Omicron: লকডাউন? বিপর্যয়ের মুখে স্তব্ধ হতে পারে বিশ্ব

Complete lockdown in Kerala today and tomorrow

News Desk: করোনা ভাইরাসের নতুন ধরন ওমিক্রনের সংক্রমণে ফের কি বিশ্ব স্তব্ধ হতে চলেছে? এমনই সম্ভাবনা তৈরি হচ্ছে দ্রুত। বিভিন্ন দেশে হু হু করে বাড়ছে ওমিক্রন সংক্রমণ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু) সতর্কবার্তা দিয়েছে, ওমিক্রনে বিশ্ব স্বাস্থ্যব্যবস্থা বিপর্যস্ত হতে পারে।ইউরোপের ডব্লিউএইচও কোভিড ইনসিডেন্ট ম্যানেজার ক্যাথরিন স্মলউড সতর্ক করেছেন, ওমিক্রনের ব্যাপক সংক্রমণে বহু সংখ্যক মানুষকে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হতে পারে। বিশেষ করে যারা করোনার টিকা নেননি। এতে বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য ব্যবস্থা ভেঙ্গে পড়তে পারে।

পড়ুন: Omicron: বাড়ছে সংক্রমণ, শীঘ্রই কঠোর লকডাউনের পথে বাংলা!

আন্তর্জাতিক বিমান চলাচলে পড়েছে বড় প্রভাব।করোনার নতুন করে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় এরই মধ্যে সাত হাজারের বেশি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রেও থেমে নেই করোনা সংক্রমণ। সোমবার যুক্তরাষ্ট্রে রেকর্ড ৪ লাখ ৪০ হাজারের বেশি রোগী করোনায় শনাক্ত হয়েছে। 

ইউরোপে হু হু করে ছড়িয়েছে করোনা।ফ্রান্সে নতুন করে ১ লাখ ৮০ হাজার করোনা রোগী শনাক্ত হয়েছে যা করোনা প্রাদুর্ভাব শুরু পর দেশটিতে সর্বোচ্চ আক্রান্তের রেকর্ড। এছাড়া ইটালি, গ্রিস, পর্তুগাল, এবং ইংল্যান্ডে ঊর্ধমুখী করোনার সংক্রমণ।

দক্ষিণ এশিয়াতে চিনে ফের করোনার প্রকোপ মারাত্মক। লাখ লাখ মানুষকে ঘরবন্দি থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ভারতে রাজধানী দিল্লিতে জারি করা হয়েছে ইয়োলো অ্যালার্ট। বিভিন্ন রাজ্যে বেড়েই চলেছে করোনার সংক্রমণ।

Kabul: আমরা খেতে চাই স্লোগান দিতেই আফগান মহিলাদের দিকে গুলি তালিবানের

Taliban militants are taking underage girls as sex slaves

News Desk: রাজপথে বিক্ষোভ। সরকার গুলি চালাচ্ছে। তালিবান জমানায় ফের বিদ্রোহের মুহূর্ত দেখল আফগান রাজধানী কাবুল।

মঙ্গলবার আফগানি মহিলারা বিক্ষোভ থেকে দাবি তুলেছেন আমরা ক্ষুদার্থ আমারা শরিয়তি ধর্মীয় আইন নিয়ে ক্নান্ত। আমরা খেতে চাই। বিক্ষোভ বড় আকার নেয় বলেই জানাচ্ছে আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যমগুলি। এমননকি তালিবান জঙ্গিদের সরকার নিয়ন্ত্রিত আফগান টিভি চ্যানেলগুলিতে বিক্ষোভের খবর সম্প্রচার করা হয়।

ভয়েস অফ আমেরিকা জানাচ্ছে,কাবুলে তালিবান নিরাপত্তা বাহিনী মঙ্গলবার প্রতিবাদরত মহিলাদের ছত্রভঙ্গ করতে হুঁশিয়ারি দিয়ে গুলি চালায়। বিক্ষোভকরীরা মহিলাদের ওপর আরোপিত বিধিনিষেধের ব্যাপারে প্রতিবাদ জানাচ্ছিলেন।

তালিবান সরকারের “প্রমোশন অব ভার্চু এন্ড প্রিভেনশন অব ভাইস ” নীতির বিরোধিতা করে রাজধানীর রাস্তায় মিছিল চলছিল। প্রতিবাদকারীদের ব্যানারে লেখা ছিল “আমরা বৈষম্য নিয়ে ক্লান্ত এবং “আমরা ক্ষুধার্ত জনগণের প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর”।

অন্যান্য ব্যানারে লেখা ছিল “আমরা মহিলারা জেগেছি এবং বৈষম্যকে ঘৃণা করি” এবং “কেন তোমরা স্কুল বন্ধ করেছ”? প্রতিবাদকারী মহিলারা চাকরি, শিক্ষা ও খাদ্যের জন্য দাবি জানাচ্ছিলেন। সরকারি ভবনে প্রবেশের আগে তালিবান রক্ষীরা গুলি চালাতে শুরু করে। কয়েকজন মহিলা জখম হন।

তালিবানদের দ্বিতীয় দফার সরকারের আমলে আফগানিস্তানে চলছে চরম খাদ্য ও চিকিৎসা সংকট।

Covid 19: শীতে নয় করোনায় কাঁপছে ফ্রান্স, একদিনে লক্ষাধিক সংক্রমণ

corona vaccine

News Desk: বড়দিন পার হতেই আশঙ্কা সত্যি। করোনা আক্রমণে কাবু ফরাসি জনজীবন। বিবিসি জানাচ্ছে, ফ্রান্সে একদিনে লক্ষাধিক করোনা সংক্রমণ নথিভুক্ত হয়েছে।

মঙ্গলবার ইউরোপীয় দেশ ফ্রান্স মহামারি শুরু হওয়ার পর রেকর্ড সংখ্যক আক্রান্ত দেখল। এদিন দেশটিতে করোনা শনাক্ত হয়েছে ১ লাখ ৭৯ হাজার ৮০৭ জনের। ফ্রান্সে একদিনে এত সংখ্যক সংক্রমণ এবারই প্রথম। ইটালি, গ্রিস, পর্তুগাল ও ইংল্যান্ডেও সংক্রমণের ঊর্ধ্বগতি দেখা গিয়েছে।

সোমবার ফ্রান্সের স্বাস্থ্যমন্ত্রী অলিভার ভেরান দেশবাসীকে সতর্ক করে বলেছেন, সবকিছু দেখে মনে হচ্ছে জানুয়ারির শুরুর দিকে ফ্রান্সের দৈনিক সংক্রমণ আড়াই লাখ ছাড়িয়ে যেতে পারে। আর ফ্রান্সের হাসপাতাল ফেডারেশন সতর্ক করে বলেছে, সবচেয়ে কঠিন সপ্তাহগুলো এখনো আসেনি।

ওয়ার্ল্ডোমিটার জানাচ্ছে, এক দিনের ব্যবধানে ইউরোপীয় অঞ্চলে সংক্রমণ দ্বিগুণ হয়েছে। গত সোমবার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছিল ৩ লাখ ৫৯ হাজারের বেশি। ওই দিন মারা গিয়েছিলেন প্রায় ২ হাজার ৮০০ করোনা রোগী। এর আগের দিন মৃত্যু ছিল প্রায় ২ হাজার। আক্রান্ত হয়েছিলেন ৩ লাখ ২৮ হাজার মানুষ।

বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, গতকাল ফ্রান্সে যে সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে, তা ইউরোপের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি। এর আগে এক দিনের ব্যবধানে কোনো দেশেই এত বেশি রোগী শনাক্ত হয়নি।

MP: দুর্নীতির টাকার অঙ্ক ঠিক করে দিলেন BJP সাংসদ, কত টাকা জেনে নিন

bjp mp janardan mishra

News Desk: ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত এদিক-ওদিক হলে সেটাকে দুর্নীতি বলা যায় না। এমনটাই মনে করেন মধ্যপ্রদেশের বিজেপি সাংসদ জনার্দন মিশ্র।

এই বিজেপি সাংসদ বলেন, প্রতিদিনই আমার কাছে অনেকেই আসেন সরপঞ্চের (পঞ্চায়েত প্রধান) বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগ জানাতে। কিন্তু এটা বাস্তব যে, একজন সরপঞ্চ প্রার্থীকে ভোটে জিততে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা খরচ করতে হয়। পরের ভোটের জন্য তাঁকে আরও ৭ লক্ষ টাকা মজুত রাখতে হয়। ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির ধাক্কায় আরও এক লাখ টাকা খরচ হয়ে যায়। তাই আমি বলি, ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত দুর্নীতি হলে কেউ আমার কাছে আসবেন না। তবে তার বেশি অংকের দুর্নীতি হলে অবশ্যই আমার কাছে আসতে পারেন। এহেন মন্তব্য করে ইতিমধ্যেই প্রবল বিতর্কে জড়িয়েছেন বিজেপি সাংসদ জনার্দন মিশ্র।

রেওয়ার বিজেপি সাংসদের এই বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলের অনেকেই প্রশ্ন করেছেন, তাহলে আর্থিক দুর্নীতিরও ভাল মন্দ আছে? কম টাকার দুর্নীতি হলে সেটার কোনও গুরুত্ব নেই, কিন্তু বেশি টাকার হলে সেটাই গুরুতর হয়ে ওঠে এটা কেমন কথা? বিজেপি সাংসদ কি বলতে চাইছেন, ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত দুর্নীতি হলে সেটা কোন ধর্তব্যযোগ্য অপরাধ নয়?

