Bihar: কুরকুরে তৈরির কারখানায় বিস্ফোরণ, নিহত ১০ শ্রমিক

News Desk: বিহারে মুজফ্ফরপুরে একটি কুরকুরে কারখানায় প্রবল বিস্ফোরণে অন্তত ১০ শ্রমিক মৃত। আরও মৃত্যুুর আশঙ্কা। 

কারখানার বয়লার ফেটে মারা গিয়েছেন শ্রমিকরা। আরও অনেক শ্রমিক জখম। তাদের কয়েকজন আশঙ্কাজনক। 

ঘটনাটি ঘটেছে মুজফফরপুরের শিল্প এলাকা, ফেজ-২-এ অবস্থিত একটি নুডলস কারখানায়। সকাল ১০টার দিকে কারখানায় বিস্ফোরণ ঘটে। আহতদের আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আশেপাশে এলাকার বাসিন্দা এবং প্রত্যক্ষদর্শীরা বলেন আচমকা ফেটে যায় বয়লার। যার ফলে প্রায় কয়েক কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্ফোরণের শব্দ শুনতে পান বাসিন্দারা। 

বিস্ফোরণের জেরে আশেপাশে বেশ কয়েকটি কারখানাতেও ক্ষতি হয়েছে বলে আপাতভাবে জানা যাচ্ছে। বিকট বিস্ফোরণের শব্দ পেয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে খবর দেন এলাকার বাসিন্দারা। খবর পাওয়া মাত্রই ঘটনাস্থলে এসে উপস্থিত হয় দমকল কর্মী ও পুলিশকর্মীরা।

ঘটনা সর্বশেষ পাওয়া আপডেট অনুযায়ী, ইতিমধ্যে সেখানে পৌঁছে গিয়েছেন ডিএম, এসপি-সহ একাধিক প্রশাসনিক আধিকারিকরা। আশেপাশের এলাকার বাসিন্দা এবং বাকি কর্মীদের সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। গোটা এলাকা ঘিরে রেখেছেন দমকল কর্মী ও পুলিশকর্মীরা। এখনো পর্যন্ত সেখানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসেনি, ঘটনাস্থলে ক্ষতিগ্রস্ত বয়লার থেকে কালো ধোঁয়া নির্গত হচ্ছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক করতে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন উদ্ধারকারী দল এবং পুলিশকর্মীরা।

বয়লার বিস্ফোরণে সময় ওই কারখানার ঠিক কতজন কর্মী কাজ করছিলেন এই সম্পর্কে এখনো কোনো সঠিক তথ্য প্রকাশ করেনি কারখানা কর্তৃপক্ষ। উদ্ধারের কাজ চলছে। নিহত ব্যক্তিদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে।

মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার শিল্প দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে প্রত্যেককে ৪ লাখ টাকা করে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা করেছেন। তবে আহতরা যারা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন তাদের অনেকেরই অবস্থা আশঙ্কাজনক,যার ফলে‌ মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

BJP: ১ হাজার টাকা পার্টি ফান্ডে ঢেলেই মোদীর আহ্বান দান করুন!

Modi Varanasi visit political controversy

News Desk: বিশ্বের বৃহত্তম দল বলে দাবি করে বিজেপি। আসন্ন বিধানসভাগুলি ও আগামী লোকসভা ভোটের দিকে তাকিয়ে বৃহত্তম দল চাঁদা সংগ্রহে নামল। দলকে ভালোবেসে ১ হাজার টাকা চাঁদা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদী।

পার্টি ফান্ডে এক হাজার টাকা চাঁদা দিয়েই নরেন্দ্র মোদীর আহ্বান যারা বিজেপিকে ভালোবাসেন তারা মুক্তহস্তে দান করুন। দলকে শক্তিশালী করুন।

পুরো প্রক্রিয়াটি রাজনৈতিক কর্মসূচি। ক্ষমতাসীন বিজেপির দলীয় তহবিল উপচে পড়তে চলেছে বলেই ধারণা। কারণ প্রধানত নিজে হাজার টাকা দান করেছেন!

তবে দলেরই অভ্যন্তরে উঠছে কথা, মাত্র হাজার টাকা! প্রধানমন্ত্রী তো তাঁর বেতন ও ভাতার প্রায় পুরোটা দিলেও পারতেন। এমনতর আলোচনা দ্রুত ছড়াচ্ছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

শনিবার টুইট বার্তায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী লিখেছেন, ভারতীয় জনতা পার্টির পার্টি ফান্ডে ১০০০ টাকা অনুদান করলাম। আপনারাও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অনুদান করুন। বিজেপিকে শক্তিশালী করুন। এতে দেশ শক্তিশালী হবে। আমরা সব সময় দেশকে প্রাধান্য দিই। আমাদের ক্যাডারদের আজীবন আত্মত্যাগের আদর্শ আরো শক্তিশালী হবে। দলীয় তহবিলে টাকা জমা দেওয়া টাকার একটি রশিদও পোস্ট করেছেন মোদী।

Good Governance: সুশাসন তালিকায় শীর্ষে গুজরাট, পশ্চিমবঙ্গ কোথায়?

Modi

News Desk: প্রকাশিত হয়েছে কেন্দ্রের সুশাসনের তালিকা। রাজ্যগুলির মধ্যে সুশাসনের নিরিখে প্রথম স্থানে রয়েছে গুজরাট। তারপরে রয়েছে যথাক্রমে মহারাষ্ট্র ও গোয়া। অন্যদিকে কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলগুলির মধ্যে প্রথম স্থান পেয়েছে দিল্লি। পশ্চিমবঙ্গের নামই নেই তালিকার প্রথম দিকে।

২০২০-২১ সালে সুশাসনের এই সূচকে গুজরাটের সূচক ১২ শতাংশের বেশি বেড়েছে। তবে ২০১৯-২০ সালের তুলনায় চলতি বছরে গোয়ার সূচক বেড়েছে প্রায় ২৫ শতাংশ। উত্তরপ্রদেশের ক্ষেত্রে সূচক বৃদ্ধির হার ৯ শতাংশ।

উত্তরপ্রদেশের ক্ষেত্রে আরও একটি সুখবর আছে। বাণিজ্য ও শিল্প ক্ষেত্রেও শীর্ষস্থান দখল করেছে যোগীর উত্তর প্রদেশ। যে ১০টি জিনিসের উপর ভিত্তি করে সুশাসনের সূচক তৈরি করা হয়েছে তার মধ্যে শিল্প ও বাণিজ্য অন্যতম।

প্রকাশিত তালিকায় দেখা যাচ্ছে, উন্নয়ন, মানুষের নিরাপত্তা ও সুরক্ষা, বিচার বিভাগ, সামাজিক ন্যায় প্রভৃতি ক্ষেত্রে উত্তরপ্রদেশ আগের বছরের তুলনায় অনেক উন্নতি করেছে। শুধু উত্তরপ্রদেশ নয়, এবারের তালিকায় বেশ কয়েকটি রাজ্যও সুশাসনের নিরিখে গতবারের তুলনায় অনেকটাই উন্নতি করেছে।
তালিকায় দেখা যাচ্ছে, জম্মু ও কাশ্মীরের উন্নতির সূচক ৩.৭ শতাংশ বেড়েছে। শিল্প ও বাণিজ্য ক্ষেত্রে কাশ্মীর যথেষ্ট ভাল ফল করেছে।

