Singapore: রাখে করোনা মারে কে ! শেষ মুহূর্তে ফাঁসি স্থগিত

nagendra

News Desk: সব ঠিক। মরে যাবে আসামী। হবে তার চরম দণ্ড। তখনই এলো করোনা পজিটিভ রিপোর্ট। একেবারে শেষ মুহূর্তে কোভিড আক্রান্ত ফাঁসির আসামীর শাস্তি রদ করা হয়েছে। সিঙ্গাপুরের (Singapore) ঘটনা।

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে আপাতত আয়ু পেয়েছে নগেনদ্রন ধর্মলিঙ্গম নামে এক মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামী। মাদক মামলায় তার ফাঁসির সাজা হয়েছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, বুধবার  সকালেই নগেনন্দ্রন ধর্মলিঙ্গমকে ফাঁসির দড়িতে ঝোলানোর সব প্রক্রিয়া শেষ করা হয়েছিল।  আসামীকে সেই বার্তা দেওয়া হয়। এরপর খেল দেখিয়ে দিল করোনা ভাইরাস।

যেহেতু আসামী অসুস্থ। তাই তাকে ফাঁসি দেওয়া যাবে না। এই নিয়মে মৃত্যুদণ্ড সাময়িক রদ করেছে সিঙ্গাপুর সরকার।  আদালত জানায়, মানবতার খাতিরে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত শাস্তি স্থগিত করা হলো।

৩৩ বছর বয়সী নগেনন্দ্রন ধর্মলিঙ্গম ভারতীয় বংশোদ্ভুত  মালয়েশিয়ার নাগরিক। ২০০৯ সালে মাদক মামলায় সিঙ্গাপুরে গ্রেফতার করা হয় তাকে। তার কাছে ৪২. ৭২ গ্রাম হেরোইন মিলেছিল। এরপর তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয় সিঙ্গাপুরের আদালত। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে এই মামলা চলছে। সম্প্রতি তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের নির্দেশ দেয় আদালত।

মাদক মামলায় নগেন্দ্রনের ফাঁসির ইস্যুটি আন্তর্জাতিক মহলে এসেছে। মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী সহ অনেকেই সিঙ্গাপুর সরকারের কাছে এই মৃত্যুদণ্ড শাস্তি রদ করার অনুরোধ করেন। তবে অনড় ছিল সিঙ্গাপুর সরকার।

ফাঁসির আসামীর আইনজীবীর দাবি, তার মক্কেল মানসিকভাবে পুরোপুরি সুস্থ নন। মৃত্যুদণ্ড বাতিল করা হোক। 

Coochbehar: এক ধাক্কায় তিন BJP বিধায়কের TMC যোগের জল্পনা

BJP-Bengal

News Desk: শারোদৎসবের আগে থেকেই জল্পনা ছিল বিরোধী বিজেপি বিধায়কদের অন্তত ১২ জন আর বেশ কয়েকজন সাংসদ দলত্যাগের পথে। উৎসব শেষে উত্তরবঙ্গে বিজেপি শিবিরে ধস শুরু হতে চলল। সূত্রের খবর, কোচবিহারের তিন বিধায়ক দলত্যাগে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁদের দাবি, বিজেপিতে থেকে দমবন্ধ হয়ে আসছে! দলে থেকে কাজ করতে পারছেন না।

তবে এই তিন বিধায়কের বিষয়ে খোলাখুলি জানাতে নারাজ জেলা ও রাজ্য তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা। তবে শাসক শিবিরের দাবি, বেশিরভাগ বিজেপি বিধায়ক দলত্যাগে মরিয়া। যারা বিধানসভা ভোটের আগে চলে গেছিলেন তাদের মধ্যে হেভিওয়েটরা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ নেওয়ায় বাকিরা আর থাকতে চাইছেন না।

সম্প্রতি যে চার বিধানসভার উপনির্বাচন হয়েছে তাতে বিরোধী দল বিজেপি নিজের জেতা আসন হারানো ও জামানত খুইয়ে বিপর্যস্ত। কোচবিহারেই তৃণমূল কংগ্রেস বিধানসভায় ৫৭ ভোটে পরাজয়ের বদলা নিয়েছে লক্ষাধিক ভোটে জয়ী হয়ে। তাৎপর্যপূর্ণ, বিজেপির ভোট কমেছে, বামফ্রন্টের ভোট বেড়েছে। তবে বামেরা এখনও শূন্য।

উত্তরবঙ্গে আলিপুরদুয়ার ও কোচবিহারে বিজেপি শক্তিশালী হয় পঞ্চায়েত ভোটের পর থেকে। লোকসভা ও বিধানসভায় উত্তরবঙ্গে ভালো ফল করে বিজেপি। সেখানেই শুরু ধস। উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের বিধায়ক কৃষ্ণকল্যাণী বিজেপি ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দিয়েছেন। এবার বিরোধী দলের রাজ্য দফতরে এসেছে কোচবিহার থেকে দু:সংবাদ।

দক্ষিণবঙ্গে বিজেপির বেশকিছু বিধায়ক দলত্যাগে মরিয়া। প্রবল জল্পনা বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে। তিনি যে বিরোধী দলনেতার তকমা হারাচ্ছেন তার ইঙ্গিত দিয়েছেন সেচমন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র। তিনি বলেছেন, শুভেন্দু অধিকারী তৃণমূলে ফিরবেন। তবে শুভেন্দুবাবু জানান, সৌমেন মহাসাত্র ‘সুরা পান করে’ এমন কথা বলেছেন।

বিজেপির অন্দরমহলে বিধায়কদের দলত্যাগের আশঙ্কা ক্রমে বড় আশঙ্কার কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে। রাজ্য দফতর মুরলীধর সেন লেনে কানাঘুসো, পুর নির্বাচন ঠিকমত করা যাবে কিনা তা নিয়েই প্রশ্ন।

Lakhimpur: অমিত শাহ ঘনিষ্ঠ মন্ত্রী-পুত্রের পিস্তল থেকে চলেছিল ‘গুলি’

video proved that the farmers were crushed to death by the wheel of the car

News Desk: উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে মেরে ফেলার মামলায় বারবার অভিযোগ উঠেছে ওই দিন গুলিও চলানো হয়েছিল। ঘটনার তদন্তে উঠে আসছে একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য।

ফরেনসিক রিপোর্টে জানানো হয়েছে, ৩ অক্টোবর ঘটনার দিন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অজয় মিশ্রর (ajay mishra) ছেলে আশিস মিশ্রর (ashis mishra) পিস্তল থেকেই গুলি চালানো হয়েছিল।

লখিমপুরের (lakhimpur) ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি করেছিলেন, কেন্দ্রের কৃষি আইনের প্রতিবাদে বিক্ষোভ চলাকালীন চার কৃষককে পিষে দেওয়ার পর বেশ কয়েকটি গুলির শব্দ শোনা গিয়েছিল। কোথা থেকে ওই গুলি চালানো হয়েছিল তা জানতে উত্তরপ্রদেশ পুলিশকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।

তদন্তে জানা গিয়েছে, মন্ত্রীর ছেলে আশিস মিশ্র ও তার বন্ধুরা যে গাড়িতে ছিলেন সেই গাড়ির ভিতর থেকেই গুলি চালানো হয়েছিল। ফরেনসিক রিপোর্টের ভিত্তিতেই এই দাবি করেছে পুলিশ।

ঘটনার মূল অভিযুক্ত মন্ত্রীর ছেলের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিলেন জগজিৎ সিং (jagjit singh) নামে এক কৃষক। ওই কৃষক তাঁর অভিযোগে বলেন, ঘটনার সময়ে ওই এসইউভিতে ছিলেন আশিস। আশিসের গাড়ি কৃষকদের মধ্যে ঢুকে পড়ে ৪ জনকে পিষে দিয়ে চলে যায়। গাড়ির ধাক্কায় ছিটকে পড়ে অনেকেই গুরুতর জখম হন। এরপরই বেশ কয়েক রাউন্ড গুলির শব্দ শোনা যায়। গাড়ির ভেতর থেকে আশিস গুলি চালিয়েছিল। ঘটনার তদন্ত শুরু করে লখিমপুর থেকে ০.৩১৫ বোর বুলেট কুড়িয়ে পায় পুলিশ।

উল্লেখ্য, লখিমপুর খেলার ওই ঘটনায় এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয়ের ছেলে আশিস-সহ আরও ১০ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ওই ঘটনায় স্বতপ্রণোদিত হয়ে একটি মামলা করেছে সুপ্রিম কোর্ট।

সোমবার ওই মামলার শুনানিতে উত্তরপ্রদেশে পুলিশের ভূমিকা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করে দেশের প্রধান বিচারপতির নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বেঞ্চ। শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ স্পষ্ট জানায়, লখিমপুর তদন্তের গতি অত্যন্ত ধীরগতিতে চলছে। এভাবে তদন্তের কাজ চললে কবে এই মামলা শেষ হবে!