উত্তরপ্রদেশের ব্যবসায়ী পীযূষ জৈনের বিরুদ্ধে যখন কোটি কোটি টাকা আয়কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগে তদন্ত চলছে সে সময়ে বিজেপি সাংসদের এই বক্তব্য যথেষ্টই তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

জনার্দন মিশ্রর বক্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হতেই নেটিজেনরা অনেকেই প্রশ্ন করেছেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী যখন দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিহাদ ঘোষণা করেছেন সেখানে তাঁরই দলের একজন সাংসদ কিভাবে এধরনের মন্তব্য করতে পারেন। এই মন্তব্য করে ওই বিজেপি সাংসদ কার্যত দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দিচ্ছেন।

অভিযোগ, প্রধানমন্ত্রী তো বড় গলায় বলে বেড়ান, তিনি চৌকিদার। তিনি নিজে চুরি করবেন না, কাউকে চুরি করতেও দেবেন না। সেক্ষেত্রে তারই দলের একজন সাংসদ কীভাবে এই মন্তব্য করেন? প্রধানমন্ত্রী যদি প্রকৃত দুর্নীতি বিরোধী হন তবে তাঁর উচিত অবিলম্বে এই সাংসদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত শাস্তি মূলক ব্যবস্থা নেওয়া।

SMC Election: কলকাতার মতো ভোট করাতে শিলিগুড়িতে দেব না, অশোকের হুঙ্কার

News Desk: কলকাতায় যেভাবে ভোট করানো হয়েছে সেটা হবে না শিলিগুড়িতে। এমনই হুঙ্কার দিলেন শিলিগুড়ি পুরনিগমের প্রাক্তন মেয়র তথা বামফ্রন্টের মেয়র পদপ্রার্থী অশোক ভট্টাচার্য। একটি সংবাদ মাধ্যমে সাক্ষাৎকার দিতে গিয়ে তিনি বলেছেন, কোনও অবস্থায় কলকাতা পুরনিগমে ভোটের দিনের পরিস্থিতি আনতে দেব না।

পড়ুন: SMC Election: কংগ্রেসের সঙ্গেই জোট, শিলিগুড়িতে একলা লড়ার মুরোদ হারাল CPIM

কলকাতা পুরনিগমের ভোটে ব্যাপক ছাপ্পার অভিযোগ এসেছে। মামলা হয়েছে। অশোকবাবুর দাবি, শিলিগুড়িতে এমনটা করতে দেওয়া হবে না।সাক্ষাৎকারে প্রাক্তন পুরমন্ত্রী ও বিধায়ক অশোক ভট্টাচার্যের এই মন্তব্য রাজনৈতিক মহলে তীব্র আলোড়ন ফেলে দিয়েছে। বর্ষীয়ান সিপিআইএম নেতা ও গত পুরবোর্ডের মেয়র অশোকবাবুর দাবি, শিলিগুড়ির মানুষ ভোট লুঠ রুখে দিতে প্রস্তুত।

অশোকবাবু বলেছেন, আমি নিজে তো জিতবই, বামফ্রন্ট জিতবে। শিলিগুড়িতে আগেও তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে লড়াই করে জিতেছি আমরা।

তিনি এই প্রসঙ্গে টেনে আনেন ২০১১ সালে বামফ্রন্ট সরকারের পতনের পরের রাজনৈতিক পরিস্থিতি। সাক্ষাতকারে অশোক ভট্টাচার্য বলেছেন, বাম সরকার পতনের বছরে হেরেছিলাম। তার পরেও শিলিগুড়ি থেকে বিধায়ক নির্বাচিত হয়েছিলাম। শিলিগুড়ি পুরনিগম দখল করেছি। সরকারের প্রবল অসহযোগিতার মধ্যেও শিলিগুড়ি পুরনিগম রাজ্যের অন্যান্য পুরনিগমগুলির থেকে বেশি কাজ করেছে।

পুরনিগমগুলির কাজের নিরিখে অশোক ভট্টাচার্যের দাবি রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মেনে নিচ্ছেন। তাঁদের যুক্তি, তুলমূল্য বিচারে কলকাতার পর শিলিগুড়ির অবস্থান। দার্জিলিং জেলার এই শহর উত্তরবঙ্গের রাজধানী তো বটেই, এর আন্তর্জাতিক পরিচিতি রয়েছে। শিলিগুড়ি পুরনিগমের কাজে বিভিন্ন অভিযোগ থাকলেও সার্বিক বিচারে অশোকবাবু মেয়র হিসেবে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা নিয়েছেন।

বিশ্লেষণে উঠে আসছে, বামফ্রন্ট সরকারের আমলে মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মন্ত্রিসভায় পুরমন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য ছিলেন ‘উত্তরবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী’। তাঁর রাজনৈতিক প্রভাবে ২০১৫ সালে পুরনিগমে বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস জোটের বোর্ড হয়েছিল। এরপর অশোক ভট্টাচার্য ২০১৬ সালের বিধানসভা ভোটে তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করেন। ২০২১ এর ভোটে বামফ্রন্ট শূন্য হয়ে যায়। শিলিগুড়িতে প্রবল উদ্দীপনা জাগিয়েও পরাজিত হন অশোক ভট্টাচার্য। রাজ্যে বিপুল জয় পেলেও শিলিগুড়ি অধরা থেকে গেছে তৃণমূল কংগ্রেসত নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। এই কেন্দ্রে জয়ী হন সিপিআইএম ত্যাগী বিজেপির শংকর ঘোষ।

বিধানসভায় শূন্য হয়ে গেলেও সদ্য সমাপ্ত কলকাতা পুরনিগমের ভোটে চমকে দিয়েছে বামফ্রন্ট। ভোট প্রাপ্তির নিরিখে কলকাতায় বামপক্ষ বিরোধী তকমা পেয়েছে। বিজেপি নেমেছে তিন নম্বরে।

<

p style=”text-align: justify;”>কলকাতায় বামেদের উত্থানের পর শিলিগুড়ি পুরনিগমের ভোট নিয়ে প্রবল চর্চা। বামপক্ষ এখানে শক্তিশালী। লড়াই হতে চলেছে ত্রিমুখী।

SMC Election: কংগ্রেসের সঙ্গেই জোট, শিলিগুড়িতে একলা লড়ার মুরোদ হারাল CPIM

CPIM

News Desk: কলকাতা পুরনিগমে একলা বামফ্রন্ট লড়ে ভোটের নিরিখে মূল বিরোধী ভূমিকায় চলে এসেছে। কলকাতায় যা সম্ভব তা হলো না বামেদের শক্তিশালী এলাকা শিলিগুড়িতে। আসন্ন শিলিগুড়ি পুরনিগম ভোটে জোট করেই ভোটে নামছে বামেরা। গতবারের মেয়র তথা প্রাক্তন পুরমন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য দিচ্ছেন নেতৃত্ব।

প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ফোন পেয়েই ভোটে লড়াই করার সিদ্ধান্ত নেন অশোক ভট্টাচার্য। দার্জিলিং জেলা বামফ্রন্টের তরফে প্রকাশিত শিলিগুড়ি পুরনিগমের প্রার্থী তালিকায় ৬ নম্বর ওয়ার্ড থেকে লড়াই করছেন তিনি।

শিলিগুড়ি পুরনিগমের মোট ৪৭টি ওয়ার্ড। পুর ভোটে বামফ্রন্ট প্রার্থী তালিকায় ৩৫ জনের নাম ঘোষণা করা হয়েছে। দার্জিলিং জেলা বামফ্রন্ট আহ্বায়ক জীবেশ সরকার বলেছেন, গত পুরভোটে যে ৪টি আসনে কংগ্রেস জয়ী হয়েছিল সেখানে কোনও বাম প্রার্থী থাকবে না। তাঁর এই ঘোষণার পরেই স্পষ্ট হয়ে যায় কলকাতার মতো ‘একলা চলো’ সূত্র শিলিগুড়িতে প্রয়োগ করল না বামপক্ষ।

শিলিগুড়ি পুরনিগমে ৪৭টি ওয়ার্ডের মধ্যে চূড়ান্তভাবে কটি ওয়ার্ড কংগ্রেসকে ছাড়তে পারে বামফ্রন্ট, এই বিষয়ে দুই শিবিরে আলোচনা হবে। দার্জিলিং জেলা কংগ্রেস সভাপতি প্রাক্তন বিধায়ক শংকর মালাকার জানিয়েছেন, জোটের আসন নিয়ে বৈঠকেই সব ঠিক হবে।

<

p style=”text-align: justify;”>রাজ্যে বাম জমানার পতনের পরেও শিলিগুড়িতে সিপিআইএমের ক্ষমতা বারবার দেখা গিয়েছে। উত্তর বঙ্গের রাজধানীতে প্রাক্তন পুরমন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য ফের জয়ী হন। বিধায়ক ছিলেন। সর্বশেষ বিধানসভার ভোটে পরাজিত হন। তিনি পুরনিগমের মেয়র ছিলেন। বিধানসভায় পরাজিত হয়েই পুর প্রশাসকের পদ থেকে সরে গিয়েছেন।

