T20 WC: পাকিস্তানের জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করায় চাকরি হারালেন শিক্ষিকা

Nafisa Atari

Sports Desk: টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেটে এই প্রথম ভারত হারল পাকিস্তানের কাছে। পাকিস্তানের জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছিলেন এক শিক্ষিকা। হোয়াটসঅ্যাপে স্ট্যাটাসও দিয়েছিলেন ওই শিক্ষিকা। তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হল। চাঞ্চল্যকর এ ঘটনাটি ঘটেছে রাজস্থানের উদয়পুরে।

রবিবার পাকিস্তান ভারতকে হারানোর পরে নাফিসা আটারি নামে ওই শিক্ষিকা হোয়াটসঅ্যাপে একটি স্ট্যাটাস দেন। নাফিসা দুই পাক ওপেনারের ব্যাটিং করার ছবি দিয়ে ক্যাপশনে লেখেন, ‘আমরাই জিতেছি’। কিছুক্ষণের মধ্যেই নাফিসার সহকর্মী এক শিক্ষকের নজরে পড়ে ওই স্ট্যাটাসটি। সহকর্মী শিক্ষক নাফিসার কাছে জানতে চান, তিনি কি পাক সমর্থক? নাফিসা ইতিবাচক জবাব দেন অর্থাৎ তিনি পাকিস্তান সমর্থক সেটা স্পষ্ট করে দেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই নাফিসার স্ট্যাটাসের স্ক্রিনশট দ্রুত ভাইরাল হয়। নাফিসার স্ট্যাটাস নিয়ে তৈরি হয় বিতর্ক।

নাফিসা যে স্কুলে চাকরি করতেন সেই স্কুল কর্তৃপক্ষের নজরে আসে বিষয়টি। সোমবার বিকেলের দিকে স্কুল কর্তৃপক্ষ একটি বিজ্ঞপ্তিতে জানায়, নাফিসাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হবে। স্কুল কর্তৃপক্ষের বৈঠকে সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ওই স্কুল কর্তৃপক্ষের মত প্রায় একই কথা বলেছেন প্রাক্তন ভারতীয় ক্রিকেট তারকা ও বর্তমান বিজেপি সাংসদ গৌতম গম্ভীর। তিনি টুইট করে বলেন, যারা পাকিস্তানের জয়ে উল্লাস প্রকাশ করছেন তারা আর যাই হোক ভারতীয় নন। পাকিস্তানের জয়ে যারা আতসবাজি পেড়াচ্ছেন তারা কোনওমতেই ভারতীয় হতে পারেন না। খেলায় হার-জিত আছেই। আমাদের ছেলেরা আজ হেরেছে, কিন্তু আগামীকাল এরাই ঘুরে দাঁড়াবে। আমি ভারতীয় ক্রিকেটারদের পাশেই আছি।

উল্লেখ্য, ৫০ ওভার বা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ ক্রিকেট ম্যাচে এর আগে ভারত কখনও পাকিস্তানের কাছে হারেনি। তবে শেষপর্যন্ত রবিবার ইতিহাসের চাকা উল্টো দিকে ঘুরিয়ে দিতে সমর্থ হয়েছে পাকিস্তান।

Saudi Arabia: আংটিতে বিষ মাখিয়ে প্রাক্তন বাদশাহকে ‘খুনের ছক’ যুবরাজ সলমনের

saudi-crown

News desk, Riyadh: ভয়াবহ ঘটনা। তার চেয়েও বড় কথা মারাত্মক দাবি। সৌদি আরবের ভবিষ্যৎ বাদশা মহম্মদ বিন সলমন নাকি প্রাক্তন বাদশাহ আবদুল্লাহকেই খুন করার ছক করেছিলেন। এমনই দাবি করেছেন সৌদি আরবের প্রাক্তন গোয়েন্দা কর্তা সাদ আল জাবরি।যথারীতি আরব দুনিয়ায় ঝড় উঠে গিয়েছে।

সৌদি শাসন ক্ষমতার এখনও পূর্ণ ক্ষমতা না পেলেও যুবরাজ সলমন একরকম বাদশাহ ভূমিকা নিয়েছেন। সবই পিতা সৌদি বাদশাহ সলমন বিন আবদুল আজিজের আনুকুল্যে। ক্ষমতার প্রায় শীর্ষে পৌঁছতেই যুবরাজ সলমনকে অভিযোগ ও প্রশংসা পরস্পর ঘিরে রেখেছে।

কখনও বিষ খাইয়ে অন্যান্য ভাই, রাজকুমারীদের মেরে ফেলা, বন্দি করায় অভিযুক্ত, তো কখনও ইসলামি রক্ষণশীলতার একের পর এক কঠিন নিয়মকে তুলে দেওয়ার প্রশংসা পান যুবরাজ সলমন।

তবে এবার এসেছে খোদ প্রাক্তন বাদশাহ আবদুল্লাহকে খুনের চেষ্টার অভিযোগ। প্রাক্তন সৌদি গোয়েন্দা কর্তা সাদ আল জাবরি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সিবিএস নিউজের ‘সিক্সটি মিনিটস’ টক-শো অনুষ্ঠানে এমনই দাবি করেন। তাঁর অভিযোগ, সৌদি যুবরাজ মহম্মদ বিন সলমন বিষাক্ত আংটি ব্যবহার করে বাদশাহ আব্দুল্লাহকে হত্যা করতে চেয়েছিলেন।

সৌদি আরবের প্রাসাদ ষড়যন্ত্র বরাবর চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে বিশ্বজুড়ে। তবে বিভিন্ন ঘটনা ধামাচাপা পড়ে যায়। আরব দুনিয়ার বাকি দেশগুলি সহ গোটা বিশ্ব শিহরিত হয়।

২০১৫ সালে বর্তমান বাদশাহ সলমন বিন আবদুল আজিজ সৌদি সিংহাসনে বসেন। তাঁর আগে বাদশাহ ছিলেন আবদুল্লাহ। ৯০ বছর বয়সে বাদশাহ আব্দুল্লাহর মৃত্যু হয়।

সৌদি আরবের গোয়েন্দা বিভাগের কর্তা জাবরি এখন দেশছাড়া। তিনি কানাডায় বসবাস করেন। তাঁর দাবি, সৌদি সিংহাসনের অপর দাবিদার মহম্মদ বিন নায়েফ ২০১৭ সাল থেকে গৃহবন্দি। এসবই হয়েছে প্রিন্স সলমনের নির্দেশে।

প্রাক্তন সৌদি গোয়েন্দা কর্তা জাবরির আরও অভিযোগ, তাকে খুন করতে ২০১৮ সালে কানাডায় হিট স্কোয়াড পাঠানোর পরিকল্পনা করে প্রিন্স সলমন। দুই সন্তান সারাহ ও ওমরকে বর্তমানে সৌদি আরবে জেলবন্দি।

আল জাজিরা জানাচ্ছে, তুরস্কের রাজধানী ইস্তাম্বুলে ২০১৮ সালে সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে খুন করা হয়। তদন্তে উঠে এসেছে, এই খুনের পিছনে সৌদির শাসক পরিবার জড়িত। এফএপি জানাচ্ছে, খাশোগিকে খুনের পরই গোয়েন্দা কর্তা আল জাবরিকে খুনের হুমকি পাঠানো হয়।

Nigeria: মসজিদের ভিতর গুলির ঝড়, নাইজেরিয়ায় রক্তাক্ত পরিস্থিতি

northern-nigeria

News Desk: নাইজেরিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় রাজ্য নাইজারের একটি মসজিদে বন্দুকধারীদের হামলা হয়েছে। আল জাজিরার খবর, কমপক্ষে ১৮ জন নিহত।

নাইজার রাজ্যের মাজাকুকা গ্রামের মসজিদে হামলা চালানো হয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। হামলাকারীরা মোটরবাইকে করে এসে হামলা চালায়। মসজিদে ঢুকে শুরু করে গুলি চালনা। ঘটনাস্থলেই অনেকে মারা যান।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ১০ জনের বেশি মানুষকে অপহরণ করা হয়েছে। অন্তত ২০ জন জখম হয়েছেন।   নাইজার প্রদেশের পুলিশ কমিশনার জানান, গ্রামের দুপক্ষের দ্বন্দ্বের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে।

সম্প্রতি নাইজেরিয়ার একটি কারাগারেও হামলা চালায় বন্দুকধারীরা। দক্ষিণ পশ্চিম নাইজেরিয়ার ওই কারাগারে হামলা চালিয়ে বহু বন্দিকে মুক্ত করে নিয়ে যায় তারা।

নাইজেরিয়া বারবার জঙ্গি হামলায় রক্তাক্ত হয়। ইসলামিক স্টেটের শাখা হিসেবে বোকো হারাম জঙ্গি সংগঠন হামলা চালায়। তবে এবারের হামলায় জঙ্গি যোগ নেই বলে জানাচ্ছে নাইজার প্রদেশ পুলিশ।

