Bangladesh: অসুস্থ খালেদা জিয়ার বিদেশে চিকিৎসার আবেদন খারিজ হাসিনা সরকারের

khaleda-zia-

News Desk: অসুস্থ বেগম জিয়ার পরিবারের তরফে আবেদন ফের খারিজ করল শেখ হাসিনার সরকার।

বিএনপি নেত্রী ও বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার বিদেশে গিয়ে চিকিৎসার কোনও সুযোগ নেই। সংসদে এমনই  মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

ঢাকার একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন খালেদা জিয়া। তাঁর শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। রক্ত দিতে হচ্ছে। বারবার তাঁকে হাসপাতালে আনতে হচ্ছে। পরিবারের দাবি, বিদেশে নিয়ে গিয়ে উন্নত চিকিৎসা করানোর অনুমতি দিক সরকার।

৭৬ বছর বয়সী প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী আর্থ্রারাইটিস, ডায়াবেটিস, কিডনি, ফুসফুস, চোখের সমস্যাসহ নানা জটিলতায় ভুগছেন। করোনায় আক্রান্ত হন। এরপর অসুস্থতার জন্য টানা ২৬ দিন হাসপাতালে ছিলেন। বাড়ি ফেরার ছয়দিনের ব্যবধানে খালেদা জিয়াকে আবার ঢাকায় বেসরকারি একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সিসিইউ চিকিৎসাধীন তিনি। 

khaleda zia

বাংলাদেশের আইনমন্ত্রী জানান, খালেদা জিয়ার পরিবারের তরফে এমন আবেদন আগেই নিষ্পত্তি হয়ে গেছে। আর নতুন করে আবেদন গ্রহণ করার সুযোগ নেই। আইন সবার জন্য সমান। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবিকতার কারণে উনি বাড়তি কিছু সুবিধা পাচ্ছেন। খালেদা জিয়ার আমলে আওয়ামী লীগের অনেক নেতাকে সঠিক হাসপাতালে পর্যন্ত যেতে দেওয়া হয়নি।

খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে নিয়ে যেতে সোমবার সরকারের কাছে ফের আবেদন করেন  ছোট ভাই শামীম ইস্কান্দার। বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালকে চিঠি দিয়েছেন তিনি। বোন সেলিমা ইসলাম বলেন, খালেদা জিয়ার এখন বিদেশে চিকিৎসা প্রয়োজন। চিকিৎসকরা এমনই পরামর্শ দিচ্ছেন।

দুর্নীতির মামলায় দণ্ডিত হয়ে খালেদা জিয়া ২০০৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জেলে যান। করোনা মহামারির কারণে গত বছরের ২৫ মার্চ সরকার শর্তসাপেক্ষে তাঁকে সাময়িক মুক্তি দেয়। জেল থেকে মুক্তি পেলেও তাঁর দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে আদালত। তবে বিভিন্ন মানবাধিকার সংগঠনের যুক্তি, সরকার চাইলে এই নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে পারে।

INC: ‘উগ্র হিন্দুত্ব ও আইএস জঙ্গি সমার্থক’ বইতে লেখার পরে হামলা সলমন খুরশিদের বাড়িতে

News Desk: প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও হেভিওয়েট কংগ্রেস নেতা সলমনের খুরশিদের বাড়িতে ঢুকে আগুন ধরানোর ঘটনায় দেশজুড়ে বিতর্ক তৈরি হলো। সোমবার নৈনিতালে খুরশিদের বাড়িতে আগুন ধরানো হয়। করা হয় ভাঙচুর। সেই ছবি সলমন খুরশিদ টুইটার ও ফেসবুকে দিতেই শুরু রাজনৈতিক বিতর্ক। অভিযোগ, উত্তরাখণ্ডের বিজেপি সরকার নিরাপত্তার ব্যবস্থা করেছি। কী করে একজন প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বাড়িতে হামলা হয় সেই প্রশ্নের মুখে পড়েছে সরকার।

গত বুধবার সলমন খুরশিদের ‘সানরাইজ ওভার অযোধ্যা: নেশনহুড ইন আওয়ার টাইমস’ লেখা বইটি প্রকাশিত হয়৷ প্রাক্তন বিদেশমন্ত্রী সলমন খুরশিদ এই বইতে উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের কড়া সমালোচনা করেছেন। ভারতের উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের সঙ্গে জঙ্গি সংগঠন ইসলামিক স্টেট ও বোকো হারামের সঙ্গে তুলনা করেছেন৷

Read More: উগ্র হিন্দুত্ববাদ বোকো হারাম, আইএস জঙ্গিদের মতই ভয়ঙ্কর: সলমন খুরশিদ

বইটি প্রকাশের পরেই তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে। বিভিন্ন হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের তরফে প্রতিবাদ জানানো হয়। অভিযোগ, কিছু সংগঠন হামলার হুমকি দেয়।

সোমবার নৈনিতালে সলমন খুরশিদের বাড়ি আক্রান্ত, আগুন ধরানোর পর অভিযোগের আঙুল উঠেছে উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের দিকেই। তবে নির্দিষ্ট করে কোনও সংগঠনের নাম বলেননি খুরশিদ।

প্রকাশের পর থেকেই বিতর্কের মুখে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সলমন খুরশিদের লেখা বইটি৷ এই বই নিষিদ্ধের দাবিতে পিটিশন দায়ের হয়েছে দিল্লি হাইকোর্টে৷ মামলাকারী বিনীত জিন্দাল প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর বিরুদ্ধে দিল্লি পুলিশে একাধিক গুরুতর ধারায় অভিযোগ জানিয়েছেন৷

<

p style=”text-align: justify;”>বইতে প্রাক্তন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাজনৈতিক হিন্দুত্বের সঙ্গেও জিহাদির তুলনা করেছেন। এই অভিযোগে রাজনৈতিক মহল সরগরম। এরই মাঝে নৈনিতালে খুরশিদের বাড়িতে হামলার ঘটনায় বিতর্ক আরও বাড়ল।

Afghanistan: কাবুলের রাস্তায় মার্কিন সাঁজোয়া গাড়ি নিয়ে তালিবান শক্তি প্রদর্শন

Afghanistan: Taliban hold military parade with U.S.-made weapons in Kabul in show of strength

News Desk: আফগান রাজধানীতে তালিবান জঙ্গি সরকারের বিরাট সেনাবহর প্রদর্শনে চমকে গেছে বিশ্ব। কাবুলের রাজপথে ট্যাংক, যুদ্ধযান, বিমান ধংসকারী কামান ও আকাশে হেলিকপ্টার উড়িয়ে সামরিক শক্তি প্রদর্শন করেছে তালিবান সরকার।

তালিবান জঙ্গিদের এই সামরিক বহরের পুরোটাই আফগানিস্তান ছেড়ে চলে যাওয়া মার্কিন সেনার অস্ত্র ভাণ্ডার। গত ১৫ অাগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সরকার আফগানিস্তানের নিমন্ত্রণ ছেড়ে দেয়। সেই দিনই দ্বিতীয়বারের জন্য কাবুল দখল করে তালিবান জঙ্গিরা। দেশত্যাগ করেন নির্বাচিত সরকারের প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি।

Afghanistan: Taliban hold military parade with U.S.-made weapons in Kabul in show of strength

বিবিসি জানাচ্ছে, তালিবান সরকার যে সমরাস্ত্র প্রদর্শন করেছে তার পুরোটাই মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের তরফে আফগানিস্তানের সেনাবাহিনীকে দেওয়া হয়েছিল। এছাড়া আফগানিস্তানে থাকাকালীন মার্কিন সেনা যে সব অস্ত্র মজুত করেছিল তার বড় অংশ তালিবান দখলে। তবে কাবূল ত্যাগের আগে কিছু অস্ত্রসম্ভার ধংস করে যায় মার্কিন সেনা।

তালিবান সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের মুখপাত্র আহসানউল্লাহ খাতমি জানাচ্ছেন, আফগান সেনার আধুনিকীকরণ চলছে। সেনাবাহিনীতে নতুন ২৫০ জনকে বিশেষ প্রশিক্ষণ দিয়ে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।তাদের নিয়েই কাবুলে হয়েছে কুচকাওয়াজ।

<

p style=”text-align: justify;”>তালিবান সরকারের তরফে বারবার দাবি করা হয়েছে, কোনও অবস্থায় আফগালিস্তানকে আর বিদেশি কোনও সরকারের অধীনে রাখা হবে না। তালিবান সরকারের মুখপাত্র জাবিউল্লাহ মুজাহিদ জানিয়েছেন দেশের অরাজক পরিস্থিতি সামাল দিতে চেষ্টা চালাচ্ছে সরকার। কড়া আইন প্রয়োগ করা হয়েছে।

