Meghalaya: তুষারে ঢাকল শিলং, আসছে স্যান্টা বুড়ো

News Desk: দার্জিলিংয়ে এখনও বরফ পড়েনি। তবে সিকিমে পড়েছে। এবার পাল্লা দিল মেঘালয়। রাজধানী শহর শিলং জুড়ে বরফের চাদর। আসন্ন বড়দিনের আগে এমন পরিস্থিতিতে খুশি উত্তর পূর্বের এই রাজ্যবাসী।

বুধবার বৃষ্টির সঙ্গে গুঁড়িগুঁড়ি তুষারপাত হয় শিলং শহরে। জমজমাট পুলিশ বাজারের সর্বত্র বরফের প্রলেপ পড়েছে। এছাড়া শহরের সর্বত্র তুষারে ঢেকেছে রাস্তা,বাড়ির উঠোন।

আসছে স্যান্টা বুড়ো। বড়দিনের আগেই তার আগমণ উপলক্ষে জমজমাট উত্তর পূর্বের মেঘালয়। রাজ্যটিতে সংখ্যাগুরু খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীরা। ফলে এখানে বড়দিনের উৎসবের আলাদা আমেজ আসে।

পর্যটন নগরী শিলং। কোভিড বিধি মেনেই মেঘালয়ে ঢুকতে পারছেন পর্যটকরা। আছে ওমিক্রন আতঙ্ক। তবে সবকিছু দূরে রেখে আপাতত তুষারপাতের আনন্দে মাতোয়ারা শিলংবাসী।

রাজ্যের পূর্ব ও পশ্চিম খাসি হিলসের বিভিন্ন জায়গায় হয়েছে তুষারপাত।

Bangladesh: খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবি, আন্দোলনে গুলিবিদ্ধ বহু

khaleda zia

News Desk: ফের উত্তপ্ত পরিস্থিতি। প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী তথা বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়াকে বিদেশে নিয়ে গিয়ে চিকিৎসার দাবিতে আন্দোলন রক্তাক্ত। বিএনপি সমর্থকরা গুলিবিদ্ধ।

ঘটনাস্থল সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ। বিএনপি-নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষে হবিগঞ্জ শহরে প্রবল উত্তেজনা। 

হবিগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মাহফুজা আক্তার শিমুল জানান, বুধবার দুপুরে সংঘর্ষ শুরু হয়। পুলিশ অন্তত ৫০ রাউন্ড রাবার বুলেট ও টিয়ার শেল নিক্ষেপ করেছে। সংঘর্ষে পুলিশসহ কমপক্ষে শতাধিক বিএনপি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। ২০ জন গুলিবিদ্ধ।

পুলিশের দাবি, বিএনপির নেতাকর্মীরা পুলিশের ওপর হামলা করলে সংঘর্ষ শুরু হয়।  বিএনপি নেতাকর্মীদের দাবি, সমাবেশে আসতে নেতাকর্মীদের বাধা দিলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ হয়।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে চিকিৎসার দাবিতে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বুধবার সমাবেশের আয়োজন করে জেলা বিএনপি।

ঢাকায় চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়া। তাঁর অবস্থা ভালো নয় বলে দাবি বিএনপি ও জিয়া পরিবারের। আর্থিক দুর্নীতির মামলায় জেল খাটা বেগম জিয়ার দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা আছে।

BJP: দলের ভরাডুবিতে ‘গর্দভসুলভ সৌজন্য’ খুঁজে পেলেন তথাগত রায়

dilip ghosh attacks Tathagata roy

News Desk: কলকাতা পুরনিগম ভোটে বিজেপি তিন নম্বরে নেমে যাওয়ার পর প্রবীণ নেতা তথাগত রায় টুইটে লিখেছিলেন যা বলার বুধবার বলব। অপেক্ষার অবসান। তিনি দলের পরাজয়ের বিশ্লেষণে লিখেছেন “গর্দভসুলভ ‘সৌজন্য’।”

কেন এমন লিখলেন তথাগতবাবু ? তাঁর ফেসবুক পোস্ট নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে। প্রাক্তন রাজ্যপাল লিখেছেন:
“একটা দল ভেঙে পড়েও আবার উঠে দাঁড়াতে পারে যদি তার ইচ্ছা থাকে। তার জন্য হারের বিশ্লেষণ করতে হয়, course correction করতে হয়। সিপিএম ঠিক এইভাবেই ২০০১ সালে জ্যোতিবাবুকে খারিজ করে সাফল্য পেয়েছিল। এই পুরসভা নির্বাচনে তৃণমূল প্রচুর কারচুপি করেছে, কিন্তু শুধু তা দেখলেই হবে না। তৃণমূল দলটার চরম অসাধুতার প্রকাশ এইখানে, যে তারা জানত তারা ভালভাবেই জিতবে, কিন্তু তা সত্ত্বেও তারা গুন্ডামি, বদমায়েশি, ছাপ্পা করেছে, পুলিশকে দিয়ে দলদাসের মতো আচরণ করিয়েছে। কিন্তু এটা বিজেপির পক্ষে আত্মবিশ্লেষণ না করার কোনো কারণ হতে পারে না।

বস্তুত বিজেপির শতাংশের হিসেবে তৃতীয় স্থানে নেমে যাওয়া কোনো নতুন ঘটনা নয়। বিধানসভা নির্বাচনে যে বিপর্যয় হয়েছিল এটা তারই প্রসারণ। যদি দল তার পরে আত্মানুসন্ধান করত এবং যে অসৎ-লম্পট চক্র এর জন্য দায়ী তাকে নির্মমভাবে অপসারণ করত তাহলে কর্মীরা উজ্জীবিত হত, পুরসভার ফল এর চেয়ে অনেক ভাল হতে পারত। কিন্তু তার বদলে হয়েছে ‘তিন থেকে সাতাত্তর’, তৃণমূলের শয়তানির উপর সব দোষ চাপানো, এবং সবশেষে এক গর্দভসুলভ ‘সৌজন্য’।

ভগবান শ্রীকৃষ্ণ বলেছিলেন, “নাসতো বিদ্যতে ভাবঃ নাভাবো বিদ্যতে সতঃ” (ভগবদ্গীতা ২:১৬)। তৃণমূলের মত কাটমানি-সিন্ডিকেট-দুর্নীতিতে নিমজ্জিত অসৎ দল কখনো টিকতে পারে না। শুধু তার জায়গা নেবার কেউ নেই বলেই এখনো তারা দাপিয়ে যাচ্ছে। হিন্দু বাঙালির কি যে হবে !”