নাইজেরিয়ায় জঙ্গি হামলা রুখতে সেনা অভিযানে বহু বোকো হারাম জঙ্গি মৃত। তবে স্থানীয় গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের কারণেও গুলি চলে দেদার।

T20 WC: নেই জঙ্গি তালিবান পতাকা, মাঠ থেকে পঞ্জশিরের গুহায় গণতন্ত্রী আফগান ঝলক

প্রসেনজিৎ চৌধুরী: যে ক্রিকেট কূটনীতি আঁকড়ে তালিবান জঙ্গি সরকার বিশ্বকে নরম মনোভাবের বার্তা দিচ্ছে তার জন্য দরকার স্বীকৃতি। সেটি না হওয়ায় পুরনো গণতন্ত্রী আফগানিস্তানের পতাকা নিম পাতা গেলার মত করেই হজম করছে তালিবান।

তালিবান শাসনের আফগানিস্তানে জাতীয় পতাকা বদলে গিয়েছে। তেমনই বদলেছে সরকারি নাম। ইসলামি প্রজাতন্ত্র থেকে ইসলামি আমিরশাহি আফগানিস্তান হলেও কূটনৈতিক প্যাঁচে বিশ্ব ক্রিকেট ক্রীড়াঙ্গনে ঠাঁই পায়নি জঙ্গি সরকারের পতাকা।

afgan

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের আসরে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির শারজা স্টেডিয়ামে স্কটল্যান্ড পরাজিত হয়েছে আফগানিস্তানের কাছে। জয়ের আনন্দে শারজা থেকে কাবুল- আফগানবাসী আত্মহারা।

 

আফগানিস্তানের জয়ে তিনজন আবেগতাড়িত। অপসারিত প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘান, যিনি ‘পলাতক’। জঙ্গি তালিবানের বিরুদ্ধে সংঘর্ষ চালানো পঞ্জশির উপত্যকার আফগান রেজিস্ট্যান্স ফোর্সের কমান্ডার আহমেদ মাসুদ। তিনিও আত্মগোপনে রয়েছেন। আর আছেন সোভিয়েত জমানার আফগান মার্শাল আবদুল রশিদ দোস্তাম। তালিবানের যম বলে সুপরিচিত বৃদ্ধ সেনা কমান্ডারও দেশের জয়ে তাঁদের সরকারের পতাকা উড়তে দেখলেন। তিনিও দেশত্যাগী।

afghan

মাঠে নিজেদের পতাকা না থাকলেও জঙ্গি তালিবান সরকার উল্লসিত। পরবর্তী ক্রিকেট কূটনীতির পদক্ষেপ নিতে প্রস্তুতি নিচ্ছে তালিবান শাসক।

টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির শারজার মাঠেও দেখা যায়নি ইসলামি গণতন্ত্রী আফগানিস্তানের সেই পতাকা। শুধু মাঠ নয়, গ্যালারি থেকে সোশ্যাল মিডিয়া সর্বত্র সদ্য বাতিল হওয়া পতাকার ছড়াছড়ি। কোথাও নেই তালিবান সরকারের পতাকা।

afgan

আফগানিস্তান বনাম স্কটল্যান্ডের ম্যাচ নিয়ে যত না খেলার উত্তাপ তার চেয়েও বড় হয়ে উঠেছে তালিবান শাসনে চলে যাওয়া দেশটির কথা। গত ১৫ আগস্ট দ্বিতীয়বারের জন্য তালিবান জঙ্গিরা আফগানিস্তানের শাসন ক্ষমতা দখল করেছে। চলছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার।

কূটনীতির প্যাঁচে তালিবান শাসক। কারণ, রাষ্ট্রসংঘের অনুমোদন আসেনি। তেমনই ঘনিষ্ঠ পাকিস্তান ও চিন তো বটেই বাকি কোনও দেশ পাশে কূটনৈতিক স্বীকৃতি দেয়নি। তবে তালিবান শাসকের হয়ে রাষ্ট্রসংঘে কূটনৈতিক ততপরতা চালিয়েছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তালিবান প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে রাশিয়া, চিন, ইরান, ভারতের মধ্যে মস্কোতে বৈঠক হয়েছে। দিল্লিতে পরবর্তী বৈঠকও হবে।

গত ১৫ আগস্ট তালিবান জঙ্গিরা দ্বিতীয়বার আফগানিস্তানের ক্ষমতা দখল করে। মার্কিন সেনা কাবুলের নিয়ন্ত্রণ তুলে নেয়। দেশ ছাড়েন প্রেসিডেন্ট আশরাফ ঘানি। কাবুল প্যালেস ও আইনসভায় তালিবান উড়িয়ে দেয় তাদের পতাকা। নির্দেশ জারি করা হয়, আফগানিস্তানের জাতীয় পতাকা পাল্টে ফেলা হয়েছে। এর পরেই আফগানিস্তান জুড়ে দুটি ছবি এসেছিল। নাগরিকরা পুরনো পতাকা নিয়েই স্বাধীনতা দিবস পালন করেন। আর দোকানে ভিড় বাড়ে নতুন তালিবানি পতাকা কেনার।

দুই বিপরীতমুখী ঘটনার পরেই তালিবান নিয়ন্ত্রিত আফগান জাতীয় যুব ক্রিকেট দলের প্রথম আন্তর্জাতিক সফর হয় বাংলাদেশে। সিলেট স্টেডিয়ামেও কূটনৈতিক কারণে পুরনো আফগান পতাকা ছিল।

UP: বিজেপিকে একটা ভোটও নয়, আবেদন কৃষক নেতা টিকায়েতের, বারানসী যাচ্ছেন মমতা

mamata-tikayat

News Desk: আর কয়েক মাসের মধ্যেই উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন। এই নির্বাচনের আগে প্রবল চাপে রয়েছে রাজ্যের শাসক দল বিজেপি। এবার বিজেপির উৎকণ্ঠা আরও বাড়িয়ে কৃষক নেতা রাকেশ টিকায়েত আবেদন করলেন বিজেপিকে কেউ যেন একটি ভোটও না দেন।

সোমবার রাকেশ পুলিশি হেফাজতে মৃত অরুণ বাল্মীকির পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়েছিলেন। সেখানে তিনি বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার আবেদন জানান। সংযুক্ত কিষান মোর্চা ছাড়াও গো বলয়ের বৃহত্তম রাজ্যে এবার বিজেপির টক্কর নিতে পারে তৃণমূল কংগ্রেস। সোমবারই ললিতপতি ও রাজেশপতি ত্রিপাঠী কংগ্রেস ছেড়ে তৃণমূলে যোগ দিয়েছেন। এই দুই ভাই প্রয়াত কংগ্রেস নেতা ও রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কমলাপতি ত্রিপাঠীর নাতি। এই দুইজন সোমবার শিলিগুড়িতে তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপস্থিতিতে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেন।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এদিন জানিয়েছেন, ছট পুজোর পরেই তিনি সময় পেলে বারাণসীতে যাবেন। এদিনের সভায় অভিষেক বলেন, আগামী দিনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে তৃণমূল কংগ্রেস বিজেপিকে দিল্লির ক্ষমতা থেকে সরাবে। মানুষ এখন বুঝে গিয়েছে, একমাত্র মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বেই গোটা দেশ নিরাপদ ও সুরক্ষিত থাকবে। তাই ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে তৃণমূল কংগ্রেসই বিজেপিকে সরিয়ে কেন্দ্রে ক্ষমতা দখল করবে। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, বারানসী হল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির নির্বাচনী কেন্দ্র। মমতা মোদির ঘর থেকেই লড়াইটা শুরু করতে চান। সে কারণেই তিনি বারানসী থেকে উত্তরপ্রদেশ সফর শুরু করতে চাইছেন।

এদিকে অরুণের পরিবারের সঙ্গে দেখা করে বেরিয়ে এসে কৃষক নেতা টিকায়েত বলেন, মৃত অরুণের পরিবারকে ৪০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ এবং একজনকে সরকারি চাকরি দিতে হবে। উত্তরপ্রদেশ সরকার ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ক্ষেত্রেও বৈষম্য করছে। কানপুর ও লখিমপুরে মৃতদের পরিবারকে ৪০ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়া হচ্ছে। কিন্তু আগ্রহ মৃতের পরিবারকে দেওয়া হচ্ছে মাত্র ১০ লক্ষ টাকা। টিকায়েত এদিন আগ্রায় বলেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে সংযুক্ত মোর্চা বিজেপির বিরোধিতা করবে।