একই সঙ্গে বেঞ্চ যোগী আদিত্যনাথ (yogi adityanath) সরকারকে লখিমপুরের হিংসার ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত রিপোর্ট পেশ করার নির্দেশ দিয়েছে। আগামী শুক্রবার সুপ্রিম কোর্টে (supreme court)এই মামলার পরবর্তী শুনানি

Bangladesh: অর্থ পাচার মামলায় প্রথম হিন্দু প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার জেল

bangladesh chief justice sk sinha

News Desk: নজির গড়ে বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি হয়েছিলেন সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। সংবিধানের আইন সংশোধনী নিয়ে আওয়ামী লীগ সরকারের সঙ্গে তীব্র মতভেদের মাঝে বিদেশে চলে গিয়েছেন পদত্যাগ করে। এর পরে তাঁর বিরুদ্ধে দায়ের করা হয় ঋণ জালিয়াতি এবং অর্থ পাচারের মামলা। সেই মামলায় প্রাক্তন বিচারপতি সিনহাকে ১১ বছরের জেলের সাজা দিল আদালত।

আপাতত কানাডায় রয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহা। তাঁকে ফিরিয়ে আনা যাবে কিনা সে বিষয়ে জটিলতা রয়েছে। বাংলাদেশ তৈরির পর তিনিই ছিলেন দেশটির প্রথম হিন্দু প্রধান বিচারপতি।

বিবিসি জানাচ্ছে, এসকে সিনহার বিরুদ্ধে ঋণ জালিয়াতির মামলায় ৪ বছর এবং অর্থ পাচারের মামলায় ৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪ এর বিচারক শেখ নাজমুল আলম এই রায় ঘোষণা করেন।

বর্তমানে পদ্মা ব্যাংক (পূর্বতন ফারমার্স ব্যাংক) থেকে চার কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের মামলায় প্রাক্কন প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহাসহ ১১ জন আসামির আটজনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাজা দেওয়া হয়েছে। রায় দেবার সময় বিচারক উল্লেখ করেছেন,ঋণের টাকা অবৈধভাবে এসকে সিনহার অ্যাকাউন্টে স্থানান্তরিত হয়েছিল।

বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি থাকাকালীন এসকে সিনহার সঙ্গে সরকারের সঙ্গে প্ মতবিরোধ হয় দেশটির সংবিধানের ষোড়শ (১৬) সংশোধনী নিয়ে। এই সংশোধনী অনুসারে বিচারপতিদের অপসারণের ক্ষমতা সংসদকে দেওয়া হয়েছে। এই সংশোধনী প্রয়োগ নিয়েই শেখ হাসিনার সরকার ও তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এসকে সিনহার সংঘাত তীব্র হয়েছিল।

প্রবল বিতর্কের মাঝে এসকে সিনহা বাংলাদেশ ত্যাগ করেন। দেশ ছাড়ার আগে খোলা চিঠিতে সরকারের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। প্রথমে অস্ট্রেলিয়া পরে কানাডায় চলে যান তিন। এখন রয়েছেন কানাডাতে।

‌এসকে সিনহার দেশত্যাগে বিতর্কের মুখে পড়ে শেখ হাসিনার সরকার। বিএনপি সহ বিভিন্ন গণসংঠন ও আন্তর্জাতিক স্তরে অভিযোগ, বিরোধীপক্ষের অভিযোগ, বিচার ব্যবস্থাকে নিয়ন্ত্রণ করতে চাইছে সরকার।এর পরেই এসকে সিনহার বিরুদ্ধে আর্থিক জালিয়াতির মামলা দায়ের করে বাংলাদেশ দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

Birbhum: ‘তৃণমূলীরাই খুন করেছে’ অভিযোগ মৃত CPIM সমর্থক বাদল শেখের স্ত্রীর

TMC

News Desk: তৃণমূল কংগ্রেসের কয়েকজন এসে ডেকে নিয়ে মারধর করেছিল। হাসপাতালে চিকিৎসা করাতে দেয়নি। তৃণমূলীরাই খুনের জন্য দায়ি। এমনই অভিযোগ করলেন নানুরে খুন হওয়া সিপিআইএম সমর্থক বাদল শেখের স্ত্রী জরিনা বিবি।

বাদল শেখ খুনের ঘটনায় বীরভূম জেলা সিপিআইএমের তরফে তীব্র ক্ষোভ জানানো হয়েছে। দলের রাজ্য সম্পাদক সূর্যকান্ত মিশ্র বলেছেন, নভেম্বর বিপ্লবের বার্ষিকীতে রক্তপতাকা তুলেছিল বলে বাদল শেখকে খুন করা হলো। এই হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদ হবে রাজ্যের সর্বত্র।

উল্লেখ্য বীরভূমের নানুর বিধানসভাটি এবার তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে। পরাজিত হন গতবারের বিধায়ক সিপিআইএমের শ্যামলী প্রধান। নির্বাচনী প্রচারে প্রকাশ্যে নির্বাচন কমিশনের ক্যামেরার সামনেই শ্যামলী প্রধানের হাত কেটে নেওয়ার হুমকি দেয় স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস নেতা। সেই ঘটনায় রাজ্য জুড়ে প্রবল আলোড়ন পড়েছিল। টিএমসি জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল নানুর জয় করতে মরিয়া ছিলেন। জানিয়েছিলেন নানুর তাঁর প্রেস্টিজ আসন। ভোটে বামেরা রাজ্যে শূন্য হয়ে গিয়েছে।

ভোটে পরাজয় হলেও বীরভূম জুড়ে ক্ষেতমজুর সংগঠনের মাধ্যমে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের কৃষি আইনের বিরোধিতা করে আন্দোলন চালাচ্ছে সিপিআইএম। রাজনৈতিক সংঘর্ষ কবলিত নানুর বারবার উত্তপ্ত হয়েছে।

নিহত বাদল শেখ নানুরের পরিচিত বাম সমর্থক। জানা গিয়েছে তিনি প্রতিবছর ১ নভেম্বর নিজের বাড়িতে নভেম্বর বিপ্লব দিবসে দলীয় পতাকা তুলতেন। তাঁর স্ত্রী জরিনা বিবির অভিযোগ, দিনটি পালন না করার হুমকি দিয়েছিল তৃণমূলীরা। সেকথা শোনেনি তার স্বামী।

অভিযোগ, সোমবার সকালে নানুরের বালিগুনি বাসস্ট্যান্ডে বাদল শেখকে ঘিরে নেয় স্থানীয় তৃণমূল কংগ্রেস সমর্থকরা। তারা কৈফিয়ত চায়, কেন বাড়িতে সিপিএমের পতাকা তোলা হয়েছে। বাদল শেখের সঙ্গে শুরু হয় বচসা ও হাতাহাতি। মারধরে অসুস্থ হয়ে পড়েন বাদল শেখ।

জরিনা বিবির আরও অভিযোগ, অসুস্থ স্বামীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে দেয়নি তৃ়ণমূলীরা। বিনা চিকিৎসায় তার মৃত্যু হয়েছে। অভিযোগের জবাবে নিরুত্তর জেলা তৃণমূল কংগ্রেস নেতারা।

COP26 : ঘাড়ের কাছে বিপদ, মহাসাগর থেকে টুভালুর সতর্কতায় বিশ্ব কাঁপল

united-nations-climate-change-conference

News Desk: বিশ্ব উষ্ণয়নে বাড়ছে সাগর, মহাসাগরের জলস্তর। ভয়াবহ পরিস্থিতির মুখে বিশ্ব। তবে উন্নত দেশগুলি মুখেই আশঙ্কা করছে। এই পরিস্থিতিতে স্কটল্যান্ডের রাজধানীতে রাষ্ট্রসংঘের জলবায়ু সম্মেলন কপ-২৬ উপলক্ষে বিশ্বকে সতর্কতা দিল ছোট দ্বীপ রাষ্ট্র টুভালু।

সাগর জলে দাঁড়িয়ে টুভালির বিদেশমন্ত্রী সাইমন কোফে বলেছেন, পরিস্থিতি কীরকম তা আন্দাজ করতেই এই বার্তা। যেভাবে জলস্তর বাড়ছে তাতে টুভালু নিশ্চিহ্ন হয়ে যাবে।

