Nepal: প্রবল বন্যা ও ভূমিধসে নেপালে শতাধিক মানুষের মৃত্যু

flood danger and landslides

নিউজ ডেস্ক: হিমালয়ে দুর্যোগের কারনে নেপালেও প্রবল বন্যা দেখা দিয়েছে। একাধিক ভূমিধসের ঘটনাও ঘটেছে এই দেশে। বন্যা ও ভূমি ধসের কারণে নেপালে এখনও পর্যন্ত শতাধিক মানুষের মৃত্যু হয়েছে বলে খবর।

নেপাল সরকারের পক্ষ থেকে শনিবার জানানো হয়েছে, প্রবল বৃষ্টিতে বহুগ্রাম সম্পূর্ণ জলবন্দি হয়ে পড়েছে। ঘরবন্দি মানুষকে দ্রুত উদ্ধারের চেষ্টা চলছে। ঘরবাড়ি হারিয়ে কয়েক হাজার মানুষ ঘরছাড়া হয়েছেন।

কাঠমান্ডু প্রশাসন জানিয়েছে, প্রবল বৃষ্টির কারণে শনিবার সকাল পর্যন্ত দেশের ১৯ টি জেলা বন্যা কবলিত । ভেসে গিয়েছে কয়েকশো গ্রাম। পাহাড়ের ঢাল বেয়ে প্রবল গতিতে জল গড়িয়ে আসার কারণে একাধিক জায়গায় ধস নেমেছে।

শনিবার দুপুর পর্যন্ত বন্যা ও ভূমিধসে ১১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। জখম হয়েছেন ৫০ জনের বেশি। ৪১ জন মানুষের কোনও খোঁজ মিলছে না। রাস্তাঘাট জলের তলায় চলে যাওয়ায় যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। যোগাযোগ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ায় প্রত্যন্ত গ্রামগুলিতে উদ্ধারের কাজ ব্যাহত হচ্ছে।

ভয়ঙ্কর এই বন্যায় একাধিক এলাকায় উপড়ে পড়েছে বিদ্যুতের খুঁটি। ফলে বহু জায়গাতেই বিদ্যুৎ পরিষেবা বিচ্ছিন্ন। বিদ্যুৎ না থাকায় পানীয় জল সরবরাহ সঙ্কট দেখা দিয়েছে।

বন্যা পরিস্থিতি ও উদ্ধারকাজ নিয়ে আলোচনা করতে প্রধানমন্ত্রী শের বাহাদুর দেউবা মন্ত্রিসভার সদস্যদের সঙ্গে একটি জরুরি বৈঠক করেন। প্রধানমন্ত্রীর অফিস থেকে জানানো হয়েছে, বৃষ্টি, বন্যা ও ভূমিধসের কারণে পশ্চিম নেপালের বেশ কিছু গ্রাম সম্পূর্ণ ভেসে গিয়েছে। চাষের জমি চলে গিয়েছে জলের তলায়। ফলে ফসলেরও বড় মাপের ক্ষতি হয়েছে।

ইতিমধ্যেই পাহাড়ের গায়ে বসবাসকারী মানুষকে নিরাপদ জায়গায় সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। বৃষ্টি চলতে থাকায় প্রতিমুহূর্তে ধস নামছে। বন্যা কবলিত এলাকাগুলিতে দ্রুত ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছে দিতে সব ধরনের ব্যবস্থা নিয়েছে নেপাল সরকার।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানিয়েছেন, পশ্চিম নেপালের বহুগ্রাম জলের স্রোতে কার্যত ভেসে গিয়েছে। ওই সব গ্রামে খাবার ও পানীয় জল কোনও কিছুই মিলছে না।

সড়ক পথ নষ্ট হয়ে যাওয়ায় উদ্ধারকারীরা দ্রুত ওই গ্রামগুলিতে যেতে পারছেন না। রেল ও বিমান পরিষেবা আবহাওয়ার কারণে বন্ধ রয়েছে। বিরাটনগর বিমানবন্দরের রানওয়ে জলের তলায় চলে গিয়েছে। ফলে অন্তর্দেশীয় বিমান চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছে।

বৃষ্টির সঙ্গে শুরু হয়েছে তুষারপাত। শুক্রবার বিকেল থেকে উচ্চ পার্বত্য এলাকাগুলিতে তুষারপাত শুরু হয়েছে। স্থানীয় আবহাওয়া দফতর জানিয়েছে, আগামী দু’দিন এই বৃষ্টি চলবে। একই সঙ্গে পাহাড়ি এলাকায় জারি করা হয়েছে সতর্কতা। পাহাড়ের ঢালে বসবাসকারী মানুষকে দ্রুত নিরাপদ স্থানে সরে যেতে অনুরোধ করেছে প্রশাসন

Syria: আমেরিকার ড্রোন হামলায় খতম আল কায়েদার শীর্ষ নেতা

নিউজ ডেস্ক: আমেরিকার ড্রোন হামলায় আল-কায়েদার অন্যতম শীর্ষ নেতা আবদুল হামিদ আল মাতার মৃত্যু হয়েছে।

সিরিয়ায় দু’দিন ধরে লাগাতার ড্রোন হামলা চালাচ্ছে আমেরিকা। উত্তর পশ্চিম সিরিয়ার ইদলিবে আল-কায়েদার গোপন ঘাঁটিতে সংগঠনের কয়েকজন শীর্ষ নেতা লুকিয়ে রয়েছে, এই খবর পাওয়ার পর সেখানে লাগাতার ড্রোন হামলা চালাতে শুরু করে মার্কিন বিমান বাহিনী। হামলায় শুক্রবার রাতে আল-কায়েদার শীর্ষ নেতা আবদুল হামিদের মৃত্যু হয়েছে। উত্তর পশ্চিম সিরিয়ার পাশাপাশি দক্ষিণ সিরিয়াতেও জঙ্গি ঘাঁটিগুলির উপর হামলা চালাতে শুরু করেছে আমেরিকা।

মার্কিন সেন্ট্রাল কম্যান্ডের মুখপাত্র সেনা মেজর জন রিগসবি জানিয়েছেন, উত্তর-পশ্চিম ও দক্ষিণ সিরিয়ায় এমকিউ-৯ বিমান থেকে ড্রোন হামলা চালানো হয়েছে। জখম হয়েছে লুকিয়ে থাকা আরও কয়েকজন জঙ্গি। তবে এই হামলায় সাধারণ মানুষের ক্ষয়ক্ষতির কোনও খবর নেই।

সেপ্টেম্বর মাসেও উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ায় আল-কায়দার গোপন ঘাঁটিতে বিমান হামলা চালিয়েছিল আমেরিকা। ইদলিবের কাছে ওই বিমান হামলায় আল-কায়েদার শীর্ষ নেতা সালিম আবু আহমেদ খতম হয়েছিল। গুঁড়িয়ে দেওয়া হয়েছিল আল-কায়েদার একাধিক গোপন ঘাঁটি ওই হামলার পর বেশ কিছুটা কোণঠাসা হয়ে পড়েছিল আল-কায়েদা।

শুক্রবার রাতের বিমান হামলায় ফের এক শীর্ষ আল-কায়েদা নেতার মৃত্যু হওয়ায় এই জঙ্গি সংগঠনটি বড় মাপের ধাক্কা খেল বলে মনে করা হচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিশ্বের অন্য দেশগুলিতেও আক্রমণ চালানোর কৌশল তৈরি করত আবদুল। জঙ্গি সংগঠনের জন্য অর্থ সংগ্রহ করতো সে। একই সঙ্গে তরুণ প্রজন্মকে জঙ্গিগোষ্ঠীতে এনে তাদের অস্ত্র প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজও করত সে। তাই আবদুলের মৃত্যুতে আল-কায়েদার বিশেষ ক্ষতি হল বলে মনে করা হচ্ছে।

সিরিয়ার ইদলিব প্রদেশ আমেরিকার বিমান হানা এই প্রথম নয়। এর আগে আইসিস জঙ্গি গোষ্ঠীর নেতা আবু বকর আল বাগদাদি যখন ইদলিবে লুকিয়ে ছিল সে সময়ও বিমান হানা চালিয়েছিল পেন্টাগন। আমেরিকার সেই বিমান হানায় বাগদাদির মৃত্যু হয়েছিল।

কেন্দ্রের কৃষি নীতি সম্পর্কে ফের সুর চড়ালেন বিজেপি সংসদ সদস্য বরুণ গান্ধী

BJP MP Varun Gandhi criticized the Centre's agricultural policy

নিউজ ডেস্ক: ফের আন্দোলনরত কৃষকদের পক্ষে মুখ খুললেন বিজেপি সাংসদ বরুণ গান্ধী। শনিবার গেরুয়া দলের এই সাংসদ বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের উচিত অবিলম্বে তিন কৃষি আইন পুনর্বিবেচনা করে দেখা। কৃষকদের পক্ষে দাঁড়াতে শনিবার টুইটারে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেন বরুণ।

