By Election: জামানত খুইয়ে বিজেপির অভ্যন্তর যেন আগ্নেয়গিরি

BJP-begal

News Desk: অশালীন বাক্য ব্যবহার, কু মন্তব্য, পারস্পরিক দেখে নেব গোছের হুমকির জেরে রাজ্য বিজেপির অভ্যন্তরে আগ্নেয়গিরির মতো পরিস্থিতি। উপনির্বাচনে দলের ভয়াবহ বিপর্যয়ের পর এমনই অবস্থা বিরোধী দলের।

চারটি আসনের উপনির্বাচনে তিনটি আসনে জামানত খুইয়েছে বিজেপি। গতবারের জয়ী দুটি আসন এবার হাতছাড়া। এমনটা ভাবেননি রাজ্য নেতৃত্ব। ফলে আকচা আকচি শুরু হয়েছে।

কেউ টুইটে তো কেউ ব্যক্তিগত মহলে কেউ আবার প্রকাশ্যেই শুরু করে দিয়েছেন আক্রমণ। কেথাও কোথাও লাভা বের হতে শুরু করেছে। এর পরেই জ্বালামুখ ফেটে পড়ার আশঙ্কা প্রবল। সূত্রের খবর, বিভিন্ন জেলায় দলীয় দফতরগুলিতে নেতাদের ও তাঁদের গোষ্ঠীর মধ্যে হাতাহাতির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

উপনির্বাচনে চার কেন্দ্রেই পরাজয়। ফলাফল বলে দিচ্ছে বিরোধী দলটির বিধায়কের সংখ্যা কমে গেল বিধানসভায়। আরও সূত্রের খবর, উত্তরবঙ্গ থেকে ধস নামছে দীপাবলির পরেই।

ফলাফল ঘোষণা শেষ হতেই বিজেপির নেতারা যেভাবে হামলা শুরু করেছেন সোশ্যাল মিডিয়ায় তাতে আশঙ্কা দলের রাজ্য দফতরে না খণ্ডযুদ্ধ পরিস্থিতি তৈরি হয়। এমনই আশঙ্কা বাঁকুড়া ও পূর্ব বর্ধমান জেলার একাংশ নেতাদের। তাঁরা স্পষ্ট জানান, তেমন হলে তৃণমূলে সামিল হয়ে যাব। আর কোনও পথ নেই।

অভিযোগ আরও প্রবল, রাজ্য সভাপতি সুকান্তবাবু, প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপবাবু, বিরোধী দলনেতা শুভেন্দুবাবু সহ বিভিন্ন সাংসদ ও কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রীরা কড়া নিরাপত্তা পান। কিন্তু যাদের উপর ভরসা করে দল চলে সেই নিচু তলার কর্মীরা অসুরক্ষিত। তাঁরা এবার দলে দলে ভিড় জমাবেন তৃণমূল শিবিরে।

<

p style=”text-align: justify;”>রাজনৈতিক গতি বলে দিচ্ছে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে যে স্রোত বয়েছিল বিধানসভা ভোটে এবার উপনির্বাচনের ফলে তার উল্টো স্রোত বইছে।

BJP: ‘এতবছর ধরে কি করেছেন ছিঁ…ছেন’-বিস্ফোরক তথাগত

News Desk: বঙ্গ বিজেপির অভ্যন্তরের কী পরিস্থিতি বা দলের পুরনো নেতাদের সম্পর্কে নব্য নেতাদের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে কেমন আলোচনা হয় তারই কি়ছু দিক আলোকপাত করেছেন প্রবীন নেতা ও প্রাক্তন রাজ্যপাল তথাগত রায়।

উপনির্বাচনে চার কেন্দ্রেই পরাজয় হয়েছে বিজেপির। তার মধ্যে দুটি কেন্দ্রে গতবার জয়ী হলেও এবার হাতছাড়া হওয়ায় বিরাট ধাক্কা বিরোধী দলে। এমন পরাজয়ের পর চুপ থাকেননি তথাগত রায়। তিনি টুইট করে দলের নব্য নেতাদের কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন।

https://twitter.com/tathagata2/status/1455467119756263424?s=20

তথাগত রায়ের লক্ষ্য বর্তমান নেতারা। তাদের ভাষা কেমন তার টুকরো বর্ননা তিনি টুইটে লিখেছেন। বিজেপির অভ্যন্তরে এ নিয়ে তীব্র শোরগোল চলছে। সূত্রের খবর, পরপর ১২ জন বিধায়ক দলত্যাগ করতে তৈরি। তাদের রোখা সম্ভব নয় বলেই ধরে নিয়েছে রাজ্য নেতৃত্ব।

<

p style=”text-align: justify;”>উপনির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেস বিপুল জয় পেয়ে বিধানসভায় শক্তি বাড়িয়ে নিল। শক্তি কমল বিজেপির। আসন্ন দলত্যাগ ধসে বিজেপি আরও নামতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে।

নন্দরানি ডলের লক্ষাধিক ভোটে জয়কে হারালেন উদয়ন-সুব্রত

bengal By election result live update

News Desk: জয়ের ব্যবধান লক্ষাধিক। তবে এই বিপুল ব্যবধানের জয় পেলেও জয়ীরা স্বস্তিতে থাকেননা। অভিযোগ ওঠে রিগিংয়ের। উপনির্বাচনে দিনহাটা ও গোসাবা কেন্দ্রে তৃ়ণমূল কংগ্রেসের লক্ষাধিক ভোটে জয় ফিরিয়ে আনছে বাম জমানার বিতর্কিত কেশপুর নির্বাচনের ফলাফলকে। লক্ষাধিক ভোটে জয়ী হয়েছিলেন সিপিআইএমের নন্দরানি ডল।

দু দশক পর উপনির্বাচনে ফিরল নন্দরানির জয়ের পর বিতর্কিত স্মৃতি। সেবার তৃ়ণমূলের অভিযোগ ছিল, বামেরা রিগিং করে জিতেছে।

তখনও রাজ্যে তৃণমূল কংগ্রেসের ক্ষমতা দখলের কোনও প্রশ্ন ছিল না। তবে শাসক সিপিআইএমের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্ব্বী হিসেবে টিএমসি উঠে এসেছে। সেই প্রেক্ষিতে ২০০১ সালে রাজনৈতিক সংঘর্ষ কবলিত কেশপুর কেন্দ্র ছিল তীব্র আলোচিত। এই কেন্দ্রে সিপিআইএম জয়ী হয়। বিধায়ক নন্দরানি ডল ১ লক্ষ ৮ হাজার ১১২ ভোটে পরাজিত করেন তৃণমূলের রজনী দলু়ুইকে।

কেশপুর সিপিএমের শেষপুর হবে এই স্লোগান দিয়েছিলেন ততকালীন টিএমসি নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে বামেদের জমানা শেষ হয় ২০১১ সালে মমতার হাতেই। তৃণমূল সরকারের আমলেও বিস্তর রিগিং অভিযোগ উঠেছে।