Tripura : খাদ্যাভাবে ব্যাঙাচি খাওয়ার দৃশ্যে শোরগোল

News Desk: পুর নির্বাচনের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ যেমন প্রবল তেমনই ভয়াবহ বেকারি ও খাদ্যাভাবের দিক উঠে আসছে উপজাতি পার্বত্য এলাকা থেকে। খাদ্যাভাবে ব্যাঙাচি বা ব্যাঙের ছানা খেতে শুরু করেছেন অনেকে। আগরতলার সংবাদ মাধ্যমে এই খবর প্রকাশ হয়েছে। তারই ভিত্তিতে এই প্রতিবেদন।

ত্রিপুরা সহ উত্তর পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন উপজাতিদের মধ্যে বনজ হরেক বস্তু, প্রাণী খাদ্য তালিকাভুক্ত। তবে ব্যাঙাচি খাওয়ার কথা এতদিন তেমন আসেনি। অভিযোগ, গত বিধানসভা ভোটে বামেদের টানা ২৫ বছরের সরকার পতনের পর রাজ্যের স্বাভাবিক অর্থনৈতিক পরিকাঠামো এতটাই ক্ষতির মুখে যে বেকারত্ব হারে দেশে অন্যতম।

আরও অভিযোগ, ঘরে ঘরে চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে সরকারে আসা বিজেপি ও উপজাতি দল আইপিএফটি জোটের আমলে সরকারি চাকরি নেই। উপজাতি এলাকায় দেখা দিয়েছে কর্মাভাব। এর ফলে অনেকেই ব্যাঙাচি খেতে শুরু করেছেন।

আগরতলার সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট, রাজ্যের তেলিয়ামুড়া মহকুমার মুঙ্গিয়া ব্লকের এডিসি ভিলেজ (উপজাতি এলাকার গ্রাম) ৪৫ মাইল এলাকার। এখানকার বিভিন্ন উপজাতি পরিবার খাদ্যাভাবে জঙ্গলে বা আশেপাশের নোংরা জলে জন্মানো ব্যাঙাচি সংগ্রহ করছেন। সেই ব্যাঙাচি তারা খাচ্ছেন।
সংবাদ মাধ্যমে এই দৃশ্য সোশ্যাল সাইটে ভাইরাল হতে শুরু করেছে।

ছবির সত্যতা যাচাই করা নেই

রাজ্যের উপজাতি স্বশাসিত এলাকার ভোটে শাসক বিজেপি বোর্ড গঠন করতে পারেনি। শরিক আইপিএফটি ব্যার্থ। টানা এক দশকের বেশি বোর্ড হাতছাড়া হয়েছে সিপিআইএমের। এডিসি দখল করেছে রাজা প্রদ্যোত দেববর্মার দল তিপ্রা মথা।

অভিযোগ, ত্রিপুরায় বাম আমলে উন্নয়নের গতি ধীরে চলেছে। তবে উপজাতিদের অনেকেই জানান, গ্রাম ভিত্তিক কর্মসংস্থান ছিল। বিজেপি আইপিএফটি জোটের সরকারে সেটি নেই। আর এডিসির ক্ষমতাসীন দল তিপ্রা এখনও তেমন কিছু করতে পারেনি। কর্ম ও খাদ্যাভাবের কারণে ব্যাঙের ছানাকেই বেছে নিচ্ছেন অনেকে। ব্যাঙাচি খাওয়ার এই সংবাদ ও ছবি ত্রিপুরার রাজনৈতিক মহলে আলোড়ন তৈরি করেছে।

পশ্চিমবঙ্গে বাম আমলে আমলাশোলে খাদ্যাভাবে পিঁপড়ের ডিম খাওয়ার খবর প্রচারিত হয়েছিল। যদিও এই ডিম বা কুরকুট আসলে স্থানীয় আদিবাসীদের কাছে লোভনীয়। এর দামও অনেক। যারা জঙ্গল থেকে সংগ্রহ করেন তারা খান। একথা পরে প্রকাশ হয়েছে।

(ছবির সত্যতা যাচাই করা নেই)

BJP: বিধায়করা মুখ ঘোরাচ্ছেন, বার্তা পেলেন শুভেন্দু

suvendu adhikari

News Desk: মন্ত্রী সৌমেন মহাপাত্রের দাবি, খোদ বিরোধী দলনেতার লালবাতি দেওয়া গাড়ি চাপতে পারবেন না।  বিজেপি বিরোধী দলের তকমা হারাতে চলেছে। তাঁর মন্তব্য উড়িয়ে দিলেও খোদ পূর্ব মেদিনীপুর ও অন্যান্য জেলার বেশ কিছু বিধায়ক মুখ ঘোরাতে শুরু করেছেন এমনই বার্তা পেয়ে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী।

নিজ জেলাতেই জমি আলগা হচ্ছে নন্দীগ্রামের বিধায়ক তথা বিরোধী দলনেতার। রাজ্য বিজেপির অন্দরে এমনই বার্তা এসে গিয়েছে। তৃণমূল কংগ্রেস রাজ্য নেতাদের কটাক্ষ, শুভেন্দু অধিকারীর ডাকে তাঁর জেলার নেতা বিধায়করা আর তেমন সাড়া দিতে চাইছেন না। শুভেন্দু কি এটা জানেন না?

Suvendu Adhikari

বিজেপি অন্দরে গুঞ্জন, পুর নির্বাচনে কাঁথিতে দলের কী হাল হবে তা ‘রাম জানে’। আর জানেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্য নেতৃত্বের কাছে খুব কি়ছু আশা নেই। তবে কাঁথির লড়াই শুভেন্দুবাবুর কাছে মান রক্ষার। শুভেন্দু অধিকারী বলেছেন,আমি মমতা ব্যানার্জিকে হারাতে পারি। এখানেও কাঁথি শহরে কয়েকটা পাড়াকে বাদ দিয়ে পুরসভা বিজেপি দখল করবে।

রাজ্য বিজেপি নেতাদের বড় অংশ মনে করছেন, শুভেন্দুর হম্বিতম্বি শেষের মুখে। পূর্ব মেদিনীপুরে়ই বড় ধস নামবে। কর্মী সমর্থকদের মধ্যে ধস শুরু হয়েছে বিধানসভা ভোটের ফল ঘোষণার পর থেকেই। কতজন বিধায়ক তৃণমূল কংগ্রেসে যাবেন সেটি আলোচ্য বিষয়।

বিতর্কের সূত্রপাত শুক্রবার। কাঁথি সাংগঠনিক জেলা বিজেপির ডাকে জ্বালানি মূল্য হ্রাসের দাবিতে রাজ্য সরকারের বিরুদ্ধে পদযাত্রা এবং পথসভা আয়োজন করা হয়েছিল। সেই পদযাত্রায় শুভেন্দু অধিকারী উপস্থিত ছিলেন। তবে জেলার অন্যান্য বিজেপি বিধায়করা দেখা দেননি।

পরে দলের তরফে এই অনুপস্থিত বিধায়কদের কাছে কারণ জানতে চাওয়া হয়। সূত্রের খবর তাঁরা অজুহাত দেখিয়েছেন। ঠারে ঠোরে অনেকেই অধিকারী পরিবার কেন্দ্রিক রাজনীতি মানতে চাইছেন না।

জেলা রাজনৈতিক মহলে গুঞ্জন অধিকারী পরিবারের বড়কর্তা নিজেও দ্বিধান্বিত। তবে এই বিষয়ে কেউ মুখ খুলতে নারাজ।

Tripura: TMC নেতাদের হোটেলে ঘর দিও না, ফের হুমকিতে অভিযুক্ত BJP

TMC-Tripura

News Desk: পুরভোট যতই এগিয়ে আসছে ততই ত্রিপুরার (Tripura) রাজনৈতিক পরিস্থিতি জটিল থেকে জটিলতর হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের শাসক দল টিএমসির একাধিক বিধায়ক ও নেতা ত্রিপুরায় ঘাঁটি গেড়েছেন। অভিযোগ, তৃণমূল নেতারা যাতে ত্রিপুরায় থাকতে না পারেন তার জন্য এবার বেছে বেছে হোটেল মালিকদের হুমকি দিতে শুরু করেছে বিজেপি।