প্রশান্ত মহাসাগরের তটরেখায় একহাঁটু জলে দাঁড়িয়ে সানুদ্রিক জলস্তর বৃদ্ধির যে সতর্কতা দিল টুভালু সরকার, তা বিশ্বজুড়ে শোরগোল ফেলে দিয়েছে। তাৎপর্যপূর্ণ, এমন সতর্কতা আর কোনও দেশ দিতে পারেনি এই সম্মেলনে।

united-nations-climate

মঙ্গলবার দ্বীপরাষ্ট্র টুভালুর সরকার তাদের অবস্থান ও সতর্কতা সংক্রান্ত বার্তা দেবে এমনই নির্ঘণ্ট তৈরি। সেই সূচি মেনে টুভালুর বিদেশমন্ত্রী ভিডিও বার্তা পাঠান জলবায়ু সম্মেলনে। তারই কিছু ছবি বিশ্বজুড়ে ভাইরাল হয়েছে।

২০০৯ সালে বিশ্ব উষ্ণায়ণ নিয়ে মালদ্বীপ সরকার বিশ্বকে সতর্কতা দিয়েছিল ভারত মহাসাগরের  তলায় বিশেষ মন্ত্রিসভার বৈঠক করে। তৎকালীন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মহম্মদ নাশিদ ও মন্ত্রিসভার সদস্যরা ডুবুরির পোশাক পরে এই বৈঠক করেন।

বিবিসি জানাচ্ছে, জলবায়ু সম্মেলন কপ ২৬ ইতিমধ্যেই বিতর্কিত। কারণ, আবহাওয়া ও প্রকৃতি বিশেষজ্ঞ আর বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন সম্মেলন বিভিন্ন দেশের ভূমিকা নিয়ে প্রবল বিরোধিতায় সামিল। বারবার গ্লাসগো শহর বিক্ষোভে সরগরম হয়েছে। বিশৃঙ্খল পরিবেশ রুখচে সম্মেলনস্খলে কড়া নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছে।

বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বড় বড় দেশগুলি শুধু দেখনদারি প্রতিবাদ করেই দায় ঝাড়ছে। তাদের উদাসীনতায় বহু দেশ বিপদের সামনে।

বিবিসি জানাচ্ছে, জলবায়ু সম্মেলন থেকে বার্তা এসেছে এটাই শেষ সুযোগ। সম্মেলনের সভাপতি, ব্রিটিশ মন্ত্রী অলোক শর্মা বলেছেন, এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ বিশ্ব তাপমাত্রা বৃদ্ধি হার ১.৫ ডিগ্রিতে বা তার নীচে সীমাবদ্ধ রাখতে হলে এখনি পদক্ষেপ নিতে হবে। তিনি বলেন, ”ছয় বছর আগে প্যারিসে আমরা একটি যৌথ লক্ষ্য নির্ধারণ করেছিলাম,” ২০১৫ সালে প্যারিসে বৈশ্বিক উষ্ণতা ২ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামিয়ে আনার চুক্তি হয়েছিল। সেখানে ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে নামিয়ে আনার চেষ্টার কথা বলা হয়েছিল।”

Kolkata: বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করেই কলকাতা বইমেলা

Kolkata Book Fair

News Desk: অবশেষে দিনক্ষণ ঠিক হলে। করোনা সংক্রমণ থাকলেও পরিপূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি বজায় রেখেই শুরু হতে চলেছে কলকাতা আন্তর্জাতিক পুস্তক মেলা। পূর্ব ঘোষণা মতো প্রতিবেশি বাংলাদেশ হচ্ছে থিম কান্ট্রি। আর বাংলাদেশের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে উন্নতি করা হচ্ছে বইমেলা। এমনই জানিয়েছে পাবলিশার্স অ্যান্ড বুকসেলার্স গিল্ড।

আগামী ৩১ জানুয়ারি থেকে সল্টলেকের সেন্ট্রাল পার্কে শুরু হবে বইমেলা। মেলা চলবে ৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। করোনা সংক্রমণ কারণে বারবার সময়সূচি বদলেছে বইমেলা। সংক্রমণ রয়েছে। তবে তার গতি কম। ফলে মেলা শুরুর ঘন্টা বাজল।

বইমেলায় এবার ভারত-বাংলাদেশ মৈত্রীর ৫০ বছর পূর্তি বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে। ১৯৭১ সালে পাকিস্তান থেকে ছিন্ন হয়ে রক্তাক্ত মুক্তিযুদ্ধের পর তৈরি হয় বাংলাদেশ। ভারত-পাকিস্তান যুদ্ধের অন্যতম পর্ব ছিল পূর্ব পাকিস্তানের স্বাধীনতার লড়াই ‘মুক্তিযুদ্ধ’। পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতা এই মুক্তিযুদ্ধে তৎকালীন প্রবাসী বাংলাদেশ সরকার (মুজিবনগর সরকার) এর সদর কার্যালয়। বাংলাদেশ তৈরির পর কলকাতায় এসে শেখ মুজিবুর রহমান ও ইন্দিরা গান্ধী ঐতিহাসিক জনবহুল গণসংবর্ধনায় ভাষণ দিয়েছিলেন। আন্তর্জাতিক কিংবদন্তি নেতা ও বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পিতা শেখ মুজিবুর রহমান।

বঙ্গবন্ধুর ছাত্রাবস্থা ও রাজনীতির শুরু কলকাতা থেকেই। তিনি বাংলাদেশের শাসন ক্ষমতায় আসা ও বাংলাদেশ তৈরির সুবর্ণ জয়ন্তী চলছে। একইসঙ্গে শেখ মুজিবের জন্মশতবার্ষিকী। সবমিলে এবারের কলকাতা বইমেলায় নয়াদিল্লি-ঢাকা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের প্রভাব বিশেষ লক্ষ্যনীয় বলেই মনে করছে কূটনৈতিক মহল।

 

Assam: জঙ্গি নেতা পরেশ বড়ুয়াকে আলোচনার টেবিলে আনতে দিল্লি দৌড়লেন মুখ্যমন্ত্রী

CM To Hold Talks With Ulfa (I) Chief

News Desk: মোস্ট ওয়ান্টেড জঙ্গি নেতা ও বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আলফা (স্বাধীনতা) প্রধান পরেশ বড়ুয়ার সঙ্গে শান্তি আলোচনা চালাতে প্রধানমন্ত্রী মোদীর দ্বারস্থ হলেন অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা। দিল্লিতে তিনি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ ও জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা অজিত দোভালের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

তিনদিনের দিল্লি সফরে অসমের মুখ্যমন্ত্রীর অবস্থান গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনটি। তবে তাদের তরফে সরাসরি মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের বিষয়টি নিয়ে রয়েছে ধোঁয়াশা। অসম স্বরাষ্ট্র দফতর সূত্রে খবর, রাজ্য সরকার আশা করছে আলোচনায় আলফা (স্বাধীনতা) গোষ্ঠীর সুপ্রিম কমান্ডার পরেশ বড়ুয়ার উপস্থিতি থাকবেন।

দীর্ঘদিন ধরেই আত্মগোপনে অসমের বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা পরেশ বড়ুয়া। তার বিরুদ্ধে একাধিক নাশকতা, গণহত্যার অভিযোগ রয়েছে। আলফা বিচ্ছিন্নতাবাদীদের হামলায় বারবার রক্তাক্ত হয়েছে অসম। বিভিন্ন সময়ে আলফার কয়েকজম শীর্ষ নেতা আত্মসমর্পণ করে আলোচনাপন্থী হয়েছেন। তারাও জানিয়েছেন, পরিস্থিতি অনুকূল তৈরি হলে পরেশ বড়ুয়া আলোচনায় আসতে পারেন সরাসরি।

স্বাধীনতা দিবসের দিন মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা সরাসরি পরেশ বড়ুয়াকে আলোচনার জন্য আহ্বান জানান। তিনি বলেন, অসমবাসীর তরফে আপনাকে আলোচনায় বসতে অনুরোধ করছি। তবে মুখ্যমন্ত্রীর আহ্বানে উত্তর পূর্ব ভারতের অন্যতম সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠনটির নেতৃত্ব কী পথ নিয়েছে তা স্পষ্ট নয়।

দিল্লিতে গিয়ে বড়ুয়ার সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে সবুজ সংকেত পেতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর সফরে উত্তর পূর্বের অপর আগ্রাসী নাগা বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন এনএসসিএন এনএসসিএন (খাপলাং) এর সঙ্গে শান্তি আলোচনার সূত্র খুঁজবেন হিমন্ত বিশ্বশর্মা।

WB Politics : মন্ত্রীর দাবি বিরোধী নেতা TMC তে ফিরবেন, শুভেন্দুর হিরন্ময় নীরবতা

suvendu-soumen

News Desk: পুরো একটা দিন চলে গেল বিরোধী দলনেতা তথা নন্দীগ্রামের বিজেপি বিধায়ক হিরন্ময় নীরবতা পালন করছেন। আর সেচ মন্ত্রীর দাবি, বেশিদিন নয়, জলদি তৃণমূল কংগ্রেসে ফিরতে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী।