BJP: ভোটে ধস দেখে বস রেগেছেন, ফোন ধরতেই আতঙ্ক

BJP

News Desk: বিধানসভার ভোটে যা হয়েছিল তাতে চিঁড়ে ভেজেনি। বস চেয়েছিলেন সরকার হোক, হয়েছে বিরোধী দল। বাংলার ভোট না চেনা কর্পোরেট বিজেপি বস রেগে কাঁই কলকাতা পুরভোটে তৃতীয় হওয়ায়। এমনই অবস্খা যে বঙ্গ বিজেপির নেতারা ফোন ধরতেই ‘ভয়’ পাচ্ছেন।

বিজেপি অন্দর মহলে প্রবল ভূমিকম্প। হুড়মুড়িয়ে আরও ধসের আতঙ্ক প্রবল। আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে দলটাই থাকবে না এমনই গুঞ্জন। তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরতে মরিয়া সবাই। এমনই বার্তা আসছে অহরহ।

কলকাতা পুর নিগমের ভোটে বিপর্যয় প্রবল। বিধানসভায় শূন্য হওয়া সিপিআইএমেরও নিচে নেমেছে প্রধান বিরোধী দল বিজেপি। রাজ্য সম্পাদক সুকান্ত মজুমদার যদিও পুর নির্বাচনের রিগিং তত্ত্বকে আঁকড়ে ধরেছেন। আর বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী সরকারের বিরুদ্ধে প্রবল আস্ফালন শুরু করেছেন। প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ প্রায় নীরব।

সূত্রের খবর, দক্ষিণবঙ্গে পূর্ব মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রাম, বাঁকুড়ায় বড়সড় ভাঙন যে হচ্ছে তাতে নিশ্চিত বিজেপি নেতারা। জেলা ভিত্তিক সংগঠন হুড়মুড়িয়ে ভাঙছে। এই অবস্থায় আসন্ন পৌর ভোটে কী করে লড়াই চলবে তাই জানেন না নেতারা।

দলের করুণ অবস্থায় ফের ওষুধ দিতে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। তাঁর বঙ্গ সফরের আগে রাজ্য নেতৃত্বকে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হতে পারে বলেও খবর। পৌর নির্বাচনে ভরাডুবি হচ্ছে ধরেই চলছে রাজ্য বিজেপি।

Tripura: TMC জিততেই ‘মীরজাফর’ রাজীব রসগোল্লা আমেজে মত্ত

News Desk: এখনও মন ফেরত পাননি দলীয় কর্মীদের। সর্বশেষ হাওড়ায় গিয়ে মীরজাফর গো ব্যাক শুনে মাথা নামিয়ে ফেরত এসেছেন। তৃণমূল কংগ্রেস কর্মী সমর্থকদের রোষ এতটাই যে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রবাসী রাজনীতি মেনে নিতেই হয়েছে। বিজেপি থেকে ফের তৃণমূলে ফিরেও রক্ষে নেই নিজভূমে।

তবে দল জিতলে আনন্দ করবেন না তা কী হয় নাকি ! মঙ্গলবার যখন কলকাতা পুরনিগমে বিপুল জয় পাচ্ছিল তৃণমূল কংগ্রেস, তখন আগরতলাতেও টিএমসি উল্লাস শুরু হয়। সেই উল্লাসে মেতে উঠতে দেখা গেছে মীরজাফর রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়কে।

ত্রিপুরায় তৃণমূলের হেভিওয়েট নেতা সুবল ভৌমিক রসগোল্লার হাঁড়ি নিয়ে সমর্থকদের ঘেরাটোপে। যে পারছে টপাটপ রসগোল্লা খাচ্ছে। সেই ভিড়ে কে যে রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখে ভরে দিয়েছে রসগোল্লা। তিনি গবগবিয়ে খাচ্ছেন। মুখে অনাবিল হাসির ছোঁয়া।

কটা রসগোল্লা খেয়েছেন রাজীববাবু? কেউ জানে না। তবে কানাঘুষোয় শোনা যাচ্ছে গোটা কতক খেয়েছেন। ত্রিপুরায় তিনি টিএমসির হয়ে রাজনৈতিক জমি খুঁজছেন।

পশ্চিমবঙ্গের টিএমসি সমর্থকদের বিশেষত হাওড়ার সমর্থকদের নজরে ‘মীরজাফর’ রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। কারণ, তিনি পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোটের আগে টিএমসি ছেড়ে চাটার্ড প্লেনে চেপে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। ভোটে হারেন। বিজেপি সরকার গড়তে পারেনি। ফের তৃণমূলে ফিরেছেন। ত্রিপুরায় পৌর ভোটের আগে তিনি আগরতলায় এসে টিএমসিতে যোগ দেন। প্রবল লড়ে আগরতলা পুরনিগমে একটি ওয়ার্ড দখলে আনতে পেরেছেন।

আপাতত ত্রিপুরাতেই তিন আছেন। কারণ, আগামী বিধানসভা ভোটে এই রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস প্রবল শক্তি নিয়ে নামবে বলেই জানিয়েছেন দলনেত্রী তথা পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখানে তাঁর লড়াই শাসক বিজেপি ও বিরোধী সিপিআইএমের সঙ্গে।

BSF: ভারতে ঢুকে ধৃত জাল আধার কার্ড চক্রের বাংলাদেশি দুষ্কৃতিরা

bsf lady constable

News Desk: সীমান্তে বড় সাফল্য বিএসএফের। বাংলাদেশ থেকে ভারতে অনুপ্রবেশের সময় দুষ্কৃতী লুৎফর রহমানকে গ্রেফতার করেছে বিএসএফ।

উত্তর ২৪ পরগনার হাকিমপুর সীমান্ত পেরনোর সময় ৫ বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে আটক করে সীমান্তরক্ষীরা। হাকিমপুর সীমান্ত পেরনোর সময় তারা ধরা পড়ে।

বিএসএফ জানিয়েছে, সেই দলেই ছিল বাংলাদেশের খুলনা বিভাগের সাতক্ষীরার বাসিন্দা লুৎফর রহমান। জাল আধার কার্ড ও ভোটার কার্ড তৈরি করার চক্র চালায় সে। লুৎফর সহ পাঁচ অভিযুক্তকে উত্তর ২৪ পরগনার স্বরূপনগর থানার হাতে তুলে দেয় বিএসএফ।

পুলিশ সূত্রে খবর, লুৎফর রহমানের বিরুদ্ধে লুক আউট নোটিশ রয়েছে বাংলাদেশে। বিভিন্ন সময় ভারতে ঢুকে নকল আধার কার্ড, ভোটার কার্ডের কারবার করে। বাকি ধৃতদের মধ্যে ২ জন পুরুষ ১ জন মহিলা ও একজন তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তি।

সীমান্তে অনুপ্রবেশ রুখতে আগাম সতর্কতা নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বিএসএফ। সীমান্তে বসানো হয়েছে বিশেষ আলো। ফলে সীমান্ত সুরক্ষা আরও বেশি জোরদার হয়েছে বলে দাবি বিএসএফের।

অন্যদিকে নদিয়ার হাঁসখালির গোগড়ায় আন্তর্জাতিক ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তে বিপুল পরিমাণ রুপোর গহনা উদ্ধার করেছে বিএসএফ। সোমবার ভোরে সীমান্ত অতিক্রম করবার সময় পাচারকারীদের তাড়া করে বিএসএফ। জওয়ানরা কাঁদানে গ্যাসের শেল ফাটিয়ে পাচারকারীদের ধরে ফেলে। ৬ কেজি রুপোর গহনা উদ্ধার করা হয়।