ওই ভিডিওতে দেখা গিয়েছে একজন কৃষক তাঁর জমির ধান পুড়িয়ে ফেলছেন। বরুণ বলেন, সামোধ সিং নামে উত্তরপ্রদেশের এই কৃষক ১৫ দিন ধরে এক মাণ্ডি থেকে আর এক মাণ্ডিতে ছুটে বেড়িয়েছেন। কিন্তু তিনি কোনভাবেই তাঁর জমির ফসল বিক্রি করতে পারেননি। সে কারণেই হতাশ হয়ে পড়া ওই কৃষক জমির সব ফসল পুড়িয়ে দিয়েছেন। সরকারের উচিত, এ ধরনের ঘটনা বন্ধের জন্য কৃষি নীতি পুনর্বিবেচনা করে দেখা। বহু কষ্ট করে কৃষকরা ফসল উৎপাদন করে থাকেন। কতটা জ্বালায় জ্বললে তবে একজন কৃষক শরীরের রক্ত জল করা পরিশ্রমের সেই ফসল পুড়িয়ে দিতে পারেন তা আমাদের ভেবে দেখতে হবে।

এর আগে লখিমপুর খেরির ঘটনা নিয়ে সরব হয়েছিলেন বরুণ। পিলভিটের এই বিজেপি সাংসদই দলের একমাত্র নেতা যিনি লখিমপুরের ঘটনায় কৃষকদের পক্ষ নিয়েছেন। তবে লখিমপুরের ঘটনা নিয়ে মুখ খোলায় বরুণকে শাস্তির মুখেও পড়তে হয়েছে। শাস্তিস্বরূপ দলের এই তরুণ নেতা ও তাঁর মা মানেকা গান্ধীকে বিজেপির জাতীয় কার্যনির্বাহী কমিটি থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে।

কিন্তু দলের কার্যনির্বাহী কমিটি থেকে বাদ পড়লেও বরুণ কিন্তু পিছিয়ে যাননি। বরং তিনি মোদি সরকারের বিরুদ্ধে আরও আক্রমণাত্মক হয়েছেন। বরুণ গান্ধী বলেছেন, এক বছর ধরে কৃষকরা আন্দোলন করছেন। তাঁরা কি বলতে চাইছেন সেটা কি সরকার একবার ভেবে দেখতে পারে না? সরকার তার এই উন্নাসিকতার জবাব একদিন পাবেই। কৃষকরাই দেশের অন্নদাতা। সবার আগে সরকারের উচিত কৃষকদের কথা ভাবা। তাঁরা কি বলতে চাইছেন সেটা শোনা। কিন্তু সরকার সেটা করছে না। বরং উল্টো পথে হেঁটে কৃষকদের এড়িয়ে যাচ্ছে। সরকারের এই সিদ্ধান্ত এক আত্মঘাতী পদক্ষেপ।

শুধু কৃষকদের পাশে থাকাই নয়, উত্তর প্রদেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়েও এদিন মুখ খুলেছেন তিনি। বন্যা কবলিত মানুষকে উদ্ধার ও ত্রাণ বণ্টনে ব্যর্থতার জন্য যোগী আদিত্যনাথ সরকারকে কাঠগড়ায় তুলেছেন বরুণ। আর কয়েক মাস পরেই উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে বরুণ যেভাবে রাজ্য ও কেন্দ্রের বিজেপি সরকারকে আক্রমণ করে চলেছে তাতে গেরুয়া দল নিঃসন্দেহে অস্বস্তিতে পড়েছে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

Uttarakhand: মৃত্যু উপত্যকা লামখাগা পাস, উদ্ধার ১২ পর্বতারোহীর দেহ

uttarakhand-trekkers

নিউজ ডেস্ক: হিমালয়ে প্রবল বৃষ্টি ও ভূমি ধসের কারণে উত্তরাখণ্ডের পরিস্থিতি ভয়াবহ। শনিবার সকালে লামখাগা পাস থেকে ১২ জনের দেহ উদ্ধার হয়েছে। এরা সবাই পর্বতারোহী। NDTV ও Indian Express এই তথ্য জানাচ্ছে। তবে সরকারিভাবে কিছু বলা হয়নি।

উত্তরাখণ্ড ও হিমাচলের বিভিন্ন জায়গায় আটকে পড়া মানুষকে উদ্ধারের কাজে বায়ুসেনা, দুই রাজ্যের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী ও আইটিবিপি জওয়ানরা।

উদ্ধারকারীদের আশঙ্কা, প্রবল তুষার ধসে বহু অভিযাত্রীর দেহ পাহাড়ের খাদে গড়িয়ে পড়েছে। নিখোঁজ ব্যক্তিদের উদ্ধারে কাজ করছে বায়ুসেনার অ্যাডভান্সড লাইট হেলিকপ্টার।

uttarakhand-trekkers

শুক্রবার পশ্চিমবঙ্গের ট্রেকারের দেহ উদ্ধার হয়েছিল। উত্তরাখণ্ডের দুর্গম এলাকাগুলির মধ্যে অন্যতম লামখাগা পাস। সেখানে ১৭ জনের একটি দল ট্রেকিং করতে গিয়েছিল। ১৬ অক্টোবর থেকে উত্তরাখণ্ডে প্রবল প্রাকৃতিক বিপর্যয় শুরু হয়। সেই প্রাকৃতিক দুর্যোগে ধস নামে লামখাগা পাসে। ধসের কারণে ১৭ জনের দলটি নিখোঁজ হয়ে যায়।

সেই নিখোঁজ ট্রেকারদের উদ্ধার করতে বায়ুসেনার হেলিকপ্টার ১৯৫০০ ফুট উচ্চতা পর্যন্ত নেমে এসে তল্লাশি চালায়। শেষ পর্যন্ত শুক্রবার সন্ধ্যার দিকে বরফের মধ্যে ১১ জনের দেহ পড়ে থাকতে দেখা যায়। এখনও বেশ কয়েকজন ট্রেকার, গাইড এবং পোর্টারের খোঁজ নেই।

জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দলের অনুমান, নিখোঁজ যাত্রীরা ১৭ হাজার ফুট উচ্চতায় আটকে আছে। তাদের উদ্ধারের জন্য বায়ুসেনার বিমান পাঠানো হয়েছে।

শনিবার সকাল পর্যন্ত ভূমি ধসে শতাধিক পর্যটক আটকে আছেন বলে খবর মিলেছে। যার মধ্যে পশ্চিমবঙ্গের বাসিন্দা ২০ জনের বেশি। অন্যরা বিভিন্ন রাজ্যের বাসিন্দা।

গত কয়েক দিনের প্রবল বৃষ্টি ও ভূমি ধসের কারণে উপড়ে পড়েছে টেলিফোন ও বিদ্যুতের খুঁটি। ফলে বেশীরভাগ এলাকাতেই বিদ্যুৎ ও মোবাইল সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। রানিক্ষেত, আলমোড়া, পিথোরাগড়, নৈনিতাল, যোশিমঠের মত বহু এলাকার সঙ্গে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে। ওই সমস্ত এলাকায় জরুরি পরিষেবাও মিলছে না।

একাধিক বাড়িঘর ভেঙে ধ্বংসস্তূপে পরিণত হয়েছে। উদ্ধারকারীদের আশঙ্কা, ওই সমস্ত ধ্বংসস্তূপের মধ্যে বেশকিছু মানুষ আটকে থাকতে পারেন। যাঁদের জীবিত অবস্থায় বের করে আনার সম্ভাবনা ক্রমশই কম

J&K: কাশ্মীর থেকেও সরাসরি বিদেশ যাত্রা করা যাবে

kashmir airport

নিউজ ডেস্ক: এবার জম্মু-কাশ্মীর থেকেও সরাসরি বিদেশ যাওয়া যাবে। শনিবার তিনদিনের সফরে আসছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। জম্মু কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা তুলে নেওয়ার পর এই প্রথম আসছেন তিনি। সফরের প্রথম দিনে শাহ শ্রীনগর থেকে সংযুক্ত আরব আমিরশাহির শারজার মধ্যে সরাসরি বিমান পরিষেবা চালু করবেন তিনি।

তিন দিনের সফরের প্রথম দিনে শ্রীনগর থেকে আন্তর্জাতিক উড়ান পরিষেবার উদ্বোধন করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। এদিনই তাঁর জম্মু-কাশ্মীরের প্রশাসনিক কর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করার কথা। এই বৈঠকে কাশ্মীরে জঙ্গিদের সক্রিয়তা নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলোচনা করবেন। উপত্যকায় বিভিন্ন উন্নয়নমূলক প্রকল্পের হাল-হকিকত সম্পর্কেও আলোচনা করবেন অমিত শাহ।