রবিবার এই নন্দীগ্রামে খোদ শুভেন্দু অধিকারীর বিধানসভা কেন্দ্রে গিয়েই সেচমন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র বলেন, ‘রাজ্যের বিরোধী দলনেতা লালবাতি কয়েকদিনের মধ্যেই নিভে যাবে।” মন্ত্রীর এই মন্তব্যের জেরে রাজনৈতিক মহল সরগরম। তেমলই বিরোধী দল বিজেপি হতচকিত। খোদ শুভেন্দু অধিকারী নীরব থাকায় আরও বিতর্ক বেড়েছে।

সেচ মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র বলেছেন, খুব শিগগগিরই ওদের বিধায়ক সংখ্যা ৩০-এর নিচে নেমে যাবে। নিয়ম হচ্ছে, বাংলায় কোনও দলের যদি ৩০ জন বিধায়ক না থাকে তাহলে সেই দল বিরোধী দলের মর্যাদা পায় না। সৌমেনবাবুর আরও দাবি, বিজেপি ৩০ এর নিচে নামলেই শুভেন্দুর মাথার উপর থেকে লালবাতি নিভে যাবে।

বিধানসভা ভোটে নন্দীগ্রাম আসনে তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী ও মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে পরাজিত করেন শুভেন্দু অধিকারী। তবে তৃণমূল কংগ্রেস টানা তিনবার সরকার গড়ে। বিজেপি হয় প্রধান বিরোধী দল। শুভেন্দু অধিকারী হন বিরোধী দল নেতা। পরে ভবানীপুর কেন্দ্রের উপনির্বাচনে পুনরায় জয়ী হয়েছেন মমতা।

তবে সাম্প্রতিক চার কেন্দ্রের উপনির্বাচনে তিনটি আসনে বিজেপির জামানত বাজেয়াপ্ত হয়েছে। দুটি জয়ী আসন হাতছাড়া হয়েছে। এর পরেই বিজেপিতে ভাঙন ও দলত্যাগ আরও বড় হতে চলেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। সূত্রের খবর, এক ডজন বিধায়ক দলত্যাগ করবেন।

মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্র বলেছেন, যেভাবে বিজেপি ত্যাগ হচ্ছে তাতে বিরোধী দলের মর্যাদা দ্রুত হারাবে তারা। এরপর বিরোধী দলনেতার তকমা খোয়াবেন শুভেন্দু অধিকারী।

Assam: হাতি নিয়ে শুরু উচ্ছেদ, লামডিং বনাঞ্চলে মুখোমুখি পুলিশ ও বনবাসীরা

News Desk: পূর্ব নির্ধারিত সময় অনুযায়ী অসম সরকার শুরু করেছে লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ‘জবরদখলকারী’ উচ্ছেদ অভিযান। বিরাট হাতি বাহিনী নামিয়ে শুরু হয়েছে বনাঞ্চলে থাকা বাসিন্দাদের ঘর ভাঙার কাজ। সঙ্গে আছে পে লোডার। ১ হাজার পুলিশ দিয়ে ঘিরে রাখা হয়েছে প্রথম দফার উচ্ছেদ অভিযান এলাকা। মঙ্গলবারও চলবে এই অভিযান।

সম্প্রতি দরং (Darrang)জেলার গোরুখুঁটিতে ( Garukhuti) সংখ্যালঘু ধর্মাবলম্বী বাংলাভাষীদের উচ্ছেদে গুলি চালানো ও মৃত্যুর জেরে বিতর্কে জড়িয়েছে অসম ও কেন্দ্রের কেন্দ্রের বিজেপি (BJP) সরকার। এর মাঝেই হোজাই (Hojai) জেলার লামডিং (Lamding) সংরক্ষিত বনাঞ্চলে হবে উচ্ছেদ অভিযান।

অভিযোগ, অসমের বিজেপি সরকার ও মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা বারবার প্রান্তিক শ্রেণি ও সংখ্যালঘুদের উপর দমন নীতি চালাচ্ছেন । গোরুখুঁটির ঘটনার জেরে বিতর্কে বিজেপি। তবে সরকারের যুক্তি, হাইকোর্টের নির্দেশ মেনেই উচ্ছেদ চলছে।

এদিকে সকাল থেকে লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলে বিরাট পুলিশ বাহিনীর মুখোমুখি অবস্থান করছেন স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশ। কিছু বাসিন্দা এলাকা ত্যাগ করেছেন। উচ্ছেদের বিরোধিতায় বিক্ষোভে সামিল যারা, তাঁদের বক্তব্য মরতে হলে এখানেই মরব, বাঁচলে এখানেই বাঁচব। (অহমিয়া ভাষায় ‘মরিলে ইয়াতে মরিম, বাঁচিলে ইয়াতে বাঁচিব’)।

উপনির্বাচনে একতরফা জয় পাওয়ার পরেই ফের উচ্ছেদ অভিযানে কোমর কষে নামছেন অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। গোরুখুঁটির রক্তাক্ত ঘটনার পর যে কোনওরকমে বিক্ষোভ ঠেকিয়ে লামডিং বনাঞ্চলে উচ্ছেদ অভিযানে অনড় রাজ্যের বিজেপি সরকার। এর জন্য বিশাল সংখ্যায় পুলিশ মোতায়েন করেছে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর।

উচ্ছেদ অভিযানে ‘জবরদখলকারী’ হটিয়ে ১,৪১০ হেক্টর ভূমি উদ্ধার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। প্রথম দফায় ৫০০ হেক্টর ভূমিকে দখলমুক্ত করার লক্ষ্য স্থির করেছে অসম সরকার।

হোজাই জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ৮ নভেম্বর লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলটির বেতনলা এবং লাংসিপাই গারো বস্তি এলাকায় এবং ৯ নভেম্বর কমারপানি অঞ্চলে উচ্ছেদ অভিযান চলবে। আগেই এলাকা পরিদর্শন করেছেন অসম পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিক জি পি সিং, হোজাইয়ের জেলা শাসক অনুপম চৌধুরী, পুলিশ সুপার বরুন পুরকায়স্থ ,দক্ষিণ নগাঁও বন ডিভিশন হোজাইয়ের আধিকারিক গুনদীপ দাস।

উল্লেখ্য, হোজাই বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক শিলাদিত্য দেব (Shiladitya Dev) জনস্বার্থজনিত একটি আবেদন দাখিল করেছিলেন হাইকোর্টে। এই আবেদনের ভিত্তিতে আদালত লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে। বিজেপিতে থাকাকালীন বিতর্কিত মন্তব্য করে বারবার দেশজুড়ে সমালোচিত হয়েছেন শিলাদিত্য দেব। পরে তিনি বিজেপির বিরুদ্ধেই ক্ষোভ দেখান।

সম্প্রতি গোরুখুঁটির রক্তাক্ত উচ্ছেদের কথা মাথায় রেখে রাজ্য প্রশাসন সতর্ক। উল্লেখ্য ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলের কমারপানি অঞ্চলে ৫ বার উচ্ছেদ হয়েছিল। যদিও এতে কোনও লাভ হয়নি।

Assam: ‘মরিলে ইয়াতে মরিম’ উচ্ছেদের আগে হুঁশিয়ারি লামডিং বনবাসীদের, চাপে BJP

assam lumding forest

News Desk: মরতে হলে এখানেই মরব, বাঁচলে এখানেই বাঁচব। (অহমিয়া ভাষায় ‘মরিলে ইয়াতে মরিম, বাঁচিলে ইয়াতে বাঁচিব’) এমনই হুঁশিয়রি দিলেন অসমের (Assam) হোজাই জেলার লামডিং (Lumding) সংরক্ষিত বনাঞ্চলের বাসিন্দারা। সোমবার থেকে টানা দুদিনের উচ্ছেদ অভিযান শুরু হচ্ছে। তার আগেই লামডিং বনাঞ্চলের বাসিন্দাদের হুঁশিয়ারিতে চাপে পড়েছে অসমের বিজেপি সরকার।

রাজ্য প্রশাসন লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ‘জবরদখলকারী’ উচ্ছেদ অভিযান শুরু করছে সোমবার থেকে। উচ্ছেদ চলবে টানা ৪৮ ঘণ্টা। রবিবার সরকারি সময় শেষ। সোমবার সকালে বিরাট পুলিশ বাহিনী নিয়ে উচ্ছেদ অভিযান শুরু হচ্ছে। মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা ফের বিতর্কের মুখে।তবে তিনি সিদ্ধান্তে অনড়।

অন্যদিকে লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলের বাসিন্দাদের (রাজ্য সরকার বলছে জবরদখলকারী) বড় অংশ এলাকা ত্যাগ করতে নারাজ। তবে বেশকিছুদন এলাকা ছেড়েছেন। যারা রয়েছেন তাদের এলাকা খালি করার কথা বোঝানোর জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালাচ্ছে বিজেপি সরকার। তার মধ্যে হুঁশিয়ারি আসতেই মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার উপরে চাপ বাড়ছে।