শীতের পিচে কালিম্পংকে তাড়া পুরুলিয়ার, পিছনেই বর্ধমান

bengal-winter

News Desk: উত্তুরে কনকনি শীত নাকি দক্ষিণের হু হু ঠাণ্ডা কোনটা বেশি কাঁপায়? যার শীত যেমন সেই বোঝে তেমন। তবে হাওয়া অফিসের হিসেবে উঠে এসেছে মধ্য ডিসেম্বরের শীত হিসেব। এতে শৈলশহর কালিম্পংকে তাড়া করছে জঙ্গলমহল ঘেরা পুরুলিয়া।

সোমবারের তাপমাত্রা পরিসংখ্যানে দেখা গেছে কালিম্পং ও পুরুলিয়ায় তাপমাত্রা ৭.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ যেন শীতের পিচে একে অপরের রান তাড়া করার দৌড়। ঠিক এক রান পিছনে পূর্ব বর্ধমানের বর্ধমান। এখানে তাপমাত্রা ৮.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর গায়ে গায়ে দৌড়চ্ছে দার্জিলিং জেলার শিলিগুড়ি। তবে শীত রান রেটে সেরা দার্জিলিং শহর। এখানে তাপমাত্রা নেমেছে ৩.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

আবহাওয়া দফতর সূত্রে খবর, সোমবার কলকাতায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস। বাঁকুড়ায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৮.৯ ডিগ্রি সেলসিয়াস। মালদায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। নদিয়ার কৃষ্ণনগরে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা দেখা গিয়েছে ১০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পূর্ব মেদিনীপুরের দীঘায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। পশ্চিম নবর্ধমানের আসানসোলে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৯.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। হুগলির তাপমাত্রা ১০.২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে।

তাপমাত্রার নিম্নগামী স্রোতে হিমালয় সংলগ্ন দার্জিলিং, কালিম্পং, জলপাইগুড়ি, আলিপুরদুয়ারে কনকনিয়ে শীত পড়েছে। দক্ষিণের ছোটনাগপুর মালভূমির অন্তর্গত পুরুলিয়া, বাঁকুড়া, পশ্চিম মেদিনীপুর, ঝাড়গ্রামে হু হু করে তাপমাত্রা নামছে।

রাজ্যে শীত পড়ছে জাঁকিয়ে। বড় দিনের আগেই জবুথবু হবে বাঙালি জনজীবন।

Myanmar: ভারত সীমান্ত প্রদেশে বর্মী সেনার ‘গণহত্যা’, মাটি খুঁড়লেই দেহ

Myanmar military attack started on rebel force controlled chinland states

News Desk: মায়ানমারে ‘গণহত্যা’ চালাচ্ছে দেশটির সামরিক সরকার। এই ভয়াবহ ঘটনার কেন্দ্র দেশটির সাগাইং প্রদেশ। বিবিসি জানাচ্ছে সাগাইং প্রদেশের সাগাইং জেলায় ‘গণহত্যা’ চালানো হয়। প্রত্যক্ষদর্শী ও কোনওরকমে বেঁচে যাওয়া কয়েকজনের বিবরণে উঠে এসেছে মৃতদেহগুলি মাটির তলায় চাপা দেয় সেনা। দু চার হাত মাটি খুঁড়লেই দেহ মিলছে। ভয়াবহ পরিস্থিতি এই জেলায়।

সাগাইং প্রদেশটি ভারত সীমান্ত লাগোয়া। তবে এই প্রদেশের সাগাইং জেলাটি সীমান্ত থেকে দূরে। এখানেই অন্তত ৪০ জনকে খুন করেছে বর্মী সেনা। সাগাইং প্রদেশের সাগাইং জেলাটি বর্মী সেনার বিরোধী গোষ্ঠী শক্তিশালী।

বিবিসি জানাচ্ছে, প্রত্যক্ষদর্শী এবং বেঁচে থাকা ব্যক্তিরা বলেছেন এলাকাবাসীদের জড়ো করে তাদের মধ্য থেকে পুরুষদের আলাদা করে হত্যা করে বর্মী সেনা। এদের মধ্যে অনেকের বয়স মাত্র ১৭ বছর।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিডিও ফুটেজ এবং ছবি দেখে জানা যায় যে, নিহতদের বেশিরভাগকে প্রথমে নির্যাতন করা হয়েছিল। তারপর তাদের খুন করে অগভীর কবরে মাটি চাপা দেওয়া হয়।

মায়ানমারের সাগাইং জেলায় বিরোধীদের শক্ত ঘাঁটি হিসেবে পরিচিত কানি শহর। এখানে চারটি আলাদা ঘটনায় জুলাই মাসে এই গণহত্যাকাণ্ড হয়েছিল।

বেঁচে যাওয়া কয়েকজন ভয়াবহ নির্যাতন ও খুনের বর্ণনা দিয়েছেন। কয়েকজন গোপনে মোবাইলে গণহত্যার ছবি রেকর্ড করেন। সেই ভিডিও ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ থেকে বিবিসি প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

মায়ানমারে গণতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার দাবিতে দেশটির জনগণ প্রবল বিদ্রোহে সামিল হয়েছেন। গত ফেব্রুয়ারি মাসে নির্বাচিত আউং সান সু কি-এর সরকারকে ক্ষমতা হস্তান্তর না করে উৎখাত করা হয়। ক্ষমতা দখল করেন বর্মী সেনাপ্রধান জেনারেল মিন অং হ্লাইং। তিনিই এখন মায়ানমারের সামরিক সরকারের প্রধান।

KMC Election: বোমাবাজি, হামলায় কল্লোলিত কলকাতা! অভিযুক্ত TMC

CCTV kolkata municipal election

News Desk: পুরভোটে বোমা হামলা। বেলা গড়াতেই শাসক টিএমসির বিরুদ্ধে একের পর এক ওয়ার্ড থেকে বুথ দখলের অভিযোগ ঘিরে সরগরম পরিস্থিতি। বোমাবাজি, হামলায় কলকাতা কল্লোলিত!

শিয়ালদায় টাকি স্কুলের সামনে বোমাবাজির ঘটনা তীব্র আকার নেয়। অভিযুক্ত টিএমসি। বাঘাযতীনে পথ অবরোধ বামেদের। খান্নায় হাইস্কুলে বোমাবাজি। রাস্তা অবরোধ বামেদের। শিয়ালদহে ভোটার আক্রান্ত।
বোমা হামলায় জখম ব্যক্তি।

বেব্রোর্ন রোডে আক্রান্ত কংগ্রেস এজেন্ট। মারধর। বিভিন্ন ওয়ার্ডে কংগ্রেস ও তৃণমূলের মধ্যে বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ।

KMC election meena devi
সিপিআইএম প্রার্থীর পরিবারের লোককে ভয় দেখিয়ে ভোট দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পুলিশের সঙ্গে বচসা জড়ালেন সিপিআইএম প্রার্থীর।

প্রধান বিরোধী দলের সাংগঠনিক দূর্বলতা:
ভোট শুরু হতেই দেখা যায় একাধিক ওয়ার্ডে বিজেপি এজেন্ট দিতে পারেনি। প্রবল সাংগঠনিক দূর্বলতার প্রকাশ বিরোধী দলের। তবে বিজেপির দাবি, টিএমসি হুমকি দিচ্ছে। আক্রান্ত হন প্রাক্তন ডেপুটি কমিশনার ও বিজেপি নেত্রী মীনাদেবী পুরোহিত।

