

বিবিসি জানাচ্ছে, ২০১১ সালে শবে বরাতের রাতে ঢাকার আমিনবাজারে ছয় জন ছাত্রকে গণপ্রহারে খুন করা হয়। সেই মামলায় ১৩ জনকে মৃত্যুদণ্ড দিয়েছে ঢাকার একটি আদালত। আরও ১৯ জনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।ওই মামলায় ২৫ জনকে নির্দোষ বলে খালাসের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। 

২০১১ সালের ১৭ই জুলাই শবে বরাতের রাতে ঢাকার অদূরে সাভারের আমিনবাজারে ওই ছয় জন ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছিল।

প্রথমে বলা হয়েছিল যে ডাকাত সন্দেহে ছাত্রদের গণপ্রহার করা হয়। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনার তদন্তে প্রথমে পুলিশের উচ্চ পর্যায়ের কমিটি গঠন করা হশ্র।   পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরে ওই ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্তের জন্য এক সদস্যের বিচার বিভাগীয় তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়।তদন্ত শেষে কমিটি নিহত ছাত্রদের নিরাপরাধ বলে মতামত দেয়। পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।

ছয় ছাত্রকে পিটিয়ে খুনের মামলায় এরপর তদন্ত শুরু করে সিআইডি। ২০১২ সালে সিআইডি থেকে ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন তদন্তের ভার নেয়।

তদন্ত শেষে ২০১৩ সালে এই ছয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগে ৬০ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে অভিযোগপত্র পেশ করা হয়।

Omicron: টিকা নিতে নারাজ ইউরোপবাসীকে বাগে আনতে কড়া হুঁশিয়ারি

vaccination incentives

News Desk: নভেল করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন ছড়াচ্ছে হু হু করে। করোনার মৃত্যু আহ্বানের আমন্ত্রণ এসেছে। অথচ প্রচলিত টিকাগুলি নিতে অস্বীকার করছেন ইউরোপের বেশ কিছু দেশের বাসিন্দারা। শিল্পন্নোত পশ্চিম ইউরোপের ধনী দেশগুলির এই চরম অবৈজ্ঞানিক মানসিকতার কারণে বিশ্ব বিপদের মুখে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হুঁশিয়ারি কমপক্ষে ৫ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হতে পারে।

করোনা প্রতিরোধের টিকা নিতে নারাজ বেশকিছু দেশের বাসিন্দারা। হচ্ছে জ্বলন্ত প্রতিবাদ। এই অবস্থায় ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) দেশগুলোকে কোভিড টিকা বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাবে শোরোগোল পড়ল। টিকা বিরোধী জনতার বিক্ষোভ আরও জ্বলন্ত হবে বলেই আশঙ্কা।

বিবিসি জানাচ্ছে, টিকা নেওয়ার প্রস্তাব বিবেচনার আহ্বান জানিয়েছেন ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ভন ডার লেয়েন। বেলজিয়ামের রাজধানী
ব্রাসেলসে সাংবাদিকের সম্মেলনে তিনি বলেন, টিকা বাধ্যতামূলক করা নিয়ে ঠিক কী পদক্ষেপ নেওয়া যায় সে বিষয়ে আলোচনা জরুরি। এ ক্ষেত্রে অবশ্যই যৌথ উদ্যোগ প্রয়োজন। আমি মনে করি আলোচনাটা শুরু হওয়া দরকার।

ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান বলেছেন, ব্যাপক মাত্রায় সংক্রমণে সক্ষম ওমিক্রন ভ্যারিয়েন্ট রুখতে টিকা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।

এদিকে ওমিক্রন ভয়ে ভীত হয়ে কড়া অবস্থান নিলঅস্ট্রিয়া সরকার। ফেব্রুয়ারি থেকে কোভিড টিকা বাধ্যতামূলক হবে এমন ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। গ্রিসে টিকা না নেওয়া ষাটোর্ধ্বদের প্রতি মাসে ১০০ ইউরো করে জরিমানা গুনতে হচ্ছে।

টিকা গ্রহণের শতাংশে জার্মানির অবস্থান নিম্ন সারিতে। দেশটিক পরবর্তী চ্যান্সেলর হতে যাওয়া ওলাফ শলজ জানিয়েছেন, তিনি টিকা বাধ্যতামূলক করার পক্ষে। তিনি বলেন, গত মার্চ থেকেই টিকা বাধ্যতামূলক চেয়ে আসছি। একই সঙ্গে দ্রুতগতির বুস্টার ডোজ প্রদান কার্যক্রম জরুরি।

বিবিসি জানাচ্ছে, গত ২২ নভেম্বর প্রথম দক্ষিণ আফ্রিকায় ওমিক্রন শনাক্ত হয়। ২৪ নভেম্বর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) একে ভ্যারিয়েন্ট অফ কনসার্ন বা উদ্বেগজনক ভ্যারিয়েন্ট হিসেবে চিহ্নিত করে। এর নামকরন করে ওমিক্রন।

Kolkata Municipal Election: CPIM ছেড়ে জবরদস্ত বিলকিস এবার মমতার ‘সাথী’

bilkish begum

News Desk, Kolkata: সেই সোনালি দিন অতীত। যখন লাল দলের দাপটে বাকিরা হেঁচকি তুলত। ছবিটা উল্টো। তবে মহানগরীর এক কোনায় যে লাল মরুদ্যান ছিল সেখানকার মালকিন বিলকিস হয়ে গেলেন মমতার সাথী। জবরদস্ত সিপিআইএমের নেত্রী দলত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে এসেছেন।

পুরনিগমের ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড সিপিআইএমের দাপট। গত দশ বছরে রাজ্যের বামেরা বিলীন হয়েছে। যে কয়েকটি পকেটে সিপিআইএমের পতাকা ওড়ে তারই একটি কলকাতা বন্দর এলাকার ৭৫ নম্বর ওয়ার্ড। তৃণমূল কংগ্রেস এখানে হারত বিলকিস বেগমের কাছে।