২০১৯ সালের জুন মাসে শেষবার কাশ্মীরে এসেছিলেন শাহ। কয়েকদিন আগেই কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান পরিবহন মন্ত্রী জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া জানিয়েছিলেন, শ্রীনগর থেকে আন্তর্জাতিক উড়ান চালু করার চেষ্টা চলছে। শ্রীনগর বিমানবন্দরের আয়তন দ্বিগুণ বাড়ানোর কাজ চলছে। এই বিমানবন্দরের উন্নয়নের জন্য সরকার দেড় হাজার কোটি টাকা খরচ করবে। জম্মু বিমানবন্দরের সংস্কার ও উন্নয়নে সরকার খরচ করবে ৬০০ কোটি টাকা।

ইতিমধ্যেই কাশ্মীরের ডিভিশনাল কমিশনার শ্রীনগর বিমানবন্দরের খুঁটিনাটি খতিয়ে দেখেছেন। সেখানকার আধিকারিকদের সঙ্গে তিনি বিস্তারিত কথা বলেছেন।

এদিকে শাহর সফরের জন্য গোটা কাশ্মীর উপত্যকা কড়া নিরাপত্তার ঘেরাটোপে মুড়ে ফেলা হয়েছে। উপত্যকায় অতিরিক্ত ২৫ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী পাঠানো হয়েছে। আকাশপথে ও ড্রোনের মাধ্যমে চলছে নজরদারি। নিয়োগ করা হয়েছে দক্ষ স্নাইপার ও সার্প শ্যুটারদের। তিনদিনের সফরে শাহ প্রথমে যাচ্ছেন শ্রীনগর। তারপর তিনি জম্মুতে যাবেন। জম্মু থেকেই তিনি দিল্লি ফিরবেন।

বিমানবন্দর উদ্বোধনের পাশাপাশি উধমপুর এবং হান্দওয়ারায় দুটি নতুন সরকারি মেডিকেল কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, জম্মু ও কাশ্মীরের বিধানসভা নির্বাচনের আগে একাধিক উন্নয়নমূলক প্রকল্প চালু করতে চায় নরেন্দ্র মোদী সরকার। সে কারণেই মেডিক্যাল কলেজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন ও আন্তর্জাতিক উড়ান পরিষেবার সূচনা করতে চলেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

Alert: শতাধিক শিশুমৃত্যু, একইসঙ্গে বাড়ছে করোনা সংক্রমণ

diwali corona

নিউজ ডেস্ক: উৎসবের এখনও আরেকটি পর্ব অর্থাৎ দীপাবলি বাকি। তার আগেই চিকিৎসক বিশেষজ্ঞদের আশঙ্কা মিলিয়ে রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বাড়তে শুরু করেছে। শুধু তাই নয়, পাল্লা দিয়ে বাড়ছে ‘অজানা জ্বর’ বলে প্রচারিত সংক্রমণে শিশুমৃত্যুর সংখ্যা। শতাধিক শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

দুর্গাপূজার আগেই আশঙ্কা করা হয়েছিল, কোভিড বিধি শিথিল করায় করোনা সংক্রমণ বাড়বে। তাই-ই হয়েছে। কলকাতায় দুর্গাপূজার মণ্ডপে ভিড় উপচে পড়ে। উড়ে গিয়েছিল দূরত্ববিধি। আর শারদোতসব মিটতেই এসেছে করোনা সংক্রমণের বড়সড় পরিসংখ্যান।

শুক্রবার কলকাতা পুরসভার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪  ঘণ্টায় শহরে করোনা আক্রান্ত হয়েছেন ২৪২ জন। চালু করতে হতে পারে সেফ হোম। সোমবার থেকে সেফ হোম খুলতে পদক্ষেপ নিচ্ছে পুর কর্তৃপক্ষ।

করোনা সংক্রমণের খবর কলকাতা সংলগ্ন জেলা হাওড়া, হুগলি, উত্তর ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা থেকে আসছে। তেমনই মহানগর লাগোয়া শহরতলি এলাকায় বেড়েছে সংক্রমণ।

অন্যদিকে উত্তরবঙ্গে ‘অজানা জ্বর’ সংক্রমিত শিশুদের মৃত্যুর সংখ্যা ভয়াবহ বলেই জানাচ্ছেন চিকিৎসক ও চিকিত্‍সা পরিষেবা কর্মীরা। শুধুমাত্র শিলিগুড়িতে ৬৫ শিশুর মৃত্যু হয়। মুর্শিদাবাদ, পূর্ব বর্ধমান জেলা হাসপাতালে শিশু মৃত্যুর সংখ্যায় উদ্বিগ্ন সংশ্লিষ্ট জেলা প্রশাসন।

অভিযোগ, শিশুমৃত্যু ও করোনা সংক্রমণের বিষয়ে রাজ্য সরকারের নীরবতা নিয়েও। এরই মাঝে চলতি মাসে হবে চারটি বিধানসভার উপনির্বাচন। ভোটের প্রচার ও জনসভা থেকে সংক্রমণ আরও ছড়াবে বলেই আশঙ্কা।

Uttarakhand: হিমালয়ের খাঁজে খাঁজে দুরন্ত পর্বতারোহীদের দেহ উদ্ধার, অনেকে নিখোঁজ

bengali-trekkers-rescued

নিউজ ডেস্ক: বিপর্যয় কাটার পর আসছে দু:সংবাদ। উত্তরাখণ্ড ও হিমাচলে পর্বতাভিজান করতে গিয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে মৃত পর্বতারোহীদের বেশিরভাগই পশ্চিমবঙ্গের।

পাহাড়ি এলাকা থেকে শুক্রবার পর্যন্ত অন্তত ৭ জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। দেরাদুন থেকে কফিনে সেই দেহগুলি পাঠানো হবে কলকাতায়। তবে এখনও ৫ পর্বতারোহী নিখোঁজ। আশঙ্কা বাড়ছে খারাপ খবরের।

উত্তরাখণ্ড ও হিমাচল প্রদেশ দুই রাজ্যের মধ্যে ছড়িয়ে থাকা হিমালয়ের দুর্গম গিরিখাত, হিমবাহ, পর্বত শীর্ষ ও পাহাড়ি পথ ধরে অভিযান চলে। করোনা সংক্রমণ কারণে দীর্ঘদিন সেসব বন্ধ ছিল। উৎসবের ঠিক আগে সংক্রমণ হার কমতেই পশ্চিমবঙ্গের পর্বতারোহীরা নেশার টানে পৌঁছে গিয়েছিলেন। এর পরেই শুরু হয় হিমালয়ে প্রাকৃতিক দুর্যোগ।

পড়ুনUttarakhand: দুর্গম সুন্দরডুঙ্গার খাঁজে পড়ে আছে ৪ বাঙালি পর্বতারোহীর দেহ

প্রকৃতির রোষে হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড, পশ্চিমবঙ্গের পার্বত্যাঞ্চল ও সিকিমের বিস্তির্ণ অঞ্চল লন্ডভণ্ড। এই পরিস্থিতিতে উত্তরাখণ্ড ও হিমাচলের অংশে পর্বতারোহণ, অভিযানকারী দলগুলি সরাসরি পড়ে গিয়েছিল।

আরও পড়ুন:Uttarakhand: ৫ বাঙালি ট্রেকারের কফিনবন্দি দেহ আনার প্রস্তুতি, অভিযাত্রী মহল শোকাচ্ছন্ন

উত্তরাখণ্ডের হরশিল থেকে হিমাচল প্রদেশের ছিটকুলের পথে যাওয়া পর্বতারোহীদের মধ্যে এখনও পর্যন্ত সর্বাধিক মৃত। তবে উত্তরাখণ্ডেরই আরও একটি দুর্গম পথ সুন্দরডুঙ্গাতে কয়েকজন বাঙালি পর্বতারোহী মারা গিয়েছেন। এই পথেই আরও কিছু পর্বতারোহী নিখোঁজ এখনও।

Turkey: দুরন্ত মোসাদ গুপ্তচরদের ষড়যন্ত্র বানচাল, আরব দুনিয়া সরগরম

15-mossad-agent-arrested-in-turkey

নিউজ ডেস্ক: ইজরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে গোপন ফাইল হাতিয়ে নেওয়ার ষড়যন্ত্র বানচাল। তুরস্ক সরকার ১৫ জন মোসাদ এজেন্টকে গ্রেফতার করেছে। সাম্প্রতিক সময়ে এতবড় ধাক্কা খায়নি বিশ্ববিখ্যাত গুপ্তচর সংস্থাটি।