(KMC Election police

সিপিআইএমের প্রতিবাদ:
পুরনিগম ভোটে বাম প্রার্থীর এজেন্ট ও তাঁর মা কে খুনের হুমকি দেওয়ায় অভিযুক্ত টিএমসি। ঘটনাস্থল মহানগরের কসবা বোসপুকুর এলাকা। এখানকার ৬৭ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিএআইএম এজেন্টের বাড়ি গিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উছেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ওই বাম এজেন্টের মা। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি বলেছেন, বাড়িতে ঢুকে কয়েকজন হুমকি দেয়। ছেলেকে বুথ থেকে নিয়ে আয়, তা না হলে চিহ্ন পাবি না। এই শাশানির পরে ওই বাম এজেন্টের মা আতঙ্কে ফোন করেন দলীয় কর্মীদের। কর্মীরা আশ্বস্ত করেন তাঁর ছেলে নিরাপদ। আক্রান্ত মহিলার দাবি শাশানি দিয়েছে বহিরাগত টিএমসির সমর্থকরা।

আগরতলার বদলা?
কলকাতা পুরনিগমের বিক্ষিপ্ত হামলায় অভিযুক্ত শাসক টিএমসি। সদ্য হয়ে যাওয়া ত্রিপুরার পুর নির্বাচনের সে রাজ্যে অভিযুক্ত বিজেপির সঙ্গে এর মিল পাচ্ছেন বিশ্লেষকরা।

<

p style=”text-align: justify;”>ছোট লালবাড়ি অর্থাৎ কলকাতা পুরসভার নির্বাচন। শান্তিপূর্ণভাবে সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছে প্রশাসন। সেই চ্যালেঞ্জ সকালেই মুখ থুবড়ে পড়েছে। কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডে ভোট চলছে। বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসছে বিক্ষিপ্ত হামলা ও অশান্তির ঘটনার খবর।

KMC Election:ঘরে ঢুকে CPIM এজেন্টের মা কে খুনের হুমকি, অভিযুক্ত TMC

(KMC Election police

News Desk: বিধানসভা ভোটে যাদের ন্যুনতম রাজনৈতিক শক্তি নেই রাজ্যে। শূন্য হয়ে গেছে। তাদেরই প্রার্থীদের এত ভয়? প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। কলকাতা পুরনিগম ভোটে বাম প্রার্থীর এজেন্ট ও তাঁর মা কে খুনের হুমকি দেওয়ায় অভিযুক্ত টিএমসি।

ঘটনাস্থল মহানগরের কসবা বোসপুকুর এলাকা। এখানকার ৬৭ নম্বর ওয়ার্ডে সিপিএআইএম এজেন্টের বাড়ি গিয়ে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উছেছে তৃণমূলের বিরুদ্ধে।

পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে কান্নায় ভেঙে পড়লেন ওই বাম এজেন্টের মা। সংবাদমাধ্যমের সামনে তিনি বলেছেন, বাড়িতে ঢুকে কয়েকজন হুমকি দেয়। ছেলেকে বুথ থেকে নিয়ে আয়, তা না হলে চিহ্ন পাবি না।

এই শাশানির পরে ওই বাম এজেন্টের মা আতঙ্কে ফোন করেন দলীয় কর্মীদের। কর্মীরা আশ্বস্ত করেন তাঁর ছেলে নিরাপদ। আক্রান্ত মহিলার দাবি শাশানি দিয়েছে বহিরাগত টিএমসির সমর্থকরা।

আগরতলার ছবি কি কলকাতা পুরনিগমে উঠে এলো? বেলা গড়াতেই এই প্রশ্ন। সকাল থেকে কলকাতা পুরনিগমের ভোটে অশান্তি ও বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে আক্রান্ত বিরোধীরা। শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি সব অভিযোগ ভুয়ো।

ছোট লালবাড়ি অর্থাৎ কলকাতা পুরসভার নির্বাচন। শান্তিপূর্ণভাবে সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছে প্রশাসন। সেই চ্যালেঞ্জ সকালেই মুখ থুবড়ে পড়েছে।

কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডে ভোট চলছে। বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসছে বিক্ষিপ্ত হামলা ও অশান্তির ঘটনার খবর।

KMC Election: আগরতলার বদলা! বোমাবাজি, বুথ দখলে অভিযুক্ত তৃণমূল

KMC election meena devi

ছবির ক্যাপশন: সিপিআইএম প্রার্থীর পরিবারের লোককে ভয় দেখিয়ে ভোট দেওয়ার অভিযোগ তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পুলিশের সঙ্গে বচসা জড়ালেন সিপিআইএম প্রার্থীর।

News Desk: আগরতলার ছবি কি কলকাতা পুরনিগমে (KMC Election) উঠে এলো? বেলা গড়াতেই এই প্রশ্ন। সকাল থেকে কলকাতা পুরনিগমের ভোটে অশান্তি ও বোমাবাজির ঘটনা ঘটেছে। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে আক্রান্ত বিরোধীরা। শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি সব অভিযোগ ভুয়ো।

ছোট লালবাড়ি অর্থাৎ কলকাতা পুরসভার নির্বাচন। শান্তিপূর্ণভাবে সেই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার চ্যালেঞ্জ নিয়েছে প্রশাসন। সেই চ্যালেঞ্জ সকালেই মুখ থুবড়ে পড়েছে।

কলকাতা পুরসভার ১৪৪টি ওয়ার্ডে ভোট চলছে। বিভিন্ন ওয়ার্ড থেকে আসছে বিক্ষিপ্ত হামলা ও অশান্তির ঘটনার খবর। রাজ্য নির্বাচন কমিশনার সৌরভ দাসের দাবি, পর্যাপ্ত নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে। মোতায়েন কলকাতা ও পশ্চিমবঙ্গ পুলিসের সাড়ে ২৩ হাজার অফিসার ও কর্মী।

একের পর এক ওয়ার্ডে হামলার ঘটনা প্রমাণ করছে প্রশাসন নিষ্ক্রিয়। পোস্তা এলাকায় বিজেপি প্রার্থী মীনাদেবী পুরোহিতকে হেনস্থা, পোশাক ছিঁড়ে দেওয়ার অভিযোগ এসেছে। তিনি প্রাক্তন ডেপুটি মেয়র। একাধিক ওয়ার্ডে বিজেপি সাংগঠনিক দূর্বলতায় কোনও এজেন্ট দিতে পারেনি। বিরোধী দলের ক্ষেত্রে এটি লজ্জাজনক বলে কটাক্ষ শাসক তৃণমূল কংগ্রেসের।

<

p style=”text-align: justify;”>বিভিন্ন ওয়ার্ডে বামফ্রন্টের এজেন্টরা আক্রান্ত। বামেদের পক্ষে প্রশাসনকে শাসকের পক্ষ নেওয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

Hong Kong: ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে চলছে আগুনে মানুষে টানাটানি, দমবন্ধকর পরিস্থিতি

hong-kong-world-trade-fire

News Desk: হাজার হাজার মানুষের চোখ উপরে। মোবাইল বের করে ভয়াবহ মুহূর্তের ছবি তুলছেন অনেকে। ভিতরে অর্থাৎ হংকংয়ের (Hong Kong) ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারে ছড়িয়েছে আগুন। চলছে আগুনে মানুষে টানাটানি।