সেই বিলকিসকে প্রার্থী করেছি বামফ্রন্ট। এই ওয়ার্ড থেকেই লড়বেন সিপিআইএমের অপর জবরদস্ত নেতা ফৈয়াজ আহমেদ খান। তিনিও বামেদের শক্তিশালী মুখ। তাঁর বিরুদ্ধে বিলকিশকে প্রার্থী করবেন মমতা।

বিলকিস বেগম তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়ে বলেছেন, সিপিআইএম যে পথে চলছে তার চেয়ে বিজেপিকে ঠেকানোর প্রশ্নে দিদি অনেক এগিয়ে। 

বিলকিস যে বিরাট পাওনা তা স্পষ্ট স্বীকার করে নিয়েছেন বর্তমান মেয়র ফিরহাদ হাকিম। তিনি বলেন, ওকে টিকিট না দিয়ে বামেরা আরেকটা ঐতিহাসিক ভুল করল।

কলকাতা পুরনিগমের লড়াইতে বামেদের প্রার্থী তালিকায় নতুন মুখের ছড়াছড়ি। তেমনই মুখ বদল করেছে শাসক টিএমসি। বিরোধী দল বিজেপির প্রার্থী করা চলছে প্রশ্ন।

Tripura: ‘রাম ভক্ত’দের ভোট পরবর্তী হামলায় শিবমন্দির ভাঙার অভিযোগ

Tripura Siv mandir

News Desk: মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের সরকারের বিরুদ্ধেই পুরভোটের আগের দিন বিস্ফোরক অভিযোগ করেছিলেন বিজেপির হেভিওয়েট নেতা বিধায়ক সুদীপ রায়বর্মণ। তাঁর অভিযোগ, যেভাবে সন্ত্রাস চলছে, তাতে দলকে কালিমালিপ্ত করার চেষ্টা। পুর নির্বাচনে ভোট সন্ত্রাসের পরেও ত্রিপুরা (Tripura) অশান্ত। চলছে বিরোধী সিপিআইএম সহ অন্যান্য দলের প্রার্থী সমর্থকদের বাড়িতে হামলা।

বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার কারণে ভয়াবহ হামলা চলছে ত্রিপুরায়। অভিযোগ, বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা অ বিজেপি সমর্থকের ঘরে ঢুকে শিব মন্দির ভেঙেছে। ঘটনা আগরতলার। আক্রান্ত পরিবারটি বামসমর্থক। এই পরিবারের এক সদস্য পুর নির্বাচনে বামপ্রার্থী। তার নাম দেবাশিস বর্মণ হরিজন। তিনি আগরতলা পুরনিগমের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের প্রার্থী  

আরও পড়ুন: Tripura: ‘মহিলারা এসে সোনার হার ছিনতাই করল বুথের সামনে’

ভোট পরবর্তী হামলার ঘটনায় আরও একটি মর্মান্তিক ছবি প্রকাশ হয়েছে। বোমা হামলায় এক বাম সমর্থকের বাড়ি তছনছ। তাঁর পোষা গবাদি পশুগুলির দেহ চারিদিকে ছড়িয়ে রয়েছে। এই ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় তীব্র আলোড়ন ফেলে দেয়। অভিযোগ, বিরোধী দল সিপিআইএমের উপর হামলায় জড়িত শাসক বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা।

পড়ুন: Tripura: ‘স্বামীর গলা ধরে রাস্তায় ফেলে দিল, বলল মাসিমা ভোট দেবেন না’

 হামলার ঘটনা রাজ্যের সিপাহীজলা জেলার সোনামুড়া এলাকার। স্থানীয় সিপিআইএম সমর্থক ইন্দ্রজিত সাহার বাড়িতে হামলা হয়। ঘর ভাঙচুর যেমন করা হয়েছে, হামলাকারীরা মেরেছে গবাদি পশুগুলিকে। উঠোনে ছজ়িয়ে আছে সেই দেহগুলি।

ভোটের আগে থেকেই হামলায় সন্ত্রস্ত ত্রিপুরা। নির্বাচন পরবর্তী পরিস্থিতি আরও চিন্তাজনক। তবে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব জন্মদিনের অনুষ্ঠান করার পর বলেন, রাজ্যবাসী সরকারের উপর পূর্ণ আস্থা রেখেছেন। বিরোধী দল সিপিআইএমের রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরীর অভিযোগ, ভোটে রিগিংয়ের মাস্টার মাইন্ড বিপ্লব দেব। রিগিংয়ের মাস্টার শিক্ষামন্ত্রী রতনলাল নাথ।

Rajasthan: ৮ বছরের ছেলেকে ঝুলিয়ে দিল বাবা ! মা করল ভিডিও

home-worrk

News Desk: স্কুলের হোম ওয়ার্ক (Home Work) শেষ না করায় নিজের ৮ বছরের ছেলেকে সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলিয়ে দিলেন কীর্তিমান বাবা ! তবে ছেলেটি প্রাণে বেঁচেছে। শিশুটিকে তার বাবা নিয়মিত শারীরিক নিগ্রহ করত বলে তার মামার অভিযোগ। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের (Rajasthan) বুন্দি জেলায়।

ইতিমধ্যেই এই শিশু নির্যাতনের দৃশ্য সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। ভিডিও ফুটেজে দেখা গিয়েছে, ওই শিশুটিকে ঝুলিয়ে দিতে তার বাবাকে সব ধরনের সাহায্য করছে শিশুটির মা। যদিও ওই ঘটনার পর শিশুটির মা তার ছেলে-মেয়েকে নিয়ে অন্য এক আত্মীয়ের বাড়িতে চলে গিয়েছেন।

