Bangldesh: জ্বালানি তেলে আগুন, পরিবহণ ধর্মঘটে অচল বাংলাদেশ

fuel price hike in bangladesh

News Desk : জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর প্রতিবাদে টানা দু দিল বাংদেশ অচল। শুক্রবার থেকে চলছে পরিবহণ ধর্মঘট। রাস্তায় নেউ বেসরকারি বাস, মিনিবাস, ট্রাক। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। রাস্তায় রাস্তায় দেখা যাচ্ছে বহু মানুষ হেঁটেই যাচ্ছেন।

ঢাকার প্রতিটি বাস স্টপেজে দেখা গেছে গাড়ির জন্য অপেক্ষমায় থাকা যাত্রীদের ভিড়। তবে সবচেয়ে বেশি দুর্ভোগের শিকার পরীক্ষা দিতে আসা পরীক্ষার্থীরা। ঢাকার সবকটি বাসস্ট্যান্ড বা গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে গাবতলী, মিরপুর ও মহাখালী বাস টার্মিনালে গণপরিবহণের অমিল। ধর্মঘট অমান্য করে যে কয়েকটি গাড়ি চলছে তাতে যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় রয়েছে। 

জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি নিয়ে মালিক-শ্রমিকদের সঙ্গে রবিবার বৈঠকে বসছে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ)। ভাড়া বাড়ানোর ঘোষণা না হলে ধর্মঘট চলবে বলেই সরকারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছে বেসরকারি পরিবহণ সংস্থাগুলি। যদিও সরকারের তরফ থেকে শুক্রবার পরিবহণ ধর্মঘট প্রত্যাহারের আহ্বান জানানো হয়েছে। ওই আহ্বানে সাড়া না দিয়ে ধর্মঘট অব্যাহত।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহণ মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার এনায়েত উল্যাহ বলেন, জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানোর বিষয়টি সমাধানে বিআরটিএকে চিঠি দিয়েছিলাম। বৃহস্পতিবারই এর সমাধান করলে এই অবস্থার সৃষ্টি হতো না। তারা দীর্ঘসূত্রতা করেছে। এ কারণে ভোগান্তি হচ্ছে। এর দায় মালিকদের নয়। তবুও অনিচ্ছাকৃত এ ভোগান্তির জন্য আমরা দুঃখিত

Subrata Mukherjee: যে কথা শেষ হয়নি! মমতাকে নিয়ে আত্মজীবনীতে কী লিখেছেন সুব্রত?

Subrata Mukherjee

News Desk, Kolkata: বইটার নাম জানে না কেউ, হয়ত পারিবারিক সৌজন্যে এই আত্মজীবনী প্রকাশ হতেও পারে। আবার দিনের আলো না দেখতেও পারে। আসলে যে প্রশ্নটা থেকেই গেল সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের (Subrata Mukherjee) প্রয়াণের পর, সেটি হলো তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে নিয়ে ‘অকপটে’ কী লিখেছেন?

আরও পড়ুন: নকশাল নেতা সরোজ দত্তর ‘মার্ডার’ দেখা উত্তমকুমারকে ফোন করলেন, কে তিনি?

সুব্রত-মমতার ‘রাজনৈতিক রসায়ন’ মোড় নিয়েছিল বাম জমামার শেষ কয়েক বছরে। কংগ্রেসের একদা যুবনেত্রী মমতার ‘গাইড’ পরে মমতাকেই ‘নেত্রী’ হিসেবে মেনে নিয়েছিলেন। ঘনিষ্ঠরা জানেন, মমতা কংগ্রেস ত্যাগের পর তার সম্পর্কে কী ভাবতেন সুব্রতবাবু। তবে অকপটে এও স্বীকার করেছেন, মমতার ডাকে লক্ষ মানুষ জড়ো হতে পারে। আমার ডাকে কেউ আসবে না। এর থেকে প্রমাণ হয় মমতার নেতৃত্ব কতটা শক্তিশালী।
বঙ্গবাসীর কাছে কৌতুহলের আরও এক পর্ব চর্চিত ‘নারদা মামলা’র সেই বিখ্যাত ভিডিও। এ নিয়েই সোজাসাপটা সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের আত্মবিশ্লেষণ কীরকম সেটিও অধরা থাকল।

Subrata Mukherjee
ইন্দিরা গান্ধীর সঙ্গে সুব্রত-প্রিয়

সুব্রতবাবুর অবর্তমানে সেই লেখার ‘এডিট’ হবে না তো, এমন আশঙ্কা করছেন অনেকেই। বিস্ফোরক বোঝাই খাতা উল্টোলেই রাজনৈতিক বিস্ফোরণ তো হবেই এমনই ধারণা বহু ডান-বাম নেতার। সুব্রতবাবু নিজেই অকপটে বলে গিয়েছেন ‘আমি সোজাসাপটা লোক। এর জন্য অনেক ক্ষতি হয়েছে।’

আরও পড়ুন: Subrata Mukherjee: হেফাজতে চারু মজুমদারে মৃত্যু, পুলিশমন্ত্রী ছিলেন সুব্রত

সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক জীবনের মার্কামারা ঘটনাগুলি দশকের পর দশক চর্চিত। ‘নকশাল নেতা সরোজ দত্ত মার্ডার’ হোক বা বন্দি চারু মজুমদারের মৃত্যু বিতর্ক, রয়েছে জরুরি অবস্থায় মন্ত্রী হিসেবে রবীন্দ্রনাথের কবিতা না ছাপানোর মতো সিদ্ধান্ত। পরে তা স্বীকার করেন। কিন্তু জরুরি অবস্থা জারির প্রেক্ষাপটকে সম্পূর্ণ সমর্থন করেন বলেও জানিয়েছিলেন।

Subrata Mukherjee

এসবের পর আসছে টানা বাম জমানায় তৎকালীন সরকারের সঙ্গে সৌহার্দ্যমূলক ব্যবস্থা রাখার কৌশলে ‘তরমুজ’ আখ্যা পাওয়া আর বঙ্গ কংগ্রেসের অভ্যন্তরের কথা। কিছু ইঙ্গিত দি়য়ে ছিলেন আশি- নব্বই দশকে প্রদেশ কংগ্রেসের জটিল গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব তাঁর কলমের ডগায় এসেছে। তেমনই কংগ্রেস ভেঙে তৃণমূল কংগ্রেস তৈরির পরের অবস্থা ও বিশ্লেষণ, ব্যক্তিগত মুহূর্ত সবই এসেছে পরপর। এক সংবাদ মাধ্যমে সুব্রতবাবুর সরাসরি জবাব ছিল, এত মালমশলা আছে যে …!

সুব্রতবাবু সোজাসাপটা থাকতে ভালোবাসেন বলেই জানিয়েছিলেন। বলেছিলেন অনেক কথা সরাসরি বললে যে অনেকের বিরাগভাজন হতে হবে। তবে আমি লিখছি।

<

p style=”text-align: justify;”>কী লিখে গিয়েছেন মুনমুন সেনের এই ‘নায়ক বন্ধু’? কেউ জানে না। কেমন রাজনৈতিক বিশ্লেষণ করেছেন কংগ্রেস যুবনেত্রী মমতা থেকে নিজ নেত্রী মুখ্যমন্ত্রী মমতার? অজানা। সিনিয়র ‘সুব্রতদা’ আর জুনিয়র মমতা-কে কীভাবে ডাকতেন একে অপরকে? এ নিয়েও চরম কৌতূহল রয়েছে। শুধু সবার অগোচরে থাকা আত্মজীবনীটা নীরবে বিস্ফোরণের অপেক্ষা করছে।

Covid 19: এশিয়া ও ইউরোপের ৫৩টি দেশকে করোনা সতর্কতা দিল হু

covid-19-who-alert-on-europe-and-asia

News Desk: করোনা (coronavirus) মহামারি এখনও শেষ হয়ে যায়নি বরং ভাইরাস নতুন করে আঘাত হানার জন্য প্রস্তুতি শুরু করেছে। এভাবেই এশিয়া ও ইউরোপে সতর্কতা দিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)। 

হু জানাচ্ছে,গত বছর যে সময় করোনার (coronavirus) দ্বিতীয় ঢেউ গোটা বিশ্বে আছড়ে পড়েছিল, ঠিক তেমনই এক সময়ের সামনে এসে দাঁড়িয়ে আছি। বিশেষ করে ইউরোপ (europe) ও এশিয়ার (asia) কমপক্ষে ৫৩ টি দেশ এক ভয়াবহ সন্ধিক্ষণে এসে দাঁড়িয়েছে। এই দেশগুলিতে করোনাভাইরাস যে কোন সময় মহামারীর রূপ নিতে পারে।