যে ১০টি মানদন্ডের উপর ভিত্তি করে এই সূচক তৈরি করা হয়েছে তার মধ্যে পাঁচটি ক্ষেত্রেই গুজরাত যথেষ্ট ভাল ফল করেছে। মহারাষ্ট্র কৃষি, মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিল্প ও বাণিজ্য এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে যথেষ্ট ভালো ফল করেছে। কংগ্রেস জোট শাসিত ঝাড়খণ্ডও আগের বছরের তুলনায় সূচক ১২.৬ শতাংশ বাড়িয়ে নিয়েছে। এই রাজ্য ৭ টি সেক্টরে অত্যন্ত ভাল ফল করেছে। তুলনায় কংগ্রেস শাসিত রাজস্থানের সূচক বেড়েছে মাত্র ১.৭ শতাংশ।

শনিবার সুশাসন সপ্তাহ কর্মসূচির শেষ দিনে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এই তালিকা প্রকাশ করেন। সেখানেই তিনি বলেন, নরেন্দ্র মোদীর নেতৃত্বে গোটা দেশ উন্নয়নের চেষ্টা করছে। সরকারের লক্ষ্য হল, দেশের কোনও ক্ষেত্র উন্নয়ন ও সুশাসন থেকে যেন বঞ্চিত না হয়। সুশাসন মানে শুধু প্রশাসনিক উন্নয়ন নয়, সব ক্ষেত্রে উন্নয়ন। সুশাসন মানে দুর্নীতিমুক্ত প্রশাসন। সুশাসন মানে সরকারের ওপর মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস। সব কিছুই পূরণ করেছে নরেন্দ্র মোদী সরকার।

BJP: বড়দিনেই বড় ধসের শুরু? ৫ বিধায়ক যাবেন কি থাকবেন?

Alipurduar, Siliguri, Darjeeling, BJP, TMC

News Desk: ধসাতঙ্ক এতটাই যে রাজ্য বিজেপি নেতারা কিছুতেই মুখ খুলতে চাইছেন না। সবার মনেই আতঙ্ক, তথাগত রায়ের ভবিষ্যৎবাণী মিলতে শুরু করেছে। এবার কী হবে? প্রবল উত্তেজনা উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়ার জেলা রাজনীতিতে। সেই রেশ ছড়িয়েছে রাজ্য জুড়ে।

দুই জেলার ৫ বিজেপি বিধায়ক পরপর দলীয় হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়লেন। তাঁরা কিছুতেই মুখ খুলতে চাইছেন না। দলীয় সংশ্রব ত্যাগের পথে উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ উত্তর, গাইঘাটা, হরিণঘাটার বিধায়করা। একইভাবে নদিয়ার কল্যাণী ও রানাঘাটের বিধায়করা ছেড়েছেন হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ।

হিমশৈলের মতো বিপদ সংকেত পাচ্ছেন রাজ্য বিজেপি নেতারা। তাঁদের আশঙ্কা, আরও অন্তত ডজন খানেক বিধায়ক বিদ্রোহী হতে চলেছেন।

কী বলছেন বিদ্রোহীরা ? সরাসরি মুখ না খুললেও দুই জেলার এই দলীয় হোয়াটসঅ্যাপ ত্যাগী বিধায়কদের অভিযোগ, মতুয়া প্রতিনিধি নেই কেন বিজেপি রাজ্য কমিটিতে? মতুয়া রাজনীতির কারণেই উত্তর ২৪ পরগনায় বিরাট শক্তি নিয়ে এসেছে বিজেপি। অথচ তাদের প্রতি ন্যুনতম সহানুভূতি নেই এখন।

তবে দুই জেলার রাজনৈতিক অন্দরমহলের গুঞ্জন, কলকাতা পুরনিগমের ভোটে বিজেপির ভরাডুবি ও বামফ্রন্টের উত্থানে বিভিন্ন জেলার রাজনীতিতে লেগেছে ধাক্কা। আসন্ন ৫টি পুরনিগম ও পৌর ভোটে এর প্রভাব পড়তে চলেছে। বিধায়কদের সঙ্গে তৃণমূলের খাতির বেশ বলেই গুঞ্জন।

বিধানসভায় বিরোধী দল বিজেপি যে অচিরেই প্রান্তিক দলে পরিণত হবে তার ইঙ্গিত দিয়েছেন তথাগত রায়। সেই বিস্ফোরক টুইটের পর রাজ্য জুড়ে বিজেপি শিবির সরগরম। প্রথমে হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছাড়েন রাজ্য নেতা সায়ন্তন বসু। তাঁর সঙ্গে টিএমসির ঘনিষ্ঠতা বেড়েছে। এবার পাঁচ বিধায়ক একই পথে।

Assam:উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলির বেশিরভাগ জবরদখলকারী ছিল না,সমীক্ষা রিপোর্ট

Himanta biswasarma

News Desk: মাস দুয়েক আগে অসমের দরং জেলার ঢলপুর অঞ্চলে উচ্ছেদ অভিযানকে কেন্দ্র করে রক্তারক্তি কাণ্ড ঘটেছিল। সম্প্রতি একটি সংস্থার সমীক্ষা রিপোর্টে বলা হয়েছে, সেদিনের উচ্ছেদ অভিযানে বিতাড়িত পরিবারগুলি সকলেই অবৈধ অভিবাসী জমি দখলকারী ছিল না। যদিও রাজ্যের বিজেপি সরকারের দাবি ছিল, উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলি সকলেই ছিল জমি দখলকারী।

সেন্টার ফর মাইনরিটি স্টাডিজ রিসার্চ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট এই সমীক্ষা চালায়। ‘ঢলপুর দ্য ট্রুথ বিহাইন্ড’, (dhalpur the truth behind) শীর্ষক এই সমীক্ষাটির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন ১৪ জন গবেষক। তারা ১৫ দিন ধরে সমীক্ষাটি চালিয়েছিলেন।

সমীক্ষায় উচ্ছেদ হওয়া ৯৬৩টি পরিবারের মধ্যে ৫১৭ টি পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তাদের সঙ্গে কথা বলে এবং সমস্ত নথিপত্র যাচাই করে সমীক্ষকরা বলেছেন, ঢলপুরে উচ্ছেদ হওয়া পরিবারগুলির বেশিরভাগই জমি দখলকারী ছিল না।

রাজ্য সরকার অবশ্য এই রিপোর্ট নিয়ে সরাসরি কোনও প্রতিক্রিয়া জানায়নি। তারা বলেছে, ঢলপুরের উচ্ছেদ অভিযান নিয়ে কারও কোনও অসুবিধা থাকলে তারা আদালতে যেতেই পারে।

রাজ্যের বিজেপি সরকারের দাবি, ঢলপুরে ৭৭ হাজার ৪২০ বিঘা সংরক্ষিত জমি আছে। কিন্তু প্রায় দুই দশক ধরে বেশকিছু পরিবার বেআইনিভাবে ওই জমি দখল করে রেখেছে। নভেম্বরের প্রথমে এই বেআইনি দখলদারদের উচ্ছেদ করতে গেলেই পুলিশকে আক্রান্ত হতে হয়। দখলকারীদের হামলায় ৯ জন পুলিশ কর্মী জখম হয়েছিলেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশ গুলি চালালে দুই দখলকারীর মৃত্যু হয়। এই রক্তাক্ত ঘটনা নিয়ে গোটা দেশেই নিন্দার ঝড় উঠেছিল।

ব্রহ্মপুত্রের চর অঞ্চলের বিস্তীর্ণ এলাকায় দীর্ঘদিন ধরেই কিছু অনুপ্রবেশকারী বাস করছেন। ব্রহ্মপুত্র উপত্যকার ঢলপুর অঞ্চলটিতে মূলত সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষের বাস। এদের মধ্যে অনেকেই অবৈধভাবে বাংলাদেশ থেকে এখানে এসে বসবাস করছেন।