শনিবার রাতে রাজ্যের তেলিয়ামুড়ায় বর্ধমান দক্ষিণ কেন্দ্রের বিধায়ক খোকন দাস ও লাভপুর কেন্দ্রের বিধায়ক অভিজিৎ সিংহকে হোটেলে থাকতে দিলে খুনের হুঁশিয়ারি দিয়েছে বলে অভিযোগ। এর জেরে রাতেই দুই বিধায়ক মিছিল করেন ত্রিপুরার টিএমসি সমর্থকদের নিয়ে।

পড়ুন : Tripura: হোটেলে বাংলার TMC বিধায়করা কেন? হুমকিতে অভিযুক্ত BJP

রবিবার সকাল থেকে বিভিন্ন হোটেলে হুমকি বার্তা আসছে বলেই অভিযোগ।নিন্দায় সরব হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। দলের সাধারণ সম্পাদক কুণাল ঘোষ (kunal ghosh) বলেছেন, বিজেপি বুঝে গিয়েছে পুরনির্বাচনে (municipal election) তাদের আর কোনও আশা নেই। সে কারণেই গেরুয়া দল তৃণমূল কর্মীদের ওপর হামলা চালাচ্ছে। তাতেও তৃণমূলকে আটকাতে না পেরে হোটেল মালিকদের হুমকি দিচ্ছে।

tmc mla's threthend by bjp supporters at teliamura tripura

ত্রিপুরায় টিএমসির স্টিয়ারিং কমিটির সদস্য আশিসলাল সিং (ashishlal sing) বলেছেন, দলের পক্ষ থেকে তাঁরা পুলিশ সুপার, এসডিপিও-সহ প্রশাসনের পদস্থ কর্তাদের পুরো বিষয়টি জানিয়েছেন। প্রশাসনকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের কথাও স্মরণ করিয়ে দিয়েছেন। কিন্তু তাতেও কোনও কাজ হচ্ছেনা। বিজেপি গায়ের জোরে সবকিছু দখল করতে চাইছে। তবে এত কিছু করেও তারা ত্রিপুরায় তৃণমূলকে আটকাতে পারবে না।

<

p style=”text-align: justify;”>কুণাল ঘোষ বিজেপিকে কটাক্ষ করে আরও বলেছেন, পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে ভিন রাজ্যের একাধিক বিজেপি নেতা তো প্রতিদিনই বাংলায় ডেলি প্যাসেঞ্জারি করতেন। এখানে তাঁরা হোটেলে ওঠতেন। তাঁদের তো কখনও কোনও রকম বাধার মুখে পড়তে হয়নি। আসলে বিজেপি বুঝে গিয়েছে যে, ত্রিপুরা ধরে রাখা আর তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। সে কারণেই তারা যেনতেন প্রকারেন তৃণমূলকে আটকানোর চেষ্টা করছে।

Bihar: অপহরণ করে পুড়িয়ে মারা হল তরুণ সাংবাদিককে

News Desk: দেশের সব রাজ্যেই সাংবাদিকদের উপর আক্রমণ যেন এক স্বাভাবিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে। কিন্তু সব ধরনের আক্রমণের নজির ছাপিয়ে গেল বিহারে। সেখানে বুদ্ধিনাথ ঝা (buddhinath jha) নামে এক তরুণ সাংবাদিককে অপহরণ করে জীবন্ত পুড়িয়ে দেওয়া হল। বছর ২২-এর এই সাংবাদিকের (journalist) মৃত্যুতে নীতীশ কুমারের (nitish kumar) রাজ্য জুড়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

বুদ্ধিনাথ স্থানীয় একটি নিউজ পোর্টালের (news portal) রিপোর্টার ছিলেন। কয়েকদিন আগেই নিজের ফেসবুকে রাজ্যের একটি ভুয়ো ক্লিনিকের খবর সামনে এনে ছিলেন তিনি। তাঁর রিপোর্টের কারণে এলাকার বেশ কয়েকটি ভুয়ো ক্লিনিকে তল্লাশি চালায় পুলিশ। বেশ কয়েকটি অবৈধ ক্লিনিক বন্ধ করে দেওয়া হয়। কয়েকটি ক্লিনিককে মোটা টাকা জরিমানা করা হয়। ওই ঘটনার পরেই বুদ্ধিনাথের কাছে একাধিক হুমকি ফোন আসতে থাকে।

প্রতিটা ফোনেই তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়। কেউ কেউ আবার বুদ্ধিনাথকে অনুরোধ করেন এ ধরনের খবর না লেখার জন্য। সেই জন্য তাঁকে বিপুল টাকা দেওয়ার প্রস্তাবও দেওয়া হয়। কিন্তু বুদ্ধিনাথ কোনও প্রস্তাব মেনে নেননি। বরং তিনি রাজ্যে এ ধরনের হাজার হাজার ভুয়ো ক্লিনিক চক্রের খবর ক্রমশ সামনে আনতে থাকেন। তার পরিণতিতেই বুদ্ধিনাথকে অপহরণ করে জীবন্ত পুড়িয়ে মারল দুষ্কৃতীরা।

মঙ্গলবার রাতে বিহারের বেনিয়াপট্টির লোহিয়াচকে নিজের বাড়ির সামনে থেকেই দুষ্কৃতীরা বুদ্ধিনাথকে অপহরণ করেছিল। গত পাঁচ দিন ধরে তাঁর কোনও খোঁজ মেলেনি। বুদ্ধিনাথের পরিবার পুলিশের কাছে অভিযোগ দায়ের করলেও পুলিশ তাঁকে উদ্ধার করতে পারেনি। শেষ পর্যন্ত মধুবনী (madhubani) জেলায় এক গ্রামে রাস্তার পাশ থেকে বুদ্ধিনাথের অর্ধদগ্ধ দেহ উদ্ধার হয়। বুদ্ধিনাথের বাড়ির লোকজন দেহটি শনাক্ত করে। ময়নাতদন্তের পর বুদ্ধিনাথের দেহ সৎকার করা হয়।

অন্যদিকে সরকার ও পুলিশের বিরুদ্ধে খবর করার জন্য ত্রিপুরায় (tripura) দুই মহিলা সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করল পুলিশ। বিশ্ব হিন্দু পরিষদের অভিযোগের ভিত্তিতেই এই মামলা দায়ের করা হয়েছে। সম্প্রতি ত্রিপুরায় মসজিদ ভাঙচুরের একটি ঘটনা প্রকাশ্যে এনেছেন দুই তরুণী সাংবাদিক। ওই দুই তরুণী সাংবাদিক অভিযোগ করেছিলেন, মসজিদ ভাঙার খবর করার জন্য ত্রিপুরা পুলিশ তাঁদের রীতিমত ভয় দেখাচ্ছে। পুলিশের বিরুদ্ধে আঙুল তোলার পরই দুই সাংবাদিকের নামে এফআইআর দায়ের করল পুলিশ। অন্যদিকে পুলিশের দাবি, মিথ্যা সংবাদ পরিবেশনের জন্যই ওই দুই তরুণী সাংবাদিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। ওই সাংবাদিকের নাম হল সমৃদ্ধি সাকুনিয়া (sakunia) এবং স্বর্ণা ঝা (swarna jha)।

Bangladesh: বঙ্গোপসাগরে নিম্নচাপে ঘূর্ণিঝড় জাওয়াদ জন্মের আশঙ্কা

cyclone Jawad

News Desk: আসবে কি তেড়ে ঘূর্ণিঝড়? বঙ্গোপসাগরে তৈরি হওয়া নিম্নচাপ শক্তিশালী হওয়ার একটা আশঙ্কা করছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর।

বাংলাদেশের আবহাওয়া অধিদফতরের দীর্ঘমেয়াদি পূর্বাভাস অনুযায়ী আগামী ১৫ থেকে ১৬ নভেম্বরের ভেতর বঙ্গোপসাগরে এই ঘূর্ণিঝড় সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। যদি তেমন হয়, সেক্ষেত্রে আগামী ১৮ থেকে ১৯ নভেম্বর ভারতের উপকূলে সেই ঝড় আঘাত হানতে পারে।

পরবর্তী ঘূর্ণিঝড়ের নাম ঠিক করা আছে জাওয়াদ। এটি সৌদি আরবের দেওয়া নাম। চলতি বছর সেপ্টেম্বরে ভারতের ওডিশা উপকূলে আঘাত হানে ঘূর্ণঝড় ‘গুলাব’। আর মে মাসে ‘ইয়াস’ হামলা করেছিল।

বাংলাদেশ ও ভারতের উপকূল থেকে দুই দেশের উপকূলরক্ষী বাহিনীর দেওয়া তথ্য, উপগ্রহ ছবি বিশ্লেষণ করছেন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞরা।