সম্প্রতি দরং (Darrang) জেলার গোরুখুঁটিতে ( Garukhuti) সংখ্যালঘু ধর্মাবলম্বী বাংলাভাষীদের উচ্ছেদে গুলি চালানো ও মৃত্যুর জেরে বিতর্কে জড়িয়েছে অসম ও কেন্দ্রের কেন্দ্রের বিজেপি (BJP) সরকার। এর মাঝেই হোজাই (Hojai) জেলার লামডিং (Lamding) সংরক্ষিত বনাঞ্চলে হবে উচ্ছেদ অভিযান।

উপনির্বাচনে একতরফা জয় পাওয়ার পরেই ফের উচ্ছেদ অভিযানে কোমর কষে নামছেন অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। গোরুখুঁটির রক্তাক্ত ঘটনার পর যে কোনওরকমে বিক্ষোভ ঠেকিয়ে লামডিং বনাঞ্চলে উচ্ছেদ অভিযানে অনড় রাজ্যের বিজেপি সরকার। এর জন্য বিশাল সংখ্যায় পুলিশ মোতায়েন করেছে নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর।

লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলে সোমবার সকাল থেকেই শুরু হবে এই উচ্ছেদ। প্রশাসনের তরফে দু দফায় চলবে উচ্ছেদ অভিযান। এরজন্য ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। উচ্ছেদ অভিযানে ‘জবরদখলকারী’ হটিয়ে ১,৪১০ হেক্টর ভূমি উদ্ধার করা হবে বলে জানানো হয়েছে। প্রথম দফায় ৫০০ হেক্টর ভূমিকে দখলমুক্ত করার লক্ষ্য স্থির করেছে অসম সরকার।

হোজাই জেলা প্রশাসন জানিয়েছে, ৮ নভেম্বর লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলটির বেতনলা এবং লাংসিপাই গারো বস্তি এলাকায় এবং ৯ নভেম্বর কমারপানি অঞ্চলে উচ্ছেদ অভিযান চলবে। এলাকা পরিদর্শন করেছেন অসম পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিক জি পি সিং, হোজাইয়ের জেলা শাসক অনুপম চৌধুরী, পুলিশ সুপার বরুন পুরকায়স্থ ,দক্ষিণ নগাঁও বন ডিভিশন হোজাইয়ের আধিকারিক গুনদীপ দাস।

উল্লেখ্য, হোজাই বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক শিলাদিত্য দেব (Shiladitya Dev) জনস্বার্থজনিত একটি আবেদন দাখিল করেছিলেন হাইকোর্টে। এই আবেদনের ভিত্তিতে আদালত লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে। বিজেপিতে থাকাকালীন বিতর্কিত মন্তব্য করে বারবার দেশজুড়ে সমালোচিত হয়েছেন শিলাদিত্য দেব। পরে তিনি বিজেপির বিরুদ্ধেই ক্ষোভ দেখান।

সম্প্রতি গোরুখুঁটির রক্তাক্ত উচ্ছেদের কথা মাথায় রেখে রাজ্য প্রশাসন সতর্ক। এবার যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি না ঘটে তার জন্য পুলিশ ও ১১ টিসিআরপিএফ কোম্পানি মোতায়েন করা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে হাতি ,ট্রাকটার, ঘোড়া ,গাড়ি ইত্যাদি।

উল্লেখ্য ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলের কমারপানি অঞ্চলে ৫ বার উচ্ছেদ হয়েছিল। যদিও এতে কোনও লাভ হয়নি।

বিজেপি পরিবারতান্ত্রিক দল নয়, বললেন বিশ্বের জনপ্রিয় নেতা নরেন্দ্র মোদি

Narendra Modi

News Desk, New Delhi: রবিবার দিল্লিতে বসে ছিল বিজেপির জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠক। এই বৈঠকে কংগ্রেসের নাম না করে শতাব্দী প্রাচীন এই দলকে তীব্র কটাক্ষ করলেন বিশ্বের জনপ্রিয় নেতা তথা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। তিনি বললেন, বিজেপি কখনওই পরিবারতান্ত্রিক দল নয়। একমাত্র বিজেপিতেই সমাজের একেবারে প্রান্তিক শ্রেণীর মানুষও শীর্ষস্থানে আসতে পারেন।

রবিবারই গ্লোবাল লিডার অ্যাপ্রুভাল রেটিং অর্থাৎ বিশ্ব নেতাদের জনপ্রিয়তার সূচক প্রকাশ হয়েছে। প্রকাশিত তালিকায় দেখা গিয়েছে এই মুহূর্তে গোটা বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেতা হিসেবে উঠে এসেছেন নরেন্দ্র মোদি। তিনি ৭০ শতাংশ মানুষের সমর্থন পেয়েছেন। মার্কিন গবেষণা সংস্থা মর্নিং কনসাল্ট এই তালিকা প্রকাশ করে। তালিকায় দ্বিতীয় স্থানে রয়েছেন মেক্সিকোর প্রেসিডেন্ট লোপেজ ওব্রাডর। চূড়ান্ত পর্যায়ে বিশ্বের ১৩ জন নেতার মধ্যে এই সমীক্ষা চালানো হয়েছিল। এই সমীক্ষায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট বাইডেন ও ব্রিটেনের প্রধানমন্ত্রী বরিস জনসনকে পিছনে ফেলে প্রথম স্থানটি দখল করেছেন মোদি।

আগামী বছরের শুরুতেই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন সে কথা মাথায় রেখে প্রধানমন্ত্রী এদিন দলীয় কর্মীদের ভোকাল টনিক দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিজেপি মানুষের সেবা করাকেই সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়। মানুষের সেবা করাই বিজেপির ধর্ম। তাই বিজেপি কর্মীদের ওপর মানুষের আস্থা ও বিশ্বাস অটুট আছে। বিজেপি নেতাদের উপর মানুষের আশীর্বাদ ও ভরসা আছে বলেই আজ এই দল দেশের বৃহত্তম রাজনৈতিক দলে পরিণত হয়েছে। আগামী দিনেও মানুষের প্রতি এই আচরণ পালন করতে হবে। অর্থাৎ মানুষের আপদে-বিপদে তাঁদের পাশে দাঁড়াতে হবে।

এদিনের বৈঠকে পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচনের কথা মাথায় রেখে বিজেপি কিছু গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। গেরুয়া দল সিদ্ধান্ত নিয়েছে, ২৫ ডিসেম্বরের মধ্যে দেশের এক লাখ চার হাজার ভোটকেন্দ্রের সর্বত্র বুথ কমিটি গঠন করবে। ২০২২ সালের ৬ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে ভোটার তালিকা সম্পর্কে নজর রাখার জন্য একজনকে নিয়োগ করা হবে। একইসঙ্গে ২০২২-এর মে মাসের মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির মন কি বাত অনুষ্ঠান যাতে প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে প্রচারিত হয় সে বিষয়টিও নিশ্চিত করা হবে।

এদিনে জাতীয় কর্মসমিতির বৈঠকের ভাষণ দেন অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন। অর্থমন্ত্রীও এদিন বিরোধীদের কড়া সমালোচনা করেন। অর্থমন্ত্রী বলেন, গোটা বিশ্বের সামনে দেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে প্রধানমন্ত্রী দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছেন। কিন্তু বিরোধীরা প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সরকারের গায়ে কালি ছেটাতে চাইছেন। গোটা বিশ্ব ভারতের টিকাকরণ কর্মসূচি প্রশংসায় পঞ্চমুখ। অথচ এদেশে বিরোধীরা টিকাকরণ কর্মসূচি সম্পর্কে রীতিমতো সন্দেহ প্রকাশ করছে। কাজের নিরিখেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বিশ্বের জনপ্রিয়তম নেতায় পরিণত হয়েছেন। কিন্তু বিরোধীরা সেটা মানতে রাজি নয়। সে কারণেই তাঁরা মোদির নামে কুৎসা রটিয়ে চলেছেন।

CPIM: পুর ভোটে বাম-কংগ্রেস জোট ? কী বললেন বিমান

biman-basu

News Desk: উপনির্বাচনে জোট করেনি বামফ্রন্ট ও কংগ্রেস। তাতে বামেদের ভোট বেড়েছে। গত লোকসভা নির্বাচন থেকে যে বাম ভোট রাম পক্ষে চলে গিয়েছে সাম্প্রতিক উপনির্বাচনে তার উল্টো স্রোত। তবে এর পরেও আসন্ন পুর নির্বাচনে জোট নিয়ে জল্পনা জিইয়ে রাখলেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান বিমান বসু। তিনি বলেছেন, এই বিষয়ে আগামী সপ্তাহে আলোচনা হবে।