উপনির্বাচনে কোচবিহারের দিনহাটায় উদয়ন গুহ ও দক্ষিণ ২৪ পরগনার গোসাবা কেন্দ্রে জয়ী সুব্রত মণ্ডল। উদয়ন গুহ জিতেছেন ১ লক্ষ ৬৩ হাজারের বেশি ভোটে। আর সুব্রত মন্ডল জয়ী ১ লক্ষ ৪১ হাজার ৮৯৩ ভোটে। বর্তমান বিরোধী দল বিজেপি সরাসরি ভোট লুঠের দাবি করেছে।

Dinhata: বুথে হেরে বিগবস অমিত শাহের ধমক খেতে প্রস্তুত নিশীথ

amit-nishith

News Desk: নিজের সঙ্গে কমান্ডো পাহারা কিন্তু দলীয় বুথকর্মীদের বিষয়ে নাকি পাত্তাই দেননি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিক। আরও অভিযোগ, দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রে তিনিই মন দেননি।

মঙ্গলবার ফল গণনা শুরু হতেই গতবার জয়ী বিজেপি খোঁড়াতে থাকে। টিএমসির প্রবল গতি। প্রত্যাশিতভাবেই তিন নম্বরে থাকেন বামপ্রার্থী। তবে সব থেকে চমক আসে খোদ নিশীথ প্রামাণিকের বুথ থেকেই।

স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী নিশীথ প্রামাণিকের বুথে ধরাশায়ী বিজেপি। ভেটাগুড়ি চৌপথী হাই স্কুলের ৭/২৩৪ নম্বর বুথের ভোটার দেশের স্বরাষ্ট্রপ্রতিমন্ত্রী নিশীথ৷ ভেটাগুড়ি চৌপথী হাই স্কুলের মোট ৪৯২ টি ভোটের মধ্যে উদয়ন গুহ পেয়েছেন ৩৬০ টি ভোট। বিজেপি প্রার্থী অশোক মন্ডল পেয়েছেন ৯৫ টি ভোট। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর নিশীথ প্রামাণিকের নিজের বুথে ২৭৫ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী উদয়ন গুহ।

বিজেপির এই এই ধরাশায়ী অবস্থায় নিশীথ প্রামাণিকের মন্ত্রী পদ থেকে ইস্তফা দাবি জানালেন দিনহাটা বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেসের নির্বাচনী এজেন্ট পার্থপ্রতিম রায়।

গতবারের ভোটে ৫৭ ভোটে জয়ী হন নিশীথ। পরে লোকসভায় বিজেপির হয়ে দাঁড়িয়ে তিনি জয়ী হন। তাঁকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী করা হয়। পদাধিকার বলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ হলেন নিশীথের বিগবস। নিজের বুথে পরাজয়ে বিগবসের ধমক খেতে চলেছেন নিশীথ এমনই মনে করা হচ্ছে

By election : দিনহাটায় ৫৭ ভোটে ‘হেরো’ উদয়ন যোজন ব্যবধানে এগিয়ে

udayan gugha tmc

News Desk: বিধানসভা নির্বাচনে কোচবিহারের দিনহাটা আসনে মাত্র ৫৭ ভোটে হেরেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের উদয়ন গুহ। আর উপ নির্বাচনে গণনার শুরুটাই বলে দিচ্ছে তিনি যোজন ব্যবধানে জয়ী হতে চলেছেন। তবে গণনার পূর্ণাঙ্গ ফল এলেই দলীয় কর্মীদের আনন্দ করতে বলেছে টিএমসি।

বিধানসভা ভোটে উদয়ন গুহ পরাজিত হন বিজেপির নিশীথ মালিকের কাছে। তবে নিশীথ লোকসভা ভোটে জয়ী হন। তিনি কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী। ফলে দিনহাটা বিধানসভাষা কেন্দ্রে উপনির্বাচন হয়

উত্তরবঙ্গ থেকে বিজেপির কাছে আরও বড় দ:সংবাদ আসতে চলেছে বলেই সূত্রের খবর। উৎসব শেষে একগুচ্ছ বিজেপি বিধায়ক দলত্যাগ করতে চলেছেন। তারা সবাই টিএমসিতে সামিল হবেন।

জানা গিয়েছে অন্তত ১২ জন বিজেপি বিধায়ক সরাসরি তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেবেন। এদের বেশিরভাগই উত্তরবঙ্গের। ইতিমধ্যেই উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণ কল্যাণী বিজেপি ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন।

উপনির্বাচন ফল ঘোষণার আগেই বিস্ফোরণ মন্তব্য করেছেন সদ্য বিজেপি থেকে ফের তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরে আসা রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি ত্রিপুরায় গিয়ে তৃণমূলে যোগ দেন। আগরতলা থেকে কলকাতায় এসেই রাজীব বলেন, রাজ্যে বিজেপি সাইনবোর্ড হয়ে যাবে।

জানা গিয়েছে, ফল ঘোষণার আগেই বিধানসভায় ট্রেজারি বেঞ্চে (সরকার পক্ষ)চারটি আসন সংরক্ষিত করা হয়। তবে এই বিষয়ে বিধানসভার তরফে কিছু জানানো হয়নি। বিরো়ধী দলের অভিযোগ, ফলাফল না দেখেন এরকম পদক্ষেপ গণতন্ত্রের পক্ষে ক্ষতিকর। তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্যে গণতন্ত্র নষ্ট করে দিয়েছে।

Bihar: মোদীর জনসভায় বিস্ফোরণ মামলায় ৪ জনের ফাঁসির সাজা

patna-blast

News Desk: গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থাকাকালীন বিজেপির তরফে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হয়ে মোদী দেশজুড়ে প্রচার করছিলেন। ২০১৩ সালে তেমনই জনসভা ছিল পাটনার গান্ধী ময়দানে। সেই জনসভায় পরপর বিস্ফোরণ ঘটানোয় জড়িতদের মৃত্যুদণ্ড দিল এনআইএ আদালত। দণ্ডিতরা উচ্চ আদালতে আপিল করতে পারবে।

এনআইএ আদালতে মৃত্যুদণ্ডের সাজা পাওয়া চারজনের নাম ইমতিয়াজ আনসারি, নোমান আনসারি, হায়দর আলি ও মুজিবুল্লাহ। দুজনের যাবজ্জীবন ও দুজনের দশ বছর কারাদণ্ড ও একজনের সাত বছরের কারাদণ্ডের সাজা শুনিয়েছে এনআইএ আদালত।

বিস্ফোরণ মামলায় মোট ১২ জনের বিচার চলেছে। একজন বিচার চলাকালীন মারা যায়। একজন মুক্তি পেয়েছে। ধৃত এক নাবালক তিন বছরের জেল সাজাপ্রাপ্ত।

লোকসভা নির্বাচন উপলক্ষে তৎকালীন গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী দলীয় প্রচার ‘হুঙ্কার ব়্যালি’-তে অংশ নিতে গান্ধী ময়দানে আসেন। ২০১৩ সালের ২৭ অক্টোবর সেই জনসভায় পরপর বিস্ফোরণে ৬ জনের মৃত্যু হয়। জখম হন ৮৯ জন। পাটনা ধারাবাহিক বিস্ফোরণ মামলার তদন্ত নেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা বা এনআইএ।