Bangladesh: নারী সেজে কিশোরীকে ক্রমাগত ধর্ষণ, তদন্তে চমক

News Desk: নারী গুনিন সেজে এক কিশোরীকে ধর্ষণের ঘটনায় অপরাধ মানসিকতার নতুন দিক উঠে এসেছে। এমন ধরণের ধর্ষণ বিরল বলেই মনে করছেন অপরাধ বিশেষজ্ঞরা। বাংলাদেশের কামরাঙ্গীরচর এলাকার ঘটনা। তদন্তে নেমেছে ঢাকা বিভাগের পুলিশ।

ঢাকার কামরাঙ্গীরচর এলাকায় ওই নারী বেশধারী ধর্ষক নিজেকে গুনিন পরিচয় দিয়েছে। তার নাম আবদুল মান্নান। অভিযুক্তর মেডিকেল টেস্টের পর প্রমাণ হয় আবদুল মান্নান নারী রূপ নিয়ে কিশোরীকে দিনের পর দিন ধর্ষণ করেছে। তার ছদ্ম নাম অ্যানি জাহান।

তদন্তে উঠে এসেছে, মানসিক সমস্যায় ভুগতে থাকা এক কিশোরীকে গুনিনের কাছে নিয়ে যান মা বাবা। অভিযোগ, প্রতি শনি ও মঙ্গলবার রাতে রোগীকে তার বাসায় থাকতে হবে বলে নিদান দেয় গুনিন আবদুল মান্নান ওরফে অ্যানি জাহান। সে ঘোষণা করে, পোষা জিন ডেকে চিকিৎসা করাবে। মেয়েটির অভিভাবক তাতে রাজি হন। প্রায় দেড় বছর চিকিৎসা হলেও রোগ আর সারেনি।

কিশোরীর অসুস্থতা বাড়ে। একপর্যায়ে প্রকাশ্যে আসে ধর্ষণের ঘটনা। অভিযোগ, আবদুল মান্নান নারী ছদ্মবেশে চিকিৎসার নামে কিশোরীকে অচেতন করে ধর্ষণ করেছে দিনের পর দিন। পুরো ঘটনা সামনে আসতেই নিজেকে নারী দাবি করে অভিযোগ খণ্ডানোর চেষ্টা করে আবদুল মান্নান ওরফে অ্যানি জাহান। মামলায় জামিনও মেলে তার। পরে পুলিশের তদন্ত ও ডাক্তারি পরীক্ষায় দেখা যায়, সে আসলে পুরুষ। মেয়েটিও ধর্ষণের শিকার।

কামরাঙ্গীরচর থানার অফিসার সিকদার মহিতুল আলম জানান, ধর্ষণের অভিযোগ ওঠার পর আবদুল মান্নানকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

তদন্তে উঠে এসেছে, ধর্ষিতা কিশোরী মানসিক সমস্যার শিকার। তার এক আত্মীয়ার মৃত্যুর পর থেকে সে ভয় পেতে শুরু করেছিল। তার আচরণ অস্বাভাবিক হতে শুরু করে। প্রতিবেশীদের পরামর্শে কামরাঙ্গীরচরের খলিফাঘাট এলাকার গুনিন অ্যানি জাহানের কাছে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়। সে জানায়, কিশোরীর ওপর জিনের নজর পড়েছে। জিন ছাড়াতে হলে তার কাছে সপ্তাহে দু রাত থাকতে হবে।

অন্ধ বিশ্বাসের ফলে মেয়েকে গুনিনের কাছে রেখে চলে আসেন মা-বাবা। পরে মেয়ের শরীরে আঁচড়ের দাগ দেখে তারা কারণ জানতে চান। গুনিন ব্যাখ্যা দেয়, রাতে জিন তাকে আঁচড় দিয়েছে। এভাবেই সময় গড়াতে থাকে। কবিরাজের নির্দেশে কিশোরীকে নিয়ে চলতি বছরের জুন মাসে মেয়েটির সিলেটে যায় গুনিন। সেখানে হোটেলে কিশোরীকে ধর্ষণের চেষ্টা করলে তার পরিবারের সদস্যরা বিষয়টি বুঝতে পারেন।

ঢাকায় আসার পর কিশোরীকে নিজের স্ত্রী বলে দাবি করে গুনিন অ্যানি জাহান ওরফে আবদুল মান্নান। এর পরেই মামলার মোড় নেয়। অভিযোগের ভিত্তিতে তার মেডিকেল টেস্ট হয়। আপাতত পুলিশের জালে নারী বলে নিজেকে পরিচয় দেওয়া আসলে পুরুষ ধর্ষক আবদুল মান্নান।

HMC: স্থগিত হাওড়ার ভোট, শুনানির আর্জি জানিয়ে প্রধান বিচারপতিকে ই-মেল

News Desk: কলকাতা পুরসভার ভোট হওয়ার পর রাজ্যের বাকি পুরসভার ভোট নিয়ে প্রশ্ন ছিল রাজনৈতিক মহলে।‌সোমবার রাজ্য কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেন শিলিগুড়ি, বিধাননগর, আসানসোল, চন্দননগরে পুরভোট হবে আগামী ২২ জানুয়ারি। তবে এইসবের মধ্যেও থমকে রয়েছে হাওড়া পুরসভার ভোট।

বালি বিলে এখনও রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়ের সই নেই। যে কারণে হাওড়া ও বালির ভোট স্থগিত রাখা হয়। আসন্ন পুরভোটের তালিকায় হাওড়ার নাম বাদ রাখা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন মামলাকারী আইনজীবী সব্যসাচী চ্যাটার্জী। গতকাল কমিশনের ঘোষণার পরপরই কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতিকে মেইল করেন। মামলাকারীর প্রশ্ন তোলেন, নির্বাচন কমিশন আদালতকে ৫ টি পুরনিগমের ভোট একসঙ্গে করা হবে বলে জানিয়েছিল, তাহলে সোমবার কেন হাওড়ার ভোট ঘোষণা করা হয়নি।

মামলাকারীর গতকাল রাত্রে শুনানির আর্জি জানালে প্রধান বিচারপতি স্পষ্ট বলে দেন রাত্রে শুনানি সম্ভব না। মঙ্গলবার এই বিষয়ে মামলা করতে বলা হয় আদালতে। মামলা দায়ের হলে আদালত সম্পূর্ণ বিষয়টি শুনবে। একইসাথে এই মামলা আদৌ গ্রহণযোগ্য কিনা এবং গ্রহণযোগ্য হলে এর পরবর্তী শুনানি কবে হবে তা জানিয়ে দেবে কলকাতা হাইকোর্ট।

প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, ১.১১.২০২১ সালের ভোটার তালিকা অনুযায়ী নির্বাচন হবে। ২৮ ডিসেম্বর অর্থাৎ আজ থেকেই মনোনয়ন জমা দেওয়া যাবে। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ তারিখ ৩ জানুয়ারি। প্রার্থীরা ৬ জানুয়ারির মধ্যে মনোনয়ন প্রত্যাহার করতে পারবে। ভোট গণনার তারিখ ২৮ জানুয়ারি, ২০২২।

Germany: লুধিয়ানা আদালতে বিস্ফোরণের মূল চক্রী জসবিন্দর, পাক সংযোগ

News Desk: তদন্তের জাল যত গুটিয়ে আনছেন গোয়েন্দারা ততই চমক। লুধিয়ানা আদালতে বিস্ফোরণের পিছনে জড়িত পাকিস্তান মদতপুষ্ট শিখ বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনের সংযোগ স্পষ্ট হচ্ছে। বিস্ফোরণের মূল চক্রী জসবিন্দর সিং ধরা পড়ল জার্মানিতে।

ধৃত জসবিন্দর সিং শিখ ফর জাস্টিস সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। এই সংগঠন ভারতে নিষিদ্ধ। তদন্তে উঠে এসেছে পাকিস্তান মদতপুষ্ট বিচ্ছিন্নতাবাদী খালিস্তানপন্থীদের সঙ্গে জসবিন্দর জড়িত। লুধিয়ানার মতো দিল্লি ও মুম্বইতে হামলার ছক করেছিল সে।

লুধিয়ানা আদালতে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা জঙ্গি হামলা হিসেবে বিবেচিত হয়েছে। জার্মানিতে ধৃত জসবিন্দরের লক্ষ্য ছিল দেশজুড়ে পরপর আত্মঘাতী বিস্ফোরণ ঘটানো। পাঞ্জাবের কয়েকটি এলাকা চিহ্নিত করা হয়। হোসিয়ারপুর নিবাসী জসবিন্দর সিং জার্মানিতে থাকে। তার সঙ্গে সরাসরি সংযোগ শিখ ফর জাস্টিস সংগঠনের নেতা গুরনন্দন সিং পন্নুর।

জসবিন্দরকে ভারতে এনে বিচারের জন্য জার্মান সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে ভারত সরকার। এই বিষয়ে জার্মান বিদেশমন্ত্রক ও নয়াদিল্লির দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে ভারতের বিদেশমন্ত্রক।

তদন্তে উঠে এসেছে জসবিন্দর সিং পাকিস্তানের জঙ্গি সংগঠনগুলির সঙ্গে অস্ত্র কারবারে জড়িত। তার নজরে ছিল পাঞ্জাব বিধানসভা ভোটকে রক্তাক্ত করা।

লুধিয়ানা আদালতে বিস্ফোরণে মৃত বরখাস্ত হওয়া পুলিশকর্মী গগনদীপ সিং। তদন্তে উঠে এসেছে, গগনদীপ সিং বড়সড় নাশকতার পরিকল্পনা করেছিল। সেই হিসেবে আদালত চলাকালীন বিস্ফোরণ ঘটায়। নাশকতায় নিহতের সংখ্যা দুই। সেই আত্মঘাতী হামলা করে বলে তদন্তে উঠে এসেছে।

Bangladesh: অরণ্য সুন্দরী সাতছড়ি যেন জঙ্গিদের অস্ত্র খনি, পা ফেললেই ভারত সীমান্ত

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: বারবার আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার। প্রতিবারই বিপুল পরিমান। অস্ত্র ভাণ্ডার দেখলেই স্পষ্ট হয় সরাসরি সেনাবাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষের জন্য এসব ব্যবহার করা হতো।বাংলাদেশের সাতছড়ি জাতীয় অরণ্য যেমন প্রকৃতির বিপুল বিস্ময় তেমনই এই এলাকা যেন অস্ত্র খনি!