কিছু রাজনৈতিক দলের অভিযোগ, সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ হওয়ার কারণে ঢলপুরে উচ্ছেদ অভিযানে নেমেছিল বিজেপি সরকারের পুলিশ। যদিও এ ধরনের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা সরকার। অসম সরকারের দাবি, সরকারি জমি দখলকারীদের কাছ থেকে উদ্ধার করতেই অভিযান চালানো হয়েছিল।

Punjab: কংগ্রেসের ঘরে ‘উড়তা’ ভাজ্জি, সিধুর সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা

Harbhajan Singh says goodbye to international cricket

News Desk: একজন ছিলেন ভারতীয় ক্রিকেট দলের নিয়মিত ওপেনার। অন্যজন ছিলেন ভারতীয় বোলিং বিভাগের অন্যতম স্তম্ভ। এই দুই বিখ্যাত ব্যক্তি এবার জোট বেঁধে নামতে পারেন রাজনীতির ময়দানে। এই দুইজন হলেন পাঞ্জাব প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নভজ্যোত সিং সিধু এবং অন্যজন হলেন সদ্য ক্রিকেটকে বিদায় জানানো স্পিনার ভজন সিং।

অবসর নিয়ে তিনি কি রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন? এই প্রশ্নের উত্তরে হরভজন বলেছেন, আমি পাঞ্জাবের মানুষের সেবা করতে চাই। রাজনীতির মাধ্যমে হোক বা অন্য কোনওভাবে, আমি শুধু মানুষের সেবা করতে চাই। আমি এ রাজ্যের সব রাজনৈতিক দলের নেতাদের চিনি। তাই আমি যদি কোন রাজনৈতিক দলে যোগ দিই তাহলে সেটা জানিয়ে দেব। এখনই রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে আমি কোনও সিদ্ধান্ত নিইনি।
সম্প্রতি হরভজনকে সিধুর সঙ্গে বেশি ঘনিষ্ঠভাবে দেখা গিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁদের একটি ছবিও ভাইরাল হয়েছে। হরভজনের কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার ব্যাপারে জানতে চাওয়া হলে সিধু সরাসরি কোনও উত্তর দেননি। তিনি হেসে বলেন, এই ছবিটাই তো সবকিছু বলে দিচ্ছে।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, সিধু চাইছেন পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচনের আগে হরভজন যেন কংগ্রেসে যোগ দেন। কারণ হরভজন কংগ্রেসে যোগ দিলে দোয়াবা অঞ্চলে কংগ্রেসের শক্তি নিশ্চিতভাবেই বাড়বে। তাঁর বিজেপিতে যোগদানের খবরকে ভিত্তিহীন ও গুজব বলে উল্লেখ করেছেন হরভজন।

এর আগে মহম্মদ আজহারউদ্দিন, কীর্তি আজাদের মত প্রাক্তন ক্রিকেটাররা যোগ দিয়েছেন রাজনীতিতে। সিধু প্রথমে বিজেপিতে পরে কংগ্রেসে যোগ দেন। আগামী বছরের শুরুতেই পাঞ্জাব বিধানসভা নির্বাচন। কিন্তু নির্বাচনের আগে রাজ্যের শাসক দল কংগ্রেস অভ্যন্তরীণ কোন্দলে জর্জরিত।

কৃষি আইনকে কেন্দ্র করে পাঞ্জাবে বিজেপি ব্যাকফুটে চলে গেলেও দলীয় কোন্দলের কারণে কংগ্রেস পাঞ্জাবে ক্ষমতা ধরে রাখতে পারবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে সিধু কংগ্রেসকে রাজ্যে ক্ষমতায় ফেরতে চাইছেন। সে কারণেই তিনি তড়িঘড়ি হরভজনের সঙ্গে যোগাযোগ করেছেন। কারণ পাঞ্জাবে হরভজনের বিশেষ জনপ্রিয়তা আছে।

কিছুদিন আগে শোনা যাচ্ছিল হরভজন বিজেপিতে যোগ দিতে পারেন। তিনি বলেছেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি নিছকই কল্পনা এবং গুজব।

সদ্য অবসর নেওয়া হরভজন সিং দীর্ঘ ১৮ বছর ভারতীয় দলের হয়ে ক্রিকেট খেলেছেন। ২০০১ সালে ইডেনে অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে সিরিজের দ্বিতীয় টেস্টে তাঁর হ্যাটট্রিক ক্রিকেট ইতিহাসে স্বর্ণাক্ষরে লেখা থাকবে। ২০০৭ সালে প্রথম টি-২০ টোয়েন্টি বিশ্বকাপ এবং ২০১১ সালে ওয়ানডে বিশ্বকাপ জয়ী ভারতীয় দলের সদস্য ছিলেন হরভজন। শুক্রবার তিনি সব ধরনের ক্রিকেট থেকে অবসর নিয়েছেন।

Punjab: লুধিয়ানা বিস্ফোরণে জড়িত বরখাস্ত পুলিশকর্মী, আত্মঘাতী হামলা?

Explosion at Ludhiana District Court in Punjab, 2 dead, 6 injured

News Desk: লুধিয়ানা আদালতে বিস্ফোরণ মামলার তদন্তে চাঞ্চল্যকর মোড়। এক বরখাস্ত পুলিশকর্মী বিস্ফোরণ ঘটায়। পাঞ্জাব পুলিশের কর্মী গগনদীপ সিং হাবিলদার পদে ছিলেন। বিস্ফোরণে তারও মৃত্যু হয়েছে। এটি আত্মঘাতী হামলা কিনা তা খতিয়ে দেখছে গোয়েন্দা বিভাগ। বিস্ফোরণে দু কেজি আরডিএক্স ব্যবহার করা হয়েছিল।

বিস্ফোরক ব্যবহারকারী মৃত গগনদীপ সিং পাঞ্জাব পুলিশের হাবিলদার পদে ছিলেন। একটি মাদক মামলায় তাকে বরখাস্ত করা হয়েছিল।

তদন্তে উঠে এসেছে, গগনদীপ সিং বড়সড় নাশকতার পরিকল্পনা করেছিল। সেই হিসেবে আদালত চলাকালীন বিস্ফোরণ ঘটায়। নাশকতায় নিহতের সংখ্যা দুই। তবে তার পরিকল্পনা থেকে জঙ্গি সংগঠনের কার্যকলাপের মিল পাচ্ছে গোয়েন্দা বিভাগ।

প্রশ্ন উঠছে, পাঞ্জাবে এখনও সক্রিয় থাকা পাকিস্তান মদতপুষ্ট বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগগঠন খালিস্তানি গোষ্ঠীর সঙ্গে গগনদীপের সংযোগ ছিল কি?