গান্ধী ময়দান বিস্ফোরণ মামলার তদন্ত চলাকালীন কেন্দ্রে আসে এনডিএ সরকার। মোদী হন প্রধানমন্ত্রী। এদিকে তদন্ত চালিয়ে যায় এনআইএ। বিস্ফোরণ মামলায় উঠে এসেছে সেদিন জনসভায় ছটি বোমা ফাটানো হয়েছিল। একটি বিস্ফোরণ ঘটানো হয় পাটনা জংশন স্টেশনের শৌচালয়ে। মোদীর ভাষণ চলাকালীন পরপর চারটি বিস্ফোরণ ঘটানো হয়।

UP assembly elections: বিধানসভা নির্বাচনে লড়বেন অখিলেশ

akhilesh yadab

News Desk, New Delhi: হাতে গোনা আর কয়েক মাস পরেই উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন। কিন্তু সেই নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক মহলকে অবাক করে রাজ্যের প্রধান বিরোধীদল সমাজবাদী পার্টির নেতা অখিলেশ যাদব জানালেন, তিনি এবার কোন বিধানসভা কেন্দ্র থেকেই ভোটে লড়বেন না। তবে কি কারণে অখিলেশ নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা থেকে সরে দাঁড়াচ্ছেন সে বিষয়ে তিনি কোনও কিছুই জানাননি।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, বিজেপির বিরুদ্ধে গোটা রাজ্য জুড়ে প্রচার চালাতে চান সপা প্রধান। তাই রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে কোন একটি কেন্দ্রে আটকে থাকতে রাজি নন। তিনি যদি নিজে কোন কেন্দ্রে প্রার্থী হন তাহলে সেই কেন্দ্রে তাঁকে সময় দিতে হবে। সে ক্ষেত্রে তিনি গোটা রাজ্য জুড়ে প্রচার চালানোর জন্য যথেষ্ট সময় পাবেন না। যা দলের নির্বাচনী প্রচারে প্রভাব ফেলতে পারে সে কারণেই অখিলেশ আগে থাকতেই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা না করার কথা জানালেন।

যদিও রাজনৈতিক মহলের একাংশ এবং সপার সর্মথকরা মনে করছেন, অখিলেশ এই সিদ্ধান্ত ঠিক নয়। কারণ দলপতি যদি লড়াইয়ের ময়দানে না থাকেন তাহলে দলীয় কর্মী ও সমর্থকদের মধ্যে তার বিরূপ প্রভাব পড়তে পারে। বিজেপি এই সুযোগটা নেবে। গেরুয়া দল প্রচার করবে, পরাজয়ের ভয়েই অখিলেশ এবার ভোটে লড়ছেন না। অন্যদের লড়াইয়ের ময়দানে ঠেলে দিয়ে তিনি নিজে সরে দাঁড়িয়েছেন। সেটা নিশ্চিত ভাবেই সবার ক্ষেত্রে এক বিড়ম্বনা।

এরই মধ্যে রাজ্যের অন্যতম রাজনৈতিক দল রাষ্ট্রীয় লোকতান্ত্রিক পার্টিকে নিয়ে কংগ্রেস ও সপার মধ্যে দড়ি টানাটানি শুরু হয়েছে। রবিবার লখনউ বিমানবন্দরে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীর সঙ্গে দীর্ঘক্ষণ কথা বলেন আরএলডি নেতা জয়ন্ত চৌধুরী। অনেকেই মনে করছেন, আসন্ন নির্বাচনে আরএলডির সঙ্গে কংগ্রেসের জোট হতে পারে। জয়ন্ত-প্রিয়াঙ্কার ওই বৈঠকের কথা প্রকাশ্যে আসতেই সপা প্রধান অখিলেশ সোোমবার বলেন, আরএলডির সঙ্গে তাঁদের জোট চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে। এমনকি আরএলডি কোন কোন আসনে লড়বে সে ব্যাপারেও কথা অনেকটা এগিয়েছে ।

প্রশ্ন হল, এই মুহূর্তে আরএলডিকে নিয়ে কংগ্রেস ও সপার মধ্যে দড়ি টানাটানির কারণ কী। রাজনৈনিত মহল মনে করছে, উত্তরপ্রদেশের অন্তত ৩০ থেকে ৩৫ টি আসনে আরএলডির ভালরকম প্রভাব রয়েছে। পাশাপাশি উত্তরপ্রদেশের নির্দিষ্ট কয়েকটি এলাকাতেও আরএলডির প্রভাব রয়েছে। সেই প্রভাব কাজে লাগিয়ে মানুষের ভোট নিজেদের অনুকূলে টানতে উদ্যোগী হয়েছে কংগ্রেস ও সপা। এখন দেখার শেষ পর্যন্ত আরএলডি কার সঙ্গে যায়।

AP: প্রধানমন্ত্রীজি বাঘের বদলে গোরুকে জাতীয় পশু করুন, দাবি বাবা রামদেবের

ramdev

News Desk: জাতীয় পশু পাল্টে দেওয়া হোক। কোনও দরকার নেই বাঘের। তার বদলে গোরু হোক জাতীয় পশু। এমনই দাবি করেছেন বাবা রামদেব। মনে করা হচ্ছে তাঁর দাবির পি়ছনে রয়েছে উত্তর প্রদেশ বিধানসভা ভোটে বিজেপির প্রচার।

সম্প্রতি বাবা রামদেব পাকিস্তানের সঙ্গে ভারতের ক্রিকেট খেলার বিরোধিতা করেন। সেই ম্যাচে ভারত হেরে গিয়েছে।

বাবা রামদেবের দাবি করেছেন দেশের জাতীয় পশুর পরিবর্তন করা হোক। এক্ষেত্রে তিনি গোমাতা শব্দ ব্যবহার করেছেন। অন্ধপ্রদেশের তিরুপতিতে দু দিনব্যাপী মহা গো সম্মেলনের আয়োজন করা হয়েছিল। সম্মেলন থেকে যোগগুরু বাবা রামদে ভাষণে বলেছেন,ভারতের জাতীয় পশু হওয়া উচিত গোমাতা।

ভাষণে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী মোদী ও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ যেন গোমাতা কে জাতীয় পশু করার বিষয়ে একটি আইন প্রচলন করেন। পতঞ্জলি সেবাপীঠ প্রথম থেকেই গো সংরক্ষন কর্মসূচির শীর্ষে থেকেছে। তিনি বলেন, তিরুপতির এই মহা গো সম্মেলনে গরু প্রেমীদের মধ্যে আরো বেশি করে গো মাতার প্রতি প্রেম জেগে উঠবে। খুব শীঘ্রই যেন ভারতের জাতীয় পশু হিসেবে গরুকে ঘোষণা করা হয়।

বাবা রামদেবকে উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে ব্যবহার করবে বিজেপি। সূত্রের খবর, তবে সরাসরি তিনি বিজেপির হয়ে প্রচার করবেন না। তিনি বিভিন্ন অনুষ্ঠান থেকে হিন্দু ধর্মের হয়ে প্রচার করবেন।