বাংলাদেশের আবহাওয়াবিদরা ঢাকার সংবাদ মাধ্যমে জানাচ্ছেন, বঙ্গোপসাগরে যদি শক্তিশালী হয়ে নিম্নচাপ তৈরি হয় তাহলে একটি ঘূর্ণিঝড়ে রূপ নেওয়ার আশঙ্কাও রয়েছে।

দুই দেশের আবহাওয়া বিভাগ জানাচ্ছে, ভারতের উত্তর তামিলনাড়ু ও আশেপাশের এলাকায় অবস্থারত নিম্নচাপটি দুর্বল হয়েছে। একটি নিম্নচাপ রেখা হিমালয় সংলগ্ন পশ্চিমবঙ্গ ও আশেপাশের এলাকা পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর জানাচ্ছে, দক্ষিণ পশ্চিম বঙ্গোপসাগর থেকে আগত নিম্নচাপটির বর্ধিতাংশ উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। দক্ষিণ আন্দামান সাগর এবং এর আশেপাশের এলাকায় একটি নিম্নচাপ বলয় সৃষ্টি হয়েছে। এর প্রভাবে রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, চট্টগ্রাম, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের দু’এক জায়গায় হালকা থেকে মাঝারী ধরনের বৃষ্টি হতে পারে।

Tripura: সুপ্রিম ‘নিরাপত্তা নির্দেশ’ উড়িয়ে হামলা, আক্রান্ত সরকারি কর্মী,অভিযুক্ত BJP

Tripura CPIM police station

News Desk: পুর নির্বাচনের আগেই ‘ভয়াবহ রাজনৈতিক সন্ত্রাস’ চলছে এমনই অভিযোগের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দিয়েছে, পুর নির্বাচনে নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে হবে ত্রিপুরা (Tripura) রাজ্য সরকারকে। সেই নির্দেশের পরেও আগরতলা পুর নিগমের ভোটে লাগামছাড়া সন্ত্রাস চালানোর অভিযোগ উঠছে শাসক বিজেপির বিরুদ্ধে। আরও অভিযোগ, খোদ মু়খ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব চোখ বন্ধ করে বসে আছেন।

আগরতলা পুর নিগম, ১৩টি পৌর পরিষদ ও ৬টি নগর পঞ্চায়েতের ভোট হবে আগামী ২৫ নভেম্বর। নির্বাচনে রাজনৈতিক হামলার অভিযোগ করছে প্রধান বিরোধী সিপিআইএম। এছাড়াও টিএমসি ও কংগ্রেসের লাগাতার অভিযোগ চলছেই। নির্বাচনে শতাধিক আসনে বিরোধীদের কোনও প্রার্থী নেই।

tripura

এবার রাজনৈতিক হামলার শিকার হলেন এক রাজ্য সরকারি কর্মী। হামলায় তাঁর চোখ ক্ষতিগ্রস্থ। আক্রান্ত ওই সরকারি কর্মীর অভিযোগ, তাঁকে মারধর করেছে বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা। তিনি কোনও দলের কর্মী নন বলেই জানান।

আসন্ন পুর নির্বাচনের মুখে রাজধানী আগরতলা পুরনিগমের ভোট ঘিরে শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে হামলা চলছে শাসক দলের আশ্রিত দুষ্কৃতিদের। বিরোধী দল সিপিআইএমের তরফে পশ্চিম ত্রিপুরা থানা ঘেরাও করা হয়। থানায় ঢুকে বাম নেতারা পুলিশ অফিসারদের বিরুদ্ধে নিষ্ক্রিয়তার অভিযোগ এনে তীব্র ক্ষোভ দেখান।

পশ্চিম ত্রিপুরা থানায় সিপিআইএম নেতৃত্ব ও অফিসারদের কথা কাটাকাটির মাঝে বাম নেতা বলেন “এ পর্যন্ত ক’জন সমাজদ্রোহীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ?” তাঁর প্রশ্নের উত্তর দিতে পারেননি পুলিশ অফিসার।

tripura

বিরোধী দলনেতা তথা প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মানিক সরকার জানিয়েছেন, বিজেপি সরকার জনসমর্থন হারিয়ে রাজনৈতিক হামলার পথ নিয়েছে। জনতার জবাব পাবে।

অন্যদিকে লাগাতার হামলার অভিযোগ করে তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সুস্মিতা দেব সুপ্রিম কোর্টের দরজায় গিয়েছিলেন। তাঁর আবেদনের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট ত্রিপুরার বিজেপি জোট সরকারকে নির্দেশ দেয় পুর নির্বাচন নির্বিঘ্নে করাতে হবে। তবে সেই নির্দেশ উড়িয়েই বিজেপি আশ্রিত দুষ্কৃতিরা হামলা অব্যাহত রেখেছে বলে অভিযোগ তৃণমূল কংগ্রেসের।

<

p style=”text-align: justify;”>রাজ্যের অপর বিরোধী দল কংগ্রেসও নির্বাচন শান্তিপূর্ণ করার দাবিতে ঘেরাও অবস্থান করেছে। কংগ্রেস নেতৃত্ব বারবার সরকারের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক সন্ত্রাস ছড়ানোর অভিযোগ করেছেন।

COP26 : নজিরবিহীন জলবায়ু সম্মেলন! দরিদ্র দেশগুলির চাপে সময় পেরিয়েও আলোচনা

COP26

News Desk: ধনী দেশগুলির কার্বন নির্গমণ বিশ্বকে চরম ক্ষতির মুখে ফেলে দিচ্ছে। গড় তাপমাত্রা মাত্র ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের একটু বেশি হলেই দুনিয়া রসাতলে যাবে। এই যুক্তি মেনে নিয়েও তুমুল বাকবিতন্ডা চলছে জলবায়ু সম্মেলনে।

সম্মেলনে অংশ নেওয়া দরিদ্র ও উন্নয়নশীল দেশগুলির অভিযোগ ধনী দেশের সরকাররা কোনওভাবেই জলবায়ু নিয়ন্ত্রণে টাকা বরাদ্দ বৃদ্ধিতে রাজি নয়। এই অবস্থান স্কটল্যান্ডের রাজধানী গ্লাসগো শহরে রাষ্ট্রসংঘের জলবায়ু সম্মেলনে (Cop 26) নজিরবিহীন পরিস্থিতি। সময়সীমা পেরিয়েও চলছে আলোচনা।

যদিও জলবায়ু সম্মেলনে চিন ও মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সহমত জানিয়েছে একযোগে চারদশক কাজ করার।  দুটি দেশই বিশ্বে সর্বাধিক কার্বন নি:স্বরণ করে। ব্রাজিল সহ বিশ্বের শতাধিক দেশের নেতারা ২০৩০ সালের মধ্যে বনভূমি ধংস বন্ধের প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

COP26

তবে টুভালুর মতো ছোট ও দরিদ্র প্রাকৃতিক সম্পদের দেশগুলির অভিযোগ, জলবায়ু সম্মেলন আসলে একটি লোক দেখানো মঞ্চে পরিণত হয়েছে। বিপদ বুঝেও ধনী দেশগুলি গাছাড়া মনোভাব দেখাচ্ছে।

গবেষণায় উঠে এসেছে, গড় তাপমাত্রা ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস বাড়লেই উষ্ণতার প্রভাবে সামুদ্রিক জলস্ফিতি হবে। এর জেরে বহু দ্বীপরাষ্ট্র তলিয়ে যেতে পারে। বিভিন্ন সমুদ্র উপকূলীয় দেশ বিরাট ক্ষতির মুখে পড়বে।

ক্ষুদ্র দ্বীপ দেশগুলো শুক্রবার জানায়, সমুদ্রের জলস্তর বৃদ্ধির ফলে দ্রুততার সঙ্গে তাদের ভূমি হারিয়ে যাচ্ছে। ২০০৯ সালে মালদ্বীপ সরকার ভারত মহাসাগরের তলায় মন্ত্রিসভার বৈঠক করে বিশ্বকে জলস্ফিতির সতর্কতা দিয়েছিল। এবার জলবায়ু সম্মেলনে প্রশান্ত মহাসাগরের দ্বীপরাষ্ট্র টুভালুর বিদেশমন্ত্রী সাগরে দাঁড়িয়ে সতর্কতাবাণী দেন। তিনি বলেন ‘আমাদের দেশ সত্যি সত্যি ডুবে যাচ্ছে। এটা আমাদের অনেকের জীবন মরণের প্রশ্ন। গ্লাসগো সম্মেলনকে অবশ্যই কার্যকর পদক্ষেপের ঘোষণা করতে হবে। আমরা যেন ব্যর্থ না হই।’