সোমবার এই অরণ্য থেকে ১৫টি মর্টার শেল, ২৫টি বুস্টার ও ৫১০ রাউন্ড অটো মেশিনগানের গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। ২০১৪ সাল থেকে বারে বারে এমন আগ্নেয়াস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার হচ্ছে। প্রতিবারই অস্ত্র সম্ভার দেখে চমকে যাচ্ছে বাংলাদেশ সরকার।

সাতছড়ি অরণ্যের অন্দরে
গভীর এই সাতছড়ি সীমান্ত জঙ্গলের এমনও অনেক এলাকা আছে যেখানে আন্তর্জাতিক সীমারেখা অদৃশ্য। কোনদিকে ভারত কোনদিকে বাংলাদেশ তা নির্নয় করা কঠিন। ভারতের দিকে ত্রিপুরা আর বাংলাদেশের দিকে পড়েছে সিলেট। সাতছড়ি অরণ্যের মূলনিবাসী উপজাতি জনগোষ্ঠী ত্রিপুরা জাতির অন্তর্ভুক্ত। স্থানীয় ত্রিপুরা পল্লীর নামকরণ থেকেই স্পষ্ট।

বিরলতম প্রাণী ও উদ্ভিদ গবেষকদের কাছে আকর্ষণের কেন্দ্র সিলেটের হবিগঞ্জ জেলার চুনারুঘাটের সাতছড়ি অরণ্যাঞ্চল। পর্যটকরা আসেন অনবরত। তবে নির্দিষ্ট কিছু এলাকার বাইরে বৃহত্তর বনাঞ্চলে যাতায়াতে দুর্গমতার কারণে এখানেই সীমান্ত পারাপার হয় অতি সহজে। টিলা-জঙ্গল, নদী ঘেরা অদ্ভুত নীরবতা আর আলো আঁধারিময় সাতছড়িতে ছড়িয়ে আছে ভারত বিরোধী বিচ্ছিন্নতাবাদীদের তৈরি করা বহু বাংকার। মাটির তলায় পোঁতা আছে আগ্নেয়াস্ত্র।

চুপ যা টাইগার আসতাসে, বাঘের থাবা খাবা!

টাইগার?

এই নামটি পরিচিত সমগ্র পার্বত্য ত্রিপুরা ও বাংলাদেশের সাতছড়ি অরণ্যাঞ্চলে। বেশি কিছু কেউ বলবে না এখনও। ‘বাঘের থাবা’ খেতে কেউ চায় না।

সেই টাইগার কে?

অল ত্রিপুরা টাইগার ফোর্স (ATTF) একটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন। মূলত ত্রিপুরার হিন্দু আদিবাসী উপজাতি জনগোষ্ঠীর মধ্যে তাদের সংগঠন ছড়িয়ে ছিল। দলনেতা রণজিত দেববর্মা পরে আত্মসমর্পণ করে। ত্রিপুরায় বিগত বামফ্রন্ট সরকারের আমলে তৎকালীন মু়খ্যমন্ত্রী মানিক সরকারের শাসনে টাইগার হয়ে যায় ঘুমন্ত বাঘ। তবে আতঙ্কটা রয়ে গিয়েছে- চুপ যা টাইগার আসতাসে, বাঘের থাবা খাবা!

টাইগারের প্রতিদ্বন্দ্বী ন্যাশনাল লিবারেশন!

পার্বত্য ত্রিপুরার উপজাতি খ্রিষ্টান ধর্মাবলম্বীদের মধ্যে প্রভাবশালী বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী ন্যাশনাল লিবারেশন ফ্রন্ট অফ ত্রিপুরা (NLFT)। সংগঠনটি ফের সক্রিয়। সম্প্রতি তাদের সাংগঠনিক কাঠামোর বড়সড় রদবদল করা হয়। একশ শতাংশ খ্রিষ্টানধর্মাবলম্বী নিয়ে পরিচালিত এনএলএফটি বাংলাদেশের জমিতে ফের ঘাঁটিগুলি পরিচালিত করছে। পুরনো নেতা বিশ্বমোহন দেববর্মার নীতি থেকে সরেছে এই সংগঠন।

তাৎপর্যপূর্ণ, সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ আবার পারস্পরিক সংঘর্ষ এই নিয়েই ত্রিপুরার পার্বত্য এলাকা ও বাংলাদেশ সংলগ্ন অঞ্চলে এলাকা ভিত্তিক সমান্তরাল সরকার কায়েম করেছিল দুটি বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন। এটিটিএফ ও এনএলএফটি এই দুই সংগঠনের নিরাপদ ঘাঁটি বাংলাদেশের জমিতে।

প্রতিবেশি দেশে জামাত ইসলামি ও বিএনপি জোট সরকারের আমলে ভারত বিরোধী তৎপরতা বেড়েছিল। খালেদা জিয়া প্রধানমন্ত্রী থাকাকালীন বাংলাদেশ থেকে বৃহত্তর বেআইনি অস্ত্র চালান ষড়যন্ত্র (দশ ট্রাক অস্ত্র মামলা) বানচাল হয়। অসমের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আলফা (এখন আলফা-স্বাধীনতা) প্রধান পরেশ বড়ুয়ার জন্য যাচ্ছিল সেই আগ্নেয়াস্ত্র। চাঞ্চল্যকর সেই ঘটনার পর থেকে সতর্কতা অবলম্বন করে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলো।

বস্তুতপক্ষে ৮০-৯০ দশক থেকে ২০০০ সাল শুরুর কিছু পর পর্যন্ত ত্রিপুরা ছিল উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিচরণভূমি। ঠিক সেই সময়েই সীমান্তের ওপারে বাংলাদেশে ছিল নিরাপদ ঘাঁটি। ত্রিপুরায় সন্ত্রাসবাদ বা উপজাতি বিচ্ছিন্নতাবাদ ঘুমিয়ে পড়েছিল গত বিগত বামফ্রন্ট সরকারের আমলে। কড়া বাস্তব, বাম সরকার পতনের পর বিজেপি জোট সরকারের আমলে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সক্রিয়।

বাংলাদেশের মাটিতে যে বিচ্ছিন্নতাবাদীরা সক্রিয় তার দাবি করেছিলেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। তিনি এখন বিরোধী নেতা। সম্প্রতি তিনি এনএলএফটির হামলায় দুই বিএসএফ জওয়ানের মৃতুর পর একই দাবি করেন। ত্রিপুরার বিজেপি সরকারও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ জানায়।

ত্রিপুরায় আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে সক্রিয় হতে থাকা বিচ্ছিন্নতাবাদীরা কি ফের পুরনো অবস্থান ফিরছে? এই প্রশ্ন বারবার উঠছে। রাজ্যটির তিনদিকে একেবারে গা ঘেঁষে থাকা বাংলাদেশ। সিলেটের সাতছড়ি অরণ্যে বারবার অস্ত্র উদ্ধার প্রমাণ করছে মানিকবাবুর দাবি কতটা গুরুত্বপূর্ণ। মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন তাঁর এমন দাবিতে ঢাকা ও নয়াদিল্লি নড়ে চড়ে বসেছিল।

<

p style=”text-align: justify;”>বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবস্থান সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স। সেই নীতি নিয়েই সাতছড়ির মতো সীমান্তবর্তী গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় বারবার অভিযান চলছে।

UP: মানুষ নয় কুবের! সপা ঘনিষ্ঠ ব্যবসায়ীর কালো সম্পত্তি

News Desk: টানা পাঁচদিনের তল্লাশিতে কানপুরের ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার প্রায় ২৫৮ কোটি টাকা ও বিপুল স্বর্ণালঙ্কার। একদিন-দু’দিন নয়, কানপুরের গুটখা ব্যবসায়ী পীযূষ জৈনের বাড়িতে এক টানা পাঁচ দিন ধরে তল্লাশি অভিযান চালাল আয়কর দফতর।

দীর্ঘ ১২০ ঘণ্টার চেষ্টায় ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে উদ্ধার হল প্রায় ২৫৮ কোটি টাকা। প্রচুর পরিমাণে স্বর্ণালঙ্কারও মিলেছে। একইসঙ্গে দেশে-বিদেশে ১৬টি অত্যন্ত দামী সম্পত্তির হদিশও পাওয়া গিয়েছে। ওই ব্যবসায়ী উত্তরপ্রদেশের বিরোধী দল সমাজবাদী পার্টির প্রধান অখিলেশ যাদবের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ বলে জানা গিয়েছে।