Tripura: পুর ভোটে BJP-CPIM প্রচার তুঙ্গে, গোরু খোঁজার মতো প্রার্থী খুঁজছে TMC

tripura election TMC

News Desk: তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় জনসভা থেকে দুটি চ্যালেঞ্জ করেছেন। তিনি বলেছেন বিজেপি ভাইরাসকে দুটি ডোজের টিকা দিতে হবে প্রথম ডোজ আসন্ন আগরতলা পুরনিগম ভোটে ও দ্বিতীয় ডোজ আগামী বিধানসভা ভোটে।

টিএমসি ত্রিপুরা প্রদেশের একাংশ নেতার অভিযোগ, জনসভায় হাওয়া গরম ভাষণ তো দিয়েছেন অভিষেক কিন্তু প্রথম ডোজের জন্য প্রার্থী খুঁজতেই হিমশিম খাচ্ছি। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক নেতার খেদোক্তি, এভাবে ঘেঁটে না দিলেই পারতেন তিনি।

tripura election

আগরতলা পুরনিগম নির্বাচনের প্রচারে রাজ্যের শাসক বিজেপি ও বিরোধী সিপিআইএমের মধ্যে মূল লড়াই সেটা স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। নির্বাচন ঘোষণা হতেই শাসকপক্ষকে চমকে দিয়ে বামফ্রন্ট প্রার্থী ঘোষণা করে। সিপিআইএম ত্রিপুরার রাজ্য সম্পাদক জীতেন্দ্র চৌধুরী জানান, সরকারের প্রতি জনগণের ক্ষোভের প্রকাশ হতে চলেছে ভোটে।

বিরোধী দলের প্রচার শুরু হতেই ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব মিটিয়ে’ শাসক বিজেপি তাদের প্রার্থী ঘোষণা করেছে। তবে এর পরেই আগরতলা পুরনিগমের বিভিন্ন ওয়ার্ডে বিক্ষুব্ধ বিজেপি প্রার্থীদের নিয়ে গলদঘর্ম পরিস্থিতি। অভিযোগ, এরই মাঝে বেশ কয়েকজন প্রার্থী ও আরএসএস নেতা আক্রান্ত হয়েছেন। প্রতিক্ষেত্রেই এসেছে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কথা।

শাসক ও বিরোধীদের পুরনিগম ভোট যুদ্ধের মাঝে দেখা নেই কংগ্রেসের। তবে কংগ্রেস প্রার্থী বাছাই করছে বলেই জানান প্রদেশ নেতারা।

<

p style=”text-align: justify;”>তবে সব নজর আটকেছে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রার্থী কারা হচ্ছেন তার উপরেই। টিএমসির দাবি সাময়িক কিছু সমস্যা আছে। ত্রিপুরায় এবার সরাসরি প্রখমবার ভোটে নামছে দল। শাসকদল বিজেপি থেকে ক্রমাগত সমর্থক ও নেতারা ভেঙে আসছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরে। দ্রুত প্রার্থীদের নাম জানানো হবে। কিন্তু কবে বের হবে সেই তালিকা? টিএমসি ত্রিুপুরা নেতারা বলছেন, সবই জানেন কলকাতার লোকেরা!

UP: বারাণসী, হরিদ্বার সহ ৪৬ স্টেশনে লস্কর জঙ্গি নাশকতার হুমকি

commando in Urrar pradesh railway station

News Desk: প্রধানমন্ত্রী মোদীর সংসদীয় আসনের অন্তর্গত বারাণসী সহ উত্তর প্রদেশের ৪৬টি স্টেশনে নাশকতার হুমকি দিল জঙ্গি সংগঠন লস্কর ই তৈবা। হুমকির পরেই পুরো রাজ্য জুড়ে জারি হয়েছে সতর্কতা।

যে সব স্টেশন জঙ্গিদের লক্ষ্যবস্তু বলে চিহ্নিত সেখানে চলছে বিশেষ সতর্কতা। দীপাবলি উৎসবের আগেই লস্কর জঙ্গিদের হুঁশিয়ারিতে চিন্তিত উত্তর প্রদেশ সরকার ও রেল মন্ত্রক।

জানা গিয়েছে, লস্কর জঙ্গিদের নিশানায় আছে রাজধানী লখনউ, বারাণসী, কানপুর, প্রয়াগরাজ (এলাহাবাদ), কানপুর, হরিদ্বার, মুরাদাবাদ, অযোধ্যা সহ উত্তর প্রদেশের ৪৬টি স্টেশন বা জংশন।

সতর্কতা হিসেবে জিআরপি, আরপিএফকে বিশেষ নজরদারি চালানোর নির্দেশ দিয়েছে রেল মন্ত্রক। সেই মতো বিভিন্ন স্টেশনে চলছে তল্লাশি ও নজরদারি।

গোয়েন্দা বিভাগের জারি করা সতর্কতা মেনে সিসিটিভি নজরদারিতে বিশেষ জোর দেওয়া হচ্ছে। এছাড়াও কমান্ডো বাহিনী প্রস্তুত। যে কোনওরকম হামলা পরিস্থিতি রুখতে জঙ্গি দমন বিভাগ (এটিএস) তৈরি। উত্তর প্রদেশ রাজ্য পুলিশকে বিশেষ নজরদারি চালানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

উত্তর প্রদেশে জঙ্গি হামলা হতে পারে এমন সতর্কতা আগেই দিয়েছে গোয়েন্দা বিভাগ। উৎসবের ভিড় বা বড় জমায়েতে থাকছে কড়া নজর।

Taliban 2.0: তালিবান সুপ্রিমো আখুন্দাজাদা ‘বেঁচে আছে’ অডিও শোনাল জঙ্গি সরকার

akhundzada

News Desk: তালিবান দখলে দ্বিতীয়বার আফগানিস্তানের ক্ষমতা যাওয়ার পর বারবার প্রশ্ন উঠেছে জঙ্গি সংগঠনটির সর্বোচ্চ নেতাকে কি প্রকাশ্যে দেখা যাবে ? তেমনটা এখনও হয়নি।

এবার তালিবান সরকার জানাচ্ছে, ক্ষমতা দখলের পর প্রথমবার প্রকাশ্যে বেরিয়েছেন মোল্লা হাইবাতুল্লা আখুন্দাজাদা। কান্দাহারে একটি মাদ্রাসা পরিদর্শনে দেখা গেছে তাকে। সেসময় নিরাপত্তার কঠিন বলয় ছিল।

তাৎপর্যপূর্ণ, এবারেও আখুন্দাজাদার কোনও ছবি প্রকাশ করেনি তালিবান সরকার। একটি অডিও রেকর্ড প্রকাশ করে দাবি করা হয় সেটি সর্বোচ্চ নেতার কণ্ঠ।

এই অডিও রেকর্ডে একজনকে বলতে শোনা গেছে, “গত ২০ বছর ধরে যারা কাফের এবং অত্যাচারীদের বিরুদ্ধে লড়াই করেছেন সেইসব নির্যাতিত আফগান জনগণকে সৃষ্টিকর্তা পুরস্কৃত করবেন। আমার এখানে আসার উদ্দেশ হলো আপনাদের জন্য দোয়া করা,আপনারাও আমার জন্য দোয়া করবেন।”