কীর্তিমান বাবা একজন খনি শ্রমিক। গত ১৭ নভেম্বর হোমওয়ার্ক না করার জন্য তিনি ছেলেকে সিলিং ফ্যান থেকে ঝুলিয়ে দিয়েছিলেন। ওই ব্যক্তির স্ত্রী জানিয়েছেন, তাঁর স্বামী নিয়মিত ৮ বছরের ছেলে ও ৫ বছরের মেয়ের উপর অকথ্য শারীরিক অত্যাচার করত। স্বামীর এই নির্মম অত্যাচার মোবাইলে রেকর্ড করার জন্যই তিনি ঘটনার দিন স্বামীকে সাহায্য করার অভিনয় করেছিলেন। স্বামীর কৃতকর্মের প্রমাণ ধরে রাখতে তিনি মোবাইলের ভিডিও রেকর্ডিং চালু করে সেটিকে জানলার উপর রেখে দিয়েছিলেন। সে কারণেই ওই মারাত্মক নির্যাতনের দৃশ্য ক্যামেরায় ধরা পড়ছে।

ওই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, শিশুটি বারবার তার বাবাকে ঝুলিয়ে না দেওয়ার জন্য অনুরোধ করছে। কিন্তু বাবা সে কথায় কর্ণপাত করেনি। শুধু তাই নয়, শিশুটিকে ঝুলিয়ে দিতে তার বাবাকে সব ধরনের সাহায্য করছে শিশুটির মা।

যদিও শিশুটির মায়ের দাবি, তিনি তাঁর স্বামীর এই কুকীর্তি সকলের নজরে আনতে তাঁর সঙ্গে অভিনয় করে গিয়েছেন। সেজন্যই তিনি মোবাইলে পুরো বিষয়টির ভিডিয়ো রেকর্ডিং করেন। তিনি জানান, স্বামীর বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করার পর ওই মহিলা ও তাঁর দুই সন্তান অত্যন্ত আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন। রাজ্য শিশু সুরক্ষা কমিশন তিন দিনের মধ্যে এই ঘটনার বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিতে পুলিশকে নির্দেশ দিয়েছে।

Constitution Day: পরিবারতন্ত্র গোটা দেশের পক্ষেই উদ্বেগজনক, সংবিধান দিবসে দাবি মোদীর

constitution day

News Desk: সংবিধান দিবসের (constitution day) গুরুত্ব ও প্রয়োজনীয়তার কথা আলোচনা করতে এদিন সংসদের সেন্ট্রাল হলের অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ সংবিধানের গুরুত্ব নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা করেন। ভাষণ দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।

যদিও ১৪টি বিরোধী দল এই অনুষ্ঠান বয়কট করেছে। সরকারপক্ষের সাংসদদের সামনে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তাঁর ভাষণে যথারীতি কংগ্রেসকে খোঁচা দেন। তিনি বলেন, একটা সময় একটি পরিবার গোটা দেশকে চালিয়েছে। ওই পরিবারটি নিজেদের উন্নয়নের কথা ছাড়া আর কারও কথা ভাবেনি। গোটা দেশের দিকে তাকালে আমরা দেখতে পাব, পরিবারতন্ত্র গণতন্ত্রের পরিপন্থী।

তিনি বলেন, ভারতের মতো এক বৈচিত্র্যপূর্ণ দেশে আমাদের সকলকে এক সুতোয় বেঁধে রেখেছে সংবিধান। আজ সংসদ ভবনকে সেলাম করার দিন। পরিবারতান্ত্রিক দল ও সেই দলের নেতারা আজও গোটা দেশের কাছে যথেষ্ট উদ্বেগের বিষয়।

একইসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী এদিন বিরোধীদের বয়কট প্রসঙ্গ উত্থাপন করে বলেন এই অনুষ্ঠান কোনও রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তিগতভাবে আমি আয়োজন করিনি। এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে সংসদ। সংবিধান, সংসদ, অধ্যক্ষের একটা বিশেষ সম্মান আছে। প্রত্যেকের উচিত সেই বিষয়টিকে সম্মান দেওয়া।

১৪ টি বিরোধী দল আজকের অনুষ্ঠান বয়কট করে। যার মধ্যে কংগ্রেস ছাড়াও রয়েছে শিবসেনা ও তৃণমূল কংগ্রেস, সিপিআইএম, সিপিআই সহ বিভিন্ন দল। বিরোধী দলগুলির এই আচরণের জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন প্রধানমন্ত্রী।

সূত্রের খবর, ২৯ নভেম্বর সোমবার থেকে শুরু হতে যাওয়া সংসদের শীতকালীন অধিবেশনের একজোট হয়ে কাজ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিরোধীরা এদিনের অনুষ্ঠান বয়কট প্রসঙ্গে কংগ্রেসের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে নরেন্দ্র মোদী সরকার সংবিধানকে সম্মান দেয় না। সংবিধান মেনে দেশ পরিচালনা করে না। তাই এই অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার কোনও অর্থ হয় না।

লোকসভায় কংগ্রেস নেতা অধীর রঞ্জন চৌধুরী বলেন, আমরা এই অনুষ্ঠানে যোগ দেব না। কারণ মোদী সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে না। এই সরকার দেশের প্রতিটি গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। এই সরকারের সামান্য সৌজন্যবোধ নেই। সে কারণে রাজ্যসভার বিরোধী দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়্গেকে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি।

তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, বিরোধী জোট অক্ষুন্ন রাখতেই তারা এই অনুষ্ঠান বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ১৯ নভেম্বর নরেন্দ্র মোদী সরকার বিজ্ঞপ্তি জারি করে ২৬ নভেম্বর দিনটি সংবিধান দিবস হিসেবে ঘোষণা করে।