আয়কর দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিপুল পরিমাণ আয়কর ফাঁকিতে অভিযুক্ত ওই ব্যবসায়ীর বাড়িতে হানা দিয়ে ৪০টি লকার ও ৫০০টি চাবির গোছা মিলেছে। সাম্প্রতিককালে আয়কর দফতর এই ধরনের বড় মাপের সাফল্য পায়নি।

সমাজবাদী পার্টি প্রধানের ঘনিষ্ঠ এই ব্যবসায়ীর একাধিক ব্যবসা রয়েছে। প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক বেআইনি কার্যকলাপের অভিযোগ রয়েছে।

আয়কর ফাঁকির অভিযোগ ওঠায় বৃহস্পতিবার রাতে ইডি এবং আয়কর দফতরের আধিকারিকদের এক যৌথ প্রতিনিধি দল পীযূষ জৈনের বাড়িতে হানা দেয়। একই সঙ্গে ওই ব্যবসায়ীর বেশ কয়েকটি অফিসেও তল্লাশি অভিযান চলে। এই তল্লাশি অভিযানে বিপুল পরিমাণ নগদ টাকা গুনতে আয়কর বিভাগের বেশ কয়েকজন কর্মীর ঘুম ছুটেছে।

আয়কর দফতর আরও জানিয়েছে, বিপুল টাকা ও অলঙ্কার ছাড়াও ওই ব্যবসায়ীর বাড়ি থেকে দেশে-বিদেশে ১৬টি অত্যন্ত দামী সম্পত্তির সন্ধান মিলেছে। যার মধ্যে কনৌজে রয়েছে সাতটি, কানপুরে চারটি, দিল্লিতে একটি এবং দুবাইয়ে দুটি সম্পত্তির হদিশ মিলেছে।

আয়কর দফতরের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, বিতর্কিত এই ব্যবসায়ী নামে-বেনামে ৪০টি সংস্থার মালিক ছিলেন। আয়কর ফাঁকি দেওয়ার কারণে ইতিমধ্যেই এই বিতর্কিত ব্যবসায়ীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁকে টানা জেরা করছেন আয়কর দফতরের আধিকারিকরা। ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে আয় বহির্ভূত সম্পত্তির অভিযোগও উঠেছে। কীভাবে এই বিপুল পরিমাণ সম্পত্তি তিনি করেছেন, তাঁর আয়ের উৎস কী সে বিষয়ে এখনও কিছুই জানাননি কানপুরের এই ব্যবসায়ী।

Punjab: পুরভোটে ধাক্কা বিজেপির, সরকার গড়ার স্বপ্ন কেজরির

Arvind Kejriwal urges PM Modi to ban flights from affected countries

News Desk: পাঞ্জাব বিধানসভার ভোট দরজায় কড়া নাড়ছে। বিধানসভা ভোটের আগে চণ্ডীগড় পুরসভার নির্বাচন হয়ে গেল। এই নির্বাচনে বড় ধাক্কা খেল বিজেপি। কংগ্রেসের অবস্থাও তথৈবচ। কংগ্রেস ও বিজেপির দ্বৈরথের মাঝে উল্কার গতিতে এগিয়ে এল আম আদমি পার্টি ।

পাঞ্জাবের পুরভোটে প্রথমবার লড়াই করেই একক বৃহত্তম দলের স্বীকৃতি আদায় করে নিল কেজরিওয়ালের আপ। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের আগে এই ফলাফল অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

দু’দিন আগে চণ্ডীগড় পুরসভার ৩৫টি ওয়ার্ডে ভোট গ্রহণ হয়। সোমবার সকালে শুরু হয় ভোট গণনা। শেষ পাওয়া খবর অনুযায়ী আপ দখল করেছে ১৪ টি ওয়ার্ড। কংগ্রেসের দখলে গিয়েছে মাত্র ৮টি। তুলনায় বিজেপি জয়ী হয়েছে ১২টি ওয়ার্ডে। শিরোমনি অকালি দল পেয়েছে একটি ওয়ার্ডে জয়ী হয়েছে।

এই পুর নির্বাচনী ফলাফল সামনে আসতেই কংগ্রেসের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। কারণ কৃষি আইনকে কেন্দ্র করে বিজেপি পাঞ্জাবে যথেষ্ট ব্যাকফুটে। এই অবস্থায় রাজ্যে ক্ষমতায় পুনর্দখলের স্বপ্ন দেখছিল কংগ্রেস। কিন্তু রাহুল গান্ধীর দল অন্তর্কলহে জরাজীর্ণ।

কয়েক মাস আগেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিংকে পদ থেকে সরিয়ে দিয়েছিলেন রাহুল গান্ধী। এরপরে এই প্রবীণ কংগ্রেস নেতা নিজে একটি রাজনৈতিক দল গঠন করে বিজেপির সঙ্গে জোট করে নির্বাচনে লড়ার কথা বলেছেন।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি আদৌ ভালো ফল করতে পারবে না। তাই আম আদমি পার্টি যে ভোট কাটবে সেটা পুরোটাই কংগ্রেসের। আপ যদি ভাল রকম ভোট কেটে নেয় সে ক্ষেত্রে কংগ্রেসের জয়ের আশা ধুলিস্যাৎ হয়ে যাবে।

তবে রাজনৈতিক মহলের কেউই আপ ও কংগ্রেসের এই লড়াইয়ে বিজেপিকে এগিয়ে রাখতে চাইছেন না।তাঁরা বলছেন, আগামী বিধানসভা নির্বাচনে পাঞ্জাবের ক্ষমতা দখলের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি আম আদমি পার্টির। অন্যথায় ত্রিশঙ্কু ফলাফল হতে পারে। সে ক্ষেত্রে আপ, কংগ্রেস বা বিজেপি কোনও দলই সরকার গড়ার ম্যাজিক ফিগারে পৌঁছতে পারবে না। অমরিন্দর এবং বিজেপির জোট করলেও বিধানসভা ভোটে এই জোট খুব একটা কার্যকরী হবে না। অন্যদিকে শিরোমনি অকালি দলের ভবিষ্যৎ আদৌ ভাল নয়।

পুর নির্বাচনের ফলাফল সামনে আসতেই আপ নেতা রাঘব চাড্ডা বলেছেন, এই জয় প্রমাণ করল পাঞ্জাবের মানুষ আম আদমি পার্টিকে সমর্থন করছে। আমাদের নেতা কেজরিওয়াল মানুষের জন্য যে সমস্ত পদক্ষেপ করেছেন সেগুলির প্রতি পাঞ্জাবের মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস আছে। সে কারণে প্রথমবার লড়তে নামে একটি দলকে তাঁরা একক বৃহত্তম দলের মর্যাদা দিয়েছেন। এজন্য আপের পক্ষ থেকে পাঞ্জাববাসীদের আমি অভিনন্দন জানাই। উল্লেখ্য, আপের তরফে পাঞ্জাবের এই পুরভোটের দায়িত্বে ছিলেন আপ নেতা চাড্ডা।

Bangladesh: ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ডেরায় অভিযান, প্রচুর মর্টার শেল উদ্ধার

News Desk: ভারতের সঙ্গে আন্তর্জাতিক সীমান্ত লাগোয়া বাংলাদেশের সাতছড়ি অরণ্যে অভিযান চালিয়েছে ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (RAB) বাহিনী। উদ্ধার করা হয়েছে বিপুল পরিমাণ মর্টার শেল, গুলি। বাংলাদেশের জমিতে ভারতীয় বিচ্ছিন্নতাবাদীদের বিভিন্ন ডেরা ও বাংকারে এর আগেও আগ্নেয়াস্ত্র উদ্ধার করা হয়।

বাংলাদেশের সাতছড়ি অরণ্য ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য সংলগ্ন। আন্তর্জাতিক সীমান্তের এই অরণ্যাঞ্চলের ভিতর বিচ্ছিন্নতাবাদীদের ঘাঁটি আগেও ধংস করা হয়েছে।

সোমবার ভোর রাত থেকে  সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে অভিযান চালায় ব়্যাব-৯ বাহিনীর কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের (সিটিটিসি) ইউনিট। অভিযানে ১৫টি মর্টার শেল ও ছয় বাক্স গুলি উদ্ধার করা হয়েছে।  কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের ডিআইজি মহম্মদ আসাদুজ্জামান জানান, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের ভেতরে অভিযান শুরু হয়। এখনও একটি জায়গায় অভিযানে আরও আগ্নেয়াস্ত্র মিলবে। 

ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলির ঘাঁটি বাংলাদেশের এই বনাঞ্চল। এমনই বিস্ফোরক দাবি আগেই করেন ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। তাঁর দাবির পর প্রবল আলোড়ন ছড়িয়েছিল ঢাকা ও নয়াদিল্লিতে। পরে বাংলাদেশ সরকার জানায়, প্রতিবেশি ভারতের কোনও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনকে রেয়াত করা হবে না। সন্ত্রাসবাদ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কাদের এই অস্ত্র ভাণ্ডার ?
মনে করা হচ্ছে এবারেও উদ্ধার  করা মর্টার সেল, গুলি, একসময় বাংলাদেশে ঘাঁটি গেড়ে ত্রিপুরা ও অসমের বিচ্ছিন্নতাবাদীদের। ত্রিপুরার দুটি সশস্ত্র সংগঠন এটিটিএফ ও এনএলঅফটির একসময়ের ঘাঁটি ছিল বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জ। এখানকার চুনারুঘাটের সাতছড়ি অরণ্যে অসমের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আলফা (বর্তমান আলফা-স্বাধীনতা) গোষ্ঠীরও ঘাঁটি ছিল।

(১) ২০১৪ সালের ১ জুন থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন দফায় অভিযানে  ৩৩৪টি কামান বিধ্বংসী রকেট, ২৯৬টি রকেট চার্জার, একটি রকেট লঞ্চার, ১৬টি মেশিনগান এবং প্রায় ১৬ হাজার রাউন্ড বুলেট সহ বিপুল গোলাবারুদ উদ্ধার করে র‍্যাব।

(২) ২০১৪ সালের ১৬-১৭ অক্টোবর থেকে চতুর্থ দফায় প্রথম পর্যায়ে উদ্যানে মাটি খুঁড়ে তিনটি মেশিনগান, চারটি ব্যারেল, আটটি ম্যাগজিন, ২৫০ গুলির ধারণক্ষমতা সম্পন্ন আটটি বেল্ট ও উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন রেডিও উদ্ধার করা হয়। এসএমজি ও এলএমজির ৮ হাজার ৩৬০ রাউন্ড, রাইফেলের ১৫২ রাউন্ড, পিস্তলের ৫১৭ রাউন্ড, মেশিনগানের ৪২৫ রাউন্ডসহ মোট ৯ হাজার ৪৫৪ রাউন্ড বুলেট উদ্ধার করা হয়।

(৩) ২০১৮ সালের ২ ফেব্রুয়ারি সাতছড়ি অরণ্যে অভিযান চালিয়ে ১০টি হাই এক্সক্লুসিভ ৪০ এমএম অ্যান্টি-ট্যাংক রকেট উদ্ধার করা হয়।

(৪) ২০১৯ সালের ২৪ নভেম্বর ১৩টি রকেট লঞ্চারের শেলসহ কিছু বিস্ফোরক উদ্ধার করা হয়।

(৫) ২০২০ সালের ২ মার্চ অভিযান চালিয়ে ১৮টি ট্যাংক বিধ্বংসী রকেট গোলা উদ্ধার করে বিজিবি। 

(৬) ২০২১ সালের ১৩ আগস্ট হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের সাতছড়ি জাতীয় উদ্যান সংলগ্ন একটি ব্রিজের পাশ থেকে পরিত্যক্ত অবস্থায় নয়টি একনলা বন্দুক, তিনটি পিস্তল ও ১৯ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করে বিজিবি।

CPIM: পৌর ভোটের আগে হঠাৎ ‘সক্রিয়’ বুদ্ধবাবু, আহ্লাদে আটখানা বাম মহল

Buddhadeb Bhattacharya

News Desk: রাজনৈতিক সন্ন্যাস নেওয়া ধ্যানমগ্ন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের আচমকা সক্রিয়তায় ‘আত্মহারা’ বাম মহল। রাজ্য জুড়ে শোরগোল পড়েছে তাঁর একটি ফোনকল নিয়ে। বাম মহল তথা সিপিআইএমের মধ্যেই প্রশ্ন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী পরাজয় মানতে না পেরে গৃহবন্দি জীবন বেছে নিয়েছেন, অসুস্থ হয়ে আরও নিষ্ক্রিয় তিনি হঠাৎ কোন জাদুমন্ত্রে রাজনৈতিক বিষয়ে ফের নাক গলাতে শুরু করলেন।

যাবতীয় ঘটনার কেন্দ্রে বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের সঙ্গে আরও এক বর্ষীয়ান সিপিআইএম নেতা তথা প্রাক্তন পুরমন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্যের ফোনালাপ। শিলিগুড়ি পুর নিগমের ভোটে অশোকবাবুকে নেতৃত্ব দিতে অনুরোধ করেছেন বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য। সেকথা ‘পাব্লিকলি’ জানাতেই রাজ্য জুড়ে শোরগোল। আহ্লাদে আটখানা সিপিআইএম।

লোকসভা ও বিধানসভার ভোটে ঐতিহাসিক শূন্য প্রাপ্তির পর কলকাতা পুর নিগমের ভোটে ততোধিক নজরকাড়া পরিসংখ্যান নিয়ে ফের হাজির বামেরা। একধাক্কায় বিরোধী দল বিজেপির থেকে ভোটের নিরিখে উপরে বামফ্রন্ট। কার্যত কলকাতায় বামেরা এখন বিরোধী দল হিসেবে চিহ্নিত। তবে তাদের সংগ্রহে দুটি ওয়ার্ড!

এই ফলাফলেই কি রাজনৈতিক ঘুম ভাঙল বুদ্ধদেববাবুর? প্রশ্ন এখানেই। বামপন্থী নেতা, কর্মী ও সমর্থকদের বড় অংশ মনে করছেন, শিলিগুড়িতে সিপিআইএমের পক্ষে পুরবোর্ড গড়ার বড় সম্ভাবনা। তৃণমূল জমানাতেও বামেরা কংগ্রেসের সঙ্গে জোট করে বোর্ড চালিয়েছে। আসন্ন পুর নিগমের ভোটে তাই শিলিগুড়ি দখল করতে অশোক ভট্টাচার্যের উপরেই দায়িত্ব দিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

বিধানসভার ভোটে শিলিগুড়িতে প্রবল উদ্দিপনা জাগিয়েও আসনটি ধরে রাখতে পারেননি প্রাক্তন পুরমন্ত্রী অশোক ভট্টাচার্য। পরাজিত হয়েই পুর নিগমের পুর প্রশাসকের দায়িত্ব ছেড়ে দেন। চটজলদি সেই পদে গৌতম দেবকে বসিয়ে দেন মু়খ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

বিধানসভা ভোটের হিসেবে না বাম না তৃণমূল কংগ্রেস বরং শিলিগুড়ি চলে গিয়েছে বিজেপির দখলে। অশোকবাবুর রাজনৈতিক শিষ্য শংকর ঘোষ বিধায়ক হয়েছেন। তিনিই পুর নির্বাচনে বিজেপির নেতৃত্বে নাকি তৃ়নমূল কংগ্রেসে যোগ দেবেন তাই নিয়ে প্রবল চর্চা।

ভোট বিশ্লেষকদের মতে আসন্ন পৌর ভোট ও পুরনিগমগুলির নির্বাচনে বিরোধী দল বিজেপির ছন্নছাড়া পরিস্থিতির মাঝে নতুন করে বামেদের ঘুরে দাঁড়ানোর সুযোগ আছে। সেই সুযোগ নিতে বামেরা কতটা তৈরি তা স্পষ্ট নয়। তবে প্রাক্তন মু়খ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের ফোন ইঙ্গিত দিচ্ছে, তিনি এখনও আলোড়ন ফেলতে পারেন ।

Bangladesh: ফের বড়সড় অস্ত্র ভাণ্ডারের খোঁজ ত্রিপুরা সীমান্তে, অভিযানে RAB

News Desk: ভারত সরকার বিরোধী উত্তর পূর্বাঞ্চল ভারতের বিভিন্ন জঙ্গি সংগঠনের একদা মুক্তাঞ্চল বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের সাতছড়ি অরণ্যে ফের উদ্ধার বড়সড় আগ্নেয়াস্ত্র সম্ভার। রকেট লঞ্চার, গোলা উদ্ধার হয়েছে।

সোমবার সকাল থেকে আন্তর্জাতিক সীমান্ত লাদেয়া সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের গভীর বনাঞ্চলে অভিযান চালাচ্ছে বাংলাদেশের ব়্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (RAB) বাহিনী। এই এলাকা ভারতের ত্রিপুরা রাজ্য সংলগ্ন।

সিলেট বিভাগের হবিগঞ্জের চুনারুঘাট উপজেলার অন্তর্গত সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানের অভিযান ঘিরে চাঞ্চল্য। এর আগেও একই এলাকা থেকে বারবার মিলেছে আগ্নেয়াস্ত্র ভাণ্ডার।

 

বাংলাদেশের সরকারের দাবি, সীমান্তের এই জঙ্গলে একসময় উত্তর পূর্ব ভারতের বিভিন্ন বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠীর ডেরা ছিল। বিশেষত ত্রিপুরার দুটি বিচ্ছিন্নতাবাদী গোষ্ঠী এনএলএফটি ও এটিটিএফের ঘাঁটি ছিল বাংলাদেশের সাতছড়ি অরণ্যাঞ্চল। সেই সময়ে বিচ্ছিন্নতাবাদীদের জমিয়ে রাখা আগ্নেয়াস্ত্রের সম্ভার এখনও মজুত রয়েছে।

সোমবার সকাল থেকে অভিযান চালায় র‌্যাব-৯ এর কাউন্টার টেররিজম ইউনিট। সিটিটিসি’র ডিসি আব্দুল মান্নান জানান, সাতছড়ি জাতীয় উদ্যানে সিটিটিসির অভিযানে ইতোমধ্যে বিপুল পরিমাণ অস্ত্র ও গুলি উদ্ধার হয়েছে। অভিযান এখনও চলছে।