শুক্রবার বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ইউরোপের ডিরেক্টর হ্যান্স ক্রুজ (Hans cruz) বলেন, এই মুহূর্তে ইউরোপ এবং এশিয়ার ৫৩টি দেশে সংক্রমণের হার অত্যন্ত উদ্বেগজনক। ওই সমস্ত দেশগুলির বাস্তব পরিস্থিতি বিচার করে আশঙ্কা করা হচ্ছে, ২০২২-এর ফেব্রুয়ারির মধ্যে আরও অন্তত পাঁচ লক্ষ মানুষ করোনায় প্রাণ হারাতে পারেন। করোনার নতুন স্ট্রেন যেভাবে সংক্রমণ ছড়াচ্ছে তা অত্যন্ত ভয়াবহ। এই গতিতে সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়তে থাকলে কয়েক মাসের মধ্যেই নতুন করে ভয়াবহ আকার ধারণ করবে করোনা।

ক্রুজ আরও বলেন গোটা বিশ্ব এক ভয়াবহ সন্ধিক্ষণের সামনে এসে দাঁড়িয়েছে। অনেক দেশেই সংক্রমণের হার ফের রেকর্ড স্তরে পৌঁছেছে। এই অবস্থা থেকে বাঁচতে হলে ইউরোপের একাধিক দেশকে আরও অনেক সতর্ক হতে হবে। হতে হবে পরিশ্রমী। একই কথা প্রযোজ্য এশিয়ার কয়েকটি দেশের ক্ষেত্রেও। এশিয়া ও ইউরোপের ওই সব দেশ যদি সংক্রমণে রোধে অবিলম্বে উপযুক্ত ব্যবস্থা না নেয় তবে সভ্যতা এক চরম বিপদের সামনে গিয়ে পৌঁছবে।

হু-র এই আশঙ্কা যে আদৌ অমূলক নয়, ইতিমধ্যেই তার প্রমাণ মিলেছে। রাশিয়া-সহ একাধিক দেশে সংক্রমণ হু হু করে বাড়ছে। এই অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে নিষেধাজ্ঞা মেনে চলাই একমাত্র পথ। মানুষ যদি সেই নিষেধাজ্ঞা না মানে তবে নিজেরাই নিজেদের বিপদ ডেকে আনবে।

ইউরোপ ও আমেরিকায় শীত আসছে। এই শীতে সংক্রমণ আরও দ্রুত ছড়ায়। তাই মানুষকেও আরও অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হবে। অন্যথায় করোনা মানুষের জীবনে এক দুর্বিষহ অভিশাপ হিসেবে দেখা দেবে।

সরকার চলতে পারলে কৃষক আন্দোলনও পাঁচ বছর চলবে: টিকায়েত

Rakesh Tikayet

News Desk: কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদি ( modi) সরকার যদি পাঁচ বছর চলতে পারে তবে কৃষক আন্দোলনও পাঁচ বছর চলবে। তাৎপর্যপূর্ণ এই মন্তব্য করলেন কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েত (rakesh tikayat)। নরেন্দ্র মোদি সরকারের তৈরি তিন কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে ২০২০ সালের ২৬ নভেম্বর থেকে তিনটি জায়গায় বিক্ষোভ দেখাচ্ছে সংযুক্ত কিষান মোর্চা। দিল্লি হরিয়ানা (delhi hariyana) সীমান্তবর্তী গাজীপুর, সিংঘু এবং টিকরি এই তিন জায়গায় প্রায় এক বছর ধরে চলছে কৃষক আন্দোলন।

এই কৃষি আইন বাতিলের দাবিতে আন্দোলনরত কৃষকদের সঙ্গে মোদি সরকার শেষবার আলোচনায় বসে ছিল চলতি বছরের ২২ জানুয়ারি। কিন্তু ওই আলোচনায় কোনও সমাধানসূত্র মেলেনি। তারপর প্রায় ১০ মাস গড়িয়ে গিয়েছে। মোদি সরকার কৃষকদের সঙ্গে আর কোনও রকম আলোচনায় বসেনি। এরই মধ্যে সংযুক্ত কিষান মোর্চা মোদি সরকারকে ২৬ নভেম্বর পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে। ওই দিনই কৃষক আন্দোলনের এক বছর পূর্ণ হবে। সংযুক্ত কিষান মোর্চা মোদি সরকারকে স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, ২৬ নভেম্বরের মধ্যে তিন কৃষি আইন নিয়ে উপযুক্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া না হলে সরকার দেখবে কৃষকদের শক্তি কত।

কিষান মোর্চার ওই হুমকির পরেও মোদি সরকারের টনক নড়েনি। এই প্রেক্ষিতে টিকায়েতের কাছে জানতে চাওয়া হয়, সরকার তো তাদের সঙ্গে কোনও কথাই বলছে না। তাহলে তাঁদের এই আন্দোলন কত দিন চলবে? এই প্রশ্নের উত্তরে টিকায়েত বলেন, কেন্দ্রের মোদি সরকার যদি পাঁচ বছর চলতে পারে তবে তাদের এই আন্দোলনও পাঁচ বছর চলবে।

অন্যদিকে রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই তিন কৃষি আইন নিয়ে খুব সম্ভবত মোদি সরকার শীঘ্রই কৃষকদের সঙ্গে আলোচনায় বসতে পারে। কারণ দেশের বিভিন্ন রাজ্যের ২৯টি বিধানসভা ও ৩টি লোকসভা আসনে অত্যন্ত হতাশজনক ফল করেছে বিজেপি। আগামী বছরের গোড়াতেই আরও পাঁচ রাজ্যে নির্বাচন রয়েছে। যার মধ্যে বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ হল উত্তরপ্রদেশ। এই নির্বাচনের কথা মাথায় রেখেই মোদি সরকার কৃষি আইন নিয়ে কৃষকদের সঙ্গে হয়তো একটা সমঝোতা করবে।

কারণ সম্প্রতি হওয়া বিভিন্ন রাজ্যের উপনির্বাচনে কৃষি আইন নিয়ে মানুষের ক্ষোভ উপচে পড়েছে ভোটের বাক্সে। যার ফলশ্রুতিতে বিজেপিকে ধরাশায়ী হতে হয়েছে।

Covid 19 : ইউরোপে ফের করোনা মহামারির আশঙ্কা করছে হু

modi-mask

News Desk: ইউরোপ আবারও করোনাভাইরাস মহামারির কেন্দ্র হতে পারে বলে সতর্ক করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (WHO) বা হু। ইউরোপ জুড়ে সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে এমন আশঙ্কা করা হয়েছে। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর।

সাংবাদিক সম্মেলনে হু ইউরোপ বিষয়ক প্রধান হ্যান্স ক্লুজ জানান, আসন্ন ফেব্রুয়ারির মধ্যে ইউরোপে আরও ৫ লক্ষ মানুষের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে। তিনি বলেন বিভিন্ন দেশে টিকার ব্যবহার সমান নয়। হ্যান্স ক্লুজ বলেছেন, করোনা সংক্রমণ রোধে অবশ্যই কৌশল পরিবর্তন করতে হবে।

বিবিসি জানাচ্ছে, সাম্প্রতিক মাসগুলোতে ইউরোপ জুড়ে টিকা দেওয়ার হারে গতি কমেছে। অবশ্য স্পেনের প্রায় ৮০ শতাংশ মানুষকে ২ ডোজ টিকা দেওয়া হয়েছে। ফ্রান্স ও জার্মানিতে এই সংখ্যা যথাক্রমে ৬৮ ও ৬৬ শতাংশ। তবে মধ্য ও পূর্ব ইউরোপের দেশে এ হার এখনো অনেক কম।

হু জানাচ্ছে, গত চার সপ্তাহে ইউরোপ জুড়ে ৫৫ শতাংশ সংক্রমণ বেড়েছে। পর্যাপ্ত টিকা ও করোনাভাইরাসের চিকিৎসাসামগ্রী থাকা সত্ত্বেও এমন পরিস্থিতি দেখা দিয়েছে।

আন্তর্জাতিক বিভিন্ন সংবাদ সংস্থা জানাচ্ছে, রাশিয়ার করোনা সংত্রমণের গতি চিন্তার। তবে রুশ সরকার প্রয়োজনী পদক্ষেপ নিয়েছে।

বিশেষজ্ঞদের অভিযোগ, ধনী দেশগুলি যে পরিমাণ টিকা কিনে মজুত করেছে তাতে অনেক গরিব দেশ পর্যাপ্ত টিকা পায়নি। টিকা গ্রহীতার করোনা সংক্রমণে মৃত্যুর আশঙ্কা খুবই কম। কিন্তু ইউরোপের কিছু অংশে টিকা নেওয়ার হার তেমন উল্লেখযোগ্য নয়। একইভাবে আফ্রিকার বিভিন্ন দেশেও টিকা বিহীন মানুষের সংখ্যা বেশি

Subrata Mukherjee: জরুরি অবস্থা, সিদ্ধার্থ থেকে মমতা মন্ত্রিসভার বর্ণময় সুব্রত মুখোপাধ্যায়