আরও পড়ুন: COP26 : ঘাড়ের কাছে বিপদ, মহাসাগর থেকে টুভালুর সতর্কতায় বিশ্ব কাঁপল

<

p style=”text-align: justify;”>এই প্রেক্ষিতে শনিবার দুপুরে জলবায়ু সম্মেলনের চূড়ান্ত আলোচনার সময় ক্রমাগত পিছিয়ে যাচ্ছে। এবারের সম্মেলনের সভাপতি ব্রিটেনের মন্ত্রী অলোক শর্মা জানান বিশ্ব উষ্ণায়ণ রুখতে এটাই শেষ সুযোগ। বিজ্ঞানীদের মতে, বিশ্বের গড় তাপমাত্রা বৃদ্ধি ১.৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ধরে রাখার বিষয়টি তুলনা করলে শিল্পপূর্ববর্তী যুগে ফিরে যাওয়ার সমান। সেটা কী করে করা সম্ভব তাই জটিল বিষয়।

Purba Bardhaman : রাত নামতেই ভয়, ধান জমিতে দাঁতালের দল, প্রশাসন সতর্ক

purba-bardhman-dalma-range-elephant

News desk: সকাল গড়িয়ে রাত নামল। এর পরেই আরও আতঙ্কিত পূর্ব বর্ধমান জেলার গলসি, আউসগ্রাম, ভাতার এলাকাবাসী। যদি ফের ২০১৬ সালের মতো হামলা হয়। সোশ্যাল মিডিয়ায় হাতি নিয়ে গুজব না ছড়াতে অনেকেই বলছেন। জেলা প্রশাসন সতর্কতা বার্তায় বলেছে, কেউ যেন অযথা ঝুঁকি না নেন। সকাল হলে হাতিদের গতিবিধি বুঝে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

purba-bardhman-dalma-range-elephant

ছোটনাগপুরের দলমা রেঞ্জের দাঁতাল হাতি আগেও এসেছে। দামোদর পার হয়ে বহুবার পানাগড়, গলসি, আউসগ্রামের জঙ্গলে ঢুকেছে। কিন্তু একসঙ্গে এতো হাতি গ্রামবাসীরা দেখেননি বলে জানান। অন্তত ৪৬টি দাঁতাল হাতি ও ছানা আছে এই দলে।

বৃহস্পতিবার সকালে বাঁকুড়ার শালতোড়া বনাঞ্চল থেকে পাল পাল হাতি পশ্চিম বর্ধমান হয়ে দামোদর পার করে পূর্ব বর্ধমানের দিকে ঢুকে পড়ে। সকাল থেকেই জেলার গলসি, পারাজ, আউসগ্রাম, ভাতার এলাকায় চাঞ্চল্য ছড়ায়।গলসির একের পর এক ধানজমি মাড়িয়ে, ধান খেয়ে পালপাল হাতি দাপাতে থাকে। এলাকায় ছড়ায় আতঙ্ক।

purba-bardhman-dalma-range-elephant

প্রায় ৪৬টি হাতির বিরাট এই দলের দাপাদাপিতে গলসির শিড়রাই গ্রামের জমিতে প্রচুর ধান নষ্ট হয়েছে। সিংপুর, গলিগ্রাম, উচ্চগ্রাম, কুদরুকি হয়ে হাতির দল খড়ি নদী পার হয়ে আউসগ্রামের জঙ্গল অভিমুখে চলে যায়। রাত্র পর্যন্ত হাতির দল রয়েছে আউসগ্রাম ১ নম্বর ব্লকের নয়দা গ্রামে।

purba-bardhman-dalma-range-elephant

পূর্ব বর্ধমান জেলা প্রশাসন জানায়, বিরক্ত না করলে গ্রামের দিকে ঢুকবে না হাতিরা। মাইকিং করে সতর্ক থাকার বার্তা দেওয়া হয়। জেলা বন দফতর সূত্রে খবর, দামোদর পার করে গলসি ১ নম্বর ব্লকের শিল্ল্যা ঘাট এলাকায় ঢুকেছে হাতির দল।

<

p style=”text-align: justify;”>এত বড় হাতির দলকে নিরাপদে জঙ্গলে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করছে জেলা প্রশাসন। হুলা পার্টি ও কুনকি হাতির সাহায্য নেওয়া হতে পারে বলে বর্ধমান বনদফতর সূত্রে খবর।

Varanasi: ‘হিন্দুস্তাঁ হমারা…’ লেখক ইকবালের ছবি দিয়ে অনুষ্ঠানের ‘ভুল’ স্বীকার BHU কর্তৃপক্ষের

BHU controversy

News Desk: ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা হিন্দুস্তাঁ হমারা’ রচয়িতা কবি মহম্মদ ইকবালের জন্মদিন পালনের অনুষ্ঠান নিয়ে তীব্র চাপের মুখে ভুল স্বীকার করে নিল বেনারস হিন্দু ইউনিভার্সিটি। দেশের অন্যতম এই বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে ভুল স্বীকার করতে চাপ দিয়েছে সংঘ পরিবারের ছাত্র শাখা অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ (AVBP)। বিবিসি জানাচ্ছে এই খবর।

কবি মহম্মদ ইকবাল ভারত ভাগের পর পাকিস্তানের নাগরিকত্ব নেন। তাঁকে পাকিস্তান জাতীয় কবির মর্যাদা দিয়েছে। তিনি বিখ্যাত ‘সারে জাঁহা সে আচ্ছা হিন্দুস্তাঁ হমারা’ এই উর্দু কবিতা লিখে।

বিবিসি জানাচ্ছে, বেনারশ হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের উর্দু বিভাগ তাদের পোস্টারে বিখ্যাত উর্দু কবি মুহাম্মদ ইকবালের ছবি ব্যবহার করে ৯ নভেম্বর তাঁর জন্মদিন উপলক্ষে। এর পরেই এবিভিপি ছাত্র সংগঠনের চাপের মুখে সেই ছবি প্রত্যাহার করে নিজেদের ‘ভুল’ স্বীকার করে নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

উত্তর প্রদেশের বারাণসী থেকেই সাংসদ প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আরএসএসের ছাত্র সংগঠনের দাবি, কেন বিএইচইউ প্রতিষ্ঠাতা পন্ডিত মদনমোহন মালব্যর ছবি নেই উর্দু বিভাগের পোস্টারে। এই নিয়ে বিতর্ক চরমে ওঠে।

বিবিসি জানাচ্ছে, বেনারস হিন্দু বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএইচইউ) উর্দু বিভাগ প্রতি বছর ৯ই নভেম্বর কবি ইকবালের জন্মদিন ‘উর্দু দিবস’ হিসেবে পালন করে। তারা একটি ওয়েবিনারের আয়োজন করেছিল। সেই ওয়েবিনারের পোস্টারে কবি ইকবালের ছবি কেন আছে এবং তা নিয়ে তুমুল প্রতিবাদ জানায় অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদ। একজন পাকিস্তানি নায়ককে কেন বিএইচইউ সম্মান দেখাবে সেই প্রশ্ন তুলে কর্তৃপক্ষের কাছে স্মারকলিপিও জমা দেওয়া হয়।

Tripura: ‘ভোটে সন্ত্রাস’ নিরাপত্তা দিক সরকার, সুপ্রিমকোর্টে অস্বস্তিতে BJP

biplab-abhishekh

News Desk: ত্রিপুরায় আসন্ন পুর নির্বাচনে রাজনৈতিক আক্রমণ ‘লাগামছাড়া’।বিরোধীদের এমনই অভিযোগকে মান্যতা দিয়ে নির্বিঘ্নে প্রচার ও নিরাপত্তার জন্য রাজ্য সরকারকে নির্দেশ দিল সুপ্রিম কোর্ট। সুপ্রিম নির্দেশে প্রবল অস্বস্তিতে মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সুস্মিতা দেবের আবেদনকে মান্যতা দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সাংসদ আবেদনে বলেন, ত্রিপুরায় লাগামছাড়া রাজনৈতিক হামলা চলছে তৃণমূল প্রার্থী ও সমর্থকদের উপরে। সেই আবেদনের ভিত্তিতে সুপ্রিম কোর্ট ত্রিপুরা সরকারকে ভোট নির্বিঘ্নে করার নির্দেশ দিয়েছে। বিচারপতি  ডি ওয়াই চন্দ্রচূড় জানান, সরকারকে শান্তিপূর্ণ ভাবে প্রচার চালানোর যথাযথ দায়িত্ব নিতে হবে। কাউকে প্রচারে বাধা দেওয়া যাবে না।