হবিগঞ্জের সাতছড়ি থেকে গত পাঁচ মাসে র‍্যাব মোট চার দফা অস্ত্র উদ্ধার অভিযান চালিয়েছে এবং বিপুল পরিমান অস্ত্র উদ্ধার করেছে।

<

p style=”text-align: justify;”>ত্রিপুরার লাগোয়া বাংলাদেশের সাতছড়ি অরণ্যে বি়ভিন্ন সময়ে বিপুল অস্ত্র ভাণ্ডার উদ্ধার হয়েছে। ভারতের বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনগুলির ঘাঁটি বাংলাদেশের এই বনাঞ্চল। এমনই বিস্ফোরক দাবি আগেই করেন ত্রিপুরীর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার। তাঁর দাবির পর প্রবল আলোড়ন ছড়িয়েছিল ঢাকা ও নয়াদিল্লিতে। পরে বাংলাদেশ সরকার জানায়, প্রতিবেশি ভারতের কোনও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনকে রেয়াত করা হবে না। সন্ত্রাসবাদ দমনে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

BJP: অবিশ্বাস ও অন্তর্ঘাতের জালে জড়িয়ে বিজেপি, পুরভোটের আগেই ‘কাঙাল’ পরিস্থিতি

BJP

News Desk: মহানগর হোক কিংবা জেলা-মফস্বল বিরোধী দল বিজেপির কাঙাল পরিস্থিতি দেখে চিন্তিত কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। আসছেন জে পি নাড্ডা। জেলাস্তরের বিজেপি নেতাদের দাবি, সর্বভারতীয় সভাপতি এলেই কি না এলেই কি, রাজ্য নেতাদের আচরণেই স্পষ্ট দলে অন্তর্ঘাত চলেছে, অবিশ্বাসের হাওয়া বইছে। কেউ কাউকে মানছে না তা তো স্পষ্টই।

এই অবস্থায় আসন্ন পৌর নির্বাচনে বিজেপির হাল আরও করুণ হতে চলেছে বলেই অভিমত বর্ষীয়ান নেতা তথাগত রায়ের। তিনি জানিয়েছেন, দলটা চুরমার হয়ে যাচ্ছে। নিজের পায়ে কুড়ুল মেরেছে বঙ্গ বিজেপি। তথাগতবাবুর মন্তব্যের পর পরই দক্ষিণ বঙ্গ থেকে হুড়মুড়িয়ে বিজেপি ভাঙনের ইঙ্গিত এসে গেছে। উত্তর ২৪ পরগনা ও নদিয়া জেলায় ভাঙন স্পষ্ট।

বিজেপি সূত্রে খবর, পশ্চিমবঙ্গ নেতৃত্বের দিশাহারা পরিস্থিতি দেখে শীঘ্রই কলকাতায় আসছেন বিজেপির শীর্ষ নেতারা। জানুয়ারি মাসের শুরুতেই রাজ্যে আসছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি জে পি নাড্ডা। তিনদিনের সফর করবেন তিনি। পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য কমিটির অন্দরমহলের ক্ষোভ তাতে মিটবে না বলেই জেলাভিত্তিক নেতাদের অভিমত।

নতুন রাজ্য কমিটি গঠনের পর এমনিতেই বিজেপির অন্দরে ক্ষোভ বাড়ছে। জেলা সংগঠনে ব্যাপক রদবদলে তীব্র হয়েছে ত্রোভ। রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদার বলেছেন, ‘বিজেপি একটা পরিবার। সব ক্ষোভ নিজেদের মধ্যে মিটিয়ে নেব’। পৌর ভোটের আগে এ যে মেটার নয় তা বিলক্ষণ জানেন জেলা নেতারা।

Sikkim: তুষারবন্দি হাজার পর্যটক উদ্ধার, সাহায্যে সেনা

News Desk: উদ্বেগের অবসান হয়েছে। সিকিমে তুষারপাতে কারণে আটকে পড়া পর্যটকদের অবশেষে নিরাপদ স্থানে সরানোর সংবাদ এসেছে। সিকিম সরকার জানাচ্ছে, সেনাবাহিনী ও পুলিশের সহযোগিতায় হাজারেরও বেশি পর্যটক নেমে আসতে পেরেছেন।

শীতের মরশুমে সিকিমে পর্যটনের জোয়ার আসে। বিখ্যাত নাথু লা সীমাম্ত দেখতে পশ্চিমবঙ্গ সহ বিভিন্ন রাজ্যের পর্যটকরা এই রাজ্যে আসেন। এবারও তেমনই হয়েছে।

শনিবার থেকে ভারি তুষারপাত হয় সিকিমে। তুষারপাতের কারণে রাজধানী গ্যাংটকের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ পর্যটন কেন্দ্রগুলির সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়।

চিন সীমান্তের কাছে ছাঙ্গু হ্রদ দেখতে গিয়ে তুষারপাতের জেরে আটকে পড়েন বহু পর্যটক। এই পরিস্থিতিতে সিকিম সরকার শুরু করে জরুরিকালীন উদ্ধার কাজ। রবিবার বিকেলের মধ্যে পর্যটকদের নিরাপদ এমনই জানানো হয়।

সিকিম রাজ্য প্রশাসন সূত্রের খবর, শুক্রবার থেকেই আবহাওয়া খারাপ থাকার কারণে নাথু লা যাওয়ার অনুমতি দেয়নি সিকিম প্রশাসন। এর জেরে ছাঙ্গু হ্রদ দেখতে বাড়তি ভিড় হয়েছিল পর্যটকদের।  হঠাৎই আবহাওয়া ক্রমাগত খারাপ হতে থাকে। তুষারপাতে ছাঙ্গুতেই আটকে পড়েন পর্যটকেরা। পরে তাঁদের উদ্ধার করে নিজেদের ছাউনিতে নিয়ে যায় সেনাবাহিনী।

সিকিমের মুখ্যমন্ত্রী প্রেম সিং তামাং জানিয়েছেন, রাজ্য সরকার পর্যটকদের সবরকম সাহায্য করবে। তাদের নিয়ে উদ্বেগের কারণ নেই।

Omicron: যে ধরণের মাস্ক পরলে চিন্তামুক্ত থাকবেন

Corona west bengal

News Desk: বছর শেষে নতুন করে আতঙ্ক ছড়াচ্ছে করোনা। ডেল্টার পর এবার কাঁপুনি ধরাচ্ছে ওমিক্রন। ধীরে ধীরে ঊর্ধ্বমুখী হচ্ছে ওমিক্রন গ্রাফ। কোন ধরনের মাস্ক পরলে ওমিক্রন থেকে বাঁচবেন তা নিয়েই সামনে আসছে নানা তথ্য।

করোনা আবহের প্রথম দিকে চিকিৎসকরা জানিয়েছিলেন, N95 মাস্ক  সবচেয়ে বেশি কার্যকর। করোনা ঠেকানোর ব্যাপারে। তবে ক্লিনিক্যাল মাস্ক বা সার্জিক্যাল মাস্ক দারুণ কাজ দেয়।

এর মাঝে পাতলা কাপড়ের মাস্ক বাজারে ছড়িয়ে পড়ে। রংবেরঙের মাস্কে মুখ ঢাকেন সবাই। কিন্তু চিকিৎসকদের মতে, পাতলা কাপড়ের মাস্ক মোটেই এক্ষেত্রে কার্যকরী নয়। এই ধরণের মাস্ক শুধুই ফ্যাশন।   ওমিক্রন আটকাতে মোটেই পারবে না।

কাপড়ের মাস্ক বড় আকারের ড্রপলেট আটকাতে পারলেও ছোট ড্রপলেট আটকাতে সমর্থ নয়। এক্ষেত্রে KN95 বা N95 মাস্কই সবচেয়ে বেশি কার্যকর। তবে এই মাস্ক কেনার সময় অবশ্য সঠিক মাপের কেনা উচিত। যাতে মুখ ও নাক সঠিকভাবে ঢাকা থাকে।

গবেষণায় এসেছে কাপড়ের মাস্ক ৭৫ শতাংশ সুরক্ষা দিতে পারে। N95 মাস্ক ৯৫ শতাংশ সুরক্ষা দিতে সমর্থ। ওমিক্রনের থাবা আটকাতে তাই এমন মাস্ক ব্যবহার করতেই পরামর্শ দিচ্ছেন চিকিৎসকরা। সঙ্গে অবশ্যই নিয়মিত স্যানিটাইজার ব্যবহারের কথাও জানিয়েছেন তারা।

একুশেই মেয়েদের বিয়ে! বাহ্ মোদীজী কেয়া আইন লায়া!