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: রাজ্যে বাম জমানার পতনের পর যখন তৃণমূল কংগ্রেসের সরকার মহাকরণে ঢুকছে, তখন প্রায় অনুচ্চারিত একটি নজির গড়েছিলেন সুব্রত মুখোপাধ্যায়। তিনিই মু়খ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্ত্রিসভার একমাত্র সদস্য যাঁর রাজ্যে মন্ত্রীত্ব করার পূর্বঅভিজ্ঞতা ছিল। সেই অর্থে তিনি টিএমসি সরকারের একমাত্র মহাকরণ ঘোরা একজন। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন্দ্রীয় মন্ত্রীত্ব সামলেছেন আগে। কিন্তু রাজ্য সরকারের মন্ত্রীর অভিজ্ঞতা ছিল সুব্রতবাবুর।

বাম জমানার পতনের ঠিক আগে ১৯৭২-১৯৭৭ পর্যন্ত কংগ্রেসের সরকারের সুব্রতবাবু ছিলেন পুলিশ ও তথ্য দফতরের দায়িত্বে। মুখ্যমন্ত্রী ছিলেন সিদ্ধার্থ শংকর রায়।

প্রথম পাঁচ বছরের মন্ত্রিত্বই সুব্রতবাবুর রাজনৈতিক জীবনে সবথেকে আলোচিত। সেই সময়েই অর্থাৎ ১৯৭৫ সালে জারি হয়েছিল জরুরি অবস্থা। তথ্য বিভাগের দায়িত্বে থাকায় বহু ‘অপ্রিয়’ কাজ করতে হয়েছে সুব্রতবাবুকে। জরুরি অবস্থা বিরোধী যে কোনও সংবাদ কেটে দেওয়ার মতো ঘটনা রাজ্যে তাঁর দফতরেই হত। তিনি থাকতেন উপস্থিত। সে কথা পরবর্তী সময়ে স্বীকার করেছেন। বিশেষ করে ততকালীন বিরোধী দল সিপিআইএমের মু়খপত্র ‘গণশক্তি’ সংবাদ পরিবেশনায় সুব্রতবাবুর নজর থাকত প্রবল।

নিজেই জানিয়েছিলেন “গণশক্তির সরোজ মুখার্জি আমার কাছে এসেছিলেন। ওঁরা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের “চিত্ত যেথা ভয়শূন্য উচ্চ যেথা শির” ছাপতে চান। আমি সটান না করে দিয়েছিলাম। আমার মনে হয়েছিল দেশের যা অবস্থা তাতে ওই কবিতার অন্য অর্থ হবে। এটা আমি ঠিক করিনি৷ এখন ভাবলে খারাপ লাগে” 

জরুরি অবস্থার পরে ১৯৭৭ সালে রাজ্যে কংগ্রেস সরকারের পতন হয়। তৈরি হয়েছিল বামফ্রন্ট সরকার। এই দীর্ঘ চৌত্রিশ বছরের বাম জমানাতে বিরোধী কংগ্রেসের তিনমূর্তি ছিলেন প্রিয়-সোমেন-সুব্রত। আর নেই তাঁরা। সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের প্রয়াণে সেই অধ্যায় শেষ হয়ে গেল। তিনি এমন এক রাজনীতিক যিনি বিরোধী হোক বা সরকার সবপক্ষেই নিজ মহিমায় উজ্জ্বল।

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় টালমাটাল যুক্তফ্রন্ট সরকার ছিল এ রাজ্যে প্রথম অ-কংগ্রেসি সরকার। ১৯৬৭ ও ১৯৬৯ এই সময়ে দুটি যুক্তফ্রন্ট সরকারকে নড়িয়ে দেওয়ার যে ঘটনাবহুল ছক তৈরি হয়েছিল সেই সময়টিতে অর্থাৎ রাজনৈতিক ঝঞ্ঝাপূর্ণ বামপন্থী রাজনীতির উত্থান সময়ে কংগ্রেসি জাতীয়তাবাদী ঘরানার দক্ষিণপন্থী তরুন নেতাদের আকাল চলছিল। সেই আকালের বাজারে উদয় প্রিয়রঞ্জন দাসমুন্সি, সোমেন মিত্র ও সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের। তাবড় তাবড় বাম ও অতিবাম রাজনৈতিক নেতৃত্বের মাঝে কংগ্রেসি তিন মূর্তির প্রবল আত্মপ্রকাশ সেই যে শুরু হয়েছিল, দীর্ঘ চার দশক পেরিয়ে সুব্রতবাবু ছিলেন সেই জাতীয়তাবাদী ঘরানার সর্বশেষ প্রতিনিধি।

রাজনৈতিক জীবনে প্রথম মাইলফলকটি অবশ্যই ছিল, ১৯৭২ সালের বিতর্কিত নির্বাচনে রাজ্যে ফের কংগ্রেসের ক্ষমতা দখলে সুব্রতবাবুর মন্ত্রী হওয়া। মুখ্যমন্ত্রী সিদ্ধার্থ শংকর রায়ের সঙ্গে মহাকরণ ও বিধানসভায় ঢুকলেন পুলিশ ও তথ্য দফতরের মন্ত্রী হয়ে। তারপর কংগ্রেস ভেঙে মমতার তৃণমূল কংগ্রেস তৈরি সুব্রত মুখোপাধ্যায়ের পরপর দলত্যাগ ফের ফিরে আসা এরকমই চলেছে। একপর্যায়ে মমতাকে নেত্রী বলে মেনেও নিয়েছেন। তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের মন্ত্রী হয়েছেন।

সিদ্ধার্থশংকর থেকে শুরু মাঝে জ্যোতি বসু-বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের মুখ্যমন্ত্রীতে বিরোধী পক্ষে আর সর্বশেষ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মু়খ্যমন্ত্রীত্বে মন্ত্রিসভাতেই রাজনৈতিক জীবন কাটল। পুরো রাজনৈতিক জীবনে জরুরি অবস্থার মতো সবথেকে বিতর্কিত ঘটনাটি পরে হেসে উড়িয়েছেন। সুব্রতবাবু এমনই। সেটা সবপক্ষই স্বীকার করে নিয়েছেন।

Bangladesh: দীপাবলিতে মুখোশ মিছিল, সাম্প্রদায়িক হামলার প্রতিবাদ বাংলাদেশে

News Desk: দুর্গাপুজায় সাম্প্রদায়িক হামলার জেরে বাংলাদেশ হয়েছিল তীব্র উত্তপ্ত ও রক্তাক্ত। এর প্রতিবাদে কালীপূজা ও দীপাবলির অনুষ্ঠান পালনে আলোকময় পরিবেশ করা থেকে বিরত থাকতে বলেছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ। তবুও অনেকে দীপাবলিতে সামিল।

অন্যদিকে সাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ নয়, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশের দাবিতে অভিনব প্রতিবাদ হলো দিপাবলীর রাতে।

সাম্প্রদায়িক সন্ত্রাস রুখে দেয়ার প্রত্যয় নিয়ে দীপাবলি ও কালীপূজার দিনে মুখোশ মিছিল করেছে বাংলাদেশ হিন্দু আইন পরিষদ। মিছিল থেকে হামলাকারীদের আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের মাধ্যমে বিচারের আওতায় আনার আহ্বান জানিয়েছেন সংগঠনের নেতারা।

অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে করা এই মিছিলের সাথে অন্য ধর্মাবলম্বী গোষ্ঠী থেকেও একাত্মতা প্রকাশ করতে দেখা যায়৷

Bihar: নিষিদ্ধ করেও রক্ষে নেই, বিহারে বিষাক্ত মদ গিলে পরপর মৃত্যু

Bihar hooch tragedy

News Desk: বিহারে (Bihar)’শরাববন্দি’ বা মদ নিষিদ্ধ। মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের এই কড়া নিয়মে সরাসরি মদ বিক্রি বন্ধ হলেও চোরাপথে চলছে লেনদেন। এমনই অভিযোগ রয়েছে বিস্তর। দীপাবলির আনন্দে এবার বিষাক্ত মদ গিলে পরপর মৃত্যু হতে শুরু করেছে।

বিষাক্ত মদ পান করে বিহারে গত ২৪ ঘন্টায় ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। আরও অনেকে অসুস্থ। মৃতরা বেশিরভাগ গোপালগঞ্জ ও বেতিয়া জেলার বাসিন্দা। অন্যান্য জেলা থেকে়ও আসছে মৃত্যুর সংবাদ।

এই ঘটনায় রাজ্য সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমারের. (Nitish Kumar) কড়া সমালোচনা করেছে বিরোধী রাষ্ট্রীয় জনতা দল। আরজেডি (RJD) নেতা মনোজ ঝা বলেছেন, এটাই কড়া সত্যি যে রাজ্যে বিষ মদ পান করে মৃত্যু হচ্ছে।