গত ২৩ ডিসেম্বর লুধিয়ানা আদালত বিস্ফোরণে কেঁপে ওঠে। ভয়াবহ সেই ঘটনায় আদালতের ভিতরের পরিস্থিতি লণ্ডভন্ড হয়ে যায়। প্রাথমিকভাবে খালিস্তানপন্থী উগ্র শিখ সংগঠনকে সন্দেহ করা হয়। তদন্তে নেমে গোয়েন্দাদের হাতে এসেছে বিস্ফোরণে মৃত গগনদীপ সিংয়ের কিছু তথ্য। সেসব যাচাই করা হচ্ছে। তদন্তের স্বার্থে নিহত গগনদীপের ভাই আপাতত পুলিশের হেফাজতে আটক। তাকে জেরা করা হচ্ছে।

শুধু আদালতেই নয়, লুধিয়নার আরও কয়েকটি এলাকা সহ পাঞ্জাবের বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিস্ফোরণের ছক করা ছিল। গোয়েন্দারা এমনই আ়ঁচ করছেন। নিহত গগনদীপের ল্যাপটপ, মোবাইল বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে।

Nagaland: কবরখানার মতো নিঝুম, রক্তাক্ত ওটিং গ্রামের রাস্তায় একলা স্যান্টাবুড়ো

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: “গ্রামখানি গৃহময়, কিন্তু লোক দেখি না।…মধ্যে মধ্যে উচ্চ নীচ অট্টালিকা। আজ সব নীরব। বাজারে দোকান বন্ধ, দোকানদার কোথায় পলাইয়াছে ঠিকানা নাই। আজ…” (সৌ: আনন্দমঠ)
আজ? আজ বড়দিন।

এমন উৎসবের দিনে কবরখানার নিঝুম ঠান্ডা ঘিরে রেখেছে নাগাল্যান্ডের মন জেলার ওটিং গ্রামকে। এদিক ওদিক কিছু বেলুন হাওয়ায় দুলছে। গ্রামের মুখে স্যান্টাবুড়ো আছেন। তিনিও ঢুকতে সাহস পাননি। কারণ, ওটিং গ্রামে বড়দিন পালিত হবে না।

কয়েকদিন আগেই রক্তাক্ত হয়েছে এই গ্রাম। জঙ্গি সন্দেহে অসম রাইফেলস জওয়ানরা গুলি করে মারে ওটিং গ্রামের ১৪ জনকে। সবাই খনি শ্রমিক। সামনেই বড়দিন উপলক্ষে তখন ওটিং গ্রামে চলছিল প্রস্তুতি। গত ৩-৫ ডিসেম্বর ওটিং গ্রাম, উরি গ্রামের উপর দিয়ে ঝড় বয়ে গিয়েছে। অসম রাইফেলসের গুলি, গ্রামবাসীদের বিক্ষোভে পরপর রক্ষী ক্যাম্পে আগুন, ফের গুলি আরও একজনের মৃত্যু, জনতার রোষে এক জওয়ানের মৃত্যু সবই হয়েছে।

নাগাভূমির ওটিং গ্রাম ততক্ষণে বিশ্বজুড়ে আলোচিত। সেই ভয়াবহ তারিখগুলো পেরিয়ে পুরো উত্তর পূর্বাঞ্চল জুড়ে সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন (AFSPA) বাতিল দাবি সরকারিভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে। ক্ষোভে দুঃখে সরকারি ক্ষতিপূরণ ফিরিয়েছেন ওটিংবাসী।

সার সার দেহ সমাধিস্থ হয় এই গ্রামেই। ভয়াবহ করুণ এই দৃশ্য গোটা দেশকে নড়িয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই বড়দিন ব্রাত্য ওটিং গ্রামে। পুরো উত্তর পূর্বাঞ্চলের রাজ্যগুলিতে চলেছে বিক্ষোভ।

শনিবার বড়দিন পালনে নামমাত্র কিছু মোমবাতি জ্বালিয়ে দেবেন উরি-ওটিং গ্রামের বাসিন্দারা। চার্চে প্রার্থনা হবে। ব্যাস এইটুকুই। কালো বড়দিন পালিত হবে নাগাভূমির মন জেলায়।

ওটিং গ্রামের ঘরে ঘরে নিহতদের স্মরণে চাপা কান্না। থেকে থেকে চোয়াল শক্ত হয়েছে। নাগা জাতির সর্বব্যাপী সংগঠন নাগা হো হো জারি করেছে সেনাবাহিনী ও অসম রাইফেলসের সঙ্গে সবরকম অসহযোগিতার নির্দেশ। বৃহত্তর নাগা সম্প্রদায় কন্যাক গোষ্ঠির তরফে উত্তর পূর্বের নাগা অধ্যুষিত এলাকায় বার্তা গেছে, আফস্পা আইন বাতিলে বৃহত্তর সংগ্রাম শুরু হবে।

নাগাল্যান্ড সরকার চিন্তিত। মন জেলায় জারি করা হয়েছে নৈশকালীন কার্ফু নিয়ম। সশস্ত্র নাগা বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলির তরফে এসেছে প্রত্যাঘাতের হুমকি।

খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যাগুরু অংশ বসবাস করেন উত্তর পূর্বাঞ্চলের নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, মেঘালয়ে। বিভিন্ন উপজাতি জনজীবনের মধ্যে পারস্পরিক বৈরিভাব থাকলেও সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন (AFPSA) প্রয়োগ বাতিলে সবাই একাট্টা। এবারের বড়দিনের উৎসবকে কালো উৎসব চিহ্নিত করে আইনটি বাতিলের দাবিতে উত্তর পূর্বের রাজনৈতিক মহল গরম হচ্ছে।

<

p style=”text-align: justify;”>নাগাভূমির সর্বত্র বলা হচ্ছে ‘অমিত শাহ মিথ্যেবাদী’। কোহিমা, ডিমাপুরে জনসমাবেশ থেকে ক্রমাগত উঠছে আফস্পা বিরোধী স্লোগান।

Bangladesh: মাঝ নদীতে লঞ্চে আগুন, ‘শ্বাসনালী’ পুড়ে যাওয়া যাত্রীরা ‘ক্রিটিক্যাল’

News Desk: বাংলাদেশে যাত্রীবাহী লঞ্চে আগুন ধরে মৃত্যের সংখ্যা ক্রমে বাড়ছে। সরকারিভাবে মৃত ৪০, বেসরকারিভাবে ৫০ জন। অন্তত দশজন বেশি সংকটজনক। ভয়াবহ পরিস্থিতির পরেও যারা বেঁচে গিয়েছেন তাদের বেশিরভাগের শ্বাসনালী পুড়ে গিয়েছে।

ঢাকার শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন ১০ জন যাত্রীর প্রত্যেকে ক্রিটিক্যাল এমনই জানিয়ে দিলেন বাংলাদেশের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী জাহিদ মালেক।

স্বাস্থ্যমন্ত্রীর এই ঘোষণার পরে দুর্ঘটনায় মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে চলেছে বলেই আশঙ্কা। লঞ্চের আগুন জখম আরও ৭০ জনের চিকিৎসা চলছে বরিশালের শের ই বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। শতাধিক যাত্রীর কোনও খোঁজ নেই।

বরিশাল বিভাদের ঝালকাঠিতে এই দুর্ঘটনায় বেশ কয়েকজনের ডুবে মৃত্যু হয়েছে বলে আশঙ্কা। কারণ, লঞ্চে আগুন ধরে যাওয়ায় তারা জীবন বাঁচাতে নদীতে ঝাঁপ মেরেছিলেন। যারা কোনওরকমে পাড়ে উঠতে পেরেছেন তারা ভয়াবহ মুহূর্তে বর্ণনা দিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঢাকা থেকে বরিশালের বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ নামে লঞ্চে আগুন ধরে। সুগন্ধা নদীর উপর আগুনে জ্বলছিল পুরো লঞ্চ।
যাত্রীরা জানিয়েছেন ইঞ্জিনরুমের পাশে ক্যান্টিন, সেই ক্যান্টিনের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হলে আগুন ধরে যায় ডিজেলে। এর পরেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো লঞ্চে।

ঝালকাঠি সদর থানার ওসি খলিলুর রহমান জানান, লঞ্চে পাঁচ শতাধিক যাত্রী থাকলেও আগুনে ৭০-৮০ জন দগ্ধ হয়েছেন। তবে ঠিক কতজন লোকের মৃত্যু হয়েছে এর সঠিক সংখ্যা জানাতে পারেননি তিনি।

এই দুর্ঘটনার জেরে বাংলাদেশ নৌ পরিবহণ মন্ত্রক চরম বিতর্কে। জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির অভিযোগ, স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পরেও দেশের নৌ পথ পরিবহণ ব্যবস্থা যে কত খারাপ তার উদাহরণ এই দুর্ঘটনা।