শবনম হোসেন (কবি-প্রাবন্ধিক): সম্প্রতি নরেন্দ্র মোদীর সরকার মেয়েদের বিয়ের ন্যূনতম বয়স একুশ বছর করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।জয়া জেটলির নেতৃত্বে গঠিত কমিটি দেশের মেয়েদের স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও সন্তানধারণ মূলত এই তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে আঠার থেকে বাড়িয়ে বিয়ের বয়স একুশ বছর করার সুপারিশ করেছেন। বলা হচ্ছে এতে পুষ্টি লাভের পাশাপাশি আর্থিক উন্নয়ন ও লিঙ্গসাম্য রক্ষিত হবে।

একজন সাধারণ নাগরিক হিসেবে বলতেই পারি নূতন আইন স্বাগত। কিন্তু এর পাশাপাশি উঠে আসছে বেশ কিছু সমস্যা, সৃষ্টি হচ্ছে নানা বিতর্ক।

ন্যূনতম বিয়ের বয়স আঠারো বছর হওয়া সত্ত্বেও প্রান্তিক অঞ্চলে এমনকি বহু ক্ষেত্রে শহরাঞ্চলেরও ১৪- ১৫ বছরেই মেয়েদের বিয়ে হয়ে যাচ্ছে। ইউনিসেফের (UNICEF) রিপোর্ট বলছে প্রতি বছর আঠারোর কম বয়সে প্রায় ১৫ লাখ, শতকরা ৫৪ জন নাবালিকার বিয়ে হয়।

বিশেষজ্ঞদের মতে পরিবারগুলির আর্থিক দূরবস্থা এর মূল কারণ। অর্থাৎ পৃথিবীর অন্যতম বৃহত্তম অর্থনীতি হতে চলা ভারতে নগণ্য মাথাপিছু আয় বুঝিয়ে দিচ্ছে দেশের অর্থনৈতিক বিকাশের সুযোগ সমাজের সর্বস্তরে দেশের সব প্রান্তে সমানভাবে মানুষের কাছে পৌঁছাতে পারেনি। তাই প্রশ্ন উঠছে আঠার বছরে মেয়েদের যথেষ্ট পুষ্টিলাভ না হলে একুশ বছরে কি করে সম্ভব ?

তাই আগে প্রয়োজন পরিবারগুলির আর্থিক পরিকাঠামো মজবুত করা। এছাড়া স্কুলগুলিতে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে মেয়েদের প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার সাথে সাথে আর্থিক ভাবে স্বনির্ভর করে তোলা জরুরি। কন্যা সন্তান পরিবারের আর্থিক অবলম্বন হয়ে উঠলে নাবালিকা বিবাহ আটকানো সম্ভব হবে।

অর্থনৈতিক উন্নয়নে শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। বলতে দ্বিধা নেই একবিংশ শতাব্দীতেও বিভিন্ন সামাজিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে শিক্ষাক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অসাম্য রয়ে গেছে নারী পুরুষের মধ্যে। এই অসাম্য প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে দেশের অর্থনীতি ও সামাজিক অবস্থানকে অসাম্যের দিকে চালিত করে। পরিণত বয়সে উচ্চ শিক্ষা লাভ করার পাশাপাশি মেয়েরা শারীরিক ও মানসিক ভাবে আরও পরিণত হবে। ভবিষ্যতে ‘মা’ নিজের ও সন্তানের পরিচর্যায় অধিকতর সচেতন হবেন।

বিয়ের বয়সের নতুন আইনে নিয়ে কী কী হতে পারে

(১) সন্দেহ নেই এই আইন ১৩৮ কোটির দেশে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার অগ্রগতিতে আগামী তিন বছরে দ্রুত লাগাম টানতে পারবে।

(২) বিয়ের বয়স যখন কন্যাশ্রীর মাপকাঠি, ধরে নেওয়া যেতে পারে নতুন আইন প্রণয়ন হলে আগামী তিন বছর কন্যাশ্রীর টাকা বাঁচবে। অর্থাৎ ঋণ জর্জরিত রাজ্য কিছুটা হলেও আর্থিক চাপমুক্ত হবে।

(৩) বর্তমান আইনানুসারে আঠারো বছর হলে প্রাপ্তবয়স্ক বলে গণ্য করা হয় কিন্তু বিয়ের ক্ষেত্রে নাবালিকা ধরা হলে আইনটি স্ববিরোধী বলে পরিগণিত হবে।

বলা হচ্ছে নতুন আইনে ছেলে মেয়ে উভয়ের বিয়ের বয়স একুশ বছর হলে লিঙ্গ সাম্য বিষয়টি গুরুত্ব পাবে। শুধুমাত্র বিয়ের বয়সে সমতা এনে লিঙ্গ সাম্য তৈরি করা যায় না। বাড়িতে, কর্মক্ষেত্রে এমনকি সামাজিক স্তরে এখনও পর্যন্ত চূড়ান্ত লিঙ্গবৈষম্য লক্ষ্য করা যায়। এর জন্য প্রয়োজন যথাযথ শিক্ষা ও মানসিক দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন।

চাইবো নারী সম্পর্কে পুরুষের তথা সমাজের এমনকি নারীর নিজের ও দৃষ্টি ভঙ্গির পরিবর্তন হোক। যখন নারী নিজে জীবনে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়ায় পারদর্শী হয়ে উঠবে।

Farm Laws: ‘কৃষি আইন ফের হবে কখনই বলিনি,’ কৃষিমন্ত্রীর ডিগবাজি!

Farm Laws Repeal

News Desk: যত দোষ নন্দঘোষ! মানে সংবাদ মাধ্যমের। নিজের পক্ষে সাফাই দিতে গিয়ে চাপের মুখে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রীর এবার দাবি, আমি কখনই বলিনি ফের কৃষি আইন লাগু হবে। সবই সংবাদমাধ্যমে বিকৃত করে প্রকাশিত হয়েছে।

২৪ ঘন্টাও কাটল না, তার আগেই ডিগবাজি খেলেন কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী নরেন্দ্র সিং তোমর। এবার স্পষ্টভাবেই জানালেন, নতুন করে কৃষি আইন কার্যকর করার কোনও প্রশ্নই ওঠে না। কৃষি চালু করার কোনও কথাই নাকি তিনি বলেননি।

শুক্রবার মহারাষ্ট্রের এক অনুষ্ঠানে কেন্দ্রীয় কৃষিমন্ত্রী বলেছিলেন, আপাতত তাঁরা কৃষি আইন নিয়ে পিছিয়ে গিয়েছেন অর্থাৎ আইন বাতিল করা হয়েছে। কিন্তু আগামী দিনে ফের এই আইন সামনে আনা হতে পারে। তোমরের এই মন্তব্য নিয়ে যথারীতি গোটা দেশে তৈরি হয় তীব্র চাঞ্চল্য। অনেকেই বলতে থাকেন, মোদী সরকার সময় ও সুযোগ পেলে এই কৃষি আইন কার্যকর করবে। কৃষি মন্ত্রীর বক্তব্যেই সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে।

তোমরের ওই মন্তব্য নিয়ে আসরে ঝাঁপিয়ে পড়তে দেরি করেনি কংগ্রেস। কংগ্রেসের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়, আগামী বছরের শুরুতে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন মিটে গেলেই সংশোধনী-সহ নতুন করে তিন কৃষি আইন কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে মোদী সরকারের।

কংগ্রেস-সহ বিরোধী শিবিরের রাজনৈতিক চাপ তো ছিলই পাশাপাশি বিভিন্ন কৃষক সংগঠনও নতুন করে মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সক্রিয় হয়ে ওঠে। এই খবর কেন্দ্রীয় কৃষি মন্ত্রীর কানে পৌঁছতেই ডিগবাজি খেলেন মন্ত্রী।

বক্তব্য থেকে সরে এসে মন্ত্রী বললেন, কৃষি আইন নিয়ে আমি এ ধরনের কোনও কথাই বলিনি। কৃষি আইন ফের সামনে আনা হবে, এটা তো একটা কল্পনা। আমি বলেছিলাম, সরকার স্বাধীনতার পর একটা বড়সড় পদক্ষেপ করেছিল। কৃষি ব্যবস্থায় একটা সংস্কার আনতে চেয়েছিল সরকার। কিন্তু ওই আইন যে যথেষ্ট ভাল ছিল সেটা আমরা সকলকে বোঝাতে পারিনি। বিশেষ করে যাদের কল্যাণ ও উন্নয়নের জন্য এই আইন তাদেরকেই আমরা বোঝাতে ব্যর্থ হয়েছি। ব্যর্থতার কারণেই আমরা ওই আইন ফিরিয়ে নিয়েছি। কিন্তু সংবাদমাধ্যম আমার এই মন্তব্যকে বিকৃত করেছে।

তোমরের কৃষি আইন ফের সামনে আনার মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা করেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। তিনি বলেছিলেন, মোদি সরকার কৃষকদের অসম্মান করছে।

তিন কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে দীর্ঘ এক বছরেরও বেশি সময় ধরে আন্দোলন করছিল কৃষক সংগঠনগুলি। আন্দোলনের চাপে পড়ে গুরু নানকের জন্মদিনে প্রধানমন্ত্রী এই তিন আইন বাতিল করার কথা ঘোষণা করেন। সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে কৃষি আইন প্রত্যাহার বিল পাশ করে সাংবিধানিকভাবেই আইন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।

আইন প্রত্যাহারের পরেও কৃষিমন্ত্রী তোমরের ওই মন্তব্য জল্পনা উস্কে দেয় যে, পাঞ্জাব ও উত্তরপ্রদেশ-সহ বিভিন্ন রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন মিটে গেলেই মোদী সরকার তিন কৃষি আইন সামনে আনতে পারে। ঘরে-বাইরে চাপের মুখে পড়ে শেষ পর্যন্ত তোমর তাঁর বক্তব্য প্রত্যাহার করলেন।