Bangladesh: পাকিস্তানের কাছে পরপর হার, দেশের নাম ‘BAMGLADESH’ লিখে আরও বিতর্কে

bangladesh-team

News Desk: দেশের নামের ভুল বানানে জাতীয় ক্রিকেট দলের খেলোয়াড়দের তালিকা প্রকাশ করে চরম বিতর্কে বাংলাদেশ (Bangladesh) ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। অভিযোগ, ভুলের খেলা শুরু করেছেন ক্রিকেট প্রশাসকরা। এতদিন ছিল ক্রিকেটারদের নাম, খেলার সময় নিয়ে ভুল বানান ও তথ্য পেশের অভিযোগ, এবার দেশের নামটাই ভুল লিখেছে বিসিবি।

খেলোয়াড়দের তালিকায় Bangladesh এর বদলে ‘Bamgladesh’ লিখেছে বিসিবি। সেটি বাংলা উচ্চারণে হয়েছে ‘বামলাদেশ’। এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আন্তর্জাতিক ক্রিকেট মহলে চলছে মস্করা। পাকিস্তানের সমর্থকরা তুমুল তামাশা শুরু করেছেন।

চট্টগ্রামে দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম টেস্টে টসের পর যে ক্রিকেটার লিস্ট বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড সংবাদমাধ্যমকে সরবরাহ করেছে, সেখানে দেশের নাম ভুল বানানে লিখেছে বিসিবি।  বাংলাদেশ (BANGLADESH) বানানে ‘এন’-এর পরিবর্তে ‘এম’ ব্যবহার করেছে। হয়ে গেছে ‘BAMGLADESH’। ওই তালিকায় স্বাক্ষর রয়েছে অধিনায়ক মুমিনুল হক ও ম্যানেজার নাফিস ইকবাল খানের। অভিযোগ, দেশের নাম ভুল নিয়ে বিতর্কের জবাব দিতে মুখ লুকাচ্ছেন ক্রিকেট কর্তারা।

bangladesh

পাকিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশের পর সমালোচনার তীরে বিদ্ধ বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি)। কোচ ও টিম ম্যানেজমেন্ট নিয়ে বিসিবির ওপর যখন তুমুল ক্ষুব্ধ দেশের ক্রিকেটপ্রেমীরা। এর পর এমন ভুল নিয়ে পরিস্থিতি আরও তাতিয়ে তুলেছেন বোর্ড কর্তারা। অভিযোগ, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) যেন ভুলের প্রতিযোগিতা শুরু করেছে। 

এর আগে টি-টোয়েন্টি সিরিজে সাকিব আল হাসানের মাথা কেটে শহিদুলের মাথা বসানো হয় বিসিবির অফিসিয়াল পেজে। এর পর চট্টগ্রাম টেস্টের টিকিটে খেলার সময় ‘এএম’ না লিখে ‘পিএম’ লেখা হয়েছিল।এবার দেশের নাম ভুল করল বিসিবি। ভুলটি মেনে নিতে পারছেন না বাংলাদেশবাসী। বিসিবির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেই ক্ষোভ তীব্র হয়েছে।

মানুষের সেবা করতেই কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছি: মুকুল

mukul sangma

News Desk: বেশ কিছুদিন ধরেই জল্পনা চলছিল মেঘালয়ের কংগ্রেস নেতা তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে পারেন। জল্পনাকে সত্যি প্রমাণ করে বুধবার ১১জন বিধায়ককে সঙ্গে নিয়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন মুকুল সাংমা।

সাংমা ও ১১ জন বিধায়ক তৃণমূলে যোগ দেওয়ায় কংগ্রেসের বিধায়ক সংখ্যা এক লাফে ১৭ থেকে কমে হচ্ছে মাত্র ৫ জন। স্বাভাবিকভাবেই উত্তর পূর্বের এই রাজ্যে প্রধান বিরোধী দল তৃণমূল কংগ্রেস। সূত্রের খবর, ইতিমধ্যেই বিরোধী দলের মর্যাদা চেয়ে রাজ্য বিধানসভার অধ্যক্ষকে চিঠি দিয়েছেন মুকুল সাংমা।

আরও পড়ুন: Meghalaya: মেঘের দেশে ‘কংগ্রেসের শেষের কবিতা’ লিখলেন তৃণমূল নেত্রী মমতা

হঠাৎই মুকুল সাংমা কেন কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিলেন। বৃহস্পতিবার বিকেলে সেই প্রশ্নের উত্তর দিয়েছেন তিনি। মুকুল সাংমা সাংবাদিক সম্মেলনে জানান, মানুষের সেবা করার জন্যই তাঁরা বাধ্য হয়ে কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, ২০১৮ সালে বিধানসভা নির্বাচনে মেঘালয়ে কংগ্রেসই যে সরকার গড়বে এটা অনেকটাই নিশ্চিত ছিল। কিন্তু শেষ মুহূর্তে তাঁরা সরকার গড়তে পারেননি। এনপিপি ও বিজেপি জোট কীভাবে রাজ্যে সরকার গঠন করেছিল সেটা আজ সকলেই জানে। ওই ঘটনার পর রাজ্যে দলীয় সংগঠনকে চাঙ্গা করা তো দূরের কথা, বরং নিয়মিতই কংগ্রেস সদস্যদের ভাঙানোর চেষ্টা শুরু হয়। যা রোখার মত কোনও কাজ করেনি দলের শীর্ষ নেতৃত্ব।

মুকুল সাংমা বলেছেন, শীর্ষ নেতৃত্বের দিশার অভাবেই রাজ্যে প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকা পালন করতেও ব্যর্থ কংগ্রেস। জনবিরোধী কাজ প্রতিরোধ করা ও সরকারের ভুলগুলি তুলে ধরার যে দায়িত্ব বিরোধী দলের রয়েছে সেটা পালন করতে পারেনি কংগ্রেস। দলের নীতি মেনে চলতে গিয়ে জনস্বার্থের সঙ্গেও তাঁদের প্রতি পদে পদে আপোস করতে হয়েছে।