ত্রিপুরায় গত বিধানসভা ভোটে টানা ২৫ বছরের বাম শাসনের পতন হয়। সরকার গড়ে বিজেপি ও আইপিএফটি জোট। ২০১৮ সাল সেই বিধানসভা ভোটের গণনার দিন থেকে প্রবল রাজনৈতিক হামলা শুরু হয়। দেশজুড়ে বারবার আলোচিত হয়েছে বিরোধী সিপিআইএম ও কংগ্রেসের উপর ত্রিপুরার রাজনৈতিক হামলা। এরপর লোকসভা, পঞ্চায়েত ভোটেও রাজনৈতিক সন্ত্রাস চালানোয় অভিযুক্ত হয়েছে বিজেপি।

আসন্ন পুর ও নগর পরিষদ ভোটে শতাধিক আসনে বিজেপি বিনা প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতায় জিতেছে। অভিযোগ, বিরোধী দল সিপিআইএম সহ কংগ্রেস, টিএমসি কোনও দলই এই আসনগুলিতে প্রার্থী দিতে পারেনি।বিভিন্ন আসনে প্রার্থী দিয়েও তৃণমূল কংগ্রেস ও সিপিআইএম নাম প্রত্যাহার করেছে।

পুর নির্বাচনে মূল লড়াই হচ্ছে আগরতলা পুর নিগমে। বিজেপি ও সিপিআইএমের মধ্যে বোর্ড দখলের লড়াই। তবে টিএমসি ও কংগ্রেস প্রার্থী দিয়েছে। ভোট ২৫ নভেম্বর। ২৮ নভেম্বর গণনা।

বিরোধী সিপিআইএমের অভিযোগ, পুর ও নগরপরিষদ ভোটে রাজ্য জুড়ে সন্ত্রাস চালাচ্ছে বিজেপি। আক্রান্ত বাম সমর্থক ও প্রার্থীদের বাড়ি যান প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী ও বিরোধী দলনেতা মানিক সরকার।

বিরোধী দলনেতা মানিকবাবু জানিয়েছেন, বিজেপি সরকার জনবিচ্ছিন্ন হয়ে ভোট সন্ত্রাস চালাচ্ছে। গত নির্বাচনের আগে যে বাড়ি বাড়ি চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল বিজেপি তা পূরণে ব্যর্থ। সরকার পতনের মুখে।

Bangladesh: কুমিল্লা সহ বিভিন্ন এলাকায় গুলি চলল, রক্তাক্ত ভোট

News Desk: হামলা রুখতে পারবে না তা বলেই দিয়েছিল বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। আশঙ্কা মিলিয়েই রক্তাক্ত হলো দ্বিতীয় দফার ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন। চলল গুলি, শাসক বিরোধী আর গোষ্ঠীদ্বন্দের শিকার হয়েছেন অন্তত ৬ জন।

ভোট সন্ত্রাসের পরবর্তী দফা তৃতীয় দফা ইউনিয়ন পরিষদের ভোট গ্রহণের দিন আরও বাড়বেই বলে আশঙ্কা। তবে ক্ষমতা দখলের নিরিখে আওয়ামী লীগ শক্ত অবস্থানে। বাকিদের অবস্থা তেমন কিছু নয়।

বাংলাদেশের ইউনিয়ন পরিষদ ভোটে অন্যতম নজর ছিল দুর্গাপূজায় সাম্প্রদায়িক হামলা ছড়ানোর কেন্দ্র কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম। নির্বাচনে নরসিংদী, কক্সবাজার, চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় অন্তত চার জন নিহত। এছাড়া সাতক্ষীরা, চট্টগ্রাম, ঝিনাইদহ, মানিকগঞ্জ, যশোর, কুমিল্লা, লক্ষ্মীপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় ইউপি নির্বাচনকে ঘিরে সংঘর্ষের খবর জানা গেছে।

সবথেকে রক্তাক্ত পরিস্থিতি নরসিংদী জেলার রায়পুরা উপজেলা। এখানকার রায়পুরার বাঁশগাড়ি ইউনিয়নে দুই চেয়ারম্যান প্রার্থীর সমর্থদের মধ্যে নির্বাচনি সংঘর্ষে গুলি চলে। তিন জন নিহত। আহত হয়েছেন প্রায় ১০ জন। আওয়ামী লীগের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে এই সংঘর্ষ হয়। কক্সবাজারেও গুলি চলেছে। কয়েকজন জখম।

কুমিল্লায় ভোট চলাকালীন সংঘর্ষ থামাতে পুলিশ গুলি চালায়। গুলিতে হামলাকারীরা জখম। কয়েকজন আশঙ্কাজনক।

Bangladesh: পাকিস্তান কেটে বাংলাদেশ জন্মের সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠান শুরু ১৬ ডিসেম্বর

bangladesh

News desk: রক্তাক্ত নয় মাসের মুক্তিযুদ্ধ শেষ করে ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর বাংলাদেশ আত্মপ্রকাশ করে। জন্ম নেওয়ার পর ৫০ বছর পার হতে চলেছে। সুবর্ণজয়ন্তী অনুষ্ঠান পালিত হবে এই দিনেই। জানিয়েছেন বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

তিনি বলেন, আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর অনুষ্ঠান শুরু হচ্ছে। ১৬ ডিসেম্বরের আগেই মুজিব শতবর্ষ অনুষ্ঠান সরকার শেষ করতে চায় বলেও জানান বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

আরও পড়ুন: Kolkata: বঙ্গবন্ধুকে উৎসর্গ করেই কলকাতা বইমেলা

Bangladesh 16 december

অনুষ্ঠানে বিদেশি অনেক অতিথি আসার কথা। দু’জন রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান আসতে পারেন। দুই দিনব্যাপী (১৬-১৭ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠান হবে সংসদের দক্ষিণ প্লাজায়। এমনই জানিয়েছেন তিনি।

বাংলাদেশ সরকার স্পষ্ট না করলেও মনে করা হচ্ছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ড. লোটে শেরিং ঢাকায় আসতে পারেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে সর্বপ্রথম আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিয়েছিল ভুটান। তার পরেই ভারত স্বীকৃতি দেয়।

বাংলাদেশের সুবর্ণ জয়ন্তী অনুষ্ঠান ঘিরে চলছে ব্যপাক প্রস্তুতি। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল জানান, জাতীয় প্যারেড স্কয়ারে ১৬ তারিখে অনুষ্ঠান হবে। কড়া নিরপত্তা থাকবে। অনুষ্ঠান ও উৎসবস্থলের এক কিলোমিটারের মধ্যে গ্যাস সিলিন্ডারের গাড়ি ঢুকতে করতে পারবে না। এই সময় ভ্রাম্যমাণ দোকান থাকবেন না এবং নির্মাণকাজ বন্ধ থাকবে। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিস্থল ও সারাদেশে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে।

<

p style=”text-align: justify;”>১৯৭১ সালে পাকিস্তান দ্বিখণ্ডিত হয়। রক্তাক্ত মুক্তিযুদ্ধ শেষে ডিসেম্বরের ১৬ তারিখ পাকিস্তান আত্মসমর্পণ করেছিল ভারতীয় ও মুক্তিবাহিনীর যৌথ কমান্ডের কাছে।

Assam : ছট পুজো সেরে ফেরার পথে দুর্ঘটনার মৃত পূণ্যার্থীরা

aasam-accident

News Desk: বৃহস্পতিবার ভোরে ছটপূজো সেরে পরিবারের সকলেই আনন্দের সঙ্গে বাড়ি ফিরছিলেন। কিন্তু সেই আনন্দ দীর্ঘস্থায়ী হল না। বরং আনন্দের মুহূর্ত নিমেষ বদলে গেল শোকের আবহে। নদী থেকে স্নান ও পুজো সেরে অটো করে ফিরছিলেন একটি পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য।

মাঝপথে ওই অটোর সঙ্গে একটি লরির মুখোমুখি ধাক্কা লাগে। ওই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ১০ জন। মৃতদের মধ্যে তিনটি শিশু। বৃহস্পতিবার সকালে এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে অসমের (assam) করিমগঞ্জের (karimgang) পাথরখাণ্ডিতে (parharkhandi)।