সংবাদ সংস্থা এপি জানাচ্ছে, হংকংয়ের (Hong Kong) বিখ্যাত প্রাচ্যের ওয়ার্ন্ড ট্রেড সেন্টারে অগ্নিকান্ড। ভিতরে আটকে পড়েছেন কমপক্ষে ৩০০ জন।

চিনা সংবাদ সংস্থা জিনহুয়ার খবর, ভিতরে দমবন্ধকর পরিস্থিতি। যারা আটকে পড়েছেন কোনওরকমে সোশ্যাল মিডিয়ায় বা ফোন করে পরিচিতদের জানিয়েছেন।

hong-kong-world-trade-center

বিবিসি ও জাপান টাইমসের খবর, ভিতর থেকে কয়েকজনকে বের করা হয়েছে।

আল জাজিরা জানিয়েছে, বুধবার দুপুরে হংকংয়ের কজওয়ে বে এলাকার ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের ৩৮ তলা ভবনটিতে আগুন ধরে।

hong-kong-world-trade-center

ঘিঞ্জি বসতিপূর্ণ বিশ্বের অন্যতম ব্যাস্ত বাণিজ্য নগরীতে এই অগ্নিকান্ডের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়ায় দ্রুত। হংকং প্রশাসন দ্রুত উদ্ধার কাজে নেমেছে।

<

p style=”text-align: justify;”>হংকং প্রশাসনের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, ওয়ার্ল্ড ট্রেড সেন্টারের আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে দু’টি ওয়াটার জেটের মাধ্যমে কাজ করছেন উদ্ধারকর্মীরা। এই ভবনটিতে বিভিন্ন দোকানের ক্রেতা এবং দুপুরের খাবারের জন্য রেস্টুরেন্টে যাওয়া ব্যক্তিরাও আটকে পড়েছেন।

Bankura: পড়ুয়া নেই স্কুলে ‘আপাতত বন্ধ’! শিক্ষা নিয়ে মমতা সরকারের ছেলেখেলার অভিযোগ

Bankura School

News Desk, Bankura: ‘ছাত্র ছাত্রীর অভাবে’ আপাতত ‘বন্ধ’ হয়ে গেল বাঁকুড়ার দু’টি স্কুল। সূত্রের খবর, বিষ্ণুপুর মহকুমা এলাকার ইন্দাসের বেলবান্দি জুনিয়র হাই স্কুল ও সারেঙ্গার নেতুরপুর গার্লস জুনিয়র হাই স্কুল এই তালিকায় রয়েছে।

এবিষয়ে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শক (মাধ্যমিক) পীযূষকান্তি বেরা জানান, জেলায় ‘স্কুল বন্ধের কোন নির্দেশিকা তাঁরা পাননি। তিনি বলেন, ছাত্র ছাত্রীর অভাবে বেলবান্দি ও নেতুরপুর এই দুই জুনিয়র হাই স্কুল আপাতত বন্ধ আছে। বেলবান্দি জুনিয়র হাই স্কুলের দু’জন স্থায়ী শিক্ষককে বিষ্ণুপুরের খড়িকাশুলী জুনিয়র হাই স্কুলে বদলি করা হয়েছে। নেতুরপুর গার্লস জুনিয়র হাই স্কুলের একজন শিক্ষক ছিলেন তাঁকে ‘শিক্ষক শূণ্য’ চুয়াগাড়া জনিয়র হাই স্কুলে বদলি করা হয়েছে। তবে কোন স্কুলের সরকারী অনুমোদন বাতিল হয়নি, আগামী দিনে ছাত্র ছাত্রী পাওয়া গেলে ‘অতিথি শিক্ষক’ দিয়ে স্কুল দু’টি চালানো হবে বলে তিনি জানান।

তবে জেলা বিদ্যালয় পরিদর্শকের বক্তব্য মানতে রাজি নন সংশ্লিষ্ট এলাকার ছাত্র ছাত্রী থেকে অভিভাবক সকলেই। ইন্দাসের বেলবান্দি এলাকার দশম শ্রেণীর ছাত্র আরিফুল শেখ বলেন, আগে আমরা বেলবান্দি জুনিয়র হাই স্কুলে পড়তাম। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরে কোন শিক্ষক ছিলেন না। তাই গ্রামের সব ছাত্র ছাত্রী প্রায় তিন কিলোমিটার দূরের আউশনাড়া হাই স্কুলে ভর্তি হতে বাধ্য হয়েছেন বলে তিনি জানান।

অভিভাবক আনারুল ইসলামের দাবি, দু’জন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষককে দিয়ে স্কুলের পঠন পাঠন শুরু হয়েছিল। পরে একজন শিক্ষিকা এখানে কাজে যোগ দেন। পর্যাপ্ত শিক্ষকের অভাবে বাধ্য হয়েই তাঁরা তিন কিলোমিটার দূরের এক স্কুলে ছেলেমেয়েদের ভর্তি করতে বাধ্য হয়েছেন বলে তিনি জানান।

বাম সমর্থিত শিক্ষক সংগঠন নিখিলবঙ্গ শিক্ষক সমিতির (ABTA) রাজ্য সম্পাদক সুকুমার পাইনেরও দাবি, ছাত্র ছাত্রী নয়, শিক্ষকের অভাবেই ‘নিউ সেট আপ’ স্কুল গুলি বন্ধ হচ্ছে। তিনি আরো বলেন, বিগত বাম আমলে তিনটি প্রাইমারি স্কুল পিছু একটি জুনিয়র হাই স্কুল তৈরীর উদ্যোগ নেওয়া হয়। কিন্তু ২০১১-র পরবর্ত্তী সময় থেকে এস.এস.সি-র মাধ্যমে শিক্ষক নিয়োগ সেভাবে না হওয়ায় স্কুল গুলি ধুঁকছিল। জাতীয় শিক্ষানীতিকে অমান্য করে এই স্কুল বন্ধের পিছনে ‘শিক্ষার বেসরকারীকরণ, বানিজ্যিকীকরণ ও সাম্প্রদায়িকরণ ও কেন্দ্রীকরণে’র চলছে। এই মুহূর্তের জেলার জঙ্গল মহলের রানীবাঁধের বেশ কয়েকটি স্কুলেও কোন শিক্ষক নেই বলে তিনি দাবি করেন।

তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থিত শিক্ষক সেলের বাঁকুড়া জেলা নেতা গৌতম দাশের দাবি, বিগত বাম আমলে কিছু মানুষকে ‘অনৈতিক সুবিধা দিতে যেখানে সেখানে স্কুল তৈরী করেছিল’। ফলে ছাত্র সংখ্যার অভাবে ঐ স্কুল গুলি বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। সাধারণভাবে নিয়ম তিন কিলোমিটারের মধ্যে স্কুল থাকার কথা, কিন্তু এক কিলোমিটারের মধ্যে স্কুল হলে ছাত্র ছাত্রীর সংখ্যা ‘শূণ্য’ হবেই। তাদের ‘মানবিক সরকার’ স্কুলের শিক্ষকদের অন্যত্র বদলি করেছেন বলে তিনি জানান।