১০ মিনিটের ওই অডিও রেকর্ড মোল্লা আখুন্দাজাদার বলেই দাবি তালিবান সরকারের। তাদের তরফে রয়টার্সকে জানানো হয়, শনিবার কান্দাহারে জামিয়া দারুল উলুম হাকিমিয়া মাদ্রাসা পরিদর্শন করেছেন সর্বোচ্চ নেতা আখুন্দজাদা। 

তালিবানের সর্বোচ্চ এই নেতার একটি মাত্র ছবির সত্যতা যাচাই করতে সক্ষম হয়েছে রয়টার্স। ছবিটি ২০১৬ সালের মে মাসে তালিবানের টুইটার অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করা হয়েছিল।

বিগ ফ্লপ দেব সরকারকে ১০ গোলে হারানোর চ্যালেঞ্জ অভিষেকের

biplab-abhishekh

News Desk: ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবকে ‘বিগ ফ্লপ দেব’ বলে কটাক্ষ করলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। রবিবার ত্রিপুরার আগরতলায় এক সভায় অভিষেক বাছা-বাছা বাক্যবাণ নিক্ষেপ করেন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেবের বিরুদ্ধে। অভিষেক বলেন, রবিবার হল ছুটির দিন। এ দিনই ছুটি হয়ে গেল বিগ ফ্লপ দেববাবুর। গতকাল আমরা কোর্টে জিতেছি। ২০২৩-এ এই রাজ্যে আমরা ভোটে জিতবে।

অভিষেক এদিন বিপ্লব দেবকে একেবারে তুলোধোনা করে ছাড়েন। অভিষেক বলেন, মুখ্যমন্ত্রীর পাড়ার একটা ক্লাবের সম্পাদক হওয়ার মত যোগ্যতাও নেই। আইন-আদালত কোনও কিছুই মানেন না মুখ্যমন্ত্রী। লক্ষ লক্ষ লক্ষ যুবক যুবতীকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন। কিন্তু কাউকে একটিও চাকরিও দেননি। বরং উনি বহু মানুষের চাকরি খেয়েছেন। ১০ হাজার শিক্ষককে পথে বসিয়েছেন। ওনাকে দেখে ঠিক মহম্মদ বিন তুঘলক বলে মনে হয়। তবে এই মুহূর্তে বিপ্লব দেবকে সরানোর তো কোনও রাস্তা নেই। এজন্য আমাদের আর কয়েকটা মাস অপেক্ষা করতে হবে। ২০২৩-এর ভোটেই ত্রিপুরাবাসী বিপ্লব দেবকে ছুঁড়ে ফেলে দেবে।

আগরতলার এদিনের সভায় অভিষেক অবশ্য বিজেপি সরকারের তুলনায় প্রাক্তন বাম সরকারকে কিছুটা বাড়তি নম্বর দিয়েছেন। তিনি বলেন, বিজেপি সরকারের চেয়ে সিপিএম সরকার কিছুটা হলেও ভাল ছিল। কারণ সে সময় মানুষের কথা বলার স্বাধীনতা ছিল। মানুষ শান্তিতে রাস্তায় চলাচল করতে পারতেন। কিন্তু বিজেপি সরকারের আমলে সেটা হচ্ছে না। এখানে কেউ বাইরে থেকে এলে তাকে হোটেলের ঘর দেওয়া হচ্ছে না। খাবার দেওয়া হচ্ছে না। এমনকী, গাড়ি ভাড়া নিতে চাইলে তাও মিলছে না। এটাই ত্রিপুরার বিজেপি সরকারের সংস্কৃতি। বিজেপি আর সিপিএম সরকারের মধ্যে এমন কিছু তফাৎ নেই। তবে আগামী দিনে তৃণমূল কংগ্রেস এই রাজ্যে ক্ষমতায় এলে মানুষ স্বস্তির শ্বাস নিতে পারবে। আগামী দিনে বিজেপির উন্মাদ আর সিপিএমের হার্মাদের তৃণমূল বরবাদ করে ছাড়বে।

এদিনের সভায় অভিষেক ঘোষণা করেন, ডিসেম্বর মাসেই ত্রিপুরায় আসবেন দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিবেকানন্দ ময়দানে সভা করবেন নেত্রী। তবে সেই সভার তারিখ এখনও স্থির হয়নি। অভিষেক বলেন, আজ আমি খুঁটিপুজো সারলাম। ২০২৩- এ বিজেপির বিসর্জন হয়ে যাবে। আজ গোটা দেশ জানে, বিজেপি ভাইরাসের একটাই ভ্যাকসিন সেটা হল মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। রাজ্যের আসন্ন পুরভোটে মানুষকে বিজেপির বিরুদ্ধে ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ দেওয়ার আহ্বান জানান অভিষেক।

তিনি বলেন এখন পুরভোটে প্রথম ডোজ দিন। দ্বিতীয় ডোজ দেবেন ২০২৩- এর বিধানসভা নির্বাচনে। এদিন সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীকে হুমকি দিয়ে অভিষেক বলেন, ২০২৩-এ আমি এখানে ঘরবাড়ি নিয়ে বসে থাকব। ক্ষমতা থাকলে আমাকে আটকাও। ২০২৩- এর নির্বাচনে বিজেপিকে ১০ গোলে হারাবেন বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন অভিষেক।

Teipura: আগরতলা পুর নির্বাচনে BJP-CPIM কুস্তির মধ্যেই TMC খুঁজছে ফাঁক

abhishek

News Desk: রাতভর জনসভাস্থলের অনুমতি নিয়ে বিস্তর টালবাহানা চলেছে। সর্বশেষ ফের আগরতলায় পূর্ব নির্ধারিত রবীন্দ্রভবন সংলগ্ন স্থানেই মিলেছে তৃণমূল কংগ্রেসের জনসভার অনুমতি। এই মঞ্চে ভাষণ দেবেন টিএমসির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

সূত্রের খবর, গোয়ায় দলের ভোট পূর্ববর্তী কর্মসূচি সেরে কলকাতা ফিরবেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আসন্ন আগরতলা পুরনিগম ভোটে তিনিও প্রচারে আসবেন। তবে তার আগে ভাইপো কে দিয়েই নতুন করে ত্রিপুরায় রাজনৈতিক যুদ্ধ শুরু করিয়ে দিয়েছেন মমতা।

পশ্চিমবঙ্গে টানা তিনবার শাসনে এসে তৃণমূল কংগ্রেস বাংলাভাষী প্রধান রাজ্য ত্রিপুরায় নিজেদের বিস্তার ঘটাতে মরিয়া। সর্বশেষ ভোট পরিসংখ্যান বলছে তৃণমূল এ রাজ্যে ০.৩ শতাংশ ভোট পেয়েছে। সেই পুঁজি নিয়েই বারবার ত্রিপুরার শাসকদল বিজেপিকে আক্রমণ শুরু করেছে তৃণমূল।

আসন্ন আগরতলা পুরনিগম ভোটে পরীক্ষা দিতে মরিয়া টিএমসি। যদিও দলের তরফে কোনও প্রার্থী ঘোষণা হয়নি। টিএমসির দাবি, বিজেপি থেকে হু হু করে সমর্থক চলে আসছেন মমতার শিবিরে। টিএমসির উপর বারবার হামলার প্রমাণ রাজ্যের বিজেপি জোট সরকার ভীত। মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব গণতান্ত্রিক পথ নিতে চাননা।