মুকুল সাংমা স্পষ্ট জানিয়ে দেন রাজ্যের মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার কারণেই তিনি কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। বিরোধী দলনেতা হিসেবে তাঁদের যা করা উচিত ছিল সেটা তাঁরা করে উঠতে পারেননি। কংগ্রেসে থাকলে প্রকৃত বিরোধী ভূমিকা পালন করা সম্ভব হবে না। সে কারণেই তাঁরা দল ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মুকুল অভিযোগ করেছেন, দলীয় হাইকমান্ডের ব্যর্থতার কারণেই কংগ্রেস কখনওই দেশের প্রধান বিরোধী দল হয়ে উঠতে পারেনি।

উল্লেখ্য, মেঘালয়ে কংগ্রেসের মধ্যে বেশ কিছুদিন ধরেই একটা ভাঙন দেখা যাচ্ছিল। এই ভাঙনের মূল কারণ প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা এবং প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভিনসেন্ট এইচ পালার মধ্যে ঠান্ডা লড়াই। মুকুলের অভিযোগ, ভিনসেন্টকে প্রদেশ সভাপতি করার আগে দলের হাইকমান্ড তাঁর সঙ্গে কোনও রকম আলোচনাই করেননি। সে কারণে দলীয় নেতৃত্বের প্রতি ক্ষুব্ধ ছিলেন মুকুল। পরবর্তী ক্ষেত্রে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির সঙ্গে বিভিন্ন ইস্যুতে তাঁর মতপার্থক্য আরও বেড়েছে।

দলের দুই প্রবীণ নেতার মধ্যে এই বিরোধ মেটাতে কিছুদিন আগেই দেখা করেছিলেন কংগ্রেস সাংসদ রাহুল গান্ধী। অনেকেই মনে করেছিলেন, এবারের মতো হয়তো রাহুল পরিস্থিতি সামালে দিয়েছেন। কিন্তু সেই ভাবনাচিন্তা যে ঠিক ছিল না মুকুলের দলত্যাগ তারই প্রমাণ।

গত মাসে কলকাতায় এসে তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে দেখা করেছিলেন মুকুল সাংমা। ওই সাক্ষাতের পর মুকুলের তৃণমূলে যোগ দেওয়া নিয়ে জল্পনা শুরু হয়। যদিও তিনি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার কথা অস্বীকার করে বলেছিলেন, ব্যক্তিগত কারণেই তিনি অভিষেকের সঙ্গে দেখা করেছেন।

সম্প্রতি কলকাতায় এসে তৃণমূল কংগ্রেসের ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোরের সঙ্গেও দেখা করেন মুকুল। এই সাক্ষাতকে তিনি সৌজন্য বলে জানিয়েছিলেন। করেছিলেন। শেষ পর্যন্ত ১১ জন কংগ্রেস বিধায়ককে নিয়ে মুকুলের তৃণমূল কংগ্রেসে চলে আসা নিশ্চিতভাবেই কংগ্রেসের কাছে বড় ধাক্কা।

Tripura: এক ডজন বিধায়ক BJP সরকার ত্যাগ করতে গোপনে আলোচনা করলেন

News Desk: তীব্র রাজনৈতিক বিতর্ক রেখেই শেষ হয়েছে ত্রিপুরার পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোট পর্ব। ভোটপর্ব ঘিরে ব্যাপক রিগিং করার অভিযোগে জেরবার শাসকদল বিজেপি। তবে তাদের দাবি নির্বাচন হয়েছে শান্তিপূর্ণ ও সুষ্ঠুভাবে। বিরোধী দল সিপিআইএমের দাবি রিগিং কী পর্যায়ে হয়েছে তা সংবাদ মাধ্যমেই স্পষ্ট।

বিজেপি ও সিপিআইএমের ভোট যুদ্ধের মাঝে সরকারপক্ষের অন্তত ১৩ জন বিধায়ক দলত্যাগের জন্য গোপনে আলোচনা শেষ করেছেন। বিশেষ সূত্রে kolkata24x7.in জানতে পেরেছে এই বৈঠকের কথা। আগেই এক বিধায়ক আশিস দাস বিজেপি ত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন।

সূত্রের খবর, সরকারপক্ষ ত্যাগ করতে চাওয়া বিধায়করা দিনভর আগরতলা পুর নিগম ও বাকি নগরপঞ্চায়েত ভোট পর্যবেক্ষণ করেন। বিরোধী দল সিপিআইএমের ভূমিকা খতিয়ে দেখেন। রিগিংয়ের অভিযোগ, বুথ লুঠের ছবি ও ভিডিওর ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্টের দেওয়া পুনরায় নিরাপত্তা আশ্বাসের পরও যখন পরিস্থিতি একই থাকে তখন তাঁরা সিদ্ধান্ত নেন।

ঘনিষ্ঠমহলে এদের বক্তব্য পুর নির্বাচনে সরকারের ভূমিকায় জনগণের মনে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে। বিধানসভা ভোটে এর ধাক্কা সামলানো কঠিন হবে। এই বিজেপি বিধায়কদের বেশিরভাগ গত বিধানসভায় ভোটের আগে তৎকালীন বিরোধী দল কংগ্রেস ত্যাগ করে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছিলেন। পরে তাঁরা বিজেপিতে সামিল হন।

এক নজরে ত্রিপুরা বিধানসভার অঙ্ক

মোট আসন ৬০
সরকারপক্ষে মোট ৪২ জন
বিজেপি ৩৫
আইপিএফটি ৭

প্রধান বিরোধীপক্ষ সিপিআইএম ১৬

অন্যান্য

তৃণমূল কংগ্রেস ১

তিপ্রা মথা ১

সূত্র মারফত Kolkata24x7.in আরও জানতে পেরেছে বিজেপির বিধায়করা সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পর মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের ভূমিকা নিয়ে নিজেদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। এদের মধ্যে রয়েছেন প্রাক্তন মন্ত্রী, বর্তমান মন্ত্রী ও হেভিওয়েটরা।