Omicron: ব্রিটেনে প্রথম ওমিক্রন শিকার, জরুরি অবস্থা জারি

Experts,  suggestions,  central government, Omicron

News Desk: প্রথম শিকার ব্রিটেনে। মহামারি করোনাভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন (Omicron) আক্রান্ত হয়ে ব্রিটেনে একজনের মৃত্যু হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  রবিবার বিবৃতিতে ওমিক্রন জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে ব্রিটেন সরকার।

ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসন বলেন, ওমিক্রনের একটি উত্তাল ঢেউ আসছে। আর এটা নিয়ে কারো কোনো সন্দেহ থাকা উচিত নয়। সেটি রোধে এই সপ্তাহ থেকে ইংল্যান্ডে ১৮ বছরের বেশি বয়সী সবাইকে টিকার বুস্টার ডোজ দেওয়া শুরু হবে।

ব্রিটেনে জারি হয়েছে ওমিক্রন সতর্কতার ৪ নম্বর পর্যায়। লেভেল চার মানে করোনার উচ্চ বা ক্রমবর্ধমান ট্রান্সমিশন। গত মে মাসে এরকম সতর্কতা ছিল।

বরিস জনসন বলেছেন আমি ভয় পাচ্ছি যে, আমরা  ওমিক্রনের সঙ্গে যুদ্ধে একটি জরুরি অবস্থার সম্মুখীন হচ্ছি। সুরক্ষার জন্য কেবল ভ্যাকসিনের দুটি ডোজ যথেষ্ট নয়। তবে বিজ্ঞানীরা আত্মবিশ্বাসী যে তৃতীয় ডোজ বা একটি বুস্টার ডোজ দিয়ে সুরক্ষা পাওয়া সম্ভব।

UAE: ১০০ শতাংশ কাগজবিহীন প্রশাসনের প্রথম তকমা পেল দুবাই

dubai girl

News Desk: বিশ্বের প্রথম সম্পূর্ণ  কাগজবিহীন প্রশাসন হিসেবে আত্মপ্রকাশ করলো দুবাই। সংযুক্ত আরব আমিরশাহির এই শহর আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও পর্যটন নগরী হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ।

আমিরশাহির যুবরাজ প্রিন্স শেখ হামদান জানিয়েছেন,  বিশ্বের প্রথম সরকার হিসেবে দুবাই প্রশাসন ১০০ শতাংশ কাগজবিহীন হিসেবে ঘোষণা করেছে। এর ফলে দুবাইয়ে সঞ্চয়ের পরিমাণ বেড়েছে।

গালফ নিউজ জানাচ্ছে, দুবাই প্রশাসনের তরফে আমিরশাহির ক্রাউন প্রিন্স (যুবরাজ) শেখ হামদান বিন মহম্মদ বিন রশিদ আল মাকতুম ঘোষণা করেছেন, এই সিদ্ধান্তের ফলে ১.৩ বিলিয়ন দিরহাম অথবা ৩৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার সঞ্চয় করতে পেরেছে দুবাই। একইসাথে ১৪ মিলিয়ন ঘন্টা সঞ্চয় করেছে।

dubai

সংযুক্ত আরব আমিরশাহি সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে দুবাইয়ের অভ্যন্তরীণ, বৈদেশিক লেনদেন ১০০ শতাংশ ডিজিটাল হয়ে গিয়েছে। একক সরকারি ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম থেকে এই লেনদেন পরিচালনা করা হয় বলে জানানো হয়েছে।

বিবৃতিতে শেখ হামদান বলেন, দুবাই যে সাফল্য অর্জন করেছে, তা দেশের প্রতিটি মানুষের অবদান। এই সাফল্য আমিরশাহির নাগরিকদের জীবনে নতুন মাত্রা যোগ করবে। ভবিষ্যতের লক্ষ্যে দুবাইয়ের যাত্রায় নতুন পর্যায় তৈরি করবে। 

শেখ হামদান বিবৃতিতে আরও বলেন ১০০ শতাংশ কাগজহীন হিসেবে দুবাইয়ের আত্মপ্রকাশে এখানে আসা পর্যটকদের সুবিধা ও নাগরিক যাবতীয় সেবা ডিজিটাল হওয়ায় পর্যটন বাড়বে। দুবাই বিশ্বের সামনে নিজেকে ডিজিটাল রোল মডেল হিসেবে তুলে ধরতে চাইছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেন, ইউরোপ এবং কানাডা বৃহত্তর পরিসরে সরকারি যাবতীয় কাজকে ডিজিটালাইজড করতে চাইছে। ইতিমধ্যেই সেই লক্ষ্যে কাজ শুরু করেছে এই দেশগুলো। একাংশের মতে এতে সাইবার ক্রাইমের ঝুঁকি আরও বেড়ে চলেছে। 

Afghanistan: তালিবান জঙ্গি শাসনে করুণ অবস্থা, ভারত পাঠাল ওষুধ

medicines-to-afghanistan

News Desk: কূটনৈতিক স্বীকৃতি দেয়নি কোনও দেশই। এমনকি বন্ধু বলে পরিচিত পাকিস্তানও। ফলে তালিবান জঙ্গিদের দখল করা আফগানিস্তানে (Afghanistan) অর্থনৈতিক বিপর্যয় চলছে। তেমনই চলছে ওষুধ বিপর্যয়। বিদেশ থেকে আসা ওষুধের উপর ভরসা করা আফগানিদের চরম বিপদ। এই প্রেক্ষিতে মানবিক কারণে আফগানিস্তানে ওষুধ পাঠাল ভারত সরকার।

সরাসরি তালিবান জঙ্গি সরকারকে না দিয়ে বিশ্ব সাস্থ্য সংস্থা (হু) মাধ্যমে ওষুধ পাঠিয়েছে ভারত সরকার।

বিদেশ মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, বিশেষ বিমানে করে এই চিকিৎসা সামগ্রী পাঠানো হয়। বিমানটি ফেরার পথে১০ জন ভারতীয় ও ৯৪ জন আফগানকে দিল্লিতে এনেছে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাবুলের প্রতিনিধিদের কাছে এই ওষুধ সামগ্রী পৌঁছে দেওয়া হয়েছে বলে বিদেশ মন্ত্রক জানিয়েছে।

গত ১৫ আগস্ট আমেরিকা পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দিতেই নির্বাচিত সরকারকে হটিয়ে দ্বিতীয়বার ক্ষমতা দখল করেছে তালিবান জঙ্গিরা। এর পর বারবার তালিবান জঙ্গিদের পরিচালিত সরকার আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি চেয়েছে। কেউ সাড়া দেয়নি।

এরমধ্যে শুরু হয়েছে খাদ্য সংকট। পরিস্থিতি দেখে ভারত ঘোষণা করেছে পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে সড়ক পথে আফগানিস্তানে ৫০,০০০ টন গম এবং ওষুধ পাঠাবে। মানবিক কারণে পাকিস্তানের সড়পথ ব্যবহার করার জন্য অনুমতি চায় ভারত। পাকিস্তান সরকার ভারতের আবেদনে সাড়া দেয়।