তাই সাধারণ মানুষের কাছে আমার আবেদন বিধানসভা ভোটে তাঁরা যেন বিজেপিকে ভোট না দেন। তবে বিজেপিকে ভোট না দেওয়ার আর্জি জানালেও অন্য রাজনৈতিক দলগুলির পক্ষেও কোনও ইতিবাচক বার্তা দেননি এই প্রবীণ নেতা। তিনি বলেছেন, বিধানসভা নির্বাচনে কিষান মোর্চা কোনও দলকেই সমর্থন করবে না। কৃষকদের একটাই দাবি, সেটা হল মোদি সরকারের তৈরি তিন কৃষি আইন বাতিল করতে হবে। ওই আইন বাতিল না হওয়া পর্যন্ত কৃষকরা আন্দোলনের পথ থেকে সরে আসবে না।

T20 WC: ভারতকে হারিয়ে বন্দুক নিয়ে উল্লাস, নিজেদের গুলিতেই জখম পাকিস্তানিরা

after-victory-against-india-12-pakistani-injured-in-celebratory-firing-across-karachi

স্পোর্টস ডেস্ক: টি টোয়েন্টি চ্যাম্পিয়ন হওয়ার আর দরকার নেই! ভারতকে হারানো গেছে বিশ্বকাপের আসরে প্রখমবার সেই আনন্দে মাতোয়ারা পাক জনগণ। আনন্দের চোটে শূন্যে গুলি ছুঁড়ে বিপত্তি ডেকে আনলেন অনেকে। গুলিবিদ্ধ হয়ে একাধিক পাকিস্তানি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

বাণিজ্য রাজধানী তথা দেশটির বৃহত্তম শহর করাচিতে বন্দুকের গুলি ছুড়ে বিজয়োৎসব করতে গিয়ে আহত হয়েছে অন্তত ১২ জন। এই খবর জানাচ্ছে, পাক সংবাদমাধ্যম জিও টিভি।

রবিবার রাতে ভারতের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের ম্যাচ জয়ের পরেই রাস্তায় নেমে আসেন উল্লসিত পাকিস্তানিরা। নেচে গেয়ে, বাজি পুড়িয়ে বিজয় উদযাপন করেছেন তারা। চিৎকার করতে করতে আত্মহারা পাকিস্তানির ঠিক কী করবেন ভেবে উঠতে পারছিলেন না।

পাক সংবাদপত্র দ্য নেশন এর রিপোর্ট বলা হয়েছে, ১৯৯২ সালে ইমরান খানের নেতৃত্বে পাকিস্তান ত্রিকেটে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন হয়। তখন যে আনন্দ হয়েছিল টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে ভারতকে হারিয়ে তার বেশি উল্লসিত দেশের জনগণ। বিশ্বকাপের ম্যাচে এর আগে কখনও ভারতকে হারাতে পারেনি পাকিস্থান।

আনন্দের চোটে করাচিতে শূন্যে গুলি চালান অনেকে। গুলিবিদ্ধ হয়েছেন অন্তত ১২ জন। এদের মধ্যে পুলিশের এক উপপরিদর্শকও রয়েছেন। তিনিও গুলি ছুঁড়ে আনন্দে সামিল হন। সোমবার সকাল থেকে গুলিবিদ্ধ জখম ব্যক্তির সংখ্যা বাড়তে থাকে। করাচির হাসপাতালে চিকিৎসা চলছে তাদের।

Maharashtra: বিজেপি করলে কোনও তদন্ত হয় না, বললেন গেরুয়া সাংসদ সঞ্জয় পাতিল

Maharashtra leader Sanjay Patil

News Desk: বিরোধীরা হামেশাই অভিযোগ করেন, সিবিআই, ইডির মতো কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে তাদের বিরুদ্ধে কাজে লাগানো হচ্ছে। কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার এই সমস্ত কেন্দ্রীয় সংস্থাকে নিজেদের প্রয়োজনে বা রাজনৈতিক প্রতিহিংসা চরিতার্থ করতে কাজে লাগাচ্ছে।

যদিও কেন্দ্র বিরোধীদের সেই অভিযোগ বারেবারে উড়িয়ে দিয়েছে। কিন্তু বিরোধীদের তোলা অভিযোগ যে এতটুকু ভিত্তিহীন নয় সেটাই প্রমাণ করে দেখালেন মহারাষ্ট্রের বিজেপি সাংসদ সঞ্জয় পাতিল। রবিবার সঞ্জয় বলেন, এখন আমি বিজেপি সাংসদ। তাই সিবিআই বা ইডি কেউ আর আমার পিছনে আসবে না।

দিন কয়েক আগে হর্ষবর্ধন পাতিল নামে এক বিজেপি নেতাও একই কথা বলেছিলেন। হর্ষবর্ধন বলেছিলেন, বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর থেকেই তিনি নিশ্চিন্তে ঘুমোচ্ছেন। কারণ এখন আর তাঁকে কোনও ধরনের জিজ্ঞাসাবাদের মধ্যে পড়তে হচ্ছে না। যথারীতি বিজেপি সাংসদ ও এক নেতার এ ধরনের কথায় তীব্র বিতর্ক শুরু হয়েছে রাজনৈতিক মহলে।

বাস্তব অভিজ্ঞতায় দেখা গিয়েছে, নরেন্দ্র মোদি সরকার সর্বদাই সিবিআই, ইডি, আয়কর বিভাগের মতো কেন্দ্রীয় সংস্থাকে বিরোধীদের পিছনে লাগিয়ে রেখেছে। বিরোধীদের নানাভাবে হেনস্তা করাই যে মোদি সরকারের একমাত্র লক্ষ বারেবারে এমন অভিযোগ উঠেছে। কিন্তু সেই অভিযোগের সাপেক্ষে তেমন কোনও জোরালো প্রমাণ মেলেনি। এবার সেই প্রমাণ বিরোধীদের হাতে তুলে দিলেন মহারাষ্ট্রের এই বিজেপি সাংসদ সঞ্জয়।

সঞ্জয় পাতিল একমাত্র বিজেপি সাংসদ যিনি প্রথম প্রকাশ্যে এই মন্তব্য করলেন। শুধু সঞ্জয় একা নন, চলতি মাসে হর্ষবর্ধন পাতিল নামে এক বিজেপি নেতাও একই মন্তব্য করেছেন। ২০১৯ সালে কংগ্রেস ছেড়ে বিজেপিতে এসেছেন হর্ষবর্ধন। এই বিজেপি নেতা বলেন, কেউ যদি আমার কাছে জানতে চায় আমি কেন বিজেপিতে যোগ দিয়েছি, তবে আমি বলব নিশ্চিন্তে ঘুমানোর জন্য আমি গেরুয়া দলে যোগ দিয়েছি। বিজেপিতে যোগ দেওয়ার পর আমাকে আর এখন কারও কোনও প্রশ্নের মুখে পড়তে হচ্ছে না। যথারীতি হর্ষবর্ধনের এই মন্তব্যে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়। হর্ষবর্ধন অবশ্য পাল্টা বলেন, তাঁর মন্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করেছে সংবাদমাধ্যম। তিনি বলতে চেয়েছিলেন, কংগ্রেস প্রতিশ্রুতি দিয়েও তাঁকে প্রার্থী করেনি। সে কারণেই তিনি কংগ্রেস ছেড়েছেন।

২০১৪ সালে কেন্দ্রে ক্ষমতা দখলের পরই বিজেপি বিরোধীদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় সংস্থাকে ব্যবহার করছে বলে একাধিকবার অভিযোগ উঠেছে। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বরাবরই বিজেপির বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থাগুলিকে নিজেদের কাজে লাগানোর অভিযোগ তুলেছেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এজন্যই বিজেপিকে ‘ওয়াশিং মেশিন’ বলেও কটাক্ষ করেছেন। নেত্রীর দাবি, বিরোধীদলে থাকলেই নেতারা দুর্নীতিগ্রস্ত হন। কিন্তু সেই দুর্নীতিগ্রস্ত নেতারাই বিজেপিতে যোগ দিলে সব সাদা হয়ে যান। সে কারণেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বিজেপিকে ‘ওয়াশিং মেশিন’ বলেন।

সম্প্রতি মুম্বইয়ের মাদক মামলায় শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ান খান গ্রেফতার হওয়ার পর থেকে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে এনসিবিকে ব্যবহার করার অভিযোগ উঠেছে। বিরোধীরা বারবার অভিযোগ করেছেন, যে যত দুর্নীতিগ্রস্ত হোক না কেন, বিজেপিতে যোগ দিলে তার বিরুদ্ধে চলতে থাকা সব তদন্তই ধামাচাপা পড়ে যায়। বিরোধীরা যে এতটুকু ভুল বলছেন না, সেটা প্রমাণ হয়ে গেল বিজেপি সাংসদ সঞ্জয় পাতিলের মন্তব্যে। শুধু সঞ্জয় নন, হর্ষবর্ধনও একই কথা বলায় বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে বিরোধীদের তোলা অভিযোগ আরো মজবুত হয়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