বিহারে মদ কেনাবেচা নিষিদ্ধ করে মু়খ্যমন্ত্রী নীতীশ কুমার দেশজুড়ে প্রবল আলোচিত হয়েছেন। তবে এও অভিযোগ, প্রতিবেশি পশ্চিমবঙ্গ, ঝাড়খণ্ড, উত্তর প্রদেশ আন্তর্জাতিক সীমান্তের ওপারে নেপাল থেকে অবৈধভাবে মদ কেনা বেচা হয়। সীমান্তবর্তী জেলাগুলির বাসিন্দারা রাজ্য পেরিয়ে বাইরে গিয়ে মদ পান করে। এদিকে দিওয়ালি উৎসবে মদের চাহিদা প্রবল। কিন্তু সরকারি নিয়মে মদ বিক্রি বন্ধ। ফলে বেআইনি মদ বিক্রি চলছে।

গোপালগঞ্জ ও বেতিয়া জেলার গ্রামাঞ্চলে বেআইনি মদের ভাটিতে দেদার ভিড়। সেখানে যারা মদ খেয়েছেন অনেকেই বিষক্রিয়ায় আক্রান্ত। অসুস্থ হয়ে পড়ছেন।

সাইকেলে চড়ে ‘চাঁদে’ পৌঁছে গিয়েছিলেন রামচন্দ্র!

ramchandra

News Desk:  ‘এই ছোট্ট ছোট্ট পায়ে চলতে চলতে ঠিক পৌঁছে যাব। ওই চাঁদের পাহাড় ঠিক দেখতে পাব’। সিনেমায় দুই বালক চাঁদের পাহাড়ে পৌঁছনোর স্বপ্ন দেখেছিল।বিভূতিভূষণ তাঁর গল্পে শঙ্করকে চাঁদের পাহাড় পাঠিয়েছিলেন। কিন্তু যদি বলি এক বাঙালি সাইকেল নিয়ে চাঁদে পৌঁছে গিয়েছিলেন। না, খুব একটা ভুল হবে না। সত্যিই তো তিনি সাইকেলে চড়ে পৃথিবী থেকে চাঁদের দূরত্বের সমান পথ ঘুরেছিলেন।

উত্তরপাড়ার রামচন্দ্র বিশ্বাস (Ramchandra Biswas)। ২৯ বছর ধরে সাইকেলেই ঘুরেছেন গোটা পৃথিবী। আর্জেন্টিনার বহু বাড়িতে তিনি রবীন্দ্রনাথের ছবি দেখেছেন, পেরুতে দেখেছেন হিন্দি সিনেমা চলতে। ১৯৮২ সাল, ২১শে এপ্রিল। মফস্‌সল উত্তরপাড়ার দুই দামাল ছেলে, রামচন্দ্র বিশ্বাস ও সোমনাথ মুখার্জি ঠিক করলেন সাইকেলে ঘুরতে যাবেন লম্বা কোথাও।

সোমনাথবাবুর মতে তা ইন্ডিয়া ট্যুর হলেও রামচন্দ্র বিশ্বাস জানান তিনি ওয়ার্ল্ড ট্যুরে যেতে ইচ্ছুক। হাতে টাকা নেই, পোস্ট অফিসের সামান্য চাকরি, পৃথিবী ঘুরে বেড়ানো সম্পর্কে কোনও ধারণাও নেই, নেই পাসপোর্ট, ভালো সাইকেল কিচ্ছু নেই। কেবল অদম্য ইচ্ছে রয়েছে তাঁদের। আর সেই ইচ্ছের জোরেই ভাগ্যও ছুটে আসে সঙ্গ দিতে। নির্বিঘ্নে মিটতে থাকে সমস্ত সরকারি কাজ। ততকালীন অর্থমন্ত্রীর সাহায্যে সমস্ত কাগজপত্র তৈরি হয়ে যায়, হাতে পান ৫,০০০ টাকা। এই নিয়েই ২১ এপ্রিল ১৯৮২ উত্তরপাড়া থেকে রওনা হন রামচন্দ্র, ওরফে সকলের প্রিয় ঝুনু।

ramchandra

১৯৮৬ সালে আফ্রিকায় থাকাকালীন দুই বন্ধুতে মিলে ম্যাজিক দেখিয়ে টাকা রোজকার করতেন শহরে শহরে। ঝুনু জাগলিং করতেন আর অন্যজন বাজাতেন ভায়োলিন। এরপর বিসাও নামক একটি শহরে সেট্‌ল করে যান তাঁর সঙ্গী। সালটা ১৯৮৬। যদিও ঝুনু জানতেন না তাঁর বন্ধু সিদ্ধান্ত নিয়ে নিয়েছেন থেকে যাওয়ার। সেনেগালে পৌঁছে সঙ্গীর জন্য প্রায় একমাস অপেক্ষা করেন তিনি। সঙ্গী না আসায় তিনি বুঝতে পারেন বাকিটা পথ ওঁর একারই।

ভাষার সমস্যাও কেটে যেতে থাকে ধীরে ধীরে। সাইন ল্যাঙ্গুয়েজে কথা বলা রপ্ত করে ফেলেন তিনি। ভাঙা ভাঙা স্থানীয় ভাষাগুলিও শিখে নেন অল্প সময়ে। আফ্রিকার (Africa) বহু দেশে তখন গৃহযুদ্ধ চলছে। একটা করে সীমানা পেরিয়ে ঢোকার সঙ্গে সঙ্গে একটা করে বাধা। মানুষ তাঁকে আমেরিকার গুপ্তচর ভেবে বসছে। একমাত্র বিশ্বাস করছে বাচ্চারা। রামচন্দ্রবাবু জানান, তাঁর শেখা দশটা ভাষার দশটাই তিনি শিখেছেন বাচ্চাদের মুখ থেকে, তাদের সান্নিধ্যে।

আর্জেন্টিনার (Argentina) বহু বাড়িতে তিনি রবীন্দ্রনাথের ছবি দেখেছেন, পেরুতে (Peru) দেখেছেন হিন্দি সিনেমা চলতে। ২৪ ঘণ্টা দিন পেয়েছেন যাত্রাপথে, অরোরা বোরিয়ালিসও দেখেছেন চোখের সামনে। বহু উপজাতির মানুষের দেখা পেয়েছেন, তাঁদের সঙ্গে মিশেছেন এই রঙিন মানুষটি। তাঁর পাসপোর্টের দৈর্ঘ্য ১৩৯ ফুট। দু’হাতে ঝুলিয়ে সেটি এক নির্মল হাসি হেসে আমাদের জানান তিনি ফাইভস্টার হোটেলের থেকে তাঁবুতে বেশি স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। নিজের পাঁচ লক্ষ স্মারক কোনও সরকারি বা বেসরকারি সংগ্রহশালার দায়িত্বে দিতে চান বলেও জানিয়েছেন তিনি।

২৯ বছরের যাত্রাপথে চাঁদে গিয়ে ফিরে আসার সমান সাইকেল চালিয়েছেন ঝুনু। সারা পৃথিবীর মানুষের সান্নিধ্যে ঝুনু দেখেছেন উদারতা, অপরিচিত মানুষও তাঁর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন অসময়ে। কিন্তু ২৯ বছর পর ফিরে নিজের পরিবার নিয়ে খুব একটা খুশি হতে পারেননি তিনি। সময়টা পেরিয়ে যাওয়ায় আরও অনেক কিছুর সঙ্গেই নিজেকে খাপ খাওয়াতে বেশ অসুবিধা হয়েছে তাঁর।

<

p style=”text-align: justify;”>২৯ বছরে বেশ কিছু অবক্ষয় হয়ে গেছে সমাজেরও। এই জটিলতা বারংবার কষ্ট দিয়েছে তাঁকে। ব্যানার্জি পাড়ার ওই লম্বা বাড়ির দোতলার করিডরে উঠে পড়লে মনে হবে কোনও মিউজিয়ামেই এসে গেছেন বোধহয়। অথচ আপনাকে যত্ন নিয়ে এক শিশুর মতো উৎসাহে ঝুনু তাঁর প্রতিটা জিনিস দেখাবেন ধৈর্য্য ধরে। হয়তো মফস্‌সল বলেই আজও আড়ালে বাঁচেন রামচন্দ্র বিশ্বাস। উত্তরপাড়ার এই ক্রমবর্ধমান লাখ খানেক জনসংখ্যারই বা ক’জন খোঁজ রাখেন এই রঙিন আত্মাটির!