তুরস্কের জাতীয় সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি জানাচ্ছে, সন্দেহভাজন এই ব্যক্তিরা ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থার কাছে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এবং দলিল পাচার করত। ধৃতদের  মধ্যে ফিলিস্তিন এবং সিরিয়ার নাগরিক রয়েছে। কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে তথ্য পাচার করত এবং এর জন্য মোটা অঙ্কের অর্থ পেত তারা।

মোসাদের নজর ছিল যে ফাইলে :

সম্প্রতি তুরস্ক ও ইরান সরকার দুই দেশের নিরাপত্তা ইস্যুতে সহযোগিতা করার লক্ষ্যে  চুক্তি সই করেছে। এই চুক্তিতে দুপক্ষ কৌশলগত সম্পর্ক বিস্তার, যৌথভাবে সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই ও চোরাচালান মোকাবিলায় পরস্পর সহমত হয়।

ইরানের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আহমাদ ওয়াহিদি এবং তুরস্কের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সোলায়মান সইলু তেহরানে বৈঠক করেন। সেখানেই  সমঝোতা হয়। এই ফাইলটির তথ্য সংগ্রহ করতে ইজরায়েলের গুপ্তচর সংস্থা মোসাদ নেমেছিল। তাদের এজেন্টদের খবর পায় তুরস্কের গুপ্তচর বিভাগ। শুরু হয় নজরদারি। সন্দেহ মিটতেই তাদের গ্রেফতার করা হয়।

আটকের পর এসব মোসাদ গুপ্তচরদের আদালতে হাজির করা হয়। তাদেরকে ইস্তাম্বুলের মালতেপে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন বিচারক।

Uttarakhand: ৫ বাঙালি ট্রেকারের কফিনবন্দি দেহ আনার প্রস্তুতি, অভিযাত্রী মহল শোকাচ্ছন্ন

Five trekkers found dead in Himachal Pradesh

নিউজ ডেস্ক: ট্রেকিং করতে গিয়েছিলেন উত্তরাখণ্ডে। কিন্তু সেখানে প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের মধ্যে পড়ে প্রাণ হারালেন ৫ বাঙালি ট্রেকার। পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তরাখণ্ডে গিয়ে আটকে রয়েছেন বহু বাঙালি পর্যটক। হাওড়া থেকে ট্রেকিংয়ের যাওয়া একটি প্রতিনিধিদলের এখনও কোনও খোঁজ নেই। তাঁদের উদ্ধারের জন্য সব ধরনের চেষ্টা চলছে।

যে ৫ বাঙালি ট্রেকারের মৃত্যু হয়েছে তাঁদের সঙ্গে একজন গাইড ও চারজন পোর্টার ছিলেন। চারজন পোর্টার ফিরে এলেও গাইডের কোনও খোঁজ মেলেনি। মৃত ৫ বাঙালির মধ্যে তিনজন হাওড়া বাগনানের বাসিন্দা। একজন দক্ষিণ ২৪ পরগনার ঠাকুরপুকুরের এবং অন্যজন নদিয়া জেলার রানাঘাটের বাসিন্দা। মৃতদের মধ্যে চন্দ্রশেখর দাস, সরিৎশেখর দাস ও সাগর দে বাগানের বাসিন্দা। সাধনকুমার বসাকের বাড়ি ঠাকুরপুকুরে এবং প্রীতম রায়ের বাড়ি রানাঘাটে।

মৃতদের পরিবার সূত্রে জানা গিয়েছে, ১১ অক্টোবর শেষবার তাঁদের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগ হয়েছিল। তারপর বহুবার চেষ্টা করেও ফোনে যোগাযোগ করা যায়নি। একটি বেসরকারি সূত্রের খবর, ট্রেকারদের আরও দুটি দেহ পাওয়া গিয়েছে। তবে তাদের নাম জানা যায়নি। ওই ট্রেকিং দলে থাকা মিঠুন দাড়ি নামে এক যুবককে গুরুতর জখম অবস্থায় উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে

আরও পড়ুনUttarakhand: দুর্গম সুন্দরডুঙ্গার খাঁজে পড়ে আছে ৪ বাঙালি পর্বতারোহীর দেহ

উত্তরাখণ্ডের বাগেশ্বর জেলা প্রশাসন থেকে ইতিমধ্যেই ওই পাঁচ পরিবারকে ফোনে দুঃসংবাদ জানানো হয়েছে। মৃতদের পরিবার উত্তরাখান্ড থেকে দেহ ফিরিয়ে আনার জন্য পশ্চিমবঙ্গের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের কাছে অনুরোধ জানিয়েছে।

Five trekkers found dead in Himachal Pradesh

উত্তরাখণ্ড প্রশাসন জানিয়েছে, ১৪ অক্টোবর এক দল ট্রেকার উত্তরাখণ্ডের হর্ষিল থেকে হিমাচল প্রদেশের ছিটকুলের উদ্দেশ্যে রওনা দিয়েছিল। কিন্তু ১৭ অক্টোবর থেকে ওই অভিযাত্রী দলের সঙ্গে যোগাযোগ সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। ১৮ অক্টোবর ওই দলটি ঝড়ের কবলে পড়ে। তারপর থেকেই তাদের কোনও খোঁজ নেই। ওই দলেরই ৫ সদস্যের মৃত্যু হয়েছে।

এরই মধ্যে হাওড়ার আমতার ১৪ জন একটি দল কাঠগোদামে আটকে আছেন। ওই ১৪ জনের পরিবারের অভিযোগ, হোটেলে খাবার বা পানীয় জল কিছুই মিলছে না। এমনকি বিদ্যুৎ সংযোগও নেই। তাই মোবাইলে চার্জ না থাকায় সেগুলিও অচল হয়ে রয়েছে।

প্রাকৃতিক বিপর্যয় বিধ্বস্ত উত্তরাখণ্ডে চরম কষ্টের মধ্যে রয়েছেন পর্যটকরা। যাদের মধ্যে বেশিরভাগই বাঙালি। আটকে থাকা এই সমস্ত বাঙালি পর্যটকদের উদ্ধারের জন্য ইতিমধ্যেই সক্রিয় ভূমিকা নিয়েছে পশ্চিমবঙ্গ সরকার। নবান্ন থেকে জানানো হয়েছে, উত্তরাখণ্ড সরকার ও স্থানীয় প্রশাসনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। বাঙালি পর্যটকদের কিভাবে দ্রুত ফিরিয়ে আনা যায় তার পরিকল্পনাও শুরু হয়েছে। রাজ্যের মুখ্য সচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী উত্তরাখণ্ড সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন।

হাওড়া জেলা থেকে অনেকেই উত্তরাখণ্ডে গিয়ে আটকে আছেন। তাদের উদ্ধারের বিষয়ে জনসাস্থ্য ও কারিগরি মন্ত্রী পুলক রায় বলেছেন, আটকে থাকা পর্যটকদের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা চলছে। সরকার চেষ্টা করছে সকলকেই দ্রুত ফিরিয়ে আনার।

Bangladesh: দুর্গাপূজায় হামলার কারণে দীপাবলি উৎসব বয়কট বাংলাদেশি হিন্দুদের

bangladeshi-hindus-boycott-diwali-festival

নিউজ ডেস্ক: শারদীয় দুর্গাপূজায় ধর্ম অবমাননার গুজব ছড়িয়ে হামলার ঘটনায় বাংলাদেশ (Bangladesh) পূজা উদযাপন পরিষদ সারা দেশে আসন্ন দীপাবলি উৎসব বর্জন করার সিদ্ধান্ত নিল।

ঢাকেশ্বরী মন্দিরে সংবাদ সম্মেলন করে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ। ‘সাম্প্রদায়িক অপশক্তির নারকীয় তাণ্ডব’ ও ‘বিরাজমান পরিস্থিতিতে নিরাপত্তাহীনতা’র কারণে আগামী ৪ নভেম্বর শ্যামাপূজায় দীপাবলির উৎসব বর্জন হবে। এমনই জানিয়েছেন পূজা উদযাপন পরিষদের সংগঠনটির সাধারণ সম্পাদক নির্মল কুমার চ্যাটার্জী।

পরিষদ জানায়, চার দফা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদ। তবে দীপাবলি উৎসব বর্জন করলেও শ্যামাপূজা যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে দুর্গাপূজায় সাম্প্রদায়িক হামলা ছড়ানোর কারণে, ইকবাল হোসেন নামে এক যুবককে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই যুবক কুমিল্লার দুর্গামন্ডপে কোরান রেখে এসেছিল। তার জেরে বাংলাদেশের বিভিন্ন জেলায় আক্রান্ত হয় সংখ্যালঘু হিন্দুরা। পুলিশের গুলিতে ৫ হামলাকারীর মৃত্যু হয়। দুজনকে খুন করে হামলাকারীরা।