T 20 WC: ভারতকে হারিয়ে আত্মহারা পাকিস্তান, নজর ‘বন্ধু’ তালিবানের ক্রিকেটে

afg_sco

স্পোর্টস ডেস্ক: সেই শারজা-যেখানে রবিবার পাকিস্তান ঐতিহাসিক জয় পেয়েছে। বিশ্বকাপের আসরে প্রথমবার ভারতকে হারিয়ে আত্মহারা পাকিস্তান। একই শহরে এবার তাদেরই ‘বন্ধু’ তালিবান জঙ্গিদের সরকার প্রেরিত আফগানিস্তানের ক্রিকেট দল খেলতে নামছে। প্রতিপক্ষ স্কটল্যান্ড।

আফগানিস্তানকে এখনও কোনও দেশ সরকারিভাবে কূটনৈতিক স্বীকৃতি দেয়নি। তবে তালিবান জঙ্গিদের সরকারের হয়ে প্রথম থেকেই বিশ্বজোড়া সহানুভূতি আদায়ে মরিয়া পাকিস্তান। খোদ পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান রাষ্ট্রসংঘ অধিবেশনের ভাষণে তালিবান সরকারকে স্বীকৃতি দেওয়ার সওয়াল করেন।

গত ১৫ আগস্ট মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পুরো নিয়ন্ত্রণ ছেড়ে দিতেই আফগানিস্তানের সরকার দ্বিতীয়বার দখল করেছে তালিবান জঙ্গিরা। চলছে তাদের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। কাবুলের ক্ষমতায় ফের বসার পরেই তালিবান সরকার জানায় আফগানিস্তানের পুরুষ ক্রিকেট চলবে। পূর্ববর্তী তালিবান সরকার (1996-2001) যেভাবে ক্রিকেট নিষিদ্ধ করেছিল এই তালিবান তেমন নয়। নিজেদের নরম তালিবান ঘোষণা করে ক্রিকেটকে হাতিয়ার করেই আন্তর্জাতিক সহানুভূতি টেনে আনতে মরিয়া তালিবান সরকার।

দ্বিতীয় দফায় তালিবান সরকারের আমলে আফগান জাতীয় ক্রিকেট দলের জুনিয়র সদস্যরা প্রথম আন্তর্জাতিক সফর করে বাংলাদেশে। তবে এই সফরসূচি নির্ধারিত হয়েছিল তালিবান সরকার গড়ার আগেই গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত আফগান সরকারের আমলে। সরকার উৎখাত করে তালিবান ক্ষমতা দখল করে।

নিজেদের আন্তর্জাতিক গ্রহণযোগ্য করতে বাংলাদেশ সফরে ক্রিকেট কূটনীতি হাতিয়ার করে তালিবান সরকার। আফগান যুব দল বাংলাদেশের সিলেটে সিরিজ খেলেন। একই সময়ে তালিবান নিয়ন্ত্রিত আফগান ক্রিকেট বোর্ড (ACB) জানিয়ে দেয় টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপেও তারা অংশ নেবে।

তবে তালিবান সরকার দ্বিতীয়বার ক্ষমতা দখল করতেই বহু ক্রীড়াবিদ আফগানিস্তান ত্যাগ করেন। আফগান জাতীয় দলের অধিনায়ক রশিদ খান দেশ ছাড়েন। টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে আফগান দলের নেতৃত্বে আছেন মহম্মদ নবি।

UAE: মরুদেশে ক্রিকেটে ভারত হারলেও ফুটবলে বাজিমাত

AFC U23

স্পোর্টস ডেস্ক:  বাইশ গজে দুবাই’তে রবিবার, ভারতের সিনিয়র ক্রিকেট টিম টি-২০ বিশ্বকাপের সুপার ১২ নক আউট স্টেজে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে হেরে গেল। বাবর আজমরা ১০ উইকেটে জিতলো, চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী ভারতীয় বোলারদের পিটিয়ে ক্লাব স্তরে নামিয়ে নামিয়ে এনে। অন্যদিকে, AFC U23 যোগ্যতা অর্জনের ম্যাচে ভারতের জুনিয়ররা ওমানকে হারালো ২-১ গোলের ব্যবধানে, দুবাইতে, সেই রবিবার রাতে,২৪ অক্টোবর।

ভারতের ছোটরা মরুদেশে ওমানের বিরুদ্ধে ফুটবলে জয় ছিনিয়ে আনলো। আর বিরাটের ভারত এখন টি -২০ বিশ্বকাপে নক আউটের দ্বিতীয় ম্যাচ, ৩১ অক্টোবর নিউজিল্যান্ডের বিরুদ্ধে ‘বাউন্স ব্যাক’ করতে পারবে কি না তাইই নিয়ে চলছে জোর চর্চ্চা। সঙ্গে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে ভারতের বড়দের লজ্জার, হতশ্রী পারফরম্যান্সের ময়নাতদন্ত শুরু হয়ে গিয়েছে, বাবর আজমদের বিরুদ্ধে ম্যাচ হেরে যাওয়ার মূহুর্ত থেকেই।

AFC U23 যোগ্যতা অর্জন পর্বের প্রথম এনকাউন্টার ম্যাচে ভারতের হয়ে গোল করেছেন রহিম আলি(৬) এবং বিক্রম প্রতাপ সিং’র দ্বিতীয় গোলে(৩৭) ভারত লিড পায়,দুবাই ‘র ফুজাইরাহ স্টেডিয়ামে। ওমানের হয়ে ওয়ালিদ সেলিম অতিরিক্ত সময়ে একটি গোল করলেও, এই গোল ভারতের তিন পয়েন্টের ‘পথের কাটা’ হয়ে দাঁড়ায় নি।

সম্প্রতি, ইগর স্তিম্যাচ মালদ্বীপে SAFF চ্যাম্পিয়নশিপে হোঁচট খেয়ে প্রায় মুখ থুবড়ে পড়ার জায়গা থেকে প্রত্যাবর্তন করেন এবং অষ্টম বারের জন্য ভারতকে SAAF চ্যাম্পিয়ন করিয়েছেন। ২০১৩ সালে AFC U23 টুর্নামেন্ট শুরু হওয়ার পর থেকে প্রথমবারের মতো AFC অনূর্ধ্ব ২৩ এশিয়ান কাপ উজবেকিস্তান ২০২২ যোগ্যতা অর্জনের জন্য কাজ করে চলেছেন ভারতীয় কোচ স্তিম্যাচ।

ওমান টিমের ম্যাচে ছন্দ জোগাড় হওয়ার আগেই, ইগর স্তিম্যাচের ছেলেরা উভয় উইং থেকে আক্রমণ শুরু করে এবং ম্যাচের ৫ মিনিটে বিক্রম একটি পেনাল্টি অর্জন করে যা রহিম আলী শান্তভাবে ওমানের জালে বল জড়িয়ে দেয়। ওমানি গোলরক্ষক ইব্রাহিম ইউসুফ সঠিকভাবে অনুমান করেছিলেন, কিন্তু রহিম স্পট-কিক নিখুঁতভাবে রাখার কারণে বলটি সোজা হয়ে গিয়েছিল এবং সাইড-নেটিংয়ে বাস করেছিল।

বাঁ দিক থেকে আকাশের একটি সুন্দর ক্রস ভেসে ওঠে কিন্তু ওমানি গোলরক্ষক অনিকেতের ওপরে লাফিয়ে ওঠে এবং কোনও অঘটন ঘটার আগেই বলের দখল গ্লাভসে চলে নিয়ে ফেলে। বিক্রম এবং রাহুল তাদের বিদ্যুৎ গতির ডুয়েলে, ওমানি মিডফিল্ডকে তাদের পায়ের জাদুতে জুড়ে রেখেছিল, যা ম্যাচের ৩৭ মিনিটে বিক্রম প্রতাপ সিং’র গোলে ভারতকে দ্বিতীয় গোলে লিড পেতে সাহায্য করেছিল।

রেগুলেশন টাইমের শেষ মিনিটে ওমানি ফুটবলার ওয়ালিদ সেলিম আব্দুল্লাহ মহম্মদ আল বালুশিকে ফাঁকা জায়গাতে দেখতে পেয়ে ক্রস বাড়িয়ে দেয় এবং ওমান ভারতের বিরুদ্ধে ম্যাচের একমাত্র গোল করে। কিন্তু ওমানের এই গোল ভারতের তিন পয়েন্ট হাসিলের পথে বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। রেফারির শেষ বাঁশি বেজে উঠতেই ভারতের ছোটরা জয়ের আনন্দে মেতে ওঠে।২৭ অক্টোবর বুধবার, ভারতের পরের ম্যাচ সংযুক্ত আরব আমিরশাহির বিরুদ্ধে।