UP: বিধানসভা নির্বাচনের আগে চড়া হিন্দুত্বের তাস খেললেন যোগী

yogi adityanath

News Desk: আগামী বছরের শুরুতেই উত্তর প্রদেশ (Uttar Pradesh) বিধানসভা নির্বাচন। রাজ্যে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি (BJP)। যোগী আদিত্যনাথের সরকার উত্তরপ্রদেশে উন্নয়নে সর্বতোভাবে ব্যর্থ। এই অবস্থায় পুনরায় গোবলয়ের বৃহত্তম রাজ্যের ক্ষমতায় ফিরতে চড়া মেরুকরণকেই হাতিয়ার করতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী। বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে তাই চড়া হিন্দুত্বের তাস খেললেন মুখ্যমন্ত্রী।

অযোধ্যায় এক অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগের সরকার এখানে সরকারি টাকা শুধু কবরস্থানের পিছনে খরচ করত। কিন্তু এখন সরকারি টাকা খরচ হয় মন্দির তৈরি এবং মন্দিরের উন্নয়নের কাজে। আগের সরকারের সঙ্গে বর্তমান সরকারের এটাই চিন্তাভাবনার ফারাক।

যোগী এদিন সরাসরি হিন্দু-মুসলিম শব্দ উচ্চারণ না করলেও তাঁর বক্তব্যে এটা পরিষ্কার যে, সংখ্যালঘুদের ধর্মীয় কাজে কোনও রকম অর্থ ব্যয় করা হবে না। যাবতীয় অর্থ খরচ করা হবে সংখ্যাগুরু হিন্দুদের জন্য। যোগী বলেন, আগের সরকার শুধুমাত্র সামান্য কিছু মানুষের কথাই ভাবত। তাই তারা টাকা খরচ করত কবরস্থানের জন্য। কিন্তু বর্তমান সরকার মন্দিরের কথা চিন্তা করে। দেশের সংস্কৃতি, সুপ্রাচীন ঐতিহ্য, ধর্মের কথা চিন্তা করে। সেজন্যই তারা মানুষের টাকা মন্দির তৈরিতে এবং উন্নয়নের কাজে খরচ করে।

চড়া হিন্দুত্বের তাস খেলতে গিয়ে যোগী আরও বলেন, আজ থেকে ৩০ বছর আগে এদেশে করসেবা করলে গুলি চালানো হত। কিন্তু আগামী দিনে করসেবা করা হলে গুলি চলবে না। বরং পুষ্পবৃষ্টি করা হবে। আগের সরকারের সঙ্গে বর্তমান সরকারের তো এটাই তফাৎ। মুখ্যমন্ত্রী এদিন তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট বুঝিয়েছেন, উত্তরপ্রদেশে বিজেপি তথা যোগী আদিত্যনাথ ক্ষমতায় থাকলে সংখ্যাগুরু হিন্দুদের সব ধরনের ধর্মীয় রীতিনীতি আচার পালনের জন্য সরকারি অর্থ ব্যয় করা হবে। কিন্তু রাজনৈতিক মহলের প্রশ্ন, এভাবে সরকারি টাকা কি কোনও একটি নির্দিষ্ট ধর্মের জন্য ব্যবহার করা যায়? সরকারি টাকা কবরস্থানের পিছনে ব্যয় করা যদি অনৈতিক হয় তাহলে মন্দির ক্ষেত্রে ব্যবহার করাও তো একই দোষে দুষ্ট। তাহলে কিভাবে যোগী এ ধরনের কথা বললেন?

রাজনৈতিক মহলের বক্তব্য, উত্তরপ্রদেশকে উত্তমপ্রদেশ তৈরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতা দখল করেছিলেন যোগী। কিন্তু উত্তমপ্রদেশ নয়, উত্তরপ্রদেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি তাকে অধমপ্রদেশে পরিণত করেছে। যোগী স্পষ্ট বুঝতে পারছেন, কাজের নিরিখে ভোট চাইলে তাঁর মুখ পুড়বে। ক্ষমতায় ফেরা তো দূরের কথা, মুখ লুকনোর জায়গাও পাবেন না তিনি। সে কারণে ২০২৪-এর লোকসভা ভোটের আগে গোবলয়ের এই বৃহত্তম রাজ্যে ক্ষমতা ধরে রাখতে ধর্মকেই হাতিয়ার করেছেন যোগী। মেরুকরণকেই ভোটে জেতার অস্ত্র বলে মনে করছেন তিনি। তবে এরপরেও যোগী শেষ হাসি হাসতে পারবেন কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

Secret File : টার্গেট ১০০০ পরমাণু বোমা, চিনা ধমাকায় বিশ্বে উদ্বেগ

china- weapons-target-of-1000-nuclear-bombs

News Desk: টার্গেট ১০০০টি পরমাণু বোমা তৈরি করা। আগামী ৯ বছরের মধ্যে এই বিপুল পরমাণু অস্ত্রভাণ্ডার তৈরি করে নেবে চিন। এমনই রিপোর্ট দিয়েছে মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগ। পেন্টাগনের রিপোর্টে বলা হয়েছে ২০৩০ সালকে ডেডলাইন ধরে নিয়েই দিনরাত এক করে দিয়েছেন চিনের পরমাণু বিশেষজ্ঞরা।

মার্কিন প্রতিরক্ষা বিভাগের ধারণা, কমবেশি ৪০০টি পারমাণিক অস্ত্র সম্পূর্ণ তৈরির পথে চিন সরকার। তবে বাকি অস্ত্র তৈরিতে ২০৩০ সাল পর্যন্ত লাগবে।

ওয়াশিংটনের রিপোর্ট বলছে, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের পরমাণু অস্ত্র ভাণ্ডারের সমতুল্য হতে মরিয়া পদক্ষেপ নিয়েছে চিন। নির্দেশ অনুসারে কাজ চলছে। রিপোর্টে বলা হয়েছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মজুত বর্তমান পরমাণু অস্ত্রের সংখ্যা ৩৭০০টি। তাকে টপকে যেতেই মরিয়া হয়ে উঠেছে চিন।

চিনের এই পরমাণু কর্মসূচির কথা সামনে আসতেই আন্তর্জাতিক মহলে শোরগোল পড়েছে। তবে চিন যথারীতি পেন্টাগনের রিপোর্টের কোনও প্রতিক্রিয়া দেয়নি। চিনের তরফেও বারবার দাবি করা হয় বিপুল পরমাণু অস্ত্র তৈরি করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

তবে সাম্প্রতিক কিছু তথ্য প্রকাশ করে ওয়াশিংটন তাকে দাবি করা হয়, প্রাক্তন প্রেসিডেন্সি ট্রাম্পের নির্দেশে যে পরমাণু কর্মসূচি চলছিল তাতে আলগা দেওয়া হয়েছে। কমানো হচ্ছে পরমাণু বোমার সংখ্যা। রিপোর্ট মানতে চায়নি বহু দেশ।

Tripura: আসন্ন পুর নির্বাচনে ‘প্রবল সন্ত্রাসে’ অভিযুক্ত BJP, বিনা ভোটেই বিপুল জয়

cpim

News Desk: পশ্চিমবঙ্গে শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে উপনির্বাচনে লাগাতার রিগিং ও ভোট লুঠ, সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলছে বিরোধী দল বিজেপি। তারাই আবার ত্রিপুরায় শাসক দল হয়ে ভোট সন্ত্রাসে অভিযুক্ত। আসন্ন পুর ও স্থানীয় ভোটে শতাধিক আসনে কোনও প্রার্থী নেই প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএমের। অভিযোগ, সন্ত্রাস ছড়িয়ে মনোনয়ন জমা করতে দেয়নি বিজেপি।

পশ্চিমবঙ্গে গ্রামপঞ্চায়েত নির্বাচনের মনোনয়ন দাখিল ঘিরে ব্যাপক সন্ত্রাসে অভিযুক্ত হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের বিরুদ্ধে সরব বিজেপি ত্রিপুরায় ভয়াবহ সন্ত্রাস ছড়িয়েছে এমন অভিযোগে বারে বারে দেশ উত্তপ্ত হয়েছিল। প্রায় ৯৫ শতাংশ গ্রামভিত্তিক আসনে ভোট লুঠে অভিযুক্ত বিজেপি।

আসন্ন পুর নির্বাচনে ত্রিপুরায় নির্বাচনী সন্ত্রাসের অভিযোগ তুলেছে সিপিআইএম। অভিযোগ, উদয়পুর, বিশালগড়, কমলপুর, শান্তিরবাজার ও মোহনপুর পৌর পরিষদে কোনও ভোটই যাতে না হয় তার জন্য বাম প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দিতে দেওয়া হয়নি। একইভাবে জিরানিয়া ও রানিরবাজার নগর পঞ্চায়েতেও কোনও ভোট হবে না।

ত্রিপুরা নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানা দিয়েছে, আগরতলা পুরনিগম, ১৩টি পৌর পরিষদ ও ৬টি নগর পঞ্চায়েতের মোট ৩৩৪টি আসনে ভোট হবে। পুর নিগম বাদ দিলে, বিরোধী বাম শিবির, কংগ্রেস ও তৃণমূল কংগ্রেসের কোনওপক্ষই সম্পূর্ণ আসনে প্রার্থী দিতে পারেনি। ৭টি নগর সংস্থায় বিনা প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতা জিতে যাবে শাসক বিজেপি।

বিরোধী দল সিপিআইএমের অভিযোগ, ২০১৮ সালে রাজ্যে বিজেপি জোট সরকারে আসার পর যে সন্ত্রাস শুরু করেছে তার সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গে শাসক দল তৃ়ণমূল কংগ্রেস ও তাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নীতির পুরো মিল। তবে সব অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছে বিজেপি।

কালীপুজোর আবহে রাজ্যে আবির্ভাব নতুন নেতা ‘শকুন অধিকারী’!