বাম কংগ্রেস জোট গত নির্বাচনগুলিতে তেমন কোনও সফলতা পায়নি। সর্বশেষ বিধানসভা ভোটে বাম কংগ্রেস ও আইএসএফের সঙ্গে মিলে যে সংযুক্ত মোর্চা তৈরি হয়েছিল তার মাত্র একজন বিধায়ক। ভোট শেষ জোট শেষ বলে দিয়েছেন সিপিআইএমের সর্বভারতীয় সাধারণত সম্পাদক সীতারাম ইয়েচুরি।

এর পরেও বঙ্গ বাম শীর্ষ নেতা বিমান বসুর মন্তব্যে পুর নির্বাচনে জোট নিয়ে ইঙ্গিতবহুল বার্তা এসেছে বলেই মনে করা হচ্ছে। তবে পুর নির্বাচনে মূল লড়াই শাসক তৃণমূল কংগ্রেস ও বিরোধী বিজেপির মধ্যে হবে। তৃতীয়পক্ষ হিসেবে জোট থাকতে পারে। আর জোট না হলে চতুর্থ পক্ষ হবে কংগ্রেস।

উপনির্বাচনে জোটের বাইরে গিয়ে একলা বামফ্রন্ট লড়াই করে ভোট বাড়িয়ে নেওয়ায় সিপিআইএমের অভ্যন্তরে ও সমর্থকদের মধ্যে জোট বিরোধী অবস্থান আরও জোরালো হচ্ছে। পুর ভোটে জোট নিয়ে বাম অন্দরমহলে আগুন ছুটবে বলেই মনে করা হচ্ছে। জেলায় জেলায় জোট বিরোধী হাওয়া বুঝেই সিদ্ধান্ত নেবেন বিমান বসু।

কংগ্রেসের তরফে ইঙ্গিত এসেছে জোটের। তবে স্থানীয় ইস্যুতে জোট নিয়ে ধন্দে প্রদেশ নেতৃত্ব।

Bangladesh: পূজামণ্ডপে কোরান রেখে হামলায় ধৃত বেগম খালেদার দলনেতা

Bangladesh

News Desk: কুমিল্লায় পূজামণ্ডপে কোরান রেখে হামলার ঘটনায় এবার কুমিল্লা সিটি কর্পোরশেনের মেয়র মনিরুল হক সাক্কুর পিএস (ব্যক্তিগত সহকারী) মঈনুদ্দিন আহমেদ বাবুকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। সে পলাতক ছিল। কুমিল্লা সিটি কর্পোরেশনের মেয়রের বাড়ির কাছেই ছিল সেই দুর্গাপূজা মণ্ডপ। বাংলাদেশের অন্যতম বিরোধী দল বিএনপির দখলে এই কর্পোরেশন। দলটির নেত্রী প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া।

পুলিশ জানায়, গত ১৩ অক্টোবর কুমিল্লার নানুয়াদিঘী এলাকায় অস্থায়ী পূজা মন্ডপে কোরান উদ্ধারের পর হামলাকারীদের মধ্যে ছিল কর্পোরেশনের মেয়রের সহকারী মইনুদ্দিন বাবু। ভিডিও ফুটেজে হামলাকারীদের সাথে তাকে চিহ্নিত করা হয়। পরে তাকে নানুয়া দীঘিরপাড় অস্থায়ী মণ্ডপ ও ঠাকুরপাড়া কালিগাছতলা কালী মন্দিরে হামলা মামলায় আসামী করা হয়।

কুমিল্লা কোতয়ালী মডেল থানার ওসি আনওয়ারুল আজিম জানান ঘটনার এক দিন পর মইনুদ্দিন তালা ঝুলিয়ে পরিবার নিয়ে আত্মগোপন করে।তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তাকে ধরা গিয়েছে।

শনিবার বিকেলে পার্বত্য চট্টগ্রামের খাগড়াছড়ির একটি রিসর্ট থেকে আটক করা হয় মইনুদ্দিনকে। দুটি মণ্ডপে হামলা-ভাঙচুরের মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে রবিবার কুমিল্লার আদালতে সোপর্দ করা হয়। পরে তাকে জেলে পাঠানো হয়।

বাংলাদেশে দুর্গাপূজার সময় সাম্প্রদায়িক হামলা হয় কুমিল্লার একটি পূজামণ্ডপে কোরান পাওয়া নিয়ে। সেই ঘটনায় সিসিটিভি ফুটেজ দেখে শনাক্ত করা ব্যক্তি ইকবাল হোসেন ধৃত। সাম্প্রদায়িক উস্কানি ছড়ানোয় ঢাকার বদরুন্নেসা কলেজের অধ্যাপিকা রুমা সরকারকে জেলে পাঠানো হয়েছে।

দুর্গাপূজার সময় কুমিল্লার ঘটনার জেরে বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হামলায় রক্তাক্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। পুলিশের গুলিতে পাঁচ হামলাকারী মারা যায় চাঁদপুরে। নোয়াখালী ও চট্টগ্রাম দুই সংখ্যালঘু প্রাণ হারান। রংপুরে সংখ্যালঘু মহল্লায় আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।

Revolution: অক্টোবর বিপ্লব নাকি নভেম্বর বিপ্লব, ধন্দ কাটান

November-Revolution

Special Correspondent, Kolkata: এক পক্ষকালের ফারাকে রুশ বিপ্লবের সময়কালটাই যেন বদলে গিয়েছে ৷ যদিও এই বিপ্লবের সময়কালটা বা মাসটা বদলে গেলেও সেই ইতিহাস তো আর বদলাইনি ৷ তবু মানুষের মনে অনেক সময় ধন্দ দেখা যায় রুশ বিপ্লবের সময়টা নিয়ে – সেটা অক্টোবর নাকি নভেম্বর কি বলা যায় ৷

১৯১৭ সালের রাশিয়ায় যে বিপ্লব ঘটে গিয়েছিল তা ইতিমধ্যেই শতবর্ষ পেরিয়ে গিয়েছে ৷ তবে সেই বিপ্লবের প্রভাব তো শুধু রাশিয়া বলে নয় আরও অন্য দেশেও রয়েছে ৷ যদিও আবার তিন দশক আগে সোভিয়েট রাশিয়ার ভেঙে যাওয়ায় রাশিয়ার শক্তি আর তেমন নেই বলা হয়ে থাকে ৷ তা স্বত্তেও বিশ্বে এখনও রুশ বিপ্লবের ঐতিহাসিক গুরুত্ব রয়েছে , এখনও সেই বিপ্লব প্রাসঙ্গিক বলে মনে করা হচ্ছে ৷ অর্থাৎ এই বিপ্লবকে ঘিরে আলাপ আলোচনা বিতর্ক চলছেই ৷ তেমনি আবার প্রশ্ন উঠছে এই বিপ্লবের সময় নিয়ে।

এটা ঘটনা ইতিহাসের পাতায় লেখা রয়েছে অক্টোবর বিপ্লব। কিন্তু গোটা বিশ্ব এখন ওই বিপ্লবকে চেনে নভেম্বর বিপ্লব নামে। ফলে স্বাভাবিক ভাবেই প্রশ্নটা ওঠে – একই ঘটনা তবু দুই নামে চিহ্নিত কেন? এ এক অদ্ভুত ঘটনা যা পৃথিবীর আর কোনও ঐতিহাসিক ঘটনার ক্ষেত্রে ঘটেনি। এমন নজিরও বিরল যেখানে – বিপ্লবের সময়টাই বদলে গিয়েছে ।

এক পক্ষ কালের ব্যবধান- পুরনো ধারণা অনুসারে ২৪ অক্টোবর আর নতুন ধারণায় ৭ নভেম্বর ৷ এরফলে দিনক্ষণ মাস, তারিখ, আমূল পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে। পুরোটাই ঘটে গিয়েছে ক্যালেন্ডারের কারসাজিতে। আর ধন্দ তৈরি হয়েছে- কেন

যাহা অক্টোবর বিপ্লব তাহাই নভেম্বর বিপ্লব বলা হয় ?
গত শতাব্দীর শুরুতে যখন গোটা ইউরোপ জাতীয়তাবাদী এবং গণতান্ত্রিক ভাবধারায় উত্তাল হয়েছে তখনও রাশিয়ায় রোমানভ বংশীয় জারদের স্বৈরতান্ত্রিক শাসন চলছে ৷ ইশ্বর প্রদত্ত ক্ষমতায় বিশ্বাসী জার ও তাদের অনুগত অভিজাতরাই শাসনের সর্বেসর্বা৷ বিপ্লবের মাধ্যমে শুধু তাদের হাত থেকে ক্ষমতা পরিবর্তন নয় তাদের পদ্ধতির সময় গণনাতেও পরিবর্তন আনা হয়েছিল রাশিয়াকে ভিন্ন পথে নিয়ে যেতে।