Punjab: কলেজ হোস্টেলে কাশ্মীরি পড়ুয়াদের মারধর চলছে, মুখ্যমন্ত্রীর হস্তক্ষেপ চাইলেন ওমর

omar abdullah

নিউজ ডেস্ক: টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে পরাজিত ভারত। এর পরই রবিবার রাত থেকে পাঞ্জাবে ছড়িয়েছে কাশ্মীরি পড়ুয়াদের উপর হামলা। অন্তত ১০ জন জখম। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস জানাচ্ছে এ খবর। আক্রান্ত পড়ুয়া সহ বাকি কাশ্মীরি ছাত্র ছাত্রীদের নিরাপত্তা চেয়ে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী চরণজিত সিং চান্নির কাছে বার্তা পাঠালেন ওমর আবদুল্লা।

জম্নু-কাশ্মীরের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা ন্যাশনাল কনফারেন্স নেতা ওমর আবুদুল্লা এই হামলার তীব্র নিন্দা করেছেন। পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে অনুরোধ করেন অভিযুক্তদের চিহ্নিত করা হোক।

রবিবার আইসিসি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবথেকে উত্তেজনার ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে পরাজিত ভারত। খেলা শেষ হতেই পাঞ্জাবের বিভিন্ন কলেজে পড়তে আসা কাশ্মীরি পড়ুয়ারা আক্রান্ত হতে থাকেন। অভিযোগ, ওই পড়ুয়াদের সরাসরি পাকিস্তানি বলে মারধর শুরু হয়েছে রাত থেকে।

সোমবার সকালেও বিক্ষিপ্ত হামলা চলছে বিভিন্ন কলেজে। কাশ্মীরের পড়ুয়ারা মূল লক্ষ্য। উত্তেজিত ‘ক্রিকেটপ্রেমীরা’ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে পরাজয় মানতে পারছেন না। বিশ্বকাপে প্রথমবার পাকিস্তান হারিয়েছে ভারতকে।

সামনেই পাঞ্জাব বিধানসভা ভোট। তার আগেই এমন ঘটনায় এই রাজ্যে সরকারে থাকা কংগ্রেস অস্বস্তিতে। অভিযোগ উঠছে, হামলাকারীরা হরিয়ানা, উত্তর প্রদেশ ও বিহারের বিজেপি এবং উগ্র হিন্দুত্ববাদী সংগঠনের সঙ্গে জড়িত। পাঞ্জাবের পরিস্থিতি ক্রমে বড় আকার নিতে পারে এমনই আশঙ্কা।

হামলাকারীরা সোশ্যাল সাইটে হামলার লাইভ দেখিয়ে কাশ্মীরি পড়ুয়াদের মারধর শুরু করে। কাশ্মীরি ছাত্রদের বক্তব্য, হামলার সময় স্থানীয় পাঞ্জাবিরা রক্ষা করতে আসেন। তাদের প্রতিরোধে কিছুটা রক্ষা পেয়েছেন কয়েকজন। রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ছড়ায় রাতে। পাঞ্জাব পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলেছে।

Africa: জনগণের দাবি মেনে সেনা অভ্যুত্থান ! সুদানের প্রধানমন্ত্রী বন্দি

Sudan Prime Minister placed under house arrest

নিউজ ডেস্ক: সুদানি জনগণ লাগাতার বিক্ষোভ করছিলেন। তাঁদের দাবি ছিল ‘অপদার্থ’ সরকার সরিয়ে সেনাবাহিনী ক্ষমতা দখল করুক। দরকার নেই গণতন্ত্রের, আসুক সামরিক সরকার। প্রবল গণবিক্ষোভের মুখে পড়ে অবশেষে অভ্যুত্থান ঘটালো আফ্রিকার দেশ সুদান। বন্দি করা হয়েছে সুদানের প্রধানমন্ত্রী আবদাল্লাহ হামদুক কে।

সুদানের সেনা অভ্যুত্থানের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছে দেশটির জনগণ। রয়টার্স জানাচ্ছে, সামরিক বাহিনীর একটি দল সোমবার সুদানের প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টার বাড়িতে ঢুকে পড়ে। সেখানেই ছিলেন প্রধানমন্ত্রী। তাঁকে আটক করা হয়। সুদানি সশস্ত্র বাহিনীর হাতে আটক হয়েছেন দেশটির চার মন্ত্রী সহ আরও অনেক গুরুত্বপূর্ণ সদস্য।

Sudan Prime Minister placed under house arrest

গত কয়েকদিন ধরেই রাজধানী খার্টুমের প্রেসিডেন্ট ভবনের সামনে জড়ো হয়ে তাঁরা সরকারের পতনের দাবিতে সোচ্চার হন। সেনা বাহিনীকে অভ্যুত্থানের মাধ্যমে ক্ষমতা দখলে নেওয়ার আহ্বান জানান বিক্ষোভকারীরা। তাঁদের অভিযোগ, বর্তমান সরকার বিচার ও সমতা আনতে পুরোপুরি ব্যর্থ।

বিবিসি জানাচ্ছে, সম্প্রতি বিক্ষোভকারীরা প্রেসিডেন্ট ভবনের মূল ফটক ঘেরাও করেন। নিরাপত্তারক্ষীরা বাধা দেয়নি।

রয়টার্সের খবর, ২০১৯ সালে গণ আন্দোলনের মুখে ক্ষমতাচ্যুত হন সুদানের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট ওমর আল বশির। এরপর আলোচনার মাধ্যমে দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নেয় সেনাবাহিনী ও রাজনৈতিক দল। কিন্তু কিন্তু এতে সুদানের অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক এবং খাদ্য সংকট আরও বেড়েছে। এই পরিস্থিতির থেকে বেরিয়ে আসতে সুদানিরা এবার পূর্ণ সামরিক সরকার চাইছেন।

বিক্ষোভকারীদের দাবি, সরকার ফেলে দিয়ে সেনাপ্রধান প্রধান জেনারেল আবদেল ফাত্তাহ অল বুরহান অবিলম্বে সরকার পরিচালনা গ্রহণ করুন।

Punjab: ভারত হারতেই ‘তুম লোগ পাকিস্তানি’ বলেই কাশ্মীরি পড়ুয়াদের মারধর শুরু

kashmir Student

নিউজ ডেস্ক: আইসিসি টি টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সবথেকে উত্তেজনার ম্যাচে পাকিস্তানের কাছে পরাজিত ভারত। খেলা শেষ হতেই পাঞ্জাবের বিভিন্ন কলেজে পড়তে আসা কাশ্মীরি পড়ুয়ারা আক্রান্ত। অভিযোগ, ওই পড়ুয়াদের সরাসরি পাকিস্তানি বলে মারধর শুরু হয়েছে রাত থেকে।

সোমবার সকালেও বিক্ষিপ্ত হামলা চলছে বিভিন্ন কলেজে। কাশ্মীরের পড়ুয়ারা মূল লক্ষ্য। উত্তেজিত ‘ক্রিকেটপ্রেমীরা’ বিশ্বকাপে পাকিস্তানের কাছে পরাজয় মানতে পারছেন না। বিশ্বকাপে প্রথমবার পাকিস্তান হারিয়েছে ভারতকে।

পাঞ্জাবের পরিস্থিতি ক্রমে বড় আকার নিতে পারে এমনই আশঙ্কা। হামলাকারীরা সোশ্যাল সাইটে হামলার লাইভ দেখিয়ে কাশ্মীরি পড়ুয়াদের মারধর শুরু করে। হামলাকারীদের বেশিরভাগই উত্তর প্রদেশ ও বিহার থেকে আসা ছাত্র বলেই জানা গিয়েছে।

আক্রান্ত কাশ্মীরি ছাত্রদের বক্তব্য, হামলার সময় স্থানীয় পাঞ্জাবিরা রক্ষা করতে আসেন। তাদের প্রতিরোধে কিছুটা রক্ষা পেয়েছেন কয়েকজন।

কাপুরথালা, আম্বালা, গুরদাসপুর, চন্ডীগড়, সহ রাজ্যের বিভিন্ন এলাকায় বিক্ষিপ্ত সংঘর্ষ ছড়ায় রাতে। পাঞ্জাব পুলিশ জানিয়েছে, পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলেছে।

Bangladesh: ভুয়ো ভিডিওতে ধর্মীয় উস্কানি দিয়ে জেলে গেলেন অধ্যাপিকা রুমা সরকার

Ruma sarkar

নিউজ ডেস্ক: বাংলাদেশে দুর্গাপূজার সময় কুমিল্লায় যে মণ্ডপে কোরান শরিফ রাখা নিয়ে সাম্প্রদায়িক হামলা ছড়ানো হয়, সেই সময় ধর্মীয় উস্কানি দিয়ে ভিডিও বার্তার কারণে অধ্যাপিকা রুমা সরকারকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দিল আদালত। রবিবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদবীর ইয়াসির আহসান চৌধুরী এই আদেশ দেন।

ঢাকার বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজের সহকারী অধ্যাপিকা রুমা সরকারকে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতার করা হয়েছে।