Suvendu Adhikari, Kunal Ghosh

News Desk: বঙ্গ রাজনীতিতে বহু রাজনীতিকের বহু ব্যাঙ্গাত্মক নাম এসেছে। তাঁরা সবাই নিজ মহিমায় উজ্জ্বল। কেউ ‘কানা অতুল্য’, কেউ ‘খোঁড়া প্রফুল্ল’ কেউ ‘হরতাল দা’ এমনই সব নামের বাহার। বিধানসভা ভোটের প্রচারে আলোচিত নাম ছিল ‘বেগম’।

কিন্তু শকুন? এমনটা আগে শোনা যায়নি। প্রায় বিলুপ্ত এই পাখির তুলনায় অভিষিক্ত হয়েছেন খোদ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

উপনির্বাচনে বিজেপির চূড়ান্ত পরাজয়কে চরম কটাক্ষ করে তৃণমূল কংগ্রেস মুখপাত্র কুণাল ঘোষের প্রবল ব্যাঙ্গাত্মক টুইট রাজনৈতিক মহলে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। তিনি শকুন অধিকারী বলে শুভেন্দু অধিকারীকে চিহ্নিত করে আক্রমণ করেছেন।

উপনির্বাচনের আগে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলার প্রসঙ্গ টেনে শান্তিপুর কেন্দ্রের প্রচারে শুভেন্দুবাবুর একটি মন্তব্যের প্রেক্ষিতে কু়ণাল ঘোষ টুইটে লিখেছেন, “বাংলাদেশে যা হয়েছে, তাতে আমরা শান্তিপুরে অনেক বেশি ভোটে জিতব।” – শুভেন্দু অধিকারী। তা এখন শকুন অধিকারী কোথায়? ধর্ম বেচে ভোট করা কুলাঙ্গার, বেইমান, কাপুরুষ, দলবদলু, ভীতু, মেরুদন্ডহীন, ধান্দাবাজ, ষড়যন্ত্রী, নির্লজ্জ, গিরগিটি, সুবিধেবাদী, গদ্দারটা নীরব কেন? কৈফিয়ত দিক।”

<

p style=”text-align: justify;”>শুভেন্দু অধিকারীকে শকুন অধিকারীতে অাখ্যায়িত করেছেন কুণাল ঘোষ। এর পরেও নীরব বিরোধী দলনেতা। গুঞ্জন তিনি ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরছেন। বিধানসভায় ভোটে শুভেন্দুবাবু বারবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করে বেগম বলতেন।

BJP: তথাগতর টুইট মিসাইলের নিশানায় মোদী ও দিলীপ, বঙ্গ বিজেপিতে শোরগোল

Tathagata Roy

News Desk: ফের সরব তথাগত। দলের নেতাদের খোঁচা দিয়ে টুইট হামলা করলেন। এবার জোড়া হামলার লক্ষ্য প্রধানমন্ত্রী মোদী ও রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ।

তথাগত রায় টুইটে লিখেছেন, ‘সুর করে দিদি-দিদি ডাকায় যা ক্ষতি হয়েছে তার চেয়ে অনেক বেশি ক্ষতি হয়েছে মমতাকে বারমুডা পরতে বলায়,কারণ এর মধ্যে অশ্লীল ইঙ্গিত আছে। ’বারমুডা’ কথাটা বোধ হয় নতুন শেখা হয়েছিল। নিচু স্তরের মাস্তানির সুরে “পুঁতে দেব”, “শবদেহের লাইন লাগিয়ে দেব”, এই সব কথাতেও প্রভূত ক্ষতি হয়েছে।’

বিধানসভায় ভোটের প্রচারে এসে প্রধানমন্ত্রী মোদী প্রতি জনসভা থেকে ব্যাঙ্গাত্মক বাচনে দিদি ও দিদি বলে ডাকতেন। তাঁর লক্ষ্য ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। জনসভা থেকে মোদীর সেই ব্যাঙ্গাত্মক ভাষণ নির্বাচনী খোরাক হয়েছিল।

https://twitter.com/tathagata2/status/1455746776737075209?s=20

একের পর এক উপনির্বাচনে বিজেপির পরাজয় ও সর্বশেষ চার কেন্দ্রে হেরে যাওয়ার পর বঙ্গ বিজেপির অভ্যন্তর এখন আগ্নেয়গিরি। এই অবস্থায় তথাগত রায় ক্রমাগত হামলা শুরু করেছেন। মোদীর সেই সুর করে দিদি বলা তাঁর টুইটে সমালোচিত হয়েছে।
এর পরেই তিনি টেনে এনেছেন বারমুডা প্রসঙ্গ। বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারে ততকালীন বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ বারমুডা পরানোর কথা বলেছিলেন। তাঁর কটাক্ষের লক্ষ্য ছিলেন মমতা। টুইটে তথাগত রায় এই প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন।

<

p style=”text-align: justify;”>তথাগত রায়ের নিশানা যে মোদী পর্যন্ত তা ভেবেই শিহরিত রাজ্য বিজেপি। তবে টুইট বাণ চালিয়েই যাচ্ছেন তথাগত রায়।

Suvendu Adhikari: শুভেন্দু কি ফিরছেন মমতা শিবিরে? তীব্র জল্পনা

Suvendu Adhikari

News Desk: উপনির্বাচনে বিজেপির জামানত খুইয়ে দিশেহারা পরিস্থিতি। এক ডজন বিধায়ক দলত্যাগে প্রস্তুত। তারা সবাই তৃণমুল কংগ্রেসে ঢুকছেন বলেই রাজ্য সরগরম। এর মাঝে টিএমসি সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি ব্যাঙ্গাত্মক গান ও সংবাদ মাধ্যমের মন্তব্যের জেরে তীব্র গুঞ্জন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari) বিজেপি ত্যাগ করতে চলেছেন।

কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তাঁর মন্তব্যে শুভেন্দু অধিকারীকে ভাই বলে ডেকেছেন। তাঁকে ফিরে আসার বার্তা দিয়েছেন। এর পরেই গুঞ্জন শুভেন্দুবাবুর দলত্যাগ নিয়ে ছড়াতে শুরু করেছে। তবে শুভেন্দুবাবু নিরুত্তর।

বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীগ ঘোষের দাবি, দলে এমন অনেকেই আছে যারা চায় না রাজ্যে বিজেপির শক্তি বাড়ুক। তাদের তাড়ানোর প্রক্রিয়া শুরু হবে বলেই তিনি ইঙ্গিত দিয়েছেন।

বিধানসভা ভোটের আগে তৃণমূল কংগ্রেস ত্যাগ করে বিজেপিতে যোগ দেন শুভেন্দু অধিকারী ও তাঁর পিতা শিশির অধিকারী। পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন শুভেন্দু। যদিও টিএমসি বিপুল শক্তি নিয়ে সরকার গড়েছে। আর পরপর উপনির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবি হতে শুরু করেছে।

বিজেপি সরকার দখল করতে না পারায় বিধানসভা নির্বাচনের পর দলত্যাগের হিড়িক লেগেছে বিরোধী দলে। সম্প্রতি দলত্যাগ করেন রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়।আবার তৃণমূলে ফিরেছেন। রাজীব বলেছেন, বিজেপি দলটাই সাইনবোর্ড হয়ে যাবে।

BJP West Bengal: দীপাবলির আগেই দিলীপ ‘দোদমা’, জেলাস্তরে BJP ভাঙনের ইঙ্গিত

dilip ghosh

News Desk: দীপাবলিতে ডবল ধামাকা ! দিলীপ ঘোষ যিনি কার্যত রাজ্য সভাপতি না থেকেও ‘একই ভূমিকা নিয়ে চলেছেন’, পরপর বোমা ফাটাতে শুরু করলেন। চারটি আসনের উপনির্বাচনে বিজেপির তিন কেন্দ্রে জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। গতবারের জয়ী দুটি কেন্দ্রে হেরেছে বিজেপি। সবমিলে তথৈবচ পরিস্থিতি রাজ্যের বিরোধী দলে। গোদের উপর বিষফোঁড়া হয়েছে বামেরা। তাদের ভোট বেড়েছে।