গত ১০ নভেম্বর আফগানিস্তানের বর্তমান পরিস্থিতির উপর একটি বৈঠকের আয়োজন করেছিল ভারত সরকার। যেখানে আফগানিস্তানের সীমান্তবর্তী দেশগুলি যথা রাশিয়া, ইরান, কাজাখস্তান, কিরগিজস্তান, তাজিকিস্তান, তুর্কমেনিস্তান এবং উজবেকিস্তান অংশগ্রহণ করে। তবে পাকিস্তান ও চিন এই বৈঠকে আসেনি। বৈঠকে আফগানিস্তান যাতে সন্ত্রাসবাদের আঁতুড়ঘরে যাতে পরিনত না হয়, সেই ব্যাপারে সব দেশ কার্যকরী পদক্ষেপ নেবে বলে একমত হয়।

Bipin Rawat Last Rites: শ্রদ্ধাজ্ঞাপনে বিরোধীদের ১ মিনিট সময় দিচ্ছে না মোদী সরকার ! বিতর্ক

modi bipin

News Desk: বিরোধীদের অভিযোগ, মোদী সরকার যা-ই করুক সবই ভোটের লক্ষ্যে করে। আরও উত্তর প্রদেশ ও পাঞ্জাব বিধানসভায় ভোটের দিকে তাকিয়েই দুর্ঘটনায় প্রয়াত সেনা সর্বাধিনায়ক (chief of defence staff) বিপিন রাওয়াতের (Bipin Rawat Last Rites) প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনে রাজনীতি করছে কেন্দ্র সরকার।

একাধিক বিরোধীদল অভিযোগ করেছে, মোদী সরকার প্রয়াত জেনারেল রাওয়াত ও বাকি জওয়ান অফিসারদে প্রতি শেষ শ্রদ্ধা জানানোর সুযোগটুকুও দিচ্ছে না।

কংগ্রেসের রাজ্যসভার দলনেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে চেয়ারম্যান এম বেঙ্কাইয়া নাইডুকে অনুরোধ করেন, সেনা সর্বাধিনায়কের প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর জন্য প্রতিটি রাজনৈতিক দলকে এক মিনিট করে সময় দেওয়া হোক। নাইডু সেই প্রস্তাব খারিজ করে দেন।

এর পরেই বিতর্ক প্রবল আকার নেয়। বিরোধীদের শোক প্রকাশের সুযোগ থেকে বঞ্চিত করার প্রতিবাদ জানাতে বিভিন্ন দল রাজ্যসভা ত্যাগ করে।

রাজ্যসভার ডেপুটি চেয়ারম্যান হরিবংশ অবশ্য বলেছেন, অধিবেশনের শুরুতেই তিনি রাওয়াতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছেন। ওই বিবৃতি তিনি সভার সকল সদস্যের হয়েই দিয়েছেন। তাই প্রত্যেক সদস্যের আলাদা করে আর শোকজ্ঞাপনের কোনও প্রয়োজন নেই।

হরিবংশেরই কথায় সন্তুষ্ট হতে পারেননি বিরোধীরা। রাজ্যসভার বাইরে বিরোধী সাংসদরা সংবাদমাধ্যমে ক্ষোভ উগরে দেন। তারা বলেন, শাসকদল একজন মৃত ব্যক্তির প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর নিয়েও রাজনীতি করছে।

কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন বলেন, সভাকক্ষে আমাদের রাওয়াতের প্রতি শোক প্রকাশ করার সুযোগই দেওয়া হল না। সরকারের এই আচরণ থেকেই বোঝা যাচ্ছ যে, দেশে কী ধরনের গণতান্ত্রিক শাসন ব্যবস্থা চলছে।

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সুস্মিতা দেব বলেন, মোদী সরকার রাওয়াতের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের বিষয়টিতেও নিজেদের একচেটিয়া আধিপত্য রাখতে চাইছে। এ ধরনের সিদ্ধান্ত অত্যন্ত লজ্জাজনক। একজন মৃত মানুষকে নিয়ে এধরনের ঘৃণ্য রাজনীতি করা এক নিচু রাজনীতির পরিচয়।

শুক্রবার সকালে অবশ্য রাহুল গান্ধী, মল্লিকার্জুন ও দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল রাওয়াতের প্রতি শোক জানিয়ে আসেন। শুক্রবার সেনা সর্বাধিনায়কের শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে।

Mexico: ভয়াবহ দুর্ঘটনায় বহু মৃত্যু প্রমাণ দিল মধ্য আমেরিকার করুণ অর্থনীতি

Mexico Road Accident

News Desk: মেক্সিকোর (Mexico) ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত কমপক্ষে ৫৩ জন। আরও পঞ্চাশ জনের বেশি গুরুতর জখম। বিবিসি জানাচ্ছে জখম অনেকেই আশঙ্কাজনক। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

দুর্ঘটনার কবলে পড়া যাত্রীরা বেশিরভাগই হন্ডুরাস থেকে আসছিলেন। তাদের গন্তব্য ছিল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। বেআইনিভাবে মার্কিন মুলুকে ঢোকার জন্য মেক্সিকোর সড়কপথ ব্যবহার করছিল ভিড়ে ঠাসা একটি ট্রাক। বিপজ্জনক বাঁক পার হতে গিয়ে ট্রাকটি দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। যাত্রীদের মৃত্যু হয়। মেক্সিকো সরকার মৃত ও আহত যাত্রীদের পরিচয় খতিয়ে দেখে সংশ্লিষ্ট দেশগুলির দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করছে।

এই দুর্ঘটনার পর প্রশ্ন, এতজন যাত্রী কী কারণে যাচ্ছিলেন। মেক্সিকো সরকারের প্রাথমিক তদন্তে জানা গিয়েছে, হন্ডুরাস ও কিছু মধ্য আমেরিকান দেশের অর্থনীতি ভীষণভাবে দূর্বল। করোনা সংক্রমণ ও লকডাউন পরবর্তী সময়ে সেই পরিস্থিতি আরও করুণ। ফলে দালাল মারফত অন্যদেশে যাওয়ার চেষ্টা করছেন মধ্য আমেরিকার বিভিন্ন দেশবাসী।

আল জাজিরা জানাচ্ছে, মধ্য আমেরিকার দারিদ্র্য ও সহিংসতা থেকে পালিয়ে বাঁচতে প্রতি বছর লক্ষাধিক অভিবাসনপ্রত্যাশী মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে পৌঁছানোর জন্য মেক্সিকো পাড়ি দেওয়ার চেষ্টা করে। অনেকেই পাচারকারীদের অর্থ দিয়ে দীর্ঘ পথে গাদাগাদি করে এবং বিপজ্জনকভাবে ট্রাকে করে যাত্রা করে। সেকমই যাত্রীদের নিয়ে দুর্ঘটনার কবলে পড়েছে একটি ট্রাক।