আরও তাৎপর্যপূর্ণ, পুর ও নগর পঞ্চায়েত নির্বাচনে এদের অনেককেই প্রচারে বিজেপির তরফে তেমন ভূমিকা নেননি। বৃহস্পতিবার ভোটের ছবি দেখে তাঁরা অবস্থান আরও মজবুত করেছেন।

Jalpaiguri: তেড়ে এসে ছেলেটাকে খুবলে মারল ভাল্লুক, গণপ্রহারে মরতেও হলো

jalpaiguri-bear

News Desk: হাতি, বাইসন, চিতাবাঘের পর এবার ভাল্লুকের (bear) আক্রমণের শিকার হতে হলো ডুয়ার্সের এক কিশোরককে। বুধবার বিকেলে ভাল্লুকের আক্রমণে মৃত্যু হল জলপাইগুড়ি (Jalpaiguri) জেলার মেটেলি চা বাগানের জাহাদি লাইনের বাসিন্দা বিদেশ খালকো নামে আদিবাসী কিশোরের। ক্ষুদ্ধ স্থানীয় বাসিন্দারা ভাল্লুকটিকে পিটিয়ে মেরে ফেলে।

জানা গেছে, এদিন দুপুরে চা পাতা তোলার সময় বাগানের ১৩ নম্বর সেকশনে ভাল্লুকটিকে দেখতে পায় শ্রমিকেরা। খবর চাউর হতেই প্রচুর মানুষের সাথে ওই কিশোরও গিয়েছিল সেখানে। হুড়োহুড়িতে হঠাৎ ভাল্লুকের সামনে পড়ে গেলে কামড়ে নখ দিয়ে টেনে কিশোরকে চা বাগানের ভেতরে নিয়ে যায় ভাল্লুকটি।

আশেপাশের সকলে ভাল্লুক তাড়িয়ে সেখানে গেলে ক্ষতবিক্ষত মরদেহ উদ্ধার হয়। এরপরই স্থানীয় বাসিন্দারা ভাল্লুকটিকে খুঁজে বের করে পিটিয়ে মেরে ফেলে।

ভাল্লুকের আক্রমণের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌছায় বন দপ্তরের খুনিয়া রেঞ্জ ও মাল বন্যপ্রাণী স্কোয়াডের কর্মীরা। ঘটনাস্থল থেকে মৃত ভাল্লুক এবং কিশোরের দেহ উদ্ধার করা হয়। মেটেলি থানার পুলিশ দুটি দেহ ময়নাতদন্তের জন্যে পাঠায়।

মৃত কিশোরের দেহ জলপাইগুড়ি পুলিশ মর্গে এবং ভাল্লুকের দেহ লাটাগুড়ি প্রকৃতি পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে ময়নাতদন্ত হবে বলে জানা গেছে।

এই ঘটনা নিয়ে বনমন্ত্রী জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক বলেন, আমরা মৃত কিশোরের পরিবারের প্রতি সমব্যাথী। সরকারি নিয়ম অনুসারে মৃতে কিশোরের পরিবার ক্ষতিপূরণ পাবে। সেই সাথে ভাল্লুকের মৃত্যুরও তদন্ত হবে। বিভাগীয় আধিকারিকদের পুরো বিষয়টি তদন্ত করবার জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

Argentina: ভালোবাসার ছলে এসেছে ভয়াবহ মেঘ, স্মৃতিতে চেরনোবিল পরমাণু বিপর্যয়

sky

News Desk: অদ্ভুত মেঘের দল ঘুরে গিয়েছে আর্জেন্টিনার আকাশে। দেখলে মনে হবে প্রকৃতির ভালোবাসা এসেছে। ঘোলাটে তুলার বলের মতো মেঘ দেখে নেটিজেনরা একদম অবাক হয়ে যাচ্ছেন। যদিও এই মেঘের ছবি গত ১৩ নভেম্বরের। আর্জেন্টিনাপ কর্ডোবার কাসা গ্র্যান্ডের কাছে তোলা হয়েছিল।

বুধবার ব্রিটিশ সংবাদ মাধ্যম Daily Mail জানিয়েছে, আর্জেন্টিনার আকাশে ১৩ নভেম্বর ওই মেঘ দেখা গিয়েছিল। বিরল ওই মেঘকে বিশেষজ্ঞরা ম্যাম্যাটাস মেঘ বলে চিহ্নিত করেছেন।

কী এই ম্যামাটাস মেঘ?
ম্যাম্যাটাস মেঘ সবচেয়ে অনন্য এবং স্বতন্ত্র মেঘ। এই মেঘ এমনভাবে গঠিত যে একটি মেঘের গোড়া থেকে একের পর এক থলিসদৃশ মেঘ বের হয়। এই মেঘ থেকে সাধারণত বজ্রপাত হয়।  এই মেঘ থেকে ভারি বৃষ্টি, বজ্রপাত এমনকি শিলাবৃষ্টিও হতে পারে।
এই মেঘের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। কেউ কেউ  এই মেঘ দেখে মুগ্ধ হলেও, অনেকেই ভেবেছেন এই মেঘের জন্ম পৃথিবীর বাইরে। 

আতঙ্কের কারণ ম্যামাটাস মেঘ:

আর্জেন্টিনায় যে ম্যামাটাস মেঘ এসেছিল সেরকম এর আগেও দেখা গিয়েছে। ১৯৬৮ সালে বিশ্বের সবচেয়ে ভয়াবহ পারমাণবিক বিপর্যয় হয় তৎকালীন সোভিয়েত ইউনিয়নের বিশ্ববিখ্যাত চেরনোবিলে। সেখানেও এই ম্যামাটাস মেঘ ঘুরেছিল। তবে বিজ্ঞানীরা জানান, চেরনোবিল বিপর্যয়ের কারণ ও ম্যামাটাস মেঘ আসা কাকতালীয় ঘটনা। মেঘের কারণে বিপর্যয় হয়নি।