একই ঘটনায় সাম্প্রদায়িক গুজব ছড়ানোর অভিযোগে আটক হয়েছেন ঢাকার বদরুন্নেসা কলেজের সহকারী অধ্যাপিকা রুমা সরকার। তাঁকেও জেরা করা হচ্ছে।

Bankura: কয়লা মাফিয়া লালার আগাম জামিনের আবেদন ফের প্রত্যাহার

নিউজ ডেস্ক: ফের বাঁকুড়া জেলা আদালতে আগাম জামিনের আবেদন জানিয়েও তা প্রত্যাহার করে নিলেন কয়লা পাচার কাণ্ডের অন্যতম অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালার আইনজীবী।

প্রসঙ্গত, বাঁকুড়ার মেজিয়া থানায় ২০১৭ সালের ১৫ জুলাই কালিকাপুর এলাকায় বেআইনিভাবে কয়লা উত্তোলন ও পাচার সংক্রান্ত এক পিটিশন দেন স্থানীয় বাসিন্দা কালীদাস ব্যানার্জী। মামলা দায়ের করার পাশাপাশি পুলিশ অভিযোগের তদন্তে নেমে অনুপ মাজি ওরফে লালার নাম পায়। সেই মামলায় চার্জশিট দেয় পুলিশ।

এরপরই আইনজীবী মারফত অনুপ মাজি ওরফে লালা বাঁকুড়া জেলা আদালতে আগাম জামিনের আবেদন জানালে গত ১০ সেপ্টেম্বর বিচারক তা খারিজ করে দেন। ফের একই মামলার প্রেক্ষিতে আগাম জামিনের আবেদন জানিয়েছিলেন অনুপ মাজি। যার শুনানি এদিন হওয়ার কথা ছিল।

অভিযুক্ত অনুপ মাজি ওরফে লালার আইনজীবী অনির্বাণ ব্যানার্জী বলেন, আমরা আগাম জামিনের জন্য আবেদন করেছিলাম। আজ শুনানির কথা ছিল, তবে তাঁরা আদালতে সেই আবেদন প্রত্যাহারের আবেদন করেছেন।

সরকারী আইনজীবী অরুণ কুমার চ্যাটার্জী বলেন, ওনারা আগাম জামিনের আবেদন করেছিলেন। এদিন আদালত নির্দ্ধারিত শুনানির দিনই সেই আবেদন প্রত্যাহার করেছেন।

Bihar: কানাহাইয়াকে সামনে রেখেই কংগ্রেসের একলা লড়াই শুরু

kanhaiya kumar

নিউজ ডেস্ক: কংগ্রেস একলাই চলবে। উত্তর প্রদেশের মতো বিহারেও রিস্ক নিলেন রাহুল ও প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। রাষ্ট্রীয় জনতা দলের হাত ছাড়ল কংগ্রেস। আগেও বেশ কয়েকবার দুই দল পরস্পর বিরোধী অবস্থানে গিয়েছে। ফের জোট হয়েছে

গত বিধানসভা ভোটের আগে বিহারে আরজেডি, কংগ্রেস ও বামেদের মহাজোট হয়। এই জোট সরকার গড়তে পারেনি। তবে কংগ্রেস জোটের তরফে লড়ে তেমন সফলতা পায়নি। মহাজোটের সিপিআই (এম এল) অভাবনীয় সফলতা পায়। দলনেতা দীপঙ্কর ভট্টাচার্য দাবি করেন, কংগ্রেসকে বড়সড় আসন না ছেড়ে তাঁর দল ও বামেদের বেশি আসন বরাদ্দ করলে মহাজোট সরকার গড়ত। তখন থেকেই কংগ্রেস ও আরজেডির মধ্যে দূরত্ব বাড়তে থাকে।

সূত্রের খবর, রাহুল গান্ধীর নির্দেশে শুক্রবারই পাটনায় আসছেন কংগ্রেস নেতা কানহাইয়া কুমার। সম্প্রতি সিপিআই ছেড়ে কংগ্রেসে যোগ দেন তিনি। দল পরিবর্তনের পর এটাই তাঁর নিজ রাজ্যে কংগ্রেস নেতা হিসেবে আসা। বিহার প্রদেশ কংগ্রেস দফতরে কানহাইয়াকে নিয়ে তৈরি হয়েছে বিভিন্ন মতভেদ। অনেকেই কানহাইয়াকে মানতে পারছেন না। সূত্রের খবর, কানহাইয়ার সঙ্গে আসছেন হার্দিক প্যাটেল।

বিহারে দুটি আসন তারাপুর ও কুশেশ্বরস্থানে উপনির্বাচন। প্রদেশ কংগ্রেস জানিয়েছে, দুটি আসনেই একলা লড়াই করবে দল। বিহার কংগ্রেসের নেতা ভক্তচরণ দাস জানান, মহাজোট থেকে বেরিয়ে এসেছে কংগ্রেস। তিনি আরও জানান, আগামী লোকসভা ভোটেও রাজ্যে ৪০টি আসনে একলা লড়বে কংগ্রেস।

Bangladesh: রোহিঙ্গা ক্যাম্পে রক্তারক্তি কান্ড, পর পর পড়ছে দেহ

heavy-gun-fire-and-group-clash-at-coxsbazar-rohingya-camp

নিউজ ডেস্ক: গুলি চালিয়ে হামলা। সেই হামলায় রক্তাক্ত বাংলাদেশেপ রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবির। বেশ কয়েকজন মৃত। ঘটনাস্থল কক্সবাজারের উখিয়া। এখানেই বৃহত্তম রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে।

কক্সবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার রফিকুল ইসলাম জানান পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ। এলাকা ঘিরে রাখা হয়েছে। তিনি জানান, রোহিঙ্গা ক্যাম্পে সংঘর্ষের  ঘটনায় ছয় জনের দেহ উদ্ধার করা হয়েছে। শুক্রবার ভোরে উখিয়ার ১৮ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পে এই ঘটনা ঘটে।

রোহিঙ্গাদের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে দু পক্ষগুলি চালায়। ধারালো অস্ত্রের আঘাত করা হয়। কয়েকজন রোহিঙ্গার মৃত্যু হয় ঘটনাস্থলে। জখম হয়েছে ১০-১২ জন রোহিঙ্গা। ঘটনার পর পরই পুলিশ রোহিঙ্গা ক্যাম্পে অভিযান শুরু করেছে। 

সম্প্রতি রোহিঙ্গা ক্যাম্পে গুলি করে খুন করা হয় আন্তর্জাতিক রোহিঙ্গা নেতা মুজিবুল্লাহকে। সেই ঘটনার পরে এবার নতুন করে রক্তাক্ত শরণার্থী শিবির। তবে রোহিঙ্গা শিবিরে আগেও গোষ্ঠী সংঘর্ষ হয়েছে।

UP: বিজেপির উদ্বেগ বাড়িয়ে জোট বাঁধছে অখিলেশ-সুহেলদেব

Samajwadi Party, Suheldev Bharatiya Samaj Party all set to seal poll alliance

নিউজ ডেস্ক: আর কয়েক মাস পরেই উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচন। নির্বাচনের আগে গো-বলয়ের বৃহত্তম এই রাজ্যে যথেষ্টই চাপে রয়েছে ক্ষমতাসীন বিজেপি। রাজ্যে একের পর এক নারী নিগ্রহ, ধর্ষণের ঘটনা ছাড়াও সম্প্রতি কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিজেপি নেতা অজয় মিশ্রর ছেলে আশিস মিশ্র গাড়িচাপা দিয়ে ৪ কৃষককে খুনের ঘটনায় জড়িয়েছেন।

গাড়িচাপা দিয়ে কৃষক হত্যার এই ঘটনায় বিজেপি ঘরে-বাইরে প্রবল চাপে পড়েছে। এরই মধ্যে ভোটের ঠিক আগে বিজেপির সঙ্গে জোট ছিন্ন করে সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে জোট গড়ার কথা ঘোষণা করল ওমপ্রকাশ রাজভরের সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি।

উত্তরপ্রদেশে ভোটে আজও জাতপাতের অঙ্ক এক বড় বিষয়। নির্বাচনের আগে সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি সপার সঙ্গে যোগ দেওয়ায় রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে যেতে পারে বলে রাজনৈতিক মহলের ধারণা। এই দলটির মূলভিত্তি মূলত রাজভর সম্প্রদায়ের মধ্যে। রাজভরদের উপর বিশেষ প্রভাব রয়েছে এই দলের প্রধান ওমপ্রকাশ রাজ ভরের। রাজ্যের ১২ টি জেলায় রাজভরদের বেশ প্রভাব রয়েছে। ২০১৭ সালের বিধানসভা নির্বাচনে রাজভরদের সমর্থন পাওয়াতেই বিজেপি চমকপ্রদ ফল করেছিল।