আগরতলায় তৃণমূল কংগ্রেসের সভা ঘিরে রাজনৈতিক উত্তাপ ছিল শনিবার। রাতে সভার অনুমতি মিলতেই ‘বিজয় উল্লাস’ পালন করেন টিএমসি নেতা কর্মীরা। অভিযোগে এদের বেশিরভাগই পশ্চিমবঙ্গের। শুধুমাত্র রাজ্যে টিএমসির সাংগঠনিক প্রসারের দায়িত্ব নিয়ে আসা সুস্মিতা দেব অসমবাসী।

আগরতলা পুরনিগম দখলে শাসক বিজেপি ও বিরোধী সিপিআইএমের মধ্যে মূল লড়াই হবে। বিজেপি শিবিরও জানিয়েছে, বিরোধী বামেরা প্রচারে এগিয়ে। তবে রবিবার থেকেই পূর্ণ উদ্যমে নামছে বিজেপি। পুর যুদ্ধে রয়েছে একদা রাজ্যের শাসক ও টানা কয়েক দশক বিরোধী থাকা কংগ্রেস।

By Election: অ্যাই ধর ধর… চোর চোর…পালাচ্ছে ‘জাল ভোটার’কে তাড়া BJP প্রার্থীর

News Desk, Kolkata: হই হই কান্ড। গোলাপি জামা পরা এক যুবক দৌড়ে পালাচ্ছে। তার পিছনে দৌড়চ্ছেন খোদ প্রার্থী! তার পিছনে সংবাদ মাধ্যমের চিত্রগ্রাহকরা। অভিযোগ ওই যুবক জাল ভোটার।

খড়দহের উপনির্বাচনে সকাল থেকে পরপর ঘটনার ঘনঘটা। সেই ঘটনার একটি জাল ভোটার পাকড়াও মুহূর্ত। ঘটনাস্থল খড়দহ বিধানসভার তেঘরিয়ার শশীভূষণ বিদ্য়াপীঠ।

ভোট চলাকালীন এই বিদ্যালয়ে ঢুকে পড়া এক যুবকের সন্দেহজনক আচরণে তেড়ে গেলেন বিজেপি প্রার্থী জয় সাহা। তিনি একপ্রকার যুবককে জাপটে ধরে স্কুলের দেওয়ালে ঠেসে ধরলেন। ভোট কেন্দ্রের সামনে শুরু হল উত্তেজনা।

Kharda by election Fake voter

যুবক নিজেকে ভোটার বলে দাবি করে। তার ভোটার কার্ড দেখতে চান বিজেপি প্রার্থী। শুরু হয় বাদানুবাদ। সংবাদ মাধ্যমের প্রশ্নবাণে হতচকিত যুবক আবোল তাবোল বকতে শুরু করে। এক সময় সে দৌড়ে পালাতে যায়। পিছন পিছন দৌড়তে থাকেন বিজেপি প্রার্থী। ফের ধরা পড়ে ওই যুবক।

অভিযোগ, জাল ভোট দিতে এসেছিল যুবক। ঘটনার পর নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ দায়ের করেন বিজেপি প্রার্থী।

By election : মাথায় ইটের আঘাত, প্রাক্তন বাম বিধায়ক তন্ময় TMC কে দুষতে নারাজ

Tanmoy Bhattacharya

News Desk: উপনির্বাচনে হামলার মুখে পড়লেন প্রাক্তন সিপিআইএম বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্য (Tanmoy Bhattacharya)। তিনি দলের তরফে এদিন সকাল থেকেই খড়দহ বিধানসভার ভোট তদারকিতে আছেন। অভিযোগ, খড়দহ স্টেশন রোডে আক্রান্ত হন প্রাক্তন সিপিআইএম বিধায়ক তন্ময় ভট্টাচার্য। তাঁর গাড়ি লক্ষ্য করে ছোড়া হয় পাথর। সেটি লেগে মাথা ফাটে প্রাক্তন সিপিএম বিধায়কের।

জখম তন্ময়বাবু দলীয় দফতরে আসতেই সাংবাদিকরা জানতে চান তিনি কার বিরুদ্ধে অভিযোগ করছেন। উত্তর দমদম বিধানসভার প্রাক্তন বাম বিধায়কের স্পষ্ট জবাব, আমি কোনও দলকে দায়ি করছি না। এটি একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। আমার রাজনৈতিক সংস্কৃতি এমন নয় যে ব্যক্তিগত আক্রমণে যাব। তিনি বলেন, ২০১৬ বিধানসভা ভোটে আমি আক্রান্ত হয়েছিলাম। তখন অভিযোগ করেছিলাম তৃণমূল কংগ্রেসের বিরুদ্ধে। এবার আমি আক্রান্ত হয়েছি কিন্তু দয়া করে আমার মুখ দিয়ে কারোর বিরুদ্ধে অভিযোগ করাতে পারবেন না। কারণ, আমি হামলাকারীদের দেখতে পাইনি।

২০১৬ বিধানসভা ভোটে উত্তর দমদম থেকে জয়ী হয়েছিলেন তন্ময় ভট্টাচার্য। রাজ্যে তিনি সিপিআইএমের তরফে একজন পরিচিত নেতা। সম্প্রতি বিধানসভা ভোটে বামেদের বিরাট বিপর্যয় ও রাজ্যে শূন্য হয়ে যাওয়া নিয়ে দলীয় নির্বাচনী নীতির কড়া সমালোচনা করেন সোশ্যাল সাইট ও সংবাদ মাধ্যমে। এর জেরে সিপিআইএম রাজ্য কমিটির তরফে তন্ময়বাবুকে চুপ থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়।

By election: জ্বালানির জ্বলুনিতে দেশ, ১৩টি রাজ্যে মোদী-শাহর পরীক্ষা

by election

News Desk, Kolkata: জ্বালানি মূল্যে আগুন। কৃষক বিক্ষোভ। নিত্যপণ্যের মূল্য বৃদ্ধি সব কি উপনির্বাচনে প্রভাব ফেলব ১৩টি রাজ্য এবং একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে উপনির্বাচনে?