দুর্ঘটনার পর শোক জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নিহত ও আহতদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। নিহতদের প্রতি পরিবারকে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জানান, সরকার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করবে।

শুক্রবার সকাল থেকে দুর্ঘটনাস্থল জুড়ে  হাজার হাজার মানুষের কান্না। পুড়ে যাওয়া লঞ্চ এমভি অভিযান থেকে সারি সারি মৃতদেহ বের করা হয়েছে।

Bangladesh: লঞ্চের আগুনে ভয়াবহ পরিস্থিতি, বহু নিখোঁজ, মৃতের সংখ্যা বাড়ছে

News Desk: সরকারি পরিসংখ্যানে শুক্রবার সন্ধে পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৪০জন। তবে বেসরকারি হিসেবে নিহত যাত্রী কমপক্ষে ৫০ বা তারও বেশি। বহু যাত্রীর খোঁজ নেই। আশঙ্কা লঞ্চে আগুন দেখে যারা নদীতে ঝাঁপ মেরেছিলেন তাদের বেশ কয়েকজন ডুবে গিয়েছেন।সবমিলে বড়দিনের ঠিক আগে মর্মান্তিক নৌ দুর্ঘটনা বাংলাদেশ স্তম্ভিত। আন্তর্জাতিক মহলে ছড়িয়েছে আলোড়ন।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে ঢাকা থেকে বরিশালের বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ নামে লঞ্চে অগ্নিকান্ডের জেরে বাংলাদেশ নৌ পরিবহণ মন্ত্রক চরম বিতর্কে। জাতীয় সংসদের বিরোধী দল জাতীয় পার্টির অভিযোগ, স্বাধীনতার পঞ্চাশ বছর পরেও দেশের নৌ পথ পরিবহণ ব্যবস্থা যে কত খারাপ তার উদাহরণ এই দুর্ঘটনা।

দুর্ঘটনার পর শোক জানান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নিহত ও আহতদের আর্থিক ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। এমভি অভিযান-১০ লঞ্চে অগ্নিকাণ্ডে নিহতদের প্রতি পরিবারকে এক লাখ ৫০ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। নৌপরিবহণ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী জানান, সরকার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত করবে।

দুর্ঘটনাস্থল জুড়ে হাজার হাজার মানুষের কান্না। বরিশাল বিভাগের দপদপিয়ার কাছে সুগন্ধা নদীতে পুড়ে যাওয়া লঞ্চ এমভি অভিযান থেকে সারি সারি মৃতদেহ বের করা হয়েছে। অগ্নিদগ্ধদের চিকিৎসার চলছে বরিশালের শের ই বাংলা হাসপাতালে।

বৃহস্পতিবার গভীর রাতে দিকে লঞ্চটিতে আগুন লাগে বলে যাত্রীরা জানিয়েছেন। ইঞ্জিনরুমের পাশে ক্যান্টিন। সেই ক্যান্টিনের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরিত হলে আগুন ধরে যায় ১৩ ব্যারেল ডিজেলে। যা ছড়িয়ে পড়ে পুরো লঞ্চে।

জ্বলতে থাকা লঞ্চটি রাতেই ঝালকাঠি সদর উপজেলার গাবখান ধানসিঁড়ি ইউনিয়নের গাবখান চ্যানেলে এলে কিছু যাত্রী লাফিয়ে নামতে পারেন। অনেকে সুগন্ধা নদীতে ঝাঁপ দেন।

ঝালকাঠি সদর থানার ওসি খলিলুর রহমান জানান, লঞ্চে পাঁচ শতাধিক যাত্রী থাকলেও আগুনে ৭০-৮০ জন দগ্ধ হয়েছেন। তবে ঠিক কতজন লোকের মৃত্যু হয়েছে এর সঠিক সংখ্যা জানাতে পারেননি তিনি।

Meghalaya: মমতা পেলেন বড়দিনের উপহার! প্রধান বিরোধী দল TMC

mamata banerjee

News Desk: ধোপে টিকল না মেঘালয় প্রদেশ কংগ্রেসের আপত্তি। দলত্যাগী ১২ জন বিধায়ককে তৃণমূল কংগ্রেসের বিধায়ক মেনে স্বীকৃতি দিল্ন বিধানসভার অধ্যক্ষ মেটবাহ লিংডো। এর পরেই এই রাজ্যে আনুষ্ঠানিক প্রধান বিরোধী দল হলো তৃণমূল কংগ্রেস। পশ্চিমবঙ্গের শাসক দলের কাছে এটাই বড়দিন উপহার !

স্পিকারের স্বীকৃতির ফলে ৬০ সদস্যের মেঘালয় বিধানসভায় বিরোধী দলের মর্যাদা হাতছাড়া হল কংগ্রেসের।

পশ্চিমবাংলায় (westbengal) নিরঙ্কুশ ক্ষমতা দখলের পর ত্রিপুরা, মেঘালয়, গোয়ার মত ছোট রাজ্যগুলির দিকে অগ্রসর হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। বিভিন্ন রাজ্যে রাজনৈতিক নেতারা নিজেদের দল ছেড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিচ্ছেন।

সম্প্রতি মেঘালয়ে কংগ্রেসকে বড়সড় ধাক্কা দিয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল সাংমা-সহ কংগ্রেসের ১২ জন বিধায়ক তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন। মুকুল সাংমা বিধানসভার অধ্যক্ষের কাছে তৃণমূল কংগ্রেসের এই পরিষদীয় দলকে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা দেওয়ার দাবি জানান।

অন্যদিকে কংগ্রেস বিধায়ক আম্পারিন লিংডো দাবি করেন, তাঁরাই প্রধান বিরোধী দল। তৃণমূল কংগ্রেসকে যেন কোনওভাবেই এই স্বীকৃতি দেওয়া না হয়। কংগ্রেসের ওই আবেদনের পর স্পিকার মুকুল সাংমা সহ কংগ্রেস বিধায়কদের কাছে জানতে চান, কেন তাঁদের বিধানসভা থেকে সরানো হবে না।

স্পিকারের ওই প্রশ্নের জবাবে কংগ্রেস ত্যাগী প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মুকুল-সহ অন্য বিধায়করা স্পষ্টভাবে জানান, দলের ১২ জন বিধায়ক কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছে। অধিকাংশ সদস্যই তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ায় এই দলটিকেই প্রধান বিরোধী দলের মর্যাদা দেওয়া হোক। কংগ্রেস সেই আবেদনে তীব্র আপত্তি জানালেও শেষ পর্যন্ত তা ধোপে টিকল না।

বৃহস্পতিবার অধ্যক্ষ কংগ্রেসের করা আবেদন খারিজ করে দেন। তৃণমূল কংগ্রেসকে মেঘালয়ের প্রধান বিরোধী দল হিসেবে স্বীকৃতি দেন।

মে মাসে বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে নিজেদের ভিত্তি ও সংগঠন আরও মজবুত করার পরই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী জানিয়েছিলেন, তাঁরা এবার গোয়া, মেঘালয়, ত্রিপুরার মত ছোট রাজ্যগুলিতে বাড়তি নজর দেবেন।

আগামী বছরের শুরুতেই গোয়া বিধানসভা নির্বাচন। ইতিমধ্যেই তৃণমূল এই রাজ্যে নিজেদের পায়ের তলার মাটি অনেকটাই শক্ত করেছে বলে দাবি। চলতি মাসেই তৃণমূল নেত্রী গোয়া সফরে গিয়েছিলেন। তৃণমূল নেত্রী গৃহলক্ষী প্রকল্পের কথাও ঘোষণা করেছেন।