আর্জেন্টিনা সরকার দেশের জনগণকে জানিয়েছে এই ম্যামাটাস মেঘ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই। 

Tripura: সন্ধের আগেই হামলা শুরু, সকালে ভোট সন্ত্রাসের আশঙ্কা

tripura-cpm

News Desk: আগরতলা পুর নির্বাচন সহ রাজ্যের বাকি নগর পঞ্চায়েত ভোটের ঠিক আগের মুহূর্তে ফের শুরু হয়েছে সন্ত্রাস। বিরোধী সিপিআইএম প্রার্থীদের বাড়ি বাড়ি হামলা চলছে। বেশকিছু দোকান ভাঙচুর। অভিযোগ সর্বক্ষেত্রে বিজেপির বাইক বাহিনী হামলা করছে। যদিও বিজেপি এই দাবি অস্বীকার করেছে।

বৃহস্পতিবার ত্রিপুরায় বহু চর্চিত আগরতলা পুর নিগমের ভোট ঘিরে বু়ধবার বিকেল থেকেই হিংসাক্মক পরিস্থিতি তৈরি হলো ফের। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে হামলা চলছে বলে অভিযোগ বিরোধী দল সিপিআইএমের। একই অভিযোগ করছে তৃ়ণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেস।

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিরোধী দলনেতা মানিক সরকারের স্ত্রী তথা সিপিআইএম নেত্রী পাঞ্চালি সরকারের অভিযোগ, শাসক বিজেপি যে প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২০১৮ সালে ক্ষমতায় এসেছিল তার একটিও পূর্ণ হয়নি। এর ফলে সন্ত্রাস পরিবেশ তৈরি করেছে।

পাঞ্চালি সরকারের উপস্থিতিতে বিজেপি আশ্রিত হামলাকারীদের নামের তালিকা সাংবাদিকদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। পঞ্চালি সরকার জানান, পরিস্থিতি এমন যে বিজেপি সমর্থকদের বাড়িতে গিয়েও হুমকি দেওয়া হচ্ছে। হামলাকারী ৯ জনের নামের তালিকা রাজ্য নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়া হয়েছে।

এদিকে আগরতলার বিভিন্ন ওয়েব সংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে হামলাকারীদের ছবি। অভিযোগ, সব জেনেও নির্বাচন কমিশন নীরব। ভোটের দিন সকাল থেকে তীব্র আতঙ্কের পরিবেশ তৈরি হবে বলেই আশঙ্কা। পরিস্থিতি দেখে পুর নিগমের ৫১টি ওয়ার্ডের সব বুথকে স্পর্শকাতর বলে চিহ্নিত করেছে নির্বাচন কমিশন।

(ছবি সৌজন্য আগরতলার সংবাদ মাধ্যম)

Tripura: পুর নির্বাচনের পরেই BJP তে বড় ধসের ইঙ্গিত, সুদীপ সমীকরণে চাঞ্চল্য

Sudip Roy Barman

News Desk: সাংবাদিক বৈঠকে যেভাবে দল ও মুখ্যমন্ত্রীকে নিশানা করে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সুদীপ রায় বর্মণ, তাতে ত্রিপুরা বিজেপি ক্ষুব্ধ। শাসক দলের তরফে জানানো হয়েছে ভোট মিটলেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এর পরেই প্রশ্ন সুদীপবাবু কি ফের তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিতে চলেছেন?

ত্রিপুরায় টিএমসির দায়িত্বপ্রাপ্ত নেত্রী সাংসদ সুস্মিতা দেব জানিয়েছেন, সুদীপ দা গুরুত্বপূর্ণ নেতা। তাঁর মন্তব্যে শোরগোল পড়েছে। যদিও আগরতলা থেকে কলকাতা ফিরে তিনি এই বিষয়ে নীরব। তবে জানিয়েছেন, পুর নির্বাচনের দিন সন্ত্রাসের আশঙ্কা প্রবল।

এদিকে প্রাক্তন স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও বর্তমান হেভিওয়েট বিজেপি নেতা সুদীপ রায় বর্মণের দাবি, তিনি দলের ভাবমূর্তি কালিমালিপ্ত করার ষড়যন্ত্র রুখতে চান। নাম না করে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে কটাক্ষ করে বলেন, রাজ্যে পুর ও নগর পঞ্চায়েত ভোটে যে হুলিগান তাণ্ডব চলছে তাতে সরকারের কী বক্তব্য? কোথায় রাজ্যের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ? তাৎপর্যপূর্ণ মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই রাজ্যের স্বরাষ্ট্র দফতর ও পুলিশ বিভাগ।

পুর ভোটের দিন রাস্তায় নেমে তাণ্ডবলীলা রুখবেন বলে জানিয়েছেন সুদীপবাবু। আর রাজ্য বিজেপির তরফে জানানো হয়, ভোটের দিন দলীয় কর্মীরা রাস্তায় থাকবেন। সুদীপবাবু যখন নিজেকে বিজেপির কার্যকর্তা বলে দাবি করেছেন তিনিও থাকবেন। তবে তাঁর মন্তব্য নিয়ে ভোটের পরেই সিদ্ধান্ত নেবে দল।

সুদীপবাবু কি টিএমসিতে আসছেন ? আগরতলা থেকে কলকাতা পর্যন্ত এই প্রশ্ন। সূত্রের খবর, বিপ্লব দেব বিরোধী বিধায়কদের নিয়েই দলত্যাগের জন্য প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন সুদীপ রায় বর্মণ। তবে তিনি পুর ভোট পর্যবেক্ষণ করেই সিদ্ধান্তে নেবেন।