লোকসভা ও বিধানসভার মোট ৩২ টি আসনে উপনির্বাচনে প্রধানমন্ত্রী মোদী ফের পরীক্ষা দিতে চলেছেন। তেমনই বিরোধী কংগ্রেস ও আঞ্চলিক শক্তি হিসেবে তৃ়ণমূল কংগ্রেসের পরীক্ষা।

লোকসভা উপনির্বাচন :
কেন্দ্রশাসিত দাদরা ও নগর হাভেলি।
হিমাচল প্রদেশের মাণ্ডি।
মধ্যপ্রদেশের খান্ডোয়া।
বিধানসভা উপনির্বাচন :
অসমের ৫টি কেন্দ্র।
পশ্চিমবঙ্গের ৪টি কেন্দ্র।
মধ্যপ্রদেশ,হিমাচল প্রদেশ এবং মেঘালয়ে ৩টি করে কেন্দ্র।
বিহার, কর্ণাটক এবং রাজস্থানে ২ টি করে কেন্দ্র।

By Election: ৪-০ গোলে জিততে চায় TMC, ভোট লুঠের আশঙ্কা বিরোধীদের

WB by election

News Desk: লক্ষ্য ৪-০ গোলে জয়ী হওয়া। তাতেই মশগুল শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস। বিরোধী বিজেপি চিন্তিত ভোট লুঠের আশঙ্কায়। শূন্য হয়ে যাওয়া বামেরা টার্গেট করছে ভোট শতাংশ বাড়িয়ে নেওয়ার। এরই মাঝে উদ্বেগহীন তৃণমূল নেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় উপনির্বাচন ফেলে রেখে গোয়ার ভোট নিয়ে মেতে আছেন।

মুখ্যমন্ত্রীর গোয়া সফর ইঙ্গিত দিচ্ছে রাজ্যে যে চারটি কেন্দ্রে উপনির্বাচন- দিনহাটা (কোচবিহার), খড়দহ (উ: ২৪ পরগনা), গোসাবা (দ:২৪ পরগনা).ও শান্তিপুর (নদিয়া) সেখানে একতরফা জয় আশা করছে টিএমসি।
সাম্প্রতিক যে তিনটি আসনে (ভবানীপুর, সামসেরগঞ্জ ও জঙ্গিপুর) উপনির্বাচন হয়েছে তাতে ৩-০ গোলে জয়ী হয় তৃণমূল কংগ্রেস। এতে লাভের লাভ ‘হেরো মুখ্যমন্ত্রী’র তকমা ঘুচিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ফের বিধায়ক হয়েছেন।

শনিবার আরও চারটি আসনের উপনির্বাচনে সেই জয় ধরে রাখতে আদাজল খেয়ে নেমেছে টিএমসি। প্রচার করেছে বিজেপি ও সিপিআইএম। তবে উপনির্বাচনে বিরোধীদের আশঙ্কা ভোট লুঠের। শাসক টিএমসির দাবি, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উন্নয়ন নীতি দলকে জিতিয়ে দেবে।

নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, চারটি কেন্দ্রেই ভোট নির্বিঘ্নে করতে পর্যাপ্ত ১০০ কেম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে। সমস্ত বুথেই কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ৫০ শতাংশ বুথে ওয়েব কাস্টিং চালানো হবে।

দিনহাটা ও শান্তিপুরে জয় ধরে রাখতে মরিয়া বিজেপি। খড়দহ ও গোসাবা তৃণমূল গত বিধানসভায় জয়ী হয় টিএমসি। একমাত্র শান্তিপুরে বামেরা কড়া প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতা করতে পারে বলে পরিসংখ্যান বলছে। যদিও রাজ্যে এখন বামেদের অবস্থা দেখে কে বলবে সিপিআইএম টানা ৩৪ বছর সরকারে ছিল।

টাকা দিলে তবেই ভোট মিলবে বলে স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন গ্রামবাসীরা

vote for cash

News Desk, New Delhi: রাত পোহালেই তেলেঙ্গানার হুজুরাবাদ বিধানসভা কেন্দ্রের উপনির্বাচন। কিন্তু এই উপনির্বাচনের আগে ওই কেন্দ্রের বীনাবাঙ্কা গঙ্গারাম গ্রামের গ্রামবাসীদের বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে জমে উঠেছে রাজনৈতিক কাজিয়া। বিধানসভা নির্বাচনে হুজুরাবাদ কেন্দ্রটি দখল করেছিল রাজ্যের শাসক দল টিআরএস। কিন্তু বিধায়কের মৃত্যু হওয়ায় ওই কেন্দ্রে উপ-নির্বাচন হচ্ছে আগামীকাল শনিবার।

উপ নির্বাচনের আগে গত কয়েকদিন ধরেই বীনাবাঙ্কা গঙ্গারাম গ্রামের বাসিন্দারা তুমুল বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। গ্রামবাসীরা স্পষ্ট জানিয়েছেন, তাঁদের একটি মূল্যবান ভোট পেতে হলে টাকা দিতে হবে। আগে টাকা পরে ভোট। টাকা না পেলে কোনওভাবেই তাঁরা বুথমুখো হবেন না।

গ্রামের মহিলাদের অভিযোগ, আগের বিধানসভা নির্বাচনে টিআরএস তাঁদের ভোট দেওয়ার জন্য টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। সেকারণেই তাঁরা টিআরএস প্রার্থীকে ভোট দিয়েছিলেন। কিন্তু ভোট মিটে গেলেও টিআরএসের পক্ষ থেকে আর টাকা দেওয়া হয়নি।

শুক্রবার সকালে ওই গ্রামের সরপঞ্চের বাড়ির সামনে বহু মহিলা বিক্ষোভ দেখান। তাঁদের অভিযোগ, বেছে বেছে কিছু পরিবারকে মুখ বন্ধ খামে টাকা দেওয়া হয়েছে। কিন্তু টাকা যদি দিতেই হয় তবে সকলকেই দিতে হবে। টাকা না দিলে তাঁরা কেউ ভোট দিতে যাবেন না। ওই মহিলারা আরও বলেন, তাঁরা নিতান্তই গরীব। তাঁদের বাড়িঘর কিছুই নেই। দু’বেলা দু’মুঠো খাবারও জোটে না। এই অবস্থায় ভোট দিলে যদি কিছু টাকা মেলে তো সেটাই লাভ। তাই টাকা না পেলে তাঁরা ভোট দেবেন না।

গ্রামবাসীদের দাবি মুখ্যমন্ত্রী কেসিআর তাঁদের জন্য টাকা পাঠান। কিন্তু স্থানীয় নেতারা সেই টাকা নিজেদের পকেট পুরেছেন। মহিলাদের বিক্ষোভ ও দাবির বিষয়টি সামনে আসতেই সরব হয়েছে কংগ্রেস। তেলেঙ্গানার প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি অভিযোগ করেছেন, বিজেপি ও টিআরএস দুই দলই ভোটারদের কিনতে এভাবেই টাকা ছড়িয়ে থাকে।

এতদিন তাঁরা টাকা দেওয়ার অভিযোগ করলেও কেউ সে কথা বিশ্বাস করেনি। কিন্তু বীনাবাঙ্কা গ্রামের বাসিন্দাদের এই বিক্ষোভই প্রমাণ করে দিল যে, বিজেপি এবং টিআরএস রীতিমতো টাকা দিয়ে ভোট কেনে। এই মুহূর্তে কেন্দ্রে ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি। অন্যদিকে রাজ্যে টিআরএস। তাই তাদের টাকার কোনও অভাব নেই। টিআরএস তো এক একটি পরিবারকে ছয় থেকে আট হাজার টাকা দিচ্ছে। বিজেপিও পিছিয়ে নেই। তারাও দিচ্ছে দেড় থেকে দু’হাজার টাকা।