একই সঙ্গে দক্ষিণ ভারতেও পা রাখার চেষ্টা চালাচ্ছেন তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা। তামিলনাড়ুতে তামিল মানিলা কংগ্রেস নেতৃত্বের সঙ্গে তিনি কথা বলেছেন। ওই দলকে তিনি তৃণমূলের সঙ্গে মিশে যাওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন।

Delhi: নৃশংসভাবে মাথা থেঁতলে খুন, জখম আরও এক

delhi-police

News Desk: এক নারকীয় ঘটনার সাক্ষী হল রাজধানী দিল্লি। রাস্তার উপর পিটিয়ে মারা হল বছর কুড়ির এক তরুণকে। গণপ্রহার গুরুতর জখম অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও একজন।

সোমবার রাতে দিল্লির সঙ্গম বিহারে (sangam bihar) এই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটে। ওই মারধরের ঘটনাটি স্থানীয় সিসিটিভি ফুটেজে ধরা পড়েছে। সিসিটিভি ফুটেজ ভাইরাল হতেই বিষয়টি নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে পুলিশ। ইতিমধ্যেই রমজান আলি নামে একজনকে এই ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে গ্রেফতার করা হয়েছে।

দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার রাতে পঙ্কজ ও যতীন নামে দুই বন্ধু তাদের এক বন্ধুর জন্মদিনের পার্টি থেকে বাড়ি ফিরছিল। যতীন এবং পঙ্কজ দুজনেরই বয়স ২০-২১ এর মধ্যে। সঙ্গম বিহার এলাকায় তাদের কয়েকজন ঘিরে ধরে। এরপর তাদের ওপর চলে কিল-ঘুসি। পঙ্কজ ও যতীন রাস্তার উপর পড়ে গেলে তাদের মাথা পাথর দিয়ে থেঁতলে দেওয়া হয়।

গুরুতর জখম দুই যুবককে রাস্তার পাশে নর্দমায় ফেলে দিয়ে অভিযুক্তরা সকলেই চম্পট দেয়। ওই দুই তরুণের পকেটে থাকা হাজার তিনেক টাকাও ছিনিয়ে নেয় অভিযুক্তরা।

সোমবার রাতে এই ঘটনা ঘটলেও পুলিশ খবর পায়ে মঙ্গলবার বিকেলের দিকে। দুষ্কৃতীদের মারে গুরুতর জখম পঙ্কজ থানায় গিয়ে অভিযোগ দায়ের করেন। যতীনকে হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও তাকে বাঁচানো যায়নি। গুরুতর জখম পঙ্কজ এইমসের ট্রমা কেয়ার সেন্টারে ভর্তি।

যতীনের মৃত্যুতে পুলিশ এই ঘটনায় একটি খুনের মামলা দায়ের করেছে। সঙ্গম বিহারের এই গণপিটুনির কথা স্বীকার করে নিয়েছেন দিল্লির অতিরিক্ত ডেপুটি পুলিশ কমিশনার হর্ষবর্ধন মন্ডব্য। তিনি বলেছেন, সিসিটিভির ফুটেজ দেখে অভিযুক্তদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। ওই ঘটনায় ৮ জন জড়িত রয়েছে বলে দেখা গিয়েছে। ওই ওই ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করতে তল্লাশি চলছে।

ইতিমধ্যেই রমজান আলি নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে বাকিদের খোঁজার চেষ্টা চলছে। আশা করছি খুব শীঘ্রই এই ঘটনায় জড়িত সকলেই গ্রেফতার হবে। সঙ্গম বিহারের এই ঘটনা আরও একবার দিল্লির আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি বেআব্রু করে দিল বলে অভিযোগ।

শেষ শীতে পৌর যুদ্ধে মমতা, বছরের প্রথম ভোট পরীক্ষায় TMC

Mamata Banerjee

News Desk: একুশের ভোটযুদ্ধে তরতরিয়ে জিতেছেন। বিধানসভায় তিনবার সরকার কায়েম হয়েছে। কলকাতা পুরনিগমের ক্ষমতায় এসেছেন। তবে পুরনিগমের ভোটে লেগেছে ছাপ্পার ছাপ। এসব নিয়েই বাইশের ভোট যুদ্ধে নামতে চলেছেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

উত্তরে হিমালয় পাদদেশে থেকে দক্ষিণে দামোদর তীরবর্তী এলাকা ভোটে গরম হতে চলেছে।

আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি ৫টি পুর নিগমের ভোট: শিলিগুড়ি (দার্জিলিং), আসানসোল (পশ্চিম বর্ধমান), চন্দননগর (হুগলি), হাওড়া (হাওড়া) ও বিধাননগর (কলকাতা জেলা)।

কলকাতার পুরনিগম ভোটের পর এটাই সর্ববৃহৎ নগর কেন্দ্রিক ভোট যুদ্ধ। কলকাতায় শাসক তৃণমূল কংগ্রেস বনাম বিরোধী দল বিজেপির রাজনৈতিক যুদ্ধে বামফ্রন্টের পুরনায় শক্তি অর্জনে লেগেছে চমক। যদিও বিরোধীদের দাবি, কলকাতায় ব্যাপক রিগিং করে জয়ী হয়েছে শাসকদল। এবার বাকি পুরনিগমগুলির লড়াই ঘিরে রাজনৈতিক প্রতিযোগিতা তুঙ্গে উঠতে শুরু করল।

পুরনিগম ছাড়াও ১০৯টি পুরসভার ভোট হতে চলেছে ফেব্রুয়ারি মাসেই। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি হবে এই ভোট পর্ব।

আলিপুরদুয়ার থেকে দক্ষিণ ২৪ পরগনা জুড়ে ছড়ানো সবকটি পুরসভা। ফলে শাসক দলকে রাজ্য জুড়েই ভোট পরীক্ষা দিতে হবে। পরীক্ষায় বসবে বিজেপি, সিপিআইএম, কংগ্রেস।

কলকাতা পুরনিগমের ভোটে বিরোধী দল বিজেপি মহানগরে তৃতীয় দলের তকমা পেয়েছে। ভোট প্রাপ্তির হারে মূল বিরোধী হয়েছে বামফ্রন্ট। বিধানসভায় শূন্য হয়ে যাওয়া বামপক্ষ ও কংগ্রেসের কাছে নিজেদের শক্তি দেখানোর ময়দান পুর যুদ্ধ। তেমনই বিধানসভায় বিরোধী দলের তকমা পাওয়া বিজেপির লড়াই অস্তিত্ব প্রমাণেও।

Bangladesh: রাতভর আগুন নিয়েই ভাসল লঞ্চ, পোড়া দেহগুলো গাফিলতির নির্বাক সাক্ষী

News Desk: নদীর নাম সুগন্ধা। সেই নদীতেই পোড়া দেহের গন্ধ মিশেছে। সারি সারি দেহ পুড়ে কাঠ। সবাই জ্বলে যাওয়া এমভি অভিযান নামের লঞ্চের যাত্রী ছিলেন। বাংলাদেশ নৌ পথ পরিবহণ বিভাগ সূত্রে খবর, অন্তত ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। শতাধিক অগ্গিদগ্ধ। আরও মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। ঘটনাস্থল বরিশাল বিভাগের ঝালকাঠি।

বড়দিনের আগেই মর্মান্তিক নৌ দুর্ঘটনা বাংলাদেশে।ঢাকা থেকে দুশোর বেশি যাত্রী নিয়ে বরিশালের বরগুনা যাচ্ছিল এমভি অভিযান নামের যাত্রীবাহী লঞ্চটি। ঝালকাঠির অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহম্মদ মঈনুল হক জানান, ভোর ৫টার দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।