দুর্গাপূজায় সাম্প্রদায়িক হামলার পরিবেশ তৈরি করার জন্য কুমিল্লার পূজামণ্ডপে কোরান শরিফ রেখে আসে স্থানীয় বাসিন্দা ইকবাল হোসেন। সেই ছবি দেখে হামলা শুরু হয়। তার জেরে বাংলাদেশে চাঁদপুর, চট্টগ্রাম, নোয়াখালী ও রংপুরে একের পর এক মন্ডপে হামলা ও সংখ্যালঘু হিন্দুদের বাড়ি লুঠ হয়েছে। পুলিশের গুলিতে ৫ হামলাকারী মৃত। আর হামলায় নিহত দুই সংখ্যালঘু।

দুর্গাপূজার মহাষ্টমীর দিন হামলা শুরু হয়। কুমিল্লায় হামলা চলাকালীন ঢাকার বদরুন্নেসা কলেজের অধ্যাপিকা রুমা সরকার সোশ্যাল সাইটে লাইভ শুরু করেন। নোয়াখালীতে সাম্প্রদায়িক হামলার ঘটনা মৃত সংখ্যালঘু যতন সাহার প্রসঙ্গ টেনে অন্য একটি খুনের মামলার নৃশংস ভিডিও দেখিয়ে লাগাতার উস্কানিমূলক মন্তব্য করে আরও পরিস্থিতি উত্তেজিত করেছিলেন রুমা সরকার।

তদন্তে নেমে পুলিশ অধ্যাপিকা রুমা সরকারকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে। দুই দিনের রিমান্ড শেষে রুমা সরকারকে আদালতে হাজির করে আটক রাখার আবেদন করে পুলিশ। শুনানি শেষে বিচারক তাকে জেলে পাঠানোর নির্দেশ দেন। সাম্প্রদায়িক হামলার মামলায় ইকবাল হোসেনকে আগেই গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

রাজনৈতিক চমকের অপেক্ষায় বিহার, তিন বছর পর পাটনায় ফিরছেন লালুপ্রসাদ

Lalu Prasad

News Desk: দীর্ঘ তিন বছর পর পাটনায় ফিরছেন প্রাক্তন রেলমন্ত্রী তথা আরজেডি নেতা লালু প্রসাদ যাদব। পশুখাদ্য কেলেঙ্কারিতে দোষী সাব্যস্ত হয়ে দীর্ঘদিন জেলবন্দি ছিলেন তিনি। জামিনে মুক্তি মিললেও শারীরিক অসুস্থতার কারণে দীর্ঘদিন ভর্তি ছিলেন দিল্লির এইমসে।

এসব কারণে টানা তিন বছর লালু বিহারের বাইরে ছিলেন। রবিবার সন্ধ্যায় স্ত্রী তথা রাজ্যের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী রাবড়ি দেবী এবং মেয়ে মিশাকে নিয়ে দিল্লি থেকে পাটনায় ফিরবেন তিনি। লালুর ফেরার অপেক্ষায় টানটান উত্তেজনা পাটনায়। একই সঙ্গে আরজেডির সদর দফতরেও।

রাজনৈতিক মহল মনে করছে, রাজ্যে ফিরে ফিরে বড় কোনও চমক দিতে পারেন লালু। এই মুহূর্তে নীতীশ কুমারের নেতৃত্বাধীন জেডিইউ ও বিজেপি জোট রাজ্যে ক্ষমতায় থাকলেও সরকারের হাতে প্রয়োজনীয় বিধায়ক সংখ্যা খুব বেশি নেই। একটু এদিক ওদিক হলে অর্থাৎ কয়েক জন বিধায়ক এই জোট ছেড়ে বেরিয়ে এলেই নীতীশ সরকারের পতন হতে পারে।

এরই মধ্যে রাজ্যের দুটি বিধানসভা কেন্দ্রে উপ নির্বাচন হচ্ছে। লালুপ্রসাদের মহাজোট ছেড়ে ইতিমধ্যেই বেরিয়ে গিয়েছে কংগ্রেস। এই দুই উপনির্বাচনে কংগ্রেস আলাদা করে লড়াইও করছে। এই অবস্থায় বহু যুদ্ধের নায়ক লালু কতটা চমক দিতে পারেন তার অপেক্ষায় প্রহর গুনছে রাজনৈতিক মহল। তাদের অনুমান, লালুপ্রসাদ রাজ্যে ফিরলে ঘোড়া কেনাবেচা শুরু হতে পারে। সেক্ষেত্রে জেডিইউ- বিজেপি সরকার ভেঙে গেলে ক্ষমতা দখল করতে পারে লালুপ্রসাদের আরজেডি। তবে শেষ পর্যন্ত কি হয় তা দেখার অপেক্ষায় রয়েছে গোটা দেশ।

দীর্ঘদিন জেলে কাটানো এবং বিভিন্ন রোগের কারণে লালুর শারীরিক অবস্থা অবশ্য বেশ দুর্বল। যদিও এইমসের চিকিৎসকরা লালুকে পাটনা ফিরে যাওয়ার অনুমতি দিয়েছেন। লালুপ্রসাদ বিজেপি- জেডিইউ জোটে ফাটল ধরাতে পারেন এমন আশঙ্কা থাকলেও, তাঁর নিজের সংসারেও চলছে ক্ষমতার দ্বন্দ্ব। লালুপ্রসাদ বরাবরই তাঁর ছোট ছেলে তেজস্বী যাদবকে গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। অন্যদিকে তাঁর স্ত্রী রাবড়ি দেবী বড় ছেলে তেজপ্রতাপকে আলাদা গুরুত্ব দেন।

লালুপ্রসাদের এই দুই ছেলের দ্বন্দ্ব আরজেডিতে প্রবল। কয়েকদিন আগে লালুর বড় ছেলে তেজপ্রতাপ অভিযোগ করেছিলেন, ভাই তেজস্বী তাঁর বাবা লালুকে দিল্লিতে গৃহবন্দী করে রেখেছেন। তবে এখন দেখার লালু রাজ্যে ফিরলে নীতীশ কুমার কী ভূমিকা নেন। রাজনৈতিক মারপ্যাঁচ বা কূটকৌশলের ক্ষেত্রে নীতিশের থেকে লালু অনেকটাই এগিয়ে। মুখ্যমন্ত্রী পদে থাকলেও বিজেপির সঙ্গে নীতীশের সম্পর্ক আদৌ ভাল নয়। লালু সম্পর্কের এই রসায়ন কতটা কাজে লাগাতে পারবেন তা নিয়ে কৌতুহলী হয়ে আছে রাজনৈতিক মহল। লালুপ্রসাদ দুই কেন্দ্রের উপনির্বাচনের প্রচার করবেন বলেও খবর। এখন দেখার রাজ্যে ফিরে লালু এবার কি চমক দেন।

Lakhimpur Kheri: কৃষকদের ‘খুন’, জেরার মুখে ডেঙ্গু আক্রান্ত মন্ত্রী-পুত্র

ministers-son-ashish-mishra

নিউজ ডেস্ক: আচমকা ডেঙ্গু আক্রান্ত লখিমপুর খেরিতে কৃষকদের গাড়ি চাপা দিয়ে খুন মামলায় মূল অভিযুক্ত আশিস মিশ্র। তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। জেরা চলাকালীন অসুস্থ হয় আশিস। চিকিৎসকরা জানান ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছে সে। দ্রুত আশিস কে হাসপাতালে নিয়ে যায় পুলিশ।

বন্দি আশিস মিশ্রর পিতা অজয় মিশ্র স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের রাষ্ট্রমন্ত্রী। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর সহকারী। অভিযোগ, প্রবল প্রভাবশালী বিজেপি সাংসদ তাঁর প্রভাব খাটিয়ে পুত্র আশিসকে নির্দোষ প্রমাণে মরিয়া।

উত্তর প্রদেশের লখিমপুর খেরিতে কেন্দ্রের কৃষি আইনের বিরোধিতা করে বিক্ষোভ চলছিল। সংযুক্ত কিষাণ মোর্চার আহ্বানে ও সারা ভারত কৃষকসভা সহ বিভিন্ন কৃষক সংগঠন এই বিক্ষোভে অংশ নেয়। সেই জমায়েতের মাঝে প্রবল গতিতে গাড়ি চালিয়ে দেয় আশিস মিশ্র। মৃত্যু হয় কয়েকজন কৃষকের। উত্তেজিত কৃষকদের হামলায় গাড়িতে থাকা আরও দুজন মারা যায়। পালিয়ে যায় আশিস।

অভিযোগ, লখিমপুর খেরির ঘটনাকে আড়াল করতে ততপর উত্তর প্রদেশের বিজেপি সরকার। তবে কৃষক সংগঠনগুলির চাপের মুখে সরকার বিব্রত। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে শুরু হয়েছে তদন্ত। পলাতক থাকা অাশিস মিশ্র আত্মসমর্পণ করে। তার জেরা চলছে। এই জেরায় বারবার অসঙ্গতি ধরা পড়ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