এর পরেই তীব্র আক্রমণে প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ। তিনি বলেছেন বাংলায় আগামী দিনেও জিততে পারবে না বিজেপি’।

দিলীপবাবুর মন্তব্যের পরেই রাজ্য বিজেপিতে প্রবল শোরগোল। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর দিকেই ঘুরিয়ে আঙুল তুলেছেন দিলীপবাবু এমনই অভিমত দলেরই জেলা নেতৃত্বের মধ্যে। অনেকেরই অভিযোগ, শুভেন্দু অধিকারী যেভাবে বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক হামলার প্রসঙ্গ টেনে ভোটের হাওয়া গরম করতে চেয়েছিলেন তার ফল মেলেনি চার কেন্দ্রে। বিশেষ করে সীমান্তবর্তী দুই জেলা নদিয়া ও কোচবিহারের ভোটাররা মুখ ঘুরিয়েছেন।

দিলীপ ঘোষের আরও দাবি, রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেস যেভাবে ভোট করছে তাতে চিনের মতো একদলীয় ব্যবস্থা চালু হবে।

এদিকে উপনির্বাচনে বিরাট পরাজয়ের পর বিজেপি রাজ্যসভাপতি সুকান্ত মজুমদারের দাবি, আসন্ন পুরনিগম ও পুরসভাগুলির ভোটে দল প্রবল প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতা গড়ে তুলবে তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে।

রাজ্যের উত্তর থেকে দক্ষিণে দুই নেতার বার্তায় জেলার নেতারা হতচকিত। কী করে ভাঙন ঠেকাবেন তার সদুত্তর নেই কারোর কাছে। সূত্রের খবর, উত্তরবঙ্গ থেকে ক্রমাগত ধস নামা শুরু হতে চলেছে বিজেপিতে। দীপাবলির পরেই রাজ্যে অন্তত ১২ জন বিজেপি বিধায়ক দলত্যাগ করবেন। এই অবস্থায় দিলীপবাবুর মন্তব্য বিধায়কদের দলত্যাগের বিষয়ে ইঙ্গিতবহুল বলে মনে করা হচ্ছে।

Africa: সরকার পতনের আশঙ্কা ইথিওপিয়ায়, বিদ্রোহীরা ঘিরছে

ethiopia-declares-emergency

News Desk: আবারও আফ্রিকায় আরও একটি দেশের সরকার চরম প্রতিকুল পরিস্থিতির মুখোমুখি। সুদানের মতো সরকার পতনের আশঙ্কা বাড়ছে ইথিওপিয়াতে। জারি হয়েছে জরুরি অবস্থা।

আল জাজিরা জানাচ্ছে, ইথিওপিয়ায় সরকার ও বিদ্রোহী গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষ চলছে। দেশটির তিগ্রে অঞ্চলের বিদ্রোহীরা রাজধানী আদ্দিস আবাবা দখলে অগ্রসর হতে শুরু করেছে। এর পরেই ইথিওপিয়ায় জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছে।

তিগ্রে বিদ্রোহীরা জানায়, তারা ইথিওপিয়ার উত্তরাঞ্চলের আরও কিছু অঞ্চলের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে।রাজধানী আদ্দিস আবাবা অভিমুখে এগিয়ে যাচ্ছে।

পূর্ব আফ্রিকার দারিদ্র্যপীড়িত দেশ ইথিওপিয়া। এই দেশের সরকার বিরোধী গোষ্ঠী তিগ্রে পিউপিলস লিবারেশন ফ্রন্ট (টিপিএলএফ) ক্ষমতা দখলে মরিয়া। তাদের হামলার মুখে সরকারের তরফে দেশবাসীদের সশস্ত্র প্রতিরোধের ডাক দেওয়া হয়। ইথিওপিয়ার প্রধানমন্ত্রী আবি আহমেদ জানান বিদ্রোহীদের রুখতে সর্বাধিক শক্তি প্রয়োগ করা হবে।

বিবিসি জানাচ্ছে বিদ্রোহী তিগ্রে গোষ্ঠী রাজধানী আদ্দিস আবাবা থেকে প্রায় ৩৮০ কিলোমিটার দক্ষিণের এক শহরের দখল নিয়েছে।

আবি আহমেদের হাতে ক্ষমতা হস্তান্তরের আগে ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারিতে ইথিওপিয়ায় সর্বশেষ ছয় মাসের জন্য জরুরি অবস্থা জারি করা হয়েছিল। সেই সময় কারফিউ জারি এবং জনসাধারণের চলাচল সীমিত করা হয়। আটক করা হয় হাজার হাজার মানুষকে।

 

Assam: বিরোধীদের ৫-০ গোল দিয়ে উচ্ছসিত BJP, মুখ্যমন্ত্রী বললেন সব জিতব!

Bjp celebrated Masive win in assam by election

News Desk: পশ্চিমবঙ্গে গোহারা হেরেছে বিজেপি। আর অসমে বিরাট জয়। উপনির্বাচনে দুই প্রতিবেশি রাজ্যে এই ভিন্ন ছবি। এই রাজ্যে ৫-০ ব্যবধানে এনডিএ শিবির জয়ী হওয়ার পর উচ্ছসিত মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

উপনির্বাচনের ফল প্রকাশের গেরুয়া শিবিরে আনন্দের জোয়ার উঠেছে। মঙ্গলবার দুপুরে চূড়ান্ত ফলাফল আসার পরই গুয়াহাটি হেংড়াবাড়িতে রাজ্য রাজ্য বিজেপির কার্যালয়ে দলীয় কর্মকর্তাদের মধ্যে আগাম দীপাবলি লেগেছে।

জয়ের আনন্দে সামিল হলেন মুখ্যমন্ত্রী ডক্টর হিমন্তবিশ্ব শর্মা, রাজ্য বিজেপি সভাপতি ভবেশ কলিতা ও অন্যান্য নেতারা। উপনির্বাচনে বিজেপিকে ফের জয়ী করায় জনগণকে কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন মুখ্যমন্ত্রী।

অসমের মুখ্যমন্ত্রী বলেন , এখন আমাদের আর বসে থাকার সময় নেই। বিশ্রাম নিলেই মানুষ আমাদের ভুলে যাবে। দুরন্ত গতিতে কাজ করতে হবে। ৫ টি বিধানসভা কেন্দ্রের মানুষকে আমি প্রণাম করছি। ভোটার আগে জনগণকে দেওয়া প্রতিটি প্রতিশ্রুতি সফল রূপায়ণ করব।

হিমন্ত বিশ্বশর্মা বলেন, কেউ আমাদের ভোট দিয়েছে কিনা সেটা বড় কথা নয়। আমরা সবার উন্নয়নের জন্য কাজ করব। এবার বহু সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের মানুষ ভোট দিয়েছেন বিজেপিকে।

রাজ্যে বিতর্কিত উচ্ছেদ অভিযান প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন ,চরাঞ্চলে জমির সার্ভে হওয়াটা খুবই জরুরি। বহু সরকারি ভূমিতে জবদখল চলছে। লামডিং বনাঞ্চলে মহাজনি ব্যবস্থা বন্ধ করতে হবে। এতে বহু সংখ্যালঘু মানুষ ভূমি পাবেন।

উল্লেখ্য, মিজোরাম ,নাগাল্যান্ড ,মেঘালয় ও অসমে বিজেপি জোটের বিজয় হয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, এই জয় ফের প্রমাণ করল যে আমাদের প্রতি মানুষের সমর্থন রয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী আরও বলেন ,গত বিধানসভা নির্বাচনে সুশান্ত বরগোহাঁই এবং ফণীধর তালুকদার তিন হাজার ভোট জয়ী হয়েছিলেন। কিন্তু এবার বৃহৎ ব্যবধান রয়েছে তাঁদের জয়ে।রাজ্যের মরিয়নি কেন্দ্রে রেকর্ড ভোট জয়ী বিজেপি প্রার্থী।

প্রতিটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপনির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, আগামী সাড়ে চার বছর জনগণকে বিশ্বাসে নিয়েই সরকার কাজ করবে। সভ্যতা ও বিকাশকে সামনে রেখেই আগামীতে অসমকে দেশের ৫ টি শ্রেষ্ঠ রাজ্য হিসেবে গড়ে তোলার ক্ষেত্রে যাবতীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

তিনি বলেন,১২৬ টি বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপি জয়ী করাটাই আমার লক্ষ্য। জীবনে এমনটা দিন আসবে বলে আমি আশাবাদী। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রতি অসম তথা সমগ্র উত্তর পূর্বাঞ্চলের মানুষের আদর রয়েছে। মানুষ উন্নয়ন ও বিকাশকে বিশ্বাস করেন।