বৃহস্পতিবার গভীর রাত থেকে শুক্রবার ভোর পর্যন্ত সুগন্ধা নদীর উপরে জ্বলতে থাকা লঞ্চে আগুনে পুড়তে থাকা যাত্রীদের করুণ আর্তনাদ শুনেছেন পাড়ে থাকা বাসিন্দারা। সকাল হতেই মানুষ পোড়ার গন্ধ ছড়িয়েছে সুগন্ধা নদীর দুই পারে।

ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের তরফে জানানো হয়েছে, ঢাকা থেকে বরগুনাগামী যাত্রীবাহী লঞ্চ এমভি অভিযানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। সুগন্ধা নদীর দপদপিয়া এলাকায় পৌঁছালে লঞ্চটির ইঞ্জিন কক্ষে আগুন লাগে।

আগুন দেখে আতঙ্ক ছড়ায়। এর পরে লঞ্চটি সদর উপজেলার দিয়াকুল এলাকায় নদীর তীরে নোঙর করে। খবর পেয়ে ঝালকাঠির ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে দু’ ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। দগ্ধ যাত্রীদের উদ্ধার করে ঝালকাঠি ও বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থলে জেলা প্রশাসন ও পুলিশ প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়ে উদ্ধার কাজে সহযোগিতা করছেন।

Bangladesh: মর্মান্তিক বড়দিন উৎসব, বাংলাদেশে লঞ্চে পুড়ে মৃত ৩০

News Desk: বড়দিনের আগেই মর্মান্তিক খবরে স্তম্ভিত বাংলাদেশ। লঞ্চে আগুন লেগে পুড়়ে় মৃত কমপক্ষে ৩০ জন। ঘটনাস্থল বরিশালের ঝালকাঠি। 

ঝালকাঠির সুগন্ধা নদীতে ঢাকা থেকে বরগুনাগামী এমভি অভিযান-১০ নামে একটি লঞ্চে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ৩০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। 

বরিশাল ফায়ার নার্ভিসের উপ-পরিচালক মো. কামাল উদ্দিন ভূঁইয়া জানান, ‘এখনও উদ্ধার কাজ চলছে। এখানে মোট ৫টি ইউনিট আগুন নেভানোর কাজ করেছে। উদ্ধার কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বিস্তারিত কিছুই বলা যাচ্ছে না।’ 

KMC: ববিতেই ভরসা মমতার, ফের মেয়র

Firhad Hakim

News Desk: কলকাতার মেয়র ফিরহাদ হাকিম হলেন। ডেপুটি মেয়র অতীন, মেয়র ইন কাউন্সিল পদে ১৩ জনের নাম ঘোষণা মুুুুুখ্যমন্ত্রীর। 

পুরনিগমের ভোটে বিপুল জয় এসেছে। লেগেছে ছাপ্পা ভোটের তকমা। তবে তৃণমূল কংগ্রেস সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। জয়ের পর ববি হাকিম যে ফের মেয়র পদে বসছেন তা স্পষ্ট হয়ে যায়। কারণ তিনি ছাড়া আর কেউই এই মুহূর্তে তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে নেই।

গত ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে ফিরহাদ হাকিমকে মেয়র করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা। প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের তৃণমূল ত্যাগ, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে বিরক্ত মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী হিসেবে ববি হাকিম ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। ফলে অ্যাক্সিডেন্টাল মেয়র হিসেবে ববি আবির্ভূত হন।

তাঁকে সামনে রেখেই পুর নির্বাচন লড়াই করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে ববি হাকিমের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই সব হয়েছে।

Myanmar: শিশুকন্যাদের বেঁধে নির্মম প্রহার বর্মী সেনার, নিখোঁজদের মৃত্যু আশঙ্কা

myanmar-army

News Desk: আকাশে চিলের মতো চক্কর কাটছে বর্মী সেনার হেলিকপ্টার। নিচে যে যেখানে পারছেন মাথা গুঁজে জীবন রক্ষা করছেন। মায়ানমারে গণহত্যার পরপর সংবাদ আসছে। পরিস্থিতি ক্রমে আরও রক্তাক্ত হওয়ার আশঙ্কা। এরই মাঝে ভয়াবহ ছবি প্রকাশ হয়েছে। একের পর এক মহিলা, শিশুকন্যা বন্দি। তাদের মুখে রক্তের দাগ। নির্মম আঘাত যে হয়েছে তা স্পষ্ট।

বিভিন্ন সূত্রে kolkata24x7.in এর কাছে এসেছে মায়ানমারে সামরিক অভিযানের কিছু ছবি। ভারত ও মায়ানমার সীমান্তের সাগাইং রাজ্যের। মিজোরাম সংলগ্ন এলাকাটি গত ফেব্রুয়ারি মাসে সামরিক শাসন কায়েম হওয়ার পর থেকে বিদ্রোহ শুরু করেছে।

এই এলাকায় বর্মী সেনার অভিযানে বন্দি হন চিন ও মিজো জাতির অনেকে। বেশিরভাগই মহিলা ও শিশুকন্যা। বিশেষ সূত্রে kolkata24x7.in জানতে পেরেছে ধৃতদের অনেকেই স্থানীয় চিনল্যান্ড ফোর্সের চিকিৎসা পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত। বন্দি মহিলা ও কন্যাদের ছবিতে স্পষ্ট তাদের উপর আমানুষিক নির্যাতন চলেছে। সূত্রের খবর, অনেক বন্দি শিশুকন্যা নিখোঁজ। তাদের খুন করা হয়েছে বলেই আশঙ্কা।

মায়ানমারের সাগাইং প্রদেশে বিদ্রোহী চিন জাতির ক্ষমতা। বর্মী সেনার বিরুদ্ধে তাদের সশস্ত্র প্রতিরোধ চলছে। চিনল্যান্ড ডিফেন্স ফোর্সের এই প্রত্যাঘাতে বর্মী সেনার অনেক সদস্য ধৃত বাজেয়াপ্ত হয়েছে ভারি আগ্নেয়াস্ত্র সম্ভার।

সেনা শাসনের বিরোধিতায় মায়ানমার রক্তাক্ত। গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পাশাপাশি দেশটির বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী সেনার উপর হামলা শুরু করায় আরও জটিল পরিস্থিতি। বিবিসি জানাচ্ছে, গণহত্যার একের পর এক ছবি ও তথ্য বেরিয়ে আসছে মায়ানমার থেকে। যারা কোনওরকমে বেঁচে গিয়েছেন তাদের অনেকেই গোপনে নির্যাতন ও খুনের ভিডিও তুলেছেন। সেই ছবির ভিত্তিতে স্পষ্ট বর্মী সেনার নির্মমতা।

গত ফেব্রুয়ারি মাসে মায়ানমারে রক্তপাতহীন সামরিক অভ্যুত্থান হয়। জাতীয় নির্বাচনে নির্বাচিত আউং সান সু কি-এর দলকে ফের ক্ষমতা না দিয়ে সরকারের পতন ঘটান বর্মী সেনার প্রধান জেনারেল মিং অন হ্লাইং। তিনিই এখন মায়ানমারের সামরিক সরকারের সর্বেসর্বা।

KMC: মমতার পছন্দ ‘অ্যাক্সিডেন্টাল মেয়র’ ববি, শিলমোহরের অপেক্ষা

Firhad Hakim

News Desk: শিলমোহরের অপেক্ষা। শপথ ৩১ জানুয়ারি। কলকাতা পুরনিগমের মেয়র পদেই থাকতে চলেছেন ফিরহাদ হাকিম (ববি)। মহারাষ্ট্র ভবনে বৈঠকে দলনেত্রী তথা মুখ্যমন্ত্রীর ইচ্ছাকে মর্যাদা দিতে আনুষ্ঠানিক বৈঠকের পর ঘোষণা শুধু বাকি আছে।