কিন্তু এবার পরিস্থিতি একেবারেই পাল্টে গিয়েছে। রাজভর সম্প্রদায়ের ভোটকে নিজেদের কব্জায় আনতে বেশ কিছুদিন ধরেই সচেষ্ট হয়েছিলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী অখিলেশ যাদব। কিছুদিন আগে তিনি ওমপ্রকাশের সঙ্গে গোপন বৈঠক করেন। শেষ পর্যন্ত ওমপ্রকাশের দল সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে জোট গড়ে বিধানসভা নির্বাচনে লড়ার সিদ্ধান্ত নিল।

অখিলেশ এবং ওমপ্রকাশ এক যৌথ বিবৃতিতে বলেছেন, আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশকে বিজেপি মুক্ত করতে সমাজবাদী পার্টি এবং সুহেলদেব ভারতীয় সমাজ পার্টি এক জোট হয়ে লড়াই করবে। তবে কোন শর্তে ওমপ্রকাশপর দলের সঙ্গে সমাজবাদী পার্টি জোট করল তা এখনো জানা যায়নি।

উল্লেখ্য, সমাজবাদী পার্টি আগেই জানিয়েছিল এবার তারা কংগ্রেস বা বিএসপির মত কোনও বড় দলের সঙ্গে জোট করবে না। বরং রাজ্যের ছোট ছোট কিন্তু আঞ্চলিক ক্ষেত্রে প্রভাবশালী দলের সঙ্গেই তারা জোট করবে। নির্বাচনের আগে নিষাদ পার্টিও যাতে সমাজবাদী পার্টির সঙ্গে যোগ দেয় সে ব্যাপারে অখিলেশ আলোচনা চালাচ্ছেন। তবে এ বিষয়ে এখনও কোনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেইনি এই দল। উত্তরপ্রদেশে ছোট ছোট আঞ্চলিক দলগুলির কিন্তু বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। তাই সমাজবাদী পার্টি যদি এভাবে ছোট ছোট দলগুলির সঙ্গে জোট করতে পারে তবে বিজেপি যথেষ্ট উদ্বেগে পড়বে বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

 

Priyanka Gandhi: মমতার পথে কংগ্রেসের ‘বড় দাবি’ সরকার গড়লেই ছাত্রীদের স্কুটি-স্মার্টফোন

Priyanka Gandhi

নিউজ ডেস্ক: উত্তর প্রদেশে কংগ্রেস ‘মৃত’। তেমন কিছু নেই আর অবশিষ্ট। অন্তত গত লোকসভা ও বিধানসভা নির্বাচন নিরিখে এমনই মত বিশেষজ্ঞদের। কিন্তু প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে(Priyanka Gandhi) নির্বাচনে নামিয়ে চমক দিতে শুরু করেছে কংগ্রেস।

রাজ্যে কংগ্রেস সরকার গড়লে ছাত্রীদের জন্য ঢালাও স্কুটি ও স্মার্টফোন দেওয়ার ঘোষণা করলেন কংগ্রেস নেত্রী প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। রাজ্যে ৪০ শতাংশ প্রার্থী মহিলা হবেন এই ঘোষণার পরেই কিশোরী ও যুবতীদের জন্য বড়সড় দাবি করেছেন প্রিয়াঙ্কা।

প্রিয়াঙ্কা গান্ধী টুইটে লিখেছেন, কয়েকজন পড়ুয়ার সঙ্গে কথা বলেছি। তারা জানায় পড়ার জন্য স্মার্টফোন দরকারি। আমি খুশি যে ঘোষণা সমিতির সহমতিতে ইউপি কংগ্রেস সিদ্ধান্ত নিয়েছে এই রাজ্যে সরকার গড়লে ছাত্রীদের জন্য স্কুটি ও স্মার্টফোন দেওয়া হবে।

উত্তর প্রদেশে কংগ্রেসের এই নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের তৃ়ণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ে একের পর এক ঘোষণার মিল পাওয়া যাচ্ছে। তিনিও বিধানসভা ভোটের আগেই ঘোষণা করেছিলেন,রাজ্যের পড়ুয়াদের জন্য ট্যাব দেওয়া হবে। ট্যাব কেনার জন্য দ্বাদশ শ্রেণির ছাত্রছাত্রীদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকতে শুরু করেছে। তবে অনেক্ষেত্রে এসেছে অভিযোগ।

পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির সরকার গড়া রুখে দিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। এর পর থেকেই দেশে বিজেপি বিরোধী নেত্রী হিসেবে মমতা কে টি়এমসি তুলে ধরতে মরিয়া। যদিও নির্বাচন বিশ্লেষণ বলছে, কেরলে সিপিআইএমের মুখ্যমন্ত্রী বিজয়ন তাঁর রাজ্যে বিজেপিকে শূন্য করেছেন।

উত্তর প্রদেশ বিজেপির সর্বপেক্ষা শক্তিশালী ঘাঁটি। এই রাজ্যে তাদের সরকারকে ফেলতে ফের বিরোধীদের জোট হবে নাকি কংগ্রেস একলা চলবে সেটি আলোচিত। তবে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী প্রচারে ঝড় তুলতে শুরু করেছেন।

Japan: কিমের মিসাইল উড়ে আসছে দেখে কুঁকড়ে গেল জাপান

ballistic missile kim

নিউজ ডেস্ক: কিম ছুঁড়েছে মিসাইল। মনের আনন্দে তার ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা চলছে। উত্তর কোরিয়ার সর্ববময় শাসকের নির্দেশে সেই ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে এসে পড়ছে জাপানের সমুদ্র সীমান্তে। জাপানি জনগণ আতঙ্কিত।কূটনৈতিক উত্তেজনা চরমে উঠেছে।

বিবিসি জানাচ্ছে, কোরীয় উপদ্বীপের চলতে থাকা উত্তেজনা কমাতে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিওলে বৈঠক হবে। এতে অংশ নিচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, জাপান এবং দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা প্রধানরা। বৈঠকের আগেই উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র উড়ে আসতে শুরু করেছে।

আলজাজিরা জানাচ্ছে পরপর ক্ষেপণাস্ত্র চালাতে শুরু করেছে উত্তর কোরিয়া। জাপান টাইমসের খবর,  ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার উৎসবে মেতেছে উত্তর কোরিয়া। গত এক সপ্তাহেরও বেশি সময় ধরে বিভিন্ন পাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়ে যাচ্ছেন কিম জং উন।

বিবিসি জানাচ্ছে, ক্রুজ মিসাইল থেকে শুরু করে হাইপারসনিক মিসাইল, বিমান বিধ্বংসী ক্ষেপণাস্ত্রের পর এবার ফের সাবমেরিন থেকে ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালাল উত্তর কোরিয়া।

উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ  এই ছবি প্রকাশ করেছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশের পূর্ব উপকূলে অবস্থিত প্রধান সাবমেরিন ঘাঁটি থেকে ওই ক্ষেপণাস্ত্রটি প্রায় ৬০ কিলোমিটার উচ্চতায় উঠে, সাড়ে ৪০০ কিলোমিটার দূরে জাপান সাগরে গিয়ে পড়ে।

কিম জং উন সম্প্রতি ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় বিশেষ মনোযোগী। তাঁর এই ভূমিকায় চিন্তিত বন্ধু দেশ চিন।পর পর ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় আঞ্চলিক নিরাপত্তায় পিয়ংইয়ংকে সংযত হতে আহ্বান জানিয়েছে বেজিং। চিন সরকার জানায়, উত্তর কোরিয়ার ধারাবাহিক ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার বিষয়টি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। পরিস্থিতি জটিল আকার ধারন করছে।

অন্যদিকে জাপানে তীব্র শোরগোল। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জাপান সরকার তাদের নৌবাহিনীকে সতর্ক থাকতে বলেছে। জাপানের সমুদ্র সীমায় উত্তর কোরিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র এসে পড়ায় টোকিও প্রবল প্রতিবাদ জানায়।

লখিমপুরের ঘটনার তদন্তকে কি আপনারা ছেলেখেলা মনে করছেন, যোগী সরকারকে প্রশ্ন প্রধান বিচারপতির

Lakhimpurkheri

নিউজ ডেস্ক: লখিমপুর খেরির ঘটনায় উত্তর প্রদেশ সরকারকে ফের তীব্র ভৎসনা করল সুপ্রিম কোর্ট। ৩ অক্টোবর লখিমপুরে ৪ কৃষক সহ ৮ জনের মৃত্যু নিয়ে উত্তর প্রদেশ সরকারের তদন্তে শীর্ষ আদালত যে খুশি নয় সে কথা আগেই জানিয়েছে। এবার লখিমপুরের ঘটনায় রিপোর্ট জমা দিতে দেরি করায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করল সর্বোচ্চ আদালত। বুধবারের শুনানিতে শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ উত্তরপ্রদেশ সরকারকে লক্ষ্য করে বলে, “দয়া করে এবার আপনারা পা ঘষে চলার অনুভূতিটা বাদ দিন।”