সেই সময় দু’ধনের ক্যালেন্ডারের অস্তিত্ব ছিল পৃথিবীতে— গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার এবং জুলিয়ান ক্যালেন্ডার। রুশ বিপ্লব যখন ঘটে, সেই সময় গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে দিনক্ষণ মেনে চলা হত রাশিয়ায়। যদিও একই সময়ে পৃথিবীর অন্যান্য দেশে চালু হয়ে গিয়ে ছিল জুলিয়ান ক্যালেন্ডার। পুরনো রাশিয়ার সময় গণনার পদ্ধতি অর্থাৎ গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডার অনুসারে বিপ্লবের সময়কাল ছিল ২৪ অক্টোবর। আর সেটাই আবার জুলিয়ানের ক্যালন্ডরের দৌলতে নানা দেশে হয়ে গেল ৭ নভেম্বর।

ইতিহাসের পাতায় এখনও পুরনো সময় পদ্ধতি মেনে ‘অক্টোবর বিপ্লব’ শব্দবন্ধ আজও লেখা হয়ে চলেছে। কিন্তু রাশিয়া-সহ বেশির ভাগ দেশেই এই বিপ্লবের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয় নভেম্বর মাসে। রাশিয়া তো এখন আর গ্রেগরিয়ান ক্যালেন্ডারে আটকে নেই উল্টে জুলিয়ানের ক্যালেন্ডারে হাত ধরেই এখন তার সময় এগিয়ে চলেছে। ফলে সারা পৃথিবীই এখন অক্টোবর বিপ্লবকে নভেম্বর বিপ্লব নামে চিনছে।

Tripura: নির্বাচন কমিশনের ‘চোখ বন্ধ’, পরপর হামলায় বিরোধী বাম প্রার্থীরা জখম

tripura

News Desk: ত্রিপুরায় (Tripura) আসন্ন পুর ও নগর পরিষদ নির্বাচনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতায় প্রায় ৩০ শতাংশ আসনে জয়ী শাসক বিজেপি। অভিযোগ, প্রধান বিরোধী দল সিপিআইএম সহ বাকিদেরকে মনোনয়ন জমা দিতেই দেয়নি শাসক দল। এই অবস্থায় আগরতলা পুর নিগমের ভোট ঘিরে রাজনৈতিক হামলায় জখম একাধিক বাম প্রার্থী। আরও অভিযোগ, গত লোকসভা, পঞ্চায়েত ভোটের মতো চোখ বন্ধ করে রেখেছে নির্বাচন কমিশন।

যদিও বিজেপির দাবি, যে সব বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে তাতে দল জড়িত নয়। বিরোধী দলের এলাকাগত গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের ফল। সূত্রের খবর, রাজ্য বিজেপির বিধায়কদের একটি অংশের আশঙ্কা দলের ভোটব্যাংকে বিরাট ধস নামছে।

আগামী ২৫ নভেম্বর আরতলা পুরনিগমের ভোট। রাজধানী শহরের পুর নিগম দখল করতে মরিয়া শাসক বিজেপি। আর গত পুর বোর্ড চালানো সিপিআইএম নেমেছে তেড়েফুঁড়ে। ভোটে আছে তৃণমূল কংগ্রেস ও কংগ্রেস।

আরও পড়ুন: Tripura: আসন্ন পুর নির্বাচনে ‘প্রবল সন্ত্রাসে’ অভিযুক্ত BJP, বিনা ভোটেই বিপুল জয়

এদিকে নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে ততই রাজনৈতিক হামলার মুখে পড়ছেন বিরোধী প্রার্থীরা। আক্রান্তের পরিসংখ্যানে বেশি আছেন সিপিআইএমের প্রার্থীরা। কিছুক্ষেত্রে তৃণমূল কংগ্রেসের উপর হামলা হয়েছে।

শনিবার বিকেল থেকে নতুন করে রাজনৈতিক হামলায় আগরতলা পুর নিগমের বিভিন্ন ওয়ার্ডে ভয়ের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। একাধিক বাম প্রার্থীর ঘর ভাঙচুরে অভিযুক্ত বিজেপির বাইক বাহিনী, এমনই অভিযোগ।

সাম্প্রতিক আগরতলায় বিজেপির সমর্থকদের তাণ্ডবের কারণে দেশজুড়ে তোলপাড় হয়েছিল। আক্রান্ত হয় বিরোধী সিপিআইএম দলের রাজ্য কার্যালয়। তার আগে ধনপুরে বিরোধী নেতা মানিক সরকারের কনভয়ে হামলার জেরে সেখানকার বাম সমর্থকরা বিজেপি সমর্থকদের বেধড়ক মারধর করে বলে অভিযোগ। সেই ঘটনার রেশ ধরেই আগরতলায় বিজেপির প্রতিবাদ মিছিল থেকে ‘আগুন জ্বলেছিল’। পরপর আক্রান্ত হয়েছিল সংবাদপত্র দফতর।

UP: বাজির শব্দে বিরক্ত হয়ে অ্যাসিড ‘হামলা’, জখম কিশোরী ও বৃদ্ধা

Acid On Two Women

News Desk: দীপাবলির রাতে কচিকাঁচারা মেতে উঠেছিল বাজি পোড়ানোর আনন্দে। তীব্র চিৎকারে প্রবল বিরক্ত হয়ে উঠেছিলেন পাড়ারই এক ফলওয়ালা (fruit seller)। বাচ্চাদের চিৎকার এবং বাজি পোড়ানো বন্ধ করতে বলেছিলেন। বাচ্চারা সেই কথা না শোনায় তাদের গায়ে অ্যাসিড ছুঁড়লেন ওই ফলওয়ালা। কয়েকজন দৌড়ে পালিয়ে গেলেও এক কিশোরী ও বৃদ্ধা গুরুতর জখম হয়েছেন।

শুক্রবার বিকালে এই ঘটনা ঘটেছে উত্তরপ্রদেশের বান্দা জেলার (Banda) কৈলাসপুরী (Kailishpuri) এলাকায়। এই পাড়ার বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ওই ফলওয়ালা বাজির প্রবল শব্দে বাচ্চাদের উপর ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন। তিনি বারন করলেও বাচ্চারা কথা না শোনায় এক কিশোরকে সপাটে চড় মারেন। এ ঘটনায় প্রতিবেশীদের সঙ্গে তর্কাতর্কিতে জড়িয়ে পড়েন ওই ফলওয়ালা। হঠাৎই ওই ব্যক্তি ঘর থেকে একটি অ্যাসিডের বোতল বের করে এনে বাচ্চাদের লক্ষ্য করে ছিটিয়ে দেন। বাচ্চারা দৌড়ে পালিয়ে গেলেও বাড়ির বাইরে বসে থাকা এক ৭০ বছরের বৃদ্ধা ও কিশোরী গুরুতর জখম হন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় দু’জনকে জেলা হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। পরে পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে।

জেলা পুলিশ সুপার জানিয়েছেন, স্থানীয় বাসিন্দারা ইতিমধ্যেই ওই ফল ওয়ালার বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

Assam: গোরুখুঁটির রক্তাক্ত ঘটনার পর হাতি নিয়ে ফের উচ্ছেদ অভিযানে BJP সরকার

aasam

News Desk: উপনির্বাচনে একতরফা জয় পাওয়ার পরেই ফের উচ্ছেদ অভিযানে কোমর কষে নামছেন অসমের (Assam) মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (Himanta Biswa Sarma)। গোরুখুঁটির রক্তাক্ত ঘটনার পর সোমবার হতে চলেছে আরও একটি উচ্ছেদ অভিযান। এর জন্য বিশাল সংখ্যায় পুলিশ মোতায়েন করার নির্দেশ দিয়েছে স্বরাষ্ট্র দফতর।

দরং (Darrang)জেলার গোরুখুঁটিতে ( Garukhuti) সংখ্যালঘু ধর্মাবলম্বী বাঙালিদের উচ্ছেদে গুলি চালানো ও মৃত্যুর জেরে বিতর্কে জড়িয়েছে অসম ও কেন্দ্রের কেন্দ্রের বিজেপি (BJP) সরকার। এর মাঝেই হোজাই (Hojai) জেলার লামডিং (Lamding) সংরক্ষিত বনাঞ্চলে হবে উচ্ছেদ অভিযান।

রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলে ৮ ও ৯ নভেম্বর হবে প্রথম পর্যায়ের উচ্ছেদ অভিযান। অর্থাৎ সোমবার সকাল থেকেই শুরু হবে এই উচ্ছেদ। প্রশাসনের তরফে দু দফায় চলবে উচ্ছেদ অভিযান। এরজন্য প্রশাসনের পক্ষে ব্যাপক প্রস্তুতি চলছে। উচ্ছেদ অভিযানে ‘জবরদখলকারী’ হটিয়ে ১,৪১০ হেক্টর ভূমি উদ্ধার করা হবে। প্রথম দফায় ৫০০ হেক্টর ভূমিকে দখলমুক্ত করার লক্ষ্য স্থির করেছে অসমের বিজেপি সরকার।