ক্রমাগত জেরার মু়খে ভেঙে পড়ছে আশিস। এর পরেই তার ডেঙ্গু ধরা পড়ল।

Assam: বাঙালি বিদ্বেষী মনোভাব বাড়ছে অসমে, আলফা জঙ্গি প্রধানের ঠান্ডা হুমকি

Why an assault on former ULFA militants has fuelled fresh anti-Bengali rhetoric in Assam

নিউজ ডেস্ক: অহমিয়া-বাঙালি জাতি বিদ্বেষ দ্রুত ছড়াচ্ছে অসমে (Assam)। বাঙালি অধ্যুষিত বরাক উপত্যকাকে অসম থেকে বিচ্ছিন্ন করার প্রস্তাব দিয়েছেন বিশিষ্ট সাহিত্যিক তথা প্রাক্তন সাংসদ নগেন শইকিয়া। তাঁর মন্তব্য ধরেই তীব্র প্রতিক্রিয়া দিল সশস্ত্র বিচ্ছিন্নতাবাদী সংগঠন আলফা (স্বাধীনতা) (ULFA-I)

আলফা (স্বাধীনতা) সুপ্রিমো পরেশ বড়ুয়া সংবাদমাধ্যম পাঠানো বিবৃতিতে জানান ,ডক্টর ডক্টর শইকিয়ার মতো একজন বিশিষ্ট ব্যক্তি বরাক উপত্যকা নিয়ে সস্তা মন্তব্য করা ঠিক হয়নি। তাঁর কাছে এমনটা আশা করতে পারিনি। এ ধরণের অদ্ভুত মন্তব্য তুলে নেওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।

মোস্ট ওয়ান্টেড বিচ্ছিন্নতাবাদী নেতা পরেশ বড়ুয়া বলেন, বরাক উপত্যকা অহমিয়া চলবেই। সেখানে বাংলা সহযোগী ভাষা৷ কাছাড়কে আমরা বাংলাভাষীর হতে তুলে দিতে পারিনা। সেখানে মণিপুরীরা রাজত্ব করবেন।

আলফা (স্বাধীনতা) প্রধান জানান, ডক্টর শইকিয়া বলেছেন, মায়ের মাথা ব্যাথা যদি হয় ,তাহলে সুযোগ্য সন্তান হিসেবে গলা কেটে দেওয়া উচিৎ। যেটা আমরা কোনও ভাবেই মেনে নিতে পারিনা। একজন বিদ্যান ব্যক্তি হিসেবে এ ধরণের কথা বলাটা যে ঠিক হয়নি, সেটা একজন অশিক্ষিত মানুষও বলবে। তাঁর এই মতামতের আমরা ধিক্কার জানাচ্ছি।

আলফা প্রধানের ঠান্ডা হুমকির পরেই অসমের রাজনৈতিক মহলে চাঞ্চল্য ছড়ায়। তবে ডক্টর শইকিয়া জানান, আমার বক্তব্যকে বিকৃত আকারে তুলে ধরা হয়েছে। নিজের অবস্থানে তিনি অটল বলে ফের জানিয়েছেন। তিনি বলেন, অসমের ভাষা সংস্কৃতিকে বরাকের একাংশ মানুষ অপমান করার ঘটনা আর নতুন হয়ে থাকেনি। দীর্ঘকাল ধরেই চলে আসছে। এমনকি অসম বিশ্ববিদ্যালয়ে অসমের কোনও সাহিত্যিক ,শিল্পীর ছবি নেই।

ডক্টর শইকিয়ার মন্তব্য নিয়ে ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় রাজনৈতিক হাওয়া গরম হয়েছে। সারা অসম ছাত্র সংস্থা (AASU) প্রতিবাদে সামরিক। আসুর উপদেষ্টা ডক্টর সমুজ্জল কুমার ভট্টাচার্য জানিয়েছেন, অসমের অখণ্ডতা যেকোনো ভাবেই রক্ষা থাকুক। এর বিভক্ত হোক সেটা আমার চাই না। যে কোনও পরিবেশে অসমের বিভাজনের পক্ষে আমরা নেই বলে সাফ জানিয়েছেন তিনি।

অসম জাতীয়তাবাদী যুব ছাত্র পরিষদের নেতা পলাশ সাংমা বলেন, রাজ্যে অখণ্ডতা বজায় থাকাটাই আমাদের কাম্য। অসমের জাতি গঠন প্রক্রিয়ায় বঙ্গভাষী অসমীয়াদের অংশীদার হওয়ার জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। অসম থেকে আরও একটি পৃথক রাজ্য সৃষ্টি হওয়াটা আমরা চাই না।

বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব ডক্টর নগেন শইকিয়া ক্ষোভ ও আবেগের বশবর্তী হয়েই বির্তকিত মন্তব্য করছেন বলে জানান অসম সাহিত্য সভার সভাপতি কুলধর শইকিয়া। তিনি বলেন ,অসমের ভাষা ও সাহিত্য এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে রাজ্যের প্রতিজন মানুষের অবদান রয়েছে।

সোনাইয়ের বিধায়ক করিমুদ্দিন বড়ভূঁঞা নিজের প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করতে গিয়ে বলেন ,বরাকের মানুষ কোনওদিনই অসম থেকে বিচ্ছিন্ন হতে চায় না।

RSS: মোদী সরকারের উপর ক্ষুব্ধ সংঘ, দেশব্যাপী বিক্ষোভ

Modi Vs RSS

নিউজ ডেস্ক: সংঘ ক্ষুব্ধ (RSS)। সংঘীদের রাগ গিয়ে পড়েছে মোদী সরকারের উপরে। রাগের কারণ, সরকারি সম্পত্তির ঢালাও বেসরকারিকরণ নীতি। আরএসএসের শ্রমিক শাখা ভারতীয় মজদুর সংঘ (BMS) জানিয়েছে, আগামী ২৮ অক্টোবর দেশব্যাপী আন্দোলন ও বিক্ষোভ প্রদর্শন হবে।

সরকারি সম্পত্তির ঢালাও বেসরকারিকরণ বিরোধিতায় ডান-বাম কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি বারবার অবস্থান বিক্ষোভ, শিল্প ও খনি ধর্মঘটে সামিল হয়েছে। দেশজুড়ে এই ধর্মঘটগুলি সরকারিক্ষেত্রে বারবার প্রভাব ফেলেছে। রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থা বিক্রির বিরোধিতায় ইনটাক (INTUC), আইটাক (AITUC), সিটু (CITU) সহ শ্রমিক সংগঠনগুলি সামিল হয়। কিছুক্ষেত্রে বিএমএস (BMS) এক মঞ্চে আসে।

এবার বিএমএস একলাই মোদী সরকারের বিরুদ্ধে সরব হচ্ছে। বিক্ষোভ কর্মসূচির বিষয়ে জানান, বিএমএসের সর্বভারতীয় সম্পাদক গিরিশচন্দ্র আর্য। তিনি বলেন, সরকার যে বিলগ্নিকরণ নীতি নিয়েছে তার প্রতিবাদ হবেই। অন্যান্য কেন্দ্রীয় শ্রমিক সংগঠনগুলি এই বিরোধিতায় সামিল হোক। বিএমএস দেশজুড়ে ধর্না কর্মসূচি পালন করবে।

বিএমএস সাধারণ সম্পাদক বলেন, সরকারে কে আছে তা বিচার্য নয়। দরকার রাষ্ট্রায়ত্ত্ব সংস্থার বিলগ্নিকরণ নিয়ে সরকারের ভূমিকার বিরোধিতা। বিএমএস সেটাই করছে। তাঁর প্রশ্ন, লাভজনক সরকারি সংস্থাগুলি কেন কেন্দ্র সরকার বিক্রি করতে চাইছে?