৩ অক্টোবর উত্তরপ্রদেশের লখিমপুরে আন্দোলনরত কৃষকদের উপর বিজেপি নেতা তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অজয় মিশ্রর ছেলে আশিস মিশ্র গাড়ি চালিয়ে দেওয়ায় ৪ কৃষক সহ ৮ জনের মৃত্যু হয়। সেই ঘটনায় জনস্বার্থ মামলার দ্বিতীয় দিনের শুনানি ছিল বুধবার।

এদিন শুনানি শুরু হলে লখিমপুরের ঘটনার রিপোর্ট দেরিতে জমা দেওয়ার জন্য শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ উত্তরপ্রদেশ সরকারকে তীব্র ভৎসনা করে। প্রধান বিচারপতি এনভি রামান্না বলেন, “আমরা রিপোর্টের জন্য মঙ্গলবার রাত ১টা অবধি অপেক্ষা করেছি। কিন্তু কোনও রিপোর্টই জমা পড়েনি। আপনারা কি বিষয়টাকে ছেলেখেলা মনে করছেন। ” বিচারপতি হিমা কোহলি বলেন, “আমাদের মনে হচ্ছে আপনারা পা ঘষে চলছেন। দয়া করে এই মনোভাব ছাড়ুন।”

প্রধান বিচারপতির প্রশ্নের জবাবে যোগী আদিত্যনাথ সরকারের আইনজীবী হরিশ সালভে বলেন, বুধবার এই রিপোর্ট জমা দেওয়া হয়েছে। সালভের ওই বক্তব্যের সঙ্গে সঙ্গেই প্রধান বিচারপতি ফের প্রশ্ন করেন, “যদি শুনানি শুরু হওয়ার কয়েক মিনিট আগে আপনারা রিপোর্ট জমা দেন, তবে আমরা ওই রিপোর্ট কীভাবে পড়ব? শুনানির অন্তত একদিন আগে রিপোর্ট জমা দেবেন, এটা তো আশা করা যায়। আমরা তো মুখ বন্ধ খামে রিপোর্ট চাইনি।” রিপোর্ট জমা দিয়ে আইনজীবী সালভে শুক্রবার শুনানির জন্য আবেদন জানান। প্রধান বিচারপতি অবশ্য সাফ জানিয়ে দেন, তাঁরা আজই রিপোর্ট পড়বেন। ২৬ অক্টোবর এই মামলার পরবর্তী শুনানি রয়েছে।

ওই দিন রাজ্য সরকারকে ফের একটি রিপোর্ট জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে প্রধান বিচারপতি রামান্নার নেতৃত্বাধীন বেঞ্চ। শীর্ষ আদালত তার নির্দেশে জানিয়েছে, লখিমপুরের ঘটনায় কাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, এবং কী কারণে তাদের গ্রেফতার করা হয়েছে, সে সম্পর্কে বিস্তারিত তথ্য ওই রিপোর্টে জানাতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই সমস্ত সাক্ষীদের বয়ান রেকর্ড করার নির্দেশও দিয়েছে শীর্ষ আদালত। একই সঙ্গে বেঞ্চ বলেছে, “এটা যেন কোনও অসমাপ্ত গল্পে পরিণত না হয় সে দিকে খেয়াল রাখবেন।”

এদিন শুনানি চলাকালীন শীর্ষ আদালতের বেঞ্চ উত্তরপ্রদেশ সরকারের কাছে জানতে চায়, “লখিমপুরের ঘটনায় আপনারা বলেছিলেন ১৬৪ জন সাক্ষী রয়েছে। তাদের মধ্যে মাত্র ৪৪ জনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। তা হলে বাকিদের সাক্ষ্য কোথায় গেল?” জবাবে আইনজীবী সালভে বলেন, “জিজ্ঞাসাবাদের প্রক্রিয়া এখনও চলছে। দুটি অপরাধের কারণে সমস্ত প্রধান অভিযুক্তকেই গ্রেফতার করা হয়েছে।

প্রথম অপরাধ হল গাড়ির ধাক্কা দিয়ে সাধারণ মানুষকে মারা। দ্বিতীয় অপরাধ হল, গাড়িতে থাকা দুইজনকে মারধর করে হত্যা করা। ঘটনাস্থলে বিপুল ভিড় থাকায় তদন্তে কিছুটা সমস্যা হচ্ছিল।” সালভের জবাবে সুপ্রিম কোর্টের বেঞ্চ পাল্টা বলে, “পুলিশ সাক্ষীদের সকলকে জিজ্ঞাসাবাদ না করলে আমরা সমস্ত তথ্য জানতে পারব না। তাই এটা যেন কোনওভাবেই অসমাপ্ত গল্পে পরিণত না হয় সে দিকে সতর্ক থাকবেন।” ২৬ অক্টোবর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন সরকারের তরফে পরবর্তী রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে।

Subramanian Swamy: বাংলাদেশের হিংসার ঘটনায় মোদি সরকার নীরব কেন, প্রশ্ন বিজেপি সাংসদ স্বামীর

Narendra Modi Subramanian Swamy

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হিংসা নিয়ে এবার সরাসরি নরেন্দ্র মোদি সরকারকে আক্রমণ করলেন বিজেপির বিক্ষুব্ধ সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামী (Subramanian Swamy)। দলের এই সাংসদের প্রশ্ন, বাংলাদেশের সাম্প্রদায়িক হিংসা নিয়ে কেন্দ্রীয় সরকার নীরব কেন? এই মৌনতার কারণ কী? ভারত সরকার এখন কি বাংলাদেশকেও ভয় পাচ্ছে?

বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক হিংসা তথা অসংখ্য হিন্দু পরিবারের আক্রান্ত হওয়ার ঘটনার পর প্রায় এক সপ্তাহ কেটে গিয়েছে। এখনও বাংলাদেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ছোটখাট হিংসার ঘটনা সামনে আসছে। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এই হিংসার প্রতিবাদ জানানো হয়েছে। বুদ্ধিজীবীরাও সরব হয়েছেন। রাষ্ট্রসংঘও এক বিবৃতিতে বাংলাদেশের ঘটনার নিন্দা করেছে। কিন্তু এই হিংসা নিয়ে কেন্দ্রের নরেন্দ্র মোদি সরকার একটি শব্দও খরচ করেনি। এমনকী, তথাকথিত হিন্দুত্ববাদী দল হিসাবে পরিচিত বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব বাংলাদেশের ঘটনায় নীরব দর্শক।

পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির নেতারা বাংলাদেশের ঘটনা নিয়ে অল্প-বিস্তর প্রতিবাদ জানালেও দলের সর্বভারতীয় স্তরের কোনও শীর্ষ নেতাকেই এ ঘটনায় মুখ খুলতে দেখা যায়নি। যা নিয়ে এবার দলের অন্দরেই কটাক্ষের শিকার হতে হল কেন্দ্রের মোদি সরকারকে। বিজেপির রাজ্যসভা সাংসদ সুব্রহ্মণ্যম স্বামী এদিন বলছেন,”বাংলাদেশে হিন্দুদের হত্যা হচ্ছে। ভেঙে দেওয়া মন্দির ও দেবতার মূর্তি। এ নিয়ে বিজেপি কেন প্রতিবাদ করছে না? মোদি সরকার কি এখন বাংলাদেশকেও ভয় পাচ্ছে? লাদাখে সীমান্ত পেরিয়ে চিন আমাদের দেশে ঢুকে পড়ছে। আফগানিস্তানে তালিবান আমাদের ভয় দেখাচ্ছে। ওদের ভয়ে আমরা জঙ্গিগোষ্ঠীর সঙ্গে আলোচনায় বসতে বাধ্য হচ্ছি। এরপর কি আমরা নেপাল, ভুটান মালদ্বীপকেও ভয় পাব?”