পুলিশ জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে নদীতে ছট পুজো করতে গিয়েছিলেন একটি পরিবারের বেশ কয়েকজন সদস্য। একটি অটো ভাড়া করে গিয়েছিলেন তাঁরা। নদীতে স্নান ও পূজার্চনা শেষ করার পর তাঁরা অটো করেই বাড়ি ফিরছিলেন ৮ নম্বর জাতীয় সড়ক দিয়ে। বাড়ি ফেরার পথে পাথরখান্ডির কাছে উল্টো দিক থেকে আসা একটি লরি সজোরে ধাক্কা মারে অটোটিকে। অটোটি রাস্তার মাঝখানেই উল্টে যায়।

কার্যত দুমড়েমুচড়ে দলা পাকিয়ে যায় অটোটি। এ ঘটনায় ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ৯ জন ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান একজনকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলেও তাকে বাঁচানো যায়নি। মৃতদের মধ্যে তিনটি শিশু। মৃতেরা সকলে একই পরিবারের সদস্য। ঘটনার পরই লরিটি নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে চালক।

খবর পেয়ে পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ঘটনাস্থলে যায় পুলিশ। স্থানীয় মানুষ ও পুলিশ অটো থেকে একে একে দেহগুলি উদ্ধার করে। ওই ১০ টি দেহ হাসপাতালে ময়না তদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে অটোটিকে তবে লরিটিকে আটক করা সম্ভব হয়নি। চালক ট্রাক নিয়ে পালিয়ে গিয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মা (himanta biswasharma) বলেছেন, এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় আমি অত্যন্ত ব্যথিত। মৃতদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাই। তাঁদের সব ধরনের সাহায্য করবে রাজ্য সরকার। একই সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, দুর্ঘটনার পরই ট্রাক চালক পালিয়ে গিয়েছে। ট্রাক চালক এবং তার গাড়িটির খোঁজ চালাচ্ছে পুলিশ।

 

TMC: ‘মমতার আশ্বাসে বিশ্বাস নেই’ দেউচা-পাঁচামি কয়লাখনির বাসিন্দাদের ক্ষোভ বাড়ছে

mamata

News Desk: ‘মুখ্যমন্ত্রী মমতার আশ্বাসবাণীতে আমাদের বিশ্বাস নেই। তিনি অনেক কিছু বলেন, কিন্তু হয় না।’ শাসকদল তৃণমূল কংগ্রেসে বিরাট ঘাঁটি বীরভূম থেকে ভেসে আসছে এমন ক্ষোভের বার্তা।

রাজ্য সরকার যে দেউচা-পাঁচামি কয়লা খনি প্রকল্প রূপায়ণে পুনর্বাসন পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে তাতে বিশ্বাস নেই এলাকার বহুলাংশ বাসিন্দাদের। তাঁদের অনেকেই অভিযোগ, যেভাবে ‘বিরোধী নেত্রী থাকার সময় মমতা সিঙ্গুর থেকে টাটা মোটরসকে তাড়িয়েছিলেন’ তার পরে তাঁর কোনও শিল্প পরিকল্পনা বিশ্বাসযোগ্যতা হারিয়েছে।

দেশের সবথেকে বড় কয়লা ব্লকগুলির একটি বীরভূমের দেউচা পাঁচামি খনি। এটি খোলামুখ খনি। এখানে সরকারি প্রকল্পের ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর ঘোষণার পরেই ক্ষোভ পুঞ্জিভূত হতে শুরু করেছে।

সরকারিভাবে জানানো হয়েছে, বীরভূমের মহম্মদবাজার ব্লকের প্রস্তাবিত এলাকায় ৩ হাজার ৪০০ একর জমিতে ১১৯৮ মিলিয়ন টন কয়লা মজুত আছে। এই বিপুল পরিমাণ কয়লা উত্তোলন ও তার জন্য জমি অধিগ্রহণ করবে সরকার।পুনর্বাসন প্রকল্প ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

সরকারিভাবে জানানো হয়, মোট ৩৫ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ হবে। স্থানীয় ১০টি গ্রামের ২১ হাজারের বেশি বাসিন্দাদের পুনর্বাসন, মডেল টাউন ও চাকরি বাবদ ১০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

পুনর্বাসন প্রকল্পের কথা স্থানীয় বাসিন্দারা শুনেছেন। তাঁদের দাবি, কলকাতা থেকে প্যকেজ ঘোষণা করলে হবে না। এলাকার প্রত্যেকের সঙ্গে সরাসরি আলোচনা করতে হবে। তাঁদের দাবি ‘ক্ষতিপূরণ কে কতটা পাবেন তার সন্তোষজনক সমাধান চাই। তবেই শিল্প হবে। না হলে আন্দোলন হবে।’

দেউচা পাঁচামি কয়লা খনি গড়তে নোডাল এজেন্সি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছে পিডিসিএল। প্রকল্প গড়তে জমিদাতাদের বিভিন্ন স্বার্থ লঙ্ঘিত হচ্ছে কিনা তার জন্য ৯ সদস্যের কমিটি গঠন হয়েছে। এই কমিটির একজন অভিনেতা পরমব্রত। এলাকাবাসীদের অভিযোগ, কয়লা খনি কী বস্তু তার ধারণা কতটুকু অভিনেতার। সে কী করে আমাদের সমস্যা বুঝতে পারবে? 

বিক্ষোভ জমা হচ্ছে। যে জমি আন্দোলন মমতাকে কুর্সিতে বসিয়েছে। সরকারে থেকে তিনিই এখন জমি আন্দোলনের মুখে পড়ছেন। রাজনৈতিক বিতর্ক চড়তে শুরু করেছে।

CPIM: নিধিরাম সর্দার হয়ে পুরভোটে জোটের ‘বগল বাজাচ্ছে’ বামেরা, একলা চলো দাবি

CPIM new generation

Political correspondent: বামফ্রন্ট শরিক দল ফরওয়ার্ড ব্লকের সিংহ গর্জন শুনতে পাচ্ছেন সিপিআইএম (CPIM)নেতারা। আসন্ন পুর নির্বাচনে ফের কংগ্রেসের সঙ্গে জোট নাকি একলা বামফ্রন্ট এই নিয়ে শূন্য ভাঁড়ার পূর্বতন শাসক গোষ্ঠীর মধ্যে বিবাদ বাড়ছেই।

আরও পড়ুন : ‘হাল ছেড়ে দেওয়া’ গৃহবন্দি বুদ্ধবাবু শুনলেন নব্যরা ফাইট করেছে

সূত্রের খবর, পুর ভোটকে সামনে রেখে বামফ্রন্টের বৈঠকে ফ.ব নেতারা সিপিআইএমকে একদম ধুনে দিতে তৈরি। এর জন্য ফরওয়ার্ড ব্লকের বাংলা কমিটি (রাজ্য কমিটি) বাছা বাছা বাক্য সংগ্রহ করে রেখেছেন। সেসব প্রয়োগ করা হবে বৈঠকে।

ফ.ব ইঙ্গিত দিয়েছে যদি জোট হয় তবে বামফ্রন্ট নাম ব্যবহার করা যাবে না। প্রয়াত জ্যোতি বসুর সূত্র মেনে শরিকদলগুলির মিলিত শক্তিকেই বামফ্রন্ট মানতে রাজি ফরওয়ার্ড ব্লক।

এদিকে বামমহলে শুরু হয়েছে ভোট বেড়ে যাওয়ার আনন্দে ‘বগল বাজানো’। সম্প্রতি চার বিধানসভার উপনির্বাচনে একলা লড়াই করে বামফ্রন্ট তার ভোট ও ভোট শতাংশ দুটোই বাড়িয়ে নেয়। যদিও ঝুলি এখনও খালি। গত লোকসভা ভোট থেকে যে শূন্য কোঠা বামেদের জন্য বরাদ্দ করেছেন রাজ্যবাসী তাতে প্রলেপ দিয়েছেন জনতা।

আরও পড়ুন: হেরেও ‘সুশান্ত এফেক্ট’ পশ্চিম মেদিনীপুরে, বনধের রোষ বাম কর্মীদের

মহানগর থেকে মফস্বল সর্বত্র চর্চায় এসেছে একলা চলো রে নীতিতে বামেদের ভোট বেড়ে যাওয়ার বিষয়টি। নিচু তলার নেতা কর্মীদের দাবি, এবার অন্তত কংগ্রেস বা কোনও জগাখিচুড়ি জোটের বগল বাজানো বন্ধ করুন উঁচু তলার নেতারা। তা না হলে স্বল্প পুঁজি যা এসেছে তাও যাবে ভেসে।