Tiger Census: পচা মাংস-ডিমের লোভে আসবে মামা! শুরু বাঘ গণনা

News Desk: দক্ষিণ রায় বা বড় মিঞা পচা মাংস খেতে ভালোবাসে। পচা ডিমের গন্ধ খুব প্রিয়। এসব মাখিয়ে লোভনীয় ডিস তৈরি করা হয়েছে। গন্ধে ম ম করছে ! আর কি না এসে পারে, আসতেই হবে। তৈরি বনকর্মীরা। হই হই করে শুরু হয়েছে বাঘ সুমারি। সুন্দরবন জুড়ে চলছে এই কাজ।

বিশ্বের বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ অরণ্যের বেশিরভাগ পড়ে বাংলাদেশে। অরণ্যের অংশটি ভারতের দিকে পড়ছে তার অধীনে আছে তার বেশিরভাগই দক্ষিণ ২৪ পরগনায়। উত্তর ২৪ পরগনার দিকেও আছে কিছু এলাকা। এই বনাঞ্চলের কোথায় কতজন বাঘ মামা আছে তার গুণতি শুরু হয়েছে।

সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় আমফান ও ইয়াসে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে সুন্দরবনের। তবে জাওয়াদ শক্তি হারিয়ে ফেলায় তত ক্ষতি হয়নি। জাওয়াদের কারণে বাঘ সুমারি পিছিয়ে দিয়েছিল রাজ্য বন দফতর।

বনদফতর সূত্রে খবর, ঠিক ছিল গত ৫ ডিসেম্বর থেকে শুরু হবে সুন্দরবনের বাঘ গণনার কাজ। জাওয়াদের আশঙ্কায় দিনটি পিছিয়ে ৭ ডিসেম্বর করা হয়। সেই মতো মঙ্গলবার থেকে শুরু হয়েছে বাঘ সুমারির কাজ।

জিপিএস ও ইনফ্রারেড প্রযুক্তি সহহাই রেজুলেশান নাইট ভিসন ক্যামেরার সাহায্যে গোনা হবে বাঘের সংখ্যা।

শেষ বাঘ সুমারি অনুযায়ী সুন্দরবনে ৯৬ টি বাঘ রয়েছে। সম্প্রতি ধরে যেভাবে লোকালয়ে বাঘের হামলার ঘটছে এবং পর্যটকরা সুন্দরবনে বেড়াতে এসে বার বার যেভাবে বাঘের দর্শন পেয়েছেন, তাতে সুন্দরবনের জঙ্গলে বাঘের সংখ্যা আগের থেকে বেশ খানিকটা বেড়েছে বলেই অনুমান করছেন বন আধিকারিকরা।

বনদফতর জানিয়েছে সুন্দরবনের কোর এরিয়ার মোট ৭৪৮টি জায়গায় ক্যামেরা বসানো হবে। এক একটি জায়গায় দুটি করে ক্যামেরা থাকবে। ক্যামেরার সামনে এলেই উঠবে ছবি।

বনদফতর জানিয়েছে, যেখানে ক্যামেরা থাকবে তার পাশেই পচা মাংস আর পচা ডিমের সংমিশ্রণে তৈরি তরল একটি বাঁশের টুকরোয় লাগিয়ে দেওয়া হবে। যাতে বাঘ ওই বিশেষ তরলের গন্ধে আকৃষ্ট হয়। বাঘ এলেই স্বয়ংক্রিয় ক্যামেরা ছবি তুলবে। ৩০ থেকে ৩৬ দিন পরে সেই ক্যামেরাগুলি খুলে নিয়ে ছবি বিশ্লেষণ করে সুন্দরবনের সঠিক বাঘের সংখ্যা নির্ধারণ করবেন বিশেষজ্ঞরা।

বনকর্মীদের ১০টি বিশেষ দল জঙ্গলের মধ্যে ক্যামেরা বসানোর কাজ করবেন। এক একটি দলে অন্তত ১২ থেকে ১৫ জন করে বনকর্মী রয়েছেন। প্রায় ৪০০ বনকর্মী কাজে নেমেছেন।

Nagaland: ‘অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে’, রক্তাক্ত নাগাভূমি থেকে হুঁশিয়ারি

nagaland

News Desk: অসম রাইফেলসকে সরাসরি হুঁশিয়ারি নাগাভূমির (nagaland) কন্যাক জাতির তরফে। তাদের দাবি, মঙ্গলবার থেকে টানা সাত দিন শোক পালন হবে। এই সময়ে আফস্পা আইনের বলে জওয়ানদের টহলদারি বন্ধ না হলে যে কোনও অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটতে পারে। এরকম ঘটলে দায়ি থাকবে বাহিনী।

শনিবার দু’দফায় গুলি চালিয়ে জঙ্গি সন্দেহে নাগাল্যান্ডের মন জেলায় তুরি-ওটিং গ্রামে ১৫ জনকে গুলি করে অসম রাইফেলস। ক্ষোভের মুখে এক জওয়ানের মৃত্যু হয়। এই ঘটনার পর থেকে দেশ তোলপাড়।

নিহত গ্রামবাসীরা কয়লা খনির শ্রমিক। তারা সবাই কন্যাক গোষ্ঠিভুক্ত। ফলে কন্যাক গোষ্ঠী প্রবল ক্ষুব্ধ। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী নেইফিউ রিও নিজে কন্যাক গোষ্ঠীর। তিনিও ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন। দাবি করেছেন সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ নিরাপত্তা আইন বা আফস্পা বাতিলের।

কন্যাক ইউনিয়নের তরফে নাগাল্যান্ড জুড়ে চলছে শোক দিবস। সংগঠনের তরফে পিটিআই কে জানানো হয়, শোক পালনের এই এক সপ্তাহে জওয়ানদের টহল বরদাস্ত করা হবে না। এই হুঁশিয়ারি না মানলে অপ্রীতিকর পরিস্থিতির জন্য তারাই দায়ি থাকবে।

নাগাল্যান্ড সহ উত্তর পূর্বাঞ্চলের সর্বত্র চলছে গুলি চালিয়ে খনি শ্রমিকদের মেরে ফেলার তীব্র প্রতিবাদ। মিজোরাম ও মেঘালয় সরকারের তরফে আফস্পা আইন তুলে নেওয়ার দাবি জানানো হয়েছে।

নাগাল্যান্ডের রাজধানী কোহিমা, গুরুত্বপূর্ণ শহর ডিমাপুর ও মন জেলার সর্বত্র ক্ষোভ তীব্র। রাস্তায় টহলরত জওয়ানদের সঙ্গে বচসায় জড়িয়ে পড়ছেন উত্তেজিত যুবকরা। কোনওরকমে উর্ধ্বতন অফিসাররা সামাল দিচ্ছেন।

পড়ুন: Nagaland killings: প্যালেস্টাইন নয়! তবে সেরকমই বিদ্রোহী মেজাজ নাগাল্যান্ডে

কন্যাক ইউনিয়নের তরফে দাবি করা হয়েছে, গুলি চালনায় অভিযুক্ত ২১ জন অসম রাইফেলস জওয়ানদের বিচার করতেই হবে। বিষয়টি ঝুলিয়ে রাখা চলবে না। একইসঙ্গে কেন্দ্র ও রাজ্য সরকারকে হুঁশিয়ারি দিচ্ছে নাগাল্যান্ডের বিভিন্ন জাতির সংগঠনগুলি। সর্বত্র দাবি, আফস্পা তুলে নেওয়া হোক।