কংগ্রেস নেতৃত্বের দাবি, নির্বাচন কমিশনের উচিত হুজুরাবাদ কেন্দ্রের উপনির্বাচন বাতিল করা। কারণ এই নির্বাচনে বিজেপি ও টিআরএস টাকা দিয়ে ভোট কিনছে। তাই এই ভোটে মানুষের মতামতের প্রকৃত প্রতিফলন হবে না। বিজেপিও টিআরএস ক্ষমতার অপব্যবহার করে নির্বাচনকে পরিহাসে পরিণত করেছে।

UP Election: ৩০০ + আসন টার্গেট দিলেন অমিত শাহ

amit shah

News Desk: আসন্ন উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি জয়ী হচ্ছে বিপুল ভোটে। এমনই দাবি করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। তিনি বলেন ৩০০ টির বেশি আসন নিয়ে রাজ্যে ফের যোগী আদিত্যনাথের নেতৃত্বে সরকার পুনরায় গঠিত হবে।

গত বিধানসভা ভোটে উত্তর প্রদেশে ৩১৪ টি আসন নিয়ে সরকার গড়ে এনডিএ জোট। ৩০৫টি আসনে জয়ী হয়েছিল বিজেপি আর বাকি ৯টি আসনে জয়ী হয় আপনা দল। বিরোধী সমাজবাদী পার্টির দখলে ৫০টি আসন সহ বাকিদের মিলিয়ে মোট ৮১টি আসন রয়েছে।

অমিত শাহ টার্গেট ঠিক করে দিয়ে বলেন, কেন্দ্রে মোদীর নেতৃত্বে শক্তিশালী ভারত সরকার গড়তে উত্তর প্রদেশে যোগী সরকার জরুরি। নির্বাচন উপলক্ষে বিজেপির প্রচার কর্মসূচির সূচনা করেন অমিত শাহ।

উত্তর প্রদেশ নির্বাচনের জন্য বিজেপি ‘মেরা পরিবার ভাজপা পরিবার’ কর্মসূচি নিয়েছে। দলীয় প্রচারকরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ভোটারদের নিজ পক্ষে টেনে আনবেন। এমনই জানান অমিত শাহ।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, গত ৫ বছরে কেন্দ্র ও রাজ্যে বিজেপি সরকার প্রতিশ্রুতির নব্বই শতাংশ কাজ করেছে। সেই নিরিখেই নির্বাচনে পুনরায় জয়ী হবে বিজেপি।

নরেন্দ্র মোদি সরকারই পেগাসাস সফটওয়্যার কিনেছে: চিদাম্বরমের

Narendra Modi and P Chidambaram

News Desk, New Delhi: ফের নরেন্দ্র মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন কংগ্রেস নেতা ও দেশের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী পি চিদম্বরম। ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূতের কথা উল্লেখ করে চিদাম্বরম বলেন, নরেন্দ্র মোদি সরকারই যে পেগাসাস সফটওয়্যার কিনেছে তাতে আর কোনও সন্দেহ নেই।

বৃহস্পতিবার ভারতে নিযুক্ত ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূত নাওর গিলন বলেছিলেন, পেগাসাস সফটওয়্যার নির্মাতা সংস্থা এনএসও শুধুমাত্র কোনও দেশের সরকারকেই ওই সফটওয়্যার বিক্রি করতে পারে। যদিও সেই বিক্রির আগে ইজরায়েল সরকারের কাছ থেকে তাদের অনুমতি নিতে হয়।

গিলনের ওই মন্তব্যকে হাতিয়ার করে চিদম্বরম বলেন, ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূতের কথায় এটা পরিষ্কার যে, নরেন্দ্র মোদি সরকারই পেগাসাস সফটওয়্যার কিনেছিল। মোদি সরকার কাউকেই বিশ্বাস করে না। সে কারণেই তারা এই সফটওয়্যার কিনে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রী এমনকী, বিচার বিভাগের ওপরেও নজরদারি চালিয়েছে। নরেন্দ্র মোদি সরকার এক চরম স্বৈরাচারী সরকার।

এই সরকার দেশের মানুষকে বিশ্বাস করে না। বিরোধী রাজনৈতিক দলের উপর নজরদারি চালাতেই এই সফটওয়্যার কেনা হয়েছে। ইজরায়েলি রাষ্ট্রদূত স্বীকার করে নিয়েছেন যে, সরকার ছাড়া এই সফটওয়্যার কাউকেই বিক্রি করা যায় না। তাহলে ভারতে যদি পেগাসাস এসে থাকে সেটা তো সরকারই এনেছে। এই মুহূর্তে তো সরকারের রয়েছেন নরেন্দ্র মোদি ও তাঁর দল। তাই পেগাসাস সফটওয়্যার দেশে আনার দায় মোদি সরকারের উপরেই বর্তায়।

চিদম্বরম আরও বলেন, পেগাসাস নিয়ে এই কারণেই নরেন্দ্র মোদি সরকার নীরব রয়েছে। সংসদেও তারা বিষয়টি নিয়ে কোন শব্দ খরচ করেনি। এমনকী, সুপ্রিম কোর্টে মামলা চলাকালীনও তারা খোলসা করে কোনও কিছুই জানায়নি। তাই পেগাসাস বিতর্কে সুপ্রিম কোর্ট যে রায় ঘোষণা করেছে তা যথাযথ। পেগাসাস সম্পর্কে জানতে শীর্ষ আদালত তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে।

ওই তদন্ত কমিটি তার কাজ শুরু করলেই মোদি সরকারের গোপন তথ্য প্রকাশ্যে আসবে। মোদি সরকার কিভাবে দেশের বিচার বিভাগ, প্রশাসনিক বিভাগ ও রাজনৈতিক নেতা-নেত্রীদের উপর পেগাসাস সফটওয়্যারের মাধ্যমে নজরদারি চালিয়েছে সে বিষয়টি স্পষ্ট হবে। দেশবাসীর সামনে মোদি সরকারের মুখোশ খুলে দেওয়া দরকার।

উল্লেখ্য বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় এক সাংবাদিক বৈঠকে ইজরায়েলের রাষ্ট্রদূতের গিলন বলেন, এনএসও নামে একটি বেসরকারি সংস্থা পেগাসাস সফটওয়্যার তৈরি ও বিক্রি করে থাকে। কিন্তু বিক্রি করার আগে তাদেরকে ইজরায়েল সরকারের অনুমতি নিতে হয়। শুধুমাত্র কোনও দেশের সরকারকেই এই সফটওয়্যার বিক্রি করতে পারে এনএসও। নরেন্দ্র মোদি সরকার কি এই সফটওয়্যার কিনেছে? এই প্রশ্নের সরাসরি কোনও উত্তর দেননি গিলন। তিনি বলেন, পেগাসাস নিয়ে ভারতে যে বিতর্ক চলছে সেটা একেবারেই এদেশের অভ্যন্তরীণ ব্যাপার। তাই তিনি এ বিষয়ে কোনও রকম বিতর্কে জড়াবেন না। এনএসও এপর্যন্ত কোন কোন দেশের সরকারকে এই সফটওয়্যার বেচেছে সেই তথ্য কি ইজরায়েল সরকারের কাছে আছে? এই প্রশ্নের অবশ্য কোনও উত্তর দেননি গিলন।