বিএমএস সাধারণ সম্পাদকের আরও অভিযোগ, সরকার যে অর্থনীতি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে পরিকল্পনা করে তারা কিছুই জানেন না। একইসঙ্গে তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী নির্মলা সীতারমন সরকারি সম্পত্তির বিক্রয়কে আড়াল করতে চাইছেন।

Myanmar: ফের গণহত্যার আশঙ্কা, ট্যাংক নিয়ে ঘিরছে বর্মী সেনা

myanmar-military

নিউজ ডেস্ক: রক্তপাতহীন সেনা অভ্যুত্থানের পর রক্তাক্ত পরিস্থিতি তৈরি করেছে মায়ানমারের সামরিক সরকার। গণতন্ত্রের পক্ষে থাকা জনগণের উপর হামলা চলছেই। হাজারের বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছে। ফের একবার সেনা অভিযানের পথে মায়ানমারের সেনা প্রধান জেনারেল মিন অন হ্লাইং।

বিবিসি জানাচ্ছে, উত্তর মায়ানমারের বিদ্রোহী মনোভাবাপন্ন এলাকায় সেনাবাহিনী মোতায়েন করা হয়েছে।

রাষ্ট্রসংঘের মায়ানমার বিষয়ক বিশেষজ্ঞ টম অ্যান্ডুস জানিয়েছেন, বর্মী সেনা মোতায়েন করা হয়েছে দেশটির দুর্গম উত্তর ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলে। হাজার হাজার সেনা এবং ভারী অস্ত্র নিয়ে হামলার আশঙ্কা থাকছে।

আশঙ্কা করা হচ্ছে, জেনারেল হ্লাইংয়ের নির্দেশ এলেই শুরু হবে চূড়ান্ত অভিযান। গণতন্ত্রী গোষ্ঠী বিশেষ করে মায়ানমার সরকারের বিরোধী সশস্ত্র চিন আর্মির বিরুদ্ধে অভিযান চালানো হবে।

বর্মী সেনার বিরুদ্ধে সশস্ত্র সংঘর্ষের পথেই গিয়েছে চিন (Chin) ও কাচিন (Kachin) দুই প্রদেশের বিদ্রোহী গোষ্ঠী। সম্প্রতি সেখানে আক্রমণ করেছিল বর্মী সেনা। বহু মানুষ পালিয়ে ভারতের দিকে ঢুকে পড়েন। নাগাল্যান্ড, মিজোরাম ও মনিপুরের সীমান্তে পলাতক বর্মীরা আশ্রয় নিয়েছেন।

এএফপি জানিয়েছে, মায়ানমারে বর্মী সেনার রক্তক্ষয়ী অভিযানে হাজারের বেশি অসামরিক নাগরিক নিহত। ৮ হাজারের বেশি গ্রেফতার। দেশটির উৎখাত হওয়া সরকারের সর্বময় নেত্রী আউং সান সু কি ও প্রেসিডেন্ট সহ মন্ত্রিসভার অনেকেই বন্দি।

Nepal: প্রবল বন্যা ও ভূমিধসে নেপালে শতাধিক মানুষের মৃত্যু

flood danger and landslides

নিউজ ডেস্ক: হিমালয়ে দুর্যোগের কারনে নেপালেও প্রবল বন্যা দেখা দিয়েছে। একাধিক ভূমিধসের ঘটনাও ঘটেছে এই দেশে। বন্যা ও ভূমি ধসের কারণে নেপালে এখনও পর্যন্ত শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।

নেপাল সরকারের পক্ষ থেকে শনিবার জানানো হয়েছে, প্রবল বৃষ্টিতে বহুগ্রাম সম্পূর্ণ জলবন্দি হয়ে পড়েছে। ঘরবন্দি মানুষকে দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। ঘরবাড়ি হারিয়ে কয়েক হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন।

কাঠমান্ডু প্রশাসন জানিয়েছে, প্রবল বৃষ্টির কারণে শনিবার সকাল পর্যন্ত দেশের ১৯ টি জেলা বন্যা কবলিত । ভেসে গিয়েছে কয়েকশো গ্রাম। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে প্রবল গতিতে জল গড়িয়ে আসার কারণে একাধিক জায়গায় ধস নেমেছে।

শনিবার দুপুর পর্যন্ত বন্যা ও ভূমিধসে ১১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন ৫০ জনের বেশি। ৪১ জন মানুষের কোনও খোঁজ মিলছে না। রাস্তাঘাট জলের তলায় চলে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে উদ্ধারের কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

ভয়ঙ্কর এই বন্যায় একাধিক এলাকায় উপড়ে পড়েছে বিদ্যুতের খুঁটি। ফলে বহু জায়গাতেই বিদ্যুৎ পরিষেবা বিচ্ছিন্ন। বিদ্যুৎ না থাকায় পানীয় জল সরবরাহ সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

বন্যা পরিস্থিতি ও উদ্ধারকাজ নিয়ে আলোচনা করতে প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে একটি জরুরি বৈঠক করেন। প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে জানানো হয়েছে, বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসের কারণে পশ্চিম নেপালের বেশ কিছু গ্রাম সম্পূর্ণ ভেসে গিয়েছে। চাষের জমি চলে গিয়েছে জলের তলায়। ফলে ফসলেরও বড় মাপের ক্ষতি হয়েছে।

ইতিমধ্যেই পাহাড়ের গায়ে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বৃষ্টি চলতে থাকায় প্রতিমুহূর্তে ধস নামছে। বন্যা কবলিত এলাকাগুলিতে দ্রুত ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিতে সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে নেপাল সরকার।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পশ্চিম নেপালের বহুগ্রাম জলের স্রোতে কার্যত ভেসে গিয়েছে। ওই সব গ্রামে খাবার ও পানীয় জল কোনও কিছুই মিলছে না।

সড়ক পথ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় উদ্ধারকারীরা দ্রুত ওই গ্রামগুলিতে যেতে পারছেন না। রেল ও বিমান পরিষেবা আবহাওয়ার কারণে বন্ধ রয়েছে। বিরাটনগর বিমানবন্দরের রানওয়ে জলের তলায় চলে গিয়েছে। ফলে অন্তর্দেশীয় বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

বৃষ্টির সঙ্গে শুরু হয়েছে তুষারপাত। শুক্রবার বিকেল থেকে উচ্চ পার্বত্য এলাকাগুলিতে তুষারপাত শুরু হয়েছে। স্থানীয় আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী দু’দিন এই বৃষ্টি চলবে। একই সঙ্গে পাহাড়ি এলাকায় জারি করা হয়েছে সতর্কতা। পাহাড়ের ঢালে বসবাসকারী মানুষকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে অনুরোধ করেছে প্রশাসন

Syria: আমেরিকার ড্রোন হামলায় খতম আল কায়েদার শীর্ষ নেতা

নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার ড্রোন হামলায় আল-কায়েদার অন্যতম শীর্ষ নেতা আবদুল হামিদ আল মাতার মৃত্যু হয়েছে।

সিরিয়ায় দু’দিন ধরে লাগাতার ড্রোন হামলা চালাচ্ছে আমেরিকা। উত্তর পশ্চিম সিরিয়ার ইদলিবে আল-কায়েদার গোপন ঘাঁটিতে সংগঠনের কয়েকজন শীর্ষ নেতা লুকিয়ে রয়েছে, এই খবর পাওয়ার পর সেখানে লাগাতার ড্রোন হামলা চালাতে শুরু করে মার্কিন বিমান বাহিনী। হামলায় শুক্রবার রাতে আল-কায়েদার শীর্ষ নেতা আবদুল হামিদের মৃত্যু হয়েছে। উত্তর পশ্চিম সিরিয়ার পাশাপাশি দক্ষিণ সিরিয়াতেও জঙ্গি ঘাঁটিগুলির উপর হামলা চালাতে শুরু করেছে আমেরিকা।

মার্কিন সেন্ট্রাল কম্যান্ডের মুখপাত্র সেনা মেজর জন রিগসবি জানিয়েছেন, উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ সিরিয়ায় এমকিউ-৯ বিমান থেকে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। জখম হয়েছে লুকিয়ে থাকা আরও কয়েকজন জঙ্গি। তবে এই হামলায় সাধারণ মানুষের ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর নেই।

সেপ্টেম্বর মাসেও উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় আল-কায়দার গোপন ঘাঁটিতে বিমান হামলা চালিয়েছিল আমেরিকা। ইদলিবের কাছে ওই বিমান হামলায় আল-কায়েদার শীর্ষ নেতা সালিম আবু আহমেদ খতম হয়েছিল। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল আল-কায়েদার একাধিক গোপন ঘাঁটি ওই হামলার পর বেশ কিছুটা কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল আল-কায়েদা।

শুক্রবার রাতের বিমান হামলায় ফের এক শীর্ষ আল-কায়েদা নেতার মৃত্যু হওয়ায় এই জঙ্গি সংগঠনটি বড় মাপের ধাক্কা খেল বলে মনে করা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিশ্বের অন্য দেশগুলিতেও আক্রমণ চালানোর কৌশল তৈরি করত আবদুল। জঙ্গি সংগঠনের জন্য অর্থ সংগ্রহ করতো সে। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে জঙ্গিগোষ্ঠীতে এনে তাদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজও করত সে। তাই আবদুলের মৃত্যুতে আল-কায়েদার বিশেষ ক্ষতি হল বলে মনে করা হচ্ছে।

সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশ আমেরিকার বিমান হানা এই প্রথম নয়। এর আগে আইসিস জঙ্গি গোষ্ঠীর নেতা আবু বকর আল বাগদাদি যখন ইদলিবে লুকিয়ে ছিল সে সময়ও বিমান হানা চালিয়েছিল পেন্টাগন। আমেরিকার সেই বিমান হানায় বাগদাদির মৃত্যু হয়েছিল।