আগামী ৮ নভেম্বর লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলটির বেতনলা এবং লাংসিপাই গারো বস্তি এলাকায় এবং ৯ নভেম্বর কমারপানি অঞ্চলে উচ্ছেদ অভিযান চলবে।

উচ্ছেদ অভিযান ঘিরে পুলিশ ও বন বিভাগের কর্তাব্যক্তিদের ব্যস্ততা তুঙ্গে। এলাকা পরিদর্শন করেছেন অসম পুলিশের উচ্চ পদস্থ আধিকারিক জি পি সিং, হোজাইয়ের জেলা শাসক অনুপম চৌধুরী, পুলিশ সুপার বরুন পুরকায়স্থ ,দক্ষিণ নগাঁও বন ডিভিশন হোজাইয়ের আধিকারিক গুনদীপ দাস।

প্রশাসনের তরফে ওই এলাকা ছেড়ে দেওয়ার জন্য সেখানকার বাসিন্দাদের আহ্বান জানানো হয়। তবে তাদের আহ্বানের পূর্বেই সেখান থেকে সরে গিয়েছে বহু পরিবার।

উল্লেখ্য, হাইকোর্টে হোজাই বিধানসভা কেন্দ্রের প্রাক্তন বিজেপি বিধায়ক শিলাদিত্য দেব (Shiladitya Dev) জনস্বার্থজনিত একটি আবেদন দাখিল করেছিলেন। এই আবেদনের ভিত্তিতে আদালত লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলে উচ্ছেদের নির্দেশ দিয়েছে। বিজেপিতে থাকাকালীন বিতর্কিত মন্তব্য করে বারবার দেশজুড়ে সমালোচিত হয়েছেন শিলাদিত্য দেব। পরে তিনি বিজেপির বিরুদ্ধেই ক্ষোভ দেখান।

সম্প্রতি গোরুখুঁটির রক্তাক্ত উচ্ছেদের কথা মাথায় রেখে রাজ্য প্রশাসন সতর্ক। এবার যাতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি অবনতি না ঘটে তার জন্য পুলিশ ও ১১ টিসিআরপিএফ কোম্পানি মোতায়েন করা হয়েছে। প্রস্তুত রাখা হয়েছে হাতি ,ট্রাকটার, ঘোড়া ,গাড়ি ইত্যাদি।

উল্লেখ্য ২০১১ সাল থেকে ২০১৬ সাল পর্যন্ত লামডিং সংরক্ষিত বনাঞ্চলের কমারপানি অঞ্চলে ৫ বার উচ্ছেদ হয়েছিল। যদিও এতে কোনও লাভ হয়নি।

WB Politics: তথাগতকে ‘জাঙ্গিয়া’ বলে টুইট কুণালের, প্রত্যুত্তরে ‘খুনখারাপি’ অভিযোগ

kunal-tathagata

News Desk: ‘জাঙ্গিয়া’ বনাম ‘ভাঁড়’ টুইট যুদ্ধে বঙ্গ রাজনীতি সরগরম। তৃণমূল কংগ্রেস নেতা কুণাল ঘোষের তীব্র শ্লেষাত্মক টুইটের প্রবল প্রতিক্রিয়া এসেছে। বিজেপি নেতা তথাগত রায়কে কটাক্ষ করেছেন কুশান ঘোষ। তারই জবাব দিয়ে প্রাক্তন রাজ্যপালের দাবি, খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়।

কী লিখেছেন টিএমসি নেতা কুণাল ঘোষ? টুইটে তিনি লিখেছেন, “Part 1: হা হা। রাজ্যপাল পদ শেষ হলে বাংলায় নেতা হতে এসেছিলেন তথাগত। দিলীপ ঘোষ ঢুকতে দেননি। দিলীপবাবু তো নিজে তবু বিধায়ক, সাংসদ হয়েছেন। এই ভাঁড়সম্রাট তথাগত দিলীপবাবুর জুতো নালিশের যোগ্য নন। রোজ অবসাদ থেকে বিষোদ্গার করছেন টুইটে। গেঞ্জি, জাঙ্গিয়া আর টুইট ছাড়া এটার আছেটা কী?”

এর পরেই প্রত্যুত্তর দিয়েছেন তথাগত রায়। তিনি টুইটে লেখেন, “হিন্দু যেমনি মুসলমান হলে গরু খাবার যম হয় ঠিক তেমনি এই ভাঁড়টি মমতাকে গালাগালি দিয়ে, সারদা কেসে জেলে গিয়ে, জামিন পেয়ে অতীতের পাপ স্খালন করার জন্য সবচেয়ে ভয়ঙ্কর মমতাপন্থী হয়ে উঠেছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় খুনখারাপি করার হুমকি পর্যন্ত দিচ্ছে !”

বঙ্গ রাজনীতিতে এখন অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক তত্ত্বের লড়াই হয় না। এর বদলে হয় পারস্পরিক অশালীন টুইট যুদ্ধ। এমনই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। তাঁদের বক্তব্য, রাজ্যে গত বাম জমানায় মাঠে ময়দানে কিছু বাম নেতা যে মেঠো ভাষা ব্যবহার করতেন তা শহুরে জনজীবনে অশালীন বলে চিহ্নিত হয়েছিল। তবে বাম আমলে যে রাজনৈতিক ও আর্থ সামাজিক বিশ্লেষণ হতে তার কণামাত্র অবশিষ্ট নেই এখন।

অভিযোগ আরও, যেভাবে আর্থ-সামাজিক সমস্যার বিষয়গুলিকে এড়িয়ে গিয়ে পারস্পরিক অশালীন আক্রমণ চালাচ্ছেন শাসক ও বিরোধী দলের নেতারা তাতে সুস্থ রাজনীতি শেষ।

বিশ্লেষণে আরও উঠে আসছে, কংগ্রেস জমানার প্রসঙ্গ। সেই সময়েও এমন দেখা যায়নি। তখন ছিল তীব্র রাজনৈতিক লড়াই।

তবে গত ছয় দশকে বিস্তর পরিবর্তন হয়েছে সামাজিক দৃষ্টির। সেশ্যাল মিডিয়ায় শালীনতা গিয়েছে অস্তাচলে। তারই প্রতিফলন হচ্ছে অনবরত।

<

p style=”text-align: justify;”>কু়ণাল ঘোষ ও তথাগত রায়ের টুইট লড়াইয়ের আগে শনিবার সকালে অবশ্য বিস্ফোরক মন্তব্য করেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ। দলেরই নেতা তথাগত রায়কে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, বিজেপিতে থাকতে যখন এতই লজ্জা তাহলে দল ছেড়ে দিন। উনির্বাচনে বিজেপির ভরাডুবির পর ক্রমাগত তথাগত রায় টুইট করে বিজেপির কেন্দ্রীয় ও রাজ্য নেতাদের বিরুদ্ধে নিজের রীতিতে ক্ষোভ উগরে দিতে শুরু করেছেন।

Maharashtra: হাসপাতালে আগুন, করোনা রোগীরা পুড়ে মারা গেলেন

maharashtra-covid-hospital-fire

News Desk: মর্মান্তিক দুর্ঘটনা। মহারাষ্ট্রের আহমেদনগর হাসপাতালে আগুন লেগে অন্তত ১০ করোনা রোগী পুড়ে মারা গেলেন। আরও বেশ কয়েকজন দগ্ধ হয়েছেন। আশঙ্কা মৃতের সংখ্যা বাড়তে পারে।

আহমেদনগর জেলা হাসপাতালের আইসিইউ বিভাগে আগুন ধরে যায়। ভিতরে থাকা রোগীদের বের করে আনার চেষ্টা হলেও দগ্ধ হন তাঁরা। কী করে এই কোভিড বিভাগে আগুন ধরেছিল তার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ভব ঠাকরে।

প্রাথমিকভাবে জানা গিয়েছে, আহমেদনগর জেলা হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ডের এসি মেশিনের বিদ্যুত সংযোগ থেকে আগুন ছড়িয়েছে। আহমেদনগরের বিধায়ক এনসিপি নেতা সংগ্রাম জগতপ জানিয়েছেন, প্রশাসনিকস্তরে পুরো রিপোর্ট তলব করা হয়েছে।

হাসপাতালের কোভিড ওয়ার্ডে ১৭ জন করোনা রোগী ছিলেন। আগুন ধরার পর কয়েকজনকে অন্য একটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে। দগ্ধ করোনা রোগীদের শারীরিক অবস্থার দিকে নজর রাখা হয়েছে।