পুর নির্বাচনে সন্ত্রাস উপেক্ষা করে আগরতলাবাসীকে ভালো কিছুর জন্য ভোট দিতে আহ্বান জানান সুদীপবাবু। এই মন্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক জল্পনা তুঙ্গে। তিনি বলেন, আগে উৎসবের মেজাজে রাজ্যে ভোট হত। তিনি আরও বলেন, রাজ্যে আগামী দিনে বিজেপির ভয়ঙ্কর অবস্থা হতে চলেছে।

সুদীপবাবুর এই উৎসবের মেজাজে ভোটের কথা বিরোধী দল সিপিআইএম লুফে নিয়েছে। বাম মহলের দাবি, ত্রিপুরায় টানা ২৫ বছর বামফ্রন্ট সরকারের আমলে নির্বিঘ্নে ভোট হতো তা স্বীকার করেছেন সুদীপবাবু।

ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী সমীর রঞ্জন বর্মণের পুত্র সুদীপ রায়বর্মণ। তিনি দীর্ঘ সময় কংগ্রেসের বিধায়ক। টানা বাম আমলে দাপুটে কংগ্রেস নেতা। তবে গত বিধানসভা ভোটের আগে সুদীপবাবু সহ ততকালীন বিরোধী দল কংগ্রেসের বিধায়করা টিএমসিতে যোগ দেন। রাজ্যে টিএমসি হয়েছিল ক্ষনিকের জন্য বিরোধী দল। এরপর বিধানসভা ভোটের আগে সুদীপবাবু সহ সেই বিধায়করা বিজেপিতে চলে যান। বিরোধী দল থেকে পরিবর্তনের ভোটে ত্রিপুরায় সরকার গড়ে বিজেপি। আর সিপিআইএম হয় প্রধান বিরোধী দল।

রাজ্যে বিজেপি আইপিএফটি জোট সরকারের আমলে স্বাস্থ্যমন্ত্রী হন সুদীপবাবু। তবে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের বিভিন্ন পদক্ষেপ নিয়ে বিধানসভা ও বাইরে সরব ছিলেন তিনি। তাঁকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী।

Bangladesh: আচমকা বাংলাদেশ জুড়ে গোয়েন্দা ও পুলিশি তৎপরতা তুঙ্গে, কেন?

BD-Police

News Desk: রাস্তার মোড়ে মোড়ে সশস্ত্র পুলিশ তৈরি। তৎপরতা গোয়েন্দা পুলিশ, ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন ব্যাটেলি(ব়্যাব) সহ প্রশাসনিক সব মহলেই। বাংলাদেশে দিন শুরু হয়েছে আশঙ্কা নিয়ে। কেন এমন পরিস্থিতি ? জনজীবনে প্রশ্ন ও আশঙ্কা।

বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, দেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার অসুস্থ। তাঁর অসুস্থতা নিয়ে গুজব ছড়িয়ে জনজীবনে অশান্তি ছড়াতে মরিয়া বিএনপি দল। পরিস্থিতি যাতে হাতের বাইরে না যায় তার জন্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে।

রাজধানী ঢাকা তো বটেই, সবকটি বিভাগ চট্টগ্রাম, রংপুর, বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী, সিলেট, ময়মনসিংহের সর্বত্র পুলিশকে অতি মাত্রায় সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে। সব জেলা, উপজেলা ও জনবহুল এলাকায় গোয়েন্দা কর্মীরা সক্রিয়। পুলিশ বিভাগের সব ছুটি বাতিল।

দেশের অন্যতম বিরোধী দল বিএনপি। দলটির নেত্রী
খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা নিয়ে উদ্বেগে বিএনপি নেতৃত্ব ও জিয়া পরিবার। তাঁর অবস্থা খুবই খারাপ বলে দাবি করেছেন বিএনপি শীর্ষ নেতা মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগির। আর জিয়া পরিবারের তরফে সরকারের কাছে আবেদন জানানো হয় প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রীর বিদেশে চিকিৎসার ব্যবস্থা করতে। আওয়ানী লীগ সরকার রাজি নয়।

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট ও জিয়া অরফানেজ এই
দুটি সংস্থার আর্থিক দুর্নীতির মামলায় জেলে ছিলেন খালেদা জিয়া। কোভিড পরিস্থিতি ও তাঁর অসুস্থতার কারণে জেল থেকে বাড়িতে পাঠানো হয় বেগম জিয়াকে। তিনি কোভিড আক্রান্ত হন। এর পর থেকে বারবার অসুস্থ হয়ে পড়ছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী। গত কয়েকদিন ধরে তিনি ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

খালেদা জিয়ার উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিয়ে যেতে মরিয়া তাঁর পরিবার। বাংলাদেশ সরকার জানিয়েছে, আদালতের নির্দেশে তাঁর দেশত্যাগ নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। আইন মেনেই দেশে চিকিতসার সুযোগ পাবেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী।

দলনেত্রীর উপর থেকে নিষেধাজ্ঞা সরিয়ে নিতে বিএনপি দেশজুড়ে অবস্থান বিক্ষোভ করে। নাটোরের পরিস্থিতি ছিল উদ্বেগজনক। উত্তেজিত মিছিলকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। গুলি চলে। রাবার বুলেটে জখম হন অনেকে। বিএনপি নেতৃত্ব তাদের নেত্রীর জন্য গণঅবস্থানের ডাক দিয়েছে।

ঢাকা মহানগর পুলিশের কর্মকর্তারা বলেছেন, খালেদা জিয়ার অসুস্থতা নিয়ে স্বার্থান্বেষী বিভিন্ন গোষ্ঠী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে গুজব বা অসত্য তথ্য ছড়াতে পারে এমন আশঙ্কা করা হচ্ছে। এর জন্য পুলিশের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্ক থাকতে বলা হয়েছে।