রাহুল-প্রিয়াঙ্কাকে কটাক্ষ করে নিজের নতুন দলের নাম জানালেন ক্যাপ্টেন

Captain Amarinder Singh

News Desk: মঙ্গলবার সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে দলনেত্রী সোনিয়া গান্ধীর কাছে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ ছাড়ার কথা জানিয়েছিলেন পাঞ্জাবের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অমরিন্দর সিং (Captain Amarinder Singh)। সকালে দলের প্রাথমিক সদস্যপদ ছাড়ার পর বিকেলে নিজের নতুন দলের নাম ঘোষণা করলেন ক্যাপ্টেন।

এদিন অমরিন্দর জানিয়েছেন, তাঁর নতুন দলের নাম হবে ‘পাঞ্জাব লোক কংগ্রেস’। এই রাজ্যে আর কয়েক মাস পরেই বিধানসভা নির্বাচন। পাঞ্জাবে ক্ষমতায় রয়েছে কংগ্রেস। আসন্ন নির্বাচনে পাঞ্জাবে কংগ্রেসকে বড় মাপের সমস্যায় ফেলতে পারে ক্যাপ্টেনের নতুন দল, এমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

প্রাথমিক সদস্য পদ থেকে ইস্তফা দিতে এদিন ক্যাপ্টেন সাত পাতার একটি চিঠি দেন সোনিয়া গান্ধীকে। ওই চিঠিতে তিনি রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকেও তীব্র কটাক্ষ করেছেন। ক্যাপ্টেন লিখেছেন, সোনিয়াজি আমি আপনার ছেলে-মেয়ের আচরণে গভীর মর্মাহত। আপনার ব্যবহারেও আমি দুঃখ পেয়েছি। একজন অস্থিরমতি লোক, যিনি পাকিস্তানের ষড়যন্ত্রী রাষ্ট্রকাঠামোর সহযোগী তাকে আপনারা ভরসা করলেন। তার কথা মেনে নিলেন। এরপর আর আপনাদের সঙ্গে সম্পর্ক রাখা যায় না। পাকিস্তানের ষড়যন্ত্রী রাষ্ট্রকাঠামোর সহযোগী বলতে ক্যাপ্টেন যে বর্তমান প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নভজ্যোত সিং সিধুকেই ইঙ্গিত করেছেন তা স্পষ্ট।

অমরিন্দরের কংগ্রেস ছাড়ার পিছনে সিধুর বিশেষ অবদান রয়েছে। কারণ সিধু প্রথম থেকেই অমরিন্দরের ঘোরতর বিরোধী। সম্প্রতি সিধুকে প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি হিসেবে নিয়োগ করেছিলেন রাহুল। তারপরেই ক্যাপ্টেনের সঙ্গে সিধুর বিরোধ চরমে ওঠে। সেই বিরোধে রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা সিধুর পাশে দাঁড়ান। তার ফলেই মুখ্যমন্ত্রীর পদ থেকে সরে দাঁড়াতে হয় অমরিন্দরকে। এদিনের চিঠিতে তিনি সে কথাই উল্লেখ করেছেন।

এদিন নতুন দলের নাম ঘোষণা করার পাশাপাশি অমরিন্দর বলেছেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে তিনি রাজ্যের ১১৭ টি আসনেই প্রার্থী দেবেন। এখন দেখার এই নির্বাচনে অমরিন্দর কংগ্রেস বা বিজেপির মত কোনও দলের সঙ্গে জোট করে কিনা।

By Election: পশ্চিমবঙ্গ ও হিমাচলে হোয়াইট ওয়াশ বিজেপি

BJP

News Desk, New Delhi: আগামী বছরের শুরুতেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন। ওই নির্বাচনে কী ফলাফল হতে পারে তার একটি ইঙ্গিত মিলল মঙ্গলবার একাধিক রাজ্যের বেশ কয়েকটি আসনের উপনির্বাচনী ফলাফলে। ৩০ অক্টোবর ১৩ টি রাজ্য ও একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে উপনির্বাচন হয়েছিল।

সব মিলিয়ে ২৯ টি বিধানসভা ও তিনটি লোকসভা আসনে এই ভোট হয়েছিল। একাধিক রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের উপনির্বাচনের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে, বিরোধীরা কার্যত বিজেপিকে উড়িয়ে দিয়েছে। প্রত্যাশামতোই পশ্চিমবঙ্গের চার বিধানসভা কেন্দ্রের নির্বাচনে বিজেপিকে উড়িয়ে দিয়েছে এ রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। পশ্চিমবঙ্গে যে চারটি কেন্দ্রে ভোট হয়েছে তার মধ্যে খড়দহ, দিনহাটা এবং গোসাবা কেন্দ্রে রাজ্যের প্রধান বিরোধী দল বিজেপি প্রার্থীদের জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে।

একমাত্র শান্তিপুরে কোনওরকমে নিজের জামানত রক্ষা করতে পেরেছেন বিজেপি প্রার্থী। একই অবস্থা হয়েছে বিজেপি শাসিত হিমাচলপ্রদেশেও। এই রাজ্যে একটি লোকসভা আসন এবং তিনটি বিধানসভা আসনে ধরাশায়ী হয়েছে বিজেপি। পাশাপাশি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল দাদরা ও নগর হাভেলির একমাত্র লোকসভা আসনে বিজেপি তার এক সময়ের শরিক দল শিবসেনার কাছে খুইয়ে বসেছে। এই প্রথম শিবসেনা মহারাষ্ট্রের বাইরে কোন লোকসভা আসনে জয় পেল।

রাজস্থানেও বিজেপির চরম কোণঠাসা। এই রাজ্যের বল্লভনগর বিধানসভা আসন কংগ্রেস ধরে রেখেছে। পাশাপাশি বিজেপির থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে ধারিওয়াড় কেন্দ্রটি। এই দুই আসনে বিজেপি শুধু হারেনি, একেবারে চতুর্থ স্থানে গিয়ে পৌঁছেছে। রাজস্থানের পার্শ্ববর্তী হরিয়ানায় এলেনাবাদ বিধানসভা কেন্দ্রেও বিজেপি প্রার্থী পরাজিত হয়েছেন। এই আসনে আইএনএলডি প্রার্থী অভয় চৌতালা বিজেপি প্রার্থীকে হারিয়েছেন। কেন্দ্রের কৃষি আইনের প্রতিবাদে বিধায়ক পদে ইস্তফা দিয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ওমপ্রকাশ চৌতালার ছেলে অভয়। মহারাষ্ট্রেও ডেলগুর বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী পরাজয়ের দোরগোড়ায় এসে দাঁড়িয়েছেন।

কর্নাটকে হাঙ্গল বিধানসভা আসনটি বিজেপির থেকে ছিনিয়ে নিয়েছে কংগ্রেস। তবে এই রাজ্যে কংগ্রেসের হাত থেকে সিন্দোগি আসনটি ছিনিয়ে নিতে পেরেছে বিজেপি। মধ্যপ্রদেশে খাণ্ডোয়া লোকসভা কেন্দ্রটি কোন রকমে নিজেদের দখলে রেখেছে বিজেপি। পাশাপাশি এই রাজ্যে তিন বিধানসভা আসনের মধ্যে বিজেপি কংগ্রেসের কাছে একটি খুইয়েছে। অন্ধপ্রদেশের একটি বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হয়। ওই নির্বাচনে বিজেপিকে পরাস্ত করে জয়ী হয়েছে শাসক দল ওয়াইএসআর কংগ্রেস পার্টির প্রার্থী ।

অন্যদিকে মিজোরাম, মেঘালয়ের মতো উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিতে আঞ্চলিক রাজনৈতিক দলগুলোই ক্ষমতা ধরে রেখেছে। এই রাজ্যগুলিতেও বিজেপি দাগ পারেনি। এরই মধ্যে বিহারে দু’টি আসন নিজেদের দখলে রাখতে সমর্থ হয়েছে জেডিইউ। বিজেপির পক্ষে একমাত্র মুখ রক্ষা হয়েছে অসমে।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, এই উপনির্বাচনী ফলাফল বিজেপির জন্য এক অশনী সঙ্কেত। নরেন্দ্র মোদি-অমিত শাহরা যে প্রবল দম্ভে ভুগছেন। উপনির্বাচনে মানুষ তাঁদের মুখের মত জবাব দিয়েছে। সাধারণ মানুষকে বিপাকে ফেলতে মোদি সরকার প্রতিদিনই বাড়িয়ে চলেছে পেট্রোল, ডিজেল ও রান্নার গ্যাসের দাম। সরষের তেল, চিনি থেকে শুরু করে চাল, ডাল, আটা সবকিছুর দাম আকাশছোঁয়া। এসবেরই প্রতিফলন ঘটেছে উপনির্বাচনের ফলাফলে। এরপরেও বিজেপি যদি নিজেদের না শোধরায় তবে আগামী দিনে তাদের পরিণাম আরও খারাপ হবে। অর্থাৎ ২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে গেরুয়া দলকে ক্ষমতায় থেকে ছুঁড়ে ফেলে দেবে জনতা জনার্দন।