স্বামী এর আগেও একাধিক বিষয়ে কেন্দ্রের বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন। মোদির আর্থিক নীতির তীব্র বিরোধী হিসাবেই চিহ্নিত স্বামী। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, বাংলাদেশের হিংসার মতো জ্বলন্ত ইস্যুতে স্বামীর এই আক্রমণ মোদি সরকারকে নিশ্চিতভাবেই অস্বস্তিতে ফেলবে। দল হিসাবে বিজেপি যেমন বাংলাদেশের ঘটনা নিয়ে চুপ করে আছে, তেমনই মোদি সরকারও এ বিষয়ে তার অবস্থান স্পষ্ট করেনি। ভারত সরকারের কোনও শীর্ষ কর্তাকেও সেভাবে বাংলাদেশের ঘটনার নিন্দা করতে দেখা যায়নি ।

গত সপ্তাহে এক বিবৃতিতে বিদেশমন্ত্রক জানিয়েছে, “সম্প্রতি বাংলাদেশের কিছু ধর্মীয় অনুষ্ঠানে অপ্রত্যাশিত কিছু ঘটনার খবর আমরা পেয়েছি। তবে আমরা এটাও লক্ষ্য করেছি যে, বাংলাদেশ সরকার ওই ঘটনায় দ্রুত যথাযথ ব্যবস্থা নিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনেছে।” রাজনৈতিক মহল মনে করছে, বাংলাদেশের ঘটনা নিয়ে মোদি সরকার ধরি মাছ না ছুঁই পানি অবস্থান নিয়েছে। সে কারণেই সরকার বাংলাদেশের ঘটনায় কোনও কড়া প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

৪০ শতাংশ আসনে মহিলা প্রার্থী দেওয়ার পথিকৃত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, জানতেন না প্রিয়াঙ্কা

Mamata Banerjee Priyanka Gandhi

নিউজ ডেস্ক, নয়াদিল্লি: উত্তর প্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনে ৪০ শতাংশ আসনে মহিলা প্রার্থী দেওয়ার কথা ঘোষণা করে আত্মতুষ্টিতে ভুগছিলেন কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক প্রিয়াঙ্কা গান্ধী। প্রিয়াঙ্কা দাবি করেন, কংগ্রেস এক ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কিন্তু প্রিয়াঙ্কার সেই ভুল ভাঙতে বিশেষ সময় লাগেনি।

কংগ্রেস নেত্রীকে জানিয়ে দেওয়া হয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অনেক আগেই এই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়িত করেছেন। ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৪১ শতাংশ আসনে মহিলা প্রার্থী দিয়েছিলেন। বর্তমান সংসদে তৃণমূল কংগ্রেসের ৪১ শতাংশ মহিলা সাংসদ আছেন। তাই ৪০ শতাংশ আসনে মহিলা প্রার্থী দেওয়ার কথা ঘোষণা করে নতুন কোনও সিদ্ধান্ত নেয়নি কংগ্রেস বা প্রিয়াঙ্কা। বরং কংগ্রেস তৃণমূল কংগ্রেসের দেখানো পথেই হেঁটেছে।

তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ কাকলি ঘোষ দস্তিদার বলেছেন, পুরোসভা এবং পঞ্চায়েত ভোটে তৃণমূল ৫০ শতাংশ আসনে মহিলাদেরই প্রার্থী করে থাকে। চলতি বছরে বিধানসভা নির্বাচনেও তৃণমূল কংগ্রেস প্রচুর মহিলা মহিলা প্রার্থী দিয়েছিল। তাই প্রিয়াঙ্কা যেটা করছেন তার মধ্যে নতুন কিছু নেই। বলা যেতে পারে তিনি তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দেখানো পথই অনুসরণ করেছেন। তবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে মহিলা প্রার্থী দেওয়ার ক্ষেত্রে অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছেন সে কথা জানতে পেরে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন প্রিয়াঙ্কা। তিনি বলেছেন, মমতাজি খুব ভালো কাজ করেছেন।

তৃণমূল কংগ্রেস ছাড়াও ওড়িশার শাসকদল বিজু জনতা দলও গত লোকসভা নির্বাচনে এক তৃতীয়াংশ আসনে মহিলা প্রার্থী দিয়েছিল। ২০১৯-এর লোকসভা নির্বাচনে রাজ্যের ২১টি লোকসভা কেন্দ্রের মধ্যে সাতটিতে মহিলা প্রার্থী দিয়েছিল বিজেডি।

মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বরাবরই নারীদের ক্ষমতায়নের পক্ষে সওয়াল করে এসেছেন। আমজনতার কাছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজেদের কাছের মানুষ হিসেবেই পরিচিত। মুখ্যমন্ত্রীর মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও এখনও তিনি জেলা সফরে গিয়ে হুটহাট ঢুকে পড়েন গৃহস্থের হোঁশেলে। মা, মাসিমা সম্মোধন করে কথা বলেন মহিলারা মহিলাদের সঙ্গে। এমনকী চায়ের দোকানে ঢুকে তিনি দোকানদারকে সরিয়ে নিজের হাতে চা করেন।

পদস্থ সরকারি আধিকারিক-সহ সঙ্গে থাকা সাংবাদিকদের তিনি নিজের হাতে সেই চা পরিবেশন করেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যা করেন সেটাই যে প্রথম এ ব্যাপারে রাজনৈতিক মহল নিশ্চিত। রাজনৈতিক মহল মনে করছে, বর্তমানে দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দল মমতাকে অনুসরণ করে এগুনোর চেষ্টা করছে। তাই ৪০ শতাংশ আসনের মহিলা প্রার্থী দিয়ে প্রিয়াঙ্কা যে আত্মসন্তুষ্টির কথা জানিয়েছিলেন মমতার কাছে তা ভোঁতা হয়ে গিয়েছে। রাজনৈতিক মহল একবাক্যে জানিয়েছে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ যা করেন গোটা দেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা অনেক পরে সেটা করেন।

অন্যদিকে বিজেপি অবশ্য কংগ্রেসের এই সিদ্ধান্তকে যথারীতি কটাক্ষ করেছে। বিজেপি দাবি করেছে, কংগ্রেস যখন ক্ষমতায় থাকে তখন মহিলাদের কথা তাদের মাথায় থাকে না। এখন ক্ষমতা পাওয়ার জন্য তারা মরিয়া হয়ে উঠেছে। সে কারণেই এই সিদ্ধান্ত কংগ্রেসের।

Bangladesh: তিস্তাপারে আতঙ্ক, বাংলাদেশে বিস্তির্ণ এলাকায় বন্যা পরিস্থিতি

teesta-river-flood

নিউজ ডেস্ক: হিমালয়ে অতিবৃষ্টির কারণে ভারত থেকে প্রবল গতিতে তিস্তার জল প্রবেশ করছে বাংলাদেশে। ফলে আন্তর্জাতিক এই নদীর মোহনা অঞ্চলে তৈরি হয়েছে বন্যা পরিস্থিতি।

তিস্তার নিম্নাঞ্চল জলমগ্ন। হঠাৎ নদীর জল বেড়ে যাওয়ায় তিস্তাপারের মানুষজনের মধ্যে চরম আতঙ্ক।

বাংলাদেশের জলসম্পদ বিভাগ বা ‘পানি উন্নয়ন বোর্ড’ (পাউবো) জানাচ্ছে, উজান এলাকায় অতিবৃষ্টিতে তিস্তা নদীর জল বৃদ্ধি পেয়ে লালমনিরহাটের নদীতীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। তিস্তা ব্যারেজ পয়েন্টে  বিপদসীমার ৬০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে জলপ্রবাহ।

আরও পড়ুন: Sikkim: প্রবল বৃষ্টিতে ভয়ঙ্করী তিস্তা, গ্যাংটক-শিলিগুড়ি যোগাযোগ ভাঙছে

 

north-bengal-rain‘পাউবো’ আরও জানিয়েছে, তিস্তার জলস্তর বৃদ্ধির ফলে তিস্তা ব্যারেজের ৪৪টি স্লুইস গেট খুলে দিতে হয়। ব্যারেজ এলাকায় সর্তকতা জারি করা হয়েছে।নীলফামারীর ডিমলা উপজেলার পূর্বছাতনাই, টেপাখড়িবাড়ী, খগাখড়িবাড়ী, খালিশা চাপানি, ঝুনাগাছ চাপানি  ও গয়াবাড়ী ইউনিয়নের ১৫টি চর প্লাবিত। অনেক এলাকার ফসলি জমি তলিয়ে গেছে।

তিস্তা নদীর উৎস উত্তর সিকিমের হিমালয়ে।   সিকিমের রাংপো পশ্চিমবঙ্গের তিস্তাবজার উভয় রাজ্যের সীমানা নির্দেশ করছে এই নদী।  পশ্চিমবঙ্গ পেরিয়ে বাংলাদেশের রংপুর জেলার মধ্যে দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে তিস্তা নদী। রংপুর, কুড়িগ্রাম এবং গাইবান্ধা জেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে চিলমারী নদীবন্দরের দক্ষিণে ব্রহ্মপুত্র নদে মিশেছে তিস্তা। এই নদীর  দৈর্ঘ্য ৩১৫ কিলোমিটার। এর দুশো কিলোমিটার ভারতে আর  ১১৫ কিমি বাংলাদেশ ভূখন্ডে অবস্থিত।