এদিকে পশ্চিম মেদিনীপুরের তাবড় নেতা ও প্রাক্তন মন্ত্রী সুশান্ত ঘোষের দাবি, লেজুড়বৃত্তি না করে চোখে চোখ রেখে কথা বললেই বাম ফের পুরনো ছন্দে ফিরবে। গুঞ্জন আসন্ন সিপিআইএম রাজ্য সম্মেলনে তিনি দলীয় অচলাবস্থার নীতিতে ‘বোমা মারা’র যাবতীয় প্রস্তুতি নিতে শুরু করেছেন। ‘সুশান্ত বচন’ যে কত কঠিন তা হাড়ে হাড়ে বোঝেন বাম নেতারা। একই পথে হাঁটতে চলেছেন উত্তরবঙ্গের তথা রাজ্যের অন্যতম হেভিওয়েট নেতা অশোক ভট্টাচার্য ও সুন্দরবনের কিংবদন্তি নেতা কান্তি গাঙ্গুলী। তালিকায় নাম ক্রমে বাড়ছে।

<

p style=”text-align: justify;”>আর জেলায় জেলায় সমর্থকদের দাবি, দল আছে, ভোট পড়ছে, মিছিল হচ্ছে, তবে নেতাদের ভাবা দরকার একলা চলার নীতি। কোথায় আটকাচ্ছে তাঁদের। ‘জোটের বগল বাজানো বন্ধ করুক দল’।

BJP: পুলিশে ছুঁলে…! তথাগতর ‘নারীচক্র’ মন্তব্যের তদন্তের প্রস্তুতি

Tathagata Roy

News Desk: বাঘে ছুঁলে আঠারো ঘা, পুলিশে ছুঁলে? ঠিক কেউ জানেন না কতগুলো ঘা হয় ! বিজেপি নেতা প্রাক্তন রাজ্যপাল (ত্রিপুরা ও মেঘালয়) তথাগত রায় ‘নারীচক্র’ মন্তব্য বিতর্কের জালে জড়িয়ে পড়ছেন।

রাজ্য বিজেপির অভ্যন্তরে ‘নারীচক্র’ মন্তব্য করে আগেই রাজনৈতিক বোমা ফাটিয়েছিলেন তিনি। সেই মন্তব্য ধরেই এবার তথাগত রায়ের বিরুদ্ধে যে এফআইআর দায়ের করেছেন বাম নেতা আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়, সেই অভিযোগ গ্রহণ করেছে পুলিশ। এর পরেই প্রশ্ন, পুলিশ কি প্রবী়ন বিজেপি নেতাকে জিজ্ঞাসাবাদ করবে?

সিপিআইএম যুব নেতা ও আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের লিখিত অভিযোগ খতিয়ে দেখে পুলিশ সেটি গ্রহণ করেছে। এর পরেই বঙ্গ বিজেপিতে শোরগোল। তবে তথাগতবাবুর মন্তব্য তাঁর নিজ দলেরই একাংশ নেতার বিরুদ্ধে। সেক্ষেত্রে ভিন্ন দলের সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ আরও জল্পনা উস্কে দিয়েছে।

সম্প্রতি উপনির্বাচনে পরপর পরাজয়ের রোষে রাজ্য ও কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতাদের বিরুদ্ধে তোপ দেশে চলেছেন তথাগতবাবু। তাঁর বিস্ফোরক দাবি, “বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিট বিনিময়ের ক্ষেত্রে দলের একাংশ অর্থ এবং নারী চক্রের দ্বারা প্রভাবিত হয়।” 

বামপন্থী আইনজীবী সায়ন বন্দ্যোপাধ্যায়ের অভিযোগ, নারীচক্র সক্রিয় রাজ্যে। তা বিধানসভায় নির্বাচনের প্রেক্ষিতে তথাগত রায়ের একটি বেসরকারি টিভি চ্যানেলে করা মন্তব্য থেকে বেরিয়ে এসেছে। এই বিষয়ে তদন্ত চেয়েই পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগ জানিয়েছি। তিনি জানান, ইতিমধ্যে নারী সংক্রান্ত বিজেপি নেতাদের অপরাধ সম্পর্কে রাজ‍্য মহিলা কমিশনে বিভিন্ন অভিযোগ জমা পড়েছে।

সায়নবাবুর অভিযোগ, রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনে নারীচক্র ব্যবহার হয়েছিল তা তথাগতবাবুর টুইট ও মন্তব্য থেকে জানা গিয়েছে। “একটি সাক্ষাৎকারে ত্রিপুরা ও মেঘালয়ের প্রাক্তন রাজ‍্যপাল তথাগত রায় অভিযোগ করেছেন ২০২১ সালে বাংলায় বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি অনৈতিকভাবে অর্থ এবং নারীর আদান প্রদান করেছে। নিজের অফিসিয়াল ট‍্যুইটার হ‍্যান্ডেল থেকেও এই বিষয়ে একটি ট‍্যুইট করেন তিনি এবং এর সাথে আরও অভিযোগ করেন যে বাংলায় বিজেপি রাজ‍্যনেতারা নারী চক্রে জড়িয়ে পড়েছেন।”

Bangladesh: সরকারি ব্যাংকে চাকরির প্রশ্ন ফাঁস, দাম মাত্র ১৫ লক্ষ !

Bangladesh Police

News Desk: প্রশ্ন ফাঁস দুর্নীতিতে বারবার বাংলাদেশে বিতর্ক চরমে উঠেছে। যে কোনও পরীক্ষাতেই প্রশ্ন ফাঁস হয়। সেরকমই কেলেঙ্কারি হলো সরকারি ব্যাংকে চাকরির প্রশ্নপত্র নিয়ে। একেক জনের কাছ থেকে প্রায় ১৫ লক্ষ টাকা তুলেছে ফাঁস চক্রের কারবারিরা।

রাষ্ট্রায়ত্ত ৫টি ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের তদন্তে নেমে গোয়েন্দাদের চোখ কপালে। একটি প্রশ্ন বিক্রি করা হয়েছে ১৫ লাখ টাকায়। সেই প্রশ্ন হাত বদল করে কোটি কোটি টাকা পকেটে তুলেছে চক্রের সদস্যরা।

যারা প্রশ্ন ফাঁস করেছেন এবং যারা প্রশ্ন কিনে পরীক্ষা দিয়েছেন তাদের ১০ জনকে আটক করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা। এদের মধ্যে দুজন এর আগে ফাঁস হওয়া প্রশ্ন কিনে পরীক্ষা দিয়ে ব্যাংকের চাকরি পান। তখন থেকেই প্রশ্ন ফাঁস চক্রে জড়িত তারা। এই চক্রে জড়িত একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্পর্কেও খোঁজখবর নিচ্ছে গোয়েন্দারা।

শনিবার নিয়োগের প্রিলিমিনারি পরীক্ষার পরই প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগ করেন অনেক চাকরিপ্রত্যাশী। তাদের অভিযোগ ছিল, পরীক্ষা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ১০০টি প্রশ্নের প্রিন্ট করা উত্তরপত্র সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে পাওয়া গেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের পক্ষ থেকে এ অভিযোগ উড়িয়ে দেওয়া হয়। তবে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা শাখার তদন্তে বের হয়েছে চাঞ্চল্যকর তথ্য। অভিযোগের সূত্র ধরে প্রাথমিক তদন্তে প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য-উপাত্ত পাওয়া গেছে।

পুলিশের গোয়েন্দা শাখার যুগ্ম কমিশনার হারুন অর রশীদ বলেন, রাষ্ট্রায়ত্ত ৫টি ব্যাংকের প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনাটি সত্য ১০ জনকে আটক করা হয়েছে। একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়কে প্রশ্নপত্র তৈরি ও পরীক্ষা নেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল। সেখান থেকেই প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির সদস্য ও কেন্দ্রীয় ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক হুমায়ুন কবির বলেন, পরীক্ষায় আবেদনকারীদের মধ্যে ৫৬ শতাংশ অংশ নিয়েছে। প্রশ্ন ফাঁস হওয়ার কোনও ঘটনা আমাদের নজরে আসেনি। এমন কিছু হলে পরীক্ষার আগেই শোনা যেত।

শনিবার ৫টি ব্যাংকে ১, ৫১১টি পদের জন্য ১ লাখ ১৬ হাজার ৪২৭ জন চাকরির পরীক্ষা দেন। একাধিক প্রার্থীর অভিযোগ, পরীক্ষা শেষ হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ১০০টি প্রশ্নের প্রিন্ট করা উত্তরপত্র ফেসবুকে চলে এসেছে। অভিযোগের সূত্র ধরে ঢাকা মহানগর পুলিশের গোয়েন্দা শাখা তদন্তে নামে। ধৃত দশজনকে জেরা করে পুলিশের দাবি, আরও চক্রীদের খোঁজ চলছে।