পুরনিগমের ভোটে বিপুল জয় এসেছে। লেগেছে ছাপ্পা ভোটের তকমা। তবে তৃণমূল কংগ্রেস সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে। জয়ের পর ববি হাকিম যে ফের মেয়র পদে বসছেন তা স্পষ্ট হয়ে যায়। কারণ তিনি ছাড়া আর কেউই এই মুহূর্তে তৃণমূল কংগ্রেসের হাতে নেই।

গত ২০১৮ সালের ডিসেম্বর মাসে ফিরহাদ হাকিমকে মেয়র করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা। প্রাক্তন মেয়র শোভন চট্টোপাধ্যায়ের তৃণমূল ত্যাগ, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে বিরক্ত মুখ্যমন্ত্রীর কাছে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী হিসেবে ববি হাকিম ছাড়া আর কেউ ছিলেন না। ফলে অ্যাক্সিডেন্টাল মেয়র হিসেবে ববি আবির্ভূত হন।

তাঁকে সামনে রেখেই পুর নির্বাচন লড়াই করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। তবে ববি হাকিমের দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই সব হয়েছে।

X Mas: ‘কালো বড়দিন’ আসছে, মন খারাপ নাগাভূমির মন জেলায়

Mon district killing

News Desk: নামমাত্র কিছু মোমবাতি জ্বালিয়ে দেবেন উরি-ওটিং গ্রামের বাসিন্দারা। চার্চে প্রার্থনা হবে। ব্যাস এইটুকুই। কালো বড়দিন পালিত হবে নাগাভূমির মন জেলায়। জঙ্গি সন্দেহের অসম রাইফেলসের গুলিতে খনি শ্রমিকদের মেরে ফেলা হয়েছিল এই ওটিং গ্রামেই। ঝলমলে বড়দিন নয়, কালো বড়দিন পালিত হবে পুরো নাগাভূমিতেই। উত্তর পূর্বাঞ্চলের অন্যান্য রাজ্যেও বড়দিন তেমন আনন্দের নয় এবার।

নাগাল্যান্ডের মন জেলায় নিহত ১৫ জন গ্রামবাসীর কবরের উপর রাখা আছে কিছু শুকনো ফুল। ওটিং গ্রামের ঘরে ঘরে নিহতদের স্মরণে চাপা কান্না। থেকে থেকে চোয়াল শক্ত হয়েছে।

নাগা জাতির সর্বব্যাপী সংগঠন নাগা হো হো জারি করেছে সেনাবাহিনী ও অসম রাইফেলসের সঙ্গে সবরকম অসহযোগিতার নির্দেশ। বৃহত্তর নাগা সম্প্রদায় কন্যাক গোষ্ঠির তরফে উত্তর পূর্বের নাগা অধ্যুষিত এলাকায় বার্তা গেছে, আফস্পা আইন বাতিলে বৃহত্তর সংগ্রাম শুরু হবে।

নাগাল্যান্ড সরকার চিন্তিত। পরিস্থিতি যে কোনওসময় বিগড়ে যেতে পারে। মন জেলায় জারি করা হয়েছে নৈশকালীন কার্ফু নিয়ম। সশস্ত্র নাগা বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীগুলির তরফে এসেছে প্রত্যাঘাতের হুমকি।

খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের সংখ্যাগুরু অংশ বসবাস করেন উত্তর পূর্বাঞ্চলের নাগাল্যান্ড, মিজোরাম, মেঘালয়ে। বিভিন্ন উপজাতি জনজীবনের মধ্যে পারস্পরিক বৈরিভাব থাকলেও সশস্ত্র বাহিনীর বিশেষ ক্ষমতা আইন (AFPSA) প্রয়োগ বাতিলে সবাই একাট্টা। এবারের বড়দিনের উৎসবকে কালো উৎসব চিহ্নিত করে আইনটি বাতিলের দাবিতে উত্তর পূর্বের রাজনৈতিক মহল গরম হচ্ছে।

নাগাভূমির সর্বত্র বলা হচ্ছে ‘অমিত শাহ মিথ্যেবাদী’। কোহিমা, ডিমাপুরে জনসমাবেশ থেকে ক্রমাগত উঠছে আফস্পা বিরোধী স্লোগান।

Paschim Bardhaman: কলকাতায় দ্বিতীয় হয়ে দুর্গাপুরে গা গরম করল CPIM

CPM

News Desk: মাত্র ২৪ ঘন্টার ব্যবধান। কলকাতা পুর নিগমের ভোটে দ্বিতীয় হয়ে এবার গরম শুরু করে দিল বামেরা। সামনেই দুর্গাপুর পুরনিগমের ভোট। আচমকা তেড়েফুঁড়ে নেমে উঠতে দেখা গেল সিপিআইএমকে। পশ্চিম বর্ধমান জেলায় হাওয়া গরম।

বুধবার দুর্গাপুর পুরনিগমে ১৮ দফা দাবি নিয়ে সিপিআইএমের ডেপুটেশন দেওয়ার পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি ছিল। মিছিল পুরসভার সামনে আসতেই পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায় বাম সমর্থকদের

সিপিআইএমের সমর্থকরা পুরসভায় ঢুকতে চাইলে বাধা দেয় পুলিশ। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। ধস্তাধস্তির মধ্যে পড়ে ট্রাফিক পুলিশের এক আধিকারিক জখম হন। সিপিআইএমের ৬ জন জখম হয়েছেন বলে দাবি করেছেন দলের নেতা পঙ্কজ রায় সরকার।

সিপিআইএমের অভিযোগ, তৃণমূল কংগ্রেসের আমলে দুর্গাপুর শহরের নাগরিক পরিষেবা ভেঙে পড়েছে। মানুষ চরম সমস্যার মধ্যে রয়েছেন। সেজন্য তাঁরা দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করছেন। এদিনও গণতান্ত্রিক পদ্ধতিতে তাঁরা আন্দোলন করছিলেন। অভিযোগ, পুলিশ তৃণমূলের ইন্ধনে কর্মসূচি বানচাল করার চেষ্টা করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, জোর করে ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করেন মিছিলকারীরা। তাদের বাধা দেওয়া হয়। পুরসভার মেয়র পারিষদ (সড়ক) ও তৃণমূল কংগ্রেস নেতা অমিতাভ বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, ‘‘কেউ চায় না সিপিএমকে। অথচ ওরা নির্লজ্জের মতো আন্দোলন করতে আসে তৃণমূলের বিরুদ্ধে। পুলিশের গায়ে হাত তোলে ওরা। নিন্দার ভাষা নেই।’’

কলকাতা পুরনিগমের ভোটে আচমকা বাম উত্থান নিয়ে রাজ্য সরগরম। বিরোধী দল বিজেপি নেমেছে তিন নম্বরে। তাৎপর্যপূর্ণ, ভোটের নিরিখে বামফ্রন্ট উঠে এসেছে দু নম্বরে। ভোট বিশেষজ্ঞরা বলছেন, কলকাতার রাজনৈতিক ক্ষেত্রে বামফ্রন্ট এখন প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায়। বিজেপি প্রান্তিক দল হবে অচিরেই।

<

p style=”text-align: justify;”>কলকাতার পর বাকি পুরনগিমের ভোট আসছে। পশ্চিম বর্ধমান জেলার দুর্গাপুর ও আসানসোল দুটি পুরনিগমেই তৃণমূল কংগ্রেস শক্তিশালী। বিজেপি শক্তিহীন হওয়ায় তৃণমূল কংগ্রেসের সঙ্গে মূল লড়াই হতে চলেছে সিপিআইএমের।